এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৫-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৫-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বৈঠক অনুষ্ঠিত – ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ দাবি বিএনপির – বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে রোডম্যাপ চেয়েছে জামায়াত ও এনসিপি।


বৈঠকে অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে দল তিনটি - ব্রিফিংয়ে বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। 


নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশ থেকে স্বৈরাচার দূর করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন - উপদেষ্টা পরিষদের বিবৃতি - স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।


রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই শহীদ মোহাম্মদ হাসানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত। 


যথাযথ মর্যাদায় আজ দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী।


ঈদ উপলক্ষে বাজারে আসছে নতুন নোট, থাকবে না কোনো ব্যক্তির ছবি - জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।


পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ভারী বৃষ্টিপাতে অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি।


আজ ডাবলিনে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ‌ওয়েস্ট ইন্ডিজের মোকাবেলা করবে আয়ারল্যান্ড।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২8-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২8-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছে বিএনপি। * সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন তিনটি কঠিন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে সরকার - বললেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


দায়িত্বে বহাল থেকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংস্কার, বিচার এবং জনগণের ভোটাধিকার পুন:প্রতিষ্ঠায় প্রধান উপদেষ্টাকে কাজ করতে হবে – দাবি এনসিপি’র।


পবিত্র ঈদ উল আযহা সামনে রেখে অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি অব্যাহত।


বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক নম্বর ইউনিটে আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু।


ফিলিস্তিনিরা এখন যুদ্ধের সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম পর্যায় এবং দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি - জাতিসংঘের সতর্কবার্তা।


মিরপুরে চার দিনের অনানুষ্ঠানিক ক্রিকেট টেস্টের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচের চতুর্থ দিনে নিউজিল্যান্ড-এ দল গতকালের চার উইকেটে ২৭৭ রান নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আজ তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করবে।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৩-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৩-০৫-২০২৫ খ্রি:

 

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ছাত্র-জনতার কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।


দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ রক্ষায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঐক্যবদ্ধ দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে ইসির গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজ - শপথ নিতে বাধা নেই।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধিত কার্যপ্রণালি বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি - গ্রেফতারের ক্ষমতা পেলেন ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটররা।


২০০৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন করায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসিকে চিঠি দিয়েছে দুদক।


পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ছয়শো ৯০টি ভ্রাম্যমান ট্রাকে সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু।


ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরাইল হামলা চালালে এর দায় যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে - হুঁশিয়ারি তেহরানের।


মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ অনানুষ্ঠানিক টেস্টের তৃতীয় দিনে আজ বাংলাদেশ-এ দলের বিরুদ্ধে এক উইকেটে ১০৪ রান নিয়ে প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং আবার শুরু করবে নিউজিল্যান্ড।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২২-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২২-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধি এবং নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন।


ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত কোনো চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি - বাংলাদেশী পণ্য আমদানী বন্ধ করায় নয়া দিল্লিকে চিঠি পাঠাচ্ছে ঢাকা - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। 


বাংলাদেশের মধ্যদিয়ে মিয়ানমারের জন্য করিডোর দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ - জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার। 


ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু - চলবে ২৭শে মে পর্যন্ত - ঈদ উপলক্ষে আজ থেকে দেশব্যাপী টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু।


কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে সরকার - বললেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


৯০ ট্রাক পণ্য গাজায় পাঠানো নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ - ইসরাইলের ওপর সম্মিলিত নিষেধাজ্ঞার আহ্বান অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের।


শারজায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের।

চিত্রনায়িকা শাবনুর +নাসরিনের মধ্যে কঠিন প্রেম ছিলো

 চিত্রনায়িকা শাবনুর +নাসরিনের মধ্যে কঠিন প্রেম ছিলো

নায়িকা শাবনুর আর নাসরিন প্রায় সেম সময়ে চলচ্চিত্রে আসেন। দুজনের বয়সও মোটামুটি সেম সেম, তারপর দুজনার চলাফেরা - কথা বলার বাচন ভঙ্গিও প্রায় একি মতো - দুজনে এক সাথে ছবি করছেন প্রায় ১০০ টির মতো-

