এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২
সুন্নী সমাজ কল্যাণ পরিষদ ফেইসবুক পেইজ
আসমান ও জমিনে সংগঠিত ১ম পাপের নামের হলো হিংসা, হিংসুক আলেমদের কারণেই যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
--------------------------------------------
২০০১ সালে সীতাকুণ্ড থানাধীন লতিফপুর গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরিকত আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ মা:জি: আ:,
প্রধান বক্তা ছিলেন শায়খুল হাদীস, দেশবরেণ্য আলেম,অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর মা: জি: আ:, বিশেষ বক্তা ছিলেন মাওলানা আবুল আসাদ মুহাম্মদ জুবাইর রেজভী, সেই মাহফিলে আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর হুজুরের অসাধারণ আলোচনা হাজারো যুবকদের সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠায় উজ্জীবিত করেছিল, তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম একজন। তৎকালীন সময়ে হুজুর কেবলার সাথে অধিকাংশ মাহফিলে আল্লামা জুবাইর হুজুর থাকতেন মূখ্য আলোচক, উনার অসাধারণ আলোচনা ও দিকনির্দেশনা যুব সমাজকে এক্বামাতে দ্বীনের আন্দোলনে উজ্জীবিত করতো। উনার প্রতি যুব সমাজের ভালোবাসা, অকুণ্ঠ সমর্থন, অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও চতুর্দিকে জুবাইর জুবাইর জয়গান সহ্য করতে না পেরে "তিন মারওয়ান " এর চক্রান্তে গুটিকয়েক হিংসুক আলেম ২০০৩ সালে উনার দিকে কুফরি ফতোয়ার বিষাক্ত তীর ছুড়ে মারে, যাতে আল্লামা জুবাইর রক্তাক্ত হয়ে ময়দান হতে ছিটকে পড়ে যায়, আল্লাহর রহমতে তিনিইতো ছিটকে পড়েননি বরং চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহের নেতৃত্বে সুন্নীয়তকে নির্বাচন কমিশন হয়ে গণভবন ও বঙ্গভবন পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। আর ফতোয়া দাতা অভিশপ্ত হিংসুক আলেমরা এক অপরকে কাফের, মাতাল, শিয়া, খারেজি, রাফেজী বলে সম্বোধন করে নিজেরা নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি করছে এই যেন আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর হুজুরের জীবন্ত কারামত। তারা নিজেদের পক্ষে মাঠ ধরে রাখার জন্য সত্যের পক্ষে অবস্থানকারী বাংলাদেশ সরকার কতৃক একমাত্র নিবন্ধিত সংগঠন বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দ ও কর্মী বাহিনীকে ঘায়েল করতে জামেয়া ও হুজুর কেবলা বিদ্বেষী বলে মাঠে মিথ্যা অপ্রপ্রচার করছে যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মনে রাখুন সুন্নী মুসলমান আমরা কেউ হুজুর কেবলা ও জামেয়া বিদ্বেষী নয়, বরং যারা জামেয়া ও হুজুর কেবলার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি হাসিলে হীন ষড়যন্ত্র করছে, অতিরঞ্জন, অতিবাড়াবাড়ি ও ভণ্ডামি করছে আমরা তাদের বিরোধী। আমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদাকে ধারণ করে খেলাফতের আদলে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনে জান ও মাল উৎসর্গ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শুধু জামেয়া নয় রূপসা থেকে পাথুরিয়া টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এর আকিদায় বিশ্বাসী যত মসলক, যত দরবার, যত হক্কানি পীর মশায়েখ ও সাধারণ মানুষ আছে ওনারা সবাই আমাদের ভাই ওনাদের সবাইকে নিয়েই আমরা সুন্নীয়ত ও খেলাফত প্রতিষ্ঠায় করতে চাই।
লিখক
মাওলানা মুহাম্মদ জিয়াউল হক বিপ্লবী
খতিব
বলিরহাট পাক নূর শাহী জামে মসজিদ। দপ্তর সম্পাদক
বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত চট্টগ্রাম মহানগর। তারিখ ৩০ - ১০ ২০২২
