এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকের রেসিপিঃ 

 ১ থেকে ৮ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকের রেসিপিঃ 🧀🧀


১। ১ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚


১। ডিম ১টি  

২৷ মাখন (নরম করা) ৫০ গ্রাম (১/৪ কাপ)  

৩। চিনি (গুঁড়া) ৫০ গ্রাম (১/৪ কাপ)  

৪। ময়দা ৪০ গ্রাম (১/৩ কাপ)  

৫। কর্নফ্লাওয়ার  ১০ গ্রাম (১ টেবিল চামচ)  

৬।  বেকিং পাউডার ১/৪ চা চামচ  

৭। ভ্যানিলা এসেন্স ১/২ চা চামচ  


২। ২ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেঃ🥚🥚


১। ডিম ২টি  

২৷ মাখন (নরম করা) ১০০ গ্রাম (১/২ কাপ)  

৩। চিনি (গুঁড়া) ১০০ গ্রাম (১/২ কাপ)  

৪৷ ময়দা ৮০ গ্রাম (২/৩ কাপ)  

৫৷ কর্নফ্লাওয়ার ২০ গ্রাম (২ টেবিল চামচ)  

৬৷ বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ  

৭। ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ 


৩।  ৩ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚🥚🥚


১। ডিম  ৩ টি

২। মাখন  ১৫০ গ্রাম ( ১/২ কাপ + ১/৪ কাপ ) 

৩৷ চিনি  ১৫০ গ্রাম  ( ১/২ কাপ + ১/৪ কাপ) 

৪।  ময়দা  ১২০ গ্রাম  ( ১/৩ কাপ দিয়ে ৩ বার ) 

৫। কর্নফ্লাওয়ার  ৩০ গ্রাম ( ৩ টে.চা) 

৬৷ বেকিং পাউডার  ৩/৪ চা. চা

৭৷ ভ্যানিলা এসেন্স  ১.৫ চা.চা


৪৷  ৪ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚🥚🥚🥚


১। ডিম ৪টি  

২। মাখন (নরম করা) ২০০ গ্রাম (১ কাপ)  

৩। চিনি (গুঁড়া) ২০০ গ্রাম (১ কাপ)  

৪ ময়দা ১৬০ গ্রাম (১ ১/৩ কাপ)  

৫। কর্নফ্লাওয়ার ৪০ গ্রাম (১/৪ কাপ)  

৬। বেকিং পাউডার ১ চা চামচ  

৭। ভ্যানিলা এসেন্স ২ চা চামচ  


৫। ৫ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚🥚🥚🥚🥚


১। ডিম ৫টি  

২। মাখন (নরম করা) ২৫০ গ্রাম (১ কাপ + ১/৪ কাপ )  

৩। চিনি (গুঁড়া) ২৫০ গ্রাম (১ কাপ + ১/৪ কাপ )  

৪। ময়দা ২০০ গ্রাম (১. ২/৩ কাপ)  

৫। কর্নফ্লাওয়ার ৫০ গ্রাম (১/৪ কাপ + ১ টে.চা)   

৬। বেকিং পাউডার ১ চা + ১/৪ চা 

৭। ভ্যানিলা এসেন্স ২. ৫ চা.চা


৬৷ ৬ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚🥚🥚🥚🥚🥚


১। ডিম ৬টি  

২। মাখন (নরম করা)৩০০ গ্রাম (১ ১/২ কাপ)  

৩। চিনি (গুঁড়া)  ৩০০ গ্রাম (১ ১/২ কাপ)  

৪৷ ময়দা ২৪০ গ্রাম (২ কাপ)  

৫৷ কর্নফ্লাওয়ার  ৬০ গ্রাম (১/৩ কাপ)  

৬। বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ  

৭ ।  ভ্যানিলা এসেন্স ৩ চা চামচ  


৭।  ৭ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেকঃ🥚🥚🥚🥚🥚🥚🥚


১। ডিম ৭টি  

২। মাখন (নরম করা) ৩৫০ গ্রাম (১ কাপ + ৩/৪ কাপ )  

৩। চিনি (গুঁড়া) ৩৫০ গ্রাম (১ + ৩/৪ কাপ)  

৪। ময়দা ২৮০ গ্রাম (২ কাপ)  

৫। কর্নফ্লাওয়ার ৭০ গ্রাম (১/৩ কাপ + ১ টে.চা )  

৬৷ বেকিং পাউডার ১ + ৩/৪ চা চামচ  

৭।  ভ্যানিলা এসেন্স ৩. ৫ চা চামচ  


 ৮। ৮ ডিমের ভ্যানিলা পাউন্ড কেক🥚🥚🥚🥚🥚🥚🥚🥚


১। ডিম ৮টি  

২। মাখন (নরম করা) ৪০০ গ্রাম (২ কাপ)  

৩। চিনি (গুঁড়া) ৪০০ গ্রাম (২ কাপ)  

৪। ময়দা  ৩২০ গ্রাম (২ ২/৩ কাপ)  

৫। কর্নফ্লাওয়ার ৮০ গ্রাম (১/২ কাপ)  

৬। বেকিং পাউডার ২ চা চামচ  

৭।  ভ্যানিলা এসেন্স ৪ চা চামচ  


 পদ্ধতিঃ


(সব রেসিপির জন্য একই)


১। ওভেনকে ১৭৫°C (৩৫০°F) তাপমাত্রায় প্রিহিট করুন।  

২। মোল্ডে মাখন লাগিয়ে ময়দা ছিটিয়ে নিন বা পার্চমেন্ট পেপার ব্যবহার করুন।  

৩৷ মাখন ও চিনি বিটার দিয়ে ৫ মিনিট বিট করুন, যতক্ষণ না মিশ্রণ হালকা ও ফ্লাফি হয়।  

