এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

এর আগে জাপানিজদের সম্পর্কে কোথাও লিখেছিলাম যে, এরা যা করে অনেক ডেডিকেশন ও নিষ্ঠার সাথে করে,,,,,

 এর আগে জাপানিজদের সম্পর্কে কোথাও লিখেছিলাম যে, এরা যা করে অনেক ডেডিকেশন ও নিষ্ঠার সাথে করে। ধরেন যিনি একটা মাটির পট বানাচ্ছে সে খুব ধীরস্থির ভাবে পার্ফেক্ট করে বানাতে চেষ্টা করে, যিনি সুশি মেইকার তিনি হয়তো বিশ বছর ধরে কেবল নিখুঁত ভাবে সুশিই বানাচ্ছেন, যে মেয়েটা মাঙ্গা কার্টুন আঁকে সে অনেক সময় ধরে খুব ডিটেইলিং মাথায় রেখে পেইজ বাই পেইজ কমপ্লিট করে। 


ওয়াগু বিফের ব্যাপারে এমন কিছু শুনেছিলাম যা হয়তো অতিরঞ্জিত। গরুকে নাকি মাসাজ করা হয়, সঙ্গীত শোনানো হয়, এমনকি বিয়ার খাওয়ানো হয় মাংসের গুণগত মান বাড়ানোর জন্য। জাপানে শত শত বছর ধরে এই নির্দিষ্ট ব্লাডলাইন রক্ষা করে বংশবিস্তারের মাধ্যমে এই জাতটি উন্নত করা হয়েছে। 


এই প্রসঙ্গ থেকেই ব্রিটিশ সহ বাকি পশ্চিমাদের ব্যাপারে কিছু অদ্ভুত বিষয় খেয়াল এলো। জিম করবেটের শিকারের কাহিনী পড়তে পড়তে দেখেছিলাম ব্যাটা হচ্ছে ইংরেজ (এংলো-ইন্ডিয়ান মূলত), কিন্তু দীর্ঘদিন থাকতে থাকতে ভারতবর্ষের জঙ্গলের আনাচে কানাচে সব জানে। কোনটা কোন পশুর ডাক, কোনটা কোন পাখির ডাক এসব মুখস্ত। পায়ের ছাপ দেখে বুঝতে পারত বাঘ ক্ষুধার্ত নাকি শান্ত। উপমহাদেশের সেরা শিকারির নাম বললে জিম করবেটের নাম আসবে।  


এই ব্যাপারটায় হয়তো নুয়ান্স আছে। কারণ ইউরোপিয়ানরা আধিপত্যে ছিল, তাই হয়তো সাহিত্য ও ইতিহাসের একরৈখিক ব্যাখ্যায় অন্যকারো গল্প স্থান পায় নি। তবুও এমন কিছু প্রমাণ আছে যেটা মূল স্টেইটমেন্টকে বৈধতা দেয়। ব্রিটিশ ও অন্যান্য কিছু ইউরোপিয়ানদের ব্যাপারে আমার যতটুকু মনে হয়েছে-  


প্রথমত, এই শালারা প্রচুর কম্ফোর্ট জোনের বাইরে থাকতে পারে 

দ্বীতিয়ত, এরা মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে ও অসাধারণ এডাপ্টেশন ক্ষমতা। 

তৃতীয়ত, ওদের প্রচুর সাহস (কিছুক্ষেত্রে এটাকে বোকামী হিসেবেও ধরা যায়)     


একারণে শীতপ্রধান দেশে জন্মেও ইউরোপিয়ানরা আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও ভারতবর্ষের মত যায়গা কলোনাইজ করতে পেরেছে। ভ্যাপসা গরম সহ্য করেছে ও মশার কামড় খেয়েছে। কিছু যায়গা আছে যেখানে কেউ মরতেও যায়না কিন্তু দেখবেন সেসব যায়গাতেও ইংরেজরা চলে গিয়েছে।  


এরা যেখানেই কলোনি করতে গেছে সেখানকার সংস্কৃতি বাদ দিলে প্রায় বাকি সবকিছুতে এক্সপার্ট হয়ে গেছে।     


যেমন দেখেন প্রথম বাংলা ব্যকরণ রচয়িতা বাঙালি না সেটা একজন ইংরেজ, নাম নাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড। উইলিয়াম কেরি জীবদ্দশায় প্রায় ৩৪টি ভাষা ও উপভাষা শিখেছিলেন,  বাংলা, সংস্কৃত, হিন্দি, মারাঠি, তামিল ইত্যাদি জানতেন ও এসব ভাষায় বাইবেন অনুবাদ করেন। উপমহাদেশেই এতদিন এভারেস্ট ছিল, কিন্তু সেটার চূড়ায় প্রথমে যে উঠে সে নিউজিল্যান্ডের। এমনকি ব্রাহ্মি লিপি প্রথম যে ডিসাইফার করে সেও ইংরেজ।  


নতুন জিনিস এক্সপেরিমেন্ট ও ট্রাই করা সম্ভবত ইউরোপিয়ানদের একটা নেশা। পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চল আর্কটিক ও এন্টার্টিকা প্রথম এক্সপ্লোর করা লোকেরাও নরওয়েজিয়ান আর ব্রিটিশ। জেমস কুক সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়া ম্যাপ করে। পুরো দুনিয়া তিনবার চক্কর লাগানো প্রথম লোকটাও কোনভাবে ইংরেজ। রিচার্ড বার্টন নামে এক ব্রিটিশ লোক ছিল ২৯ টা ভাষা জানতো। এরাবিয়ান নাইটস ইংরেজিতে অনুবাদ করেছে এবং শোনা যায় ছদ্মবেশে নাকি একবার হজ্বও করে এসেছে। এই কাজটা করেছে স্রেফ কৌতুহল ও আগ্রহের বশে।


এমনকি ইজিপশিওলজির গোরাপত্তন, হায়রোগ্লিফিক্স ডিসাইফার করেছে ইউরোপীয়ানরা। পার্সি ফশেট নামে এক ইংরেজ ভূতত্ত্ববিদ ছিলেন। ১৯০০ সালের দিকে এমাজন জঙ্গলে অভিযান চালিয়েছেন। ১৯২৫ সালে একটা হারানো শহর খুঁজতে গিয়ে নিজেই নিখোঁজ হন। মানে এক কথায়, দেখা যায় দুঃসাহসী এক্সপ্লোরারদের বেশীরভাগই কোনভাবে ব্রিটিশ বা ইউরোপিয়ান।   


জঙ্গল অভিযান, সমুদ্রভ্রমণ, তিমি শিকার, আফ্রিকাতে কোন ফ্যান্টম হাতির আক্রমণ থেকে গ্রামবাসীকে বাঁচানো নিয়ে বিভিন্ন ইউরোপিয়ান অফিসারদের ঘটনা পড়েছি আর রোমাঞ্চিত হয়েছি। 


