এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

সংক্ষিপ্ত রূপ (abbreviation) এবং তাদের অর্থ (মানে)  বাংলা 

 সংক্ষিপ্ত রূপ (abbreviation) এবং তাদের অর্থ (মানে)  বাংলা 


---


A:


AQL: Acceptable Quality Level — গ্রহণযোগ্য গুণগত মানের স্তর


APS: Approved Production Sample — অনুমোদিত উৎপাদন নমুনা


APD: Asia Pacific Division — এশিয়া প্যাসিফিক বিভাগ


AMA: Asia Middle East Africa — এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা


B:


BOM: Bill of Material — উপকরণের তালিকা


C:


CS: Commercial Sample — বাণিজ্যিক নমুনা


CAPA: Corrective and Preventive Action — সংশোধন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা


CAP: Corrective Action Plan — সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা


CWRF: Concession or Waiver Request Form — ছাড় বা অব্যাহতির অনুরোধ ফরম


COO: Country of Origin — উৎপত্তির দেশ


CIL: Chemical Information Log — রাসায়নিক তথ্য নথি


CTP: Critical To Production — উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ


CTQ: Critical To Quality — গুণগত মানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ


C-TPAT: Custom Trade Partnership Against Terrorism — সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাস্টম ট্রেড অংশীদারিত্ব


CPA: Critical Process Area — গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া এলাকা


CTL: Consumer Testing Laboratories — ভোক্তা পরীক্ষাগার


CRD: Cargo Receive Date — পণ্য গ্রহণের তারিখ


CSC: Customer Service Center — গ্রাহক সেবা কেন্দ্র


CARTS: Contactor Activities Reporting Trucking Shipping — কন্ট্রাক্টর কার্যক্রমের ট্রাকিং রিপোর্টিং


COPQ: Cost of Poor Quality — নিম্নমানের খরচ


DMF: Data Measurement Form — তথ্য পরিমাপ ফরম


DHU: Defects per Hundred Units — প্রতি শত ইউনিটে ত্রুটি


DC: Distribute Center — বিতরণ কেন্দ্র


E:


EDP: Electric Data Process — বৈদ্যুতিক তথ্য প্রক্রিয়া


ER: Evaluation Report — মূল্যায়ন প্রতিবেদন


F:


FOP: First Of Production — উৎপাদনের প্রথম


FFC: Fabric Finish Code — কাপড়ের সমাপ্তি কোড


FOB: Freight on Board — বোর্ডে পণ্য পরিবহন খরচ


FTL: Finish Tolerance Limit — সমাপ্তি সহনশীলতার সীমা


FLA: Final Line Assortment — চূড়ান্ত লাইনের বিন্যাস


FPT: Fabric Package Test — কাপড়ের প্যাকেজ পরীক্ষা


G:


GMI: Global Men's Initiative — বৈশ্বিক পুরুষদের উদ্যোগ


GWI: Global Women's Initiative — বৈশ্বিক নারীদের উদ্যোগ


GCR: Garment Check Recommendation — পোশাক পরিদর্শন সুপারিশ


GPPTL: Global Per-Production Tracking Log — গ্লোবাল প্রি-প্রোডাকশন ট্র্যাকিং লগ


GPT: Garment Package Test — পোশাক প্যাকেজ পরীক্ষা


I:


ISD: International Shipping Destination — আন্তর্জাতিক প্রেরণ গন্তব্য


K:


KPI: Key Performance Indicator — মূল কর্মক্ষমতা নির্দেশক


L:


LSA: Levi Strauss America — লেভি স্ট্রাউস আমেরিকা


LSE: Levi Strauss Europe — লেভি স্ট্রাউস ইউরোপ


LACL: Levi Strauss & Co. Latin America (Affiliate) — লেভি স্ট্রাউস ও কোং লাতিন আমেরিকা (সহযোগী)


---


M:


MSRP: Maximum Selling Retail Price — সর্বোচ্চ বিক্রয় খুচরা মূল্য


MCPR: Monthly Contractor Performance Report — মাসিক ঠিকাদার পারফরম্যান্স রিপোর্ট


MFO: Made For Outlet — আউটলেটের জন্য প্রস্তুত


MRP: Manufacturing Ready Package — প্রস্তুত উৎপাদন প্যাকেজ


NQA: Nominated Quality Auditor — মনোনীত মান নিরীক্ষক


O:


OQL: Observation Quality Level — পর্যবেক্ষণ গুণগত স্তর


OOT: Out Of Tolerance — সহনশীলতার বাইরে


PC: Product Code — পণ্যের কোড


PER: Product Engineering Review (Meeting) — পণ্য প্রকৌশল পর্যালোচনা (সভা)


PPS: Pre-Production Sample — উৎপাদনের পূর্বের নমুনা


PPM: Pre-Production Meeting — উৎপাদনের পূর্ব সভা


P:


PO: Purchase Order — ক্রয় আদেশ


POM: Point of Measurement — মাপজোকের স্থান


PDS: Product Developer Service — পণ্য উন্নয়ন সেবা


QMP: Quality Management Program — গুণগত ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম


R:


RCA: Root Cause Analysis — মূল কারণ বিশ্লেষণ


R & R: Repeatability & Reproducibility — পুনরাবৃত্তি ও পুনঃউৎপাদনযোগ্যতা


RFID: Radio Frequency Identification Detector — রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি শনাক্তকরণ যন্ত্র


RSL: Restricted Substances List — সীমিত পদার্থের তালিকা


RFT: Right First Time — প্রথমবারেই সঠিক


SAR: Source Audit Report — সোর্স অডিট রিপোর্ট


S:


