এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে গেলে এক্সেলের এই কাজগুলো জানতেই হবে!

 অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে গেলে এক্সেলের এই কাজগুলো জানতেই হবে!


বর্তমান সময়ে অ্যাকাউন্টস, ফাইন্যান্স বা অডিট যে কোনো চাকরির ইন্টারভিউতে প্রথম প্রশ্ন আসে  “আপনি এক্সেলে কতটা দক্ষ?”


কারণ বাস্তবতা হলো আজকের অ্যাকাউন্টিং মানেই এক্সেল।‌ 


নিচে ধাপে ধাপে বলছি, কি কি এক্সেল কাজ জানতে হবে এবং কেন জানতে হবে ⬇️


1️⃣ Basic Excel (মাস্ট না জানলে চাকরি ঝুঁকিতে)

যা জানতে হবে:

Cell, Row, Column

Formatting (Number, Date, Currency)

Sort & Filter

Freeze Pane


কেন দরকার: দৈনন্দিন ডাটা এন্ট্রি, ভাউচার, লেজার, রিপোর্ট এসব কাজের বেসিক এখান থেকেই।


2️⃣ Excel Formulas (অ্যাকাউন্টসের প্রাণ)

যা জানতে হবে:

SUM, AVERAGE

IF, Nested IF

COUNT, COUNTA

ROUND


কেন দরকার: টোটাল, হিসাব মিলানো, কন্ডিশন অনুযায়ী রেজাল্ট বের করা, সবই ফর্মুলা ছাড়া অসম্ভব।


3️⃣ Lookup Functions (ডাটা খোঁজার দক্ষতা)

যা জানতে হবে:

VLOOKUP / HLOOKUP

XLOOKUP

INDEX + MATCH


কেন দরকার: হাজার হাজার ডাটার ভেতর থেকে নির্দিষ্ট কাস্টমার, ইনভয়েস বা এমপ্লয়ির তথ্য বের করার জন্য।


4️⃣ Accounting Reports তৈরি

যা জানতে হবে:

Trial Balance

Profit & Loss

Balance Sheet

Cash Flow


কেন দরকার: ম্যানেজমেন্ট ও অডিটের জন্য রিপোর্ট তৈরি করা অ্যাকাউন্টস অফিসারের মূল দায়িত্ব।


5️⃣ Pivot Table (স্মার্ট অ্যাকাউন্টেন্টদের অস্ত্র)

যা জানতে হবে:

Pivot Table তৈরি

Grouping

Slicer


কেন দরকার: অল্প সময়ে বিশাল ডাটা অ্যানালাইস করে রিপোর্ট বানাতে।


6️⃣ Data Validation & Conditional Formatting

যা জানতে হবে:

Dropdown List

Conditional Formatting Rules


কেন দরকার: ভুল ডাটা এন্ট্রি কমানো ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাইলাইট করার জন্য।


7️⃣ Practical Accounting Excel Skills

যা জানতে হবে:

Voucher Entry Sheet

Bank Reconciliation

Inventory Stock Report

Payroll Sheet


কেন দরকার: এগুলোই বাস্তব অফিসে প্রতিদিন করা হয়।


8️⃣ Shortcut & Efficiency Skills

যা জানতে হবে:

Keyboard Shortcuts

Faster Data Handling


কেন দরকার: কম সময়ে বেশি কাজ = ভালো পারফরম্যান্স = ক্যারিয়ার গ্রোথ।


শেষ কথা, যদি আপনি অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে চান তাহলে 👇


❌ শুধু থিওরি জানলে হবে না

✅ প্র্যাকটিক্যাল এক্সেল স্কিল থাকতেই হবে


আজ এক্সেল শেখা মানে

📈 চাকরির সুযোগ বাড়ানো।

📈 স্যালারি বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ানো।


Tanvir Rahaman

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনা

 রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।


১. সুদ (Riba):

যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।

📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”


২. অকৃতজ্ঞতা:

যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”


৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:

রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।

📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬


৪. অসততা:

ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।


৫. প্রতারণা:

কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।

📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২


৬. সালাত অবহেলা:

আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।

📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত


৭. গীবত:

অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।

📖 সূরা হুজুরাত ১২


৮. অহংকার:

রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১


৯. যাকাত আটকে রাখা:

যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।

📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫


১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:

যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।

📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩


১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:

এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।


১২. লোভ:

যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।

📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯


১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:

তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।

📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)


১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:

জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।


১৫. সদকা অবহেলা:

সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।

📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮


১৬. হিংসা:

অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।


১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:

যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।


১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:

টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।

📖 বুখারি ২০৮৭


১৯. অলসতা:

রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।


২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:

আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।


📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০


#আল্লাহ #রাজ্জাক #আর্নিং #হালালইনকাম #হালাল #রহমান  #রিজিক #follower #highlight

দুগ্ধ উৎপাদনের বিশ্বরেকর্ড: সুইজারল্যান্ডের শ্বেতশুভ্র সানেন (Saanen) ছাগল

 🥛 দুগ্ধ উৎপাদনের বিশ্বরেকর্ড: সুইজারল্যান্ডের শ্বেতশুভ্র সানেন (Saanen) ছাগল!


Agriculture TV-এর আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন: আজ আমরা পরিচিত হব এমন একটি বিশ্ববিখ্যাত ছাগলের জাতের সাথে, যা দুগ্ধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এটি হলো শান্ত, স্নিগ্ধ এবং অত্যন্ত উৎপাদনশীল সানেন (Saanen) ছাগল।


নামকরণ ও উৎপত্তি

‘সানেন’ নামটি এসেছে এর উৎপত্তিস্থল থেকে। এই জাতটির আদি নিবাস হলো সুইজারল্যান্ডের সানেন উপত্যকা (Saanen Valley)। এই উচ্চ আল্পাইন অঞ্চলে শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এরা বিশ্বের সবচেয়ে ভালো দুগ্ধ উৎপাদনকারী ছাগল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।


প্রাপ্তিস্থান: এর অসাধারণ গুণের কারণে এই জাতটি এখন বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে পালিত হয়, যার মধ্যে প্রধান হলো: সুইজারল্যান্ড, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র।


দৈহিক গঠন এবং ওজন

সানেন ছাগল একটি মাঝারি থেকে বড় আকারের জাত। এদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এদের শুভ্র সাদা রং এবং শান্ত স্বভাব। এদের প্রায় পুরো শরীর লোমে আবৃত থাকে।


ওজন: প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ (Buck) ছাগলের ওজন সাধারণত ৮০ থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত হয়। স্ত্রী (Doe) ছাগলের ওজন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কেজি হয়ে থাকে।


স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য: এদের কানগুলো খাড়া ও মাঝারি আকারের হয় এবং এদের প্রায় কোনো শিং থাকে না (Poll)। এদের দৈহিক গঠন দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত; সুগঠিত বাঁট এদের উচ্চ উৎপাদন ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।


কিসের জন্য সানেন এত বিখ্যাত? — দুগ্ধ শিল্পের রানি!

সানেন ছাগল হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী (Dairy) ছাগলের জাত:


বিশ্ব রেকর্ডধারী দুগ্ধ উৎপাদন: সানেন ছাগল দৈনিক গড়ে ৪ থেকে ৬ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। অনুকূল পরিবেশে কিছু ছাগল দিনে ৮ থেকে ১০ লিটার দুধও উৎপাদন করে!


