এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

খারাপ বা পচা খাবার: মাছের পেটে কৃমি সংক্রমণের প্রধান কারণ

 🐟 খারাপ বা পচা খাবার: মাছের পেটে কৃমি সংক্রমণের প্রধান কারণ

​মাছের স্বাস্থ্যের জন্য পরিচ্ছন্ন ও মানসম্পন্ন খাবার অপরিহার্য। যখন মাছকে নিম্নমানের, অস্বাস্থ্যকর, বা পচা গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশন করা হয়, তখন তাদের পেটে ও অন্ত্রে কৃমি (Parasitic Worms) বা অন্যান্য পরজীবী সংক্রমণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এর কারণগুলি মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: পরজীবীর সরাসরি প্রবেশ, মাছের দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব।

​১. পরজীবীর সরাসরি প্রবেশ (Direct Ingestion of Parasites)

​খারাপ মানের মাছের খাবারে সরাসরি পরজীবীর ডিম বা লার্ভা থাকতে পারে।

​সংক্রমিত কাঁচামাল: মাছের খাবার তৈরি করতে ব্যবহৃত কাঁচামাল, যেমন ফিশমিল, সয়াবিন বা অন্যান্য উপাদান যদি ভালোভাবে প্রক্রিয়াজাত না হয় বা দূষিত পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয়, তবে তাতে কৃমির ডিম বা মধ্যবর্তী পোষক (Intermediate Host) যেমন ছোট পোকামাকড় বা ক্রাস্টেসিয়ান থাকতে পারে।

​ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া: পচা বা স্যাঁতস্যাঁতে খাবারে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া দ্রুত জন্মায়। এই ছত্রাকগুলি অনেক সময় পরজীবী লার্ভার জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে বা নিজেরাই মাছের অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা পরজীবীর প্রবেশকে সহজ করে তোলে।

​২. দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা (Compromised Immune System)

​নিম্নমানের বা পচা খাবার মাছের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, যার ফলে তাদের কৃমি প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়।

​পুষ্টির অভাব (Nutritional Deficiency): খারাপ মানের খাবারে প্রায়শই মাছের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন (বিশেষত ভিটামিন সি ও ই), এবং মিনারেলের ঘাটতি থাকে। এই পুষ্টি উপাদানগুলি মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে এবং অন্ত্রের আবরণকে শক্তিশালী করতে অত্যন্ত জরুরি। এদের অভাবে মাছের শরীর পরজীবী সংক্রমণ প্রতিরোধে অক্ষম হয়ে পড়ে।

​টক্সিন বা বিষক্রিয়া: পচা খাবারে প্রায়ই মাইকোটক্সিন (ছত্রাকজনিত বিষ) এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াজনিত টক্সিন থাকে। এই টক্সিনগুলো মাছের যকৃত (Liver) ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর চাপ সৃষ্টি করে, তাদের দুর্বল করে তোলে। একটি দুর্বল শরীর সহজেই কৃমি দ্বারা আক্রান্ত হয়।

​৩. অন্ত্রের স্বাস্থ্যে ব্যাঘাত (Disruption of Gut Health)

​মাছের হজম প্রক্রিয়া এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

​অন্ত্রের প্রদাহ (Intestinal Inflammation): পচা খাবার হজম করা কঠিন এবং এর ফলে মাছের অন্ত্রের সংবেদনশীল আবরণে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। যখন অন্ত্রের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন কৃমি বা তাদের লার্ভা সহজে অন্ত্রের টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে এবং নিজেদের বাসস্থান তৈরি করতে পারে।

​উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বিনাশ: মানসম্পন্ন খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া (Gut Flora) বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু পচা খাবারে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া (যেমন Salmonella বা E. coli) মাছের স্বাভাবিক ফ্লোরাকে নষ্ট করে দেয়। অন্ত্রের পরিবেশের এই ভারসাম্যহীনতা পরজীবী কৃমির বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিস্থিতি তৈরি করে।

​💡 প্রতিরোধের উপায়

​মাছের খাবারজনিত কৃমি সংক্রমণ কমাতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিশ্চিত করা আবশ্যক:

​উচ্চ মানের খাবার: সবসময় ভালো মানের, সতেজ এবং অনুমোদিত কোম্পানি দ্বারা প্রস্তুত খাবার ব্যবহার করুন।

​সঠিক সংরক্ষণ: মাছের খাবার শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন। স্যাঁতস্যাঁতে বা গরম পরিবেশে খাবার পচে যায় এবং ছত্রাক জন্মায়। খাবারের প্যাকেজিং এয়ারটাইট রাখুন।

​মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ: খাবারের প্যাকেটের মেয়াদত্তীর্ণের তারিখ (Expiry Date) নিয়মিত পরীক্ষা করুন এবং মেয়াদ শেষ হওয়া খাবার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

​পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: মাছকে খাবার দেওয়ার পাত্র এবং মাছের ট্যাঙ্ক বা পুকুরের চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।

​উপসংহার:

​মাছকে খারাপ কোয়ালিটির বা পচা গন্ধযুক্ত খাবার দেওয়া মানে কৃমিকে মাছের পেটে প্রবেশ ও বংশবৃদ্ধির জন্য "লাল গালিচা" বিছিয়ে দেওয়া। একটি স্বাস্থ্যকর মাছের জন্য প্রয়োজন সতেজ, সুষম এবং নিরাপদ খাদ্য, যা তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী রেখে পরজীবী সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।

