👉👉 ইসলামে প্রবাদ আছে, হাদিস না মানলে সে কাফের।
সহীহ বুখারী শরীফের (২৩৩)(৫৬৮৬) নং হাদিসে আছে, কিছু অসুস্থ ব্যক্তিকে রাসুল সাঃ উটের দুধ এবং প্রস্রাব মিশ্রিত করে ওষুধ বানিয়ে তাদেরকে খাইয়ে সুস্থ করেছে।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,
রাসূল সাঃ বিষে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন, তিনি কি এই ওষুধ সেবন করেছিলেন? নিশ্চয়ই করেননি, করলে তো সুস্থ হয়ে যেতেন।
হযরত মা ফাতেমা দীর্ঘদিন রোগে ভুগে ইন্তেকাল করেছেন। তাকে কেন এই মহা ওষুধটি পান করানো হলো না?
ইমাম হাসান রাঃ বিষ প্রয়োগে মারা গিয়েছেন। এটি যদি রোগ নিরাময়ী মহা ঔষধ হবে, তবে তাকে কেন পান করিয়ে সুস্থ করা হলো না?
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাঙের ছাতার মতো হসপিটাল গড়ে উঠেছে। হাদিস গ্রন্থে উল্লেখিত এত বড় নেয়ামত এই মেডিসিন থাকতে এত হসপিটাল বা ডাক্টার এর কি প্রয়োজন?
হাদিস এবং ইসলামিক চিন্তাবিদরা কেন এটিকে কাজে লাগাচ্ছে না?
সহি হাদিস আসলেও কি সত্য না মিথ্যা এই মহা ঔষধ দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারত। কেউ আসলে এই উদ্যোগটি নেয়নি, কারণ মুখোশের আড়ালের সত্যটা প্রকাশ হয়ে যাবে। হাদিসের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
উট হালাল প্রাণী, তার দুধ এবং প্রস্রাব যদি ঔষধ হয় মুসলিমদের জন্য। তাহলে গরুও তো হালাল প্রাণী, গরুর দুধ এবং প্রস্রাব কেন সনাতনীদের জন্য ওষুধ হবে না?
উট তোমাদের মা নয়, তথাপিও উটের প্রস্রাব যদি তোমাদের জন্য হালাল হয়, গরুকে সনাতনীরা গোমাতা বলে, তাহলে গরুর প্রস্রাব তাদের জন্য হালাল হবে না কেন?
একই জিনিস তোমাদের জন্য হালাল, আর তাদের জন্য হারাম - এত বৈষম্য কেন?
বল বল বেশি করে বল হিন্দুরা গোমূত্র খায়। তবে এটা বলার আগে ১০০ বার মনে কর তোমাদের জন্য উটের প্রস্রাব হালাল।
✍️অলিভিয়া
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন