এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ০৯-০১-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ০৯-০১-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে অত্যাবশ্যক ওষুধের হালনাগাদ তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত জাতীয় নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ


* এবার দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না --- সব দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হবে--বললেন সিইসি

 


* আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুইশো সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রেরণ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

 


* জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে দায়মুক্তি অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে --- জানালেন  আইন উপদেষ্টা

 


* নতুন আরোপিত মার্কিন ভিসা বন্ডের শর্ত থেকে অব্যাহতি পেতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবে বাংলাদেশ ---- বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

 


* জাতিসংঘের বেশ কিছু সংস্থা থেকে সদস্য পদ প্রত্যাহারের মার্কিন সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস  


* এবং গতকাল সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৮-০১-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৮-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম: 


সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে অত্যাবশ্যক ওষুধের হালনাগাদ তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত জাতীয় নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।


এবার দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না --- সব দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হবে --- বললেন সিইসি।  


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুইশো সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রেরণ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে দায়মুক্তি অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে --- জানালেন  আইন উপদেষ্টা।


নতুন আরোপিত মার্কিন ভিসা বন্ডের শর্ত থেকে অব্যাহতি পেতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবে বাংলাদেশ ---- বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


শতাধিক গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যাসহ তিন অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ ১৪ই জানুয়ারি। 


ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রয় কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র  --- প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা।


এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৪ উইকেটে হারালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স --- এখন সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি ঢাকা ক্যাপিটালস।

চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🟨 চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে


👉 নতুন প্রণীত ‘মূল্যায়ন পদ্ধতি, ২০২৬’- এর খসড়া অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।


👉 প্রথমবারের মতো প্রতিটি বিষয়ে বাধ্যতামূলক মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা যুক্ত করা হয়েছে।


👉 পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে পাসের জন্য ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পাস নম্বর ৩৩ শতাংশ করা হয়েছে।


👉 শিক্ষার্থীকে প্রতি প্রান্তিকে মোট ৮৫ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিতি থাকতে হবে।


👉 প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ৫০ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নে (সারা বছরের পারফরমেন্স) এবং বাকি ৫০ নম্বর থাকবে সামষ্টিক মূল্যায়নে (লিখিত ও মৌখিক)। এই দুই শ্রেণির অন্যান্য বিষয়ে (চার বিষয়) ৫০ নম্বরের মধ্যে ২৫ নম্বর ধারাবাহিক ও ২৫ নম্বর সামষ্টিক মূল্যায়নে বরাদ্দ করা হয়েছে।


👉 তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বিজ্ঞান ও ধর্ম শিক্ষা বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৩০ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নে। আর ৭০ নম্বর থাকবে সামষ্টিক মূল্যায়নে। এই ৭০ নম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলকভাবে মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে হবে। এছাড়া শিল্পকলা এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে ৫০ নম্বরের মধ্যে ধারাবাহিক ১৫ এবং সামষ্টিক মূল্যায়নে ৩৫ নম্বর রাখা হয়েছে।


👉 ফলাফল প্রকাশ করা হবে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ এবং ‘ঘ’-এই চারটি গ্রেডে। অর্থাৎ অতি উত্তম, উত্তম, সন্তোষজনক, সহায়তা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে যারা শূন্য থেকে ৩৯ নম্বর পাবে-তাদের গ্রেড হবে ‘ঘ’।