​আপনার মাছ চাষ বা রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত অন্য কোনো বিষয়ে জানতে চাইলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

পদার্থবিজ্ঞানীদের মাথা চুলকানো পাঁচটি বড় প্রশ্ন

 পদার্থবিজ্ঞানীদের মাথা চুলকানো পাঁচটি বড় প্রশ্ন 😴


মহাবিশ্বের কোয়ান্টাম রহস্যের মধ্যে এখনও পদার্থবিজ্ঞানীদের মাথা চুলকানো পাঁচটি বড়ো প্রশ্ন রয়েছে যেগুলো এখন (২০২৫ সাল) পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে সমাধান হয়নি। এগুলো কোয়ান্টাম মেকানিক্স ও মহাবিশ্বের মৌলিক প্রকৃতি নিয়ে সবচেয়ে গভীর চ্যালেঞ্জ। আসুন সংক্ষিপ্ত আকারে "বিজ্ঞান তথ্য" পেজে জেনে নিই সেই পাঁচটি রহস্য।


১. কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ব্যাখ্যা সমস্যা

(The Measurement Problem / Interpretation of Quantum Mechanics):


কোয়ান্টাম ওয়েভ ফাংশন কলাপ্স কীভাবে এবং কেন হয়? পর্যবেক্ষণ (measurement) কি সত্যিই ওয়েভ ফাংশনকে কলাপ্স করে, নাকি এটা শুধু আমাদের জ্ঞানের পরিবর্তন (যেমন Many-Worlds Interpretation-এ বলা হয়)? কোপেনহেগেন, Many-Worlds, QBism, Objective Collapse ইত্যাদি দশের বেশি ব্যাখ্যা আছে, কিন্তু কোনোটাই পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত বা খণ্ডিত হয়নি। এটি এখনও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সবচেয়ে বড় দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক রহস্য।


২. কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি ও সাধারণ আপেক্ষিকতার সাথে সমন্বয় (Quantum Gravity):


কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা একসাথে কাজ করে না। প্ল্যাঙ্ক স্কেলে (10⁻³ মিটার) মহাকর্ষকে কোয়ান্টাইজ করা যায় না। String Theory, Loop Quantum Gravity, Asymptotic Safety, Causal Dynamical Triangulation ইত্যাদি প্রস্তাব আছে, কিন্তু কোনোটারই পরীক্ষামূলক প্রমাণ নেই। ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রে ও বিগ ব্যাং-এর প্রথম মুহূর্তে কী ঘটে তা এখনও অজানা।


৩. ব্ল্যাক হোল তথ্য প্যারাডক্স:

(Black Hole Information Paradox):


কোয়ান্টাম মেকানিক্স বলে তথ্য কখনো নষ্ট হয় না, কিন্তু হকিং রেডিয়েশনের মাধ্যমে ব্ল্যাক হোল বাষ্পীভূত হলে ভিতরের সব তথ্য কোথায় যায়? ২০২০-২০২৫ সালে Page Curve, Island conjecture, Holographic Principle (AdS/CFT) দিয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু এখনও সম্পূর্ণ সমাধান হয়নি। ব্ল্যাক হোলের ভিতরে তথ্য সংরক্ষিত থাকে কি না, না ধ্বংস হয়—এটা এখনও বিতর্কিত।


৪. কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গলমেন্ট ও নন-লোকালিটি

(Spooky Action at a Distance):


বেলের উপপাদ্য প্রমাণ করেছে যে কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গলমেন্টে তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত স্থানান্তর হয় না, কিন্তু তবু “নন-লোকাল” প্রভাব আছে। এটা কি মহাবিশ্বের মৌলিক বৈশিষ্ট্য, নাকি আমরা কোনো গভীর স্তরের (hidden variables) কিছু মিস করছি? ER=EPR অনুমান (ওয়ার্মহোল = এনট্যাঙ্গলমেন্ট) আকর্ষণীয়, কিন্তু এটাও কিন্তু প্রমাণিত নয়।


৫. ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির কোয়ান্টাম প্রকৃতি:


মহাবিশ্বের ৯৫% ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি, এদের কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য কী? ডার্ক ম্যাটার কি অ্যাক্সিয়ন, WIMP, স্টেরাইল নিউট্রিনো, না প্রাইমর্ডিয়াল ব্ল্যাক হোল? ডার্ক এনার্জি কি কসমোলজিকাল কনস্ট্যান্ট, না কুইন্টেসেন্স (গতিশীল কোয়ান্টাম ক্ষেত্র)? এখন পর্যন্ত কোনো সরাসরি সনাক্তকরণ হয়নি। এরা কোয়ান্টাম ক্ষেত্র না হলে মহাবিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড মডেল ভেঙে পড়বে। 


এই পাঁচটি রহস্যই এখনও পদার্থবিজ্ঞানের সীমান্তে রয়েছে। যেকোনো একটির সমাধান হলে পুরো মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণা বদলে যাবে।


✅️ আপনি কোনটি নিয়ে আরও গভীরে যেতে চান? Comment করে- আসুন আলোচনার পথ খুলে দিই---


#QuantumScience #quantumphysics #universe  #educational

সালাত সকল প্রকার সমস্যার সমাধান” – এই কথাটির ব্যাখ্যা

 আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে

“সালাত সকল প্রকার সমস্যার সমাধান” – এই কথাটির ব্যাখ্যা


আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বারবার সালাতকে মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা, শক্তি ও সমাধানের উপায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কয়েকটি আয়াত ও হাদীস দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট হয়:

১. কুরআনে সরাসরি প্রমাণ

আল্লাহ বলেন:

وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ

“তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই এটা খাশি‘ঈনদের জন্য ছাড়া কঠিন।”

(সূরা বাকারা: ৪৫)

⇒ এ আয়াতে স্পষ্ট যে, যে কোনো সমস্যা-বিপদে সালাতই হলো সবচেয়ে বড় সাহায্য চাওয়ার মাধ্যম।

আরেক জায়গায় আল্লাহ বলেন:

إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَىٰ عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ

“নিশ্চয় সালাত অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।”

(সূরা আনকাবুত: ৪৫)

⇒ অর্থাৎ দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গুনাহ। সালাত গুনাহ থেকে বাঁচায়, ফলে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সব সমস্যার মূল থেকে সমাধান হয়।

২. হাদীসে প্রমাণ

হযরত হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত:

كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ فَزِعَ إِلَى الصَّلاَةِ

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো গুরুতর বিষয়ে পড়তেন, তখন তিনি তৎক্ষণাৎ সালাতের দিকে ধাবিত হতেন।”

(আবু দাউদ ১৩১৯, আহমাদ; শায়খ আলবানী সহীহ বলেছেন)

হযরত আনাস (রা.) বলেন:

كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَرَبَهُ أَمْرٌ قَالَ: «يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ ثُمَّ يُصَلِّي

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো দুশ্চিন্তায় পড়তেন, তখন বলতেন ‘ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম...’ তারপর সালাত আদায় করতেন।”

(তাবারানী, হাসান)

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত:

كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عِنْدَ الكَرْبِ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ العَظِيمُ الحَلِيمُ... ثُمَّ يُصَلِّي

“কষ্টের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ পড়তেন এবং সালাত আদায় করতেন।”

(বুখারী, আদাবুল মুফরাদ)

৩. সালাত কীভাবে সব সমস্যার সমাধান করে?

মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন দূর করে (কুরআনের ভাষায় “তেনহা আনিল ফাহশা ওয়াল মুনকার”)

আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে, ফলে মনে প্রশান্তি আসে

(إِنَّ الْإِنْسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا... إِلَّا الْمُصَلِّينَ – সূরা মা‘আরিজ)

গুনাহ মাফ হয়, জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা (জাহান্নামের ভয়) থেকে মুক্তি মেলে

দু‘আ কবুলের সবচেয়ে বড় সময় হলো সিজদা (মুসলিম ৪৮২)

সালাত মানুষকে ধৈর্য শেখায়, আর ধৈর্যই সব বিপদের চাবিকাঠি

উপসংহার

তাই “সালাত সকল সমস্যার সমাধান” – এ কথাটি কোনো অতিরঞ্জিত বাক্য নয়; বরং কুরআন-হাদীসের স্পষ্ট শিক্ষা। যে ব্যক্তি খুশু‘-খুযু‘সহ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ী হবে, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখিরাতের সব সমস্যার সমাধান করে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়ার তাওফীক দিন। আমীন।

১০০+ Color Mixing Formula (Emoji Version) — শিক্ষানবিশ থেকে প্রফেশনাল সবার জন্য,,,,,,,রং মেশানো হলো শিল্পীর আসল ম্যাজিক!,

 🎨 ১০০+ Color Mixing Formula (Emoji Version) — শিক্ষানবিশ থেকে প্রফেশনাল সবার জন্য


রং মেশানো হলো শিল্পীর আসল ম্যাজিক!

এক রং থেকে আরেক রং তৈরি করতে পারলে আপনার চিত্রশৈলী আরও নিখুঁত ও পেশাদার হবে।

এগুলো প্র্যাকটিস করে রাখলে—

✔️ শেড বুঝতে সুবিধা হবে

✔️ যেকোনো রং নিজেই তৈরি করতে পারবেন

✅স্কিন টোন, নেচার, ল্যান্ডস্কেপ—সব কিছুতেই কাজ দেবে


নিচে প্রাথমিক–মাধ্যমিক–ডার্ক–প্যাস্টেল—সব ধরনের মোট ১০০+ কালার ফর্মুলা দেওয়া হলো।