SAS-PCR: South Asia Sourcing - Product Control Reference — দক্ষিণ এশিয়া সোর্সিং - পণ্য নিয়ন্ত্রণ রেফারেন্স


SAP: Systems Applications Processing (Product in Data) — সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসিং


SPI: Stitches Per Inch — প্রতি ইঞ্চিতে সেলাই সংখ্যা


SSS: Size Set Sample — আকার নির্ধারিত নমুনা


SG: Sundry Grids — বিবিধ গ্রিড


SOP: Standard Operating Procedure — মানক পরিচালন পদ্ধতি


SMV: Standard Minute Value — মানক মিনিট মূল্য


SDS: Sundries Detail Sheet — বিবিধ বিস্তারিত শিট


SF: San Francisco — সান ফ্রান্সিসকো


SKU: Store Keeping Unit — দোকান সংরক্ষণের একক


SAS: South Asia Sourcing (Region) — দক্ষিণ এশিয়া সোর্সিং (অঞ্চল)


SS: Seam Standard — সেলাই মান


TSM: Technical Services Manager — কারিগরি পরিষেবা ব্যবস্থাপক


U:


UVM: Universal Vendor Mark — সার্বজনীন বিক্রেতার চিহ্ন


UPC: Unit Product Code — ইউনিট পণ্যের কোড


VAS: Value Added Services — মূল্য সংযোজিত সেবা


VQS: Vendor Quality Scorecard — বিক্রেতার গুণগত মানের স্কোরকার্ড


WIP: Work In Process — চলমান কাজ


UBT: Under Bed Trimmer — আন্ডার বেড ট্রিমার


UOM: Unit of Measure — মাপের একক


Z:


ZT: Zero Tolerance — শূন্য সহনশীলতা

উত্তমকুমারের শেষ ডায়েরির অপ্রকাশিত গল্প

 উত্তমকুমারের শেষ ডায়েরির অপ্রকাশিত গল্প


বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক উত্তমকুমার শুধু অভিনয়েই নয়, নিজের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতাতেও ছিলেন অতুলনীয়। অভিনয়ের ফাঁকে তিনি ডায়েরি লিখতেন, যেখানে ফুটে উঠত তাঁর মনের কথা, কাজের খুঁটিনাটি।


১৯৮০ সালের এক সন্ধ্যায় উত্তমকুমারের পুরনো ব্রিফকেস ঘেঁটে পাওয়া যায় একটি বিবর্ণ খয়েরি ডায়েরি। হয়তো কোনও একসময় তার গায়ে লেগেছিল নতুনত্বের দীপ্তি, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধুলোবালি, অন্ধকার আর একাকীত্ব তার শরীরের ঔজ্জ্বল্য কেড়ে নিয়েছিল।


ডায়েরির পাতাগুলো উল্টাতে উল্টাতে ধরা পড়ে এক বিস্ময়কর তথ্য—

এই ছিল উত্তমকুমারের শেষ শুটিং ডায়েরি। সালটা ১৯৮০।


নতুন বছরের শুটিং শুরু


পয়লা জানুয়ারি, ১৯৮০। পৌষ মাসের হিমেল মঙ্গলবার। বছরের প্রথম দিনেই উত্তমকুমার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান 'ওগো বধূ সুন্দরী' ছবির জন্য।

পরিচালক সলিল দত্তের প্রাণবন্ত স্ক্রিপ্টে কাজ করে প্রবল আনন্দ পাচ্ছিলেন তিনি। টানা ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল সেই শুটিং।


এর ফাঁকেই উত্তম সময় বের করেন আরেক গুণী পরিচালক তপন সিংহের জন্য।

সেই তপন সিংহ, যাঁর সাথে উত্তমকুমার এর আগে কাজ করেছিলেন 'ঝিন্দের বন্দী' (১৯৬১) এবং 'জতুগৃহ' (১৯৬৪)-তে। বহুদিন পর আবার একসঙ্গে কাজ করার সুযোগে উত্তম ছিলেন রীতিমত উচ্ছ্বসিত।


তপন সিংহ তাঁকে ভেবেছিলেন 'বাঞ্ছারামের বাগান' ছবির জন্য।

চরিত্রটি ছিল এক লোভী অথচ করুণ জমিদারের— উত্তমকুমারের জন্য একেবারে আলাদা এক চ্যালেঞ্জ।


ডেটও ঠিক হয়ে গিয়েছিল—

৯ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা শুটিং।


হঠাৎ সব ভেঙে যায়


কিন্তু ডায়েরির পাতায় দেখা গেল, এই ছবির নাম হঠাৎ করেই কেটে দেওয়া!

তার জায়গায় ঢুকে পড়েছে আরেক ছবি, 'রাজাসাহেব'।


কী এমন ঘটেছিল যে উত্তমকুমার, যিনি ডেট দিয়েও উত্তেজনায় চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ করে সেই ছবিটা আর করলেন না?


