এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

ডাঃ দেবী শেঠী বললেন- সোয়াবিন খাওয়ার বা রান্নার তেল নয়-

 ✅ ডাঃ দেবী শেঠী বললেন-

সোয়াবিন খাওয়ার বা রান্নার তেল নয়-

সোয়াবিন একটা কেমিকেল বিশেষ-

শরীরের জন্য একটা বিষ। যা' হৃদযন্ত্রের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর। সোয়াবিন বর্জন করুন-হার্টে ব্লক হবেনা। হার্ট সুস্হ রাখতে চাইলে-শরীরে যেন সোয়াবিন না ডুকে।


আর্টারীগুলো রক্ত সন্চালনে বাধাঁপ্রাপ্ত হয়।

সোয়াবিন ছাড়ুন-

তেল ছাড়া রান্না করতে শিখুন-

জীবন দীর্ঘায়ু হবে-

শরীর নিরোগ থাকবে?

তেল নামক স্লো পয়জনটির দাম -

কেজি ৪০০ টাকা হলে খুশী হতাম। 


 আগেকার দিনে সাপ্তাহিক বাজার থেকে-

 কাঁচের শিশিতে এক ছটাক / আধ পোয়া তেল কিনে সপ্তাহ পার করতেন মা ঠাকুম্মারা। 

তখন হার্ট,  প্রেসার, গ্যাস্ট্রিক আর-

 ডায়াবেটিস, ব্লক, স্ট্রোকও ছিল না এত। 

 ৯০/১০০ বছর কুঁজো হয়ে বেঁচেছিল মানুষ। 


এখন মাসে ৫- ৮ লিটারেও কুলায় না এখন। তাই এসব  রোগে ৪০/৫০ বছর বয়সে নোটিশ ছাড়া মরছে।


 এবার অন্তত একটু কম তেলে রান্না শিখুন-

মানুষের আয়ু বাড়ুক,কম তেলে রান্নার প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্বময়। হাটুন- হাসুন, জীবনটা হাতের মুঠোয়।


সুস্হ দেহে সুস্হ জীবন-

শতায়ু আপনার হাতের মুঠোয়-

হাসির অভ্যাস জীবনকে আনন্দঘন করবে।


ডাঃ, কাজল কান্তি দাশ

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কিডনী ও হৃদরোগ।


৭/৫/২০২২.

১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট্ট সোনামণি কে। 

 🗣️১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট্ট সোনামণি কে। 


🎴পৃথিবী কতো নিষ্ঠুর❗ 


🔴ভাবতে পারেন,

কতো দোয়া,দয়া আর আবেগের ধন।

খবর শোনার সাথে সাথে চোখের কোনে পানি জমে গেল।

নির্বাক,স্তব্ধ মা-বাবা। চোখে পানি নাই।শুধু হাউমাউ করে মা।পৃথিবীর সব জ্ঞান,ডিগ্রী, টাকা,যোগ্যতা সব কিছু তার কাছে অর্থহীন।বাচ্চার প্রত্যেকটা কাশি মায়ের কলিজায় গিয়ে লাগে।বার বার আয়নায় তাকানো সেই মা কবে দর্পনে নিজের চেহারা দেখেছে তা মনে পড়েনা।সন্তানের কান্না থামাতে না পেরে মা বেপরোয়া হয়ে মাঝেমধ্যে ফুপিয়ে কাদতে শুরু করে।মায়ের কাছে সন্তানের চেয়ে দামি কিচ্ছু নাই।নাই নাই। 


✅বলছিলাম চিকিৎসক মায়ের সন্তান হারানোর বেদনার কথা।অসুস্থ সন্তানের জ্বর।বুকের সাথে জুড়ানো সন্তানের গায়ের তাপে মা উদ্ধিগ্ন। জ্বর কমানোর জন্য ১ চামচ প্যারাসিটামল খাওয়াতে গিয়ে তা দুর্ভাগ্যক্রমে ডুকে যায় ফুসফুসে।

তারপর কাশি,শ্বাসকষ্ট, জ্বর, আইসিইউ.......

সব শেষে সাদা কাপড়ে মোড়ানো কফিনে❗ 


🟥বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন-

১)ঘুমের মধ্যে ওষুধ খাওয়াবেন না।

২)বেশি পরিমাণ ওষুধ এক সাথে মুখে দিবেন না।

৩)অনেকগুলো ওষুধ এক সাথে পর পর দিবেন না।

৪)কাশি দেওয়া অবস্থায় ওষুধ খাওয়াবেন না। 

৫)অতিরিক্ত কান্নাকাটির সময় ওষুধ দিবেন না। 


(ছবি প্রতিকীরূপে)


#বেবিসাপোর্ট 

#নার্সভিক্টোরি 

#foryoupage 

#viralpost 

#Life dream of BD Nurse

শ্বেতী রোগ (Vitiligo): কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ – বিস্তারিত জানুন!

 শ্বেতী রোগ (Vitiligo): কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ – বিস্তারিত জানুন!

শ্বেতী বা ভিটিলিগো (Vitiligo) হলো এক ধরনের ত্বকের রোগ, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ত্বক তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলে এবং সেখানে সাদা দাগ দেখা যায়। এই রোগ শারীরিকভাবে ব্যথাদায়ক না হলেও মানসিক কষ্ট ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণ হতে পারে।


⭐ শ্বেতী রোগ কেন হয়?