সবই ভাগ্য - শাবনুর হয়ে গেলেন সুপারস্টার নায়িকা আর নাসরিন হলেন কমেডী কিং দিলদারের নায়িকা - যদিও দুজনার পথ আলাদা ছিলো কিন্তু যে ছবিতে দুজনে কাজ করেছেন - ব্যাস, দেখবেন স্যুটিং এর ফাঁকে ফাঁকে কি যেন ফুচুর ফুচুর করে দুজনে - আর দুজনের মাঝে মধ্যেই অট্ট হাসি শোনা যায় - দুজনেই প্রচুর আড্ডাবাজ - তারা স্যুটিং এর ফাঁকে ফাঁকে আড্ডা দিতে মজা পায়, কিন্তু আবার কাজের সময় সিরিয়াস। 

এদের দুজনার সম্পর্ক আপন বোনের মতো - কেউ কারো চেয়ে কম নন, যখন ক্যামেরার সামনে দুজনে মুখোমখি অভিনয় করে, তখন দেখবেন কেউ কাউকে ছাড় দেয় না, কারন দুজনেই অভিনয়ে সুপারস্টার - 

আসলে আমরা চলচ্চিত্রের মানুষেরা ভালো মন্দের বিচার করতে জানি না, শুধু জানি নিজের স্বার্থটা ঠিক আছে কি না, নাসরিন এর মতো একজন দক্ষ পার্দর্শী অভিনেত্রীকে নায়িকা হিসেবে ব্রেক কেউ দিলাম না, তার অপরাধ একটায় ঠোট কাটা - সব সত্য কথা মুখের উপরে ঝেড়ে দিবে - 

কিন্তু আমি চ্যালেন্জ করবো - নাচে, গানে, ফাইটিং এ, অভিনয়ে, চেহারায় - অল বিষয়ে পারফ্যাক্ট নাসরিন - চলচ্চিত্রের এমন কোন মায়ের লাল নায়িকা নাই যে নাসরিন এর সাথে কেউ টেক্কা দিবে - 

দুজন সিনিয়র নায়িকা ছিলো - অন্জনা, নতুন 

কিন্তু অন্জনা মারা গেছেন, নতুন এর বয়স হইছে। 

এখানে নাসরিন এর একটু ভুল ছিলো - তা বলবো না, কারন নাসরিন আমার বন্ধু মন খারাপ করবে - 

তা না হলে - বোম্বের মাধুরী দিক্ষিত হতে পারতো - যেমন করে সামান্য নাচের মেয়ে থেকে বোম্বের মতো ইন্ড্রাষ্টিতে মাধুরী সুপারস্টার নায়িকা হয়েছেন। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো তাকে গাইড করার মতো কেউ ছিলো, সবাই ছোট ক্যারেক্ট শিল্পী মনে করে তাকে নিয়ে কেউ ভাবতেই চেষ্টা করেন নাই। 

তা না হলে - বাংলা চলচ্চিত্রে দুইজন সুপারস্টার নায়িকা থাকতো - একজন শাবনুর, আরেকজন নাসরিন 

আমার চলচ্চিত্রে এক দুজন বন্ধুর মধ্যে নাসরিন আমার সেরা বন্ধু - তার মন মানসিকতা অন্য দশ জনের চেয়ে একটু আলাদা - 

সেই সাথে বলবো - আমার কাছ থেকে দেখা চলচ্চিত্রে দু একজন নায়িকার মধ্যে - শাবনুরের তুলনা হয় না 

আমি দুজনের আগামী ভবিষ্যৎ মঙ্গল কামনা করছি - 

তাদের জীবন সুন্দর ও মধুময় যেন হয়। 

                          রবিউল ইসলাম রাজ 

                           চলচ্চিত্র পরিচালক 

                            01948-329383

একটি বিপজ্জনক ফোনালাপ*  (তখন ফোনকল ছিল এক মিনিটে 2 টাকা)!

 *একটি বিপজ্জনক ফোনালাপ*

 (তখন ফোনকল ছিল এক মিনিটে 2 টাকা)!

 কন্যা : হ্যালো , হ্যাঁ বাবা বলো ? 

