এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ 

 মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ 


১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ

(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,

( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।


২। কন্যার তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।


৩। মায়ের তিন অবস্থাঃ

(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,

(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।


৪। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,

(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে

(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।


৫। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,

(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।


৬। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


৭। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ

(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,

(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।

(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,

(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


৮ । দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ

(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত


@highlight

যাঁরা পৃথিবীকে বদলে দিতে গিয়ে নিজেরাই হারিয়ে গেলেন—বিজ্ঞান যাদের জীবন কেড়ে নিয়েছিল!

 যাঁরা পৃথিবীকে বদলে দিতে গিয়ে নিজেরাই হারিয়ে গেলেন—বিজ্ঞান যাদের জীবন কেড়ে নিয়েছিল!


বিজ্ঞান আমাদের জীবন বদলে দেয়, সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়, অন্ধকার থেকে আলো এনে দেয়। কিন্তু ইতিহাসে এমন কিছু বিজ্ঞানীর গল্প আছে যাঁদের নিজের আবিষ্কারই শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন কেড়ে নিয়েছে। এই মানুষগুলো শুধু গবেষণাগারে বসে কাজ করেননি—তারা নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে সত্যের খোঁজ করেছিলেন। আজ তাদের সেই অজানা, হৃদয়বিদারক কয়েকটি গল্প আপনাদের শেয়ার করলাম।


#মেরি_কুরি—তেজস্ক্রিয়তার জননী। রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা করেন। কিন্তু তখন কেউ জানত না রেডিয়েশনের ভয়াবহ ক্ষতি। তিনি খালি হাতে রেডিয়াম ধরতেন, পকেটে রাখতেন। দীর্ঘদিনের বিকিরণে তার শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায়। বিজ্ঞানকে আলো দিতে গিয়ে নিজেই নিজের জীবন বাতি নিবিয়ে ফেলেছিলেন।


#লুই_স্লোটিন—পারমাণবিক গবেষণার এক সাহসী বিজ্ঞানী। তিনি প্লুটোনিয়াম নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন যখন একটি ধাতব যন্ত্র তার হাত থেকে পিছলে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যায় মারাত্মক নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া। তিনি এতটাই রেডিয়েশনে আক্রান্ত হন যে মাত্র ৯ দিনের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে ইতিহাসে “ডেমন কোর দুর্ঘটনা” বলা হয়।


#আলেকজান্ডার_লিটভিনেনকো—তার মৃত্যু যেন সিনেমার গল্প। তাকে পোলোনিয়াম-২১০ মেশানো চা খাওয়ানো হয়। এই তেজস্ক্রিয় বিষ তার শরীরকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। মৃত্যুর আগে তিনি নিজেই বলে গিয়েছিলেন তাকে তেজস্ক্রিয় বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত রেডিয়েশন হত্যাকাণ্ড। (বিঃদ্রঃ তিনি বিজ্ঞানী নন, তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন)


#থমাস_মিডগলি_জুনিয়র—তিনি আবিষ্কার করেছিলেন লেডযুক্ত পেট্রল ও CFC গ্যাস। আজ আমরা জানি এই দুটি আবিষ্কার পৃথিবীর জন্য কতটা ক্ষতিকর ছিল। পরবর্তীতে তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন এবং নিজেকে উঠাতে একটি দড়ির যন্ত্র বানান। সেই যন্ত্রেই তিনি শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান। নিজের আবিষ্কার যেমন পৃথিবীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তেমনি নিজের বানানো যন্ত্রেই তার মৃত্যু হয়।


#কার্ল_উইলহেল্ম_শিলে—তিনি অক্সিজেন, ক্লোরিন ও অনেক বিষাক্ত গ্যাস আবিষ্কার করেন। সেই সময় বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক চেখে পরীক্ষা করতেন। তিনিও তাই করতেন। বছরের পর বছর আর্সেনিক ও পারদের বিষ তার শরীরে জমতে থাকে। অল্প বয়সেই বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়।


#জর্জ_উইলহেল্ম_রিচম্যান—তিনি বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন। একদিন পরীক্ষার সময় সরাসরি বজ্রাঘাত লাগে তার মাথায়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। বিজ্ঞান ইতিহাসে তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি বজ্রপাতের পরীক্ষায় সরাসরি প্রাণ হারান।


এই মানুষগুলো আমাদের শেখান—বিজ্ঞান শুধু বইয়ের বিষয় নয়, এটি সাহসের বিষয়, ত্যাগের বিষয়, এবং কখনো কখনো জীবনের শেষ মূল্য দিয়েও সত্যকে ছুঁয়ে দেখার বিষয়। আজ আমরা নিরাপদ গবেষণাগারে বসে কাজ করি, কারণ তাদের মতো মানুষরা নিজেদের জীবন দিয়ে আমাদের সেই নিরাপত্তার পথ তৈরি করে গেছেন।


#বিজ্ঞান #বিজ্ঞানীগল্প #ScienceStory #MarieCurie #DemonCore #Radioactivity #ScientificTragedy #HistoryOfScience #BanglaScience #বিজ্ঞানমনস্ক #বিজ্ঞানপ্রেমী #Inspiration

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৭-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


খাদ্যপণ্যে দূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ --- সংকট মোকাবিলায় সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান।


একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন ---  চলতি সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ একশো ১৪ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন শুরু।


দেশে পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি।


১৫ বছর পর দেশে গণতন্ত্র ফেরার সুযোগ সৃষ্টি --- একমাত্র বিএনপিই দেশকে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবে --- বললেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


শ্রীলঙ্কায় সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বৃষ্টিপাতের কারণে নতুন করে সতর্কতা জারি --- দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়শো ১৮। 


এবং কক্সবাজারে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে ৭  উইকেটে হারালো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ০৭-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ০৭-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

.....................................................


* এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিতে কিছুটা দেরি হচ্ছে-- জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন

 

* বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সব ধরনের সহায়তা করছে সরকার --- জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

 

* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে নির্বাচন কমিশন শতভাগ প্রস্তুত--- বললেন ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

 

* দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে সর্বোচ্চ সর্তকাবস্থায় সরকার --- বলেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


* পরিচয় সনাক্ত করতে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে ১১৪ অজ্ঞাতনামা জুলাই শহীদের মরদেহ উত্তোলন শুরু হচ্ছে আজ

 

* দেশে পেয়াঁজের বাজার সহনীয় রাখতে আজ থেকে সীমিত আকারে পেয়াঁজ আমদানির অনুমতি দিলো সরকার


* ভারতের গোয়ায় একটি নাইটক্লাবে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অন্তত ২৩ জনের প্রাণহানি

 

* এবং আজ কক্সবাজারে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল

রাত সাড়ে আটটার ০৬-১২-২০২৫

 

রাত সাড়ে আটটার ০৬-১২-২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে লন্ডনে নিতে কিছুটা দেরি হচ্ছে –-- জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন। 


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ৯৪ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারের নিবন্ধন সম্পন্ন --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে সর্বোচ্চ সর্তকাবস্থায় সরকার --- বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্কাউটদের আত্মত্যাগ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য চিরন্তন অনুপ্রেরণা --- মন্তব্য শিক্ষা উপদেষ্টার।


পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে নতুন করে সীমান্ত সংঘর্ষে চার বেসামরিক নাগরিক নিহত।


এবং ভারতে অনুষ্ঠিত এফআইএইচ হকি জুনিয়র বিশ্বকাপের স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ হকি দল।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ০৬-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ০৬-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়া হবে আগামীকাল ---কাতারের ব্যবস্থাপনায় আজ আসছে জার্মানির এয়ার এ্যাম্বুলেন্স

 

* যুক্তরাজ্য থেকে দেশে এসে হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছেন পুত্রবধূ ডাক্তার জুবাইদা রহমান

 

* বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দেশের সকল মসজিদে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ  মোনাজাত--- অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা

 

* ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ভারত --- জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ও ভোটের তারিখ ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান নির্বাচন কমিশনের

 

* যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাবা-মায়ের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে মামলার শুনানি করতে সম্মত হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট 

 

* এবং  বিশাখাপত্তমে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওডিআই ক্রিকেট ম্যাচে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে স্বাগতিক ভারত

রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফটোসপে মাস্টার হতে চাইলে নিচে দেওয়া শর্টকাট গুলো শিখে রাখুন 

 ফটোসপে মাস্টার হতে চাইলে নিচে দেওয়া

শর্টকাট গুলো শিখে রাখুন 

PHOTOSHOP ALL SHORTCUT 

1. Tools Shortcut Keys


Move Tool – V

Marquee Tool – M

Lasso Tool – L

Quick Selection / Magic Wand – W

Crop Tool – C

Eyedropper Tool – I

Spot Healing Brush – J

Brush Tool – B

Clone Stamp – S

History Brush – Y

Eraser Tool – E

Gradient / Paint Bucket – G

Blur / Sharpen / Smudge – R

Dodge / Burn / Sponge – O

Pen Tool – P

Type Tool – T

Direct Selection Tool – A

Shape Tool – U

Hand Tool – H

Zoom Tool – Z

Default Color – D

Swap Color – X


2. File Menu Shortcut Keys


New File – Ctrl + N

Open – Ctrl + O

Close – Ctrl + W

Save – Ctrl + S

Save As – Shift + Ctrl + S

Print – Ctrl + P

Quit Photoshop – Ctrl + Q


3. Layers Shortcut Keys


New Layer – Shift + Ctrl + N

Duplicate Layer – Ctrl + J

Merge Layer – Ctrl + E

Merge Visible – Shift + Ctrl + E

Toggle Layer Visibility – Alt + Click Eye

Create Clipping Mask – Ctrl + Alt + G

Select All Layers – Ctrl + Alt + A


4. Edit Menu Shortcut Keys


Undo – Ctrl + Z

Step Backward – Ctrl + Alt + Z

Cut – Ctrl + X

Copy – Ctrl + C

Paste – Ctrl + V

Free Transform – Ctrl + T

Fill – Shift + F5


5. View Shortcut Keys


Zoom In – Ctrl + +

Zoom Out – Ctrl + -

Fit on Screen – Ctrl + 0

Actual Pixels (100%) – Ctrl + 1

Hide Panels – Tab

Rulers – Ctrl + R

Guides – Ctrl + ;


6. Selection Shortcut Keys


Select All – Ctrl + A

Deselect – Ctrl + D

Reselect – Shift + Ctrl + D

Inverse Selection – Shift + Ctrl + I

Feather – Shift + F6


7. Text Shortcut Keys


Increase Text Size – Ctrl + Shift + >

Decrease Text Size – Ctrl + Shift + <

Bold – Ctrl + Shift + B

Italic – Ctrl + Shift + I

All Caps – Ctrl + Shift + K


8. Color & Brush Shortcut Keys


Brush Size Increase – ]

Brush Size Decrease – [

Brush Hardness Increase – Shift + ]

Brush Hardness Decrease – Shift + [

Eyedropper Hold – Alt


9. Quick Useful Shortcuts


Duplicate Layer – Ctrl + J

New Layer – Shift + Ctrl + N

Free Transform – Ctrl + T

Deselect – Ctrl + D

Move Tool – V

Brush Tool – B

Zoom – Z

তালমাখনা: ১৮টি জাদুকরী উপকারিতা, খাওয়ার সঠিক নিয়ম *************

 

