এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২২

নতুনদা,,,, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়,

নতুনদা – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,

দাঁড় বাধিয়া পাল খাটাইয়া ঠিক হইয়া বসিয়াছি। অনেক বিলম্বে ইন্দ্রের নতুনদা আসিয়া ঘাটে পোঁছিলেন। চাঁদের আলোতে তাহাকে দেখিয়া ভয় পাইয়া গেলাম। কলকাতার বাবু অর্থাৎ ভয়ংকর বাবু। সিষ্কের মোজা, চ্কচকে পাম্প–সু, আগাগোড়া ওভারকোটে মোড়া, গলায় গলাবন্ধ, হাতে দস্তানা, মাথায় টুপি, পশ্চিমের শীতের বিরুদ্ধে তাহার সতর্কতার অন্ত নাই।


আমাদের সাধের ডিঙিটাকে তিনি অত্যন্ত যাচ্ছেতাই বলিয়া কঠোর মত প্রকাশ করিয়া ইন্দ্রের কাঁধে ভর দিয়া আমার হাত ধরিয়া অনেক কষ্টে, অনেক সাবধানে নৌকার মাঝখানে জাঁকিয়া বসিলেন।….‘তোর নাম কি রে ?……………………….ভয়ে ভয়ে বলিলাম, ‘শ্রীকান্ত’।


তিনি দাঁত খিঁচাইয়া বলিলেন, ‘আবার শ্রী-কান্ত। শুধু কান্ত। নে, তামাক সাজ।’……….ইন্দ্র অপ্রতিভ হইয়া কহিল, ‘শ্রীকান্ত তুই এসে একটু হাল ধর্, আমি তামাক সাজছি।’…………আমি তাহার জবাব না দিয়া তামাক সাজিতে লাগিয়া গেলাম। তামাক সাজিয়া হুঁকা হাতে দিতে, তিনি প্রসন্নমুখে টানিতে টানিতে প্রশ্ন করিলেন, ‘তুই থাকিস কোথা রে কান্ত? তোর গায়ে ওটা কালোপানা কিরে? র‌্যাপার? আহা! র‌্যাপারের কী শ্রী! তেলের গন্ধে ভূত পালায়। পেতে দে দেখি, বসি!’


“আমি দিচ্ছি নতুনদা। আমার শীত করছে না—এই নাও’ বলিয়া ইন্দ্র নিজের গায়ের আলোয়ানটা তাড়াতাড়ি ছুড়িয়া ফেলিয়া দিল। তিনি সেটা জড়ো করিয়া লইয়া বেশ করিয়া বসিয়া মুখে তামাক টানিতে লাগিলেন।


শীতের গঙ্গা। অধিক প্রশস্ত নয়—আধঘন্টার মধ্যে ডিঙি ওপারে গিয়া ভিড়িল। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বাতাস পড়িয়া গেল। ইন্দ্র ব্যাকুল হইয়া কহিল, ‘নতুনদা, এ যে ভারি মুশকিল হল, হাওয়া পড়ে গেল। আর তো পাল চলবে না।’ নতুনদা জবাব দিলেন, ‘এই ছোঁড়াটাকে দে-না দাঁড় টানুক।’


কলিকাতাবাসী নতুনদার অভিজ্ঞতায় ইন্দ্র ঈষৎ ম্লান হাসিয়া কহিল, ‘দাঁড়। কারুর সাধ্যি নেই নতুনদা, এই স্রোত ঠেলে উজান বেয়ে যায়। আমাদের ফিরতে হবে।’………….প্রস্তাব শুনিয়া নতুনদা একমুহূর্তে একেবারে অগ্নিশর্মা হইয়া উঠিলেন—‘তবে আনলি কেন হতভাগা? যেমন করে হোক, তোকে পৌঁছে দিতেই হবে। আমার থিয়েটারে হারমোনিয়াম বাজাতেই হবে। তারা বিশেষ করে ধরেছে।’


ইন্দ্রের অবস্থা সংকট অনুভব করিয়া আমি আস্তে আস্তে কহিলাম, ‘ইন্দ্র, গুণ টেনে নিয়ে গেলে হয় না?’ বাবু অমনি দাতমুখ ভেংচাইয়া বলিলেন, ‘তবে যাও না, টানো গে নাহে। জানোয়ারের মতো বসে থাকা হচ্ছে কেন?’………তারপরে একবার ইন্দ্র, একবার আমি, গুণ টানিয়া অগ্রসর হইতে লাগিলাম। কখনোবা উঁচু পাড়ের উপর দিয়া, কখনো বা নিচে নামিয়া এবং সময়ে সময়ে সেই বরফের মতো ঠান্ডা জলের ধার ঘেঁষিয়া অত্যন্ত কষ্ট করিয়া চলিতে হইল।