🔵 নীল ভিত্তিক মিক্স


1. 🔵 + 🟡 = 🟢 গাছের সবুজ


2. 🔵 + 🔴 = 🟣 ভায়োলেট


3. 🔵 + ⚪ = 🔹 স্কাই ব্লু


4. 🔵 + 🟤 = 🌊 গভীর নীল


5. 🔵 + 🟢 = 🔷 টিল


6. 🔵 + 🟠 = 🟤 স্টিল ব্রাউন


7. 🔵 + ⚫ = 🌑 নেভি


8. 🔵 + 💛 লেমন = 💚 লেমন গ্রিন


9. 🔵 + 🟫 ওকার = 🌾 ধূসর–সবুজ


10. 🔵 + 🌸 = 💜 সফট ভায়োলেট


---


🔴 লাল ভিত্তিক মিক্স


1. 🔴 + ⚪ = 🌸 পিংক


2. 🔴 + 🟡 = 🟠 অরেঞ্জ


3. 🔴 + 🟤 = 🍷 মারুন


4. 🔴 + 🔵 = 💜 ডার্ক ভায়োলেট


5. 🔴 + 🟣 = ❤️ রেড ওয়াইন


6. 🔴 + ⚫ = 🔻 ডীপ রেড


7. 🔴 + 🟠 = 🔥 ফায়ার রেড


8. 🔴 + 🟢 = 🟤 ব্রাউন


9. 🔴 + 💛 = 🍑 পীচ রেড


10. 🔴 + 🌾 ওকার = 🧡 রস্টি রেড


---


🟡 হলুদ ভিত্তিক মিক্স


1. 🟡 + ⚪ = 💛 প্যাস্টেল ইয়েলো


2. 🟡 + 🔴 = 🟠 কমলা


3. 🟡 + 🔵 = 🟢 সবুজ


4. 🟡 + 🟤 = 🟫 ওকার


5. 🟡 + 🟣 = 🟤 মিউটেড ব্রাউন


6. 🟡 + 🟠 = ✨ গোল্ডেন


7. 🟡 + 🟢 = 💚 লাইম


8. 🟡 + 🌸 = 🍑 সফট পীচ


9. 🟡 + 🌾 = 🟨 পেটেল গোল্ড


10. 🟡 + ⚫ = 🟫 ডার্টি ইয়েলো


---


🟠 কমলা ভিত্তিক মিক্স


1. 🟠 + 🔴 = 🍁 বার্ন্ট অরেঞ্জ


2. 🟠 + ⚪ = 🍑 পীচ


3. 🟠 + 🔵 = 🟤 চকলেট ব্রাউন


4. 🟠 + 🟢 = 🟫 আর্থ ব্রাউন


5. 🟠 + ⚫ = 🟤 ডার্ক রস্ট


6. 🟠 + 🟣 = 🍷 রেডিশ ভায়োলেট


7. 🟠 + 🟡 = ✨ গোল্ড


8. 🟠 + 🌾 = 🧡 সানসেট


9. 🟠 + 🌸 = 🌺 কোরাল


10. 🟠 + 🔹 স্কাই ব্লু = 🟫 ধূসর ব্রাউন


---


🟣 বেগুনি ভিত্তিক মিক্স


1. 🟣 + ⚪ = 💜 ল্যাভেন্ডার


2. 🟣 + 🔴 = 🍷 ওয়াইন


3. 🟣 + 🔵 = 💟 ডার্ক ভায়োলেট


4. 🟣 + 🟡 = 🟤 মাড


5. 🟣 + 🌸 = 🌷 লাইলাক


6. 🟣 + ⚫ = 🟪 ডীপ পার্পল


7. 🟣 + 🍑 = 🍇 সফট গ্রেপ


8. 🟣 + 🟢 = 🟫 সেপিয়া ব্রাউন


9. 🟣 + 🔵 ফথালো = 🔮 রয়্যাল ভায়োলেট


10. 🟣 + 🌾 = 🟫 গ্রে ভায়োলেট


---


🟢 সবুজ ভিত্তিক মিক্স


1. 🟢 + ⚪ = 💚 মিন্ট


2. 🟢 + 🔵 = 🔷 টিল


3. 🟢 + 🟡 = 💛 লেমন গ্রিন


4. 🟢 + 🟤 = 🟩 অলিভ


5. 🟢 + 🟣 = 🟫 আর্থ টোন


6. 🟢 + ⚫ = 🌲 ডার্ক ফরেস্ট


7. 🟢 + 🔴 = 🟤 ব্রাউন


8. 🟢 + 🟠 = 🟫 গাঢ় আর্থি


9. 🟢 + 🌸 = 🌿 সফট গ্রিন


10. 🟢 + 🔵 নেভি = 🟦 গভীর টিল


---


⚪ সাদা ভিত্তিক (প্যাস্টেল)


1. ⚪ + 🔴 = 🌸 প্যাস্টেল পিংক


2. ⚪ + 🔵 = 🔹 প্যাস্টেল ব্লু


3. ⚪ + 🟡 = 🌼 প্যাস্টেল ইয়েলো


4. ⚪ + 🟠 = 🍑 প্যাস্টেল পীচ


5. ⚪ + 🟣 = 💜 প্যাস্টেল ভায়োলেট


6. ⚪ + 🟢 = 💚 মেন্ট


7. ⚪ + 🟤 = 🤎 লাইট চকোলেট


8. ⚪ + 🌾 = 🟨 পালিশ গোল্ড


9. ⚪ + 🔻 = 💗 রোজ


10. ⚪ + 🌊 = 🔷 সফট নেভি


---


⚫ কালো ভিত্তিক (ডার্ক শেড)


