এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নখ দেখে কিভাবে বুঝবেন আপনার  কি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

 নখ দেখে কিভাবে বুঝবেন আপনার 

কি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?



আমাদের নখ শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, শরীরের ভেতরের গোপন রোগেরও বার্তা বহন করে। অনেক সময় ডাক্তারি পরীক্ষা করার আগেই নখ দেখে কিছু রোগের সম্ভাবনা বোঝা যায়। আসুন দেখে নেই—


🔹 সাদা নখ (White Nails)

👉 জন্ডিস

👉 লিভারের সমস্যা

👉 রক্তস্বল্পতা


🔹 হলুদ নখ (Yellow Nails)

👉 ফুসফুসের রোগ

👉 ডায়াবেটিস বা সোরিয়াসিস

👉 থাইরয়েড রোগ


🔹 নীলচে নখ (Bluish Nails)

👉 হৃদরোগ

👉 ফুসফুসের বাতাসের সমস্যা (Emphysema)


🔹 ফ্যাকাশে নখ (Pale Nails)

👉 রক্তস্বল্পতা

👉 হৃদযন্ত্র দুর্বলতা

👉 লিভারের রোগ

👉 অপুষ্টি


🔹 নখের নিচে কালো দাগ (Dark Lines)

👉 মেলানোমা (এক ধরনের মারাত্মক ত্বকের ক্যান্সার)


🔹 বিউ’স লাইনস (Beau’s Lines)

👉 দীর্ঘস্থায়ী রোগের ইঙ্গিত


🔹 টেরির লাইনস (Terry’s Lines)

👉 লিভার ফেইলিওর

👉 সিরোসিস

👉 ডায়াবেটিস

👉 হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা

👉 হাইপারথাইরয়েডিজম


মনে রাখবেন, নখের এসব পরিবর্তন কোনো রোগের সম্ভাবনা জানায়, তবে নিশ্চিত রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ।


---


ডাঃ তানভীর আহমেদ

(ডিএইচএমএস ঢাকা)

রিলে এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সুইচ।

 রিলে (Relay) হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা ছোট একটি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল দ্বারা বড় বৈদ্যুতিক সার্কিট চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। সহজভাবে বলতে গেলে, রিলে এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সুইচ।


রিলের কার্যপ্রণালী ধাপে ধাপে:


1. কয়েল (Coil) সক্রিয়করণ

রিলের ভিতরে একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে। যখন কয়েলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন এটি একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে।


2. আর্মেচার (Armature) আকর্ষণ

কয়েলের চৌম্বক ক্ষেত্র ধাতব আর্মেচারকে আকর্ষণ করে। আর্মেচার মূলত একটি ছোট লিভার, যা স্প্রিং-এর সাহায্যে নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।


3. কন্টাক্ট পরিবর্তন

আর্মেচার নড়ে গেলে রিলের কন্টাক্ট (Switching contact) পরিবর্তন হয়।


Normally Open (NO) কন্টাক্ট বন্ধ হয়ে সার্কিট সম্পূর্ণ করে।


Normally Closed (NC) কন্টাক্ট খুলে যায় এবং সার্কিট ভেঙে দেয়।


4. লোড নিয়ন্ত্রণ

এই কন্টাক্টের মাধ্যমে বড় ভোল্টেজ বা কারেন্টের সার্কিট চালু/বন্ধ করা যায়। অর্থাৎ, ছোট কারেন্ট দিয়ে বড় লোড (মোটর, লাইট, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়।


5. ডি-এনার্জাইজড অবস্থা

কয়েলের বিদ্যুৎ কেটে গেলে চৌম্বক ক্ষেত্র নষ্ট হয়। তখন আর্মেচার স্প্রিং-এর সাহায্যে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় এবং কন্টাক্ট তাদের মূল অবস্থানে চলে আসে।


---


👉 সংক্ষেপে:

রিলে কাজ করে Electromagnetism এর মাধ্যমে। কয়েল বিদ্যুতায়িত হলে চৌম্বক শক্তি তৈরি হয়, যা মেকানিক্যাল কন্টাক্ট পরিবর্তন করে সার্কিটকে চালু বা বন্ধ করে।


(এই পোস্টটি যদি ভালো লাগে এবং এরকম পোস্ট যদি আপনি আরো পেতে চান তাহলে আমাকে ফলো করুন)

রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কাজী নজরুল ইসলাম যখন বেঁচে ছিলেন, তখন বেচারার সমস্যা ছিল এই যে মোল্লারা তাঁকে ডাকতেন কাফের, এবং হিন্দুরা বলতো যবন। যেহেতু তিনি বিলেত ফেরত ছিলেন না, তাই বিদ্বানরা তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার দৌড় নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো। 

 কাজী নজরুল ইসলাম যখন বেঁচে ছিলেন, তখন বেচারার সমস্যা ছিল এই যে মোল্লারা তাঁকে ডাকতেন কাফের, এবং হিন্দুরা বলতো যবন। যেহেতু তিনি বিলেত ফেরত ছিলেন না, তাই বিদ্বানরা তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার দৌড় নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো। 

পুরুষেরা গালি দিত, তিনি নাকি প্রচন্ড নারীঘেঁষা, এবং নারীরা তাঁকে জ্ঞান করতো নারী বিদ্বেষী হিসেবে। 

তাঁর কবিতায় উর্দু ফার্সি শব্দের ছড়াছড়ি ছিল, ছিল অস্ত্রের ঝনঝনানি, তাই পন্ডিতরা তাঁকে নিয়ে করতেন সমালোচনা, "শনিবারের চিঠিতে" চলতো হাসাহাসি। 

শুধু এই না, ইংরেজরা যে তাঁকে জেলে ভরে দিত, সেটাতো আমরা সবাই জানি, কিন্তু যারা স্বরাজ আন্দোলন করতেন, তাঁরাও যে ধরে নিতেন কবি কাজী একজন পাজি, যে স্বরাজেতে নিমরাজি, এইটা কয়জন জানেন? 