গোপালবাবু : আমরা ভালো আছি, তোর মায়ের হাঁটু ব্যথা বেড়েছে, আর হ্যাঁ শোন কাজের মেয়ে টা আজ কাজে আসেনি, আমি তোর মায়ের ঘরদোর ওই ডান্ডা ন্যাতাটা দিয়ে মুছে দিয়েছি। তোরা সব ভালো তো ? ছাড়ছি তাহলে .......... কন্যা : আরে এখুনি কি ছাড়বে ? মা কে দাও। 

গোপালবাবু : আবার মা কেন ? এক্ষুনি একগাদা কথা বলবে । শোন মিনিটে দু টাকা! আমি রিটায়ার করেছি(পাশ থেকে মায়ের চেঁচিয়ে হাঁক, আমি কথা বলবো ; কিপটে বুড়ো একটা!) 

কন্যা : মা আমি ঘুরিয়ে ফোন করছি , তোমরা লাইন কেটে দাও। 

গোপালবাবু : অপচয় করিস না। আর ফোন করার দরকার নেই। আবার কাল করবি।

 (লাইন কেটে দেওয়া হল। মেয়ে ঘুরিয়ে ফোন করলো।)

 মা : হ্যালো , কে স্বাতী ?  শোন, তোর বাবার সাথে আর একসাথে সংসার করা যাচ্ছে না , ভীষন অত্যাচার করছে। 

কন্যা : সে কি ? কি করেছে ? 

মা : শোন সারাদিন খাইখাই করছে। সকালে চারবার চা খেয়েছে।সিগারেটের ধোয়ায় ঘরে কিচ্ছু দেখা যায় না। এই সবে আমাশা থেকে উঠলো। আমাকে বলছে মুড়িঘন্ট করে দিতে আর বোয়ালের ঝাল। পাঁচশো চুনো মাছ এনেছে। কে কাটবে বল !!! (কান্না) আমার হাঁটু ব্যথা। বলছে চুনো মাছের চচ্চড়ি করতে ? আমি আর ওর সাথে থাকবো না। আমাকে আলাদা করে দে। 

কন্যা : এসব রেঁধেছো নাকি ? কালকেও তো মেট্রোজিল খেয়েছে।

 মা : মুখ ফুটে চাইলো মানুষটা আর রাঁধবো না ? জানিস রাতে আমাকে ঘুমাতে দেয় না , সারারাত অত্যাচার করে। 

কন্যা : সে কি ? কি বলছো মা ? 

মা : ঠিকই বলছি। (কান্না ) সারারাত টিভি চালিয়ে এবিপি আনন্দে ভারত পাক যুদ্ধ দেখে। তারপর পাঁচশো কেজির মানুষ কি করে অপারেশন করে রোগা হচ্ছে তা দেখে। গাঁক গাঁক করে টিভি চলে। আমার ঘুম আসেনা। অত্যাচার নয় ? অথচ আমাকে দিদি নম্বর ওয়ান দেখতে দেয় না, তখন নিউজ শোনে। কন্যা : তো তুমি অন্য ঘরে শোও না কেন ? 

মা : তোর বাবা ভুতের ভয় পায়, আমাকে ছাড়া শুতে পারে না। তুই এসে এর একটা বিহিত করে যা। (ব্যাকগ্রাউন্ডে গোপালবাবুর আবৃত্তি শোনা যায়) "সাধাসিধে গোপালেরে হে মুটকি জননী, রেখেছো ক্রীতদাস করে,স্বামী তো ভাবোনি।" ওই দেখ, সারাদিন ছড়া কাটছে নয় গান করছে।লোকে পাগল বলে। কন্যা : আচ্ছা আমি কাল স্কুলফেরত যাবো। একটু মুড়িঘন্ট রেখো। 

মা : একপাতা সেফটিপিন আর শায়ার দড়ি আনবি। আর ন্যাপথলিন। কন্যা : আনবো মা । 

মা : এবার রাখি,তোর বাবাকে একটু কড়াইশুটির কচুরি করে দিই। সারাদিন খায় নি। রাখছি... 😀🥰"


লিখেছেন-- Swati Banerjee

সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫

সতর্ক থাকুন! এই সাত ধরনের মানুষ আপনার জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে

 সতর্ক থাকুন! এই সাত ধরনের মানুষ আপনার জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে

(প্রতিটি পয়েন্টে বাস্তব জীবনের উদাহরণসহ ব্যাখ্যা)

➤➤➤ঔি


১. ঠেলাগাড়ি মানুষ (Wheelbarrow People)

এরা সেই মানুষ, যারা নিজের জীবনের সমস্যাগুলো নিজেরা সামলাতে চায় না। আপনি যতই সাহায্য করুন না কেন, সব ভারই যেন আপনাকেই বইতে হবে। তারা চায়—আপনি তাদের খাওয়ান, চলার পথ দেখান, আবার পেছন থেকে ঠেলেও নিয়ে যান।


