এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

গল্প পরীর রানী যখন বউ পর্ব " ০৮ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প পরীর রানী যখন বউ

পর্ব " ০৮

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


 কিহহ তুমিকি সত্যি বলছো। 

ইয়ামিনি " হ্যাঁ সত্যি। 


 ইয়ামিনির কথায় ইউসুফ অবাক হয়ে বললো। আমার বিশ্বাসী হচ্ছেনা। স্বপ্ন দেখছি নাকি বাস্তব। 


-এটা বাস্তব স্বপ্ন না। তোমাকে আমার ভালোলাগে। আমি তোমাকে বিয়ে করবো। এখন থেকে তুমি আমার জ্বীন। 


ইয়ামিনির কথা শুনে ইউসুফ হ্যাঁ এখন থেকে আমি তোমার জ্বীন। 


ইয়ামিনি " চলো এখন আমাকে উড়িয়ে উড়িয়ে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাবা। 

ইউসুফ " কিভাবে আমিতো পারিনা। 


কেন পারবেনা। তুমিনা বললা তুমি আমার জ্বীন। জ্বীনরা তো উড়তে পারে। 


-আমিতো মজা করে বলছি। তুমি আমাকে বাড়িতে নিয়ে চলো। 


ইউসুফের কথায় ইয়ামিনি মুসকি একটা হাসি দিয়ে দুজনে ইউসুফের বাড়িতে চলে আসলেন। 


বাড়িতে আসার পর সেই রাতে ঘুমিয়ে গেলেন। 

পরেরদিন সকালে ইউসুফ ও ইয়ামিনি খাবার শেষে। 


ইয়ামিনি বললেন। 

আমাকে তো এখন বাড়িতে যেতে হবে। আমি আজকে বাড়িতে যাই। আবার কিছুদিন পর আসবো। 


ইয়ামিনির কথায় ইউসুফের মা বললেন। 

তুমিতো তোমার বাড়ির ঠিকানা দিলানা। ঠিকানাটা দিয়ে যাও আমি তোমাদের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাবো। 


মায়ের কথায় তখন ইউসুফ বললেন। 

-মা তোমাকে না বলছি আমি সব খবর নিয়ে আসছো। আমিতো শহরেই যাচ্ছি ওনি আমার সাথে আসুক। আমি পথে ওনার কাছে সব ঠিকানা নিয়ে আবার পরের সপ্তাহে বাড়িতে এসে তোমাকে সব বলবো তখন না হয় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসো। 


ইউসুফের কথায় ওর মা রাজি হয় আর বলে ঠিক আছে। তাহলে সাবধানে যাস। তুমিও সাবধানে যেও মা আবার এসে কিন্তু। 


মায়ের কথায় ওনার কাছে বিদায় নিয়ে ইউসুফ ও ইয়ামিনি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে সবার চোখের আড়ালে যায় আর ইয়ামিনি তখন ইউসুফকে নিয়ে আবার তাঁর রাজ্যে ফিরে আসে। 


জ্বীন রাজ্যে আসার পর ইউসুফ ইয়ামিনিকে বলে। 

এখন কি করবা৷ মা কে তো বলে আসলাম পরের সপ্তাহে তোমার বাড়ির ঠিকানা দিবো। পরে মা কে কি বলবো। 


তখন ইয়ামিনি বললো। এ নিয়ে তুমি চিন্তা করোনা। তুমি আমাকে ভালোবাসো তো তাইনা। আমিও তোমাকে ভালোবাসি। আমরা এই সাতদিনের মধ্যে বিয়ে করবো। আমি আজকেই আমার রাজ্যের সকল জ্বীন পরীকে খবর দিবো আর আমার প্রসাদের সামনে হাজির হতে বলবো। সবাই আসার পর আমি তোমার আর আমার বিয়ের ঘোষণা দিবো। 


ইয়ামিনির কথায় ইউসুফ জানালেন। আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি। কিন্তু মা কে বলে মা যেনো আমার বিয়েতে থাকে এখন তোমার যেদিন ইচ্ছে সেদিনি বিয়ের আয়োজন করো। 


তখন ইয়ামিনি ইউসুফকে বললেন। তোমার মা আমাদের বিয়েতে থাকবে এটা নিয়ে চিন্তা করোনা৷ 


এই বলে ইয়ামিনি তাঁর পাহারাদার জ্বীনদের আদেশ করলেন। সকল জ্বীন পরীদের খবর দিতে, ইয়ামিনির কথায় তাঁর জ্বীনেরা রাজ্যের সকল জ্বীন পরীদের খবর দেয়। 

খবর পেয়ে সেদিনি সকল জ্বীন পরী চলে আসে ইয়ামিনির প্রাসাদের সামনে।


সবাই আসার পর ইয়ামিনি ইউসুফকে বললেন। ইউসুফ চলো বাহিরে চলো সবাই আসছে। আমি এখনি ঘোষণা করে দিবো তোমার আমার বিয়ের কথা। 


কথাটা বলে দুজনে বাহিরে এসে দেখলেন সেই রাজ্যের সবাই এসে জড়ো হইছে। 


সবাই আসায় ইয়ামিনি সামনে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে যাবে তাঁর আগে তাঁর রাজ্যের বৃদ্ধা বয়স্ক জ্বীনেরা বলতে শুরু করলেন। তোমাকে কিছু বলতে হবেনা৷ আমরা খবর পেয়ে গেছি। আমাদের কিছু জানানোর আগেই আমরা বলতে চাই এটা আমরা মানিনা কখনও মানবোনা৷ 


ওঁদের কথায় ইয়ামিনি বললেন আপনারা কার উপর কথা বলছেন জানেন৷ আপনারা কি জানেন এর শাস্তি কি হতে পারে৷ 