মোট কথা, তখনকার যুগে, সেই সমাজে যত রকমের উপগোত্র ছিল, সবাই ছিল এই কবির উপর খ্যাপা। সবাই তাঁর দোষ ধরতেন, গালাগালি করে দূরে ঠেলে দিতেন।  

তারপরে তিনি হলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি। জীবিতাবস্থায় যে সম্মান আর ভালবাসা তাঁর প্রাপ্য ছিল, বোধশক্তি হারানো ও দৈহিক মৃত্যুর পরে সেটা পেলেন।  

তবে সমস্যা এখনও দূর হয়নি। দৃশ্য উল্টে গেছে, তবু লেন্সের ফোকাস জুম আউট করলে বুঝা যায়, মূল চিত্র পাল্টে যায়নি। 

সে যুগে নাস্তিকরা তাঁকে আস্তিক বলে গালাগাল করলেও বর্তমান নাস্তিকরা দাবি করে নজরুল ছিলেন ধর্মবিদ্বেষী। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, যে লোক জিন্দেগীতে নজরুলের একটি কবিতাও পড়েনি, সে তাঁরই কবিতার এক দুইলাইন কোট করে বলে, এই যে দেখুন, নজরুল এই যুগে জন্মালে কোপ খেতেন। উদাহরণ, 

"বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনও বসে

বিবি-তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি ফেকা ও হাদিস চষে!"

কিংবা, 

"মূর্খরা সব শোনো,

মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।" 

প্রথম উক্তিটি কবির "খালেদ" কবিতা থেকে নেয়া। "খালেদ" মানে আমাদের মুসলিমদের অতি প্রিয় খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ), সাহাবী, ইসলামের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বসেরা জেনারেল, বিশ্ব বিজয়ী বীর। যাকে নবী (সঃ) ভালবেসে নাম দিয়েছিলেন "আল্লাহর তরবারি।" এই কবিতাটি সেই মহাবীরের প্রতি একজন "সিপাহী" কবির শ্রদ্ধার্ঘ্য। পুরো কবিতা পড়লে যে লোক দাবি করছিল/করে/করবে যে নজরুল ধর্মবিদ্বেষী কিংবা নাস্তিক, সেই একই লোক বলবে, "এই কবিতো জঙ্গি! জিহাদের ডাক দেয়! তরবারি হাতে শহীদ হতে চায়!"

দ্বিতীয় কবিতাটি কবির "মানুষ" কবিতা থেকে নেয়া। বিশ্ব সাহিত্য রত্নভাণ্ডারে এমন হীরা কোহিনূর দ্বিতীয়টি আছে কিনা কে জানে! সাতদিন ধরে ক্ষুধার্ত এক ভুখারীর আর্তনাদ এই কবিতার চরণে ফুটে উঠেছে। একবার শুধু পড়ে দেখুন। যদি "মানুষ" হয়ে থাকেন, আগামী হাজার বছর পরেও এই কবিতা পাঠককে মানসিকভাবে ভীষণ নাড়া দিবে, আবেগ ছিন্নভিন্ন করে দিবে, চোখের বাঁধে বিস্ফোরণ ঘটাবে। উপরে উল্লেখিত চরণগুলির ঠিক পরের লাইনগুলোই পড়ুন, 

"আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ

কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবির,  —বিশ্বের সম্পদ,

আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে

তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে।

আমরা তাদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ।

কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ

হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,

আমিই কি জানি কে জানে কে আছে 

            আমাতে মহামহিম।" 

এরপর শুধু পড়তে থাকুন, এবং অবাক হয়ে ভাববেন এ কি লিখে গেলেন কবি! আমরা কেন কখনও এইভাবে ভেবে দেখিনা! কবিতাটিতে নবীজির এক বিখ্যাত হাদিসের উল্লেখ আছে, কবি বলছেন, "তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজনালয়/ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!" এটুকু পড়ে আস্তিক লোকে গালাগালি করতে পারে শুনে। বলে কি ব্যাটা! দুনিয়ার সব মন্দির মসজিদ গির্জা নাকি একটি মানুষের ক্ষুদ্র দেহের সমান নয়!

কিন্তু সুনান ইবনে মাজায় বর্ণিত হাদিস বলে, এই যে মহাপবিত্র কাবা ঘর, যার সমকক্ষ পবিত্র আর কিছুই নয় মুসলিমদের কাছে, সেটিও মানুষের প্রাণের তুলনায়, জান মালের তুলনায় সমকক্ষ নয়। মূল ভাব হলো, একটি মানুষকে অকারনে হত্যা করা, তাঁর জানমালের ক্ষতি করা, তাঁকে কষ্ট দেয়া, তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্ন ঘটানো, কাবা ঘরে হামলার চাইতেও গর্হিত কাজ।

মূর্খেরা তর্ক করতে পারে, নবীজি বলেছেন "মুমিনের প্রাণ/জান/মাল" আপনি বা নজরুল কেন বললেন, "মানুষ"? 

তা এই মূর্খ কি এই তর্ক করার আগে এই প্রশ্নের উত্তর দিবে, কে মুমিন, কে মুনাফেক ইত্যাদি বিচারের দায়িত্ব কি আল্লাহ একে দিয়েছেন? সে কি মানুষের অন্তরে কি আছে জেনে বুঝে ফেলেছে? 

যদি আমরা এই সহজ সত্যটাই বুঝতাম! 

এবং তা বুঝিনা বলেই কবিতাটি শুরু হয় দুই ভন্ডের ভণ্ডামি দিয়ে, মন্দিরের পূজারী ও মসজিদের মোল্লা, একজন ক্ষুধার্তকে তাড়িয়ে দিয়ে ভজনালয়ের দরজায় তালা ঝুলিয়ে শিরনি/প্রসাদ নিয়ে বাড়ি চলে যায়। খোদার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকে লাথি দিয়ে এরাই দাবি করে এরা খোদার আপনজন!

