এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫

গরমের পরে বৃষ্টি হলেই গবাদিপশুর জন্য বিপদ!

 🐄 গরমের পরে বৃষ্টি হলেই গবাদিপশুর জন্য বিপদ!


নাইট্রেট বিষক্রিয়ায় প্রতিদিনই মরছে গরু-ছাগল, আপনি জানেন কি?

বছরের কিছু সময় প্রকৃতি যেন এক চরম পরীক্ষা নেয়। দীর্ঘদিন প্রচণ্ড গরম, খরা, পানির সংকট—এসব পার হওয়ার পর একদিন হঠাৎ আসে এক পশলা বৃষ্টি। জমিনে প্রশান্তির ছোঁয়া লাগে। মৃতপ্রায় মাঠে সবুজ ঘাস গজাতে শুরু করে। এই সময় কৃষক ও খামারিরা খুশি হয়ে সেই কচি ঘাস পশুকে খেতে দেন। কিন্তু জানেন কি, এই এক পশলা বৃষ্টিই হতে পারে আপনার প্রিয় গরু-ছাগলের মৃত্যুর কারণ?


❗এটা একটা মারাত্মক বিষক্রিয়া—নাইট্রেট পয়জনিং

এই রোগটি নাইট্রেট নামক একটি রাসায়নিক যৌগের কারণে হয়ে থাকে, যা সাধারণত কচি ঘাসে থাকে বেশি। বিশেষ করে বৃষ্টির পরে যেসব ঘাস গজায়—যেমন শ্যামা, হেলেঞ্চা, বোরো, রাই ঘাস, ধনচা ইত্যাদি, এসব ঘাসে নাইট্রেটের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।


নাইট্রেট সরাসরি প্রাণিকে মেরে ফেলে না। কিন্তু গরুর পেটে থাকা উপকারী অণুজীব (রুমেন মাইক্রোফ্লোরা) নাইট্রেটকে রূপান্তর করে নাইট্রাইটে, আর সেটিই বিপদ ডেকে আনে। নাইট্রাইট রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে মিথোহিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে প্রাণি শ্বাস নিতে পারে না এবং অক্সিজেনের অভাবে ধীরে ধীরে মারা যায়।


⚠️ কখন এই রোগ বেশি হয়?

মে থেকে জুলাই মাসে, যখন গরমের পর বৃষ্টি হয়

খালি পেটে গরুকে মাঠে দিলে

অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার করা জমির ঘাস খেলে

হঠাৎ বেশি পরিমাণে কচি ঘাস খাওয়ালে

দূর্বল, রোগাক্রান্ত বা অনাহারে থাকা পশুদের ক্ষেত্রে


🐮 লক্ষণগুলো কী কী?

হাপরের মতো শ্বাস নেয়

গা কাপতে থাকে, দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না

পাতলা পায়খানা

নাক-মুখ থেকে লালা ঝরে

জিহ্বা, চোখ ও নাকের চারপাশে নীলচে রঙ

খাওয়া বন্ধ করে দেয়

দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়

বেশি মাত্রায় হলে ২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটে


⚰️ মৃত পশুর শরীরে যা দেখা যায়

চকলেট রঙের রক্ত (অক্সিজেনবিহীন রক্ত)

টিসু ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বাদামী বা গাঢ় বর্ণের

হৃদস্পন্দন থেমে যায়, মস্তিষ্কে অক্সিজেন না পৌঁছালে মূর্ছা যায়


❌ কখনোই করবেন না যেসব ভুল

✅ বৃষ্টির পরপরই মাঠ থেকে ঘাস কেটে গরুকে খাওয়াবেন না।

✅ ঘাস শুকিয়ে, ভালোভাবে পরীক্ষা করে তারপর দিন।

✅ খালি পেটে কচি ঘাস খাওয়াবেন না। আগে কিছু শুকনা খাবার দিন।

✅ সন্দেহ হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন, নিজে কিছু করার চেষ্টা না করাই ভালো।

✅ ইউরিয়া সারের পরিমাণ কমান। জমি থেকে গজানো ঘাসে কতটুকু নাইট্রেট আছে তা পরীক্ষার সুযোগ থাকলে অবশ্যই তা করুন।


❗পরিবেশের জন্যও এটা ভয়ংকর!

যেসব জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়, সেই জমি থেকে নাইট্রেট ধুয়ে গিয়ে আশপাশের পানিতে মিশে যায়। এর ফলে নদী, খাল-বিল, পুকুরের পানি দূষিত হয়। জলে থাকা প্রাণিকুল যেমন মাছ, শামুক, ব্যাঙ প্রভৃতির প্রাণহানি ঘটে। জলজ উদ্ভিদও বাড়তে থাকে অস্বাভাবিকভাবে—যাকে বলা হয় ইউট্রোফিকেশন। ফলে পরিবেশে ভারসাম্য নষ্ট হয়।


📣 এখন আপনার কথা বলার পালা!

আপনার খামারে বা আশপাশে কি গরু হঠাৎ মারা গেছে? আপনি কি এই নাইট্রেট বিষক্রিয়ার কথা আগে জানতেন?

আপনার অভিজ্ঞতা অন্য খামারিদের চোখ খুলে দিতে পারে।

👇

কমেন্টে জানান—এই বিষয় নিয়ে আপনি কী জানেন? কেউ কি এর শিকার হয়েছেন আপনার আশেপাশে?


☔ বৃষ্টির পর মাঠে গজানো সুন্দর সবুজ ঘাস দেখে যদি আপনি খুশিতে গরুকে তা খাওয়াতে দেন—তবে একটু থামুন!

এই ঘাসে থাকতে পারে বিপজ্জনক নাইট্রেট, যা একরাতে আপনার প্রিয় গরুকে মেরে ফেলতে পারে।


⚠️ শ্বাসকষ্ট, লালা পড়া, খাওয়া বন্ধ—সবই হতে পারে নাইট্রেট বিষক্রিয়ার লক্ষণ।

বিশেষ করে মে-জুলাই মাসে এবং বৃষ্টির পরপর এই সমস্যা বেশি হয়।

👉 আপনার পশু নিরাপদ তো?

👇 কমেন্টে লিখুন—আপনি এই রোগ সম্পর্কে জানতেন কি?


📢 শেয়ার করে অন্য খামারিদের সতর্ক করুন।

সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন

 সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন❤


প্রিয় সন্তান,,

আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...


১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।


২। আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।


৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।


জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা কোরো: 


১। যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখোনা। কারন, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবোনা। ♦


২। জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবেনা। ♦


3. জীবন সংক্ষিপ্ত।

আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে। ♦


৪. ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।♦


৫. অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিলনা-  এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করোনা কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।♦


৬. আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাবনা। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি বাবা হিসেবে আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে। ♦


৭. তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করোনা। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবেনা। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে। ♦


৮. আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না। ♦


৯. তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি ...মূল্যায়ন করি। ♦


——————

ভালোবাসা সহ,

তোমার বাবা......


বাবাটি হলেন একজন চাইল্ড সাইকোলজিষ্ট এবং হংকং-এর প্রখ্যাত টিভি সম্প্রচারকারী। তার কথাগুলো বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠ, বৃদ্ধ কিংবা তরুন, শিশু, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। 🌹


Collected..

একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

 একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন সে আবার বাবার বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ ভরে জানতে চায় যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?মেয়ে জবাবে বলে-“ আমার ওখানে ভালো লাগেনা। মানুষগুলো কেমন যেন। পরিবেশটাও আমার ভালো লাগছেনা”।মেয়ের ভেতর এক ধরনের হতাশা দেখতে পায় তার মা। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। মেয়ের চলে যাবার সময় চলে আসে। চলে যাবার ঠিক আগের দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে পানি দেন এবং তা গরম করতে থাকেন। একসময় যখন তা ফুটতে থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর, ডিম আর কফির বিন দেন। এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। একটি বাটিতে গাজর, ডিম এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন। এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্যকরে বলেন-“তুমি এখান থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে বল” ?মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে-“আমি দেখলাম তুমি গাজর, ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ করলে মাত্র”।মেয়ের কথা শুনে মা বললেন-“হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ। তবে তুমি কি আরও কিছু লক্ষ্য করনি?”মেয়ে বলে-“ না- মা ”মা বলে-“গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের, ডিম খুব হালকা আর কফির বিন খুবই শক্ত। কিন্তুযখন এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন তিনটি জিনিসের তিন রকম অবস্থা হল। গাজর খুব নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত হয়ে গেল আর কফির বিন সুন্দর ঘ্রান আর মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল”। মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেন অনেক অতীতে চলে যেতে চাইলেন। তারপর আবার বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে ফিরে বললেন “আমি তোমাকে এখন যে কথাগুলি বলব, আমার মাও ঠিক এইভাবেই আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।আমি জানিনা কথাগুলি তোমার কতটুকু উপকারে আসবে, তবে আমার জীবনকে অনেক প্রভাবিত করেছিল”।

