এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

রমজান স্পেশাল রেসিপি সমাহার- ২৪০ --->>>রসমালাই <<----,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রমজান স্পেশাল

রেসিপি সমাহার- ২৪০

--->>>রসমালাই <<----


প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

১. গুঁড়া দুধ- ১ কাপ ‏

২. তরল দুধ- ৪ কাপ ‏

৩. চিনি- ১/২ কাপ‏

৪. এলাচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ‏

৫. বেকিং পাউডার- ১/২ চা চামচ‏

৬. ঘি- ১ টেবিল চামচ‏

৭. ডিম- ১ টি।

৮. হালকা হলুদ কালার

-->>থাকলে দিতে পারেন।


প্রস্তুত প্রনালীঃ

★প্রথমে একটি পাত্রে এক কাপ গুঁড়া দুধ নিন। এরপর তার সঙ্গে মেশান বেকিং পাউডার ও ঘি। আলতো হাতে মিশিয়ে নিন। 


★এবার ফেটানো ডিম অল্প অল্প করে মিশিয়ে একটি নরম ডো তৈরি করুন। ডিম যেন স্বাভাবিক তাপমাত্রার হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। 


★ডো হাতের সঙ্গে লেগে এলে বুঝবেন মিষ্টি তৈরি করা যাবে। এরপর মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করুন। তারপর সেই ডো থেকে ছোট ছোট মিষ্টির আকারে গড়ে নিন।


★একটি হাঁড়িতে আড়াই কাপ দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া দিয়ে জ্বাল করে নিন। দুধ ফুটতে শুরু করলে যদি কালার দিতে চান দিয়ে দিবেন। 


★তারপরে তাতে মিষ্টি দিয়ে দিন। দুধ যেন ঘন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এভাবে ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট জ্বাল দেবেন। মাঝে মাঝে হাঁড়িটি সামান্য দুলিয়ে দিন যেন দুধ উপচে না পড়ে।


★বাকি দুধ আস্তে আস্তে দিতে থাকবেন।এরপর হাঁড়ির ঢাকনা খুলে দুধের মিশ্রণটি দিয়ে দিন।


★ আলতো করে নেড়ে আরও পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে রেখে দিন ঘণ্টা দুয়েক। ততক্ষণে মিষ্টিগুলো রস ভালোভাবে শুষে নেবে।


★এবার বাটিতে নামিয়ে উপর দিয়ে বাদম কুচি,জাফরান দিয়ে দিবেন(যদি দিতে চান). এরপর পরিবেশন করুন সুস্বাদু রসমালাই।


সবাই আমাকে ভালোবাসবেন সাথে থাকবেন। 

ভুল গুলো ধরিয়ে দিবেন। 




ছাদ বাগানে পুইশাক,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছাদবাগান আছে কিন্তু পুঁইশাক  নেই এমন টা হয় না কখনো। পুঁইশাক আমাদের সবারই পছন্দের। কিন্তু প্রায়ই পুঁইশাকের পাতায় দাগ দেখা যায়। একটা পাতায় দাগ হলে সব পাতায় ছড়ায়। আজ আমরা জানবো পুঁইশাকের বিশেষ একটি রোগ ও তার প্রতিকার নিয়ে। রোগের নাম পুঁইশাকের পাতায় দাগ পড়া রোগ।  

রোগের কারণ : Cercospora beticola নামক ছত্রাক দ্ধারা সংঘটিত হয়ে থাকে।

রোগের বিস্তারঃ ছত্রাকের সংক্রমণ বা জীবাণুর বিস্তার ঘটে বীজ, বাতাস, বৃষ্টি ও সেচের পানি দ্ধারা।


রোগের লক্ষণ: 

১/ এ রোগ হলে প্রথমে পাতায় ছোট ছোট গোল আকারের দাগ বা স্পট দেখা যায়। 

২/ পরবর্তীতে দাগগুলোর আকার বড় হতে থাকে এবং সব দাগ একত্রিত হয়ে এক সময় পুরো পাতায় ছড়িয়ে পড়ে। তখন পাতার গুনগত মান নষ্ট হয়ে যায়।

৩/ অতিমাত্রায় সংক্রমণে ধীরে ধীরে পুরো গাছ মারা যায়।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার:

১/ রোগ সংক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা উঠিয়ে ফেলতে হবে।

২/ তবে রোগাক্রান্ত পাতা খাওয়াতে কোন ভয়ের কিছু নেই বা স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি নেই।

৩/ যদিও এ রোগ দমনের জন্য কোন নির্দিষ্ট ছত্রাকনাশক নেই। তবে , রোগের মাত্রা বেশি হলে Azoxystrobin গ্রুপের ছত্রাকনাশক Amistar Top ( এমিস্টার টপ)  ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। স্প্রে করার ১ সপ্তাহ পর খাওয়ার জন্য পাতা সংগ্রহ করা যাবে।

 ৪/ এছাড়া আগাম প্রতিরোধ হিসাবে বীজ বপনের আগে প্রোভেক্স ২০০ (Provax 200 WP) দ্ধারা কমপক্ষে ২ ঘণ্টা বীজ শোধন করতে হবে। প্রতি কেজি বীজের জন্য ২.৫ গ্রাম প্রোভেক্স ২০০ ব্যবহার করতে হবে।

এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে 01909110613 নম্বরে ফোন করে অথবা সরাসরি গ্রিন সেভারস এর অফিসে এসে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহন করতে পারবেন। 

আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org

কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম 

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।



১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে। পুরো প্রশাসন তটস্থ। কোনভাবেই সেই জালনোট উৎপাদন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। তখন পুলিশের সহকারী পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত এক ভদ্রলোক।


জাল নোট বিষয়েরই বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তভার এসে পড়লো তাঁর কাঁধে। সেই মামলার শেষমেশ সুরাহা হলো।

পুলিশের সেই ভদ্রলোক ছিলেন আদতে একজন কথাসাহিত্যিক। এরই মধ্যে লিখে ফেলেছেন তিনি ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ নামের একটি উপন্যাস ও। সেই উপন্যাস লেখা শেষ হয়েছিলো ১৯৪৮ সালের আগস্ট মাসে। কিন্তু চার


বছরেও প্রকাশক না পাওয়ায় স্বভাবতই তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তাই ভাবলেন যদি গোয়েন্দা উপন্যাস লেখা হয় তবে হয়তো পাঠক জুটবে। সেই জালনোটের মামলা নিয়ে ১৯৫৪ সালে অবশেষে তিনি শেষ করলেন তাঁর সেই উপন্যাস। উপন্যাসের নাম ‘জাল’। তবে সেই উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিলো আরো ৩৪ বছর পরে।


লেখকের নাম আবু ইসহাক। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক। কিন্তু তাঁর চেয়ে কম কি তিনি বাংলা ভাষার অভিধানবিদ ও? তাঁর লেখা ‘সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধানে’ কেবল 'অন্ধকার' শব্দটির প্রতিশব্দই আছে ১২৭টি!


বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের অন্যতম প্রবাদপুরুষ। গ্রাম্য বাংলার চরম বাস্তবতা ও কঠিন কোমল জীবনকে যে কতোটা নিপুণ ভাবে তুলে ধরা যায় তার প্রমাণ পাওয়া যায় আবু ইসহাকের লেখায়। সূর্য দীঘল বাড়ী চিরকাল বাংলা সাহিত্যে সর্বসেরা উপন্যাসগুলোর একটি হয়ে থাকবে এজন্যই। ভাবতে অবাক লাগে সূর্য দীঘল বাড়ীর মতো উপন্যাস তিনি লিখেছেন মাত্র ২১ বছর বয়সে!


সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের পটভূমি নিয়ে তিনি বলেছিলেন, 'আমি তখন সিভিল সাপ্লাইয়ে কাজ করি, পোস্টিং নারায়ণগঞ্জ। তো মাঝে মাঝে ট্রেনে করে ঢাকায় আসার সময় দেখতাম ওরা ট্রেনের মেঝেতে বসে আছে। প্রত্যেকের হাতে থলি। কোথায় যাচ্ছে? যাচ্ছে ময়মনসিংহে, ওখান থেকে চাল কিনে নারায়নগঞ্জে কিছু বেশি দামে বিক্রি করে ওরা। এই ওদের পেশা। ওদের নাম যে জয়গুন বা এরকম কিছু তা হয়তো নয়...


কিন্তু এদের সঙ্গে সূর্য-দীঘল বাড়ির সম্পর্ক কী?


সেটা আবার আলাদা ব্যাপার। এদেরকে দেখে আমার মাথায় একটা গল্পের প্লট আসে। ভাবতে চেষ্টা করি, এরা কেন এত কষ্ট করে প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জ থেকে ময়মসিংহ যাওয়া-আসা করে? তার মানে, নিশ্চয়ই গ্রামে কোনো উপায় খুঁজে পায়নি। ঘর ছেড়ে তাই পথে নেমেছে। ভিক্ষা করছে না, কাজই করছে, কিন্তু তাদের এই নিত্য যাতায়াত, তাও ট্রেনের মেঝেতে বসে, বিনা টিকেটে, টিকেট- চেকারের বকাঝকা শুনতে শুনতে, এসবই বলে দেয়, এরা স্বাভাবিক জীবন পায়নি, উপযুক্ত কাজও পায়নি, এমনকি হয়তো গ্রামে থাকতেও পারেনি। এরা কি তবে বাস্তুত্যাগি নাকি বাস্তুহারা? কেউ তো সহজে তার বাস্তুভিটা ত্যাগ করতে চায় না। তখনই আমার সূর্য-দীঘল বাড়ি নামটা মনে আসে।


সূর্য-দীঘল মানে সূর্যের দিকে লম্বালম্বি। অর্থাৎ গ্রামের যে বাড়িটি পুব-পশ্চিম লম্বালম্বি করে বানানো হয় তাকে সূর্য-দীঘল বাড়ি বলে। তো আমার নানার গ্রামে এ ধরনের একটা বাড়ি ছিল। গ্রামের বাড়িগুলো সাধারণত উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি হয়, কারণ মানুষের বিশ্বাস সূর্য-দীর্ঘল বাড়ির লোকজন উজাতে পারে না, মানে এগোতে পারে না, অর্থাৎ টিকতে পারে না এবং জীবনযুদ্ধে হেরে যায়। আমার মনে হলো, এই যে মেয়েগুলো ট্রেনে করে যাওয়া আসা করছে, তাদের ধরে নিয়ে আমার নানার গ্রামের ওই সূর্য-দীঘল বাড়িটিতে বসিয়ে দিলে কেমন হয়?'


আমাদের ছোটবেলাতে তাঁর গল্পের মধ্য দিয়ে ছোটগল্পের জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিলো। 'মহাপতঙ্গ' কিংবা 'জোঁক'। কি দারুণ দুই ছোটগল্পের মাধ্যমে শৈশবেই রেখাপাত ঘটিয়েছিলেন তিনি।


সাহিত্য কিংবা কর্মজীবন দুই জায়গাতেই তিনি ছিলেন সফল। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ছিলেন ভাইস-কনসাল ও ফার্স্ট সেক্রেটারি। ব্যক্তিজীবনে ছিলেন ভীষণ নিরহংকারী।


জন্মদিনে বাংলা কথাসাহিত্যের এই অবিস্মরণীয় স্রষ্টার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।


ছবিতে আবু ইসহাক ও তাঁর স্ত্রী সালেহা ইসহাক।



জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরী,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ★জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরী,

সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে অনেক মানুষ শেষ বয়সে এসে এক খন্ড জমি কিনে যাতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মাথা গুজার একটু জায়গা থাকে। কিন্তু জমি কিনেই ঝামেলায় পড়েছেন অনেকে। কেউ আবার হয়েছেন সর্বশান্ত।


মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্বল্প জ্ঞান ও অসতর্কতার কারণেই মানুষ এই ঝামেলায় পড়ে। তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি-


★অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে জরিপের মাধ্যমে প্রণিত রেকর্ড। খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।


★ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ দেখে নিতে হবে। 


★ জমি কেনার আগে উক্ত জমির সিএস রেকর্ড, এসএ রেকর্ড, আরএস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

★ বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয়সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার কেনার দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে যিনি বেচবেন তার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।


★ জমির বিক্রিকারী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে, তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তার মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সস্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালো ভাবে যাচাই করে নিতে হবে। 


 যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন (AD) তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে সত্যায়ন বা শুদ্ধতার পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।


★ তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রিকারীর শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রিকারীর সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে। 


★ জমি বিক্রিকারীর নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।


★ জমি কেনার ক্ষেত্রে যিনি জমি কিনবেন তাকে মনে রাখতে হবে যে ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা/দাবি আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়.



মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয়:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয়:


🟢পোকা চেনার উপায় : চুনের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


🟢ক্ষতির ধরণ : এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়।এর আক্রমণে পাতা ঝরে যেতে থাকে এবং ডাল মরে যায়।এভাবে এক সময় পুরো গাছই মরে যায়।


🟢ব্যবস্থাপনা :

____________


আক্রান্ত গাছ টি, প্রথমেই অন্যান্য গাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে।


আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ইমিটাফ বা, এডমায়ার বা, টিডো বা, নাইট্রো ) 

১ লিটার পানিতে ২ মিলি কীটনাশক মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে আক্রান্ত স্থানে। 


ওষুধ স্প্রে করার সঠিক সময়: বিকাল/সন্ধ্যা বেলায়। 

(রোদের ভেতরে কখনো কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না।এতে পাতা বার্ন হয়ে যাবে।) 


✅মিলিবাগ হলে ব্যবহৃত জনপ্রিয় ৪ টি ওষুধ: 

____________________________________

১) নাইট্রো

২) সিকো

৩)কিপার

৪) ইমিটাফ 


যে ডাল গুলো বেশি মিলিবাগ আক্রান্ত সেই ডাল গুলো গাছ থেকে কেটে ফেলে দিতে হবে।


🟢পূর্ব-প্রস্তুতি :

_____________


নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।গাছের ডাল গুলো রেগুলার চেক করুন।সাদা সাদা মতো কিছু দেখলে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন।

প্রতি ১০ / ১৫ দিন পর পর নিম তেল স্প্রে করুন সব গাছে।


🟢 মিলিবাগ দমনে ঘরোয়া উপায়:

________________________


সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় (ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ভিম বা ভিম বার মেশানো পানি বেশি ভালো হয়)

অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। 

আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।


খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


বি.দ্রঃ একদম কম আক্রান্ত হলে ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলেই হয়, কিন্তু আক্রান্ত বেশি হলে গাছ ফেলে দিতে হবে অথবা কীটনাশক দিতে হবে।


মিলিবাগ দমনে ব্যবহৃত কীটনাশক , ইমিটাফ আমাদের পেজ : Plants Hub এ পাবেন।



টাকা থাকলেই জীবনে বড় হওয়া যায় না।ইচ্ছা থাকলে  সন্মান, টাকা আপনার কাছে নিজে থেকে ধরা দিবে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ডা: আতিউর রহমান স্যারের বাস্তব জীবনী এটা। লেখাটা আগে আপনার ছেলে মেয়েকে পড়ান,তারপর আপনি নিজে পড়ুন।।

টাকা থাকলেই জীবনে বড় হওয়া যায় না।ইচ্ছা থাকলে  সন্মান, টাকা আপনার কাছে নিজে থেকে ধরা দিবে।সেহেতু হতাশ হবেন না।


...............................................................


আমার  জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো  পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস  ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা  পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

 

 আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা  ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি  থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়।  চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে  ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি  করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

 

 আমার মা  সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর  বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই  অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার  সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও  লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

 

 আমাদের একটা গাভী আর  কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল  বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা  আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে  সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে  সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও  ছিল না !

 

 এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে।  স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর  লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো  বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও  তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে  হবে।

 

 নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার  স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা  অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল  হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

 

 পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম।  বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি  বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায়  অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন,  সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল।  যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে  গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড়  করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে  তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই,  পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

 

  মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের  ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে  ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস,  আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

 

 দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের  বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর  আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম।  প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে  মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

 

 যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি  এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও  বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম।  হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন  দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি  প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার-  যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

 

 বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব  দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল  ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে  গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও  আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন  শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে  নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর  গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

 

 আমার  জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ  করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর  সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট  হয়েই পঞ্চম শ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস  মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

 

  প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই  স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার  বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

 

 আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম  শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে  আমাকে দেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ  করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট  কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে  বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা  একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।

 

 আমি রাত জেগে  পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে  রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো  চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি  ! আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা  দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত  হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

 

  সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো।  শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা  শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা  শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে  বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে,  উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

 

 পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর  ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে  সবকিছু আঁচ করে ফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে  তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই।  পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য  পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে  পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না। পরদিন  ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম।  কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্স হবে না।

 

 হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি  এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর  মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে  হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার  নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা  বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

 

 এই যখন অবস্থা, তখন  প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন।  আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো  সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল  না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে  তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

 

 আমি আর কোন আশার আলো দেখতে  না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন  চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন।  সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য  চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব  মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে  আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০  টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

 

  প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে  বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন  মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা  বোর্ড মিটিঙে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই  থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে  পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

 

  আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায়  স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও  করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার  সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

 

 (অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় তাঁর জীবন কথা)


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে করণীয়,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে করণীয়


আমের মুকুল ও গুটি ঝরা রোধে কী করবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস। এতে বলা হয়েছে, মাটিতে রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চার পাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আমের গুটি মটরদানার মতো হলেই প্রথমে একবার গাছের গোঁড়ায় পানি দিতে হবে।


প্রথম সেচ দেওয়ার পর থেকে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। অর্থাৎ আম গাছে ভরা মুকুলের সময় থেকে শুরু করে ১৫ দিন অন্তর অন্তর গাছের গোড়ায় চারবার সেচ দিতে হবে।


স্প্রের মাধ্যমে আম ঝরা রোধ>> আম ঝরা রোধের জন্য আমের গুটি মটরদানার মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা প্রতি লিটার পানিতে ৬ গ্রাম হারে বোরিক এসিড স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। স্প্রে আমের ওপর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে করতে হবে।


>> প্রতি সাড়ে চার লিটার পানিতে দুই মিলিলিটার হারে প্লানোফিক্স হরমোন পানিতে মিশিয়ে আমের গুটিতে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।


>> ফুল ফোটা অবস্থায় জিবেরেলিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিগ্রাম হারে স্প্রে করলেও আমের গুটি ঝরা কমে যায়।




ন্যাচারাল ফারমিং এ আমের পরিচর্যা করুন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যাচারাল ফারমিং এ আমের পরিচর্যা করুন। 

ফুল আসার পর  তরল জিবাম্রুত  ১০ লিটার পানিতে ৩,৪ শ মিলি হারে স্প্রে করুন। 

ফল মটর দানার মতো হলে  আরার স্প্রে করুন। 

 ৩, ৪ দিন  পর আগ্নাস্র (পোকা তাড়ানোর জন্য)  স্প্রে করুন। ৭ দিন  পর আর-একবার। 

১৫ দিন পর পর  আবার জিবাম্রুত দিন   ২,৩ বার।

ফল ঝরা কমবে, পোকা হবে না, ফল বড় হবে। 


গাছে নালা না থাকলে রিং পদ্ধতি তে পানি দিন। 

গাছের গোরা খরকুটা, লতাপাতা দিয়ে ঢেকে দিন। 

নিচ থেকে  ২ হাত চুন দিয়ে দিন।

ইনশাআল্লাহ ভালো ফলন হবে। 


ন্যাচারাল ফারমিং বাংলাদেশ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


করলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সবজি

 করলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সবজি। স্বাদে তিক্ত হলেও বাংলাদেশের সকলের নিকট এটি প্রিয় সবজি হিসেবে পরিচিত। ১০০ গ্রাম ভক্ষণ যোগ্য করলায় ১.৫-২.০ ভাগ আমিষ, ২০-২৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৮-২.০ মিলিগ্রাম লৌহ এবং ৮৮.৯৬ মিলিগ্রাম খাদ্যপ্রাণ সি আছে। 

 উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করলা ভাল জন্মে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে পরাগায়ন বিঘ্নিত হতে পারে। সব রকম মাটিতেই করলার চাষ করা যেতে পারে। জৈব সার সমৃদ্ধ দো-আঁশ বেলে দো-আঁশ মাটিতে ভাল জন্মে। 

 

জীবন কাল  

মোট জীবনকাল প্রায় চার থেকে সারে চার মাস। তবে জাত ও আবহাওয়াভেদে কোন কোন সময় কম বেশী হতে পারে। 


উৎপাদন মৌসুম

ফেব্র্বয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে যে কোন সময় করলার বীজ বোনা যেতে পারে। কেউ কেউ জানুয়ারী মাসেও বীজ বুনে থাকেন কিন্তু এ সময় তাপমাত্রা কম থাকায় গাছ দ্র্বত বাড়তে পারে না, ফলে আগাম ফসল উৎপাদনে তেমন সুবিধা হয় না। 


বীজের হার

করলা ও উচ্ছের জন্য হেক্টর প্রতি যথাক্রমে ৬-৭.৫ও ৩-৩.৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। 


জমি তৈরী ও বপন পদ্ধতি 

উচ্ছে ও করলার বীজ সরাসরি মাদায় (৪০x৪০x৪০ সেমি) বোনা যেতে পারে। এৰেত্রে প্রতি মাদায় কমপক্ষে ২টি বীজ বপন অথবা পলিব্যাগে উৎপাদিত ১৫-২০ দিন বয়সের চারা রোপণ করতে হবে। উচ্ছের ক্ষেত্রে সারিতে ১.০ মিটার এবং করলার জন্য ১.৫ মিটার দূরত্বের মাদা তৈরী করতে হবে। মাদা বীজ বুনতে বা চারা রোপণ করতে হলে অন্তত: ১০ দিন আগে মাদা নির্ধারিত সার প্রয়োগ করে তৈরী করে নিতে হবে।          

 

ফসল সংগ্রহ ও ফলন

চারা গজানোর ৪৫-৪৫ দিন পর উচ্ছের গাছ ফল দিতে থাকে। করলার বেলায় প্রায় ২ মাস লেগে যায়।

স্ত্রীফুলের পরাগায়নের ১৫-২০ দিনের মধ্যে ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয়।

ফল আহরণ একবার শুরু হলে তা দুমাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে ফলন। উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে উচ্ছে ও করলার হেক্টর প্রতি ফলন যথাক্রমে ৭-১০ টন (৩০-৪০ কেজি/শতাংশ) এবং ২০-২৫ টন (৮০-১০০ কেজি/শতাংশ) পাওয়া যায়।

©® দেশবাংলা এগ্রো



টমেটো ফল ধরলে করনীয়:

 টমেটো ফল ধরলে করনীয়:


উপরের দিকের কয়েকটা পাতা রেখে 

নিচের দিকের সব পাতা ও সাকার কেটে ফেলতে হবে তাইলে ফলের সাইজ বড় হবে এবং ফলন বাড়বে।


এক চিমটি পান খাবার চুন পানিতে গুলে গোড়ার মাটিতে দিয়ে দিবেন  তাইলে টমেটো নিচ কালো হয়ে পঁচবে না।


কাটা সাকার(শাখা কান্ড) পানিতে ভিজিয়ে রেখে শিকড় গজিয়ে আবার চারা তৈরি করতে পারেন।


হ্যাপি গার্ডেনিং 


ছবি সংগৃহীত



গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...