উত্তম নিজে ডায়েরিতে এ ব্যাপারে কিছু লেখেননি। তবে পুরো কাহিনী জানতেন তাঁর জীবনের একান্ত সঙ্গী সুপ্রিয়া দেবী।


সুপ্রিয়া দেবীর বর্ণনায় সেই সন্ধ্যা


সুপ্রিয়া দেবী জানান, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে, এক সন্ধ্যায় ময়রা স্ট্রিটের তাঁদের বাড়িতে কয়েকজন আগন্তুক হাজির হন।

তাঁরা এসেই রুক্ষভাবে দাবি করেন— 'বাঞ্ছারামের বাগান'-এর স্ক্রিপ্টটা ফেরত দিতে হবে।


সুপ্রিয়া বললেন,

"স্ক্রিপ্ট তখন উত্তমের কাছে, বেলভিউ নার্সিং হোমে।

না, অসুস্থতার জন্য নয়— উত্তম সেখানে একটি স্যুইট ভাড়া নিয়েছিলেন, একাকী বসে চিত্রনাট্য পড়ার জন্য, চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করার জন্য।"


যখন সুপ্রিয়া দেবী আগন্তুকদের প্রশ্ন করেন কেন স্ক্রিপ্ট ফেরত, উত্তর আসে:

"তপনবাবু উত্তমকুমারকে বাদ দিয়েছেন।"


শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি।

সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেন তপন সিংহকে।


তপনবাবুর উত্তর ছিল পরিষ্কার:


> "চিত্রনাট্য ফেরত দিয়ে দাও। উত্তম তো এখন হার্ট পেশেন্ট। আমি নিজেও হার্টের রোগী। আমি আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। তাই দীপঙ্কর দেকে কাস্ট করেছি।"


সুপ্রিয়া দেবী কান্নাভেজা গলায় অনুনয় করেন:


> "তপনদা, এটা করবেন না। উত্তম কতটা চেষ্টা করছে এই চরিত্রের জন্য, এই আঘাত সে সহ্য করতে পারবে না।"


কিন্তু তপনবাবু ছিলেন অনড়।


উত্তমকুমারের নিঃশব্দ যন্ত্রণা


পরদিন বেলভিউ নার্সিং হোমে গিয়ে সুপ্রিয়া দেবী উত্তমকুমারকে সমস্ত ঘটনা জানান।

উত্তমকুমার কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকেন।

তারপর স্ক্রিপ্টের খাতা বিছানায় ছুঁড়ে ফেলে দেন।

চোখেমুখে ফুটে ওঠে গভীর আঘাত, অসহায়তা।

একবার তো রাগের মাথায় বলেই ফেলেছিলেন—

"আমি মানহানির মামলা করব। উকিল ডাকো!"


কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেকে সামলান।

পরদিনই তিনি নার্সিংহোম ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন।


নতুন অধ্যায়ের শুরু


যন্ত্রণা বুকের মধ্যে পুষে নিয়েও থেমে থাকেননি উত্তমকুমার।

৯ জানুয়ারি থেকেই তিনি শুরু করেন নতুন ছবির শুটিং— 'রাজাসাহেব'।

টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে একটানা কাজ করতে থাকেন।


স্টুডিওতে ঢোকার সময় পাশেই থাকত তপন সিংহের ঘর।

উত্তমকুমার গম্ভীর মুখে সেই ঘরের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতেন, কখনও মুখ ফিরিয়ে তাকাতেন না।

কিন্তু কাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতায় বিন্দুমাত্র ঘাটতি আসেনি।

দুপুর-রাত পরিশ্রম করে গেছেন, যেন নিজের হৃদয়ের ব্যথাকে অভিনয়ের মধ্যে ঢেলে দিতে চাইতেন।


অপ্রকাশিত যন্ত্রণার দলিল


"বাঞ্ছারামের বাগান" মুছে যায় উত্তমকুমারের শেষ ডায়েরি থেকে।

তবে থেকে যায় সেই ব্যথার স্মৃতি।

পাশাপাশি লেখা থাকে জীবনভর অধ্যবসায়ের, মাটির কাছাকাছি থাকা এক মহান শিল্পীর চুপিসারে সহ্য করে চলার কথা।

সংগৃহীত

একটা আফসোস আর হিসেব-না-মেলা জীবনই না হয় হতো!

 একটা আফসোস আর হিসেব-না-মেলা জীবনই না হয় হতো!

পদে পদে যার ভুল বোঝাবুঝি'র অবাক করা গল্প বুনে রাখা!

রান্নাঘরে' পাতিলের পানিতে,জিই'য়ে রাখা শোল মাছ গুলো,

না হয় স্বাক্ষী থেকে শুনেই যেতো রাতভর তর্কাতর্কির পুঁথি!

বাজারের ব্যাগ ছুঁড়ে দিয়ে চোখে চোখে লাগতো বিশ্বযুদ্ধ!

এমন রেষারেষিই না হয় চালু রাখতাম মাসের পর মাস!

অহংবোধ পুষে দুজনের'ই বন্ধু হয়ে যেতো...একাকীত্ব!

এরপর শুধু তারিখে তারিখে নেমে আসতো শীতবৃষ্টি!

পাথর-স্মৃতির ঐ বোঝাই না হয় বইতাম হাসি মুখে!

বিছানা গোছাতে গিয়ে গলা ধরে আসতো বারবার!

কাছের বন্ধুরা না হয় হয়ে যেতো জীবন্ত ডাকঘর!

দুজন দু'জনের খোঁজ রাখতাম ওদের মুখে মুখে!

এভাবে বহুদিন যাবার পর ওরাও হাল ছাড়তো!

নিঃসঙ্গতা সাঁতার কাটতে ডাকতো যখন তখন!

না হয় ক্ষোভ জমিয়ে রেখে শত্রুই হতাম শেষে!

জিততে গিয়ে না হয় বারবার হারতাম দুজনই!

ছেলেমানুষী করে বুঝে যেতাম এভাবে হবে না!

ভুলে যেতে হলে সহস্র মানব জনম প্রয়োজন!

না হয় সে তাগিদেই একটা অরণ্য কিনতাম!

হতাম না হয় কবি দুজনের কেউ একজন!

এরপর আমাদের দেখা হতো বিষাদরণ্যে!

কলাপাতায় ভাত মেখে খেতাম সেখানে!

গাছের উপরে সংসার শুরু হতো ফের!

গোলপাতার বালিশ মুছে দিত ক্লান্তি!