✍️ আনিসুর রহমান।

🇧🇩 বাংলাদেশ শিক্ষাক্রম।

ইচ্ছা অনিচ্ছায় হোমিওপ্যাথিঃ- 

 ইচ্ছা অনিচ্ছায় হোমিওপ্যাথিঃ- 

১. মাছ মাংস সংগীত ও সংগমে অনিচ্ছা--গ্রাফাইটিস

২. গরম খাইবার স্পৃহা ও বায়ূর প্রকোপ। --লাইকোপডিয়াম।

৩.স্নানে অনিচ্ছা,দুগ্ধে অরুচি--সালফার।

৪. আলোক ও সংগী চাহে কিন্তু রোগ যন্ত্রণার কোন অভিযোগ করে না--সালফার।

৫. টকঝাল প্রভৃতি উগ্রদ্রব্য খাইবার ইচ্ছা -

হিপার সালফার।

৬.  মাংস খাইবার অদম্য স্পৃহা

--ম্যাগনেসিয়া কার্বনিকাম।

৭. প্রবল পিপাসা  বরফ ও অম্ল খাইবার ইচ্ছা---ভিরেট্রাম অ্যালবাম।

৮. ঠান্ডা বাতাস চায় -ইস্কিউলাস।

৯.জীবনে বিতৃষ্না ও আত্মহত্যার ইচ্ছা--অরাম মেটালিকাম।

১০. আত্মহত্যার ইচ্ছা ও অস্থিরতা--আইওডিন।

১১. দুগ্ধে অনিচ্ছা ও জীবনে বিতৃষ্না-ল্যাক ডিফ্লোরেটাম।

১২.আহারে অরুচি আহারের পর বমি-- অ্যান্টিম ক্রডাম। 

১৩.স্নানে অনিচ্ছা,দুগ্ধে অরুচি--সালফার।

১৪.খাদ্যদ্রব্যে অভক্তি---কলচিকাম অটামনেন।

১৫. দুগ্ধে অনিচ্ছা ও জীবনে বিতৃষ্না--ল্যাক ডিফ্লোরেটাম। 

১৬.পেটে ক্ষুধা,মূখে অরুচি--হাইড্রাসটিস ক্যানাডেনসিস।

১৭.স্নানে অনিচ্ছা,দুগ্ধে অরুচি--সালফার।

১৮.মাথা ঘোরা ও অরুচি

ইচ্ছা দাঁতে দাঁতে বা মাড়িতে মাড়িতে চাপিয়া ধরার ইচছা--ফাইটোলাক্কা।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর রাত কোনো কুসংস্কার বা জোরজবরদস্তির রাত নয়

 ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর রাত কোনো কুসংস্কার বা জোরজবরদস্তির রাত নয়; বরং এটি ইবাদত, দোয়া, ভালোবাসা ও পরস্পরের প্রতি সম্মান দিয়ে শুরু করার একটি পবিত্র সময়। নিচে কুরআন–সুন্নাহর আলোকে বাসর রাতে করণীয় বিষয়গুলো সংক্ষেপে ও সহজভাবে দেওয়া হলো—


 ১. আল্লাহর কাছে দোয়া দিয়ে শুরু করা:


স্বামী স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে দোয়া করবে— দোয়া (হাদিসে বর্ণিত):

“আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা ‘আলাইহি, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি।”


অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তার কল্যাণ ও তার স্বভাবের কল্যাণ চাই এবং তার অনিষ্ট ও তার স্বভাবের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

📚 (আবু দাউদ)


২. দুই রাকাআত নফল নামাজ (মুস্তাহাব):


বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রী একসাথে বা আলাদা আলাদা ২ রাকাআত নফল নামাজ আদায় করা উত্তম।

✔ এতে দাম্পত্য জীবনে বরকত আসে

✔ শয়তানের কুমন্ত্রণা দূরে থাকে


৩. কোমল ব্যবহার ও লজ্জাশীলতা:


ইসলাম লজ্জা ও শালীনতাকে গুরুত্ব দেয়। হঠাৎ কঠোরতা বা ভয় সৃষ্টি করা হারাম।

নবী ﷺ বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে উত্তম সে, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”

📚 (তিরমিজি)


৪. জোরজবরদস্তি সম্পূর্ণ হারাম:


স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কিছু করা গুনাহ। ইসলাম কখনোই নারীর উপর জুলুম সমর্থন করে না। বাসর রাত মানেই সহবাস—এমন বাধ্যবাধকতা নেই।


৫. সহবাসের আগে দোয়া পড়া:


“বিসমিল্লাহ, আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইতান…”

📚 (বুখারি, মুসলিম)

✔ এতে সন্তান হলে শয়তানের ক্ষতি থেকে হেফাজত হয়


৬. পরস্পরের সাথে কথা বলা ও পরিচিত হওয়া:


বাসর রাত শুধু শারীরিক নয়। মানসিক সম্পর্ক গড়ার রাত। কথা বলা, ভয় দূর করা, আস্থা তৈরি করা সুন্নতের শিক্ষা।


 যেগুলো ইসলামে নেই (কুসংস্কার):


🚫 ফুল দিয়ে আঘাত

🚫 নির্দিষ্ট সময় বা রীতিনীতি বাধ্যতামূলক করা

🚫 অন্যদের চাপ বা হাস্যরস

🚫 প্রমাণহীন লোকাচার


সংক্ষেপে বললে:

বাসর রাত = দোয়া + নামাজ + সম্মান + ভালোবাসা + ধৈর্য

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত ১০টি ওষুধ কি?

 আপনি জানেন কি? 

২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত ১০টি ওষুধ কি?

আসুন জেনে নিন।

বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল বাজারে ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে (IQVIA Q1, 2025) যে ওষুধ উপাদানগুলো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে, তার মধ্যে কিছু দীর্ঘদিনের পরিচিত নাম আবার কিছু নতুনভাবে বাজার দখল করেছে

১. Esomeprazole

এই প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) ওষুধটি গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি বাজারের প্রায় ৭.৩৬% অংশ দখল করেছে। ২৬৯৪.৭৫ কোটি টাকার বিক্রয় মূল্যের মাধ্যমে এটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

২. Calcium + Colecalciferol

হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহৃত এই কম্বিনেশনটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এর বাজার শেয়ার ৩.১৪% এবং প্রবৃদ্ধি ১৬.৯৫% ছিল।

৩. Cefuroxime Axetil + Clavulanic Acid

এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক কম্বিনেশন, যা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন দূর করতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪.৫০%, যা এই ধরনের ওষুধের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।

৪. Montelukast

অ্যাজমা ও অ্যালার্জিক রাইনাইটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.৯৬%।

