এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ এই মহাবিশ্ব ছাড়াও মহাশূন্যে রয়েছে আরো সাত মহাবিশ্ব! সাম্প্রতিক আধুনিক বিজ্ঞান একটি তত্ত্ব আবিষ্কার করেছে “মাল্টিভার্স বা বহু-মহাবিশ্ব” তত্ত্ব‚ যা ১৪০০ বছর আগে বর্ণিত হওয়া পবিত্র কুরআনের “৭ আসমান” তথ্যের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলে যায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং “স্ট্রিং থিওরি” অনুযায়ী‚ আমাদের এই মহাবিশ্বই শেষ নয়। বরং মহাকাশের বিশালতায় আমাদের মহাবিশ্বের মতো আরও অসংখ্য মহাবিশ্ব থাকতে পারে—ঠিক যেন সাবানের অনেকগুলো বুদবুদ পাশাপাশি ভেসে আছে! এগুলোকে বলা হয় “সমান্তরাল মহাবিশ্ব”। আমাদের এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রগুলো এর একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।


পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা স্পষ্টভাবে “সাত আসমান”-এর কথা উল্লেখ করেছেন। “তিনিই আল্লাহ‚ যিনি সাত আসমান এবং তাদের মত পৃথিবীও (তদনুরূপ সংখ্যায়) সৃষ্টি করেছেন”(সূরা আত-তালাক: ১২)। তাফসীর অনুযায়ী‚ আমরা টেলিস্কোপ দিয়ে যত কোটি কোটি গ্যালাক্সি দেখি‚ সবই প্রথম আসমানের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ বাকি ছয়টি আসমান আমাদের চেনা এই জগতের সীমানার একদম বাইরে‚ যা বিজ্ঞানের মাল্টিভার্স ধারণার মতোই এক বিশাল রহস্য। মাল্টিভার্স তত্ত্বে বিজ্ঞান বলে‚ মহাবিশ্ব বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত হতে পারে; পবিত্র কুরআনও বলছে সাত আসমানের স্তরীভূত গঠনের কথা। মজার বিষয় হচ্ছে‚ মাল্টিভার্সের অন্য জগতগুলো যেমন আমরা দেখতে পাই না‚ তেমনি প্রথম আসমান ছাড়া বাকি আসমানগুলোও আমাদের সাধারণ দৃষ্টিশক্তির বাইরে!এমনকি‚ কুরআনের বর্ণনায় “তদনুরূপ পৃথিবী” থাকার বিষয়টি বিজ্ঞানের সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণাকে দারুণভাবে সমর্থন করে।


মজার বিষয় কি জানেন? বিজ্ঞান যখন কোনো নতুন রহস্য উন্মোচন করে‚ দেখা যায় পবিত্র কুরআন অনেক আগেই সেদিকে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। আমরা বিজ্ঞান দ্বারা এখনো হয়তো সেই রহস্যের মাত্র ৫% জানি (যা এখনো চোখে ধোঁয়াশা)! বাকিটা স্রষ্টার এক অকল্পনীয় বিশাল মহিমা! বিজ্ঞান খুঁজছে‚ সূত্র মিলাচ্ছে‚ হয়তো কিছু পাচ্ছে‚ বাকিসব ধোঁয়াশা। অথচ মহান স্রষ্টা ১৪০০ বছর আগের কিতাবে “থিউরি” লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন “সুবহানাল্লাহ।”

-মোঃ সাইফুল ইসলাম 

#Multiverse #SifulTheShow #IslamAndScience

Magura gazette ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাগুরা শালিখা থানায় পাওনা টাকা নিয়ে ননদ ও ভাবীর লিখিত অভিযোগ, শালিখা ইউনিয়ন পরিষদে আসলে চড় মারা, জুতা ছুড়ে মারা ও মারার জন্য লাঠি খোঁজার অভিযোগ 


মাগুরা প্রতিনিধি : 

মিরা খাতুন (২২), পিং- সেকেন্দার আলী খান, গ্রাম- কাঠালবাড়ীয়া পশ্চিমপাড়া, শালিখা ইউনিয়ন তার স্বামীর বাড়ি সাগর বিশ্বাস, পিতা- মশিয়ার বিশ্বাস, গ্রাম- ছাইবাড়িয়া সুবেদেবনগর, ইউনিয়ন- ধকুলা, বাঘারপাড়া, যশোর। সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা- মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, স্বামী- সোহাগ আলী, গ্রাম- কাঁঠালবাড়ীয়া, তার পিতার বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে। 


মিরা খাতুন, কাঁঠালবাড়ীয়া গ্রামের ছলেমান মোল্লার পুত্র ইয়াছিন মোল্লা গত ৪ বছর পূর্বে ২০২২ সালে ১৫ হাজার টাকা ধার দিয়ে ছিলো। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে ছিলো আর তার চিকিৎসার জন্য এই টাকা দেওয়া হয়, টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিলো ৬ মাস পর। মিরার টাকা গুলো নেওয়া হয়ে ছিলো প্রতি বতরে ধান দিয়ে শোধ করার যার ধান বাবদ ১৫ হাজার টাকা ও আসল টাকা ১৫ হাজার মোট ৩০ হাজার টাকা। 

সোনিয়া খাতুন দেড় বছর পূর্বে ৪ মার্চ ২০২৫ সালে শালিখা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) শুরুশুনা উত্তরপাড়া গ্রাম উন্নয়ন মহিলা সমিতির মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা তুলে ছিলো। এরপর প্রতিবেশী পারভীনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় আর ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয় ইয়াছিনকে। ২০ হাজার টাকা থেকে মাত্র ৭৫০০ টাকা দিয়েছে এখনও ১৪ হাজার ৪০০ শত টাকা পাবে ইয়াছিনের কাছে। 


মিরা খাতুন ও সোনিয়া খাতুন জানান, গতকাল রবিবার ৩ মে সকাল ১০ টার সময় শালিখা ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ড অফিসে যায়। তারপর দীপালি, পারভীন, ইয়াছিন যায় ১ টার সময় পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জিজ্ঞাসা করে মিরার কাছে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে এটা ইয়াছিন অস্বীকার করে। আর সোনিয়া খাতুনের ২০ হাজার টাকার ব্যাপারে ইয়াছিন বলে সে ২ হাজার টাকা, বড় বউ পারভীনা ৪ হাজার টাকা, ছোট বৌ আফরোজা ৮ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছে আর মাত্র ২ হাজার টাকা পাবে। কিন্তু টাকা পাবে সোনিয়া ১৪৪০০ টাকা। আর পারভীনা খাতুনের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর রাউটিং নম্বর 105411257 একটা সই করা সাদা চেক নেয় সোনিয়া খাতুন। মিরা খাতুন ও সোনিয়া আরও জানায় চেয়ারম্যান হুসাইন আলী আমার ডানগালে কসে চড় মেরে দেয় এবং বেয়াদব বলে জুতা ছুড়ে মারে এবং মারার জন্য লাঠি খোঁজে।


প্রতিবেশী শাহিদ মোল্লার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও শেফালী  বেগম জানান, এর আগেও চেয়ারম্যান আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে।