1. ⚫ + 🔵 = 🟦 নেভি


2. ⚫ + 🔴 = 🔻 ডার্ক রেড


3. ⚫ + 🟡 = 🟫 ডার্ক ইয়েলো


4. ⚫ + 🟠 = 🟤 বার্ন্ট


5. ⚫ + 🟣 = 🟪 এগপ্লান্ট


6. ⚫ + 🟢 = 🌲 ফরেস্ট


7. ⚫ + 🟤 = 🟫 কফি


8. ⚫ + 🌸 = 💗 ডার্ক রোজ


9. ⚫ + 🌾 = 🟫 ডার্ক স্যান্ড


10. ⚫ + 🔷 = 🌀 ডার্ক টিল


---


🟤 ব্রাউন ভিত্তিক


1. 🟤 + ⚪ = 🤎 লাইট ব্রাউন


2. 🟤 + 🔴 = 🍷 ওয়াইন ব্রাউন


3. 🟤 + 🔵 = 🌊 ডার্ক ব্রাউন–ব্লু


4. 🟤 + 🟢 = 🟫 আর্থ


5. 🟤 + 🟠 = 🟧 রস্ট ব্রাউন


6. 🟤 + 🌾 = 🟤 উষ্ণ ব্রাউন


7. 🟤 + 🔵 ফথালো = 🟦 গ্রিনিশ ব্রাউন


8. 🟤 + 🟣 = 🟤 মাহগনি


9. 🟤 + 🍑 = 🤎 সফট স্কিন


10. 🟤 + ⚫ = 🟫 ডার্ক চকোলেট


---


🌾 ওকার ভিত্তিক


1. 🌾 + ⚪ = 🟨 লাইট গোল্ড


2. 🌾 + 🟤 = 🟫 আর্থ গোল্ড


3. 🌾 + 🔵 = 🟩 গ্রিনিশ ওকার


4. 🌾 + 🔴 = 🧡 রস্ট গোল্ড


5. 🌾 + 🟢 = 💛 স্মোকি গ্রিন


6. 🌾 + ⚫ = 🟫 ডার্ক স্যান্ড


7. 🌾 + 🌸 = 🌺 রোজ গোল্ড


8. 🌾 + 🟣 = 🟤 গ্রে–ব্রাউন


9. 🌾 + 🟡 = ✨ লেমন গোল্ড


10. 🌾 + 🔵 স্কাই ব্লু = 🟦 ডাস্টি ব্লু


এই ফর্মুলাগুলো প্র্যাকটিস করলে—

• নিজের মতো করে রঙ তৈরি করতে পারবেন

• প্রফেশনাল টোন বের করতে পারবেন

• স্কিন টোন, নেচার, ব্যাকগ্রাউন্ড—সব সহজ হবে

• এক্রেলিক/ওয়াটারকালার/পোস্টার—সব মিডিয়ামে কাজে লাগবে


এই পোস্টটি সেভ করে রাখুন — যখনই রঙ মেশাতে সমস্যা হবে তখন কাজে লাগবে!


#ColorMixing #ArtTips #ArtLearning

#DrawingClass #ArtistHome 

#PaintingTips #ColorTheory #BangladeshArtist

#AcrylicPainting #WatercolorTips #ArtEducation

#KidsArt #ArtPractice #dailyartdose

বাউলদের উৎপত্তি ও বিকাশ:

 বাউলদের উৎপত্তি ও বিকাশ:


: বাউল একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়। তাদের নিজস্ব তত্ত্ব- দর্শন ও সাধন-পদ্ধতি রয়েছে। এই লোকধর্মের সাধকদের তত্ত্ব ও দর্শন সম্বলিত গানকে ‘বাউল গান’ বলে। বাউলরা সঙ্গীতাশ্রয়ী, মৈথুন ও দেহভিত্তিক গুপ্ত সাধনার অনুসারী। এই সাধনায় সহজিয়া ও ছূফী ভাবধারার সম্মিলন ঘটেছে। তারা না মুসলিম, না হিন্দু। তারা নিজেদেরকে মানবধর্মের অনুসারী বলে দাবী করে। তারা মসজিদ বা মন্দিরে যায় না। কোন ধর্মগ্রন্থে তাদের বিশ্বাস নেই। তারা কোন ধর্মীয় আচারও পালন করে না। তাদের জানাযাও হয় না বা তাদের লাশ পোড়ানোও হয় না। তারা সামাজিক বিবাহ বন্ধনকেও স্বীকার করে না। নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা ও বসবাসকে দর্শন হিসাবে অনুসরণ করে।


এদের উৎপত্তি সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে, প্রাচীন ফিলিস্তীনে রাস-সামারায় বা‘আল নামের এক প্রজনন দেবতার উপাসনা করা হ’ত। বা‘আল প্রজনন দেবতা হওয়ায় মৈথুন এই ধর্মের অংশ হয়ে পড়ে। অষ্টম-নবম দশকে পারস্যে ছূফী সাধনার উদ্ভবকালে বা‘আলক এক ছূফী ধারা গড়ে ওঠে। তারা মরুভূমিতে গান গেয়ে বেড়াত। অন্যান্য ছূফী সাধকদের মত তারা পারস্য থেকে ভারত উপমহাদেশে আগমন করে এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই বাংলায় বাউল সম্প্রদায়ের আগমন ঘটে। কারো মতে, সংস্কৃত শব্দ বাতুল (পাগল) কিংবা ফার্সী শব্দ বা‘আল (পাগল, বন্ধু) থেকে বাউল শব্দের উদ্ভব। প্রেমাস্পদের উদ্দেশ্যে সংসারত্যাগী ও উন্মাদ হয়ে গান গেয়ে বেড়ানোর কারণে তাদেরকে বাউল বলা হয়। গান-বাজনা হ’ল তাদের ধর্মপ্রচারের একমাত্র মাধ্যম। বিভিন্ন খানকা, মাযার, আখড়া তাদের ধর্ম প্রচারকেন্দ্র (বাংলাপিডিয়া, ড. আনোয়ারুল করীম, ‘বাংলাদেশের বাউল’ ১৫-১৭ পৃ.)।


ড. আহমাদ শরীফের মতে, ব্রাহ্মণ্য, শৈব ও বৌদ্ধ সহজিয়া মতের সমন্বয়ে যে মিশ্র সম্প্রদায় গড়ে ওঠে তারা এক সময় ইসলাম ও বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করে। কিন্তু পুরনো বিশ্বাস-সংস্কার বর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে তারা পুরনো প্রথাতেই ধর্ম সাধনা করে চলছে। ফলে বাউল মত না ইসলাম, না হিন্দু ধর্মের অনুসরণ করে। বরং তারা নিজের মনের মত করে পথ তৈরী করে নিয়েছে। এজন্য তারা বলে, কালী, কৃষ্ণ, গড, খোদা/ কোন নামে নাহি বাধা/মন কৃষ্ণ গড খোদা বল রে (বাউল তত্ত্ব, পৃ. ৫৩-৫৪)।


