এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় আপিল বিভাগের --- কার্যকর চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ।


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।


সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদন।


মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছে সরকার --- জানালেন আইন উপদেষ্টা।


রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব গৃহীত।


যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনায় আগামীকাল দেশে পালিত হবে সশস্ত্র বাহিনী দিবস।


আফগান সীমান্তের কাছে দুটি পৃথক স্থানে পাকিস্তানি হামলায় অন্তত ২৩  জঙ্গি নিহত।


এবং ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টেস্টের দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানের বিশাল সংগ্রহ বাংলাদেশের --- শততম টেস্টে সেঞ্চুরীর অনবদ্য রেকর্ড মুশফিকুর রহিমের।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২০-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২০-১১-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

.......................................................


* সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

 

* নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর---বললেন সিইসি, গণভোট পরিচালনায় আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ

 

* মহান বিজয় দিবস ঘিরে নাশকতার কোনো শঙ্কা নেই--- জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা


* শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়কে একটি মহল ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি বিএনপি মহাসচিবের আহ্বান

 

* গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত


* এবং আজ ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে চার উইকেটে ২৯২ নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ

শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

শরীরকে নিজের আক্রমণ থেকে বাঁচানোর সুরক্ষা ব্যবস্থা আবিষ্কার,,,,নোবেল পুরস্কার ২০২৫: ফিজিওলজি বা মেডিসিন

 নোবেল পুরস্কার ২০২৫: ফিজিওলজি বা মেডিসিন

শরীরকে নিজের আক্রমণ থেকে বাঁচানোর সুরক্ষা ব্যবস্থা আবিষ্কার


২০২৫ সালের চিকিৎসাশাস্ত্র বা শারীরবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মেরি ই. ব্রাঙ্কো, ফ্রেড র‌্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা (Self-Tolerance) সংক্রান্ত মৌলিক আবিষ্কারের জন্য এই সম্মাননা পান। একেকজন আলাদা ল্যাব, আলাদা দেশে কাজ করেছেন। কিন্তু তিনজনের গবেষণা মিলিয়ে আমাদের শরীর সম্পর্কে এক গভীর সত্য ধরা দিয়েছে।


ইমিউন সিস্টেম শুধু যুদ্ধ করতে জানে না, সে জানে কখন থামতে হবে, কাকে আঘাত না করে ছাড় দিতে হবে। আর সেই “ছাড় দেওয়ার বুদ্ধি”টাই হল পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স।

.


শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে ইমিউন সিস্টেম


মানুষের ইমিউন সিস্টেমকে আপনি চাইলে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কল্পনা করতে পারেন। বাইরে থেকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্যারাসাইট ঢুকলে সৈন্যরা (টি-সেল, বি-সেল ইত্যাদি) ধেয়ে যায় আক্রমণ করতে। কিন্তু শহরের ভেতরের মানুষ, নিজের দোকান-–বাড়ি, অফিস-আদালত—এসবকে আক্রমণ করলে তো চলবে না।


তাই প্রয়োজন শুধু অস্ত্রধারী বাহিনী নয়। দরকার রেফারি, ট্রাফিক পুলিশ আর শান্তিরক্ষীও—যারা ঠিক করবে কোথায় “স্টপ”, কোথায় “স্লো”, আর কোথায় “ওকে, যেতে দাও”। পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স আসলে এই “শান্তি রক্ষা” ও “সীমা টেনে দেওয়ার” বৈজ্ঞানিক ভাষা।

.


রেগুলেটরি টি সেল: শরীরের ভেতরের শান্তিবাহিনী


এখানেই আসছে রেগুলেটরি টি সেল, সংক্ষেপে Treg (Regulatory T cell)। এরা এমন কিছু টি-সেল, যাদের কাজ লড়াই করা নয়। বরং অন্য টি-সেলদের নিয়ন্ত্রণে রাখা—অনেকটা রেফারি বা শান্তিবাহিনীর মত।


কোনো টি-সেল যদি ভুল করে নিজের শরীরের টিস্যুকে শত্রু ভেবে আক্রমণ করতে যায়, Treg গিয়ে তাকে থামায়। তারা সংকেত কমিয়ে দেয়, বা পুরো প্রতিক্রিয়াটাই “ডাউন” করে দেয়। শিমন সাকাগুচির বড় অবদান হল, এই গোপন শান্তিবাহিনীকে তিনি প্রথম স্পষ্ট করে দেখিয়েছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইমিউন সিস্টেমের ভেতরে সত্যিই এমন এক আলাদা “ব্রেক সিস্টেম” আছে।

.


সাকাগুচির ইঁদুর-পরীক্ষা: ব্রেক তুলে নিলে কী হয়


সাকাগুচি ১৯৯০-এর দশকে ইঁদুর নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখলেন, সব টি-সেল সমান নয়। কিছু টি-সেলের গায়ে বিশেষ এক মার্কার থাকে—CD25। এগুলিকে আলাদা করে পরীক্ষা করে তিনি এক অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করলেন।


যে ইঁদুরের শরীর থেকে এই CD25-যুক্ত টি-সেলগুলি সরিয়ে দেওয়া হয়, কিছুদিনের মধ্যেই সে ভয়ঙ্কর অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হয়। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে প্রদাহ দেখা দেয়, টিস্যু নষ্ট হয়ে যায়। এক কথায়, ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের ওপরই আক্রমণ চালাতে শুরু করে।


আবার, যদি এই বিশেষ কোষগুলি ফেরত দেওয়া হয়, তখন রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এখান থেকেই প্রমাণ হল, CD25-সমৃদ্ধ এই টি-সেলগুলিরই একটা অংশ হল Regulatory T cell। এরা না থাকলে ইমিউন সিস্টেম নিজের ও পরের পার্থক্যটাই হারিয়ে ফেলে।


নতুন প্রশ্ন সামনে এলো, Treg তৈরি হয় কীভাবে?


কিন্তু শুধু জানা গেল যে Treg আছে, এতে পূর্ণ ছবি পাওয়া গেল না। প্রশ্ন থেকে গেল—এই বিশেষ “শান্তিবাহিনী” তৈরি হয় কীভাবে? কোন জিন বা মলিকুলার প্রোগ্রাম ঠিক করে যে, একটা টি-সেল লড়াই করবে, নাকি লড়াই থামানোর দায়িত্ব নেবে?


এখানেই বিশাল ভূমিকা রাখেন মেরি ই. ব্রাঙ্কো এবং ফ্রেড র‌্যামসডেল।

.


Scurfy মাউস: এক অদ্ভুত ইঁদুর থেকে বড় আবিষ্কার


তারা কাজ শুরু করলেন এক অদ্ভুত ইঁদুর নিয়ে, যার নাম scurfy mouse। এই ইঁদুর খুব অল্প বয়সেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। সারা শরীরে প্রচণ্ড প্রদাহ হয়, অঙ্গগুলি ফেইল করতে থাকে। সব মিলিয়ে দেখতে এক ভয়ংকর অটোইমিউন সিন্ড্রোমের মত।


আগেই জানা ছিল, সমস্যাটা X ক্রোমোজোমের কোনো জিনে। কিন্তু ঠিক কোনটায়, তা কেউ জানত না। ব্রাঙ্কো ও র‌্যামসডেল ধৈর্য ধরে সেই X ক্রোমোজোমের অঞ্চল ধরে ধরে স্ক্যান করতে থাকলেন।


তখনকার প্রযুক্তি দিয়ে পুরো ক্রোমোজোম ঘেঁটে কোনো নির্দিষ্ট মিউটেশন বের করা মানে সত্যিই খড়ের গাদায় সূচ খোঁজার মত কাজ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা পেলেন এক নতুন ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর জিন, যার নাম রাখলেন FOXP3।

.