শ্বেতী রোগে ত্বকের রঙ তৈরি করে এমন কোষ মেলানোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়। এর সঠিক কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে কিছু সম্ভাব্য কারণ হলো:


🚨 অটোইমিউন রিঅ্যাকশন: শরীর নিজের কোষের বিরুদ্ধেই প্রতিক্রিয়া করে।

🚨 জেনেটিক কারণ: পারিবারিক ইতিহাস থাকলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

🚨স্নায়বিক সমস্যা বা মানসিক চাপ।

🚨 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অসামঞ্জস্যতা।

🚨কিছু ক্ষেত্রে সানবার্ন, রসায়নজাত দ্রব্য, বা চর্মে প্রদাহ থেকেও শুরু হতে পারে।


⭐ উপসর্গগুলো কী কী?


💿 ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে দুধের মতো সাদা দাগ।

💿 মুখ, হাত, পা, ঠোঁট, চোখ, নাকের চারপাশে বেশি দেখা যায়।

💿 সাদা দাগের আশেপাশে রং হালকা হয়ে যেতে পারে।

💿 কখনও কখনও চুলও সাদা হয়ে যায় (বিশেষ করে দাগের ওপর)।

💿 চুলকানি বা জ্বালাভাব সাধারণত থাকে না, তবে মানসিক অস্বস্তি হয়।


চিকিৎসা ও ওষুধ – বিস্তারিত:

শ্বেতী রোগের স্থায়ী চিকিৎসা এখনো নেই, তবে নিয়মিত চিকিৎসায় দাগের রং অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:


⭐ওষুধ:


💊 Topical corticosteroids – ত্বকে ব্যবহারের জন্য।

💊Calcineurin inhibitors (Tacrolimus) – চোখ, মুখের মতো সংবেদনশীল স্থানে।

💊 Depigmentation agents – যদি রোগ বিস্তৃত হয় এবং অবশিষ্ট ত্বককে সাদা করতে চান।


⭐আলো থেরাপি (Phototherapy):


🫵 Narrowband UVB Therapy – নিয়মিত UVB আলো প্রয়োগে মেলানিন উৎপাদন বাড়ানো যায়।

🫵 PUVA Therapy – UVA লাইট ও ওষুধের সম্মিলিত ব্যবহার।


⭐সার্জিকাল চিকিৎসা:


🧑‍⚕️ Skin grafting – অন্য ত্বকের অংশ প্রতিস্থাপন করা হয়।

🧑‍⚕️ Blister grafting – ফোস্কা তুলে তা আক্রান্ত স্থানে বসানো।

🧑‍⚕️ Micropigmentation (tattooing) – চামড়ায় রঙিন পিগমেন্ট প্রয়োগ।

🧑‍⚕️ Excimer Laser Therapy:

আধুনিক প্রযুক্তি যা ক্ষুদ্র অঞ্চলকেন্দ্রিক চিকিৎসার জন্য কার্যকর।


⭐প্রতিরোধের উপায়:


🕸️ ত্বককে রোদ থেকে রক্ষা করা।

🕸️ মানসিক চাপ কমানো।

🕸️ পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া, বিশেষ করে ভিটামিন B12, C, D ও ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার।

🕸️ কোনো অ্যালার্জি বা সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া।


⭐চিকিৎসা না করলে কী জটিলতা হতে পারে?


🏵️ দাগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

🏵️ রোদে পোড়া বা ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে।

🏵️ মানসিক চাপ, আত্মবিশ্বাসে ভাটা, বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে।

🏵️ সামাজিক দূরত্ব বা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ভোগাতে পারে।


⭐সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসা কী?


🫵 Excimer laser এবং JAK inhibitors (যেমন Ruxolitinib) – বর্তমানে গবেষণাধীন ও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত।

🫵 Stem cell therapy ও gene therapy নিয়েও গবেষণা চলছে।


🙄 চিকিৎসা নিলে কি পুরোপুরি ভালো হয়?


সব রোগীর ক্ষেত্রে ফলাফল এক নয়। অনেকেই প্রায় স্বাভাবিক রং ফিরে পান, আবার কিছু ক্ষেত্রে দাগ ফিরে আসে। তবুও, সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত ফলোআপে জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত করা যায়।


🚨 আরেকটা বিষয় ক্লিয়ার করতে হবে সেটা হচ্ছে অনেকে শ্বেতী রোগকে কুষ্ঠের সাথে গুলিয়ে ফেলেন।

ত্বকে সাদা দাগ দেখলেই ভয়ে কুঁচকে যান—ভেবে নেন, এটা বুঝি কুষ্ঠ রোগ! কিন্তু আসল সত্যি হলো:

শ্বেতী (Vitiligo) ও কুষ্ঠ (Leprosy) সম্পূর্ণ আলাদা রোগ। চলুন, সহজভাবে জেনে নিই পার্থক্যগুলো:


✅ শ্বেতী রোগ:

একটি অটোইমিউন সমস্যা

ছোঁয়াচে নয়

ত্বকে শুধু সাদা দাগ হয়

দাগে অনুভূতি থাকে

এটি কোনো সংক্রমণ নয়, ভয় পাওয়ার কিছু নেই


❌ কুষ্ঠ রোগ:

ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ

ত্বকে দাগের সাথে অনুভূতি কমে যায়

ঘা, নার্ভ ক্ষতি, ও অঙ্গ বিকৃতি হতে পারে

দ্রুত চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য


পরিশেষে এতটুকু ক্লিয়ার করতে চাই

ভিটিলিগো কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। এটি নিয়ে লজ্জিত বা হতাশ হবেন না। চিকিৎসা নিন, সচেতন হোন। শ্বেতী রোগীর পাশে থাকুন, তাদের সম্মান করুন। 

শেয়ার করুন যাতে সবাই সচেতন হতে পারে।


#শ্বেতীরসত্য #VitiligoIsBeautiful

#শ্বেতীভয়নয় #LoveYourSkin

#ShobRongShundor #VitiligoAwareness

#আমিওসুন্দর #VitiligoSupport

#SkinDoesNotDefineMe #শ্বেতীরঅভিমান


© Dr Miskat Aziz

যে স্বর্ণের বিষয়টা হাইলাইট করে আপনারা মেয়েটিকে স্বর্ণলোভী বলেছেন আপনাদের কি মনে হয় না একজন বিসিএস ক্যাডার সিনিয়র এএসপির স্ত্রীর বিয়ের গহনা এখানে খুব সামান্য।একটা ধনী পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করলে নিশ্চয়ই আরো বেশি গহনা দিয়ে বিয়ে করতো

 👉যে স্বর্ণের বিষয়টা হাইলাইট করে আপনারা মেয়েটিকে স্বর্ণলোভী বলেছেন আপনাদের কি মনে হয় না একজন বিসিএস ক্যাডার সিনিয়র এএসপির স্ত্রীর বিয়ের গহনা এখানে খুব সামান্য।একটা ধনী পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করলে নিশ্চয়ই আরো বেশি গহনা দিয়ে বিয়ে করতো।সুস্মিতা গরিব বলেই পলাশের মা তাকে এদিকেও ঠকালো।শুধু এএসপির বউ হিসেবে মানসম্মান যাবে বলে এটুকু দিতে বাধ্য হলো।সুস্মিতার ছবির গলার ছোট সেটটি ও কানের দুল তার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া।আর বিয়ে বাদে তাকে কোন প্রকার স্বর্ণালংকারও দেয়া হয়নি।সুস্মিতার ইন্টারভিউর কথাগুলো কতটুকু সত্য তা এখানেই প্রমাণ পাওয়া গেল।বিয়ের সময় কতটুকু গহণা নিয়ে এসেছে তা তাদের বিয়ের ভিডিওতেই আছে।আর এগুলোও এখন শ্বাশুড়ির দখলে।তাই স্বামী হিসেবে চাইছে পলাশ বউকে তার স্ত্রী সরূপ এই গহনাগুলো অত্যন্ত পাক যা সে শখ করে কিনেছিল তার প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য।তার পরিবার তার চিরকুটে লেখার কতটুকু মূল্যায়ণ করবে তারও গ্যারান্টি নেই।পলাশের জমানো সব সম্পত্তি থেকেতো সুস্মিতাকে দিবেনা কিছু তাই মৃ*তুর আগে এই চিন্তা করে গেল কারণ সে জানে তার লোভী পরিবার কেমন।টাকার মেশিন হিসেবে ইউজ করলো তাই সে সবাইকে সব বুঝিয়ে দিয়ে গেল।কিন্তু এতে ক্ষতিগ্রস্থ হলো এই অভাগী মেয়েটাই।যেই স্বামী সারাজীবনের দায়িত্ব নিয়েছিল সে এই মাঝপথে ছেড়ে চলে গেল এই সমাজের কাছে মেয়েটা দোষ না করেও দোষী হল তার সর্বস্ব হারিয়ে।অপরদিকে পলাশের সকল জমানো সম্পত্তি পেয়ে তার পরিবার কতটা উৎফুল্ল তা তার পরিবারের সদস্যের প্রকাশ হওয়া ভিডিওগুলোতেই সবাই দেখতে পাচ্ছেন বিশেষ করে পলাশের মায়ের।যে মায়ের জন্য ছেলের এত বড় আত্মত্যাগ অবশেষে জীবনবলি! এমন মা ভক্ত ছেলের না কিভাবে এত তরতাজা হয়ে মিডিয়া এক নিশ্বাসে এত গলাবাজি করছে ছেলেকে চিতায় দেয়ার পরপরই।সে কেঁদে কেঁদে আধমরা হয়ে বেড রেস্টে থাকার কথা যে তার কলি*জার ১ টা অংশ চলে গেছে আর সে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠানেই পাখা, মুড়া পেতে পুএবধুর বদনামে লেগে পড়েছে বি*শ্রি ভা*ষায়।আদরের ছেলেটা যে এত কষ্ট পেয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছে সেটার মায়া না করে এই চাপাবাজ মহিলা এখনো পড়ে আছে পুএবধুর বদনাম করা নিয়ে।ছেলে ম*রেও এই মহিলার ঝগড়া থামাতে পারলোনা!অপরদিকে স্ত্রীটা ঠিকই কেঁদে কেঁদে নিজের অবস্থা খারাপ করে ফেলছে যা তার মলিন চেহারায় ফুটে ওঠেছে এবং সে তার স্বামীর মৃ*ত্যু কষ্টটাও উপলদ্ধি করে কষ্ট পাচ্ছে।এজন্যই বলে দিনশেষে বউ ছাড়া কেউ আপন না।স্বামী মা*রা গেলে বউ একমাএ অন্তর থেকে কাঁদে নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে সঙ্গীহারা হয়ে প্রতিনিয়ত তার অভাব অনুভব করে।দেয়ালে পীঠ না ঠেকলে কিছু পুরুষ স্ত্রীর মূল্য বুঝেনা।মাকে বেশি মাথায় তুলতে গিয়ে নিজে ভবিষ্যত সন্তান ও স্ত্রীর জীবনটা শেষ করে দিল বোকা পলাশ সাহা।😔