আবার তাহারই মাঝে মাঝে বাবুর তামাক সাজার জন্য নৌকা থামাইতে হইল। অথচ বাবুটি ঠায় বসিয়া রহিলেন— এতটুকু সাহায্য করিলেন না। ইন্দ্র একবার তাহাকে হাল ধরিতে বলায় জবাব দিলেন, তিনি দস্তানা খুলিয়া এই ঠান্ডায় নিউমোনিয়া করিতে পারিবেন না। ইন্দ্র বলিতে গেল, না- খুলে—……হ্যা, আমি দস্তানাটা মাটি করে ফেলি আর কি! নে—যা করছিস কর।’


আরও বিপদ গঙ্গার রুচিকর হাওয়ায় বাবুর ক্ষুধার উদ্রেক হইল; বলিলেন, ‘হ্যাঁরে ইন্দ্র, এদিকে খোট্টামোট্টাদের বসতি–টসতি নেই? মুড়ি–টুড়ি পাওয়া যায় না ?’………….ইন্দ্র কহিল, “সামনেই একটা বেশ বড় বসতি নতুনদা, সব জিনিস পাওয়া যায়।


‘তবে লাগা–ওরে ছোঁড়া! টা না একটু জোরে, ভাত খাসনে ?…………..অনতিকাল পরে আমরা একটা গ্রামে আসিয়া উপস্থিত হইলাম।………..ডিঙি জোর করিয়া ধাক্কা দিয়া সংকীর্ণ জলে তুলিয়া দিয়া আমরা দুজনে হাঁফ ছাড়িয়া বাঁচিলাম।


বাবু কহিলেন, ‘হাত–পা একটু খেলানো চাই। নামা দরকার।’ অতএব ইন্দ্র তাহাকে কাঁধে করিয়া নামাইয়া আনিল।…….আমরা দুজনে তাহার ক্ষুধাশান্তির উদ্দেশ্যে গ্রামের ভিতরে যাত্রা করিলাম। এ অঞ্চলে পথ–ঘাট, দোকান–পাট সমস্তই ইন্দ্রের জানা ছিল। সে গিয়া মুদির দোকানে উপস্থিত হইল। কিন্তু দোকান বন্ধ এবং দোকানি শীতের ভয়ে দরজা জানালা রুদ্ধ করিয়া গভীর নিদ্রায় মগ্ন। উভয়ে বাহিরে দাঁড়াইয়া তারস্বরে চিৎকার করিয়া এবং যতপ্রকার ফন্দি মানুষের মাথায় আসিতে পারে, তাহার সবগুলি একে একে চেষ্টা করিয়া আধঘণ্টা পরে রিক্তহস্তে ফিরিয়া আসিলাম।


কিন্তু ঘাট যে জনশূন্য! জ্যোৎস্নালোকে যতদূর দৃষ্টি চলে ততদূরই যে শূন্য! ডিঙি যেমন ছিল তেমনি রহিয়াছে, কিন্তু ইনি কোথায় গেলেন! দুজনে প্রাণপণে চিৎকার করিলাম, ‘নতুনদা। কিন্তু কোথায় কে?……….এ অঞ্চলে মাঝে মাঝে শীতকালে বাঘের উৎপাতের কথাও শোনা যাইত। সহসা ইন্দ্র সেই কথাই বলিয়া বসিল—‘বাঘে নিলে না তো-রে?’ সহসা উভয়েরই চোখে পড়িল কিছুদূরে বালির উপর কী একটা বস্তু চাঁদের আলোয় চকচক করিতেছে। কাছে গিয়া দেখি, তাহারই সেই বহুমূল্য পাম্প-সুর একপাটি। ইন্দ্র সেই ভিজা বালির উপরেই একেবারে শুইয়া পড়িয়া বলিল—‘শ্রীকান্তরে, আমার মাসিমাও এসেছেন যে, আমি আর বাড়ি ফিরে যাব না।’