তালমাখনা: ১৮টি জাদুকরী উপকারিতা, খাওয়ার সঠিক নিয়ম
*************


****************************************
★প্রকৃতির ভাণ্ডারে এমন কিছু ভেষজ উদ্ভিদ রয়েছে যা আমাদের আধুনিক চিকিৎসার সীমাবদ্ধতাকেও হার মানাতে পারে। এমনই এক শক্তিশালী ভেষজ হলো তালমাখনা (Talmakhana)। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসায় এটি হাজার বছর ধরে পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার, লিভারের সুরক্ষা এবং বাতের ব্যথা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তালমাখনা বা কোকিলাক্ষ কী?
তালমাখনা মূলত একটি জলজ বা জলাভূমির উদ্ভিদ। উদ্ভিদবিজ্ঞান বা বোটানিকল নাম অনুযায়ী একে ‘হাইগ্রোফিলা অরিকুলাটা’ (Hygrophila auriculata) বা ‘অ্যাসটারাক্যান্থা লঞ্জিফোলিয়া’ (Asteracantha longifolia) বলা হয়। এটি মূলত ‘অ্যাকান্থেসি’ (Acanthaceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি ভেষজ।

কেন এর নাম ‘কোকিলাক্ষ’?
সংস্কৃত ভাষায় তালমাখনাকে ‘কোকিলাক্ষ’ (Kokilaksha) বলা হয়। ‘কোকিলা’ অর্থ কোকিল পাখি এবং ‘অক্ষ’ অর্থ চোখ। তালমাখনার ফুলগুলো দেখতে অনেকটা কোকিল পাখির চোখের মতো গাঢ় বেগুনি বা লালচে রঙের হয় বলে এর এমন নামকরণ।

ভেষজ পরিচিতি ও প্রাপ্তিস্থান
এটি সাধারণত বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জলাশয়ের ধারে বা নিচু জমিতে আগাছা হিসেবে জন্মে। এর কাণ্ড রোমশ এবং গায়ে কাঁটা থাকে। তবে তালমাখনার সবচেয়ে কার্যকরী অংশ হলো এর বীজ (Seeds)। এই বীজগুলো ছোট, চেপটা এবং কালচে বাদামী রঙের। এগুলো পানিতে ভেজালে তোকমা দানা বা ইসবগুলের মতো পিচ্ছিল ও আঠালো হয়ে যায়, যা আয়ুর্বেদে ‘পিচ্ছিল’ গুণ হিসেবে পরিচিত।

তালমাখনার স্বাস্থ্য উপকারিতা
আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রাচীন আয়ুর্বেদ উভয়েই তালমাখনার বহুবিধ গুণের কথা স্বীকার করেছে। নিচে এর ১৮টি প্রধান উপকারিতা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ক. পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্যের উন্নতি
পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে তালমাখনা একটি ‘বাজীকরণ’ (Aphrodisiac) ভেষজ হিসেবে স্বীকৃত।

১. শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি (Sperm Count): আধুনিক জীবনযাত্রা ও স্ট্রেসের কারণে অনেকেরই ‘অলিগোস্পার্মিয়া’ বা শুক্রাণুর স্বল্পতা দেখা দেয়। তালমাখনার ইথানোলিক নির্যাস টেস্টিসে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়াকে (Spermatogenesis) ত্বরান্বিত করে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

২. যৌন সক্ষমতা ও টেস্টোস্টেরন হরমোন: এটি পুরুষ হরমোন বা টেস্টোস্টেরন (Testosterone) এর মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি করে। শরীরে অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যাক্টিভিটি বাড়িয়ে এটি লিবিডো বা কামশক্তি পুনরুদ্ধার করতে সহায়ক।

৩. ধাতু দুর্বলতা ও অকাল বীর্যপাত রোধ: তালমাখনার বীজ অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং এটি বীর্যকে গাঢ় করতে সাহায্য করে। এটি স্নায়বিক দুর্বলতা কমিয়ে বীর্যপাতের সময়কাল দীর্ঘায়িত করতে পারে, যা ইরেকটাইল ডিসফাংশন (ED) সমস্যা সমাধানে কার্যকর।

খ. বাত ও ব্যথানাশক
বয়স বাড়ার সাথে সাথে জয়েন্টে ব্যথা বা বাত একটি সাধারণ সমস্যা।

৪. ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ: রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে গিঁটে গিঁটে ব্যথা বা ‘গাউট’ (Gout) হয়। আয়ুর্বেদে একে ‘বাতিরক্ত’ বলা হয়। তালমাখনার ডাইইউরেটিক (Diuretic) বা মূত্রবর্ধক গুণ থাকায় এটি কিডনির মাধ্যমে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করে দেয়।


৫. প্রদাহনাশক: এর ব্যথানাশক উপাদানগুলো রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ফোলা ভাব ও ব্যথা কমাতে দারুণ কাজ করে।

গ. লিভার ও জন্ডিস নিরাময়

৬. লিভার সুরক্ষা: তালমাখনা লিভারের জন্য টনিকের মতো কাজ করে। এটি লিভার সেল বা হেপাটোসাইটগুলোকে বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) থেকে রক্ষা করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, লিভারের সুরক্ষায় এটি ‘সিলিমারিন’ (Silymarin) এর মতোই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।


৭. জন্ডিস প্রতিরোধ: জন্ডিস হলে বা বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তালমাখনার নির্যাস অত্যন্ত উপকারী। এটি পিত্তরস নিঃসরণ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

ঘ. ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণ

৮. ইনসুলিন উৎপাদন: তালমাখনা অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াসের বিটা কোষগুলোকে উজ্জীবিত করে ইনসুলিন উৎপাদন বাড়াতে পারে। এতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।


৯. অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়: ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে যে জারণ ঘটিত ক্ষতি (Oxidative Stress) হয়, তালমাখনার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট তা প্রতিরোধ করে।

ঙ. নারীদের শ্বেতপ্রদর বা লিকোরিয়া
বেশিরভাগ আলোচনায় এটি বাদ পড়ে যায়, কিন্তু নারীদের জন্যও তালমাখনা উপকারী।

১০. শ্বেতপ্রদর নিরাময়: নারীদের জরায়ুর দুর্বলতা বা সংক্রমণের কারণে শ্বেতপ্রদর বা সাদা স্রাবের সমস্যা দেখা দিলে তালমাখনা পাউডার দুধের সাথে সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।


১১. রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া: এতে প্রচুর আয়রন থাকায় গর্ভাবস্থার পরে বা মাসিকের সময় হওয়া রক্তস্বল্পতা পূরণে এটি সহায়ক।

চ. মূত্রনালীর সংক্রমণ ও কিডনি পাথর

১২. মূত্রবর্ধক: এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমে যায়।


১৩. পাথর অপসারণ: ছোট আকারের কিডনি পাথর বা ব্লাডার স্টোন (মূত্রথলির পাথর) গলাতে এবং প্রস্রাবের সাথে বের করে দিতে এটি সাহায্য করে।

ছ. মানসিক স্বাস্থ্য ও বিষণ্ণতা

১৪. অ্যাডাপ্টোজেনিক গুণ: তালমাখনা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমায়। এটি হতাশা (Depression) কাটাতে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে।

অন্যান্য উপকারিতা:

১৫. হজমের সমস্যা: এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেটের গ্যাস বা ব্লটিং কমায়।


১৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম বুস্ট করে।


১৭. হাঁপানি বা এজমা: এর পাতার নির্যাস শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে শ্বাসকষ্ট উপশম করে।


১৮. পুষ্টিহীনতা বা অ্যানোরেক্সিয়া: যারা অপুষ্টিতে ভুগছেন বা খাবারের রুচি নেই, তাদের জন্য এটি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে।

আর্য়ুবেদে তালমাখনার গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী কোনো ভেষজের কার্যকারিতা তার স্বাদ ও গুণের ওপর নির্ভর করে। তালমাখনার আয়ুর্বেদীয় বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:

রস (Taste): মধুর (মিষ্টি) ও তিক্ত (তেতো)।
গুণ (Quality): স্নিগ্ধ (তৈলাক্ত/মসৃণ) এবং পিচ্ছিল (Slimy)।
বীর্য (Potency): শীতল (Cold Potency)। এটি শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমায়।
বিপাক (Post-digestive effect): মধুর।
দোষ কর্ম (Effect on Dosha): এটি প্রধানত ‘বাত’ এবং ‘পিত্ত’ দোষ প্রশমিত করে, কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে ‘কফ’ দোষ বাড়াতে পারে।

তালমাখনা খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও ডোজ
যেকোনো ভেষজ সঠিক নিয়মে না খেলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। রোগের ধরন অনুযায়ী তালমাখনা খাওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

পদ্ধতি ১: পুরুষদের যৌন স্বাস্থ্যের জন্য
এই পদ্ধতিটি ধাতু পুষ্টি এবং স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সেরা।

উপকরণ: তালমাখনা চূর্ণ (Powder), অশ্বগন্ধা চূর্ণ, শতমূলী চূর্ণ এবং দুধ।
নিয়ম: ১ চা চামচ তালমাখনা চূর্ণ, ১/২ চা চামচ অশ্বগন্ধা এবং ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ একসাথে মিশিয়ে নিন। স্বাদের জন্য মিছরি যুক্ত করতে পারেন।
সেবন বিধি: রাতে ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে সেবন করুন।

পদ্ধতি ২: মূত্রনালীর সংক্রমণ ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে
উপকরণ: ৩-৪ গ্রাম আস্ত তালমাখনা বীজ।
নিয়ম: রাতে ১ গ্লাস পানিতে বীজগুলো ভিজিয়ে রাখুন। সকালে দেখবেন এটি ফুলে পিচ্ছিল জেলের মতো হয়ে গেছে।
সেবন বিধি: সকালে খালি পেটে চিনি বা শরবত মিশিয়ে পান করুন। এটি পেট ঠান্ডা রাখে।
পদ্ধতি ৩: বাত ও ব্যথার জন্য
এর মূল বা পাতার ক্বাথ (সেদ্ধ করা পানি) বাতের ব্যথায় বিশেষ উপকারী। দিনে ১০-১৫ মি.লি. ক্বাথ চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়া যেতে পারে।
সঠিক ডোজ
চূর্ণ (Powder): ১ থেকে ৩ গ্রাম (দিনে ১-২ বার)।
বীজ: ৩ থেকে ৫ গ্রাম।
অতিরিক্ত সেবন কখনোই উচিত নয়।

তালমাখনার অপকারিতা ও সতর্কতা
বেশিরভাগ তথ্যে তালমাখনার উপকারিতার কথাই বলা হয়, কিন্তু এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা “Disadvantages” রয়েছে যা জানা অত্যন্ত জরুরি। এটি ১০০% নিরাপদ ভাবা ভুল হবে যদি না সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করা হয়।

১. হজমের সমস্যা ও পেট ভার


তালমাখনা ‘গুরুপাক’ অর্থাৎ এটি হজম হতে সময় নেয় এবং প্রকৃতিগতভাবে পিচ্ছিল। অতিরিক্ত সেবনে পেট ফাঁপা, ক্ষুধামন্দা বা পেট ভার হয়ে থাকার অনুভূতি হতে পারে। যাদের কফ দোষের সমস্যা আছে বা হজমশক্তি দুর্বল, তাদের এটি কম খাওয়া উচিত।