তখন সেই বৃদ্ধা জ্বীনেরা বললেন, সব জানি৷ তুমি আমাদের রাজ্যের পরীর রানী৷ আমরা সবাই তোমার কথামত চলো নিয়ম মেনে চলি৷ আমরা তোমার সব কথা মানলেও এটা মানতে পারবোনা৷ তুমি আমাদের রানী হয়ে বিয়ে করবা একটা মানুষকে তাও আবার সাজা প্রাপ্ত একটা মানুষকে। 


ওঁদের কথায় ইয়ামিনি বললো৷ মানুষ বলে কি ভালোবাসতে ও বিয়ে করতে পারিনা। ইউসুফ ভালো ছেলে আমি ইচ্ছে করে ওর শাস্তি দিয়েছিলাম যেনো ও আমার কাছেই থাকে। 

মনে রাখবেন আমি পরীর রানী আমার মুখের উপর কথা বলার আগে ভেবে কথা বলবেন। 


আমরা ভেবেই কথা বলছি। তুমি ওকে বিয়ে করতে পারবেনা৷ তুমি পরীর রানী তোমার মাঝে বিশেষ ক্ষমতা আছে মানলাম কিন্তু আমরাও বয়স্ক জ্বীন আমাদের শক্তি ও অনেক। আমরা সবাই তোমার সাথে যুদ্ধ করলে তুমি পারবানা এটা ভালো করে জানো। তাই আমাদের কথায় রাজি হয়ে যাও। তুমি এই মানুষ ছেলেটাকে বিয়ে করতে পারবেনা৷ তোমার জন্য আমরা আমাদের পাশের রাজ্যের জ্বীন সর্দারের ছেলেকে পছন্দ করছি তোমার বিয়ে ওর সাথেই হবে। 


ওঁদের কথায় ইয়ামিনি বললো আমি কাকে বিয়ে করবো না করবো সেটা আপনারা বলার কে। আমি কি আপনাদের কথা শুনবো নাকি। 


শুনতে হবে। তোমাকে আমাদের কথা শুনতে হবে। তুমি আমাদের কথা না শুনলে তোমার এই মানুষ ভাালোবাসার মানুষটাকে আর ওর মা কে আমরা ধরে নিয়ে আসবো আর মে*রে ফেলবো। এটা সুধু আমাদের কথা না এখানে আসা সকল জ্বীন পরীদের কথা, কি সবাই আমার কথায় একমত তো। 


সেই বৃদ্ধা জ্বীনদের কথায় সকল জ্বীন পরী আওয়াজ করে বলতে লাগলেন হ্যাঁ হ্যাঁ আপনার কথায় ঠিক আমরা আপনার কথায় রাজি। 


সবার কথা শুনে ইয়ামিনি অবাক হয়ে বললেন। না এমনটা করবেন না আমরা একজন আরেকজনকে পছন্দ করি৷ আপনারা ইউসুফ ও ওর মা কে কিছু করবেন না। 


ঠিক আছে করবোনা। তুমি আমাদের কথামত কাল পাশের রাজ্যের জ্বীন সর্দারের ছেলেকে বিয়ে করো। তাহলে এদের কিছু করবোনা। 


তখন ইয়ামিনি বললো না৷ আমাকে অন্য কাউকে বিয়ে করতে বাধ্য করবেন না দয়া করে। 


তুমি ভুল করছো বলে বাধ্য করছি৷ শোনো আমরা তোমাকে কিছুক্ষন সময় দিলাম। তুমি এই ছেলেটাকে নিয়ে ভিতরে যাও। আর তোমার কি মতামত জানাও। 


ওঁদের কথায় কান্না ভরা চোখে ইয়ামিনি ইউসুফকে নিয়ে ভিতরে গেলেন। 

ভিতরে গিয়ে ইউসুফকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগলেন ইয়ামিনি। কান্না করতে করতে বললেন। 


এখন কি করবো ইউসুফ। ওঁরা যে এভাবে আমাদের আলাদা করার চেষ্টা করবে ভাবতে পারিনি। 


ইয়ামিনির কথায় ইউসুফ বললেন আমিও তো ভাবতে পারছিনা। জানো খুব কষ্ট হচ্ছে তোমার রাজ্যের সকল জ্বীন পরীরা তোমার বিরুদ্ধে কথা বলছে ওঁরা আমার ও আমার মায়ের ক্ষতি করবে বলছে। 


ইউসুফের কথায় ইয়ামিনি বললেন, তুমি ভয় পেওনা ইউসুফ। তুমি ও তোমার মা একদিন আমার জিবন বাচিঁয়েছিলে, আজ আমি আমার জিবনে কষ্ট নিয়ে এসে তোমার ও তোমার মায়ের জিবন ওদের হাত থেকে রক্ষা করবো। আমি চাইনা আমার জন্য তোমার ও তোমার মায়ের কোন ক্ষতি হোক৷ আমাকে মাফ করে দিও৷ আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা৷ আমি তোমাকে বিয়ের কথা বললে সবাই মিলে তোমাকে ও তোমার মা কে মেরে ফেলবে। তোমাদের বাঁচাতে আমাকে এটা করতে হচ্ছে। আমি তোমার কোন কথা শুনতে চাইনা তুমি এখানেই থাকো। আমি আসছি। 


এই বলে ইয়ামিনি ভিতর থেকে কান্না করতে করতে বাহিরে এসে সকল জ্বীন পরীকে উদ্দেশ্য করে বললেন। আমি আপনাদের কথায় রাজি৷ আমি ঐ মানুষ ছেলেটাকে বিয়ে করবোনা আমি আপনাদের কথামতো বিয়ে করবো আপনার সব ব্যাবস্হা করুন৷ 


ইয়ামিনির কথায় সকল জ্বীন পরীরা আওয়াজ করে উঠলেন আর বললেন ঠিক আছে কালকেই বিয়ে হবে তোমার কালকেই বিয়ে হবে। কথাটা বলে চলে গেলেন সবাই 


সবাই চলে যাবার পর ইয়ামিনি ভিতরে গিয়ে ইউসুফ বললেন ইউসুফ, জানিনা আজকের পর তোমার ও তোমার মায়ের সাথে আমার দেখা হবে কিনা। তোমার ও তোমার অল্প দিনের গভীর ভালোবাসা আমি কখনও ভুলবোনা৷ সব সময় ভালো থেকো। 


কথাটা বলে ইয়ামিনি ইউসুফের হাতে হাত রাখায় ইউসুফ বেহুশ হয়ে যায়। 


তারপর ________

Next______

AGI আসছে – এবং বিশ্ব আর আগের মতো থাকবে না!

