এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

একাত্তরের ৫ অক্টোবরের রাত। সেদিন ছিল পবিত্র শবে বরাত

 একাত্তরের ৫ অক্টোবরের রাত। সেদিন ছিল পবিত্র শবে বরাত। অথচ সেই পবিত্র রাতেই পা/কিস্তানি সে/না/দের অ/মানবিক ও নি/র্মম শা/রীরিক নি/র্যা/তনে শহীদ হন লুৎফুন নাহার হেলেনা।


এর আগে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে শিশুপুত্রসহ তাঁকে দিনের বেলা আ/টক করে রা/জা/কা/ররা। পরে তাঁকে মাগুরা শহরে এনে পা/কি/স্তান সে/নাবা/হি/নীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। হ//ত্যার পরও থামেনি নি/ষ্ঠুরতা। পা/কিস্তানি সে/নারা তাঁর ম/রদে/হ জিপের পেছনে বেঁ/ধে টেনে নিয়ে যায় শহরের অদূরে নবগঙ্গা নদীর ডাইভারশন ক্যানেলে। সেখানেই ফে/লে দেওয়া হয় তাঁর ক্ষ/তবি/ক্ষ/ত  ম/রদে/হ।


ম/র্মান্তিক এই ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায় তাঁর স্বামী আলী কদরের রচনায়। তিনি লিখেছেন, ‘হেলেনের মৃ/ত্যুঘটনা ছিল করুণ ও ম/র্মান্তিক।


[…] মহম্মদপুর থানার এক গ্রামে অবস্থানকালে রা/জা/কার ও ঘা/তক দা/লালদের গু/প্তচরের সহায়তায় হেলেন ২ বছর ৫ মাস বয়স্ক শিশু পুত্র দিলীরসহ রা/জা/কারদের হাতে ধ/রা পড়ে গেলে তাকে তারা সরাসরি নিয়ে আসে মাগুরা শহরে।


এরপর পা/কিস্থান বা/হিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে তাকে সো/পর্দ করা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।


হেলেনের এই দুঃসংবাদে তার বৃদ্ধ পিতা ও কতিপয় আত্মীয়স্বজন দুগ্ধপোষ্য শিশুর মাতা হেলেনের মুক্তির জন্য শত অনুরোধ সত্ত্বেও রা/জা/কা/র ও ঘাতক দা/লালরা তার মুক্তির ব্যাপারে সব চাইতে বেশি বা/ধা সৃষ্টি করে।


আলোচনায় পা/কবা/হিনী কর্মকর্তাকে জানায় যে, হেলেন মাগুরার বা/মপন্থি নেতা মাহফুজুল হক সাহেবের বোন এবং মহম্মদপুর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের বা/হিনী প্রধান বা/মপন্থি নেতা আলী কদরের স্ত্রী। সুতরাং তার মুক্তির প্রশ্নই ওঠে না।


ঐ রাতেই তারা হেলেনের শিশু পুত্র দিলীরের করুণ-কান্নাকে উপেক্ষা করে তাকে মায়ের কোল থেকে বিচ্ছিন্ন করে পাঠিয়ে দেয় নানা বাড়িতে।


তারপর অ/মানবিক নি/র্মম শা/রীরিক নি/র্যা/তন চালিয়ে হ//ত্যা করে হেলেনকে।’ (স্মৃতিঃ ১৯৭১, অষ্টম খণ্ড, প্রথম প্রকাশ ১৯৯৫, সম্পাদনা রশীদ হায়দার)।


লুৎফুন নাহার হেলেনা ‘হেলেন’ নামেও পরিচিত ছিলেন। 


লুৎফুন নাহার হেলেনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর মাগুরা শহরে। তাঁর বাবা মুহাম্মদ ফজলুল হক এবং মা মোসাম্মৎ ছফুরা খাতুন। পাঁচ ভাই ও নয় বোনের মধ্যে বোনদের মধ্যে তিনি ছিলেন ষষ্ঠ। মেধাবী ছাত্রী হেলেনা বাবার কাছ থেকেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন। ১৯৬৮ সালে বিএ পাস করে মাগুরা গার্লস হাইস্কুলে, বর্তমানে সরকারি গার্লস হাইস্কুল, সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি মাগুরার বা/ম রাজনী/তিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।


তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের মাগুরা আঞ্চলিক শাখার নেত্রী এবং মাগুরা কলেজের ছাত্রী সংসদের মহিলা কমনরুম সম্পাদিকা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে জীবনের ঝুঁ/কি নিয়ে পা/কিস্তান সে/নাবা/হিনী ও তাদের সহযোগীদের কর্মসূচির সংবাদ তাঁর মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর কাছে পাঠাতেন। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধের কাজে মহম্মদপুর এলাকায় গিয়ে নারীদের, বিশেষত ভূমিহীন গরিব কৃষক পরিবারের নারীদের অনুপ্রাণিত করতেন। পাশাপাশি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের খাওয়া-দাওয়া, দেখাশোনা ও অসুস্থদের সেবাযত্নে সহযোগিতা করতেন। 


‘…হেলেনের মৃ/ত্যু হয় ১৯৭১-এর ৫ অক্টোবর রাত্রিবেলায়। ঐ রাত ছিল সকল মুসলমানদের এক পবিত্র রাত শব-ই-বরাত।


একাত্তরে পা/কিস্তানি হা/নাদার বা/হিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগীদের নৃ/শং/সতা থেকে রে/হাই পায়নি কোনো বিশেষ দিন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা গোত্রের মানুষ। পবিত্র শবে বরাতের রাতও থামাতে পারেনি তাদের নি/র্মম/তা। সেই রাতেই তাঁদের নি/ষ্ঠু/রতার শি/কার হয়ে শহীদ হন লুৎফুন নাহার হেলেনা।


বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লুৎফুন নাহার হেলেনার প্রতি স্যালুট ও বিনম্র শ্রদ্ধা। 🙏🌹🖤🇧🇩 

আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#bdcs #LutfunNaharHelena ##liberationwar1971 #মুক্তিযুদ্ধ #বাদুছস  #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

কোন মন্তব্য নেই:

কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়।,,,,,, হেজবুদ তাওহিদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়। ===== ==== ==== ==== ====  দৃষ্টি সংযত করা, পবিত্রতা রক্ষা করা, তাকওয...