শামুক হতো মিষ্টি পানির জলাধার!

কেওড়ার পাতা কম্বল হতো শীতে!

এভাবেও তো হতো কাছে থাকা!

না হয় এটুকুই হতো গল্প শেষে!

হিসেব-না-মেলা পরাবাস্তবেই

না হয় থেকে যেতাম দুজনে!

এই চাওয়াটা কি খুব বেশী!

জানলে কি আর নামতাম!

দেউলিয়াত্বের এ খেলায়!

যেখানে আশ্রয়হীনতা-ও

সাথে থাকেনা কারোর!

সাথে থাকে শুধু সহস্র

অজস্র না হতে পারা

তুমি আর আমিরা!

যাদের কেউ নেই

অক্ষরে শব্দেও

যারা খাদহীন

অটুট একা!

ঐশ্বরিক!

শূন্য!


━━━━━━━━━━━━

ঐশ্বরিক শূন্য

জামিল হাদী


| ' বেদুঈন মাস্তুল '  বইয়ের কবিতা | ২০২১ |

একটি বিশেষ সতর্কতা!!

 একটি বিশেষ সতর্কতা!!


মোবাইল নম্বরের প্রথম ডিজিট গুলো ০১৩২০ দিয়ে শুরু হওয়া মানেই তা বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবহৃত সরকারি নম্বর নয়!!


বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবহৃত সরকারি নম্বরগুলোর প্রথম ছয়টি ডিজিট হলো,

০১৩২০০, ০১৩২০১ এবং ০১৩২০২

অর্থাৎ পুলিশের সরকারি নম্বর গুলো হলো ০১৩২০-০০০০০০ হতে ০১৩২০-২৯৯৯৯৯ পর্যন্ত।।


এর বাহিরের নম্বরগুলো সর্বসাধারণ ব্যবহার করে থাকে।।

অর্থাৎ ০১৩২০৩,০১৩২০৪,০১৩২০৫,০১৩২০৬,০১৩২০৭,০১৩২০৮ এবং ০১৩২০৯ দিয়ে শুরু হওয়া নম্বরগুলো পুলিশের ব্যবহৃত সরকারি নম্বর নয়!!


বিভিন্ন প্রতারক চক্র ০১৩২০৩ বা তদূর্ধ্ব সিরিয়ালের নম্বর দিয়ে ফোন করে নিজেকে পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করে যাচ্ছে।।


উক্ত বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

জেনে নেই স্বর্নের মাপ ও খুটিনাটি :

 জেনে নেই স্বর্নের মাপ ও খুটিনাটি :

দেশীয় হিসাব স্বর্ণ পরিমাপের একক

১ ভরি = ১৬ আনা

১ ভরি = ৯৬ রতি

১ আনা = ৬ রতি


ভরি গ্রাম কেজি এ সমস্ত যেমন মাপের একক-ঠিক তেমনি ভরি সোনা ২৪ ক্যারেট ধরে হিসাব করা হয়। ৯৬ রতিতে হয় ১ ভরি। সে হিসাবে ৯৬ কে ২৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৪ রতি,আর এই ৪রতি সমান ১ ক্যারেট।

কিন্তু বিদেশে বা আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ কিনতে গেলে ভরি হিসেবে কিনতে কেনা যায় না। কারণ, বিদেশে স্বর্ণ বিক্রির একক হিসেবে ওজন পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক “কিলোগ্রাম” বা “আউন্স” ব্যবহার করা হয়। কিলোগ্রামের ভগ্নাংশ হচ্ছে "গ্রাম"। স্বর্ণ যেহেতু অনেক মূল্যবান, তাই লোকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে এটা কিনে থাকে।


তাই স্বর্ণের ওজন পরিমাপে গ্রাম বা আউন্স-ই বেশি ব্যবহার হয়। অবশ্য অনেকেই জানেন না, যে কত গ্রাম বা আউন্স -এ কত ভরি হয়। এটা জানা থাকলে দেশ-বিদেশে স্বাচ্ছন্দে স্বর্ণ কেনাকাটা করা যায় একই সঙ্গে দামের পার্থক্যটাও ধরা পড়ে।

৮ আনা = ৫.৮৩২ গ্রাম

১৪ আনা = ১০.২০৬ গ্রাম

১ ভরি = ১১.৬৬৩৮ গ্রাম

আবার,

১ আউন্স = ২৮.৩৪৯৫ গ্রাম

১ আউন্স = ২.৪৩০৫ ভরি

১ ভরি = ০.৪১১৪৩ আউন্স


স্বর্ণের বিশুদ্ধতা

অনেকে বিয়ে উপলক্ষে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন। এছাড়াও নতুন সন্তানের মুখ দেখতে, জন্মদিন ,আকিকা, সুন্নাতে খতনা, মুখে ভাত সহ বিবিধ উপলক্ষে স্বর্ণালংকারের চাহিদা থাকে বছরের সব সময়ই। অতি মূল্যবান ধাতু এই স্বর্ণের গহনা কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা যাচাই করাও আবশ্যক। এতে করে ক্রেতা জানতে পারবেন যে তিনি কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে কতটুকু খাঁটি স্বর্ণ পেয়েছেন আর কতটুকু খাঁদ খাঁদ বা ভেজাল।


স্বর্ণালংকার কেনার সময় জানতে হবে ক্রেতা কত ক্যারেটের স্বর্ণ কিনবেন। স্বর্ণ সাধারনত: ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে বা ১৪ এবং ১০ ক্যরেটেরও স্বর্ণ আছে। ২৪ ক্যারেট সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনা। যা কেবল বার হিসাবে পাওয়া যায়।