জেমস ক্লিয়ারের বই এটমিক হ্যাবিটস থেকে একটা ঘটনা বলি।  ১৯০৮ সাল থেকে ব্রিটিশরা অলিম্পিক গেইমসের সাইক্লিংয়ে তুলনামুলক বাজে ছিল। সাইক্লিংয়ের বৃহত্তম রেস ট্যুর ডি ফ্রান্সেও একই, ১১০ বছরেও কোন ব্রিটিশ এই ইভেন্ট জিতে নাই। ইউরোপের ভালো বাইক কোম্পানীগুলো নেভেটিভ পাবলিসিটির ভয়ে ব্রিটিশদের কাছে বাইক বেচত না। 


ব্রেইলসফোর্ড নামে নতুন কোচ নিয়োগ দেয়া হল। কোচের কাজ কি? শুধু অনুশীলন করানো তাইতো? কিন্তু এই লোক ফুলফ্লেজড সায়েন্টিস্টের মত কাজ করা শুরু করল। 


এমন কিছু নাই যেটা ব্রেইলসফোর্ড চেষ্টা করল না। নতুন বাইক ডিজাইন করল যেখানে সিটগুলো তাদের মত আরামদায়ক পজিশনে রাখলো। টায়ারগুলো এলকোহল দিয়ে ঘষা হল। রাইডারদের গরম পোষাক দেয়া হল, প্রতিটা রাইডারের শরীরে বায়োসেন্সর লাগানো হল শারিরীক প্রতিক্রিয়া ও ওয়ার্ক আউট পর্যবেক্ষণের জন্য।  


সুড়ঙ্গের ভেতরে বিভিন্ন স্যুট পরিয়ে বাতাস প্রবাহিত করে এরোডায়নামিক্স পরীক্ষা করে দেখা হল, ফলে স্যুটেও কিছুটা চেঞ্জ আনা হল। কোচ এত নাছোড়বান্দা ছিল যে কোথাও কোনভাবে ১% উন্নতিও করা সম্ভব হলেও তা বাদ দিল না। এথলেটদের মাসলের রিকভারির জন্য বিভিন্ন মাসাজ জেল টেস্ট করা হল।  


ডাক্তার, সার্জন নিয়োগ করা হল। হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে সাইক্লিস্টদের ঠান্ডা লাগানোর সম্ভাবনা কমাতে সহীহ পদ্ধতিতে হাতধোয়ার ট্রেইনিংও দেয়া হল। রাতে ভালো ঘুমের জন্য বালিশ আর গদিও টেস্ট করা হল। মানে একেবারে টমাস এডিসনের মত সবকিছু এক্সপেরিমেন্ট করে দেখা হচ্ছে।  


ব্রেইলসফোর্ডের কথাই ছিল এরকম যে- ভাই আমাকে একদিনে হাতি মেরে দেখাতে হবে না, প্রতিদিন আগের থেকে ১% উন্নতি করলেই হবে। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন করতে হবে।  


ফলাফল হচ্ছে ব্রেইলসফোর্ডের দায়িত্ব নেয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে বেইজিং অলিম্পিকে ব্রিটিশ টিম ৫০ পার্সেন্স গোল্ড মেডেল জিতে নেয়। এর পরের অলিম্পিকেতো নয়টা অলিম্পিক রেকর্ড ও সাতটা বিশ্বরেকর্ড করে ফেলে এবং ট্যুর ডি ফ্রান্সও জিতে নেয়।  


যাইহোক, মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি এখনো এরকম কেইস দেখবেন যে কোন একটা ব্রিটিশ বা পশ্চিমা নাগরিক অদ্ভুত কারণে হঠাৎ করে বাংলাদেশ বা ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করা শুরু করেছে। কিছু কেইভ এক্সপ্লোরার আছে যারা চিপাচাপা গুহা দেখলেই ভেতরে ঢুকে যায়।  বহু বিলাতি ফুড ভ্লগারকে দেখবেন এমন স্ট্রিট ফুড খাচ্ছে বা এমন টয়লেট ব্যবহার করছে যেটা আপনি জীবনেও ট্রাই করতে চাইবেন না। ওরা কেন জানি করছে।  


সম্ভবত জাতিগত ভাবে কোমফোর্ট জোনের মেন্টালিটি বাদ দিয়ে এরকম এক্সপ্লোরার মেন্টালিটি গড়ে তোলা যায় না। তবে ইন্ডিভিজ্যুয়ালিস্টিক ভাবে সেটা হতে তো বাঁধা নাই। লাইফে রিস্ক নেয়া, একটা গোল সেট করা এবং সেই কম্পিটিটিভ গোল পারসিউ করার ব্যাপারটা অসাধারণ। এসব ছোট বড় জিনিস জীবনে অনেক বলার মত গল্প রেখে যায়। 


জীবনে যে একবার বাঘ শিকার যে করেছে তার কাছে একবার সেই গল্প শুনতে চেয়েন। অথবা যে স্কাইডাইভিং করেছে,গভীর সমুদ্রে স্করকেলিং করেছে, কিংবা সম্পূর্ণ একা একটা দ্বীপে একদিন থেকেছে তার কাছে জানতে চেয়েন তার আকাশ দেখার অনুভূতি কেমন ছিল।      


আমার পছন্দের একজন ইনফ্লুয়েন্সার এবং লেখক কোন একটা ভিডিওতে দৌড়াতে দৌড়াতে অনেকটা এরকম কিছু বলেছিল- 


“এই যে আমি ভোর সকালে উঠে পাগলের মত দৌড়াচ্ছি, কেন দৌড়াচ্ছি জানেন? কারণ আমি জানি আমার আশেপাশের সব লুজাররা এখন ঘুমাচ্ছে। এটা করার মত অওকাদ সবার নাই আর এই ব্যাপারটাই আমাকে ইম্পাওয়ার ও মোটিভেট করে”


-ওমর বিন মাহতাব।

রসগোল্লা বানানোর একটি সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:

 রসগোল্লা একটি জনপ্রিয় বাঙালি মিষ্টি যা প্রধানত ছানা দিয়ে তৈরি হয়। নিচে রসগোল্লা বানানোর একটি সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:


উপকরণ:


ছানা তৈরির জন্য:


দুধ – ১ লিটার (ফুল ফ্যাট হলে ভালো)


লেবুর রস/ভিনেগার – ২ টেবিল চামচ (জল মিশিয়ে পাতলা করুন)


চিনি সিরার জন্য:


চিনি – ১ কাপ


পানি – ৪ কাপ


এলাচ – ২টি (ঐচ্ছিক)


প্রস্তুত প্রণালী:


১. ছানা তৈরি করুন:


1. দুধ ফোটান।


2. ফুটে উঠলে অল্প অল্প করে লেবুর রস দিন এবং নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না দুধ ফেটে যায়।


3. ছানা ছেঁকে নিয়ে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন (লেবুর গন্ধ দূর করার জন্য)।


4. একটি পাতলা কাপড়ে ছানা বেঁধে প্রায় ৩০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখুন যাতে অতিরিক্ত জল ঝরে যায়।


২. ছানা মাখানো:


1. ছানাটা হাত দিয়ে ভালো করে ৮-১০ মিনিট মাখুন যতক্ষণ না তা মসৃণ এবং নরম হয়।


2. ছোট ছোট গোল বল বানান (খেয়াল রাখবেন ফাটল না থাকে)।


৩. সিরা তৈরি ও রসগোল্লা সেদ্ধ:


1. একটি পাত্রে ১ কাপ চিনি ও ৪ কাপ পানি দিয়ে সিরা তৈরি করুন।


2. সিরা ফুটে উঠলে ছানা বলগুলো দিন।


3. ঢেকে মাঝারি আঁচে ১৫-২০ মিনিট সেদ্ধ করুন (রসগোল্লা ফুলে উঠবে)।


4. চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।

পরিবেশন:


রসগোল্লা ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন। চাইলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন...

