এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

 সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :



প্রিয় অভিভাবক,

কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।


👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।


👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।


👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷


👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।


👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।


👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।


👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!


👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!


👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷

সেইখানে ৩ দিন স্কুলে না গেলে জরিমানা দিতে হয় যার জন্য অসুস্থ ফাইয়াজ স্কুলে গিয়ে আজকে লাশ হয়ে ফিরলো ।

👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন ৷ আল্লাহ্ আমাদের এই ছোট ছোট বাচ্চাদের জান্নাতে নিয়ে গেছেন হয়তো তারা আল্লাহ্ এর কাছে ছুটি চেয়েছিল 😢

মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

আলেমরা রাষ্ট্র চালাবে কিভাবে? তারা কি অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন পড়ে?

 আলেমরা রাষ্ট্র চালাবে কিভাবে? তারা কি অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন পড়ে?


আরে কূপমন্ডুক! আলেমরা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে যা পড়ে তোরা ডক্টর হয়েও তা চোখে দেখিসনি!


মাদ্রাসায় ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে আইন বিচার অর্থনীতি মোটকথা একটি দেশ জাতি পরিচালনা করতে যত জ্ঞান দরকার তা পড়ানো হয়। নিম্নে সেগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হলো!


كتاب الطهارة : পবিত্রতার পর্ব

ওযূর ফরযসমূহ

ওযূর সুন্নত ও মুস্তাহাবসমূহ”

ওযু ভঙ্গের কারণসমূহ

গোসলের ফরয ও সুন্নতসমূহ

গোসল ফরয হওয়ার কারণসমূহ

পানিতে নাপাকী পড়লে তা পাক করার বিধান

উচ্ছিষ্টের বিধান

তায়াম্মুমের অধ্যায়

মোজার ওপর মাসাহের অধ্যায়

হায়েযের অধ্যায়

অপবিত্রতার অধ্যায়

كتاب الصلاة : সালাতের পর্ব

সালাতের ওয়াক্তসমূহ

আযানের অধ্যায়

সালাতের পূর্ব শর্তসমূহের অধ্যায়

সালাতের রুকনসমূহ

জামাআতের অধ্যায়

কাযা সালাতের অধ্যায়

সালাতের মাকরূহ ওয়াক্তসমূহের অধ্যায়

নফল সালাতের অধ্যায়

সাহু সিজদার অধ্যায়

রুগ্‌ণ ব্যক্তির সালাতের অধ্যায় :

তিলাওয়ার্ডে সিজদার অধ্যায়

মুসাফিরের সালাতের অধ্যায়

জুমুআর সালাতের অধ্যায়

দুই ঈদের সালাতের অধ্যায়

সূর্য গ্রহণের সালাতের অধ্যায়

বৃষ্টি প্রার্থনার সালাতের অধ্যায় :

রমযান মাসে তারাবীহ পড়ার অধ্যায়

ভয়কালীন সালাতের অধ্যায়

জানাযার সালাতের অধ্যায়

শহীদের অধ্যায়

কাবা শরীফের ভিতরে সালাতের অধ্যায়


অর্থ ব্যবস্থা ১

كتاب الزكاة : যাকাতের পর্ব

যাকাত কার ওপর ওয়াজিব

উটের যাকাতের অধ্যায়

গরুর যাকাতের অধ্যায়

ছাগলের যাকাতের অধ্যায়

ঘোড়ার যাকাতের অধ্যায়

রৌপ্যের যাকাতের অধ্যায়

স্বর্ণের যাকাতের অধ্যায়

আসবাবপত্রের যাকাতের অধ্যায়

ফসল ও ফলের যাকাতের অধ্যায়

যাকাত কাকে দেয়া জায়েয আর কাকে দেয়া জায়েয নয় সে সম্পৰ্কীয় অধ্যায়

সদকায়ে ফিতরের অধ্যায়


كتاب الصوم : সাওমের পর্ব

সাওমের প্রকারভেদ

সাওমের কাফ্ফারা

রমযান ও ঈদের চাঁদ দেখার হুকুম

ই'তিকাফের অধ্যায়


كتاب الحج : হজ্জের পর্ব

হজ্জ কাদের ওপর ওয়াজিব

মীকাতসমূহের বর্ণনা

হজ্জ করার নিয়মাবলী

হজ্জে কিরানের অধ্যায়

হজ্জে তামাত্তুর অধ্যায়

ত্রুটি-বিচ্যুতির অধ্যায়

অবরুদ্ধ করার অধ্যায়

হজ্জ না পাওয়ার অধ্যায়

হাদী প্রেরণ অধ্যায়


অর্থনীতি ২

كتاب البيوع : বেচাকেনার পর্ব

খেয়ারে শর্ত-এর অধ্যায়

খেয়ারে রুইয়াত-এর অধ্যায়

খেয়ারে আয়েব-এর অধ্যায়

ফাসিদ বেচাকেনার অধ্যায়

এক্বালার অধ্যায়

মুরাবাহা ও তাওলিয়া-এর অধ্যায়

সুদী কারবারের অধ্যায়

সলম বিক্রির অধ্যায়

সরফ বিক্রির অধ্যায়-

বন্ধক পর্ব, হাজর পর্ব, স্বীকারোক্তি পর্ব, ইজারা পর্ব, শুফআ পর্ব, অংশীদারিত্ব পর্ব, মুদারাবা পর্ব, ওকালাত পর্ব, জামানত পর্ব, হাওয়ালাহ পর্ব, আপস-মীমাংসা পর্ব, হিবার পর্ব, ওয়াফের পর্ব, অপহরণ পর্ব, আমানত পৰ্ব, আরিয়ত পর্ব, পতিত শিশু পর্ব, পতিত সম্পদ পর্ব, হিজড়া পর্ব, নিরুদ্দেশ ব্যক্তির পর্ব, পলাতক কৃতদাসের পর্ব, পতিত ভূমি পর্ব, অনুমতি প্রাপ্ত দাসের পর্ব, পারস্পরিক চাষাবাদ পর্ব, বাগান বর্গা পর্ব


আইন শাস্ত্র:

كتاب النكاح- বিবাহ পর্ব

কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিবাহ

বিবাহের উদ্দেশ্য

বিবাহের হিকমত ও যৌক্তিকতা

বিবাহ ও আধুনিক বিজ্ঞান

কি কারণে একজন পুরুষকে নপুংসক আখ্যা দেওয়া যায়?

বিবাহ-এর রোকন টেলিফোনে বিবাহের বিধান

ফ্যাক্স ও চিঠির মাধ্যমে বিবাহের বিধান

বিবাহ ও বেচাকেনার মধ্যে পার্থক্য


نكاح-এর শর্ত

বিবাহের সাক্ষীদ্বয়ের আবশ্যকীয় গুণাগুণ 

বিবাহে সাক্ষী নির্ধারিত হওয়ার রহস্য -

যাদেরকে বিবাহ করা হারাম তাদের বয়ান- 

দুগ্ধদান ও দুগ্ধ পানের কারণে যাদেরকে বিবাহ করা হারাম 

যুক্তির আলোকে দুগ্ধ পান-এর দ্বারা হারাম হওয়ার রহস্য

যুক্তির আলোকে দু'বোনকে একত্রে বিবাহ করা হারাম

বংশগত কারণে হারামকৃতা নারীর তালিকা

দুগ্ধ সম্পর্কিত কারণে হারামকৃতা নারীদের তালিকা

مصاهرة ও معلقي-এর কারণে হারামকৃতা নারীদের তালিকা

حرمت معلقي সম্পর্কীয় একটি মূলনীতি 

সাবিয়া নারীদের বিবাহকরণ প্রসঙ্গে মতভেদ 

আহলে কিতাব মহিলার সাথে বিবাহ জায়েজ হওয়ার যুক্তি

যে সব শব্দাবলী দ্বারা বিবাহ সংঘটিত হয়

যে সব শব্দাবলী দ্বারা বিবাহ সংঘটিত হবে না 

ওলী বা অভিভাবকের পরিচয়

গায়বতে মুনকাতেআহ-এর বিবরণ 

كفؤ-এর গুরুত্ব এবং তার বিধানাবলী

যুক্তির আলোকে মোহর

মোহরের নিম্নতম পরিমাণ

خلوة কাকে বলে?

