এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

কোমার পরে কি ঘটে

 ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি মাসে মাত্র ১২ বছরের কিশোর মার্টিন স্কুল থেকে ফিরে এসে জানায় তার গলায় সামান্য ব্যথা। কে জানত, এই সামান্য সোর থ্রোট তার জীবন চিরতরে বদলে দেবে? এক মাসের মধ্যে মার্টিন তার শরীরের ওপর সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। স্মৃতিশক্তি চলে যায়, কথা বলার ক্ষমতা হারায় এবং এক পর্যায়ে সে গভীর কোমায় চলে যায়।


মার্টিনকে বাঁচানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। চিকিৎসকরা তার বাবা-মাকে বলেন, সে এখন কেবল একটি ‘জীবন্ত লাশ’ (Living Dead Body)। তাকে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসায় সুস্থ করা সম্ভব নয়। এখন কেবল কোনো অলৌকিক ক্ষমতাই তাকে বাঁচাতে পারে।


মার্টিন যখন কোমায় ছিল, তার কয়েক বছর পর হঠাৎ তার চেতনা (Consciousness) ফিরে আসে। সে তখন পূর্ণ সচেতন! সে তার বাবা-মায়ের কথা শুনত, তার চারপাশের মানুষের আচরণ দেখত। কিন্তু তার শরীর পাথরের মতো স্থির হয়ে ছিল। সে ছিল তার নিজের দেহের ভেতরেই এক ‘অদৃশ্য ভূত’ (Ghost Boy)।


সবচেয়ে কষ্টের বিষয় ছিল, মার্টিন তার মায়ের কান্নার আওয়াজ পেতেন। একবার তার মা হতাশ হয়ে মার্টিনের সামনেই বলে ফেলেছিলেন, “আহা, যদি তুমি মরে যেতে তবে এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে!” মার্টিন সব শুনতেন, কিন্তু প্রকাশ করার কোনো উপায় ছিল না।


মার্টিনের মা আশা ছেড়ে দিলেও তার বাবা হার মানেননি। তিনি প্রতিদিন নিয়ম করে মার্টিনকে পরিষ্কার করতেন, নিজের হাতে খাওয়াতেন এবং তার শরীর ম্যাসাজ করে দিতেন। বাবার এই দীর্ঘ পরিশ্রমই হয়তো মার্টিনকে ভেতরে ভেতরে লড়াই করার শক্তি দিয়েছিল।


দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর, মার্টিনের বয়স যখন ২৫ বছর, একদিন রুটিন চেকআপের সময় সে তার চোখের ইশারায় বোঝাতে সক্ষম হয় যে সে সজাগ আছে। সবাই অবাক হয়ে দেখে যে পরিসংখ্যানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মার্টিন ফিরে আসছে।


হোশ ফেরার পর মার্টিন থেমে থাকেনি। সে কম্পিউটার প্রোগ্রামের সাহায্যে কথা বলা শেখে। এরপর সে কলেজ ডিগ্রি অর্জন করে, একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং শেষে তার বোনের এক বন্ধুর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। ২০১১ সালে সে তার এই অমানবিক লড়াই নিয়ে 'Ghost Boy' নামে একটি বিশ্বখ্যাত বই লেখে।


মার্টিন পিস্টোরিয়াসের জীবন আমাদের শেখায় যে, পরিস্থিতি যত অন্ধকারই হোক না কেন, আশা এবং জেদ থাকলে শূন্য থেকেও ফিরে আসা সম্ভব। স্টিফেন হকিংয়ের মতো মার্টিনও প্রমাণ করেছেন যে বুদ্ধিমত্তা আর সাহসের সামনে কোনো শারীরিক সীমাবদ্ধতাই বাধা হতে পারে না।


🙇🌻🙇মনে রাখবেন🌻🙇🌻


শেষ বলতে কিছু নেই, যদি আপনার ভেতরে লড়াই করার ইচ্ছা বেঁচে থাকে।


🔥এমনই সব প্র্যাকটিক্যাল জীবন দর্শন পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। ইন্টারনেটে ভালো কনটেন্টের ভিড়ে এই ধরণের ‘Real & Practical’ তথ্য পাওয়া সত্যিই বিরল। হারিয়ে যাওয়ার আগেই যুক্ত হোন আমাদের সাথে! 🤝


✍️✍️✍️ Rohit Baagdii 🌿 Gayan Page 🌿 

‎👉 এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করবেন 🙏🙇🙏

‎🌻👉 তবে এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি বা কপি পেস্ট করবেন না নয়তো কপিরাইট স্ট্রাইক বা কপিরাইট ক্লেইম পেতে পারেন 🙏সাবধান 🙏


#lifelessons 

#motivation

কোন মন্তব্য নেই:

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...