এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫

সকল মা দের প্রতি রইলো ভালোবাসা❤️ সংগৃহীত পোস্ট। 

 মা দের হাতে এক জোড়া সিটিগোল্ডের চুড়ি থাকে সবসময়। বছরের পর বছর তারা সেই চুড়ি পরে থাকে হাতে। সবচেয়ে বিশ্বস্ত দোকান থেকে তারা রঙ না উঠার গ্যারান্টি নিয়ে সেই চুড়ি কিনে আনে।


একসময় ঢাকা সহ সারাদেশে আড়াইশো টাকা দামে ইন্ডিয়ান সূতি শাড়ি বাড়ি বাড়ি এনে বিক্রি করতো ফেরিওয়ালারা। মায়েরা, মায়ের বয়সী সবাই সেখানে ভীড় করে শাড়ি কিনতো। দামী কোন কাপড়ের দিকে তারা ফিরেও তাকাতো না। ইভেন এখনো, জোর করে কিনে না দিলে কোনো মা ই কখনো দামী কিচ্ছু কেনে না।


মা দের কখনো কোন পছন্দের খাবার খেতে ইচ্ছা করে না। মা দের কখনো কোন প্রিয় রঙ থাকে না। মা দের কোন শখ থাকে না । এই পৃথিবীতে তারা যেন শুধুই দিতে এসেছে।

মা কে কখনো যদি জিজ্ঞাসা করি,মা তোমার কি খেতে ভাল্লাগে সবথেকে?

মা হাসে! শুধুই হাসে! কোন স্পেসিফিক খাবারের নাম বলে না।


সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি মা কাজ করছে, বাইরে থেকে যখনি বাসায় আসি দেখি মা কাজ করছে। দুপুরে কোনোদিন ঘুমালেও ঘুম থেকে উঠে দেখি মা কাজ করছে। রাতের ঘুমানোর সময়টা বাদ দিয়ে মায়েরা ননস্টপ মেশিনের মত কাজ করতে পারে।


একটানা ফ্যামলির কাজ করার যে শক্তিটা মায়ের হাতে আছে সেটা এই পৃথিবীতে আর কারও নেই। এত বড় ছেলে হয়েও একটা জিন্স প্যান্ট ধুতে আমাদের প্রচুর কষ্ট হয়। আর সারামাসের জমানো চার পাঁচটা জিন্স প্যান্ট সব মায়েরা হাসতে হাসতে যেন ধুয়ে ফেলে।


ছোটবেলায় ছোট করে চুল কাটতে বললে, বিকেলে খেলতে না গিয়ে পড়তে বসতে বললে, অতিরিক্ত শাসন করলে মায়ের উপর খুব রাগ হত। আর এখন, মায়ের একটা শাসন করা কথা, একটা ঝাড়ি শোনার জন্য ওয়েট করে থাকি। মা বকা দিলেও মনের মধ্যে কেমন একটা শান্তি শান্তি ভাব হয়।


পেঁয়াজ কাটতে গেলে তাদেরও চোখ ভেজে, কিছু একটা ভাজতে গেলে তেল ছিটে। মাছ কাটতে গেলে মা দেরও আঙুল কাটে। তবে তাদের এই গল্পগুলো আমাদের অজানা থাকে সবসময়। হয়ত তারাই জানতে দেন না।


মায়েদের সবথেকে কষ্টের মাস হল রোজার মাস। আমাদের স্কুল-কলেজ-অফিসের টাইম কমানো হয় রোজার মাসে। কিন্তু মায়েদের রুটিন আরও টাফ হয়। আজানের বিশ মিনিট আগে উঠে ভাত খেতেই আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যায় অথচ মায়েরা দুই ঘন্টা আগে উঠে রান্না শুরু করে। রোজা রেখেও সারাদিন একটার পর একটা কাজ লেগেই থাকে তাদের।


এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, সবচেয়ে বেশি মায়া। উইথআউট এনি বেনিফিটে সব কাজ করার মানুষটা হল একমাত্র মা।


সকল মা দের প্রতি রইলো ভালোবাসা❤️

সংগৃহীত পোস্ট। 


#ছবি Sole Partner [Dev's Creation]

#স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

একটা সময়ের পর, অধিকাংশ নারী স্বামীর সাথে সংসার করে না। স্বামীর ঘরে সংসার করে। 

 একটা সময়ের পর, অধিকাংশ নারী স্বামীর সাথে সংসার করে না। স্বামীর ঘরে সংসার করে। 


কথাটা শুনে হাসি এলেও এইটা কি পরিমাণ সত্য আর নিত্য তা আমরা নিজেরাও জানি না। খুব বেশি নিত্যতায় মিশে আছে বলে আলাদা করে চোখেও পড়ে না৷ 


উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত বা নিম্মবিত্ত, সদ্য বিবাহিত, মধ্যবয়স্ক বা শেষ বয়স ব্যাপার না। এইটা ছড়িয়ে আছে সব খানে। 


সংসার টা একটা সময়ের পর সেই নারীর হয়ে যায়, যে নড়বড়ে কাপাঁ পায়ে আসে সে ঘরে।  

জা, দেবর, ননদ, শ্বশুর, শাশুড়ী, আত্মীয়, সন্তান সবার সাথে মাখামাখি সর্ম্পক থাকলেও থাকে না সে একটা মানুষের সাথে। 

অমুকের বউ, তমুকের বউ হয়েই রয়ে যায় শুধু। 

এই নামটার সাথেই পার হয়ে যায় গোটা একটা জীবন। গোটা একটা শতাব্দীর সংসার। 

 

দায়িত্ব সমানে পালন করে দুজনেই। 

কিন্তু নেই কারো কোন টানে আর অস্তিত্ব থাকে না অনুভূতি তে। পুরো দিনে প্রয়োজন ছাড়া, অপ্রয়োজনে তাদের কথা বলতে দেখা যায় না। দেখা যায় না পাশে বসে নতুন পুরানো কথা বলতে। তাদের আলাদা কোন কথা থাকে না। আলাদা কোন সময় থাকে না। কেউ কারো প্রশংসা করে না। তাকানো হয় না। যেন এমনটায় তো স্বাভাবিক। 


অনেকের তো বিছানা আলাদা হয়ে যায় অনেক বছর। 


আমাদের দাদু -ঠাকুমা, কাকা-কাকী, মামা-মামী, হয়ত মা-বাবাও, এমন অনেকেই দেখি আমরা। জানি। তবে এই নিয়ে আলাদা কোন চিন্তা ভাবনা নেই কারো সময় নেই ভাবার। আলাদা কোন অনুভূতি ও হওয়ার কথা মাথায় আসে সে নারী বা পুরুষ টার জন্য।

অনেকের জন্য কেমন যেন স্বস্তির ব্যাপার হয়ে যায় এইটা।

সন্তানদের আলাদা কোন অভিব্যক্তি থাকে না এই নিয়ে। যেন চিরচায়িত স্বাভাবিক সর্ম্পক মা বাবার এইটা৷ 


একটা সময়ের পর অধিকাংশ নারী স্বামীর সাথে সংসার করে না। স্বামীর ঘরে সংসার পাতে। 


সব দায়িত্ব, কি সুনিপুণ হয়, তার কথা ছাড়া নড়ে না একটা চামচ ও। অধিকার বোধ তীব্র হয় প্রতিটা কাজে তার। 

কিন্তু সে কোন আগ্রহ বোধ দেখায় না তার উপর অধিকার ফলানো, যে অমুকের আর তমুকের বউ বলে সে স্বীকৃত। 


ব্যাপার টা আপনি চোখ মেলে দেখলে প্রতিটি পরিবারে একটা দুটো পেয়ে যাবেন। সত্যিই পাবেন। 


আচ্ছা এই ব্যাপার টা কি একদিনে হয়েছে? এমন নিস্পৃহ আর নিষ্প্রাণ অনুভূতি কি কেউ শখ করে মেখে নেয়? 

আজ না সে মধ্যবয়স্ক। ছেলে মেয়ে বড় হওয়া সে তকমা নিজেই টেনে নিয়েছে। 

তবে  বিয়ের দুই তিন বছর পর ও অনেকে এমন নিষ্প্রাণ হয়, কেউ দশ বছর পর,কেউ বিশ বছর। 

 কিন্তু কাউকে ভালোবাসতে পারার আগ্রহ বা ইচ্ছে তো মানুষ একদিনে হারায় না।


কি নিদারুন অবহেলা, অভিযোগের শব্দ হারানোর আকুতি ধীরে ধীরে এমন অনুভূতি হীন হয়ে পড়ে কোন নারী তা শুধু সেই জানে। 

আজ যার ইস্পাতের মতো দৃঢ় ব্যক্তিত্ব,  কি মলিন নেতানো তিক্ত অনুভূতি সে পুরানো জিনিসের মতো ধুলো জমা তাকে জমিয়ে রেখেছে তা শুধু সেই জানে, যেমন গোপনে জমানো তার কোন ব্যাংক জমার রশিদ।


এই নিষ্প্রাণ অনুভূতি টা সাড়ানো কোন তাড়া এক সময় তারা আর অনুভব করে না৷ 

সংসার সংসার খেলায় দিব্যি দিন কেটে যায়। চলে যায় সে মানুষ টাও। 

কিন্তু এরা একা হয় না। ভেঙে পড়ে না। কারণ অনেক শতাব্দী অবধি সে একাই এই সংসারে একা সংসার করে যাচ্ছে।


একটা সময়ের পর অধিকাংশ নারী স্বামীর সাথে সংসার করে না। স্বামীর সংসারে একটা নামের সাথে সংসার করে। 

কি নিদারুন অদ্ভুত সত্য! একটা দীর্ঘশ্বাস ও থাকে না সে নামের সংসারে এতটাই অনুভূতি হীন,এই সংসারের সংসার। 


একটা সময়ের পর অধিকাংশ নারীই নামের সাথে সংসার করে ব্যক্তির সাথে নয়।


সংগৃহীত

আজও ভাবি— বড় ভাইয়েরা এমন হয়, নাকি এমন যাঁরা হন, তারাই বড় ভাই হয়ে ওঠেন?

 আপনি বিয়ে করেন নি? না স্যার। কেন?"


একটু থেমে বলেন— বাবা যখন মা /রা যান, আমার তখন সাত ছোট ভাইবোন। ওদের তো তখন কেউ ছিল না। কাজ কাম করে ওদের মানুষ করেছি... ওদের বড় করতে করতে নিজের জীবনের টাইমটাই চলে গেল, স্যার।


দীর্ঘ /শ্বা /স ফেললাম। নিচু গলায় জিজ্ঞেস করলাম,

আপনি একা কেন? কেউ আসে না?


মেঝ বোনডা আইছিল স্যার। চলে গেছে। একটুখানি চুপ করে বললেন।


আসলে তার মেঝো বোনটাই এসেছিল। কিছুটা সময় পাশে ছিল। তারপর অনেক কিছু ফেলে, অনেক দায়িত্ব ঝুলিয়ে, চুপচাপ চলে গেছে।


পেটের য /ন্ত্র /ণা এখনও কমেনি। আপাতত ওয়ার্ড থেকে ওষুধ দিয়েছি। কাল সমাজকল্যাণে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।


আমি আর কিছু বলিনি। শুধু দেখলাম— কেউ না এলে, কেউ খোঁজ না নিলে কীভাবে চোখ পা 'থ 'র হয়ে যায়। প্রথমে কঠিন সেই চোখ জ্ব /লে উঠল লা 'ল হয়ে, তারপর নিঃশব্দে ভিজে গেল।


পুরুষ মানুষের কান্না বড় দু, /ষ্প্রা /প্য। আর এই মানুষটি? জীবনের কতগুলো অসম যু /দ্ধ একা লড়ে শেষ প্রান্তে এসে এভাবে ভেঙে পড়বে, ভাবা যায় না, মানায়ও না।


মনে হয়, বড় ভাই যেন একটা "পদ"। যেখানে ভালোবাসা না থাকলেও দায়িত্ব থাকে। স্নেহ না থাকলেও ত্যা 'গ থাকে। যার চরিত্রে নায়ক হয়ে ওঠে একটা জীবন— কিন্তু সেই গল্পের দর্শক থাকেনা কেউ।


আজও ভাবি— বড় ভাইয়েরা এমন হয়, নাকি এমন যাঁরা হন, তারাই বড় ভাই হয়ে ওঠেন? হয়তো কেউ কেউ জীবনের চিত্রনাট্যে এমন এক স্ক্রিপ্ট পান, যেটা শুধু কর্তব্যে ভরা, ভালোবাসাহীন। যেখানে শেষ দৃশ্যটা লেখা থাকে— নিঃ 'স 'ঙ্গ 'তা আর নি 'র্ম 'ম 'তা 'য়।

#তারকাঁটা

Ruhul Amin

সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫

সময় কি সত্যিই আছে? নাকি সবই আমাদের মস্তিষ্কের তৈরি?

 সময় কি সত্যিই আছে? নাকি সবই আমাদের মস্তিষ্কের তৈরি?

🛑 সবচেয়ে দীর্ঘ পাঁচ মিনিটের গল্প

রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা রাকিব হঠাৎই বুঝে উঠতে পারলো না—ঠিক কী ঘটলো।

হঠাৎ এক বিশাল ট্রাক বাঁক ঘুরে তার দিকেই আসছে, আর ব্রেক কাজ করছে না।

সবকিছু যেন স্লো মোশনে চলতে লাগল।

চাকা ঘর্ষণের শব্দ, মানুষের চিৎকার, তার নিজের হাত দুটো উপরে উঠে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা—সবকিছু যেন বহুক্ষণ ধরে ঘটছিল। অথচ পুরো ঘটনাটি মাত্র ৫ সেকেন্ড ছিল।

রাকিব পরে বলে, “আমার মনে হচ্ছিল, যেন মিনিটের পর মিনিট পার হয়ে যাচ্ছে। মাথায় হাজারটা চিন্তা ঘুরছিল। কিন্তু বাস্তবে সবাই বললো, মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সব শেষ হয়ে গিয়েছিল!”

এই ঘটনা আমাদের একটা গভীর প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়—

👉 সময় কি আসলেই বাইরের কোনো বাস্তব বিষয়? নাকি আমাদের মস্তিষ্কই সময় তৈরি করে নেয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী?

🧠 সময়: অনুভব, না বাস্তবতা?

আমরা সবাই “সময়”-কে চিনি। ঘড়ি দেখে সময় বলি, “৫টা বাজে”, “কাল ছিল রবিবার”, “আগামীকাল পরীক্ষা”।

কিন্তু আপনি কখনো সময়কে ছুঁয়েছেন? দেখা গেছে?

না। সময় অনুভব করা যায়, কিন্তু ধরা যায় না।

আর এখানেই রহস্যটা জমে।

🔬 নিউটনের চোখে সময়:

স্যার আইজ্যাক নিউটন বলতেন—

“সময় একটা বাস্তব জিনিস। এটা সবকিছুর বাইরে, সবকিছুর আগে থেকেই ছিল এবং থাকবে।”

নিউটনের মতে সময় হলো একটা বিশ্বজনীন ঘড়ি, যা সবার জন্য একভাবে চলে।

যেমন—

• আপনি দৌড়াচ্ছেন, বা

• আমি ঘুমাচ্ছি, অথবা

• কেউ একজন চাঁদে হাঁটছে...

সবার সময় একই হারে টিকছে। এক সেকেন্ড মানেই এক সেকেন্ড—সবার জন্য।

এটাই ছিল ক্লাসিক্যাল ভাবনা। আমরা স্কুলে এরকমটাই শিখি।

⌛ আইনস্টাইন এলেন, আর সময় ভেঙে পড়ল!

আলবার্ট আইনস্টাইন বললেন, “না, সময় কারও জন্যও সমান নয়।”

তিনি দেখালেন,

"সময় আর জায়গা একে অপরের সঙ্গে মিশে আছে — যাকে বলা হয় স্পেসটাইম।"

🎢 উদাহরণ:

একটা রকেট যদি আলোর গতির খুব কাছাকাছি গতিতে চলে,

তাহলে সেই রকেটের ভেতরের মানুষের জন্য সময় ধীরে চলবে।

আপনি যদি পৃথিবীতে থাকেন আর আপনার ভাই সেই রকেটে উঠে যায়—

১০ বছর পর ফিরে এলে দেখবেন সে কম বয়স্ক আর আপনি অনেক বেশি বুড়ো!

