এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

রুটি  ওয়ালাকে ধরে আনো! এই অন্যায় মানা যায় না!',,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রুটি ওয়ালাকে ধরে আনো! এই অন্যায় মানা যায় না!' 


রাজার রাজ্যে ১ লোক রুটি বিক্রি করতো। সে একমাত্র রুটি বিক্রেতা। 

সে একদিন রাজার কাছে গিয়ে বললঃ 'হুজুর, অনেক বৎসর ৫ টাকা করে রুটি বিক্রি করি। এখন দাম বাড়িয়ে ১০ টাকা করতে চাই। আপনি যদি অনুমতি দেন!' 


রাজা বললেন, 'যা কাল থেকে ৩০  টাকা রুটির দাম!' 

দোকানী বলল, 'না হুজুর, আমার ১০ টাকা হলেই চলবে!' 


রাজা বললেন, 'চুপ করে থাক! আর আমি যে দাম বাড়াতে বলেছি, কাউকে বলবিনা!' 


রুটি ওয়ালা খুশিমনে ফিরে গেল। 

পরদিন থেকে তার রুটির দাম ৩০ টাকা!


সারা রাজ্যে প্রতিবাদ! জনগণ ক্ষেপে গিয়ে রাজার কাছে বিচার দিল, 'হুজুর, আমাদের বাঁচান! এ কি অন্যায়! ৫ টাকার রুটি ৩০ টাকা হলে আমরা বাচবো কি খেয়ে!'


রাজা হুংকার দিলেন, 'রুটি ওয়ালাকে ধরে আনো! এই অন্যায় মানা যায় না!' 


তারপর ঘোষণা দিলেন কাল থেকে রুটির দাম অর্ধেক (মানে ১৫ টাকা!) 


সারা রাজ্যে ধন্য ধন্য পড়ে গেল! শুধু এমন একজন রাজা ছিলো বলে! না হলে জনগণের কি হতো!


রুটি ওয়ালা খুশি! 

জনগণও খুশি!

রাজাও খুশি! 

এরপর রাজা গোপনে রুটিওয়ালাকে ডেকে আনলো ও বলল তুমি রুটির দাম ১০ টাকা রেখে বাকি ৫ টাকা আমাকে দিবে কেউ যেন না জানে।


(সংগৃহীত)



সকাল ৭ টার সংবাদ।  তারিখ:৩০-০১-২০২৪ খ্রি:,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ৭ টার সংবাদ। 

তারিখ:৩০-০১-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ - ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি।


আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে চাল, ভোজ্য তেল, চিনি ও খেজুর আমদানিতে শুল্ক কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


দেশের স্বার্থে কোনো অপশক্তিকে সহ্য করা হবে না - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি নূর চৌধুরীকে হস্তান্তরের জন্য কানাডা সরকারের প্রতি আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে - বললেন প্রতিমন্ত্রী।


চিরশত্রু ইসরাইলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে চার ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করেছে ইরান।


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজ নিজ খেলায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও খুলনা টাইগার্সের জয়লাভ।


সকাল ৭ টার সংবাদ।  তারিখ:২৯-০১-২০২৪ খ্রি:,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ৭ টার সংবাদ। 

তারিখ:২৯-০১-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:…


সংসদে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে স্বতন্ত্র সদস্যদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।


রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে উদ্যোগ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানালেন শেখ হাসিনা।


জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তাগিদ দিলেন স্পিকার ডক্টর শিরীন শারমিন চৌধুরী।


দ্বাদশ জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা এবং দলটির কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বিরোধীদলীয় উপনেতা করে প্রজ্ঞাপন জারি।


নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ - বললেন ওবায়দুল কাদের। 


মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


জর্ডানের সিরীয় সীমান্তের কাছে ড্রোন হামলায় তিনজন মার্কিন সৈন্য নিহত।


বিপিএল ক্রিকেটে আজ সিলেট স্ট্রাইকার্স- চট্টগ্রাম চ্যালঞ্জার্সের এবং দুর্দান্ত ঢাকা- খুলনা টাইগার্সের মোকাবেলা করবে।