FOXP3: ব্রেক না থাকলে ইমিউন সিস্টেমের উন্মত্ত দৌড়


দেখা গেল, scurfy ইঁদুরের এই FOXP3 জিনে গুরুতর ত্রুটি আছে। এই ত্রুটি থাকলেই ইঁদুরের ইমিউন সিস্টেম যেন লাগামহীন ঘোড়ার মত সবকিছুতে আক্রমণ চালিয়ে যায়। পুরো শরীর জুড়ে অটোইমিউন ঝড় শুরু হয়।


এর পাশাপাশি তারা মানুষের একটি বিরল ও ভয়ঙ্কর রোগের দিকে তাকালেন—IPEX syndrome (Immune dysregulation, Polyendocrinopathy, Enteropathy, X-linked)। সাধারণত ছোট ছেলে শিশুদের এই রোগ হয়, কারণ জিনটি X ক্রোমোজোমে থাকে।


এই শিশুদের মধ্যে একসাথে একাধিক গ্রন্থির রোগ দেখা যায়। অন্ত্রের মারাত্মক প্রদাহ হয়, ডায়াবেটিস হয়, থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দেয়। সবকিছু মিলিয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেম যেন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।


বিভিন্ন দেশের হাসপাতাল থেকে IPEX রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে যখন FOXP3 জিন পরীক্ষা করা হল, দেখা গেল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই FOXP3-এ মারাত্মক মিউটেশন রয়েছে। অর্থাৎ, ইঁদুর আর মানুষের, দু’ক্ষেত্রেই একই গল্প। FOXP3 নষ্ট মানেই রেগুলেটরি টি সেল ঠিকমত গড়ে উঠতে পারে না। আর তার ফল ভয়াবহ অটোইমিউন ব্যর্থতা।

.


FOXP3: Treg-এর “মাস্টার কন্ট্রোল জিন”


এরপরের কয়েক বছরের মধ্যে আরও গবেষণা প্রমাণ করল, FOXP3 আসলে Treg-এর “মাস্টার কন্ট্রোল জিন”। কোনো টি-সেলে FOXP3 সঠিকভাবে কাজ করলে সেই কোষ রেগুলেটরি চরিত্র ধারণ করে।


মানে, সে অন্য কোষকে থামাতে শেখে, শান্ত রাখতে শেখে। ইমিউন প্রতিক্রিয়াকে অতিরিক্ত হয়ে যেতে না দিতে শেখে। আর FOXP3 নষ্ট হলে ঠিক বিপরীত ঘটে।


তখন Treg গঠন ব্যাহত হয়। ইমিউন সিস্টেম নিজের শরীরের বিরুদ্ধে অকারণে যুদ্ধ শুরু করে। শিমন সাকাগুচি যে রেগুলেটরি টি সেলের ধারণা দিয়েছিলেন, ব্রাঙ্কো ও র‌্যামসডেল সেই ধারণার মলিকুলার ভিত এনে দিলেন। তারা দেখালেন, এই শান্তিবাহিনীর কমান্ডার জিন হল FOXP3।

.


অটোইমিউন রোগ: যখন ব্রেক কাজ করে না


এই আবিষ্কারের বাস্তব প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট হয় অটোইমিউন রোগ, ক্যান্সার আর অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট-এর মত জায়গায়। যেমন ধরুন, টাইপ-১ ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের মত রোগ।


এই ধরনের রোগে আমরা দেখি, রোগীর শরীরে Treg-এর সংখ্যা বা কার্যকারিতা অনেক সময় কম থাকে। ফলে যে টি-সেলগুলি আক্রমণ থেকে বিরত থাকার কথা, তারা আর থামে না। তারা নিজের অর্গান-টিস্যুকেই ধ্বংস করতে থাকে।


এখন গবেষকরা চেষ্টা করছেন—কীভাবে আবার Treg বাড়ানো যায়। কীভাবে FOXP3-এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে ইমিউন সিস্টেমকে নিজের শরীরের প্রতি “সহনশীলতা” শেখানো যায়।


কোথাও কম ডোজ IL-2 দিয়ে Treg বাড়ানোর ট্রায়াল চলছে। কোথাও রোগীর নিজের Treg কোষ ল্যাবে বাড়িয়ে আবার শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—যাকে “Treg সেল থেরাপি” বলা যায়।

.


ক্যান্সার: যখন শান্তিবাহিনী ভুল পক্ষকে বাঁচায়


ক্যান্সারের ক্ষেত্রে আবার ছবি ঠিক উল্টা। অনেক টিউমারের ভেতরে খুব বেশি সংখ্যায় Treg জড়ো হয়। এখানে এই শান্তিরক্ষী বাহিনী আসলে শরীরের বদলে টিউমারকেই রক্ষা করে।


টিউমারের আশেপাশে Treg এত বেশি হয়ে যায় যে, ইমিউন সিস্টেমের যে আক্রমণকারী টি-সেলগুলি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে পারত, তারা আর কাজ করতে পারে না। টিউমার একধরনের “ইমিউন সুরক্ষা-প্রাচীর” তৈরি করে। সেখানে Treg-ই হয়ে যায় তার নিরাপত্তারক্ষী।


তাই এখন অনেক ক্যান্সার ইমিউনোথেরাপিতে গবেষকরা নতুন উপায় খুঁজছেন। কীভাবে নির্দিষ্টভাবে টিউমারের আশেপাশের Treg কমিয়ে বা দুর্বল করে আক্রমণকারী টি-সেলদের আবার সক্রিয় করা যায়, সেটাই তাদের মূল লক্ষ্য। যাতে ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে তাদের প্রাকৃতিক যুদ্ধটা পুনরায় শুরু হয়।

.


অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট: ইমিউন সিস্টেমকে “মানিয়ে নিতে” শেখানো


অর্গান ট্রান্সপ্লান্টের গল্পও এই আবিষ্কারের আলোয় নতুন করে দেখা যায়। অন্যের কিডনি, লিভার বা হার্ট শরীরে বসালে ইমিউন সিস্টেম এগুলিকে প্রথমে একদম “বিদেশি শত্রু” হিসাবে দেখে। স্বাভাবিকভাবেই সে আক্রমণ করতে চায়।


এই আক্রমণ ঠেকাতে রোগীকে সারাজীবন ইমিউনো-সাপ্রেসিভ ওষুধ খেতে হয়। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক—সংক্রমণ, ক্যান্সার, এমনকি অর্গান ফেইলিওর পর্যন্ত।


কিন্তু যদি টার্গেটেড Treg দিয়ে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা যায়, যেখানে শুধু ওই ট্রান্সপ্লান্টেড অর্গানের বিরুদ্ধে ইমিউন প্রতিক্রিয়াটা শান্ত হয়ে যায়, তাহলে সুবিধা হয়। বাকি শরীরের প্রতিরোধশক্তি তখন মোটামুটি ভাল থাকে।


তাহলে ট্রান্সপ্লান্ট রোগীদের জীবন অনেক নিরাপদ আর স্বাভাবিক হতে পারে। তাই আজকে CAR-Treg-এর মত কনসেপ্ট নিয়ে কাজ হচ্ছে। সেখানে বিশেষভাবে ডিজাইন করা Treg নির্দিষ্ট অর্গান বা টিস্যুকে চিনে সেখানেই গিয়ে ইমিউন প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

.


সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু: Regulatory T cell এবং FOXP3


এই সবকিছুর ভিত্তি, শেষ পর্যন্ত এসে দাঁড়ায় ঐ দুটো শব্দে—Regulatory T cell আর FOXP3। শিমন সাকাগুচি দেখালেন, এমন এক আলাদা টি-সেল গোষ্ঠী আছে, যারা ইমিউন সিস্টেমের ভেতরে শান্তি রক্ষা করে।


মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড র‌্যামসডেল দেখালেন, এই শান্তিবাহিনী গড়ে ওঠার চাবিকাঠি একটি নির্দিষ্ট জিন—FOXP3। তিনজনের গবেষণার ফল মিলিয়ে এখন আমরা জানি, ইমিউন সিস্টেমের ভেতরে শুধু “আক্রমণ বাহিনী”ই নেই। খুব সংগঠিত এক “ব্রেক সিস্টেম”ও আছে। আর সেটাকে বদলাতে পারলে ভবিষ্যতের চিকিৎসায় বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হয়।

.


তিন নোবেলজয়ী: ল্যাবের ভেতরের মানুষগুলি


তিন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত পথও কম আকর্ষণীয় নয়। মেরি ই. ব্রাঙ্কো যুক্তরাষ্ট্রে জন্মেছেন। তিনি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।


সিয়াটলের ইনস্টিটিউট ফর সিস্টেমস বায়োলজিতে কাজ করতে করতে scurfy ইঁদুরের FOXP3-ত্রুটি খুঁজে বের করা প্রকল্পের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হয়েছেন। তার কাজ দেখিয়েছে, একটি মাত্র জিনের সমস্যা পুরো ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্য উল্টে দিতে পারে। আজ বিরল জেনেটিক রোগ থেকে শুরু করে সাধারণ অটোইমিউন রোগ বোঝার ক্ষেত্রেও এই ধারণা প্রভাব ফেলছে।


ফ্রেড র‌্যামসডেল একদিকে একাডেমিক গবেষক, অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বায়োটেকের সেতুবন্ধনকারী। তিনি শুধু FOXP3 আবিষ্কারে নন, পরের ধাপেও গুরুত্বপূর্ণ।


এই জ্ঞানকে ভিত্তি করে Treg-ভিত্তিক সেল থেরাপি আর নতুন ধরনের ইমিউনো-মডুলেটরি চিকিৎসার দিকে গবেষণা এগিয়ে নেওয়ার কাজও তিনি করে চলেছেন।


আর শিমন সাকাগুচি, জাপানের ইমিউনোলজি জগতের এক কিংবদন্তি। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে Treg-এর ভূমিকা ও গঠন নিয়ে কাজ করছেন। FOXP3-এর সঙ্গে এর সম্পর্ক আর বিভিন্ন রোগে Treg-এর ভারসাম্য ভাঙার প্রভাব নিয়েও তিনি ধারাবাহিকভাবে গবেষণা করে গেছেন।

.