এটাই টাইম ডাইলেশন।

অর্থাৎ সময় স্থির কিছু নয়—

এর গতি আমাদের গতি ও মাধ্যাকর্ষণের ওপর নির্ভর করে।

🌀 কোয়ান্টাম জগতে সময় কই?

এখন আসি ক্ষুদ্রতম জগতে—কোয়ান্টাম মেকানিক্সে।

এই জগতে ইলেকট্রন, কণিকা, ফোটনরা থাকে। এখানে আবার সময় আরও অদ্ভুত!

🔹 কোয়ান্টাম সিস্টেমে অনেক সময় ঘটনাগুলোর মধ্যে ক্রম ঠিক থাকে না।

🔹 কোনো কিছু ঘটার আগে আরেকটা ঘটে যেতে পারে, বা একই সঙ্গে ঘটে যেতে পারে।

🔹 "কার আগে কে ঘটলো"—এই প্রশ্নটাই এখানে অর্থহীন হয়ে যায়।

অনেক কোয়ান্টাম গবেষক বলেন—

“সময় আমাদের তৈরি করা একটা মানসিক গঠন — nature-এ সময় বলে কিছু নেই।”

🧠 মস্তিষ্ক কী করে সময় তৈরি করে?

আমাদের ব্রেন টাইমকিপার নয়।

বরং ব্রেন “অনুভব করে” কতটা সময় গেল—সেটাও ঘটনার গুরুত্ব অনুযায়ী।

যেমন:

• বিপদের সময়: ব্রেন ‘স্লো মোশন’ চালায় যেন বেশি তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

• আনন্দের সময়: সময় মনে হয় দ্রুত চলে যাচ্ছে।

• বোরিং সময়: সময় মনে হয় থেমে আছে।

🕰️ আমরা যেমন ঘড়ির কাঁটা দেখি, আমাদের ব্রেন “ঘটনা” ধরে ধরে সময় বোঝে।

যদি অনেক ঘটনা ঘটে, ব্রেন ভাবে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে।

আর যদি কিছুই না ঘটে, মনে হয় সময় দাঁড়িয়ে আছে।

🔚 শেষ প্রশ্ন: আমরা কি সময়ের মধ্যে আছি, নাকি সময়ই আমাদের মধ্যে?

এই লেখাটা পড়ার সময় আপনার হয়তো ৩ মিনিট কেটেছে।

কিন্তু প্রশ্নটা আপনাকে সময়ের বাইরেও নিয়ে যেতে পারে—

👉 সময় কি প্রকৃতিরই অন্তর্গত কিছু?

👉 নাকি আমরা, মানুষরাই, মস্তিষ্কের ম্যাজিক দিয়ে “সময়” তৈরি করেছি—ঠিক যেভাবে আমরা গল্প, ভাষা, স্বপ্ন তৈরি করি?

"আমরা কি সময়ের ভিতর বেঁচে আছি? নাকি সময়ই আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরেই বেঁচে আছে?"

এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আপনি নিজেই খুঁজে বের করবেন—পরবর্তী কোনো এক ৩ মিনিটে।

ফলো দিয়ে পাশে থাকুন । ধন্যবাদ

নিচে কিছু প্রখ্যাত মনীষীর নাম দেওয়া হলো, যারা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন:

 বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মনীষী ও বিখ্যাত ব্যক্তি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন অথবা হোমিওপ্যাথির পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। নিচে কিছু প্রখ্যাত মনীষীর নাম দেওয়া হলো, যারা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন:


🌍 বিশ্বের প্রখ্যাত মনীষী যারা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন বা সমর্থন করেছেন:


1. মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi)

তিনি হোমিওপ্যাথিকে "Second greatest gift of God to mankind" বলে উল্লেখ করেছিলেন।

গান্ধীজী হোমিওপ্যাথির প্রবল সমর্থক ছিলেন এবং ভারতে এর প্রসারে ভূমিকা রাখেন।


2. জন ডি. রকফেলার (John D. Rockefeller)

মার্কিন ধনকুবের রকফেলার আজীবন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করতেন।

তিনি বলতেন, হোমিওপ্যাথি হলো "A progressive and aggressive step in medicine"।


3. চার্লস ডারউইন (Charles Darwin)

"The Life and Letters of Charles Darwin" বইয়ে উল্লেখ আছে যে, ডারউইন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছিলেন এবং এটি নিয়ে আগ্রহী ছিলেন।


4. ক্লিনটন পরিবার (Bill Clinton & Hillary Clinton)

হিলারি ক্লিনটন হোমিওপ্যাথির প্রতি সহানুভূতিশীল এবং একাধিক হোমিওপ্যাথিক প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।


5. মার্ক টোয়েন (Mark Twain)

খ্যাতিমান মার্কিন সাহিত্যিক, তিনি হোমিওপ্যাথির প্রকাশ্য সমর্থক ছিলেন এবং তার রচনায়ও এর উল্লেখ আছে।


6. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 তিনি হোমিওপ্যাথির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং পরিবারের অনেক সদস্য এই চিকিৎসা গ্রহণ করতেন।


7. জওহরলাল নেহরু

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু হোমিওপ্যাথির সমর্থক ছিলেন এবং ভারতে হোমিওপ্যাথির বিকাশে উৎসাহ প্রদান করেন।


8. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 

হোমিওপ্যাথির প্রতি তার গভীর আগ্রহ ও সমর্থন ছিল।

বিদ্যাসাগর হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতা সম্পর্কে বিশ্বাসী ছিলেন এবং এটি চর্চাও করতেন।


জানা যায়, তিনি নিজের পরিবারের সদস্যদের এবং দরিদ্রদের মাঝে নিজ হাতে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ করতেন।


তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ক বইপত্র অধ্যয়ন করতেন।

দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি তার সহানুভূতির কারণে তিনি হোমিওপ্যাথিকে একটি কার্যকর ও মানবিক চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।


নিজের বাড়িতে একটি ছোট হোমিও চিকিৎসালয় পরিচালনা করতেন বলে জানা যায়, যেখানে তিনি সময় দিয়ে গরিব রোগীদের চিকিৎসা করতেন।

এবং তিনি একটি হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের আবিষ্কারক।


---


🧑‍⚕️ বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক যারা মনীষী হিসেবে খ্যাত:


1. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান (Samuel Hahnemann)

হোমিওপ্যাথির প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ১৮শ শতকে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।


2. ড. জেমস টেইলর কেন্ট (Dr. James Tyler Kent)

হোমিওপ্যাথির আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা ব্যাখ্যাকার এবং "Repertory of the Homoeopathic Materia Medica" রচয়িতা।


3. ড. কনস্তান্টিন হার্নার (Dr. Constantine Hering)

তিনি হোমিওপ্যাথির প্রসারে বড় ভূমিকা রাখেন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে।


---


((কিছুদিন আগে আমার একটি পোস্টে একজন ভদ্রলোক মন্তব্য করেন, "অশিক্ষিতরা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করে!" 

আমি সেই ভদ্রলোককের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পোস্টটা লিখলাম। আর তাঁকে আমি এখন প্রশ্ন করি, 

উপরোক্ত ব্যক্তিরা সবাই অশিক্ষিত তাইনা???))

গল্প : উলঙ্গ মন সুচনা পর্ব

 আচ্ছা বাবা, তোমরা যেইটা দিয়ে পিশাব করো, ঐটা মুখে নিলে কী হয়?

.

নিজের ৬ বছর বয়সের বাচ্চা মেয়েটার মুখে এই প্রশ্নটা শুনে নাঈম পুরো থতমত খেয়ে গেল। রিতু এতক্ষন ধরে চিপস খাচ্ছিল আর টিভিতে কার্টুন দেখছিল। হঠাৎই টিভি থেকে চোখ সরিয়ে নাঈমের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করে সে। প্রশ্নটা করেই সে আবার কার্টুন দেখায় মনোযোগী হয়ে পড়ে। নাঈম আম খাচ্ছিল। নাঈমের হাত থেকে আমের প্লেট টা ধমাস করে মেঝেতে পড়ে যায়। তার স্ত্রী শান্তা রান্না ঘর থেকে ছুটে এসে জানতে চায়, কী হয়েছে? নাঈম আমতা আমতা করে বলে, কিছু না। হাত থেকে ছুটে পড়ে গেছে। শান্তা মেঝে পরিস্কার করে চলে যায়। নাঈমের চোখে-মুখে তখনও ভয়, বিস্ময় আর কৌতূহল। এইটা কী ধরনের প্রশ্ন? রিতুর মাথায় এই প্রশ্ন এল কীভাবে? রিতুর যেন প্রশ্নের উত্তর শোনার ভ্রূক্ষেপ নেই। সে স্বাভাবিক ভাবেই টিভি দেখছে।

.