সকাল ৭ টার সংবাদ।  তারিখ:২৮-০১-২০২৪ খ্রি:,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ৭ টার সংবাদ। 

তারিখ:২৮-০১-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


সরকারের নানা উদ্যোগে শিগগিরই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে – আশাবাদ ওবায়দুল কাদেরের।


চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ’র শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে করা হলো ৫০ - প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।


গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে আই সি জে’র রায়ের পর আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।


টানা দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টেনিসে নারী এককের শিরোপা জিতলেন বেলারুশের আরিয়ানা সাবালেঙ্কা।


মাশরাফি বিন মর্তুজা এমপি! মাননীয় হুইপ!  আজ দুটি কথা আপনাকে নিয়ে লিখবো।,,,,,, Nazmul h khan ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাশরাফি বিন মর্তুজা এমপি! মাননীয় হুইপ! 


আজ দুটি কথা আপনাকে নিয়ে লিখবো। 

ছোট্ট বেলায় পড়েছিলাম "অসি অপেক্ষা মসী অধিক শক্তিশালী " তাই আমার অসি না থাকলেও যেটুকু মসী শক্তি আছে আমি চালিয়ে যাবো। কেউ আমার লেখা পড়ুক আর না পড়ুক আমি লিখেই যাবো।এটাই আমার প্রত্যয়।এটাই আমার ইচ্ছা, এটাই আমার ভিতরের দাবি। 

এবার আসি মূল কথায়..... 

 ২০০১ সাল হবে, বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক আগুন ঝরা বোলার যুক্ত হয়েছে নাম তার মাশরাফি বিন মর্তুজা! নামের প্রতি সুবিচার করার আগেই শুনতে পেলাম তিনি ইনজুরি আক্রান্ত। ইংল্যান্ড গেছেন চিকিৎসা হতে। চার বা ছয় সপ্তাহের রেস্ট, এর মধ্যে খেলতে পারবেন না। দুমড়ে মুচড়ে গেল মনটা। 

ইনজুরি থেকে ভালো হয়ে বাংলাদেশ দলে আবার আগুন ঝরা বল করা শুরু করলেন।ভক্ত হয়ে গেলাম মাশরাফির। বাংলাদেশ তখন হাঁটাহাঁটি পা পা করে দুই একটা ম্যাচ জেতা শুরু করছে।তাও আবার কেনিয়ার বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ের নিকট হারে। শ্রীলংকার নিকট পাত্তাই পেত না। ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কে তো বাঘের মতো ভয় পেত বাংলাদেশ।

বলার ছিল শান্ত, তাপস বৈশ্য,স্পিনে মোহাম্মদ রফিক। তাছাড়া ভালো মানের কেউ ছিল না। স্পিন যায় হতো ফাস্ট বোলে তুলা ধুনা ধুনে দিতো। মাশরাফি যখন নিয়মিত খেলা শুরু করলো বাংলাদেশ ভারতকে হারিয়ে দিলো,পাকিস্তান কে সামান্যের  জন্য জেতা ম্যাচ হেরে গেলো, কেঁদে ফেলতাম খেলা দেখে। প্রায়ই এমন হতো। তীরে এসে তরী ডুবে যেত। মন খারাপ হতো। তারপরও আমরা মাশরাফি, রফিক, এনামুল হক মনিদের জন্য আশায় বুক বেঁধে থাকতাম, এবার জিতবো। 

বাংলাদেশ শিবিরে মোহাম্মদ আশরাফুল যখন আসলো আমরা অস্ট্রেলিয়া কে হারিয়ে দিলাম, তাদের মাঠে।আমাদের বোলার ভালো, ব্যাটসম্যান ভালো, ম্যাচ জেতা শুরু হলো। ২০০৭ বিশ্বকাপে আমারা দূর্দান্ত খেললাম।বাঘা বাঘা তিনটি দলকে হারিয়ে সেকেন্ড রাউন্ডে উঠলাম। 

