এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অপরিচিত কল শনাক্তকরণ:

 📱 অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অপরিচিত কল শনাক্তকরণ:


✅ ধাপ ১: ফোন অ্যাপ খোলা


· প্রথমে তোমার ফোনের ডায়ালার বা ফোন অ্যাপ টি খুলে নাও।

· এটি সাধারণত হোম স্ক্রিনের নিচে বা অ্যাপ ড্রয়ারে থাকে। 📞


✅ ধাপ ২: মেনুতে যাওয়া


· ফোন অ্যাপ খোলার পর উপরের ডান পাশে থাকা তিনটি ডট আইকন দেখতে পাবে? সেটিতে ক্লিক করো। ⋮


✅ ধাপ ৩: সেটিংসে প্রবেশ


· তিন ডট মেনু থেকে সেটিংস (Settings) অপশনটি সিলেক্ট করো। ⚙️


✅ ধাপ ৪: সঠিক অপশন খোঁজা


· এখন নিচের দিকে একটু স্ক্রোল করো। কলার আইডি ও স্পাম (Caller ID & S pam) অথবা কল ডিসপ্লে (Call display) নামে একটি অপশন দেখতে পাবে। এটি নির্বাচন করো।


✅ ধাপ ৫: ফিচার চালু করা


· এখানে "কলার আইডি ও স্পাম প্রোটেকশন দেখান" (See caller ID and sp am protection) নামে একটি টগল সুইচ থাকবে। এটি অন (চালু) করে দাও। 🟢


---


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


এই সেটিং চালু করার পরও কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:


📌 পারফরম্যান্স


· এই ফিচারটি ১০০% নির্ভুল নয়। কারণ এটি গুগলের নিজস্ব ডাটাবেজের উপর নির্ভর করে চলে।

· অনেক সময় কাজ করলেও সবসময় নাম ও ছবি দেখাবে না।


📌 প্রয়োজনীয় অনুমতি


কখনো কখনো এই সেটিং কাজ নাও করতে পারে। তখন নিচের বিষয়গুলো চেক করো:


1. পারমিশন চেক ✅

   · যাও: সেটিংস (Settings) > অ্যাপস (Apps) > ফোন অ্যাপ (Phone App) > পারমিশন (Permissions)

   · এখানে কন্টাক্ট (Contacts) এর অনুমতি অনুমতি দিন (Allow) করা আছে কিনা নিশ্চিত হও।

2. নেটওয়ার্ক সংযোগ 📶

   · ভালো ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে কলার আইডি কাজ নাও করতে পারে।

3. ক্যারিয়ার সাপোর্ট 📡

   · অনেক সময় মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার (ক্যারিয়ার) এর পক্ষ থেকে এই সুবিধা নাও থাকতে পারে। প্রয়োজনে ক্যারিয়ারকে কল দিয়ে জেনে নিতে পারো।


---


🎯 বিশেষ টিপস ও কৌশল


শুধু সেটিংস নয়, আরও কিছু উপায় জেনে রাখো:


🔥 থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার


সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো Truecaller বা Eyecon-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করা। এগুলো সেটিংসের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়ারফুল এবং নির্ভুলভাবে কলার আইডি দেখায়।


💎 দ্রুত সমাধান


আগের উত্তর থেকে কপি করে দেওয়া এই পদ্ধতিগুলো ফলো করলে সহজে সমাধান পাবে:


1. Truecaller 📞

   · বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় কলার আইডি অ্যাপ

   · বিশাল ডাটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাম শনাক্ত করে

   · স্পাম কল ব্লক করার সুবিধা আছে

2. Eyecon 👥

   · নামের পাশাপাশি কলারের ছবি পূর্ণ পর্দায় দেখায়

   · কন্টাক্ট লিস্টকে ভিজুয়াল গ্যালারিতে রূপান্তরিত করে


---


🌟 সংক্ষিপ্ত উপসংহার


🔧 পদ্ধতি ⭐ কার্যকারিতা 📋 মন্তব্য

গুগল ফোন অ্যাপ সেটিংস মাঝারি সহজ, কিন্তু সবসময় কাজ নাও করতে পারে

Truecaller খুব ভালো অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে, বিজ্ঞাপন থাকে

Eyecon ভালো ছবি দেখানোর জন্য বিখ্যাত


সতর্কতা: 📢 থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করার সময় অবশ্যই গোপনীয়তা নীতি পড়ে নিবে। কারণ এগুলো সাধারণত কন্টাক্ট ও কল লগ অ্যাক্সেস করার অনুমতি চায়।

রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

সহবাস করতে চাইলে স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন?,,,,, তাহলে বোন নিজের পপায়ে নিজে কুরাল মারলেন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সহবাস করতে চাইলে স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন? 


যে ভুলের আগুনে আপনার সাজানো সংসার ছাই হয়ে যেতে পারে!


রাত গভীর। আপনার স্বামী ক্লান্ত শরীরটা নিয়ে বিছানায় এল। ভালোবাসার উষ্ণতা চেয়ে আপনার দিকে হাত বাড়াল, আর আপনি? ঝটকা মেরে তার হাতটা সরিয়ে দিলেন! ঘৃণা আর বিরক্তিতে মুখ ঘুরিয়ে অন্য দিকে ফিরে শুলেন। তার সমস্ত আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা আর পৌরুষকে এক মুহূর্তে পায়ের তলায় পিষে দিয়ে আপনি ঘুমের ভান করলেন।


বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, এই দৃশ্যটা আপনার শোবার ঘরে কতবার অভিনীত হয়েছে? সামান্য ঝগড়া, ছোট কোনো চাহিদা পূরণ না হওয়া, বা নিছকই 'মুড নেই'—এই অজুহাতগুলোকে অস্ত্র বানিয়ে আপনি আপনার স্বামীকে কত রাত ফিরিয়ে দিয়েছেন? আপনি হয়তো ভাবছেন, "বেশ করেছি! ও আমার কথা শোনে না, আমিও ওর কথা শুনব না।"


বোন, আপনি আসলে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছেন। আপনি সহবাসকে ব্যবহার করছেন স্বামীকে শাস্তি দেওয়ার একটা মাধ্যম হিসেবে, তার পৌরুষকে অপমান করার একটা বিষাক্ত তীর হিসেবে। আপনি শোবার ঘরকে বানিয়ে ফেলেছেন একটা যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে আপনার শরীরটাই আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। কিন্তু আপনি ভুলে যাচ্ছেন, যে পুরুষ যুদ্ধে বারবার হারে, সে একদিন সেই যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে নতুন সাম্রাজ্যের সন্ধান করে।


আপনি কি বিছানায় জ্যান্ত লাশ?