তখন ধীরে ধীরে সমস্ত বিষয়টাই পরিস্ফুট হইয়া উঠিতে লাগিল। আমরা যখন মুদির দোকানে দাঁড়াইয়া দোকানিকে জাগাইবার নিষ্ফল চেষ্টা করিতেছিলাম, তখন এইদিকের কুকুরগুলিও যে সমবেত আর্তচিৎকারে এই দুর্ঘটনার সংবাদটাই আমাদের গোচর করিবার ব্যর্থ প্রয়াস পাইতেছিল, তাহা জলের মতো বুঝিতে পারিলাম। এখনও দূরে তাহাদের ডাক শোনা যাইতেছে। সুতরাং আর সংশয় মাত্র রহিল না যে, নেকড়েগুলি তাহাকে টানিয়া লইয়া গিয়া যেখানে ভোজ করিতেছে, তাহারই আশেপাশে দাঁড়াইয়া কুকুরগুলি এখন চেঁচাইয়া মরিতেছে।


অকস্মাৎ ইন্দ্র সোজা হইয়া দাঁড়াইয়া কহিল, ‘আমি যাব।’ আমি সভয়ে তাহার হাত চাপিয়া ধরিলাম, ‘পাগল হয়েছ। ভাই।’ ইন্দ্র তাহার জবাব দিল না। একটা বড় ছুরি পকেট হইতে বাহির করিয়া বাঁ-হাতে লইয়া সে কহিল, ‘তুই থাক শ্রীকান্ত, আমি না এলে ফিরে গিয়ে বাড়িতে খবর দিস—আমি চললুম।’


আমি নিশ্চয় জানিতাম, কোনোমতেই তাহাকে নিরস্ত করা যাইবে না—সে যাইবেই। কিন্তু আমারও তো যাওয়া চাই। আমিও নিতান্ত ভীরু ছিলাম না। অতএব একটি বাঁশ সংগ্রহ করিয়া লইয়া দাড়াইলাম এবং তাহার সহিত ধীরে ধীরে অগ্রসর হইলাম। সম্মুখে একটা বালির ঢিপি ছিল, সেইটা অতিক্রম করিয়াই দেখা গেল, অনেক দূরে জলের ধার ঘেঁষিয়া দাঁড়াইয়া পাঁচ-সাতটা কুকুর চিঙ্কার করিতেছে। যতদুর দেখা গেল, একপাল কুকুর ছাড়া বাঘ তো দূরের কথা একটা শৃগালও নাই। সন্তর্পণে আরও কতকটা অগ্রসর হইতেই মনে হইল, তাহারা কী একটা কালোপানা বস্তু জলে ফেলিয়া পাহারা দিয়া আছে।


ইন্দ্র চিৎকার করিয়া ডাকিল, ‘নতুনদা।’ নতুনদা গলা জলে দাঁড়াইয়া অব্যক্তস্বরে কাঁদিয়া উঠিলেন—‘এই যে আমি।’ দুজনে প্রাণপণে ছুটিয়া গেলাম, কুকুরগুলি সরিয়া দাঁড়াইল এবং ইন্দ্র ঝাপাইয়া পড়িয়া আকণ্ঠ নিমজ্জিত মূৰ্ছিত—প্রায় তাহার দর্জিপাড়ার মাসতুত ভাইকে টানিয়া তীরে তুলিল। তখনও তাহার একটা পায়ে বহু মূল্যবান পাম্প-সু, গায়ে ওভারকোট, হাতে দস্তানা, গলায় গলাবন্ধ এবং মাথায় টুপি ভিজিয়া ফুলিয়া ঢোল হইয়া উঠিয়াছে।


আমরা চলিয়া গেলে গ্রামের কুকুরগুলি তাহার অদৃষ্টপূর্ব পোশাকের ছটায় বিভ্রান্ত হইয়া এই মহামান্য ব্যক্তিটিকে তাড়া করিয়াছিল। এতটা আসিয়াও আত্মরক্ষার কোনো উপায় খুঁজিয়া না পাইয়া অবশেষে তিনি জলে ঝাঁপ দিয়া পড়িয়াছিলেন এবং এই দুর্দান্ত শীতের রাত্রে তুষার–শীতল জলে আকণ্ঠ মগ্ন থাকিয়া এই অধঘণ্টাকাল ব্যাপিয়া পূর্বকৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত করিতেছিলেন।


কিন্তু প্রায়শ্চিত্তের ঘোর কাটাইয়া তাহাকে চাঙা করিয়া তুলিতেও সে রাত্রে আমাদিগকে কম মেহনত করিতে হয় নাই। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্য এই যে, বাবু ডাঙায় উঠিয়া প্রথম কথা কহিলেন, ‘আমার একপাটি পাম্প ?’….।

কপি

পেস্ট 

শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২

শিশুদের সাথে আপনার দেখানো প্রতিক্রিয়া ই ওদের গড় উঠতে সাহায্য করে

শিশুদের সাথে আপনার দেখানো প্রতিক্রিয়াই ওদের গড়ে তুলে

.

