এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

একটি ধাতু, এক ভুল ধারণা আর এক যুগান্তকারী আবিষ্কার—মলিবডেনামের গল্প! 

 একটি ধাতু, এক ভুল ধারণা আর এক যুগান্তকারী আবিষ্কার—মলিবডেনামের গল্প! 


আজকের আধুনিক প্রযুক্তির পেছনে লুকিয়ে আছে বহু উপাদানের দীর্ঘ ও চমকপ্রদ ইতিহাস। তেমনই এক গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলো মলিবডেনাম (Molybdenum)। এর আবিষ্কারের গল্প শুধু রসায়নের নয়, বরং মানুষের ভুল ধারণা ভাঙারও এক অনন্য উদাহরণ।


১৮শ শতকের আগে মলিবডেনামকে আলাদা কোনো মৌল হিসেবে কেউ চিনত না। তখন এটি প্রায়ই সীসা বা গ্রাফাইটের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হতো। “মলিবডেনা” নামটি এসেছে গ্রিক শব্দ molybdos থেকে, যার অর্থ সীসা—এতেই বোঝা যায় কতটা বিভ্রান্তি ছিল এই পদার্থকে ঘিরে।


১৭৭৮ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ Carl Wilhelm Scheele প্রথম বুঝতে পারেন যে মলিবডেনা খনিজ আসলে সীসা নয়, বরং এক নতুন মৌলের যৌগ। তিনি মলিবডেনাম অক্সাইড প্রস্তুত করেন, যদিও বিশুদ্ধ ধাতুটি তখনো আলাদা করা সম্ভব হয়নি।


এর ঠিক দুই বছর পর, ১৭৮১ সালে আরেক সুইডিশ বিজ্ঞানী Peter Jacob Hjelm প্রথমবারের মতো মলিবডেনাম অক্সাইডকে কার্বনের সাহায্যে জারণ বিক্রিয়া করে বিশুদ্ধ মলিবডেনাম ধাতু আলাদা করতে সক্ষম হন। এভাবেই জন্ম নেয় একটি নতুন মৌলের আনুষ্ঠানিক পরিচয়।


আজ মলিবডেনাম উচ্চতাপ সহনশীলতা ও শক্তির জন্য পরিচিত। স্টিল অ্যালয়, বিমান শিল্প, ইলেকট্রনিক্স, এমনকি জীববিজ্ঞানের কিছু এনজাইমেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একসময় যে পদার্থকে ভুল করে সীসা ভাবা হয়েছিল, আজ সেটিই আধুনিক সভ্যতার অপরিহার্য অংশ।


#Molybdenum #মলিবডেনাম #রসায়নেরইতিহাস #ElementDiscovery #ScienceStory #Chemistry #PeriodicTable #SwedishScientists #ScienceFacts

অভিশাপ – কাজী নজরুল ইসলাম

 অভিশাপ

– কাজী নজরুল ইসলাম

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,

অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

ছবি আমার বুকে বেঁধে

পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে

ফিরবে মর” কানন গিরি,

সাগর আকাশ বাতাস চিরি’

যেদিন আমায় খুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


স্বপন ভেঙে নিশুত্‌ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,

কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,-

জাগবে হঠাৎ চমকে!

ভাববে বুঝি আমিই এসে

ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,

ধরতে গিয়ে দেখবে যখন

শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!

বেদ্‌নাতে চোখ বুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুজবে।


গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আস্‌বে যখন কান্না,

ব’লবে সবাই-“ সেই য পথিক তার শেখানো গান না?’’

আস্‌বে ভেঙে কান্না!

প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,

কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!

প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি

অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি

ঘন ঘন মুছবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝবে!


আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,

তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-

কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!

শিউলি ঢাকা মোর সমাধি

প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!

বুকের মালা ক’রবে জ্বালা

চোখের জলে সেদিন বালা

মুখের হাসি ঘুচবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,

থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!

আসবে শিশির-রাত্রি!

থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন,

থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন,

বঁধুর বুকের পরশনে

আমার পরশ আনবে মনে-

বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না ক আ সে-

তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,

আসবে না ক’ আর সে!

প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে

মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,

মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!

সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায়

কাঁটা হ’য়ে ফুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,

সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-

দুলবে তরী রঙ্গে,

প’ড়বে মনে সে কোন্‌ রাতে

এক তরীতে ছিলেম সাথে,

এমনি গাঙ ছিল জোয়ার,

নদীর দু’ধার এমনি আঁধার

তেম্‌নি তরী ছুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,

আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ-

সখার কারা-বন্ধ!

বন্ধু তোমার হান্‌বে হেলা

ভাঙবে তোমার সুখের মেলা;

দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,

বইতে প্রাণের শান- এ ভার

মরণ-সনে বুঝ্‌বে-

বুঝবে সেদিন বুঝ্‌বে!


ফুট্‌বে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী,

আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদ্‌নী-

চৈতী-রাতের চাঁদ্‌নী।

ঋতুর পরে ফির্‌বে ঋতু,

সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু!

চাইবে কেঁদে নীল নভো গা’য়,

আমার মতন চোখ ভ’রে চায়

যে-তারা তা’য় খুঁজবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝ্‌বে!


আস্‌বে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন,

কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-

টুটবে যবে বন্ধন!

পড়বে মনে, নেই সে সাথে

বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-

আপনি গালে যাচবে চুমা,

চাইবে আদর, মাগ্‌বে ছোঁওয়া,

আপনি যেচে চুমবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে।


আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হান্‌ত,

সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়ত হ’য়ে শ্রান–

আসবে তখন পান’।

হয়ত তখন আমার কোলে

সোহাগ-লোভে প’ড়বে ঢ’লে,

আপনি সেদিন সেধে কেঁদে

চাপ্‌বে বুকে বাহু বেঁধে,

চরণ চুমে পূজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!অভিশাপ

– কাজী নজরুল ইসলাম

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,

অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

ছবি আমার বুকে বেঁধে

পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে

ফিরবে মর” কানন গিরি,

সাগর আকাশ বাতাস চিরি’

যেদিন আমায় খুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


স্বপন ভেঙে নিশুত্‌ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,

কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,-

জাগবে হঠাৎ চমকে!