মোট কথা, যারা দাবি করে নজরুল নাস্তিক ছিলেন, ধর্মবিদ্বেষী ছিলেন, এরা জীবনেও তাঁর লেখা পড়েনি। পড়েনি তাঁর লেখা ইসলামী গজল, গান, কবিতাগুলো। পড়েনি তাঁর "এক আল্লাহ জিন্দাবাদ" "অনাগত" সহ অসংখ্য কবিতা। নজরুল সমস্ত জীবন আরাধনা করে গেছেন "শহীদ" হবার মধ্য দিয়ে পৃথিবী ছাড়তে, এই কথা অস্বীকার করবে কিভাবে? "আমপারা কাব্য" নামে কুরআন শরীফের শেষ অধ্যায়টি যে এই কবি আস্ত তর্জমা করে ফেলেছেন, এবং এজন্য তাঁকে প্রচন্ড পরিশ্রম করে একই সাথে আরবি ও ফার্সি ভাষা শিখতে হয়েছে, তা এরা জানেই না। 

এবং এ সূত্র ধরেই একবার এক মোল্লা আমাকে বললেন, "নজরুলের রেফারেন্স নেয়া উচিৎ না। তাঁর ঈমানের ঠিক নাই।"

আমি বলেছিলাম, "তাহলে উনার সমপর্যায়ে বাংলা সাহিত্যে ইসলামী লেখা কেউ লিখেছেন কিনা আমাকে জানান। একশো বছর পেরিয়ে গেল, বাংলার এত এত মুসলিম সাহিত্যিক "রমজানের ঐ রোজার শেষে" বা "তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে" কিংবা "ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ" গানগুলোর বিকল্প তৈরী করতে পারলো না, আর আপনারা ফতোয়া দিয়ে দিচ্ছেন তাঁর ঈমানের ঠিক নাই?"

নজরুলের জীবনকালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমেরই এই ধারণা ছিল। তাঁর কাব্যে দেবদেবীর নাম উল্লেখ করা হয়, কাজেই তিনি মুমিন হতেই পারেন না। তাছাড়া বিয়েও করেছেন হিন্দুকে। এখন আবার উল্টো দৃশ্য। লোকজন দাবি করেন তিনি এক্সক্লুসিভলি ইসলামের কবি। এরপক্ষে রেফারেন্সের অভাব নেই। আগেই বলেছি, তাঁর পর্যায়ে ইসলামিক কবিতা বাংলার কোন বাপের ব্যাটা সাহিত্যিক লিখতে পারেনি, পারবেও না। সেই ভাষা, সেই অলংকারই গত হয়েছে বহুদিন হলো। তবে ওরা যেটা ভুল করে তা হচ্ছে, নজরুলের আরও অন্যান্য সাহিত্যকর্মকে তাঁরা ঢেকে রাখেন। "আনন্দময়ীর আগমন" "শ্যামা সংগীত" ইত্যাদি থেকে নজরুলকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। তিনি যে হিন্দু রমণী বিয়ে করেছিলেন, সেটাও চেপে যান। এইটাওতো আরেক পর্যায়ের এক্সট্রিমিজম। 

ধর্ম থেকে সরে রাজনীতিতে আসা যাক। 

এই কথা আমরা সবাই জানি যে নজরুল ছিলেন ইংরেজদের জুলুম বিরোধী। কিন্তু এও সত্য, একই সাথে তিনি স্বরাজীদেরও চাঁদা আদায়ের বিরোধী ছিলেন। বিশেষ করে ভারতে যেখানে কোটি কোটি মানুষ না খেয়ে মরছে, সেখানে "স্বরাজ এনে দেব" - প্রতিশ্রুতি দিয়ে এদের কাছ থেকেই টাকা তুলে নেয়া নজরুল সমর্থন করতেন না। তিনি নিজে দেখেছেন ক্ষুধার্ত মা তাঁর শিশুদের না খাইয়ে সেই টাকা তুলে দিয়েছেন নেতাদের হাতে। তিনি দেখেছেন বাড়িতে ছেলের লাশ ঢেকে রেখে মা গিয়েছেন ভিক্ষা করতে। এইসব দৃশ্য তিনি নিতে পারতেন না। রক্তে বিদ্রোহী সৈনিক হলেও, একজন বীর যোদ্ধা হলেও, তিনিইতো ছিলেন একজন প্রেমিক কবি। মানব প্রেমকে নিজের আত্মা থেকে বিচ্ছিন্ন করবেন কিভাবে? তাঁর নিজের ভাষায়, "বন্ধু গো, আর বলিতে পারি না, বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে!

দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি, তাই যাহা আসে কই মুখে।" (আমার কৈফিয়ৎ)

সাহিত্যিকরা তাঁর কবিতা নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করতো। মর্মাহত হয়ে তিনি প্রেমের গান/গজল লেখা শুরু করেন। এই সময়ে তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনিই বলেন, "ঈশ্বর তোমাকে তলোয়ার দিয়েছেন যুদ্ধ লড়তে, আর তুমি কিনা তা দিয়ে দাড়ি কামানো শুরু করে দিলে?" 

গুরুর স্নেহে কবি আবারও তাঁর মনোবল খুঁজে পান। তাঁর হাত ধরে আবারও ঝলসে উঠে তলোয়ার। কণ্ঠ পায় নিপীড়িতের আর্তনাদ। 

এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, কবি কাজী নজরুল ইসলামের আসল পরিচয়টা তবে কি? তিনি বিদ্রোহী? তিনি প্রেমিক? তিনি আস্তিক? তিনি নাস্তিক? স্বদেশী? বিদেশির গোলাম? তিনি কী?