এই ভাবে অনেক ধারাভাষ্য দেওয়া যাবে অসংখ্য অসংখ্য ভালো প্লেয়ার আমাদের বাংলাদেশ টিমে আসা যাওয়া করছে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। 

মাশরাফি আমাদের দল নেতা, কান্ডারী, নাবিক। তিনি সঠিকভাবে দল পরিচালনা করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে নিয়ে গেছেন। 

আজ, মাশরাফি কে নিয়ে আশরাফুল যে কথা বলছে, আমি মনে করি মাশরাফির আর খেলা উচিৎ না। তার মতো প্লেয়ার দুই তিন পা দৌড়ে বল করে??  তার বলে ব্যাটসম্যান চার ছয় মারার জন্য মুখিয়ে থাকে, ভাবলেন কেমন যেন মনে হয়। 

মাশরাফি, বস, ক্যাপেটন আপনি আর খেলেন না। আপনার জন্য নাকি বিপিএলের মান কমে যাচ্ছে। আপনার জন্য নাকি একজন তরুণ বলার দলে চান্স পাচ্ছে না, আপনি আর খেলেন না। আপনি কিছু মনে না করলেও আমার মন হাউমাউ করে কেঁদে উঠছে।আপনি অবসর নেন। আপনি বিসিবির সভাপতি হোন,আপনি ক্রিকেট খেলা নিয়ে থাকেন, কোন সমস্যা নেই। বাংলার লক্ষ কোটি জনতা আপনাকে কোন দিন ভুলবে না। সবারই তো একদিন ছাড়তে হয়। আপনি ছেড়ে দেন। আমরা আপনার নিয়ে কেউ কথা বলুক সহ্য করতে পারছিনা। নক্ষত্রেরও পতন হয়।সেই ভাবেই না হলো আপনার পতন হোক, তাও চাই আপনি আর খেলেন না। সিলেট টিমের মালিক আপনাকে যতো চাপই দিক না কেন?? শান্তর নিকট দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে আপনি বসে যান। আপনার জন্য নাকি বিপিএল খেলার মেরিট কমে যাচ্ছে!! দেশে বিদেশে এই খেলা প্রচার হচ্ছে। আপনার নামে এই কলংক আর শুনতে মন চাচ্ছে না। এবার বসে যান। আপনার অবদান আমরা যারা আপনার সমসাময়িক বয়সের মানুষ কোন দিন ভুলবো না। আপনি মাশরাফি, আপনি ক্যাপ্টেন,আপনি বাংলাদেশ। স্যালুট মাশরাফি, স্যালুট ক্যাপ্টেন।



সকাল ৭ টার সংবাদ।  তারিখ:২৭-০১-২০২৪ খ্রি:,,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ৭ টার সংবাদ। 

তারিখ:২৭-০১-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা পুননির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের অভিনন্দন অব্যাহত - শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা হাঙ্গেরি ও কিরগিজস্তানের।


বিএনপি নির্বাচনে না এসে কত বড় ভুল করেছে তা অচিরেই টের পাবে - মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


সংসদের আগামী অধিবেশনেই শ্রম আইন পাস করা হবে - জানালেন আইনমন্ত্রী ।


ভারতের পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত হলেন দেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 


গাজার হাসপাতালগুলোকে সামরিক কাজে ব্যবহারের ইসরাইলের দেওয়া প্রমাণ উপেক্ষা করে হামাসের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ।


ব্লুমফন্টেইনে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১২১ রানে হারিয়ে সুপার সিক্স পর্বে উঠেছে বাংলাদেশ।

বিশ্ব ইজতেমা ২০২৪,,,,,,

 রাজধানীর ঢাকার উপকণ্ঠে তুরাগ নদীর তীরে প্রায় 160 একরেরও বেশি জায়গা জুড়ে,যে বিশাল ভূমির উপর বিশ্ব ইজতেমাকে উছিলা করে  লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সমাগম ঘটেছে, তা হঠাৎ করেই হয়ে যায়নি। যতটুকু জানা যায়, তাবলীগ জামাতের সর্বপ্রথম ইজতেমা শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৬০ বছর পূর্বে ১৯৪৬ সালে কাকরাইল মসজিদের পাশে রমনা পার্কে।