একটা জরিপে উঠে এসেছে, যেসব বাবারা তাদের শিশুদের সাথে ওদের খেলা নিয়ে কথা বলেন, তাদের শিশুরা ১৮ থেকে ৬৬ বছর পর্যন্ত প্রচেষ্টা, চরিত্র, দক্ষতা, দলবদ্ধ কাজ ও আনন্দ নিয়ে বাবার করা মন্তব্যগুলো মনে করতে পারে। প্রচেষ্টা নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে পরিচিত মন্তব্য হলো, ‘নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করো', 'হাল ছেড়ো না কখনও’ এবং ‘এক বার না পারিলে দেখো শতবার।' এই কথাগুলো মানুষকে আমৃত্যু উৎসাহ দেয়। যে-কোনো কাজে নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করতে উদ্‌বুদ্ধ করে। আপনি শিশুকে যা বলেন, সেটা তাকে পরিণত হতে সাহায্য করে। একজন পরিণত মানুষ হিসেবে বাচ্চা তার শৈশবে শোনা এ কথাগুলো মনে রাখবে। 

.

কল্পনা করুন, বাচ্চা যদি আপনার নেতিবাচক কথাগুলো মনে রাখতে পারত, তার জীবন কেমন হতো! যদি শুধু এই কথাগুলো নিয়ে তাকে বাঁচতে হতো—'ওটা অত ভালো হয়নি’, ‘তুমি কোনো কিছুই ঠিক করে করতে পারো না’, ‘তুমি যদি এ রকম হতে....!'

.

এইসব উক্তির স্বাভাবিক ফলাফল হলো, শিশুরা আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব নিয়ে বেড়ে ওঠে। এমনকি তারা আপনার প্রতি অসন্তুষ্টও হতে পারে। এটা সংগঠিত হয়ে আপনার ও বাচ্চার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যদি আপনি এ রকম কিছু না চান, তা হলে আপনার কথা থেকে নেতিবাচক উক্তিগুলো ছেঁটে ফেলুন। তার পরিবর্তে উৎসাহদায়ক কথা বলতে শিখুন, যেমন :

.

✓ আমি তোমাকে নিয়ে অনেক গর্বিত।

✓ তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে।

✓ তুমি অবশ্যই পারবে ইন শা আল্লাহ।

✓ তোমার বিবেচনাবোধে আমার আস্থা আছে।

✓ আমি জানি, তুমি এটা সামলাতে পারবে।

√ তুমি সক্ষম, তুমি তো এমন কাজ আগেও করেছ। গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ তুমি এখন করতে পারো।

✓ তুমি এটা প্রায়ই সমাধান করে ফেলেছ!

√ প্রতিদিনই তুমি উন্নতি করছ। দেখতে দেখতে তুমি অনেকটা কাজ করে ফেলেছ!

.

তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে যে, শিশুদেরকে অতিমাত্রায় প্রশংসাবাক্য শোনানো যাবে না। প্রশংসাবাক্য আর উৎসাহদায়ক কথার ভেতর পার্থক্য আছে। যেমন : আপনি তাকে এটা বলবেন না যে, তার দক্ষতা কতটা ভালো। বরং আপনি তাকে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে বলবেন। এটা তার নিজের ও নিজের সক্ষমতার ওপর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তুলবে।


© বই : 'সন্তান গড়ার কৌশল'


Collected.