৪। ডিম একে একে মিশ্রণে দিন এবং প্রতিবার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।  

৫৷ ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, এবং বেকিং পাউডার একসঙ্গে চালুন। এটি ধীরে ধীরে মিশ্রণে যোগ করুন।  

৬। শেষে ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে দিন।  

৭। মিশ্রণটি মোল্ডে ঢেলে ওভেনে ৩০-৫০ মিনিট বেক করুন। কাঠি দিয়ে পরীক্ষা করুন, যদি পরিষ্কার বের হয় তবে কেক তৈরি।  

৮। কেক ঠাণ্ডা হলে কেটে পরিবেশন করুন।  


মোল্ডের মাপঃ

১৷ ১-২ ডিম: ৬ ইঞ্চি গোল বা লোফ প্যান।  

২। ৪ ডিম: ৮ ইঞ্চি গোল বা লোফ প্যান।  

৩। ৬-৮ ডিম: ৯-১০ ইঞ্চি গোল বা লম্বা লোফ প্যান।  

এই রেসিপি অনুসরণ করলে আপনার পাউন্ড কেক নরম, ময়েশ্চারাইজড এবং সুস্বাদু হবে! 


নোটঃ 

কর্নফ্লাওয়ারের ভূমিকাঃ

১। কর্নফ্লাওয়ার কেককে আরও নরম এবং মখমল টেক্সচারে পরিণত করে।

২। এটি ময়দার ভার কমিয়ে কেককে হালকা রাখতে সাহায্য করে।

(Collected)


#baking article

#baking hacks

#baking tips

 ৫ টি কার্যকর এবং tested ✅ feeding tricks। শিশুকে নাটকীয়, খেলার ছলে খাওয়ানোর কৌশল

 ‼️ ৫ টি কার্যকর এবং tested ✅ feeding tricks। শিশুকে নাটকীয়, খেলার ছলে খাওয়ানোর কৌশল 🎭🍽️

( Part - 4 )


😩বাচ্চা খাবার মুখে নিতেই চায় না ? 

😩মুখে নিলেও খাবার নিয়ে অনেকক্ষণ বসে থাকে ?

👉 তখন আপনার মাথা গরম —এই গল্প যেন প্রতিদিনের।


কিন্তু এবার না! ❌

🥰এবার মায়ের বুদ্ধি হবে খেলা আর নাটক, আর খাবার হবে মজার হিরো! 🦸‍♂️🍱


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  


✅ শিশুকে খাওয়ানোর 👉 ৫টি tested ও কার্যকর কৌশল নিয়ে এলাম আজকের পোস্টে👇


⭕⭕ Trick ১: ঘুমের ভান করে খাবার চুরি! 😴🥄


👉 হাতে এক লোকমা নিয়ে শিশুকে বলুন—

> “আমি এই খাবার নিয়ে একটু ঘুমাবো... কেউ যেন এটা খেয়ে না ফেলে!” 😴


✅ তারপর চোখ বন্ধ করার ভান করুন...

👉বাচ্চা চুপিচুপি এসে মুখে দিয়ে দেবে খাবার 😋

আপনি হঠাৎ বলবেন—


😄 > “আরে! কে খেল? কে খেল! 😲 এবার আমি নতুন লোকমা নিয়ে ঘুমাবো, এবার কেউ খেতে পারবে না!” 😆


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

⭕⭕ Trick ২: মা-বাবার মজার প্রতিযোগিতা! 


🧕মা বলছে:

> “এই খাবারটা কে খাবে?”

👨‍✈️বাবা বলছে:

👉“আমি খাব, দাও!” 😎

👨‍✈️আর তখনই বাচ্চা দৌড়ে এসে নিজেই খেয়ে নেয় 😂


✅এই ধরনের নাটকীয়তা শিশুকে আনন্দ দেয়,

এবং খাওয়ার সময়টা হয় খুশিতে ভরপুর! 🥰


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

⭕⭕ Trick ৩: চামচ-ফুল আর রান্নাঘরে হাঁটা মিশন! 🚶‍♂️🥄🌼


✅ একটা প্লেটে রাখুন ১২-১৫টি চামচ, প্রতিটিতে এক লোকমা করে খাবার 🍛

চামচগুলো সাজান ফুলের পাপড়ির মতো 🌸


👉শিশুকে বলুন—

✅ কোন চামচ টা খাবে কোন চামচ টা খাবে ? 

👉 বাচ্চা ১ টা খাওয়ার পর বলবেন 👉 "এ চামচটা শেষ এটা কি তুমি রান্নাঘরে রাখতে পারবে ? "

👉 তারপর আবার নতুন চামচ !” 🏃‍♀️🥄


😄 হাসিমুখে বলবেন —

> “ওয়াও! এবার কোন চামচটা খাবে ? 🦋 লাল চামচটা কে নেবে?”


✅এটা খাওয়ার সঙ্গে খেলার আনন্দ ও হাঁটার উপকারিতা—সব একসাথে এনে দেবে 🎯


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

⭕⭕ Trick ৪: বাটিতে রেখে গুপ্তচর খাওয়া ! 🍚🎯


✅একটি ছোট বাটিতে এক লোকমা রেখে একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে এরপর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন আর বলুন—


👉 “এই খাবারটা আমি লুকিয়ে রাখলাম... কেউ যেন না খায়!” 😼


😄তারপর পাশের রুমে চলে যান বা চোখ বন্ধ করুন...