বাউলদের বিশ্বাস হ’ল, তারা সর্বেশ্বরবাদী। দেহ ও কামাচার এদের কাছে ঐশ্বরিক। দেহের বাইরে কিছু নেই। এখানেই আল্লাহ, নবী, কৃষ্ণ, ব্রহ্মা, পরমাত্মা একাকার। অর্থাৎ ঈশ্বর ও বিশ্বজগৎ অভিন্ন দুই সত্তা। যখন কেউ সাধনার শীর্ষে আরোহণ করে তখন সে ঈশ্বর (আনাল হক) হয়ে যায়। প্রচলিত ছূফীবাদের মত বাউল ধর্মেও দেহের মধ্যে পরমাত্মার উপস্থিতি স্বীকার করা হয়। এর চূড়ান্ত অবস্থায় নিজেকে ঈশ্বরের পর্যায়ভুক্ত মনে করা হয়। একে অপরের মধ্যে ফানা (বিলীন) হয়ে যায় (উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, বাংলার বাউল, পৃ. ৪৮২)। 


তাদের আল্লাহ ও রাসূলের নাম নেওয়া এবং আরবী ও ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার করা দেখে অনেকে তাদেরকে মুসলিম মনে করে। অথচ তাদের জীবনাচরণ মূলত হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় দর্শন ও উপাসনা রীতিনীতি দ্বারা প্রভাবিত।


বাউলরা গুরুবাদী। গুরু বা সাঁইকে এরা ঈশ্বরের অবতার মনে করে। এরা বিশ্বাস করে যে, গুরু অসন্তুষ্ট হ’লে তার ইহকাল, পরকাল সবই বিনষ্ট হ’তে পারে। গুরুকে তুষ্ট করাই এদের সাধনার অঙ্গ। বাউল সম্প্রদায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হ’ল ফকীর লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০খ্রি.)। 


কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জন্মগ্রহণকারী এই বাউল সাধকের মাধ্যমেই বাংলায় বাউল গানের ব্যাপক প্রসার ঘটে। তার ধর্মপরিচয় জানা যায় না। কেননা তিনি কোন ধর্মীয় রীতি-নীতি মানতেন না। তিনি বিশ্বাস করতেন, সকল মানুষের মধ্যে বাস করে একজন ‘মনের মানুষ’, যার কোন ধর্ম, জাত-পাত, বর্ণ, লিঙ্গ নেই। সেই অজানা, অস্পৃশ্য ও রহস্যময় মনের মানুষই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান, যাকে তিনি ঈশ্বর মনে করতেন। তার মতে, পার্থিব দেহ সাধনার ভেতর দিয়ে দেহোত্তর জগতে পৌঁছানোর মাধ্যমে সেই মনের মানুষের সন্ধান পাওয়া যাবে। আর তাতেই হবে মোক্ষ বা মহামুক্তি লাভ। যেহেতু কোন ধর্ম অনুসরণ করতেন না, তাই তার মৃত্যুর পর তার লাশ ধর্মীয় রীতিতে সৎকার করা হয়নি। তবে তার শিষ্যরা তাকে নবী বা সাঁইজি মনে করে। তার মাযারকে তাদের তীর্থভূমি মনে করে। তাদের কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লালন রাসূলুল্লাহ (সুধীর চক্রবর্তী, ব্রাত্য লোকায়ত লালন, পৃ. ৯৪-৯৫)।  


বাউলদের মতে, জন্ম-জীবন সবসময় উপভোগ্যময়। গানকে ধারণ করে মনকে তারা আনন্দময় করে তুলতে চায়। বাউল সাধনায় অবাধ যৌনাচার ও গাঁজা সেবন আবশ্যক। একজন বাউলের একাধিক সেবাদাসী থাকে। সঙ্গিনী ছাড়া তাদের সাধনা অচল। তারা মনে করে, মদ খাওয়া অনৈতিক, কেননা তা উশৃঙ্খল করে তোলে। কিন্তু তামাক ও গাঁজার নেশা মানুষকে আত্মমগ্ন করে মনকে উর্ধ্বগামী করে দেয়। তারা সাদামাটা, বৈরাগী জীবনযাপনের নামে নোংরা ও জটাধারী থাকতে পসন্দ করে। রোগমুক্তির জন্য তারা স্বীয় মূত্রও পান করে। এছাড়া সর্বরোগ থেকে মুক্তির জন্য তারা মল, মূত্র, রজঃ ও বীর্য মিশ্রণে প্রেমভাজা নামক একপ্রকার পদার্থ তৈরী করে তা ভক্ষণ করে (বাংলাদেশের বাউল পৃ. ৩৫০, ৩৮২)।


সুতরাং বাউল একটি সর্বেশ্বরবাদী, পথভ্রষ্ট ও বৈরাগী জীবনধারায় অভ্যস্ত সম্প্রদায়। এদের সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে এবং এদের মুসলিম নামের কারণে সাধারণ মুসলমানরা তাদের কেবল মুসলমানই মনে করে না, বরং তাদেরকে ছূফী-সাধকের মর্যাদায় বসায়। অথচ এরা আক্বীদা ও আমলগতভাবে মুসলিম নয়; বরং এক মিশ্র ধর্মের অনুসারী। সুতরাং এদের আক্বীদা, উপসনাপদ্ধতি ও গান-গযল থেকে সর্বোতভাবে বেঁচে থাকা আবশ্যক।

সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

প্রসঙ্গঃ যেভাবে স'তীদাহ প্রথা পালিত হত।

 ♦ প্রসঙ্গঃ যেভাবে স'তীদাহ প্রথা পালিত হত।

♦ সতীদা'হ মূলত উচ্চ বর্ণের হিন্দু পরিবারগুলোতেই করা হত। হাজার হাজার বছর ধরে অগণিত ভারতীয় হিন্দু নারী জী'বিত অবস্থায় চিতার লেলিহান আ'গুনে প্রবেশ করেছেন- কখনও স্বেচ্ছায়, কখনও বা জো'র করে। 

♦ স্বেচ্ছায় হলেও মানবতার বিচারে এই প্রথার পৃষ্ঠপোষকতা ভারতীয় সভ্যতার একটি অন্যতম ক"লঙ্ক-বিন্দু। 

♦ কিন্তু কীভাবে পালিত হত এই ব'র্বর প্রথা? 

♦ এই ব্যাপারে গোরাচাঁদ মিত্রের লেখা 'স'তীদাহ' বইটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

♦ তারই কিছু অংশ নীচে তুলে ধরলাম-

♦ স্বামীর মৃতদেহ চিতায় শায়িত । নাপিত এসে বিধবা নারীর নখ কে'টে দিয়ে গেলেন । 

♦ শাকে স্তব্ধা স্ত্রী হাতের শাখা ভেঙে চললেন স্নানে - শুচিশুদ্ধ হবার জন্য ।

♦  স্নানের পর চিতারোহণের সাজ । আত্মীয়রা এগিয়ে এসে পরিয়ে দিলেন লাল চেলী , হাতে বেঁধে দিলেন রাঙা সুতা দিয়ে আলতা , গাটো কপাল জুড়ে লেপে দিলেন টকটকে লাল সিঁদুর – নিপুণ করে আঁচড়ানো চুলে থরে থরে চিরুনির বাহার । 

♦ গাটো দেহে মূল্যবান অলংকারের সমারাহে । স্বামীহারা স্ত্রী দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলতেও বিস্তৃত হয়েছেন তিনি যেন সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের হাতের পুতুল । 

♦ কুশ হাতে নিয়ে পুবমুখী বসে আচমন করলেন নারী । 

♦ হাতে নিলেন তিল , জল ও কুশনির্মিত ত্ৰিপত্র । 

♦ উপস্থিত ব্রাহ্মণগণ উচ্চারণ করলে – 'ওঁ তৎসৎ' । ধ্বনিত হল বিধবার নিম্ন কন্ঠে -"নমঃ , আজ অমুক মাসে , অমুক পক্ষে , অমুক তিথিতে , অমুক গাত্রে ঐ অমুক দেবী বশিষ্ঠেব পত্নী অরুন্ধতীর সমমর্যাদায় স্বর্গে যাওয়ার জন্য , 

♦ মানুষের শরীরে যত লোম আছে তত বছর অর্থাৎ তিনকোটি বছর স্বামীর সঙ্গে স্বর্গসুখ উপভোগের আশায় , মাতৃকুল , পিতৃকুল ও পতিকুল — তিন কুলকেই পবিত্র করার অভিপ্রায়ে , চতুর্দশ ইন্দ্রের রাজত্বকাল পর্যন্ত স্বর্গসুখ ভোগের কামনায় এবং যদি স্বামী ব্রহ্মহত্যাকারী , কৃতঘ্ন ও মিত্রদ্রোহী হন , তাহলে তাকে পবিত্র করার জন্য , আমি স্বামীর জলন্ত চিতায় অধিরোহণ করছি '। 

♦ হে অষ্টলাক পালগণ , হে সূর্য , চন্দ্র , বায়ু , হে অগ্নি , আকাশ , ভূমি , জল , হে অন্তর্যামিন আত্মাপুরুষ , হে যম , দিন , রাত্রি , সন্ধ্যা , হে ধর্ম , আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন , আমি প্রজ্বলিত চিতায় আরাহণ করে স্বামীর অনুগামিনী হচ্ছি ।"

♦ এরপর খই , খণ্ড ও কড়ি আঁচলে বেঁধে সতীনারীর চিতাপ্রদক্ষিণের পালা - বার বার সাতবার । 

♦ ব্রাহ্মণ পুরোহিত কণ্ঠে প্রয়োজনীয় মন্ত্রাদি বিবৃত হবার পর বিধবা স্ত্রী স্বামীর পাশে চিতাশয্যা গ্রহণ করলেন । 

♦ আত্মীয়স্বজনেরা মহোল্লাসে গাছের ছালের দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে চিতার সঙ্গে বাঁধলেন তাকে । 

♦ পুত্র বা নিকট কোন আত্মীয় এগিয়ে এলেন চিতায় অগ্নিসংযাগোর জন্য । 

♦ উপস্থিত দর্শকবৃন্দের পৈশাচিক উল্লাস ও ঢাক - ঢোলে , কাসরের প্রচণ্ড আর্তনাদে চতুর্দিক স্তম্ভিত । দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো চিতা । 

♦ তাও যেন আশ মেটে না পুণ্যার্থীদের ! ঝুপঝাপ করে শর ও পাকাটির আঁটি ফেলতে লাগলেন সবাই চিতার আগুনে । 