 AGI আসছে – এবং বিশ্ব আর আগের মতো থাকবে না!


এই মুহূর্তে আমরা ইতিহাসের মোড় ঘোরানো একটি সময় পার করছি। দুনিয়াজুড়ে প্রযুক্তিবিদরা এখন এমন কিছু তৈরি করছে যা শুধু টুল নয়, সহচর — এমন এক বুদ্ধিমত্তা যা মানুষের মতোই চিন্তা করতে পারে, শেখে, সিদ্ধান্ত নেয় এবং ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করে। এর নামই হচ্ছে AGI – Artificial General Intelligence।


AGI কী?


আজকের AI যেমন ChatGPT, Siri, Google Assistant – এরা সবই Narrow AI। মানে, নির্দিষ্ট কিছু কাজে দক্ষ। কিন্তু AGI হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন – এটি যে কোনো মানসিক কাজ করতে পারবে ঠিক যেভাবে একজন মানুষ পারে। বুঝতে পারবে আবেগ, ব্যাখ্যা করতে পারবে জটিল বিষয়, শিখতে পারবে নতুন পরিবেশ থেকে নিজে নিজেই। এটি হবে মানব-মতো বুদ্ধিমত্তার একটি কৃত্রিম সংস্করণ।


OpenAI, DeepMind, Anthropic – বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় AI ল্যাবগুলো এখন AGI তৈরির রেসে। DeepMind-এর CEO ডেমিস হাসাবিস ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন – আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই AGI আসছে। Google এর নতুন Gemini মডেল, OpenAI-এর GPT-4.5 ও GPT-5, Anthropic এর Claude 3 Ultra – সবই AGI-র দিকে এগিয়ে চলেছে।


কোথায় ব্যবহার হবে AGI?


চিকিৎসা: একজন রোগীকে দেখে তাৎক্ষণিক রোগ শনাক্ত, জিনগত বিশ্লেষণ, চিকিৎসা পরিকল্পনা — সব করবে AGI।


শিক্ষা: প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ব্যক্তি অনুপাতে গাইড তৈরি করবে। সব বিষয়ের শিক্ষক হবে একটাই — AGI!


বিজ্ঞান ও গবেষণা: মানুষের আগেই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দাঁড় করিয়ে গবেষণার পথ দেখাবে।


ব্যবসা ও প্রযুক্তি: সিদ্ধান্ত নেওয়া, বাজার বিশ্লেষণ, এমনকি নতুন পণ্য ডিজাইন করাও AGI করবে।


তাহলে কি এটা ভয়ংকর?


হ্যাঁ, সম্ভাবনা যত বড়, ঝুঁকিও ঠিক ততটাই গুরুতর।


চাকরি হারানোর আশঙ্কা? — অনেক ক্ষেত্রেই মানুষকে প্রতিস্থাপন করতে পারে AGI।


নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়? — যদি AI নিজেই নিজের কোড উন্নত করে, মানুষ তখন থাকবে কোথায়?


নৈতিক প্রশ্ন — যদি AGI নিজেকে "সচেতন" ভাবতে শুরু করে, তার অধিকার কি থাকবে?


এই কারণেই OpenAI, DeepMind, Anthropic, Meta সহ বহু প্রতিষ্ঠান এখন AI Alignment Research চালাচ্ছে — যাতে AGI হয় মানবকল্যাণে সহায়ক, ক্ষতিকারক নয়।


আমরা কী করবো এখন?


১. জ্ঞান নিতে হবে — AGI কীভাবে কাজ করে তা বুঝতে হবে সাধারণ মানুষের।


২. প্রস্তুত থাকতে হবে — আমাদের কাজের ধরন, শিক্ষাব্যবস্থা, আইন-কানুন সব বদলাতে হবে।


৩. এথিকস বুঝতে হবে — মানবিকতা, মূল্যবোধ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা — এগুলো আগলে রাখতে হবে মানুষকেই।


AGI ভবিষ্যৎ নয় – এটি এখনই বাস্তব হতে চলেছে।


এই পরিবর্তন ঠেকানো যাবে না, কিন্তু আমরা ঠিক করতে পারি — এটি হবে মানুষের কল্যাণে, না বিপর্যয়ে।


পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের শুরু হতে পারে আজ!


প্রস্তুত তো?


#AGI #ArtificialGeneralIntelligence #AIRevolution #FutureTech #OpenAI #DeepMind #BangladeshTech #ChatGPT

গাছ লাগাবেন না বাঁশ লাগাবেন!

 ✅গাছ লাগাবেন না বাঁশ লাগাবেন!


দেশে গাছ লাগানোর জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, আর তাই এই জোয়ারে আসন্ন বর্ষায় বিভিন্ন গাছের সাথে একটা বাঁশ বাগান বা বাশঁঝাড় করলে কেমন হয়? 