উত্তরটা তিনিই দিয়েছেন "রাজবন্দীর জবানবন্দি"তে। যেখানে তিনি বলেন তাঁর ভগবান হচ্ছে "ন্যায়।" তিনি ন্যায়ের পক্ষে কণ্ঠ তুলে গেছেন, তিনি অন্যায়ের বিরোধিতা করে গেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি যা বলেন, তা তাঁর হয়ে ভগবান/ঈশ্বর/খোদা তাঁকে দিয়ে বলান। তিনি বিশ্বাস করেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করে আসামির কাঠগড়ায় তাঁকে যখন দাঁড়াতে হয়, তাঁর পেছনে পরমকরুনাময় ঠিক সেভাবেই থাকেন যেভাবে তিনি ছিলেন যীশু বা গান্ধীর সময়ে। 

নজরুল কোন মহান সাহিত্যকর্ম, সাহিত্যের সেবা, মহাকাব্য রচনা, কিংবা সাহিত্য জগতে নিজের নাম চিরস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে কলম ধরেননি। তিনি বলেছেন, ওটা তাঁরাই করুক, যারা সুখে শান্তিতে থাকেন। তাঁর সাহিত্যিক জীবনের ব্রত ছিল একটিই, অন্যায়ের প্রতিবাদ, ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান এবং জালিমের সর্বনাশ ঘটানো। কাজী নজরুল ইসলামকে তাই বিশেষ কোন বিশেষণে বিশেষায়িত না করে এইভাবেই গ্রহণ করতে শিখুন। তিনি আমাদের জাতীয় কবি, তাই দোহাই লাগে, নজরুল রচনাবলী একবার হলেও পড়ুন। ভাবুন। এতে লাভ ভিন্ন ক্ষতি হবে না। 

নাস্তিক বলে আমরা ছাগল পুষি, ছাগলের রাখাল বলে আমাদের তারা ডাকে "ছাখাল।" 

প্রিয়তম কবি কাজী নজরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শ্রদ্ধার সাথে তাঁকে স্মরণ করছি, এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। লিখে দিতে পারি, আসানসোলের দুখু মিয়া যদি পৃথিবীতে না আসতেন, তবে সম্পদশালী বাংলা সাহিত্য তাঁর বিপুলাংশের ঐশ্বর্য্য, স্বর্ণ রৌপ্য মনিমুক্তা ভান্ডার হতে বঞ্চিত হতো নিশ্চিত।

৩০টি হোমিও ঔষধ ও মানসিক লক্ষণ (Mind Symptoms with Hashtags)

 🔹 ৩০টি হোমিও ঔষধ ও মানসিক লক্ষণ (Mind Symptoms with Hashtags)


1. #AconitumNapellus – হঠাৎ ভয়, মৃত্যুভয়, অস্থিরতা; আতঙ্কে ঘুম ভাঙে, বিপদ আসছে মনে হয়।


2. #ArgentumNitricum – তাড়াহুড়ো, পরীক্ষা বা ভ্রমণের আগে ভয়; উচ্চতা ও ভিড়ভাট্টার ভয়, ভুল করার প্রবণতা।


3. #ArsenicumAlbum – ভয়, উদ্বেগ, মৃত্যুভয়, একা থাকতে চায় না; ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বাড়তি খেয়াল।


4. #AurumMetallicum – গভীর দুঃখ, আত্মহত্যার প্রবণতা; ব্যর্থতায় হতাশা, দায়িত্ববোধ প্রবল, গম্ভীর ভাব।


5. #Belladonna – উত্তেজিত, হঠাৎ রাগ, কল্পনায় ভীতি; ভয়াবহ কল্পনা, হঠাৎ হাসি-কান্না, চোখ লাল হয়ে যাওয়া।


6. #BryoniaAlba – চুপচাপ থাকতে চায়, বিরক্ত করলে রেগে যায়; টাকাপয়সার চিন্তা, একা থাকতে ভালোবাসে।


7. #CalcareaCarbonica – ভীরু, সহজে ভয় পায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত; অন্ধকারে ভয়, দায়িত্বে ভেঙে পড়ে, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা।


8. #Causticum – ন্যায়বোধ প্রবল, অন্যের কষ্টে কাঁদে; অবিচারের প্রতিবাদ করে, আবেগপ্রবণ, মানবতাবোধ প্রবল।


9. #Chamomilla – খিটখিটে, অসহনশীল; সামান্য কষ্টে চিৎকার, শিশুসুলভ কান্না, সান্ত্বনা মানে না।


10. #Gelsemium – ভীরু, দুর্বল, পরীক্ষার ভয়; দায়িত্ব এড়িয়ে যায়, ভয়ে কাঁপুনি শুরু হয়।


11. #IgnatiaAmara – শোক, হতাশা, কান্না চেপে রাখা; অভিমানী, একা কাঁদে, ভালোবাসায় আঘাতে ভেঙে পড়ে।


12. #KaliPhosphoricum – মানসিক অবসাদ, দুর্বলতা, উদ্বেগ; পড়াশোনায় ক্লান্তি, ভীরু, ছোট কারণে আতঙ্ক।


13. #Lachesis – ঈর্ষা, বাচাল, সন্দেহপ্রবণ; অতিরিক্ত কথা বলা, অবিশ্বাস, আধিপত্য বিস্তার করে।


14. #Lycopodium – আত্মবিশ্বাসহীনতা, লাজুক; ঘরে সাহসী বাইরে দুর্বল, বড়লোকদের সামনে কাঁপুনি।


15. #NatrumMuriaticum – দুঃখ চাপা রাখা, একা কাঁদা; পুরানো স্মৃতিতে ডুবে থাকা, সংবেদনশীল, সহানুভূতি নিতে চায় না।


16. #NuxVomica – খিটখিটে, অস্থির, অল্পতেই রাগ; কাজের প্রতি আসক্ত, জেদি, সহ্যশক্তি কম।


17. #Phosphorus – খোলামেলা, বন্ধুবৎসল, সহজে ভয় পায়; বজ্রপাত, অন্ধকার বা একা থাকার ভয়, স্নেহপ্রবণ।


18. #Platina – গর্বিত, অহংকারী, অন্যকে ছোট মনে করে; শ্রেষ্ঠত্ব বোধ, অবজ্ঞাপূর্ণ আচরণ, যৌনকল্পনায় ডুবে থাকা।


