এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

বাড়ির টবে লাগান এলাচ গাছ, ফলন হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতি,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাড়ির টবে লাগান এলাচ গাছ, ফলন হবে দুর্দান্ত, শিখে নিন বিশেষ পদ্ধতি। 


সুগন্ধি মশলা হিসেবে এলাচের (Cardamom) বেশ খ্যাতি রয়েছে। অনেকেই বাজার থেকে এলাচ কিনে থাকেন। তবে বাড়িতেও সহজেই এই মশলা চাষ করা সম্ভব। এটি যেমন রান্নার কাজে লাগবে তেমনি এলাচের গাছ বাড়ির শোভাও বৃদ্ধি করবে।


এলাচ যে শুধুমাত্র স্বাদ এবং গন্ধেই ভরপুর তাই নয় এর মধ্যে পুষ্টিগুণও বর্তমান। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাড্রেট, কোলেস্টেরল, ক্যালোরি, ফ্যাট, ফাইবার, নিয়াসিনের মত উপাদান। হৃদযন্ত্রের জন্য এলাচ খুব উপকারী। এছাড়া সর্দি কাশি কিংবা ফুসফুসের সমস্যা এবং রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এলাচ হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি এলাচের খাদ্যগুণের কারণে ক্যান্সারের অনেক কোষ বৃদ্ধি পায়না। বাড়ির সাধারণ পাত্রেই এলাচ চাষ করা সম্ভব। কারণ এলাচ গাছ তেমন বড় হয় না।


১. বাজার থেকে এলাচের বীজ পাওয়া যাবে।এলাচের বীজ মুলত সাধারন এলাচই। তবে সবুজ ভাব এলাচ হলে চারা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিনে নিয়ে আসার পরে একটি বায়ুরোধক পাত্রে সারারাত বীজগুলিকে ভিজিয়ে রাখতে হবে।


২. বীজ থেকে চারা বের করার জন্য একটা পাত্রে বীজ জলের মধ্যে ভিজিয়ে রেখে এর মধ্যে কালো এবং লাল মাটি মেশাতে হবে। তবে এর পরিবর্তে গোবর ব্যবহার করা যেতে পারে। ১৫ দিনের মধ্যেই চারা বড় হতে শুরু করবে।


৩. গাছে যাতে পোকামাকড় না হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ পোকামাকড়ের কারণে গাছের বৃদ্ধি বাধা পায়।


৪. সকাল এবং সন্ধ্যের সময় নিয়মিত গাছে জল দিতে হবে। এইভাবে গাছের সঠিক পরিচর্যা করলে ১ মাসের পর থেকেই গাছটি বৃদ্ধি পেতে থাকবে।


ঘরোয়া পদ্ধতিতে এইভাবে এলাচ চাষ করলে বাড়িতে বসেই এই সুগন্ধি মশলা পাওয়া যাবে।


পোষ্টটি শেয়ার করে দিন। 

যে কোন জিজ্ঞেসায় কমেন্ট করুন।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল),,,, কৃষিবিদ শুভ ইসলাম ফেইসবুক থেকে

 PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল)


জৈব-রসায়ন (Bio-Chemistry): সালোকসংশ্লেষণের সময় সুপারঅক্সাইড উৎপন্ন হয় যা কোষের ঝিল্লি এবং সাইটোপ্লাজমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে কোষের গঠন এবং ব্যাপ্তিযোগ্যতা নষ্ট হয়ে যায় ফলে আগাছা মরে যায়।


কাজের ধরন/Mode of Actionঃ

সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল কাজ করে। এখানে, সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতি উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য শর্করা তৈরি করতে হালকা শক্তি শোষণ করে। PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল সঠিকভাবে ফটোসিস্টেম  নামে পরিচিত জৈব রাসায়নিক সিস্টেমকে লক্ষ্য করে। এটি বিনামূল্যে ইলেকট্রন তৈরি করে, যা সালোকসংশ্লেষণকে পরিচালিত করে। PABL-টাটাক্সন ২০ এস এল আয়ন এই ইলেকট্রনের সাথে বিক্রিয়া করে "মুক্ত র‌্যাডিক্যাল" গঠন করে। অক্সিজেন দ্রুত মুক্ত র‌্যাডিক্যালকে সুপারঅক্সাইডে রূপান্তরিত করে। এগুলি কোষের ঝিল্লির অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড উপাদানগুলির সাথে সহজেই প্রতিক্রিয়া জানায়। এই নাটকীয় রাসায়নিক  পরিবর্তনের ফলে, ঝিল্লি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কোষের বিষয়বস্তু ফুটো হয়ে মিশে যায় এবং আরও ধ্বংসের কারণ হয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি এত দ্রুত ঘটে যে PABL-টাটাক্সন ২০ এসএল এর কোন পরিমাপযোগ্য স্থানান্তর ঘটে না।




কৃষিবিদ শুভ ইসলাম ফেইসবুক থেকে 


কৃষিতে দিনে দিনে মালচিং এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কৃষিতে দিনে দিনে মালচিং এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে, মালচিং ব্যবহারে কৃষক তার জমি থেকে আশানুরুপ ফলন পাচ্ছেন।


সবজি চাষে মালচিং ফিল্ম ব্যাবহারের সূবিধাসমূহঃ

★মালচিং ব্যবহারে জমিতে আগাছা কম হয়

★সারের অপচয় কম হওয়াতে উৎপাদন খরচে সাশ্রয় 

★গাছ দ্রুত বাড়ে এবং সুস্থ-সবল থাকতে সাহায্য করে

★সেচ কম লাগে, কমে উৎপাদন খরচ

★আগাছা কম হওয়ায় লেবার খরচ কমে যায়

★পোকামাকড় কম হওয়ায় বালাইনাশকের ব্যাবহার কমে

★আশানুরূপভাবে ফলন বাড়ে

★১ টা মালচিং পেপারে ৩ বার চাষ করা যায়


কিন্তু এই সুবিধাগুলো পেতে হলে অবশ্যই বিশ্বস্ত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অরজিনাল মালচিং পেপার ক্রয় করতে হবে, যেখানে ঠকার কোনো ভয় নেই।