.

মেয়েটার সাথে এই প্রসঙ্গে আর কিছু বলার সাহস হয় না নাঈমের। দুপুরে লাঞ্চ ব্রেকে বাসায় এসেছিল সে। দ্রুতই আবার চলে যেতে হলো তাকে অফিসে। কিন্তু অফিসের কাজে কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারে না সে। কয়েকজন কলিগ তার অন্যমনস্ক ভাব ধরতে পেরে তাকে জিজ্ঞেস করে, কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি? সে মৃদু হেসে কাঁধ ঘুরিয়ে জানায়, তার কোনো সমস্যা নেই। অন্যদিনের মতো অফিস ছুটি হওয়ার সাথে সাথে বাড়িতে যায় না নাঈম। কিছুক্ষণ অন্যমনস্ক হয়ে বাড়িতে যাওয়ার উল্টো পথ ধরে একা একা হাঁটতে থাকে। তার মেয়ের বলা সেই এক লাইন প্রশ্নের তাৎপর্য সে কিছুতেই বের করতে পারছে না। মেয়েটার বয়স সবে পাঁচ পেরিয়ে ছয়ে পড়েছে। এই বছরের শুরুতেই তাকে এলাকার একটা স্কুলের শিশু শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়েছে। এতটুকু একটা বাচ্চা মেয়ের মাথায় এই ধরনের একটা উদ্ভট প্রশ্ন কী করে আসতে পারে তা কিছুতেই মাথায় আসে না নাঈমের। এই ধরনের কিছু সামনাসামনি না দেখলে এমন একটা প্রশ্ন মেয়েটার মাথায় আসার কথা না। কিন্তু নাঈম ভাবে, রিতু যখন একটু একটু সব কিছু বুঝতে শুরু করেছে তখন থেকে রিতুর সামনে কখনই সহবাস করে নি তারা। আর তাদের সহবাসে অতিরিক্ত এই নোংরামি গুলো কখনই ছিল না, যেমনটা রিতুর মনে প্রশ্ন জেগেছে।

.

নাঈম বুঝেছিল, বিষয়টা মোটেও হালকে নয়। তাই বিষয়টাকে সে হালকা ভাবে উড়িয়ে দেয় নি। অনেকক্ষণ ধরে এই বিষয়টা নিয়ে একা একাই চিন্তা করে যায় সে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় এই বিষয়ে খোলাখুলি তার মেয়ের সঙ্গেই কথা বলবেন তিনি। একটা ছয় বছরের বাচ্চা শিশুকে আমরা যতটা অবুঝ ভাবি তারা মোটেও ততটা অবুঝ হয় না। এই বয়সে অনেকেরই মানসিক বিকাশ অনেক ভালো হয়। আমরা যতটা ভাবি তারা তার চেয়ে অনেক বেশিই বুঝতে পারে। হয়তো তা তাদের মনের ভেতরেই আবদ্ধ করে রাখে। তাই আমরা ভাবি তারা অবুঝ।

.

.

নাঈম যতক্ষণে বাড়িতে ফিরে আসে ততক্ষণে রিতু ঘুমিয়ে গেছে। রাতে একই বিছানায় নাঈম , রিতু আর শান্তা ঘুমায়। রিতু মাঝখানে আর নাঈম এবং শান্তা তার দুইপাশে। ঘরে ডিম লাইট জ্বলছে। সেই আলোতেই নাঈমের চোখ হঠাৎ করে শান্তার মুখের ওপর আটকে যায়। কোনো এক অজানা কারণে তার বুকটা ধ্বক করে উঠে। একটা অজানা ভয় নাঈমের মনে বাসা বাঁধে। সে শান্তাকে নিজের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করে। শান্তা কী কোনোভাবে তাকে ধোকা দিচ্ছে? তার অন্ধ বিশ্বাসের সুযোগ নিচ্ছে? রিতু মেয়েটা তো এর বাইরে আর কারও সাথে মিশে না! তার মনে এই উদ্ভট প্রশ্ন জাগার কারণ কী প্রত্যক্ষ ভাবে শান্তাই? হয়তো শান্তা কে এমন কিছু করতে দেখেছে রিতু, তাই তার মাথায় এই প্রশ্নটা এসেছে। শান্তা কী পরক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত! কিন্তু সে এমনটা কেন করবে? নাঈমের মাথায় একের পর এক এমন উদ্ভট সব প্রশ্ন এসে তার মাথার ভেতর ভয়ংকর রকম জটলা বাঁধতে থাকে। অসংখ্য অজানা , অচেনা ভয়, সন্দেহ তার মনে চেপে বসে।

.

সকাল হতেই নাঈম বাড়ি থেকে রাস্তায় বেড়োয় একটু হাঁটাহাঁটি করতে। তার বাড়ির গেট বরাবর রাস্তার ওপাশেই একটা মুদির দোকান। মুদি পণ্যের পাশাপাশি চাও বিক্রি হয় এখানে। দোকানে বসে চা খেতে খেতে কথা প্রসঙ্গে নাঈম দোকানদারের কাছে জানতে চায় , সে এই বাড়িতে অচেনা কাউকে ঢুকতে দেখে কি না দিনের বেলায়। দোকানদার কিছুক্ষণ ভেবে বলে, সেদিকে তেমন খেয়াল করে না সে। তবে কয়েকদিন একটা কমবয়সী ছেলেকে বাড়ি থেকে বের হতে দেখেছে সে। কথাটা শুনে আবার নাঈমের বুকটা ধ্বক করে উঠে!

সে রাস্তায় বেশিক্ষণ না থেকে আবার বাড়িতে ফিরে যায়।

.

ফোন বন্ধ করে রেখেছে নাঈম। আজ সে অফিসে যাবে না। শান্তা অবাক হয়ে অফিস কামাই দেওয়ার কারণ জানতে চাইল তার কাছে। নাঈম বলল, এমনি টানা অফিস করতে ভালো লাগছে না। তাই অফিসে বলে একদিন ছুটি নিয়েছে। সকালে নাস্তা করার পর অন্যদিন শান্তা রিতুকে স্কুলে দিয়ে যায়। আজ যেহেতু নাঈম বাসায় তাই নাঈম গেল।

.

রিতু স্কুলের পোশাক পরে তৈরি হয়ে বাবার হাত ধরে বাড়ির বাহিরে বেরিয়ে এল। শান্তা গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে বাড়ির ভেতরে যেতেই নাঈম রিতুকে নিয়ে স্কুলের পথের উল্টো পথে হাঁটা শুরু করল। রিতু কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইল, বাবা, আমরা কোথায় যাচ্ছি? নাঈম মিষ্টি করে হেসে বলে, আমরা আজ সারাদিন অনেক ঘুরবো, আর মজা করবো। আজ তোমার স্কুল কামাই। রিতু আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল। সত্যি সত্যিই নাঈম রিতুকে নিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক অনেক জায়গায় ঘুরলো। ওকে আইসক্রিম, চকোলেট কিনে দিল। তারপর কাছেরই একটা পার্কে ঢুকল তারা। পার্কের একটা বেঞ্চিতে দুজনেই গিয়ে বসে।

.

প্রচন্ড উৎকণ্ঠা আর উত্তেজনায় নাঈমের শরীর কাঁপছে। রিতু এক মনে আইসক্রিম খাচ্ছে, আর মুগ্ধ হয়ে চারপাশের মানুষ জন দেখছে। নাঈম কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে রিতুকে প্রশ্ন করল, আচ্ছা রিতু মা, একটা কথা বলতো আমি যখন অফিসে থাকি , তখন কী এই বাড়িতে তোমার আম্মুর সাথে দেখা করতে কেউ আসে? রিতু হা করে কিছুক্ষণ ভেবে বলে,,,,,,,,,,,,,,,


চলবে......


