এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

ছায়া  যুক্ত স্থানে শাক সবজি চাষ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছায়া যুক্ত স্থানে শাক সবজি চাষ।


বাগান করার সময়, আমরা প্রায়শই ছায়াযুক্ত স্থানগুলিকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখি। এইসব জায়গার জন্য এমন গাছ খুঁজে পাওয়া অনেকসময়ই কঠিন হয়ে পারে যা এই অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পারে।


ছায়াযুক্ত স্থানে শাকসবজি চাষ করা সম্ভব। তবে, সব ধরনের সবজি ছায়াতে বেড়ে উঠতে পারে না। ছায়াযুক্ত স্থানে চাষ করার কিছু ভালো সবজি হলো:


ওলকচু

মানকচু

মেটে আলু

গাছ আলু

ধুন্দল

গ্রীষ্মকালীন টমেটো

সজনে ডাটা

মাশরুম

ঢেঁড়স

ওলকপি


ছায়াযুক্ত স্থানের শাক জাতীয় সবজি:


কলমি শাক

কচু শাক

লেটুস

বিলাতি ধনিয়া

পুদিনা পাতা 


ছায়াযুক্ত স্থানের মসলা জাতীয় গাছ:

ছায়াযুক্ত স্থানে অনেক ধরনের মসলা জাতীয় গাছ জন্মায়। এই গাছগুলোর মধ্যে রয়েছে:


আদা

হলুদ

চুইঝাল

এলাচ

তুলসী

পান




 সংগৃহীত


ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা। (তৃতীয় পর্ব),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।

(তৃতীয় পর্ব)


সায়কালগার:

ধাতব দ্রব্যসামগ্রী তৈরি ও এ সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ছিল এ পেশাজীবীরা। এটি প্রাচীন পেশা, কেননা সে সময় যুদ্ধের সরঞ্জামের জন্য এটা আবশ্যকীয় ছিল। তারা নিজের কর্মপদ্ধতি গোপন রাখতো এবং ঘরেই কাজ করত। ইস্পাত থেকে সারাংশ বের করা,  চকচকে করা, উপাদান ব্যবহার করা ও বন্দুকের নলে ময়ূরের মতো রং করা সবই  তাদের কাজ ছিল; কিন্তু তাদের আরেকটি বড় কাজ ছিল সাধারণ লোহা থেকে ইস্পাত তৈরি করা। অধিকন্তু তারা খঞ্জর, বর্শার ফলক, তলোয়ারের বাঁট, কাটারি  তৈরি করতো।


বিদরি সাজ:

এটি একটি শৈল্পিক পেশা ছিল। ধাতুর ওপরে সুক্ষ্ম কাজকে বলা হতো বিদরির কাজ। এই কাজে দক্ষ পেশাজীবীদের  বলা হতো বিদরি সাজ। বৃটিশ আমলে ঢাকায় এই পেশার বেশ কদর ছিল। জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় এর বিশদ বর্ণনা আছে। জেমস ওয়াইজের বর্ণনানুযায়ী, হুঁকাদান, খাটের পায়া, পানদান চিলমচি, কড়াই- এসবের ওপর সুন্দর বিদরির কাজ  হয়। এটা ছিল  বংশপরম্পরায় চালু কাজ। এখন তেমনভাবে এ কারিগরদের দেখা যায় না।


বাজুনিয়া:

এরা ছিল সংগীতজ্ঞ সম্প্রদায়। গান-বাজনার পেশায় নিয়োজিত ছিল এ সম্প্রদায়ের লোকেরা। এদের  সামাজিক মর্যাদা কম ছিল। এদের দলে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরাও অনর্ভুক্ত হয়ে নৃত্য পরিবেশন করতো। বাজুনিয়াদের সাধারণ বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে ছিল সানাই, তবলা, ঝনঝনা, মঞ্জুরী ও নাকাড়া প্রভৃতি। এদের দলে বাইজিরাও অন্তর্ভুক্ত হয়ে গান  করতো। ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের লোক গণনা অনুযায়ী মুসলিম মহিলা বাদ্যকরদের পরিচিতি দোমনী নামে। বর্তমানে সঙ্গীতের শিল্পী, বাদক এবং নৃত্যশিল্পী থাকলেও পেশার নামটি হারিয়ে গেছে আমাদের মধ্য থেকে।


শিশাগর:

জেমস ওয়াইজের বর্ণনায় অনুযায়ী, পুরনো শিশি-বোতল, চিমনি ইত্যাদি কিনে নতুন করে সেগুলো বানানোর পর ফুঁ দিয়ে সেগুলোকে আকৃতি দিতো তারা। পদ্ধতি সেকেলে হওয়ায় সামগ্রীগুলো ছিল বুদবুুদে ভরা ভঙ্গুর। তবু এদের তৈরি জিনিসের চাহিদা ছিল খুব, বিশেষ করে দুর্গাপূজার  সময়। লোহার একটি নলের মাথা গলানো কাচ নিয়ে তা বারবার ফুঁ দিয়ে এবং ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ইচ্ছামতো যেকোনো আকারের জিনিস বানাতো এরা। ডান হাতে একটি লোহার চিমটা ধরে আর বাঁ হাতে লোহার নল ধরে এরা  জিনিসের বিভিন্ন আকৃতি দিতো। উনিশ শতকের ষাটের দশকে জেমস ওয়াইজ ঢাকার সিভিল সার্জন থাকাকালে এই তথ্য  সংগ্রহ করেন। এরা ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।


বহুরূপীয়া:

এককালে ভাঁড় বা সঙ সেজে, নকল দাড়ি-গোঁফ লাগিয়ে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার কাজকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিল কিছু  লোক। এই পেশা মুঘল যুগেও প্রচলিত থাকার কথা অনুমান করা চলে, যেহেতু বৃটিশ আমলের প্রথম ভাগেও এই পেশার সন্ধান মেলে। বহুরূপীরা বিভিন্ন পৌরাণিক ও লৌকিক চরিত্রে সেজে, নেচে-গেয়ে, গলার স্বর পরিবর্তন করে মানুষকে আনন্দ দিতো।


লোহার:

তিন ধরনের লোহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে প্রথম দলে ছিল আরবীয় অনুকরণে তালা প্রস্তুতকারী হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত লোকেরা, যারা পরবর্তীতে দা'সহ কৃষি  যন্ত্র তৈরি করতো। দ্বিতীয় দলে ছিল মুঙ্গেরী সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা নাল ও বইল গাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি করতো। তৃতীয় ধরনের লোহাররা গাড়িখানায় কাজ করতো ও ঘোড়াগাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি  করতো। এরা ছিল মুসলমান। এরা বারুদ ও সেকেলে পদ্ধতিতে বন্দুকের গুলি বানাতো এবং একই সঙ্গে বন্দুক নির্মাতা ও কাঠমিস্ত্রি।


পনিরওয়ালা:

উনিশ শতকেও ঢাকার পনির বিখ্যাত ছিল। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে কোথাও পনির তৈরি না হলেও হিন্দু ও মুসলমান পনির সরবরাহকারী অথবা কারিগররা থাকতেন শহরেই। ওয়াইজের বর্ণনা অনুযায়ী, পনির তৈরি ও খাওয়া দুটোতেই অংশ নিতো মুসলিম সম্প্রদায়, তখন গরুর দুধের পনিরের নাম গাইয়া বা দলামা, আর মোষের  দুধের পনিরের নাম ছিল ভাঁয়সা। বর্তমানে পনির আছে কিন্তু এ ব্যবসা চলে গেছে বড় ব্যবসায়ীদের হাতে।


নানবাই

খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতের সাথে সম্পৃক্ত ছিল এ পেশার লোকেরা।বিভিন্ন ধরনের রুটি (শিবুমাল, নানখাতাই, বাকরখানি, পাঞ্জাকাশ, পরোটা  প্রভৃতি), এমনকি পিঠাও বানাত এরা। মুখ্যত মুসলিম সম্প্রদায়ের এসব রুটিওয়ালা  সমুচা এবং ইউরোপীয় কায়দার বিস্কুটও বানাতো। বেকারী ও ফ্যাক্টরির ক্রমবিকশে এ পেশা বিলুপ্ত হয়েছে।


গান্ধী:

সুগন্ধি দ্রব্য প্রস্তুত করতো যে পেশার মানুষ, তারা পরিচিত ছিল গান্ধী নামে।  হাকিম হাবিবুর রহমান উল্লেখ করেছেন যে ঢাকায় এককালে অনেক গান্ধী পরিবারের বাস ছিল এবং চুড়িহাট্টা মহল্লার গান্ধীগলি তাদেরই স্মৃতি বহন করছে। সে সময়ই এটি ছিল একটি প্রায় বিলুপ্ত পেশা। এই পেশার অল্প কিছু লোক আগর-সুগন্ধিযুক্ত বাতি তৈরিতে নিয়োজিত হয়েছিল।