ম্যাক্সিম এগ্রো ২০১৯ সাল থেকে কৃষকদের বিশ্বস্ততার সাথে উন্নতমানের  চারা এবং মালচিং পেপারসহ অনান্য কৃষি উপকরণ বিক্রয় করে আসছে।


ম্যাক্সিম এগ্রোতে মালচিং পেপার পাবেন:-

২৬ মাইক্রন

৩ ফুট x ৪০০ মিটার = ৪০০০ টাকা

৩ ফুট x ৬০০ মিটার = ৫৬০০ টাকা

৪ ফুট x ৪০০ মিটার = ৫৩০০ টাকা

৪ ফুট x ৫০০ মিটার = ৬০০০ টাকা


ম্যাক্সিম এগ্রোর উন্নত ভার্জিন মালচিং পেপার ক্রয় করতে যোগাযোগের ঠিকানা :

                              ম্যাক্সিম এগ্রো

            হাতীবান্ধা, মহাস্থানগড়, বগুড়া সদর

              চুড়ামনকাঠি বাজার, যশোর সদর 

            ময়ামারী রোড, মেহেরপুর সদর এবং

                         সাতগারী , চুয়াডাঙ্গা 


সার্বিক যোগাযোগ :  01322893377

                               01322893378

                               01300682911

                                01322893380









আমের ভালো ফলন পেতে কৃষক ভাইদের এই মূহুর্তে করণীয়: ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #আমের ভালো ফলন পেতে কৃষক ভাইদের এই মূহুর্তে করণীয়:

 

#ফলন্ত গাছে মুকুল আসার ৩ মাস আগে থেকে সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

#আমের মুকুল ফুটা অবস্থায় স্প্রে করা যাবে না।


#আমের মুকুল ফোটার শেষ পর্যায়ে কমপক্ষে একবার ও ফল মটর দানা পর্যায়ে একবার সেচ দিতে হবে

#কলম কৃত গাছের ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙ্গে দিতে হবে। এতে আম গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় ও দীর্ঘ দিন ফল দেয়।


#গাছের গোড়া আগাছা মুক্ত ও পরিস্কার রাখতে হবে।

#স্প্রে অব্যশই গাছের পাতা, মুকুল, ও ডালপালা ভালো ভবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 


#প্রথম পর্যায়ে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগেই সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক 

রিপকর্ড ১০ ইসি

সানমেরিন ১০ ইসি

কর্ট ১০ ইসি

শেফা ১০ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#সাথে 


#কার্বোডাজিম+মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক 

ক্যাম্পনিয়ন ৭৫ ডাব্লিউ পি 

ক্লাস্টার ৭৫ ডাব্লিউ পি 

কারকোজেব ৭৫ ডাব্লিউ পি

কেমামিক্স ৭৫ ডাব্লিউ পি  

যে কোন একটি ছত্রাক নাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#মুকুল আসার পরে করনীয়:

মুকুল বের হওয়ার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে হপার পোকা দমনে 

#ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক

এডমায়ার ২০ এসএল

ইমিটাফ ২০ এসএল

ইমপেল ২০ এসএল

টিডো ২০ এসএল

গেইন ২০ এসএল

যে কোন একটি বালাইনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ 

 গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। সাথে 


#অ্যানথ্রাকনোজ রোগ দমনে 


#মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক

#নেমিস্পোর ৮০ ডাব্লিউ পি 

#এগ্রিজেব ৮০ ডাব্লিউ পি 

#ট্রাইকোজেব ৮০ ডাব্লিউ পি 

#কাফা ৮০ ডাব্লিউ পি 

#ইন্ডোফিল এম ৪৫ 

যে কোন একটি ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।  


উপরিউক্ত বালাইনাশক সমূহ স্প্রে করার ২-৩ দিন পরে সলুবর বোরন লিটারে ১.৫ গ্রাম হারে এবং  

চিলেটেড জিংক লিটারে ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে করতে হবে।


#ফল মটরদানা/মার্বেল আকৃতি ধারণের পরে:

ফল ঝরা রোধে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে ফল মটরদানা অবস্থায় একবার এবং মার্বেল আকৃতির হলে দ্বিতীয়বার বার স্প্রে করতে হবে।


প্রাথমিক পর্যায়ে আমের উইভিল ও ফলছিদ্রকারী পোকা দমনের জন্য 

#ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক #নাইট্রো ৫০৫ ইসি

#সাবসাইড ৫০৫ ইসি

#ক্লোরোসাইরিন ৫০৫ ইসি

#জাহিম ৫০৫ ইসি

#এসিমিক্স ৫০৫ ইসি

#সাইপারফস ৫০৫ ইসি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে পাতা ও ডালপালা ভালো ভবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা




কোন স্টাফ যদি রিজাইন করে তাহলে তার নিয়ম,,,, অফিশিয়াল হটসএ্যাপ থেকে নেওয়া,,,,,

 Notice :::

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কোন স্টাফ যদি রিজাইন করে তাহলে তার আবেদন পত্রে

অপারেশন হেডের স্বাক্ষর সহ দিতে হবে। 

এবং নিম্নোক্ত বিষয়সমুহ অব্যহতি পত্রে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে। 

            ১। চাকুরি ছাড়ার নোটিশ দেবার তারিখ

            ২। সর্বশেষ কর্মদিবস

            ৩। কতদিনের বেতন তার পাওনা। পোর্টালে তা দেওয়া আছে কিনা লিখে দিতে হবে।

            ৪। নোটিশ পিরিয়ড জরিমানার টাকা কন্সিডার হবে?  হ্যাঁ/ না

            ৫। প্রতিমাসের ২৫ তারিখ হতে পরের মাসের দুই তারিখ পর্যন্ত কোন রিজাইন প্রসেস করা হবে না।

