এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

সনাতমী ব্রাহ্মণ্দের সাম্প্রতিকার দৃষ্টান্ত,,,,. "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত" 🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে? 'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা। তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো। গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া। পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। লেখকঃ ✍️জগদীশ রায় সৌঃ Jhumuir Halder সংগৃহীতঃ https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/

.          "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত"



🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? 

আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে?

'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? 

যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা।


তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? 

না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? 

আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো।


গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।


পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা।


.          "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত"


🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? 

আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে?

'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? 

যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা।


তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? 

না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? 

আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো।


গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।


পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা।


লেখকঃ

✍️জগদীশ রায়

সৌঃ Jhumuir Halder


সংগৃহীতঃ

https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/


সংগৃহীতঃ

https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...