৫. Cefixime

আরেকটি জনপ্রিয় অ্যান্টিবায়োটিক, যার বাজার অংশ ২.৩৭% এবং প্রবৃদ্ধি ১৫.৭৭%।

৬. Paracetamol

জ্বর ও ব্যথার ওষুধ হিসেবে বহুল পরিচিত, এই ওষুধটি এখনও বাংলাদেশের বাজারে অন্যতম প্রধান ওষুধ হিসেবে টিকে রয়েছে। প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.19%।

৭. Rosuvastatin

কোলেস্টেরল কমাতে ব্যবহৃত এই স্ট্যাটিন গ্রুপের ওষুধটির প্রবৃদ্ধি ছিল ৩০.৫৫%, যা হৃদরোগ চিকিৎসায় ওষুধের চাহিদা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

৮. Amlodipine + Olmesartan Medoxomil

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই কম্বিনেশন বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

৯. Omeprazole

Esomeprazole-এর মতোই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ। যদিও এর প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ছিল (-৮.৫৭%), তবুও এটি শীর্ষ ১০-এ রয়েছে।

১০. Pantoprazole

আরেকটি জনপ্রিয় PPI ওষুধ, যা এখনও বাংলাদেশে গ্যাস্ট্রিক চিকিৎসায় প্রচলিত রয়েছে।


(এটি ২০২৫সালের প্রথম ৩মাসের হিসেব অনুযায়ী তৈরি)

অনিচ্ছাকৃত অর্জিত সুদের টাকার বিধান: 

 💢অনিচ্ছাকৃত অর্জিত সুদের টাকার বিধান: 


শেষ হলো, ২০২৫ সাল। তাইতো ডিসেম্বর শেষের দিকে অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই পৌঁছে গেছে বাত্সরিক সুদ/মুনাফা। যারা সুদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানে, তারা যথাসম্ভব সুদি কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে। কারণ পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুদের ব্যাপারে কঠোর ভাবে সতর্ক করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা মুমিন হও। অতঃপর যদি তোমরা না করো, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত ২৭৮-২৭৯)


♦️সুদ কতটা ভয়াবহ বিষয় হলো, মহান আল্লাহ এমন কঠোর ভাষায় সুদের ব্যাপারে সতর্ক করতে পারেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুদ এমন একটি বিষয়, যাতে শুধু এক পক্ষ অপরাধি হয় না, বরং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমান অপরাধী বিবেচনা করা হয়। হাদিস শরীফে এসেছে, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক ও তার সাক্ষীদ্বয়ের ওপর অভিসম্পাত করেছেন এবং বলেছেন এরা সবাই সমান। (মুসলিম, হাদিস : ৩৯৮৫)


♦️সুদ সম্পর্কে কোরআন হাদিসের এমন নিষেধাজ্ঞার দরুন মুমিনরা সুদভিত্তিক ব্যাংক থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু কখনো কখনো নিরুপায় হয়ে সুদভিত্তিক ব্যাংকের সহায়তা নিতে বাধ্য হয়। যেমন,  সেলারি অ্যাকাউন্টের কথাই বলা যাক। সরকারি ও বেসরকারি বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরাসরি হাতে হাতে দেওয়া হয় না। বরং ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। সে জন্য কোনো ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামে পৃথক পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।


♦️প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে তার বেতন-ভাতা জমা দিয়ে দেয়। এরপর কর্মচারীরা ব্যাংকে গেলেই সবাই নিজ নিজ বেতন ওঠাতে পারে। এই অ্যাকাউন্ট যেহেতু সেভিংস অ্যাকাউন্ট হয়, ফলে ইচ্ছা না থাকলেও তাদের অ্যাকাউন্টে সুদের অর্থ চলে আসে। এখানে চাকরিজীবীর কিছুই করার থাকে না। কোনো চাকরিজীবী এতে আপত্তি করলেও তার জন্য প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে ইসলামী পদ্ধতিতে পরিচালিত ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করতে দেবে না।


এ ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান হলো, কম্পানি সবার জন্য কোনো সুদি ব্যাংকে গ্রুপ অ্যাকাউন্ট করে রাখার কারণে চাকরিজীবীরা সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য থাকে। অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে তার কোনো এখতিয়ার থাকে না। তাই ওই সেলারি অ্যাকাউন্ট খোলার গুনাহ চাকরিজীবীর ওপর আরোপ হবে না। এর সব দায় ও গুনাহ প্রতিষ্ঠানের হবে।


♦️এখানে কর্মচারীদের করণীয় হলো, প্রতি মাসে সেলারি অ্যাকাউন্টে বেতনের অর্থ আসা মাত্র তা তুলে শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত কোনো ব্যাংকে রেখে দেবে। যদি নিজের কাজে ক্যাশ রাখার কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা থাকে সেটা আরো ভালো। কিন্তু এর পরও যদি বছর শেষে তার অ্যাকাউন্টে কোনো সুদ চলে আসে, তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই টাকা সুদদাতাকে ফেরত দিতে হবে। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১০/১২৪)