ভাববে বুঝি আমিই এসে

ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,

ধরতে গিয়ে দেখবে যখন

শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!

বেদ্‌নাতে চোখ বুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুজবে।


গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আস্‌বে যখন কান্না,

ব’লবে সবাই-“ সেই য পথিক তার শেখানো গান না?’’

আস্‌বে ভেঙে কান্না!

প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,

কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!

প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি

অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি

ঘন ঘন মুছবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝবে!


আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,

তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-

কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!

শিউলি ঢাকা মোর সমাধি

প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!

বুকের মালা ক’রবে জ্বালা

চোখের জলে সেদিন বালা

মুখের হাসি ঘুচবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,

থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!

আসবে শিশির-রাত্রি!

থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন,

থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন,

বঁধুর বুকের পরশনে

আমার পরশ আনবে মনে-

বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না ক আ সে-

তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,

আসবে না ক’ আর সে!

প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে

মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,

মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!

সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায়

কাঁটা হ’য়ে ফুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,

সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-

দুলবে তরী রঙ্গে,

প’ড়বে মনে সে কোন্‌ রাতে

এক তরীতে ছিলেম সাথে,

এমনি গাঙ ছিল জোয়ার,

নদীর দু’ধার এমনি আঁধার

তেম্‌নি তরী ছুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,

আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ-

সখার কারা-বন্ধ!

বন্ধু তোমার হান্‌বে হেলা

ভাঙবে তোমার সুখের মেলা;

দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,

বইতে প্রাণের শান- এ ভার

মরণ-সনে বুঝ্‌বে-

বুঝবে সেদিন বুঝ্‌বে!


ফুট্‌বে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী,

আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদ্‌নী-

চৈতী-রাতের চাঁদ্‌নী।

ঋতুর পরে ফির্‌বে ঋতু,

সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু!

চাইবে কেঁদে নীল নভো গা’য়,

আমার মতন চোখ ভ’রে চায়

যে-তারা তা’য় খুঁজবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝ্‌বে!


আস্‌বে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন,

কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-

টুটবে যবে বন্ধন!

পড়বে মনে, নেই সে সাথে

বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-

আপনি গালে যাচবে চুমা,

চাইবে আদর, মাগ্‌বে ছোঁওয়া,

আপনি যেচে চুমবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে।


আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হান্‌ত,

সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়ত হ’য়ে শ্রান–

আসবে তখন পান’।

হয়ত তখন আমার কোলে

সোহাগ-লোভে প’ড়বে ঢ’লে,

আপনি সেদিন সেধে কেঁদে

চাপ্‌বে বুকে বাহু বেঁধে,

চরণ চুমে পূজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

Parkinson’s disease এর হোমিও ঔষধ 🔻

 🔻Parkinson’s disease এর হোমিও ঔষধ 🔻


🔷এ রোগের চিকিৎসা করতে হলে প্রথমত কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। তারপর রোগের লক্ষণ নিতে হবে । পারিবারিক ইতিহাস নিতে হবে। এরপর রোগীর টোটালিটি অফ সিমটম দ্বারা চিকিৎসা করতে হবে। 


🔴 Agaricus Muscarius

- হাত-পা কাঁপে, অস্বাভাবিক নড়াচড়া  

- মুখ বা শরীর হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে।

- ঠান্ডা আবহাওয়ায় উপসর্গ বাড়ে  

- হাসি বা কথা বলায় অসামঞ্জস্য


🔴Causticum:

-সমস্যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। অঙ্গসমূহের শীতলতা, আড়ষ্টতা। জিহ্বার পক্ষাঘাত। ডান সাইডে বেশি সমস্যা। মানসিক দুঃখ কষ্ট থেকে রোগের উৎপত্তি। 

এর সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকবে। রোগী অন্যায় মেনে নিতে পারে না। সিমপ্যাথেটিক। 


🔴 Gelsemium

- দুর্বলতা, ঝিমঝিম ভাব  

- ধীর গতিতে কথা বলা ও চলাফেরা  

- হাত কাঁপা, মাথা ভার । 

- উদ্বেগ বা মানসিক চাপে উপসর্গ বাড়ে।


---

🔴Zincum Metallicum*

- পা বা শরীরে অনবরত ঝাঁকুনি  

- চুপচাপ বসে থাকতে পারে না । সবসময় পা দুলাতে থাকে। 

- মানসিক উত্তেজনা বা ক্লান্তি বাড়ালে উপসর্গ বেড়ে যায় । 

- স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়।


🔴Mercurius Solubilis*

- কাঁপুনি, দুর্বলতা, জিভ কাঁপা  

- কথা জড়ানো  

- অতিরিক্ত ঘাম  

- কাঁপুনি সহ হাতের কৌশল নষ্ট হয়ে যায়।

-রোগী উভয় কাতর। জিহ্বা আর্দ্র, থলথলে,দাঁতের ছাপ যুক্ত। মুখে দুর্গন্ধ। অদম্য পানির পিপাসা। 


---


🔴 Phosphorus*

- দুর্বলতা, স্মৃতি লোপ  

- কথা বলতে গেলে কষ্ট হয়  

- চোখে আলো কমে যাওয়া  

- কোমল প্রকৃতির রোগীদের জন্য উপযুক্ত।

-রোগ ঠান্ডা খাবার ঠান্ডা পানিও পছন্দ করে। নানান জাতের ভয় থাকে। একা থাকতে পারে না। বজ্রপাতের ভয়। 