            ৬। প্রতি বুধবার রিজাইন করা বন্ধ থাকবে।

            ৭। অনলাইনে যাদের রিজাইন আবেদন করা হবে ( সকল পারমান্যান্ট আইডি এবং আর এফ এল সকল স্টাফ), 

                 তারা অবশ্যই রিজাইন নিতে আসার ৭-১০ দিন আগে অনলাইনে আবেদন করে 

     ফাস্ট এপ্রভাল এবং ফাইনাল এপ্রভাল নিয়ে নিবেন।                           

            ৮। রিজাইন আবেদনকারী ব্যাক্তি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারি হলে অবশ্যই তার মোটরসাইকেলের নামে কোন 

     মামলা আছে কিনা দেখে  নিতে হবে। তার হেলমেট, রেইনকোট এবং লক বুঝে নিবেন তার সুপারভাইজার।

অফিশিয়াল হটস এ্যাপ থেকে নেওয়া 

ফোর স্টোক ইন্জিনের পরিচয়  AKS POWER SOLUTION ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ৪  স্ট্রোক ইঞ্জিন এ-র পরিচয় 

(ক) ৪-স্ট্রোক সাইকেল ইঞ্জিনের মূল কর্ম পদ্ধতিঃ


অর্থাৎ ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনে প্রতি চার স্ট্রোকে একবার ফুয়েল দগ্ধ করে একবার শক্তি উৎপন্ন করে।


একটি ৪ স্ট্রোক ইঞ্জিন তার সমস্ত প্রক্রিয়া পিস্টনের চারটি স্ট্রোক এবং ক্র্যাংক শ্যাফটের দু'বার ঘূর্ণন সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে। অর্থাৎ ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনে প্রতি চার স্ট্রোকে একবার ফুয়েল দগ্ধ করে একবার শক্তি উৎপন্ন করে। এতে ক্র্যাংক শ্যাফটের আবর্তনের ঘূর্ণয়নমান ৭২০০।


এ ইঞ্জিনের সংকুচিত বায়ুতে (ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে) অথবা সংকুচিত বায়ু-জ্বালানি মিশ্রনে (পেট্রোল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে) আগুন জ্বালালে গ্যাসের আয়তন প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়। এ প্রচন্ড চাপ পিস্টনকে নিচের দিকে নামিয়ে দেয়। পিষ্টন কর্তৃক গৃহীত শক্তি কানেকটিং রডের মাধ্যমে ক্র্যাংক শ্যাফটে স্থানান্তরিত হয়। এভাবে পিষ্টনের ওঠা-নামা গতি ক্র্যাংক শ্যাফটের ঘূর্ণন গতিতে রূপান্তরিত হয়। ক্রাংক শ্যাফটে যুক্ত ফ্লাইহুইল (Flywheel) থেকে শক্তিকে পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিষ্টেমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এটা ৪- স্ট্রোক ইঞ্জিনের মূলনীতি।


এ ধরনের ইঞ্জিনে সমস্ত কর্ম পদ্ধতি চারটি ধাপে চক্রাকারে সমাপ্ত হয়। ধাপ চারটি হচ্ছে-


(১) শোষণ ধাপ (Suction Stroke)


(২) সংকোচন ধাপ (Compression stroke)


(৩) শক্তি ধাপ (Power stroke)


(৪) নিষ্কাশন ধাপ (Exhaust stroke)

ফোর স্টোক ইন্জিনের পরিচয়  AKS POWER SOLUTION ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয়  AKS power solution ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয় 


ডিজেল ইঞ্জিনে সংকোচন ধাপের শেষে এর ভেতরের বায়ুর উপর জ্বালানিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় নিক্ষেপণের জন্য ইনজেক্টরের প্রান্ত দেশে যে যন্ত্রাংশ সংযুক্ত থাকে, সেটাই ইনজেক্টর নজল। জ্বালানি পাম্পের উচ্চ চাপের ফলে নজলের কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে থাকে। ইনজেক্টরের নিডিল ভালভের চারদিকে জ্বালানি দিয়ে পূর্ণ হলেই এর স্পিলয়ের ও প্লাজারের বিপরীত দিকে চাপের সৃষ্ট হয়। এ চাপের প্লাজার ও নিভিল ভাল্ভ ওপরে উঠে আসে এবং নজলের প্রান্ত দেশের ছিদ্র খুলে যায়। জ্বালানি

প্রেসার অ্যাডজাটিং

খ. কপার ওয়াসার

ঘ. স্পিন্ডল

স্পিন্ডল ধারক

চ. নজল

ছ. নিডিল ভাল্ডের আসন

জ. নিডিল ভালভ ক. জ্বালানি লাইন

এএ, ক্যাপ নাট

টি. জ্বালানি ফেরত লাইন

পাম্প খাপের শেষ প্রান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত এরা ওপরের দিকে উঠতে থাকে। ভেতরের চাপ কমে যাবার সঙ্গে সঙ্গে নিডিল ভালভ ও প্লাজার এদের আগেকার স্থানে ফিরে আসে এবং কুলানি নিক্ষেপণ বন্ধ হয়ে যায়। নজলের প্রান্ত দেশ এক বা বহু ছিদ্র বিশিষ্ট হতে পার। বহুছিদ্র বিশিষ্ট নজল প্রশস্ত দহন প্রকোষ্ঠে এবং বন্ধ হবার সম্ভাবনা কম হওয়ায় এক ছিদ্র বিশিষ্ট নজল অপেক্ষাকৃত সরু দহন প্রকোষ্ঠে ব্যবহৃত হয়।


ইনজেকটর নজল সাধারণত দু'প্রকার।


ক) পিস্টল নজল (Pintle Nozzle) খ) গর্তযুক্ত নজল (Hole Nozzle)


পিন্টন নজলের প্রান্ত দেশ সরু পিনের মত এবং পিনের চারদিকে কৌণিক ছিদ্রযুক্ত। পিস্টল নজলের ছিদ্র অপেক্ষাকৃত বড় বলে জ্বালানি নিক্ষেপণের সময় তুলনাম লকভাবে কম বাধা প্রাপ্ত হয়। গর্তযুক্ত নজলে দুই বা ততোধিক গর্ত থাকায় তা থেকে ঘন ও অবিচ্ছিন্ন অবস্থায় জ্বালানি নিক্ষেপণের  কাজ হয়ে থাকে।