উদাহরণ: ধরো তোমার এক বন্ধু আছে, প্রতিবার প্রজেক্ট শুরু হলে বলে, “তুই তো ভালো জানিস, তুই কর, আমি ফাইনাল প্রেজেন্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকব।” সে ফল পেতে চায়, কিন্তু পরিশ্রম করতে চায় না।


শিক্ষা: যেসব সম্পর্ক শুধু একতরফা দায়িত্বের, সেগুলো সময়মতো চিনে সরে দাঁড়াও।


---


২. মশা মানুষ (Mosquito People)

এই মানুষরা আসে শুধু তোমার ভালোটা শুষে নিতে। যখন তোমার টাকা, সময়, যোগাযোগ, জনপ্রিয়তা বা সাফল্য দরকার হয়, তখন ওদের দেখা যায়। পরে সুযোগ পেলেই কটূক্তি করে, গুজব ছড়ায়।


উদাহরণ: ভাবো, কেউ তোমার কাছ থেকে রেফারেন্স চায় চাকরির জন্য। তুমি সাহায্য করো। পরে তাকে নিজের প্রয়োজনে ফোন দিলে বলে, “আসলে ব্যস্ত ছিলাম।” অথচ অন্যকে বলছে, “ও তো শুধু নিজ স্বার্থ দেখে!”


শিক্ষা: যাদের উপস্থিতি কেবল নিজের লাভের সময়েই দেখা যায়, তাদের এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।


---


৩. বাঁধাই কাঠামো মানুষ (Scaffolding People)

তারা এক সময় সাহায্য করেছে, কিন্তু এখন চায় তুমি সব সিদ্ধান্তে তাদের অনুমোদন চাও। তারা তোমার সাফল্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়—মনে করে, তুমি চিরকাল তাদের ঋণী।


উদাহরণ: যেমন কোনো আত্মীয় তোমার পড়ালেখার খরচে একবার সাহায্য করেছিল। এখন যখন তুমি স্বাধীন হতে চাও, তখন বলে, “আমার মতামত ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।”


শিক্ষা: কৃতজ্ঞ হও, কিন্তু কারও ছায়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলো না।


---


৪. কুমির মানুষ (Crocodile People)

এই মানুষরা মিষ্টি ব্যবহার করে তোমার মন জয় করে, তারপর গোপন তথ্য জেনে রাখে। সুযোগ পেলেই সেই তথ্য দিয়ে তোমার ক্ষতি করে।


উদাহরণ: ধরো, তুমি কাউকে বলেছিলে—তোমার পরিবারে কিছু আর্থিক সমস্যা চলছে। পরে একদিন ওর সঙ্গে ঝামেলা হলে, সে এই কথাই অন্যদের সামনে এনে তোমাকে হেয় করে।


শিক্ষা: কারও মুখের মাধুর্যে বিভ্রান্ত হয়ো না, আগে যাচাই করো—সে মানুষ না মুখোশধারী।


---


৫. গিরগিটি মানুষ (Chameleon People)

এরা বাইরে থেকে বন্ধুর মতো—তোমার খোঁজও রাখে, পাশে হাঁটেও। কিন্তু আসলে তোমার প্রতিটি সাফল্য ওদের পুড়িয়ে দেয়। তোমার অর্জনে ওদের মুখ বন্ধ, কিন্তু তোমার সামান্য ভুল হলে ওদের মুখে ফেটে পড়ে উপহাস।


উদাহরণ: তুমি একটি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলে—ও মুখে বলে “ভালো হয়েছে”, কিন্তু ফেসবুকে তোমার ভুল বানান তুলে ধরে স্ট্যাটাস দেয়।


শিক্ষা: যে মানুষ তোমার আনন্দে মুখ গোমড়া করে, তাকে বন্ধু ভাবলে চলবে না।


---


৬. না-বলা মানুষ (Naysayer People)

তারা কখনোই তোমার স্বপ্নে বিশ্বাস রাখবে না। বরং তারা এতটাই নেতিবাচক যে, তুমি কিছু শুরু করার আগেই মনোবল হারিয়ে ফেলবে।