লড়াই নয়, ভারসাম্যই ভবিষ্যৎ


এই সব কারণে নোবেল কমিটি যখন বলল—তাদের আবিষ্কার দেখিয়েছে কীভাবে আমাদের ইমিউন সিস্টেম “নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণে রাখে”—তা শুধু বৈজ্ঞানিক ভাষণ ছিল না। আমাদের স্বাস্থ্যের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এক বড় আশার কথাও ছিল।


আজ আমরা হয়ত সাধারণ রোগী হিসেবে FOXP3 বা Treg-এর নাম জানি না। কিন্তু অটোইমিউন রোগের নতুন চিকিৎসা, ক্যান্সার ইমিউনোথেরাপির দক্ষতা, কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অর্গান ট্রান্সপ্লান্টের স্বপ্ন—এসবের সাথে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে এই আবিষ্কার।


একসময় ইমিউনোলজি মানে ছিল, কীভাবে আক্রমণ বাড়ানো যায়। এখন, ব্রাঙ্কো, র‌্যামসডেল আর সাকাগুচির কাজের পর, আমরা নতুন করে বুঝতে পারছি—সত্যিকারের উন্নত ইমিউন সিস্টেম মানে শুধু শক্তিশালী “লড়াই করার ক্ষমতা” নয়। বরং গভীর “নিজেকে থামিয়ে রাখার ক্ষমতা”ও।


এই ভারসাম্য বোঝার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আগামী দিনের অনেক চিকিৎসা বিপ্লবের বীজ।


#নোবেল #মেডিসিন #আবিষ্কার

মাছের গায়ে বা শরীরে বিভিন্ন ধরণের পরজীবী বা প্যারাসাইট (Parasite) বাসা বাঁধতে পারে

 মাছের গায়ে বা শরীরে বিভিন্ন ধরণের পরজীবী বা প্যারাসাইট (Parasite) বাসা বাঁধতে পারে


। এই পরজীবীগুলো মাছের পুষ্টি শুষে নিয়ে বেঁচে থাকে এবং মাছের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।


​অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মাছের পরজীবীগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:


১. বহিঃপরজীবী (Ectoparasites): এগুলো মাছের শরীরের বাইরের অংশে যেমন— ত্বক, আঁশ, পাখনা বা ফুলকায় (Gills) আক্রমণ করে।


২. অন্তঃপরজীবী (Endoparasites): এগুলো মাছের শরীরের ভেতরে যেমন— পাকস্থলী, অন্ত্র, যকৃৎ বা মাংসপেশীতে বসবাস করে।

​নিচে মাছের প্রধান প্রধান পরজীবীগুলোর ধরন আলোচনা করা হলো:


​১. প্রোটোজোয়া বা এককোষী পরজীবী (Protozoan Parasites)

​এগুলো অণুবীক্ষণীয় ছোট জীব। এগুলো সাধারণত মাছের ত্বক এবং ফুলকায় আক্রমণ করে।


​সাদা দাগ রোগ সৃষ্টিকারী (Ichthyophthirius multifiliis - সংক্ষেপে 'Ich'): এটি খুব সাধারণ একটি পরজীবী। আক্রান্ত মাছের সারা গায়ে লবণের দানার মতো ছোট ছোট সাদা বিন্দু দেখা যায়। মাছ খুব অস্বস্তি বোধ করে এবং গা চুলকানোর জন্য পাথরের সাথে শরীর ঘষে।


​ট্রাইকোডিনা (Trichodina): এগুলো চাকতির মতো দেখতে এক ধরণের এককোষী প্রাণী। এরা মাছের ত্বক ও ফুলকায় আক্রমণ করে। অতিরিক্ত শ্লেষ্মা (পিচ্ছিল পদার্থ) তৈরি হয় এবং মাছের শ্বাসকষ্ট হতে পারে।


​কসটিয়া (Costia / Ichthyobodo): এটিও ত্বক ও ফুলকায় আক্রমণ করে, যার ফলে ত্বকে নীলচে-ধূসর আস্তরণ পড়ে।


​২. কৃমি জাতীয় পরজীবী (Helminths/Worms)

​মাছে বিভিন্ন ধরণের কৃমি দেখা যায়। কিছু বাইরে থাকে, কিছু ভেতরে।


​ক) মনোজিনিয়ান (Monogeneans - ফ্লুক বা চ্যাপ্টা কৃমি):

এরা সাধারণত বহিঃপরজীবী।


​ড্যাকটাইলোগাইরাস (Dactylogyrus): একে "ফুলকা কৃমি" (Gill Fluke) বলা হয়। এরা ফুলকায় আক্রমণ করে শ্বাসকষ্ট ঘটায়।

​গাইরোড্যাকটাইলাস (Gyrodactylus): একে "ত্বকের কৃমি" (Skin Fluke) বলা হয়। এরা মাছের ত্বকে ও পাখনায় আক্রমণ করে।


​খ) ডাইজিনিয়ান (Digeneans - ট্রেমাকোডা):

এদের জীবনচক্র জটিল এবং একাধিক পোষক (host) দরকার হয়। অনেক সময় মাছ এদের মধ্যবর্তী পোষক হয়।


​কালো দাগ রোগ (Black Spot Disease): এক ধরণের কৃমির লার্ভা (metacercariae) মাছের চামড়ার নিচে বাসা বাঁধলে সেখানে কালো দাগের সৃষ্টি হয়।


​গ) ফিতা কৃমি (Cestodes / Tapeworms):

এগুলো অন্তঃপরজীবী। মাছের অন্ত্রে (intestine) লম্বা ফিতার মতো এই কৃমিগুলো বাস করে এবং মাছের গ্রহণ করা খাদ্য থেকে পুষ্টি শুষে নেয়। ফলে মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে।


​ঘ) গোল কৃমি (Nematodes / Roundworms):

এগুলো সুতার মতো দেখতে। এরা মাছের পাকস্থলী, অন্ত্র এমনকি মাংসপেশীতেও থাকতে পারে। কিছু সামুদ্রিক মাছের গোল কৃমি (যেমন- Anisakis) মানুষের শরীরেও সংক্রমিত হতে পারে যদি সেই মাছ কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ খাওয়া হয়।


​৩. ক্রাস্টেসিয়ান বা সন্ধিপদী পরজীবী (Crustacean Parasites)

​এগুলো তুলনামূলকভাবে বড় এবং খালি চোখে দেখা যায়। এগুলো মাছের জন্য খুবই ক্ষতিকর বহিঃপরজীবী।


​মাছের উকুন (Argulus / Fish Louse): এটি খুব সাধারণ একটি পরজীবী। দেখতে চ্যাপ্টা, গোলাকার এবং স্বচ্ছ। এরা মাছের গায়ে লেগে থেকে রক্ত চুষে খায়। এদের কামড়ের স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় যা পরে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।


​অ্যাংকর ওয়ার্ম বা নোঙর কৃমি (Lernaea / Anchor Worm): যদিও নামে 'ওয়ার্ম' বা কৃমি, কিন্তু এটি আসলে এক ধরণের কোপিপড (Copepod) ক্রাস্টেসিয়ান। স্ত্রী পরজীবীটি তার মাথা নোঙরের মতো মাছের মাংসপেশীতে গেঁথে দেয় এবং শরীরের বাকি অংশ সুতার মতো বাইরে ঝুলে থাকে।


​৪. জোঁক (Leeches)

​কিছু প্রজাতির জলজ জোঁক মাছের গায়ে লেগে রক্ত চুষে খায়। এরা রক্ত খাওয়ার পর শরীর থেকে খসে পড়ে, কিন্তু কামড়ের স্থানে ক্ষত রেখে যায়।


​সারসংক্ষেপ:

মাছের গায়ে সাদা দাগ, উকুন, নোঙর কৃমি এবং ফুলকা কৃমি—এগুলোই সাধারণত বেশি দেখা যায়। মাছ চাষে এই পরজীবীগুলো বড় ধরণের অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