* এরপর ১৯৪৭ সালে তাবলীগ জামাতের প্রধান মারকাজ কাকরাইল মসজিদে।

* এরপর ১৯৪৮ সালে তৎকালীন চট্টগ্রামের হাজী ক্যাম্পে।

* এরপর ১৯৫৮ সালে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে।

তারপর থেকে ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ১৯৬৬ সালে টঙ্গীর খোলা মাঠে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব  ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়,যা অদ্যবদি পর্যন্ত চলে আসছে।

এই বিশ্ব এজতেমায় প্রায় 40 থেকে 50 লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 প্রায় ১৩০টি দেশ থেকে অর্ধালক্ষের উপরে মেহমান এতে অংশগ্রহণ করেন।

*তাবলীগ জামাতের প্রাণপুরুষ হযরত মাওলানা ইলিয়াস (রা:) সর্ব প্রথম এই তাবলীগের কাজ শুরু করেন দিল্লির মেওয়া থেকে।(জন্ম ১৩০৩ হি:১৮৮৪ইং

২| দ্বিতীয় আমির ছিলেন হযরত মাওলানা ইউসুফ (র:)

৩|তৃতীয় আমীর ছিলেন মাওলানা এনামুল হাসান কান্ধলভী (রা:)

*বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তাবলীগ জামাতের আমীর ছিলেন, খুলনা জেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের প্রাণপুরুষ মাওলানা আব্দুল আজিজ

 (রা:) যা বর্তমানে মজলিসে শুরার ভিত্তিতে পরিচালিত।

মজলিসের শুরার সদস্য গনের মধ্য থেকে অন্যতম হলেন,

১|মাওলানা জুবায়ের সাহেব (দা:বা:)

২|মাওলানা রবিউল হক সাহেব ( দা:বা:)

৩|মাওলানা ওমর ফারুক সাহেব (দা:বা:)

৪|মাওলানা আব্দুল মতিন সাহেব(দা:বা:)

সবচেয়ে খুশির সংবাদ হল, এত বড় বিশাল এন্তেজামের কোন কেন্দ্রীয় তহবিল বা ফান্ড নেই। এবং বয়ানের জন্য কোন পোস্টারিং, লিফলেট করা হয় না, পূর্ব ঘোষিত কোন নামও প্রকাশ করা হয় না।

আল্লাহ তাআলা মুরুব্বিদের এই মেহনত এবং বিশ্ব ইজতেমা কে কবুল আর মঞ্জুর ফরমান আমীন।

আগামী ২,৩,৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ইজতেমাকে আল্লাহ তায়ালা ভরপুর কামিয়াব করুন আমীন।




সোমবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

আমের মুকুল ও কুড়ি ঝরা রোধে করণীয়।,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমের মুকুল ও কুড়ি ঝরা রোধে করণীয়।


 বাংলাদেশের অর্থকরী ফল। বাংলাদেশের ফলের রাজা বলা হয়ে থাকে আমকে। আম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। সাধারণত মার্চ মাসের দিকে আম গাছে মুকুল আসা শুরু করে। মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে। আসুন জেনে নিই আমের মুকুল ও কুড়ি ঝরা রোধে করণীয়:-


আমরা অনেক সময় ভাবি আমদের গাছে অনেক মুকুল আসছে কিন্ত তবুও কেন ফুলগুলো ঝরে পরে যাচ্ছে, এই সমস্ত কথা অনেক আম চাষিই বলে থাকে। আম গাছের একটা ডালে অনেকগুলা ফুল থাকে, যদি ওই একটা ডাল থেকে একটা ফল ও হয় তাহলে একে বাম্পার ফলন বলা হবে। কিন্তু এই বাম্পার ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।


তারপরও অনেক সময় পত্রিকার পাতায় দেখা যায় বৃষ্টি বা ঝড়ের জন্য আমের মুকুল ঝরে পড়ছে। যেখানে আমের বাম্পার ফলন হওয়ার কথা সেখানে আম ঝড়ে পরছে অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির জন্য অথবা পরিচর্যার অভাবে। তাহলে এই মুকুল ঝড়া প্রতিরোধ করা কতটা জরুরী। এর জন্য সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার। তার আগে জেনে নিই আমের মুকুল কি এবং মুকুল ঝড়ে পরার কারন কি?


আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ:


মূলত আমের ফুলগুলোকে একত্রে আমের মুকুল বলা হয়ে থাকে। আমের মুকুলের মধ্যে হাজার হাজার ফুল থাকে। পুরুষ এবং স্ত্রী ফুল একসাথেই থাকে। এই মুকুল থেকেই আমের গুটি আসা শুরু করে। এই মুকুল থেকে আমের গুঁটি জন্মায়।


(১) হপার পোকার আক্রমণ মুকুল ঝড়ে পরার একটি অন্যতম কারন। একটা হপার পোকা প্রায় ১৫০টা ডিম পাড়তে পারে। এই ডিম গুলা পরে ৫-৭ দিনের মাথায় ডিম ফুটে নিম্ফ হয় এবং এই ডিম গুলো পরে আম গাছের পাতা, ফুল, ফলের রস শুষে খায় তখন এক ধরণের রস নিঃসরণ করে যাকে ”হানি ডিউ” বলে। এই আঠালো একটা পদার্থের জন্য আম গাছে শুটি মোল্ড নামে এক ধরণের ছত্রাক জন্মায় ফলে সম্পূর্ণ গাছের পাতা, মুকুল কালো হয়ে যায়। তখন বলা হয় মহালাগা।


(২) অ্যানথ্রাকনোজ রোগ আমের মুকুলে হয়ে থাকে। এটি কোলিটোট্রিকাম গোলেসপোরিওডিস (Colletotrichum gloeosporioides) নামক এক প্রকার ছত্রাক দ্বারা হয়ে থাকে। এই রোগের ফলেও আমের মুকুল ঝড়ে পড়ে।


(৩) পাউডারী মিলডিউ ওডিয়াম মেংগিফেরা (Oidium mangiferae) নামক ছত্রাক দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। এ রোগের কারণে আক্রান্ত অংশে সাদা পাউডারে আমের মুকুল ঢেকে যায় ও আমের মুকুল ঝড়ে যায়। এখন আমাদের যেই বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হবে আমের মুকুল আসা ও ফল ধরার সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


(৪) প্রাকৃতিক কারণ যেমন বৃষ্টি, ঝড়, বন্যা, শিলা বৃষ্টির জন্য মুকুল ঝড়ে পরে।


(৫) মাটিতে রসের অভাব হলে আমের মুকুল ঝড়ে পরে যায়।


আমের মুকুল ঝড়ে পরা রোধে করণীয়:


(১) আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আগাছামুক্ত ও খোলামেলা অবস্থায় রাখতে হবে । মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে। রোগাক্রান্ত ডাল, পাতা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।


(২) শীতের পর গরম শুরু হয়।এই সময়টাতে আম গাছের প্রচুর পানির প্রয়োজন পরে। তাই গাছের গোড়াতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পায় তা লক্ষ্য রাখতে হবে।


(৩) ফুল থেকে যখন ফল মটর দানার মতো হবে তখন একটা স্প্রে করতে হবে হপার পোকা দমনের জন্য। সাধারণত মুকুল আসার আগে হপার পোকার জন্য স্প্রে করতে হয়।হপার পোকার জন্য ডায়াজিনন ৬০ ইসি বা লেবাসিড ৫০ ইসি চা চামচের ৪ চামচ ৮.৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর দুই বার স্প্রে করতে হবে। অথবা ম্যালাথিয়ন বা এমএসটি ৫৭ ইসি উপরোক্ত মাত্রায় স্প্রে করতে হবে।এছাড়া সাইপারমেথ্রিন১০ ইসি(সিমবাস বা রিপকর্ড)@ ২মিলি./১লি. স্প্রে করা যেতে পারে।