কপি
পেস্ট
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০১ মঙ্গলবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(০১-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* জাতীয় যুব দিবস-২০২২ উদ্বোধন করে সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় খাদ্য প্রস্তুত ও প্রক্রিয়াকরণে যুবদের সম্পৃক্ত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।
* বিএনপিকে নিয়েই দেশবাসী বিপদে আছে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।
* বঙ্গবন্ধুর সাজাপ্রাপ্ত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিকল্প উপায় অনুসন্ধানের জন্য কানাডার প্রতি বাংলাদেশের আহবান।
* দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডাক্তার জুবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।
* করদাতাদের নির্বিঘ্নে আয়কর রির্টান জমা দেওয়ার সুবিধার্থে দেশে আজ থেকে শুরু হলো করা সেবা মাস।
* গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৮ জনে।
* ইউক্রেনে ডার্টি বোমা তৈরির ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে আইএইএ।
* এবং ঢাকায় সাফ নারী অনুর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানকে ৮-০ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা।
কুয়াকাটা মোল্লা পরিবহন বয়কট করুণ,, খবর পটুয়াখালী
কুয়াকাটাসহ দক্ষিণের যেসকল যাত্রীরা ঢাকায় আসেন তাঁরা নিরাপত্তার সার্থে "মোল্লা এক্সপ্রেস" পরিবহনকে বয়কট করুন।
কারন......
গত ৩০ অক্টোবর (রবিবার) কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা মোল্লা এক্সপ্রেস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫৮৮-০৮) রাত ৪টায় ঢাকায় পৌছায়। কিন্তু বাসটি সায়েদাবাদে সকল যাত্রীদের নামানোর কথা থাকলেও তার আগেই জনপদ মোড়ে নামিয়ে দেয়।
গাড়িতে থাকা প্রায় ২৫-৩০ জন যাত্রী মহিলা বাচ্চা সহ এবং অনেক ব্যবসায়ী রয়েছেন তারা সবাই ড্রাইভার ও হেলপারকে বার বার অনুরোধ করে যে আমাদেরকে আর ১ঘন্টা গাড়িতে থাকতে দিন তারপরে নামিয়ে দিন বা সায়দাবাদ টার্মিনালের ভিতরে নিয়ে নামিয়ে দিন কিন্তু তাঁরা কারো কথার ধার দারি না ওখানেই নামতে হবে। কারন হিসাবে জানতে চাইলে তারা বলেন ঢাকায় ঢোকবার পারমিশন নেই আমাদের। একপর্যায়ে কেউ না নামলে গাড়িটাকে ঘুরিয়ে তারা অন্যকোথাও চলে যাচ্ছিলো (সকল যাত্রী নিয়ে) শেষমেশ সব যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাথে সাথে নেমে যায় পরবর্তীতে সকল যাত্রী একটি চরম দুর্ভোগে পরে কেউ কেউ আবার সকাল হওয়া পর্যন্ত রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে ছিল। নেমে যাওয়া যাত্রীদের অনেকেই ছিল কুয়াকাটায় ব্যবসায়ী যারা সবচেয়ে বেশী নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছিল।
(কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলোর অনেক যাত্রীই সকাল না হওয়া পর্যন্ত বাসের মধ্যেই অবস্থান করে আর এটা আজকে নতুন না কিন্তু সেখানে যদি বাস স্টাফদের আচরণ হয় এইরকম তাহলে যেকোনো ধরনের বড় দূর্ঘটনার শিকার হতে পারেন আপনি তাই ঘটনাটি শেয়ার করলাম আপনি সতর্ক হোন, নিজের নিরাপত্তার খেয়াল রাখুন)
কপি
পেস্ট
ফেসবুক শিক্ষামূলক গল্প
একজন ব্যক্তি আগুনের শিখার মধ্যে একটি সাপকে পুড়তে দেখে সেটিকে উদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নেয়....!!!তিনি সাপটি ধরতে না ধরতেই সাপটি তাকে কামড়ায় এবং এটি ব্যক্তিটির যন্ত্রনাদায়ক ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়....!!!