DNA কাহিনী

 ভাবুন তো, এক বিকেলে আপনি বিশ্রাম নিচ্ছেন প্রশান্ত এক পরিবেশে। আগডুম বাগডুম অনেক ভাবনার মাঝে হঠাৎ চিন্তা ঘুরে যায় নিজের জীবনের দিকে — আপনার মা-বাবা, তাদের পরিশ্রম আর ভালোবাসা, যেগুলোর জন্য আপনি আজকের আপনি হয়েছো। তারপর চিন্তা চলে যায় আরও পেছনে — আপনার দাদা-দাদী বা নানা-নানীর দিকে। মনে পড়ে যায় তাদের মমতা, স্নেহ আর যত্ন। তারপর মনে হয়, তারাও তো কারও সন্তান ছিল, তাদেরও ছিল মা-বাবা, দাদা-দাদী... এভাবেই চলেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। হঠাৎ মনে হয়, আমি তো এক দীর্ঘ, অবিচ্ছিন্ন ভালোবাসা, যত্ন আর ত্যাগের শৃঙ্খলের ফল। কত প্রপিতামহ-প্রমাতামহ ছিলেন আমার আগে — ভাবতেই অবাক লাগে।


আমার আসলে কতজন পূর্বপুরুষ আছে? এটা তো অসীম হতে পারে না, কারণ মানুষ প্রজাতি যখন প্রথম সৃষ্টি হয়েছিল, তখন নিশ্চয়ই তার একটি শুরু ছিল, তাই না?


পৃথিবীর সব মানুষ, দেখতে যতই আলাদা হোক না কেন, ভেতরে আমরা প্রায় হুবুহু একরকম। পৃথিবীর একদম দুই প্রান্তের একজন পুরুষ আর একজন নারীও একসাথে সন্তান জন্ম দিতে পারেন। তারা সেটা পারেন কারণ তারা একই প্রজাতির দুজন মানুষ। তাহলেতো আসলে আমরা সবাই আত্মীয়, যত দূরেরই হোক না কেন। অনেক দূর পেছনে গেলে দেখা যাবে আমাদের সবারই কোনো এক দাদা-দাদী বা নানা-নানী এক। 


এই কৌতূহল থেকেই আসে প্রশ্নটা — তাহলে কি আমাদের সবার সাধারণ পূর্বপুরুষদের খুঁজে বের করা সম্ভব? ধর্মবিশ্বাসীরা হয়তো বলবেন, আমরাতো ইতিমধ্যেই জানি — আদম আর হাওয়া (Adam and Eve) আমাদের প্রথম পূর্বপুরুষ। কিন্তু ওটা বিশ্বাসের ব্যাপার। যদি আমরা প্রমাণ চাই — বিজ্ঞানভিত্তিক বা যুক্তিনির্ভর — তাহলে?


শুনতে অসম্ভব মনে হলেও, আশ্চর্যভাবে কিছু যৌক্তিক উপায় আছে যেগুলো দিয়ে আমরা একধরনের মোটামুটি অনুমান করতে পারি এ ব্যাপারে। এখানে খুব কঠিন কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের কথা বলছি না, বরং পর্যবেক্ষিত কিছু সত্য মেনে নিয়ে যুক্তির ওপর যুক্তি দাঁড় করাবার কথা বলছি।


এই যুক্তি নির্ভর চিন্তাটা একটু এগিয়ে নিতে হলে আমাদের কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্যের সাহায্য লাগবে — যেগুলো অনেকেই হয়তো জানেন না পুরোপুরি। চলেন, সেগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।


প্রায় সব শিক্ষিত মানুষই জানে — DNA, জিন আর ক্রোমোজোম সম্পর্কে। DNA হলো সেই অণু যেটা ক্রোমোজোম তৈরি করে, আর জিন হলো DNA-র ছোট ছোট অংশ, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা জৈবিক কাজের নির্দেশনা লেখা থাকে।


প্রতিটি মানুষের কোষে থাকে ৪৬টি ক্রোমোজোম, ২৩ জোড়ায় সাজানো। প্রতিটা জোড়ার এক অংশ আসে মায়ের কাছ থেকে, আরেকটা বাবার কাছ থেকে। ২৩তম জোড়াটা ঠিক করে দেয় জীবের লিঙ্গ — মেয়েদের জন্য XX আর ছেলেদের জন্য XY। X ক্রোমোজোম আসে মার থেকে আর Y বাবার থেকে।


এখন, যদি আমরা জানতে চাই মানবজাতির সাধারণ পূর্বপুরুষ কে ছিলেন — বিশেষ করে আমাদের “প্রথম দাদা” — তাহলে কোন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কাজে লাগানো যেতে পারে?


দুই বাবা-মাই তাঁদের DNA সন্তানকে দেন। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে ২৩তম জোড়ার এক অংশ — Y ক্রোমোজোম — কেবল বাবার কাছ থেকেই আসে। এটা মায়ের DNA-র সঙ্গে মিশে না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ছেলেরা বাবার কাছ থেকে এই Y ক্রোমোজোম প্রায় হুবহু অপরিবর্তিত অবস্থায় পায়।হ্যাঁ, সময়ের সঙ্গে ছোটখাটো পরিবর্তন বা মিউটেশন হয় — কিন্তু তাও খুবই সামান্য। তাই পৃথিবীর সব পুরুষের Y ক্রোমোজোম প্রায় একরকম, যেটা হাজার হাজার বছর ধরে পিতৃপরম্পরায় চলে এসেছে।


এখন একটু অন্য বিষয়ের কথা বলি — যদিও এটা আসলে আমাদের মূল আলোচনার সঙ্গেই যুক্ত।


ভাবুন, কেউ একটি  পুরনো ছবি হাজারবার ফটোকপি করেছে। কিছু কপি আবার আগের কপি থেকে করা। পুরনো ছবিটাতে আগে থেকেই ছিল দাগ, ছোপ আর স্ক্র্যাচ। প্রতিবার ফটোকপি করলে কিছু নতুন দাগ যোগ হয়, কিছু আগের দাগ হারিয়ে যায় — তবুও ছবিটা মোটামুটি চিনে নেওয়া যায়।


এখন যদি আপনার হাতে সেই রকম একশোটা কপি দেওয়া হয় আর বলা হয়, বলো তো মূল ছবি থেকে এটি কয়বার কপি হয়েছে? প্রথমে শুনে অসম্ভব মনে হবে, কিন্তু আসলে পরিসংখ্যানভিত্তিক কিছু বিশ্লেষণ পদ্ধতি আছে যেগুলো দিয়ে আন্দাজ করা সম্ভব কত প্রজন্ম বা ধাপ পেরিয়ে এই কপিগুলো এসেছে।


একইভাবে, Y ক্রোমোজোমও বংশের পর বংশ কপি হয়ে আসছে। প্রতি প্রজন্মে ছেলেরা বাবার কাছ থেকে প্রায় হুবহু একটি  কপি পায়, শুধু সামান্য মিউটেশন হয়।


যদি পৃথিবীর বেশ কিছু সংখ্যক পুরুষের Y ক্রোমোজোম সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলে সেটাও অনেকটা সেই ফটোকপিগুলোর মতো একটি  ডেটাসেট হবে। আর ঠিক তেমনি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা হিসেব করতে পারেন কত প্রজন্ম আগে ছিল সেই সাধারণ পূর্বপুরুষ — “সব পুরুষের সাধারণ দাদা”।


এই ব্যক্তিকেই বিজ্ঞানীরা বলেন  "Y-chromosomal Adam" — যিনি সব জীবিত পুরুষের পিতৃসূত্রে অভিন্ন পূর্বপুরুষ। তিনি পৃথিবীর প্রথম মানুষ ছিলেন না, কিন্তু সেই ব্যক্তি যার Y ক্রোমোজোম আজও সবার মধ্যে বিদ্যমান। অনুমান করা হয়, তিনি প্রায় ২ থেকে ৩ লক্ষ বছর আগে বেঁচে ছিলেন।


এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে — তাহলে কি আমাদের একটি  সাধারণ দাদী বা নানী আছে? উত্তরটা হলো, হ্যাঁ, আছে, তবে শুধু নানী। আর তাঁকে খুঁজে বের করাটা তুলনামূলকভাবে সহজ।


প্রতিটি সন্তান — ছেলে বা মেয়ে — একটি  বিশেষ DNA পায়, যেটা কেবল মায়ের কাছ থেকে আসে। এই DNA কিন্তু আমাদের ৪৬টা ক্রোমোজোমের অংশ না। এটা থাকে কোষের এক বিশেষ অংশে, যেটার নাম মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)।