🌿বাঁশের মতো মূল্যবান খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়! মৃত্যু পর্যন্ত বাঁশ কাজে লাগে।

আগে অবশ্য প্রতিটি বাড়ির সাথেই একটা পুকুর থাকতো সেই পুকুরের একপাশে বসতবাড়ি অন্য পাশে বাশঁঝাড় কিন্তু এখন সারা গ্রাম খুঁজেও একটা বাঁশঝাড়  পাওয়া যায় না। যদি বাস্তবে বাঁশ না থাকলেও মানবজীবন কেটে যায় অন্যের পিছনে বাঁশ দিতে দিতে। আবার মৃত্যুর পরেও শেষ সম্বল হিসেবে বাঁশের ব্যবহারই বেশি।।


আসুন বাঁশ সম্পর্কে কিছু দরকারি তথ্য জেনে নেইঃ


 ✅১. দ্রুত বৃদ্ধি: বাঁশ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ।  এটি 24 ঘন্টায় 47.6 ইঞ্চি বৃদ্ধিতে রেকর্ড করা হয়েছে। কিছু প্রজাতি অনুকূল পরিস্থিতিতে প্রতিদিন এক মিটারেরও বেশি বৃদ্ধি হতেপারে। একটি নতুন বাঁশের অঙ্কুর এক বছরেরও কম সময়ে তার পূর্ণ উচ্চতায় পৌঁছে।


✅ ২. অক্সিজেন রিলিজ: বাঁশের একটি গ্রোভ অন্য যে কোনো গাছের তুলনায় 35% বেশি অক্সিজেন নির্গত করে।


✅ ৩. কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ: বাঁশ প্রতি বছর হেক্টর প্রতি 17 টন হারে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।  এটি একটি মূল্যবান কার্বন সিঙ্ক হিসাবে কাজ করতে পারে।


✅ ৪. সারের প্রয়োজন নেই: বাঁশের বৃদ্ধির জন্য সারের প্রয়োজন হয় না।  এটি তার পাতা ফেলে দিয়ে স্ব-মালচিং করতে পারে এবং বৃদ্ধির জন্য পুষ্টি ব্যবহার করতে পারে।


✅৫.  প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার: গ্রীষ্মে বাঁশ তার চারপাশের বাতাসকে 8 ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা করে।


 ✅৬. খরা প্রতিরোধ: বাঁশ খরা-সহনশীল উদ্ভিদ।  তারা মরুভূমিতে বেড়ে উঠতে পারে।


 ✅৭. কাঠ প্রতিস্থাপন: বেশিরভাগ নরম কাঠের গাছের 20-30 বছরের তুলনায় বাঁশ 2-3 বছরে কাটা যায়।


 ✅৮. নির্মাণ সামগ্রী: বাঁশ অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী এবং বলিষ্ঠ। এটি কংক্রিটের ভারা, সেতু এবং ঘরবাড়ির কাঠামো  হিসাবে ব্যবহৃত হয়।


 ✅৯. মাটির স্থিতিশীলতা: বাঁশের ভূগর্ভস্থ শিকড় এবং রাইজোমের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে যা মাটির ক্ষয় রোধ করে।


✅ ১০. আক্রমণা'ত্ম'কতা: কিছু প্রজাতির বাঁশ তাদের বিস্তৃত রুট সিস্টেমের কারণে আক্রমণাত্মক হতে পারে, যা তাদের দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেয়। ফলে অন্যান্য উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটায়।


যাই হোক পৃথিবীতে সুদিন আসবেই...!

উত্তমকুমার অভিনীত সবকটি ছবির নাম দিয়ে লেখা পত্রখানি সত্যিই সুন্দর সৃষ্টি‌,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🎇উত্তমকুমার অভিনীত সবকটি ছবির নাম দিয়ে লেখা পত্রখানি সত্যিই সুন্দর সৃষ্টি‌

*“প্রিয়তমা” “বিপাশা”*

        *“সবার উপরে”* তোমাকে দিলাম আমার *“রক্ততিলক”* *“অভিনন্দন”*।

 *“অন্নপূর্ণার মন্দির”*এ *“বিকালে ভোরের ফুল”* কুড়োতে গিয়ে আমি  *“হারানো সুর”* খুঁজে পেলাম।

 *“প্রিয় বান্ধবী”* যেদিন *“অপরিচিত”* আমরা প্রথম মন *“দেয়া নেওয়া”*র *“অগ্নিপরীক্ষা”*য় *“উত্তীর্ণ”* হলাম সেদিন আমাদের *“নবজন্ম”* হলো।

 *“শুকসারী”* আমাদের *“আলোর ঠিকানা”*য় পৌঁছে দিল।

 আমাদের এতদিনের *“জীবন জিঞ্জাসা”*র *"রৌদ্র ছায়া”*য় মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। 

তারপর *“মন নিয়ে”* খেলতে খেলতে তুমি একদিন * হলে *“রাজ নন্দীনি”*র মতো।

 *“ওগো বড় মানুষের মেয়ে”* *“ধন্যি মেয়ে”* তুমি, তারপর *“নায়িকার ভুমিকায়”* অভিনয় করে অনেকের *“মনহরন”* করলে। 

*“শুধু একটি বছর”* তারপর *“চিরন্তন”* নিয়মের মতোই *“অগ্নিসাক্ষী”* করে তোমার বিয়ে হলো *“শিউলি বাড়ী”* তে, তবে এই *“কলঙ্কিত নায়ক”* এর সাথে নয়, আমার *“পুরাতন বন্ধু”* *“শ্রীকান্ত”*র সাথে।

  *“শেষ অঙ্কে”* আমার *“পথে হলো দেরী”*। ততক্ষনে তুমি *“সূয’তোরন”* পেরিয়ে চলে গেছো *“গলি থেকে রাজপথে”*, *“সমাধান”* হলো *“সাহেব বিবি গোলাম”* এর *“বাঘ বন্ধী খেলা”* ।

 *“তোমার বিরহে”* *“ওগো বধূ সুন্দরী”* আমি  *“দেবদাস”* এর মতো সুরাপান  করে *“অমানুষ”* হয়ে গেছি।  শেষ হলো আমার

 *“তাসের ঘর”*এ *“রাজা সাজার খেলা”* ।

 মাঝে  মাঝে মনে হয় *“সাথীহারা”* আমি  *“সন্যাসী রাজা”* হয়ে *“সদানন্দের মেলা”* চলে যাই।

 *“কাল  তুমি আলেয়া”* হয়ে এসেছিলে *“ছোটিসি মুলাকাত”* করতে আমার *“এখানে পিঞ্জর”* এ। 