স্বামী যখন আপনাকে কাছে টানে, আদর করতে চায়, তখন আপনার প্রতিক্রিয়া কী হয়? আপনি কি একটা পাথরের মূর্তির মতো চুপচাপ শুয়ে থাকেন? তার ছোঁয়ায় আপনার শরীরে কোনো স্পন্দন জাগে না, আপনার মুখ থেকে কোনো শীৎকারের শব্দ বের হয় না, আপনার চোখ দুটো বন্ধ থাকে নির্লিপ্ততায়। সে যখন জিজ্ঞেস করে, "তোমার কেমন লাগছে?", আপনার উত্তর আসে না। আপনার শরীরটা তার নিচে পড়ে থাকে, কিন্তু আপনার মন থাকে হাজার মাইল দূরে।


আপনি কি কখনো নিজে থেকে তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন? ভালোবেসে একটা চুমু খেয়েছেন? তার শরীরের বোতাম খোলার জন্য অধীর হয়েছেন? উত্তর যদি 'না' হয়, তাহলে আপনি শুধু তার স্ত্রী নন, তার জীবনের সবচেয়ে বড় শাস্তি।


একজন পুরুষ তার স্ত্রীর মধ্যে শুধু একজন সেবাদাসীকে খোঁজে না, সে তার মধ্যে একজন প্রেমিকাকে খোঁজে, একজন কামার্ত সঙ্গিনীকে খোঁজে, যার শরীরের আগুনে সে পুড়ে খাঁটি হতে চায়। আপনি যখন মরা মাছের মতো বিছানায় পড়ে থাকেন, তখন আপনি তাকে শারীরিক তৃপ্তির বদলে মানসিক যন্ত্রণা দেন। আপনি তাকে বুঝিয়ে দেন, এই সম্পর্কটা তার জন্য একটা বোঝা, একটা রুটিনমাফিক অত্যাচার।


আপনার মতো স্ত্রী যার কপালে জোটে, সে দ্বিতীয় বিয়ে করবে না তো কী করবে?


ভাবুন তো একবার, আপনার স্বামী হয়তো আপনার সব চাহিদা পূরণ করার জন্য দিনরাত গাধার মতো খাটছে। সে অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকায় না, কোনো পরকীয়ায় জড়ায় না, আপনার আর আপনার সংসারের প্রতি সে সৎ। কিন্তু দিনের শেষে সে যখন আপনার কাছে একটু ভালোবাসা, একটু উষ্ণতা চাইতে আসে, আপনি তাকে ফিরিয়ে দেন।


তাহলে সে কেন আপনার জন্য এত কিছু করবে? কেন আপনার শাড়ি-গয়নার খরচ জোগাবে? কেন আপনার বাপের বাড়ির আবদার মেটাবে? সে তো আপনাকে ভালোবাসে, আপনার কাছ থেকে মানসিক শান্তির পাশাপাশি শারীরিক সুখও চায়। আপনি যদি তার সবচেয়ে মৌলিক, সবচেয়ে আদিম চাহিদাটাই পূরণ করতে না পারেন, তাহলে কোন অধিকারে আপনি তার কাছ থেকে বাকি সবকিছু আশা করেন?


আপনার হয়তো মাঝে মাঝে সহবাসের ইচ্ছা করে না, শরীর ক্লান্ত থাকে। কিন্তু আপনার স্বামীর কি প্রতিদিন সকালে উঠে কাজে যেতে ইচ্ছা করে? তারও তো মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে সব ছেড়েছুঁড়ে শুয়ে থাকতে। কিন্তু সে পারে না, কারণ তার কাঁধে আপনার আর আপনার সংসারের দায়িত্ব। ঠিক সেভাবেই, আপনার ইচ্ছা না করলেও মাঝে মাঝে স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে, তার ভালোবাসার খাতিরে নিজেকে সঁপে দেওয়াটা আপনার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।


সহবাস ঝগড়া মেটানোর সবচেয়ে মিষ্টি প্রতিশোধ!


আপনারা স্বামী-স্ত্রী, আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হবেই। কিন্তু বুদ্ধিমান নারীরা সেই ঝগড়াকে বিছানায় নিয়ে যায় না, বরং বিছানাকে ব্যবহার করে ঝগড়া শেষ করার জন্য। ভেবে দেখুন, দিনের বেলার সমস্ত রাগ, অভিমান রাতের বেলা তীব্র শরীরী মিলনের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেল—এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে? সহবাস হলো সেই জাদুকরী আঠা যা দুটো ভাঙা মনকে আবার জুড়ে দেয়। আপনাদের দূরত্বের বরফ গলিয়ে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উষ্ণতা হলো যৌনতা।


যে নারী এই অস্ত্র ব্যবহার করতে জানে, তার সংসারে তৃতীয় কেউ ঢোকার সাহস পায় না। কারণ সে জানে, কীভাবে তার পুরুষকে নিজের মধ্যে বেঁধে রাখতে হয়।


বরং আপনার যদি কোনো বড় আবদার থাকে, কোনো কিছু পাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাহলে স্বামীকে সহবাসে এমন সুখ দিন যা সে আগে কখনো পায়নি। নতুন নতুন কৌশলে তাকে পাগল করে দিন। তাকে এমন চরম তৃপ্তি দিন যে সে ঘোরের মধ্যে থাকবে। তারপর দেখুন, সেই সুখের ঘোরে সে আপনার যেকোনো আবদার পূরণ করতে এক পায়ে খাড়া থাকবে। যে নারী স্বামীকে যৌনসুখের স্বর্গে পৌঁছে দিতে পারে, স্বামী তাকে বাস্তব জীবনে রানী করে রাখে।


একজন নারীই পারে চল্লিশটা নারীর সুখ দিতে!