মিরা খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ, শালিখা থানা, মাগুরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র থানায় হাজির হইয়া অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৩। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার খালাতো ভাই, ভাই এর স্ত্রী ও খালা হয়। গত চার বছর পূর্বে ১নং বিবাদী গাছের থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে গেলে বিবাদীরা চিকিৎসার জন্য আমার স্বামী সাগর বিশ্বাস এর নিকট থেকে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা ধার হিসাবে গ্রহণ করে। উক্ত টাকা বিবাদীদের এক মাসের মধ্যে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত চার বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। সনিয়া খাতুন, স্বামী-সোহাগ, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত, মিরা(মিরা খাতুন) তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


সোনিয়া খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ শালিখা থানা মাগুরা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মোছাঃ সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা-মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোঃ ছলেমান মোল্যা (৬০), পিতা-সোনা মোল্যা, ৩। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৪। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার প্রতিবেশী। গত দেড় বছর পূর্বে বিবাদীরা আমার নামে এনজিও থেকে লোনের মাধ্যমে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উঠাই নেয়। উক্ত টাকা বিবাদীদের এনজিওতে কিস্তির মাধ্যমে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত

সোনিয়া (মোছাঃ সোনিয়া খাতুন)

তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


বিবাদী ইয়াছিনদের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায় নি।


এ ব্যাপারে শালিখা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জানান, মিরা খাতুন, সোনিয়া খাতুন, ইয়াছিন সহ বেশ কয়েকজন লোকজন পাওনা টাকা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসে। তবে মিরা খাতুন টাকা পাবে তার কোন প্রমাণ নেই আর সোনিয়া খাতুনও টাকা পাবে। একটা ভুয়া ফটোকপি ব্যাংকের চেক নিয়ে তাতে ৬০ হাজার টাকার অঙ্ক লিখে দেখাচ্ছে। আর আমি মিরা খাতুনের চড় মারেনি ওরা দুজনেই মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলেছে।


Basic News 24

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

পরচা নাকি খতিয়ান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমপ্লায়েন্স অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - বললেন প্রধানমন্ত্রী।


আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে - জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয় বরং এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার - বললেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার জুবাইদা রহমান।


সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


ইউক্রেনের কয়েকটি প্রদেশে রাশিয়ার হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু। 


আইসিসি’র সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠে আসলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ  তারিখ: ০৫-০৫-২০২৬ খ্রি.

 রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ 

তারিখ: ০৫-০৫-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম: 


সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমপ্লায়েন্স অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে - জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের অধিবেশনে দিক নিদের্শনা দিলেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা - সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাইলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। 


বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর।


চীনে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ২৬ জন।


আইসিসি’র সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠে আসলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৫-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৫-০৫-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আজ তৃতীয় দিন - দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন অধিবেশনে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা ও পরামর্শ দিলেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।


 ‘যুক্তিতে গড়ি বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ বেতারে শুরু হলো শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা - বেতার বিতর্কের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হবে - আশা প্রকাশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আবার নীল জামা ও খাকি প্যান্ট হবে পুলিশের ইউনিফর্ম - সাংবাদিকদের বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ১৭ শিশু।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী ঐতিহাসিক বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে বিজেপি।

রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ তারিখ: ০৪-০৫-২০২৬ খ্রি.

 রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ

তারিখ: ০৪-০৫-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম:


বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আজ দ্বিতীয় দিন - বিভিন্ন অধিবেশনে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা ও পরামর্শ দিলেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।


‘যুক্তিতে গড়ি বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ বেতারে শুরু হলো শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা - বেতার বিতর্কের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হবে - আশা প্রকাশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আবার নীল জামা ও খাকি প্যান্ট হবে পুলিশের ইউনিফর্ম - সাংবাদিকদের বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ১৭ শিশু।ভভারতের ৫ রাজ্যে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা - পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে বিজেপি।

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বহুল ব্যবহৃত ২০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

 🍁জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বহুল ব্যবহৃত ২০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো। প্রতিটি ওষুধের কার্যকারিতা এবং লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে বর্ননা দিচ্ছি ~


### ১. একোনাইট (Aconite Napellus)

হঠাৎ কোনো রোগের শুরুতেই এই ওষুধটি জাদুর মতো কাজ করে।

ঠান্ডা বাতাস লেগে জ্বর বা সর্দি হলে এটি প্রথম পছন্দ।

অত্যধিক মৃত্যুভয় এবং অস্থিরতা এই ওষুধের প্রধান লক্ষণ।

গায়ের চামড়া গরম ও শুকনো থাকে কিন্তু প্রচুর পিপাসা থাকে।

অস্থিরতার কারণে রোগী এপাশ-ওপাশ করতে থাকে।

মধ্যরাতে বা সন্ধ্যার পর লক্ষণের বৃদ্ধি ঘটে।

আকস্মিক ভীতি বা আতঙ্কের পর অসুস্থতায় এটি বেশ কার্যকর।

নাড়ি অত্যন্ত দ্রুত এবং শক্ত অনুভূত হয়।

শরীরের যেকোনো জ্বালাপোড়া বা ব্যথায় এটি দ্রুত কাজ করে।

এটি সাধারণত রোগের প্রাথমিক অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

### ২. আর্নিকা (Arnica Montana)

যেকোনো ধরনের আঘাত বা থেঁতলে যাওয়ার জন্য এটি শ্রেষ্ঠ ওষুধ।

পড়ে গিয়ে চোট পাওয়া বা মচকানোর ব্যথায় এটি দারুণ কাজ করে।

রোগী মনে করে তার বিছানা খুব শক্ত এবং ব্যথায় কেউ ছুঁলে বিরক্ত হয়।

শরীরের কোথাও কালশিটে পড়লে এটি দ্রুত রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

অস্ত্রোপচারের পর বা প্রসবের পরবর্তী ব্যথায় এটি দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কারণে শরীর মেজমেজ করলে এটি উপকারী।

মাথায় আঘাত পাওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে গেলে এটি জীবনদায়ী হতে পারে।

হৃৎপিণ্ডের পেশির দুর্বলতা বা হাইপারট্রফিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যথার জায়গাটি কালচে বা নীলচে হয়ে গেলে এটি দ্রুত কাজ দেয়।

এটি বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ—উভয়ভাবেই ব্যবহারযোগ্য।

### ৩. বেলাডোনা (Belladonna)

হঠাৎ প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক জ্বরের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

রোগীর মুখমণ্ডল লাল হয়ে যায় এবং চোখ উজ্জ্বল দেখায়।

শরীরের উত্তাপ এত বেশি থাকে যে হাতে তাপ অনুভূত হয়।

মাথাব্যথা বা যেকোনো ব্যথায় দপদপানি অনুভূত হয়।

রোগী আলোর দিকে তাকাতে পারে না এবং শব্দ সহ্য করতে পারে না।

গলার ব্যথা বা টনসিলের সমস্যায় এটি দ্রুত আরাম দেয়।

প্রবল জ্বরের ঘোরে রোগী প্রলাপ বকতে পারে।

হঠাৎ আসে এবং হঠাৎ চলে যায়—এমন লক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।

শিশুদের দাঁত ওঠার সময়ের জ্বরে এটি খুব ভালো কাজ করে।

শরীরের কোথাও লাল হয়ে ফুলে গেলে এটি প্রদাহ কমায়।

### ৪. আর্সেনিক অ্যাল্ব (Arsenic Album)

পেটের অসুখ বা ফুড পয়জনিংয়ের জন্য এটি একটি আদর্শ ওষুধ।

রোগীর প্রচণ্ড মৃত্যুভয় এবং মানসিক অস্থিরতা থাকে।

অল্প অল্প করে ঘনঘন পানি পান করার প্রবণতা দেখা যায়।

শরীরের যেকোনো নিঃসরণ বা ব্যথায় প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া থাকে।

মাঝরাতের পর লক্ষণের বৃদ্ধি এই ওষুধের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

পচা মাছ, মাংস বা ফল খেয়ে পেট খারাপ হলে এটি কাজ করে।

ঠান্ডা খাবার খেলে পেটে ব্যথা বা বমি শুরু হতে পারে।

রোগী খুব দুর্বল বোধ করে কিন্তু অস্থিরতায় এক জায়গায় বসতে পারে না।

সর্দি বা হাঁপানির টান রাতে বেড়ে গেলে এটি উপকারে আসে।

আর্সেনিক অ্যালবাম শরীরের জীবনীশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

### ৫. রাস টক্স (Rhus Toxicodendron)

বর্ষাকালে বা বৃষ্টিতে ভিজে যদি শরীর ব্যথা হয় তবে এটি মহৌষধ।

রোগী স্থির হয়ে বসে থাকলে ব্যথা বাড়ে কিন্তু হাঁটলে কমে।

হাড়ের সংযোগস্থল বা লিগামেন্টের ব্যথায় এটি খুব কার্যকর।

জিহ্বার অগ্রভাগে লাল ত্রিকোণ চিহ্ন এই ওষুধের চেনার উপায়।

চর্মরোগে যদি ফোস্কা পড়ে এবং প্রচণ্ড চুলকানি থাকে তবে এটি দিন।

শরীরের জড়তা কাটাতে এবং পেশির প্রসারণে এটি সাহায্য করে।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় শরীর খুব শক্ত অনুভূত হয়।

এটি সাইটিকা বা বাতের ব্যথার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় ওষুধ।

গরম সেঁক দিলে রোগী আরাম অনুভব করে।

স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় যেকোনো রোগের বৃদ্ধিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

### ৬. ব্রায়োনিয়া অ্যাল্বা (Bryonia Alba)

শরীরের সামান্য নড়াচড়াতেই যদি রোগের বৃদ্ধি ঘটে তবে এটি দিন।

রোগী চুপচাপ শুয়ে থাকতে চায় এবং নড়লে কষ্ট বাড়ে।

অত্যধিক পিপাসা এবং বড় বড় ঢোক গিলে পানি পান করার ইচ্ছা।

জিহ্বা ও মুখগহ্বর সবসময় শুকনো থাকে।

বুকে ব্যথা বা শুকনো কাশির জন্য এটি দারুণ কাজ করে।

ব্যথার জায়গায় চাপ দিয়ে শুলে রোগী আরাম পায়।

মলত্যাগ খুব কঠিন এবং শুকনো গুটির মতো হয়।

মাথাব্যথা হলে মনে হয় মাথা ফেটে যাবে।

যেকোনো ঝিল্লি বা মেমব্রেনের প্রদাহে এটি খুব কার্যকরী।

ধীরে ধীরে রোগের আক্রমণ ঘটে এমন ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য।

### ৭. নাক্স ভূমিকা (Nux Vomica)

অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অতিরিক্ত ওষুধের কুফল দূর করতে এটি সেরা।

পেট পরিষ্কার না হওয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়।

অল্প অল্প মল ত্যাগের ইচ্ছা কিন্তু বারবার বেগ পাওয়া।

অতিরিক্ত কফি, মদ বা মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তিতে এটি কাজ করে।

রোগী খুব খিটখিটে মেজাজের এবং শীতে কাতর হয়।

খাওয়ার পরপরই পেটে ভারবোধ বা গ্যাস হলে এটি উপকারী।

যেকোনো ধরনের হজম প্রক্রিয়ার গোলযোগে এটি প্রাথমিক ওষুধ।

মানসিক পরিশ্রম যারা বেশি করেন তাদের জন্য এটি খুব ভালো।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেজাজ খারাপ ও অস্বস্তি থাকে।

অনিদ্রাজনিত সমস্যায় এটি রাতে ঘুমের আগে ব্যবহার করা যায়।

### ৮. ইপিকাক (Ipecacuanha)

ক্রমাগত বমি বমি ভাব এবং বমির জন্য এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

বমি হওয়ার পরেও অস্বস্তি বা বমি ভাব দূর হয় না।

জিহ্বা সবসময় পরিষ্কার এবং ভেজা থাকে।

পিপাসাহীনতা এই ওষুধের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ।

গলায় গড়গড় শব্দ হওয়া কাশির ক্ষেত্রে এটি চমৎকার কাজ করে।

শিশুদের বদহজম বা পেটের অসুখে বমি থাকলে এটি দিন।

নাক দিয়ে বা শরীরের যেকোনো ছিদ্র দিয়ে উজ্জ্বল লাল রক্তক্ষরণ।

পেটের কামড়ানি বা আমাশয়ের ব্যথায় এটি বেশ কার্যকর।

বর্ষাকালে সর্দি-কাশির সাথে হাঁপানির টানে এটি দেওয়া হয়।

খাবার দেখলেই বা খাবারের গন্ধে বমি ভাব আসলে এটি কার্যকর।

### ৯. হিপার সালফার (Hepar Sulphur)

শরীরের কোথাও পুঁজ হওয়ার প্রবণতা থাকলে এটি দ্রুত কাজ করে।

রোগী ঠান্ডায় অত্যন্ত কাতর এবং খোলা বাতাস সহ্য করতে পারে না।

যেকোনো ছোট ক্ষত খুব দ্রুত পেকে যায় এবং ব্যথা করে।

ক্ষত স্থান থেকে পুরনো পনিরের মতো দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়।

গলার ব্যথায় মনে হয় যেন কোনো কাঠি ফুটে আছে।

প্রচণ্ড রাগী এবং খিটখিটে স্বভাবের রোগীদের জন্য এটি ভালো।

শরীরের চামড়া সামান্য কিছুতে ফেটে যাওয়ার প্রবণতা থাকে।

ঠান্ডা লাগলে কানে ব্যথা বা টনসিলের ব্যথায় এটি কার্যকর।

হালকা গরম কাপড় জড়িয়ে রাখলে রোগী আরাম বোধ করে।

এটি ফোড়াকে খুব দ্রুত পাকিয়ে দেয় অথবা শুকিয়ে ফেলে।

### ১০. ক্যানথারিস (Cantharis)

আগুনে পুড়ে গেলে বা গরম কিছু দিয়ে ছ্যাঁকা লাগলে এটি জাদুর মতো কাজ করে।

প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া এবং বারবার প্রস্রাবের বেগে এটি সেরা ওষুধ।

পুড়ে যাওয়া স্থানে ফোস্কা পড়া রোধ করতে এটি ব্যবহার করা হয়।

যেকোনো ধরনের জ্বলুনি বা দাহ কমাতে এটি অতুলনীয়।

প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে বা পুঁজ এলে এটি দ্রুত উপশম দেয়।