19. #Pulsatilla – লাজুক, কান্নাকাটি, সহানুভূতি চায়; অভিমানী, নির্ভরশীল, একা থাকতে ভয় পায়।


20. #Sepia – উদাসীন, ভালোবাসাহীন, পরিবারে অনাগ্রহ; কাজের প্রতি অনিচ্ছা, মানসিক ক্লান্তি, উদাসীনতা বাড়ে।


21. #AnacardiumOrientale – দ্বৈত মানসিকতা, সন্দেহপ্রবণ; মনে হয় মাথায় দুইটা সত্তা আছে, রাগী, অপমান ভুলতে পারে না।


22. #ApisMellifica – খিটখিটে, অধৈর্য, কাঁদো কাঁদো ভাব; সান্ত্বনা মানে না, ঈর্ষাপরায়ণ, ছোট ঘটনায় কষ্ট পায়।


23. #BarytaCarbonica – অপরিণত মনের মতো, লাজুক; আত্মবিশ্বাস কম, বুদ্ধি দুর্বল, মানুষের সামনে সংকোচ।


24. #ConiumMaculatum – বিষণ্ণ, একা থাকতে ভালোবাসে; পুরানো স্মৃতিতে ডুবে থাকে, সামাজিকতা কম।


25. #HeparSulphur – রাগান্বিত, প্রতিহিংসাপরায়ণ; সামান্য কষ্ট সহ্য করতে পারে না, অপমানকে বড় করে নেয়।


26. #Hyoscyamus – সন্দেহ, ঈর্ষা, অশ্লীল কথা বলে; অশালীন অঙ্গভঙ্গি, উন্মত্ত হাসি, অতিরিক্ত সন্দেহবাতিক।


27. #Iodium – অস্থির, বিরক্ত, কাজ ছাড়া থাকতে পারে না; ক্রোধী, তাড়াহুড়ো, শান্ত থাকতে অক্ষম।


28. #MercuriusSolubilis – দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভীরু; সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, উদ্বেগপ্রবণ, ভয় পায়।


29. #NitricAcid – রাগান্বিত, প্রতিহিংসাপরায়ণ; খুঁতখুঁতে, ক্ষুদ্রমনা, শত্রুতা ধরে রাখে।


30. #Opium – আনন্দময়, ভয় বা দুঃখ অনুভব করে না; অচেতন, গাফিলতিপূর্ণ, বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে।


#Homeopathy #MindSymptoms #HomeoMedicine #HolisticHealing #DrAshokeDas #HomeopathicTreatment #HomeopathyBangla #HealthAwareness #NaturalHealing #HomeopathicMind

শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

শিশুদের ইমার্জেন্সি চিকিৎসা জেনে নিন।

 শিশুদের ইমার্জেন্সি চিকিৎসা জেনে নিন।


শিশুদের ছোটখাটো সমস্যা হলে ঘরে বসে প্রাথমিক চিকিৎসা জানা থাকলে জরুরি সময়ে কাজে লাগে। তবে ওষুধ খাওয়ানোর আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া সবচেয়ে ভালো। 


🛑 জ্বর (Fever)

 👉Drop Napa / Ace / Renova (নাপা / এস / রেনোভা ড্রপ):

ওজন × ৩ ফোঁটা (৬ ঘণ্টা পর পর, প্রয়োজনে ৪ ঘণ্টা পরও)

 👉Syrup Napa / Ace / Renova (নাপা / এস / রেনোভা সিরাপ):

ওজন × ০.২ মিলি (৬ ঘণ্টা পর পর, প্রয়োজনে ৪ ঘণ্টা পরও)দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার।

 >Suppository (সাপোজিটরি): জ্বর ১০২°F+ হলে ব্যবহার করা যাবে।


🛑 সর্দি / ঠান্ডা (Cold)

 👉Syrup Tofen / Fenat (টোফেন / ফেনাট সিরাপ):

 >৬ মাস–৩ বছর: ½ চামচ, দিনে ২ বার

 >৩ বছর+: ১ চামচ, দিনে ২ বার


🛑 নাক বন্ধ (Nasal Congestion)

 >Drop Norsol / Solo / Nosomist (নরসোল / সলো / নসোমিস্ট):

প্রতি ছিদ্রে ২ ফোঁটা, ২–৬ ঘণ্টা পর পর

 >Drop Rynex / Xylocon / Oxynex / Afrin 0.025% (রাইনেক্স / জাইলোকন / অক্সিনেক্স / আফরিন):

২ ফোঁটা করে, দিনে ২–৩ বার, সর্বোচ্চ ৫ দিন


🛑 কফযুক্ত কাশি (Productive Cough)

 Syrup Ambrox / Ambolyt / Boxol (অ্যামব্রক্স / অ্যামবোলাইট / বক্সল সিরাপ):

 •>২–৫ বছর: ½–১ চামচ, দিনে ৩ বার

 •>৫–১০ বছর: ১–১.৫ চামচ, দিনে ৩ বার

 

👉Drop Ambrox / Ambolyt (অ্যামব্রক্স / অ্যামবোলাইট ড্রপ):

 •>০–৬ মাস: ০.৫ মিলি, দিনে ২ বার

 •>৬–১২ মাস: ১ মিলি, দিনে ২ বার

 •>১–২ বছর: ১.২৫ মিলি, দিনে ২ বার


🛑 শুকনো কাশি (Dry Cough)

 👉Drop Mirakof / Miraten / Bukof (মিরাকফ / মিরাটেন / বুকফ ড্রপ):

 •>২–১২ মাস: ০.৫ মিলি, দিনে ৩–৪ বার

 •>২–৩ বছর: ১ মিলি, দিনে ৩–৪ বার

 

👉Syrup Mirakof / Miraten / Bukof (মিরাকফ / মিরাটেন / বুকফ সিরাপ):