জ্বালানি ছাঁকনি: এটি ডিজেল ইঞ্জিনের একটি প্রধান ও প্রয়োজনীয় অংশ। এর সাহায্যে ডিজেল ইঞ্জিনে তিন ধাপে জ্বালানি পরিষ্কার করা হয়। যথা-

এটি ডিজেল ইঞ্জিনের একটি প্রধান ও প্রয়োজনীয় অংশ।

ট্যাংকের ফিল্টার স্ক্রীন বড় বড় ময়লার কণা দূরীভূত করে।

প্রাইমারী ফিল্টার ছোট কণা দূরীভূত করে (৫ মাইক্রোন মাপের, ১ মাইক্রো/ ১/১০,০০০ সেঃমিঃ)। সেকেন্ডারী ফিল্টার সুক্ষ্ম কণাগুলিকে দূরীভূত করে (২ মাইক্রোন মাপের)

কোন কোন ইঞ্জিনে আবার চূড়ান্ত ফিল্টার থাকে। আবার কখনও কখনও ফিল্টার পানির কণাগুলিকে আলাদা করতে পারে।

সাধারণত তিন পদ্ধতিতে জ্বালানি পরিষ্কার করা যায়। যথা-

১. শোষণ (Straining)

এটা এক প্রকার যান্ত্রিক পদ্ধতি। এর সাহায্যে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর কণাগুলোকে স্ক্রীনের মাধ্যমে আটকানো যায়। এ স্ক্রীন আবার তারের জাল অথবা কাগজ ও কাপড়ের হতে পারে।

২. শোষন (Absorption)

এই পদ্ধতিতে শক্ত কণাগুলি এবং জল কণাগুলোকে ফিল্টার মাধ্যমের সাথে আটকানোর ব্যবস্থা থাকে। ইহাতে সাধারণত তুলা, সেলুলোজ ও দানা জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

৩. ম্যাগনেটিক পৃথকীকরণ

এই পদ্ধতিতে কাগজ ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে জ্বালানি হতে জলীয় কণা পৃথক করা যায়।

ডিজেল ইঞ্জিনের গভর্ণিং পদ্ধতি (Governing System of Diesel Engine)

ট্রাক্টর ও বিভিন্ন প্রকার ডিজেল ইঞ্জিন চালিত গাড়ীতে গভর্ণর ব্যবহৃত হয়। ঐ সমস্ত ইঞ্জিনের গতিবেগের সমতাবিধান করাই হল গভর্ণরের কাজ। বোঝাহ ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতির যাতে কোন পরিবর্তন না হয়, সেজন্য গভর্ণর ব্যবহৃত হয়। ইঞ্জিনের উপর বোঝা বাড়লে হঠাৎ এর ঘূর্ণন গতি কমে যেতে পারে এবং বোকা সরালে ঘূর্ণন গতি বেড়ে যেতে পারে। সেই সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক জেনারেটরকে এবং ঘূর্ণন গতিতে রেখে উৎপাদিত ভোল্টেজ ঠিক রাখাও গভর্ণিং পদ্ধতির কাজ। ইঞ্জিন কাজ করবার সময় গভর্ণরকে চালিত করে আপনা আপনি বোঝা অনুযায়ী কম বা বেশি জ্বালানি সিলিন্ডারে সরবরাহ করে। কম জ্বালানিত কম ঘূর্ণন; বেশি জ্বালানিতে বেশি ঘূর্ণন গতি বজায় রাখে। আবার গতিবেগ বেশি হতে থাকলে কম পরিমাণ জ্বালানিকে আস্তে আস্তে উহার দ্বার বাড়িয়ে

সমতাবিধান করা হয়। গভর্ণর সাধারণত তিন প্রকার

১০ সেন্ট্রিফিউগ্যাল বা যান্ত্রিক গভর্ণর

২০ হাইড্রলিক গর্ভর্ণর ৩] বায়ুশূন্য গভর্ণর

অনুশীলনী। ডিজেল ও পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতির মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে? 

পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতির প্রধান যন্ত্রাংশ হল কার্বুরেটর। এটি একটি জ্বালানি পরিমাপক ও মিশ্রণ যন্ত্র। কার্বুরেটর নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পাদন করে থাকে।

তরল জ্বালানি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় রূপান্তরিত করা।

জ্বালানির অনুকে বাষ্পে পরিণত করা।

বাষ্পীয় জ্বলানিকে সঠিক অনুপাতে বায়ুর সাথে মিশ্রিত করা।

ইঞ্জিনের বোঝা ও গতি অনুসারে জ্বালানির মিশ্রণ প্রজ্বলন প্রকোষ্ঠে যথারীতি ও সঠিক পরিমাণে সরবরাহ করা।


কার্বুরেটরের কার্যপদ্ধতি


প্রথমে ফুয়েল ট্যাংক থেকে জ্বালানি লাইনের মাধমে ফ্লোট চেম্বারে প্রবেশ করে। ফুয়েল ট্যাংক থেকে জ্বালানি ফ্লেট চেম্বারে প্রবেশ করার সাথে সাথে ফ্লোটটি ওপরে উঠতে থাকে। ফুয়েলের ওপরের স্তর একটি নির্দিষ্ট সীমায় পৌছলে ফ্লোটের সাথে সংযুক্ত নিড়ল ভালভ দিয়ে ফুয়েল লাইন বন্ধ হয়ে যায়।


তখন আর ফ্লোট চেম্বারে জ্বালানি প্রবেশ করতে পারে না। ফ্লোট চেম্বারের ফুয়েল ইঞ্জিন কর্তৃক ব্যবহৃত হবার সাথে সাথে ফুয়েলের পরিমাণ কমতে থাকে এবং ফুয়েল কমার সাথে সাথে ফ্লোট নিচে নেমে আসে। ফলে নিল ভালভ খুলে যায় এবং চেম্বারে ফুয়েল আসতে থাকে। অন্যদিকে এয়ার ভেন্ট ফ্লোট চেম্বারের সমতুল্য চাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।