দেখবেন, বাচ্চা নিজেই খেয়ে খালি বাটি এনে বলছে—


👉> “আমি খেয়ে ফেলেছি!” 😁

আর আপনি বলবেন—

🥰 “আরে বাপরে! তুমি খুঁজে পেয়েছ! এবার আবার রাখি দেখি কে খেতে পারে!” 🎮


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

⭕⭕🐭 Trick ৫: ছোট ইঁদুর খেয়ে নিচ্ছে! 🐁🍽️


✅ বলুন—

👉 “এই খাবারটা আমি রেখেছি, কিন্তু একটা ছোট ইঁদুর এসে সব খেয়ে নিচ্ছে!” 😱


😁তারপর ইঁদুরের মতো আওয়াজ করুন—

> “চিক চিক! আমি খাবো!” 🐭

👉 বাচ্চা দেরি করলে বলুন—

“তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো! না হলে ইঁদুরটা খেয়ে ফেলবে!” 😆

✅ এই ট্রিকটা শিশুদের কল্পনার দুনিয়া উস্কে দেয় 🎨


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

🪄 খাওয়ানো হোক হাসির খেলা, যুদ্ধ নয় ❤️


💛 শিশুকে খাওয়াতে চাইলে প্রথমেই তার মন জয় করতে হবে 

👉 বাচ্চারা যেটা খেলার ছলে করতে পারে, সেটা জোর করে বললে কখনোই করে না।


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -   

📢 আপনার বাচ্চার ক্ষেত্রে কোন ট্রিকসটা সবচেয়ে ভালো কাজ করেছে? বা আপনি খাওয়ানোর সময় কোন খেলাটা খেলেন ?

কমেন্টে লিখে জানাবেন  👇


✅ লেখাগুলো ভালো লাগলে পেইজটি ফলো করে রাখুন কারণ খুব শীঘ্রই আসছে 

👉 ⭕ আরো ৫ টি খেলার ছলে খাওয়ানোর কৌশল । 


- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -  

🔁 লেখাগুলো ভালো লাগলে পোস্টটা শেয়ার করে রাখুন, যাতে অন্য মায়েরাও উপকৃত হয় । 

✅ সকল বাচ্চা যেন আনন্দের সাথে খাবার খেতে পারে । 


© Ariba's Life Style 

বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

পায়ের নখের কোণায় ইনফেকশন (Ingrown Toenail with Infection)

 পায়ের নখের কোণায় ইনফেকশন (Ingrown Toenail with Infection) একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষত বর্ষাকালে পায়ের আর্দ্রতা ও ময়লা জমার কারণে। এতে ব্যথা, ফোলা, লালভাব এবং পুঁজ জমতে পারে। এ সমস্যায় করণীয়:


প্রাথমিক পরিচর্যা

১. পরিষ্কার রাখুন


আক্রান্ত পা দিনে ২ থেকে ৩ বার হালকা গরম পানিতে (লবণ বা অ্যান্টিসেপ্টিক যেমন স্যাভলন মিশিয়ে) ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।


শুকানোর পর পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।


২. জায়গা শুকনা রাখুন

বর্ষায় মোজা ঘন ঘন বদলান, সুতি মোজা ব্যবহার করুন।

স্যান্ডেল বা খোলা জুতো পরুন যাতে বাতাস চলাচল করে।


৩. নখ কাটার সতর্কতা

নখ সোজা কাটুন, গোলাকার বা খুব ছোট করবেন না।

নখের কোণাগুলো যেন ত্বকের ভিতরে না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।


যদি ২ থেকে ৩ দিনে উন্নতি না হয়, ব্যথা বা পুঁজ বাড়ে, বা ডায়াবেটিস থাকলে অবশ্যই ডাক্তার দেখান।

ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে।


প্রতিরোধ

পা সবসময় শুকনা ও পরিষ্কার রাখুন।

আঁটোসাঁটো জুতো এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত নখ কাটুন (সোজা লাইনে)।


সতর্কতা:

দ্রুত চিকিৎসা না নিলে ইনফেকশন হাড় পর্যন্ত ছড়াতে পারে (Osteomyelitis), বিশেষত ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে।


"মানব জীবন + হোমিওপ্যাথি" 

এই পেজটির সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

হাঁস-মুরগি পালন: কম খরচে সর্বোচ্চ লাভের সম্পূর্ণ গাইড

 ### **হাঁস-মুরগি পালন: কম খরচে সর্বোচ্চ লাভের সম্পূর্ণ গাইড**  

**(ছানা থেকে বড় মুরগি পর্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত যত্ন)**


---


#### **১. শুরু করার আগে প্রস্তুতি**  

- **খামার স্থান নির্বাচন:**  

  - শুষ্ক, উঁচু ও ছায়াযুক্ত স্থান বেছে নিন।  

  - প্রতি বর্গমিটারে ৮-১০টি মুরগির হিসাবে জায়গা রাখুন।  

- **জীবাণুমুক্তকরণ:**  

  - ছানা আনার **৩ দিন আগে** ফর্মালিন বা ভিরকন দিয়ে খামার জীবাণুমুক্ত করুন।  


---


#### **২. ছানা নির্বাচন ও প্রাথমিক যত্ন**  

- **সঠিক ব্রিড বাছাই:**  

  - **ডিমের জন্য:** লেয়ার হাইব্রিড (হাই-লাইন, বোভান্স)  

  - **মাংসের জন্য:** ব্রয়লার (কোব-৫০০, হাববার্ড)  