তথ্যসূত্র:

ক। বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া।

খ। নোটস অন রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল, জেমস ওয়াইজ।

গ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন। 




লেবু গাছে ফুল আসলেও ফল হয় না বা ফুল ঝরে যায়,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লেবু গাছ আমাদের অতি জনপ্রিয় সাইট্রাস জাতীয় ফল। লেবু গাছ বারান্দায়, ছাদবাগানে, বাড়ির পাশের খালি জায়গায় সহজেই চাষ করা যায়। লেবু গাছে সাধারণত ফেব্রুয়ারিতে ফুল আসে  এবং মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু লেবু গাছে প্রায়ই একটা সমস্যা দেখা যায় যে ফুল আসলেও ফল হয় না বা ফুল ঝরে যায়।

 আজকে এই সমস্যার কারণ ও সমাধান  নিয়ে কিছু লিখছিঃ


১/ গাছে অতিরিক্ত পানি দিলে  নিচের পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়, নতুন পাতা গুলো বাদামি হয়ে যায়, ফুল ঝরে পড়ে। তাই কোনোভাবেই গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না।

২/ গাছে পুষ্টির অভাব হলে ফুল ঝরে যায়। তাই গাছের প্রয়োজন মত সার দিতে হবে। ফুল আসার আগে বা পরে বোরন সার স্প্রে করে দিতে পারবেন।

৩/ গাছের শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত যায় বিধায় টবটি আকারে বড় হতে হবে।

৪/ লেবু গাছে কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা সূর্যের আলোর প্রয়োজন হয়।  পরিপূর্ণ আলো না পেলে ফুল ঝরে যায়। তাই সূর্যের আলো নিশ্চিত করতে হবে।

৫/ লেবু গাছের রোগ বা পোকা মাকড়ের আক্রমণে ফুল ঝরে যায়। তাই রোগ ও পোকামাকড়ের জন্য বালাইনাশক ও কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।

৬/ তাছাড়াও বীজ থেকে জন্মানো গাছ হলে ফুল-ফল আসতে ৪-৫ বছর সময় লাগে। এই বিষয়টি অনেকেই জানে না বিধায় ফুল না আসার কারণে চিন্তিত হয়ে পড়েন। 

সেক্ষেত্রে ভালো হয় কলম করা লেবুর চারা সংগ্রহ করা। তাতে দ্রুতই ফুল ও ফলের দেখা পাবেন।


আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org

কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম 

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।



G9.   জি- ৯ কলার বৈশিষ্ট্য (G9 টিস্যু কালচার কলার বড় চারা পেতে যোগাযোগ করুন),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 G9  জি- ৯ কলার বৈশিষ্ট্য


(G9 টিস্যু কালচার কলার বড় চারা পেতে যোগাযোগ করুন) 

এ জাতের কলার ফলন বেশি, সুস্বাদু ও রোগ প্রতিরোধী।এক একটি কাঁদিতে ৩৫ থেকে ৪০ কেজি ওজনের কলা উৎপাদন হয়|২২০-২৪০টি কলা পাওয়া যায়,সেখানে প্রচলিত জাতের কলা পাওয়া যায় সর্বোচ্চ   ৬০-১২০টি।

দুইবছরে তিনবার ফল পাওয়া যায়। গাছ মাঝারি আকারের (২ মিটার লম্বা) ও শক্ত হওয়ায় ঝড়-বাতাসে সহজে ভেঙে পড়ে না এমনকি এ জাতের কলা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সহনশীল। গাছ থেকে কলা পাড়ার পর তুলনামূলকভাবে এই কলা বেশি দিন টিকে থাকে বা নষ্ট হয় না।

কাঁদির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সবগুলো কলার আকার এক রকম হয়। পাকা কলার রং আকর্ষণীয় হলুদ, লম্বা ও কম বাঁকানো, কলার গায়ে কোনো দাগ পড়ে না। এসব কারণে বিশ্বব্যাপী ‘জি- ৯’ জাতের কলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

 মাত্র ৮-৯ মাসের মধ্যে কলা পাওয়া যায়, যেখানে অন্য জাতের কলা পেতে ১১-১৫ মাস অপেক্ষা করতে হয়।

 অন্য জাতের চেয়ে ফলন দ্বিগুণ বেশি। একটি কাঁদির ওজন ৩৫ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত হয়। একসাথে ফল আসে ও একসাথে সব কাঁদি কাটা যায়।০১৭৮৭৪৩২৭৫৪ Whatsapp / imo






মীর জাফরের সমাধী,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইতিহাসের সবচাইতে জঘন্যতম ব্যক্তির সমাধি এটি।যার নাম মানুষ মুখে আনতেও ঘৃণা বোধ করে।    মীর জাফর!  পুরো নাম মীর জাফর আলী খান বাহাদুর। যার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন উপমহাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়। মীরজাফর ছিলেন পলাশী যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং প্রধান বিশ্বাসঘাতক। যার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে  পরাজয় বরণ করতে হয়েছিলো অবিভক্ত বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে। সেদিন পলাশীর প্রান্তরে নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে  প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খান ও তার দোসররা ইংরেজ বেনিয়া লর্ড ক্লাইভ এর হাতে বাংলার শাসন ক্ষমতা তুলে দিয়েছিলো।অস্তমিত হয়েছিল বাংলার চিরচেনা সেই স্বাধীন সূর্য। মুষ্টিমেয় ইংরেজ শাসক বিশ্বাসঘাতকদের সহায়তায় বাংলায় তাদের শাসন ক্ষমতা পোক্ত করে এবং প্রায় ২০০ বছর শাসন করে। সেই থেকেই মীরজাফরের নাম বিশ্বাসঘাতকতার রূপক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ভারতের মুর্শিদাবাদের তার বাড়িটি নিমকহারাম দেউড়ি নামে পরিচিত। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ইতিহাসের এই বিশ্বাসঘাতকের সমাধি দেখতে হলে গুনতে হয় ১০ রুপি!গঙ্গার ঠিক ওপারে  খোশবাগে নানা আলীবর্দী খাঁর সমাধির  পাশে পড়ে আছে অযত্নে আর অবহেলায়  অবিভক্ত বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সমাধি!

হাজারদুয়ারী প্রাসাদ যেটা এখন যাদুঘর, প্রবেশ করে দেখলাম সব ইংরেজ শাসকদের বড় বড় ছবি বাঁধাই  করে রাখা, নিচে তাদের শাসনামল উল্লেখ করা আর তাদের ব্যবহৃত পোশাক। এতসব বড় বড় ইংরেজ শাসকদের ভিড়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলাম, নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবিটি কোথায়? উনি চোখের দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন আমি বাংলাদেশী কিনা?হ্যাঁ বলার পর উনি বললেন আচ্ছা আপনারা বাংলাদেশিরা নবাবের ভিতরে কি পেয়েছেন বলুন তো?বাংলাদেশ থেকে নাকি যে ই যায়  তারা নবাব সিরাজউদ্দৌলার ছবি দেখতে চায়। তারপর খুঁজতে খুঁজতে সব বড় বড় ইংরেজ শাসকদের  ছবির ভিড়ে  একটি কর্নারে ছোট্ট একটি ছবি দেখতে পেলাম যে ছবিটা ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার। ছবিটার সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ভাবলাম যে ব্রিটিশ শাসকগণ প্রায় ২০০ বছরের উপনিবেশ কায়েম করল ভারতীয় উপমহাদেশ,  তাদের ছবি আজও কত যত্নে বাঁধানো অথচ নবাবের স্থান  ছোট্ট একটি কর্ণারে !



পাঠ প্রতিক্রিয়া- তেরো,,,, সুমন সোবহান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাঠ প্রতিক্রিয়া- তেরো 


বইয়ের নামঃ পদ্মজা 

লেখকঃ ইলমা বেহরোজ    

প্রকাশকঃ অন্যধারা  

প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা- ২০২৪  

একাদশ সংস্করণঃ একুশে বইমেলা- ২০২৪ 

মুদ্রিত মূল্যঃ ৮০০ টাকা  

পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪১৬  

গ্রন্থের প্রকৃতিঃ উপন্যাস 

প্রচ্ছদঃ ফাইজা ইসলাম 


রকমারি ডট কম থেকে প্রতিবছরই গাঁটের পয়সা খরচা করে একুশে বইমেলার আলোচিত বইগুলো পড়ার জন্য সংগ্রহ করি। এবারো সেরকম কিছু বই কেনার অভিপ্রায়ে তাদের প্ল্যাটফর্মে ঢুঁ মারতে গেলে বেস্টসেলার তালিকার শীর্ষে থাকা ‘পদ্মজা’ উপন্যাসটা স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল জাগায় এবং পড়ার জন্য কিনে ফেলি।            


বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার কোন এক প্রত্যন্ত এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে নব্বইয়ের দশক থেকে পরবর্তী দু’দশক সময়কাল উপন্যাসের মোট ৪১৬ পৃষ্ঠাব্যাপী শেকড়ে-বাকলে বিবৃত হয়েছে। দু’এক জায়গায় সময়কালের উল্লেখ এবং বিভিন্ন চরিত্রের মুখে ব্যবহৃত ভাষা থেকে সেরকমই মনেহলো। সেই সমাজে কমবেশি সবাই ধর্মপ্রাণ মুসলিম, তারা প্রবলভাবে কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। তারা ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে যেমন অভ্যস্ত, তেমনি খুনোখুনিতেও সমানভাবে পারদর্শী। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চলে সেই খুনোখুনির আয়োজন। রিরংসা- হিংসা-জিঘাংশা-হত্যা-ষড়যন্ত্র-রিপুর তাড়না এই সমাজে খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। উপন্যাসের পাতায় পাতায় বিভিন্ন চরিত্রের সংলাপ এবং ঘটনার বিবরণ পড়ে মনেহলো সন্তান-পিতা-মাতা-স্বামি-স্ত্রী এসব সম্পর্কের মধ্যে স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ, সম্মান, প্রেম, ভালোবাসা ইত্যাদি বিষয়গুলো এই সমাজে প্রবলভাবে অনুপস্থিত। তারা একে অপরের প্রতি শত্রুতাভাবাপন্ন, তারা একে অপরকে ঘৃণা করে। এই সমাজে বাবা মেয়েকে ঘৃণা করে, মা সন্তানের প্রতি বিরূপ, স্বামী তার স্ত্রীর মর্যাদার প্রতি উদাসীন, সবকিছু মিলে আইয়ামে জাহেলিয়াতের মতো কঠিন একটা অবস্থা! সেই সমাজে ন্যায় নাই, সামাজিক সুবিচার নাই, আইনের বাতাবরণ নাই। এটা আসলে বাংলাদেশের কোন সমাজব্যবস্থা না, এটা সম্ভবত জি- বাংলার সমাজ। বালাজী টেলিফিল্মসের একতা কাপুরের পার্ভার্টেড কলমে (তিনি যুব সমাজকে কলুষিত করেছেন বলে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করেছে, বিহারে বেগুরসরাই আদালতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়) ভারতীয় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সোপ অপেরায় আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো যেমন খেলো হয়ে ধরা দেয়, এই উপন্যাসের পাতায় যেন তার খানিকটা আভাস পাওয়া যায়। বিশেষকরে শেষের দিকের ২৫/৩০ পৃষ্ঠাজুড়ে এটা খুবই প্রকট। 


উপন্যাস পড়ে মনেহয়েছে মেধার কি করুণ অপচয়! লেখিকার লেখার হাত বেশ ঝরঝরে কিন্তু এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও ঘটনার বিস্তার সত্যিই বিরক্তিকর। তিনি হয়তো অনেকদূর যাবেন তবে তাকে প্রচুর পড়তে হবে, ভালো লেখার স্বার্থেই। বইটা কিনতে গিয়ে ৮০০/- গচ্চা গেছে তাতে কিছু মনেকরছি না কিন্তু আমার জীবন থেকে যে মূল্যবান সময়টা ভুষিমাল পড়ার জন্য ব্যয় করলাম সেজন্য আফসোস হচ্ছে।           


নিব্বা-নিব্বি প্রেমনির্ভর এই উপন্যাসকে কোন জনরায় ফেলবো সেটা নিয়ে আমার খানিকটা দ্বিধা আছে, ‘পদ্মজা’ হতে পারে হালাল প্রেমের উপন্যাস কারণ কাশেম বিন আবু বকরের উপন্যাসের মতো এই উপন্যাসের ধর্মীয় আদব- লেহাজসম্পন্ন বালক-বালিকারা সহীহ ত্বরিকায় শরীয়তসম্মত ভাবে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। ফেসবুকের গলি-ঘুপচিতে অনেকে আবার একে থ্রিলার ঘরানায় ফেলতে চেয়েছেন দেখলাম। যারা অল্পে পুলকিত হন তাদের ক্ষেত্রে ‘পদ্মজা’ থ্রিলার বলে মনেহতে পারে, সেক্ষেত্রে ‘পদ্মজা’ হালাল থ্রিলার জনরার হতে পারে।   