একদিন ভাবলাম *“মায়ামৃগ”* এর মতো *“ছদ্মবেশী”* সেজে তোমার  কাছে যাই, তোমাদের *“চৌরঙ্গী”* র *“আনন্দ  আশ্রম”*এ একগোছা  *“রাতের রজনীগন্ধা”* নিয়ে  তোমার *“সেই চোখ”* দেখতে ।

 কিন্তু তুমি এখন *“বিচারক”* *“শ্রীকান্ত”* র  *“স্ত্রী”* তাই *“বড় দিদি”* আমায়  নিষেধ করলো তোমার *“শঙ্খ বেলা”*র   *“উত্তরায়ণ”*এ আমার *“বিলম্বিত লয়”* মানবেনা তাই। 

 *“হাত বাড়ালেই বন্ধু”* অনেক পাওয়া যায় কিন্তু *“ওরা থাকে ওধারে”* । 

বন্ধু  *“অগ্নীশ্বর”* এর  সাথে *“জীবন মৃত্যু”* উপেক্ষা করে *“এন্টনী ফিরিঙ্গী”* র মতো *“মরূতীর্থ হিংলাজ”* যাবার ইচ্ছা আছে।

 এই *“ছিন্নপত্র”* এ আমি *“বন পলাশির পদাবলী”* লিখছি না। 

 শুধু তোমার আমার *“দুই পৃথিবী”*র *“ব্যবধান”* টুকু জানালাম। *“অভয়ের বিয়ে”* তে *“সব্যসাচী”*  *“বসু পরিবার”* এর *“সাগরিকা”* কে বিয়ে করার প্রস্তাব  দিয়েছিল। 

কিন্তু আমার এ জীবনে *“শাপমোচন”* করার ক্ষমতা সাগরিকার মতো কোন *“ব্রতচারিনী” “রাজকুমারী”* র নেই। 

 সেদিন *“চিড়িয়াখানা”* হয়ে *“লাল পাথর”* এর *“সপ্তপদী”* মন্দির দর্শন করলাম।

 ওখানেই *“ঝিন্দের বন্দী” “সাত নম্বর কয়েদী” “সাড়ে চুয়াত্তর”* বছরের *“রাজদ্রোহী” “রাইকমল”* এর সাথে *“কমললতা”* কে দেখলাম। *“বিভাস”* বলল ওর  *“স্ত্রী"  “ইন্দ্রানী”* খুব অসুস্থ ।

 তোমাকেই *“চিরদিনের”* ভেবে এখনো তোমার স্মৃতিতে *। 

*“কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী”* তুমি *“শিল্পী”* হলে বুঝতে আমার মতো *“তন্দ্রাহীন” “নায়ক”* এর ব্যাথা। 

                  বিদায়  ইতি

            *“কলঙ্কিত নায়ক”*


🎇Collected from Sima Pal 

Posted on Mohammad Hanif

মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫

ব্যার্থ প্রেমের কারনেই সুরসম্রাট হয়েছেন = এন্ড্রোকিশোর 

 ব্যার্থ প্রেমের কারনেই সুরসম্রাট হয়েছেন = এন্ড্রোকিশোর 

তার আসল নাম - এন্ড্রো বরাই 

তার ধর্ম খৃষ্টান - 

তার জন্ম - ১৯৫৫ সালের ৪ ই নভেম্বর রাজশাহী জেলাতে 

বাবার নাম - খিতিশ চন্দ্র বরাই, মায়ের নাম - মিনু বরাই 

পড়াশুনা রাজশাহী জেলাতেই - কলেজের এক বান্ধবীকে ভালো বাসতেন, প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেলে দিশেহারা হন এন্ড্রো - গান শিখেছেন - রাজশাহীর ওস্তাদ আব্দুল আজিজ বাচ্চুর কাছে - 

তখন তার মা বলেন - একজনের জন্য না মরে হাজার জনের - চোখের মনি হয়ে যাও - তুমি ঢাকায় চলে যাও গানের জগতে আমার - আশির্বাদ রইল তুমি পারবে - 

মায়ের কথায় ঢাকায় আসেন - 

রেডিওতে অডিশন দিয়ে পাশ করেন এবং দেশাত্ববোধক, আধুনিক ও রবিন্দ্র সঙ্গীত গাইতে থাকেন - 

নজরে আসেন - ১৯৭৭ সালে - 

বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক - আলম খান - এর 

" মেইল ট্রেন " এবং " এমেলের গয়েন্দা বাহিনী " দুটি ছবিতে গান করেন, হিট হয়নি - 

এরপর বিখ্যাত পরিচালক এ জে মিন্টু পরিচালিত " প্রতিজ্ঞা " ছবিতে - এক চোর যায় চলে " এই গানে কন্ঠ দিয়ে রাতারাতী প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে সুনাম অর্জন করেন - 

আর পেছনে তাকাতে হয়নি - 

চলচ্চিত্রের ছবিতে  প্রায় ২০ হাজার গানে কন্ঠ দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন - 

তিনি ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান - 

সেই সব গুলো হচ্ছে -: 

১. বড় ভালো লোক ছিলো 

২. সারেন্ডার 

৩. ক্ষতিপুরন 

৪. পদ্না মেঘনা যমুনা 

৫. কবুল 

৬. আজ গায়ে হলুদ 

৭. সাজঘর 

৮. কি যাদু করিলা 

এরপর - বাচসাস, মেরিল আলো সহ দেশে বিদেশে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। 