---


🔴 Lathyrus Sativus*

- পা দুর্বল, ভারসাম্য রাখতে সমস্যা হয়।

-চোখ বন্ধ করে দাঁড়ালে মাথা ঘোরে।

- প্যারালাইসিসের মতো উপসর্গ

-রোগী বেশিক্ষণ পা ঝুলাইয়া বসে থাকলে তার পা ফুলে নীল হয়ে যায় এবং ঠান্ডা থাকে। রাত্রে গরমও জ্বালা করে। 

-হাঁটার সময় সামনের দিকে বুক এবং পিছন দিকে নিতম্ব হেলাইয়া চলে। 


★🔷এছাড়া-Arsenic alb,Alumina,Natrum mur,Ignatia,Lachesis,Lac can,Lycopodium, Pulsatilla,Argent nit,Aurum met,Sep,Tub

ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

শরীর ধ্বংস হয় এমন ১১টি কাজ আজই বাদ দিন

 💥শরীর ধ্বংস হয় এমন ১১টি কাজ আজই বাদ দিন।


💥১. প্রস্রাব-পায়খানা চেপে রাখা। 


💥২. বেশি বেশি আঙ্গুল ফাটানো। 


💥৩. খাওয়ার সময় বেশি পানি পান করা। 


💥৪. দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা। 


💥৫. বালিশের নিচে ফোন রাখা। 


💥৬. অত্যন্ত গরম খাবার খাওয়া। 


💥৭. কানের ভেতর তুলা ঢোকানো। 


💥৮. উল্টা হয়ে ঘুমানো। 


💥৯. খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো।

 

💥১০.বেশি চিনি খাওয়া।  


💥১১. দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকানো।


👉🏻একটু যত্ন নিলেই শরীর থাকবে সুস্থ!

ঘরোয়া উপায়ে সমাধান,

ঘরে বসেই ছোট ছোট সমস্যা দূর করুন।


⭐সুগার বেড়ে গেলে?

💥 এক চিমটি কালোজিরা + ২টা লবঙ্গ + এক স্লাইস আদা চিবিয়ে খান সুগার কমবে।


 ⭐দাঁতে ব্যথা?

💥কচি পেয়ারা পাতা বা লবঙ্গ চিবান– মুহূর্তেই আরাম। 


⭐নখকুনি?

💥 সরষের তেলে অল্প হলুদ মিশিয়ে লাগালে, কয়েকদিনেই সেরে যাবে ।


⭐মাথাব্যথা?

💥 তেলাকুচাপাতা বা পানপাতা বেটে কপালে বা মাথায় দিলে,নিমেষেই স্বস্তি ।


⭐চুলকানি / এলার্জি?

💥 বড়ইপাতা (কুলপাতা) সেদ্ধ পানি খেলে ও গোসল করলে – আরাম মিলবে ।


👉🏻এই পোস্টটি যদি বিন্দুমাত্র ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন। এবং শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদ ❤️ 

#everyone #follower #highlight #everyonefollowers #viral #স্বাস্থ্য #টিপস 

#tips #health

বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রায়ের বাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা মৃতদেহ থেকে ডিএনএ সংগ্রহ নিখোঁজদের পরিবারের জন্য ন্যায়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি --- বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠোরভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন ও অনিয়ম রোধে মাঠ পর্যায়ে ভিজিল্যান্স, অবজারভেশন ও নির্বাচন মনিটরিং টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৮ থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকবে

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী --- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি।


চারদিনের সফরে আগামী রোববার দেশের উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর রিটার্নের মতো ভ্যাট রিটার্নও অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে --- জানিয়েছে এনবিআর।


সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ৩৬ আসামীর বিরুদ্ধে দুদকের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ৩২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।


যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশের নাগরিকদের ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড দিতে হবে --- জানালো ট্রাম্প প্রশাসন।


এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে অনড়  বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপোষ নয় --- বললেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ০৭-০১-২০২৬

 


সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ০৭-০১-২০২৭


আজকের সংবাদ শিরোনাম

.....................................................


*প্রধান উপদেষ্টার কাছে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন পেশ--গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস


*আইপিএল-কে কেন্দ্র করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোন প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না---মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টার   

  

* দেশে এলপিজির সরবরাহ সংকট নেই--বললেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উপদেষ্টা 


* সেন্টমার্টিন রক্ষায় টেকসই পরিকল্পনাসহ মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ পরিবেশ উপদেষ্টার


‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করলেন মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ছয়শ’ ৮২ জন--প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই ব্যবস্থা নির্বাচন আয়োজনে এক ঐতিহাসিক অগ্রগতি--মন্তব্য প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের


*শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল


* ইউরোপজুড়ে ব্যাপক তুষারপাত এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত


* এবং আজ সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা ক্যাপিটালস নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ও চট্টগ্রাম রয়্যালস-সিলেট টাইটান্সের মোকাবেলা করবে

ওষুধ ছাড়াই যৌন শক্তি বাড়ানোর উপায় :  ডা বিজন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 💮 ওষুধ ছাড়াই যৌন শক্তি বাড়ানোর উপায় : 


#১️. নিয়মিত ব্যায়াম (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)

৩০–৪৫ মিনিট হাঁটা/জগিং

Squat, plank, push-up > রক্ত সঞ্চালন বাড়ে → erection ভালো হয়


#২️. কেগেল এক্সারসাইজ : ১০ - ১৫ মিনিট 

(Youtube এ পাবেন) 

★ Pelvic floor muscle শক্ত করে 

★ erection শক্ত হয়

★ premature ejaculation কমে


#৩️. মানসিক চাপ কমান (Stress = যৌন শক্তির শত্রু)