ব্যক্তিটি তৎক্ষনাৎ সাপটিকে ফেলে দেয় এবং সাপটি আবারো আগুনের শিখায় পুড়তে থাকে
এসময় লোকটি চারদিকে তাকায় এবং একটি ধাতব লাঠি খুঁজে পায়।সাপটি বাঁচাতে তিনি এ লাঠিটা ব্যবহার করেন.....!!!!
আরেক জন ব্যক্তি যিনি আড়ালে ঘটনাটা দেখছিলেন তিনি লোকটির কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন এই সাপটি আপনাকে কামড়ালো!তারপরও কেন তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন.......???
তখন সে লোকটি তাকে জবাব দেয় "সাপের স্বভাব কামড়ানো,তবে তাতে আমার স্বভাব পরিবর্তন হবে না আর আমার স্বভাব হচ্ছে সাহায্য করা.......!!!!
কারো আঘাতের কারনে আপনার স্বভাব পরিবর্তন করবেন না আপনার মনের পবিত্রতাকে হারাবেন না
সাবধানতার সাথে কাজ করতে শিখুন.......!!!!
আমাদের চার পাসে সাপের মতো একদল মানুষ আছে যারা আপনাকে সুযোগ পেলেই কামরাতে (ক্ষতি করার) চেষ্টা করবে.....!!!
তার জন্য আপনি আপনার স্বভাব পরিবর্তন করে তার ক্ষতি করার দরকার নেই......!!!
তার প্রাপ্য সৃষ্টিকর্তা সময় মতো বুঝিয়ে দিবেন। আপনি শুধু একটু অপেক্ষা করুন.......!!!!
সংগ্রহীত
কপি
পেস্টে
সংবাদ পরিক্রমা বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০১ মঙ্গলবার রাত এগারোটা
তরুণ প্রজন্মই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রতিনিধিত্ব করবে -স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দিবে৷ প্রযুক্তি আমাদের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে৷ ডিজিটাল প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের বড় চ্যালেঞ্জ৷
আজ রাজধানীর সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ প্রজ্ঞনে চেতনায় মুজিব কেন্দ্রীয় পরিষদ আয়োজিত “নতুন প্রজন্মের ভাবনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা” শীর্ষক আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন৷
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জ্ঞান অর্জন আমাদের সবাইকে মানুষ হিসেবে শাণিত ও সম্বৃদ্ধ করে৷ নতুন প্রজন্মের জন্য জ্ঞান অর্জনের পথ আরো সহজ হয়েছে৷ এখন স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের মাধ্যমে দুনিয়ায় যেকোনো বই পড়া সম্ভব৷ একই সাথে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিষয়ে খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে৷
মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য জাতির পিতা সারাজীবন লড়াই-সংগ্রাম ও আন্দোলন করেছেন। বঙ্গবন্ধু মানুষকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতেন। তাঁর চিন্তা-চেতনায় ছিলো মানুষের কল্যাণ। একই ভাবে তাঁর সন্তানরাও সেই মানসিকতা নিয়ে বড় হয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯-২০২২ সালের মধ্যে মাথা পিছু আয় ২১০০ ডলার বেড়েছে। মানুষের এই উন্নতি সারা পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে গোটা জাতিকে বিভক্তি করার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জয় বাংলা স্বাধীনতার স্লোগান। বাংলাদেশের জন্মের স্লোগান। আমাদের এই স্লোগানকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। যারা বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে অস্বীকার করে, জয় বাংলা বুকে ধারণ করে না। এই গোষ্ঠী দেশের স্বাধীনতাকে কখনোই মনে প্রাণে মানে না। এই দেশে যারা জয় বাংলা মানে না তারা বাংলাদেশকে মানে না৷ এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের গভার্নিং বডির সভাপতি মহি উদ্দিন আহমেদ৷ এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্তশসহ কলেজের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২
আজব প্রাণী,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ছেলেঃ কি এটা
মেয়েঃ বিয়ের কার্ড
ছেলেঃ বিয়ের কার্ড মানে কি? কার বিয়ে??
মেয়েঃ আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে..