দীর্ঘ দুগ্ধদানকাল: এদের দুগ্ধদানকাল অনেক লম্বা, যা বাণিজ্যিক দুগ্ধ খামারের জন্য অত্যন্ত লাভজনক।


দুধের গুণমান: এদের দুধের ফ্যাট বা চর্বির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় ৩.৫%) এবং দুধের স্বাদ খুবই ভালো, যা প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধপণ্য (যেমন: পনির, দই) তৈরির জন্য আদর্শ।


বংশবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে এর গুরুত্ব

সানেন ছাগল সাধারণত একবারে একটি বা দুটি বাচ্চা দেয়। এরা যদিও শীতপ্রধান অঞ্চলের জাত, তবুও যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্বের উষ্ণ অঞ্চলেও এদের সফলভাবে পালন করা যায়।


বাংলাদেশে উপস্থিতি: বাংলাদেশে দুগ্ধ শিল্পের উন্নয়নে এবং দেশীয় ছাগলের সঙ্গে সংকরায়নের মাধ্যমে দুগ্ধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সানেন ছাগলকে আমদানি করা হয়েছে। এর উচ্চ ফলনশীলতা বাংলাদেশের আধুনিক ডেইরি খামারগুলোর জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।


আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?


আপনি কি মনে করেন, শীতল আবহাওয়ার এই জাতটিকে বাংলাদেশের উষ্ণ আর্দ্র পরিবেশে সফলভাবে লালন-পালন করা সম্ভব? সানেন ছাগল পালনে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা কোনো চ্যালেঞ্জ থাকলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আপনার মন্তব্য অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হবে।


যদি এই প্রতিবেদনটি আপনার তথ্য ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে থাকে, তবে একটি লাইক দিয়ে আমাদের কাজকে উৎসাহিত করুন এবং শেয়ার করে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দিন।


কৃষি, দুগ্ধ উৎপাদন, এবং পশুপালনের প্রযুক্তিগত দিকগুলো সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের Agriculture TV ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন।


যোগাযোগের মাধ্যম: আপনার ফার্ম বা কোনো সফল কৃষি প্রজেক্টের গল্প তুলে ধরতে আমাদের টিমের সহায়তা নিতে পারেন। আপনার উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নিয়ে একটি প্রামাণ্য প্রতিবেদন তৈরি করতে আজই আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।


#সানেনছাগল, #SaanenGoat, #দুগ্ধউৎপাদন, #DairyGoat, #AgricultureTV, #GoatFarmingTips, #দুধেররানি, #সুইসব্রীড

সকাল বেলা – সূরা ইয়াসিন

 ১. সকাল বেলা – সূরা ইয়াসিন


রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে

সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তার সকল প্রয়োজন পূর্ণ করা

হবে।" (দারেমি)। এটি কুরআনের হৃদয়। সকালে এটি

পাঠ করলে সারাদিনের কাজে বরকত পাওয়া যায় এবং

মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।


২. রাতের বেলা - সূরা আল-মুলক


হাদিস অনুযায়ী, এই সূরাটি কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা

দেয়। রাসুল (সা.) সূরা আল-মুলক না পড়ে রাতে ঘুমাতে

যেতেন না। এটি নিয়মিত পাঠকারীর জন্য কেয়ামতের দিন

সুপারিশ করবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয়।


৩. বিপদের সময় - সূরা ফীল


শত্রুর আক্রমণ বা বড় কোনো বিপদে সূরা ফীল পাঠ করা

হয়। ঐতিহাসিক আবরাহার হস্তীবাহিনীর ধ্বংসের ঘটনা

এই সূরায় বর্ণিত হয়েছে। ওলামায়ে কেরাম বলেন, আল্লাহর

সাহায্যের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে এটি পাঠ করলে জালেম

ও শত্রুর অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


৪. জাদু ও বদ নজরে - সূরা ফালাক ও সূরা নাস এই

দুই সূরাকে একত্রে 'মুআওয়াজাতাইন' (আশ্রয় প্রার্থনার

দুই সূরা) বলা হয়। যখন কেউ জাদুর প্রভাব বা মানুষের

কুনজরে পড়ে, তখন এই সূরা দুটি তাকে নিরাপত্তা দেয়।

রাসুল (সা.) প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই দুই সূরা পড়ে