উপন্যাসের প্রচ্ছদ ভালো লাগেনি। বিষয়বস্তুর সাথে তেমন একটা মিল খুঁজে পাইনি। ইশকুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর বাচ্চাদের দিয়ে আঁকানো ইলাস্ট্রেশন, যেগুলো বিভিন্ন পৃষ্ঠায় ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো নিয়ে বলার কিছু নেই। বাচ্চাদের কাজ বাচ্চাদের মতোই হবে, দোয়া করি তাদের মেধার বিকাশ ঘটুক। প্রতি পৃষ্ঠায় সাদা কাগজের উপরে ঘিয়ে রঙের প্রলেপ দিয়ে তাতে আরব্য রজনী বা ঠাকুর মা’র ঝুলি বইয়ের পৃষ্ঠার মতো যে অলঙ্করণ, তাতে লেখিকা কিংবা প্রকাশকের আর্থিকভাবে লাভ হলেও পাঠক হিসেবে আমার বিরক্তির কারণ হয়েছে। কারণ এরকম অলংকরণের জন্য আমার পড়তে যেমন সমস্যা হয়েছে তেমনি কালি বাবদ বাড়তি খরচাটা তো আমাকেই বহন করতে হয়েছে।   


৩  

২০১২ সালের কথা। তখন যশোর সেনানিবাসে চাকুরি করি। শীতকালীন মহড়ায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, শালবরাত এলাকার বিশাল এক জঙ্গলে কিছুদিনের জন্য ঘাঁটি গাড়তে হয়েছিল। সেখানে একজন ডিশের ব্যবসায়ী বলেছিলেন, কোন ডিশ ব্যবসায়ী যদি জি-বাংলা চ্যানেলের সিরিয়াল দেখাতে সক্ষম না হয় তাহলে তার ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলবে। সেখানে একটা দর্শকশ্রেণী যেমন জি-বাংলার পারিবারিক কলহ- ষড়যন্ত্র-হিংসা-দ্বেষ-মারামারি নির্ভর সিরিয়াল দেখতে মরিয়া, তেমনি নিব্বা-নিব্বি অথবা হালাল প্রেমের সহজপাঠ ‘পদ্মজা’ উপন্যাসটাও অনেকের ভাল লাগতেই পারে।     


‘পদ্মজা’ উপন্যাস পাঠ করে এর সাহিত্যমূল্যের চেয়েও যে বিষয়টা আমাকে বেশি চমৎকৃত করেছে সেটা হলো এর মার্কেটিং কৌশল। দূর্দান্ত মার্কেটিং কৌশল দিয়ে কি করে বস্তাপচা জিনিসকে মানুষের সামনে উপাদেয় হিসেবে উপস্থাপন করা যায় তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে এই উপন্যাস। বিবিএ/এমবিএ প্রোগ্রামে মার্কেটিং কৌশলের উদাহরণ হতে পারে এই উপন্যাস। আমার কেন জানিনা এই উপন্যাসের মার্কেটিং কৌশল আলমের ১ নাম্বার পঁচা সাবান বা এরোমেটিক কসমেটিকস লিমিটেড-এর হালাল সাবানের বিজ্ঞাপনের কথা মনে করিয়ে দিল। রকমারি ডট কম-কে ধন্যবাদ এই নেক্সাসে প্রবেশ করে আমাদের মতো পাঠকদের প্রতারিত করার জন্য। রকমারিতে কবি তসলিমা নাসরিনের কাব্যগ্রন্থ খুঁজে পাইনি কিন্তু এরকম ভুষিমাল ঠিকই বেস্ট সেলারের তালিকায় পেয়েছি। তাদেরকে ধন্যবাদ।  


আমি কোন রেটিং দিতে পারছিনা বলে দুঃখিত। 


এই উপন্যাসের ভালো দিক তাহলে কি? ভালো দিক কি আসলেই নেই! অবশ্যই আছে। ‘পদ্মজা’ উপন্যাসের বাঁধাই চমৎকার এবং এর ঝকঝকে প্রিন্ট আসলেই প্রশংসার দাবী রাখে। 


সবাই ভালো থাকবেন। হ্যাপি রিডিং। 

শুভ কামনা নিরন্তর। 

সুমন সুবহান।


গুরুত্বপূর্ণ হাদিস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ‘যারা ঈমান এনেছে তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে,  জেনে রাখো, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়।’ 

(সুরা রাদ : আয়াত ২৮)


সুবহানাল্লহ  سُبْحانَ الله গুরুত্বপূর্ণ হাদিস,,, 

আলহামদুলিল্লাহ   اَلْحَمْدُ لِله

লা ইলাহা ইল্লাল্লহ  لَا اِلَهَ اِلَّا الله

আল্লহু আকবার  اَللهُ اَكْبَر



একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করলাম। সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইল,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আসসালামু আলাইকুম

একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করলাম। সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইল

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

--- 👉বালিকা যখন Bf তোমার থেকে তোমার

হট পিক চায় তখন কি তোমার মনে থাকেনা তুমি কাকে কি দিতে যাচ্ছো?


👉বালিকা যখন তোমার Bf তোমার জামার ভিতর হাত দেয় তখন কি মনে থাকেনা,,,কার সম্পদ কার জন্য উন্মুক্ত করে দিলে?


👉বালিকা যখন তোমার Bf এর সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাও,,তখন কি মনে থাকেনা তুমি কার সম্মান নিয়ে মাঠে নামলে নিজেকে খোলা রেখে?


👉বালিকা যখন Bf এর সাথে তার ভাইয়ের  ফ্লাটে গিয়ে,,, দুটি দেহ এক করে শুয়ে থাকো তখন কি মনে থাকেনা কার সম্পদ কাকে বিলিয়ে দিচ্ছো?


নিজের মত করে যখন নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছো তখন সেই অপবাদ সব ছেলেকে দিচ্ছো কেন.....?


এই মেয়ে,একটা ছেলের জন্য কেন সব ছেলেকে দোষী করছো?


মজা কি শুধু ছেলেই নিয়েছে

তুমি নাওনি?


ছেলেটা যেমন একটু সুখের জন্য তোমাকে চেয়েছে

ঠিক তেমনি ভাবে সেই সুখের ভাগিদার তুমিও হতে চেয়েছো।


আর সেই সুখ পেতে নিজেকে শিয়াল কুকুরের খাবার বানালে।


আরে...নিজের ভালোতো একটা পাগলেও বুঝে,

আর তুমি ছি: কেও চাইলো আর তুমি  শুয়ে পড়লে?


কখনো কি ভেবে দেখেছো যাকে সব কিছু দিলে যদি তার সাথে তোমার বিয়ে না হয়


যদি অন্য জনের সাথে হয়

তখন তাকে কি দিবে?


কি আছে তোমার কাছে দেবার মত তোমার স্বামীকে?

তখন কি তোমার লজ্জা করবেনা নষ্ট একটা শরীর নিয়ে বধু সেঁজে বসে থাকতে?


তুমি জানোনা

ঈদের চাঁদ দেখলে মানুষ যতটা খুশি হয় ততটা খুশি ঈদের দিনও হয়না...


কেন জানো?


কারন ঈদের দিন মানে ঈদ শেষ 

আর চাঁদ দেখা মানে কাল ঈদ

এটা ভাবতেই তো খুশিতে বুকটা ভরে যায়...


ঠিক তেমনি যে তোমাকে বিয়ের আগে পেয়ে গেছে,, তার আবার কি ধরকার তোমাকে বিয়ে করার।


লেখাটি খারাপ লাগলে আমাকে ক্ষমা করবেন।আর পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবান, আমরা সবাই ছেলে ও মেয়ে দুনিয়ার জিবনে খুবই সাবধানতার সাথে থাকার অনুরোধ রই। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।  আমিন 🤲


#সংগৃহিত



দু’আ-ই মাসুরাহ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দু’আ-ই মাসুরাহ 


اَللَّهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ


আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্‌সি যুলমান কাছীরাঁও ওয়ালা ইয়াগ্‌ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা ফাগ্‌ফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিক, ওয়ারহাম্‌নি ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।


হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য জুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।


হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আবেদন করলাম যে, আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযে পড়ব। তিনি বলেন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দু’আয়ে মাছুরা পড়ার নির্দেশ দিলেন। 


সূত্র: বুখারী শরীফ হাদীস নং (৮৩৪) মুসলিম শরীফ হাদীস নং (৬৮৬৯) তিরমিযী শরীফ হাদীস নং (৩৫৩১) নাসাঈ শরীফ হাদীস নং (৬৩০৩) ইবনে মাজাহ শরীফ হাদীস নং (৩৮৩৫)



যত  নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যত নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?


(নারীকে সম্মান দিন কারণ নারী +পুরুষ = মানুষ )


আশ্রাফুল আলম নোবেল পাটোয়ারী ::


(বর্তমান প্রেক্ষাপটে দৃশ্যপটে বাস্তবতার নিরিখে নারীদের প্রতি অবিচার আর অসম্মান কারীদের মুখোশ ও আমার অনুধাবন তুলে ধরলাম ) 


৫০ টাকায় কাপড় খুললে নারী হয় বেশ্যা۔۔! কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর ৫০০০০ টাকায় কাপড় খুললে হয় নায়িকা۔۔!, 

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবেগে কাপড় খুললে হয় বান্ধবী ۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর অভাবে কাপড় খুললে হয় মাগী۔۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


সখিনা,জরিনা খুললে বলে খানকি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এঞ্জেল, জেরিনরা ফিগার দেখাইলেই হয় স্মার্ট۔۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


বিয়ার আগে খুললে নটি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর বিয়ার পর খুললে মেইন্টেনিং সোসাইটি۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবার বিবাহিতাকে নিয়েই সে পালিয়ে সম্পর্ক/পরকীয়া করতে ইতস্তত বোধ করে না।

কিন্তু সে কে  ? তার উপমা কি ??


কাপড়টা সবাই খোলে, একমাত্র স্বামীর কাছেই পবিত্র ।


নারী লজ্জাবতী কিন্তু তারপরও সেই কাপুরুষ কিছু অর্থ দিয়ে কাপড় খোলায় আর মঝা লুটে ۔۔۔۔!! এই কাপুরুষ নাথাকলে তো পতিতালয় ই হত না ۔۔۔!!

পতিতালয়ের কাস্টমার করা ۔۔۔?? তার উপমা কি ۔۔۔??


আর এই সমাজ কিভাবে দেখছে ۔۔?

কাপড় খুলে কেউ বেশ্যা হয় না ۔۔!

এই কাপুরুষ সমাজই বেশ্যা তৈরি করে ।

কিন্তু ঐ বেশ্যাদের কাছে কারা যায়?

সমাজ তাকে কি নামে ডাকে ۔۔?? 

নারীর দিকে আঙুল তোলার আগে, ও কাপুরুষ আপনি নিজের দিকে ও তাকান۔۔۔??

আপনি আপনার পরিচয়টা দেন ۔۔۔۔?


নারীর প্রতিটা কুকর্মে কাপুরুষ জড়িত কারণ এক হাতে তালি বাঁজে না, অথচ বেশিরভাগ কাপুরুষই অপরাধ করেও লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায়, কিন্তু জনসম্মুখে পড়তে হয় নারীকেই ।

কিন্তু যে কাপুরুষ এই কাপড় খুললো সে কি ?

তার উপমা কি ??


ধর্ষিতা কখনওই নিজ ইচ্ছায় ধর্ষণ হয় না,

কিন্তু তা জেনেও সবাই তাকে দূরে সরিয়ে দেয়, সমাজ তাকে বাঁকা চোখেই দেখে । নষ্টা ভ্রষ্টা উপাদি দে ।  কিন্তু যে কাপুরুষ এমন অপকর্ম করলো সমাজ তাকে কিছুই বলেন উল্টো সে নিজেকে বীর ভাবে !! কেউ কেউ ধর্ষণে সেঞ্চুরি ও মারে।   এই দেশে ধর্ষণের কোন দৃষ্টান্ত মূলক সাজার উদাহরণ নাই ۔۔।  তাই সেই কাপুরুষদের কোনো ভয় নেই । তারা একের পর এক ধর্ষণ অপকর্ম করেই চলছে । সেই কাপুরুষ জানোয়ারও তো কোন নারীর গর্ভে জন্ম  ۔۔!!  তব হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সেই নারীকেই করে ধর্ষণ !! 


বিঃদ্রঃ এইরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য দুঃখিত । বাস্তবতা এইরকমই এইভাবে না লিখলে অনেকে বলবে ভাষাগত সমস্যার কারণে বুঝি নাই । 


মনে রাখবেন প্রত্যেক নারীর ভিতর একটি মা এর সত্ত্বা বাস করে, তাকে সম্মান করতে শিখুন। মা ই স্বর্গ ۔۔۔۔!!!

Ashraful Alam Nobel Patowary Amar Bangla Multimedia 


AANP  নির্বাহী সম্পাদক , দৈনিক অর্থনীতির খবর ۔۔۔


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...