শরীরের চামড়া পুড়ে গিয়ে জ্বালাপোড়া করলে বাহ্যিকভাবেও লাগানো যায়।

পিপাসা থাকলেও পানি দেখলে বা পান করলে কষ্ট বাড়ে।

কিডনি বা মূত্রথলির প্রদাহে এটি চমৎকার কাজ করে।

পোড়া ব্যথার কারণে রোগী খুব ছটফট করতে থাকে।

সদ্য পুড়ে যাওয়া স্থানে এটি ব্যবহার করলে দাগ হওয়ার ভয় কম থাকে।

### ১১. লেডাম পল (Ledum Palustre)

মশা, মৌমাছি বা যেকোনো পোকামাকড় কামড়ালে এটি প্রাথমিক ওষুধ।

পেরেক বা সুচ ফুটে যাওয়ার ক্ষতে এটি টিটেনাস প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

শরীরের নিচের অংশ থেকে বাতের ব্যথা উপরের দিকে উঠলে এটি দিন।

আঘাতপ্রাপ্ত স্থান ঠান্ডা হয়ে যায় কিন্তু রোগী ঠান্ডা সেঁকেই আরাম পায়।

কালো বা নীল হয়ে যাওয়া চোখের চারদিকের কালশিটে দূর করে।

পায়ের গোড়ালি মচকানো বা হাড়ের ব্যথা সারাতে এটি খুব কার্যকর।

রক্তশূন্যতা এবং দুর্বলতার ক্ষেত্রে এটি উপকারী হতে পারে।

কামড়ানোর জায়গায় যদি তীব্র চুলকানি বা লালচে ভাব থাকে।

পশু-পাখির কামড়ে ইনফেকশন রোধ করতে এটি প্রয়োগ করা হয়।

আঘাতের জায়গা শীতল অনুভূত হওয়া এর প্রধান লক্ষণ।

### ১২. পালসেটিলা (Pulsatilla)

নরম মেজাজের এবং ক্রন্দনশীল রোগীদের জন্য এটি প্রধান ওষুধ।

পিপাসাহীনতা এই ওষুধের সবচেয়ে বড় চেনার উপায়।

খোলা বাতাসে ঘুরলে বা ঠান্ডা লাগালে রোগী ভালো বোধ করে।

তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর বদহজম হলে এটি দিন।

শরীরের যেকোনো নিঃসরণ ঘন, হলদেটে এবং যন্ত্রণাহীন হয়।

মেয়েরদের ঋতুস্রাবজনিত সমস্যায় এটি খুব ভালো কাজ করে।

ব্যথা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘনঘন যাতায়াত করে।

বন্ধ ঘরে থাকলে রোগীর শ্বাসকষ্ট বা অস্বস্তি বাড়ে।

বিকেলে বা সন্ধ্যার পর রোগের বৃদ্ধি ঘটে।

মানসিকভাবে শান্ত প্রকৃতির মানুষের ক্ষেত্রে এটি বেশি কার্যকর।

### ১৩. চায়না (Cinchona/China)

শরীরের তরল পদার্থ ক্ষয়ের কারণে দুর্বলতায় এটি মহৌষধ।

রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়েরিয়ার পর দুর্বলতায় এটি দিন।

পেটে প্রচণ্ড গ্যাস হওয়া এবং পেট ঢোলের মতো ফুলে যাওয়া।

হজমে সমস্যা এবং কোনো খাবারই ঠিকমতো হজম না হওয়া।

মাথা ঘোরে এবং কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া এর লক্ষণ।

সামান্য ছোঁয়া লাগলে ব্যথা বাড়ে কিন্তু জোরে চাপলে ভালো লাগে।

পর্যায়ক্রমে জ্বর আসা বা ম্যালেরিয়া জ্বরের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর।

অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি সাহায্য করে।

শরীর খুব ঠান্ডা হয়ে যায় কিন্তু রোগী বাতাস চায়।

অসুস্থতার পর দ্রুত বল ফিরে পেতে এটি ব্যবহৃত হয়।

### ১৪. স্পঞ্জিয়া (Spongia Tosta)

হঠাৎ দমবন্ধ করা শুকনো কাশির জন্য এটি সেরা ওষুধ।

কাশির শব্দ অনেকটা করাত দিয়ে কাঠ কাটার মতো মনে হয়।

রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে এটি দিন।

গরম খাবার বা পানীয় খেলে কাশিতে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার কারণে শ্বাসকষ্টেও এটি কাজ করে।

গলগণ্ড বা থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়।

বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হয় এবং কফ তোলা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

মাঝরাতের আগে কাশির বৃদ্ধি এই ওষুধের বৈশিষ্ট্য।

কন্ঠনালীতে জ্বালাপোড়া এবং শুষ্কতা অনুভূত হয়।

হাঁপানির টান বা শ্বাসরোধকারী কাশির জন্য এটি ঘরে রাখা জরুরি।

### ১৫. হাইপারিকাম (Hypericum)

স্নায়ু বা নার্ভের যেকোনো আঘাতের জন্য এটি প্রধান ওষুধ।

আঙুলের মাথায় চোট বা দরজায় আঙুল চাপা লাগলে এটি দিন।

মেরুদণ্ডে আঘাত লাগার পর তীব্র ব্যথায় এটি দারুণ কাজ করে।

ছিঁড়ে যাওয়া বা কেটে যাওয়া ক্ষত যেখানে প্রচুর স্নায়ু থাকে।

অস্ত্রোপচারের পর নার্ভের ব্যথা কমাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যথা নিচ থেকে উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে খিঁচুনি রোধ করতে এটি কাজ করে।

দাঁত তোলার পর বা মাড়ির ব্যথায় এটি বেশ কার্যকর।

এটি 'আর্নিকা'র মতো কিন্তু নির্দিষ্টভাবে স্নায়ুর ওপর কাজ করে।

পশু বা পোকামাকড়ের কামড়ে স্নায়বিক যন্ত্রণা কমাতে এটি দিন।

### ১৬. কলোসিন্থ (Colocynthis)

পেটে প্রচণ্ড মোচড়ানো ব্যথার জন্য এটি অসাধারণ ওষুধ।

রোগী ব্যথার সময় পেটের ওপর চাপ দিয়ে বা সামনের দিকে ঝুঁকে থাকে।

রাগের কারণে বা মানসিক ক্ষোভ থেকে পেট খারাপ হলে এটি কাজ করে।

ডান দিকের সাইটিকা বা স্নায়বিক ব্যথায় এটি ব্যবহৃত হয়।

পেটে গ্যাসের কারণে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও কামড়ানি অনুভূত হয়।

গরম সেঁক দিলে বা জোরে চাপ দিলে ব্যথা কমে।

পাকস্থলী এবং অন্ত্রের পেশির খিঁচুনি দূর করতে এটি সাহায্য করে।

আমাশয়ের সময় পেট ব্যথায় এটি দ্রুত আরাম দেয়।

ফলমূল খাওয়ার পর পেট ব্যথায় এটি প্রয়োগ করা হয়।

এই ওষুধের রোগী ব্যথার যন্ত্রণায় খুব অস্থির হয়ে পড়ে।

### ১৭. কফিয়া ক্রুডা (Coffea Cruda)

অতিরিক্ত আনন্দের পর অনিদ্রা হলে এই ওষুধটি কার্যকরী।

মস্তিষ্ক খুব সজাগ থাকে এবং অনেক চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায়।

ইন্দ্রিয়শক্তি অত্যন্ত প্রখর হয়ে যায় এবং সামান্য শব্দে কষ্ট হয়।

দাঁতে ব্যথা যা ঠান্ডা পানি মুখে রাখলে কমে যায়।

অতিরিক্ত কফি পান করার কুফল দূর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

মানসিক উত্তেজনা বা খবরের কারণে স্নায়বিক অস্থিরতা।

ঘুম আসলেও রোগী ঘুমাতে পারে না এমন অবস্থায় এটি দিন।

মাথাব্যথা মনে হয় যেন মাথায় কোনো পেরেক ঠুকছে।

নার্ভের যন্ত্রণায় রোগী পাগলের মতো হয়ে যায়।

শান্ত ও গভীর ঘুম ফিরিয়ে আনতে এটি সহায়তা করে।

### ১৮. ডিজিটালিস (Digitalis)

হৃৎপিণ্ডের ধড়ফড়ানি বা নাড়ির গতি খুব ধীর হলে এটি দেওয়া হয়।

একটু চলাফেরা করলেই মনে হয় হার্ট বন্ধ হয়ে যাবে।

লিভারের সমস্যার কারণে জন্ডিস হলে এটি ভালো কাজ করে।

মল সাদাটে বা মাটির মতো রঙের হলে এটি নির্দেশিত হয়।

বুকে ভারী বোধ এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এর লক্ষণ।

হৃৎপিণ্ডের ভালভের সমস্যায় এটি টনিক হিসেবে কাজ করে।

প্রস্রাব পরিমাণে খুব কম এবং বারবার বেগ পাওয়া।

রোগীর চেহারা নীলচে বা ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে।

ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে রোগী জেগে ওঠে।

এটি ব্যবহারের সময় অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

### ১৯. সাইলেসিয়া (Silicea)

শরীরের ভেতর আটকে থাকা কোনো কাঁটা বা কাঁচ বের করতে এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

পুঁজ বের করা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সারাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

রোগী খুব শীতে কাতর এবং মাথায় সব সময় কাপড় রাখতে চায়।

হাতের তালু এবং পায়ের তলায় অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম হয়।

যেকোনো চর্মরোগ যা সহজে সারতে চায় না তাতে এটি কার্যকর।

শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি ঠিকমতো না হলে এটি দেওয়া হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের এমন অবস্থা যেখানে মল বেরিয়ে আবার ঢুকে যায়।

এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

দাঁতের গোড়ায় পুঁজ বা ফোড়া হলে এটি দ্রুত কাজ করে।

ধীরস্থীর কিন্তু জেদী স্বভাবের রোগীদের জন্য এটি উপযোগী।

### ২০. ইউফ্রেসিয়া (Euphrasia)

চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখের প্রদাহে এটি মহৌষধ।

চোখ লাল হয়ে যায় এবং জ্বালাপোড়া করে।

চোখের সাথে নাক দিয়ে সর্দি ঝরে কিন্তু নাকের সর্দি ত্বকে ক্ষত করে না।

চোখ থেকে যে জলীয় পদার্থ বের হয় তা ঘন এবং ঝাজালো হয়।

আলোর দিকে তাকালে চোখে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও পানি আসা।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা আঠা দিয়ে লেগে থাকা।

এটি সর্দি-কাশির সাথে চোখ জ্বলার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে।

চোখে বাইরের কিছু পড়লে বা আঘাত লাগলে এটি ব্যবহৃত হয়।

শিশুদের চোখ ওঠার সমস্যায় এটি নিরাপদ ও কার্যকর।

বাহ্যিকভাবে চোখ ধোয়ার জন্য এর লোশন ব্যবহার করা যায়।

🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে। 

 নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

৫০ টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নিজস্ব কথা।

 ৫০ টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নিজস্ব কথা।


🛑 Aconit Nap (একোনাইট ন্যাপ)  (১) আকস্মিকতা ও ভীষণতা । (২) মৃত্যুভয় ও অস্থিরতা । (৩) পিপাসা ও জ্বালা । (৪) প্রচন্ড শীত বা প্রচন্ড গরমের প্রকোপ ।


🛑 Acid Nitric (এসিড নাইট্রিক)ঃ- (১) স্রাবে দূর্গন্ধ, বিশেষতঃ প্রস্রাবে । (২) শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ও চর্মের সন্ধিস্থলে ক্ষত বা ফেঁটে যাওয়া। (৩) কাটা ফোঁটার মত ব্যথা। (৪) গাড়ীতে চড়ে বেড়ালে উপশম, দুধে বৃদ্ধি।


🛑  Acid Phos (এসিড ফস): (১) অবসাদ বা অবসন্নতা। (২) দুধের মত সাদা প্রস্রাব বা ঘন ঘন প্রচুর প্রস্রাব। (৩) উদরাময়ে উপশম এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ু নিঃসারণ। (৪) সম্পূর্ণ তন্দ্রাচ্ছন্নভাব বা উদাসভাব।


🛑 Agnus cast (এগনাস ক্যাস্ট): (১) অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় সেবাজনিত ধাতু'দৌর্বল্য। (২) অতিরিক্ত হস্ত'/মৈথুন বা পুনঃপুনঃ গণোরিয়া বশতঃ ধব্জ/ভঙ্গ দোষ। (৩) আত্মহ/ত্যার ইচ্ছা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা । (৪) প্রসূতির স্তনে দুধের অভাব। নিদারুন বিষন্নতা।


🛑 Allium cepa (এলিয়াম সিপা): (১) নাসিকা হতে ক্ষতকর শ্লেষ্মাস্রাব। (২) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চার । (৩) কানে কটকটানি, পায়ে ঠান্ডা লেগে কষ্টকর প্রস্রাব । (৪) অস্ত্রপচারের পর স্নায়ুশূল, প্রসবের পর স্নায়ুশূল।


🛑 Antim crud (এন্টিম ক্রুড): (১) স্থুলদেহ এবং জিহ্বার উপর সাদা পুরু লেপ। (২) আহারে অরুচি এবং আহারের পর বমি। (৩) বিরক্তি, বিষন্নতা, ক্রোধ ও ক্রন্দন। (৪) গোসল সহ্য হয় না। গোসলে ভয়।


🛑 Apis Mel (এপিস মেল): (১) মূত্র স্বল্পতা ও মুত্রকষ্ট। (২) জ্বালা ও ফোলা, চোখের নিম্নপাতা ফোলা। (৩) স্পর্শকাতরতা ও গরমকাতরতা। (৪) সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা। পিপাসাহীনতা।


🛑 Aralia Race (এরালিয়া রেসি): (১) হাঁপানী যুক্ত শ্বাসকাশ, শয়নে বাড়ে। বর্ষাকালে সর্দি শুকিয়ে কাশি হলে । (২) দূর্গন্ধ যুক্ত সাদাস্রাব, পানির মত। (৩) অর্শ, গুহ্যদ্বারের স্থানচ্যুতি। (৪) রোগী সহজে প্রশ্বাস ত্যাগ করতে পারে, কিন্তু নিশ্বাস গ্রহনের সময়ে তার কষ্ট হয়।


🛑 Arnica Mont (আর্নিকা মন্ট): (১) বেদনা, আঘাত জনিত বেদনা এবং রোগজনিত বেদনা। যে কোন বেদনা। (২) স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা। (৩) বিছানা শক্ত মনে হয় কিন্তু অন্যান্য কষ্ট সম্বন্ধে বলে সে ভাল আছে। (৪) সজ্ঞানে প্রলাপ ও আতঙ্ক।