শোষন ধাপের সময় সিলিন্ডারে আংশিক শুন্যতার সৃষ্টি হয়। এ শুন্যতা পরণের জন্য এয়ার ক্লিনার হতে পরিষ্কার বায়ু কার্বুরেটরে প্রবেশ করে। বায়ু ভেনচুরির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় প্রটে এর বেগ বেড়ে যায়। কারণ একই পরিমাণ বায়ু ভেনচুরির ক্ষুদ্রতম প্রস্থচ্ছেদের ভেতর দিয়ে যাবার সময় এর গতিশক্তি বৃহত্তম প্রস্থচ্ছেদের তুলনায় বড়ে যায়। পক্ষান্তরে এর চাপ কমে যায়। আবার ফ্লোট চেম্বারের ঢাকনা প্লেটে একটি ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে এর ভেতরের জ্বালানির উপর বাইরের বাতাস চাপ প্রয়োগ করে। এ কারণে ফ্লোট চেম্বারে অবস্থিত জ্বালানির উপর চাপ ও ভেনচুরিতে (নজলে) অবস্থিত জ্বালানির উপর চাপের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। চাপের এ পার্থক্যকে ইনটেক ডিপ্রেশন বলে। এর ফলে জ্বালানি ঘুটে অবস্থিত নজল দিয়ে ভেনচুরিতে প্রবেশ করে। ভেনচুরি অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের নিচাপ ও উচ্চ গতির প্রভাবে ফুয়েল কণাগুলো বাষ্পীয় আকার ধারণ করে এবং বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়। তারপর এ বায়ু ও ফুয়েলের মিশ্রণ ইনলেট মেনিফোন্ডে প্রবেশ করে এবং এ প্রবেশ থ্রটল ভাল্ভ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ইনলেট মেনিফোন্ড হতে মিশ্রণ সিলিন্ডারে প্রবেশ করে। এই জ্বালানি ইঞ্জিনের প্রজ্বলন প্রকোষ্ঠে স্পার্ক প্লাগের সাহায্যে প্রজ্বলিত ও দগ্ধ হয় একসিলেটরের সাহায্যে ধ্রুট ভাল্ভ ঘুরিয়ে প্রবেশ ঢিউবের প্রস্থচ্ছেদ কমানো ও বাড়ানো যায়। যাহার ফলে ইঞ্জিনের গতি ও জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়।


১. বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র হতে পরিষ্কার বাতাস, ২. পরিস্কার বাতাস, ৩. চোক, ৪. ভেনচুরি, ৫. জেট, ৬. ফ্লোট, ৭. নিজল ভালভ, ৮. জ্বালানি প্রবেশ পথ, ৯. ফ্লোট লিভার, ১০. ফ্রেটি চেম্বার, ১১. বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ, ১২. থ্রটল, ১৩. বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ (কম্বাশন চেম্বারে)

সাধারণত ১ ভাগ পেট্রোলের সঙ্গে ১৩.১৫ ভাগ বায়ু (১৩৪১ বা ১৫ঃ১) মিশ্রিত হয়ে যে মিশ্রণ তৈরি করে একে যথার্থ মিশ্রণ (Proper Mixture) বলে। কিন্তু যে মিশ্রণে বায়ুর পরিমাণ কম থাকে অর্থাৎ বায়ু ও পেট্রোলের অনুপাত ৮:১ থাকে একে গাড় মিশ্রণ (Rich Mixture) বলে। আবার যে মিশ্রণে বায়ুর পরিমাণ বেশি থাকে অর্থাৎ বায়ু ও পেট্রোলের অনুপাত ২০৪১ থাকে একে পাতলা মিশ্রণ (Lean Miture) বলে। ইঞ্জিনের গতি এবং ক্ষমতা বায়ু ও জ্বালানি মিশ্রণের অনুপাত, মিশ্রিত জ্বালানির প্রবাহ, ঘনত্ব ও এর ব্যবহারিক গুণাবলীর উপর নির্ভর করে। বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ বিভিন্ন অনুপাতে তৈরি করার জন্য সাধারণ কার্বুরেটর (Simple Carburetor) কমপেনসেটিং জেট টাইপ কার্বুরেটর (Companseting Jet Type Carburetor) এবং প্লেইন টিউব এয়ার ব্লিড টাইপ কার্বুরেটর (Plain Tube Air Bleed Type Carburetor) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।


পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ পদ্ধতিতে কার্বুরেটর ছাড়াও তেলাধার, ছাঁকনি, কোন কোন ক্ষেত্রে জ্বালানি পাম্প এবং বায়ু পরিষ্কারক থাকে।


বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র (Air Cleaner)


ধুলাবালি ও অন্যান্য ক্ষতিকারক বস্তু যাতে বায়ুর সাথে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাঘ্র পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।


ইঞ্জিনের সন্তোষজনক ও দীর্ঘ মেয়াদী কাজের জন্য পরিষ্কার বায়ুর প্রয়োজন। ধুলাবালি ও অন্যান্য ক্ষতিকারক বস্তু যাতে বায়ুর সাথে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এটি অপরিষ্কার থাকলে কম পরিমাণ বায়ু ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। ফলে ইঞ্জিনের কার্য দক্ষতা কমে যায়। প্রবেশ ভালভ ও পিস্টন রিংয়ের ক্ষয়সাধন, নানা প্রকার কালো ধোঁয়া ও ময়লা জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহন ইত্যাদির জন্য অপরিষ্কার বায়ু ও জ্বালানি সম্পূর্ণভাবে দায়ী। বায়ু পরিষ্কার করবার জন্য সাধারণত তেলসিক্ত ও শুষ্ক ছাঁকনি বা বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্র ব্যবহৃত হয়। এগুলো প্রায় ৯৫% ময়লা পরিষ্কার করতে পারে।