মাইটোকন্ড্রিয়া হলো আমাদের কোষের পাওয়ারহাউস — এখানেই তৈরি হয় বেশিরভাগ শক্তি। মজার বিষয় হলো, পুরুষরা যতই শক্তি আর এনার্জি নিয়ে গর্ব করুক না কেন, আসলে সেই এনার্জির উৎসটা এসেছে মায়ের দিক থেকেই! অবশ্য, শক্তি বা মাংসপেশির জিনগত দিকটা আরও জটিল।


মাইটোকন্ড্রিয়ারও নিজের DNA আছে — যেটা কোষের মূল নিউক্লিয়াসের DNA থেকে আলাদা। এই মাইটোকন্ড্রিয়াল DNA (mtDNA) মায়ের কাছ থেকে সন্তানের মধ্যে যায় — ছেলে বা মেয়ে, দুইয়ের ক্ষেত্রেই।


এই mtDNA-র ছোট ছোট মিউটেশন বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বের করেছেন, পৃথিবীর সব আধুনিক মানুষ এক সময় এক সাধারণ নারী পূর্বপুরুষের বংশধর। তিনি প্রায় দুই লক্ষ বছর আগে বেঁচে ছিলেন। এই নারীকে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন — “মাইটোকন্ড্রিয়াল ইভ (Mitochondrial Eve)”।


তাহলে আমরা দুর অতীতের  দাদা আর নানীর সন্ধান কিছুটা হলেও পেলাম। এদের দুজনেই খুব সম্ভবত বসবাস করতেন আফ্রিকা মহাদেশে। এখানে একটি কথা মনে রাখতে হবে, ওনাদের সাথে আমাদের রক্তের সম্পর্ক থাকলেও ওনারা কিন্ত একই সময়ে জীবিত ছিলেন না।

বমনের কার্যকারী হোমিও ঔষধ সমুহঃ 

 বমনের কার্যকারী হোমিও ঔষধ সমুহঃ 


🟦 আর্সেনিকঃ যে কোন খাদ্যদ্রব্য অথবা পানীয় হউক আহার

মাত্রই বমন হইয়া উঠিয়া যায় । উষ্ণ পানীয় কিম্বা খাদ্যভ্রব্যে

কিঞ্চিৎ উপশম হয় ।


🟦 ফসফরাসঃ  শীতল কিংবা বরফ জল পান করিবার অদম্য

আকাঙ্ক্ষা এবং পান করিবার কিয়ৎকাল পর বমন হয় অর্থাৎ

পাকস্থলীতে গিয়া উষ্ণ হইলেই বমন হইয়া উঠিয়া যায় ।


🟦 ইপিকাকঃ  সর্ব্বদা বমনেচ্ছা, প্রকৃত বমনাপেক্ষা বমনোদ্বেগ

অধিক ।


🟦 নাক্সভমিকাঃ  — উদ্গার এবং অম্লস্বাদযুক্ত বমন । অম্ল ( Acidity ) লক্ষণই ইহাতে অধিক বর্তমান থাকে এবং প্রাতঃকালে ও আহারান্তে অধিক হয় ।


🟦 এন্টিমটার্টঃ  বমনের ভীষণ উদ্বেগ হয় অথচ বমন কিছুতেই

হয় না। বমনের উদ্বেগকালীন কপালে ঘর্ম্ম এবং বমনান্তে দুর্ব্বলতা ও তন্দ্রাভাব উপস্থিত হয় ।


🟦 ম্যাগনেসিয়া কাৰ্ব্বঃ ইহাতেও অম্ল বমন হয় কিন্তু ইহাতে প্রায়ই সবুজ অত্যন্ত অস্ত্রগন্ধযুক্ত উদরাময় বৰ্ত্তমান থাকে। বমনাপেক্ষা সবুজ উদরাময়ে ইহা অধিক প্রয়োগ হয় ।


Dr.Hasanul Banna Alamin

DHMS, BHMEC (DHAKA)

BSc (Honours), MSc (First Class)

Homeopathic Physician & Consultant

01729-841398

BHMEC REG: 46200


#homeopathic #sylhethomeopathy #homeopathictreatmentbd #VomitingHomeopathicRemedy #HomeoMedicine #homeopathyforvomiting #homeopathicdoctor #বমিভাবেরচিকিৎসা #বমনেরহোমিওঔষধ #হোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা #হোমিওপ্যাথি_বাংলাদেশ #HomeopathicMedicine #homeopathicremedies #homeopathyworks #homeopathic #homeopathy

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৯-১১-২০২৫ খ্রি:।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৯-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।


নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর

--- বললেন সিইসি, গণভোট পরিচালনায় আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ।


মহান বিজয় দিবস ঘিরে নাশকতার কোনো শঙ্কা নেই --- জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।  


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো ও হত্যা মামলায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারিক কার্যক্রম ১৫ই ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে --- আশাবাদ প্রসিকিউশনের।


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়কে একটি মহল ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছে কিনা  তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি বিএনপি মহাসচিবের আহ্বান।


পারমানবিক জ্বালানি ও অত্যাধুনিক এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর।


এবং ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ চার উইকেটে ২৯২।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ১৯-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ১৯-১১-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকায় আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ গ্রহণ করতে পারবে না--নেদারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত উপমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বললেন প্রধান উপদেষ্টা

 

* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং ভোটার নিবন্ধন অ্যাপ ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ উদ্বোধন করলো নির্বাচন কমিশন

 

* যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে---কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে চাইলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে–জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। 

 

* নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে –-- বললেন অর্থ উপদেষ্টা

 

* ‘বিদেশী কর্মসংস্থান প্লাটফর্ম’ চালুর মাধ্যমে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সকল পরিষেবা ডিজিটালাইজড করা হয়েছে---জানালেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা

 

* লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একটি ফিলিস্তিনী শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলী হামলায় 

১৩ জনের মৃত্যু। 

 

* এবং ঢাকায় এ এফ সি এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে ভারতকে এক-শূন্য গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ---আজ মিরপুরে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্ট

বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

নখ দেখে ১০০ ঔষধ নির্নয়ঃ- 1. Acid-Floric প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। একক লক্ষণ- দ্রুত বৃদ্ধি পায়। 2. Acid-Muriaticum বর্ণ- নীলচে। 3. Acid-Niticum প্রকৃতি- হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র। বর্ণ- নীলচে, বর্ণ বিকৃতি, সাদা, হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 4. Acid-Oxalicum বর্ণ- নীলচে, কালচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ। 5. Acid-Phosphoricum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত। 6. Acid-Sulphuricum বর্ণ- কৃষ্ণনীলবর্ণ। রোগ- হাতের নখে ক্ষত। 7. Aconitum Napellus বর্ণ- নীলচে। 8. Aesculus Hippocastanum বর্ণ- নীলচে। 9. Agaricus Muscarius বর্ণ- নীলচে। 10. Alumina প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ। বর্ণ- সাদা। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 11. Ambra grisea বর্ণ- হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। 12. Ammonium-carbonicum বর্ণ- হলুদ। 13. Anacardium Orientale প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত। 14. Antimonium-crudum প্রকৃতি- বিকৃত নখ, বাড়তে চায় না, পুরু নখ, নখে ফাড়া। বর্ণ- বর্ণ বিকৃতি। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। ফাটা- হাতের নখ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। একক লক্ষণ- বাড়তে চায় না। 15. Apis-Mellifica বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বেগুনি। রোগ- নখের নিচে রক্ত জমে। একক লক্ষণ- নখের নিচে রক্ত জমে। 16. Apocy-cannabinum বর্ণ- নীলচে। 17. Argentum-Nitricum বর্ণ- নীলচে, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে। 18. Arnica-Montana বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 19. Arsenicum-album প্রকৃতি- পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, নখগুলি ঢেউ খেলান, নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ খেলান। বর্ণ- কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বর্ণ বিকৃতি, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, লাল, লাল ও কালো, সাদা। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। ফাটা- হাতের নখ। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। একক লক্ষণ- নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ, খেলান, পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, লাল ও কালো। 20. Asafoetida বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 21. Aurum-metallicum বর্ণ- নীলচে, হলুদ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 22. Baryta Carbonica রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 23. Belladona বর্ণ- হলুদ। 24. Borax রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 25. Bovista রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 26. Bryonia Alb বর্ণ- হলুদ। 27. Cactus Grandi বর্ণ- নীলচে। 28. Calc- carbonica প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত। 29. Camp-officinalis বর্ণ- নীলচে। 30. Cantharis Versicatoria বর্ণ- হলুদ। 31. Carboneum-Sulpuratum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 32. Carboneum—Vegetabilis বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ। 33. Castor-eque ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি। 34. Causticum রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 35. Chamomilla বর্ণ- হলুদ। 36. Chelidonium majus বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 37. China বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ। 38. Chininum arsenicosum বর্ণ- নীলচে। 39. Chininum sulphuricum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 40. Cicuta virosa বর্ণ- নীলচে। 41. Cocculus Indica বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 42. Colchicum Autumnale বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ। 43. Conium maculatum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 44. Crotalus-horridus রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে, পায়ের নখে ক্ষত। একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে। 45. Cuprum Metallicum বর্ণ- নীলচে, সাদা। 46. Digitalis purpurea বর্ণ- নীলচে। 47. Diosma lincaris ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। 48. Drosera Rotundifolia বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 49. Eupatorium purpureum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 50. Ferrum-arsenicosum বর্ণ- নীলচে। 51. Ferrum Metalicum বর্ণ- নীলচে, হলুদ। 52. Ferrum-phosporicum বর্ণ- নীলচে। 53. Gelsemium sempervirens বর্ণ- নীলচে। 54. Ginseng বর্ণ- নীলচে। 55. Graphites প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ, পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ। বর্ণ- কালো, নীলচে, বর্ণ বিকৃতি। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 56. Hepar-sulphuris রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 57. Iodium রোগ- হাতের নখে ক্ষত। 58. Ipecac বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 59. Kali-arsenicosum বর্ণ- নীলচে শীতাবস্থায়। 60. Kali-Carbonicum রোগ- হাতের নখে ক্ষত। 61. Lachesis রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 62. Leptandra Virginica বর্ণ- কালো। 63. Lithum-carbonicum বর্ণ- লাল। 64. Lycopodium বর্ণ- হলুদ। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 65. Mancinella Venenata বর্ণ- নীলচে। 66. Medorrhinum প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র। 67. Merc-corrosivus বর্ণ- ধূসর বর্ণ। 68. Mercurius vivus প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ। বর্ণ- নীলচে, হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 69. Merc-sulphuricus বর্ণ- নীলচে। 70. Mezereum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 71. Morphinum salts বর্ণ- কালচে। 72. Natrum-muriaticum বর্ণ- কালো, নখের চারদিকে কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। ফাটা- নখের চারধারের চর্ম ফাটা বা অমসৃণ, হাতের নখ। শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে। রোগ- নখকুনি, হাতের নখে ক্ষত। একক লক্ষণ- নখের চারধারে কালো বর্ণের, নখের চারধারে চর্মে ফাটা বা অমসৃন। 73. Nux-Vomica বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ। 74. Opium বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, হলুদ। রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে। একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে। 75. Petroleum বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 76. Phosphorus বর্ণ- নীলচে। 77. Platinum metalicum রোগ- হাতের নখে ক্ষত। 78. Psorinum ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। 79. Pulsatilla nigricans রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 80. Ranunculus bulbosus রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 81. Rhus-tox বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। রোগ- নখকুনি। 82. Sabadilla officinalis প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ। রোগ- নখকুনি। 83. Sambucus nigra বর্ণ-বেগুনি। 84. Sangunaria-canadensis বর্ণ- নীলচে। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 85. Sarsaparilla officinalis বর্ণ- নীলচে। 86. Secale cornutum প্রকৃতি- পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ। বর্ণ-বেগুনি। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 87. Sepia officinalis প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ। বর্ণ- নীলচে, সাদা, হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 88. Silicea Terra প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, নখে ফাড়া। বর্ণ- নীলচে, ধূসর বর্ণ, সাদা, হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। ফাটা- হাতের নখ। শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে, পায়ের নখে। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 89. Spigelia Anthelmia বর্ণ- হলুদ। 90. Squila hispania or Scilla প্রকৃতি- নখে ফাড়া। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। রোগ- পায়ের নখে ক্ষত। 91. Stannum met রোগ- নখকুনি। 92. Stramonium বর্ণ-বেগুনি। 93. Sulphur প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ। বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, সাদা, হলুদ। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 94. Sumbulus moschata বর্ণ- নীলচে। 95. Tarentula hispanica বর্ণ- নীলচে। 96. Thuja প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, নখগুলি ঢেউ খেলান। বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে, বর্ণ বিকৃতি। ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। শুষ্কতা- পায়ের নখে। রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত। 97. Tuberculinum Bovinum প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র। দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত। 98. Ustilago Maydis প্রকৃতি- পুরু নখ। 99. Veratrum Album বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়। 100. Zincum metallicum বর্ণ- সাদা। দাগ- সাদা দাগ।

 নখ দেখে ১০০ ঔষধ নির্নয়ঃ-


1. Acid-Floric

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

একক লক্ষণ- দ্রুত বৃদ্ধি পায়।


2. Acid-Muriaticum

বর্ণ- নীলচে।


3. Acid-Niticum

প্রকৃতি- হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।

বর্ণ- নীলচে, বর্ণ বিকৃতি, সাদা, হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


4. Acid-Oxalicum

বর্ণ- নীলচে, কালচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ।


5. Acid-Phosphoricum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত।


6. Acid-Sulphuricum

বর্ণ- কৃষ্ণনীলবর্ণ।

রোগ- হাতের নখে ক্ষত।


7. Aconitum Napellus

বর্ণ- নীলচে।


8. Aesculus Hippocastanum

বর্ণ- নীলচে।


9. Agaricus Muscarius

বর্ণ- নীলচে।


10. Alumina

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ।

বর্ণ- সাদা।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


11. Ambra grisea

বর্ণ- হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।


12. Ammonium-carbonicum

বর্ণ- হলুদ।


13. Anacardium Orientale

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত।


14. Antimonium-crudum

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, বাড়তে চায় না, পুরু নখ, নখে ফাড়া।

বর্ণ- বর্ণ বিকৃতি।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

ফাটা- হাতের নখ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

একক লক্ষণ- বাড়তে চায় না।


15. Apis-Mellifica

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বেগুনি।

রোগ- নখের নিচে রক্ত জমে।

একক লক্ষণ- নখের নিচে রক্ত জমে।


16. Apocy-cannabinum

বর্ণ- নীলচে।


17. Argentum-Nitricum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে।


18. Arnica-Montana

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


19. Arsenicum-album

প্রকৃতি- পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, নখগুলি ঢেউ খেলান, নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ খেলান।

বর্ণ- কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, বর্ণ বিকৃতি, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, লাল, লাল ও কালো, সাদা।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

ফাটা- হাতের নখ।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।

একক লক্ষণ- নখগুলি আড়াআড়ি ভাবে ঢেউ, খেলান, পক্ষীর নখের ন্যায় বক্র, লাল ও কালো।


20. Asafoetida

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


21. Aurum-metallicum

বর্ণ- নীলচে, হলুদ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


22. Baryta Carbonica

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


23. Belladona

বর্ণ- হলুদ।


24. Borax

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


25. Bovista

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


26. Bryonia Alb

বর্ণ- হলুদ।


27. Cactus Grandi

বর্ণ- নীলচে।


28. Calc- carbonica

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত।


29. Camp-officinalis

বর্ণ- নীলচে।


30. Cantharis Versicatoria

বর্ণ- হলুদ।


31. Carboneum-Sulpuratum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


32. Carboneum—Vegetabilis

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।


33. Castor-eque

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি।


34. Causticum

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


35. Chamomilla

বর্ণ- হলুদ।


36. Chelidonium majus

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


37. China

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।


38. Chininum arsenicosum

বর্ণ- নীলচে।


39. Chininum sulphuricum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


40. Cicuta virosa

বর্ণ- নীলচে।


41. Cocculus Indica

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


42. Colchicum Autumnale

বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ।


43. Conium maculatum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


44. Crotalus-horridus

রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে, পায়ের নখে ক্ষত।

একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে আঙ্গুলের নখ হতে।


45. Cuprum Metallicum

বর্ণ- নীলচে, সাদা।


46. Digitalis purpurea

বর্ণ- নীলচে।


47. Diosma lincaris

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।


48. Drosera Rotundifolia

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


49. Eupatorium purpureum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


50. Ferrum-arsenicosum

বর্ণ- নীলচে।


51. Ferrum Metalicum

বর্ণ- নীলচে, হলুদ।


52. Ferrum-phosporicum

বর্ণ- নীলচে।


53. Gelsemium sempervirens

বর্ণ- নীলচে।


54. Ginseng

বর্ণ- নীলচে।


55. Graphites

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ, পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ।