কিন্তু ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেহেতু নির্দিষ্ট সুদদাতা বের করা অসম্ভব, তাই সওয়াবের নিয়ত না করে কোনো জাকাত খাওয়ার উপযুক্ত মিসকিনকে তা দান করে দিতে হবে। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৭/১৬, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১০/১২৬)


♦️কোনো অবস্থাতেই সেই টাকা মসজিদ, মাদরাসা বা কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ (যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ) ইত্যাদিতে খরচ করা যাবে না। (ইমদাদুল মুফতিন, পৃ. ৫৮৬, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১০/১৩১)


মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল পথে চলার তাওফিক দান করুন।


#islamic #islamicreminder #islamicpost #islamicquotes #islam #foryoupage #fyp   #Bangladesh #bangladeshi #বাংলাদেশ #public #Quran #share #highlight #everyone #follower #BMW #Muslim #short  #foryou #viral  #trending #fy #ইসলামিক #ইসলাম #ইনশাআল্লাহ #আলহামদুলিল্লাহ

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

একশিরা বা অন্য যে কোন রোগে, ইহাই শ্রেষ্ঠ ঔষধ বলে বিবেচিত।

 🛑HYDROCELE এর হোমিও ঔষধ 🛑


♦️অরাম মেট (Aurum Met) 


-স্ক্রোফুলা, রক্তপ্রধান ধাতুগ্রন্থ এবং উপদংশ ও পারদ দোষদুষ্ট ব্যক্তিদের ডান দিকের একশিরা রোগে ইহা অধিক ব্যবহৃত হয়। 

-রোগী মন্দ দিকটা প্রথমে ভাবে।

- রোগারোগ্যের প্রতি উদাসীন বা নৈরাশ্য, তাই মৃত্যু কামনা করে।

- আত্মহত্যার প্রবৃত্তি অত্যন্ত প্রবল। 


 ♦️ক্লিমেটিস ইরেক্টা (Clematis Erecta) 


-রোগীর প্রমেহ স্রাব অবরুদ্ধ হয়ে  কিংবা হঠাৎ ঠান্ডা লেগে  ডান দিকের অণ্ডকোষের অধিক প্রদাহ ও ফোলা।

-উহা পাথরের মত অত্যন্ত শক্ত হয় (ক্যাকে ফ্লোর)।

 -রেতঃ রজ্জুতে বেদনা থাকে।


♦️স্পঞ্জিয়া (Songia) 200 বা রডোডেনড্রন (Rododendron) 200 


-বাম দিকের একশিরা রোগে অণ্ডকোষ স্ফীত ও শক্ত, তাতে অত্যন্ত বেদনা থাকে। 

-রোগীর রেতঃ রজ্জু (spermmatic cord) ফুলে মোটা হয়,।

-একটু নাড়া চাড়া করলে মনে হয় যেন প্রাণ বের হয়ে যাবে, ইহাতে উপকারী।


♦️হাইড্রোকোটাইল (Hydocotyle) θ 


-রোগীর মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা এবং সমস্ত পেশীতে আঘাত লাগার মত বেদনা। 

-এই দুটি প্রধান লক্ষণসহ একশিরা বা অন্য যে কোন রোগে, ইহাই শ্রেষ্ঠ ঔষধ বলে বিবেচিত।

ওষুধি গুণে ভরপুর আকন্দ গাছ।

 প্রকৃতির দান, ওষুধি গুণে ভরপুর আকন্দ গাছ।


১. অর্শ বা পাইলসের বলি শুকাতে সাহায্য করে।

২. বাতের কারণে হাত-পা ফুলে গেলে তা দ্রুত সারিয়ে তোলে।

৩. পেশির টান বা মচকানো ব্যথায় আরাম দেয়।

৪. হাঁটুর দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা নিরাময়ে কার্যকর।

৫. সাইটিকা বা মেরুদণ্ডের নিচের অংশের ব্যথা কমায়।

 শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-কাশি:

৬. পুরনো কাশি বা কফ জমা কমাতে সাহায্য করে।

৭. হাঁপানি বা অ্যাজমার প্রকোপ কমায়।

৮. শ্বাসকষ্টের কারণে বুক ধড়ফড় করা বন্ধ করে।

৯. নিউমোনিয়ার উপসর্গ উপশমে কাজ করে।

১০. সাইনাস ও দীর্ঘদিনের সর্দি সারাতে সহায়ক।

 চর্মরোগ ও ক্ষত:

১১. দাদ, হাজা ও চুলকানি নিরাময়ে এর কষ কার্যকর।

১২. একজিমা বা চর্মরোগের ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে।

১৩. শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে (Inflammation) তা কমায়।

১৪. নখের কুনি বা নখশূল সারাতে এর কষ ব্যবহৃত হয়।

১৫. ফোঁড়া দ্রুত পাকিয়ে ফাটাতে সাহায্য করে।

১৬. বিছা বা বলতা কামড়ালে বিষক্ষয় করে।

১৭. ব্রণ বা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

 পেটের সমস্যা ও কৃমি:

১৮. কৃমি নাশক হিসেবে কাজ করে।

১৯. দীর্ঘদিনের আমাশয় নিরাময়ে সাহায্য করে।

২০. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও রুচি বাড়ায়।

২১. পেট ফাঁপা বা পেট ভার হয়ে থাকা দূর করে।

২২. যকৃত বা লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

২৩. প্লীহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া রোধ করে।

 অন্যান্য স্বাস্থ্যগুণ:

২৪. দাঁতের ব্যথায় আকন্দের কষ তুলায় ভিজিয়ে লাগালে আরাম মেলে।

২৫. কানের ব্যথা বা কান পাকা সারাতে এর পাতা ব্যবহার হয়।

২৬. হাড়ের জয়েন্টের তীব্র ব্যথা বা গেঁটে বাত কমায়।

২৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

২৮. মাথার যন্ত্রণায় বা মাইগ্রেনের ব্যথায় কপালে সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়।

২৯. শরীরের বিষাক্ত টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

৩০. জ্বর ও গায়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৩১. অণ্ডকোষের ফোলাভাব কমাতে কার্যকর।

৩২. জরায়ুর সংকোচন বা প্রসারণের সমস্যায় কাজ করে।

৩৩. সর্পদংশনের চিকিৎসায় অ্যান্টি-ভেনম হিসেবে ব্যবহৃত হয় (অভিজ্ঞ বৈদ্যের পরামর্শে)।

৩৪. দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত (Chronic Ulcer) সারাতে সাহায্য করে।

৩৫. ফিস্টুলা বা ভগন্দর নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।

৩৬. ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় বলে আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে।

৩৭. পা ফাটা রোধে আকন্দের পাতা ও তেলের মিশ্রণ কার্যকর।

৩৮. হাত-পায়ের জ্বালাপোড়া কমাতে এর পাতা পিষে লাগানো যায়।

৩৯. স্নায়বিক দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।

৪০. শরীর ঠান্ডা রাখতে বা প্রদাহ কমাতে এর ভূমিকা আছে।

 পরিবেশ ও অন্যান্য:

৪১. মশা ও কীটপতঙ্গ তাড়াতে এর কষ ও ধোঁয়া কার্যকর।

৪২. এটি একটি প্রাকৃতিক বায়ু শোধক।

৪৩. তুলা হিসেবে আকন্দের ফুল বালিশে ব্যবহারের প্রচলন আছে (মানসিক শান্তির জন্য)।

৪৪. বিভিন্ন চর্মরোগের মলম তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৪৫. কৃষিজমিতে জৈব কীটনাশক হিসেবে এর নির্যাস ব্যবহার করা যায়।

৪৬. হাড়ের টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়তা করে।

৪৭. এটি রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

৪৮. শরীরের মেদ কমাতে বা চর্বি ঝরাতে বাহ্যিক প্রলেপ হিসেবে কাজ করে।

৪৯. গলার টনসিলের ব্যথা কমাতে পাতার সেঁক কার্যকর।

৫০. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আকন্দের পাতা পায়ের তলায় বেঁধে রাখার প্রাচীন পদ্ধতি রয়েছে।

 ব্যবহার ও খাওয়ার নিয়ম

 সতর্কবাণী: আকন্দ একটি বিষাক্ত গাছ। বিশেষ করে এর সাদা কষ চোখে গেলে অন্ধত্ব হতে পারে। তাই এর অভ্যন্তরীণ ব্যবহার (খাওয়া) খুব সাবধানে করতে হবে।

 বাতের ব্যথায়: আকন্দ পাতায় সরিষার তেল মাখিয়ে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় সেঁক দিলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

 সর্দি ও হাঁপানিতে: আকন্দ ফুলের মাঝখানের অংশ (মধু) এবং গোলমরিচ চূর্ণ করে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে খাওয়ার নিয়ম আছে (১টি করে দিনে ১ বার)। এটি কফ পরিষ্কার করে।

 দাঁতের ব্যথায়: আকন্দ গাছের আঠা বা কষ তুলায় ভিজিয়ে আক্রান্ত দাঁতের গোড়ায় লাগালে ব্যথা কমে (পেটে যেন না যায়)।

 চর্মরোগে: সরিষার তেলের সাথে আকন্দের কষ মিশিয়ে দাদ বা চুলকানির জায়গায় আলতো করে মাখলে উপশম হয়।

 সেঁক হিসেবে: ফোলা বা টিউমারের ওপর পাতা গরম করে ধীরেসুস্থে সেঁক দিলে ফোলা কমে।

 বিশেষ সতর্কতা:

আকন্দ কোনোভাবেই সরাসরি অধিক পরিমাণে খাবেন না। এটি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ করতে পারে যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়। গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা নিষেধ।

 #Akanda #HerbalMedicine #Ayurveda #NaturalHealing #MedicinalPlants #আকন্দ #ভেষজ #স্বাস্থ্যকথা #প্রাকৃতিক_চিকিৎসা