- **ছানা কেনার সময় লক্ষণ:**  

  - সক্রিয়, চোখ উজ্জ্বল, নাভি শুকনো ও পেট ফোলা না থাকা।  

- **ব্রুডিং ব্যবস্থাপনা (প্রথম ৪ সপ্তাহ):**  

  - **তাপমাত্রা:**  

    | বয়স (দিন) | তাপমাত্রা (°C) |  

    |------------|----------------|  

    | ১-৭        | ৩৫             |  

    | ৮-১৪       | ৩২             |  

    | ১৫-২১      | ২৯             |  

    | ২২-২৮      | ২৬             |  

  - **চিক গার্ড:** প্রথম ১০ দিন ব্রুডারকে ঘিরে রাখুন।  


---


#### **৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা (কম খরচে সর্বোচ্চ ফলন)**  

- **বয়স অনুযায়ী খাদ্য:**  

  | বয়স         | খাদ্যের ধরন     | প্রোটিন (%) | দিনে খরচ (গ্রাম/ছানা) |  

  |--------------|-----------------|-------------|-----------------------|  

  | ১-২১ দিন    | স্টার্টার ফিড   | ২০-২২       | ১৫-২০                 |  

  | ২২-৪২ দিন   | গ্রোয়ার ফিড    | ১৮-২০       | ৫০-৭০                 |  

  | ৪৩+ দিন     | লেয়ার/ফিনিশার | ১৬-১৮       | ১০০-১২০               |  


- **ঘরোয়া বিকল্প:**  

  - ভাঙা চাল, গমের ভুসি, শুটকি মাছের গুঁড়া, সবুজ শাকসবজি মিশিয়ে খাওয়ান।  

  - **ক্যালসিয়ামের জন্য:** ডিমের খোসা গুঁড়া করে দিন।  


---


#### **৪. রোগ প্রতিরোধ ও ভ্যাকসিনেশন**  

- **অত্যাবশ্যকী ভ্যাকসিন:**  

  | বয়স         | ভ্যাকসিন             | প্রয়োগ পদ্ধতি      |  

  |--------------|----------------------|---------------------|  

  | ১ম দিন       | মারেক্স              | ইনজেকশন             |  

  | ৫-৭ দিন      | রানীক্ষেত (F1)       | চোখে ড্রপ            |  

  | ১৪ দিন       | গাম্বোরো             | পানিতে মিশিয়ে       |  

  | ২৮ দিন       | রানীক্ষেত (Lasota)   | স্প্রে বা পানিতে     |  


- **প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ:**  

  - প্রতি লিটার পানিতে **১ চামচ ভিনেগার** বা **আদা-রসুনের ক্বাথ** দিনে ১ বার দিলে সংক্রমণ কমে।  


---


#### **৫. খামারের স্বাস্থ্যবিধি**  

- **প্রতিদিন:**  

  - পানির পাত্র পরিষ্কার করুন।  

  - ভেজা লিটার (কাঠের গুঁড়া/ধানখড়) পরিবর্তন করুন।  

- **সাপ্তাহিক:**  

  - খামারে চুন ছিটান বা নিমের দ্রবণ স্প্রে করুন।  


---


#### **৬. লাভ বাড়ানোর উপায়**  

- **খরচ কমানো:**  

  - স্থানীয় কৃষি উপজাত (ধানখড়, সবজির অবশিষ্টাংশ) ব্যবহার করুন।  

  - নিজেই ফিড মিক্স তৈরি করুন (শস্য ৬০% + প্রোটিন সোর্স ৩০% + খনিজ ১০%)।  

- **আয় বাড়ানো:**  

  - ডিমের খোসা, মুরগির বিষ্ঠা জৈব সারে বিক্রি করুন।  

  - সরাসরি গ্রাহককে বিক্রি করে মধ্যস্বত্বভোগী এড়ান।  


---


### **সতর্কতা:**  

- **ওভারক্রাউডিং এড়িয়ে চলুন** (প্রতি বর্গমিটারে ৪টির বেশি ব্রয়লার নয়)।  

- **অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার করবেন না** (মাংসে রেসিডিউ জমতে পারে)।  


> **সফল খামারির মন্ত্র:**  

> _"পরিষ্কার পরিবেশ + সঠিক খাদ্য + সময়মতো ভ্যাকসিন = রোগমুক্ত ও লাভজনক খামার"_  


📌 **এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ৩-৪ মাসেই ব্রয়লার বিক্রি বা ৬ মাসে লেয়ার থেকে ডিম উৎপাদন শুরু করুন!** 🐔💰

ব্ল্যাক ম্যাজিক

 ☣️ ব্ল্যাক ম্যাজিক


ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।📳


-আসসালামু আলাইকুম।

-ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।

-শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন?❓

-কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু। 

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)। 


- কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না।


-  না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,

(নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬)


-আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও 🕋কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি।


শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব! 


মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা🕋 ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি।


শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা নয়।


মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে। 


শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন?


মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক☣️ (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো।


জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি।


শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক। 

নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩)


দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো।


-আসসালামু আলাইকুম

- ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।

- হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান।


শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর।


ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে। 


শায়খঃ কী ঘটনা? ❓


ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। ⚰️লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে😢 কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন,


তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক💥 ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ⚰️ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। 


আগুনের🔥 উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো। 


আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ?❓


শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। 


[যারা☣️ যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।]


Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহ।

দড়ি লাফ খেলার উপকারিতা (Benefits):

 দড়ি লাফ খেলার উপকারিতা (Benefits):


🫀 ১. কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস বাড়ায়


এটা হৃদয় ও ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ায়।


রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, হার্ট হেলদি থাকে।


🏋️ ২. পুরো শরীরের মাংসপেশি ব্যবহার হয়


বিশেষ করে পা, উরু, কোমর, পেট, বাহু ও কাঁধের পেশি একসঙ্গে কাজ করে।


তাই এটা full-body workout।


⚖️ ৩. ওজন কমাতে সহায়ক


মাত্র ১৫-২০ মিনিট দড়ি লাফ = ৩০ মিনিট দৌড়ানোর সমান ক্যালরি বার্ন করে!