বর্ণ- কালো, নীলচে, বর্ণ বিকৃতি।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


56. Hepar-sulphuris

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


57. Iodium

রোগ- হাতের নখে ক্ষত।


58. Ipecac

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


59. Kali-arsenicosum

বর্ণ- নীলচে শীতাবস্থায়।


60. Kali-Carbonicum

রোগ- হাতের নখে ক্ষত।


61. Lachesis

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


62. Leptandra Virginica

বর্ণ- কালো।


63. Lithum-carbonicum

বর্ণ- লাল।


64. Lycopodium

বর্ণ- হলুদ।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


65. Mancinella Venenata

বর্ণ- নীলচে।


66. Medorrhinum

প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।


67. Merc-corrosivus

বর্ণ- ধূসর বর্ণ।


68. Mercurius vivus

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ।

বর্ণ- নীলচে, হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


69. Merc-sulphuricus

বর্ণ- নীলচে।


70. Mezereum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


71. Morphinum salts

বর্ণ- কালচে।


72. Natrum-muriaticum

বর্ণ- কালো, নখের চারদিকে কালো, নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

ফাটা- নখের চারধারের চর্ম ফাটা বা অমসৃণ, হাতের নখ।

শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে।

রোগ- নখকুনি, হাতের নখে ক্ষত।

একক লক্ষণ- নখের চারধারে কালো বর্ণের, নখের চারধারে চর্মে ফাটা বা অমসৃন।


73. Nux-Vomica

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, হলুদ।


74. Opium

বর্ণ- নীলচে, কৃষ্ণনীলবর্ণ, বেগুনি, হলুদ।

রোগ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে।

একক লক্ষণ- রক্ত চুয়ে পড়ে হাতের নখ হতে।


75. Petroleum

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


76. Phosphorus

বর্ণ- নীলচে।


77. Platinum metalicum

রোগ- হাতের নখে ক্ষত।


78. Psorinum

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।


79. Pulsatilla nigricans

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


80. Ranunculus bulbosus

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


81. Rhus-tox

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।

রোগ- নখকুনি।


82. Sabadilla officinalis

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, পুরু হাতের আঙ্গুলের নখ।

রোগ- নখকুনি।


83. Sambucus nigra

বর্ণ-বেগুনি।


84. Sangunaria-canadensis

বর্ণ- নীলচে।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


85. Sarsaparilla officinalis

বর্ণ- নীলচে।


86. Secale cornutum

প্রকৃতি- পুরু পায়ের আঙ্গুলের নখ।

বর্ণ-বেগুনি।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


87. Sepia officinalis

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, পুরু নখ।

বর্ণ- নীলচে, সাদা, হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


88. Silicea Terra

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, নখগুলি ঢেউ খেলান, পুরু নখ, নখে ফাড়া।

বর্ণ- নীলচে, ধূসর বর্ণ, সাদা, হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

ফাটা- হাতের নখ।

শুষ্কতা- হাতের নখের চারিদিকে, পায়ের নখে।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


89. Spigelia Anthelmia

বর্ণ- হলুদ।


90. Squila hispania or Scilla

প্রকৃতি- নখে ফাড়া।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

রোগ- পায়ের নখে ক্ষত।


91. Stannum met

রোগ- নখকুনি।


92. Stramonium

বর্ণ-বেগুনি।


93. Sulphur

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পুরু নখ।

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, সাদা, হলুদ।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত, সাদা দাগ।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


94. Sumbulus moschata

বর্ণ- নীলচে।


95. Tarentula hispanica

বর্ণ- নীলচে।


96. Thuja

প্রকৃতি- বিকৃত নখ, পায়ের নখ বিকৃত, নখগুলি ঢেউ খেলান।

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়, নীলচে ঋতুস্্রাব কালে, বর্ণ বিকৃতি।

ভঙ্গুর- হাতের নখগুলি, পায়ের নখগুলি, টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

শুষ্কতা- পায়ের নখে।

রোগ- নখকুনি, পায়ের নখে ক্ষত, হাতের নখে ক্ষত।


97. Tuberculinum Bovinum

প্রকৃতি- ক্ষয় রোগের ফলে হাতের আঙ্গুলের নখ বক্র।

দাগ- নখ দাগ দাগযুক্ত।


98. Ustilago Maydis

প্রকৃতি- পুরু নখ।


99. Veratrum Album

বর্ণ- নীলচে, নীলচে শীতাবস্থায়।


100. Zincum metallicum

বর্ণ- সাদা।

দাগ- সাদা দাগ।

মানুষের দেহের ১০০টি অর্গান (অঙ্গ) এবং প্রতিটি অঙ্গে হওয়া ২টি করে সাধারণ রোগ বা সমস্যার তালি

 🎍মানুষের দেহের ১০০টি অর্গান (অঙ্গ) এবং প্রতিটি অঙ্গে হওয়া ২টি করে সাধারণ রোগ বা সমস্যার তালিকা ~


---


১. মস্তিষ্ক (Brain)


· আলঝেইমার রোগ

· স্ট্রোক


২. হৃৎপিণ্ড (Heart)


· করোনারি আর্টারি ডিজিজ

· হার্ট ফেইলিওর


৩. ফুসফুস (Lungs)


· নিউমোনিয়া

· ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD)


৪. যকৃত (Liver)


· হেপাটাইটিস

· সিরোসিস


৫. কিডনি (Kidneys)


· কিডনিতে পাথর

· ক্রনিক কিডনি ডিজিজ


৬. প্লীহা (Spleen)


· স্প্লেনোমেগালি (প্লীহা বড় হওয়া)

· স্প্লেনিক ইনফার্কশন


৭. পাকস্থলী (Stomach)


· গ্যাস্ট্রাইটিস

· পেপটিক আলসার


৮. ক্ষুদ্রান্ত্র (Small Intestine)


· ক্রোনস ডিজিজ

· সেলিয়াক ডিজিজ


৯. বৃহদন্ত্র (Large Intestine)


· আলসারেটিভ কোলাইটিস

· ডাইভার্টিকুলাইটিস


১০. অগ্ন্যাশয় (Pancreas)


· প্যানক্রিয়াটাইটিস

· ডায়াবেটিস মেলিটাস


১১. মূত্রথলি (Urinary Bladder)


· সিস্টাইটিস (মূত্রথলির ইনফেকশন)

· মূত্রথলির ক্যান্সার


১২. প্রস্টেট (Prostate) - পুরুষ


· প্রস্টেট হাইপারপ্লাজিয়া (BPH)

· প্রস্টেট ক্যান্সার


১৩. জরায়ু (Uterus) - মহিলা


· ফাইব্রয়েড

· এন্ডোমেট্রিয়োসিস


১৪. ডিম্বাশয় (Ovaries) - মহিলা


· পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS)

· ওভারিয়ান সিস্ট


১৫. থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid Gland)


· হাইপোথাইরয়েডিজম

· হাইপারথাইরয়েডিজম


১৬. অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (Adrenal Gland)


· অ্যাডিসনের রোগ

· কুশিংস সিনড্রোম


১৭. অন্ননালী (Esophagus)


· গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)

· ইসোফেজিয়াল ক্যান্সার


১৮. অ্যাপেন্ডিক্স (Appendix)


· অ্যাপেন্ডিসাইটিস


১৯. গলব্লাডার বা পিত্তথলি (Gallbladder)


· গলব্লাডারে পাথর

· কোলেসিস্টাইটিস


২০. আমাশয় (Tonsils)


· টনসিলাইটিস


২১. অ্যাডিনয়েড (Adenoids)


· অ্যাডিনয়েডাইটিস


২২. কর্নিয়া (Cornea)


· কেরাটাইটিস

· কর্নিয়াল আলসার


২৩. লেন্স (Lens)


· ক্যাটারাক্ট


২৪. রেটিনা (Retina)


· রেটিনাল ডিটাচমেন্ট

· ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি


২৫. কান (Ears)


· ওটাইটিস মিডিয়া (কানের ইনফেকশন)

· টিনিটাস


২৬. নাক (Nose)


· রাইনাইটিস

· সাইনুসাইটিস


২৭. জিহ্বা (Tongue)


· জিওগ্রাফিক টাং

· অ্যাফথাস আলসার (জিহ্বায় ঘা)


২৮. লালাগ্রন্থি (Salivary Glands)


· সিয়ালাডেনাইটিস

· সজögren's সিনড্রোম


২৯. ত্বক (Skin)


· একজিমা

· সোরিয়াসিস


৩০. চুল (Hair)


· অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া (টাক পড়া)

· Alopecia Areata


৩১. নখ (Nails)