একটা কথা মনে গেঁথে নিন, যে নারী নিজের স্বামীকে বিভিন্ন আসনে, বিভিন্ন ভঙ্গিমায়, নানা ধরনের দুষ্টুমিতে ভরিয়ে দিয়ে চরম সুখ দিতে পারে, সেই স্বামীর বাইরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একজন দক্ষ ও প্রেমময়ী স্ত্রী একাই তার স্বামীকে চল্লিশটা নারীর সমান আনন্দ দিতে পারে। সে যদি আপনার শরীরেই সব ধরনের স্বাদ, সব ধরনের উত্তেজনা খুঁজে পায়, তাহলে সে কেন অন্য হরিণীর পেছনে ছুটবে? সে তো আপনার মাঝেই পুরো জঙ্গলটা পেয়ে যাচ্ছে!


সময় থাকতে নিজেকে বদলান। একজন বিরক্তিকর 'বউ' থেকে তার রাতের কল্পনার 'রানী' হয়ে উঠুন।


আসুন, আজ রাত থেকেই শুরু হোক নতুন অধ্যায়:


কথার আগুন: দিনের বেলায় তাকে একটা দুষ্টু মেসেজ পাঠান। যেমন: "আজ রাতে তোমার জন্য একটা নতুন খেলা অপেক্ষা করছে।" বা "আজ তোমাকে অন্যভাবে ভালোবাসব।" এই ছোট একটা লাইনই তার মাথার মধ্যে সারাদিন আপনার চিন্তা ঢুকিয়ে দেবে।


অপ্রত্যাশিত ছোঁয়া: সে যখন টিভি দেখছে বা মোবাইলে ব্যস্ত, পেছন থেকে গিয়ে আলতো করে তার ঘাড়ে চুমু খান। তার কানের কাছে ফিসফিস করে বলুন, "তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।" জামার ভেতর দিয়ে তার বুকে বা পিঠে হাত বুলিয়ে দিন। এই অতর্কিত আক্রমণ তাকে মুহূর্তেই উত্তেজিত করে তুলবে।


দৃষ্টির জাদু: তার চোখের দিকে তাকিয়ে দুষ্টু হাসি দিন। কামনার দৃষ্টিতে তাকে আপাদমস্তক দেখুন। আপনার চোখের ভাষাই তাকে বুঝিয়ে দেবে যে আপনি তাকে কতটা চান।


শব্দের ব্যবহার: মুখ বন্ধ করে থাকবেন না। শীৎকার করুন। তার কানে কানে বলুন, "উফফ, কী আরাম!" বা "তোমার মতো করে কেউ পারে না।" তার পৌরুষের প্রশংসা করুন। বলুন, "তুমিই সেরা।" এই কথাগুলো তার জন্য ভায়াগ্রার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।


সক্রিয় হন: শুধু শুয়ে থাকবেন না। আপনিও উদ্যোগ নিন। তাকে চুমু খান, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আদর করুন। তার চুলের মুঠি আলতো করে ধরুন, পিঠে নখের আঁচড় দিন। বুঝিয়ে দিন যে আপনিও এই খেলাটা খেলতে ভালোবাসেন।


নতুনত্বের স্বাদ দিন: প্রতিবার একই ভঙ্গিমায় মিলিত না হয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করুন। তাকে বলুন, "চলো আজ নতুন কিছু করি।" আপনার এই আগ্রহই তাকে দ্বিগুণ উত্তেজিত করবে।


আলিঙ্গন ও আদর: কাজ শেষ হলেই তাকে ছেড়ে দূরে সরে যাবেন না। তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকুন। তার বুকে মাথা রাখুন, চুলে বিলি কেটে দিন। এই মুহূর্তের নীরবতাই হাজারটা ভালোবাসার কথা বলে দেয়।


প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা: তাকে বলুন, "আজকের রাতটা অসাধারণ ছিল।" বা "তোমাকে পেয়ে আমি খুব সুখী।" তার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করুন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরও বেশি ভালোবাসবে।


ছোট্ট যত্ন: তার জন্য এক গ্লাস জল নিয়ে আসুন। বা একটা ভেজা তোয়ালে দিয়ে তার শরীর মুছে দিন। এই ছোট ছোট যত্নগুলোই বুঝিয়ে দেয় আপনি শুধু তার শরীরকে নয়, তাকেও ভালোবাসেন।


শেষ প্রশ্নটা আপনার কাছেই। আপনি কি স্বামীর কাছে একজন বোঝা হয়ে থাকবেন, যার শরীরটা পাওয়ার জন্য তাকে যুদ্ধ করতে হয়? নাকি সেই নারী হয়ে উঠবেন, যার শরীরের মায়ায়, আদরের নেশায় সে বারবার বাঁধা পড়তে চায়?