গল্প : উলঙ্গ মন

সুচনা পর্ব


নেক্সট পার্ট সবার আগে পেজটিকে ফলো করে সাথেই থাকুন।


#story #photo #photochallenge #india #motivation #love #beauty #beautiful #motivational #কবিতা 

Shafiqul Islam

কম খরচে কুয়াকাটা হোটেল সমূহের নাম, ঠিকানা, নাম্বার ও ভাড়া

 কম খরচে কুয়াকাটা হোটেল সমূহের নাম, ঠিকানা, নাম্বার ও ভাড়া


কম খরচে কুয়াকাটা হোটেল সমূহের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার ও ভাড়া


কুয়াকাটা ভ্রমণে গিয়ে কম খরচে নিচে উল্লেখ করা হোটেল গুলোতে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। এই হোটেল গুলোর নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার এবং রুম ভাড়া সহ সকল তথ্য তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এবং হোটেল ম্যানেজারদের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

কুয়াকাটা প্যারাডাইস (Kuakata Paradise)


কুয়াকাটা পর্যটক মার্কেটে অবস্থিত হোটেল কুয়াকাটা প্যারাডাইস। এখানে এসি সিঙ্গেল বেড এবং ডাবল বেড ১,৫০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকায় পেয়ে যাবেন। নন এসি সিঙ্গেল বেড এবং ডাবল বেড ৮০০ টাকা থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন। প্রতি রুমে ২ থেকে ৪ জন থাকতে পারবেন।


এখানে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, এলইডি টিভি, ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, সিসি ক্যামেরা এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। এছাড়া ফ্রি গাড়ি পাকিং করার জন্য রয়েছে সু-ব্যবস্থা।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: সী বিচ রোড, পর্যটক মার্কেট, কুয়াকাটা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01763-362393

সাগর কণ্যা রিসোর্ট লিমিটেড (Sagor Konna Resort Ltd)


কুয়াকাটার পশ্চিম বেড়িবাঁধে সাগর কণ্যা রিসোর্ট লিমিটেড অবস্থিত। এই রিসোর্টের রুম থেকে সী ভিউ দেখতে পাবেন। এখানে এসি নন এসি ডাবল বেড রুম এবং কাপল বেড রুম ভাড়া ১,৫০০ টাকা থেকে ১,৮০০ টাকা পর্যন্ত।

এখানে ২৪ ঘন্টা ফ্রি ওয়াই-ফাই, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, এলইডি টিভি, ফ্যান সহ রুমের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র রয়েছে। এছাড়া গাড়ি পাকিং করার ব্যবস্থা রয়েছে। সিজনের সময় ছুটির দিন হোটেল রুম ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।

যোগযোগ করুন

ঠিকানা: ৩০৩, কুয়াকাটা, পশ্চিম বেড়িবাঁধ রোড, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01711-181798


হোটেল তাজ কুয়াকাটা (Hotel Taj Kuakata)


কুয়াকাটা পর্যটন মার্কেটের সী বীচ রোড়ে হোটেল তাজ কুয়াকাটা অবস্থিত। এখান ২,৫০০ টাকা থেকে ৬,০০০ টাকায় মধ্যে এসি নন এসি সিঙ্গেল বেড / ডাবল বেড এবং কাপল বেড রুম পাবেন। প্রত্যেক রুম ২-৪ জন থাকতে পারবেন।

BM Khalid Hasan Sujon

সিজনেন সময় (ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত) রুম ভাড়ার পরিমান কম বেশি হয়ে থাকে। রুমে ২৪ ঘন্টা ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, এলইডি টিভি, ফ্যান সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। এছাড়া গাড়ি পাকিং করার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেলে চেক ইন সময় দুপুর ১ টা এবং চেক আউট করার সময় দুপুর ১২ টা।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: সী বীচ রোড, কুয়াকাটা পর্যটন মার্কেট, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01756-606865

সবুজ বাংলা রিসোর্ট (Sobuj Bangla Resort)

কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকায় সবুজ বাংলা রিসোর্ট অবস্থিত। এখানে ২,০০০ টাকা থেকে ৭,০০০ টাকার মধ্যে এসি নন এসি সিঙ্গেল বেড রুম / ডাবল বেড রুম / ফ্যামেলী বেড রুম পাবেন। প্রতি রুমে ২-৪ জন মিলে একসাথে থাকতে পারবেন। সিজেনের সময় ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।


এখানে রেস্তোরাঁ, ফ্রি ওয়াই-ফাই, এলইডি টিভি, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, সর্বক্ষনিক নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সাবান, সেম্প, ব্রাশ সহ প্রয়োজনীয় সব কিছু পাবেন। এছাড়া গাড়ি পাকিং করার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: ন্যাশনাল ব্যাংক রোড, কুয়াকাটা পৌরসভা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01710-387443, 01710-387498, 01710-387526


হোটেল মল্লিকা (Hotel Mallika)

কুয়াকাটা পর্যটন মার্কেটে হোটেল কুয়াকাটা অবস্থিত। এখানে এসি নন এসি সিঙ্গেল বেড, ডাবল বেড সব ৮০০ টাকা থেকে ২,০০০ রুম পাবেন। প্রতি রুমে ২ থেকে ৪ জন থাকতে পারবেন। সিজনের সময় ডিসেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত রুম ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।

BM Khalid Hasan Sujon

এখানে ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, ফ্রি ওয়াই-ফাই, এলইডি টিভি সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। খাবার জন্য হোটেল নিচে হোটেল মল্লিকা রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখান থেকে পছন্দের খাবার খেতে পারবেন।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: পর্যটন মার্কেট, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01700-939994, 01310937192


হোটেল সী কুইন ইন (Hotel Sea Queen Int)

কুয়াকাটা পর্যটন মার্কেটের জিরো পয়েন্টের পূর্ব পাশে হোটেল সী কুইন ইন অবস্থিত। এই হোটেলের রুম থেকে সমুদ্র সৈকত দেখতে পাবেন। এখানে ১,০০০ টাকা থেকে ৩,০০০ টাকায় এসি নন এসি রুম পেয়ে যাবেন।

এখানে ২৪ ঘন্টা জেনারেটর সার্ভিস, ফ্রি ওয়াই-ফাই, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট, ঠান্ডা ও গরম পানির ব্যবস্থা, রুমে ফ্রি খাবার ডেলিভারি, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সহ সব ধরনের সুবিধা পাবেন। এছাড়া ফ্রি গাড়ি পাকিং করার সু-ব্যবস্থা আছে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: সী-বিচ সংলগ্ন জিরো পয়েন্টের পূর্ব পাশে, বৌদ্ধ মন্দির রোড, পর্যটন মার্কেট, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01799-333808

ফেসবুক পেজ

হোটেল কুয়াকাটা বীচ ক্লাব (Hotel Kuakata Beach Club)


কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ সাবিরুলওয়ে রাখাইন মার্কেটের পূর্ব পাশে হোটেল কুয়াকাটা বীচ ক্লাব অবস্থিত। এখানে এখানে ২,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে এসি নন এসি সিঙ্গেল বেড রুম এবং ডাবল বেড রুম পাবেন। প্রতি রুমে ২ থেকে ৪ জন সহজে থাকতে পারবেন।


এখানে ফ্রি গাড়ি পাকিং সু-ব্যবস্থা, ২৪ ঘন্টা ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, এলইডি টিভি সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। সিজনের সময় রুম ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।

যোগাযোগ করুন


ঠিকানা: কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ, সাবিরুলওয়ে রাখাইন মার্কেটের পূর্ব পাশে, কলাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01798-618421, 01708-582610


হোটেল গোল্ডেন ইন কুয়াকাটা (Hotel Golden In Kuakata)

এল.জি.ই.ডি গেস্ট হাউজ সংলগ্ন মহাসড়কের পশ্চিম পাশে হোটেল গোল্ডেন ইন কুয়াকাটা অবস্থিত। এখানে ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে নন এসি ডাবল বেড রুম পাবেন। যাদের বাজেট কম তারা এখানে নিশ্চিতে রাত্রিযাপন করতে পারেন।

এখানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, এলইডি টিভি, ফ্যান সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। সিজনের সময় ডিসেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এবং ছুটির দিন রুম ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: এল.জি.ই.ডি গেস্ট হাউজ সংলগ্ন, মহাসড়ক এর পশ্চিম পাশে, কুয়াকাটা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01717-616450, 01715-912377


হোটেল গোল্ডেন হিল কুয়াকাটা (Hotel Golden Hill Kuakata)

কুয়াকাটা শহরে অবস্থিত হোটেল গোল্ডেন হিল কুয়াকাটা। এখানে নন এসি রুম পাবেন ১,৫০০ টাকা থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে। প্রতি রুমে ৪ জন থেকে ৬ জন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। সিজনের সময় রুম ভাড়া কিছু কম বেশি হয়ে থাকে।

এখানে ফ্রি গাড়ি পাকিং ব্যবস্থা, ওয়াই-ফাই সার্ভিস, ফ্যান, এলইডি টিভি সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। হোটেলটি নতুন তৈরি করা হয়েছে, ধীরে ধীরে আরো উন্নত মানের সেবা প্রদান করবে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: কুয়াকাটা, মহিপুর, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01718-409333


হোটেল সানফ্লাওয়ার (Hotel Sunflower)

কুয়াকাটা পর্যটন মার্কেটে হোটেল সানফ্লাওয়ার অবস্থিত। এখানে ১,৫০০ টাকা থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে এসি নন এসি রুম পাবেন। প্রতি রুমে ২ থেকে ৪ জন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। রুম থেকে সী ভিউ দেখতে পাবেন।

এখানে ২৪ ঘন্টা নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, সিসি ক্যামেরা, এলইডি টিভি, ফ্যান, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সহ আরো বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাবেন। এছাড়া ফ্রিতে গাড়ি পাকিং করার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: পর্যটন মার্কেট, কুয়াকাটা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01733-618238, 01709-236384


হোটেল ফ্রেন্ডস পার্ক ইন (Hotel Friends Park Inn)

কুয়াকাটার রাখাইনপল্লী রোডে অবস্থিত হোটেল ফ্রেন্ডস ইন। এখানে মাত্র ৮০০ টাকায় ডাবল বেড রুম পাবেন। প্রতি রুমে ২ সহজে থাকতে পারবেন।

হোটেলে ফ্রি ওয়াই-ফাই সার্ভিস, ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস, এলইডি টিভি, ফ্যান সহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। সিজনের সময় রুম ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।

যোগাযোগ করুন


ঠিকানা: রাখাইনপল্লী রোড, কুয়াকাটা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01765-532380, 01716-446391


হোটেল বনলতা (Hotel Banalata)


বরিশাল কুয়াকাটা মহাসড়ক রোডে হোটেল বনলতা অবস্থিত। এখানে ৫০০ টাকায় রাত্রিযাপন করার জন্য রুম পেয়ে যাবেন। রুমে ফ্রি ওয়েই-ফাই সার্ভিস, ফ্যান এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন।

যারা কম খরচে কুয়াকাটা হোটেল খুঁজছেন তারা এই হোটেলে থাকতে পারবেন। এখানে ফ্রিতে গাড়ি পাকিং সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: বরিশাল কুয়াকাটা সড়ক রোড, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01768-952020


হোটেল সোনার বাংলা (আবাসিক)

কুয়াকাটা খাস পুকুরের পশ্চিম পাশে হোটেল সোনার বাংলা আবাসিক হোটেল অবস্থিত। এখানে মাত্র ৩০০ টাকায় নন এসি রুম পেয়ে যাবেন। কুয়াকাটা হোটেল কম খরচে থাকার জন্য হোটেল সোনার বাংলা আবাসিক আদর্শ স্থান।

এখানে আপনি ফ্রি ওয়াই-ফাই, এলইডি টিভি, ফ্যান সহ রুমের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পাবেন। এছাড়া গাড়ি পাকিং করার জন্য সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা: খাস পুকুরের পশ্চিম পাশে, কুয়াকাটা, মহিপুর, পটুয়াখালী।

মোবাইল নাম্বার: 01712-457731, 01749-525385


উপরে উল্লেখ করা কুয়াকাটা হোটেল রুম গুলোর ভাড়া সিজনের সময় এবং ছুটির দিন গুলোতে কম বেশি হয়ে থাকে। রুম ভাড়া করার সময় রু

সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস, অসৎ সঙ্গে সর্ব'না'শ"! - সংগৃহীত

 আইনস্টাইনের এক সহকর্মী একদিন তাঁর কাছে তাঁর টেলিফোন নম্বরটা চাইলেন।


তখন আইনস্টাইন একটি টেলিফোন বই খুঁজে বের করলেন এবং সেই বই থেকে তাঁর নম্বরটা খুঁজতে লাগলেন। তখন সহকর্মী তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার, নিজের টেলিফোন নম্বরটাও মনে নেই আপনার।’ আইনস্টাইন বললেন, ‘না, তার দরকারই বা কী? যেটা আপনি বইতে পাবেন, সে তথ্যটা মুখস্ত করে খরচ করবেন কেন ?’


আইনস্টাইন ছোটবেলায় তুলনামূলক অনেক দেরীতে কথা বলতে শেখেন। একারণে তাঁর বাবা মা অনেক দুশ্চিন্তায় ছিলেন। একদিন রাতে খাবার টেবিলে বসে সকলে খাচ্ছেন এমন সময় বালক আইনস্টাইন চিৎকার করে বললেন, ‘এই স্যুপটা বড্ড গরম। তাঁর বাবা-মা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। ছেলের মুখে প্রথম কথা!


শুনে বাবা-মা বেশ অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আগে তুমি কথা বলোনি কেন?’ উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘কারণ এর আগে

তো সব ঠিকই ছিল।’


1931 সালে কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে আমন্ত্রণ জানান তার একটি শো দেখার জন্য। তখন চ্যাপলিনের সিটি লাইটস্ সিনেমার স্কিনিং চলছিল। পরে তারা শহরের পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘সবাই আমাকে সহজেই বোঝে, এজন্যই আমার এতো জনপ্রিয়তা। কিন্তু মানুষ আপনাকে কেন এতো পছন্দ করে বুঝলাম না।’ আইনস্টাইন সহাস্যে প্রত্যুত্তরে জানালেন, ‘কেউ আমাকে সহজে বুঝতে পারে না বলেই আমার এই জনপ্রিয়তা’।


একবার আইনস্টাইন ট্রেনে চেপে যাচ্ছিলেন। চেকার সকলের টিকিট চেক করার এক পর্যায়ে আইনস্টাইনের কাছে এসে টিকিট দেখতে চাইলেন। কিন্তু আইনস্টাইন তাঁর টিকিটটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। চেকার আইনস্টাইনকে চিনতে পেরে বললেন, ‘স্যার আপনাকে আমি চিনতে পেরেছি। আপনি নিশ্চয়ই টিকিট কেটে উঠেছেন। আপনাকে টিকিট দেখাতে হবে না।’ আইনস্টাইন কিছুটা চিন্তিত ভঙ্গিতে বললেন, ‘না, না, ওটা আমাকে খুঁজে বের করতেই হবে। না পেলে আমি জানব কি করে যে আমি কোথায় যাচ্ছিলাম।’


আইনস্টাইনের কাছে একবার আপেক্ষিকতার সহজ ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হলো। উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘আপনার হাত একটা জ্বলন্ত চুল্লীর উপর ধরে রাখুন, মনে হবে এক ঘন্টা পার হয়ে গেছে। কিন্তু একজন সুন্দরী মেয়ের পাশে একঘন্টা বসে থাকুন, আপনার কাছে মনে হবে মাত্র এক মিনিট পার হলো, এটাই আপেক্ষিকতা।’


একবার আইনস্টাইন বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরে দরজায় কড়া নাড়লেন। ভেতর থেকে তাঁর স্ত্রী ভাবলেন অন্য কেউ হয়তো আইনস্টাইনকে খুঁজতে এসেছেন, তাই তিনি বেশ বিরক্ত হয়ে চেচিয়ে বললেন, আইনস্টাইন বাড়িতে নেই।


ব্যস, চিন্তিত আইনস্টাইন কোন কথা না বলে উল্টো হাঁটা ধরলেন। আরো_একটি_ঘটনা:-


আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন, তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে ।" -আইনস্টাইন তো অবাক!