কাজী সাইফুজ্জামান মুন্নু

 অতি কৈশোর থেকেই কাজী সাইফুজ্জামান মুন্নু নানা ধরনের খেলাধূলা ও ক্রীড়ানুষ্ঠানের প্রতি আকৃষ্ট হন। বিশেষ করে ফুটবল খেলা ও এ্যাথলেটিকস এর প্রতি নিবেদিত হয়ে কৃতি ক্রীড়াবিদে রূপান্তরিত হন। তাঁর জন্ম ১৯৩৭ সালের ১ এপ্রিল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের গোপালপুর গ্রামে। পিতার নাম কাজী আব্দুল মোতালেব। পিতা কাজী আব্দুল মোতালেব প্রথম মহাযুদ্ধের রেজিমেন্টাল সৈনিকরূপে অংশগ্রহণ করেন এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত অন্তরঙ্গ একনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। একাধারে কবি, সাংবাদিক, লেখক হিসাবে তাঁর খ্যাতি ছিল। তিনি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ধুমকেতু পত্রিকার সহ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। “সওগাত” “মোসলেম ভারত”, “নওরোজ”, “মধুমিতা” সহ বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর বহু লেখা মুদ্রিত হয়। তিনি ১৯৪৭-এ কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ।

কাজী সাইফুজ্জামান কৃতি সন্তান হিসাবে অত্র এলাকায় ব্যাপক পরিচিত। শিক্ষা জীবনে ১৯৫১ সালে নলডাঙ্গা ভূষণ হাই স্কুলে প্রবেশিকা, ১৯৫৩ সালে খুলনার দৌলতপুর ব্রজলাল কলেজে আই এ এবং ১৯৫৫ সালে এ বি এ, ১৯৫৭ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা সাহিত্যে এম পাশ করেন। তিনি কর্মজীবনে মাগুরা হোসেন সোহারাওয়ার্দী কলেজে অধ্যাপনা, পরে অবসর গ্রহণ করেন। পেশার বাইরে তিনি নানা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালে পূর্ব জার্মানীর রাজধানী বার্লিন কার্ল মার্কস পার্টি কলেজ থেকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের উপর এক বছরের একটি মৌলিক শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৭৩ সালে বার্লিনে অনুষ্ঠিত ১০ম বিশ্ব ছাত্র ও যুব উৎসবে অংশগ্রহণ। ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি নানা সাফল্য ও শিরোপা স্বীকৃতি অর্জন করেন। এই সময়কালে তিনি নানা শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের বেষ্ট প্লেয়ার ট্রফি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫১ সালে  আন্তঃ কলেজ ফুটবলের চূড়ান্ত খেলায় “ফিরোজ খান নুন ট্রফি”তে তিনি অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ১৯৫৪ ও ১৯৫৫ সালে বি এল কলেজ চ্যাম্পিয়ন। ১৯৫৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এ্যাথলেট হিসাবে পুরস্কৃত হন। ১৯৫৩ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত নানা সূত্রে তিনি খুলনা, যশোর রাজশাহী ও কুষ্টিয়া জেলা একাদশের হয়ে ফুটবলে (কখনো দলীয় অধিনায়করূপে) অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৭-তে কলকাতা ১ম বিভাগ ফুটবল দল “এরিয়ান্স ক্লাব”এর পক্ষে তিনি আই এফ এ শিল্ড, ডুরাল্ড কাপ ও রোভার্স কাপে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৬ সালে রাজশাহী জেলা একাদশের পক্ষে হুইলার শিল্ডে মুর্শিদাবাদ অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৭সালে ত্রিদেশীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় ট্রাঙ্গুলার ফুটবলে পাকিস্তানের পক্ষে অংশ গ্রহণের অনুরোধে এমএ ফাইনাল পরীক্ষার কারণে তাকে অপেক্ষা করতে হয়। ক্রীড়া ক্ষেত্রে যশোর জেলা দলের বিশেষ অবদানের জন্য ‘চাঁদের হাট পদক’ মাগুরার ক্রীড়া ও শিক্ষাঙ্গণে অবদানের জন্য ‘মোখলেসুর রহমান পদক’-এ ভূষিত করা ছাড়াও ‘মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থা’র আজীবন সদস্যপদে তাঁকে বরণ করা হয়।

নতুন নিয়মে #উপবৃত্তি পেতে হলে অভিভাবকের NID এর সাথে সিম/মোবাইল নং এবং সিম/মোবাইল নং ও নগদ একউন্ট একই NID হতে হবে। 

 নতুন নিয়মে #উপবৃত্তি পেতে হলে অভিভাবকের NID এর সাথে সিম/মোবাইল নং এবং সিম/মোবাইল নং ও নগদ একউন্ট একই NID হতে হবে। 

সমস‌্যা বিদ‌্যমান:

১। পিতার nid দিয়ে সিম মাতা অভিভাবক হিসেবে ফোন নং দেওয়া। 

২।কোন অভিভাবকের নগদ একাউন্ট মাতার নামে 

৩। মাতার nid দিয়ে সিম উঠানো নগদ একাউন্ট অভিভাবক পিতার নামে

৪। কখনো ১৭ সংখ্যার nid পরে জমা দেওয়া স্মার্ট কার্ড সিম উঠানো পুরাতন NID


সমাধান:

# নগদ ভেরিফিকেশন আগে চেক করে শিউর হয়ে এন্ট্রি করতে হবে। 

# প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেশীরভাগ অভিভাবকের সিম/মোবাইল নং স্বামীর এন আই ডি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা। উপবৃত্তিতে সার্ভার ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে।

 # পিতার NID এবং পিতার মোবাইল নাম্বার একাউন্ট মিলে গেলে অভিভাবক পিতার নাম দেওয়া যেতে পারে। উপবৃত্তির ক্ষেত্রে নগদ একাউন্ট অটোমেটিক্যালি হয়ে যাওয়ার কারণে অফিসিয়াল কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি যে কারণে পুনরায় যাচাই করার জন্য দেওয়া হয়েছে।

