এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

দেশেই তৈরি হচ্ছে ন্যানো সার

 এক বিঘা জমি চাষে ৪২০০ টাকার ইউরিয়া দরকার হয়। ৯০ টাকা প্রতি বস্তা দরে তা বিদেশ থেকে আমদানি করে সরকার। সেখানে ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তৈরি হবে দেশেই।


কোনো বস্তুকে ক্ষুদ্র আকারে তৈরি করাকে বলে ন্যানো প্রযুক্তি। ইউরিয়া সারের অণুগুলোকে অতি ক্ষুদ্র আকারে তৈরি করলে সেটি হয় ন্যানো ইউরিয়া। গাছের পাতার ছোট ছোট ছিদ্রকে বলে স্টোমাটা। এই ছিদ্র দিয়ে ন্যানো ইউরিয়া দ্রুত ঢুকতে পারে। পরিমাণ কম, কাজ বেশি।


সাধারণ ইউরিয়ার ৩০-৭০% বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। বাষ্পীভূত হয়েও নষ্ট হয় ব্যপক। কিন্তু ন্যানো ইউরিয়ায় এই সমস্যাটি নেই। গাছে দ্রুত নাইট্রোজেন সরবরাহেও ন্যানো ইউরিয়া এগিয়ে।


ন্যানো ইউরিয়া নিয়ে এর আগেও বহু কাজ হয়েছে। কিন্তু প্রচলিত হয়নি তেমন। সম্প্রতি বাংলাদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে বসেই ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান। সাত বছর গবেষণার ফল এই সার। উল্লেখ্য, তিনি ন্যানো ইউরিয়ার উদ্ভাবক নন।


ইতোমধ্যেই ড. জাভেদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জৈব সার কোম্পানি। একসাথে কাজ করতে চান তারা। 'কোলা বায়ো' নামের একটা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিও সাক্ষর করেছেন ড. জাভেদ। আগামী পাঁচ বছর যৌথভাবে রিসার্চ ও ডেভলপমেন্ট (R&D) চালাবেন তাঁরা। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।


#nanotechnology 

©bigyanpriyo

কোন মন্তব্য নেই:

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...