অতিরিক্ত চিন্তা

পারফরম্যান্স anxiety - Testosterone কমায়

নামাজ/মেডিটেশন + পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘন্টা)


#৪️.ঘুম ঠিক করুন

রাতে দেরি করে ঘুমানো -  Testosterone কমায়

গভীর ঘুমে হরমোন তৈরি হয়


#৫️.প্রাকৃতিক খাবার (প্রতিদিন)

★ রসুন – রক্তনালী খুলে

★ আদা – রক্ত প্রবাহ বাড়ায়

★ বাদাম, আখরোট

★ ডিম

★ শাকসবজি, ফল

অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড বন্ধ 

ডায়াবেটিস সেক্সুয়াল পাওয়ার কমায় তাই অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ 


#৬️.মোবাইল ও পর্ন আসক্তি কমান

অতিরিক্ত porn → dopamine imbalance

→ বাস্তবে উত্তেজনা কমে


#৭️ ধূমপান ও অ্যালকোহল বাদ

ধূমপান = রক্তনালী সংকুচিত

★ erection দুর্বল


#৮️. নিয়মিত সহবাস, কিন্তু চাপ ছাড়া

জোর করে পারফরম্যান্স না

আনন্দ ও কানেকশন গুরুত্বপূর্ণ


#৯️.ওজন নিয়ন্ত্রণ

পেট ভুঁড়ি বেশি → Testosterone কম

→ penis ছোট দেখায়


#১০ন  নিজের ওপর বিশ্বাস

আমি পারবো—এই মানসিকতা

অনেক সময় ওষুধের থেকেও শক্তিশালী


লেখা - ডা. নাবিলা 

Edited -  ডা বিজন

টিপসগুলো লাগবেই কোন সময় , টাইমলাইনে রেখে দিন--

 টিপসগুলো লাগবেই কোন সময় , টাইমলাইনে রেখে দিন--

👉হেঁচকি উঠেছে? 

১-২ গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন কিংবা ২০-৩০ সেকেন্ড শ্বাস নেয়া বন্ধ রাখুন এবং তারপর ১ গ্লাস পানি খেয়ে নিন। অধবা "নাক্স ভম ২০০" খান এক ডোজ। 


👉মাসিকের সময় ব্যথা হচ্ছে?

মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথায় "ম্যাগফস থ্রীএক্স" ১ঘন্টা পর পর ৪বার উসুম গরম পানিসহ ৪টা ট্যাবলেট খান। 


👉গাড়ীতে চড়লে বমি হয়? 

গাড়ী চড়ার সময় কোন লেখা পড়বেন না।মোবাইলে চ্যাট করবেন না যা আপনার মোশন সিকনেসকে উদ্রেক করবে। মাথা ঘুরালে বা বমির ভাব হলেই চোখ বন্ধ করে সিটের হেলান দিয়ে বসে থাকুন। প্রয়োজনে "ককুলাস ইন্ডিকা ৩০"  খেতে পারেন।


👉প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করছে?

২.৫-৩ লিটার পানি খান। প্রস্রাব আটকে রাখবেন না। প্রয়োজনে "ক্যান্থারিস ২০০" এক ফোঁটা খান ২ঘন্টা অন্তর তিন বার।  ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা চেক করুন।


👉কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে?

২.৫ - ৩ লিটার পানি ও প্রচুর শাকসবজি খান। প্রতিবেলা খাবারের পর  হাঁটুন ২০-৩০ মিনিট। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ গ্লাস পানি খেয়ে ৩০-৪০ মিনিট দ্রুতগতিতে হাঁটুন। প্রয়োজনে "নেট্রাম মিউর ১২এক্স" তিনবেলা খবার পর সামান্য গরম পানিসহ ৪টা ট্যাবলেট খান এক সপ্তাহ। 


👉পা ফুলে গেছে?

রাতে ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে বালিশ রেখে ঘুমান। তাতে পায়ের ফোলা কমবে। 


👉ঘাড়ে ব্যথা? ঘাড় কামড়ায়?

নরম বালিশ ও নরম বিছানা পরিহার করুন। গরম পানির ব্যাগ দিয়ে সেক দিন।


👉হাঁটতে সমস্যা নেই। হাঁটতেও ভাল লাগে?

হাঁটুন,হোক সেটা ১-২ ঘন্টা কিংবা ৩০মিনিট।


👉হঠাৎ পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে?

বরফের সেক দিন এবং পায়ের নিচে বালিশ রেখে সোজা হয়ে শুয়ে থাকুন। এবং "রাসটক্স ওয়ান এম" তিন ঘন্টা অন্তর তিন বার এক ফোঁটা খান। 


👉প্রেসার কমে গেছে?

৪চামচ মধু সামান্য পানিতে গুলিয়ে খেয়ে নিন দ্রুত।


👉হঠাৎ বসা থেকে উঠলে মাথা ঘোরে?

বসা থেকে উঠা ধীরে করুন কিংবা শোয়া থেকে ধীরে ধীরে বসুন। প্রেসার,ডায়াবেটিস চেক করুন। এবং "চায়না থ্রী এক্স" তিনবেলা খবার আগে সামান্য পানিসহ ১০ ফোঁটা খান ১৫ দিন। 


👉জ্বর হয়েছে?

জ্বর ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি হলে প্রথমেই খাবেন "একোনাইট "


👉খুশখুশে কাশি হয়েছে?

লবণ ও হাল্কা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করবেন।আদা,লেবু,লাল চা খাবেন। প্রচলিত কাশির সিরাপের চেয়ে গড়গড়া করা দ্বিগুণ কাজ করে। প্রয়োজনে "ব্রায়োনিয়া" খান। 


👉বমি বমি ভাব হচ্ছে?