প্রতিদিন করলে ফ্যাট কমে, মেটাবলিজম বাড়ে।


🧠 ৪. মনোযোগ ও সমন্বয় উন্নত করে


একসাথে হাত-পা চালানো লাগে, তাই coordination, focus আর balance বাড়ে।


🦴 ৫. হাড় মজবুত করে


দড়ি লাফ Bone Density বাড়ায়।


অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।


😄 ৬. মানসিক চাপ কমায়


এটা খেলাধুলার মতোই মজা দেয়, ফলে স্ট্রেস হরমোন কমে, মন ভালো থাকে।

#exercisemotivation

এক নজরে বাংলা বর্ণমালা

 ⭕এক নজরে বাংলা বর্ণমালা⭕️

➖স্বরবর্ণ - 11টি

➖ব্যঞ্জনবর্ণ - 39 টি

➖মৌলিক স্বরধ্বনি - 7 টি

➖যৌগিক স্বরধ্বনি -২টি

➖যৌগিক স্বর জ্ঞাপক বর্ণ - ২৫টি।

➖হ্রসস্বর স্বরধ্বনি - 4 টি

➖দীর্ঘস্বর স্বরধ্বনি - 7টি

➖মাত্রাহীন - 10 টি

➖অর্ধমাত্রা - 8 টি

➖পূর্ণমাত্রা - 32 টি

➖কার - 10 টি

➖স্পর্শবর্ণ - 25 টি

➖বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি(স্বরবর্ণ ১১টি

+ ব্যঞ্জণবর্ণ ৩৯টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি(হ্রস্ব স্বর ৪টি + দীর্ঘ স্বর ৭টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জণবর্ণ ৩৯টি(প্রকৃত ৩৫টি + অপ্রকৃত ৪ টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রাযুক্তবর্ণ আছে ৩২টি (স্বরবর্ণ ৬টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ২৬টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রাযুক্তবর্ণ আছে ৮টি (স্বরবর্ণ ১টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ৭টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণআছে ১০টি

(স্বরবর্ণ৪টি + ব্যঞ্জণবর্ণ ৬টি)

➖বাংলা বর্ণমালায় কার আছে এমন স্বরবর্ণ ১০টি (“অ” ছাড়া)

➖বাংলা বর্ণমালায় ফলা আছে এমন ব্যঞ্জণবর্ণ ৫টি (ম, ন, ব,য, র) { সৌমিত্র শেখরের বই যে ৬টি।যেমন: ন, ম, য, র ল, ব

➖বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শধ্বনি/বর্গীয় ধ্বনি আছে ২৫টি

(ক থেকে ম পর্যন্ত)

➖বাংলা বর্ণমালায় কন্ঠ/জিহবামূলীয়ধ্বনি আছে ৫টি

(“ক” বর্গীয়ধ্বনি)

➖বাংলা বর্ণমালায় তালব্য ধ্বনি আছে৮টি (“চ” বর্গীয় ধ্বনি + শ,য, য়)

➖বাংলা বর্ণমালায় মূর্ধন্য/পশ্চাৎদন্তমূলীয়ধ্বনি আছে ৯টি (“ট” বর্গীয়ধ্বনি + ষ, র, ড়, ঢ়)

➖বাংলা বর্ণমালায় দন্ত্য ধ্বনি আছে৭টি(“ত” বর্গীয় ধ্বনি + স,ল)

➖বাংলা বর্ণমালায় ওষ্ঠ্য ধ্বনি আছে৫টি (“প” বর্গীয় ধ্বনি)

➖বাংলা বর্ণমালায় অঘোষ ধ্বনি আছে১৪টি (প্রতি

বর্গের ১ম ও ২য় ধ্বনি + ঃ, শ, ষ, স)

➖বাংলা বর্ণমালায় ঘোষ ধ্বনি আছে১১টি (প্রতি বর্গের

৩য় ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)

➖বাংলা বর্ণমালায় অল্পপ্রাণ ধ্বনিআছে ১৩টি (প্রতি

বর্গের ১ম ও ৩য় ধ্বনি + শ, ষ, স)

➖বাংলা বর্ণমালায় মহাপ্রাণ ধ্বনিআছে ১১টি (প্রতি

বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি + হ)

➖বাংলা বর্ণমালায় নাসিক্য/অনুনাসিকধ্বনি আছে ৮টি(প্রতি বর্গের ৫ম ধ্বনি + ং, ৺, ও)

➖বাংলা বর্ণমালায় উষ্ম/শিষ ধ্বনি৪টি (শ,ষ, স, হ)

➖বাংলা বর্ণমালায় অন্তঃস্থ ধ্বনি৪টি (ব,য, র, ল)

➖বাংলা বর্ণমালায় পার্শ্বিক ধ্বনি১টি (ল)

➖বাংলা বর্ণমালায় কম্পনজাত ধ্বনি১টি (র)

➖বাংলা বর্ণমালায় তাড়নজাত ধ্বনি২ টি (ড়, ঢ়)(সংগৃহীত)