বৃত্ত পরিচিতিঃ,,,,,,,

 বৃত্ত পরিচিতিঃ


◾ বৃত্তঃ একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে সর্বদা সমন দূরত্ব বজায় রেখে অন্য একটি বিন্দু তার চারদিকে একবার ঘুরে ওই বিন্দুতে মিলিত হয় এবং যে ক্ষেত্র তৈরি করে বা উৎপন্ন করে তাকে বলে বৃত্ত বলে। চিত্রে O কেন্দ্রবিশিষ্ট ACDBE একটি বৃত্ত। 


◾কেন্দ্রঃ যে বিন্দুকে কেন্দ্র করে একটি বৃত্ত আঁকা হয় তাকে ঐ বৃত্তের কেন্দ্র বলে। চিত্রে O হলো বৃত্তটির কেন্দ্র।


◾পরিধিঃ একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে সমান দূরত্ব বজায় রেখে কোন বিন্দুর চলার পথকে পরিধি বলে । চিত্রে ACDBE হলো বৃত্তের পরিধি।


   ▪️বৃত্তের পরিধি = 2πr একক।

   ▪️বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr² বর্গএকক। 


◾চাপঃ বৃত্তের পরিধির যে কোন অংশকে চাপ বলে। চিত্রে BE হলো বৃত্তের চাপ।


◾জ্যাঃ পরিধির যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলে। চিত্রে CD হলো বৃত্তের জ্যা।


◾ব্যাসঃ বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যাকে ব্যাস বলে। চিত্রে AB হলো বৃত্তটির ব্যাস। 


   ▪️বৃত্তের ব্যাসই বৃহত্তম জ্যা।

   ▪️বৃত্তের ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ। 

   ▪️ব্যাস= ( ২×ব্যাসার্ধ ) একক


◾ব্যাসার্ধঃ একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে। চিত্রে OA = OB = OE হলো বৃত্তটির ব্যাসার্ধ।


    ▪️ব্যাসার্ধ ব্যাসের অর্ধেক। 

    ▪️একই বৃত্তের ব্যাসার্ধ গুলো পরস্পর সমান।

 

◾স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরল রেখা যদি একটি ও কেবল একটি ছেদ বিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলে। চিত্রে FG হলো বৃত্তটির স্পর্শক।

তুলসি পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা,,,,,

 তুলসি পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা


তুলসি পাতা উপকারী একথা প্রায় সবারই জানা। কিন্তু তুলসিপাতা খেলে কোনো উপকারগুলো পাওয়া যায় সেকথা অনেকেরই অজানা। ওষুধ হিসেবে তুলসিপাতার ব্যবহার বেশ পুরোনো। এই পাতায় আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো মারাত্মক সব রোগ যেমন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যদির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। এটি নানা গুণে অনন্য বলেই হাজার বছর ধরে যোগ আছে ওষুধের তালিকায়। জেনে নিন তুলসি পাতার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-


সর্দি-কাশি কমিয়ে দেয়


এটি খুব পরিচিত চিত্র যে, ঠান্ডা লাগলে অর্থাৎ সর্দি-কাশি হলে তুলসি পাতা খাওয়া হয় ওষুধ হিসেবে। সর্দি ও কাশি সারাতে এটি খুব দ্রুত কাজ করে। কারও বুকে কফ বসে গেলে তাকে প্রতিদিন সকালে তুলসি পাতা, আদা ও চা পাতা ভালোভাবে ফুটিয়ে তাতে মধু ও লেবু মিশিয়ে খেতে দিন। এতে দ্রুতই উপশম মিলবে।


গলা ব্যথা দূর করে


গলা ব্যথার সমস্যায় ভুগলে আস্থা রাখুন তুলসি পাতায়। কারণ এই সমস্যা দূর করতে তুলসি পাতার জুড়ি মেলা ভার। শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতেও তুলসি পাতা বেশ উপকারী। করোনা মহামারির এই সময়ে তাই নিয়মিত তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। কয়েকটি তুলসি পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে গলা ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।


ক্যান্সার প্রতিরোধ করে


ক্যান্সার এক মরণঘাতি অসুখের নাম। এই অসুখ দূরে রাখতেও সাহায্য করে তুলসি পাতা। এই পাতায় আছে রেডিওপ্রটেকটিভ উপাদান যা টিউমারের কোষগুলোকে মেরে ফেলে। এতে আরও আছে ফাইটোকেমিক্যাল যেমন রোসমারিনিক এসিড, মাইরেটিনাল, লিউটিউলিন এবং এপিজেনিন। এসব উপাদান ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করতে কার্যকরী। অগ্নাশয়ে যে টিউমার কোষ দেখা দেয় তা দূর করতেও তুলসী পাতা দারুণ উপকারী। পাশাপাশি দূরে রাখে ব্রেস্ট ক্যান্সারও। 


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়


রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। অ্যাজমা, ফুসফুসের সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি মোকাবিলায় কাজ করে এই পাতা। জ্বর সারাতেও তুলসি পাতা সমান উপকারী। তুলসি পাতা ও এলাচ পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে খুব সহজেই বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্ষতস্থানে তুলসি পাতা বেটে লাগালে তা দ্রুত শুকায়।