১০০ কবিরা গুনাহ,,,,,, Hadith হাদিস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১। শিরক (অতি মহাপাপ)। (সহীহুল বুখারী ৬৮৫৭, সহীহ মুসলিম ৮৯, বায়হাকী ১৭১২৮)


২। দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে ইলম শিখা। (বুখারী, মিশকাত হা/৪৬২১, বঙ্গানুবাদ ৮ম খণ্ড স্বপ্ন অধ্যায়)


৩। শরয়ী ইল্ম গোপন করা। (আবু দাউদ ৩৬৫৮, তিরমিযী ২৬৪৯, ইবনে মাজাহ ২৬৪, হাসান সহীহ)


৪। বিশ্বাসঘাতকতা করা। (সহীহ মুসলিম ১৩৮, বায়হাকী ১৬৬৩৫)


৫। গণকের কথা বিশ্বাস করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫, বঙ্গানুবাদ ৮ম খণ্ড হা/৪৩৯৩ জ্যোতিষীর গণনা অনুচ্ছেদ, আহমাদ ২/৪২৯ পৃ.)


৬। গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/৪০৭০, বঙ্গানুবাদ ৫ম খণ্ড, হা/৩৮৯৩ শিকার ও যবেহ অধ্যায়)


৭। গায়রুল্লাহর নামে নযর মানা। (সূরা আল-বাকারাহ ২:২৭, বুখারী, মিশকাত হা/৩৪২৭, বঙ্গানুবাদ ৭ম খণ্ড হা/৩২৮১)


৮। গায়রুল্লাহর নামে কসম করা। (ইবনে মাজাহ ২১০১, সহীহুল জাম ৭২৪৭)


৯। যাদু করা। (মুসলিম ২৯৮৫, ইবনে মাজাহ ৪২০২, সহীহ ইবনে খুযাইমা ৯৩৮৮)


১০। আল্লাহর প্রতি কুধারণা রাখা। (সূরা আরাফ ৩৩, ইবনে হাজার এর আল-যাওয়াজের ১/১৫০)


১১। মুসলিমের প্রতি কুধারণা রাখা। (সূরা হুজরাত ১২)


১২। মুসলিমকে বিনা দলীলে কাফের বলা। (সহীহুল বুখারী ৬০৪৫, সহীহ মুসলিম ৬১)


১৩। কাফেরকে কাফের না জানা।


১৪। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করা। (সূরা যুমার ৬০, সহীহুল বুখারী ১০৭)


১৫। আল্লাহর আযাব থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবা। (সূরা আল-আরাফ ৭:৯৯)


১৬। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া। (সূরা ইউসুফ ১২:৮৭)


১৭। তাকদীর অস্বীকার করা। (আবু দাউদ ৪৭০০)


১৮। তাবীয বাঁধা। (মুসনাদে আহমাদ ১৭৪৫৮)


১৯। প্রাণ হত্যা করা। (সূরা নিসা: ৯৩, সূরা মায়েদা: ৩২, বুখারী, ইলম অধ্যায়, ১/২৩ পৃ.)


২০। আত্বহত্যা করা। (সূরা আন নিসা ৪:২৯)


২১। যুলম করা। (সূরা আল ফুরকান ২৫:১৯)


২২। অপমান ও অপদস্থ করা। (সূরা হুজরাত ১১)


২৩। মিথ্যা বলা। (বুখারী ৩৩, মুসলিম ৫৯, আবু দাউদ ৪৬৮৮, তিরমিযী ২৬৩২)


২৪। পরচর্চা বা গীবত করা। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৯, আবূ দাউদ ৪৮৭৪, সহীহুল বুখারী ৬০৫৬, সহীহ মুসলিম ১০৫)


২৫। চুগলখোরী করা। (সূরা হুমাযাহ ১)


২৬। গালি দেওয়া। (সহীহুল বুখারী ৪৮, সহীহ মুসলিম ৬৪)


২৭। মাদকদ্রব্য সেবন করা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০)


২৮। মৃত বা হারাম পশুর মাংস খাওয়া। (সূরা আল মায়েদা ৫:৩)


২৯। বাজে তর্ক করা। (সূরা মায়িদাহ-৫:১০১, সূরা আরাফ-৭:৩৩)


৩০। সত্য প্রত্যাখান করা। (সূরা নিসা-৪:১১৫, সূরা মুহাম্মাদ ৩২)


৩১। ঠাট্টা বা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা। (সূরা আত তাওবাহ ৯:৬৫)


৩২। লানত করা। (সহীহুল বুখারী হা/৬০৪৭)


৩৩। অহংকার করা। (সূরা আল গাফির বা মুমিন ৪০:৬০)


৩৪। নিজের প্রশংসা নিজেই করা। (সূরা নাজম-৫৩:৩২, ফাতহুল কাদীর ৫/১৩৬, সূরা আল-ইমরান-৩:১৮৮, সূরা হুজরাত ১৭)


৩৫। অপরের দোষ খোঁজা। (সূরা হুজুরাত আয়াত:১২, মুসলিম, মিশকাত হা/৫০২৮, বুলুগুল মারাম হা/১৫১০)