 •>৩–৬ বছর: ১ চামচ, দিনে ৩ বার

 •>৬–১২ বছর: ২ চামচ, দিনে ৩ বার


🛑 কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation)

 •>Syrup Sopilax / Avolac (সপিলাক্স / এভোলাক সিরাপ):

প্রতি ৪ কেজিতে ১ মিলি, রাতে খাওয়াবেন


🛑 ডায়রিয়া (Diarrhea)

 •>Syrup Zinc (জিঙ্ক সিরাপ): প্রতি ১০ কেজিতে ১ চামচ, দিনে ২ বার, ১০–১৪ দিন

 •>ORS (ওআরএস): পাতলা পায়খানার পর অল্প অল্প করে খাওয়াবেন


🛑 অরুচি (Loss of Appetite)

 >Syrup Bicozin I (বাইকোজিন আই সিরাপ):

 >০–১২ মাস: ½ চামচ, দিনে ১ বার (১ মাস)

 >১ বছর+: ১–২ চামচ, দিনে ১ বার (১ মাস)


👉 এগুলো শুধু প্রাথমিক চিকিৎসা। সমস্যা না কমলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।


মোহাম্মদ জনী 

চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য গবেষক

ডায়াবেটিস সহ নানান রোগের মহৌষধ এই শাক, জেনে নিন আরও উপকারিতা !,,,Health tips ফেইসবুক নেওয়া

 ডায়াবেটিস সহ নানান রোগের মহৌষধ এই শাক, জেনে নিন আরও উপকারিতা !

বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সহজলভ্য এক ভেষজ শাক হলো উষনি শাক । গ্রামীণ হাটবাজারে এটি সহজেই পাওয়া যায় । পুষ্টিগুণ ও ঔষধি গুণের কারণে উষনি শাক এখন শহুরে বাজারেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে । এটি একটি গুল্মজাতীয় ওষুধি উদ্ভিদ । ফুল, পাতা, শিকড় সব অংশেই রয়েছে নানা উপকার ।


✅ পুষ্টিগুণ : উষনি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে । এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে ।


এই শাকে যেসব ওষুধি গুণাগুণ আছে তা দেখে নেওয়া যাক...


✅ দাঁতের ব্যথা : এই শাকের ফুল মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চিবালে দাঁতের ব্যথা উপশম হয় ।


✅ শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জি : এজমা, অ্যালার্জি ও বাতের ব্যথায় উপকারী । নিয়মিত খেলে উপশম হয় ।


✅ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে : উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে ।


✅ স্ট্রোক ও ক্যান্সার প্রতিরোধে : শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্ট্রোক ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ।


✅ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী : ফ্লু, যক্ষ্মা, দাদসহ সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ।


✅ অ্যান্টি-এজিং ও প্রসাধনী গুণ : ত্বকের বয়সের ছাপ কমাতে এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয় প্রসাধনীতেও ।


✅ চুলের যত্নে অনন্য : এই শাক দিয়ে তৈরি তেল বা রস ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হয় । চুলের গোড়া মজবুত হয় । খুশকি ও মাথার ত্বকের সমস্যা দূর হয় ও অকালে চুল পাকা রোধ হয় । সেই সাথে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে । 


✅ নাকের সমস্যা সমাধানে : পাতার রস নাকে দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় ।


🔹 নাক বন্ধ হওয়া


🔹 নাক দিয়ে পানি পড়া


🔹 অতিরিক্ত হাঁচি


🔹 নাকের মাংস (পলিপাস) । 


মাথাব্যথা সম্পূর্ণ ভালো হয় ইনশাআল্লাহ ।


✅ রুচি ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক : রান্না করে খেলে খাবারে রুচি বাড়ে, ওজনও বৃদ্ধি পায় শরীর স্থায়ী ভাবে মোটা হয় ।


✅ চর্মরোগ ও চুলকানিতে উপকারী : শরীরের যে কোনো চুলকানি, দাদ, একজিমা ও চর্মরোগে পাতার রস খুব উপকার দেয় ।


✅ ফিস্টুলা ও মলদ্বারের গুটিতে ব্যবহার : পাতার রস ও সরিষার তেল মিশিয়ে লাগালে ফিস্টুলা ও গুটি সম্পূর্ণ ভালো হয় ।


💜 ওষুধি গুণাগুণ :


✅ জ্বর ও সর্দি-কাশিতে উপকারী :  উষনি শাক শরীর ঠান্ডা রাখে এবং জ্বর-সর্দিতে দ্রুত আরোগ্য দেয় ।


✅ হজম শক্তি বৃদ্ধি করে : নিয়মিত খেলে গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমের সমস্যা কমে যায় ।


✅ রক্ত পরিষ্কার করে : শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে ।


✅ চর্মরোগে কার্যকর : বিভিন্ন ত্বকের সমস্যায় উষনি শাক ভেষজ ওষুধের মতো কাজ করে ।


✅ রক্তশূন্যতা দূর করে : আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী ।


☑️ ব্যবহারের উপায় :


🔹 শাকের মতো রান্না করে খাওয়া যায়


🔹 পাতার রস নাকে ব্যবহার


🔹 রস ও তেল মিশিয়ে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার


🔹 তেল তৈরি করে মাথায় ব্যবহার ।


এই গাছকে বলা হয় “ইলেকট্রিক প্ল্যান্ট” কারণ এর পাতা ছুঁলে ঝাঁকি মতো অনুভূতি হয় । প্রাচীন ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এই গাছের ব্যবহার বহুদিনের ।


 ☑️ চিকিৎসক পরামর্শ :  প্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় উষনি শাককে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে । তবে যেকোনো ভেষজ শাক নিয়মিত ওষুধ হিসেবে খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি ।


সূত্র : আরটিভি

শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

স্বামী -কে শায়েস্তা করতে চাইলে কোর্ট-কাচারীর দরকার নেই.