(৪) আমটা যখন গুটি আকার ধারণ করবে তখন ১০-২০ দিন পর পর বোরিক এসিড@৬ গ্রাম/১০ লি. পানি স্প্রে করলে আমের গুটির পরিমাণ বেড়ে যাবে।


(৫) সালফার জাতীয় কীটনাশক আমের গুটিতে স্প্রে করতে হবে যাতে ছত্রাক আক্রান্ত না করতে পারে।অথবা ম্যানক্রোজেন ২ গ্রাম/লি. নামক ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ব্যাভিসটিন WP ০.২ % হারে অথবা ডাইথেন-এম ০.৩ % হারে দুই বার ফুল ধরার আগে ও পরে স্প্রে করতে হবে।


(৬) পাউডারী মিলডিউ রোগ দমনে থিয়োভিট ০.৩ % হারে ফুল ফোটার পূর্বে এক বার ও পরে দুই বার স্প্রে করতে হবে। ম্যালাথিয়ন ০.২ % হারে ফুল ফোটার পর একবার ও গুটি আসার পর ১৫ দিন পর পর দুই বার স্প্রে করতে হবে।


৭) আম যখন মারবেলের মতো ছোট ফল হবে তখন ইউরিয়া সার @২০ গ্রাম/লি. স্প্রে করতে হবে।


(৮) আম গাছের পাশে মৌমাছি পালন করতে হবে প্রাকৃতিক পরাগায়নের জন্য। এছাড়া আম বাগানে বিভিন্ন জাতের আম গাছ লাগানোর করতে হবে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ফুল গাছ লাগাতে হবে যাতে বিভিন্ন পোকামাকড় পরপরাগায়নে সহযোগিতা করে।

লক্ষ্য রাখতে হবে গাছে যখন ফুল ফুটে যাবে তখন কোনো প্রকার স্প্রে করা যাবে না। আম গাছে মুকুল আসার আগে স্প্রে করা যেমন জরুরি না, তেমনি মুকুল ফোটার পর স্প্রে করার জরুরি নয়। কেননা এই সময় অনেক উপকারী পোকারা পরাগায়নের জন্য আসে।


কৃষিবিদ সমীরন বিশ্বাস

এগ্রিকেয়ার ২৪.কম:


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিভিন্ন কন্ঠশিল্পীদের অন্যতম সেরা পাঁচ গান:  *সাবিনা ইয়াসমিন:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিভিন্ন কন্ঠশিল্পীদের অন্যতম সেরা পাঁচ গান: 

*সাবিনা ইয়াসমিন: 

১.সব কটা জানালা খুলে দাও না(দেশাত্মবোধক)

২.সেই রেললাইনের পাশে মেঠো(দেশাত্মবোধক)

৩.মাঝি নাও ছাইড়া দে(দেশাত্মবোধক)

৪. মাগো আর তোমাকে ঘুমপাড়ানি মাসি হতে দিব না(দেশাত্মবোধক)

৫.পৃথিবী তো দুইদিনের ই বাসা(মরনের পরে) 


*রুনা লায়লা: 

১.একাত্তরের মা জননী(বিক্ষোভ)

২.বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয়(বিক্ষোভ)

৩.তুমি আমার জীবন(অবুঝ হৃদয়)

৪.ও বন্ধুরে প্রাণ বন্ধুরে(মেঘ বৃষ্টি বাদল)

৫. ও কি কাজল ভ্রমরা( রঙিন রাখাল বন্ধু) 


*সৈয়দ আব্দুল হাদী: 

১.আমি তোমারি প্রেম ভিখারি(চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা)

২.কথা বলবো না বলেছি(আঁখি মিলন)

৩.পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে(মহামিলন)

৪.পৃথিবী তো দুইদিনের ই বাসা(মরনের পরে)


*সুবীর নন্দী: 