ওজন কমায়


তুলসি পাতা খেলে তা রক্তে সুগারের মাত্রা ও কোলেস্টরল দুটোই রোধ করে। তাই খুব সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, তুলসি দিয়ে তৈরি ২৫০ মিলিগ্রামের একটি ক্যাপসুল প্রতিদিন খাওয়ার ফলে ওবেসিটি ও লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


ডায়াবেটিস দূরে রাখে


তুলসি পাতা ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে। প্রতিদিন খাওয়ার আগে তুলসি পাতা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমে। তুলসি অ্যান্টি ডায়াবেটিক ওষুধের কাজ করে। তুলসিতে থাকা স্যাপোনিন, ত্রিতারপিনিন ও ফ্ল্যাবোনয়েড ডায়বেটিস রোধ করতে কার্যকরী।


তুলসি পাতা উপকারী। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি এড়িয়ে যাওয়া বা না খাওয়াই উত্তম। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন ক্ষেত্রে তুলসি পাতা এড়িয়ে চলবেন-


গর্ভাবস্থা বা স্তন্যপান করানোর সময়


সামান্য তুলসি পাতা খেলে তা ক্ষতিকর নয় তবে অতিরিক্ত তুলসি পাতা খেলে এসময় নানা রকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়গুলোতে তুলসি এড়িয়ে চলাই উত্তম। এঅতিরিক্ত তুলসি পাতা খেলে তা নারীর ক্ষেত্রে হতে পারে বন্ধ্যাত্বের কারণ। তাই পরিমিত গ্রহণ করতে হবে।


রক্তপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে


তুলসি পাতা অতিরিক্ত খেলে তা শরীরে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে শরীরের স্বাভাবিক রক্ত জমাট হওয়ার প্রবণতা নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত রক্তপাতের সমস্যা। যেকোনো সার্জারির দুই সপ্তাহ আগে থেকে তুলসি পাতা খাওয়া বন্ধ রাখুন। 


নিম্ন রক্তচাপ


তুলসি পাতায় থাকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম। ফলে কমে যেতে পারে রক্তচাপ। তাই কারও নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা থাকলে তুলসি পাতা না খাওয়াই ভালো। এই ক্ষেত্রগুলোতে সতর্ক থাকলেই তুলসি পাতা খাওয়া নিরাপদ। এর অনন্য সব উপকারিতার জন্য নিয়মিত খেতে পারেন।

রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ান – ইতিহাসের সবচেয়ে অপমানজনক বন্দিত্ব!

 রোমান সম্রাট ভ্যালেরিয়ান – ইতিহাসের সবচেয়ে অপমানজনক বন্দিত্ব!

রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে বহু যুদ্ধে বহু সম্রাট অংশ নিয়েছেন। কেউ জিতেছেন, কেউ হেরেছেন। কিন্তু ইতিহাসে একমাত্র একজন রোমান সম্রাট যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে জীবিত বন্দি হয়ে শত্রুর দাসে পরিণত হন—তিনি হলেন সম্রাট ভ্যালেরিয়ান (253 – 260 খ্রিস্টাব্দ)।

ভ্যালেরিয়ান ছিলেন রোমের একজন বয়স্ক ও অভিজ্ঞ সম্রাট, যিনি পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বের হন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল পার্থিয়ান সীমান্তে ক্রমবর্ধমান পারস্য সাম্রাজ্যকে দমন করা। ২৬০ সালে Battle of Edessa তে তিনি মুখোমুখি হন সাসানিদ সাম্রাজ্যের  শাসক, 'শাপুর প্রথম' এর। 

এই যুদ্ধে রোমান সেনাবাহিনীর এক লাখের বেশি সৈন্য নিহত বা বন্দি হন, আর সম্রাট ভ্যালেরিয়ান জীবিত অবস্থায় শত্রুর হাতে বন্দি হন — যা ছিল রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। শাপুর তাঁর বিজয়ের গৌরব চিরস্মরণীয় করে রাখতে ভ্যালেরিয়ানকে ব্যক্তিগত দাস হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি ঘোড়ায় ওঠার সময় বন্দি সম্রাটের পিঠকে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতেন — যা ছিল অপমানের চূড়ান্ত রূপ। এই ঘটনার বিবরণ শাপুরের বিজয়শীল শিলালিপিতে খোদাই করা হয়।

বিভিন্ন পারস্য ও রোমান ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, শাপুর প্রথম তাঁকে দীর্ঘ সময় দাসের মতো ব্যবহার করার পর অবশেষে হত্যা করেন।কিন্তু তার মৃত্যুর পরও অপমান শেষ হয়নি। শোনা যায়, সম্রাটের শরীর থেকে চামড়া ছাড়িয়ে তা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করে, ভিতরের হাড় ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বাদ দেওয়া হয় — আজকের ভাষায় যাকে বলা হয় "taxidermy"। এরপর সেই চামড়ার দেহ ভরে তোলা হয় খড় ও ফাইবারে, এবং একে পারস্যের রাজধানী গুন্দিশাপুর বা ক্টেসিফোনে একটি রাজপ্রাসাদে ট্রফির মতো প্রদর্শন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মৃত প্রাণী বা মানুষের চামড়াকে সংরক্ষণ করে তাকে জীবিত অবস্থার মতো দেখানো হয়।