ছেলেঃ বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে মানে কি? দেখ সব বিষয়ে মজা করা ঠিক না তুমিতো জানো কতটা ভালোবাসি তোমায় ..আর মজা করিওনা বলে ছেলেটি মেয়েটিকে জরিয়ে ধরে।
মেয়েঃ আমি মজা করছিনা সত্যি আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে ..প্লিজ তুমি আমায় ভূলে যাও বলে ছেলেটিকে নিজের থেকে সরিয়ে দেয়।
ছেলেঃ আচ্ছা মানলাম বিয়ে, তাহলে চলো আমরা বিয়ে করে নেই তুমিতো বলেছিলে আমার একটা জব হলে আমরা বিয়ে করে নিবো,,,
মেয়েঃ (রেগে) কি ভাবে ভাবলে আমি তোর মতো দুপয়সার একটা ছেলেকে বিয়ে করবো। তুই জানিস যার সাথে আমার বিয়ে ঠিক হইছে সে সরকারি জব করে যার এক মাসের সেলারি এক লাখের ও বেশি।
ছেলেঃ ঠাসসসসসসস করে একটা চড় বসিয়ে দিয়ে বল্লো আমার ভাবতেই লজ্জা করছে ..আমি তোর মতো একটা বেইমানরে এত ভালোবেসেছি ছিঃ
মেয়েঃ চুপ,,,
ছেলেঃ আগামি মাসে বিয়ে তোর,, ওকে আমি এই মাসে তোর থেকেও ভালো মেয়ে বিয়ে করে দেখিয়ে দিবো তোকে,, ইস মাই চেলেন্স বলে ছেলেটি চলে গেলো।
মেয়েঃ এইখানে দাড়িয়ে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে।
ছেলেটি ঠিকি মেয়েটির বিয়ের পাঁচ দিন আগে অনেক সুন্দর দেখে একটি মেয়েকে বিয়ে করে। আর মেয়েটিকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে দেয়। তারপর এই শহর ছেড়ে অনেক দূরে চলে যায়।
তাদের তিন বছরের প্রেম এখানেই ইতি টানে। ওরা একে অপরকে খুব ভালোবাসতো আর বিয়েও করবে বলে ঠিক করেছিলো। কিন্তু মেয়েটি এত বড় বিশ্বাস ঘাতকতা করবে ছেলেটি বুঝতে পারেনি তাই রাগে অভীমানে অনেক দূরে চলে যায় নতুন করে সংসার শুরু করে।
কেটে গেলো পাঁচটা বছর ছেলেটির আজ সেই মেয়েটির কথা খুব মনে পড়ছে বলে ওকে আনব্লক করে দিতেই,, মেয়েটির আইডি থেকে নোটিফিকেশন আসে যা দেখে ছেলেটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
কারন আজ মেয়েটির পাঁচ তম মৃত্যু বার্ষিকী।
জ্ঞান ফিরে তার মানে কি, সেদিনের কথা মনে করে
ছেলেটি নিজেকে সামলে,, মেয়েটির আইতে ঢুকে সেখানে মেয়েটির পাঁচ বছর আগের স্ট্যাটাস গুলো দেখে ছেলেটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
সেখানে লেখা ছিলো,, জানি তুমি আমার ওপর খুব রাগ করেছো কিন্তু কি করবো বলো,, এছাড়া যে কোন উপায় ছিলো না,, আমি এভাবে না বললে যে তুমি কখনো আমায় ছেরে যেতে না।
খুব ইচ্ছে ছিলো তোমার বউ হবো,, কিন্তু জীবন আমায় সেই সুয়োগ দিলো না,, এক মাস আগে জানতে পারি আমার ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে আর হাতে বেশি টাইম নাই।
প্রিয় তোমাকে খুব দেখতে মন চাইছে।
সমাপ্ত
কপি
পেস্ট
কেরালা নিয়ে মুন্নিসাহার ফেইসবুকে লেখা
কেরালার munner নিয়ে গুগলে যতগুলো লেখা পড়েছি, প্রায় সবটাতেই একটা লাইন ছিলো----mystrious munner. চলতি পথে পড়েছি, আর মেলানোর চেষ্টা করেছি, মিস্ট্রি কই?