نكاح شغار-এর সংজ্ঞা

متعه বিবাহের বিধান

متعه ও موقت বিবাহের মধ্যকার পার্থক্য

যুক্তির আলোকে متعه বিবাহ হারাম হওয়ার রহস্য

হাদীসের আলোকে মুতআহ বিবাহ হারাম হওয়ার প্রমাণ

মুত'আহ্ বিবাহ হারাম হওয়ার ওপর মনস্তাত্ত্বিক প্রমাণ

মোহর পরিশোধযোগ্য ঋণ

প্রতারণামূলক মোহর নির্ধারণ করলে

ব্যভিচারী বলে সাব্যস্ত হবে

নিকাহে ফাসেদের সংজ্ঞা -

যুক্তির আলোকে একাধিক বিবাহের রহস্য

যুক্তির আলোকে পুরুষের একাধিক বিবাহ চার পর্যন্ত সীমিত হওয়ার কারণ

সাধারণ লোকদের চেয়ে হুযূর (সা.)-এর অধিক বিবাহ করার কারণ

ইসলাম একাধিক বিবাহে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়নি 

যৌন বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নারীকে একই সময়ে একাধিক স্বামী দিতে আপত্তি

মোহর মাফ চাওয়া স্বামীর আত্মমর্যাদার পরিপন্থী

স্ত্রীকে মোহর না দিয়ে উল্টো যৌতুকের চাপ দেওয়া প্রচণ্ড জুলুম

মুরতাদের সংজ্ঞা ও ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার অর্থ

মোহরের শর্তে আল্লাহ বিবাহ বৈধ করেছেন

একাধিক স্ত্রী গ্রহণের শর্তাবলী 

সফর অবস্থায় স্ত্রীদের বণ্টনের বিধান

ইসলামে লটারীর বিধান


كتاب الرضاع- দুগ্ধ পান পর্ব

মনোবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে

মায়ের দুধের উপকারিতা

رضاعي বোনের মা হারাম না হওয়ার কারণ-

মা কর্তৃক ছেলে বৌকে দুধ পান করানো

মিশ্রিত দুধের ব্যাপারে ইমামগণের মতামত

মৃত্যুর পরে মহিলার স্তন হতে দুধ পান করা

ثبوت رضاع এর-এর সাক্ষ্য নিয়ে মতানৈক্য

মিশ্রিত দুধের ব্যাপারে ইমামগণের মতামত

মৃত্যুর পরে মহিলার স্তন হতে দুধ পান করা

ثبوت رضاع -এর সাক্ষ্য নিয়ে মতানৈক্য


كتاب الطلاق - তালাক পৰ্ব


কুরআন ও হাদীসের আলোকে তালাক

যুক্তির আলোকে তালাক বৈধ হওয়ার হিকমত ও রহস্য

যুক্তির আলোকে তালাক তিন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ হওয়ার রহস্য ও হিকমত

ইসলামি শরিয়তে তালাক ও অন্যান্য ধর্মের বিবাহ বিচ্ছেদের মধ্যকার পার্থক্য

জোরপূর্বক তালাক আদায় করার ব্যাপারে মতানৈক্য 

অনৈসলামিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদ করার বিধান

ইনশাআল্লাহ বলে তালাক দেওয়ার বিধান

باب الرجعة - প্রত্যাহারযোগ্য তালাক অধ্যায়

তালাকের প্রকারভেদ

رجعت-এর সাক্ষীর ব্যাপারে মতভেদ

তিন তালাক ও তার বিধান

হালাল করার শর্তে বিয়ে দেওয়ার বিধান-

كتاب الايلاء - ঈলা পর্ব

কুরআনের আলোকে ঈলা 

সর্বসাধারণের মাঝে ঈলার ব্যাপারে একটি ত্রুটি

ايلاء-এর কাফফারা দেওয়ার ব্যাপারে মতভেদ

ايلاء-এর সময়

كاتب الخلع - খোলা পর্ব

কুরআনে কারীমের আলোকে خلع -এর প্রমাণ

ইসলাম-পূর্ব সমাজে নারীর স্থান

কখন খোলা করা জায়েজ

خلع ও نكاح-এর মধ্যকার পার্থক্য

খোলা ও মোবারাত সম্পর্কীয় বিধানাবলী।

كتاب الظهار - জেহার পর্ব

কুরআনের আলোকে ظهار -এর প্রমাণ 

জেহারকারী কাফ্ফারা দেওয়ার পূর্বে চুম্বন করা সম্পর্কে মতভেদ

كتاب اللعان - লেআন পর্ব -

কুরআনের আলোকে লেআন

লেআন কার ওপর প্রয়োগ হবে

لعان-এর উদ্দেশ্য

সতী স্ত্রীকে জেনার অপবাদ দেওয়ার বিধানাবলী 

যে সব রমণীর ওপর লেআন হয় না

লেআনের পর বিবাহ বিচ্ছেদের বিধান

كتاب العدة - ইদ্দত পৰ্ব

সহবাসে কনডম ও কপটি ব্যবহার 

অস্ত্র প্রয়োগে সন্তান ভূমিষ্ঠকরণ

كتاب النفقات - খোরপোশ পর্ব

কুরআনের আলোকে নফকার প্রমাণ 

স্বীয় ভরণ পোষণে ব্যর্থ হলে তার বিধান 

كتاب العتاق – কৃতদাস মুক্ত করা পর্ব

ইসলামি শরিয়তে দাসদের প্রতি আচরণ

দাস-দাসী প্রথার ইসলামি দর্শন

كتاب التدبير - কৃতদাসকে মোদাব্বার করা অধ্যায় 

مدبر-এর বিধান

مدبر مقيد-এর বিধান

باب الاستيلاد- ইস্তীলাদ অধ্যায়

كتاب المكاتب - মুকাতাব পর্ব

كتاب الولاء - ওয়ালা পর্ব

كتاب الجنايات - অপরাধ পর্ব

অন্যায় হত্যা হারাম হওয়ার কারণ

কেসাসের তাৎপর্য

كتاب الديات - দিয়ত (রক্ত ঋণ) পর্ব -

হত্যার প্রমাণের জন্য দু'জন সাক্ষী জরুরি হওয়ার হিকমত

شجاج সর্বমোট ১০টি

جائفة-এর ব্যাখ্যায় মতভেদ

হাতের তালু ও আঙ্গুল কাটার বিধান-

غره এর পরিমাণে মতভেদ

غره কার ওপর আসবে ও কতদিনে উসুল করবে

باب القسامة - (বিশেষ) হলফ অধ্যায়

قسامة- এর নিয়ম ও বিধান 

আহলে খিত্তাহ্-এর সংজ্ঞা

كتاب المعاقل- মা আকেল পর্ব

যুক্তির আলোকে অন্যায় হত্যা হারাম হওয়ার হিকমত ও রহস্য

كتاب الحدود- শান্তি পর্ব

ইসলামি দণ্ডবিধি ও অমানবিক নয়

حد - تغزير ও কাফফারার মধ্যে পার্থক্য

জেনার সংজ্ঞা


باب حد الشرب - মদ্য পানের শান্তির অধ্যায়

কুরআনের আলোকে মদের নিষিদ্ধতা

মদ্য পানের হৃদ

এক বিন্দু মদ্য পানের দরুন হৃদ ওয়াজিব হওয়ার হিকমত

শরিয়তে হদ নির্ধারিত হওয়ার হিকমত

ইসলামে মদ ইত্যাদি হারাম হওয়ার কারণ

মদ্য পান ইত্যাদিতে কাফফারা নির্ধারিত না হওয়ার কারণ

باب حد القذف - অপবাদের শাস্তির অধ্যায়

অপবাদ দাতাকে প্রমাণ উপস্থিত করতে সময় দেওয়ার বিধান

تغزير - এর মূলনীতি 

কোন কোন গুনাহে تغزير রয়েছে?