২. গর্ভাবস্থায় সতর্কতা


গর্ভবতী নারীদের জন্য তালমাখনা সেবন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে অথবা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। এটি জরায়ুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা গর্ভাবস্থায় ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

৩. ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া


যেহেতু এটি প্রাকৃতিকভাবে মূত্রবর্ধক (Diuretic), তাই যারা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যার জন্য মূত্রবর্ধক ওষুধ খাচ্ছেন, তারা তালমাখনা সেবনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। এটি শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা প্রভাবিত করতে পারে।

৪. অ্যালার্জি


কিছু মানুষের ভেষজ উদ্ভিদে অ্যালার্জি থাকে। শরীরে র‍্যাশ বা চুলকানি দেখা দিলে সেবন বন্ধ করুন।

ঘ্রাণ ক্ষমতা কমে যাওয়ার সাধারণ কারণ ও হোমিও ঔষধ ~

 🎍🌿 ঘ্রাণ ক্ষমতা কমে যাওয়ার সাধারণ কারণ ও হোমিও ঔষধ ~


নাকে ঘ্রাণ কম হওয়াকে চিকিৎসা ভাষায় Hyposmia (হাইপোস্মিয়া) বলা হয়। এটি হঠাৎ বা ধীরে ধীরে হতে পারে। কারণ অনেকগুলো—নিচে সবচেয়ে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো দেওয়া হলো:


🌿 ঘ্রাণ ক্ষমতা কমে যাওয়ার সাধারণ কারণ


1️⃣ সর্দি–জ্বর বা ভাইরাল ইনফেকশন


নাক বন্ধ


নাকে ফোলা


মিউকাস জমে ঘ্রাণের পথ বন্ধ হয়ে যায়

→ সাধারণত সেরে ওঠে ১–২ সপ্তাহে।


---


2️⃣ সাইনাস ইনফেকশন (Sinusitis)


নাক ভারী


মাথা ব্যথা


নাকে পুঁজ বা কফ জমে থাকা

→ দীর্ঘমেয়াদি হলে ঘ্রাণ কমে যায়।


---


3️⃣ নাকের পলিপ (Nasal Polyp)


নাকে মাংসের মতো গ্রোথ


নাক বন্ধ লাগে


শ্বাস নিতে কষ্ট

→ ঘ্রাণ প্রায় ৮০–৯০% কমে যায়।


---


4️⃣ ধুলাবালি, ধোঁয়া, অ্যালার্জি (Allergic Rhinitis)


নাকে চুলকানি, হাছি


নাক দিয়ে পানি


উপসর্গ বাড়লে ঘ্রাণ কমে যায়


---


5️⃣ কোভিড বা অন্য ভাইরাল সংক্রমণ পরবর্তী সমস্যা


করোনা বা ভাইরাল ফ্লু-এর পর ২–৮ সপ্তাহ পর্যন্ত ঘ্রাণ কম থাকতে পারে


অনেকের ক্ষেত্রে ৩ মাসও লাগতে পারে


---


6️⃣ বয়সের কারণে (Age-Related)


বয়স বেশি হলে ঘ্রাণ কোষ দুর্বল হতে থাকে


ধীরে ধীরে ঘ্রাণ শক্তি কমে যায়


---


7️⃣ সিগারেট / তামাক / ধোঁয়া


ঘ্রাণ কোষ সংবেদনশীলতা হারায়


দীর্ঘদিনে ঘ্রাণ পুরোপুরি হারাতে পারে


---


8️⃣ নাকের ভেতরে বাঁক (Deviated Septum)


নাকে সবসময় জট


শ্বাস নিতে সমস্যা


ঘ্রাণ কমে যায়


---


9️⃣ মস্তিষ্ক বা স্নায়বিক সমস্যা


(দুর্লভ) যেমন—


মাথায় আঘাত


নিউরোলজিক সমস্যা


Alzheimer, Parkinson

এসবেও ঘ্রাণ কমে যেতে পারে।


---


🌿 কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?


ঘ্রাণ একদম চলে গেলে


২–৩ সপ্তাহ ধরে না ফিরলে


মাথাব্যথা + নাক দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ


বারবার সাইনাসের সমস্যা হলে


নাকে পলিপ সন্দেহ হলে


🌿 ঘরে যা করতে পারেন


হালকা গরম পানির ভাপ


নাক পরিষ্কার রাখা (saline wash)


ধুলা–ধোঁয়া এড়িয়ে চলা


তামাক/সিগারেট বন্ধ


অ্যালার্জি থাকলে সতর্কতা


🌿 ঘ্রাণ কমে গেলে হোমিও ঔষধ


1️⃣ Kali Bichromicum


যদি থাকে:


নাক বন্ধ


ঘন আঠালো কফ


সাইনাসের চাপ


দুর্গন্ধযুক্ত সর্দি


বিশেষ চিহ্ন: সর্দি সুতো মতো টানে টানে বের হয়।


---


2️⃣ Pulsatilla


যদি থাকে:


ঠান্ডা লাগার পর ঘ্রাণ কমে যাওয়া


নাক দিয়ে হলদেটে সর্দি


গরমে সমস্যা বাড়ে, ঠান্ডা বাতাসে ভালো লাগে


---


3️⃣ Natrium Muriaticum (Nat-m)


যদি থাকে:


নাকে সবসময় শুকনোভাব


নাক দিয়ে পানি পড়ে


ঘ্রাণ–স্বাদ দুটোই কম


---


4️⃣ Silicea


যদি থাকে:


নাকে পুঁজ


সাইনাস ব্লক


বারবার ঠান্ডা হয়


কম ঘ্রাণ + মাথা ভার


---


5️⃣ Hepar Sulphuris


যদি থাকে:


নাক লাগলেই ব্যথা


সংক্রমণের পর ঘ্রাণ কম


ঠান্ডা বাতাসে খারাপ, গরমে ভালো


---


6️⃣ Thuja Occidentalis


যদি থাকে:


নাকে পলিপ (Nasal polyp)


সবসময় নাক বন্ধ


ঘ্রাণ একদম থাকে না


পলিপের প্রধান ওষুধ


---


7️⃣ Calcarea Carb


যদি থাকে:


নাক সবসময় বন্ধ


সর্দি–কাশি বারবার


গন্ধ বুঝতে সমস্যা


---


8️⃣ Arsenicum Album


যদি থাকে:


ঠান্ডা–অ্যালার্জিতে নাক বন্ধ


নাক দিয়ে পানি পড়ে


ঘ্রাণ কমে যায়


রাত বাড়ার সাথে সাথে সমস্যা বাড়ে


---


9️⃣ Lemna Minor


যদি থাকে:


নাকে পলিপ


সাইনাস ব্লক


ঘ্রাণ প্রায় নেই


সর্দি দুর্গন্ধযুক্ত


এটি পলিপ–সাইনাসে খুব কার্যকর।


---


🔟 Carbo Veg


যদি থাকে:


দীর্ঘদিনের সাইনাস সমস্যা


নাকে সবসময় ভার


গন্ধ বুঝতে কম


গ্যাস + সর্দি একসঙ্গে


✔ কোন ওষুধ কখন? (ঝটপট গাইড)


লক্ষণ সম্ভাব্য ওষুধ


নাকে পলিপ Thuja, Lemna Minor

ঠান্ডার পর ঘ্রাণ কম Pulsatilla, Ars Alb

ঘন আঠালো সর্দি Kali Bich

নাকে শুকনোভাব Nat-m

সাইনাস ব্লক + মাথা ভার Silicea, Kali Bich

ইনফেকশন পর ঘ্রাণ কম Hepar Sulph


⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911।

শীত_আসার_সঙ্গে_সঙ্গে_হাঁপানি_রোগ_বৃদ্ধি_পায়ঃ

 


শীত_আসার_সঙ্গে_সঙ্গে_হাঁপানি_রোগ_বৃদ্ধি_পায়ঃ-

হাঁপানি বা এ্যাজমা কি ?

দীর্ঘমেয়াদী হাঁপ বা বারবার হাঁপের আক্রমণকে হাঁপানি বলে। হাঁপানি শ্বাসতন্ত্রের ক্রনিক প্রদাহ জনিত ও ক্ষুদ্র শ্বাস নালীর রোগ, যাতে ক্ষুদ্র শ্বাসনালীগুলো সর্বদা প্রদাহজনিত কারণে লাল এবং সংবেদনশীল থাকে। এ সংবেদনশীল ক্ষুদ্র শ্বাসনালীগুলো যদি ঠাণ্ডা, ভাইরাস জীবাণু অথবা হাঁপানি উদ্দীপক অন্য কোন বস্তুর সংস্পর্শে আসে তখন সেগুলোতে প্রতিক্রিয়া জনিত সংকোচন ঘটে ফলে শ্বাস নালী সংকীর্ণ হয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় এবং রোগীর শ্বাস কষ্ট হয়।


হাঁপানির কারণঃ

হোমিওপ্যাথি মতে সোরা ও সাইকোসিস উপবিশ এর প্রধান কারণ।যেমন কারো গনোরিয়া বা চর্ম রোগ মলম দিয়ে বা বিসদৃশ পন্থায় চিকিৎসা করার পরে এ রোগটি ফুসফুসে আক্রমণ করলে রোগের নাম হয় হাঁপানি,লিভারে আক্রমণ করলে এর নাম হয় লিভার সিরোসিস, কিডনিতে আক্রমণ করলে এর নাম হয় নেফরোসিস এবং বংশানুক্রমিক বিস্তার লাভ করে।এলার্জির কারণে হাঁপানি হতে পারে।ধূলা, বালি, ফুলের রেণু, পশুপাখির লোম,পালক,বিভিন্ন ধরনের খাদ্য যেমন – ইলিশ মাছ, গরুর মাংস, বেগুন, ডিম ইত্যাদিতে যদি কারো এলার্জি থাকে তবে এগুলোর সংস্পর্শে এলে বা খেলে হাঁপানি হতে পারে। কম্বল, কার্পেট, লোমশ পোশাক অনেক সময় কারণ হতে পারে।যদি কারো বংশে হাঁপানির ইতিহাস থাকে তবে তার হাঁপানি হতে পারে। ধূমপান করলে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রকার ভেদ (Classification) :

ক)ক্রনিক হাঁপানি (Chronic Asthma) : এটা এপিসোডিক হাঁপানি যা বছরের পর বছর রোগীকষ্ট পায়।কিন্তু ভালো সময়ে কিছু পরিমাণ শ্বাস কষ্ট থাকে।কাশি মিউকাস মিশ্রিত থুথু এবং বার বার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামণ দেখা যায়। যখন রোগের অন্য লক্ষণ থাকে না তখনও Bronchi দেখা যায়।হঠাৎ মারাত্মক আকার ধারন করে।

খ)হাঁপানি (Acute severe Asthma) : এ ধরনের খুবই মারাত্মক।এই হাঁপানি থেকে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে।

উপসর্গ ও লক্ষণ:

নাড়ীর গতি হঠাৎ ১২০ বারের বেশী সেই সাথে পালসাস প্যারাডক্সাস থাকে এবং পরে কমতে থাকে।

এক সাথে পুরো বাক্য বলে শেষ করতে পারে না।সেন্ট্রাল সায়ানোসিস থাকতে পারে।অবসন্নতা,রক্তচাপ প্রথমে বাড়ে পরে কমতে থাকে।ফুসফুসের কোন শব্দ না হওয়া (Silent chest)।মারাত্মক হাঁপানির চিকিৎসার প্রধান কথাই হল রোগীকে দ্রুত বিপদ মুক্ত করতে হবে। হোমিও ঔষধ দিয়ে রোগীকে সাথে সাথে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। হোমিও ঔষধে কাজ হলে হাসপাতালে যাওয়ার পূর্বেই রোগী সুস্থ অনুভব করবে।রোগী সহনশীল অবস্থায় ফিরে এলে লক্ষণ ভিত্তিক হোমিও চিকিৎসা করতে হবে।

প্রতিরোধ (Prevention):

রোগীর অভিজ্ঞতা অনুসারে যে যে কারণে (আবহাওয়া,বিশেষ খাদ্য ও পানিয়,গোসল ও পরিবেশ ইত্যাদি) হাঁপানির টান বেড়ে যায় তা থেকে রোগীকে দূরে থাকতে হবে।ধূমপান এবং সব রকমের ধোয়া থেকে রোগীর দূরে থাকা প্রয়োজন।কম্বল,কার্পেট,লোমশ পোশাক,ঘর ঝাড়া,কুকুর,বিড়াল,খরগোস ইত্যাদির মাধ্যমে হাঁপানির সংক্রমণ ঘটতে পারে তাই এ গুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।

হাঁপানির রোগীর কারণ ভিত্তিক সদৃশ ঔষধ নির্বাচনঃ-

জন্মগত কারণে হাাঁপানির রোগীর সদৃশ ঔষধঃথুজা,নেট্রাম সাল্ফ,কেলি কার্ব,কার্বো ভেজ ইত্যাদি।

বুকে চাপা বা আঘাতের কারণে হাপনি হলে সদৃশ ঔষধঃআর্ণিকা মন্টেনা, রাস টক্স ইত্যাদি।

গর্ভবতির ধুমপানের কারনে অথবা কৃত্তিম দুধের কারণে হাঁপানি হলে সদৃশ ঔষধঃ এলুমিনা,সোরিনাম ইত্যাদি।

এলার্জিক কারণে হাঁপানি হলে সদৃশ ঔষধঃডলকামারা, রাসটক্স, ব্রাইয়োনিয়া এলবম ইত্যাদি।

রক্তের দূষণের কারণে হাঁপানি হলে সদৃশ ঔষধঃফেরম ফস,সাইলেসিয়া ইত্যাদি।

হাঁপানির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধের লক্ষণভিত্তিক আলোচনাঃ


এমেন কার্ব:পুরাতন হাপানি সিড়ি বেয়ে দু’এক ধাপ উপরে উঠিলে শ্বাসটান বৃদ্ধি,মুক্ত বায়ুতে রোগীর আরাম বোধ,উষ্মবায়ুতে দম বন্ধের ভাব,মুখ নিলাভ হয় খুকখুক কাশিসহ শ্বাসকষ্ট ও সামান্য পরিশ্রমেই হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি হলে উক্ত ঔষধ জরুরী।


এন্টিম টার্ট:অত্যধিক শ্বাসকষ্টের জন্য রোগী উঠিয়া বসিতে বাধ্য হয়।শেষ রাত্রিতে বিশেষ করে রাত তিনটায় রোগের বৃদ্ধি।বুকের ভিতরপ্রচুর শ্লেষ্মা জমে,ঘড়ঘড় শব্দ করে ,শ্লেষ্মা উঠাইতে পারে না ফলে শ্বাসটান বাড়ে ,কাশির সাথে শ্লেষ্মা উঠিলে আরাম হয় সেই রোগীর জন্য উক্ত ঔষধ জরুরী প্রয়োজন।


আর্সেনিক এলবম:দুর্নিসহ শ্বাসটান,রাত একটার পর রোগের বৃদ্ধি,অত্যধিক উদ্বেগ ও অস্হিরতা শ্বাসরোধ হওয়ার ভয়ে শুইতে ভয় পায়,সারা রাত বসিয়া থাকে,সামান্য নড়াচড়ায় বৃদ্ধি,সিড়ি বেয়ে উপরে উঠিতে পারে না,উত্তাপে ও গরম ঘরে আরাম বেধ হলে আর্সেনিক এলবম প্রয়োগ জরুরী।


কেলি বাইক্রম:শ্বাসনালির প্রদাহসহ হাপানি,কফ আঠাল দড়িরমত,রাত তিন চারটার দিকে হাপানির টান বাড়ে,শীতকালে ও গ্রীষ্মকালে রোগ বাড়ে,সামনের দিকে ঝুকিলে ও দড়িরমত আঠাল কফ বাহির করিতে পারিলে আরাম হয়,রোগী অত্যধিক দুর্বল হলে চোখের উপর পাতা ফোলা ভাব হলে কেলিবাইক্রম জরুরী প্রয়োগ প্রয়োজন।


লোবেলিয়া:বুকের মধে আরষ্টতা বোধ,সামান্য নড়াচড়ায় কষ্ট,পাকাশয়ের উপরে অস্হিরকর দর্বলতা,দ্রুত চলাফেরা করিলে আরাম পাইলে,হাপানি বাড়ার আগে শরীর চিটমিট করে তবে এই ঔষধ প্রয়োজন।


ল্যাকেসিস:হাপাঁনির কারনে নিদ্রা ভাঙ্গ,বুকের উপর সামান্য চাপও সহ্য হয় না,কাশির সাথে সামান্য তরল কফ বাহির হলেও আরাম হয়।ঘুমের পরে রোগের আরাম হলেে,আহারের পরে আরাম হলে এবং গলার কাছে কাপড়ও না রাখতে দিলে,গরম ঘরে রোগ বৃদ্ধি হলে ল্যাকেসিস প্রয়োজন।