চোখ বন্ধ করে অন্ধকার রুমে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কিছুটা লেবু খেতে পারেন। অথবা "ইপিকা" খান ২/৩ ডোজ এক ঘন্টা অন্তর।


✍️ Latifuzzaman Rubel

জেনে রাখুন, দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাবেনঃ জনস্বার্থে শেয়ার করুন

♦️জেনে রাখুন, দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাবেনঃ জনস্বার্থে শেয়ার করুন।✅

১. সরকারী হাসপাতালে যে অপরিচিত লোকটি আপনার ঘনিষ্ট হিসাবে ডাক্তারকে পরিচয় দিবে, সে লোকটি একজন দালাল। শুরুতেই মার্ক করে রাখুন। এড়িয়ে চলুন। তাতে টাকা, সম্মান ও রোগী তিনটাই বাঁচবে।

২. জরুরী বিভাগ থেকে ভর্তির পর কাগজটি নিজ হাতে বহন করে নিজের ওয়ার্ডে যাবার অভ্যাস করুন। অথবা বহনকারী লোকটি আপনাকে বড়সড় খরচ করিয়ে শুইয়ে দিতে পারে।

৩. কাটা-ফাটা রোগীর ঔষুধ কিনে আনলে খেয়াল রাখুন আপনার কেনা এন্টিবায়োটিক, পেইন কিলার ও সুতা দিয়েই আপনার রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও সুতার দাম পাঁচ শতাধিক টাকা থেকে শুরু হয়। এগুলো চোরদের লক্ষ্যবস্তু।

৪. ডিউটি ডাক্তাররা (ইন্টার্ন বা ইউনিটের সিএ,

রেজিস্টার) উচ্চশিক্ষিত ও হাইলি কোয়ালিফাইড। সেখানে গিয়ে নিজের ক্ষমতা, শিক্ষাগতযোগ্যাতা, স্মার্টনেসের প্রমান দিতে যাবেন না। মনে রাখবেন, দে আর স্মার্টার দ্যান ইউ। দে আর মোর হিউম্যান দ্যান ইউ। আপনি যতটুকু ভদ্রলোক হবেন, তারা তার চাইতে বেশি ভদ্রলোকের মত আপনাকে চিকিৎসা দিবে।

৫. হাসপাতালের সব সিরিয়াস রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় ইন্টার্ন/সিএ/

রেজিস্টারের হাত দিয়েই। তারা জানে কিভাবে রোগীকে দ্রুত সময়ে প্রাণরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হয়। বড় স্যার কবে দেখবে, কেন এখনো ডাক্তার আসছে না বলে বোকামীর পরিচয় দিবেন না।

৬. শুক্রবার হাসপাতালের রাউন্ড বন্ধ থাকে। এসময় ডাক্তার নাই, ডাক্তার দেখে নাই বলে কাউকে বিব্রত করবেন না।

৭. হাসপাতাল থেকে সাপ্লাইকৃত ঔষুধ ডাক্তাররা দিবে না। সংশ্লিষ্ট ঔষুধের জন্য নার্স বা ইনচার্জকে ভদ্রভাষায় বলুন।

৮. রোগীর পাশ থেকে আপনার সমস্ত আত্মীয়স্বজনকে সরিয়ে ফেলুন। তারা রোগীর কোন কল্যানে আসবে না। তাদের জন্য চিকিৎসা দেরি হয়, এমনকি রোগী মারা যেতে পারে। যত মানুষ কম তত রোগীর সুস্থ্য হবার সম্ভাবনা বেশি।

৯. সরকারী হাসপাতালে বেড এর জন্য অবসেসিভ(ঘ্যানঘ্যান) হবেন না। এখানে কেউ বেড দখল করে শুয়ে থাকেনা। সবাই অসুস্থ্য রোগী। সেখানে মুচি ডোম শুয়ে থাকলেও তাকে নামিয়ে আপনাকে উঠানো যাবেনা। বেড না থাকলে একজন ডাক্তারের মা নিজে অসুস্থ্য হয়ে আসলেও তাকে মেঝেতেই থাকতে হবে। সকল রোগী সমান। বেড ও মেঝের সবাইকে সমান চিকিৎসা দেওয়া হয়।

১০. কোন রাজনৈতিক পরিচয় দেবার চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন, ঝামেলা এড়ানোর জন্য সকল ডাক্তার ঐ রোগীর কাছে যেতে অনীহা প্রকাশ করে। দিনশেষে ক্ষতিটা আপনারই।

১১. রোগী খাবে কি... বলে বারবার বিরক্ত করবেন না। যদি স্যালাইন চলে তাহলে ভেবে নিন তাকে আলাদা করে খাওয়াতে হবেনা। খাবার বন্ধ রাখা হয় রোগীর ভালোর জন্যই। কিছুক্ষন না খেলে আপনার রোগী মারা যাবেনা।

১২. ক্যানুলা খুলে গেছে, স্যালাইন অফ কেন, ঔষুধ কখন খাবে, কিভাবে খাবে, ঔষুধটা চেক করে দিন তো.... এই প্রশ্নগুলো নার্সকে ভদ্রভাষায় জিজ্ঞাসা করুন। সাধারণত এগুলো তাদের দায়িত্ব। তারা শিক্ষিত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। তাদের সম্মান করুন।

১৩. যেকোন পুরুষ ডাক্তারকে মিস্টি কন্ঠে 'স্যার' ও মহিলা ডাক্তারকে 'ম্যাম/ম্যাডাম' বলে সম্বোধন করুন। একইভাবে মহিলা ও পুরুষ নার্সকে সিস্টার-ব্রাদার বলুন। আয়া বা কর্মচারীদের মামা ও খালা হিসাবে সম্বোধন করবেন। এগুলো আপনাকে ছোট করবে না বরং সম্মানীয় বানাবে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরাও আপনাকে মিস্টিভাষায় সাহায্য করবে।