অরুন্ধতির'র GOD OF SMALL THINGS, যে বয়সে পড়েছি, সে সময়তো আর এত তামিল মুভি, মালাাইলাম মুভি, হিন্দি মুভিতে কেরালা দেখা ছিলো না। কিন্ত্ত, তাঁর ছোট্ট ছোট্ট বাক্য, শব্দ যে মাথার মধ্যে একটা জলে ভেজা তাজা- সবুজ সিনেমা গেঁথে দিয়েছে, সেই মিস্ট্রিটা একটু অনুভবের লোভ হলো যখন fly far ladies নামে একটি ট্যুর অপারেটর ওদের পেজ এ 'Kerala tour' এর ঘোষনা দিলো। সহকর্মী srabani jally আর আঁখি ভদ্র আগেই রেজিস্ট্রেশন করে ফেললো। আমি 'দোনো- মনো'! যাবো? সা আ আ --- ত দিন? কাজ বাজ এর বাইরে, আমার অরুন্ধতির কেরালা, * শশী থারুর এর কেরালা, সবুজের রহস্যের কেরালা দেখতে গিয়ে আবার বোরড হবো না তো? আঁখি - জলি আমার সহকর্মী। অনেক ছোটো ওরা। ওদের সঙ্গ আমার ভাল লাগে। সদা আনন্দময়ী। ওদের উচ্ছাস দেখে আবার লোভ হলো, মিস্ট্রির অংশতো সরল আনন্দও।
Fly far ladies এর সিইও নুসরাতের সাথেও আমার কিভাবে যেন সখ্যতা হয়ে গেছে। মুখে কঠিন একটা ভাব রেখে অনবরত witt করা একটা মেয়ে। যতটুকু এ ছোট্ট মেয়েটাকে দেখেছি, মনে হয়েছে অনেক দূর যাবে। তাই নাম দিয়েছি fly far opi!
বন্ধু মাসুদা ভাট্টি আমার কেরালা ট্রিপ এ বুকিং দেয়ার কথা শুনে বারবার বলছিলো, শোন্... তুই কিন্তু যাবি, ক্যানসেল করবি না। মেয়েদের গ্রুপ, দারুন দারুন সব গল্প পাবি, জীবনের ভান্ডারে কিছু জমবে।
মাসুদার কথায় সিদ্ধান্ত পোক্ত হলো। বাকী টাকাটা দিয়ে দিলাম।
ওহ! একটা কথা বলে রাখি--- ফেসবুকে কেরালায় আমাদের ছবি দেখে, প্রায় সবাই ধরে নিয়েছেন যে, আমাকে fly far ladies , স্পন্সর করে নিয়ে গেছে, ওদের সাফাই গাইতে হবে। ওদের dealing এ অনেক ঝামেলা, কেউ কেউ cheated, কেউ প্রতিশ্রুত রিফান্ডের টাকা ফেরৎ পাননি, সব ট্রিপে খাওয়া-খারাপ হোটেল , খরচ কমানোর জন্য লম্বা রুট এবং সর্বোপরি কোনো অভিযোগ করলে, FLY FAR LADIES এর এ্যারোগেন্সি --- তা নিয়ে যাতে কেউ কিছু বললে বা লিখলে, কুমিরের ছানার মতো আমাকে দেখিয়ে দেয়া যায়, সে করনে আমাকে ধরে নিয়ে গেছে। যারা এমনটা ধরে নিতে পারেন, তাদের কে আমি করুণা করি। তারা এতদিন নানা কিছুনিয়ে বিকৃত আনন্দ পেয়েছে, এখন থেকে আমাকে জড়িয়ে fly far ladies কে নিয়েও নতুন সাবজেক্ট বানাবে, সেটুকু দায় তো আছেই।
সে দায় থেকে অধিকারবোধ - তার সাথে ভালবাসা মিশিয়ে কেরালায় গিয়ে প্রথম ধাক্কায় গ্রুপেই সব অব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ করেছি। কেরালা বসেই ইনবক্সে, পরিচিত - অপরিচিত জনদের যে সব অভিযোগ পাচ্ছিলাম, সবই নিজেরাই হাতে কলমে পেয়েছি, fly far ladies এর কেরালা ট্যুর এ। আঁখি- জলির আফসোস --- অপি জানে দিদি আসতেছে কেরালায়, এত মিস ম্যানেজমেন্ট না করলেও পারতো! ৭ দিনের মধ্যে প্রায় আড়াই দিনই প্লেনধরা - ফ্লাইটে থাকা রুট নেয়াটা অপি না করলেও পারতো!