১.তুমি সুঁতোয় বেঁধেছো শাপলার ফুল(হাজার বছর ধরে)

২.আশা ছিল মনে মনে(হাজার বছর ধরে)

৩.আমায় বড় ডিগ্রি দিছে মা(বিক্ষোভ)

৪.পিঁপড়া খাইলো বড়লোকের ধন(মায়ের অধিকার)

৫.কোন ডালে রে পাখি তুই(আনন্দ অশ্রু)


*এন্ড্রু কিশোর: 

১.আমার বুকের মধ্যিখানে(নয়নের আলো)

২.আমার সারা দেহ(নয়নের আলো)

৩.ভালো আছি ভালো থেকো(তোমাকে চাই)

৪.পড়েনা চোখের পলক(প্রানের চেয়ে প্রিয়)

৫.ঘুমিয়ে থাকোগো স্বজনী(নারীর মন) 


*খালিদ হাসান মিলু: 

১.যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে(প্রানের চেয়ে প্রিয়)

২.অনেক সাধনার পরে(ভালোবাসি তোমাকে)

৩.জীবনে বসন্ত এসেছে(নারীর মন)

৪.প্রেম কখনো মধুর(মহৎ)

৫.সাথী তুমি আমার জীবনে(চাওয়া থেকে পাওয়া)


*কনকচাঁপা: 

১.তুমি আমার এমনই একজন(আনন্দ অশ্রু)

২.কত মানুষ ভবের বাজারে(লাভ স্টোরি)

৩.আমার হৃদয় একটা আয়না(ফুল নেবো না অশ্রু নেবো)

৪.একদিকে পৃথিবী একদিকে তুমি যদি থাকো(ভুলনায় আমায়)

৫.তোমায় দেখলে মনে হয়(বিয়ের ফুল)


*সামিনা চৌধুরী: 

১.আমার গরুর গাড়িতে(আঁখি মিলন)

২.আমি তোমার দুটি চোখে(নয়নের আলো)

৩.না বোল না(না বোল না)

৪.আমি জায়গা কিনব কিনব বলে(আধুনিক)

৫.নদী চায় চলতে(না বোল না)


*আইয়ুব বাচ্চু: 

১.আম্মাজান আম্মাজান(আম্মাজান)

২.অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে(লুটতরাজ)

৩.এই জগত সংসারে(তেজী)

৪.তোমার আমার প্রেম(আম্মাজান)

৫.স্বামী আর স্ত্রী(আম্মাজান)


*মনির খান: 

১.এই বুকে বইছে যমুনা(প্রেমের তাজমহল)

২.তুমি খুব সাধারন একটি মেয়ে(দুই নয়নের আলো)

৩.ঈশ্বর আল্লাহ বিধাতা জানে(আব্বাজান)

৪.চিঠি লিখেছে বউ আমার(আধুনিক)

৫.ভাড়া করি আনবি মানুষ(আধুনিক)

হৃদয় সাহা


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



ঢেঁড়স চষের নিয়ম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আপনারা_কিভাবে_ঢেঁড়স_আবাদ_করবেন 


#উপযুক্ত_মাটিঃ

দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি ঢেঁড়শ/ভেন্ডি চাষের জন্য উপযোগী। পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকলে এঁটেল মাটিতেও চাষ করা যায়। 


#জলবায়ু

ঢেঁড়শ/ভেন্ডি উৎপাদনের জন্য উষ্ণ জলবায়ু প্রয়োজন। শুল্ক ও আর্দ্র উভয় অবস্থায় ভাল জন্মে।


#জমি_তৈরিঃ

কমপক্ষে ৩-৪ টি চাষ দিয়ে মাটি ঝরঝরে করে আগাছা মুক্ত করে নিতে হবে। 


#বীজ_বপনের_সময়ঃ

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় প্রায় সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে সাধারণত খরিফ মৌসুমে এর চাষ করা হয় । ফাল্গুন-চৈত্র ও আশ্বিন-কার্তিক মাস বীজ বোনার উপযুক্ত সময়। 