উনি তখন বললেন "বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।"


-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন, উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন। এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন।


-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন "স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সংজ্ঞাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?"-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে।কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন। ড্রাইভার উত্তর দিল।।


-"এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে।"


বিঃদ্রঃ- জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে চলাফেরা করলে আপনিও জ্ঞানী হবেন। আপনি যেমন মানুষের সাথে ঘুরবেন তেমনই হবেন।


এই জন্যে কথায় আছে–


"সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,

অসৎ সঙ্গে সর্ব'না'শ"!

- সংগৃহীত

সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না!" ✋ কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না।

 🛑 "সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না!"

✋ কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না।


---


🔎 কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে,

💪 কিছু পুরুষ পরিশ্রম করে,

😔 আবার কিছু পুরুষ নিজেই নিজের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।


---


❗ আপনি জানেন কি?

পুরুষদের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তির নাম 👉 "সে'ক্স"।


👎 যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে লক্ষ্যে পৌঁছায় না।

👍 যে পুরুষ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।


---


🔥 কঠিন সত্যঃ


1️⃣ শক্তিশালী পুরুষ কামনার দাস নয়।


🗡️ আলেকজান্ডার: ৩০-এর মধ্যেই বিশ্বজয়।

🚀 এলন মাস্ক: সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ।

🥊 মোহাম্মদ আলী: লড়াইয়ের আগে যৌনতা বর্জন।


🙈 কিন্তু আজকের বহু পুরুষ কী করছে?

🔞 পর্ন + 💦 মাস্টারবেশন + 😢 মেয়েদের জন্য কান্না।


---


2️⃣ যৌনতা কেড়ে নেয় আপনার শক্তি ও মনোযোগ।


🧬 টেস্টোস্টেরন

🔥 উদ্যম

🧘 মনোযোগ


⛔ "রিলিজ" মানে নিজেকে দুর্বল করে ফেলা।


---


3️⃣ মেয়েদের পেছনে সময় = ভবিষ্যৎ ধ্বংস।


📱 ফেসবুকে মেয়েদের ছবি স্ক্রল

💬 চ্যাটিং

🔞 মাস্টারবেশন


🤔 ভাবুন—এই সময় যদি ব্যয় হতো: 📈 স্কিল শেখা

💼 ক্যারিয়ার

🏋️ শরীর গঠন


…তাহলে নারীরাই ছুটে আসত।


---


4️⃣ যৌন দুর্বলতায় ধ্বংস হয়েছে অনেক মহান পুরুষ।


💔 শিমশোন – ডেলিলার কারণে

👑 সলোমন – নারীদের কারণে

🏌️ টাইগার উডস – যৌন স্ক্যান্ডাল

🇺🇸 বিল ক্লিনটন – প্রেসিডেন্সি ঝুঁকিতে


⚠️ কামনার দাস = বিপর্যয়ের অপেক্ষা


---


5️⃣ নারীরা সম্মান করে আত্মনিয়ন্ত্রিত পুরুষকে।


🙄 যারা পিছনে ঘুরে বেড়ায়—তাদেরকে নয়।

🎯 সম্মান সেই পুরুষকে—

যার আছে লক্ষ্য, নিয়ন্ত্রণ, মিশন।


---


6️⃣ পর্ন, মাস্টারবেশন ও ক্যাজুয়াল সেক্স = পুরুষ ধ্বংস।


🧠 পর্ন = ব্রেইন ধ্বংস

💦 মাস্টারবেশন = উদ্যম শেষ

🍑 ক্যাজুয়াল সেক্স = শৃঙ্খলা শেষ


📉 ফলাফল: ❌ অনুপ্রেরণা নেই

❌ আয় নেই

❌ স্থিরতা নেই


---


7️⃣ নিজেকে না নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে, দুনিয়া জেতা সম্ভব না।


❓ পারবেন কি এক সপ্তাহ সেক্স/পর্ন ছাড়া?

❓ পারবেন কি কাজের সময় নারীর চিন্তা বাদ দিতে?


🤷 যদি না পারেন, তবে "শক্তিশালী" বলার সাহস করবেন না।


---


8️⃣ সফল পুরুষ সে'ক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সে'ক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।


🧘 আত্মসংযম = শক্তি

🐒 কামনার গোলাম = দুর্বলতা


👑 এই দুনিয়া শাসন করে তারা— যারা ভোগ নয়, নিয়ন্ত্রণ বেছে নেয়।


---


9️⃣ নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।


💔 ১০০ নারী থাকলেও তারা সবই একদিন চলে যেতে পারে।

💰 কিন্তু অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান থাকলে—নারীরা নিজেরাই আসবে।


🏃 দুর্বল পুরুষ ছুটে বেড়ায়,

🧲 সফল পুরুষদের দিকে নারীরা ছুটে আসে।


---


🔟 প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।


❌ সে'ক্স খারাপ নয়,

😇 খারাপ তখনই, যখন এটা হয়ে যায় আসক্তি।


🎯 সফলতা আগে ➤ আনন্দ পরে।


---


🛑 শেষ কথা:

যদি আপনি হতে চান—

💸 ধনী

💪 শক্তিশালী

👑 সফল


👉 তাহলে প্রথম শিখুন নিজের কামনা জয় করতে।


---


✅ কারণ:

"যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে,

সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে।

আর যে কামনার দাস, সে একদিন সব হারায়।"


---


💬 যদি এই লেখাটি আপনার মূল্যবান মনে হয়,

📤 শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে—

হয়তো তারা নতুন জীবন শুরু করতে পারবে!


#SelfControl #Masculinity #SuccessMindset #Discipline #Focus #NoFap #MenEmpowerment #শেষ_গল্পের_ডায়েরি

 গল্প জ্বীনের সাথে সহবাস  পর্ব__০১ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প জ্বীনের সাথে সহবাস

 পর্ব__০১

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


নিশাদ শোনো ঐ জ্বীনটা আমার শরীলে বাজেভাবে স্পর্শ করে। 


 সামিয়ার মুখে কথাটা শুনে অবাক হয়ে বললাম, আরে কি বলো। মাথা খারাপ হলো নাকি, কি বলছো এসব। তোমাকে জ্বীন স্পর্শ করে মানে কি। 


 -আরে হ্যাঁ সত্যি বলছি। আমি ঘুমালে আমাকে একটা জ্বীন এসে স্পর্শ করে। সুধু স্পর্শ না আরো অনেক কিছু করে আমি এসব মুখে বলতে পারবোনা। 


সামিয়ার কথায় এবার সিরিয়াস হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে বললাম। তুমিকি এসব সত্যি বলছো। ভালো করে খেয়াল করে বলো। 


আমার কথায় সামিয়া বললো, নিশাদ তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড, তোমার সাথে মজা করছিনা তোমার সাথে বিষয়টা শেয়ার করছি আমি এখনো কাউকে এই কথা বলিনি, কিভাবে বলবো, এসব কথা কি অন্য কাউকে বলা যায়, কেউ কি বিশ্বাস করবে। তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড হয়েও আমার কথা বিশ্বাস করছোনা তাহলে অন্য কেউ কিভাবে করবে। 


সামিয়ার কথায় তখন আমি বললাম। 

-আসলে আমাকে ভুল বুঝনা। তুমি যা বলছো সেটা আমি কেনো কেউই শুরুতে বিশ্বাস করবেনা। 


আচ্ছা সামিয়া শোনো। তুমিযে বার বার বলছো একটা জ্বীন তোমাকে স্পর্শ করে। তুমি কিভাবে জানলা ওটা জ্বীন। ওটাতো মানুষ ও হতে পারে তাইনা। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন, না না ওটা মানুষ হতে পারেনা৷ ও তো আমাকে অদৃশ্য ভাবে স্পর্শ করে। তোমাকে এসব বলে বুঝাতে পারবোনা। 