# যে অভিভাবকদের এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে তাদেরকে কাগজপত্র জমা দিয়ে অ্যাকাউন্ট সঠিক করে নিতে হবে।সেক্ষেত্রে এন্ট্রির জন‌্য ৪৮ ঘন্টা অপেক্ষা করে ভেরিফিকেশন করতে হবে।


 যে বিভাগ গুলো এখনো উপবৃত্তির জন্য চালু হয়নি সেই বিভাগ গুলো ইউজার আইডি আপডেট করার প্রয়োজন নেই যখন চালু হবে তখন ইউজার আইডি দিয়ে আপডেট করে নিতে হবে।


যেসকল বিদ‌্যালয়ে ইউজার আইডি লগইন করতে ব‌্যার্থ হয়েছেন সেই বিদ‌্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহোদয়ের তথ‌্য সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ‌্যমে কর্মকর্তা মহোদয়গণের বিভাগীয় হোয়াটসঅ‌্যাপ গ্রুপে দিয়ে ঠিক করে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে দুই দিন সময় লাগতে পারে। না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 

সিম ভেরিফিকেশন করার জন্য মোবাইল বিদ্যালয়ে এনে *16001# দিয়ে ডায়েল করে sms এ nid শেষ চার সংখ্যা লিখে পাঠানোর পর ফিরতি sms এ তথ্য পেয়ে যাবেন।

#উপবৃত্তি

শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

অনেক স্বপ্ন নিয়ে বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য,২০১৩সালে সরকারি চাকরিতে জয়েন করেছি, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনেক স্বপ্ন নিয়ে বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য,২০১৩সালে সরকারি চাকরিতে জয়েন করেছি, ৪৫০০ টাকা বেসিকে। ১৩ বছর চাকরি করার পরে সামান্য কিছু  বেতন বেড়েছে, সব মিলিয়ে মাস শেষে  কিছু টাকা পাই। প্রথম পোস্টিং ছিল কুমিল্লা । বছরে কয়েক বার বাড়িতে  ছুটি আসতাম। ছুটি শেষ বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় পকেটে ভাড়ার টাকাও থাকতো না। এত অল্প টাকা বেতনে কখনো বাবা,মা ,ভাই ,বোন ,কারো স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি, কোনদিন ভালো বাসে উঠে ছুটিতে বাড়িতে আসতে পারেনি। কখনো ভালো রেস্টুরেন্টে খেতে পারেনি। বাবা মাকে ভালো জিনিস খাওয়াতে পারেনি। চাকরি যখন ৩/৪ বছর তখন বিয়ে করেছি। তখন ব্যাংকে আমার ১০ হাজার টাকাও নেই, শ্বশুর বাড়িতে যখন বেড়াতে গিয়েছি, কোনদিন ভালো কিছু সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেনি, শ্বশুরবাড়িতে গেলে অনেক লজ্জা লাগ তো, কারণ আমার শ্বশুর বাড়িতে আমাকে অনেক আদর করত। প্রত্যেকটা জামাই চায় তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে সবচেয়ে ভালো জামাই হয়ে থাকতে। প্রত্যেকটা মানুষের কিছু প্রিয় স্বপ্ন থাকে। আমার প্রিয় স্বপ্ন ছিল , ভালো কাপড়-চোপড় পড়া ভালো জুতা পরা, একটা মোটরসাইকেল কিনে ব্যবহার করা, খুব সামান্য একটা স্বপ্ন, সেগুলো কোনদিন পূরণ করতে পারিনি, আজ চাকরি আমার ১৩ বছর প্রায় শেষ, এখন ও একটা মোটরসাইকেল কিনতে পারিনি, বাড়িতে গেলে সব সময় বন্ধুদের মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়াই। বন্ধুরা সব সময় বলে মোটরসাইকেল কখন কিনবি,  । তখন শুধু মনে মনে হাসি , কারন আমার নামের পাশে তো সরকারি চাকরিজীবী লেখা আছে , বন্ধুরা তো বলবে এটাই স্বাভাবিক।,  চাকুরী জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। প্রতিদিন রাত জেগে ডিউটি দিয়েছি, ভোতা কাচি দিয়ে ঘাস কেটেছি, ঘাস কাটতে কাটতে হাতের মধ্যে ফুচকা পড়ে গেছে, একদিন তো কান্না করে দিয়েছিলাম ঘাস কাটতে গিয়ে, তখন এক সিনিয়র সার্জেন্ট, আমার হাত দেখে বলেছিল, ও মনে হয় কোনো ভালো ফ্যামিলির ছেলে , ওকে আর ঘাস কাটতে দেয়া যাবে না কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছি, নোংরা ড্রেন পরিস্কার করেছি, ১৬ মাইল দৌড় দিয়েছি, তিন মাইল দৌড় দিয়েছি, সারা জীবন গরমের মধ্যে মোটা কাপড়ের ইউনিফরম পড়েছি , মাথায় মোটা টুপি পড়েছি, অনেক গরম পড়ছে, কখনো কখনো মনে হয়েছে মাথার টুপিটা খুলি, মোটা কাপড়ের ইউনিফর্ম টা একটু খুলি। কিন্তু ডিপার্টমেন্ট এর চাকরি সিনিয়ারদের ভয়ে কখনো তা সম্ভব হয় নাই। জীবনে কখনো কি শুনেছেন, সরকারি চাকরি পাওয়ার পরে ও চাকরি চলাকালীন অবস্থায় মানুষ আত্মহত্যা করে। আত্মহত্যা করে, এখন অবশ্য বিজিবি, পুলিশ আর্মি, এই তিন বাহিনীর লোক আত্মহত্যা করে, তাও আবার নিজের অস্ত্র দিয়ে নিজেই, গুলি করে। কিন্তু কখনো কি কেউ জেনেছেন কিসের জন্য আত্মহত্যা করে। সেটা কখনো কেউ জানতে চায় না। এতকিছুর পরেও ,আমরা বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। কিন্তু পারিনা, এই সরকারি চাকরিতে একটা জিনিস পেয়েছি সবার কাছ থেকে, সেটা হচ্ছে ,বাবা মায়ের সাথে ভালো সম্পর্ক নেই, ভাইদের সাথে নেই, আত্মীয়-স্বজনের সাথে নেই, শশুর বাড়ির লোকজনের সাথে নেই। ইচ্ছা থাকলেও মানুষের মনের আশা পূরণ করতে পারছি না। কারণ ১৩ বছর চাকরিতে এখন বেতন পাই ২৫ + হাজার টাকার মত, এই টাকা দিয়ে কি করা সম্ভব, যার দুইটা ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে, বাবা-মা বৃদ্ধ, মাস শেষে, কোনরকম ডাল ভাত খেলে হয়তো বা পাঁচ হাজার টাকা ব্যালেন্স থাকে, কিন্তু অসুস্থ হলে আবার ৫০০০ টাকা দেনা হতে হয়। সরকারি চাকরি করি ইচ্ছা করলেই তো লুঙ্গি পড়ে ঘুরে বেড়াতে পারি না , সেই জন্য প্যান্ট পড়তে হয়। আমাদের চেয়ে রিক্সাওয়ালা অটোওয়ালাতারা অনেক ভালো আছে। কারণ তাদের তো প্যান্ট পড়ার চিন্তা নেই। আজ ০৮ টি বছর সরকার বেতন বৃদ্ধি করে না। জিনিসপত্র দাম তো আর থেমে নেই সব দ্বিগুণ হয়েছে।

