এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Itel Neo R60+ টুকিটাকি।,,,, cloud phon facebook

 Itel Neo R60+ টুকিটাকি।


এটি একটি ক্লাউড ফোন/ ৪জি ফিচার বাটন ফোন। এতে জাভা সাপোর্ট করে না। কোন বাড়তি অ্যাপ ইনস্টল করা যায় না।


ক্লাউড ফোন কি?


ক্লাউড ফোন হলো এমন একটি ভার্চুয়াল বা ইন্টারনেট-নির্ভর প্রযুক্তি, যা রিমোট সার্ভার বা ক্লাউডের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং এর প্রসেসিং, স্টোরেজ বা কল আদান-প্রদান স্থানীয় ডিভাইসের পরিবর্তে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।


প্রয়োজন ছাড়া এইগুলো ফোন ক্রয় করা বোকামি।


এন্ড্রয়েড ব্যবহারে সিমাবদ্ধতা বা চালাতে অক্ষম। কারেন্ট গেলে রাউটারের বিকল্প। টুকটাক ইন্টারনেট ব্যবহার বা টাইম পাস বা সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে ব্যবহার করলে নিতে পারেন।


কালো, লাইট ব্লু,শ্যাম্পেন গোল্ড তিন টি রংয়ের পাওয়া যায়।

যে কোন লোকাল মার্কেট এ ২৪০০ থেকে ২৭০০ টাকা নিতে পারে।


নিচে এই ফোনের ফিচার ও ভালো মন্দ দিক তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।


১/প্রসেসর/চিপসেট;

এতে ইন্টারনেট অপ্টিমাইজড t127 চিপসেট দেয়া হয়েছে। অনেকটাই স্লো কাজ করে। অনলাইন প্লাটফর্ম এ ভিডিও প্লেব্যাক ল্যাগি বা আটকে যায় যদি দূর্বল নেটওয়ার্ক হয়।


২/ডিসপ্লে;

ফোনটিতে ৩ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউব বা লাইভ টিভি/ লাইভ খেলা ধুলা দেখে মজা পাওয়া যায়। ডিসপ্লে মজবুত ও শক্তিশালী সহজে নষ্ট হয় না। যদি নষ্ট হয় কাস্টমার কেয়ারে ৫৮০ টাকা লাগবে ঠিক করতে। শুধু ডিসপ্লে নয় যে কোন পার্টস নস্ট হলে কাস্টমার কেয়ারে ছাড়া পাবেন না এবং দিগুন দাম দিতে হবে। বাহিরে পার্টস পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।


৩/ক্যামেরা;

এতে সাধারণ বাটন ফোনের মতই নিম্ন মানের ক্যামেরা আছে। যেহেতু এই ফোনে এআই সাপোর্ট করে তাই ঘোলা ছবি ও এআই দিয়ে ঝকঝকে বানাতে পারবেন।


৪/নেটওয়ার্ক টাইপ;

২জি,৩জি ও ৪জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে। বাংলাদেশের সব ৪জি ব্যান্ডই সাপোর্ট করে তাই নেটওয়ার্ক নিয়ে টেনশন নাই। নতুন অবস্থায় যেখানে এন্ড্রয়েড ৪জি পাবে না সেখানে এটি ৪জি পাবে পুরোনো অবস্থায় সম্পূর্ণ উল্টো।তবে টাওয়ার থেকে দুরে বা দূর্বল নেটওয়ার্কে  নেটওয়ার্ক ওঠানামা করে। যেমন ৪জি থেকে ২জি হয়ে যায়। 


৫/ভোল্টি বা এইচডি কল;

যেহেতু ফোনটি এলটিই ৪ ক্যাটেগরির তাই অনায়াসে ভোল্টি বা এইচডি কল সাপোর্ট করে। জিপি,স্কিটো , রবি, এয়ারটেল কোন ঝামেলা ছাড়াই ভোল্টি বা এইচডি কল সাপোর্ট করে। বাংলালিংক এর নাটকের শেষ নেই তাই পাইলেও পাইতে পারেন নাও পাইতে পারেন। টেলিটক এর কোন কোন টেনশন নাই কারন তাদের কোন ভোল্টি সেবাই নাই।


৬/ক্লাউড অ্যাপ;

এতে আগে থেকে কিছু ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন দেয়া আছে যেমন ফেসবুক টিকটক ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি যা আংশিক চলে।

উদাহরণ হিসেবে ফেসবুকের কথা বলছি। ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবেন কিন্তু মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে পারবেন না।রিয়াক্ট দিতে গেলে লাইক ছাড়া অন্য অপশন নেই।স্টোরি বা রিলস দিতে পারবেন না। দেওয়া গেলে ও শুধু ছবি দেয়া যায়। তবে ফেসবুক পেইজ দিয়ে মেসেজ আদান-প্রদান করা যায়।টিকটকে লগইন করা গেলে ও বাংলা ভিডিও দেখা যায় না।


৭/ফোনে অপেরা মিনি এবং আরও একটি ব্রাউজার দেয়া আছে যা অনেক পুরোনো বলতে গেলে ফখরুদ্দীন এর আমলের। গুগল সার্চ ছাড়া কোন কাজের না।


৮/ভিডিও প্লেয়ার;