সিদ্ধান্ত আপনার। হয় নিজের সংসারকে বাঁচান, নয়তো নিজের ইগোর আগুনে তিলে তিলে তাকে ছাই হয়ে যেতে দেখুন।

সংগৃহীত


লেখাটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে শেয়ার করে অন্যদেরও পড়তে দিন।

🌸 আপনার একটুখানি শেয়ার হয়তো কারও হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।

📌 ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, যারা নিয়মিত এই বাক্যগুলো ব্যবহার করেন, তাদের ব্যক্তিত্ব অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। 

 মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, যারা নিয়মিত এই বাক্যগুলো ব্যবহার করেন, তাদের ব্যক্তিত্ব অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। 

​১. "আমি ভয় পাচ্ছি, তাও আমি এটি করব"


​শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের মানুষরা ভয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন না। তারা জানেন যে সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের পরেও এগিয়ে যাওয়া। তারা নিজেদের ভয়কে গ্রহণ করেন এবং তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেন না।


​২. "না" (সরাসরি না বলা)


​সফল এবং মানসিকভাবে দৃঢ় মানুষরা অপ্রয়োজনীয় অনুরোধে 'না' বলতে দ্বিধা করেন না। তারা জানেন যে সব কিছুতে 'হ্যাঁ' বললে নিজের কাজের গুরুত্ব কমে যায়। তারা কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে পারেন।


​৩. "আমার এটি প্রয়োজন..." (মাফ না চেয়েই বলা)


​অনেকেই সাহায্য চাওয়ার আগে "দুঃখিত আপনাকে বিরক্ত করার জন্য" বা "আমি বলতে চাইছিলাম না, কিন্তু..." এমন কথা বলেন। কিন্তু শক্তিশালী মানুষরা কোনো অপ্রয়োজনীয় ক্ষমা না চেয়েই সরাসরি তাদের প্রয়োজনের কথা বলেন। এর মানে এই নয় যে তারা রূঢ়, বরং তারা স্পষ্ট যোগাযোগে বিশ্বাসী।


​৪. "ধন্যবাদ" (প্রশংসা গ্রহণ করার সময়)


​কেউ প্রশংসা করলে অনেকে লজ্জা পেয়ে বলেন, "আরে তেমন কিছু না" বা "ভাগ্যের জোরে হয়ে গেছে"। শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের মানুষরা বিনয়ের সাথে শুধু "ধন্যবাদ" বলেন। তারা নিজেদের পরিশ্রম এবং অর্জিত সাফল্যকে সম্মান করতে জানেন।


​৫. "আমার ভুল হয়েছিল"


​নিজের ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং চরম আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। যারা মানসিকভাবে শক্তিশালী, তারা ভুল করলে অন্যের ওপর দোষ না চাপিয়ে বা অজুহাত না দেখিয়ে সরাসরি তা স্বীকার করেন এবং তা থেকে শিক্ষা নেন।


​৬. "আমি জানি না, তবে আমি খুঁজে বের করব"


​সবজান্তা হওয়ার ভান করা দুর্বল ব্যক্তিত্বের লক্ষণ। শক্তিশালী মানুষরা তাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা জানেন। কোনো কিছু না জানলে তারা তা অকপটে স্বীকার করেন এবং সেটি জানার চেষ্টা করেন। এটি তাদের সততা ও শেখার মানসিকতাকে প্রকাশ করে।


​৭. "আমাকে এটি নিয়ে ভাবতে দিন"


​তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা হুজুগে সিদ্ধান্ত না নিয়ে তারা সময় নেন। "আমাকে একটু ভাবতে দিন"—এই বাক্যটি ব্যবহার করার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেন যে তাদের সময় এবং সিদ্ধান্ত অত্যন্ত মূল্যবান। তারা আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং চিন্তাভাবনা করে কাজ করতে পছন্দ করেন।

​•

এই বাক্যগুলো খুব সাধারণ মনে হলেও এগুলো একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এই শব্দগুলো নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে আপনিও আপনার ব্যক্তিত্বকে আরও দৃঢ় করতে পারেন।

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ!

 জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ!


১। Choise (চয়েজ)

২। Chance (চান্স)

৩। Change (চেইঞ্জ)


Choice : মনে রাখবেন ভাগ্য আপনার হাতে নেই , কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে। আজকে নেয়া আপনার একটা পজেটিভ সিদ্ধান্ত, কাল আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটিই চয়েস।


Chance : আপনি যা করছেন তা করতে থাকলে, যা পাচ্ছেন তাই পেতেই থাকবেন। যদি এর চেয়ে ভালো কিছু পেতে চান তবে ভালো কিছু খুঁজুন ও শুরু করে দিন। যদি পেয়ে যান তাহলে এটি হবে (Chance) চান্স / সুযোগ!


Change :  অতীতকে আপনি বদলাতে পারবেন না,কিন্তু আপনি চাইলেই বর্তমানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতকে বদলাতে পারেন। পরিবর্তন সম্ভব।নিজেকে আরও যোগ্য করতে পারলে আরও সমৃদ্ধ জীবন সম্ভব। এটাই হল পরিবর্তন (Change)।


বড় স্বপ্ন দেখুন,নিজেকে বিশ্বাস করুন।লক্ষ্য নির্ধারণ করুন,পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।সেই অনুযায়ী কাজ করুন।নিজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন।


#selfconfidence #positivevibes

কৈশোর এমন একটি সময় যখন— ▪️শরীর দ্রুত বড় হয়

 “যদি ১৩–১৫ বছর বয়সেই ছেলে-মেয়েদের মধ্যে আকর্ষণ ও যৌন অনুভূতি শুরু হয়, তাহলে সমাজ কেন অপেক্ষা করতে বলে?”


অনেক কিশোর-কিশোরীর কাছে এই অনুভূতি অত্যন্ত বাস্তব। আবার অনেক অভিভাবকের কাছে এটি উদ্বেগের কারণ। ফলে তৈরি হয় একটি নীরব সংঘাত—

প্রকৃতি একদিকে টানছে, সমাজ অন্যদিকে থামাতে চাইছে।


কিন্তু মনোবিজ্ঞান ও নিউরোসায়েন্স বলছে—

সমস্যা অনুভূতির জন্ম নয়, সমস্যা হলো অনুভূতির সময় ও মানসিক প্রস্তুতির অমিল।


কৈশোর এমন একটি সময় যখন—

▪️শরীর দ্রুত বড় হয়ও

▪️আবেগ তীব্র হয়

▪️পরিচয় গঠন শুরু হয়

কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এখনও বিকাশমান থাকে

অর্থাৎ মানুষ তখন পরিবর্তনের মধ্যে, পরিপূর্ণতার মধ্যে নয়।


এই আলোচনার উদ্দেশ্য দমন নয়, বরং বৈজ্ঞানিক বোঝাপড়া তৈরি করা—

যাতে কিশোর, অভিভাবক ও সমাজ সবাই একই বাস্তবতাকে বুঝতে পারে।


🛑🛑1️⃣ কৈশোর হলো জীবনের সবচেয়ে বড় জৈবিক ও মানসিক রূপান্তরের সময়।


কৈশোর (Adolescence) মানব জীবনের এমন একটি পর্যায় যেখানে শরীর, মস্তিষ্ক ও আবেগ একসাথে পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যায়। এই পরিবর্তনের সূচনা হয় মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus) থেকে, যা হরমোনাল সংকেত পাঠিয়ে শরীরকে প্রজনন সক্ষমতার দিকে এগিয়ে নেয়।


এই সময় শরীরে বৃদ্ধি পায়—

▪️ইস্ট্রোজেন (Estrogen)

▪️টেস্টোস্টেরন (Testosterone)

▪️গ্রোথ হরমোন

▪️ডোপামিন (Dopamine)

▪️অক্সিটোসিন (Oxytocin)


🔯 এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব

এই হরমোনগুলো শুধু শারীরিক পরিবর্তন ঘটায় না, বরং—

✔️ অন্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে

✔️ আবেগের গভীরতা বাড়ায়

✔️ সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার প্রয়োজন বাড়ায়

✔️ নিজের পরিচয় নিয়ে ভাবনা শুরু করায়

অর্থাৎ প্রকৃতি শরীরকে প্রস্তুত করতে শুরু করে, কিন্তু মানসিক পরিপক্বতা তখনও নির্মাণাধীন থাকে।


🛑🛑2️⃣ কৈশোরে মস্তিষ্ক অসমভাবে বিকশিত হয় — আবেগ আগে, নিয়ন্ত্রণ পরে।


কৈশোরের আচরণ বোঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সত্য হলো—মস্তিষ্কের সব অংশ একসাথে পরিণত হয় না।


✅ আগে সক্রিয় হয় আবেগ কেন্দ্র

লিম্বিক সিস্টেম (Limbic System) ও অ্যামিগডালা (Amygdala) দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করে—

▪️আকর্ষণ

▪️উত্তেজনা

▪️আনন্দ অনুভূতি

▪️ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ

ফলে অনুভূতি অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে।


✅ পরে পরিণত হয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র

প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (Prefrontal Cortex)—যা সিদ্ধান্ত, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্ব পরিচালনা করে—সম্পূর্ণ বিকশিত হতে সময় নেয় প্রায় ২৩–২৫ বছর।


👉 তাই কৈশোরে প্রায়ই দেখা যায়—

✔️মুহূর্তের আবেগে সিদ্ধান্ত

✔️ভবিষ্যৎ ফল না ভাবা

✔️সামাজিক চাপের প্রভাব

সহজ ভাষায়:

ইচ্ছা তৈরি হয় আগে, বিচারক্ষমতা আসে পরে।


🛑🛑3️⃣ হরমোন ও নিউরোকেমিক্যাল পরিবর্তন আকর্ষণ ও কৌতূহল বৃদ্ধি করে।


কৈশোরে হরমোন বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের রাসায়নিক বার্তাবাহক (Neurochemicals) দ্রুত পরিবর্তিত হয়।


বিশেষভাবে—

➡️ডোপামিন আনন্দ ও উত্তেজনা বাড়ায়

➡️অক্সিটোসিন ঘনিষ্ঠতার অনুভূতি তৈরি করে

➡️সেরোটোনিন (Serotonin) আবেগের ওঠানামায় প্রভাব ফেলে


🔯 এর ফল

কিশোর-কিশোরীরা অনুভব করতে পারে—

✔️ কাউকে বারবার ভাবা

✔️ মানসিকভাবে কাছে যেতে চাওয়া

✔️ স্বীকৃতি পাওয়ার প্রবল ইচ্ছা

✔️ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়া

এগুলো নৈতিক সমস্যা নয়; এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশগত প্রতিক্রিয়া।


🛑🛑4️⃣ কৈশোরের প্রেম এত তীব্র লাগে কারণ 


মস্তিষ্কের আনন্দ ব্যবস্থা অতিসংবেদনশীল থাকে।

প্রথম আকর্ষণ বা প্রেম জীবনের অন্য সময়ের তুলনায় বেশি গভীর মনে হয়। এর প্রধান কারণ হলো ডোপামিন রিওয়ার্ড সিস্টেম (Reward System)।

এই সময় মস্তিষ্ক নতুন অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত শক্তিশালী পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করে।


ফলে—

✅️একজন মানুষকে কেন্দ্র করে চিন্তা ঘোরে

✅️তার উপস্থিতিতে আনন্দ বৃদ্ধি পায়

✅️বিচ্ছেদ হলে মানসিক ব্যথা হয়

✅️বাস্তবতা তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়

মনস্তাত্ত্বিকভাবে এটি অনেক সময় স্থায়ী ভালোবাসা নয়, বরং নিউরোকেমিক্যাল উত্তেজনার অভিজ্ঞতা।


🛑🛑5️⃣ আত্মপরিচয় গঠনের সময়ে সম্পর্ক মানুষের মানসিক বিকাশকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।


কৈশোর হলো Identity Formation Stage—যখন মানুষ নিজেকে খুঁজে পেতে শুরু করে।


এই সময় গভীর আবেগগত সম্পর্ক তৈরি হলে কয়েকটি বিষয় ঘটতে পারে—

🔴 আবেগগত নির্ভরতা

অক্সিটোসিন bonding তৈরি করে, ফলে সম্পর্ক মানসিক নিরাপত্তার উৎস হয়ে ওঠে।


🔴 আত্মমূল্যবোধের ঝুঁকি

প্রত্যাখ্যান অনেক সময় ব্যক্তিগত অযোগ্যতা হিসেবে অনুভূত হয়।


🔴 পরিচয় বিভ্রান্তি

নিজেকে বোঝার আগেই অন্যের মাধ্যমে নিজের মূল্য নির্ধারণ শুরু হয়।

তাই কৈশোরের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়—পরিচয় গঠনের সাথেও যুক্ত।


🛑🛑6️⃣ প্রকৃতি যৌন আচরণ নয় — আবেগ ও সামাজিক শেখার প্রক্রিয়া শুরু করে।


একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভুল ধারণা হলো—কৈশোরে যৌন অনুভূতি মানেই প্রকৃতি যৌন আচরণ চাইছে।


বাস্তবে প্রকৃতি শুরু করে—

✅️সামাজিক সংযোগ শেখা

✅️আবেগ বোঝা

✅️আকর্ষণ ও সীমারেখা চিনতে শেখা

✅️সম্মান ও পারস্পরিক সম্পর্কের ধারণা তৈরি

অর্থাৎ কৈশোর হলো শেখার সময়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময় নয়। 

মানুষ প্রাণীর মতো শুধুমাত্র প্রবৃত্তিনির্ভর নয়; মানুষ সামাজিক শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পরিণত হয়।


🛑🛑7️⃣ সামাজিক সীমার উদ্দেশ্য দমন নয় — মানসিক ও বিকাশগত সুরক্ষা প্রদান।


অনেক কিশোর মনে করে সমাজের নিয়ম মানেই স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া। আবার অনেক বড়দের ধারণা কঠোর নিয়ন্ত্রণই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 


কিন্তু মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সামাজিক সীমার মূল উদ্দেশ্য শাস্তি নয়, বরং বিকাশকে নিরাপদ রাখা।


কৈশোর এমন একটি সময় যখন—

✅️শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ দক্ষতা গড়ে উঠছে

✅️আত্মপরিচয় তৈরি হচ্ছে

✅️আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখা চলছে

✅️সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি হচ্ছে

এই সময় অতিরিক্ত আবেগগত বা শারীরিক জড়ানো অনেক ক্ষেত্রে মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ মস্তিষ্ক তখনও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জটিলতা সামলানোর জন্য প্রস্তুত নয়।

👉 তাই সীমা তৈরি হয়েছে—

আবেগ দমন করার জন্য নয়

বরং মানসিক পরিণত হওয়ার সময় দেওয়ার জন্য।


🛑🛑8️⃣ কৈশোরে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে কারণ মস্তিষ্ক পুরস্কারকে বিপদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।


কৈশোরে কিশোররা কেন হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেয় বা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে জড়িয়ে পড়ে—এর পেছনে শক্তিশালী নিউরোবায়োলজিক্যাল কারণ রয়েছে।


এই বয়সে—

➡️ডোপামিন সিস্টেম অত্যন্ত সক্রিয়

➡️নতুন অভিজ্ঞতা বেশি উত্তেজনাপূর্ণ লাগে

➡️সামাজিক স্বীকৃতি (peer approval) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে


ফলে Brain অনেক সময় এমনভাবে কাজ করে—

👉 “এখন ভালো লাগছে”

👉 “বন্ধুরা করছে”

👉 “একবার চেষ্টা করলে ক্ষতি কী?”

কারণ আবেগ কেন্দ্র সক্রিয় হলেও ঝুঁকি মূল্যায়ন কেন্দ্র এখনও সম্পূর্ণ শক্তিশালী হয়নি।

এটি বিদ্রোহ নয়; এটি developmental risk-taking behaviour।


🛑🛑9️⃣ ডিজিটাল যুগ কৈশোরের স্বাভাবিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও বিভ্রান্ত করে তুলছে।


বর্তমান প্রজন্মের কৈশোর আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। কারণ এখন বাস্তব অভিজ্ঞতার আগেই কিশোররা ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে।


প্রধান প্রভাবের উৎস—

✔️সোশ্যাল মিডিয়া

✔️ওয়েব সিরিজ

✔️শর্ট ভিডিও কনটেন্ট

✔️পর্নোগ্রাফি

✔️রোমান্টিক আদর্শায়িত সম্পর্ক


🔯 মস্তিষ্কে এর প্রভাব

বারবার উত্তেজনামূলক কনটেন্ট দেখলে Brain দ্রুত ডোপামিন উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।


ফলে তৈরি হয়—

✔️ অবাস্তব সম্পর্ক প্রত্যাশা

✔️ শরীরকেন্দ্রিক আত্মমূল্যায়ন

✔️ দ্রুত ঘনিষ্ঠতার চাপ

✔️ বাস্তব সম্পর্ক নিয়ে হতাশা

Brain তখন সম্পর্ক নয়, উত্তেজনা খুঁজতে শুরু করে।


🛑🛑🔟 নিষেধাজ্ঞা কৌতূহল কমায় না — সচেতন শিক্ষা দায়িত্ববোধ তৈরি করে।


মানব মস্তিষ্কের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো—নিষিদ্ধ বিষয় সম্পর্কে আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়া। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Psychological Reactance।

যখন কিশোর শুনে— “এটা ভাববে না” “এটা জানবে না” তখন Brain সেটিকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।


ফলে ঘটে—

▪️গোপন অনুসন্ধান

▪️ভুল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ

▪️অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত

👉 বাস্তব সত্য: 🚫 ভয়ভিত্তিক নিষেধ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে না

✅ বোঝাপড়া ও শিক্ষা আত্মনিয়ন্ত্রণ তৈরি করে


🛑🛑1️⃣1️⃣ পরিবার ও সমাজের খোলা যোগাযোগ কিশোর মানসিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

গবেষণায় দেখা গেছে, যে পরিবারে সন্তান প্রশ্ন করতে পারে, সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ তুলনামূলক কম দেখা যায়।


কারণ কিশোরের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন—

✔️️নিরাপদ কথোপকথনের জায়গা।

✔️অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা—

✔️বিচার না করে শোনা

✔️ভয় না দেখিয়ে ব্যাখ্যা করা


শরীর ও আবেগ নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করা

সন্তানকে লজ্জা নয়, দায়িত্ব শেখানো মনে রাখবেন যখন পরিবার নিরাপদ মনে হয়, তখন ইন্টারনেট প্রধান শিক্ষক হয়ে ওঠে না।


🛑🛑1️⃣2️⃣ দায়িত্বশীল স্বাধীনতাই স্বাস্থ্যকর কৈশোর বিকাশের মূল পথ।

কৈশোরকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যেমন অসম্ভব, তেমনি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ।

সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো—

✅ সচেতন স্বাধীনতা

✅ আবেগ শিক্ষা

✅ সীমারেখা বোঝা

✅ আত্মসম্মান গঠন

✅ দায়িত্ব শেখা

কারণ মানুষের পূর্ণ পরিপক্বতা তৈরি হয় তিনটি স্তরে—

শরীরের বিকাশ

মস্তিষ্কের পরিণতি

সামাজিক শিক্ষা

এই তিনটি একসাথে না হলে সুস্থ সিদ্ধান্ত সম্ভব হয় না।


1️⃣3️⃣ ডিজিটাল যুগে দ্বন্দ্ব আরও গভীর—কারণ পরিবার নীরব, কিন্তু স্ক্রিন খুব উচ্চস্বরে শেখায়।


আজকের কিশোররা এমন এক সময়ে বড় হচ্ছে, যেখানে তাদের হাতে স্মার্টফোন আছে, কিন্তু মাথায় “সম্পর্ক-শিক্ষা” নেই। 


পরিবার যখন লজ্জা বা নীরবতায় ঢেকে রাখে, তখন সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েব সিরিজ, রিলস, পর্নোগ্রাফি—এসব “অপরিকল্পিত শিক্ষক” হয়ে ওঠে। এর ফলে কিশোর মস্তিষ্ক বাস্তব সম্পর্কের আগে কৃত্রিম উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে।


ডিজিটাল এক্সপোজার থেকে তৈরি হয়—

✔️অবাস্তব প্রত্যাশা (“এটাই প্রেম”, “এভাবেই ঘনিষ্ঠতা”)

✔️শরীরকেন্দ্রিক মানদণ্ড

✔️দ্রুত ঘনিষ্ঠতার চাপ

✔️তুলনা থেকে আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া

সম্পর্ককে “ডোপামিন উত্তেজনা” হিসেবে দেখা (অর্থাৎ শুধু উত্তেজনা খোঁজা)


🛑🛑1️⃣4️⃣ সচেতন শিক্ষা মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়—কারণ এতে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধীরে ধীরে শক্ত হয়।


যখন কিশোরকে শেখানো হয় কীভাবে “না” বলতে হয়, কীভাবে চাপ সামলাতে হয়, কীভাবে আবেগকে চেনা যায়—তখন তার ভেতরের বিচারক্ষমতা (প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স/Prefrontal Cortex) ধীরে ধীরে দক্ষ হতে থাকে। অর্থাৎ শিক্ষা শুধু আচরণ বদলায় না—মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও গড়ে তোলে।


সচেতন শিক্ষা যে দক্ষতাগুলো তৈরি করে—

✅️আবেগকে চিনতে শেখা

✅️তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নেওয়া

✅️সীমারেখা মানা

✅️সম্মতি বুঝে চলা

✅️নিরাপদ আচরণ বেছে নেওয়া


🛑🛑1️⃣5️⃣ অভিভাবকের ভূমিকা: নিষেধ নয়, নিরাপদ পরিবেশ—যেখানে সন্তান প্রশ্ন করতে পারে।


কিশোরদের জন্য সবচেয়ে বড় সুরক্ষা হলো—একটি এমন পরিবার, যেখানে “প্রশ্ন করলে শাস্তি” নয়, বরং “প্রশ্ন করলে ব্যাখ্যা” পাওয়া যায়। কিশোর যদি মনে করে—“আমি কিছু বললে আমাকে খারাপ ভাববে”—তাহলে সে বলবে না; কিন্তু তার প্রশ্ন থামবে না। প্রশ্ন যখন ঘরে উত্তর পায় না, তখন ইন্টারনেটে উত্তর খোঁজে—এটাই মূল ঝুঁকি।


অভিভাবকদের জন্য তিনটি ভিত্তি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

✅ খোলা আলোচনা: বিচারহীন কথা, ভয় দেখানো নয়

✅ বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা: শরীর-মস্তিষ্কের ব্যাখ্যা

✅ আবেগগত নিরাপত্তা: যাতে সন্তান লজ্জা না পায়


🛑🛑1️⃣6️⃣ চূড়ান্ত সত্য: প্রকৃতি অনুভূতি দেয়, সমাজ শেখায় দায়িত্ব—দুটো একসাথে হলেই স্বাস্থ্যকর বিকাশ হয়।


প্রকৃতি কৈশোরে আকর্ষণ, কৌতূহল, আবেগ—এসব শুরু করে। কিন্তু মানুষকে “মানুষ” করে তোলে সমাজের শিক্ষা—সম্মান, সীমারেখা, দায়িত্ব, আবেগ নিয়ন্ত্রণ। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত—দমন নয়, সচেতন বিকাশ। ভয় নয়, শিক্ষা। নিষেধ নয়, দায়িত্বশীল স্বাধীনতা।


শেষ বার্তা:

🔸️অনুভূতি স্বাভাবিক

🔸️কৌতূহল স্বাভাবিক

কিন্তু নির্দেশনা ছাড়া অভিজ্ঞতা ঝুঁকিপূর্ণ। আর ভয় দিয়ে দমন করলে দ্বন্দ্ব আরও বাড়ে


🔯“আমরা কি সত্যিই সন্তানদের রক্ষা করছি, নাকি শুধু অস্বস্তিকর আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছি?”