كتاب السرقة وقطاع الطريق - চুরি ও ডাকাতি পর্ব

কি পরিমাণ মালে হাত কাটা হবে

আল কুরআন ও লটারীর মাধ্যমে চোর সাব্যস্ত করা

চুরির শাস্তি স্বরূপ চোরের হাত কাটার রহস্য

চুরির মধ্যে কাফ্ফারা নির্ধারিত না হওয়ার কারণ

মসজিদ থেকে চুরি করলে তার বিধান

মেহমান চোরের বিধান

كتاب الاشربة - পানীয় পর্ব

বেহেশতের শরাব হালাল হওয়ার কারণ

মদ্যপানে কাফ্ফারা নির্ধারিত না হওয়ার কারণ

خمر- এর সংজ্ঞা

সিরকা-এর বিধান

كتاب الذبائح والصيد - শিকার ও জবাই

কুরআনের আলোকে শিকারি জানোয়ার শিকার

শিকারির জন্য শর্ত 

প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুর ও বাজপাখির পরিচয়

তীর নিক্ষেপের মাধ্যমে শিকার হালাল হওয়ার জন্য শর্ত

শিকার পলায়ন করলে তার বিধান

معراض - এর বিধান

ভারী বন্দুকের বিধান

জবাইয়ের মধ্যে ইচ্ছাকৃত 'বিসমিল্লাহ' পরিহার করার বিধান

জবাইয়ের রগসমূহের বর্ণনা

দাত ও নখ দ্বারা জবাইয়ের বিধান

শূকরের গোশত ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

মাছ ও টিডি জবাই ব্যতীত হালাল হওয়ার কারণ

كتاب الاضحية - কুরবানি পর্ব

যুক্তির আলোকে কুরবানি

কুরবানিতে মানুষ জবাই নিষিদ্ধ হওয়ার রহস্য

কুরবানি কি ওয়াজিব না সুন্নত

কুরবানি কি ও কেন?

শিশু সন্তানের পক্ষ হতে কুরবানি দেওয়ার বিধান

ছাগল, গরু ও উট কত জনের পক্ষ থেকে কুরবানি করবে

ফকির ও মুসাফিরের কুরবানির বিধান

কুরবানির পশু জবাই করার সময়

ত্রুটিযুক্ত পশুর কতিপয় বিধান

كتاب الايمان - শপথ পর্ব

কুরআনের আলোকে শপথ

আঞ্চলিক ভাষার ওপর শপথের প্রভাবে মতভেদ

كتاب الدعوي - দাবি পর্ব

كتاب الشهادات - সাক্ষ্যদান পর্ব

কুরআনের আলোকে শাহাদাত

সাক্ষ্য রুজু করার বিধান

মিথ্যা সাক্ষ্য দানকারীর বিধান


বিচার বিভাগ:

كتاب اداب القاضي - বিচারকের শিষ্টাচার পর্ব

বিচারক হওয়ার উপযুক্ততা

বিচারক হওয়ার দাবি করা ও প্রত্যাশা করা ঠিক নয়।

বিচারক কোন স্থানে বিচার করবে?

كتاب القسمة - ভাগ বণ্টন পর্ব

যে সব বস্তু বণ্টন করা যাবে না


كتاب الاكراه - বাধ্য করার পর্ব 

كتاب السير - যুদ্ধ পর্ব

জিহাদের হুকুমের মধ্যে মতভেদ

জিহাদের অপরিহার্যতা সামর্থ্যের সাথে সম্পর্কিত

কাফিরদেরকে দাওয়াত দেওয়ার নিয়ম

ক্ষেপণাস্ত্র ও অগ্নি সংযোগ ইত্যাদির প্রমাণ

যুদ্ধে কুরআন শরীফ সাথে নেওয়ার বিধান

মোছলা তথা লাশে দেহ বিকৃত করা যাবে কিনা?

অক্ষম ও দুর্বলদের হত্যা না করার বিধান

فئ - এর বিধান 

যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সাহায্যকারীদের গনিমতের বিধান

প্রাসঙ্গিক ব্যবসায়ীদের গনিমত প্রাপ্তির বিধান

জবর দখলের দ্বারা কাফিররা আমাদের সম্পদে মালিক হওয়ার বিধান

বণ্টনের পূর্বে গনিমতের মাল বিক্রি করার বিধান

অশ্বারোহীর অংশ নির্ধারণে মতভেদ

গনিমতের পঞ্চমাংশ বণ্টন পদ্ধতি ও মতভেদ

ব্যবসার উদ্দেশ্যে দারুল হরবে প্রবেশ করলে তার বিধান

বিশ্বাসঘাতকতা ও যুদ্ধের প্রতারণার মধ্যে পার্থক্য

হরবীকে মুসলিম দেশে বসবাস করতে দেওয়ার বিধান

আরব ভূমির ভৌগোলিক সীমা রেখা

অক্ষম দরিদ্রের জিজিয়ার বিধান

مرتده মহিলাকে হত্যা না করার ব্যাপারে মতভেদ

মুরতাদের সম্পদের মালিকানার বিধান

বিদ্রোহের প্রকারভেদ

كتاب الخطر والاباحة - অবৈধ (হারাম) ও বৈধ পর্ব

পুরুষের জন্য স্বর্ণ ও রেশম হারাম হওয়ার কারণ-

كتاب الوصية - অসিয়ত পর্ব -

অসিয়তের বিধান

হত্যাকারীর জন্য অসিয়ত করা বৈধ নয়

মুসলমান ও কাফির পরস্পর অসিয়ত করা বৈধ

সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের কমে অসিয়ত করা মোস্তাহাব

নফল-এর অসিয়তের বিন্যাসের বিধান

ইবাদতের মধ্যে প্রতিনিধিত্বের বিধান

প্রতিবেশীর জন্য অসিয়ত করলে তার বিধান

নিকটাত্মীয়ের জন্য অসিয়তের কতিপয় শর্ত

গর্ভের বাচ্চার জন্য বা গর্ভের বাচ্চাকে অসিয়ত করার বিধান

কৃতদাসের সেবা ও বাড়িতে বসবাসের অসিয়তের বিধান

কারো ওয়ারিশের জন্য অসিয়ত করলে তার বিধান


ভূমি আইন:

كتاب الفرائض - ফারায়েয পর্ব

ইলমে ফারায়েযের রোকন ও গুরুত্ব

ইলমে ফারায়েযের সংকলন

উত্তরাধিকার সম্পদ বণ্টনের তাৎপর্য

স্বামী মৃত স্ত্রীর পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক কখন পাবে? 

باب العصبات - আসাবা অধ্যায়

আসাবা-এর বিন্যাস

باب الحجب - হাজব অধ্যায়

باب الرد - রদ অধ্যায়

باب ذوي الارحام - জাবিল আরহাম অধ্যায়

জাবিল আরহাম ওয়ারিশ পাবে কিনা?