যেহেতু তেলের পাত্রে ধুলা-বালি ও ময়লা জমিতে থাকে, তাই ইহার ভিতরকার তেল প্রতি ১০ ঘন্টা কাজের পর পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

তেলসিক্ত ছাঁকনিতে বায়ু প্রথমে প্রি-ক্লিনারে প্রবেশ করে। এখানে বায়ুর ঘুর্ণনের ফলে অপেক্ষাকৃত বড় বড় কণাগুলি ময়লা নির্গমন পথ দিয়ে বাহিরে চলে যায়। দ্বিতীয় ধাপে বায়ু একটি নল ও পাত্রের ভিতর পিচ্ছিলকারক তেলের মধ্য দিয়ে যাবার সময় ধুলা-বালি ও ময়লাদি তেলে আটকা পড়ে। এ ভাবে পরিষ্কার বায়ু রবার টিউবের মাধ্যমে প্রবেশ মেনিফোন্ড এবং ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। যেহেতু তেলের পাত্রে ধুলা-বালি ও ময়লা জমিতে থাকে, তাই ইহার ভিতরকার তেল প্রতি ১০ ঘন্টা কাজের পর পরিবর্তন করা প্রয়োজন। যদি বায়ুতে ধুলা-বালির পরিমাণ কম থাকে তবে তেলের পাত্রে ৩-৬ মিঃ

মিঃ ময়লা জমলে তেল পরিবর্তন করা উচিৎ। অন্ত তঃঃপক্ষে প্রতি এক বৎসর পর পর সমস্ত ছাঁকনিটি পরিষ্কার করে পুনরায় পাত্রটি তেল দ্বারা পূর্ণ করা প্রয়োজন। দৃষ্টি রাখতে হবে যেন পাত্রে সব সময় পরিমাণ মত তেল থাকে।

শুষ্ক বায়ু পরিষ্কারক যন্ত্রে পাত্রের ভেতরে

 পিচ্ছিলকারক তেল দিয়ে সিক্ত তারের জাল থাকে। বাইরের অপরিষ্কার বায়ু এর ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় ধুলা-বালি ও ময়লাদি তেলে আটকিয়ে যায়। এ প্রকার ছাঁকনি সাধারণতঃ স্থায়ীভাবে স্থাপিত ছোট ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়। এর যন্ত্রাংশগুলো বায়ু প্রবাহ এবং কেরোসিন দিয়ে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।


ইনজেক্টর নজল (Injector Nozzle) বিষয় 
AKS power solution ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



নকশীকাঁথা কমিউটার খুলনা-ঢাকা-খুলনা যাওয়ার যাত্রাবিরতি ও সময়সূচী,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নকশীকাঁথা কমিউটার খুলনা-ঢাকা-খুলনা যাওয়ার যাত্রাবিরতি ও সময়সূচী। শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবে... ধন্যবাদ। 