কারবালার ১০টি ভুল বোঝাবুঝি – মিথ বনাম সত্য

 কারবালার ১০টি ভুল বোঝাবুঝি – মিথ বনাম সত্য


• অনেকে মনে করেন কারবালার ঘটনা ছিল সুন্নি ও শিয়া দ্বন্দ্ব।

প্রকৃতপক্ষে, এটি ছিল এক জালিম শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এক সাহসী প্রতিবাদ। ইমাম হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি ও একজন সাহাবি, কোনো দলীয় নেতা নন। তিনি ছিলেন ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের সাথী।


• আশুরাকে কেবল শোকের দিন হিসেবে মনে করা হয়।

অথচ এই দিনটির ইতিহাস আরও প্রাচীন ও পবিত্র। এ দিনে আল্লাহ তাআলা মূসা (আ.)-কে ফেরাউনের জুলুম থেকে রক্ষা করেছিলেন। রসূল (সা.) কৃতজ্ঞতাবশত এই দিনে রোজা রাখতেন এবং তা এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ বলে উল্লেখ করেছেন। (সহীহ মুসলিম: ১১৬২)


• তাজিয়া, শোক মিছিল ও শরীর আঘাত করার মতো আচার অনেকের কাছে ধর্মীয় অনুষঙ্গ।

অথচ ইসলামে এমন কিছুর অনুমতি নেই। রসূল (সা.) ও সাহাবিগণ কখনও এভাবে শোক পালন করেননি। বরং দেহে আঘাত করা, উচ্চস্বরে কান্নাকাটি করা নিষিদ্ধ কর্ম। (সহীহ বুখারী: ১২৯৪) .


• ইমাম হুসাইনকে শুধু শিয়াদের নেতা হিসেবে ভাবা হয়।

কিন্তু তিনি ছিলেন সমগ্র উম্মাহর গর্ব, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় নাতি এবং জান্নাতী যুবকদের সরদার। (সহীহ তিরমিযী: ৩৭৬৮) তাঁর ব্যক্তিত্ব সকল মুসলমানের কাছে অনন্য ও গ্রহণযোগ্য। 


• কারবালায় রসূল (সা.)-এর পরিবার সম্পূর্ণরূপে শহীদ হয়েছেন—এমন একটি ধারণা ছড়িয়ে আছে।

সত্য হলো, ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর কিছু সাহসী সাথী শাহাদাতবরণ করেন; পরিবারের অনেক সদস্য জীবিত ছিলেন এবং ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।


• বিশ্বাস করা হয়, আশুরায় বিশেষ রান্না না করলে দুর্ভিক্ষ নেমে আসে।

এটি একটি কুসংস্কার ছাড়া কিছু নয়। শরিয়তে এমন কোনো বিধান নেই। বরং বিশেষ খাবার রান্না করে তাকে বাধ্যতামূলক মনে করাটা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত।


• কেউ কেউ দাবি করেন, আশুরার রাতে আকাশে রক্তের দাগ দেখা যায়।

এ বিশ্বাসের কোনো ঐতিহাসিক, বৈজ্ঞানিক বা শরয়ি ভিত্তি নেই। এটি লোককথা ও অতিরঞ্জিত আবেগের ফসল।


• আশুরার রাতে মোম জ্বালানো, পানি বিতরণ, কবর জিয়ারতের মতো কাজকে বাধ্যতামূলক মনে করা হয়।

অথচ এসব রসূল (সা.) কিংবা সাহাবিদের কোনো আমল নয়। এগুলোকে ধর্মীয় আবশ্যকতা মনে করাটা একপ্রকার বিদআত।


• "ইয়া হুসাইন" বলে আহাজারি করলে গুনাহ মাফ হয়—এমন ধারণা প্রচলিত।

ইসলামে দুআ একমাত্র আল্লাহর কাছেই করতে হয়। কারও নামে সাহায্য চাওয়া শিরকের সীমানায় পড়তে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।


• অনেকে বিশ্বাস করেন, তাজিয়া মিছিলে অংশ নিলে মনের ইচ্ছা পূরণ হয়।

ইসলামে এমন বিশ্বাসের কোনো ভিত্তি নেই। এটি বিদআতের আওতায় পড়ে এবং শিরকের আশঙ্কাজনক দরজাগুলোর একটি।


উপসংহার

কারবালার ঘটনা আমাদের শেখায় অন্যায়ের মুখে মাথা নত না করা, সত্য ও ইনসাফের পথে অবিচল থাকা। আমরা যেন আবেগে নয়, সহীহ জ্ঞান ও বিশুদ্ধ আমলের মাধ্যমে আশুরার তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারি। আল্লাহ আমাদেরকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করে সঠিক পথের দিশা দিন।

বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভজনক ১৫টি মাছ চাষ

 ## **বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভজনক ১৫টি মাছ চাষ**  


### **🐟 লাভের দিক থেকে শীর্ষ ১৫ মাছ**  

| **মাছের নাম**       | **চাষের সময়** | **বাজারমূল্য (প্রতি কেজি)** | **বিশেষ সুবিধা** |

|---------------------|--------------|----------------------------|-----------------|

| **পাঙ্গাশ**         | ৪-৬ মাস      | ১২০-২৫০ টাকা               | নোনা-মিঠা পানিতে চাষযোগ্য |

| **তেলাপিয়া**       | ৩-৪ মাস      | ১০০-২০০ টাকা               | দ্রুত বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধী |

| **রুই**            | ৬-৮ মাস      | ২০০-৩৫০ টাকা               | উচ্চ পুষ্টিগুণ |