باب حساب الفرائض ফারায়েয এর হিসাব অধ্যায়

ফাইলে রিয়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ___


 📚 ফাইলে রিয়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -


✍️ ফাইলেরিয়া (Filariasis) একধরনের পরজীবীঘটিত রোগ যা সাধারণত মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি Wuchereria bancrofti, Brugia malayi, বা Brugia timori নামক ফাইলেরিয়াল ওয়র্ম দ্বারা হয়। এটি প্রধানত লসিকা (lymphatic) সিস্টেমকে আক্রান্ত করে এবং ধীরে ধীরে হাত, পা, যৌনাঙ্গ প্রভৃতিতে ফোলা (elephantiasis) সৃষ্টি করতে পারে।


🩺 ফাইলেরিয়ার লক্ষণসমূহ:


* পা, হাত, অণ্ডকোষ, স্তন ইত্যাদি অঙ্গের অস্বাভাবিক ফোলা

* উচ্চ জ্বর (প্রায়শই সন্ধ্যাবেলা বাড়ে)

* কাঁপুনি ও ঘাম

* লসিকা গ্রন্থির ব্যথা (Lymphadenitis)

* ত্বকে ঘা বা সংক্রমণ

* দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে ত্বকে মোটা ও শক্ত পরিবর্তন

⚕️  ফাইলে রিয়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-


হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক এবং রোগীর সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে করা হয়। নিচে ফাইলেরিয়ার জন্য ব্যবহৃত কিছু সাধারণ হোমিও ঔষধ দেওয়া হলো:


🌿 1. Hydrocotyle Asiatica


* অতিরিক্ত লসিকাজনিত ফোলাভাব

* চামড়া মোটা হয়ে যাওয়া

* হস্ত ও পায়ে elephantiasis টাইপ ফোলা


🌿 2. Arsenicum Album


* ত্বকে ঘা, পুঁজ পড়া বা জ্বালাভাব

* রোগী দুর্বল, অস্থির ও উদ্বিগ্ন

* রাতের বেলায় জ্বর ও ফোলা বাড়ে


🌿 3. Silicea


* দীর্ঘস্থায়ী ফোলা ও পুঁজ পড়া

* শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলে কার্যকর

* ফিস্টুলা বা ঘা হলে উপকারী


🌿 4. Graphites


* মোটা, শুষ্ক, চামড়া সহ elephantiasis

* নির্গত তরলে আঠালো ভাব

* ত্বকে ফাটল, ফোড়া বা ঘা


🌿 5. Calcarea Fluorica


* কঠিন টিউমার টাইপ ফোলা

* চামড়া মোটা ও শক্ত

* ধীরে ধীরে হওয়া ফোলাভাব


 6. Thuja Occidentalis


* দীর্ঘস্থায়ী পরজীবী সংক্রমণে উপকারী

* লসিকা গ্রন্থি বড় হয়ে গেলে

* অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেমানান ফোলা হলে


 📝 পরামর্শ-


* ফাইলেরিয়া অনেক সময়ে দীর্ঘমেয়াদি হয়, তাই চিকিৎসা দীর্ঘদিন চলতে পারে।

* চিকিৎসা শুরুর আগে হোমিওপ্যাথিক অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* আক্রান্ত অংশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার কামড় থেকে বাঁচা অত্যাবশ্যক।


✍️ ডাঃ ইয়াকুব আলী সরকার, সভাপতি বাংলাদেশ অনলাইন হোমিওপ্যাথিক ফোরাম, ইভা হোমিও হল, আশুলিয়া থানা বাসস্ট্যান্ড, বাইপাইল, সাভার, ঢাকা। মোবাইল নাম্বার 01716-651488

থানকুনি পাতার উপকারিতা

 👉👉থানকুনি পাতার উপকারিতা


👇👇👇👇(Centella Asiatica Benefits):


1. হজম শক্তি বাড়ায় ও অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে


2. লিভার পরিষ্কার করে


3. ত্বক উজ্জ্বল করে ও ব্রণ কমায়


4. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা হ্রাস করে


5. স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়ক


6. রক্ত পরিষ্কার করে


7. শরীর ঠান্ডা রাখে


8. ইনফ্লামেশন কমায়


9. পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করে


10. রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে


✅ থানকুনি পাতার ৩০টি চমৎকার টিপস 🍃


🥗 স্বাস্থ্য ও খাবার:


1. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫টি পাতা খেলে হজমশক্তি ভালো থাকে


2. থানকুনি পাতার রস খেলে পাইলসের উপকারে আসে


3. পাতার রস ১ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে লিভার পরিষ্কার হয়


4. থানকুনি পাতা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেলে গ্যাস্ট্রিক দূর হয়


5. পাতার রস পান করলে ত্বকের ফুসকুড়ি কমে


6. পাতার রস নারকেল পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে শরীর ঠান্ডা থাকে


7. পাতার সঙ্গে কালোজিরা বাটা খেলে পেটের ব্যথা উপশম হয়


8. থানকুনি পাতার রস গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে ইউরিন ইনফেকশন কমে


9. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দিনে একবার থানকুনি পাতার রস উপকারী


10. মুখের দুর্গন্ধ কমাতে পাতার রস দিয়ে গার্গল করুন


💆‍♀️ রূপচর্চা ও ত্বক পরিচর্যা:


11. থানকুনি পাতা বেটে মধু মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন


12. ব্রণর ওপর পাতার রস দিলে ব্রণ শুকিয়ে যায়


13. থানকুনি গুঁড়ো ও বেসনের মিশ্রণে স্ক্রাব তৈরি করুন


14. মাথার ত্বকে থানকুনি রস দিয়ে ম্যাসাজ করলে খুশকি কমে


15. চোখের নিচে কালো দাগে পাতার রস তুলো দিয়ে লাগান


16. পিগমেন্টেশন কমাতে সপ্তাহে ২ দিন পেস্ট ব্যবহার করুন


17. লিপ ডার্কনেস কমাতে পাতার রস লাগান রাতে


18. পা ফাটার উপরে পাতার বাটা দিয়ে রাখলে ফাটল সারে


19. চুল পড়া রোধে পাতার রস নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন


20. ত্বক টানটান করতে পাতার পেস্ট নিয়মিত লাগান


🏡 ঘরোয়া ব্যবহার ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা:


21. পাতার গুঁড়ো শুকিয়ে সংরক্ষণ করে সবজিতে মিশিয়ে খান


22. শরবতে পাতার রস মিশিয়ে শরীর ঠান্ডা রাখুন


23. শরীরে ঘা হলে পাতা বেটে লাগান


24. পাতার রস দিয়ে ললিপ্যাচ বানিয়ে মাথাব্যথা কমান


25. ছোট শিশুদের পেট ব্যথায় পাতার রস এক চামচ করে দিন


26. পাতার পেস্ট লাগালে মশার কামড়ের জ্বালা কমে


27. পেটের কৃমি দূর করতে রস খাওয়া উপকারী


28. হালকা জ্বর হলে পাতার রস খেলে উপশম হয়


29. গরমকালে ঘামাচি কমাতে পাতার পেস্ট লাগান


30. ত্বকে র‍্যাশ হলে পাতার রস তুলায় নিয়ে লাগান


📌 টিপস সংরক্ষণের আইডিয়া:


থানকুনি পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে বয়ামে রাখুন


ফ্রিজে পাতার রস বরফ বানিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন


স্কিন প্যাক তৈরির জন্য পেস্ট করে আইস কিউব করে রাখুন


👉 "একটি পাতায় হাজারো গুণ — থানকুনি পাতাকে রাখুন প্রতিদিনের রুটিনে!"