নিজের শরীরে ফুঁ দিতেন।


৫. মন খারাপ বা দুশ্চিন্তায় - সূরা ইনশিরাহ যখন মন খুব

বিষণ্ণ থাকে বা মনে হয় বিপদ কাটছেই না, তখন সূরা

ইনশিরাহ (আলাম নাশরাহ...) পাঠ করলে প্রশান্তি মেলে।

এতে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন- "নিশ্চয় কষ্টের

সাথেই স্বস্তি আছে।" এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য

করে।


৬. রোগ-ব্যাধিতে - সূরা ফাতিহা সূরা ফাতিহার এক নাম

হলো 'আশ-শিফা' বা রোগমুক্তি। সহীহ বুখারীর বর্ণনা

অনুযায়ী, সাহাবায়ে কেরাম বিষাক্ত প্রাণীর দংশন এবং

বিভিন্ন অসুস্থতায় এই সূরা পড়ে দম (ফুঁ) করতেন এবং

সুস্থতা লাভকরতেন। এটি সকল রোগের প্রাথমিক আমল।


৭. ভয়ের সময় – আয়াতুল কুরসি আয়াতুল কুরসি

কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত। হাদিসে এসেছে,

রাতে শোবার সময় এটি পড়লে আল্লাহর পক্ষ থেকে

একজন ফেরেশতা তাকে পাহারা দেয় এবং শয়তান তার

ধারেকাছেও ভিড়তে পারে না। কোনো নির্জন স্থানে বা

বিপদে ভয় পেলে এটি পাঠ করা সবথেকে কার্যকর।


৮. রিজিক বৃদ্ধির জন্য – সূরা ওয়াকিয়া বিখ্যাত হাদিস

অনুযায়ী, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে,

সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না। ওলামায়ে কেরাম

একে 'ধনী হওয়ার সূরা' বলে থাকেন। এ কারণে মাগরিব বা এশার পর এই সূরা পড়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

#gratitude

বিছানায় প্রস্রাব বন্ধ করার হোমিও ঔষধ

 🟩বিছানায় প্রস্রাব বন্ধ করার হোমিও ঔষধ🟩

Rubric: Bladder-Urination-involuntary-night.


🔴Causticum

-ঘুমের মধ্যে অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব

গভীর ঘুমে প্রস্রাব হয়ে যায়।

হাঁচি বা কাশির সময়ও প্রস্রাব ঝরে।

-রাতের প্রথম দিকে শিশুরা ঘুমের অবস্থায় অসাড়ে প্রস্রাব করে। 

-গরম কালে কম প্রস্রাব করে তবে শীতকালে বেশি। 

-রোগী শীতকাতুরে, সিমপ্যাথেটিক,অন্যায় সহ্য করতে পারে না।

-কোষ্ঠাবদ্ধ ধাতের, দাড়িয়ে মলত্যাগ ভালো হয়। 


🔴Sepia

-রাতে ঘুমের সময় প্রস্রাব।

-দিনের বেলা প্রস্রাব চেপে রাখা যায় না।

-স্বপ্নে প্রস্রাব করা দেখে।

-মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি কাজ করে। 

-শীতকাতর।বসন্তকালে এবং শীতকালে সমস্যা বাড়ে।


🔴Kreosotum

প্রথম ঘুমেই বিছানা ভিজে যায়।

-স্বপ্নে প্রস্রাব করা দেখে বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। 