আর কতদিন এভাবে চলবে। আস্তে আস্তে স্বপ্নগুলো ছোট হয়ে আসছে মন ভেঙে যাচ্ছে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। 

শরীরের বিভিন্ন রোগব্যাধি ভর করছে।

 কেউ যদি কষ্ট করে আমার লেখাগুলো দয়া করে পড়ে থাকেন।

অনুরোধ থাকবে। কেউ অবহেলার চোখে দেখবেন না। কারো দয়া বা করুণা পাওয়ার জন্য লিখিনি। বিভিন্ন টেনশন মাথার মধ্যে ভর করে, রাতে ঘুম আসে না। 

তাই লিখলাম।

 🥲🥲

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাযের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড কিংবা অশান্তিতে থাকলে তার সাথে কথা বললে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আমি পাই। 

 ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাযের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড কিংবা অশান্তিতে থাকলে তার সাথে কথা বললে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আমি পাই। 


তো একবার এইরকম একটা ডাউট নিয়ে আমি মেন্টরের সাথে দেখা করলাম। 


আমাকে দুধ এবং চিনি ছাড়া স্রেফ গরম পানিতে ডুবানো একটা টি প‍্যাক এগিয়ে দিয়ে বললেন-তানভীর, আছো কেমন? 

আমি কিছুটা আড়ষ্টতা নিয়ে তাকে বললাম, কনফিউজড উস্তায! 


তিনি আমার চেহারার দিকে গভীর ভাবে তাকালেন, মিনিট খানেক। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন-কি নিয়া পেরেশানিতে আছো? 

আমি তার আরো একটু সামনে এসে নিচু কন্ঠে বললাম-উস্তায, আমার ইনকাম নিয়া আমি দ্বিধায় আছি। আমি সৎ পথে উপার্জন করি। পেশাগত কাজে পারলে ২০০ ভাগ নিবেদন দিয়ে কাজ করি। তারপরও কেন জানি এতো বছর কাজ করার পরও আমার মনে হয়ে যে আমার উপার্জনে কোনো বরকত পাচ্ছিনা। 


উস্তায মন দিয়ে আমার কথা শুনলেন, তারপর জিজ্ঞেস করলেন

*কেন তোমার এমন মনে হচ্ছে? 

আমি এবার বললাম, যে আমার সেভিংস হচ্ছেনা। প্রতিবছর যেমন আয় বাড়ছে, তেমনি খরচও বাড়ছে। 


উস্তায আবার কী মনে করে যেন আমার ডান হাতটা তার হাতে নিলেন। তারপর আবার গভীর ভাবে আমার কপাল আর চোখের দিকে তাকালেন। প্রশ্ন করলেন

_কিসের খরচ বাড়ছে তোমার? 

_এই ‍যেমন বাচ্চাদের এডুকেশন-ওদের স্কুলের বেতন, ওদের টিচারদের বেতন, কিছু অস্বচ্ছল আত্নীয় স্বজনদের খরচ। 

_কোন স্কুলে পড়ে তোমার বাচ্চারা? 

-আমি স্কুলের নাম বললাম। 

_-তানভীর, তুমি কি মনে করো, শুধু ব‍্যাংকে জমা বাড়া মানেই আয়ের বরকত? 

আমি আমতা আমতা করি। 

_এই যে তুমি সেরা একটা স্কুলে তোমার বাচ্চাদের পড়াতে পারছ, এটা কি বরকত নয়? কয়জন বাবা-মা এরকম ভালো স্কুলে তার বাচ্চাদের পড়াতে পারছে? 

হ‍্যাঁ, তা তো ঠিক। আমি মাথা নাড়ি। 

_তোমার বাচ্চারা কেমন? ওরা কি উচ্ছৃংখল? তোমাদের কথা বার্তা শোনেনা? 

-না, না উস্তায। খুব লক্ষি বাচ্চা ওরা। 

_এটা কি বরকত নয়, তানভীর? 

_জি, অবশ‍্যই। 

_বিগত ৫/৭ বছরে তোমার পরিবারে কেউ বড় রকম অসুস্থ হইছে? বা তুমি নিজে? 

_না উস্তায, আল্লাহর রহমতে কেউ ওরকম সিরিয়াস অসুস্থ হয়নাই। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিল, আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থ হয়ে গেছে। 

*হাসপাতালে ভর্তি করাতে হইছিল? 

_না উস্তায, আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে। 

:-এই যে তোমরা সুস্থ আছো, এটা কি বরকত না, তানভীর? আমার মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করেন তিনি। 

-জি অবশ‍্যই। 


-তানভীর, তোমার স্ত্রী কেমন মানুষ? সে কি তোমার সাথে সদাচারণ করে? তোমার খেয়াল রাখে? সে কী উন্নত চরিত্রের নয়? 

না না, উস্তায। সে অসাধারণ উন্নত চরিত্রের মানুষ। সে শুধু আমাকেই নয়। আমার সন্তাদের, আমার বাবার, আত্নীয় স্বজনেরও যত্ন নেয। 

:-আর কী বরকত চাও, তুমি? পরিবারে শান্তির চেয়ে বড় বরকত কী হতে পারে? 

:-জি উস্তায, আমি আসলে এভাবে গভীরে গিয়া চিন্তা করিনাই। 


*তোমার বাবা-মা আছেন? 

-মা নেই, বাবা আছেন? 

-বাবা কি তোমার সাথে থাকেন, নাকি আলাদা থাকেন? 

-আমার সাথে থাকেন, উস্তায। আমার সাথে। 

*তোমার বাবা তোমার সাথে থাকেন, এ যুগে বাবা-মা সাথে থাকা, কত বড় বরকত তানভীর, তুমি টের পাওনা? 

-টের পাই উস্তায। টেরপাই। আব্বা সাথে আছেন, এইটা

অনেক বড় বারাকা, উস্তায। 


তিনি আর কথা বাড়ান না। আমাকে বুকে জড়াই ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তারপর বলেন, জীবনে টাকা পয়সা-ধনসম্পদ বৃদ্ধিই শুধু বরকত না। জীবনে তুমি সুস্থ আছো, তোমার একটা সুন্দর পরিবার আছে, তুমি তাদের এবং তারা তোমার দেখভাল করতে পারছে-এটাও বরকত। জীবনে তুমি সঠিক জ্ঞানের আলো পাচ্ছ-এটাও বরকত। আত্নীয় স্বজনের খবর নিতে পারছ-এটাও বরকত। প্রতিদিন বাবার চেহারা দেখতে পাচ্ছ-এটাও বরকত। 


তুমি টাকা পয়সা ব‍্যাংকে জমাইয়া কী এরচেয়ে বেশি বরকত পাবে, তানভীর? 