খুইরাকাটা গাছের উপকারিতাঃ

 খুইরাকাটা গাছের উপকারিতাঃ



 ১. প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও কষ্টে

এই গাছের পাতার রস প্রস্রাবের সমস্যা, ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া দূর করতে সাহায্য করে।

 নিয়ম: পাতার রস সামান্য পানি মিশিয়ে খেতে পারেন ২ চামচ করে।


 ২. কিডনির সমস্যায় উপকারী

খইরাকাটা গাছ কিডনি পরিষ্কার করে, বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সহায়তা করে।

 এটি কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে।


 ৩. জন্ডিস বা পিত্ত রোগে উপকারী

এই গাছের রস যকৃত লিভার পরিষ্কার করে এবং জন্ডিসে দারুণ উপকারী।

 কাঁচা পাতার রস খালি পেটে কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়।


 ৪. রক্ত পরিশোধক

গাছটি রক্তের টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং ত্বক সতেজ রাখে।


 ৫. অর্শ/পাইলসে উপকারী

খইরাকাটা পাতার রস অর্শ বা পাইলস রোগে উপকারী হিসেবে পরিচিত।

 নিয়ম: সকালে খালি পেটে খাওয়া যায়।


 ৬. চর্মরোগ, চুলকানি ও ফোড়ায়

পাতা বেটে বা রস লাগালে ঘা, ফোড়া, চুলকানিতে উপকার হয়।


 ৭. পেটের কৃমিনাশক হিসেবে

গাছের রস শিশুদের পেটের কৃমি দূর করতেও ব্যবহৃত হয় সীমিত পরিমাণে।


 ৮. রক্তশূন্যতা ও দুর্বলতায়

এই গাছ শরীরে শক্তি বাড়ায় এবং রক্ত তৈরি করতে সাহায্য করে।


 খাওয়ার সহজ নিয়ম:


কাঁচা পাতা বা ডাঁটা ধুয়ে রস করে খাওয়া যায়


ভর্তা বা ঝোল শাক হিসেবেও রান্না করা যায়


পাতার রস চর্মরোগে বাইরে প্রয়োগ করা যায়


 সতর্কতা:


খুব বেশি খাওয়া উচিৎ নয়, কারণ এটি শরীর গরম করে।


"যে গাছকে তুমি উপেক্ষা করো, সে তোমার রক্ত, কিডনি আর যকৃতের রক্ষক!"

 খুইরাকাটা গ্রাম বাংলার নিঃশব্দ ডাক্তার

 পাইলস, কিডনি, লিভার, প্রস্রাবের সমস্যা, জন্ডিস  সবকিছুরই প্রাকৃতিক সমাধান!

স্পঞ্জ মিষ্টি (রসগোল্লা) রেসিপি

 🍥 স্পঞ্জ মিষ্টি (রসগোল্লা) রেসিপি


🧂 উপকরণ:


ছানার জন্য:


দুধ – ১ লিটার (ফুল ফ্যাট)


লেবুর রস/sirka – ২ টেবিল চামচ (পানি মিশিয়ে হালকা করে নিন)


চিনির সিরার জন্য:


চিনি – ২ কাপ


পানি – ৪ কাপ


এলাচ – ২টি (ঐচ্ছিক)


গোলাপ জল – ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)


🧑‍🍳 প্রস্তুত প্রণালী:


➤ ১. ছানা তৈরি:


১. দুধ চুলায় জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে লেবুর রস/ভিনেগার দিন।

২. দুধ ছানা ও পানি আলাদা হয়ে গেলে ছানাটা পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিন।

৩. ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে দিন যেন টকভাব চলে যায়।

৪. কাপড়ে মুড়ে ৩০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখুন যেন অতিরিক্ত পানি ঝরে যায়।


➤ ২. ছানা মেখে বল বানানো:


১. ছানা হাতের তালুতে ভালোভাবে মাখুন ৮-১০ মিনিট, যতক্ষণ না মসৃণ ও নরম হয়ে আসে।

২. মাখা ছানা থেকে ছোট ছোট গোল বল বানান (খেয়াল রাখুন ফাটল না থাকে)।


➤ ৩. চিনির সিরা বানানো:


১. প্যানে পানি ও চিনি দিন, ফুটে উঠলে এলাচ ও গোলাপ জল দিন।

২. সিরা ফুটতে থাকুক, এবার একে একে ছানার বলগুলো দিন।

৩. ঢেকে দিন ও মিডিয়াম আঁচে ২০ মিনিট রান্না করুন।


⏱️ ২০ মিনিট পর বলগুলো ২-৩ গুণ বড় হয়ে স্পঞ্জি হয়ে যাবে।


📝 টিপস:


ছানা যেন বেশি শুকনা না হয়, নরম নরম থাকতে হবে।


সিরা যেন ফুটতে থাকে, ঠান্ডা সিরায় বল দিলে ফুলবে না।


সিরা পাতলা রাখুন, ঘন সিরায় বল ফেটে যেতে পারে।


পৃথিবীর প্রথম পার'মা'ণবিক বোমা। নাম দেওয়া হয়েছিল 'ট্রিনিটি টেস্ট'। যা বদলে দিয়েছিল যু'দ্ধে'র ধরন, বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্র।

 আজ থেকে ঠিক ৮০ বছর আগে, ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই ভোর ৫ টা ২৯ মিনিটে আমেরিকার নিউ মেক্সিকোতে এক ভয়াবহ ইতিহাস লেখা হয়েছিল। সেই শান্ত ভোরটাকে চুরমার করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী পরীক্ষা চালিয়েছিল পৃথিবীর প্রথম পার'মা'ণবিক বোমা। নাম দেওয়া হয়েছিল 'ট্রিনিটি টেস্ট'। যা বদলে দিয়েছিল যু'দ্ধে'র ধরন, বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্র।


বি'স্ফো'রণের নির্গত শক্তি ছিল ২১ কিলোটন টিএনটির সমান। মুহূর্তেই বাষ্প হয়ে গিয়েছিল ৩০ মিটার টাওয়ার আর আশেপাশের মাইলজুড়ে ছড়ানো তামার তার। ভয়ংকর উত্তাপে বালু, তামা আর রাস্তার পিচ মিলে তৈরি হয় একধরনের সবুজ কাঁচ। যার নাম দেওয়া হয় ‘ট্রিনিটাইট’।


এর কয়েক দশক পর বিজ্ঞানীরা এই ট্রিনিটাইটের মধ্যে খুঁজে পান এক আশ্চর্য বস্তু—‘কোয়াসিক্রিস্টাল’। সাধারণ ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের অণুগুলো একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে সাজানো থাকে, যেমন: লবণ, বরফ বা হীরা। কিন্তু কোয়াসিক্রিস্টালের অণুগুলো এমনভাবে সাজানো থাকে যে তাদের প্যাটার্ন কখনোই পুনরাবৃত্তি করে না (ইউনিক) !


প্রথম ১৯৮৪ সালে বিজ্ঞানীরা কোয়াসিক্রিস্টালের ধারণা দেন। কিন্তু তখন অনেকেই ভেবেছিলেন প্রকৃতিতে এমন জিনিস থাকা অসম্ভব। পরবর্তীতে ল্যাবে বিজ্ঞানীরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলেন কোয়াসিক্রিস্টাল। তারপর মহাকাশ থেকে আসা উল্কাপিণ্ডেও মেলে এদের অস্তিত্ব।


তখন বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারলেন কোয়াসিক্রিস্টাল তৈরি হতে হলে অতিজোড়ালো চাপ, তাপ এবং শক দরকার হয় যা সাধারণত পার'মা'ণবিক বিস্ফোরণ, উল্কাপাত বা বজ্রপাতের সময়ই সম্ভব।  


এর পর বিজ্ঞানীরা আরো দুর্লভ লাল ট্রিনিটাইট  নিয়ে গবেষণা করেন। এই লাল ট্রিনিটাইটের মধ্যে তারা একটি ছোট দানায় কোয়াসিক্রিস্টাল খুঁজে পান, যা তৈরি হয়েছিল সিলিকন, তামা, ক্যালসিয়াম এবং লোহার মিশ্রণে। এই কোয়াসিক্রিস্টালের আকৃতি ছিল ২০-পার্শ্বযুক্ত, যা সাধারণ ক্রিস্টালের বৈশিষ্ট্যের সম্পূর্ণ বিপরীত!  