উদাহরণ: তুমি যদি বলো, “আমি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চাই”, ও বলবে, “ওসব কেউ দেখে না”, “তুই পারবি না”, “সার্চ রেজাল্টে আসবে না”—অথচ তারা নিজে কোনো চেষ্টা করে না।


শিক্ষা: নিজের স্বপ্নকে বাঁচাতে চাইলে, স্বপ্নহীনদের থেকে নিজেকে বাঁচাও।


Inner Soul ©


৭. আবর্জনা ঠেলা মানুষ (Garbage Pusher People)

তারা সবসময় নেতিবাচক খবর ছড়ায়—কখনো কিছু ভালো বলতে জানে না। তোমার আশেপাশের পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলে হতাশা আর ভয়ের গল্প ছড়িয়ে।


উদাহরণ: তুমি যদি একটা ভালো উদ্যোগের পরিকল্পনা করো, সে বলবে “বাজার খারাপ”, “সব জিনিস লস”, “এই দেশে কিছু হয় না”—এমন কথা শুনিয়ে চেষ্টার আগেই সাহস কেড়ে নেবে।


শিক্ষা: যাদের চিন্তায় কেবল অন্ধকার, তারা তোমার ভেতরের আলো নিভিয়ে দিতে পারে—তাদের এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।


শেষ কথা:

জীবনের প্রতিটি ধাপে কার সঙ্গে পথ চলছো—এটাই ঠিক করে তুমি কত দূর যেতে পারবে। সম্পর্ক বেছে নাও মাথা ঠাণ্ডা রেখে, হৃদয় উষ্ণ রেখে। সবকিছুতে ভালোবাসা দিও, কিন্তু নিজেকে বিলিয়ে দিও না এমন কাউকে, যে তোমার ডানাকে কেটে নিজের ছায়া বাড়াতে চায়।


তাদের চিনে রাখো—আমার তালিকাতেও তারা ছিল, আজ তোমাকেও বললাম।

সাধারণ জনগণ কি শুধু তামাশাই দেখবে ও স্লেইভারি বরণ করবে?

 মিলিয়ে দেখুন........

নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিল। শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসনে বসিয়ে ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে পিটিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ সেই তামাশা দেখে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিল! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশত বছরের গোলামি সাদরে গ্রহণ করেছিল ওভাবেই।


একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছেন, নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ইংরেজদের করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো। আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান, গোলাবারুদ সহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন 

নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯ শত জনই ছিল হাতেপায়ে ধরে নিয়ে আসা সৌখিন ব্রিটিশ অফিসার যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিল না, এরা কোনোদিন যুদ্ধও করেনি।


এত কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলেন এবং জিতবেন জেনেই নেমেছিলেন। কারণ, তিনি খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই, বড় সৈন্যবাহিনী এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেন নেবেন? এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটি সহ বাকিগুলোর পরিণতিও তাদের নবাবের মতোই হবে এবং হয়েছেও তাই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ প্রত্যেকটি বেইমানের করুণ মৃত্যু হয়েছে।


রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানির উপর ভরসা করে যুদ্ধ করতে আসেননি। তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন বাঙালির মানসিকতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আন্দাজ করে। তিনি জানতন, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবকে হেনস্থা করলে এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে কিংবা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবে। তাই বিনা দ্বিধায় সার্টিফিকেট দেয়াই যায়, বাঙালি জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ!


সাধারণ জনগণ কি শুধু তামাশাই দেখবে ও স্লেইভারি বরণ করবে?

৪২ টি শিক্ষা রেজিনা ব্রেট, ৯০ বছর বয়সে লেখা

 

 ৪২টি শিক্ষা

(রেজিনা ব্রেট, ৯০ বছর বয়সে লেখা)


জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া এই মূল্যবান শিক্ষা গুলো এমন কিছু, যা আমাদের প্রত্যেকেরই অন্তত সপ্তাহে একবার পড়া উচিত।


১. জীবন সবসময় ন্যায্য হয় না, তবে তারপরও এটা সুন্দর।

২. যখন সিদ্ধান্ত নিতে পারো না, তখন ছোট একটা পদক্ষেপ নাও।

৩. জীবন খুব ছোট – তাই উপভোগ করো।

৪. অসুস্থ হলে তোমার চাকরি পাশে দাঁড়াবে না, পাশে থাকবে পরিবার আর বন্ধু।

৫. প্রতি মাসে ক্রেডিট কার্ডের দেনা শোধ করো।

৬. সব তর্কে জেতা জরুরি নয়। নিজের প্রতি সৎ থাকো।

৭. কারো সঙ্গে কাঁদো – একা কাঁদার চেয়ে তা বেশি প্রশান্তিদায়ক।

৮. প্রথম বেতন থেকেই অবসরকালীন সঞ্চয় শুরু করো।

৯. চকোলেটের প্রতি দুর্বলতা স্বাভাবিক – প্রতিরোধ করতে যেয়ো না।

১০. অতীতকে মেনে নাও, যাতে তা বর্তমানকে প্রভাবিত না করে।

১১. তোমার সন্তানদের সামনে কাঁদা ঠিক আছে।

১২. অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা করো না – কারো পথচলা তুমি জানো না।

১৩. সম্পর্ক লুকিয়ে রাখতে হলে, সেটা ঠিক সম্পর্ক নয়।

১৪. গভীর শ্বাস নাও – এটা মনকে শান্ত করে।

১৫. অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দাও – বাড়তি বোঝা জীবনকে ভারী করে।

১৬. যেটা তোমাকে ভাঙে না, সেটাই তোমাকে আরও শক্ত করে তোলে।

১৭. সুখী হতে কখনোই দেরি হয় না – এটা পুরোপুরি তোমার উপর নির্ভর করে।

১৮. যা ভালোবাসো, তার পেছনে লেগে থাকো – “না” শুনে থেমো না।

১৯. বিশেষ দিনের জন্য কিছু রেখে দিও না – আজই বিশেষ।

২০. বেশি প্রস্তুতি নাও, তারপর প্রবাহের সঙ্গে চলো।

২১. অদ্ভুত হও এখনই – বয়সের অপেক্ষা করো না।

২২. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 'মন' – সেখানেই সব শুরু।

২৩. তোমার সুখের দায়িত্ব একমাত্র তোমার।

২৪. প্রতিটা বিপর্যয়কে ভেবো – “৫ বছর পর এটা কি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে?”

২৫. সবসময় জীবনকেই বেছে নাও।

২৬. ক্ষমা করো, তবে ভুলে যেও না।

২৭. অন্যরা তোমার সম্পর্কে কী ভাবে, সেটা তাদের ব্যাপার – তোমার নয়।

২৮. সময় অনেক কিছু সারিয়ে তোলে – সময়কে সময় দাও।

২৯. ভালো বা খারাপ – সব পরিস্থিতিই বদলাবে।

৩০. নিজেকে খুব বেশি গুরুত্ব দিও না – কেউ দেয় না।

৩১. অলৌকিকতার উপর বিশ্বাস রাখো।

৩২. জীবন হিসাব করে কাটিও না – প্রতিটা মুহূর্তে উপস্থিত থেকো।

৩৩. বেঁচে থেকে বার্ধক্যে পৌঁছানোই সৌভাগ্য।

৩৪. তোমার সন্তানের শৈশব একটাই – সেটা উপভোগ করো।

৩৫. জীবনের শেষে আসলে একটাই ব্যাপার গুরুত্বপূর্ণ – তুমি কতটা ভালোবেসেছিলে।

৩৬. প্রতিদিন বাইরে যাও – অলৌকিকতা চারদিকে ছড়িয়ে আছে।

৩৭. যদি সবাই তার সমস্যাগুলো এক জায়গায় রাখে, তাহলে তুমি তোমারটাই ফেরত নিতে চাইবে।

৩৮. হিংসা করে সময় নষ্ট করো না – যা আছে তাইকে গ্রহণ করো।

৩৯. সামনে আরও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।

৪০. যেমনই মনে হোক, উঠে দাঁড়াও, সাজো, এবং উপস্থিত থেকো।

৪১. কখনো কখনো পথ ছেড়ে দিতে জানতে হয়।

৪২. জীবন উপহারের মতো মোড়ানো না হলেও, এটা এখনো এক অনন্য উপহার।


এই উপদেশগুলো জীবনের পথে বারবার আলো দেখাবে – যতবার পড়বে, ততবার নতুন কিছু শিখবে।


join👉 আয়নামহল

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

 হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ

হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।

✅ হার্ট এর অসুখ কী :

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।

✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।

✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।

✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।

যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।

যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।

✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।

✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।

*** লেখাটা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।

✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফি করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।

✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।

................................................

✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।

আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

সংকলিত....

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...