আমি শুধরে দেই, 'দেখো... আমিও কিন্তু এই ২০ জানের মতো একজন। পার্টিসিপেন্ট। গেস্ট না। দয়া করেও আনেনি'!
'প্রফেশনালিজম' টা এক্সপেরিয়েন্স থেকে আসে, আর এক্সপেরিয়েন্সের শিক্ষক হলো "সময়"। অবশ্যই শিক্ষার্থীকে "খাস - নিয়তে" সময়ের কাছ থেকে শিক্ষাটা নিতে হবে। এই ক্লাসে কিন্তু নিয়তের সঙ্গে লোভ ও ক্লাস করে...! গুরু হলো, 'মহা সময়'-। মহাসময়, 'খাস নিয়তের মানুষকে' দেয় অভিজ্ঞতা খ্যাতি- এবং স্বচ্ছলতা। আর 'লোভী' পাবে- কড়কড়ে টাকা। দ্রুত... খুবই দ্রুত।
এই অদ্ভুত ক্লাসের একজন 'চির শিক্ষার্থী' আমি আমার বন্ধু বা পরিবার ( F&F) দের 'নিয়তে'র দলে নিতে চাই। স্বার্থ অবশ্যই আছে... সাফ ফুটবলে সোনাজয়ী মেয়েদের V সাইন দেখানোর দৃশ্যটি চারিদিকে, সব সেক্টরে - সব কিছুতে একদিন তাকালে দেখতে পাবো, সে স্বার্থ!
যাই হোক, বলছিলাম কেরালার মিস্ট্রি'র কথা! মিস্ট্রি বোধহয়, লিখে বোঝানো যায় না! মিস্ট্রি হলো একটা বলয়। আকাশ - বাতাস - পাহাড়ের মেঘ ভেজা সবুজ এবং দম্ভহীন মানুষের হাসি, সাহায্য করার প্রবনতা।
আমার কাছে কেরালা মিস্ট্রিটা কোনো কিছুর সাথে তুলনীয় নয়।
কাজের সুবাদে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সিচ্যুয়েশনে যাবার সামান্য অভিজ্ঞতা নেয়া এই আমিই, সহকর্মী আঁখিকে বললাম--" আঁখি রে, কেরালা একটু under rated! কেমন একটা আপন আপন ফিল দেয় অদ্ভুত সুন্দর প্রকৃতি। এ সৌন্দর্যের কোনো দম্ভ নেই, আর্টিফিসিয়্যালি কিছু দেখানোর প্রবনতা নেই, হা পিত্যেশ নেই- খাই খাই নেই... শত তুচ্ছের আড়ালে সহজাত, সরল সৌন্দর্যের মহাকাশ টা যেন চাদর হয়ে জড়িয়ে আছে। কেরালার ট্যাগ লাইন -- GOD'S OWN VILLAGE, সেই চাদরের কোনায় লেখা। এই চাদরের 'ওম্' বোঝার জন্য আগে তৈরী হতে হয়, তারপর 'ওম' নিতে হয়। ঈশ্বরের নিজের গ্রাম বলে কথা!