তৈরি গহনার মধ্যে ২২ ক্যারেট সবচেয়ে ভালো। ক্যারেট হিসাবে তাতে ২ ক্যারেট বাদ গেলে ১ আনা ২ রতি খাঁদ বা ভেজাল থাকবে। আপনি যদি ২১ ক্যারেট গহনা কিনতে চান তাহলে তাতে খাঁদ থাকবে ২ আনা আর ১৮ ক্যারেট কিনলে খাঁদ থাকবে প্রতি ভরিতে ৪ আনা।


ক্যারেট অনুযায়ী বিশুদ্ধতার আন্তর্জাতিক তালিকা

ক্যারেট বিশুদ্ধতার পরিমাণ:

২৪ ক্যারেট ৯৯.৯৯ % পিউর

২২ ক্যারেট ৯১.৬০ % পিউর

২১ ক্যারেট ৮৭.৫০% পিউর

১৮ ক্যারেট ৭৫.০০ % পিউর

১৪ ক্যারেট ৫৮.৫ % পিউর

১০ ক্যারেট ৪১.৭ % পিউর


যখনই স্বর্ণালংকার ক্রয় করা হবে অবশ্যই অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে খোদাই করা ক্যারেট লেখা দেখে নেয়া উচিত। অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে অথবা চেনের হুকে খোদাই করা লেখা থাকবে ৯৯৯৯ অর্থাৎ ২৪ ক্যারেট , ৯১৬ অর্থাৎ ২২ ক্যারেট, ৮৭৫ অর্থাৎ ২১ ক্যারেট, ৭৫০ অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।


তিনদিনের মাথায় তার পানি ফুরিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদ, পানির অভাব আর একাকীত্বের ভারে সে প্রায় মৃত্যুর মুখে। ঠিক তখনই মনে পড়ে — পাইলট হওয়ার আগে সে ছিল একজন শিল্পী। পকেটে ছিল একটি পেন্সিল আর ভাঙা একটা চশমা। মরুভূমির বালুর ওপর সে আঁকতে শুরু করে — তার পরিবার, শহর, রাস্তা আর টলমলে পানি!


জানি সে বাঁচবে না, তবু শেষ মুহূর্তগুলোতে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। অবাক করা বিষয়, ছবি আঁকতে আঁকতে তার তৃষ্ণা কিছুটা কমে যায়, মন শান্ত হয়ে আসে। সে ভাবল, "আমি এখনো বেঁচে আছি। স্বপ্ন দেখতে পারি মানে এখনো হার মানিনি।"


অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা দেখে — কঙ্কালসার দেহ, ফেটে যাওয়া ঠোঁট, ক্লান্ত চোখ — কিন্তু সেই পাইলট তখনো বালিতে ছবি আঁকছে, যেন কোনো মন্ত্রমুগ্ধ শিল্পী!


উদ্ধারের পরে পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস হারাইনি। আমার ভাঙা চশমা আর এক টুকরো পেন্সিলও আমাকে মরুভূমিতে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”


শিক্ষা: জীবন অনেক কিছু কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিশ্বাস কেড়ে নিতে পারে না। যদি আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।

নারী সং'স্কার ক'মিশনের সরাসরি কুরআন বি'রোধী  ১০-টি সুপারিশ! নিজে জানুন অপরকে জানান!! ------------------------------

 নারী সং'স্কার ক'মিশনের সরাসরি কুরআন বি'রোধী 

১০-টি সুপারিশ! নিজে জানুন অপরকে জানান!!

----------------------------------------------------------------

❝এক.

‘নারী সংস্কার কমিশন’ এর প্রতিবেদনের একাদশতম অধ্যায়ের ১১.৩.১ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারীদের সম্পত্তির সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে মুসলিম ও হিন্দু উত্তরাধিকার আইন সংশোধন করা জরুরী। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে ‘সম্পত্তিতে সমান উত্তরাধিকার’ বিষয়টি সরাসরি কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলিল:

للذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنثَيَيْنِ.


অর্থ: একজন পুরুষের জন্য আছে দুই নারীর সমান অংশ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)


❝দুই.

প্রতিবেদনের পঞ্চম অধ্যায়ের ৩.২.৩ এর ‘খ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ, তালাকের তথ্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কাজী অফিসের মধ্যে যাচাইয়ের জন্য তথ্য বিনিময়ের (ডিজিটাল এক্সেস) ব্যবস্থা করা, যাতে কম বয়সে বিবাহ ও বহুবিবাহ রোধ করা যায়। উল্লিখিত এই অনুচ্ছেদের ‘বহুবিবাহ রোধ’ অংশটি কুরআন ও হাদীসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।


কুরআন থেকে দলীল:

فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ .


অর্থ: তবে তোমরা যেসব নারীকে পছন্দ করো, তাদের মধ্যে দুই, তিন বা চার জনকে বিয়ে করো। (সুরা নিসা, আয়াত: ৩)


 

উল্লিখিত আয়াতে সামর্থ থাকলে ও ন্যায়বিচার করার ক্ষেত্রে কোনো সংশয় না থাকলে একের অধিক বিবাহের কথা বলা হয়েছে। অথচ কমিশনের সংস্কার প্রতিবেদনে বহুবিবাহ রোধ করার কথা বলা হচ্ছে।


হাদীস থেকে দলীল:

عن ابني مسعود قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : يا معشر الشباب من استطع فليتزوج فإنه أغض للبصر واحصن للفرج، البخاري (٥٠٦٦)، ومسلم (١٤٠٠)


তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা, বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান হিফাজত করে এবং যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। কেননা, সওম তার যৌনতাকে দমন করবে। (বুখারী শরীফ: ৫০৬৬, মুসলিম শরীফ: ১৪০০)


 ❝তিন. 