 কপি

পোস্ট

গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ


১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা বলাই ভালো, চুপ থাকাও একটা ইবাদত।


২. আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্নীয়র অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না। কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না।


৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়।


৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। সম্ভব হলে বুঝিয়ে বলবেন।কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম।

নিজেও যখন কথা বলতে বলতে গীবত করে ফেলবেন এবং হঠাৎ খেয়াল হবে আরে আমি তো গীবত করে ফেলতেছি সাথে সাথে থেমে যাবেন এবং তওবা করবেন।


৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। 


৬. অমুক এই এই কাজ গুলো ভালো করেনি।অমুকের এই এই স্বভাব ভালো না। অমুকের নামে এই এই বদনাম আছে।ওমুক আমার এই এই ক্ষতি করছে। এগুলো বলা মানে মানুষের দোষ নিয়ে কথা বলা যে টা গীবতের অন্তর্ভুক্ত।


৭.এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলতে পারেন।


কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা আমরা আল্লাহর কাছে বলব। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিব ।মানুষের কাছে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে উল্টা আরো গোনাহ কামানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। অন্যের দোষ ঢেকে রাখলে আল্লাহ তার দোষ ঢেকে রাখবেন ইনশাআল্লাহ


মনে রাখবেন গীবত আমাদের নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং আপনাদেরকে আমল গুলো করার তাওফিক দান করুক ❝আমিন❞🤲 

কপি
পেস্ট

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২১/১০/২০২২ শুক্রবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২১-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অর্থনৈতিক জোনগুলোতে আগামী সপ্তাহে পঞ্চাশটি শিল্প ইউনিট, প্রকল্প ও স্থাপনা উদ্বোধন করা হবে। 


* নির্বাচন ব্যতীত অন্য কোনো চোরাগলি দিয়ে সরকার পরিবর্তন করার সুযোগ নেই - বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 


* বৈশি^ক অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার - বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। 


* সেপ্টেম্বরে দেশে রেকর্ড পরিমাণ এক কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। 


* বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আগামীকাল দেশে পালিত হবে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’। 


* পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। 


* এবং সিডনিতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মূল পর্বের খেলা শুরু হবে আগামীকাল।

পারিবারিক শিক্ষা,,,, জি এম মাছুম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

একেই বলে পারিবারিক শিক্ষা 


বিয়ে করতে যাওয়া এক পুত্রকে তার পিতার উপদেশ মালা।


বাবা বললেন, তোমার দাদা বলেছিলেন, 


১. নতুন বউকে পালকি করে কেন আনা হয় জানিস? তাকে তো গরুর গাড়িতেও আনা যেত। 

তা না করে পালকিতে আনা হয়, কারণ সে কত সম্মানিত তা বোঝানোর জন্য।

 পালকিতে নামানোর পর এ সম্মান কমানো যাবে না। সারাজীবন পালকির সম্মানেই তাকে রাখতে হবে। 


২. নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে জানিস?

 কাঁদে। কেন কাঁদে? 

শুধু ফেলে আসা স্বজনদের জন্য না। 

নতুন জীবন কেমন হবে সে ভয়েও কাঁদে। 

তোর চেষ্টা হবে পালকির কান্নাই যাতে তার শেষ কান্না হয়। 

এরপর আর মাত্র দুটো উপলক্ষ্যে সে কাঁদবে। 

একটি হলো মা হওয়ার আনন্দে, আরেকবার কাঁদবে তুই চলে যাওয়ার পর। 

মাঝখানে যত শোক আসবে তুই তার চোখের পানি মুছে দিবি। 


৩. স্ত্রী সবচেয়ে কষ্ট পায় স্বামীর বদব্যবহারে, 

দ্যাখ, আমি খুবই বদমেজাজি,

 কিন্তু কেউ বলতে পারবে না আমি তোর মায়ের সামনে কোনোদিন উঁচু গলায় কথা বলেছি। 


৪. বিয়ে মানে আরেকটি মেয়ের দায়িত্ব নেওয়া।

 এটা ঠিকভাবে পালন না করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকতে হয়। 


৫. আরেকটি কথা, সব মেয়ের রান্নার হাত ভালো না, কিন্তু সবাই রান্না ভালো করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। 

তাই রান্না নিয়ে বউকে কখনো খোঁটা দিবি না। 


৬. বউয়ের মা-বাবাকে কখনো 'আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি' এগুলো ডাকবি না। 

মা-বাবা ডাকবি। 

আগের ডাকগুলো কোনো মেয়ে পছন্দ করে না, তুই ওগুলো ডাকলে বউও আমাদের ওই ডাকেই ডাকবে।


 তুই ওনাদের সম্মান না করলে সে আমাদের সম্মান করবে না। 

এটাই নিয়ম। 

আল্লাহতালার পাল্লা সমান, এক পাল্লায় তুই যা করবি, আরেক পাল্লায় তিনি তাই রেখে দুই পাল্লার ওজন ঠিক রাখেন।কপি 

কপি
পেস্ট

নারকেলের মালা গুঁড়োর ব্যাবসা করে বছরে আয় লাখ টাকা

নারকেলের মালা গুড়োর ব্যবসায় মাসে আয় কয়েক লাখ টাকা!