কপি
পেস্ট
ঘুমন্ত মানবতা,,,,ফেইসবুক গল্প,,,,,,,
সকালে বাবাকে মেসেজ দিয়ে জানালাম," বাবা আমার নতুন বই আসছে।"
বাবা কোনো জবাব দিলো না! আমার একটু খারাপ লাগছে! বাবা তো বই বের করার জন্য অনেকবার বলেছে। আজ মনে হলো একটুও খুশি হয়নি।
মোবাইল টোবাইল সব বন্ধ করে চলে গেলাম এক বন্ধুর বাসায়।
আমাকে দেখে বন্ধু বেশ খুশি হলো! নতুন বই বের হচ্ছে শুনে শুভেচ্ছা জানাল।
দুই বন্ধু মিলে আড্ডা মারছি। বন্ধুর বাসায় আজ কেউ নাই। সবাই কোথায় যেন ঘুরতে গেছে।
সারাদিন কেটে গেল মুভি দেখে। দুপুরে ফ্রিজ রাখা খাবার খেলাম। মুভি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছি।
ঘুম ভাঙলো বন্ধুর ডাকে, "উঠ তাড়াতাড়ি। "
"তোদের বাসায় যেতে হবে।"
মনে হয় বাবা ওকে কল দিয়েছে। বুঝতে পারছে মনে হয় আমার মনখারাপ হয়েছে।
বন্ধুর সাথে বাসায় আসলাম। বাসায় অনেক আত্মীয় স্বজন এসেছেন। বাবা মনে হয় সবাইকে খবর দিয়েছেন। এখন বুঝতে পারছি বাবা ঠিকই খুশি হয়েছেন।
বাসার ভিতরে ঢুকে দেখলাম ছোটো বোন দাঁড়িয়ে আছে। আমি ডাকলাম ঠোঁট বাঁকিয়ে চলে গেল!
আমার বন্ধু রাসেল এসেছে । আমাকে দেখে ঠোঁট টিপে হাসছে!
"কী রে তুই কখন আসলি?"
"আসছি অনেকক্ষণ। আয়। "
আমার রুমে গেলাম ওর সাথে। রুমে গিয়ে দেখি একটা মেয়ে বসে আছে।
"আপনি কে?"
মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "আমি সুমি।"
"আমার রুমে কী করেন?"
আমি এসেছিলাম বাসা ভাড়া নেয়ার জন্য। আপনাদের বাসায় আসার সাথে সাথে একজন মহিলা গেট খুলে বললেন, "এসো ভিতরে। "
আমি কিছুই বুঝার আগেই আমাকে আপনার ঘরে এনে বসাল। তারপর একজন করে আসছে আর দেখে যাচ্ছে। আমাকে কিছুই বলতে দিচ্ছে না।
শুধু মহিলা কঠিন করে বললেন, "চুপ করে ঘরে বসে থাক। আমি সব ব্যবস্থা করছি। গাধাটা মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে! কোথায় গিয়ে বসে আছে কে জানে?"
বন্ধু বলল, "তুই আংকেল কে কী মেসেজ দিয়েছিস?"
"আমার নতুন বই আসছে এটা জানিয়েছি।"
"দেখি মোবাইলটা দে তো।"
আমি মেসেজটা বের করে দেখালাম।
"আমার নতুন বউ আসছে!"
কপি
পেস্ট
ফজরের সালাতের দশটি ফজিলত,,,,,,,কোরআন ও হাদিসের আলো ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত....!
এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবে না । “ইনশাআল্লাহ্”
০১. ‘ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী’ কেননা রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন,
“মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর”
[বুখারী — ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪ এবং মুসলিম — ৬৬১]
০২. রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়” । অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন ।
[সহিহ মুসলিম এবং তিরমিজি — ২১৮৪]
০৩. রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে”
[বুখারী এবং মুসলিম]
০৪. রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে, আল্লাহ তায়ালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন” ।
[সহিহ মুসলিম — ১০৯৬]
০৫. রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন” ।
[আবু দাউদ — ৪৯৪ এবং তিরমীযি]
০৬. “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,
আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন” । অথাৎ – সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে ।
[বুখারী — ৫৭৩]
০৭. “যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবে না ।
[সহিহ মুসলিম — ৬৩৪]
০৮. “ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন” ।
[সুনানে আবু দাউদ এবং মুসনাদে আহমাদ]
০৯. “ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম” ।
[জামে তিরমিজি — ৪১৬]
১০ “ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে ও প্রফুল্ল হয়ে যায়” ।
[সহিহ বুখারী এবং সহিহ মুসলিম]
আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের
ভাগীদার করুন ।
কপি
পেস্ট
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন
নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...