১৪. কেউ আপনার টাকা, ফোন ইত্যাদি হাতিয়ে নিলে তার চেহারা সুরৎ চিনে রাখুন। নিকটস্থ থানায় গিয়ে বলুন। বিলিভ মি- এটাতে কাজ হয়। সম্পত্তির উদ্ধার ও সাজা দুটো আমি প্রায়ই দেখছি। পুলিশ অনেক বেশিই সহায়তা করে। শুধু সাহস করে বলুন।

১৫. হাসপাতাল বিশাল জায়গা। কোন অন্ধকার করিডোর বা চিপায় যাবেন না। ছিনতাই হবার সম্ভাবনা আছে।

১৬. থুথু ফেলার জায়গা না থাকলে মাঝেমাঝে গিলে খাবার অভ্যাস করুন। আপনি হাসপাতাল যতটুকু নোংরা করবেন, বাকী সবাই আপনার ফেলানো থুথু দেখে সেখানে থুথু ফেলে ভাসিয়ে।দিবে। অপরাধের শুরুটা কিন্তু আপনিই করলেন।

১৭. সরকারী হাসপাতালের ডাক্তারদের উপর বিশ্বাস রাখুন। আপনি শুধুই লাভবান হবেন। কারণ সেবার বিনিমিয়ে ডাক্তাররা এক পয়সাও পকেটে ঢুকাবে না।

১৮. রোগী মারা গেলে ডাক্তারকে গালিগালাজ না করে স্বস্ব ধর্মের সৃষ্টিকর্তার কাছে অভিযোগ করুন। ডাক্তার একজন মানুষ। তিনি চেষ্টা করেছেন কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আপনার রোগীর সুস্থ্যতা চাননি।


সৌজন্যে- ডাঃ তানিয়া সুলতানা

নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন৷

ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

৩ জানুয়ারী কায়েদে মিল্লাত  হাজী মুহসিন (রহঃ)এর জন্মদিন স্মরণে...

 ৩ জানুয়ারী কায়েদে মিল্লাত

 হাজী মুহসিন (রহঃ)এর জন্মদিন স্মরণে...


হাজী মুহাম্মদ মুহসীন: দুই শতাধিক বছর আগের এই 'দানবীর' সম্পর্কে যা জানা যায়।

বাঙ্গালি মুসলমানই শুধু নয়, এই অঞ্চলের শিক্ষা ও সামাজিক, দাতব্য কর্মকাণ্ডে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি- সেই তালিকায় শীর্ষে থাকা একটি নাম হাজী মুহাম্মদ মুহসীন।

নিজের সকল সম্পত্তি দান করা, শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারে ব্যয় করার জন্য এই অঞ্চলে 'দানবীর' হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন হাজী মুহাম্মদ মুহসীন।

অকৃতদার, অবৈষয়িক মুহসীন তার জীবনে বহু দেশ ঘুরেছেন। জীবন সম্পর্কে তার গড়ে উঠেছিল আলাদা ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি। 

ফলে তিনি যখন বোনের কাছ থেকে বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন, কয়েক বছরের মধ্যে সেগুলোর দানপত্র লিখে দিয়ে কোরান শরীফ কপি করে বাকি জীবন কাটিয়েছেন। 

''আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পর এই ফান্ডের তহবিল তখনকার সরকার বাঙ্গালির, বিশেষ করে বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষার কাজে ব্যয় করতে শুরু করে। তাতে আমাদের একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বড় রকমের শিক্ষার একটি রেনেসাঁ শুরু হয়-বিশেষ করে অবহেলিত মুসলিম সমাজের জন্য।''

'যদিও মুহসীনের নামটা সেভাবে উচ্চারিত হয় না। কিন্তু মূলত তার অবদানেরই মুসলমানদের লেখাপড়ার প্রতি যে আগ্রহটা, সেটার একটা বড় অবদান হচ্ছে মহসিনের সেই তহবিলের।


স্মরণে

হাজী মুহাম্মদ মহসিন 

(৩ জানুয়ারি ১৭৩২ – ২৯ নভেম্বর ১৮১২)

-------------------------------------

ইরান থেকে বাঙ্গাল মুলুকে..

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের জন্ম হয়েছিল ১৭৩২ সালের পহেলা অগাস্ট, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে। তবে হুগলির ইমামবাড়ার তথ্য অনুযায়ী, তার জন্মসাল ১৭৩০। 

তিনি অবশ্য তখনো হাজী হয়ে ওঠেননি, হজ করার কারণে সেই পদবি পেয়েছেন আরও প্রায় ২৮ বছর পরে। 

তার পরিবারের পূর্বপুরুষরা পারস্য বা ইরান থেকে ভারতবর্ষে এসেছিলেন। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের দানের ইতিহাস জানতে হলে জানতে হলে ফিরে যেতে হবে সতেরোশ শতকের গোড়ার দিকে। 

সতেরোশো শতকের মাঝামাঝি মুহসীনের পিতামহ আগা ফজলুল্লাহ তার তার তরুণ পুত্র ফয়জুল্লাহকে নিয়ে ইরান থেকে বাণিজ্য করতে এসে মুর্শিদাবাদে বসবাস করতে শুরু করেন। 

কিছুদিন পরে তিনি হুগলির বাণিজ্যিক গুরুত্ব বুঝতে পেরে ছেলেকে মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব দিয়ে হুগলিতে চলে আসেন। ব্যবসা বেড়ে যাওয়ায় তিনি পরবর্তীতে ছেলেকেও হুগলিতে নিয়ে আসেন। 