 

মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে লাগলেন-


“তুমি যদি তোমার স্বামীর বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক গাজরেরমতই নরম করে ফেলবে- তোমার ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে। যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর করে উপস্থাপন কর তবে প্রতিকূল পরিবেশ তোমাকে কব্জা করে ফেলবে, আঘাতের পর আঘাত এসে তোমার হৃদয়কে একসময় কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত। কিন্তু তুমি যদি তোমার ভালবাসা দিয়ে নিজেকে প্রতিকূল পরিবেশেরসাথে মিশিয়ে দিয়ে তার অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার তবে পরিবেশ সুন্দরহয়ে উঠবে ঠিক যেমন কফির বিন গরম পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে পানিকেসুস্বাদু আর চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে ভরিয়ে দিয়েছে”।


পরের দিন যখন মেয়েটি তার স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছিল তখন তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত ভাব আর এক দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ পাচ্ছিল। আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি সবসময় অনুকুল থাকবেনা, তাই বলে নিজেকে পরিস্থিতির কাবু না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা, সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে কাবু করতে হবে ।

বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়,,,

 ১.

৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়। চাতাল মালিকের কাছে কৃষক ৪২ কেজি ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয় ৬০০/৭০০ টাকায়। আপনি ৩০ কেজি চাল কিনেন ১৮০০ টাকায়। মাঝখানে কোন পরিশ্রম ছাড়াই চাতাল মালিকের লাভ ৭০০/৮০০ টাকা। অর্থাৎ কৃষকের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি মুনাফা করছে চাতাল মালিক এবং উৎপাদন যন্ত্রে কোন প্রকার অবদান না রেখেই। এখন এক একজন কৃষক যদি ২০ মন ধান বিক্রি করে আর এমন কৃষক যদি ১০০ জন হয় তবে চাতাল মালিকের বিনা শ্রমে মুনাফা এক মৌসুমে ১৪ লক্ষ টাকা। এখন এই চাতাল মালিক যদি ৩ লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনে কুরবানি দেয় আর তখন যদি আপনি বলেন যে সে নিজের টাকা দিয়ে দামী গরু কিনেছে তাতে কার কি বলার আছে তাহলে আপনার বুদ্ধি, জ্ঞান, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ আছে। যেই কৃষক ছাড়া খাদ্য উৎপাদন অচল সেই কৃষক কেন ১৫০০ টাকায় এক মন ধান বিক্রি করতে পারছে না, কেন কৃষক এক মন ধান বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংসও কিনতে পারছে না অথচ কৃষকের উৎপাদিত ধান বিক্রি করে চাতাল মালিক ৩ লাখ টাকার গরু কিভাবে কিনে সেই প্রশ্ন যদি না করতে পারেন তবে আপনি কি শিখলেন আর কি শিক্ষিত হলেন?


২.

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে পোশাক শ্রমিক ৭০০০/৮০০০ টাকা মজুরি পায়। অথচ তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী মজুরি হওয়া উচিৎ ২০,০০০ টাকা তাও প্রফিট শেয়ার ছাড়াই। ফলে ৩০০ শ্রমিকের শ্রমে চলা ফ্যাক্টরির মালিক উৎপাদিত পণ্যের মুনাফার বাইরেই শুধুমাত্র শ্রম ঠকিয়ে বাড়তি টাকা পকেটে ভরছে প্রতিমাসে ১২০০০ x ৩০০ = ৩৬ লক্ষ টাকা। আর শ্রমিকের মজুরি মেরে দিতে পারলে তো কথাই নেই। এখন এই ফ্যাক্টরি মালিকের ছেলে বছর শেষে যদি বাপকে ২ কোটি টাকা দামের গাড়ি উপহার দেয় আর আপনি যদি ভাবেন- নিজের টাকায় গাড়ি কিনে গিফট করতেই পারে, তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ করাটা কি দোষ হবে? স্রেফ শ্রমের মূল্য ঠকিয়ে যেই টাকা পাওয়া যায় সেটারে মুনাফা বলে না, বলে ডাকাতি। চোখের সামনে শত সহস্র মানুষের প্রাপ্য হক ডাকাতি করে বড়লোকি ফুটানি মারাচ্ছে অথচ সেটা যদি আপনার চোখে স্বাভাবিক লাগে তবে পড়াশুনা করে কি শিখলেন? কি নৈতিকতা শিখলেন?


৩.