*উস্তায, আপনি ঠিক বলছেন। 


তিনি আমাকে নিচ তলা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। আমি তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গাড়ি সার্ট দিয়ে আমি প‍্যানারমিক সানরুফটা খুলে দিই। তারপর গভীর কৃতজ্ঞতায় আকাশের দিকে তাকাই। সেদিন ছিল জোৎস্না। রুপালী আলোয় ভেসে যাচ্ছে আকাশ। সানরুফের খোলা ছাদ দিয়ে আমি দুইহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে যাই। তারপর দুচোখ বন্ধ করি। আমি অনুভব করি, পৃথিবীর সব বরকত জড়িয়ে আছে আমায়।


(তানভীর শাহরিয়ার রিমন)

Cp

ষাঁড় গরু মোটাতাজাকরণের দানাদার খাদ্য তালিকা :

 ষাঁড় গরু মোটাতাজাকরণের দানাদার খাদ্য তালিকা :

গমের ভুসি : 35 কেজি, 

ধানের গুঁড়া : 15 কেজি, 

ভুট্টার ভাঙ্গা : 16 কেজি,

খেসারি ভুসি : 15 কেজি, 

সরিষার খৈল বা সয়াবিন খৈল : 10 কেজি,

ছোলাবুট ভাঙ্গা : 3  কেজি,,

শুঁটকি মাছের গুঁড়া : 1 কেজি,

ডিবি পাউডার : 1 কেজি,, 

ডিসিপি গোল্ড পাউডার : 2 কেজি, 

আয়োডিন যুক্ত লবণ : 2 কেজি,

                মোট = 100 কেজি,,

100 থেকে 200 কেজি ওজনের একটি ষাঁড় গরুকে 

গড়ে প্রতিদিন দেড় কেজি দানাদার খাদ্য খাওয়াবেন,,

সাথে মিটমোর ফিড অথবা নারিশ ফিড 

কিংবা অন্য কোন ভালো মানের ফিড 

সকালে 350 থেকে 550 গ্রাম করে খাওয়াবেন 

বিকালে সমপরিমাণ ফিড খাওয়াবেন,,


কাঁচা ঘাসের সু ব্যবস্থা না থাকলে দানাদার খাদ্যের পরিমাণ সামান্য কিছুটা বেশি করে খাওয়াবেন,,


উল্লেখ্য যে এই পদ্ধতি অবলম্বন করা ছাড়াও 

সামান্য কম বেশি করে বিভিন্ন উপায়ে দানাদার খাদ্য তৈরি করে খাওয়াতে পারেন,,

বিশ্বের সেরা সুখী দেশে পরিবারসহ স্থায়ী হবার সুযোগ।

 বিশ্বের সেরা সুখী দেশে পরিবারসহ স্থায়ী হবার সুযোগ।

পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ডের ভিসার জন্য আবেদন করবেন যেভাবে: 


৮ম বারের মত পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ নির্বাচিত হল ফিনল্যান্ড। অনেকেই পরিবার নিয়ে ফিনল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান। আশা করছি পোস্টটি তাদের উপকারে আসবে। 


প্রথমে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে হবে। কিভাবে আবেদন করবেন?


Studyinfo fi এই ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দের প্রোগ্রাম বেছে নিন এবং নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনকাল ও ভর্তি সম্পর্কিত বিবরণ দেখে নিন।


Scholarship/বৃত্তি:


স্নাতক (Bachelor) প্রথম বছরের জন্য সাধারণত বৃত্তি দেওয়া হয় না, তবে Early Bird Scholarship/Discount পাওয়া যায় (প্রথম বছরের টিউশন ফির 15% থেকে 50% পর্যন্ত ছাড়)। মাস্টার্স (Masters) জন্য সিজিপিএ, মোটিভেশন লেটার, IELTS, GRE স্কোর, চাকরী ও গবেষণার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা 100% পর্যন্ত স্কলারশিপ পেতে পারে।


ব্যাংক স্টেটমেন্ট/Bank statement: 


আবেদনকারীকে তার ব্যাংক একাউন্টে 9600 ইউরো দেখাতে হবে। এই টাকা অবশ্যই শিক্ষার্থীর/আবেদনকারীর একাউন্টে থাকতে হবে। কেউ যদি স্পনসর হতে চাই সেক্ষেত্রে কোন কোনো আত্মীয়তা প্রয়োজন নেই। যে কেউ স্পনসর হতে পারে। স্পনসর তার একাউন্ট থেকে আবেদনকারীর একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারেন। স্পনসরকে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করতে হবে।


Post Study Work Visa/ জব ভিসা : 


ফিনল্যান্ডে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করার পরে, আপনি দুই বছরের বৈধতার সাথে একটি পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা পাবেন। এই সময়ে চাকরি খোঁজার অনুমতি পাবেন।


PR (Permanent Residency):


আবেদনকারীকে ৪ বছরের জন্য বৈধভাবে ফিনল্যান্ডে থাকতে হবে। ফিনিশ ভাষা জানতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে জানলে ভালো। আবেদনকারীকে ট্যাক্স বাদ দিয়ে অন্তত প্রতি মাসে 1600 ইউরো উপার্জন করতে হবে। পড়াশোনার ফিল্ডে চাকরি করতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। 


কমন কিছু প্রশ্ন:


১. ফিনল্যান্ডের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কি IELTS লাগবে?

   - আবশ্যক না। তবে পৃথক এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে IELTS, Job experience এমনকি কিছু ক্ষেত্রে SAT ,GRE স্কোরও দরকার হতে পারে।


২. ফিনল্যান্ডে বাস করা কি ব্যয়বহুল?

   - অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় মাঝারি খরচ, যা ৪০০-৬০০ ইউরো হতে পারে।


৩. আমি কি ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা করার সময় কাজ করতে পারবো?

   - হ্যাঁ, প্রতি সপ্তাহে সর্বাধিক ৩০ ঘন্টা কাজের অনুমতি থাকবে। পড়াশোনা শেষে ফুল-টাইম কাজের অনুমতি পাবেন।


৪. ফিনল্যান্ডে আবেদনের জন্য স্টাডি গ্যাপ কত বছর পর্যন্ত গ্রহনযোগ্য?

   - স্টাডি গ্যাপ কোনো ইস্যু না, ১০/১৫ বছরের গ্যাপেও এডমিশন ও ভিসা পাওয়া যায়।


৫. আমি কিভাবে ফিনল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য আবেদন করতে পারি?

   Studyinfo fi পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যায়।


৬. ফিনল্যান্ডে পড়াশোনার খরচ কেমন?

   - টিউশন ফি বছরে ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।


৭. অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় ফিনল্যান্ডে স্যাটেল হওয়া কি সহজ?