বইয়ের দশম অধ্যায়ের শিরোনামে রয়েছে, ‘শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার’। উক্ত অংশটি সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ .


অর্থ: ‘সতর্ক হও! সৃষ্টি ও আদেশ একমাত্র তাঁরই (আল্লাহর)।’ (সূরা আল-আ’রাফ, আয়াত ৫৪)।


إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ


অর্থ: ‘ফায়সালার অধিকার কেবল আল্লাহরই’। (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০)


وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ.


অর্থ: ‘যে কেউ আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা অনুযায়ী বিচার করে না, তারাই কাফির (অবিশ্বাসী)’। (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৪৪)


❝চার.

দশম অধ্যায়ের ১০.২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সমাজে প্রচলিত প্রথা কুসংস্কার ও মাসিক সম্পর্কে ভ্রান্ত ও নেতিবাচক ভ্রান্ত ধারণা নারী ও কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বড় বাধা’। সংস্কার প্রতিবেদনের এই অংশটি কুরআনের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলিল:

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاء في المحيض ولا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ اللهُ ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ المتطهرين.


অর্থ: তারা আপনাকে ঋতুস্রাব (মাসিক) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, এটি একপ্রকার কষ্ট। সুতরাং ঋতুমতী অবস্থায় নারীদের থেকে দূরে থাকো এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের সঙ্গে সহবাস করো না। যখন তারা পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ যেভাবে তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, সেভাবেই তাদের কাছে গমন করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা গ্রহণকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের ভালোবাসেন।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২)


হাদীস থেকে দলীল:

عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَنْصَارِي الْبَدْرِي، قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: “إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى إِذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ.”


অর্থ: আবু মাসউদ উকবা ইবনু আমর আল-আনসারী আল-বদরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: “আগের নবীদের বাণীসমূহ থেকে যে কথাগুলো মানুষ পেয়েছে, তার একটি হলো: ‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তবে তুমি যা খুশি তাই করো।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নম্বর: ৩৪৮৩ ও ৬১২০)।


 ❝পাঁচ.

চতুর্থ অধ্যায়ের ৪.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সহায়তা করে এটি নারীর অধিকার রক্ষা ও জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়ন বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ প্রদান করে। এখানে পরোক্ষভাবে ট্রান্সজেন্ডার এর বিষয়ে বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআন ও হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَلَا مُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيرُنَّ خَلْقَ اللهِ، وَمَنْ يَتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِن دُونِ اللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا.


অর্থ: ‘আর আমি (শয়তান) অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে। আর যে কেউ আল্লাহকে বাদ দিয়ে শয়তানকে বন্ধু বানায়, সে তো স্পষ্ট ক্ষতিতে পড়ে।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১৯)


হাদিস শরীফ থেকে দলীল:

لَعَنَ رَسُولُ الله المتستهين من الرِّجَالِ بالنِّسَاء، والمتشبهات من النِّسَاء بالرجال ( صحيح البخاري (٥٨٨٥)


অর্থ: ‘রাসূলুল্লাহ তাদের উপর লা’নত করেছেন যারা পুরুষ হয়েও নারীদের অনুকরণ করে এবং নারীরা যারা পুরুষদের অনুকরণ করে।’


❝ছয়.

ষষ্ঠ অধ্যায়ের ৬.৩.১ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ, দেনমোহর, উত্তরাধিকার, অভিভাবকত্ব ও নাগরিকত্ব আইনে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা তথা ইসলামী আইনে থাকা নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করা।


উল্লিখিত এ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ


অর্থ: পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক (অভিযোগ-দায়িত্বশীল), কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অপরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। (সুরা নিসা, আয়াত: ৩৪)


للذَّكَرِ مِثْلُ حَظِ الْأُنثَيَيْنِ.


অর্থ: একজন পুরুষের জন্য আছে দুই নারীর সমান অংশ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)


❝সাত.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.২.১.৪ এর ‘খ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শিশু ও দত্তক গ্রহণ সংস্কার করে আইনি দত্তক গ্রহণ বিষয়ক একটি স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন করা। যা শিশুটিকে দত্তক পরিবারে অন্তর্ভুক্ত হিসেবে স্বীকৃতি দিবে। পূর্ণ উত্তরাধিকার প্রদান করবে এবং শিশুটিকে গর্ভজাত সন্তানের মত একই আইনে সুবিধা প্রদান করবে।


উল্লিখিত এ অনুচ্ছেদে দত্তক শিশুকে গর্ভজাত শিশুর ন্যায় বিধানের কথা বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَمَا جَعَلَ أَدْعِيَاءَكُمْ أَبْنَاءَكُمْ ذَلِكُمْ قَوْلُكُم بِأَفْوَهِكُمْ وَ اللهُ يَقُولُ الْحَقَّ وَهُوَ يَهْدِي السَّبِيل.


অর্থ: “আর তোমাদের দত্তক পুত্রদেরকেও আল্লাহ তোমাদের প্রকৃত পুত্র বানাননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আর আল্লাহ সত্য কথা বলেন এবং তিনিই সঠিক পথের দিশা দেন।” (সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪)


❝আট.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.৩.১.১ এর ‘গ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বহুবিবাহ প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে। এখানে বহুবিবাহ নিষেধের কথা বলা হয়েছে যা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ .


অর্থ: “আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতিমদের ব্যাপারে ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তবে যেসব নারী তোমাদের পছন্দ, তাদের মধ্যে থেকে দুই, তিন বা চারজনকে বিয়ে করো। (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩)


❝নয়.