দশ বছর আগে স্বল্প বেতনের কোম্পানির বিক্রয়কর্মীর চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথে পা বাড়ান যশোরের খাদিজা ইসলাম। পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছে অবশ্য তিনি তন্বী নামেই বেশি পরিচিত। দেশের নামীদামি ৩২টি কোম্পানিতে এখন মশার কয়েল তৈরির কাঁচামাল সরবরাহ করেন খাদিজা ইসলাম।



চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়া খাদিজার প্রতিষ্ঠানে এখন দুই শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতি মাসে এসব কর্মীর বেতনবাবদ খরচ হয় ২৬ লাখ টাকা। মাসে ব্যবসা গড়ে দুই কোটি টাকার। অথচ খাদিজার জীবনের শুরুটা মোটেই স্বস্তির ছিল না। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এমন এক পরিবারে জন্ম তাঁর। অভাবের কারণে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়।


স্বামীর আর্থিক অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। তাই জীবনসংগ্রামে নামা ছাড়া খাদিজার আর কোনো উপায় ছিল না। তাই শুরুতে স্থানীয় একটি কোম্পানিতে বিক্রয়কর্মীর চাকরি নেন। কিন্তু সেই চাকরিতে খুব বেশি দিন থাকা হলো না তাঁর। প্রত্যাশিত পদোন্নতি না পেয়ে বিক্রয়কর্মীর চাকরি ছেড়ে নিজে কিছু করার উদ্যোগ নেন। আর মনে মনে ব্যবসার ধারণা বা আইডিয়া খুঁজতে থাকেন।


এমন এক পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালে যশোরে অনুষ্ঠিত হয় কৃষি মেলা। ওই মেলায় এসিআই কোম্পানির প্যাভিলিয়নে গিয়ে ব্যবসার নতুন এক ধারণা পান খাদিজা। এসিআইয়ের এক কর্মকর্তা মশার কয়েল তৈরির কাঁচামাল নারিকেলের মালার গুঁড়া (কোকোনাট পাউডার) তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেন খাদিজাকে। পাশাপাশি তিনি যদি নারিকেলের গুঁড়া তৈরি করেন, তা কেনারও প্রতিশ্রুতি দেন ওই কর্মকর্তা।


এরপর স্থানীয় বিভিন্ন কারখানা ঘুরে নারিকেলের মালার গুঁড়া কিনতে শুরু করেন খাদিজা। সেই গুঁড়া তিনি এসিআইয়ে সরবরাহ শুরু করেন।কিন্তু কাঁচামাল সরবরাহ করতে গিয়ে পড়েন অর্থসংকটে। কারণ, এক ট্রাক কাঁচামাল সরবরাহের মতো টাকা তাঁর কাছে ছিল না। খাদিজার কাছে তখন নিজের জমানো টাকা ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার।


কোম্পানির কাছ থেকে অগ্রিম নেন আড়াই লাখ টাকা। ওই টাকা দিয়েই ব্যবসার শুরু। ব্যবসা শুরুর প্রথম তিন মাস অন্য কারখানা থেকে নারিকেলের মালার গুঁড়া সংগ্রহ করে এসিআইতে সরবরাহ করেন। এরপর নিজেই বাগেরহাটে নারিকেলের একটি কারখানা স্থাপন করেন। ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। দুই বছর পর যশোর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় আরেকটি কারখানা স্থাপন করেন।


এরপর থেকে তাঁকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বাগেরহাট ও খুলনায় আরও দুটি কারখানা স্থাপন করেন। খুলনার কারখানাটির উৎপাদন শুরু হবে আগামী মাসে। সব মিলিয়ে খাদিজার কারখানার সংখ্যা এখন ৪। সম্প্রতি যশোরের কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকেরা নারিকেলের মালা থেকে গুঁড়া তৈরির কাজ করছেন। খাদিজা নতুন শ্রমিকদের কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন।