প্রায় একই সময় দিল্লির মুঘল দরবার থেকে হুগলিতে আসেন আগা মুহাম্মদ মোতাহার। তিনিও পারস্য থেকে এসেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইতিহাসের বইগুলোতে। হাজী ফয়জুল্লাহ তার বোনের ছেলে ছিল বলে একাধিক বইতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

বাদশাহ আওরঙ্গজেব তার বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতায় খুশি হয়ে তাকে এই অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। সেই সময় তাকে জমিদারিও দেয়া হয়। 

রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি লবণ ব্যবসার মতো নানা খাতে বিনিয়োগ করে অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন আগা মোতাহার। 

তার তিনজন স্ত্রী থাকলেও কোন পুত্র সন্তান ছিল না। আগা মোতাহার যখন মারা যান, তখন তার স্ত্রী জয়নাব খাতুনের গর্ভে জন্ম নেয়া সাতবছর বয়সী একটি মেয়ে ছিল, মরিয়ম খাতুন ওরফে মুন্নুজান। আগা মোতাহার তার সমস্ত সম্পত্তি মেয়ের নামে দিয়ে যান। 

আগা মোতাহার মারা যাওয়ার পর জয়নাব খাতুনকে বিয়ে করেন হাজী ফয়জুল্লাহ। সেই ঘরেই জন্ম হয় মুহম্মদ মুহসীনের। 

বড় বোনের হাত ধরে ছোট ভাইয়ের দাতব্য কর্মকাণ্ড শুরু

পিতা আলাদা হলেও সাতবছরের ছোট ভাইয়ের প্রতি মুন্নুজানের ভালোবাসা ছিল অনেক বেশি। তারা দুজন একই বাড়িতে বড় হয়ে ওঠেন। 

আগা মোতাহার ও হাজী ফয়জুল্লাহ- উভয়েই অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন এবং অনেক দানখয়রাত করতেন। জাকাতের পাশাপাশি তারা নানারকম দাতব্য কর্মে ব্যয় করতেন। 

ফলে মরিয়ম ওরফে মুন্নুজান এবং মুহসীন- উভয়েই পরিবারের ধর্মীয় ও দাতব্য কর্মকাণ্ড দেখতে দেখতে বড় হন। 

অধ্যাপক আমজাদ হোসেন লিখেছেন, সেই সময়ের রীতিনীতি অনুযায়ী, উভয়েই বাড়িতে থেকে শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা শিখতে শুরু করেন। তাদের একজন শিক্ষক ছিলেন ইরান থেকে আসা আগা সিরাজি- যিনি ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি নানা দেশ ভ্রমণের কারণে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন। ধারণা করা হয়, মুন্নুজান ও মুহসীনের ওপর তার উদার দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব পড়েছিল। 

ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার পাশাপাশি কুস্তি, তরবারি লড়াই এবং অন্যান্য খেলাধুলা করতেন মুহাম্মদ মুহসীন। তারা দুই ভাইবোন সঙ্গীতের শিক্ষাও পেয়েছিলেন, সেতার বাজাতেন এবং গজল গাইতেন। 

হুগলির পড়াশোনা শেষ করে মাদ্রাসায় উচ্চশিক্ষার জন্য মুহসীনকে মুর্শিদাবাদে পাঠানো হয়। সেখানে পড়াশোনা শেষ করার পর ভারত ভ্রমণে বের হন তরুণ মুহসীন। 

মুহসীন যখন ভারত ভ্রমণে গিয়েছেন, তখন বিপুল সম্পত্তি গ্রাস করার উদ্দেশ্যে অনেকেই তার বোন মুন্নুজানকে বিয়ে করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন। সেই সময় তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ধারণা করা হয়। খুব তাড়াতাড়ি মুন্নুজান মির্জা সালেহ অথবা সালেহ-উদ-দিনকে বিয়ে করেন। তিনিও ছিলেন একজন জমিদার এবং অনেক ধনসম্পত্তির মালিক। 

এই দম্পতির কোন সন্তান ছিল না। তাদের জমিদারির আয়ের বেশিরভাগ অংশই তারা দাতব্য কাজে ব্যয় করতেন। 

১৭৬৩ সালে সালেহ-উদ-দিন মারা যাওয়ার পরে মু্ন্নুজান তার দাতব্য কর্মকাণ্ড আরও বাড়িয়ে দেন। যেহেতু কোন সন্তান ছিল না, তিনি প্রজাদেরই সন্তান বলে মনে করতেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদান, মসজিদ তৈরি, কুয়া ও বিশাল পুকুর খনন, রাস্তাঘাট ও বাজার তৈরি করতে শুরু করেন। 

তিনি চেয়েছিলেন, তার মৃত্যুর পরেও যেন এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে। তার বিশ্বাস জন্মে, এজন্য একমাত্র তার ভাই মুহাম্মদ মুহসীনের ওপর নির্ভর করা যায়। হুগলিতে ফিরে এসে বিষয় সম্পত্তির দায়িত্ব নেয়ার জন্য তিনি ভাইকে চিঠি লিখে পাঠান। 

ধারণা করা হয়, বোনের এসব দাতব্য কর্মকাণ্ড মুহাম্মদ মুহসীনকে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে হাজী মুহসীনের ফিরে আসা

বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠা মহসিনের সংসার জীবনে প্রবেশ করার কোন ইচ্ছাই ছিল না। তবে তিনি ফিরে এসে সত্তরের দুর্ভিক্ষে মানুষজনকে সহায়তা করতে শুরু করেন। সেই সময় তিনি 'জনতার রান্নাঘর' চালু করেছিলেন। 

দুর্ভিক্ষ কেটে যাওয়ার পর হজের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়েন মুহম্মদ মুহসীন। ধর্মীয় স্কলারদের সাথে তিনি মক্কা, মদিনা, কারবালা, নাজাফ ভ্রমণ করেন। এরপর মিশরে যান, সেখান থেকে তুরস্কে। 