দ্বাদশ অধ্যায়ের ১২.৩.১১ এর ‘জ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শ্রম আইনে যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। এখানে যৌন কর্মকে স্বাভাবিক কর্ম হিসেবে দেখানো হয়েছে। যা কুরআন সুন্নাহর সাথে সংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ


অর্থ: “ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাত করো। আল্লাহর ধর্মে তাদের প্রতি কোনো ধরনের দয়া যেন তোমাদেরকে নিরুৎসাহিত না করে, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখো। আর তাদের শাস্তির সময় মু’মিনদের একটি দল যেন উপস্থিত থাকে।” (সূরা আন-নূর, আয়াত: ২)


 فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاءَ ذَلِكَ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ


অর্থ: “আর যারা এ ছাড়া অন্য কিছু কামনা করে, তারা সীমালঙ্ঘনকারী।” সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৭)


وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا


অর্থ: “আর ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয় তা এক অশ্লীল কাজ এবং খুবই নিকৃষ্ট পথ।” (সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩২)


হাদিস থেকে দলীল:

قوله عليه السلام: خُذُوا عني، خُذُوا عني قَدْ جَعَلَ اللهُ لَهُنَّ سَبِيلًا، الثيب بالنيب: الجلد مائة، والرَّجْمُ، وَالْبِكْرُ بِالْبِكْرِ الجَلْدُ مِائَةٌ، وَنَفْيُ سَنَةٍ


অর্থ: “তোমরা আমার কাছ থেকে জেনে নাও, তোমরা আমার কাছ থেকে জেনে নাও! আল্লাহ তাদের (ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীদের) জন্য একটি পথ নির্ধারণ করেছেন: বিবাহিত নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত এবং পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড (রজম)। আর অবিবাহিত নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছর দেশ থেকে নির্বাসন।” (মুসলিম: ১৬৯০, আহমাদ: ২২৭০৩, ইবনে মাজাহ: ৪৪৪৩)


❝দশ.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.১.১.৩ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেহেতু রাষ্ট্র একটি ইহজাগতিক স্বত্তা সেহেতু কোন ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে সংবিধান শুরু হওয়া উচিত নয়। তাছাড়া একটি ধর্মকে প্রাধান্য দেয়া ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাই অনুচ্ছেদটি বাতিল করা প্রয়োজন।


উল্লিখিত এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টত ধর্মনিরপেক্ষতাকে সমর্থন করা হয়েছে। যা কুরআনের সাথে সংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَمِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَسِرِينَ


অর্থ: “আর যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করতে চায়, তা কখনোই তার কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না; এবং আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮৫)


 إإِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَمُ


অর্থ: “নিশ্চয় আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ধর্ম হলো ইসলাম।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৯)


জুম‘আর খুৎবাপূর্ব বয়ানে উপস্থাপন করা জরুরি। 

আসুন,সবায় কুরআন বিরোধী সুপারিশ রুখে দিতে এক হয়ে আওয়াজ তুলি, ২৪ পরবর্তী বাংলায় কুরআন বিরোধীদের ঠাই নাই,, আল কুরআনের আইন চাই সৎ  লোকের শাসন চাই,,জমিন যার আইন চলবে তার,,


-গ্রামগঞ্জে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ নারীদের অধিকার সম্পর্কে এই নারী অধিকার কমিশন কি বুঝবে! তাদের অধিকার এই কমিশন কিভাবে দিবে.....


#highlightsシ゚ #everyoneシ゚ #viralpost2025シ 

#videoviralシ #viralpost2025シ2025 #BMW 

#everyonefollowerseveryonefollowers 

#everyonefollowers #highlighteveryone

দু:খিনী আয়েশা!  ধর্মের জন্য মানুষ নাকি মানুষের জন্য ধর্ম! সংগৃহীত

 আয়েশা রোশান ১৯ বছর বয়সী পাকিস্তানি তরুণী, হার্টের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিল। তার হার্ট ফাংশান প্রায় অকেজো হয়ে এসেছিল।

পাকিস্তানে চিকিৎসা করিয়ে সুফল পাওয়া যায়নি বিধায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গত বছর ভারতের চেন্নাইয়ের এমজিএম হেলথকেয়ার হাসপাতালে আয়েশাকে ভর্তি করা হয়েছিল। 


 তার দেহে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হার্ট প্রতিস্থাপন করা জরুরি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জানা যায়,  সদ্য মৃত ৬৯ বছর বয়সী এক পুরুষের হার্ট পাওয়া গেছে যেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আয়েশার দেহে প্রতিস্থাপন করা হবে। 


এই অপারেশনটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন হয়।

 গত সপ্তাহে আয়েশাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সে সম্পূর্ণ সুস্থ আছে।


এই অস্ত্রোপচারের ব্যয় ছিল প্রায় ৩৫ লক্ষ রুপি, যা ঐশ্বর্য ট্রাস্ট, হাসপাতাল এবং চিকিৎসকরা যৌথভাবে বহন করেছেন। 

এটি  আয়েশার জন্য, তার পরিবারের জন্য একটি ভালো খবর হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পাকিস্তানের অনেকেই এই অপারেশানের সংবাদে ক্ষুব্ধ হয়েছে।


৬৯ বছর বয়সী ওই পুরুষ দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন যিনি ব্রেইন ডেড হয়ে মারা যান এবং তাঁর হার্টটি আয়েশার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। 


কিন্তু পাকিস্তানি কিছু নাগরিক এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন কারণ তারা জানতে পেরেছে মৃত ওই ব্যক্তিটি ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

তাদের মতে, আয়েশা একজন মুসলিম নারী, তার দেহে একজন হিন্দু পুরুষের হার্ট (হৃৎপিন্ড) প্রতিস্থাপন করা ঠিক হয়নি, আয়েশা এবং তার পরিবারের এতে গুনাহ হয়েছে।

এমনকি পাকিস্তানের সেই মুসলিমদের কেউ কেউ এও বলেছে, আয়েশার উচিত ছিল হার্ট প্রতিস্থাপন না করা, অথবা মুসলিম কারো হার্ট জোগাড় হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা! হিন্দু ব্যক্তির হার্ট গ্রহণ করা অপেক্ষা মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়াই ভালো ছিলো! 