 স্বামী -কে শায়েস্তা করতে চাইলে কোর্ট-কাচারীর দরকার নেই...🙂

প্রথমে নিজেই চেষ্টা করবেন...😁

আমি কিছু tested তরিকা বলে দিচ্ছি...🙃 

কাজে লাগিয়ে দেখুন😆


১️⃣   ঝগড়ার পর এক কাপড়ে বের হবেন না একদম!

একঘন্টা সময় নিয়ে আরামে ব্যাগ গুছাবেন...⏳👜

আর হ্যাঁ, ব্যাগে টিভির রিমোট 📺,, গাড়ির চাবি 🚗, বাড়ির চাবি 🏠, ফ্রিজের চাবি 🧊—সব চাবি গচ্ছিত করবেন!মটর সাইকেলের চাবি নিতে ভুলিয়েন না😒


২️⃣ প্রানপ্রিয় Husband-এর মোবাইল 📱, মানিব্যাগ 💵, ঘরের কোণায় কোণায় রাখা যত টাকা-কড়ি আছে সব যত্ন করে নিয়ে নিন...🕵️‍♀️

(কয়েন বক্সও যেন বাদ না যায়!)সব নিয়ে নিবেন


৩️⃣ রান্না ঘরে ঢুকে ফিল্টার খালি করুন 🚰।

চাল, ডাল, আটা, ময়দা, সুজি, চায়ের পাতা ☕, জলের বোতল, এমনকি বাসি পাউরুটি 🍞 পর্যন্ত লুকিয়ে তালাবদ্ধ করে ফেলুন।যাতে খুজে পেলেও 

রান্না  করে খেতে না পারে😉


৪️⃣   জল খাওয়ার সব গ্লাস, কাপ, প্লেট সরিয়ে রাখুন 🍽️।

কারণ পিপাসায় নাকাল হবেন তিনি, আর কিছু খুঁজেও পাবেন না! 😜 পানি খাওয়ার পুরো বন্দোবস্ত বন্ধ করে রাখুন


৫️⃣   যদি Husband সিগারেট খান 🚬, তাহলে সিগারেটের প্যাকেট আর লাইটার 🔥ও উদ্ধার করে ফেলবেন! কারন সে প্রচুর টেনশনে সিগা*রেট খেতে চাইবে


৬️⃣   সবথেকে গুরুতর কাজ!! 🚨

আপনার জামা-কাপড় লাগবে না...

কিন্তু তার লুঙ্গি, স্যান্ডো, গেঞ্জি থেকে শুরু করে পরার মতো একটাও কাপড় রাখবেন না! 👕🩳

(ছেঁড়া-ফাটা হলেও না!) জাংগিয়া গামছা কিচ্ছু না।


৭️⃣   সব শেষে — Husband-এর একটা ছবি নিয়ে কুচি কুচি করে ছিঁড়ে মেইন দরজার সামনে ফেলে রাখুন...🖼️✂️

কোনো দয়া নয়! ❌

 না থাক এটা ছিড়তে মায়া লাগবে প্রয়োজন নেই!


৮️⃣   এবং, নিজের একটা ঝকঝকে হাসির ছবি 📸 সুন্দরভাবে রুমে এমনভাবে রাখুন যাতে বারবার তার চোখে পড়ে! 😁✨ হ্যাঁ একদম খুব সুন্দর একেবারে সিঙ্গেল একটা ছবি।


Husband সাহেব যখন নিঃস্ব হয়ে চারদিকে তাকাবেন, তখন বুঝবেন "আপনি" শুধু প্রেয়সী নন, লাইফলাইনও ছিলেন...😉 বেডা আর করবি ঝগড়াঝাটি অশান্তি

😄

এই পোস্টে শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য করা কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না

লেখাটি ফেসবুক সংগৃহীত


#post #photo #pictureoftheday #fannypost #published

কত বছর বয়সে শিশুকে আলাদা করবেন

 💜💮বর্তমানে আমাদের পরিবারে এখনো অনেক জায়গায় দেখা যায়—শিশুরা মা–বাবার সঙ্গে একই ঘরে বা একই বিছানায় ঘুমায়। প্রথম দিকে এটা প্রয়োজনীয় হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশুকে আলাদা ঘরে দেওয়া কেন জরুরি, তা অনেকেই জানেন না।


👶 ০–৬ মাস:


নবজাতককে মায়ের খুব কাছেই রাখতে হয়।

বুকের দুধ খাওয়ানো, ডায়াপার বদলানো, সারাক্ষণ যত্ন—সবকিছু মায়ের হাতের নাগালে থাকতে হবে।

👉 তাই এই সময়ে শিশুকে আলাদা করা একেবারেই উচিত নয়।

---


👶 ৬ মাস – ২ বছর:

এই বয়সে শিশু ধীরে ধীরে রুটিন তৈরি করে।

তবে এখনো মা–বাবার কাছাকাছি থাকাটা নিরাপদ।

👉 আলাদা কট বা ছোট বিছানা ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু মায়ের ঘরের ভেতরেই রাখা ভালো।


---


👦 ২–৩ বছর:


শিশু কথা বলা, হাঁটা, খেলা—এসব শিখে যায়।

ধীরে ধীরে স্বাধীনতা ও নিজের জায়গার প্রয়োজন অনুভব করে।

👉 এসময় থেকে আলাদা ছোট বিছানা দেওয়া শুরু করা যায়।

---


👦 ৪–৬ বছর:


শিশু মানসিক ও সামাজিকভাবে অনেকটা পরিপক্ক হয়।


সে বুঝতে শেখে—“এটা আমার ঘর, এটা আমার জিনিস।”

👉 এই বয়সে আলাদা রুমে ঘুমানোর অভ্যাস করানো সবচেয়ে ভালো।

---


👦 ৭ বছর বা তার বেশি:


বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৭ বছর বয়স পার হলে শিশুকে অবশ্যই আলাদা ঘরে রাখা উচিত।

কারণ, এসময় থেকে শিশু তার গোপনীয়তা (privacy) ও ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে।

👉 একই ঘরে মা–বাবার ব্যক্তিগত জীবনেও তখন অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

---


🌿 কেন শিশুকে আলাদা করতে হবে?


