এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নওমুসলিম ও আমাদের কর্তব্য,,,,,, ফেইসবুক salsabil থেকে নেওয়া

 নওমুসলিম ও আমাদের কর্তব্য 


আমাদের ইসলামী আবেগ প্রবল কিন্তু ইসলামী ইলম ও আমলে দুর্বল।

আমাদের ওয়াজ, নসিহত ও আকাংক্ষা হল - আমরা বিশ্বের নির্যাতীত মুসলিমদের রক্ষা করবো, মাহাদী হাফিঃ সৈনিক হয়ে মালহামা,গাজাওয়ে হিন্দে অংশগ্রহণ করবো।বীরত্ব  দেখিয়ে বিশ্বজয় করবো। 


অথচ নিজদেশে নওমুসলিমদের রক্ষায় আমরা অল্পকিছু সাহসী ব্যক্তিছাড়া তেমন কারো ভূমিকা নেই। অথচ মালহামার সাহায্যকারী হবে নওমুসলিম বা তাদের বংশধর মাওয়ালীরা এমনকি মালহামার অন্যতম কারন হবে কাফেররা নওমুসলিমদের ছিনিয়ে নিতে আসবে। কিন্তু মুসলিমরা দিবে না লড়াই করবে, যেখানে অনেকে পালিয়ে যাবে অল্পকিছু মুসলিমের হাতে বিজয় আসবে।


এই যুদ্ধের কারণ ও সাহায্যকারী হবে মাওয়ালী বা নওমুসলিমরা।


আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যাবৎ রোম’রা আ’মাক অথবা দাবিক-এ অবতরণ না করে। সেসময় পৃথিবীবাসীর মধ্য থেকে (মুমিনদের) সর্বোত্তম একটি সৈন্যদল মদিনা হতে (বের হয়ে) তাদের দিকে ধাবিত হবে। তারা পরষ্পরে যখন সারিবদ্ধ হয়ে (মালহামাতুল কুবরা তথা মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন) রোম’রা বলবে: আমাদের এবং যারা আমাদের লোকদেরকে আটকিয়ে রেখেছে তাদের মাঝ থেকে তোমরা সরে যাও, আমরা ওদের সাথে যুদ্ধ করবো। তখন মুসলমানরা বলবে: (এটা কখনই হতে পারে) না, আল্লাহ’র শপথ, আমারা তোমাদের এবং আমাদের (মুসলমান) ভাইদের মাঝ থেকে সরে দাঁড়াবো না। এরপর তাঁরা তাদের (তথা রোম বাহিনীর) সাথে যুদ্ধ করবে। তখন (যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে মুসলমানদের মধ্যে) তিন ভাগের এক ভাগ (ভয়ে) পালিয়ে যাবে, আল্লাহ তাদের তওবা আর কখনই কবুল করবেন না। আর এক তৃতীয়াংশ শহীদ হয়ে যাবে; তাঁরা হবে আল্লাহ’র কাছে (সেই জিহাদের) সর্বোত্তম শহীদ। আর (অবশিষ্ট) এক তৃতীয়াংশ (যাঁরা বেঁচে যাবে তাঁরা ওই জিহাদে রোমদের উপর) বিজয় লাভ করবে; (পরে) তাঁরা আর কখনই ফিতনায় পতিত হবে না। এরপর তাঁরা (সামনে অগ্রসর হয়ে) কুস্তুনতুনিয়া (কন্সট্যান্টিনোপোল/ইস্তাম্বুল, তুরষ্ক) জয় করবে। তারা যখন তাদের তরবারী জয়তুন গাছে ঝুলিয়ে গণীমতের মাল বন্টন করতে থাকবে, এমন সময় শয়তান তাদের মাঝে চিৎকার দিয়ে বলবে: নিশ্চই মাসিহ (দাজ্জাল) তোমাদের পরিবারের পিছনে লেগেছে। তখন তাঁরা (অবস্থার সত্যতা যাঁচাইয়ের জন্য) বেরিয়ে পড়বে, কিন্তু (বাস্তবে) খবরটি ছিল মিথ্যা। তাঁরা যখন শাম-এ গিয়ে পৌছবে, (তখন) দাজ্জাল বের হবে। তাঁরা জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে সারিবদ্ধ হতে হতেই সালাতের সময়  হবে। অতঃপর ঈসা (আঃ) অবতরণ করবেন এবং সালাতে তাদের ইমামাত করবেন।  আল্লাহ’র দুশমন (দাজ্জাল) যখন তাঁকে দেখবে, তখন সে এমনভাবে গলে যাবে যেভাবে লবণ পানিতে গলে যায়। তিনি যদি তাকে (ওভাবেই) ছেড়ে দিতেন, তাহলে (সে গলতে গলতে) একসময় (পুরাপুরি) ধ্বংস হয়ে যেতো। কিন্তু আল্লাহ ঈসা (আ.)-এর হাত দ্বারা তাকে হত্যা করবেন। তাই (শেষ পর্যন্ত) ঈসা (আ.)-এর বর্শার মধ্যে তার রক্ত তারা দেখতে পাবে। 


সহিহ মুসলীমঃকিতাবুল ফিতান অধ্যায়-৭১৭০(হাদিস একাডেমি) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০১৪, ইসলামিক সেন্টার ৭০৭১)


ভাই বাস্তবতা উপলব্ধি করুন - আমরা হয়তো গাজাওয়ে হিন্দের ভয়াবহতা বা মালহামায় অংশগ্রহণের আগে মৃত্যু আসতে পারে কিন্তু সর্বযুগে মুসলিম ভাইদের জন্য সাহায্য, সহযোগিতা করা যায়। তাদের রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দিলে শহীদ।


সাহাবীরা প্রতিযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ হতো  - ইসলাম ও মুসলিমদের রক্ষায় জন্য কে অগ্রগামী হবে, তাই তার আল্লাহর প্রিয় হয়েছিল ও জান্নাতের সমৃদ্ধির সুসংবাদ পেয়েছিল। 

আর এখন আমাদের ঐক্য  হল পহেলা বৈশাখে কিভাবে পান্তা-ইলিশ খাবে, কতটা নির্লজ্জভাবে উদযাপন করবে অথবা শহীদ মিনারে কে আর কার আগে ফুল দিয়ে গোনাহে লিপ্ত হবে বা কোন ক্রীড়ার মিলনমেলায়।

সামান্য জমি,সম্পদের জন্য ভাই,স্বজনদের সাথে শত্রুতা ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

অবৈধ প্রেম,তাগুত নেতার জন্য প্রয়োজনে রক্তাক্ত হতে রাজি কিন্তু ইসলাম ও মুসলিম রক্ষায় নিরব।

বহু নওমুসলিমকে দেখছি - ইসলামের কারনে সব হারিয়ে মসজিদে সামান্য সাহায্যের আকুতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে।

আসলে লজ্জার কার! আমাদের সম্পদ,ইলম, শক্তি কি কাজে আসবে যদি ইসলাম ও মুসলিমের কল্যানে ব্যয় হয়।


অথচ মুহাজির সাহাবীরা যখন অসহায় হিজরত করেছিল- উম্মতের আজকের মত এত সম্পদ ছিল না, ছিল না অধিক সংখ্যা। 

কিন্তু রসুল(সা) পরস্পরকে ভ্রাতৃপ্রেমে আবদ্ধ করেন,আনসারগন নিজের সম্পদ ও গৃহ, জীবনের উপর ঝুঁকি নিয়ে রসুল (সা:) ও মুহাজিরদের রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়।


আর তাদের জন্যও, মুহাজিরদের আগমনের আগে যারা এ নগরীকে নিবাস হিসেবে গ্ৰহণ করেছে ও ঈমান গ্রহণ করেছে, তারা তাদের কাছে যারা হিজরত করে এসেছে তাদের ভালবাসে এবং মুহাজিরদেরকে যা দেয়া হয়েছে তার জন্য তারা তাদের অন্তরে কোন (না পাওয়াজনিত) হিংসা অনুভব করে না, আর তারা তাদেরকে নিজেদের উপর অগ্ৰাধিকার দেয় নিজের অভাবগ্ৰস্ত হলেও। বস্তুতঃ যাদেরকে অন্তরের কার্পণ্য থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলকাম।


 এখানে আনসারগণের কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। তারা মদীনায় অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং ঈমানে খাঁটি ও পাকাপোক্ত হয়েছেন। সুতরাং আনসারদের একটি গুণ এই যে, যে শহর আল্লাহ তা'আলার কাছে ‘দারুল হিজরত’ ও ‘দারুল ঈমান হওয়ার ছিল, তাতে তাদের অবস্থান ও বসতি মুহাজিরগণের পূর্বেই ছিল। মুহাজিরগণের এখানে স্থানান্তরিত হওয়ার পূর্বেই তারা ঈমান কবুল করে পাকাপোক্ত হয়ে গিয়েছিলেন।


আনসারদের দ্বিতীয় গুণ বৰ্ণনা প্রসংগে বলা হয়েছে যে, “তারা তাদেরকে ভালবাসে, যারা হিজরত করে তাদের শহরে আগমন করেছেন।” এটা দুনিয়ার সাধারণ মানুষের রুচির পরিপন্থী। সাধারণত: লোকেরা এহেন ভিটে-মাটিহীন দুৰ্গত মানুষকে স্থান দেয়া পছন্দ করে না। সর্বত্রই দেশী ও ভিনদেশীর প্রশ্ন উঠে। কিন্তু আনসারগণ কেবল তাদেরকে স্থানই দেননি, বরং নিজ নিজ গৃহে আবাদ করেছেন, নিজেদের ধন-সম্পদে অংশীদার করেছেন এবং অভাবনীয় ইযযত ও সম্ভ্রমের সাথে তাদেরকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক একজন মুহাজিরকে জায়গা দেয়ার জন্য কয়েকজন আনসারী আবেদন করেছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত লটারীর মাধ্যমে এর নিস্পত্তি করতে হয়েছে।(সুরা হাশর -৯)


এবং মুহাজির ও আনসারদের নিয়ে চুক্তিপএ হয়  তারমধ্যে কুরায়শী এবং মদিনার মুসলমান এবং তাদের অনুসারীদের মধ্যে উম্মী নবী মুহাম্মদ (সা) এ সনদ জারী করেন।

এক জাতি হিসাবে তারা জিহাদে অংশ গ্রহণ করবে অন্যদের মুকাবিলায়।


 এরপর তিনি আনসারদের প্রত্যেক বংশ-গোত্র-এর উল্লেখ করেন। এরা হলো, বনূ সাইদা, বনূ জুশাম, বনূ নাজ্জার, বনূ আমর ইব্‌ন আওফ, বনূ নাবীত। এমনকি চুক্তিতে তিনি একথাও উল্লেখ করেন যে, কোন মুসলমান ঋণভারে জর্জরিত বিপণ জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়হীন রাখবে না এবং ফিদিয়া আর দিয়্যতের ক্ষেত্রে নিয়ম-রীতি অনুযায়ী পরস্পরের সাহায্য-সহায়তা করবে।


মু'মিন মুত্তাকীরা ঐক্যবদ্ধ মোর্চা গঠন করবে বিদ্রোহী, যালিম, অত্যাচারী, পাপাচারীর বিরুদ্ধে, মু'মিনদের মধ্যে ফাসাদ ও বিপর্যয় সৃষ্টির বিরুদ্ধে। এমন কি আপন সন্তানদের বিরুদ্ধে গেলেও এ মোর্চা গঠন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে সকলে নবী মুহাম্মদ (সা)-কে সহায়তা করবে।


 কোন কাফিরের বদলায় কোন মু'মিন কোন মু'মিনকে হত্যা করবে না।


 মু'মিনের বিরুদ্ধে কোন কাফিরের সাহায্য করা যাবে না।


. আল্লাহর যিম্মা-অঙ্গীকার এক ও অভিন্ন। তাদের পক্ষ থেকে একজন সামান্য-নগণ্য ব্যক্তিও কাউকে আশ্রয় দিতে পারবে।


 অন্যদের মুকাবিলায় মুসলমানগণ পরস্পরে ভাই।


 সকল মুসলমানের নিরাপত্তা আর স্বার্থ এক। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে কোন মু'মিন অপর মু'মিন ভাইকে বাদ দিয়ে সন্ধি চুক্তি করবে না। তা সমভাবে সকলের জন্য ইনসাফ ভিত্তিক হতে হবে।


. যে সব যোদ্ধা আমাদের সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হবে, তারা একে অন্যের সহায়তা করবে।


 মু'মিনগণ আল্লাহর রাস্তায় নিহতদেরকে পরস্পরে সহায়তা করবে।


মু'মিন-মুত্তাকীরা সত্য-সরল ও সঠিক হিদায়াতের উপর আছে। কোন মুশরিক কোন কুরায়শীকে জান-মালের নিরাপত্তা দেবে না। কোন মু'মিনের মুকাবিলায় সে প্রতি- বন্ধক হবে না (এবং তার বিরুদ্ধে সাহায্য-সহায়তা করবে না)।


অহেতুক কোন মু'মিনকে হত্যা করলে হত্যাকারীকে দায় বহন করতে হবে এবং নিহত ব্যক্তির ওলী-ওয়ারিসকে সন্তুষ্ট করতে হবে। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সমস্ত মু'মিনের কর্তব্য হবে। তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ছাড়া অন্য কিছু করা তাদের জন্য হালাল হবে না।


. কোন মু'মিন ব্যক্তি, যে এ সনদের অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে ঈমান রাখে এবং তা স্বীকার করে, আল্লাহ্ এবং শেষ দিনে যার ঈমান ও বিশ্বাস আছে, কোন নতুন কিছু উদ্ভাবনকারীর সাহায্য সহায়তা করা তার জন্য হালাল নয়, হালাল নয় এমন নব উদ্ভাবনকারীকে আশ্রয় দান করা। যে ব্যক্তি এমন লোককে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা তাকে আশ্রয় দান করবে কিয়ামতের দিন তার প্রতি আল্লাহর লা'নত, আল্লাহর গযব আপতিত হবে। তার নিকট থেকে কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না (তার তাওবাও কবুল করা হবে না)।


. চুক্তির ক্ষেত্রে কোন বিরোধ, মত-পার্থক্য দেখা দিলে (তার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের জন্য) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।


  


 যে সব যোদ্ধা আমাদের সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হবে, তারা একে অন্যের সহায়তা করবে।


. মু'মিনগণ আল্লাহর রাস্তায় নিহতদেরকে পরস্পরে সহায়তা করবে।


. মু'মিন-মুত্তাকীরা সত্য-সরল ও সঠিক হিদায়াতের উপর আছে। কোন মুশরিক কোন কুরায়শীকে জান-মালের নিরাপত্তা দেবে না। কোন মু'মিনের মুকাবিলায় সে প্রতি- বন্ধক হবে না (এবং তার বিরুদ্ধে সাহায্য-সহায়তা করবে না)।


অহেতুক কোন মু'মিনকে হত্যা করলে হত্যাকারীকে দায় বহন করতে হবে এবং নিহত ব্যক্তির ওলী-ওয়ারিসকে সন্তুষ্ট করতে হবে। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সমস্ত মু'মিনের কর্তব্য হবে। তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ছাড়া অন্য কিছু করা তাদের জন্য হালাল হবে না।


 কোন মু'মিন ব্যক্তি, যে এ সনদের অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে ঈমান রাখে এবং তা স্বীকার করে, আল্লাহ্ এবং শেষ দিনে যার ঈমান ও বিশ্বাস আছে, কোন নতুন কিছু উদ্ভাবনকারীর সাহায্য সহায়তা করা তার জন্য হালাল নয়, হালাল নয় এমন নব উদ্ভাবনকারীকে আশ্রয় দান করা। যে ব্যক্তি এমন লোককে সাহায্য-সহযোগিতা করবে বা তাকে আশ্রয় দান করবে কিয়ামতের দিন তার প্রতি আল্লাহর লা'নত, আল্লাহর গযব আপতিত হবে। তার নিকট থেকে কোন বিনিময় গ্রহণ করা হবে না (তার তাওবাও কবুল করা হবে না)


মজলুমের সাহায্য সহযোগিতা করবে।


প্রতিবেশী সাহায্যকারী হবে নিজের মতো,- যদি সে ক্ষতিকর বা অপরাধী না হয়।

কুরায়েশ(মুশরিক)  ও তার সাহায্যকারীকে আশ্রয় দিবে না।

 প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব তার অংশ রক্ষা করবে কেউ মদীনা আক্রমণ করলে সবাই মিলে রক্ষা করবে।( আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া - ৩ য় খন্ড) 


আজও প্রকৃত ইসলাম মানতে চান এসকল নিয়মনীতি মানা উচিত।


আল্লাহর কসম!! আমাদের উদ্দেশ্য নয় কোন ফেতনা ছড়ানো না আমরা কারো কাছে প্রশংসা বা সুবিধা আশাবাদী। 

বরং নিজেদের কাপুরুষতা জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী - একটু খেয়াল করুন আমাদের নিরবতা ও কাপুরুষতা ভবিষ্যৎ বড় বিপদের সংকেত নয় কি!!

প্রতিবাদ,প্রতিরোধ না করলে আল্লাহর আযাব না এসে পড়ে!!

ফেইসবুক salsabil থেকে নেওয়া 

মনির স্যারের ম্যাসেজ ২৪/০২/২০২৪

 সকল ভাই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ,আমাদের ট্রেড মার্কেটিং এর অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট আরএফএল এবং প্রাণ সকলেই খোল বিক্রি করছে বিভিন্নভাবে প্রচুর পরিমাণে খোল তারা বিক্রি করছে।

সেক্ষেত্রে আমরা কিছুই করতে পারছি না আমরা পেস্টিসাইডে চার মাস থেকে কাজ করছি অথচ এখন পর্যন্ত ভালোভাবে কেউ খোল বিক্রি করতে পারলেন না।

আপনাদেরকে অনেকভাবে বোঝানো হলো অথচ আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে খোল বিক্রি করতে সক্ষম হচ্ছেন না।

অন্যদিকে আমাদের ডিপার্টমেন্টের অন্যান্য ভাইয়েরা খোল বিক্রি করে শেষ করে ফেলল।

সামনে মাসে সকল পেস্টিংম্যানের এক গাড়ি ২০ টন খোল বিক্রির টার্গেট।

যে সকল ভাই সামনে মাসে এক গাড়ি কল বিক্রি করতে পারবেনা তাদেরকে যে সকল এরিয়া ফাঁকা আছে সেগুলোতে ট্রান্সফার দেওয়া হবে।

রাসেল স্যার নির্দেশ দিয়েছে আপনাদেরকে জানিয়ে দেয়া হলো।

অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের সবাই খোল বিক্রি করছে অথচ আমরা বিশ জন লোক পাঁচজনও খৈল বিক্রি করতে পারছিনা না।

আপনাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হল সকল পেস্টিং ম্যান কে গাড়ি করে খোল বিক্রি করতে হবে সামনে মাসে।


মরিচ গাছ ঝোপালো করার সহজ কৌশল, ফলন হবে দ্বিগুন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মরিচ গাছ ঝোপালো করার সহজ কৌশল, ফলন হবে দ্বিগুন।

মরিচ গাছ কেন ঝোপালো করবেন ? মরিচ গাছের ডালপালা বা শাখা প্রশাখা যত বেশি হবে, মরিচের ফলন তত বেশি হবে। গাছও দেখতে সুন্দর লাগবে। মরিচ পাকলে ফুলের মতো দেখাবে।

কিভাবে ঝোপালো করবেন ? মরিচের মুল গাছের আগা বা মাথা কেটে দিলে, গাছের পাশ দিয়ে শাখা প্রশাখা বের হয়ে ঝোপালো হবে।

কখন ডাল কাটবেন: 

১। মরিচের চারা রোপণের পর ৬-৮ ইঞ্চি লম্বা হলে আগা বা মাথা কেটে দিতে হবে। এতে গাছের পাশ দিয়ে প্রচুর ডাল বের হবে। কোন কারণে গাছ লম্বা হয়ে গেলে, শাখা প্রশাখা না থাকলে ১০-১২ ইঞ্চি পরিমাণ রেখে মাথা কেটে দিতে হবে।

২। মরিচের ফলন দেয়ার পর পাতাগুলো হলুদ হলে, গাছ কিছুটা দুর্বল মনে হলে, ডাল কেটে দিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, গাছের পাশদিয়ে কুশি বের হচ্ছে কিনা।

৩। অতিরিক্ত পানির কারণে গাছ নেতিয়ে পড়লে ডালপালা কেটে দিয়ে ছায়ায় রাখতে হবে। পানি দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। মাটি শুকাতে হবে। গাছে পানি স্প্রে করতে হবে। এক সময় কুশি বের হবে।

ডাল কাটার পর করণীয়: 

১। মূল গাছের চারপাশ দিয়ে প্রচুর কুশি বের হবে। তখন গোড়ার দিকের সকল কুশি কেটে ফেলতে হবে। কিছুটা উপর থেকে সবল কুশিগুলো রেখে বাকী কুশি কেটে ফেলতে হবে।

২। পানি দেয়া কমিয়ে দিতে হবে। মাটি না শুকালে পানি দেয়া যাবে না।

লেখক: 

কৃষিবিদ মুহাম্মদ শাহাদৎ হোসাইন সিদ্দিকী, উপজেলা কৃষি অফিসার (এল.আর) ও পিএইচডি ফেলো, বিএসএমআরএইউ, গাজীপুর।


অরন্য সীডস-১ ফ্যামিলি কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে এখনি জয়েন করুন।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়

১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা/নাম ব্যঙ্গ করা

২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা

৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা

৪) কাউকে গালি দেয়া

৫) কারও নিন্দা করা

৬) অপবাদ দেয়া

৭) চোগলখুরী করা

৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া

৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা

১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা

১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা

১২) কারও গীবত করা

১৩) খারাপ উপনামে ডাকা

১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া

১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা

১৬)  মিথ্যা স্বপ্ন বলা

১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা

১৮) জিহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহণ করা বা খাওয়া

১৯) জিহ্বা দিয়ে খারাপ অর্থে কাউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো।নিম্নোক্ত হাদিসটি আমাদের সবসময় সামনে রাখা উচিত :সাহাল ইবনে সায়াদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ (জিহ্বা) এবং দুই  উরুর মধ্যবর্তী অঙ্গ (লজ্জাস্থান) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।' (বুখারী : ৬৪৭৪)


আল্লাহ আমাদের সবাইকে জিহ্বার গুনাহ থেকে হেজাজত করুন,আমিন🤲



কুমড়ার ফল পচা না কড়া নষ্ট হওয়ার কারন।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কুমড়ার ফল পচা না কড়া নষ্ট হওয়ার কারন।


যারা কুমড়ার চাষ করেন তাদের অনেককেই একটি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

আর সেটা হচ্ছে- কুমড়ার কড়া বা ছোট ফল পচে যাওয়া, নষ্ট হয়ে যাওয়া বা মারা যাওয়া।


★যে সকল কারনে কুমড়ার কড়া নষ্ট হতে পারে:


১. পরাগায়ণ না হওয়া।

২. মাছি পোকার আক্রমণ।

৩. ক্যালশিয়ামের অভাব।

৪. ছত্রাকের আক্রমণ।

৫. মাটিতে শক্তি/উর্বরতার অভাব।

৬. গাছের দুর্বলতা।

৭. মাটিতে রসের অভাব।


প্রধানত প্রথম তিনটি কারনে কুমড়ার ফল বা কড়া পচে যায়। তাই এই তিনটির বিস্তারিত বর্ণনা ও এর সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ


★ পরাগায়ণ না হওয়া:


অতিরিক্ত কীটনাষক ব্যবহারের ফলে মৌমাছি বা প্রজাপতির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। যার কারনে পরাগায়ণে সমস্যা হচ্ছে। পরাগায়ণ না হলে কচি কড়া বাঁচাতে পারে না মারা যায়।


লক্ষণ:


* কড়াগুলো একেবারে ছোট অবস্থায় মারা যাবে। স্ত্রী ফুল ফোটার পর সে কড়া আর একটুও বড় হবে না।


* কচি কুমড়ার ফুলের অংশ থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে বোটা পর্যন্ত কালো হয়ে পচে/শুকিয়ে যাবে।


সমাধান:


* হাত দিয়ে কৃত্রিমভাবে পরাগায়ণ করা। কুমড়া ফুল ভোর ৩.০০টা থেকে ভোর ৪.০০টা পর্যন্ত ফুটতে শুরু করে এবং ভোর ৫.০০টা থেকে ৬.০০ টার মধ্যে সর্বোচ্চ ফুল ফোটে। ফুল সাধারণত ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ফুটন্ত অবস্থায় থাকে। ফুটন্ত ফুল সকাল ৮.০০টা থেকে বন্ধ হওয়া শুরু করে এবং ১১.০০টার মধ্যে সম্পূর্ণ ফুল বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য মিষ্টি কুমড়ার কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৮.০০টার মধ্যে করতে হবে।


সদ্যফোটা পুরুষ ফুল ছিঁড়ে পুংরেণুসমৃদ্ধ পুংকেশর রেখে পাপড়িগুলো ছিঁড়ে ফেলতে হয়। এরপর পুংরেণু স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে হালকাভাবে সামান্য একটু ঘষে দিতে হয়।


* ক্ষেতের চারিদিকে ফুল গাছ, সরিষা বা শিম গাছ লাগানো যায়।


★ মাছি পোকার আক্রমণ:


ফলের মাছি পোকা কচি কুমড়াএর ভেতরে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম ছেড়ে দেয়। এতে কুমড়া পচে নষ্ট হয়ে যায়।


লক্ষণ:


* কুমড়া একটু বড় হয়ে পচবে।

* ক্ষেতে মাছি পোকার উপস্থিতি দেখা যাবে।

* কুমড়ার গায়ে ফুটো করার সময় বাদামি রঙ্গের আঠা বের হতে দেখা যায়।

* ফলের আক্রান্ত স্থানে ফুটো ও ফল বাকা হয়ে যেতে পারে।

* আক্রান্ত ফলটি কাটলে কীড়া দেখতে পাওয়া যাবে।


পরীক্ষা:


* কচি কুমড়া ছিড়ে তার ফুটো করা স্থানটি নির্বাচণ করুন, ব্লেড অথবা আঙ্গুল দিয়ে আস্তে আস্তে চোচা ছুলাই করতে থাকুন আর ভেতর দিকে খুবই শক্তি দিয়ে চাপ দিন। দেখবেন, খুবই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সাদা লম্বা সুচালো টাইপের ডিম বের হয়ে আসবে।


* অনেক সময় আক্রান্তের শেষ পর্যায়ে ফুটোটা বড় হয়ে যায়, সেখানে অনেক মাছি একসাথে লেগে থাকে। সেখানে ক্ষুদ্র ডিম বা কীড়ার উপস্থিতিও পাওয়া যায়। কুমড়া পচে গেলে সেটা কেটে ফেললে ভেতরে একটু বড় বড় কিলবিলে পোকা পাওয়া যায়, এরা লাউ/মিষ্টি কুমড়ার ভেতরের নরম অংশ খেয়ে বেচে থাকে।

এই ধরনের কীড়ার উপস্থিতি না দেখলে অযথা মাছি পোকার দোষ দিয়ে কোন লাভ নাই।


* ফল বিকৃত হবে এবং ফল না বাড়ার কারণে ফলন কমে যায়।


সমাধান:


* ভালোভাবে জমি চাষ করতে হবে। পোকা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। কচি ফল গুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।


* সঠিক নিয়মে ফেরোমন ফাদ স্থাপন করা এবং তার ডিটারজেন্ট পানি নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে।


* বিষ টোপ ব্যবহার করেও মাছি পোকা দমন করা যায়। সে ক্ষেত্রে বিষ টোপ তৈরি করার জন্য 100 গ্রাম থেঁতলানো কুমড়ার সাথে ১০০ গ্ৰাম পানি দিয়ে ০.২৫ গ্ৰাম ডিপটেরেক্স মিশিয়ে এই মিশ্রণটি মাটির পাত্রে ঢেলে টপ বা ড্রামের কাছে রেখে দিন দেখবেন বিভিন্ন রকম পোকা এর মধ্যে আসবে এবং মারা পড়বে। এই বিষ টোপ এর কার্যকারিতা তিন থেকে চার দিন ধরে থাকে। চার দিন পর পর এটি পরিবর্তন করে দিতে হবে।


* আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।


★ জমিতে ক্যালশিয়ামের অভাব হলে:


লক্ষন:


১। আক্রান্ত গাছে প্রথমে কচি কুমড়ার নিচের দিকে পঁচন দেখা দেয়। ধীরে ধীরে পুরো ফলটিই পঁচে যায়


২। সাধারণত আম্লীয় মাটিতে বা ক্যালসিয়ামের অভাব আছে এমন জমিতে এ রোগ দেখা যায়।


সমাধান:


* ক্ষেতে পরিমিত সেচ দেয়া ।


* গর্ত বা পিট প্রতি ৫০ থেকে ৮০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করা ।


* মাটি পরীক্ষা করে চারা রোপনের ১৫ দিন পূর্বে জমিতে শতাংশ প্রতি চার কেজি হারে ডলোচুন প্রয়োগ করলে পরপর আর তিন বছর প্রয়োগ করতে হবেনা।



সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৪ -০২-২০২৪,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৪ -০২-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


জার্মানির মিউনিখে ফলপ্রসূ সফরের ফলে বিশ্ব দরবারে শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার বলিষ্ঠভাবে প্রতিফলিত হয়েছে - সংবাদ সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


আসন্ন রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কোনো সংকট হবে না - সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দৃঢ়ভাবে বললেন শেখ হাসিনা।


ক্ষমতার অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে কঠোরভাবে খেয়াল রাখার জন্য বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি। 


বাংলাদেশের সুপারিশের ভিত্তিতে ৩১শে মার্চের মধ্যে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত।


ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে পৌঁছেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


লিবিয়ায় আটক আরো ১৪৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে।


ইউক্রেনে হামলা ও রুশ বিরোধীদলীয় নেতার মৃত্যুকে ঘিরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচশোর বেশি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের।


বিপিএল ক্রিকেটে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে প্লে-অফ এ গেল ফরচুন বরিশাল।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

BREB কিভাবে গভীর সাগরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ নিয়ে আসে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 BREB কিভাবে গভীর সাগরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ নিয়ে আসে?


এই অভূতপূর্ব কাজটি সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের সাহায্যে করা যায়। যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন আসেই যে, সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল কি এবং কিভাবে এই ক্যাবলের সাহায্যে হাজার হাজার ভোল্ট দ্বীপাঞ্চলে সরবরাহ দেয়া হচ্ছে? প্রথমে সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল মহাশয়ের পরিচয়টা আপনাদের নিকট তুলে ধরতে চাই।


সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল হল এক প্রকার পাওয়ার ট্রান্সমিশন ক্যাবল যার মাধ্যমে পানির গভীরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সম্ভব। “সাবমেরিন” শব্দের অর্থ হল জলের নীচে। আর এই ক্যাবলটি নদী, লেক, সাগরের নীচে পাতানো থাকে। তাই পাওয়ার ক্যাবল শব্দযুগলের সাথে সাবমেরিন শব্দটি যুক্ত হয়ে হল সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল। যেসব দেশে সাগরের স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয় সেসব দেশে এই ক্যাবল বহুলভাবে প্রচলিত।


গঠন প্রকৃতি নিয়ে বিস্তারিত লিখে আর্টিকেলটিকে বোরিং করা ইচ্ছে আমার নেই। শুধু এতটুকু বলব, সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল তিন কোর কপার বা এলুমিনিয়াম কন্ডাক্টরবিশিষ্ট এবং ক্রস লিংকড পলিথিন (XLPE) ইন্সুলেশন লেয়ার দিয়ে তৈরি। এতে একটি অয়েল চ্যানেলও থাকতে পারে যেন ওভারহিটিং অবস্থায় ক্যাবলটি ঠান্ডা হতে পারে। তবে ক্যাবল নষ্ট হবার চিন্তার দরুণ এই চ্যানেল খুব কম ব্যবহার করতে দেখা যায়।


এবার নিশ্চয় সবার মনে প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে যে, এই ক্যাবলের সাহায্যে কত ভোল্টেজ সঞ্চালন করা সম্ভব?


সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের মাধ্যমে ৩৩ কিলোভোল্ট থেকে ৫০০ কিলোভোল্ট পর্যন্ত পাওয়ার ট্রান্সমিশন সম্ভব। এই ক্যাবলের সাহায্যে হাই ডিসি ভোল্টেজও সরবরাহ করা সম্ভব।


সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের সাহায্যে কিভাবে দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হয়?


জাতীয় গ্রীড সাবস্টেশন থেকে ৩৩-৫০০ কিলোভোল্ট লাইন জলের গভীরে সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের সাহায্যে দ্বীপাঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হয়। এখন এত উচ্চমাত্রার ভোল্টেজ আমরা সরাসরি ব্যবহার করতে পারব না। তাই দ্বীপাঞ্চলে একটি সাবস্টেশন স্থাপন করা হয় যা গ্রীড থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে আসা হাজার লক্ষ ভোল্টকে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় এনে গ্রাহকদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।


বাংলাদেশে কি সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের সাহায্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হয়?


বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবলের সাহায্যে ১০৩০ টি প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে যার মাধ্যমে ২.৫ লক্ষ ফ্যামিলি উপকৃত হচ্ছে। এই লাইনগুলো নদীর তলদেশে পাতানো রয়েছে। ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে, সন্দ্বীপ উপজেলাকে বিদ্যুতায়িত করতে সরকার সাগরের তলদেশে ১৫ কিঃমিঃ সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল স্থাপন করে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চরাঞ্চলের ২০,০০০ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার জন্য সরকার পদ্মা নদীর তলদেশে সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল প্রতিস্থাপন করেছে। মুন্সীগঞ্জ থেকে শরীয়তপুর পর্যন্ত এই লাইনের দৈর্ঘ্য ১ কিঃমিঃ।


এই ক্যাবলের সাহায্যে জল বিদ্যুতায়িত হবার কোন সম্ভবনা আছে কি?


উত্তর অনেকটাই জোর দিয়ে বলে যায় সম্ভবনা নেই। কারণ এতে হাই লেবেলের ইন্সুলেশন লেয়ার দেয়া থাকে। আর যদি লাইনে লিকেজও হয় তাহলে সেটা অটো-রিক্লোজারের সাহায্যে সেন্স করা মাত্রই বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাবে।


ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মানেই বাস্তবের রসাত্নক আলোচনার সাথে তুলনা করে পড়া। আর এতে খুব সহজে বুঝা যায় এবং মনেও থাকে। কেমন হবে যদি এরকম গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল এর ৮টি ইবুক পাওয়া যায়? 


নবীন যারা তারা ভাবছেন ভাইবা কিভাবে ফেস করবেন? কিভাবে প্রিপারেশন নিবেন? শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীই নয় কর্মরত ভাইদেরও অনেক সময় কাজের সুবিধার জন্য থিওরি রিভাইস করা লাগে!


নবীন ও অভিজ্ঞ ভাইদের কথা চিন্তা করে আমার লিখা ৮টি ই-বুকঃ


📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ


📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত


📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা


📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা


📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি


📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি


📘Ebook7: ডিসি সার্কিট নিয়ে মজার বই


📘Ebook8: ইলেকট্রনিক্স এত মধুর কেন?


সামান্য সম্মানির বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app +8801741994646



তিল চাষ পদ্ধতি।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 তেল জাতীয় ফসল তিল চাষ পদ্ধতি।


তিল খুবই জনপ্রিয় এক তেলবীজ | খাবারের তেল হিসাবে সরিষার তেলের থেকেও তিলের তেল কিন্তু বেশ স্বাস্থ্য উপকারী।

তিলের ইংরেজি নাম হলো Sesame এবং তিলের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Sesamum indicum. তিল অন্যান্য ফসলের থেকেও তিল চাষ খুবই সহজ। যেকোন পরিত্যক্ত জমিতে তিলের চাষ করা যায় এবং তিল চাষের তেমন খরচও হয় না।


তিলের জাত:


বর্তমানে উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ পাওয়া যায়।

অধিক ফলন পেতে উন্নত জাত যেমন- বিনা তিল-৩, বিনা তিল-৪, বারি তিল-৩ এবং বারি তিল-৪ খুবই উপযোগী।


জমি ও মাটি:


বেলে দো-আঁশ বা দো-আঁশ মাটি তিল চাষের জন্য উপযুক্ত তবে পানি নিস্কাশনের সুবিধাযুক্ত অন্যান্য মাটিতেও তিল চাষ করা যেতে পারে।


জমি তৈরিঃ


জমির প্রকারভেদে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ভালোভাবে ঝুরঝুরে করে জমি প্রস্তুত করতে হবে।


বপনের সময়: 


তিল খরিফ ও রবি (১৬ অক্টোবর-১৫ মার্চ বা কার্তিক-ফাল্গুন) উভয় মৌসুমে চাষ করা যায়। খরিফ-১ মৌসুমে অর্থাৎ ফাল্গুন-চৈত্র মাসে (মধ্য-ফেব্রুয়ারি হতে মধ্য-এপ্রিল), খরিফ-২ মৌসুমে অর্থাৎ ভাদ্র মাসে (মধ্য-আগস্ট হতে মধ্য-সেপ্টেম্বর) তিলের বীজ বপনের উত্তম সময়।


বীজের হার ও বপন পদ্ধতি:


ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে হেক্টর প্রতি ৭.৫-৮.০ কেজি এবং সারিতে বপন করার জন্য হেক্টর প্রতি  ৬.০-৭.০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়। সারিতে বপনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ১২ ইঞ্চি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১.৫-২.০ ইঞ্চি রাখতে হবে।


সার ও প্রয়োগ পদ্ধতি:


প্রতি একরে ৪০-৫০ কেজি ইউরিয়া,  

৫২-৬০ কেজি টিএসপি,  

১৬-২০ কেজি এমওপি এবং 

৪০-৪৫ জিপসাম সার 

শেষ চাষের পূর্বে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। জমি প্রস্তুতের শেষ চাষের পূর্বে অর্ধেক ইউরিয়া ও অন্যান্য সার প্রয়োগ করতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া বীজ বপনের ২৫-৩০ দিন পর গাছে ফুল আসার সময় ফসলে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া জমিতে জিংক ও বোরন ঘাটতি এলাকায় একর প্রতি যথাক্রমে ৪ কেজি হারে জিংক সালফেট ও ৩ কেজি হারে বরিক এসিড প্রয়োগ করতে হবে।


সেচ ও নিস্কাশন:


তিল চাষের জন্য সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। বীজ বপনের সময় মাটিতে রসের অভাব থাকলে একটি হালকা সেচ দিয়ে বীজ গজানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বীজ বপনের ২৫-৩০ দিন পর ফুল আসার সময় জমি শুষ্ক হলে একবার এবং ভীষণ খরা হলে ৫৫-৬০ দিন পর ফল ধরার সময় আর  একবার সেচ দিতে হবে। তিল ফসল জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না, তাই জমির মধ্যে কিছুদুর পর পর নালা কেটে বৃষ্টি বা সেচের অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে ফসলকে রক্ষা করতে হবে।


আগাছা দমন এবং মালচিং:


অধিক ফলন পেতে হলে জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। চারা অবস্থায় প্রায় ২০ দিন পর্যন্ত গাছের বৃদ্ধি ধীর গতিতে হতে থাকে। ফলে এ সময় জমির আগাছা দ্রুত বেড়ে তিল গাছ ঢেকে ফেলতে পারে। তাই এ সময় একটি নিড়ানী দিতে হবে। তাছাড়া বীজ বপনের পূর্বেই জমি থেকে ভালভাবে আগাছা পরিস্কার করে নিতে হবে।


বালাই ব্যবস্থাপনা:


কান্ড পঁচা রোগ, বিছা পোকা ও হক মথ তিল ফসলের বেশ ক্ষতি করে।


কান্ড পঁচা রোগ: এ রোগের আক্রমন কমানোর জন্য বীজ বপনের পূর্বে ২-৩ গ্রাম ভিটাভেক্স-২০০ ছত্রাকনাশক প্রতি কেজি বীজের সাথে মিশিয়ে বীজ শোধন করতে হবে।  জমিতে কান্ডপঁচা রোগ দেখা দিলে সাথে সাথে বাজারে প্রচলিত ছত্রাকনাশক পাওয়া যায় যেমন বেভিষ্টিন বা ডাইথেন এম-৪৫ দুই গ্রাম হারে বা রোভরাল এক গ্রাম হারে প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ৮-১০ দিন পর পর ২-৩ বার ফসলে স্প্রে করে রোগটি দমন করা যেতে পারে।


বিছাপোকা: এ পোকা ডিম পাড়ার সাথে সাথে ডিমসহ পাতা ছিড়ে কেরোসিন মিশ্রিত পানিতে বা ডিজেলে ডুবিয়ে মেরে ফেলা যেতে পারে। পোকার আক্রমন বেশি হলে নাইট্রো ৫০৫ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি. মিশিয়ে স্প্রে করেও বয়স্ক কীড়া দমন করা যেতে পারে।


জলাবদ্ধতা বা অতিরিক্ত আর্দ্রতা তিল গাছের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে দ্রুত গোড়া পঁচা রোগ হয়ে তিলগাছ মরে যায়। এ জন্য তিল চাষের জমি প্রস্ত্ততের সময় পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।



দেওবন্দিয়্যাত ও মওদুদী মতবাদ-এই দুইয়ের মধ্যে কী পার্থক্য ?,,,, মিসবাহ উদ্দিন আবুবকর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আমিন উকাড়বি রহ. এর কাছে এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞেস করল, “হযরত, দেওবন্দিয়্যাত ও মওদুদী মতবাদ-এই দুইয়ের মধ্যে কী পার্থক্য ? 

তখন তিনি তাকে সরাসরি জবাব না দিয়ে প্রথমে হযরত মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভি রহ. এর লেখা ‘হায়াতুস সাহাবা’ পড়তে দিলেন। আর বললেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এটা পড়ে আমার সাথে দেখা করতে আসবে।’

লোকটি ‘হায়াতুস সাহাবা’ পুরোটা পড়ে সাক্ষাত করতে এলো। এবার তিনি তাকে আবুল আলা মওদুদির লেখা ‘খেলাফত ও মুলুকিয়াত’ পড়তে দিলেন। আর বললেন, ‘এটাও এক সপ্তাহের মধ্যে পড়ে আমার সাথে দেখা করতে আসবে।’

লোকটি হযরতের কথা মেনে এটাও পড়লো। এরপর দেখা করতে এলো। তখন হযরত জিজ্ঞেস করলেন, ‘দুটো বই পড়ার পর তোমার মনের অনুভূতি কী হয়েছিল?’ 

সে জবাবে জানালো, ‘হায়াতুস সাহাবা পড়ার পরে আমার অন্তরে সাহাবায়ে কেরামের প্রতি প্রবল-প্রগাঢ় মুহাব্বত সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু এই ‘খেলাফত ও মুলুকিয়াত’ পড়ার পরে আমার অন্তরে সাহাবাদের প্রতি বিদ্বেষ জন্ম নিয়েছ।’

হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আমিন উকাড়বি রহ. তখন বললেন, ‘এই দুই বই পড়ার পরে তোমার মনে যেই অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে, এটাই দেওবন্দিয়্যাত ও মওদুদিয়্যাতের মাঝে পার্থক্য। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের প্রতি ভালোবাসার আরেক নাম দেওবন্দিয়্যাত। আর সাহাবাদের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ পোষণের অপর নাম মওদুদি মতবাদ। এ দুই চিন্তাধারার পার্থক্য সংক্ষেপে বোঝার জন্যে এতটুকুই যথেষ্ট।’


আলোচক : হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ইলয়াস ঘুম্মান হাফিযাহুল্লাহ

অনুবাদ : আবদুল্লাহ আল ফারুক

(কমেন্টের ঘরে ভিডিও ক্লিপ রয়েছে।)

نسخ


মরহুম মাওলানা মওদূদীর  ইসমতে আম্বিয়ার প্রতি বিষেদগার!,,,,,, মিসবাহ উদ্দিন আবুবকর ফেইসবুক থেকে নেওয়া একটি গবেষণা মূলক পোস্ট

 ✒️ মরহুম মাওলানা মওদূদীর  ইসমতে আম্বিয়ার প্রতি বিষেদগার! 


▶️ মরহুম মওদূদী হযরত ইউনুস (আ.) এর প্রতি রেসালাতের দায়ীত্ব পালনে শৈথিল্যকে যুক্ত করে দেন এবং ইউনুস (আ.) এর শৈথিল্যতাকেই সম্প্রদায়ের উপর থেকে আযাব সরে যাওয়ার কারণ সাব্যস্ত করেন। তদুপুরী এই শৈথিল্যতাকেই খোদায়ী রোষের কারণ বলে সাব্যস্ত করেন।


(যা সম্পুর্ণ কোরআন সুন্নাহ বিরোধী)


 এব্যাপারে মুফতী মুহাম্মাদ শফি  রহ. তাফসীরে মারেফুল কুরআনে কিঞ্চিৎ আলোকপাত করেছেন।  আমি এখানে হুবহু তুলে ধরার চেষ্টা কররবো। ইনশাআল্লাহ। 


⛔ "এক্ষেত্রে মাওলানা  মওদূদীর কঠিন বিভ্রান্তি ঘটে গেছে । তিনি হযরত ইউনুস (আ) এর প্রতি রেসালতের দায়িত্ব পালনে শৈথিল্যকে যুক্ত করে দেন এবং পয়গম্বরের শৈথিল্যটাকেই সম্প্রদায়ের উপর থেকে আযাব সরে যাবার কারন সাবস্ত করেন । তদুপরি এই শৈথিল্যটাকেই খোদায়ই রোষের কারন বলে সাব্যস্ত করেন। সুরা – আম্বিয়া ও সুরা সাফফাতে এ বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে । তা এরুপঃ


(“ কেরাআনের ইঙ্গিত এবং ইউনুস (আ.) এর গ্রন্থের বিস্তারিত বিশ্লেষণের প্রতি লক্ষ করলে বিষয়টি পরিষ্কার জানা যায় যে,


 ইউনুস (আ.) দ্বারা রেসালতের দায়ীত্ব পালনে যৎসামান্য ত্রুটি হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি হয়তো অধৈর্য হয়ে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই নিজের অবস্থান ছেড়ে দিয়েছিলেন।


 সেজন্য আযাবের লক্ষণাদি দেখেই যখন তার সঙ্গী সাথীগণ তাওবা-এস্তেগফার আরম্ভ করে দেয়, তখন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। কুরআনে আল্লাহ তায়ালার যেসব মূলনীতির কথা বলা হয়েছে, তাতে একটি নিদৃষ্ট ধারা এও রয়েছে যে, আল্লাহ কোন জাতি-সম্প্রদায়কে ততক্ষণ পর্যন্ত আযাবে লিপ্ত করেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের উপর স্বীয় প্রমানাদি পরিপূর্ণ ভাবে প্রতিষ্ঠা করে দেন। 


সুতরাং নবীর দ্বার যখন রেসালাতের দ্বায়ীত্ব পালনে ত্রুটি হয়ে যায় এবং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের পূর্বে তিনি নিজেই যখন স্থান ত্যাগ করেন, তখন আল্লাহর ন্যয়নীতি তার সম্প্রদায়কে সেজন্য আজাব দান করতে সম্মত হয়নি।


 (তাফহীমুল কোরআনঃ মাও. মওদূদী. পৃষ্ঠা ৩১২, - জিলদ-২")


➡️ এখানে সর্ব প্রথম লক্ষ করার বিষয় এই যে, আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের পাপ থেকে মা’সুম (নিষ্পাপ) হওয়ার বিষটি এমন একটি সর্ব সম্মত বিশ্বাস, যার উপ সমগ্র উম্মতের ঐক্যমত বিদ্যমান। এর বিশ্লেশনে  কিছু আংশিক মতবিরোধও রয়েছে যে, এই নিষ্পাপত্ব কি সগীরা কবিরা সর্ব প্রকারের গুনাহ থেকেই, না শুধু কবীরা গুনাহ থেকে? তাছাড়া এই নিষ্পাপত্বে নবুওয়াত প্রাপ্তির পুর্বেকার সময়ও অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা? কিন্তু এতে কোন সম্প্রদায় বা ব্যক্তি কাহারোই কোন মতবিরোধ নেই যে, নবী রসূলগণের কেহই রেসালাতের দায়ীত্ব পালনে কোন রকম শৈথিল্য করতে পারেনা। তার কারণ  নবী-রসূলগণের জন্য এর চাইতে বড় পাপ আর কিছুই হতে পারেনা যে, যে দায়ীত্বে আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে নির্বচন করেছেন, তাঁরা নিজেই তাতে শৈথিল্য করে বসেন। এটা সেই মর্যাদাগত দায়ীত্বের প্রকাশ্য খেয়ানত, সাধারণ শালীনতা সম্পন্ন মানুষের পক্ষেও সম্ভব নয়। এহেন ত্রুটি থেকেও যদি নবীগণ নির্দোষ না হবেন, তবে অন্যান্য পাপের নিষ্পাপ হলেই বা কি লাভ!


কিন্তু এখানে আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, মওদূদী সাহেব যে বিষয়টি কোরআন কারীম ও হযরত ইউনুস আঃ এর সহিফার বিশ্লেষণের উদৃতিক্রমে উপস্থাপন করেছে, তা সহীফায়ে ইউনুসে থাকলেও থাকতেপারে, কিন্তু মুসলমানদের নিকট  তার কোন গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা নেই।


 তবে এ ব্যাপরে কোরআনী ইঙ্গিত একটিও নেই। বরং ব্যাপারটি হলো এই যে, কয়েকটি প্রেক্ষিত জড়ো করে তা থেকে এই সিদ্ধান্ত বের করা হয়েছে একান্তই জবরদস্তিমুলকভাবে। প্রথমত ধরে নেওয়া হয়েছে যে, ইউনুস (আ.) এর কওমের উপর থেকে আযাব রহি হয়ে যাওয়ার  ব্যাপারটি আল্লাহ ত’আলার সাধারণ রীতির বিরুদ্ধে হয়েছে।


অথচ এমন মনে করা আয়াতের পুর্বাপর ধারাবাহিকতারও সম্পুর্ণ বিরোধী। তদুপরি তাফসীরশাস্ত্রের গবেষক ইমামগণের ব্যাখ্যা-বিশ্লেশনেরও পরিপন্থি। তারপর এর সাথে এ কথাও ধরে নেওয়া হয়েছে যে, ঐশী রীতি এ ক্ষেত্রে এ কারণে লঙ্ঘন করা হয়েছে যে, স্বয়ং নবী দ্বারা রেসালাতের দ্বায়ীত পালনে ত্রুটি হয়ে গিয়েছিল, তৎসঙ্গে একথাও ধরে নেওয়া হয়েছে যে, নবীর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা নির্ধারিত স্থান ত্যাগ করার জন্য একটা বিশেষ সময় নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্ত তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই দ্বীনের প্রতি আহবান করার  দায়িত্ব থেকে বেরিয়ে পড়েছেন।


 সামন্যতম বিচার বিশ্লেশনও যদি করা হয়, তবে একথা প্রমানিত হয়ে যাবে যে, কোরআন সুন্নাহর কোন ইঙ্গিত এসব মনগড়া প্রতিপাদ্যের পক্ষে খুজে পাওয়া যায়না। স্বয়ং কুরআনের আয়াতে বর্ণনা ধারার প্রতি লক্ষ করুন, আয়াতে বলা হয়েছে - فلو لا كانت قرية آمنت فنفعها الا قوم يونس এর পরিষ্কার মর্ম এই যে, পৃথিবীর সাধারণ জনপদের অধিবাসীদের সম্পর্কে আফসোসের প্রকাশ হিসাবে বলা হয়েছে যে, তারা কেনইবা এমন হলোনা যে, এমন সময় ঈমান নিয়ে আসত যে সময় পর্যন্ত ঈমান আনলে তা লাভজনক হতো! অর্থাৎ, আযাব কিংবা মৃত্যুতে পতিত হওয়ার আগে যদি ঈমান নিয়ে আসত, তবে তাদের ঈমান কবুল হয়ে যেত। কিন্তু ইউনুস (আ.) এর সম্প্রদায় তা থেকে সতন্ত্র। কারণ তারা আযাবের লক্ষণাদি দেখে আযাবে পতিত হওযার পুর্বেই যখন ইমান নিয়ে আসে, তখন ঈমান ও তাওবা কবুল করা হয়। আয়াতের প্রকৃষ্ট অর্থ প্রতীমান করে যে, এখানে কোন ঐশী রীতি লংঘন করা হয়নি; বরং একান্তভাবে আল্লাহ তায়ালার নিয়ম অনুযায়ী তাদের ইমান ও তাওবা কবুল করে নেওয়া হয়েছে। অধীকাংশ মুফাচ্ছিরগণ তাদের তাওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারটি সাধারণ খোদায়ী রীতি অনুযায়ী হওয়ার কথাই বলে।


ইউনুস (আ.) এর স্থান ত্যাগ করার কথাটি তাফসীরে রুহুল মাআনী এভাবে উল্লেখ করা হয়-


▶️ "ইউনুস (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে এজন্য চলে যাচ্ছিলেন যে, তিনি সম্প্রদায়ের কঠিন বিরোধিতা এবং কুফরীর উপর হঠকারিতা সত্ত্বেও সুদীর্ঘকাল পর্যন্ত রেসালাতের আহবান জানাতে থাকার ফলাফল প্রত্যক্ষ করে নিয়েছিলেন।" বস্তুত তার এ সফর ছিল হিজরত হিসাবেই। অথচ তখনও তিনি হিজরতের অনুমতি লাভ করেননি। এতে পরিষ্কার করে দেয়া হয়েছে যে, তার প্রতি ভর্ৎসনা আসার কারন রেসালাত ও দাওয়াতের দায়িত্বে শৈথিল্য প্রদর্শন ছিল না; বরং অনুমতির পূর্বে হিজরত করাই ছিল ভৎর্সনার কারন। মি. মদূদীকে কোন কোন ওলামা তার এই ভুলের ব্যাপারে অবহিত করলে সে সূরা-সাফ্‌ফাতের তাফসীরে স্বীয় মতবাদের সমর্থনে অনেক তাফসীরবিদের বক্তব্যও উদ্বৃত করেছে, যেগুলোর মধ্যে ওহাব ইবনে মুনাব্বিহ প্রমুখের ইসরাঈলী রেওয়ায়েত সমূহ ছাড়া অন্য কোনটির দ্বারাই তার এ মতবাদের সমর্থন প্রমানিত হয় না যে, হযরত ইউনুস (আঃ) এর দ্বারা (মা'আযাল্লাহ) রেসালাতের দায়িত্ব সম্পাদনে শৈথিল্য হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া জ্ঞানবান বিজ্ঞ লোকদের একথা অজানা নেই যে, তাফসীরবিদগন নিজেদের তাফসীরে এমনসব ইসরাঈলী রেওয়ায়েতসমূহও উদ্বৃত করে দিয়েছেন, যেগুলোর ব্যাপারে তাদের সবাই একমত যে, এসব রেওয়ায়েত প্রামান্য কিংবা গ্রহনযোগ্য নয়। শরীয়তের কোন হুকুমকে এগুলোর উপর নির্ভরশীল করা যায় না। ইসরাঈলী রেওয়ায়েত মুসলিম তাফসীরবিদদের গ্রন্থেই থাক বা ইউনুস (আঃ) এর উপর এহেন মহা অপবাদ আরোপ করা যেতে পারে না যে, তার দ্বারা রেসালাতের দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য হয়েছে। ইসলামের কোন তাফসীরকার এহেন কোন মত গ্রহনও করেন নি। (তাফসীরে মা’আরীফুল কোরআন বঙ্গানুবাদ , সৌদি সরকার কর্তৃক প্রকশিত, পৃষ্ঠা নং ৬১৭-১৮- ১৯)


জ্ঞাতব্য : মওদূদী সাহেব তার রচনাসমূহের মাঝে নবী,  সাহাবী ও ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চরম অবমাননাকর ও কুরআন সুন্নাহের সাথে সাংঘর্ষিক বক্তব্য দিয়েছেন। তন্মধ্যে তার রচিত খেলাফত ও মুলুকিয়াত বইয়ে আম্বিয়ায়ে কেরাম ও খুলাফায়ে রাশেদার বিরুদ্ধে এতটাই ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছে যা তার গোমরাহীর স্পষ্ট প্রমান বহন করে। 

সেক্ষত্রে সে এমন সব তথ্য উদৃত করেছে বাস্তবতার সাথে যার কোন মিল নেই। বরং সব জালিয়াতিপূর্ণ। 

উলামায়ে কেরাম তন্নতন্ন খুঁজেও তার সত্যতা পায়নি। এসব বিষয় দিবলোকের ন্যায় স্পষ্ট হওয়ার পরও তার অনুসারীরা তার অন্ধ সমর্থনে লিপ্ত রয়েছে এবং উলামায়ে হক্কানীর উপর তোহমত দিয়ে যাচ্ছে ।

আল্লাহ তাদেরকে সহি বুঝ দান করুন।



তেল গ্যাস সোলার ছাড়া  কেবলমাত্র মাধ্যাকর্ষণে বিদ্যুৎ বানানো সম্ভব, তবে...

 তেল গ্যাস সোলার ছাড়া  কেবলমাত্র মাধ্যাকর্ষণে বিদ্যুৎ বানানো সম্ভব, তবে... কুমিল্লার তিতাসের আবদুর রহমান সুহাইল 'মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দিয়ে...