   - হ্যাঁ, ফিনল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিট/PR/সিটিজেনশিপের জন্য পড়াশোনার ফিল্ড রিলেটেড চাকরি দরকার হয় না।


৮. আমি কি আমার বাবা-মাকে ফিনল্যান্ডে নিতে পারব?

   - হ্যাঁ, ভিজিট ভিসায়।


৯. আমি কি আমার স্পাউস এবং বাচ্চাদের ফিনল্যান্ডে নিতে পারবো?

   - হ্যাঁ।


১০. আমি কি পার্ট টাইম চাকরির মাধ্যমে টিউশন ফি, থাকা খাওয়া সব ম্যানেজ করতে পারব?

    - এটা নির্ভর করবে আপনার টিউশন ফি, লিভিং এক্সপেন্স এবং শহরের উপর। যদি জব পেয়ে যান তাহলে বছরে ৮,০০০ ইউরো পর্যন্ত ম্যানেজ করা যায় সহজেই।


আশা করছি পোস্টটি আগ্রহীদের উপকারে আসবে।

যে কারণে মধ্যবিত্তরা সর্বস্বান্ত হন।

 যে কারণে মধ্যবিত্তরা সর্বস্বান্ত হন।

১. ভুল জমি বা ফ্লাট কেনা।


দেশে অসংখ্য রিয়েল এস্টেট কোম্পানি আছে, এরা বরশি ফেলে বসে আছে টোপ গেলার জন্য এবং এ টোপ হচ্ছে মধ্যবিত্ত। কেনার সময় আপনাকে যে জমি দেখানো হয়েছে আসলে তা হয়তো কেনাই হয়নি। জমির মালিককে মাসে দুহাজার টাকা ভাড়া দিয়ে জমির উপর কোম্পানিটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে মাত্র।


এ জমি কিনলেন তো বুড়িগঙ্গায় কষ্টের টাকা বিসর্জন দিলেন। সর্বস্ব হারানো মানুষটির এসব মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কিছুই করার থাকে না। আশেপাশে তাকালেই এদের হাতে পথের ফকির হওয়া অনেককেই দেখবেন।


উল্টাপাল্টা ডেভেলপার থেকে ফ্লাট কিনলেও একই দশা অপেক্ষা করছে।


একটি ভুল জমি বা ফ্লাট ইকুয়াল টু বাকি জীবনের কান্না।


২. অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট দেওয়া কোম্পানি।


এরা পঞ্চাশ হাজার টাকার জিনিস দশ হাজার টাকায় অফার করবে। কমদাম দেখে মধ্যবিত্তরা ঝাঁপ দেবেন। এর মধ্যে সামান্য কয়েকজনকে পণ্য সরবরাহ করা হবে, বাকি অসংখ্য অর্ডারকারিকে দেবে না, সোজা কথায় তাঁদের টাকা মেরে দেওয়া হবে। বঞ্চিতরা এ কোম্পানির মালিককে জীবনেও ধরতে পারবেন না। কারণ তাঁদের টাকায় সে টাউট ইতোমধ্যে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে, গড়ে তুলেছে মাস্তান বাহিনী, চড়ে বুলেট প্রুফ গাড়িতে, বাস করে দূর্গে। ক্ষমতাহীন মধ্যবিত্তের সাধ্য নেই তাকে ধরার।


৩. ক্রেডিট কার্ড।


নগদ টাকা বের হয়ে যাওয়ার সময় যেমন মন খচখচ করে করে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনার সময় তা করে না। তাই সব কিছু কিনে ফেলতে ইচ্ছে করে। একবারও মনে আসে না যে, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি প্রায় ত্রিশ পার্সেন্ট সুদ আরোপ করবে। মানে ১০০ টাকার জিনিস আসলে আপনি কিনছেন ১৩০ টাকায়। এটি এমন একটি গর্ত, যেখানে ঢুকা যায়, কিন্তু বের হতে জান বেরিয়ে যায়। মিনিমাম পেমেন্টের গাড্ডায় পড়লে তো জান যাবে কিন্তু ওই গর্ত থেকে বেরুতে পারবেন না।


৪. শেয়ার বাজার।


এটি এমন একটি সুড়ঙ্গ যার ওপর পারে অপেক্ষা করছে অভিজ্ঞ খেলোয়ারেরা। ভালোভাবে এ বাজার না বুঝে সে সুড়ঙ্গে টাকা ঢুকালেন তো অপর প্রান্তে অপেক্ষামান ফিল্ডাররা ক্রিকেট বলের মতো তা খপ করে লুফে নেবে। তার মানে আপনি আউট! পারমানেন্ট আউট। জীবনেও আর খেলার সুযোগ পাবেন না। এরকম আউট হওয়া হতভাগ্য খেলোয়ার আশেপাশেই দেখতে পাবেন।


৫. অতিরিক্ত মুনাফার লোভ।


যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারে প্রচলিত বা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ মুনাফা বা সুদের চাইতে বেশি অফার করে তখনই সে প্রতিষ্ঠানে লাল পতাকা কল্পনা করবেন। মানে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি লালবাতি জ্বালিয়ে ভাগবে, তার টিকিটার খোঁজও আপনি পাবেন না। এরা তো জ্বীন-ভূত না যে বাজারের প্রতিষ্ঠিত অতি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের চাইতে বেশি মুনাফা দেবে! এটা কি সম্ভব? এদের হাতে কি আলাদীনের চেরাগ আছে? না নেই। তবে আপনার আমানতের টাকায় এ চেরাগ তারা নিজেদের জন্য তৈরি করছে। যেদিন চেরাগটি পুরোপরি জ্বলবে সেদিন আপনার টাকা বস্তায় ভরে ম্যাজিক কার্পেটে চড়ে এরা গায়েব হয়ে যাবে।


কার্পেট রেডি, কেবল উড়াল দেওয়ার অপেক্ষা।


৬. ব্যাবসা করার জন্য অন্যকে টাকা দেওয়া।


আমি এমন মানুষ খুব কম দেখেছি যারা অন্যকে ব্যাবসা করার জন্য টাকা দিয়ে সব হারান নি। দুটো কারণে এটা হয়। প্রথমত যিনি ব্যবসার জন্য টাকা নিয়েছেন তিনি নিজেই মার খেয়েছেন, ফেরত কোত্থেকে দেবেন? দুই নম্বর হলো টাকা মেরে দেওয়া। কয়েকমাস লাভ দিয়ে তারপর অস্বীকার! লাভ তো দূরের কথা আসলই ফেরত পাওয়া যায় না। তাই ব্যাবসা যদি নিজে বুঝেন তাহলে করবেন, না বুঝে লাভের আশায় অন্যকে টাকা দিলেন মানে ব্যাংকের চেক কাটলেন না, নিজের ভাগ্যকেই নিজে কেটে দিলেন। দুনিয়ার কোনো সার্জনের সাধ্য নেই তা জোড়া লাগানোর।


৭. অন্ধ প্রতিযোগিতা।


আমাদের একটা বাজে অভ্যাস হলো অন্যদের সাথে অন্ধ প্রতিযোগিতা। পাশের বাসায় ৪২ ইঞ্চি টিভি কেনা হয়েছে! আমারও কিনতে হবে। কেউ গাড়ি কিনেছে! ধারকর্জ করে আমাকেও কিনতে হবে। ফলাফল হচ্ছে, পায়ের নিচের মাটি সরে যাওয়া। এ ইঁদুর দৌড়ের কারণে যখন জীবনে ঘোর বর্ষা নামবে তখন হাতে ছাতা থাকবে না। ফালতু প্রতিযোগিতার কারণে সে ছাতা তো কবেই বিক্রি করে দিয়েছি!