1. স্বাধীনতা তৈরি হয় – শিশুর নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে।

2. আত্মবিশ্বাস বাড়ে – আলাদা ঘরে ঘুমালে সাহসী হয়।

3. গোপনীয়তা শেখে – বড় হওয়ার সাথে সাথে privacy বোঝা জরুরি।

4. শৃঙ্খলা তৈরি হয় – নিজের ঘর গুছানো ও নিজের জিনিসপত্র সামলানো শেখে।

5. মা–বাবার সম্পর্ক সুস্থ থাকে – দাম্পত্য জীবনে ব্যক্তিগত পরিসর (personal space) বজায় থাকে।

---


🚨 দেরি করলে কী ক্ষতি?


শিশু অতি নির্ভরশীল হয়ে যায়।

আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

বাবা–মায়ের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়।

ভবিষ্যতে decision making-এ দুর্বল হয়ে পড়ে।

---


✅ শেষ কথা:


👉 জন্মের পর প্রথম কয়েক বছর মা–বাবার কাছে থাকাটা জরুরি।

👉 তবে ৪–৬ বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে আলাদা রুমে অভ্যস্ত করানো সবচেয়ে ভালো সময়।

👉 এতে শিশুর স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ ও ব্যক্তিত্ব—সবকিছু ইতিবাচকভাবে গড়ে ওঠে।

হোমিওপ্যাথিতে জ্বর চিকিৎসা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

 হোমিওপ্যাথিতে জ্বর চিকিৎসা

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

* অ্যাকোনাইট নেপিলাস:

১। হঠাৎ আক্রমণ (বিশেষত: প্রচন্ড গরম, প্রচন্ড শীত বা শুষ্ক বাতাসে রোগের আক্রমণ)

২। একটানা প্রকৃতির জ্বর (ওঠানামা করে না)

৩। প্রচুর পিপাসা, অস্থিরতা, মৃত্যু ভয়, ঘর্মহীন।

* পালসেটিলা: তৃষ্ণাহীনতা, মুখ তিতা, মাথায় পানি চায়, বাতাস চায়, পরিবর্তনশীলতা, হাত- পায়ে জ্বালা, শিশু বুকের দুধ খেতে চায় না।

* রাসটক্সঃ শরীর ব্যথা বেদনা করে, শীত করে, পানি খায়, বাতাস চায় না, অস্থিরতা বেশী, রাত্রে বৃদ্ধি, জিহ্বা ত্রিকোনাকার লাল। 

* ব্রাইওনিয়া: চুপ-চাপ থাকে, পায়খানা কষা, অনেকক্ষণ পরে বেশী পানি খায়, রাত ৯টায় বৃদ্ধি।

* জেলসিমিয়াম: মাথা ভার বোধ, ঘুম ঘুম ভাব, পিপাসাহীন (যখন দক্ষিণের বাতাস বায় তখন জেলসের সময়)।

* বেলেডোনা: চোখ মুখ লাল হয়ে যায়, হঠাৎ যায় হঠাৎ আসে, জ্বর অবস্থায় শরীর হঠাৎ কাপ দিয়ে উঠে।

* আর্সেনিকাম অ্যালবাম: মধ্য দিবা, মধ্য রাত্রে বৃদ্ধি। মাথায় ঠান্ডা চায় শরীরে গরম চায়। প্রচুর পানি পিপাসা একটু-একটু করে পান করে ও পানি পান মাত্রই বমি। মৃত্যুভয়।

* নেট্রাম মিউরিয়েটিকাম: সকাল ১০টা থেকে ১১টায় জ্বর আসে, কোষ্টবদ্ধতা, লবন প্রিয়, তীব্র পিপাসা, জনসম্মুখে প্রস্রাব করতে পারে না।

* ইউপেটোরিয়াম পার্ফোলিয়েটাম: হাড়ে প্রচন্ড ব্যথা,, পিত্ত বমি, সকাল ৭-৯ টার মাঝে জ্বর আসে।

বিঃদ্রঃ শুধু উপরের ঔষধ গুলো জ্বরের জন্য এমনটা নয়, লক্ষণ অনুসারে যে কোন ঔষধ আসতে পারে। সঠিক ঔষধ নির্বাচনে সাহায্য করবেঃ

* জ্বরের শীত অবস্থায় পিপাসা আর পিপাসার জন্য পানি খাইলে বমি- আসোনিক/ স্যানিকুলা।

* জ্বরের শীত অবস্থায় পিপাসা আর পিপাসার জন্য পানি খাইলে শীত বাড়ে ও বমি হয়- ইউপেটোরিয়াম।

* জ্বরের শীত অবস্থায় পিপাসা আর পিপাসার জন্য পানি খাওয়া মাত্র কম্পন-ক্যাপসিকাম।

* জ্বরের শীত অবস্থায় পিপাসা কিন্তু উত্তাপ বা অন্য কোন অবস্থায় পিপাসার লেশমাত্র থাকে না- ইগ্নেশিয়া।


=ভালো লাগলে শেয়ার করুন=


Dr. Md Nurul Afsar

Follow and stay with me

#homeopathy 

#homeopathytreatment 

#homeopathicmedicine

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ০৫/০৯/২০২৫

 আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (তৃতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন


* আইসিটি আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত অভিযুক্তরা জনপ্রতিনিধি হতে পারবেন না, করতে পারবেন না সরকারি চাকরিও--জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব


* প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কের সাক্ষাৎ, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি


* সংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ


* আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলো নির্বাচন কমিশন


* ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল আসামির খালাসের রায় আপিল বিভাগে বহাল


* ২৬টি পশ্চিমা মিত্রদেশের ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অঙ্গীকার।


* এবং ভারতের বিহারে এশিয়া কাপ পুরুষ হকি টুর্নামেন্টে কাজাখস্তানকে পাঁচ-এক গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...