এই কোয়াসিক্রিস্টাল কীভাবে তৈরি হয় তা যদি বিজ্ঞানীরা ভালোভাবে বুঝে উঠতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে পার'মাণ'বিক বিস্ফোরণের প্রভাব বিশ্লেষণে এটি হতে পারে একটি কার্যকর সূচক। এমনকি কোনো দেশ গোপনে পার'মা'ণবিক পরীক্ষা চালালে, সেই অঞ্চলের মাটি বা শিলার মধ্যে কোয়াসিক্রিস্টালের উপস্থিতি বিশ্লেষণ করে ওই বি'স্ফোর'ণের সময় ও তীব্রতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।


লেখা: তাসিনুল সাকিফ

সূত্র: Proceedings of the National Academy of Sciences (PNA

মাউস ইউটোপিয়া" ও মানুষের ভবিষ্যৎ: Universe 25 থেকে পাওয়া শিক্ষা!

 🌌 "মাউস ইউটোপিয়া" ও মানুষের ভবিষ্যৎ: Universe 25 থেকে পাওয়া শিক্ষা!

১৯৬০ ও ৭০–এর দশকে আমেরিকান গবেষক জন বি. ক্যালহুন একটি ব্যতিক্রমী পরীক্ষা চালান, যেটির নাম ছিল *Universe 25*। এটি কোনো জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যায় নয়, বরং একটি ছোট জগৎ—ইঁদুরের 🐁 জন্য তৈরি করা এক “স্বর্গ”, যেখানে ছিল অঢেল খাবার, পানি, নিরাপদ আশ্রয় ও কোনো শিকারির ভয় নেই। গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল: যদি সবকিছু সহজলভ্য হয়, তাহলে কীভাবে একটি সমাজ গড়ে ওঠে।

প্রথমে কেবল ৮টি ইঁদুর ছাড়া হয় এই "উটোপিয়ায়"। কিছু দিনের মধ্যেই সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে—প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দ্বিগুণ। সবকিছুই যেন ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু সমস্যা শুরু হলো যখন জনসংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে গেল।


⚠️ অতিরিক্ত শান্তির মাঝে অস্থির পতন

ইঁদুরের সংখ্যা অতিরিক্ত বাড়লেও যখন চারপাশে চাহিদা মেটানোর চিন্তা ছিল না, তখনই সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়তে শুরু করে।

👉 কিছু পুরুষ ইঁদুর অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, এলাকা দখলের জন্য মারামারি করে।

👉 দুর্বল পুরুষেরা আত্মগোপন করে, কারও সঙ্গে মিশতো না।

👉  কিছু মা ইঁদুর কখনো অতিরিক্ত আগ্রাসী হয়ে যেত, কখনো আবার সন্তানদের ফেলে দিত বা মেরে ফেলত।

👉 কিছু ইঁদুর, যাদের ক্যালহুন “The Beautiful Ones” নাম দেন, তারা কারো সঙ্গে মিশতো না—লড়াই করত না, প্রজননেও অংশ নিত না। তারা শুধু নিজের মতো করে থাকত, খেত আর গায়ে লেপটানো পশম পরিষ্কার করত।


ইঁদুরের সমাজে এই পরিস্থিতি ছিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক ভাঙনের এক নিখুঁত প্রতিচ্ছবি। ক্যালহুন যার নাম দেন  “Behavioral Sink”—আচরণগত ধ্বংস।


🧠 গবেষণার আচরণগত পর্যবেক্ষণ 

শুধু সবকিছু সহজলভ্য বা সব চাহিদা মেটালেও সমাজ টিকে না। মানুষের মতো সামাজিক প্রাণীর জন্য দরকার:

➡️উদ্দেশ্য(Purpose),

➡️সংযোগ(Connection),

➡️সংযম(Limits),

➡️অর্থপূর্ণ সম্পর্ক।


যে সমাজে সংগ্রাম নেই, কোন লক্ষ্য নেই—সেখানে ধীরে ধীরে মানুষ (বা ইঁদুর) আত্মকেন্দ্রিক, নিষ্প্রাণ ও নির্জীব হয়ে পড়ে।

গবেষণায়  ইঁদুরদের মধ্যে দেখা গিয়েছিল—সবকিছু পেয়ে গিয়েও তারা জীবনের অর্থ হারিয়ে ফেলে। তাদের আচরণ পরিবর্তিত হয়, সমাজ ভেঙে পড়ে, শেষমেশ পুরো সমাজ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।


🚶‍♂️ এটা কি মানুষের জন্য এক সতর্ক সংকেত?

যদিও Universe 25 ছিল ইঁদুর জগত নিয়ে, কিন্তু ক্যালহুন গবেষণাটি করেছিলেন মানব সমাজের আচরণ সম্পর্কে ধারণা নেয়ার জন্যই। এটাকে মানব সমাজের জন্য এক প্রতীকী ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছিলেন।


আজকের পৃথিবীতে যেখানে অনেকেই একাকীত্বে ভোগে, যেখানে সমাজ ভার্চুয়াল হয়ে যাচ্ছে, এবং যেখানে মানুষ শুধু ভোগে ডুবে যাচ্ছে—Universe 25 যেন এক ভবিষ্যতের সতর্ক বার্তা:

👉 যদি সমাজে উদ্দেশ্য হারিয়ে যায়, যদি মানুষ অপরের সঙ্গে সম্পর্ক হারায়, তাহলে প্রযুক্তি বা সম্পদ দিয়ে কিছুই রক্ষা করা সম্ভব নয়।


🕯️স্বপ্ন নয়, সম্পর্ক বাঁচায় সমাজ

মানুষ হয়তো Universe 25–এর মতো এক ইঁদুর সমাজে বাস করছে না, কিন্তু মানব সমাজও আজ অনেকাংশে ভোগবিলাস, আত্মকেন্দ্রিকতা আর বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত।

তাই সময় এখন প্রশ্ন করার—

👉 জীবনের উদ্দেশ্য কী?

👉সমাজে কোনো ভূমিকা রাখছি কি?

👉পাশে থাকা মানুষগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আছে কি?


খাদ্য নয়, অর্থ নয়—সম্মান, সংযোগ আর অর্থপূর্ণ সম্পর্কই মানুষকে মানুষ করে তোলে।

---

#MRKR

সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

মৌমাছির হুল ফুটানো বিষ যে বেশ যন্ত্রণাদায়ক এটা সবারই জানা। কিন্তু সেই বিষেই লুকিয়ে থাকতে পারে ক্যা'ন'সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক সম্ভাবনাময় অস্ত্র।

 মৌমাছির হুল ফুটানো বিষ যে বেশ যন্ত্রণাদায়ক এটা সবারই জানা। কিন্তু সেই বিষেই লুকিয়ে থাকতে পারে ক্যা'ন'সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক সম্ভাবনাময় অস্ত্র।


অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি পারকিনস ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল রিসার্চ এবং ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, মৌমাছির বিষে থাকা মেলিটিন নামক একটি যৌগ মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ব্রেস্ট ক্যান'সা'রের কিছু আক্রমণাত্মক কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। অবাক করার বিষয় হলো এই বিষ আশেপাশের সুস্থ কোষগুলোর উপর তেমন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।


গবেষণায় বিশেষ করে ট্রিপল-নেগেটিভ এবং এইচইআর ২ পজিটিভ ধরনের ব্রেস্ট ক্যা'ন'সার কোষে মেলিটিনের শক্তিশালী কার্যকারিতা দেখা গেছে। এই দুই ধরনের ক্যা'ন'সার সাধারণত চিকিৎসা প্রতিরোধী এবং মৃ'ত্যু'ঝুঁকি বেশি।


গবেষকদের মতে, মেলিটিন কোষের বাইরের ঝিল্লিতে ছিদ্র তৈরি করে, যার ফলে কোষের ভেতরের কার্যপ্রক্রিয়া দ্রুত ভেঙে পড়ে। শুধু তাই নয়, বিষ প্রয়োগের মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই এটি ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সংকেত বন্ধ করে দিতে পারে।


এই গবেষণাটি ২০২০ সালে npj Precision Oncology জার্নালে প্রকাশিত হয়। তবে ২৫ এ এসেও মেলিটিন নিয়ে গবেষণা থেমে নেই। কিছু গবেষণায় মেলিটিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে। 


তাই ভবিষ্যতের চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই এমন প্রযুক্তি দরকার হবে যা সরাসরি টিউমারকে লক্ষ্য করে বিষ প্রয়োগ করতে পারবে। হয়তো একদিন প্রকৃতিরই এই উপাদান ম'র'ণব্যাধির চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে পারে। (বিজ্ঞান্বেষী)


লেখা: তাসিনুল সাকিফ

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney) বা আম-মোক্তারনামা দলিল হল একটি আইনি দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি (মূল ব্যক্তি বা প্রিন্সিপাল) অন্য আরেকজন ব্যক্তির (এজেন্ট বা অ্যাটর্নি) উপর তার পক্ষে কাজ করার জন্য আইনি ক্ষমতা অর্পণ করেন। এই ক্ষমতা আর্থিক, সম্পত্তি-সংক্রান্ত, বা স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোনো কিছুই হতে পারে। 

 ★★আলোচ্য বিষয় 

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney) বা আম-মোক্তারনামা দলিল সম্পর্কে :-


পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney) বা আম-মোক্তারনামা দলিল হল একটি আইনি দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি (মূল ব্যক্তি বা প্রিন্সিপাল) অন্য আরেকজন ব্যক্তির (এজেন্ট বা অ্যাটর্নি) উপর তার পক্ষে কাজ করার জন্য আইনি ক্ষমতা অর্পণ করেন। এই ক্ষমতা আর্থিক, সম্পত্তি-সংক্রান্ত, বা স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোনো কিছুই হতে পারে। 


পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি মূলত দুই প্রকার যথা:-

১. সাধারণ পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি-

এই ধরনের পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য ক্ষমতা প্রদান করে, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধ থাকে। 


২. অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি-

এই ধরনের পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সাধারণত কোনো সম্পত্তি বা অন্য কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এবং এটি সহজে বাতিল করা যায় না। 


পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করার জন্য কিছু নিয়মকানুন রয়েছে, যেমন: 

১. দলিলটি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে, যদি এটি কোনো সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত হয়।

২. পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিলটি অবশ্যই স্ট্যাম্পযুক্ত হতে হবে।

৩. দলিলটি অবশ্যই যথাযথভাবে পূরণ করা এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে। 

৪. পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করার জন্য সাধারণত কিছু ফি এবং স্ট্যাম্প শুল্ক দিতে হয়, যা দলিলের প্রকার এবং মূল্যের উপর নির্ভর করে। 


পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল, যা অনেকের জন্য নানা প্রয়োজনে কাজে লাগে, যেমন বিদেশে থাকা অবস্থায় সম্পত্তি দেখাশোনা করা বা অসুস্থতার কারণে নিজের কাজ নিজে করতে না পারা ইত্যাদি।


>>আর একটু সহজ ভাষায় বলতে গেলে-

বাংলাদেশের আইনে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি মূলত এমন একটি দলিল যেটার মাধ্যমে একজন ব্যাক্তি অপর 

কোন ব্যাক্তিকে তার পক্ষে আইনসঙ্গত কোন কার্যক্রম গ্রহণের অধিকার প্রদান করে থাকে।

সাধারণত এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণের অধিকার লিখিত দলিলের মাধ্যমে দেওয়া হয়।পাওয়ার অব এ্যাটর্নি আইনের ২ ধারার (১)উপধারা অনুসারে পাওয়ার অবএ্যাটর্নি বলতে এমন কোন দলিলকে বুঝায় যেটার মাধ্যমে কোন ব্যাক্তি তার পক্ষে উক্ত দলিলে বর্ণিত কায-সম্পাদনের জন্য আইনানুগভাবে অন্য কোন ব্যাক্তি নিকট ক্ষমতা অর্পণ করেন বা করে থাকেন।


পাওয়ার অব এ্যাটর্নি প্রকারভেদ-

সাধারণ দিক থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে যথা-


১.সাধারন পাওয়ার অব এ্যাটর্নি (General Power of Attorney)

২.বিশেষ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি ( Special Power of Attorney)


★সাধারন পাওয়ার অব এ্যাটর্নি (General Power of Attorney)       

সাধারন পাওয়ার অব এ্যাটর্নি  সম্পর্কে সুনিদিষ্ট ভাবে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি আইন ও বিধিমালায় আলোচনা করাহয়নি,তবে আমরা এই ভাবে বলতে পারি যে–পাওয়ার অব এ্যাটর্নি  আইনে ২(৭) ধারার অনুযায়ী

অপ্রত্যাহারয়োগ্য পাওয়ার অব এ্যাটর্নি চারটি (৪টি) ক্ষেএ রয়েছে ,উক্ত ক্ষেএ ব্যাতীত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পওি ছাড়াও যেকোন বিষয় 

সাধারন পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিল সম্পাদন করা যায়।যেমন-স্থাবর সম্পওি ইজারা, দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ,অস্থাবর সম্পওি বিক্রয় ক্ষমতা অর্পণ ইত্যাদি।   


★বিশেষ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি ( Special Power of Attorney)

রেজিস্ট্রেশন আইনের ৩২ ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে একই আইনে ৩৩ ধারার 

অধিনে প্রস্ততকৃত পাওয়ার অবএ্যাটর্নি কে বিশেষ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি বলে গন্য হবে। 

বিশেষ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলকে খাস-মোক্তারনামা নামেও সর্বাধিক পরিচিত।এখন কোন ব্যাক্তিকে যদি মোকাদ্দমা পরিচালনার জন্য ক্ষমতা দেওয়া হয়, তখন সেটাবিশেষ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি অনুযায়ী করতে হবে;


পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি শর্তগুলো কী

১) পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত হতে হবে অবশ্যাই;


২) যদি পাওয়ার অব এ্যাটর্নি কোন জমি হলে অবশ্যাই দলিলটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে আইন অনুযায়ী;


৩) যে কারনে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে ব্যাখা করতে হবে;


৪) স্ট্যাম্প আইন অনুযায়ী তা স্ট্যাম্প করতে হবে এবং রিসিট গ্রহন করতে হবে;


৫) আবেদন অবশ্যাই রেজিস্টার্ড ব্যাক্তির কাছে করতে হবে।


কোন কোন বিষয়ে পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি দলিল তৈরি করা যাবে না

ধারা ৪ অনুযায়ী এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তা হলেঃ


উইল সম্পাদন বা দাতা উইল নিবন্ধনের উদ্দেশ্য দাখিলকরন;

দত্তক গ্রহনের ক্ষমতাপত্র সম্পাদন বা দাতা দত্তক ক্ষমতাপত্র নিবন্ধনের উদ্দেশ্য দাখিলকরন;

দান বা হেবা সম্পর্কিত ঘোষনা সম্পাদান;

ট্রাস্ট দলিল সম্পাদন

সরকারীর দলিল বিশেষ বা সাধারন আদেশের মাধ্যেমে সম্পাদন;