| **সিলভার কার্প**   | ১২-১৮ মাস    | ৮০-২০০ টাকা               | বড় আকারের মাছ |

| **কৈ**             | ৬-৮ মাস      | ২৫০-৫০০ টাকা               | উচ্চ বাজার চাহিদা |

| **পাবদা**          | ৫-৭ মাস      | ২০০-৪৫০ টাকা               | স্বাদ ও গন্ধের জন্য বিখ্যাত |

| **টেংরা**          | ৪-৬ মাস      | ৩০০-৪০০ টাকা               | কম খাদ্য প্রয়োজন |

| **কাতলা**          | ১২-১৮ মাস    | ২৮০-৩৫০ টাকা               | প্রোটিন সমৃদ্ধ |

| **গুলশা**         | ৮-১০ মাস     | ২০০-২৫০ টাকা               | সহজে চাষযোগ্য |

| **শোল**           | ১০-১২ মাস    | ৪০০-৫০০ টাকা               | উচ্চ মূল্য |

| **শিং**           | ৬-৮ মাস      | ২৫০-৬০০ টাকা               | অল্প জায়গায় চাষ |

| **মাগুর**         | ৫-৭ মাস      | ৩০০০-৪০০০ টাকা               | রোগ প্রতিরোধী |

| **চিংড়ি**         | ৩-৪ মাস      | ৬০০-৮০০ টাকা               | রপ্তানিযোগ্য |

| **কার্পিও**       | ৮-১০ মাস     | ২০০-২৫০ টাকা               | মিশ্র চাষে আদর্শ |

| **বোয়াল**         | ১০-১২ মাস    | ৩০০-৭০০ টাকা               | উচ্চ মুনাফা |


### **💰 লাভের হিসাব (প্রতি একর)**  

- **তেলাপিয়া**: ৪ মাসে **১-১.৫ লাখ টাকা** লাভ  

- **পাঙ্গাশ**: ৫ মাসে **১.২-১.৮ লাখ টাকা** লাভ  

- **রুই-কাতলা-মৃগেল মিশ্র চাষ**: বছরে **২-৩ লাখ টাকা** লাভ  


### **🌊 চাষ পদ্ধতি**  

1. **পুকুর প্রস্তুতি**:  

   - চুন প্রয়োগ (১ কেজি/শতক)  

   - জৈবসার (গোবর ৫ কেজি/শতক)  


2. **পোনা মজুদ**:  

   - তেলাপিয়া: ৮,০০০-১০,০০০ পোনা/একর  

   - রুই: ২,০০০-৩,০০০ পোনা/একর  


3. **খাদ্য ব্যবস্থাপনা**:  

   - প্রোটিন সমৃদ্ধ ফিড (৩০-৩৫% প্রোটিন)  

   - দিনে ২ বার খাওয়ান  


### **⚠️ সতর্কতা**  

- **পানি ব্যবস্থাপনা**: প্রতি ১৫ দিনে ২০% পানি পরিবর্তন  

- **রোগ নিয়ন্ত্রণ**: নিমের তেল স্প্রে (মাসে ১ বার)  

- **অক্সিজেন**: এয়ারেটর ব্যবহার  


### **📌 বিশেষ টিপস**  

✔ **মিশ্র চাষ** (রুই+কাতলা+মৃগেল) করে লাভ বাড়ান  

✔ **বায়োফ্লক পদ্ধতি**তে তেলাপিয়া চাষে খরচ কম  

✔ **হাইড্রোপনিক্স** পদ্ধতিতে শাক-সবজি+মাছ চাষ  


**#মাছ_চাষ #লাভজনক_মাছ #কৃষি_বাণিজ্য**  

**তথ্যসূত্র**: কৃষিবিদ মিঠুন সরকার, সরকার এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড, যশোর  


---  

**💬 প্রশ্ন:**  

_"আপনি কোন মাছ চাষ করতে চান? আপনার এলাকার জন্য কোন প্রজাতি উপযুক্ত?"_

সক্রেটিসের মৃত্যু

 যে ইতিহাস জানা ছিল না ঃ

“সক্রেটিসের মৃত্যু”


মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সবাই এবং একান্ত শিষ্য'রা তার চারপাশ ঘিরে আছেন। 

কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। প্রধান কারারক্ষী এসে শেষ বিদায় নিয়ে গেলেন। তার চোখেও অশ্রু টলমল করছে। হায়, কি অদ্ভুত শাস্তি! যে মরবে সে ধীরস্থির, শান্ত। আর যে মারবে তার চোখে জল। কারাগার প্রধান বললেন, 'এথেন্সের হে মহান সন্তান, আপনি আমায় অভিশাপ দিবেন না। আমি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। এতবছর কারাগারে কাজ করেছি, আপনার মতো সাহসী, সৎ এবং জ্ঞানী কাউকে আমি দেখিনি।

মৃত্যুর ঠিক আগে সক্রেটিস তার পরিবারের নারী ও শিশুদের চলে যেতে বললেন। সুন্দর পোষাক পরলেন তিনি। শিষ্যরা সবাই কাঁদছে কিন্তু সক্রেটিস যেনো বেপরোয়া। মৃত্যুতে কি কিছুই যায়-আসেনা তার? মৃত্যুদন্ডটা চাইলেই তিনি এড়িয়ে যেতে পারতেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো- দেবতাদের প্রতি ভিন্নমত প্রকাশ, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং তরুণদের বিপথগামী হতে উৎসাহ প্রদান। নিয়ম অনুযায়ী খোলা মাঠে তার বিচার বসেছিলো। বিচারক ছিলেন সমাজের ৫০০ জন জ্ঞানী মানুষ। এদের অনেকেই ছিলেন গ্রীসের রাজার একান্ত অনুগত। সক্রেটিসের মেধা এবং বিশেষতঃ তরুণদের কাছে তার জনপ্রিয়তায় জ্বালা ছিলো তাদের। সক্রেটিসকে খতম করার এমন সুযোগ তারা ছাড়বে কেন ? তবুও হয়তো প্রাণে বেঁচে যেতেন সক্রেটিস। কিন্তু কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও বিচারকদের নিয়ে উপহাস করতে ভুললেন না। ফলাফল 'হ্যামলক বিষপানে মৃত্যু'।