কারখানার সঙ্গেই লাগোয়া খাদিজার কার্যালয়। সেখানে বসেই তিনি হিসাব-নিকাশ দেখভাল করেন। ওই কার্যালয়ে বসেই জীবনসংগ্রামের গল্প শোনান খাদিজা ইসলাম। খাদিজা ইসলাম বলেন, ‘আমার ব্যবসার শুরুটা একদমই মসৃণ ছিল না। শুরুতে কাউকে পাশে পাইনি। ব্যবসা করব এটা পরিবারের কেউ পছন্দ করেননি। এমনকি স্বামীও প্রথম দিকে কোনো সহযোগিতা করেননি।


ব্যাংকে ব্যাংকে ঘুরেও কোনো ঋণ মেলেনি। পরে অবশ্য আইডিএলসি ফাইন্যান্স তাঁকে ঋণ দেয়।’ উদ্যোক্তা খাদিজা ইসলাম এখন মাসে কর্মীদের বেতন, অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পরও কয়েক লাখ টাকা মুনাফা থাকে তাঁর। খাদিজা বলেন, চেষ্টা ও ইচ্ছে থাকলে সফল হওয়া যায় যেকোনো সংগ্রামে। তবে ব্যবসার শুরুতে যদি ব্যাংকের কাছ থেকে সহজে ঋণ পাওয়া যায়, তাহলে উদ্যোক্তাদের সংগ্রামের পথ কিছুটা হলেও মসৃণ হবে। 

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো।

কপি
পেস্ট

 

কুসংস্কার সমুহ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

~কুসংস্কার~


ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি আসে,

মোরগ ডাকলে ভোর।

কুকুর ডাকলে লেজ গুছিয়ে,

ছিটকে পালায় চোর।।

.

পেঁচা ডাকলে অশুভ হয়, 

শকুন ডাকলে মরণ।

হঠাৎ কোন বিপদ নাকি,

কাকের ডাকের কারণ।।

.

পাখি ডাকলে কুটুম আসে,

মিষ্টি হাতে নিয়ে।

বৃষ্টির মাঝে রোদ হাসিলে,

শেয়াল মামার বিয়ে।।

.

সত্য-মিথ্যা যাচাই করি,

টিকটিকির টিক ডাকে।

বউ পাগল হয় সেই ছেলেটা, 

ঘাম থাকে যার নাকে।।

.

হঠাৎ করে চোখ কাঁপিলে,

দুঃখ আসে বটে।

বসা নাকি যাবে না ঐ,

ঘরেরই চৌকাটে।।

.

যাত্রা নাকি অশুভ হয়, 

দেখলে ঝাড়ু পথে।

কাড়িকাড়ি টাকা আসে,

চুলকালে ডান হাতে।।

.

খাবার সময় উঠলে হাঁচি,

কেউতো স্মরন করে।

দুইবার ভাত না নিলে,

তার অকালে বউ মরে।।

.

ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখিতে 

মুরুব্বিদের মানা।

কুসংস্কারে আমরা আজও,

চোখ থাকিতে কানা।।

.................★★★................ 

কপি
পেস্ট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 🔴 *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর* জীবনে যত দুঃখ বহন করেছেন তা পৃথিবীর আর কোন সাহিত্যিকের জীবনে ঘটেছে বলে জানা নেই। 

১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।
২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান। 
৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী। 
৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯, মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ। 
৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু স্কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে। 
৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। 
৭. ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু। 
৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l 
৯. ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন। 
১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার। 
১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে। 
১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি। 
১৩. শান্তিনিকেতনে সাক্ষাৎ করতে এসে কেউ কবিকে বলছেন, রবিবাবু আপনি কি এখনো কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি? মানে অতোগুলো টাকা পাওয়ার পর আবার কেউ লেখে নাকি! অথচ অনেকেই জানেননা, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটা প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ যখন কবিকে দেন তখন কবির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ যাক, ওই টাকায় এবার বিশ্বভারতীর সেচখাল কাটার সংস্থানটা হবে’। যারা কবি বা লেখক তারা সকলেই সমাজের কাছে একটা স্বীকৃতি চায়, রবীন্দ্রনাথ বহুদিন সেটা বাঙালি সমাজের কাছে পাননি। তাই নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁকে যখন সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘আমি এই সম্মানের পাত্রকে ওষ্ঠ পর্যন্ত তুলব কিন্তু গলা পর্যন্ত যেতে দেবনা’। কতবড় অভিমান ও দুঃখ থাকলে এ কথা বলা যায়! 
১৪. রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন, 'পৃথিবীতে এসে যে ব্যক্তি দুঃখ পেলনা, সে লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে সব পাওয়া পেলনা’। বারেবারে মৃত্যু-দুঃখ-অপমান রবীন্দ্রনাথকে শাণিত করেছে সৃষ্টিপথে, নির্মোহ করেছে জগৎসংসারে, নস্টালজিক করেছে ক্ষণেক্ষণে। তাই তিনি বলতে পেরেছেন, ‘ আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে’। আমরাও যেন সদা তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারি, “ মনেরে আজ কহ যে/ ভালো মন্দ যাহাই আসুক/ সত্যরে লও সহজে”।