৩৬। মূর্তি বা ছবি তৈরী করা। (সূরা আহযাব আয়াত:৫৭, বুখারী ২/৮৮০ পৃ. মিশকাত হা/৪৪৮৯ বাংলা ৮ম খণ্ড, হা/৪২৮৯ পোষাক অধ্যায়)


৩৭। ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা। (সূরা আন নিসা ৪:১০)


৩৮। জুয়া (ফ্লাশ) খেলা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০-৯১)


৩৯। লটারী খেলা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০-৯১)


৪০। চুরি করা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৩৮)


৪১। আমানতের খেয়ানত করা। (সূরা আনফাল-৮:২৭)


৪২। পরের সম্পদ আত্মসাৎ করা। (আহমাদ ২৪৫০৪, ১৭৫৭১, বুখারী ২৪৫৩, ৩১৯৫, মুসলিম ৪২২২, সহীহুল জামে ২৭২২)


৪৩। জমি-জায়গা দাবিয়ে নেওয়া। (বুখারী ৩১৯৮, সহীহ মুসলিম ১৬১০)


৪৪। ঘুষ খাওয়া। (সূরা আল বাকারাহ ২: আয়াত:১৮৮, ইবনে মাজাহ, সনদ সহীহ, মিশকাত, হা/৩৭৫৩, বাংলা ৭ম খণ্ড, হা/৩৫৮১ নেতৃত্ব অধ্যায়)


৪৫। সুদ খাওয়া। (সূরা আল বাকারাহ ২:১৮৮)


৪৬। ওজনে নেওয়ার সময় বেশী এবং দেওয়ার সময় কম দেওয়া।


৪৭। মিথ্যা কসম খাওয়া। (সহীহুল বুখারী ২৩৫৬, সহীহ মুসলিম১৩৮, নাসাঈ ৫৯৭৬, আবূ দাউদ ৩২৪২।)


৪৮। ধোঁকা দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ১০২)


৪৯। কসম করে মাল বিক্রি করা। (সহীহ মুসলিম ১০৬)


৫০। প্রতিশ্রুতি পালন না করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৭)


৫১। চুক্তি ভঙ্গ করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৭)


৫২। মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। (সূরা হজ্জ ২২:৩০)


৫৩। সাক্ষ্য গোপন করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৮৩)


৫৪। মালে ভেজাল দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ১০২)


৫৫। প্রয়োজনের সময় মাল গুদামজাত করে রাখা। (সহীহ মুসলিম ১৬০৫, আবূ দাউদ ৩৪৪৭)


৫৬। অসিয়ত পালন না করা। (সহীহুল বুখারী ২৭৩৮, সহীহ মুসলিম ১৬২৭)


৫৭। আল্লাহর ভাগ করা ভাগ্যে সন্তুষ্ট না হওয়া। (সূরা কমার-৫৪:৪৯)


৫৮। পুরুষের সোনা ও রেশম ব্যবহার। (বুখারী ৫৪২৬, মুসলিম ২০৬৭)


৫৯। পুরুষের গোড়ালীর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা। (সূরা আরাফ ২৬. মিশকাত ৪১৩৯, ৪১৭৩, ৪১৭৭)


৬০। দান করে গেয়ে বেড়ানো। (সহীহ মুসলিম ১০৬, আবু দাউদ ৩৪৭৪)


৬১। গান-বাজনা শোনা। (সহীহুল বুখারী ৫৫৯০, সহীহ মুসলিম ৪০৩৯)


৬২। ফরয নামায ত্যাগ করা। (সূরা মরইয়াম ৫৯, সূরা মাউন১০৭:৪-৫, মুসলিম, মিশকাত হা/৫৬৯, বঙ্গানুবাদ ২য় খণ্ড হা/৫২৩ সালাত অধ্যায়।)


৬৩। সময় পার করে নামায পড়া। (সূরা মাউন-১০৭:৫)


৬৪। লোক দেখিয়ে ইবাদত করা। (সহীহ মুসলিম ২৯৮৫, ইবনে মাজাহ ৪২০২, সহীহ ইবনে খুযাইমা ৯৩৮)


৬৫। যাকাত না দেওয়া। (সূরা আত তাওবাহ ৯:৩৪)


৬৬। রোযা না রাখা। (সূরা আল বাকারাহ ২:১৮৩)


৬৭। হজ্জ না করা। (সূরা আলে ইমরান ৩:৯৭)


৬৮। জিহাদ না করা। (সহীহ মুসলিম ১৯১০, আবু দাউদ ২৫০২, নাসাঈ ৩০৯৭)


৬৯। জিহাদের ময়দানে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা। (সূরা আল আনফাল ৮:১৫)


৭০। জুমআহ ত্যাগ করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৭০, আবূ দাউদ, নাসাঈ সনদ সহীহ, মিশকাত হা/১৩৭১)


৭১। জামাআত ত্যাগ করা। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হা/১০৫৩, বাংলা ৩য় খ-, হা/৯৮৬ স্বলাত অধ্যায়)


৭২। সামর্থ্য থাকতে সৎকাজের আদেশ এবং মন্দকাজে বাধা না দেওয়া। (সূরা আল মায়েদা ৫:৭৮-৭৯)


৭৩। পেশাবের ছিটা থেকে না বাঁচা। (বুখারী হা/২১৬)


৭৪। ইল্ম অনুযায়ী আমল না করা। (সূরা আস-ছফ ৬১:২-৩)


৭৫। ব্যভিচার করা। (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৩২)


৭৬। মাসিক অবস্থায় সহবাস করা। (আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, হাদীস সহীহ-আদাবুয যিফাফ ১২২ পৃ.)


৭৭। পায়খানাদ্বারে সঙ্গম করা। (নাসাঈ হাদীসটি সহীহ, আদাবুয যিফাফ পৃ. ১০৫)


৭৮। অবৈধ প্রেম করা। (মুসলিম ২১২৮)


৭৯। সমকাম করা। (সূরা আল আরাফ ৭:৮০-৮১)


৮০। হস্তমৈথুন করা। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হা/৩০৮০, বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/২৯৪৬, বিবাহ অধ্যায়)


৮১। মিথ্যা অপবাদ দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৯, আবু দাউদ ৪৮৭৪, সহীহুল বুখারী ৬০৫৬, সহীহ মুসলিম ১০৫। দেখুন সূরা আন নূর ২৪:২৩)


৮২। মহিলার বেপর্দা হওয়া। (সহীহ মুসলিম ২১২৮, মিশকাত ৩৫২৪)


৮৩। পুরুষের নারীর মত এবং নারীর পুরুষের মত বেশ ধারণ করা। (সহীহুল বুখারী ৫৮৮৫, সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯০৪, শারহুস সুন্নাহ বাগাভী ৩২০৭,৩২০৮)


৮৪। দাড়ি চাঁছা। (আহমাদ, সহীহুল জা'মে হা/১০৬৭, মুসলিম মাশা হা/২৬০, বুখারী তাও. হা/৫৮৮৫)


৮৫। মা-বাপের অবাধ্য হওয়া। (সহীহুল বুখারী ২৬৫৪, সহীহ মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১,৩০১৯)


৮৬। আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করা। (সহীহুল বুখারী ৫৯৮৪, সহীহ মুসলিম ২৫৫৬, আবু দাউদ ১৬৯৬)


৮৭। স্বামীর কথা না মানা। (সূরা বাকারাহ আয়াত: ২২৮, বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩২৪৬, বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/৩১০৮ বিবাহ অধ্যায়)


৮৮। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া তালাক দেওয়া। (আবু দাউদ ২১৮০, সনদ যঈফ)


৮৯। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া তালাক নেওয়া। (মুসলিম ১৪১৩, ইবনে মাজাহ ২০৫৫)


৯০। তালাক দেওয়ার পর স্ত্রীকে ফেরৎ নিতে হালালা বিবাহ দেওয়া ও করা। (আবু দাউদ ২০৭৮, তিরমিযী ১১১৯, ১১২০)


৯১। এগানা পুরুষ ছাড়া মহিলার একা সফর করা। (সহীহুল বুখারী ১৮৬২, সহীহ আত-তিরমিযী ১১৭০, মিশকাত ২৫১৫)


৯২। পরের বাপকে বাপ বলা। (সহীহুল বুখারী হা/৬৭৬৬, সহীহ মুসলিম হা/৬৩।)


৯৩। বাড়ির মহিলার ব্যাপারে ঈর্ষাহীন (ভেঁড়া) হওয়া।


৯৪। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ৪৬, মুসনাদে আহমাদ ৮৮৫৫, সহীহ ইবনে হিব্বান ৫১০)


৯৫। মহিলার ভ্র, মুখের লোম চাঁছা। (সহীহুল জা'মে হা/৫১০৪, ফাতাওয়াউল মারআহ ৭২, ৯৪পৃ., সিলসিলাহ সহীহাহ ৬/৬৯২)


৯৬। মহিলার পরচুলা ব্যবহার। (বুখারী হা/৩৪৬৮, ৫৯৩৮, মুসলিম হা/২১২৭, সহীহুল জা'মে হা/২৭০৫, ৫১০৪)


৯৭। দেহ দেগে নক্সা করা। (সহীহ মুসলিম হা/২১১৬)


৯৮। দাঁত ঘষে ফাঁক ফাঁক করা। (সূরা নিসা আয়াত: ১১৯, বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৪৩০, বাংলা ৮ম খণ্ড হা/৪২৩৩ পোষাক অধ্যায়)


৯৯। কানাচি পেতে পরের গোপন কথা শোনা। (সূরা হুজুরাত আয়াত: ১২, মুসলিম, মিশকাত হা/৫০২৮, বুখারী, বুলুগুল মারাম হা/১৫১০)


১০০। শোকে মাতম করা। (সহীহুল বুখারী হা/১২৯৪)


✍🏻 শাইখ Abdul Hamid Al-Faizi Al-Madani


#Hadith #হাদিস Hadith/হাদিস/حديث

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...