এলপি গ্যাস কোথা থেকে আসে? এলপি গ্যাসে প্রধানত আসে খনিজ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারিতে শোধন করার সময় বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। ১২ কেজির এলপি গ্যাস আপনি কিনছেন ১৫০০ টাকায় অথচ এই ১২ কেজি এলপি গ্যাস বসুন্ধরাওয়ালারা ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে নিচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। অর্থাৎ সিলিন্ডার প্রতি বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের মুনাফা সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা যা তার ক্রয়মূল্যের থেকেও বেশি। এটারে কি মুনাফা বলে নাকি ডাকাতি? এখন মাসে যদি ১০ লাখ সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হয় তবে বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের স্রেফ ফাওএর উপর মুনাফা একশো কোটি টাকা। বসুন্ধরার মালিক পুত্র সায়েম সোবহানের এমন একটা রোলস রয়েস আছে যেটা দুনিয়াতে মাত্র ২০ পিস আছে। এখন আপনি যদি বলেন তার টাকা আছে তাই সে কিনেছে তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ হলে সেটা কি দোষ?

আপনার কি উচিৎ না সরকারকে চাপ দেয়া যেন বসুন্ধরাওয়ালারা ৫০০ টাকার গ্যাস ৮০০ টাকার চেয়ে বেশি দামে না বিক্রি করতে পারে? অথচ সেটা না করে বসুন্ধরা গ্রুপের টাকার গরম দেখে আহা উহু করছেন, লিবারেলিজমের বটিকা খেয়ে বলছেন যার টাকা আছে সে খরচ করতেই পারে। অথচ এটা ভাবছেন না যে সরকারকে যদি বাধ্য করানো যায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৮০০ টাকায় নির্ধারণ করতে তাহলে বছর শেষে যেই দশটা হাজার টাকা সাশ্রয় হবে সেটা আপনারই হবে।


৪.

খুব সহজ অংক হচ্ছে- শোষণ, শ্রম ডাকাতি, দামে ঠকানো ছাড়া দুনিয়াতে উচ্চমাত্রার বড়লোক হওয়া সম্ভব না। অসম্ভব কোনভাবেই। সেটা বুঝানোর জন্যই উপরে ৩টা অংক দিলাম। আরো বুঝতে চাইলে কার্ল মার্ক্সের শ্রমের উদবৃত্ত মূল্যতত্ত্ব নিয়ে একটু পড়াশুনা করেন। আর কিছু না হোক, নিজে ঠকছেন কিনা এবং নিজের নৈতিক অবস্থান ঠিক আছে কিনা সেই অবস্থানটা সঠিক রাখতে এই জ্ঞান দরকার।


অতএব, নিজের জ্ঞানবুদ্ধি দিয়ে বিচার করেন যে কেউ বড়লোকি ফুটানি দেখালে সেটারে বাহবা দিবেন নাকি স্রেফ জবাবদিহিতায় আনবেন যে কোন আকাম করে এই ফুটানি মারাতে পারছে?


৫.

আল্লামা ইকবাল বলেছেন- যে দেশের বুকে পায় না চাষীরা পেটের ক্ষুধার অন্ন, সে মাটির প্রতিটি শষ্যকণায় আগুন ধরিয়ে দাও।


নৈতিকতা, মার্ক্সবাদী জ্ঞান এবং সচেতনতার আগুন জ্বলে উঠুক আপনাদের সবার ভিতরে, যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাক লিবারেলিজমের বিষাক্ততা, সাম্প্রদায়িকতা ও শোষকের সকল কৌশল। সামনের দিন হোক সাম্যের।

(Post Courtesy :- Mehedi Minto)

হুমায়ুন আহমেদ নাটক এর লিষ্ট -

 হুমায়ুন আহমেদ নাটক এর লিষ্ট -

১.২৪ ক্যারেটম্যান

২.আজ জরির বিয়ে

৩.আবারও তিন জন

৫.অচিন বৃক্ষ

৬.আলাউদ্দিনের ফাঁসি

৭.আমি আজ ভেজাবো চোখ সমুদ্রজলে

৮.আমরা তিন জন(টি মাস্টার)