ওর কথায় তখন আমি বললাম। আচ্ছা শোনো। আজকে রাতে একটা কাজ করতে হবে। তুমি রাতের খাবার শেষে শুয়ে পড়বা, শুয়ে পরার আগে একটা কাজ করবা তোমার ফোনের ক্যামেরা অন করে টেবিলের উপরে রেখে বিছানার দিকে করে ঘুমাবা। সত্যি সত্যি ঘুমাবানা। ঘুমানোর ভান করবা। তুমি ঘুমানোর ভান করে শুয়ে থাকলে ঐ জিনিসটা তোমার রুমে আসবে আর তখনি ক্যামেরায় ধরা পড়বে ও আসলে জ্বীন নাকি কোন মানুষ। 


তুমি আমার কথামত কাজ করো৷ দেখো এতে কি বুঝতে না পারলে তোমার মা বাবাকে বিষয়টা জানাবে, অথবা আমি তোমাকে নিয়ে কোন হুজুর বা কবিরাজের বাড়িতে যাবো। 


কথাটা বলে ওর কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম ভয় পেওনা। এরকম অনেকের সাথে হয়। আমিতো আছি তাইনা। রাতে বেশি ভয় লাগলে লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাবা কেমন। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন ঠিক আছে। আমি আজকে আসি হ্যাঁ। কালকে আবার দেখা হবে। 


ওর কথায় আমি বললাম, আমি এগিয়ে দিয়ে আসি। 

তখন ও বললো, বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে পারবা৷ 


ওর কথায় আমি মুসকি হেঁসে বললাম, না তা পারবোনা। তোমার মা বাবা আমাকে দেখলে সমস্যা হবে। আর কিছুদিন যাক তখন তোমাকে নিয়ে তোমার বাড়িতে যাবো সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। হবু শশুর বাড়ি এখন না হয় না গেলাম। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন, হইছে হইছে বাবার সামনে যেতে ভয় পাও এখন বড় বড় কথা বলছো। আচ্ছা এখন আসি গরম লাগছে। 


 ঠিক আছে যাও। সাবধানে যেও। বাড়িতে গিয়ে ম্যাসেজ দিও কেমন। 


আমার কথায় হ্যাঁ উওর দিয়ে সামিয়া চলে গেলেন। 

এদিকে আমিও চলে গেলাম বাড়িতে৷ 


সামিয়া বাড়িতে যাবার পর সেদিন রাতের ঘটনা। 

আমার কথামতো সামিয়া রাতের খাবার শেষে ওর ফোনের ক্যামেরাটা অন করে ঘুমানোর ভান করে শুয়ে থাকে। 


এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। 

সামিয়ার কথামতো রাত তখন বারোটা কি একটা হবে এরকম একটা সময় সামিয়া ফিল করে তাঁর বিছানায় এসে কেউ ধপাস করে বসলো। 


বিছানায় কেউ বসায়, সামিয়ার ভয় করতে শুরু করে। 

সামিয়ার বার বার ইচ্ছে করছিলো চোখ খুলে দেখি কে আসলো। 


কিন্তু পুরু বিষয়টা জানতে  সামিয়া চুপ করে শুয়ে থাকে। 

এর ঠিক কয়েক সেকেন্ড পর সামিয়া বুঝতে পারে ওর কমড়ে কেউ হাত রাখলো৷ হাতটা মনে হচ্ছে লোমে ভরা। 


নিজের কমড়ে হাত রাখতে সামিয়া এক চিৎ*কার দিয়ে বিছানায় বসে আর পুরু রুমে তাকায় কিন্তু কাউকে দেখতে পারেনা। ওদিকে সামিয়ার চিৎ*কারে ওর মা বাবা ভাই ভাবি সবাই দৌড়ে আসায় সামিয়া উঠে দরজা খুলে দেয়। 


দরজা খোলায় সবাই ঘরে এসে সামিয়াকে বলে৷ কি হইছে কি হইছে এভাবে চিৎ*কার দিলি কেনো। 


সবার কথায় সামিয়া কথাটা লুকিয়ে বললেন। 

ভয় পাইছি। স্বপ্নে ভয় পাইছি। 


সামিয়ার কথায় ওর বাবা বললেন, ওহহ তাই বল। আমরা তো ভয় পেয়ে গেছিলাম। 

তখন সামিয়ার মা সামিয়ার কাছে এসে দোয়া পড়ে ফু দিয়ে বললো। দোয়া কালাম পড়ে ঘুমা আশা করি কোন সমস্যা হবেনা৷ বেশি ভয় করছে কি আমিকি তোমার সাথে ঘুমাবো। 


মায়ের কথায় সামিয়া বললেন না মা তোমরা যাও। বেশি সমস্যা হলে তোমাকে ডাকবো। 

সামিয়ার কথায় ওরা চলে যাওয়ায় সামিয়া দরজা লাগিয়ে ওর ফোনের কাছে গিয়ে ফোনটা নিয়ে বিছানায় বসলেন। 


বিছানায় বসে এতক্ষন ক্যামেরায় ভিডিও হওয়া ভিডিওটা দেখলেন কিন্তু ওখানে সে কাউকে দেখতে পেলেন না। 

কাউকে দেখতে না পেরে সামিয়া শিওর হলেন ওর রুমে কোন মানুষ না কোন জ্বীন বা ভূত আসছে।


কিন্তু কোন জ্বীন কেনো ওর কাছে আসে। 

এটা ভেবে ভয়ে সেই রাতে আর ঘুমায়নি সামিয়া। 


পরেরদিন দুপুরবেলা সামিয়ার সাথে দেখা হওয়ায় ও বলে। 

কাল রাতে কল করছিলাম ধরোনি কেনো। যানো কত ভয় করছিলো৷ ভয়ে আমি ঘুমাইনি সারারাত। 


সামিয়ার কথায় ওকে বললাম। কেনো কালকে কি কেউ আসছিলো নাকি। তোমাকে যা করতে বলছিলাম করছো মোবাইলে ভিডিও করছো। 


আমার কথায় ও কিছু না বলে ফোনটা বের করে আমাকে দিয়ে বললেন৷ 

-দেখো ভিডিওটা দেখো। ভিডিওতে কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। ওখানে কাউকে দেখা যাচ্ছেনা অথচ আমাকে কেউ স্পর্শ করছে। আমি বুঝতে পারছিলাম ঐ হাতটা লোমে ভরা। দেখো এটা সাভাবিক কিছু হতে পারেনা এখন কি করবো তুমি বলো। 


সামিয়ার কথায় বেশ চিন্তিত হয়ে আমার একটা বন্ধুকে কল দিয়ে ভালো কোন কবিরাজের ঠিকানা নিলাম। 

কবিরাজের ঠিকানা নিয়ে সামিয়াকে নিয়ে চলে গেলাম সেই কবিরাজের বাড়িতে৷ 


কবিরাজের কাছে গিয়ে ওনাকে সব ঘটনা খুলে বলায় ওনি বেশ কিছুক্ষন চুপ থেকে দেখাশোনা করলেন আর বললেন। 


 কিহহ বললেন, কবিরাজ কি বললেন সেটা জানতে পারবেন পরের পর্বে। 

যাঁরা এই গল্পর পরের পর্ব খুঁজে পাবেন না তাঁরা আমার এই পেজ ভূতের গল্প লেখক এটাতে ঢুকে পড়বেন। আমি রোজ দুপুর দুইটার সময় গল্প পোস্ট  করি। 


যাঁরা এখনো আমার এই পেজটা ফলো করেননি করে দিন তাহলে গল্প পোস্ট করলে সামনে যাবে। 


আরেকটা কথা আমার কিন্তু এটা একটা গল্প বাস্তব না, আমি বাস্তবের মত করে লিখছি। আমার  এটা গল্পর সাথে অনেকের বাস্তব ঘটনা মিলে যাবে। মানে অনেক মেয়ে আছে তাদের সাথে এমনটা৷ যাদের সাথে এমনটা হয় রাতে জ্বীন আসে স্পর্শ করে। তাঁরা ভয় পাবেন না৷ বিষয়টা পরিবারকে জানান। অনেক ভালো জ্বীন আছে যাঁরা পছন্দ করে ভালোবাসে বলে কাছে আসে স্পর্শ করে। তাই ভয় পাবেন না। 

এরকম ঘটনা কারো সাথে ঘটলে আমার সাথে কথা বলে দেখতে পারেন বা কমেন্টে জানাতে পারেন। 


গল্পটা সবাই শেয়ার করে দিন সবার আইডিতে।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...