· ফাঙ্গাল ইনফেকশন (ওনিকোমাইকোসিস)

· নখ ভেঙে যাওয়া


৩২. রক্ত (Blood)


· অ্যানিমিয়া

· লিউকেমিয়া


৩৩. রক্তনালী (Blood Vessels)


· অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস

· অ্যানিউরিজম


৩৪. ধমনী (Arteries)


· উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন)

· পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ


৩৫. শিরা (Veins)


· ভারিকোজ ভেইন

· ডীপ ভেইন থ্রম্বোসিস (DVT)


৩৬. কৈশিক নালী (Capillaries)


· ক্যাপিলারাইটিস


৩৭. লসিকাগ্রন্থি (Lymph Nodes)


· লিম্ফাডেনাইটিস

· লিম্ফোমা


৩৮. লসিকানালী (Lymphatic Vessels)


· লিম্ফেডেমা


৩৯. অস্থি (Bones)


· অস্টিওপরোসিস

· অস্টিওমায়েলাইটিস


৪০. অস্থিসন্ধি (Joints)


· অস্টিওআর্থ্রাইটিস

· রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস


৪১. পেশী (Muscles)


· মাসকুলার ডিস্ট্রোফি

· মায়োসাইটিস


৪২. করোটিকা (Skull)


· ক্র্যানিওসিনোস্টোসিস


৪৩. মেরুদণ্ড (Spine)


· স্কোলিওসিস

· হার্নিয়েটেড ডিস্ক


৪৪. বক্ষপিঞ্জর (Rib Cage)


· কোস্টোকন্ড্রাইটিস


৪৫. শ্রোণী (Pelvis)


· পেলভিক ইনফ্লামেটরি ডিজিজ (PID)


৪৬. স্ক্যাপুলা (Shoulder Blade)


· স্ক্যাপুলার ডাইসকাইনেসিস


৪৭. হাড়ের মজ্জা (Bone Marrow)


· অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া

· মাইলোডিসপ্লাস্টিক সিনড্রোম


৪৮. স্নায়ু (Nerves)


· নিউরোপ্যাথি

· কারপাল টানেল সিনড্রোম


৪৯. মেরুরজ্জু (Spinal Cord)


· স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি

· ট্রান্সভার্স মায়েলাইটিস


৫০. কর্পাস ক্যালোসাম (Corpus Callosum)


· কর্পাস ক্যালোসাম এজেনেসিস


---


পরবর্তী ৫০টি অঙ্গ ও রোগ


৫১. হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus)


· হাইপোথ্যালামিক ডিসফাংশন


৫২. পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland)


· পিটুইটারি অ্যাডেনোমা

· ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস


৫৩. পাইনাল গ্রন্থি (Pineal Gland)


· পাইনাল সিস্ট


৫৪. প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি (Parathyroid Glands)


· হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম

· হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম


৫৫. টাইমাস (Thymus)


· মাইএস্থেনিয়া গ্র্যাভিস

· টাইমোমা


৫৬. ব্রঙ্কাস (Bronchi)


· ব্রঙ্কাইটিস

· ব্রঙ্কিয়েক্টাসিস


৫৭. ব্রঙ্কাইওল (Bronchioles)


· ব্রঙ্কিওলাইটিস

· অ্যাস্থমা


৫৮. অ্যালভিওলাই (Alveoli)


· অ্যালভিওলাইটিস

· এমফাইসিমা


৫৯. ডায়াফ্রাম (Diaphragm)


· হিয়াটাল হার্নিয়া

· ডায়াফ্রাগমাটিক পালসি


৬০. ট্রাকিয়া (Trachea)


· ট্র্যাকাইটিস

· ট্র্যাকিয়াল স্টেনোসিস


৬১. স্বরযন্ত্র (Larynx)


· ল্যারিঞ্জাইটিস

· ভোকাল কর্ড পলিপ


৬২. এপিগ্লটিস (Epiglottis)


· এপিগ্লটাইটিস


৬৩. মুখগহ্বর (Oral Cavity)


· স্টোমাটাইটিস

· ওরাল থ্রাশ


৬৪. দাঁত (Teeth)


· ডেন্টাল ক্যারিজ (কavities)

· পেরিওডোন্টাইটিস


৬৫. মাড়ি (Gums)


· জিনজিভাইটিস


৬৬. তালু (Palate)


· কleft প্যালেট


৬৭. ইউভুলা (Uvula)


· ইউভুলাইটিস


৬৮. ভেস্টিবিউল (Vestibule - Mouth)


· ভেস্টিবুলাইটিস


৬৯. ফ্যারিংস (Pharynx)


· ফ্যারিঞ্জাইটিস


৭০. পেরিকার্ডিয়াম (Pericardium)


· পেরিকার্ডাইটিস

· কার্ডিয়াক ট্যাম্পোনেড


৭১. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium)


· মায়োকার্ডাইটিস

· মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট অ্যাটাক)


৭২. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium)


· এন্ডোকার্ডাইটিস


৭৩. হার্ট ভালভ (Heart Valves)


· মাইট্রাল ভালভ প্রোল্যাপস

· অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস


৭৪. অ্যাওর্টা (Aorta)


· অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম

· অ্যাওর্টিক ডিসেকশন


৭৫. পালমোনারি ধমনী (Pulmonary Artery)


· পালমোনারি এম্বোলিজম

· পালমোনারি হাইপারটেনশন


৭৬. ভেনা কava (Vena Cava)


· সুপিরিয়র ভেনা কava সিনড্রোম


৭৭. মেসেন্টারি (Mesentery)


· মেসেন্টেরিক লিম্ফাডেনাইটিস


৭৮. ওমেন্টাম (Omentum)


· ওমেন্টাল ইনফার্কশন


৭৯. পেরিটোনিয়াম (Peritoneum)


· পেরিটোনাইটিস


৮০. মূত্রনালী (Urethra)


· ইউরেথ্রাইটিস

· ইউরেথ্রাল স্ট্রিকচার


৮১. ইউরেটার (Ureters)


· ইউরেটেরাল স্টেন্ট

· ইউরেটেরাল স্টোন


৮২. নেফ্রন (Nephrons)


· গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস

· নেফ্রোটিক সিনড্রোম


৮৩. মূত্রবহনালী (Ejaculatory Duct) - পুরুষ


· অবস্ট্রাকশন


৮৪. ভ্যাস ডিফারেন্স (Vas Deferens) - পুরুষ


· ভ্যাসেক্টমি


৮৫. এপিডিডাইমিস (Epididymis) - পুরুষ


· এপিডিডাইমাইটিস


৮৬. শুক্রাশয় (Testes) - পুরুষ


· অর্কাইটিস

· টেস্টিকুলার ক্যান্সার


৮৭. লাবিয়া (Labia) - মহিলা


· ভালভাইটিস


৮৮. ক্লিটোরিস (Clitoris) - মহিলা


· ক্লিটোরাল অ্যাডহেশন


৮৯. ফ্যালোপিয়ান টিউব (Fallopian Tubes) - মহিলা


· স্যালপিনজাইটিস

· একটোপিক প্রেগন্যান্সি


৯০. জরায়ুমুখ (Cervix) - মহিলা


· সার্ভিসাইটিস

· সার্ভিকাল ক্যান্সার


৯১. যোনি (Vagina) - মহিলা


· ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস

· যোনিতে শুষ্কতা


৯২. স্তন (Breasts) - মহিলা


· ফাইব্রোসিস্টিক ব্রেস্ট ডিজিজ

· ব্রেস্ট ক্যান্সার


৯৩. চোখের পাতা (Eyelids)


· ব্লেফারাইটিস

· স্টাই


৯৪. কনজাংটিভা (Conjunctiva)


· কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা)


৯৫. স্ক্লেরা (Sclera)


· স্ক্লেরাইটিস


৯৬. আইরিস (Iris)


· ইরিটিস (ইউভাইটিস)


৯৭. কানের পর্দা (Tympanic Membrane)


· ওটাইটিস এক্সটার্না

· টিমপ্যানিক মেমব্রেন পারফোরেশন


৯৮. অডিটরি নার্ভ (Auditory Nerve)


· অ্যাকোস্টিক নিউরোমা


৯৯. ভেস্টিবুলার সিস্টেম (Vestibular System)


· মেনিয়ার্স ডিজিজ

· ভার্টিগো


১০০. ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি (Lacrimal Gland)


· ড্যাক্রিওঅ্যাডেনাইটিস

· শুষ্ক চোখের সিনড্রোম


---


দ্রষ্টব্য: এটি একটি সাধারণ তালিকা। অনেক অঙ্গের আরও অনেক জটিল রোগ রয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...