মৃত্যুর আগে একমাস কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি। নিয়ম ছিলো এমন। এই একমাসে কারারক্ষীরাও তার জ্ঞানে মুগ্ধ হয়ে গেলো। তারা তাঁকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করতে চাইলো। সক্রেটিস বিনয়ের সাথে না করে দিলেন। বললেন ''আজ পালিয়ে গেলে ইতিহাস আমায় কাপুরুষ ভাববে''। তিনি পৌরুষের সাথে মৃত্যুকে অপমানের জীবনের চাইতে শ্রেষ্ঠ বলে মানলেন।

ঐ সন্ধ্যায় প্রধান কারারক্ষী চলে যাওয়ার পর জল্লাদ এলো পেয়ালা হাতে। পেয়ালা ভর্তি হ্যামলকের বিষ। সক্রেটিস জল্লাদকে বললেন ''কি করতে হবে আমায় বলে দাও। তুমি আমার চাইতে ভালো জানো''। জল্লাদ বললো ''পেয়ালার পুরোটা বিষ পান করতে হবে, একফোঁটাও নষ্ট করা যাবেনা''। সক্রেটিস বললেন ''তবে তাই হোক''। তিক্ত বিষের পুরো পেয়ালা তিনি পানির মতো করে পান করে ফেললেন। চারপাশে বসে থাকা শিষ্যরা চিৎকার করে কাঁদছেন। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ। তখন জল্লাদ আরও কঠোর নির্দেশটি দিলো। বললো ''নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে এখন কিছুক্ষণ পায়চারী করতে হবে, যাতে বিষের প্রভাব পুরোটা শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পরতে পারে''। হায় হায় করে উঠলেন সবাই। শুধু ম্লান হাসলেন সক্রেটিস। বললেন '' আজীবন আইন মেনেছি, মৃত্যুতে আইন ভাঙবো কেন'' ?  দূর্বল পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাঁটলেন কিছুক্ষণ, যতক্ষণ তার শক্তিতে কুলোয়। এরপর বিছানায় এলিয়ে পড়লেন। শিষ্যদের বললেন ''তোমরা উচ্চস্বরে কেঁদোনা, আমায় শান্তিতে মরতে দাও''। জল্লাদের পাষাণ মনেও তখন শ্রদ্ধার ভাব, বিনয়ে আর লজ্জায় মাথা নামিয়ে নিলো সে। চাদর দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে নিলেন সক্রেটিস। একবার চাদরটা সরালেন। একজন শিষ্যকে ডেকে বললেন ''প্রতিবেশীর কাছ থেকে একটা মুরগী ধার করেছিলাম আমি, ওটা ফেরত দিয়ে দিও''।

এই ছিলো তার শেষ কথা। ক্ষনিক পরেই অনিশ্চিত যাত্রায় চলে গেলেন মহাজ্ঞানী সক্রেটিস। তার শিষ্যদের মাঝে সেরা ছিলেন প্লেটো। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের এই ঘটনাগুলো প্লেটো লিখে রেখে গেছেন। প্লেটোর শিষ্য ছিলেন মহাজ্ঞানী এ্যারিষ্টটল, সর্বকালের জ্ঞানী মানুষের উপরের সারির একজন। মহাবীর আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের নাম আমরা সবাই জানি। এই বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন এ্যারিষ্টটল।

প্রহসনের বিচারে সক্রেটিসের মৃত্যু হয়েছে ঠিকই কিন্তু মৃত্যু তাকে মারতে পারেনি। শিষ্যদের মাঝে জ্ঞানের আলো দিয়ে বেঁচে রইবেন তিনি অনন্তকাল। সত্য প্রকাশে যারাই লড়বে, একাত্তুর বছর বয়সে মৃত সক্রেটিস(Socrates) তাদের কাছে উৎসাহের এক নাম হয়েই রইবে...।

                    ----------------------------------

এই চিত্রকর্মটির নাম “সক্রেটিসের মৃত্যু”। আজ থেকে প্রায় দু'শ তিরিশ বছর আগে (খ্রি. ১৭৮৭) ফ্রান্সের শিল্পী জাঁক-লুই ডেভিড এই ছবিটা আঁকেন। ছবিটার গল্পটা সবারই জানা। সক্রেটিসের সামনে মেলে ধরা হয়েছে হেমলক বিষের পাত্র, সক্রেটিস সেটা নির্দ্বিধায় পান করছেন। ছবির ডান দিকে তার শিষ্যরা শোকে, ক্ষোভে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে। সক্রেটিসের বামে যে লোকটি হেমলকের পাত্র এগিয়ে দিচ্ছে, তার নিজের মুখও লজ্জায় ঢাকা, এমন জ্ঞানী একজন মানুষের মৃত্যু তার মাধ্যমে হচ্ছে, হয়তো সেই কারণেই।


#storyteller 

#wise 

#history 

#Nobelman 

#popular 

#follower 

#public

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...