আহারে আয়েশা, দু:খিনী আয়েশা! 

ধর্মের জন্য মানুষ নাকি মানুষের জন্য ধর্ম!

সংগৃহীত

প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

 প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

দিনের পর দিন এই অসহ্য কষ্টে ছিলেন এক ভদ্রলোক।

মাঝে মাঝে তীব্র ব্যথা, আবার কখনো রক্তও বের হতো।

তবু ব্যস্ততার অজুহাতে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া হয়নি।


কিন্তু একদিন ব্যথায় অস্থির হয়ে তিনি হাসপাতালে ছুটে গেলেন।

ডাক্তার প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে এক্সরে করানোর পরামর্শ দিলেন।


এক্সরে রিপোর্ট হাতে পেয়েই ডাক্তার থ!

ব্লাডারের মধ্যে স্পষ্ট দেখা গেল বিশাল এক সাদা ছায়া।

তৎক্ষণাৎ CT স্ক্যান করা হলো।


আর সেখানেই বেরিয়ে এলো আসল চমক—

ভদ্রলোকের মূত্রাশয়ের মধ্যে জমে উঠেছে বিশাল এক পাথর!

অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।


অপারেশন শেষে যখন পাথরটি বের করা হলো—

ডাক্তার, নার্স, সবাই হতবাক!

প্রায় একটি নারকেলের মতো বড় পাথর!


❓ তাহলে প্রশ্ন—এত বড় পাথর কোথা দিয়ে গেল?

➡️ আসলে, কোথাও যায়নি।

দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, নিজের ভিতরেই তৈরি হয়েছে।


কারণগুলো ছিল খুবই সাধারণ:


• দিনের পর দিন প্রস্রাব চেপে রাখা

• ইউরিন সম্পূর্ণ না বের হওয়া

• সংক্রমণ (ইনফেকশন) হলেও চিকিৎসা না নেওয়া

• এবং সবচেয়ে বড় কারণ—অবহেলা


✅ কীভাবে স্টোন হওয়ার ঝুঁকি এড়াবেন?


• প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করুন

• প্রস্রাব কখনো চেপে রাখবেন না

• ইউরিনে জ্বালা বা রক্ত দেখলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন

• বয়স বাড়লে নিয়মিত প্রোস্টেট চেক করান


মনে রাখুন:

ছোট সমস্যা যখন অবহেলা করা হয়, তখন সেটাই একদিন বড় বিপদের রূপ নেয়।। 


✍️https://www.facebook.com/share/1HiLdCFptK/


কাঁচা আমের কাসুন্দি,,,,,,,,,,,

 কাঁচা আমের কাসুন্দি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী একটি পদ, যা খাবারের সঙ্গে সুস্বাদু ঝাল-টক স্বাদ যোগ করে। ভাত, পান্তা, লুচি, কিংবা স্ন্যাক্সের সঙ্গে এটি দারুণ মানানসই। এই রেসিপি সহজে বাড়িতে তৈরি করা যায়। নতুন রাঁধুনিদের জন্য এটি খুব উপযুক্ত।


উপকরণ:

কাঁচা আম - ৫০০ গ্রাম (খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে কাটা)


হলুদ গুঁড়ো - ১ চা চামচ


শুকনো লাল মরিচ - ৪-৫টি


সরষে - ২ টেবিল চামচ (হলুদ সরষে হলে ভালো হয়)


লবণ - স্বাদমতো


চিনি - ২ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক, স্বাদ অনুযায়ী)


সরষের তেল - ২ টেবিল চামচ


ভিনেগার - ১ টেবিল চামচ (যদি কাসুন্দি বেশি দিন রাখতে চান)


পানি - পরিমাণমতো (পেস্ট তৈরির জন্য)


কাঁচা আমের কাসুন্দি বানানোর পদ্ধতি:

প্রস্তুতি ধাপ:

কাঁচা আম ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে নিন।


সরষে এবং শুকনো লাল মরিচ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন (১৫-২০ মিনিট)।


কাসুন্দি তৈরির ধাপ:

ভিজিয়ে রাখা সরষে এবং শুকনো লাল মরিচ একটি ব্লেন্ডারে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে পেস্ট করে নিন।


এর সঙ্গে কাঁচা আমের টুকরো, লবণ, হলুদ গুঁড়ো, এবং চিনি মিশিয়ে আবার ব্লেন্ড করুন। একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।


একটি পাত্রে এই মিশ্রণ ঢেলে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন যাতে লেগে না যায়।


সরষের তেল যোগ করে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন।


ভিনেগার যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।


পরিবেশন এবং সংরক্ষণ:

কাঁচা আমের কাসুন্দি ঠান্ডা হলে একটি কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।


এটি ফ্রিজে ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।


ভাত, পান্তা বা পরোটা, এবং স্ন্যাক্সের সঙ্গে এটি পরিবেশন করুন।


দ্রুত টিপস:

ভিনেগার ছাড়া তৈরি করলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন এবং ৭-১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন।


স্বাদের জন্য সরষের তেলের পরিমাণ সামান্য বাড়ানো যেতে পারে।


কালেক্টেড

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...