#জাত_নির্বাচনঃ

শান্তি/সুপার সুমি/দুরন্ত/দীবা/নবীন/নোলক/OH-2324/

লাবণ্য/টপস্টার/রেড ফিঙ্গার/ললনা/ভেন্ডি নাম্বার-১ টিউলিপ/সিনথিয়া/গ্রীণ সুপার/শান্ত/অপু/গ্রীণ এনার্জি/হীরা কোমল/রাজমনি/মহাবীর/ফাইটার/আশা/সিন্দাবাদ

কাঞ্চন/কাঞ্চন সুপার/বাদশাহ/ডন/মনিকা/রেবিকা/টাওয়ার/টাওয়ার সুপার/চ্যাম্পিয়ন/সবুজ বাংলা/রকেট/ সুষমা/বাজিমাত/মমতা/অনিতা/শক্তি।


#বীজহারঃ

শতকে: বীজ প্রয়োজন ২৫-৩০ গ্রাম

বিঘায়: বীজ প্রয়োজন ৭০৯-৯০০ গ্রাম 

হেক্টর প্রতি বীজ প্রয়োজন ৬-৭ কেজি 


#বীজ_ভিজানোঃ

বীজ বোনার আগে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে নিতে হয়। গভীরভাবে চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে চাষের জমি তৈরী করতে হয়। 


#বীজ_বপন_দুরত্বঃ

সারি থেকে সারির দূরত্ব ৪৫ সেমি এবং সারিতে ৩০ সেমি দূরে দূরে ২-৩ টি করে বীজ বুনতে হয়। চারা গজানোর পর প্রতি গর্তে একটি করে সুস্থ-সবল চারা রেখে বাকি চারা গর্ত থেকে উঠিয়ে ফেলতে হবে।


#সারের_পরিমানঃ বিঘা প্রতি  ৩৩ শতকে

গোবর ২৫০০ কেজি

ইউরিয়া ৩০ কেজি

টিএসপি ২০ কেজি

এমও পি ১৫ কেজি

জিপসাম ১০ কেজি

জিংক ১ কেজি (আলাদাভাবে)

বোরন ১ কেজি


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ

জমি তৈরী করার সময় ইউরিয়া সার বাদে বাকি সব সার মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মেশানোর ৭-১০ দিন পর জমিতে ঢেঁড়শ/ভেন্ডি বীজ বপন করতে হয়। ইউরিয়া সার সমান তিন কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করতে হয়।


#প্রথম_কিস্তিঃ 

চারা গজানোর ২০ থেকে ২৫ দিন পরে

#দ্বিতীয়_কিস্তিঃ 

বীজ বপনের/চারা গজানোর ৪০ দিন পরে।

#তৃতীয়_কিস্তিঃ। বীজ বপনের ৬০ দিনে


#সেচ_পানি_নিষ্কাশনঃ

মাটির প্রকারভেদ অনুযায়ী ১০/১২ দিন পর পর সেচ দেয়া প্রয়োজন। প্রথম কিস্তি সার প্রয়োগের পর জমিতে সেচ দিতে হবে।


#আগাছা_পরিষ্কারঃ

নিড়ানি দিয়ে মাটির উপরিভাগ মাঝে মাঝে আলগা করে দিতে হবে। জমি সবসময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।


#রোগ_পোকাঃ

ঢেঁড়সের সাদামাছি, মোজাইক ভাইরাস প্রধান বালাই। আপনার ইউনিয়ন/ব্লকের সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করে আপডেট পরামর্শ নিতে পারেন।


#ফসল_তোলাঃ

বীজ বোনার ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে এবং ফুল ফোটার ৩-৫ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। জাতভেদে ফল ৮-১০ সেন্টিমিটার লম্বা হলেই সংগ্রহ করতে হয়। গাছপ্রতি ২৫-৩০ টি ফল হয়।


#ফলনঃ

শতকে ৮০-৯০ কেজি 


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ নতুন আরো কোন ভালো জাতের নাম বাদ পরলে কমেন্টে জানাবেন। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...