♦ অগ্নিসংযোগের পর পাছে সতীনারীর আরও কিছুদিন পৃথিবীর আলা- বাতাস ভাগোর শখ হয় তাই চিতার পাশেই মোটা মোটা বাশ নিয়ে 'ধর্মসংস্থাপনাকারীরা' অপেক্ষমান । 

♦ বিধবা স্ত্রী বাঁচ'বার সামান্যতম চেষ্টা করলেই বাঁশের উপর্যুপরি আ'ঘাতে তার ভবলীলা সাঙ্গ করা হত। 

© কোন না'রী দৈবক্রমে চিতা থেকে পালিয়ে গেলে ক্ষুধার্ত নেকড়ের মত তার পিছু নিতেন অনুষ্ঠান কর্তা ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা , পলায়মানা না'রীকে ল'জ্জাকরভাবে বাহুবলে পরাস্ত করে আবার চিতায় চাপানো হত — না হলে যে বংশের মুখে চুনকালি পড়বে ! 

♦ সম্মিলিত প্রতিরোধে  কাছে ফুৎকারে নিভে যেত সতীনারীর বাঁচার আশা । 

♦ ধীরে ধীরে এক সময় নিভে যেত চিতার আগুন । কিন্তু তা বলে পুরোহিতের বিশ্রাম নেই । 

♦ তিনি তখন শকুনির মত ঘেটে চলেছেন চিতার ছাই - ভস্ম - সতীর গায়ের বল মূল্য অলংকারগুলি বর্তমান মালিক তো তিনিই । 

♦ অন্যদিকে বংশগৌরবের উজ্জ্বলতা বিচার করতে করতে ঘরে ফিরে চলেছেন মৃতের আত্মীয়স্বজন - চাদরের তলায় কর গুণে-গুণে হিসেব করছেন স্ত্রীর মৃত্যু হবার দরুণ মৃতের কতখানি স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হলেন তারা অনেক ক্ষেত্রে দাহকার্যের পূর্বে মদ , ভাঙ , ইত্যাদি উত্তেজক দ্রব্য খাইয়ে সতীনারীর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলা হত । 

♦ ভাবলে বিস্ময় লাগে। এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখভােগের আশায় , স্বর্গ নামক এক অজ্ঞাত মনোহারী স্থানে মিষ্টি সুখে স্বামী-সঙ্গ লাভের কামনায় তারা দলে দলে শিকার হয়েছেন পৃথিবীর নৃশংসতম প্রথার ।

♦ তথ্যসূত্রঃ সতীদাহ | লেখকঃ গোরাচাঁদ মিত্র | শঙ্খ প্রকাশনী (পৃষ্ঠা ২-৩)


#অমানবিকতা #reality

#গল্প

#Arifenglishtutorial

#fblifestyle

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৩-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৩-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের বাংলাদেশ সফর ঢাকা-থিম্ফু সম্পর্ক সুদৃঢ় করেছে --- যৌথ বিবৃতিতে প্রকাশ।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা নেই --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


নির্বাচনে সারা দেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হবে --- জানাল ইসি --- নির্বাচনে সকল সহযোগিতা করতে প্রস্তুত কমনওয়েলথ।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় জানিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


 শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে রাজউকের প্লট দুর্নীতির মামলার রায় ২৭শে নভেম্বর।


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে জেনেভায় বৈঠক করছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।


এবং মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে ২১৭ রানে হারিয়ে হোয়াইট ওয়াশ করলো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২৩-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২৩-১১-২০২৫


সংবাদ শিরোনাম

...............................


* ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আবারও গতকাল তিন দশমিক তিন ও চার দশমিক তিন মাত্রার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত---শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা


*  সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত --- দুটি সমঝোতা স্মারক সই 


* ঢাকা ও থিম্পুর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস


* একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে সরকার, গণভোট আইন পাশের পর কাজ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন---জানালেন সিইসি


* শিগগিরই রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

নেওয়া হবে---জানিয়েছে রাজউক


* ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে কিয়েভের মিত্রদের উদ্বেগের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, মার্কিন পরিকল্পনা ইউক্রেনকে দেওয়া চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়


* এবং ঢাকায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের বিপক্ষে

৩৩৩ রানে পিছিয়ে থেকে আজ পঞ্চম ও শেষ দিনের ব্যাটিং শুরু করবে আয়ারল্যান্ড

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশে আবারও আজ তিন দশমিক তিন ও চার দশমিক তিন মাত্রার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত --- উৎপত্তিস্থল নরসিংদির পলাশ ও ঢাকার বাড্ডা।


দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে --- দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত --- দুটি সমঝোতা স্মারক সই।   


সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।


একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে সরকার, গণভোট আইন পাশের পর কাজ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন --- জানালেন সিইসি।


শিগগিরই রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে --- জানিয়েছে রাজউক।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া রাশিয়ার --- ইউক্রেনকে  প্রস্তাব মেনে নিতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং ঢাকায় থাইল্যান্ডকে ৪০-৩১ পয়েন্টে হারিয়ে নারী কাবাডি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২২-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২২-১১-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

......................................................


* ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয়-এ


* ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক--মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নির্দেশ---দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কন্ট্রোল রুম চালু


* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর করতে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান


* মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন অনুযায়ী বৈষম্যহীন ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ--সশস্ত্র বাহিনী দিবসে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস


* যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলী হামলায়

কমপক্ষে ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত


*  এবং মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্টে সফররত আয়ারল্যান্ডের

বিপক্ষে ৩৬৭ রানে এগিয়ে থেকে আজ চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...