-প্রস্রাবের গন্ধ তীব্র ঝাঁঝালো। 

-শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত

-এবং যেসব শিশুর দুধ দাঁত ক্ষয়ে যায়। 


🔴Belladonna

-হঠাৎ হঠাৎ প্রস্রাব

-প্রস্রাবের সময় জ্বালা।

-ঘুম ভেঙে প্রস্রাব।

-রোগী প্রচন্ড রাগী এবং কুকুরের ভয় পায়।


🔴 Equisetum

-বারবার প্রস্রাবের বেগ

-ঘুমের মধ্যেও প্রস্রাব হয়ে যায়

-মূত্রাশয় পূর্ণ মনে হয়।


 🔴Phosphorus

-গভীর ঘুমে প্রস্রাব।

-দুর্বল, ভয়প্রবণ শিশুদের জন্য উপযোগী।

-শীতকাতুরে, সিমপ্যাথেটিক রোগী

-ঠান্ডা খাবার ভালোবাসে। 

-বজ্রপাত, অন্ধকার, একা থাকতে এবং ভুতের ভয় পায়। 


🔴Cina

-কৃমিজনিত সমস্যায় বিছানায় প্রস্রাব।

-বাচ্চা প্রচন্ড খিটখিটে। সারাক্ষণ মায়ের আঁচল ধরে থাকে। 

-প্রতিশোধ পরায়ণ। 

-প্রচন্ড ক্ষুধা। 

-মিষ্টি খেতে ভালোবাসে। 


★★এছাড়া প্রপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

পুরুষদের যৌ-ন জীবন ভেঙে দেয় যে ১২টা নীরব শত্রু

 পুরুষদের যৌ-ন জীবন ভেঙে দেয় যে ১২টা নীরব শত্রু


এবং যেগুলো ঠিক করলে premature ejaculation (PE) and erectile dysfunction (ED)—সব সমস‍্যাই অনেক সময় নিজেই ঠিক হয়ে যায়।


১) হঠাৎ পেট বড় হলে শক্তি আগে কমে

ভুঁড়ি বাড়ে → Testosterone কমে

– কোমর ৩৬ ইঞ্চির নিচে রাখার চেষ্টা

– প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা বাধ্যতামূলক

ব‍্যায়ামের উপর ঔষুধ নেই।


২) PE ও ED- সময় কম, শীতলতা এর সবচেয়ে বড় কারণ—Brain fatigue

অতিরিক্ত চিন্তা, প-র্ন, স্ক্রিন

– রাতে ফোন off রাখুন 

– বাস্তব সম্পর্ককে অগ্রাধিকার

– শ্বাস ধীরে নেওয়ার অভ্যাস করুন 


৩) ভুল খাবার, সঠিক ওষুধকেও কাজ করতে দেয় না

– অতিরিক্ত ভাজা, চিনি, সফট ড্রিংক = Blood flow killer

লাল গমের রুটি, ডিম, সবজি, মাছ রাখুন

– রাতের খাবার হালকা মাগরিব আর এশার মাঝে 

বেশি উপকারি ।


৪) মিলনের আগে Heavy meal = নিশ্চিত ক্ষতি

– পেট ভরা থাকলে রক্ত যায় পেটে

– ফলাফল: সময় কম, শক্তি দুর্বল

– মিলনের ২–৩ ঘণ্টা আগে ভারী খাবার নয়।


৫) Zinc, Vitamin D কম থাকলে PE/ED বাড়ে

– না খেয়ে ওষুধ কাজ করবে না

– দরকার হলে রক্ত পরীক্ষা

– নিজে নিজে আন্দাজে ওষুধ নয়


৬) Exercise না করলে কোনো medicine permanent কাজ করে না

– সপ্তাহে ৪–৫ দিন brisk walk

– স্কোয়াট, কেগেল, হালকা strength training

– রক্ত চলাচল না বাড়লে শক্তিও বাড়ে না


৭) অতিরিক্ত হস্তমৈথুন sensitivity নষ্ট করে

– নিয়ন্ত্রণ না থাকলে

→ Time কমে

→ Confidence ভাঙে

– ধীরে ধীরে frequency কমানোই সমাধান


৮) PE সব সময় শারীরিক নয়—অনেক সময় মানসিক চাপে হতে পারে 

– আগের ব্যর্থতার ভয়

– তুলনা

– পারফরম্যান্স প্রেশার

এই তিনটা ঠিক না করলে ওষুধও ফেল


৯) ED হলে আগে ৫টা জিনিস ভাবুন

– Diabetes আছে?