সুন্দর একটি ভিডিও প্লেয়ার দেয়া আছে। ৩৬০ পি (৬৪০×৩৬০) রেজুলেশন ভিডিও প্লে হয়। এর বড় সাইজের ফাইল প্লে করতে গেলে সমস্যা হবে।

তবে অনলাইন প্লাটফর্ম এ ৭২০ বা ১০৮০(standard quality) সাইজের এইচডি ভিডিও দেখতে পারবেন 


৯/ফটো/ছবি;

ছবি/ফটো দেখার জন্য একটি সুন্দর ইমেজ ভিউয়ার আছে। ৭২০ বা ১০৮০ (standard quality) এইচডি ফটো দেখা যায়। যার ফলে এন্ড্রয়েড থেকে ট্রান্সফার করা ৩-৩.৫ এমবি সাইজের ছবি/ ফটো দেখতে পারবেন।


১০/ওয়াই-ফাই; 

 এতে ওয়াইফাই সুবিধা আছে। আপনি যে কোন রাউটার/ ওয়াই-ফাই কানেক্ট করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।


১১/ হটস্পট ;

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হটস্পট শেয়ার। রেঞ্জ ৫০ মিটার প্রায়। সর্বোচ্চ ৮টি ফোন বা ডিভাইস কানেক্ট করা যায়। সর্বোচ্চ ৭২ এমবিপিএস স্পিড দেয়া থাকলেও সর্বোচ্চ ৫০-৫৫ এমবিপিএস স্পিড পাওয়া যায়। এরজন্য আপনাকে টাওয়ারের কাছাকাছি বা টাওয়ারে পর্যাপ্ত ব্যান্ড উইথ থাকতে হবে। নরমাল স্পিড ৩০-৪০ এমবিপিএস এর ঘরে থাকে এরজন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক এর সিগন্যাল ৮০ dbm এর ঘরে থাকতে হবে। টাওয়ারের যত কাছে থাকবেন ততই ভালো স্পিড পাবেন।


১২/ব্যাটারি ;

২০০০ এমএইচএ ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে।টাইপ সি চার্জিং পোর্ট হলেও খুব স্লো চার্জ হয়।তিন ঘণ্টার উপরে সময় লাগে ফুল চার্জ হতে। মজার বিষয় ৯৯% থেকে ১০০% হতেই ৩০+ মিনিট সময় লাগে। চার্জ থেকে খোলার ১০ মিনিটের মধ্যেই চার্জ ৯০-৯২% এ নেমে আসে। শুধু কথা বললে ২-৩ দিন চার্জ ব্যাকআপ পাওয়া যায়।


১৩/কল কোয়ালিটি;

কল কোয়ালিটি সাধারণ বাটন ফোনের মতই ভালো মন্দ বলার কিছু নেই। সাউন্ড পিছন দিয়ে ও আসে তাই প্রাইভেসি কম।কল রেকর্ডিং সুবিধা আছে।ভোল্টি বা এইচডি কল মোটামুটি ভালো। তবে নকিয়ার ভয়েস ক্লিয়ারিটি যেমন সুন্দর তেমন সুন্দর এই ফোনের না।


১৪/চার্জ ব্যাকআপ;

নরমাল ব্যাবহারে ২ থেকে ৩ দিন চার্জ ব্যাকআপ পাওয়া যায়।

ফেসবুক সহ টুকটাক ইন্টারনেট ব্যবহার করলে সারাদিন যাবে। ইউটিউব বা ইউটিউব মিউজিক ৬ থেকে ৭ ঘন্টা লাগাতার চলে।

ওয়াই-ফাই কানেকশন দিয়ে ইউটিউব ব্রাউজ করলে ৮ থেকে ৯ ঘন্টা চার্জ ব্যাকআপ পাওয়া যায়। হটস্পট শেয়ার করলে ৫ থেকে ৭ ঘন্টা চার্জ ব্যাকআপ পাওয়া যায়। ইন্টারনেট ব্রাউজ যত বেশি হবে চার্জ তত বেশী খরচ হবে।


১৫/ ব্যাটারি সেভার;

এই ফোনে ব্যাটারি সেভার মুডে ইউজ করতে পারবেন।০ পার্সেন্ট চার্জ দিয়েও অনেক কল/রিসিভ করতে পারবেন।


১৬/ডেভেলপার কনসোল;

এই ফোনে নিজের তৈরি ওয়েব সাইট বা অন্য ওয়েব সাইটের লিংক যোগ করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া কোন অ্যাপ ইনস্টল করার সুযোগ নেই।


১৭/ফোনে সিঙ্গাপুরের ভিপিএন বা প্রক্সি ব্যবহার করা তাই বাংলাদেশের অনেক ওয়েব সাইটে প্রবেশ করা যায় না।


এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে উপস্থাপন করা।

কোন মন্তব্য নেই:

Itel Neo R60+ টুকিটাকি।,,,, cloud phon facebook

 Itel Neo R60+ টুকিটাকি। এটি একটি ক্লাউড ফোন/ ৪জি ফিচার বাটন ফোন। এতে জাভা সাপোর্ট করে না। কোন বাড়তি অ্যাপ ইনস্টল করা যায় না। ক্লাউড ফোন ক...