🛑 Arsenic Alb (আর্সেনিক এল্ব): (১) নিদারুণ দুর্বলতা, অস্থিরতা ও মৃত্যু ভয়। (২) মধ্যদিবা বা মধ্যরাতে বৃদ্ধি কিংবা মধ্যদিবা এবং মধ্যরাতে বৃদ্ধি। (৩) প্রবল পিপাসা সত্ত্বেও ক্ষণে ক্ষণে স্বল্প পানি পান এবং পানি পান মাত্রই বমি। (৪) জ্বালা ও দুর্গন্ধ।


🛑 Bacillinum (ব্যাসিলিনাম): (১) বংশগত ক্ষয়দোষ এবং উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) রোগ ও রোগীর পরিবর্তনশীলতা। (৩) অল্পে ঠান্ডালাগা এবং গ্রন্থির বিবৃদ্ধি। (৪) দুর্বলতা ও বাঁচালতা।


🛑 Belladona (বেলাডোনা): (১) উত্তাপ ও আরক্তিমতা। (২) জ্বালা ও স্পর্শকাতরতা। (৩) আকস্মিকতা ও ভীষণতা। (৪) ব্যথা হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়।


🛑 Bryonia Alb (ব্র্রায়োনিয়া এ্ল্ব): (১) নড়াচড়ায় বৃদ্ধি এবং চুপ করে পড়ে থাকলে উপশম। (২) শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির শুষ্কতা। (৩) আক্রা'ন্তস্থান বা বেদনা যুক্ত স্থান চেপে ধরলে উপশম। (৪) ক্রুদ্ধভাব এবং ক্রুদ্ধ হবার ফলে অসুস্থতা।


🛑 Calc Carb (ক্যাল্কে-কার্ব): (১) দেহের স্থুলতা শিথিলতা ও শ্লেষ্মা প্রবণতা। (২) ভীরুতা ও ভ্রান্তধারণা। (৩) মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায় ও অল্পে ঠান্ডা লাগে। (৪) ডিম খাবার প্রবল ইচ্ছা কিন্তু দুধ সহ্য করতে পারে না।


🛑 Calc Fluor (ক্যাল্কে-ফ্লোর): (১) গ্রন্থির বৃদ্ধি, গ্রন্থি প্রদাহ, অস্থিক্ষত, ক্ষত পেকে পুঁজ যুক্ত হয়ে উঠে। (২) অর্শ হতে রক্তপাত, মুখদিয়ে রক্তউঠা, চক্ষে ছানি। (৩) শীত কাতর, প্রথম চলতে আরম্ভ করলে বৃদ্ধি ও কিছুক্ষণ চলার পর হ্রাস। (৪) নাসিকার অস্থি আক্রান্ত, জরায়ুর স্থানচুতি, গরমে উপশম, নড়াচড়ায় উপশম।


🛑 Carbo Veg (কার্ব্বোভেজ): (১) স্বাস্থ্যহানীর অতীত কাহিনী। (২) হিমাঙ্গ অবস্থায় ঘর্ম ও বাতাসের জন্য ব্যাকুলতা। (৩) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ুসঞ্চয় ও উদগারে উপশম। (৪) জ্বালা ও রক্তস্রাব।


🛑  Carcinosin (কারসিনোসিন): (১) রোগীতে ক্যান্সারের ইতিবৃত্তি প্রাপ্ত হলে কার্সিনোসিন সুফল প্রদান করে। (২) তীব্র বেদনা ও গ্রন্থির কাঠিন্যযুক্ত স্তনের ক্যান্সার। (৩) জরায়ুর ক্যান্সারে দূর্গন্ধ স্রাব ও বেদনা থাকে। (৪) অগ্নিমান্দ্য, আমাশয় ও অন্ত্রে বায়ুজমে। (৫) ক্যান্সার জনিত ধাতু বিকৃতি বশতঃ আমবাত।


🛑 Causticum (কষ্টিকাম): (১) একাঙ্গিন পক্ষাঘাত বিশেষতঃ দক্ষিণ অঙ্গের বাত বা পক্ষাঘাত। (২) আশঙ্কা ও শীতকাতরতা। (৩) নিদ্রাকালে অস্থিরতা। (৪) না দাঁড়ালে মলত্যাগে অসুবিধা। (৫) সঙ্গমের পর মূত্রত্যাগ কালে মূত্রনালীতে জ্বালা। (৬) বর্ষা ও বৃষ্টির দিনে ভাল থাকে।


🛑 China off (চায়না অফ): (১) অধিক স্তন্যদান, অত্যধিক ভেদ, বীর্যক্ষয় বা রক্তক্ষয় জনিত অসুস্থতা। (২) শোথ ও পেট ফাঁপা, হজম শক্তির অভাব। (৩) নির্দিষ্ট সময়ে বা নিয়মিতভাবে রোগাক্রমণ। (৪) রক্তস্রাব প্রবণতা ও রক্তস্রাবের সাথে আক্ষেপ।


🛑 Cimicifuga/Actaea Race (সিমিসিফিউগা/একটিয়া রেসি): (১) ঋতুস্রাবের সঙ্গে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। (২) পর্যায়ক্রমে শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ। (৩) ডিম্বকোষের বা জরায়ুর দোষে শ্বাসকষ্ট বা হৃদস্পন্দন। (৪) যারা আঙ্গুলের কাজ করে তাদের পিঠে ব্যথা।


🛑 Dulcamara (ডালকামারা): (১) শরৎকালীন অসুস্থতা। (২) ঠান্ডা লেগে প্রস্রাবের বেগ বা শ্লেষ্মার প্রকোপ। (৩) উত্তাপে উপশম ও অস্থিরতায় উপশম। (৪) ঘর্ম বা চর্মরোগ চাপা দেওয়ার কুফল।


🛑 Graphites (গ্রাফাইটিস): (১) স্থুলতা ও কোষ্টবদ্ধতা। (২) ফাঁটা চর্ম ও চটচটে রস। (৩) শঙ্কা ও সতর্কতা। (৪) মাছ, মাংস, সঙ্গীত ও সঙ্গমে অনিচ্ছা।


🛑 Hepar Sulph (হিপার সালফ): (১) শীতার্ততা ও স্পর্শকাতরতা। (২) ক্ষিপ্রতা হঠকারীতা। (৩) টক ঝাল প্রভৃতি উগ্রদ্রব্য খেতে ইচ্ছা। (৪) কাটা ফোটার মত ব্যথা।


🛑 Kali bichrom (ক্যালি বাইক্রোম): (১) পর্যায়ক্রমে বাত ও শ্লেষ্মার প্রকোপ। (২) সুতার মত লম্বা শ্লেষ্মাস্রাব। (৩) নির্দিষ্ট দিনে বা নির্দিষ্ট সময়ে বৃদ্ধি। (৪) ভ্রমণশীল বেদনা।


🛑 Kalmia Lat (ক্যালমিয়া লেট): (১) ব্যথা নিম্নগামি কিন্তু বাতবেদনা ক্রমশ হৃৎপিণ্ড আক্রমণ করে, বামপার্শ্বে শুইতে অক্ষম। (২) স্বল্পমূত্র, শোথ, নাড়ীর গতি মন্দ। (৩) সঞ্চালনে বৃদ্ধি কিন্তু উত্তাপ প্রয়োগে বা ঠাণ্ডায় উপশম হয়না। (৪) গর্ভাবস্থায় মূত্রস্বল্পতা সহিত দৃষ্টি-বিভ্রম বা চক্ষশূল, যন্ত্রণা- সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।


🛑 Lachesis (ল্যাকেসিস): (১) নিদ্রায় বৃদ্ধি। (২) ঈর্ষা, স্পর্শকাতরতা ও বাচালতা। (৩) বাম অঙ্গে রোগাক্রমণ বা প্রথমে বামদিকে পরে ডান দিকে। (৪) নির্গমণে নিবৃত্তি।


🛑 Ledum Pal (লিডামপাল): (১) ঠান্ডা পানিতে বেদনার উপশম। (২) নিম্নাঙ্গে রোগাক্রমণ বা প্রথমে নিম্নাঙ্গে ও পরে উর্ধ্বাঙ্গে। (৩) শোথ। (৪) স্নায়ু কেন্দ্র আঘাত।


🛑 Lobelia Erinus (লোবেলিয়া ইরিনাস): (১) ক্যান্সারজনিত চর্মের অস্বাভাবিক বিবৃদ্ধি ও শুষ্কতা। (২) মুখমন্ডলের এপিথেলিওমা ও আঙুলসমূহে উদ্ভেদ। (৩) পেটের ভিতর বা মস্তিষ্কের টিউমার। (৪) ওমেনটাম বা অন্ত্রপ্লাবকের ক্যান্সার।


🛑 Lycopodium (লাইকোপডিয়াম): (১) ডানে অঙ্গে রোগাক্রমন বা প্রথমে ডান অঙ্গে ও পরে বাম অঙ্গে আক্রমণ। (২) গরম খাবারে স্পৃহা ও বায়ুর প্রকোপ। (৩) ভীরুতা, কৃপণতা ও নিঃসঙ্গপ্রিয়তা। (৪) অল্প খেয়ে ক্ষুধা মিটে যায়। সকল ক্ষেত্রে অম্লস্বাদ। (৫) তলপেটে বায়ু জমে উর্দ্ধভাগশীর্ণ নিম্নাংশ স্থূল।


🛑 Medorrhinum (মেডোরিনাম): (১) বংশগত প্রমেহ দোষ ও উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। ২। জ্বালা , ব্যথা, স্পর্শকাতরতা। ৩। ব্যস্ততা ও ক্রন্দণশীলতা। ৪। স্নায়ুবিক দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা ও মৃত্যু ভয়।


🛑 Merc sol (মার্কসল): (১) অতিরিক্ত ঘর্ম, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ ও অতিরিক্ত পিপাসা। (২) জিহ্বা পুরু ও দাঁতের ছাপ যুক্ত। (৩) দুর্গন্ধ ও ডান পার্শ্বে চেপে শুতে অসুবিধা।(৪) রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, ঘর্মাবস্থায় বৃদ্ধি।


🛑 Mezereum (মেজেরিয়াম): (১) উদ্ভেদ বা একজিমা হতে প্রচুর রস নিঃসরণ। (২) টিকাজনিত কুফল ত্বক বা চর্ম রোগ চাপা দেয়ার কুফল। (৩) রাত্রে বৃদ্ধি।(৪) অত্যন্ত রাগী কিন্তু পরক্ষণেই অনুতপ্ত, উম্মাদ।


🛑 Nux Vomica (নাক্স ভূমিকা): (১) অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম বা অতিরিক্ত ইন্দ্রিয়সেবা কিংবা অতিরিক্ত রাত জাগরণ জনিত অসুস্থতা। (২) বারম্বার মলত্যাগের ব্যর্থ প্রয়াস এবং মলত্যাগের পর উপশম বোধ। (৩) জিদ বা মনের দৃঢ়তা, ঈর্ষা ও হঠকারিতা । (৪) শীতকাতরতা, স্পর্শকাতরতা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা|


🛑 Phosphorus (ফসফরাস): (১) তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, লম্বা, পাতলা একহারা চেহারা। (২) রক্তস্রাবের প্রবণতা। (৩) বামপার্শ্ব ও চেপে শুতে পারে না। (৪) রাক্ষুসে ক্ষুধা, জ্বালা ও শুন্যবোধ।


🛑 Phytolacca (ফাইটোলাক্কা): (১) স্তন ও স্তনের যে কোন প্রদাহে। (২) রাতে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি। (৩) স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা। (৪) দাঁতে দাঁতে বা মাঢ়িতে মাঢ়িতে চেপে ধরতে ইচ্ছা।


🛑 Psorinum (সোরিনাম) (১) ধাতুগত বা বংশগত সোরাদোষের উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) উদ্বেগ, আতঙ্ক ও নৈরাশ্য। (৩) প্রবল ক্ষুধা ও অত্যধিক দুর্গন্ধ। (৪) দুর্বলতা ও শীতার্ততা।


🛑 Pulsatilla (পালসেটিলা): (১) পরিবর্তনশীলতা। (২) নম্রতা ও ক্রন্দনশীলতা । (৩) তৃষ্ণাহীনতা। (৪) গরমে বৃদ্ধি ও গাত্র সর্বদা উত্তপ্ত।


🛑 Rhus Tox (রাসটক্স): (১) বর্ষায় বৃদ্ধি ও বিশ্রামে বৃদ্ধি। (২) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কামড়ানি ও অস্থিরতা। (৩) অস্থিরতায় উপশম, উত্তাপে উপশম। (৪) জিহ্বার অগ্রভাগ ত্রিকোণ লাল বর্ণ ও জ্বরের শীত অবস্থায় কাশি।


🛑 Ruta grav (রুটা গ্র্যাভ): (১) সন্ধিস্থানের অস্থিচ্যুতি বা সন্ধিস্থান মচকে যাওয়া। (২) কটি ব্যথা ও মলদ্বারের শিথিলতা। (৩) স্ত্রী জন'নেন্দ্রিয়ে চুলকানির সঙ্গে বাম স্তনে ব্যথা। (৪) চক্ষু জ্বালা ও দৃষ্টি বিপর্যয়।


🛑 Selenium (সেলেনিয়াম): (১) অতিরিক্ত শুক্র'ক্ষয় বা অতিদীর্ঘ রোগ ভোগের পর দেহ ও মনের অবসাদ। (২) মলত্যা'গকালে শুক্রক্ষরণ। (৩) কামভাবের প্রাবল্য ও শুক্রতারল্য। (৪) স্বরভঙ্গ ও কোষ্ঠকাঠিন্য।


🛑 Senecio (সেনেসিও): (১) ঋতুস্রাবের পরিবর্তে রক্তকাশ। (২) রক্তস্রাব জনিত শোথ। (৩) স্বল্প রজঃরোগে উহা বর্ধিত করে ও অতিরিক্ত রজঃস্রাবে হ্রাসপ্রাপ্ত এবং কষ্ট রজঃরোগের যন্ত্রণা উপশমিত হয়। (৪) রজঃস্রাবের পরিবর্তে অথবা মূত্রদোষ সহ শ্বেতপ্রদর।


🛑 Sepia off (সিপিয়া অফ): (১) বিষন্নতা, ক্রন্দণশীলতা ও উদাসীনতা। (২) অতিরিক্ত রক্তক্ষয় বা অতিরিক্ত স্বামী সহবাস কিম্বা অতিরিক্ত গর্ভধারণ জনিত জরায়ুর শিথিলতা। (৩) উদরে শূন্যবোধ, মলদ্বারে পূর্ণবোধ। (৪) পরিশ্রমে উপশম এবং স্নানে অনিচ্ছা।