এই ঘটনাটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় যে — প্রাচীনকালের রাজনীতি ও যুদ্ধ কেবল তলোয়ার বা সৈন্য দিয়ে যুদ্ধ করাই ছিল না। বরং,

"মনস্তাত্ত্বিক বিজয়" বা শত্রুকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলা ছিল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।সম্রাট ভ্যালেরিয়ান ছিলেন এক পরাক্রমশালী সাম্রাজ্যের মুখ। তাঁকে জীবন্ত বন্দি করা, দাসের মতো ব্যবহার করা, আর শেষে মানবজ্যন্তি বানিয়ে প্রদর্শন করা — এসব ছিল পারস্য সম্রাটের তরফ থেকে শুধু প্রতিশোধ নয়, একটি বার্তা: “আমরা রোমকেও নিচুতে নামাতে পারি।”


#collected

কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর নিনজা টেকনিক

 কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর নিনজা টেকনিক।


আমরা সবাই চাই, কেউ আমাদের শুনুক, বুঝুক। কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে মনে হয় যেন মনের মধ্যে এক বিচারসভা বসে গেছে। “ভুল করলে কি হবে?” “মানুষ হাসবে না তো?” এই ধরনের ভয়ের কণ্ঠগুলো মাথায় ঘুরতে থাকে। কিন্তু আসল নিনজা হয় সেই ব্যক্তি, যে ভয়কে শ'ত্রু না বানিয়ে সাথী বানিয়ে ফেলে। ক্যামেরার সামনে কথা বলার দক্ষতা আসলে একধরনের ‘মাইন্ড ট্রেনিং’। নিচে ৭টি সাইকোলজিক্যাল নিনজা কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হলো, যা চুপিচুপি আপনার আত্মবিশ্বাসে আ'গুন ধরিয়ে দেবে।


১। নিজের ভাষা ও কণ্ঠের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো।

কমিউনিকেশনের প্রথম ধাপ হলো স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয়ভাবে কথা বলা। ক্যামেরার সামনে কথা বলার সময় আপনার কণ্ঠের স্বর, গতি এবং শব্দচয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে শুরু করবেন?

মিরর প্র্যাকটিস করুন, প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার অভ্যাস করুন। যেকোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলুন, যেমন আপনার দিন কেমন কাটলো। এটা আপনার মুখের ভাবভঙ্গি এবং কণ্ঠের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করবে।


২। ভয়কে বন্ধু বানান তাকে লুকাবেন না। 

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, “আমি ভয় পাচ্ছি কেন?” ধরুন, আপনি ক্যামেরার সামনে গিয়ে ঘামছেন কারণ ভেতরে ভয় “সবাই আমায় জাজ করবে!” ঠিক এই মুহূর্তেই ভয়কে চিনুন আর বলুন, “ভয়, আমি জানি তুমি এসেছো, কারণ এটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” মনে রাখবেন, স্টিভ জবসও প্রতি প্রেসেন্টেশনের আগে নার্ভাস হতেন, কিন্তু তিনি ভয়কে স্বীকার করে নিয়েছিলেন আর এটাই তাঁকে মানুষের কাছে মানবিক করে তুলেছে।


৩। শ্বাসের মাধ্যমে মস্তিষ্ক হ্যাক করুন।

দ্রুত শ্বাস আমাদের ব্রেনকে সংকেত দেয় সামনে “বিপদ!” তাই ক্যামেরার সামনে আসার আগে চোখ বন্ধ করে ৪ সেকেন্ড ইনহেল, ৪ সেকেন্ড হোল্ড, ৪ সেকেন্ড এক্সহেল করুন। উদাহরণস্বরুপ TED Talk বক্তাদের মধ্যে অনেকেই এই “Box Breathing” ব্যবহার করে স্টেজে ওঠার আগে।


৪। আপনি যদি ক্যামেরার সামনে কী বলবেন তা না জানেন, তাহলে নার্ভাস হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই কথা বলার আগে পরিকল্পনা করা জরুরি।


স্ক্রিপ্ট তৈরি করুন, একটা সংক্ষিপ্ত স্ক্রিপ্ট লিখুন। যেমন, আপনি যদি একটা ট্রাভেল ভ্লগ বানাতে চান, তাহলে কোন জায়গার কী কী বিষয় তুলে ধরবেন তা আগে ঠিক করুন। বু'লেট পয়েন্ট, পুরো স্ক্রিপ্ট মুখস্থ না করে মূল পয়েন্টগুলো লিখে রাখুন। এটা আপনাকে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে সাহায্য করবে। রিহার্সাল, ক্যামেরা চালু করার আগে একবার রিহার্সাল দিন।


৫। শারীরিক ভাষা (Body Language) উন্নত করা। ক্যামেরার সামনে কথা বলার সময় আপনার শারীরিক ভাষা দর্শকদের উপর বড় প্রভাব ফেলে। আপনার হাতের অঙ্গভঙ্গি, মুখের হাসি এবং চোখের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।


ক্যামেরার লেন্সকে দর্শকের চোখ ভেবে সরাসরি তাকান। এটা আপনার কথাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। হাতের অঙ্গভঙ্গি, অতিরিক্ত হাত নাড়ানো এড়িয়ে চলুন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো পয়েন্ট বোঝাতে হলে হাত দিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে ইঙ্গিত করুন, যেমন একটা প্রোডাক্টের ফিচার দেখানোর সময়। ভঙ্গি, সোজা হয়ে দাঁড়ান বা বসুন। এতে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী দেখাবে।