🔯“অনেক অভিভাবক মনে করেন এসব আলোচনা করলে শিশুরা দ্রুত খারাপ পথে যায়। আপনি কী মনে করেন?”

🔯“কেউ কেউ বলেন যৌন শিক্ষা দিলে কিশোররা বেশি আগ্রহী হয়ে যায় — আপনি কি একমত?”


📌 কৈশোর, সম্পর্ক বিভ্রান্তি, আবেগগত চাপ বা parenting নিয়ে চিন্তিত? এরকম মনস্তাত্ত্বিক তথ্য মুলক ও গবেষণাভিত্তিক লেখা পেতে আমাদের পেজ 👉 Counselling Psychologist ফলো করতে পারেন। আপনার নিজের অভিজ্ঞতা কমেন্ট করে জানান আর ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না কারণ আপনার একটা শেয়ার অন্য অনেকের সমস্যার সমাধানের দরজা খুলে দিতে পারে।


👉 বৈজ্ঞানিক মানসিক গাইডেন্স ও সহায়তার জন্য আমাদের Telegram গ্রুপে যুক্ত হোন। (লিংক কমেন্টে)👇


#কৈশোর_মনস্তত্ত্ব #ParentingAwareness #TeenMentalHealth #RelationshipPsychology #CounsellingPsychologist 

কেউ কথা রাখেনি  ------সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

 কেউ কথা রাখেনি 

------সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর

কাটলো, কেউ কথা রাখেনি।

ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমি তার

আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল,

শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু

শুনিয়ে যাবে।

তারপর কত চন্দ্রভুক অমাবস্যা চলে গেল

কিন্তু সেই বোষ্টুমী আর এল না

পঁচিশ বছর প্রতীক্ষায় আছি।

মামা বাড়ির মাঝি নাদের

আলি বলেছিল,

বড় হও দাদাঠাকুর

তোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল

দেখাতে নিয়ে যাবো

সেখানে পদ্মফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর খেলা করে!

নাদের আলি, আমি আর কত বড় হবো?

আমার মাথা এই ঘরের ছাদ

ফুঁড়ে আকাশ স্পর্শ করলে তারপর

তুমি আমায় তিনপ্রহরের বিল দেখাবে?

একটাও রয়ালগুলি কিনতে পারিনি কখনো

লাঠি-লজেন্স দেখিয়ে দেখিয়ে চুষেছে লস্কর বাড়ির ছেলেরা

ভিখারীর মতন চৌধুরীদের

গেটে দাঁড়িয়ে দেখেছি ভিতরে রাস-উৎসব

অবিরল রঙ্গের ধারার মধ্যে সুবর্ন

কঙ্কনপরা-পরা ফর্সা রমনীরা কত রকম আমোদে হেসেছে,

আমার দিকে তারা ফিরেও চায়নি!

বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন,

দেখিস, একদিন আমরাও....

বাবা এখন অন্ধ, আমাদের

দেখা হয়নি কিছুই

সেই রয়্যালগুলি, সেই লাঠি-লজেন্স, সেই রাস-উৎসব

আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবে না!

বুকের মধ্যে সুগন্ধি রুমাল

রেখে বরুনা বলেছিল,

যেদিন আমায় সত্যিকারের ভালোবাসবে

সেদিন আমার বুকেও এ-রকম আতরের গন্ধ হবে!

ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রান নিয়েছি,

দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়

বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮টি নীলপদ্ম!

তবুও কথা রাখেনি বরুনা,

এখন তার বুকে শুধুই মাংসের গন্ধ

এখনো সে যে-কোনো নারী!

কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর

কাটলো, কেউ কথা রাখে না!

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর খলিলুর রহমানকে সমর্থন করতে কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে সামনে রেখে বিএনপি’র সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু --- উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী।


পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ।


দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিলো সরকার।


ছুটির দিনে রাজধানীতে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা --- শিশুদের জন্য শিশুপ্রহর অনুষ্ঠিত।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার তিনশো ছাড়িয়েছে।  


নেপালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে বালেন্দ্র শাহের রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি।


এবং সিডনীতে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে পাঁচ-শূণ্য গোলে হারালো উত্তর কোরিয়া।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৬-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৬-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোন --- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানে সংলাপ এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ। 

 

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের --- বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ।

 

‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা --- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

 

আসন্ন ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল --- বললেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। 

 

তথ্য প্রযুক্তির যুগে নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে কুয়েতে ‍দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র --- কূটনীতি-ই সংঘাত নিরসনের সর্বোত্তম উপায় --- বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। 

 

এবং মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সাত রানে ইংল্যান্ডকে হারালো ভারত --- ফাইনালে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নির্বাহী আদেশে ১৮ই মার্চ ছুটি ঘোষণা --- শবে কদরসহ ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে ১৭ই মার্চ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত ছুটি --- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে সিদ্ধান্ত।  


বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের --- বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ।


‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা --- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।


আসন্ন ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল --- বললেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।


শিক্ষকদের প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।


তথ্য প্রযুক্তির যুগে নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে --- বললেন তথ্য ওসম্প্রচার মন্ত্রী।


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার মধ্যে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত আট --- আরব উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের তেলবাহি ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা।


এবং মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এখন ইংল্যান্ডের মুখোমুখি স্বাগতিক ভারত।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৫-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৫-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

 


চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামীদের তালিকা তৈরি করে অভিযান পরিচালনা করবে আইনশৃংখলা বাহিনী --- হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

 


শাসক হিসেবে নয়, জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

 


সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্বের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে --- জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 


প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে ৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন।

 


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- মার্কিন সিনেট ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে ব্যর্থ।   

 


নেপালে সাধারণ নির্বাচন আজ।

 


এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড --- দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি স্বাগতিক ভারত।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...