দাতার বিরুদ্ধে যখন গ্রহীতা প্রতারনা করে

দাতার এখানে আইনী প্রতিকার হলো দন্ডবিধি অনুযায়ী ধারা ৪০৬ এবং ৪২০ অনুযায়ী 

মামলা দায়ের করতেপারবে জুডিশয়াল মেজিস্ট্রেট বা মেট্রেপলিটন ম্যজিস্ট্রট এর নিকট।


পাওয়ার অব এ্যাটর্নি প্রস্ততকরণে যা লাগবে তা নিম্নরুপঃ

 ১. মূল পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলপত্র ।


২. ব্যাক্তিদের রঙ্গিন ছবি দিতে হবে অবশ্যাই।


৩. ক্ষমতা প্রদানকারী ব্যাক্তি (Power Giver) এর বৈধ বাংলাদেশী জাতীয় ।       

পরিচয়পত্র/পাসর্পোট/ডিজিটাল(১৭ডিজিট) জন্মনিবন্ধন সনদ কপি। তাছাড়া বিদেশী নাগরিক এর ক্ষেত্রে তার নিজ দেশের পাসপোর্ট ।


৪. ক্ষমতা গ্রহনকারী ব্যাক্তি(Power Receiver) বৈধ বাংলাদেশী জাতীয় 


 পরিচয়পএ/পাসর্পোট/ডিজিটাল(১৭ডিজিট)জন্মনিবন্ধন সনদ কপি।


৫. ক্ষমতা প্রদানকারী ব্যাক্তি (Power Giver)এবং ক্ষমতা গ্রহনকারী ব্যাক্তি

(Power Receiver) এর সদ্যতোলা ২কপি ছবি।(সাদা ব্যাক-গ্রাউন্ডযুক্ত)।


৬. ফি প্রদানের প্রমাণপত্র।


৭. ডাকে পাঠানোর ক্ষেএ অর্থ পরিশোধিত ও ঠিকানা লিখা ফেরত খাম। 


পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কিভাবে করবেন এবং 

একাধিক পাওয়ার অব এ্যাটর্নি গ্রহীতা নিয়োগ করা যাবে কিনা:-

পাওয়ার অব এাটর্নি একাধীক হবে কিনা তা পাওয়ার অব এাটর্নি আইনে সুনিদিষ্ঠ ভাবে উল্লেখ না থাকলেও ৯ ধারায় একাধিক কথা উল্লেখ রয়েছে এই ধারা মতে পাওয়ার অব এাটর্নি দলিল ক্ষেত্র বিশেষে একাধিক পাওয়ারঅব এাটর্নি  গ্রহীতা নিয়োগ করা যাবে,

কিন্তু একাধিক গ্রহীতা নিয়োগ এ প্রধান উদ্দেশ্য থাকবে 

একজন কে মূখ্য এবং বাকিদের কে সহযোগী হিসাবে রাখা যাবে। প্রধান গ্রহীতার অনুপস্থিতে অন্যরা যাতে কাজ করতে পারেন।


পাওয়ার দাতা বিদেশে অবস্থান করলে :-

পাওয়ার অফ এটর্নি বিদেশ থাকা অবস্থায় ব্যক্তির দলিল বানানোর প্রক্রিয়া একটু জটিল।এই ক্ষেত্রে আইনটিসম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে জানেন এমন কাউকে 

দিয়ে সঠিক ভাবে লিখে দূতাবাসের মাধ্যমে দলিলটি সম্পাদন ওপ্রত্যয়ন করে পাঠাতে হবে। যদি কোন ব্যক্তি দেশের বাইরে থেকে জমি বা সম্পত্তি বিক্রি করতে চায় 

তাহলে অবশ্যাই তাকে রেজিস্ট্রেশন আইন এর ধারা ৩৩ অনুসরন করবেন। এখানে বলা হয়েছে পক্ষের নাম ও ঠিকানা, জাতীয় পরিচয় পত্র, রঙ্গিন ছবি দিতে হবে, গ্রহীতার ছবির উপর দাতা তা শনাক্ত করবেন , দূতাবাসে যাওয়া সিলনেওয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ে যাবে, ধারা ৮৯ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন আইন অনুযায়ী, কালেক্টর এর নিকট পাঠাতেহবে। এবং স্ট্যাম্প করবেন এবং রেজিস্ট্রার অফিসে পাঠিয়ে দিবে এবং নং ১ বই জমা দিতে হবে। এই পর্যায়ে ওইদলিলের একটি ক্রমিক নম্বর ও তারিখ নির্দিষ্ট হবে। 

এই নম্বরটিই ওই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের নম্বর।তফশিল ক, ফর্ম ৩ অনুসরন করবে দলিল তৈরির সময়।


পাওয়ার অব এ্যাটর্নি সম্পাদনে ব্যক্তিগত উপস্থিতি:-

পাওয়ার অব এ্যাটর্নি সম্পাদনে ব্যক্তিগত উপস্থিতি 

বাধ্যতামূলক এবং আগমনের পূর্বে কবেযোগদান করবে সেটি নিচ্ছিত করতে হবে,,,তবে বিদেশে অবস্থান করে 

সেই ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম রয়েছে,উপস্থিতি বিষয় সিথিল করা হয়েছে।


এখন কেউ যদি ভার্চুয়াল পাওয়ার অব এ্যাটর্নি সম্পাদন করতে চাই সেটা সম্ভব নয় তবে,

পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলপএ হাইকমিশনার এর কন্সুলার অফিসারের সম্মুখে স্বাক্ষর করতে হবে। 


পাওয়ার অব এ্যাটর্নি কখন অবসান বা বাতিল হয়ে যাবে :-

কি কি কারনে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি বাতিল হবে/হয়ে থাকে তা নিম্নরু্পঃ 


১. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পাওয়ার অব এ্যাটর্নি করা হলে 

মেয়াদ শেষে বা উদ্দেশ্য সফল তা বাতিল বলে গণ্য হবে।যেমনঃ ১ জানুয়ারী ২০২৪ থেকে ১ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত হলে, সময় শেষ হলে বাতিল হয়ে যাবে;


২. পাওয়ার অব এ্যাটর্নি বাতিল বা প্রত্যাহার করা যায়। বাতিল করতে চাইলে যে অফিসে রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল, সেই জেলার রেজিস্ট্রার বরাবর মোক্তারনামা বাতিলের লিখিত  আবেদন করতে হবে।


৩. পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি জারীকারী ব্যাক্তি দেওলিয়া, মারা গেলে, আইনী স্বত্বা বাতিল হলে সেই দলিল ও বাতিলহয়ে যাবে;


৪. যদি পাগল বা উন্মাদ হয়ে যায় তাহলে বাতিল হয়ে যাবে;


৫. যেখানে দলিলটি আইন অনুয়ায়ী নিবন্ধন করার প্রয়োজন ছিলো, সেক্ষত্রে করে নাই;


৬. যে ব্যাক্তির কাছে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সে ব্যাক্তি যদি পাওয়াকারীর নিকট আবেদনের মাধ্যেমে যখন বাতিলহয়ে যায়;


৭.যখন আইনী কোন পর্যায়ের মাধ্যেমে সমধানের মাধ্যেমে যখন বাতিল করা হয়, 

যেমনঃ বিরোধ হলেমধ্যেস্থতাকারীর মাধ্যেমে যখন কোন বাতিল সিদ্ধান্ত আসে।


৮. সাধারণ পাওয়ার অব এ্যাটর্নি অবসানের ক্ষেত্রে দাতা ক্ষমতা গ্রহীতাকে ডাক রেজিস্টার্ডর  মাধ্যমে ৩০ দিনের নোটিশ দিয়ে প্রদত্ত ক্ষমতার অবসান ঘটাতে পারবেন। তা ছাড়া ক্ষমতা গ্রহীতাও একইভাবে মালিককে ৩০ দিনের নোটিশ সাপেক্ষে অ্যাটর্নির দায়িত্ব ত্যাগ করতে পারেন।


পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সংক্রান্ত আইনি সমস্যা বা আইনী সহায়তার জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...