তিনি - ২০২০ সালের ৬ ই জুলাই মারা যান - 

রেখে যান স্ত্রী - দিপিকা, ছেলে - সঙ্গা, মেয়ে - শব্দকে 

এন্ড্রোকিশোর এবং রুনা লায়লা কে দিয়ে আমার একটি ছবির গান গেয়ে নিয়েছিলাম - 

গানের কথা - হায় মরি মরি এসোনা প্রেম করি - 

গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক - আমি রবিউল ইসলাম রাজ - 

দাদা যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আশির্বাদ রইল - 

স্টীল ছবিতে - আমি আর দাদা 

        রবিউল ইসলাম রাজ 

         চলচ্চিত্র পরিচালক 

           01948-329383

বর্তমানে যারা অধিক আর্থিক সমস্যায় আছেন,,,,,বাদল সৈয়দের স্ট্যাটাস থেকে সংকলিত।

 বর্তমানে যারা অধিক আর্থিক সমস্যায় আছেন।

অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটে পড়েছেন যারা, আপনার আয় কমে গেছে, খরচ কমেনি। আপনি এখন দিশেহারা। কেউ কেউ  চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননি। পুরো চাপ একা নিয়েছেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি।

ভেতরে ভেতরে আপনি শেষ হয়ে গেছেন। চাপ সইতে না পেরে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবেন। 


এ মৃত্যুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এ ব্যাপারে বাদল সৈয়দের কিছু পরামর্শ এখানে দেয়া হলো। কাজে লাগতে পারে।

১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।


২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রার খরচ নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়িয়েছি। সেগুলো চাইলে বাদ দেয়া যায়। কম দামের বাড়িতে শিফট করুন। গাড়ি বিক্রি করে দিন। অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিন। কে কী বললো সেদিকে পাত্তা দিবেন না, এখন টিকে থাকাটাই মুখ্য।


৩. বাচ্চাদের স্কুল খরচ খুব বেশি হলে তাও বদলে ফেলুন। স্কুলের পরিচয়ে ছাত্রছাত্রীদের আখেরে কোনো লাভ হয় না। কাজ হয় তার রেজাল্টে। সেটা যেকোনো ধরনের স্কুল থেকেই করা যায়। তুলনামূলক কম খরচের স্কুলে বাচ্চাদের শিফট করে নিজে তাদের পড়াশোনা তদারক করুন।


৪. সময়টা খুব খারাপ। তাই কোনো সমস্যা না থাকলেও মাঝে মাঝে ইসিজি করিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন।


৫.  সমস্যা নিয়ে ভাইবোনের সাথে আলাপ করুন। পরিবারের যে ভাই বা বোন বিপদে পড়েছেন, তাঁকে অন্যরা আগলে রাখুন। টাকা গেলে টাকা আসবে। ভাইবোন গেলে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এই কঠিন সময়ে সবাই এক ছাতার নিচে আশ্রয় নিন। একজনের উষ্ণতা দিয়ে আরেকজনকে রক্ষা করুন।


৬. এ দুঃসময়ে পরিবারের সদস্যরা যুথবদ্ধ থাকুন। পরিবারের সবার সম্মিলিত আয় যদি সবার কাজে লাগানো যায় তাহলে সবাই উপকৃত হবেন। স্থায়ী বেদনাকে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে এটা অনেক ভালো। মনে রাখবেন, যে মেষ শাবক পালছুট হয়, সে-ই বাঘের কবলে পড়ে। আমি মনে করি,  পরিবারের সমস্যাগ্রস্ত সদস্যকে রক্ষা করার জন্য যুথবদ্ধ পরিবারের যুথবদ্ধ আর্থিক পরিকল্পনা অনেক বড় ওষুধ হিসেবে কাজ করবে।


৭. দয়া করে সমস্যার কথা বন্ধুদের বলুন। আর যেসব বন্ধুরা ভালো আছেন, তাঁরা বিপদগ্রস্ত বন্ধুকে  আগলে রাখুন। প্রয়োজনে তাঁর জন্য 'বেইল আউট' প্ল্যান করুন। সবাই হাত লাগালে বিপন্ন বন্ধুটিকে আবার দাঁড় করিয়ে দেওয়া মোটেও অসম্ভব নয়।  


৮. মধ্যবিত্তের যে ইগোর কথা বলছিলাম তা বাদ দিয়ে আয়ের বিকল্প উৎস বের করুন। যেমন, ছাত্রজীবনে যিনি টিউশনি করতেন, তিনি প্রয়োজনে তাতে ফিরে যান। যাদের বাড়িতে জায়গা আছে, তাঁরা কৃষি থেকে আয়ের ব্যবস্থা করুন। পুকুর থাকলে মাছ চাষ করুন, হাঁস-মুরগি পালন করুন। বাড়ির মহিলারা সেলাই কাজ, হোম মেইড ফুড এধরণের ছোটো ছোটো উদ্যোগ নিন।অনলাইন/অফলাইনে বিক্রি করুন। সততাকে পুঁজি করলে ক্রেতার অভাব হবে না।


৯. প্রতি বছর পুনর্মিলনী/ রি-ইউনিয়নের বন্যা আমরা দেখি। লাখ লাখ টাকা এসব অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে। এসব অ্যালামনাই এসোসিয়েশন প্রত্যেক সদস্যের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন। নয়ত এসব মিলনমেলা একটি লোক দেখানো মূল্যহীন ব্যাপার বলে প্রমাণিত হবে। 


১০. সবশেষে বলি, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হচ্ছেন নিঃসঙ্গ শেরপা। তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়। এ একাকী যোদ্ধাকে বাড়ির সবাই স্বস্তি দিন, যত্ন করুন, মায়ায় ডুবিয়ে রাখুন। তিনি যাতে অযথা চাপে না পড়েন সেদিকে নজর দিন।

• 

দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন, তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা। অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র আমাদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে।

__________________

বাদল সৈয়দের স্ট্যাটাস থেকে সংকলিত।

শিক্ষা ছাড়া মধ্যবিত্তের মুক্তি নেই!

 শিক্ষা ছাড়া মধ্যবিত্তের মুক্তি নেই!


মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।


আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।


শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।


সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।


বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।


দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।


শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।


নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।


ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।


মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।


আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।


কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।


বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।


তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।


মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।


অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।


সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।


শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।


তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।


শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।


আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।


শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।


পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।

- সংগৃহীত

প্রাথমিকের উপবৃত্তি বনাম KYC ফরম পূরণ।

 বিষয়: প্রাথমিকের উপবৃত্তি বনাম KYC ফরম পূরণ।

 সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ সহ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আপনারা যারা নিজের NID Card দিয়ে সিম তুলে একই সিম দিয়ে নগদ একাউন্ট খুলেছেন কিন্তু KYC ফরম পূরণ করেননি। আপনারা নিজ দায়িত্বে KYC ফরম পূরণ করে নিবেন অথবা বিদ্যালয়ের অফিসে আসবেন (সাথে NID Card, নগদ একাউন্ট আছে ওই মোবাইল নং এবং একটি স্মার্টফোন)। বিষয়টি অতীব জরুরি। 


#উপবৃত্তি_বাতিল_হওয়ার_সম্ভাব্য_কারণ_সমূহ:


০১) সিম রেজিষ্ট্রেশন করা এক NID দিয়ে, কিন্তু নগদ একাউন্ট অন্য NID দিয়ে।

০২) KYC ফরম পূরণ করা না থাকলে।

০৩) মোবাইল নং সক্রিয় না থাকলে।


📌 "KYC না করলে টাকা আটকে যাবে!"—চলুন বুঝি, KYC কী, কেন দরকার, আর কীভাবে চেক করবো। 🧾📱


🟡 KYC মানে কী?

KYC বা Know Your Customer হচ্ছে—ব্যাংক বা মোবাইল একাউন্টে আপনার নাম, NID, ছবি ও ঠিকানা সংরক্ষণ ও যাচাই করার একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।


🎯 কেন দরকার?

✅ উপবৃত্তির টাকা পেতে

✅ একাউন্ট নিরাপদ রাখতে

✅ কোনো ধরণের জালিয়াতি রোধে

✅ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুসরণে


🛑 KYC না করলে কী সমস্যা?


• টাকা ঢুকবে না (উপবৃত্তির টাকাও না)


• লেনদেন বন্ধ হতে পারে


• একাউন্ট সাময়িকভাবে ব্লক হয়ে যেতে পারে


🔍 KYC হয়েছে কিনা কীভাবে বুঝবেন?

১. নগদ অ্যাকাউন্ট হলে:

👉 ডায়াল করুন: *167# → ৮ (My Account) → ৫ (Profile) → দেখবেন তথ্য আছে কিনা

👉 অথবা নগদ অ্যাপ থেকে প্রোফাইল দেখুন—NID ও ছবি আছে কিনা


২. বিকাশ অ্যাকাউন্ট হলে:

👉 ডায়াল করুন: *247# → ৪ (My bkash) → ৫ (Settings) → দেখুন তথ্য আছে কিনা

👉 অথবা বিকাশ অ্যাপে লগইন করে প্রোফাইল চেক করুন


📋 ✅ KYC চেকলিস্ট:

☑️ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

☑️ নিজের ছবি

☑️ সঠিক মোবাইল নম্বর

☑️ অভিভাবকের ক্ষেত্রে শিশুর জন্মসনদ ও NID

☑️ মোবাইল সিম ও একাউন্ট যেন একই নামের হয়

☑️ একাউন্ট খুলেছে কি না সেটি Agent বা App দিয়ে যাচাই।


📣

এখনই সময়, নিজের ও অভিভাবকের একাউন্টের KYC আপডেট করে নিন।

KYC না থাকলে উপবৃত্তি আটকে যাবে—তাই আগে যাচাই, পরে এন্ট্রি।


©সংগৃহীত।

সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

শুধু একটা মোবাইল আর ইন্টারনেট থাকলেই ইনকাম শুরু করতে পারেন! "ভয়েস ওভার আর্টিস্ট ক্যারিয়ার"

 🎤 শুধু একটা মোবাইল আর ইন্টারনেট থাকলেই ইনকাম শুরু করতে পারেন! "ভয়েস ওভার আর্টিস্ট ক্যারিয়ার"

.

আপনার কণ্ঠ সুন্দর? অথবা বন্ধু-বান্ধবরা বলে আপনার ভয়েস খুব ক্লিয়ার? তাহলে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন ভয়েস ওভার আর্টিস্ট—ঘরে বসেই আয় শুরু করার এক দুর্দান্ত সুযোগ!

.

🔍 ভয়েস ওভার আসলে কী?

ভয়েস ওভার মানে হচ্ছে অন্য কোনো ভিডিও বা স্ক্রিপ্টের জন্য আপনার কণ্ঠ ব্যবহার করে রেকর্ড করা অডিও। এই ভয়েস ব্যবহার করা হয়:


☞ ইউটিউব ভিডিওতে


☞ বিজ্ঞাপন বা প্রোমোশনাল কনটেন্টে


 অডিওবুকসে


☞ অ্যানিমেটেড ভিডিও বা কার্টুনে


☞ মোবাইল অ্যাপের টিউটোরিয়াল বা ট্রেনিং কনটেন্টে


☞ কাস্টমার কেয়ার বা অটোমেটেড কল রেসপন্সে


.

📱 শুরু করতে যা লাগবে:


◑ একটা স্মার্টফোন


◑ ইন্টারনেট কানেকশন


◑ ভালো মানের ভয়েস রেকর্ডিং অ্যাপ (যেমন: Dolby On, Lexis Audio Editor, বা WaveEditor)


◑ একটা শান্ত জায়গা (নয়েজ না থাকলেই ভালো)


◑ স্ক্রিপ্ট বা লেখা (ক্লায়েন্ট দেবে বা আপনি অনুশীলনের জন্য বানাতে পারেন)


.

🎯 কাজ কোথায় পাবেন?

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও সোশ্যাল মিডিয়াতে খুঁজে পাবেন হাজারো ভয়েস ওভার জব:

.

🌐 অনলাইন মার্কেটপ্লেস:


⊕ Fiverr. com


⊕ Upwork. com


⊕ Freelancer. com


⊕ Voices. com


⊕ PeoplePerHour. com


.