৬। পজিটিভ ম্যাজিক মন্ত্র। 

ভিডিও শুরু করার আগে বলুন “আমি পারি”, “আমি উপকার করতে এসেছি”, “আমার কণ্ঠ মানুষের কাজ দেবে” এই ধরণের বাক্যগুলো ব্রেনকে নতুন ন্যারেটিভ শেখায়। একজন নার্স প্রতিদিন এই বাক্য লিখতেন “আমি আলো ছড়াতে এসেছি” এটাই তার ভয়কে সাহসের রূপ দিত।


৭। রেকর্ডিং, নিজের কথা রেকর্ড করুন এবং শুনুন। লক্ষ্য করুন কোথায় আপনি দ্রুত কথা বলছেন বা কোথায় শব্দগুলো অস্পষ্ট হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ধরুন আপনি একটা প্রোডাক্ট রিভিউ ভিডিও বানাচ্ছেন। রেকর্ড করার পর দেখুন আপনার বর্ণনা কতটা স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয় ছিল।


নিনজা হওয়া মানে পারফেক্ট হওয়া নয়, বরং ভয়কে দেখে যাওয়ার সাহস রাখা। ক্যামেরার সামনে ভয় পাওয়া মানে আপনি গুরুত্ব দিচ্ছেন, আপনি ভালো করতে চান। এই চেষ্টাটুকুই আপনাকে একদিন অন্যদের জন্য মডেল বানিয়ে তুলবে। তাই আজ থেকে আপনি আর একা নন আপনার ভয়, আপনার সাহস, আর এই নিনজা টেকনিক সব একসাথে চলবে। শুরু করুন, শান্তভাবে, সাহস নিয়ে।


Social Psychologist:

Jahid Hasan Scientist 👨‍🔬


#NinjaTechnique 

#communicationskills 

#jahidhasanscientist

সময় অপচয় করলেন মানে নিজের ভবিষ্যত ন'ষ্ট করলেন!

 সময় অপচয় করলেন মানে নিজের ভবিষ্যত ন'ষ্ট করলেন!

সময়—এই ছোট্ট শব্দটির গুরুত্ব বোঝা যায় তখন, যখন তা ফুরিয়ে যায়। সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না, তা প্রতিনিয়ত চলে চলে যায়, আর আমাদের ফেলে রেখে যায় চরম অনুশোচনার অতলে। সময়ের অপচয় আসলে জীবনের সর্বনাশ ডেকে আনে—যার প্রভাব পড়ে ভবিষ্যতের প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি সিদ্ধান্তে, এমনকি জীবনের স্বপ্নগুলোতেও।

শৈশব ও কৈশোরকাল হলো স্বপ্ন গড়ার উপযুক্ত সময়। কিন্তু অনেকেই এই সময়টাকে হেলাফেলার চোখে দেখে। মোবাইল ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া, অলসতা আর অসচেতনতার কারণে আমরা প্রতিদিন কিছু কিছু সময় হারাই—অথচ বুঝতে পারি না, এই হারানো মুহূর্তগুলোই একদিন আমাদের জন্য কান্নার কারণ হবে। পরীক্ষার আগের রাতে হঠাৎ করে বই খুলে দেখা, “আরেকটু পরে পড়ব” বলে সময় নষ্ট করা—এসব আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। এর ফলশ্রুতিতে আমরা স্বপ্ন দেখা ভুলে যাই, লক্ষ্য হারিয়ে ফেলি, জীবনের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ি।


যখন সবাই নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়, তখন সময় নষ্টকারী ব্যক্তি একা দাঁড়িয়ে থাকে—কান্নাভেজা চোখে, অনুশোচনায় ভরা হৃদয়ে। কেউ তখন তার পাশে থাকে না, কারণ সমাজ ব্যর্থতাকে সহজে ক্ষমা করে না। অতীতে ফিরে যেতে চাইলেও আর কোনো পথ খোলা থাকে না। যে বন্ধু একদিন মোবাইলে গেম খেলত, আজ সে চাকরি করে বিদেশে। আর যে সময় নিয়ে গড়িমসি করেছিল, সে তখন বেকার, হতাশ, আত্মবিশ্বাসহীন একজন মানুষে পরিণত হয়।

সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসে না—এটাই বাস্তবতা। তাই প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আমাদের দায়িত্ব। একটু একটু করে সময়কে কাজে লাগালে, একদিন তা হয়ে উঠবে সফলতার সিঁড়ি। অন্যথায়, এই অপচয় হবে ভবিষ্যতের কান্না, বঞ্চনা ও বেদনার কারণ।

আজ যদি আপনি সময়কে অপচয় করেন, কাল সময় আপনাকে অপমান করবে। মনে রাখবেন, সময়ের প্রতি অবহেলা মানেই নিজের ভবিষ্যতকে ধ্বং'সের দিকে ঠেলে দেওয়া। আর তখন অনুশোচনা করলেও তা শুধু বেদনার গল্প হয়ে থাকবে—যার কোনো সমাধান নেই, শুধু দীর্ঘশ্বাস আছে।

মাটির নিচে বিশাল সুরঙ্গ মানবসৃষ্ট নয়‼️,,,,

 "মাটির নিচে বিশাল সুরঙ্গ মানবসৃষ্ট নয়‼️"


ব্রাজিলে মাটির নিচে থাকা এই সুড়ঙ্গগুলি মানুষের তৈরি নয় জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা‼️