কপি
পোস্ট 

জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন পদ্ধতি,,, ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তনের পদ্ধতিঃ 


জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য আপনি যেই এলাকার ভোটার, সেই এলাকার সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সংশোধন ফরম-২ এ আবেদন করতে হবে। 

ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য সরকারি ফি বাবদ ২৩০/- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এই ফি বিকাশ/রকেট এর মাধ্যমে NID Info Correction এপ্লিকেশন টাইপে জমা দেয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত ফি এখন আর সোনালী ব্যাংকে বা চালানের মাধ্যমে জমা দেয়া যায় না। 

আপনার আবেদনের পরে সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি আপনার ছবি তোলা হবে ও স্বাক্ষর নেয়া হবে এবং তা সার্ভারে প্রেরন করা হবে অনুমোদনের জন্য। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন "খ" ক্যাটাগরির বিধায় তা সাধারণত সংস্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার অনুমোদন করে থাকেন। 

ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে আপনাকে তা এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং আপনি অনলাইন থেকে NID কার্ডের কপি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে নতুন ছবি সংবলিত লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। উল্লেখ যে, পূর্বে ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানানোর সুযোগ না থাকলেও বর্তমানে এসএমএস দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

কপি
পোস্ট

 

স্বামী গরিব হলে

স্বামী গরীব হলে

.

নারী সাহাবিদের রীতি ছিল, যখন তাঁদের কারও স্বামী ঘর থেকে বের হতো, তিনি স্বামীকে বলতেন, ‘হারাম উপার্জন থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকবেন। কারণ, ক্ষুধা লাগলে আমরা তা সহ্য করতে পারব; কিন্তু জাহান্নামের আগুন আমরা সহ্য করতে পারব না।’ 

.

কিন্তু বর্তমানে বহু নারী এমন আছে, যে তার স্বামীর আর্থিক সংকটে ধৈর্যধারণ করে না; বরং তার কাছে এমন কিছু চায়, যার সামর্থ্য সে রাখে না। তাহলে স্বামী বেচারা কী করবে? সে কি চুরি করবে বা ঘুষ নেওয়া শুরু করবে? স্ত্রী এটা বোঝে না যে, ধৈর্য ঈমানের অঙ্গ। শুধু তাই নয়, ধৈর্যশীলদের আল্লাহ অফুরন্ত ও বেহিসাব প্রতিদান দেবেন। 

.

কাজেই প্রিয় বোন, তুমি এমন স্ত্রী হও, যে বিপদের বিরুদ্ধে স্বামীকে শক্তি জোগায়; স্বামীর বিরুদ্ধে বিপদকে শক্তি জোগায় না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীটি ভালো করে মনে রেখো : ‘আদমসন্তানের সৌভাগ্যের উপকরণ তিনটি, আর দুর্ভাগ্যের উপকরণও তিনটি। সৌভাগ্যেরগুলো : সতী নারী, উত্তম বাসস্থান ও উত্তম বাহন। আর দুর্ভাগ্যেরগুলো : অসতী নারী, নিকৃষ্ট বাসস্থান, নিকৃষ্ট বাহন।’ (আহমাদ)

.

'দাম্পত্যের ছন্দপতন' বই থেকে

কপি

পেস্ট 

১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম?,,,,chinmoy ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম? আমার উত্তর হলো, হ্যাঁ। দেখুন, সময়, ঘড়ি, দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর ~এই জিনিসগুলো ...