– Blood pressure?

– ঘুম ঠিক?

– ধূমপান?

– স্ট্রেস?

সব উত্তর না হলে সরাসরি ওষুধ নয়


১০) Medicine সাহায্য করে, কিন্তু জীবনযাপন ঠিক না করলে cure হয় না

– Tablet support দেয়

– Lifestyle cure করে

এই পার্থক্য না বুঝলে আজ ভালো, কাল খারাপ


১১) স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ভালো না হলে শরীরও সাড়া দেয় না

– কথা বলা

– সময় দেওয়া

– blame নয়, বোঝার চেষ্টা

– Emotional bond = Sexual power


১২) আল্লাহর সাথে দূরত্ব বাড়লে ভিতর থেকে শক্তি ভাঙে

– নামাজ

– দোআ

– হারাম থেকে বাঁচার চেষ্টা

– মন শান্ত হলে শরীরও শক্ত হয়


এই পোস্টটা মনে রাখবেন:

শুধু ওষুধে সমাধান নেই

 খাবার + ঘুম + ব্যায়াম + মন + সম্পর্ক = আসল চিকিৎসা


এটা যদি কাজে লাগে মনে হয় 

 তাহলে অনেকেরই কাজে দিবে

১টা শেয়ার করলে  আপনার সওয়াবও হতে পারে।


শেষ কথা 

আপনার যদি শারীরিক অক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরীহ ও অসুখী মানুষ। আপনার না আছে স্ত্রীর কাছে সম্মান আর না আছে আপনার মনে শান্তি।  পৃথিবীর সবাই আপনাকে ভয় আর শ্রদ্ধা করলেও সবই বেকার। মনে রাখবেন যে পুরুষ নারী মহলে বাহাদুরি করতে পারে সেই আসল পুরুষ। 

তাই রোগ চেপে রাখবেন না বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা গ্রহন করুন স্থায়ীভাবে সুস্থ হউন। আপনার ভিতর জিদ তৈরি করুন যে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাল ছাড়বো না। হ্যা এমন মানুষিতার মানুষ গুলোই সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে। তাই বলবো আমরা দীর্ঘদিন ধরে গোপন রোগের স্থায়ী চিকিৎসা করে আসছি আপনি চাইলে আমাদের সেবাটা শেষ চিকিৎসা মনে করে গ্রহন করতে পারেন। এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01733164992 ফোন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ।

তবে দয়া করে মেসেঞ্জারে নক দিবেন না।

চুল পড়া বন্ধ করার হোমিও ঔষ

 🔻চুল পড়া বন্ধ করার হোমিও ঔষ


ধ 🔻

1️⃣ Jaborandi 

হঠাৎ বা অতিরিক্ত চুল পড়া

চুল শুষ্ক, নিষ্প্রাণ

খুশকি থাকলে উপকারী

★ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

2️⃣ Fluoric Acid

চুল পড়ার সাথে অকাল টাক।

মাথার মাঝখান থেকে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া।

মাথা গরম লাগে।রোগী সিডো-সোরা দোষ জনিত অকাল বার্ধক্য, অত্যন্ত কামুক, সাহসী, গরমকাতর এবং  ঠান্ডায় উপশম।

 অনবরত হেঁটে বেড়ায় এমন রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী। 

3️⃣ Phosphorus

গোছা গোছা করে চুল পড়া।

সামান্য স্পর্শেই চুল উঠে আসে।

ভ্রু, দাড়ির চুলও পড়ে যায়।

রোগী শীতকাতর। ঠান্ডা পানিও, ঠান্ডা খাদ্য ভালোবাসে।সবকিছুতেই ভয় পায়। বজ্রপাতের ভয় পায়।  