৯.অংটি

১০.বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল

১১.চৌধুরি কামরুজ্জান এর মিত্যু চিন্তা

১২.নিশিকাব্য

১৩.পুষ্পকথা

১৪.চেরাগের দৈত্য

১৫.পিশাচ মকবুল

১৬.জহির কারিগর

১৭.জলে ভাসা পদ্ম

১৮.জুতার বাক্স

১৯.মিস্ডকল

২০.সংসার

২১.অন্তরার বাবা

২২.বিলাতি জামাই

২৩.বন বাতাসি

২৪.বনুর গল্প

২৫.বৃহন্নলা

২৬.নীমফুল

২৭.বুয়া বিলাস

২৮.চিপাভুত

২৯.চোর

৩০.চরনরেখা

৩১.এই বরষায়

৩২.একা

৩৩.একদিন হঠাৎ

৩৪.একটি অলৌকিক ভ্রমন কাহিনী

৩৫.এনায়েত অালীর ছাগল

৩৬.এসো

৩৭.এভারেস্ট ভয়

৩৮.গন্ধ

৩৯.গুড়ামরিচ পার্টি

৪০.হাবলংগের বাজারে

৪১.হামিদ মিয়ার ইজ্জত

৪২.হিমু

৪৩.এই বৈশাখে

৪৪.নুরুদ্দিন স্বর্নপদক

৪৫.ঘটনা সামান্য

৪৬.অঙ্গিল

৪৭.অগুন মজিদ

৪৮.দ্বিতীয় জন্ম

৪৯.মাটিন পিন্জিরার মাঝে

৫০.তাহারা

৫১.উট্ভট উট

৫২.আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রন

৫৩.জামাই রত্ন

৫৪.ওপেনটি বায়োস্কোপ

৫৫.বৃক্ষ মানব

৫৬.চন্দ্রগ্রহন

৫৭.প্রিয় পদরেখা

৫৮.রুপালী ঘন্টা

৫৯.একজন কৃতদাস

৬০.একি কান্ড

৬১.লীলাবতি

৬২.পিপিলিকা

৬৩.অাজ অামাদের ছুটি

৬৪.করোটি

৬৫.কুসুম

৬৬.অন্য ভুবনের ছেলে

৬৭.রহস্য

৬৮.জাদুকর

৬৯.যমুনার জল দেখতে কালো

৭০.যাত্রা

৭১.জীবন যাপন

৭২.জিন্দাকবর

৭৩.জলতরঙ্গ

৭৪.জনক

৭৫.জননী

৭৬.খোয়াব নগর

৭৭.কনে দেখা

৭৮.মায়াবতি

৭৯.মদিনা.

৮০.মৃত্যুর ওপারে

৮১. নাট্যকার হামিদ সাহেবের একদিন

৮২.নীল বোতাম

৮৩.নীলচুড়ি

৮৪.নিষাদ

৮৫.অনিশ্চত মেঘের যাত্রা

৮৬.অপরাহ্ন

৮৭.পাপ

৮৮.প্যাকেজ সংবাদ

৮৯.পক্ষিরাজ

৯০.প্রজেক্ট হিমালয়

৯১.রুপা

৯২.রুপকথা

৯৩.সমুদ্র বিলাস

৯৪.সম্পর্ক

৯৫.সপ্ন সঙ্গিনী

৯৬.জুতাবাবা

৯৭.তিন প্রহর

৯৮.তিথীর নীল তোয়ালে

৯৯.তৃতীয় নয়ন

১০০.তুরুপের তাস

১০১.ভালবাসা

১০২. হাবিবের সংসার

১০৩. মফিজ মিয়ার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র

১০৪.পাথর

১০৫.অনুসন্ধান

১০৬.চাদের অালোয় কয়েকজন যুবক

১০৭.চার দুকোনে চার

১০৮.ছেলেদেখা

১০৯.ফুসকা বিলাস

১১০.ইবলিশ

১১২.মিরার দিনরাত্রি

১১৩.মন্ত্রী

১১৪.নাট্যমঙ্গল

১১৫.সবাই গেছে বনে

১১৬.ভাইরাস

১১৭.অাজ রবিবার

১১৮.অয়োময়

১১৯.বহুব্রীহি

১২০.কালা কইতর

১২১.কোথাও কেউ নেই

১২২.নক্ষত্রের রাত

১২৩.অচিন রাগিনী

১২৪.সেদিন চৈত্রমাস

১২৫.সেইসব দিনরাত্রি

১২৬.সবুজ ছায়া

১২৭. যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন,

১২৮.ওয়াং পি

১২৯.বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল, 

১৩০.অন্যভুবন, 

১৩১.কবি, 

১৩২.তারা তিনজন ঝামেলায় আছি, 

১৩৩.তারা তিনজন এবং ঝুনু খালা,

১৩৩.জোছনার ফুল

১২৭.উড়ে যায় বক পক্ষি (most fvt)

১২৮. মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।

১৩১. মাটি বাবা 

শেয়ার দিয়ে টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন। মন খারাপের সময় ঔষধ হিসেবে কাজ করবে।

বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি: শিক্ষার নামে প্রতারণা না কি সম্ভাবনার অপচয়?

 বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি: শিক্ষার নামে প্রতারণা না কি সম্ভাবনার অপচয়?


📌ভূমিকা

ডিপ্লোমা ডিগ্রি হলো সাধারণত কম সময়ের মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের কোর্স। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এই ডিগ্রি তরুণদের দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে ডিপ্লোমা ডিগ্রি এক ধরনের শিক্ষাবাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে হাজারো শিক্ষার্থী সময়, অর্থ এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছু হারাচ্ছে।


বাংলাদেশে প্রচলিত ডিপ্লোমা ডিগ্রিসমূহ:

১. পলিটেকনিক (Diploma in Engineering):

✅চার বছরের কোর্স।

✅ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা।

✅অনেক প্রতিষ্ঠান মানহীন, ল্যাব/মেশিন নেই, শিক্ষক অনভিজ্ঞ।


২. আইএইচটি (IHT - Institute of Health Technology):

✅ল্যাব টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল, ফার্মেসি ইত্যাদিতে ডিপ্লোমা।

✅অনেক ছাত্র-ছাত্রী কোর্স শেষ করে বেকার, চাকরির ব্যবস্থা নেই।


৩. ম্যাটস্ (MATS - Medical Assistant Training School):

✅সাড়ে চার বছরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স।

✅গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসা সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ কমে আসছে।

✅সরকারি নিয়োগ সীমিত, বেসরকারি চাহিদা প্রায় শূন্য।


৪. কৃষি ডিপ্লোমা (Diploma in Agriculture):

✅চার বছর মেয়াদী কৃষি শিক্ষাক্রম।

✅সরকারি চাকরিতে সীমিত সুযোগ, মাঠ পর্যায়ে কর্মসংস্থান খুবই কম।

✅প্রযুক্তি ও বাজার ভিত্তিক কৃষি শিক্ষার অভাব রয়েছে।


মূল সমস্যাসমূহ:

১. মানহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যসূচি:

➡️প্রায় ৮০% বেসরকারি ডিপ্লোমা কলেজ-ইনস্টিটিউটে পর্যাপ্ত ল্যাব, শিক্ষক ও পরিবেশ নেই।

➡️সিলেবাস পুরাতন, বাস্তব চাহিদার সাথে মিল নেই।


২. চাকরির সংকট:

➡️সরকারি নিয়োগ বছরে গুটিকয়েক।

➡️বেসরকারি খাতে কাজের সুযোগ খুব সীমিত, বেতনও নগণ্য।

➡️অধিকাংশ ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থী বছরের পর বছর বেকার থাকছে।


৩. উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য:

➡️অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয় না।

➡️যে কয়টি নেয়, সেখানেও আসন সংখ্যা কম, প্রতিযোগিতা চরম।


৪. প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি তদারকি নেই:

➡️কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে নতুন নতুন ইনস্টিটিউট।

➡️শিক্ষার্থীরা পরে বুঝছে—তাদের সার্টিফিকেটের বাস্তবে কোনো মূল্য নেই।


ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের অভিজ্ঞতা:


⏩ “আমি চার বছর ইলেকট্রিক্যাল পলিটেকনিকে পড়েছি। চাকরি পাইনি, কোথাও ইন্টার্ন করতেও দেয় না। এখন দোকানে বসে মোবাইল সারাই করি।”

— এক ডিপ্লোমাধারীর ভাষ্য


⏩“ম্যাটস থেকে পাস করার পর ২ বছর হয়ে গেছে, কোথাও চাকরি পাইনি। বেসরকারি ক্লিনিকে চাই ২ বছরের অভিজ্ঞতা, কিন্তু কোথা থেকে আসবে?”

— ম্যাটস পাস এক তরুণীর অভিযোগ

সম্ভাবনার অপচয়:


বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও দক্ষতা, আগ্রহ ও পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে। কিন্তু ভুল পথে ঠেলে দিলে সেই শক্তি ক্ষয়ে যায়। ডিপ্লোমা ডিগ্রির আড়ালে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস হচ্ছে কেবল:


👉অভিভাবকদের অজ্ঞতার কারণে,

👉ব্যবসায়িক মনোভাবসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কারণে,

👉এবং সরকারি তদারকির অভাবে।


উপায় কী?