ব্রোমিয়াম:সমুদ্রতীরে গেলে হাঁপানি বাড়লে,শ্বাস গ্রহনে কষ্ট হলে,রোগী যদি মনে করে ফুস ফুসে বায়ু প্রবেশ করাইতে পারিলেই আরাম হবে তবে রোগীর জন্য ব্রোমিয়ামই উপযুক্ত ঔষধ।

ইপিকাক:আক্ষেপিক হাঁপানির টানের এটি শ্রেষ্ঠ ঐষধ।বুকের মাঝে সংকোচন বোধ,বুকের মাঝে বুজবুজ শব্দ,দমবন্ধের ভাব,সামান্র নড়াচড়ায় বৃদ্ধি,বুকের মাঝে অনেক কফ,কাশিবার সময় ঘরঘরানি শব্দ,কফ উটিতে চায না,হাঁপানির সাথে বমি ও বোমিভাব,হাতপায়ে ঠান্ডা ঘাম হলে ইপকাক প্রয়োজন।


সালফার:চর্মরোগের কুচিকিৎসার পরেঅর্থাৎ মলম ও বিসদৃষ ঔষধ দ্বারা চিকিৎসার ফলে হাাঁপানি রোগ হলে,মাঝ রাতে শ্বাসটানের বৃদ্ধি হলে মাঝ রাতে ঘুম ভাঙ্গার পর রোগের কষ্ট বুদ্ধি হলে ঘরের দরজা জানালা খুলিয়া দিতে বলে ,মনে করে খোলা বাতাসে আরাম পাবে,মাথা ও পায়ে জ্বালা অনুভব হলে,দুপুরের পুর্বে  পাকাশয়ে শুন্যতা অনুভব হলে সাথে অবসন্ন বোধ করলে সালফার জরুরী প্রয়োজন।


গ্রাফাইটিস:শ্বাসটানের কারনে ঘুম ভাংলে,সামান্য আহারে আরাম পাইলে,রোগী মোটা,শীতকাতর,কোষ্ঠব্ধ হলে,শীত ও গ্রীষ্ম উভই তার জন্য কষ্টকর,গরমঘরেহাাঁপানির বৃদ্ধি,মুক্ত বায়ুতে আরাম হলে গ্রাফাইটিস প্রয়োজন।


এন্টিম আর্স:এমফাইজিমাসহ হাঁটপানি রাগীর প্রবল শ্বাসটান,মুক্ত বায়ুতে আরাম,আহারের পরে ওশয়নকালে শ্বাসটানে বৃদ্ধি হলে এন্টিম আর্স প্রয়োজন।


এপিস মেল:অত্যধিক শ্বাসকষ্ট;রোগী মনে করে সে শ্বাস নিতেই পারবেই না;বাতাস করিতে বলে।শ্বাসের অভাবের সময় গলায় হাত দিতে দেয় না।গরমঘরে শ্বাসটানের বৃদ্ধি।আমবাত সারার পরে হাঁপানির বৃদ্ধি হলে এপিস মেল প্রয়োজন।


কার্বোভেজ:দুর্বল বৃদ্ধহাপানির রোগীর জন্য কার্বোভেজ প্রয়োজন।রোগী মনে করে সে মারাই যাবে।শীতকাতর রোগীঅত্যন্ত শ্বাসটান,শরীর নিরাভ হয়,হৃতপ্রদেশে উদ্বেগ শ্বাস গ্রহনের জন্য শরীরের সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে।রোগী হঠাৎ রোগীর শ্বাসটান  শয়নেবৃদ্ধি হয় ।অধিক বায়ুর আশায় পাখার বাতাস চায়।


কুপ্রম মেট: আক্ষেপিক শ্বাসটান দমবন্ধভাব,গলাব্দ হয়,,মুখমন্ডল নিলাভ,হঠাৎ হাপানির বৃদ্ধি রাত ২/৩টায়  হঠাৎ আরাম। মানসিক বিকার জনিত হাঁপানি।রাতের বেলায় মাসিকের পুর্বে রোগের বৃদ্ধি।


ডলকামারা:শীতল ও স্যাতসেতে আবহাওয়ায় হাাঁপানির বৃদ্ধি,সরল ঘরঘরে কাশি,বর্ষাকালে রোগের বৃদ্ধি হলে ।

লাইকোপোডিয়াম:বুকেরমাঝে ঘরঘর শব্দ কাশির সাথে পুজসহ হলুদ কফ।মুক্ত বায়ুতে,চিৎ হয়ে শয়নে,নিদ্রাকালে,সামান্য পরিশ্রমে,অথবা আবদ্ধ গরম ঘরে শ্বাসটানের বৃদ্ধি।পেটের গোলযোগসহ হাঁপানির রোগীর জন্য উপযোগী।

নেট্রাম সাল্ফ:বৃষ্টির দিনে শ্বাসটানের বৃদ্ধি।বুকের মধে ঘরঘরানিসহ শ্বাসটান।প্রাতকালিন উদরাময়সহ হাঁপানির রোগী,প্রমেহ দোষগ্রস্হ রোগী,সকালবেলায় হাপানির বৃদ্ধি ও প্রচুর সবুজাভ কফ।

নাক্স ভোম:খিটখিটে রোগীর অজীর্ণসহ হাপানির রোগী।আহারের পরেপেটে চাপ বোধঅস্হে ও বুকের মাঝে সংকোচন বোধ,কাপড় ঢিলা করে দিলে উদগার উঠিলে উপশম।শীতল বায়ুতে,পরিশ্রমে,সিড়ি বেয়ে উপড়ে উঠিলে হাঁপানির বৃদ্ধি।

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...