তারপর যান তার পূর্বপুরুষদের দেশ ইরানে। ভারতে ফিরে এসে অনেক বছর তিনি লক্ষ্মৌতে কাটান। 

প্রায় ২৮ বছর পরে আবার হুগলিতে ফিরে আসেন হাজী মুহম্মদ মুহসীন। এতদিন ধরে অবশ্য তার বোন মুন্নুজান অনেক চিঠি পাঠিয়েছেন তাকে ফিরে আসার জন্য। 

নানা দেশ ভ্রমণ করে আসা হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের ব্যক্তিগত চাহিদা তেমন ছিল না। ফলে জমিদারির বিপুল আয়কে তিনি আল্লাহর দান মেনে নিয়ে সামাজিক ও জনগণের কাজে ব্যয় করতে শুরু করেন। 

''১৭৫৭ সালে ব্রিটিশদের কাছে স্বাধীনতা চলে যাওয়ার পর একটি স্বাধীন জাতি যেভাবে ঔপনিবেশিক শাসকদের কাছে নিগৃহীত হয়েছে, তার পেছনে জাতীয়তাবোধ না থাকা, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর স্পৃহা তৈরি না হওয়ার পেছনে অশিক্ষাই প্রধান বিষয় বলে তার কাছে মনে হয়েছিল। এই জন্য তিনি দানে চেয়েছিলেন যেন শিক্ষার পেছনেই বেশি ব্যয় হয়।'' 

মুন্নুজান তার সমস্ত সম্পত্তি হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের নামে লিখে দেন। তার মৃত্যু হয় ১৮০৩ সালে। সেই সময় হাজী মুহসীনের বয়স প্রায় ৭০ বছর। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের নিশ্চয়ই চিন্তা এসেছিল যে, তার মৃত্যুর পরে এই বিপুল সম্পত্তির কি হবে? তাই ১৮০৬ সালে তিনি পুরো সম্পত্তির ওয়াকফ বা দানপত্র করে দেন। সেখানে এই সম্পত্তির আয় কীভাবে বিলি বণ্টন করা হবে, তার বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া হয়। 

সেখানে বলা হয়, ধর্মীয় স্থাপনার পাশাপাশি শিক্ষা, জনকল্যাণে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীন মারা যান এর ছয় বছর পরে, ১৮১২ সালে। কিন্তু এই ছয় বছরে দান করা সম্পত্তি থেকে তিনি এক টাকাও গ্রহণ করেননি। তার চমৎকার হাতের লেখায় কোরান শরিফ কপি করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত খরচ চালিয়েছেন। হুগলি ইমামবাড়ায় এখনো এইরকম একটি কপি সংরক্ষিত রয়েছে। 

শিক্ষায় হাজী মুহসীনের অবদান..

মুন্নুজান অথবা হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের দান করা সম্পত্তির পরিচালনা নিয়ে পরবর্তীতে কিছু মামলা-মোকদ্দমার তৈরি হয়। যাদের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অবশেষ ১৮৩৪ সাল নাগাদ এই তহবিল ব্যবহারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয় তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকেরা। 

সেই সময় এই তহবিলের আকার ছিল পাঁচ শতাংশ সুদে সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করা আট লাখ আটানব্বই হাজার চারশো রুপি এবং নগদ পাঁচ হাজার দুইশ ৪৩ রুপি। সরকারি বন্ড থেকে বছরের আয় ছিল ৪৪ হাজার ৩৯৪ রুপি। সেই সময়ের হিসাবে এটি অনেক টাকা। 

১৮৩৫ সালে এই তহবিল দিয়ে 'মহসিন এডুকেশনাল এনডাউমেন্ট ফান্ড' তৈরি করে ব্রিটিশ সরকার। 

হাজী মোহাম্মদ মুহসীন যেভাবে দানপত্র লিখেছিলেন, তাতে কিছু পরিবর্তন এনে ব্রিটিশরা দুইটি আলাদা তহবিল গঠন করে। তার একটিতে হাজী মহসিনের ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে ব্যয় যেমন শিয়া ধর্মকেন্দ্র ইমামবাড়ার খরচ, পেনশন প্রদান ও মোতোয়ালির বেতন ইত্যাদি খাতে ব্যয় হবে। সাধারণ ফান্ড নামের আরেকটি ফান্ড থেকে শিক্ষার পেছনে ব্যয় হবে। 

পরবর্তীতে এই তহবিল থেকে ১৮৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় হুগলি মহসীন কলেজ। এরপরে হুগলি কলেজিয়েট স্কুল, হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুল, হুগলি মাদ্রাসা, সিতাপুর মাদ্রাসা, ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। 

এই তহবিল থেকে একটি শিক্ষাবৃত্তিও চালু করা হয়, যা মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য আজও সহায়তা দিয়ে আসছে। 

১৮৭৩ সালে এই ফান্ড থেকে স্কলারশিপ চালু করা হয়। শুধু এটাই না, তখনকার স্কুলগুলোয় একজন আরবি শিক্ষকসহ বিশেষ করে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার ব্যাপারে এই ফান্ড থেকে সহযোগিতা আসতো।'' 

''তবে ওনার অর্থে প্রথম যে কলেজটি শুরু হয়, হুগলি মহসীন কলেজ- সেখানে কিন্তু সবাই পড়তে পারতেন। যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গুরুদেব মুখোপাধ্যায়, দিজেন্দ্রনাল রায়, অক্ষয় চন্দ্র সরকার, স্যার উপেন্দ্র নাথ ব্রহ্মচারী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এরকম বিখ্যাত বাঙ্গালিরা এই কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। তাদের সবার অবদান সম্পর্কে আমরা জানি।'' 

কলমে: সায়েদুল ইসলাম

বিবিসি বাংলা, ঢাকা

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...