১. সচেতনতা বাড়ানো: অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো দরকার—ডিপ্লোমা মানেই চাকরি নয়।

২. মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেওয়া: যাচাই ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠান খোলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দরকার।

৩. শিল্প/চাকরি সংযোগ নিশ্চিত করা: প্রতি ডিপ্লোমা কোর্সের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. বিকল্প পথ তৈরি করা: যেমন — আইটি, ফ্রিল্যান্সিং, স্মার্ট কৃষি, স্মল বিজনেস মডেল শেখানো।


উপসংহার:

বাংলাদেশে যেভাবে ডিপ্লোমা ডিগ্রির বিস্তার ঘটেছে, তা উন্নয়নের নয়, বরং একটি লুকানো বেকারত্বের ফাঁদ।

অভিভাবকদের এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন — শুধু সার্টিফিকেট নয়, দরকার বাস্তবমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা।

আপনার সন্তানের জীবন নিয়ে গেম খেলবেন না। জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন।

 সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২১-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২১-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত - দেশে স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখার ওপর প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত নরওয়ের।


দেশে ইন্টারনেট সেবাদানকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু - এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত হবে না - বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।


আগামী জাতীয় বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার - জানালেন অর্থ উপদেষ্টা।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিটের শুনানী শেষ - আদেশ আজ।


ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু - টিকেট পাওয়া যাবে অনলাইনে।


ইসরাইলী অবরোধের ফলে ত্রাণের অভাবে গাজায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে - জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানের হুশিয়ারী।


আজ শারজায় তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

গাভী কেন বার বার গরম হয় এই বিষয়ে আজকে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ!

 👉 গাভী কেন বার বার গরম হয় এই বিষয়ে আজকে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ!


আপনারা জানেন, যখন কোনো গাভী সঠিক সময়ে অর্থাৎ (১৮-২১ দিন) গরম হয় ও কোনো প্রকার  অসুস্থতার লক্ষণ থাকে না এবং কমপক্ষে ২ বার প্রজনন করানোর পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হয় তখন তাকে বার বার গরম হওয়া গাভী বলে।

মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে ৩ বার প্রজনন করানোর পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হওয়া গাভীর হার প্রায় ১০.০১%। বাণিজ্যিক ডেইরি ফার্মে চারটি প্রধান সমস্যার মধ্যে বার বার গরম হওয়া একটি অন্যতম সমস্যা। এতে করে বাছুর প্রদানের সংখ্যা কমে যায়। বার বার প্রজনন করানো ও চিকিৎসা করানোর খরচ বেড়ে যায়। অনেক সময় উন্নত মানের গাভী অকালে বাতিল করতে হয়, ফলে খামারি মানসিক চাপে পড়েন ও অর্থনৈতিকভাবে খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন। 


কি কি কারণে গাভী বার বার গরম হয়

১। বাস্তবপক্ষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল সময়ে প্রজনন করানোর ফলে হয়ে থাকে

২। গাভীতে প্রজনন তন্ত্রের বার্সা ও ডিম্বনালির জটিলতা ও জরায়ু সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে

৩। লুটিয়াল গ্রন্থির কার্যকারিতা তাড়াতাড়ি বন্ধ হলে বা স্বাভাবিক বা নিয়মিত ঋতুচক্রের মতো করপাছ লুটিয়াম স্বল্পস্থায়ী হলে এমন হতে পারে 

৪। ডিম দেরিতে নিঃসরিত হলে এবং প্রজননে বীজের মান ভালো না হলে।  

৫। পূর্বেই ভ্রƒণ মারা গেলে বা দুর্বল/নিম্নমানের ভ্রƒণ সৃষ্টি হলে

৬। জরায়ুর পরিবেশ ভালো না থাকলে

৭। Precocious puberty ও Luteolyse হলে, এই জটিল বিষয়টি ভালোভাবে জানতে একজন ভেটেরিনারি ডাক্তারের সাথে আলোচনা করবেন

৮। জরায়ু সংক্রমণ হলে সাধারণত ষাঁড় দ্বারা মিলনের সময়, অস্বাস্থ্যকর কৃত্রিম প্রজনন ও প্রসবের সময় ও পরে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে

৯। এছাড়াও কিছু বিষয় বার বার গরম হওয়াকে প্রভাবিত করে যেমন-ওলান প্রদাহ রোগ,  বার বার গরম হওয়ার হার বৃদ্ধি করে ও উৎপাদন কমিয়ে দেয়। গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর। বাচ্চা প্রদানের সংখ্যার ওপর। জটিল প্রসবের ঘটনা ইত্যাদি 