স্টেশনের নাম               পৌঁছায়     

খুলনা           ছাড়ে       ১১:৩০ PM    

দৌলতপুর    ছাড়ে        ১১:৪২ PM    

নওয়াপাড়া   ছাড়ে        ১২:০৯ AM    

যশোর জং    ছাড়ে       ১২:৪০ AM 

মোবারকগঞ্জ ছাড়ে      ০১:১৭ AM   

কোটচাঁদপুর  ছাড়ে      ০১:৩২ AM   

সাফদারপুর  ছাড়ে       ০১:৪৫ AM   

আনসারবাড়িয়া ছাড়ে  ০২:১৪ AM   

উথলি           ছাড়ে       ০২:২৪ AM  

দর্শনা হল্ট     ছাড়ে       ০২:৪২ AM   

চুয়াডাঙ্গা      ছাড়ে        ০৩:০৯ AM   

মুন্সীগঞ্জ       ছাড়ে        ০৩:২৩ AM  

আলমডাঙ্গা   ছাড়ে       ০৩:৩৩ AM  

হালসা           ছাড়ে       ০৩:৪৫ AM  

পোড়াদহ জং ছাড়ে       ০৩:৫৬ AM 

কুষ্টিয়া কোট  ছাড়ে       ০৪:১৭ AM  

কুষ্টিয়া           ছাড়ে৷      ০৪:২৭ AM 

কুমারখালী    ছাড়ে       ০৪:৪৫ AM  

খোকসা         ছাড়ে       ০৪:৫৭ AM  

মাছপাড়া       ছাড়ে৷      ০৫:০৯ AM  

পাংশা            ছাড়ে       ০৫:২১ AM  

কালুখালী জং ছাড়ে      ০৫:৪০ AM  

বেলগাছি        ছাড়ে      ০৫:৫৪ AM  

রাজবাড়ী       ছাড়ে       ০৬:২০ AM  

খানখানাপুর   ছাড়ে      ০৬:৪৮ AM  

আমিরাবাদ    ছাড়ে      ০৭:০০ AM  

ফরিদপুর       ছাড়ে      ০৭:১৫ AM  

বাখুন্ডা           ছাড়ে      ০৭:২৮ AM

তালমা           ছাড়ে      ০৭:৩৮ AM  

পুকুরিয়া        ছাড়ে      ০৭:৫১ AM  

ভাঙ্গা             ছাড়ে      ০৮:০১ AM  

ভাঙ্গা জং       ছাড়ে      ০৮:১০ AM  

শিবচর           ছাড়ে      ০৮:২৪ AM    

পদ্মা              ছাড়ে       ০৮:৩৭ AM    

মাওয়া           ছাড়ে       ০৮:৫৩ AM    

শ্রীনগর          ছাড়ে       ০৯:১০ AM    

নিমতলা         ছাড়ে       ০৯:২২ AM  

গেন্ডারিয়া      ছাড়ে       ০৯:৪৫ AM   

ঢাকা             ছাড়ে        ১০:১০ AM


২৬ ডাউন ঢাকা টু খুলনা


স্টেশনের নাম     পৌঁছে 

ঢাকা                 ১১:৪০ AM

গেন্ডারিয়া         ১১:৫০ AM

নিমতলা            ১২:১২ PM

শ্রীনগর              ১২:২৪ PM

মাওয়া               ১২:৩৩ PM

পদ্মা                  ১২:৪৮ PM

শিবচর               ০১:১০ PM

ভাঙ্গা জং            ০১:২৩ PM

ভাঙ্গা                  ০১:৩১ PM

পুকুরিয়া             ০১:৪১ PM

তালমা                ০১:৫৫ PM

বাখুন্ডা                ০২:০৫ PM

ফরিদপুর            ০২:১৭ PM

আমিরাবাদ         ০২:৩১ PM

খানখানাপুর        ০২:৪৩ PM

রাজবাড়ী            ০৩:০৫ PM

বেলগাছি            ০৩:৩৮ PM

কালুখালী জং     ০৩:৫০ PM

পাংশা                 ০৪:০৮ PM

মাছপাড়া            ০৪:২০ PM

খোকসা              ০৪:৩১ PM

কুমারখালী         ০৪:৪৩ PM

কুষ্টিয়া                ০৪:৫৯ PM

কুষ্টিয়া কোট       ০৫:১৪ PM

পোড়াদহ জং      ০৫:৩২ PM

হালসা                ০৫:৪৫ PM

আলমডাঙ্গা        ০৫:৫৭ PM

মুন্সীগঞ্জ             ০৬:০৭ PM

চুয়াডাঙ্গা            ০৬:১৯ PM

দর্শনা হল্ট          ০৬:৪৭ PM

উথলি                ০৬:৫৮ PM

আনসারবাড়িয়া ০৭:০৬ PM

সাফদারপুর       ০৭:১৮ PM

কোটচাঁদপুর      ০৭:২৯ PM

মোবারকগঞ্জ     ০৭:৪৩ PM

যশোর               ০৮:১৮ PM

নওয়াপাড়া        ০৮:৫০ PM

দৌলতপুর         ০৯:২১ PM

খুলনা                ১০:২০ PM


তথ্য নকশিকাঁথা কমিউটার পেজ থেকে

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



বিয়ে করুন আল্লাহভিরু ছেলেকে...... ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 👉 বিয়ে করুন আল্লাহভিরু ছেলেকে...... 

==============================

যে ফজরের নামাজের জন্য আপনাকে আলতো করে চুমু দিয়ে ঘুম ভাঙ্গাবে


যে মসজিদ থেকে এসে বলবে " চলো আমরা রবের কোরআন তেলাওয়াত করি "


যে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সালাম দিয়ে দোয়া চেয়ে বের হবে


যে ছেলেটা অফিসে বসেও মনটা আপনার জন্য বাসাতেই রাখবে


যে আপনাকে ফুসকা খাওয়ানোর জন্য অফিস থেকে আগে চলে আসবে


যে খাওয়ার সময় নিজ হাতে লোকমা আপনার মুখে তুলে দিবে


যে ছেলেটা রান্নায় দেরী হলে আপনাকে সহযোগীতা করবে


যে ছেলেটা কখনো পরকিয়ার চিন্তা করবে না অর্থাৎ আপনাকে রেখে অবৈধ প্রেম করার চিন্তা করবেনা


যে ছেলেটা রবের কাছে চক্ষুশীতল হওয়া নেক সন্তান চাইবে 


যে ছেলেটা আপনার সন্তানকে শিখাবে " কি ভাবে তার পিতা-মাতার জন্য দোয়া করতে হয়"


যে ছেলেটা আপনার জন্য তার দুনিয়া গিফ্ট করে দিবে 


যে ছেলেটা সবার থেকে আপনাকে লুকিয়ে রাখবে নিজের জন্য 


যে ছেলেটা আপনার পাশে জায়নামাজে বসে পরকালেও আপনাকে চাইবে রবের কাছে


যে ছেলেটা আপনাকে কোরআনের গল্প শুনাবে


যে ছেলেটা রাতে তাহাজ্জুদের গুরুত্ব বুজাবে


যে ছেলেটা বিপদে পেরেশান না হয়ে নামাজে দাড়িয়ে যাবে


যে ছেলেটা আপনার চোখে পানি দেখে আপনাকে আগলে ধরে বলবে " আরে পাগলি কান্না করে না, আমার রব সব কিছু ঠিক করে দিবেন" 


যে ছেলেটার ভালোবাসার রানী থাকবেন আপনি 


যে আপনাকে স্বরন করিয়ে দিবে,  সে আপনার জান্নাতের সঙ্গী


______

হে প্রিও বোন,  যদি আল্লাহভীরু ছেলেকে বিয়ে না করেন, তাহলে পরিনাম কি হবে নিচের হাদিসটি একটু দেখুন


রাসুল (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের মেয়ের জন্য যদি এমন কোনো ছেলে বিয়ের প্রোস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারি এবং চরিত্র ভালো লাগে, তাহলে তার কাছে তোমাদের মেয়েকে বিয়ে দেও, যদি তা না করো, তাহলে অনেক বিপর্যয় ফিতনা অর্থাৎ সংসারে অনেক অশান্তি জুলুম নির্যাতন সৃষ্টি হবে। 

[ তিরমিজি হাদিস নং ১০৮৫ ]

Message_চিঠি বিয়ে

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 




সবজির বীজ গজানোর ধাপ সমূহ।,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সবজির বীজ গজানোর ধাপ সমূহ। 


অনেক সময়েই শাক সবজির বীজ বপন করলে সঠিক ভাবে গজায় না। এ জন্য মানসম্পন্ন বীজ , মেয়াদ উত্তীর্ণ বীজ, পিপড়ার আক্রমণ, ছত্রাকের আক্রমণ সহ বিভিন্ন কারন হতে  পারে। তাই চারার জন্য সঠিক নিয়মে বীজ গজানোর পক্রিয়ার ধাপ গুলো অনুসরণ করতে হবে।


★ মিষ্টিকুমড়া, শিম, বরবটি, লাউ, শশা ,তরমুজ, করলা, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা জাতীয় বীজ