 

পাতালঘর’ কি শুধু মানুষ বানায়/ বানাতে পারে কিংবা তাদেরই বানানোর প্রয়োজন পড়ে⁉️


ব্রাজিলের ঘটনা অন্তত তা বলছে না।মাটির নীচে এক অজানা জগৎ রয়েছে সে দেশে। 

যার স্রষ্টা বা পরিকল্পক আর যে-ই হোক না কেন,  তা মানুষ নয়। 

অন্তত এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের।


অজস্র অদ্ভুত আকৃতির সব সুড়ঙ্গ রয়েছে ব্রাজিলের মাটির নীচে।

তবে এই পাতাল জগৎ আড়ালেই ছিল লক্ষাধিক বছর। 

প্রকাশ্যে আসে ২০০০ সালের পর। 

এক ভূবিজ্ঞানী তাঁর যাতায়াতের পথে হঠাৎই সন্ধান পান ওই সুড়ঙ্গের।

এক একটির দৈর্ঘ্য ২০০০ ফুট। 

উচ্চতা ৬ ফুটেরও বেশি। 

আকারে প্রশস্ত এই সুড়ঙ্গগুলিতে ঢোকা বা বেরনোর একাধিক রাস্তা রয়েছে। কোনও কোনও প্রবেশপথ ১৫ ফুটেরও বেশি প্রশস্ত।


রিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেইনরিখ ফ্র্যাঙ্ক সেই ভূবিজ্ঞানী যিনি প্রথম মাটির নীচে ওই সুড়ঙ্গপথ আবিষ্কার করেন। একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির গর্ভে উদ্ধার হওয়া গর্তের আকৃতি প্রকৃতি দেখে ফ্র্যাঙ্কের কৌতূহল হয়। 

তিনি ঠিক করেন ওই গর্তের ভিতর প্রবেশ করবেন তিনি। 

তারপরই সুড়ঙ্গ-রহস্যের উদ্ঘাটন।

তবে এ কথা ঠিক যে ফ্র্যাঙ্কের আগে এই ধরনের সুড়ঙ্গ কেউ লক্ষ করেননি, তা নয়। 

তবে কেউ এগুলিকে গুরুত্ব দেননি। প্রাকৃতিক গুহা বলে ভেবে নেওয়া হয়েছিল সুড়ঙ্গগুলিকে।

ফ্র্যাঙ্কই প্রথম জানান, গুহার মতো দেখতে সুড়ঙ্গগুলি প্রাকৃতিক নয়। সেগুলিকে বানানো হয়েছে। 

তবে যারা বানিয়েছে, তারা মানুষ নয়।

ফ্র্যাঙ্ক বলেন, সুড়ঙ্গের ভিতর প্রবেশ করে তিনি দেখেছেন তার দেওয়াল জুড়ে রয়েছে শক্ত নখের আঁচরের দাগ, যা মানুষের হতে পারে না।

এরপর সুড়ঙ্গগুলি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ভূবিজ্ঞানী। 

জানতে পারেন ব্রাজিলের মাটির নীচে এমন অন্তত হাজার দেড়েক সুড়ঙ্গপথ রয়েছে। 

আর প্রত্যেকটিরই বৈশিষ্ট্য এক। প্রত্যেকটি সুড়ঙ্গই একাধিক প্রবেশ পথ বিশিষ্ট গুহার মতো।

ফ্র্যাঙ্ক তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে জানান, এই সুড়ঙ্গ কোনও প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর তৈরি করা। 

সেই প্রাণী ডাইনোসর বা ম্যামথদের সমসাময়িকও হতে পারে।

ফ্র্যাঙ্কের ধারণা, এই প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীটি গ্রাউন্ড শ্লথ হতে পারে, আবার আর্মাডিলো নামের পিপিলিকাভুকও হতে পারে।

বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, প্রাগৈতিহাসিক যুগে ডাইনোসর বা ম্যামথের মতো প্রাণীরা খোলা আকাশের নীচে থাকত বলেই ধারণা ছিল এতদিন

এই প্রথম জানা গেল, এই সময়ের প্রাণীদের কেউ কেউ ‘ঘর’-এর ব্যবস্থাও করত।

ফ্র্যাঙ্কের মতে, বিষয়টি গবেষণা করার মতো। 

শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে সতর্ক হলে এই প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের তৈরি ঘর সংরক্ষণও করা যাবে। 

মানুষের তৈরি স্থাপত্যের পাশাপাশি প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর তৈরি ‘ঘর’ দেখার মতো বিষয় হবে বলেই মনে করেন ফ্র্যাঙ্ক।

একইসঙ্গে তিনি জানান সতর্ক না হলে নির্মাণ কাজের চাপে ওই সুড়ঙ্গগুলি নষ্ট হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন ভূবিজ্ঞানী। 

নিজের উদ্যোগেই সংরক্ষণের কাজ শুরুও করেছেন তিনি।

তবে এই প্রক্রিয়ায় তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সময়। 

ব্রাজিলের মাটির নীচে থাকা প্রায় দেড় হাজার সুড়ঙ্গের প্রত্যেকটির বৈশিষ্ট্য বিচার করা সহজ কাজ নয়। 

তবে ফ্র্যাঙ্ক জানিয়েছেন, তাঁরা চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং আশা করছেন আরও অনেকে এ ব্যাপারে তাঁদের সাহায্য করতে পারবেন।

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...