১০। প্রথম প্রজনন করানোর আগে চিকিৎসা দেয়া, যেটা মাঠ পর্যায়ে অনেক হাতুড়ে পল্লী চিকিৎসক করে থাকেন। এটা করা কখনো নয়। 


প্রতিরোধ

১. সঠিক সময়ে প্রজনন করতে হবে। গরম হওয়ার ১৫ ঘণ্টা পরে ও ১৮ ঘণ্টার মধ্যে

২. গাভী গরম হলে গাভীর Progesterone level খুব কমে যায়  এবং estrogen level বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে   Progesteron এর মাত্রা নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দেয়া যায়

৩. ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনে ২ বার প্রজনন করানো যেতে পারে

৪. প্রজনন করানোর পর কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড গাভীর ক্লাইটোরিসে ম্যাসেজ দিতে হবে

৫. প্রজননকারীকে সতর্কতার সাথে গর্ভে বাচ্চা আছে কিনা তা দেখে নিয়ে তারপর প্রজনন করতে হবে

৬. প্রজনন করানোর সময় গাভীকে কোনো প্রকার ধকল দেয়া যাবে না যেমন- মাজায় পিটানো, সিমেন স্ত্রা গাভীর নাকে চেপে ধরে রাখা, অনেক দূর হেঁটে নিয়ে যাওয়া, খাদ্য পরিবর্তন করা/ না দেওয়া

৭. গাভিকে সকল প্রকার পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য দিতে হবে

৮. ভালো বীজ ও দক্ষ প্রজননকারী দ্বারা প্রজনন করাতে হবে

৯. প্রজনন করানোর পর গাভীকে ঠাণ্ডা জায়গায় রাখতে হবে


চিকিৎসা

১. প্রাথমিকভাবে গাভীর গরম হওয়ার সময় রেকর্ড করে বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে গাভীটি কাছাকাছি সময়ে গরম হচ্ছে অথবা দেরিতে গরম হচ্ছে কিনা?

২. যদি ৩ বার প্রজনন করানোর পরও গর্ভধারণ না করলে আবার প্রজনন করানোর আগে ভালোভাবে ভেটেরিনারি ডাক্তার কে দিয়ে গাভিকে পরীক্ষা করে ভেটেরিনারি ডাক্তারকে দিয়ে ও এসিআই সিমেন দ্বারা  এআই (কৃত্রিম প্রজনন) করাতে হতে। কারণ এসিআই  সিমেনের গর্ভধারণ হার বাংলাদেশের মধ্যে সর্বাধিক। 

৩. প্রজনন করানোর সময় গাভীকে  ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে হরমোনাল ড্রাগ ( Inj. Godorel -Synthetic GnRH 50 mcg) অথবা  প্রজনন করানোর ২১ দিন আগে থেকে Ferti Boost খাওয়ানো যেতে পারে। 

৪। জরায়ুতে গরম হওয়ার সময় ৮ম ঘণ্টা ও ১৪তম ঘণ্টায়  Eagle Long PS ( Penicillin G)  প্রয়োগ করা যেতে পারে।

 

গবাদি পশু সম্বন্ধে যেকোনো পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন। 

জিনিয়া ডেইরি ফার্ম 

01830180230 ইমো হোয়াটসঅ্যাপ

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২০-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২০-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


দেশের লুণ্ঠিত অর্থ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় তহবিল গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


শেখ পরিবারসহ ১০টি শিল্প গ্রুপের প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে সরকার - জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


এ পর্যন্ত ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক পর্বের আলোচনা শেষ করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


তেসরা জুনের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন ও মে মাসের মধ্যে ঈদ বোনাস পরিশোধের জন্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সারা জীবনের স্মৃতি রক্ষায় জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে - জানালেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা।


অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু করবে রাশিয়া ও ইউক্রেন - রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শারজায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে ২ উইকেটে হারালো সংযুক্ত আরব আমিরাত।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৯-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৯-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


আগামী অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন –মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর ছাড়া সরকার আর কোনো মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করবে না - মন্তব্য পরিকল্পনা উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বৈঠক – দেশ গঠনে সকল ইতিবাচক সিদ্ধান্তে একমত এবং জাতীয় স্বার্থে সংস্কার চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  বললেন দলটির নায়েবে আমির।


পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য অব্যাহত থাকবে - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ কানাডার।


স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছে দুদক।


গাজার উত্তরাঞ্চলে সব সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা বন্ধ।


সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতলো ভারত।

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...