4️⃣ Lycopodium

কপালের দুপাশ থেকে চুল পড়া।

হজম দুর্বল, গ্যাস।

বিকেলে সমস্যা বাড়ে।বিশেষ করে চারটা থেকে রাত আটটা। 

স্বার্থপর, কৃপণ ব্যক্তি। প্রচন্ড সেন্টিমেন্টাল ধন্যবাদ দিলেও কান্না করে। 

5️⃣ Natrum Mur

মানসিক কষ্ট, দুশ্চিন্তার পর চুল পড়া।

মাথার ত্বক শুষ্ক।

খুশকি ও চুল পড়া একসাথে।

রোগী গরম কাতর।কোষ্ঠকাঠিন্য, দুই এক দিন পর পর পায়খানা হয়। 

লবন এবং তিতা খাবার প্রিয়। 

6️⃣ Silicea

দুর্বল, পাতলা চুল।

শিশু ও কিশোরদের চুল পড়া।

ঘাম বেশি হয় মাথায়।হাত এবং পায়ের তলা ঘাম। 

ঘামে প্রচন্ড দুর্গন্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য। মল রিসিভ করে। 

পিন- আলপিনের ভয়।

7️⃣ Sepia

প্রসবের পর বা হরমোনজনিত চুল পড়া।

নারীদের ক্ষেত্রে বেশি উপকারী।

মাথার সামনে চুল পড়া।

সহজে কান্না করে। কৃপণ এবং খিটখিটে মেজাজের অধিকারী।স্বামী, সন্তান, সংসারের প্রতি উদাসীন। 

8️⃣ Calcarea Carbonica

স্থূল দেহ, সহজে ক্লান্তি।

মাথায় বেশি ঘাম।

শিশুদের চুল পড়া।প্রচন্ড ডিম প্রীয়। 

হাঁটাচলা, কথা বলা, দাঁত উঠতে দেরি হয়

এমন রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকরী। 

★★এছাড়া--Arnica mont,Baryta carb,Lachesis, syphilinum,selinium ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে প্রয়োজন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৫-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর দেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- প্রিয় নেতাকে দলীয় নেতাকর্মীসহ লাখো জনতার উষ্ণ অভ্যর্থনা।


সকলের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় বিএনপি --- জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের গণসংবর্ধনায় বললেন তারেক রহমান --- যেকোন মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান।


এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখতে গেলেন তারেক রহমান।


নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য দেশে ফিরে প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।  


যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনায় দেশে আজ শুভ বড়দিন উদযাপন করছেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। 


অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের নতুন বসতি স্থাপন অনুমোদনের নিন্দা ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশের।


এবং সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের ১২-তম আসরের পর্দা উঠছে আগামীকাল --- উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মোকাবেলা করবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৫-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৫-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* প্রায় দেড়যুগ পর আজ দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান---প্রিয় নেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত নেতাকর্মীসহ লাখো জনতা


* তারেক রহমানের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে সরকার---বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

 

* টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন উপদেষ্টা পরিষদের

 

* খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন আজ---রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

 

* দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

 

* এবং আলজেরিয়াকে ফ্রান্সের উপনিবেশে পরিণত করাকে অপরাধ ঘোষণা করেছে দেশটির পার্লামেন্ট --- ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণ দাবী আলজেরিয়ার।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৪-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৪-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রায় দেড়যুগ পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- প্রিয় নেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত নেতাকর্মীসহ লাখো জনতা 


 তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানায় অন্তর্বর্তী সরকার --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব 


টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন --- সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে নাগরিককে নজরজারি বা হয়রানি করলে হবে দণ্ডনীয় অপরাধ 


 খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন আগামীকাল --- রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা 


 নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বৈঠক --- নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশাবাদ 


দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী 


চানখারপুল গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ২০শে জানুয়ারি --- ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদেশ 


এবং তুরস্কে বিমান দুর্ঘটনায় লিবিয়ার সেনাপ্রধানসহ নিহত ৮। ****

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...