১) প্রথমে রোদে ৩০-৪৫ মিনিট ধরে রাখতে হবে, কারন বীজ গুলি সুপ্ত অবস্থায় থাকে,রোদ পেলে সুপ্ততা ভাঙবে।


২) রোদ থেকে উঠায়ে বীজ ২ ঘন্টা ছায়ায় রেস্ট করে ঠান্ডা করে নিন।


৩) গ্লাসে পরিষ্কার পানিতে ৮ থেকে ১২ ঘন্টা বীজ ভিজিয়ে রাখুন।


৪) তারপর প্রোভ্যাক্স বা কার্বেন্ডাজিম বা ট্রাইকোডার্মা পাউডার ৩ গ্রাম/১ লি পানিতে (৩ আঙ্গুলের ১ চিমটি=১ গ্রাম) বা ৪/৫ টুকরা রসুন বা ৪/৫ টি জাম পাতা ১ লি পানিতে এই বীজ আরো ৩০ মি ভিজিয়ে শোধন করুন৷


৫) পানি ছেকে বীজ গুলি ভেজা কাপড়ের পুটলি বা পাটের ছালা বা টিস্যু পেপার এ মুড়িয়ে হালকা(খুবই অল্প) পানি স্প্রে করে লেপ/তোষক বা পরা লুঙ্গির গিঁটে বা বক্সে (যেন বাতাস না ঢুকে এমন বক্স বা বয়ামে) রেখে দুই থেকে চার দিন পর চেক করুন। অনেক বীজে বেশী সময় লাগতে পারে।


৬) দেখবেন বীজ অঙ্কুরিত হচ্ছে। বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার সাথে সাথে অঙ্কুর বড় না করে অঙ্কুরিত বীজ প্লাস্টিকের ট্রে, আইস্ক্রীমের কাপ বা টবে আস্তে করে লাগাবেন যেন বীজ এর অঙ্কুর না ভাঙ্গে৷ বীজের উপরে কোকোডাস্ট বা হালকা মাটি দিবেন। হালকা পানি দিয়ে দিন।


৭) প্রতিদিন রস কম/বেশি বুঝে সময় করে পানি দিবেন।


৮) ড্যাম্পিং অফ বা গোড়া পঁচা রোগ দুরীকরনে কপার গ্রুপের ঔষধ ২ গ্রাম/১ লি পানি মিশিয়ে গাছসহ মাটিতে স্প্রে করতে হবে৷


৯) ২০থেকে ২৫ দিন পর মাঠে বা বড় টবে লাগিয়ে দিতে পারবেন ও নিয়মিত পরিচর্যা করবেন৷


★ ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি, টমেটো, মরিচ, ক্যাপসিকাম, বেগুন(ছোট বীজ) জাতীয় বীজ


১) প্রথমে কড়া রোদে ৩০-৪৫ মিনিট রাখতে হবে৷ কারন বীজ গুলি সুপ্তাবস্হায় থাকে, রোদ পেলে সুপ্ততা ভাঙ্গে৷


২) রোদ থেকে উঠায়ে বীজ ২ ঘন্টা ছায়ায় রেস্ট করে ঠান্ডা করে নিন।


৩)  গ্লাসে পরিষ্কার পানিতে ৪-৫ ঘণ্টা বীজ ভিজিয়ে রাখুন।


৪) তারপর প্রোভ্যাক্স বা কার্বেন্ডাজিম বা ট্রাইকোডার্মা পাউডার ৩ গ্রাম/১ লি পানিতে (৩ আঙ্গুলের ১ চিমটি=১ গ্রাম) বা ৪/৫ টুকরা রসুন বা ৪/৫ টি জাম পাতা ১ লি পানিতে এই বীজ আরো ৩০ মি ভিজিয়ে শোধন করুন৷


৫) বীজ লাগানো টবে বা প্লাস্টিকের ট্রে বা পাত্রের মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। ঝুরঝুরে কিছু মাটি বা কোকোডাস্ট আলাদা করে রাখতে হবে যেটা বীজ বপনের পর দিতে হবে। মাটির সাথে সম্ভব হলে বালু, জৈব সার, ভার্মি কম্পোস্ট, হাড়ের গুড়া অথবা শুধুমাত্র রেডি কোকোপিট ব্যবহার করলে হয়। তাহলে মাটি জমাট বাধে না ঝুরঝুরে থাকে।


৬) পানি ছেকে বীজ গুলি প্লাস্টিকের ট্রে বা পলিব্যাগ বা টবে বিছিয়ে দিন। তার উপরে হালকা করে কোকোডাস্ট বা ঝুরঝুরে মাটি দিয়ে দিন এমনভাবে যেন বীজ দেখা না যায়।


৭) পাত্রে পানি স্প্রে করে দিন।


৮) প্লাস্টিক ট্রে বা টব বা পাত্রের উপরে ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন, যেন ভাপ উৎপন্ন হয়৷ তিন থেকে সাত দিন পর চেক করুন। বীজ অঙ্কুরিত করার জন্য অন্ধকার ও ভাপ উৎপন্ন হলে দ্রুত অঙ্কুরিত হয়। ৭-১০ দিন এর মধ্যে বীজ অংকুরিত হয়ে যায়৷


৯) দেখবেন বীজ অংকুরিত হচ্ছে। তারপর ভেজা কাপড় খুলে পানি স্প্রে করে রেখে দিন৷


১০) প্রতিদিন রস কম/বেশি বুঝে সময় করে পানি দিবেন

ড্যাম্পিং অফ বা গোড়া পঁচা রোগ দুরীকরনে কপার গ্রুপের ঔষধ ২ গ্রাম/১ লি পানি আকারে স্প্রে করতে হবে৷


১১) ২০থেকে ২৫ দিন পর মাঠে বা বড় টবে লাগিয়ে দিতে পারবেন ও নিয়মিত পরিচর্যা করবেন৷


কৃতজ্ঞতা:


কৃষিবিদ শিবব্রত ভৌমিক

কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি ইউনিট

পিকেএসএফ এবং সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...