📣 ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ:


"Bangladeshi Voice Over Artists"


"Freelance Job in Bangladesh"


"Fiverr Bangladesh Community"


.

এছাড়াও ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেও কাজ পাওয়া যায়।


.

💰 ইনকাম কত হতে পারে?


একজন নতুন ভয়েস ওভার আর্টিস্ট সাধারণত প্রতি ১ মিনিট ভয়েস ক্লিপে $5-$10 পর্যন্ত পেয়ে থাকেন


অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে প্রতি প্রজেক্টে $50–$200+ পর্যন্ত ইনকাম হয়


বাংলায় ভয়েস ওভারেরও চাহিদা বাড়ছে, তাই দেশি ক্লায়েন্টদের কাছ থেকেও আয় সম্ভব


.

🗣️ কিভাবে ভয়েস উন্নত করবেন:


➤ প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট শব্দ উচ্চারণের অনুশীলন


➤ টঙ টুইস্টার দিয়ে প্র‍্যাকটিস (যেমন: “Peter Piper picked a peck of pickled peppers”)


➤ অডিওবুক বা সংবাদ পাঠ অনুকরণ করে প্র‍্যাকটিস করুন


➤ ফ্রি কোর্স বা YouTube টিউটোরিয়াল দেখুন: "Voice Over Training for Beginners"


.

🔥 এটা পার্ট-টাইম না ফুল-টাইম দুটোই হতে পারে

ছাত্র, গৃহিণী, চাকুরিজীবী বা যেকোনো ব্যক্তি—যারা ঘরে বসে নিজের কণ্ঠের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান, তাদের জন্য এটা এক অসাধারণ সুযোগ।

.

আপনি যদি মনে করেন আপনার পরিচিত অনেকেই এই সেক্টরে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারবে তাহলে পোস্টটি শেয়ার করে দিন।

 পাশেরগুলো শুদ্ধরূপ),,, ভুল ধরা কমিটি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

  পাশেরগুলো শুদ্ধরূপ) 


◑ ২৯ মে, ২০২৫ > ২৯শে মে, ২০২৫ খ্রি.

[বিস্তারিত জানার জন্য পেজের অন্য পোস্টে দেখুন।]

◑ শিক্ষা ব্যবস্থা > শিক্ষাব্যবস্থা 

[শিক্ষা+ব্যবস্থা = শিক্ষাব্যবস্থা]

◑ দেয়া > দেওয়া

['দেয়া' শব্দটির অর্থ— মেঘ বা বৃষ্টি। এটি বিশেষ্য পদ। অন্যদিকে 'দেওয়া' শব্দটির অর্থ— প্রদান করা। আরও অনেক অর্থ রয়েছে। এটি ক্রিয়াপদ। ক্রিয়াপদ হিসেবে 'দেয়া' ব্যবহার করা ঠিক নয়। ক্রিয়াপদ হিসেবে 'দেওয়া' লিখুন।]

◑২৯ এপ্রিল > ২৯শে এপ্রিল 

[সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। বিস্তারিত জানার জন্য পেজের অন্য পোস্টে দেখুন।]

◑১১.০০টায় > ১১:০০ টায় 

◑ নবীন বরণ > নবীনবরণ

[নবীন+বরণ = নবীনবরণ]

◑ পুরষ্কার > পুরস্কার 

[কোথায় 'স্ক' এবং কোথায় 'ষ্ক' হবে এটি মনে রাখার জন্য নিম্নোক্ত টেকনিকটি মনে রাখুন— যদি যুক্তব্যঞ্জনের সামনে 'অ' বা 'আ' থাকে তাহলে 'স্ক' হবে। যেমন: পুরস্কার, তিরস্কার, নমস্কার ইত্যাদি। 'স্ক'-এর আগে র, ম রয়েছে আর এগুলোর সঙ্গে 'অ' ধ্বনি আছে কাজেই এগুলোতে 'স্ক' হবে। অন্যদিকে যুক্তব্যঞ্জনের আগে 'অ', 'আ' বাদে অন্যকিছু পেলে যেমন: এ-কার, ই-কার থাকতে পারে তখন 'ষ্ক' হবে। যেমন: পরিষ্কার, বহিষ্কার, আবিষ্কার ইত্যাদি।  

◑ শিক্ষা ব্যবস্থা > শিক্ষাব্যবস্থা [প্রাগুক্ত]

◑ দেয়া > দেওয়া [প্রাগুক্ত]

◑ -এ > এ [এখানে হাইফেন দেওয়ার দরকার নেই।]

◑ দেয়া > দেওয়া 

◑ শিক্ষা ব্যবস্থা > শিক্ষাব্যবস্থা 

◑ সময় সাপেক্ষ > সময়সাপেক্ষ

◑ প্রযুক্তি নির্ভর > প্রযুক্তিনির্ভর 

◑ শিক্ষা ব্যবস্থাকে > শিক্ষাব্যবস্থাকে 

◑ পাঠ্যসূচীতে > পাঠ্যসূচিতে 

[পাঠ্য+সূচি = পাঠ্যসূচি]

◑ নিশ্চয়নসহ > নিশ্চয়ন-সহ 

['সহ' নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পেজের অন্য পোস্টে দেখুন।] 

◑ ধরণের > ধরনের 

[√ধৃ+অন = ধরন। মনে রাখুন— 'ধরন' বানানে 'ন' কিন্তু 'ধারণা' বানানে 'ণ' হবে।]

◑ শিক্ষা সহায়ক > শিক্ষা-সহায়ক 

◑ শহীদ > শহিদ [বিস্তারিত জানার জন্য পেজের অন্য পোস্ট দেখুন।]

◑শহীদ > শহিদ

◑ সালাম এর > সালাম-এর/সালামের

['-এর' পূর্ব পদের অংশ। এটি হাইফেন দিয়ে লেখা উচিত। বিস্তারিত জানার জন্য পেজের অন্য পোস্টে দেখুন।] 


✍️ভুল ধরা কমিটি

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...