তাহলে কী করবেন?


উত্তর: উপরের কোনোটিই করবেন না। টাকাও নিরাপদ থাকবে, আপনিও নিরাপদ থাকবেন। হাতের ছাতা হাতেই থাকুক, বর্ষাকালের জন্য।


সবার জন্য শ্রদ্ধা, শুভকামনা Florance Florance .

Copied

পুরুষ কেন নারীকে বুঝতে বারবার ব্যর্থ হয় - কার্ল ইয়ুং: 

 পুরুষ কেন নারীকে বুঝতে বারবার ব্যর্থ হয় - কার্ল ইয়ুং: 

( কার্ল ইয়িং , আধুনিক মনস্তত্ত্বের জনক, ফ্রয়েডের যোগ্যতম শিষ্য) 


সম্পর্কের শুরুতে সবকিছুই থাকে রঙিন স্বপ্ন । নারী তোমার দিকে তাকায়, কিন্তু তোমাকে নয়, বরং তার কল্পনার তৈরি তোমাকে দেখে। তুমি হয়তো সেই চোখের গভীরে আশার ঝলক বা এক ধরণের আকাঙ্ক্ষার ছায়া দেখতে পাও। তুমি ভাবতে শুরু করো, সে বুঝি তোমাকে চাইছে।


 কিন্তু বাস্তবে তুমি তখন শুধুই মাছের বাজারের মাছ। অথবা পেইন্টিং। মহিলা   শুধুই যাচাই করছে—তার মনে আঁকা ছবির সাথে মেলানোর জন্য। অথচ সেই চিত্র তুমি নও, কখনো ছিলেও না।


কার্ল ইয়ুং এমন ভাবেই আমাদের সতর্ক করেছেন। একজন দার্শনিকের গভীর উপলব্ধিতে, একজন মনোবিদের নিখুঁত পর্যবেক্ষণে তিনি মানুষের মনের অন্তঃস্থলে লুকানো এই রহস্য খুঁজে বের করেছিলেন। তিনি দেখলেন, নারীরা real  পুরুষদের ভালোবাসে না, বরং তাদের মনের গোপনে তৈরি একটি ফ্যান্টাসি বা কল্পনার পুরুষকে তারা ভালোবাসে।


আর সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হলো, বেশিরভাগ নারীই জানেনা যে তারা নিজেরাই প্রতারিত। তারা বিশ্বাস করে যে তারা সত্যিকারের একজনকে নির্বাচন করছে। কিন্তু বাস্তবে তারা নির্বাচন করছে সেই চরিত্রটিকে, যা তারা মনে মনে সৃষ্টি করেছে। তার পুরুষ , তার জীবনের নাটকে শুধু একজন অভিনেতা মাত্র, যার ভূমিকা তারই তৈরি।


 যখন তোমার বাস্তব চরিত্র তার স্বপ্নের চিত্রের সাথে মিলতে পারে না, তখনই সে নতুন অভিনেতার খোঁজে নামে। মানে নতুন পুরুষ খুঁজতে নামে। এই চিত্রটিকে ইয়ুং বলেছিলেন 'অ্যানিমাস', নারীর অন্তরের পুরুষ সত্তা। এই অ্যানিমাস যখন নিয়ন্ত্রণহীন, তখন তা পরিণত হয় এক স্বৈরাচারে, যা নারীদেরকে ভুল পথে চালিত করে।


পুরুষরাও এই ফাঁদে পা বাড়ায়। কারণ তারা জানেনা কীভাবে এই নারীকে চিনতে হয়। তারা মনে করে, নারীর আকর্ষণ মানেই , আমন্ত্রণ পত্র। অথচ বাস্তবে তারা শুধু একটি ভূমিকা পালন করছে এমন এক নাটকে, যেটি  নারী তার মনে মনে বহু আগেই ঠিক করে রেখেছে।


 যখন কল্পনার জগৎ ভেঙে পড়ে, তখন পুরুষরা বিভ্রান্ত ও আহত হয়। যদিও তাদের সত্যিকার কোনো দোষ নেই। ইয়ুং বলেন, এই মায়াজাল থেকে মুক্তির পথ হলো 'ইন্ডিভিডুয়েশন', অর্থাৎ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে খুঁজে পাওয়া।


ইন্ডিভিডুয়েশন মানে নিজের সত্তাকে অন্যের চাহিদা বা অনুমোদনে নয়, বরং নিজের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠা করা। নিজেকে চেনা ও নিজের দুর্বলতাকে মেনে নেওয়া। ইয়ুং-এর মতে, প্রকৃত পুরুষ নিজের অবচেতনের মুখোমুখি হয়, সে অন্যের কল্পনার পুতুল নয়, বরং নিজের বাস্তবতার স্রষ্টা।


আধুনিক পুরুষের সবচেয়ে বড় দুঃখ হলো নিজের স্বত্বকে হারিয়ে অন্যের ইচ্ছার পুতুল হওয়া। তুমি একে প্রেম, পারস্পরিক সমঝোতা বলতে পারো, কিন্তু ইয়ুং বলছেন, এটি আসলে আত্মপ্রতারণা। কারণ নারীদের প্রকৃত আকর্ষণ সেই পুরুষের প্রতি, যে রহস্যময় ও নিজের পরিচয়ে উজ্জ্বল।


এই সত্যের মুখোমুখি হওয়া নিঃসঙ্গতার মাধ্যমে আসে। নিজের মনের গভীরে যাওয়া, নিজের ভেতরের নারী সত্তা ('অ্যানিমা')-কে জানা ও মেনে নেওয়া। ইয়ুং-এর মতে, এই পথে হাঁটলেই তুমি প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পাবে। এই স্বাধীনতা এমন ভালোবাসার জন্ম দেয়, যা নিঃস্বার্থ ও বাস্তব, যার মধ্যে কোনো কল্পনার মায়াজাল নেই।


এই পথ কঠিন এবং বেশিরভাগ মানুষ মাঝপথে থেমে যায়। কিন্তু তুমি যদি সাহস করে এই পথে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারো, তাহলে তুমি নিজের জীবনের প্রকৃত রচয়িতা হয়ে উঠবে। কার্ল ইয়ুং তোমাকে কোনো সরল পথ দেখাননি, বরং দিয়েছেন আত্ম-অনুসন্ধানের এক গভীর চ্যালেঞ্জ।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...