🛑 Silicea (সাইলেসিয়া): (১) দৃঢ়তার অভাব ও শীতার্ততা, কোষ্ঠবদ্ধতা। (২) মাথার এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম বা বাধাপ্রাপ্ত ঘামের কুফল। (৩) উত্তাপে উপশম এবং অমাবস্যায় ও পূর্ণিমায় বৃদ্ধি। (৪) টিকাজনিত কুফল।


🛑 Spigelia (স্পাইজেলিয়া): (১) স্নায়ুশূল নড়াচড়ায় বৃদ্ধি। (২) বামদিকে রোগাক্রমণ। (৩) বর্ষায় বা জলো হাওয়ায় বৃদ্ধি।


🛑 Staphisagria (স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া): (১) কামভাবের প্রাবল্য এবং তাহার কুফল। (২) অতিরিক্ত ক্রোধ এবং তাহার কুফল। (৩) স'ঙ্গম বা সহবাসজনিত মূত্র'কষ্ট বা শ্বাসকষ্ট। (৪) চক্ষে অঞ্জনি ও দাঁতে পোকা, অতিরিক্ত হস্তমৈ'থুন। (৫) অস্ত্রপচারের কুফল, যৌন বিষয় সম্বন্ধে অনবরত চর্চা করে থাকে।


🛑 Sulphur (সালফার): (১) অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতা। (২) প্রাতঃকালে মলত্যাগ ও মধ্যাহ্নক্ষুধা। (৩) স্নানে অনিচ্ছা, দুগ্ধে অরুচি। (৪) ব্রহ্মতালূ হাতের তালূ ও পায়ের তলায় উত্তাপ বা জ্বালা। (৫) সকল রন্দ্রপথ লাল।


🛑 Syphilinum (সিফিলিনাম): (১) বংশগত উপদংশ বা উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) রাত্রে বৃদ্ধি, অনিদ্রা ও অক্ষুধা। (৩) খর্বতা ও পক্ষাঘাত। (৪) ক্ষত ও দুর্গন্ধ।


🛑 Thuja Occi (থুজা অক্সি): (১) আঁচিল, অর্বুদ ও রক্তহীনতা। (২) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি এবং রাত ৩টায় বৃদ্ধি। (৩) বদ্ধমূল ধারনা ও স্বপ্নবহুল নিদ্রা। (৪) টিকা ও বসন্ত-এর পর যে কোন উপসর্গ।


🛑 Tuberculinum (টিউবারকুলিনাম): (১) সবিরাম জ্বর। (২) ক্ষীণদেহ, রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা। (৩) উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত যক্ষ্মাসম্ভব অবস্থার প্রবণতা ও সহজেই রোগাক্রমন। (৪) রাত্রিকালে কষ্টদাযক ও সদাস্থায়ী চিন্তা।


🛑  Uranium Nitric (ইউরেনিয়াম নাইট্রিক): (১) ডায়াবেটিস মেলিটাস, শর্করাযুক্ত বহুমুত্রজনিত পিপাসা ও ক্ষুধা, শরীর শুকাইয়া যাওয়া। (২) ধ্বজভঙ্গ, ঋতুরোধ। (৩) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু, উদগার। (৪) শোথ, উদরী, নেফ্রাইটিস ও উচ্চরক্তচাপ। 


#homeopathy  #homeopathic #মেডিসিন #হোমিওপ্যাথিক #হোমিওপ্যাথিক_ঔষধের_নিজস্ব_কথা

আজীবন YouTube Premium ফ্রী

 আজীবন YouTube Premium ফ্রী 😱 ১০০% সব প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহার করুন ১ পয়সাও না খরচা করে! কোনো এডস আসবে না!


আপনি যদি এখনও YouTube Premium এর জন্য টাকা দেন… তাহলে আপনি একটা বড় ভুল করছেন! 😳

কারণ আজ আমি দেখাবো এমন একটা ট্রিক, যেটা দিয়ে আপনি প্রায় আজীবন ফ্রীতে Premium ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন… এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে ৯০% মানুষ এটা জানেই না! আমার টেলিগ্রাম গ্রুপে হাজার হাজার মানুষ প্রত্যেকদিন ইউটিউব প্রিমিয়াম খুঁজে বেড়াচ্ছে 😰


YouTube Vanced বন্ধ হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিল—এইটাই শেষ! কিন্তু না… নতুন নতুন সলিউশন আসতেই থাকছে। Revanced এখনো কাজ করছে ঠিকই, কিন্তু আজ আমি এমন একটা নতুন টেকনিক দেখাবো যেটা আরও সহজ, ঝামেলা কম, আর কাজও করছে দারুণভাবে।


এই প্রজেক্টটার নাম YouTube Morphe। মজার ব্যাপার হলো, এখানে আপনি সরাসরি অফিসিয়াল YouTube বা YouTube Music এর APK ফাইল প্যাচ করে নিতে পারবেন। 


মানে আলাদা করে কোনো মডেড অ্যাপ খুঁজতে হবে না, নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন আপনার Premium ভার্সন!


👉 সেটআপ একদম সহজ। 


প্রথমে Morphe[dot]software ওয়েবসাইট থেকে YouTube Morphe APK ডাউনলোড করে নিন। অ্যাপটি ওপেন করলেই প্রথম স্ক্রিনে জিজ্ঞেস করবে, আপনি YouTube নাকি YouTube Music প্যাচ করতে চান।


আপনি যদি YouTube সিলেক্ট করেন, তাহলে এটা আপনাকে সরাসরি APKMirror-এ নিয়ে যাবে, যেখানে অফিসিয়াল APK ডাউনলোড করতে পারবেন। APK ডাউনলোড হয়ে গেলে আবার Morphe অ্যাপে ফিরে আসুন।


এবার ফাইল ম্যানেজার থেকে সেই ডাউনলোড করা APK ফাইলটি সিলেক্ট করে দিন। ব্যাস! Morphe নিজেই প্যাচিং শুরু করে দেবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার অফিসিয়াল YouTube অ্যাপটি প্যাচড হয়ে যাবে!!


🔥 তারপর নরমাল অ্যাপের মতো ইন্সটল করলেই সব রেডি! অ্যাডস বাইপাস, ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে, PiP মোড—সব Premium ফিচার একদম আনলকড।


Morphe আপনাকে MicroG ইন্সটল করতেও বলবে, যাতে লগইনসহ সবকিছু ঠিকভাবে কাজ করে, এটাও খুব সহজ।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, এই প্রজেক্টটা সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, তাই সিকিউরিটি নিয়ে খুব একটা চিন্তা করার দরকার নেই। 


আর এটা আপনার অরিজিনাল YouTube অ্যাপকে রিপ্লেস করে না, দুইটা আলাদা অ্যাপ হিসেবেই থাকবে। মানে একদিকে আপনার অফিসিয়াল অ্যাপ, আরেকদিকে প্যাচড ভার্সন, দুটোই একসাথে ইউজ করতে পারবেন। 


Morphe আলাদা আইকন আর নামে শো করবে, চাইলে আপনি নিজের মতো করে নামও চেঞ্জ করতে পারবেন।


শেষ কথা একটা... Android এর আসল মজা এখানেই… একটা দরজা বন্ধ হলে, নতুন ১০টা দরজা খুলে যায় 😄


#youtubepremium #youtubemorphe #BanglaTech

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহিদ...