এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১২-০৩-২০২৪ ।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১২-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


দেশের আকাশে গতকাল পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে - আজ থেকে শুরু হয়েছে সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা। 


‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা - চিকিৎসা বিজ্ঞানে আরও গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ।


রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিলে আরও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বিএনপি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর।


ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেশে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু।


মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসে গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ প্রকাশ।


ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে পৃথক ভেন্যুতে আজ তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকে, জানি না কেন",,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকে, জানি না কেন"


১। মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


৩। মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে।  জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।


৪। ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।


৫। আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।


৬। মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না।  তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।


৭। বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।


৮। মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।


৯। বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।


বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড।আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...


 *সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি*  

সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবা দেরকে!


লেখা ও ছবি সংগৃহীত।

একটি মনবিক আবেদন,,,,, ইলিশ বাড়ি ফেইসবুক স্পন্সর থেক নেওয়া

 https://www.facebook.com/61554140757082/posts/pfbid0joEHW3axDMv7sUEPKYDhgL1bAJAfofiTDErv6YF1KF3v8SdLuoCPg4eQXg8ktoGgl/?app=fbl

আসসালামু আলাইকুম ,

প্রিয় দেশী ও প্রবাসি ভাই ও বোনেরা

আমার এক মাএ ছোট বোন ক্লাস ৮ পড়ে মেধাবী ছাএী তাসমিয়া আক্তার কে বাঁচাতে দেশের ধনী গরীব সকল কে ১০.২০.৫০.১০০.টাকা যে যতটুকু পারেন সাহায্য সহযোগিতা দান করার অনুরোধ রইলো।

আমার বোনের টিউমার টা অপারেশন করাতে ইন্ডিয়া যেতে হবে সম্ভবতো সেখানে ৪ লাখ টাকা মতো লাগবে

এখন বর্তমান ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

আমি বর্তমান অটো বাইক চালাই।

আমার পরিবারের মোট ৬ জন সদস্য বাবা নেই আমিই এক মাএ উপার্জন কর্মি আমার পরিবারের সদস্যদের বর্তমান ঠিক মতো খাবার ও দিতে পারি না

কিন্তু এতো টা ব্যায়বহুল চিকিৎসা কি ভাবে করাবো 

 আমার কাছে যা ছিল ইতি মধ্য শেষ হয়ে গেছে এখন শুধু বাড়ির ৪ শতাংশ জমি ছাড়া আর অটো বাইক ছাড়া আমাদের কিছু নেই।

    তাই আপনাদের কাছে আমার বোনের চিকিৎসার জন্য ৫০,১০০.টাকা ভিক্ষা চাই ।

          এমন পোস্ট দেখলে কেন যেন কেউ রেসপন্স করে না... লাইক বা স্যাড ইমো দিয়ে চলে যায় ... অথচ ৫০০০ মানুষও যদি ১০০ টাকা করে দিতেন, ৫ লক্ষ টাকা উঠে যেতো ... ১০০ টাকা কি খুব বেশি? 


দয়া করে এগিয়ে আসুন ... একদিন হয়তো আমার দরকার হতে পারে, আপনার দরকার হতে পারে ... সেদিনও অন্যরা এগিয়ে আসবে !!

#মনে_রাখবেন_দান_করলে_কখনো_কমে_যায়না_বরং_আল্লাহপাক_খুশি_হয়ে_আরো_দেই.


                ঠিকানা --

      মজনু সাহেবের মাদ্রাসা পিছনে, শানতলা,

               আরংঘাটা, দৌলতপুর, খুলনা ।

    বর্তমানে ভর্তি আছে PG HOSPITAL

   সি ব্লক  3nd ফলোর,320 নাম্বার রুম, 19 নাম্বার বেড।

          ( সাহায্য পাঠানো মাধ্যম ) 

           

             #bKash Personal No:01777- 263544

            #Nagad personal No:01777- 263544

            

            

    সবাই কে পোস্ট টা শেয়ার করার জন্য বিনীতি অনুরোধ রইলো।আল্লাহ তুমি পৃথিবীর সকল মা বাবা ভাই বোন কে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন,আমিন।আশাকরি যারা সাহায্য সহযোগিতা করবেন কেউ খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না।এখনো প্রায় এক লক্ষ টাকা বাকি আছে প্লিজ সবাই সাহায্য সহযোগিতা করুন।।।








সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

একটা মানবিক আবেদন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 একটা মানবিক আবেদন...


আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,

খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন।

যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।

ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। 

যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।।


তাছাড়া ও এই গাছ হতে যাঁরা ফল খাবে বা ব্যাবহার করবে আপনার জন্য থাকবে নেকি ও সওয়াব ইন শা আল্লাহ🌹🌹


collected


চন্ডীদাস ও রজকিনীর ঐতিহাসিক ঘাট,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া




 চন্ডীদাস ও রজকিনীর ঐতিহাসিক ঘাট। মাগুরা জেলা প্রেমিক প্রেমিকার পবিত্র মনের ভালোবাসার বন্ধন যে কেমন হতে পারে তা এরা শিখিয়ে গেছেন। এই চণ্ডীদাস আর রজকিনীর প্রেমকাহিনী কোনো কিংবদন্তি নয়, এটি একটি সত্য ঘটনা যা এখানেই শুরু হয়েছিল।মাগুরা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে শালিখা উপজেলার শতখালি ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রাম। চণ্ডীদাস-রজকিনীর স্মৃতিঘেরা ধোপাখালী গ্রামটা পাখ-পাখালির ডাকে ছায়া সুনিবিড় সত্যিকারের বাংলার গ্রাম। জনশ্রুতি আছে ১৪ শতকের শেষ ভাগের দিকের ঘটনা। চণ্ডীদাসের বাবা ছিলেন এ এলাকার একজন ছোটখাটো ব্রাহ্মণ জমিদার আর রজকিনী ছিল ধোপার মেয়ে। অপরূপা রজকিনীকে দেখে চণ্ডীদাস জাতপাত ভুলে তার প্রেমে পড়ে যায়। তাদের দুজনের বাড়ির মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে নদী। রজকিনী ওপারের ঘাটে কাপড় ধুতে আসলে চণ্ডীদাস মাছ ধরার ছলে বড়শি নিয়ে এপারে বসে তাকে দেখত। এভাবে চলতে থাকে ১২ বছর। ১২ বছর পর একদিন রজকিনী চণ্ডীদাসকে জিজ্ঞেস করে, ‘বরশিতে কি মাছ ধরে’ আর তখনই শুরু হয় তাদের কথোপকথন। কিন্তু সমাজ তাদের এ প্রেম মেনে নেয় না। নানা অপবাদে জর্জরিত হয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা একদিন সব ছেড়ে পালিয়ে যায় ভারতের বাকুরা ছাতনা গ্রামে। সেখানেও সুখ না মিললে তারা বৃন্দাবনে চলে যান, তারপর তাদের কোনো খোঁজ আর পাওয়া যায়নি। ছবি ধোপাখালী গ্রাম মাগুরা৷  


একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন..,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন...... 

এক গ্রামে একজন লোক ছিল। তার নাম ছিল রিপ্লেস পাঠান। বিয়ের পর তার  একটা ছেলে হইছে। আদর করে  নাম রাখছে "আবু পাঠান"। 


এ গ্রামের ছেলেরা অনেক দুষ্ট ছিল। শয়তানি করে আবু পাঠানের পুরো নাম বলেনা। পাঠানের শেষে ন অক্ষর বাদ দিয়ে সবাই তাকে "আবু পাঠা" বলে ডাকা শুরু করে। একসময় ফাজিল পোলাপান আরো সংক্ষেপে ডাকার জন্য নামের শুরু থেকে আবু শব্দটিও বাদ দিয়ে শুধু "পাঠা" বলে ডাকতে শুরু করে।  কি আজব রে বা! 


যাইহোক এ "পাঠা"কে তার বাবা মা চেষ্টা করে বাংলাদেশের লেখাপড়া কমপ্লিট করায়। এরপর উচ্চ ডিগ্রী আনার জন্য বাহিরে পাঠায়।   ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফেরার পর দেখে যে চোরে দেশটা ভইরা গেছে। তবে চোরদের সাথে চাকরী করার চিন্তাভাবনা না করে সর্বশেষ  বিশাল বড় একটি গাভীর খামার দেয়ার পরিকল্পনা করে খামার দিয়ে দিল।


এলাকার লোকেরা এখামার দেখে অনেক খুশি হয় এবং সেইসাথে তারা  তাদের সন্তানদের জন্য "পাঠা"র ফার্ম থেকে প্রতিদিন দুধও নেয়। 


কিন্ত এ শিক্ষিত পাঠা কিছুদিন পরপর দুধের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ভেজাল করতে থাকে। যেমন ধরেন - 

▪️প্রথমে ১০কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️কিছুদিন পর ৮কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️তার কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায় 

▪️এরও কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ৫কেজি পানি আর ১টা কনডেন্স মিল্কের  মেশায়। 

▪️সর্বশেষ এবার "পাঠা স্যার" গরুর দুধ পাশের এলাকে সাপ্লাই দিয়ে এলাকার মানুষকে শুধু কনডেন্স মিল্কের সাদা পানি খাওয়াতে শুরু করে


এলাকার লোকেরা পাঠার এমন গোঁজামিলের খবর অনেকে বুঝেও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়না বা কিছু বলেনা এবং প্রতিবাদও করেনা। ফলে পাঠার মহা সুযোগ তৈরি হয়।


পাঠার এমন কাণ্ড দেখে  এলাকার ইমাম সাহেব ২টি গাভী কিনে জনগণকে খাঁটি দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। এবার ইমাম সাহেবের এমন উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানায় এবং তার কাছ থেকে এলাকার লোকজন  দুধ সংগ্রহ করতে শুরু করে। 


পাশের এলাকার ইমাম সাহেব এ এলাকার ইমামের সাহেবের কার্যক্রম দেখে উৎসাহ পান। তিনিও তার এলাকাতে একটি খাঁটি দুধের খামার গড়ে তুলেন। একটা পর্যায়ে বহু ইমাম ও আলেমরা খাঁটি দুধের খামার করে। জনগণও তাদের সন্তানদের জন্য হুজুরদের কাছ থেকে এ খাঁটি দুধ নেয়ার দৃঢ় সংকল্প করে। 


আর ঠিক তখনই শিক্ষিত স্যার "পাঠা" সাংবাদিকদের বলে যে, "যত্রতত্র খামার গড়ে উঠে কারণে আজ আমার খামারে ক্রেতার কমতি"। শত হলেও তো সে শিক্ষিত। তাই তার এ উক্তি সকল পত্রিকার হেড লাইনে ছাপা হল। 


সর্বশেষ বলি, আমার লিখা এ গল্পটি কাল্পনিক। তবে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুধের সাথে তুলনা করলে অনেক কিছু উপলদ্ধি করতে পারবেন। আজ এ পর্যন্তই থাক। দুআ চাই। মনে চাইলে শেয়ার কইরেন।

আবু মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

Abu Muhammad Rejaul Karim 

মত প্রকাশের স্বাধীন নাগরিক, বাংলাদেশ

05.03.2024

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

জানা_অজানা_কিছু_টিপস ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জানা_অজানা_কিছু_টিপস


🖤লেবু এবং এ জাতীয় ফলকে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড সেদ্ধ করে নিন। এবার চেপে রস বের করুন। দেখবেন আগের চেয়ে অনেক বেশি রস পাবেন এবং কাজটিও সহজ মনে হবে।


🖤 মাত্র বানানো স্যুপ, স্ট্যু বা ক্যাসরোল থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট আলাদা করতে তাকে কয়েক টুকরো বরফ ছেড়ে দিন। এতে দেখবেন স্যুপের ওপর ফেনা আকারে অতিরিক্ত ফ্যাট ভেসে রয়েছে।

এগুলো চামচ দিয়ে কাচিয়ে নিয়ে ফেলে দিন।


🖤 চপবোর্ডে পুদিনা পাতা জাতীয় যেকোনো হার্বাল কাটার আগে এক চিমটি লবণ ছড়িয়ে দিন। এতে তা চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাবে না এবং চাকুতেও আটকে থাকবে না।


🖤 মাংস বা সমুদ্রের যেকোনো জিনিস ফ্রাই প্যানে ভাজার আগে একটি পেপার টাওয়েল দিয়ে এর ওপরের যতো ময়েশ্চার মুছে নিন। কারণ এসব ময়েশ্চার এসব খাদ্যের ভেতরের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।


 🖤লেটুসের নিচের দিকটি টেবিল বা চপবোর্ডের ওপর জোরে বাড়ি দিন। দেখবেন এর গোড়াটি অনায়াসে বের হয়ে আসবে। এই গোড়াটি বের হয়ে আসলে লেটুস পাতাগুলো সহজেই ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।


🖤ছাঁকনির কাজ করে এমন বড় গামলায় চাল রেখে ঠাণ্ডা পানির নিচে রাখুন যতক্ষণ না এর সব ময়লা দূর হয়ে যায়। এরপর রান্না করুন।


🖤 রান্না করা ভাত অতিরিক্ত রয়ে গেলে তা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া যায় এমন একটি পাত্রে করে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে আবার যখন খাবেন তখন তা বের করে এর ওপর ২-৩ টেবিল চামচ পানি ছিটিয়ে দিন। এরপর এর ওপরে একটি ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে তা ওভেনে ১-৩ মিনিট পর্যন্ত দিয়ে রাখুন। ভাত পুরো গরম না হওয়া পর্যন্ত গরম করতে থাকুন।


🖤 ফুটন্ত ভাতের পানি বা দুধ যেনো উথলে না পড়ে এজন্য পাত্রের ওপর  একটি শুকনো কাঠের চামচ দিয়ে রাখুন। এতে পানি ফুটে উথলে পড়বে না। কারণ কাঠের চামচটি ওই কক্ষের তাপমাত্রা ধরে রাখে এবং ভাতের গরম বুদবুদগুলোকে ভেঙে তাকে আবার পাত্রে ফিরিয়ে দেয়।


🖤 আপনার লাল চিনি যদি জমে শক্ত হয়ে যায়, তবে একটি গামলায় এগুলো নিয়ে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন। এর ওপর একটি ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে ৩০ সেকেন্ড মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রেখে দিন। চিনি নরম না হওয়া পর্যন্ত ৩০ সেকেন্ড পর পর দেখে নিন।


🖤 ডিম পোচ করতে গেলে যদি ডিমের খোসার টুকরো তাতে থেকে যায় তবে তা তুলে আনাটা কঠিন কাজ হয়ে পড়ে। যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আঙ্গুলে একটি পানি দিয়ে নিন। এবার খোসা সহজেই তুলে আনুন।


🖤ফ্রিজারে মাংস রাখলে তা বরফের মতো শক্ত হয়ে থাকে। বের করার পর তাকে গলতে দেবেন না। কারণ না গলে পড়ার আগে রান্না করলে মাংসের স্বাদও ভালো হয় আবার এর ময়েশ্চারও দূর হয়ে যায় না।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির এলো কি করে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির ব্যবহার হরহামেশাই লক্ষ করা যায়। কিন্তু জনপ্রিয় এই শব্দ এল কী করে?


সর্বজন পরিচিত শব্দটি অভিধানভুক্ত হওয়ার পেছনে রয়েছেন এক ইংরেজ ভদ্রলোক, যাঁর নাম চার্লস কানিংহাম বয়কট। 


তাঁর কীর্তিকলাপের জন্য তাঁকে একঘরে করছিলেন আয়ারল্যান্ডের বর্গাচাষিসহ স্থানীয় লোকজন। বয়কটের এই একঘরে হওয়ার ঘটনা তখন প্রচারমাধ্যমেও আসে, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও।


১৮৮০ সালের কথা সেটা। চার্লস কানিংহাম বয়কট ছিলেন  খাজনা আদায়ের দায়িত্বে। সে বছর ফসলের ফলন কম হওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। সে আশঙ্কা আমলে নিয়ে ১০ শতাংশ খাজনা মওকুফের ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু চাষিরা দাবি তোলেন ২৫ শতাংশ মওকুফের। চাষিদের দাবি অগ্রাহ্য করেন লর্ড আর্নে।


এদিকে বয়কট আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে এক কাণ্ড ঘটান। তিনি ১১ জন বর্গাচাষিকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। সরব হয়ে ওঠে স্থানীয় লোকজন। সরব হওয়ার পেছনে অবশ্য কারণও আছে। 


সে সময়টায় আয়ারল্যান্ডের ভূমি সংস্কারের পক্ষে লড়ে যাচ্ছিলেন আইরিশ রাজনীতিবিদ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল (১৮৪৬-১৮৯১)। তিনিই কোনো এক ভাষণে বলেছিলেন, কোনো জমি থেকে বর্গাচাষিকে উচ্ছেদ করা হলে, সে জমি যেন অন্য চাষিরা বর্গা না নেন। মালিকপক্ষ উচ্ছেদের হুমকি দিলে অহিংসভাবে তাঁকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।


বয়কটের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন সেই কৌশল বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর গৃহকর্মী থেকে দিনমজুরেরা কাজ বর্জন করেন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকেন। এক সময় দেখা যায়, স্থানীয় ডাকঘরের পিয়নও চিঠি সরবরাহ বন্ধ করেছেন।


বয়কট চেষ্টা করেন অন্য এলাকা থেকে লোক এনে চাষবাসের কাজ করানোর। সে উদ্যোগও সফল হয়নি তাঁর। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকেন বয়কট। হালের ‘ভাইরাল’ হওয়ার মতো এই ঘটনা তখন ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়, ফলাও করে প্রচার করা হয় গণমাধ্যমে। বর্জন ও একঘরের সমার্থক হয়ে ওঠেন ‘বয়কট’, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও। কিন্তু কে এই চার্লস কানিংহাম বয়কট?


বয়কট এক বিচিত্র চরিত্রের মানুষ। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের নরফোকের এক গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ব্ল্যাকহিথ এলাকার একটি বোর্ডিং স্কুলে। স্কুলজীবন থেকেই বয়কটের ফৌজি জীবনের প্রতি ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ। সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সেই আকর্ষণের টানে ১৮৪৮ সালে দক্ষিণ লন্ডনের উলউইচে অবস্থিত রয়্যাল মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। বছরখানেক পর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে মিলিটারি একাডেমি ছাড়তেও হয় তাঁকে। কিন্তু হাল ছাড়েন না বয়কট। 


পরিবারের সহায়তায় ১৮৪৯ সালে ৪৫০ পাউন্ডে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন পদ পেয়ে (ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পদ কেনার সুযোগ ছিল) যান তিনি। পদাতিক বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। যোগ দেন ৩৯তম ফুট রেজিমেন্টে। কিছুদিনের মধ্যে রেজিমেন্টের সঙ্গে বদলি হয়ে বয়কট চলে আসেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে। শুরু হয় আয়ারল্যান্ডের জীবন।


১৮৫১ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন বয়কট। প্রায় ছয় মাস রোগে ভোগার পর বয়কট তাঁর সেনাবাহিনীর পদ বিক্রি করে দেন। সে বছরই বিয়ে করেন মেরি অ্যান দুনেকে। টিপেরারি কাউন্টিতে খামার ইজারা নিয়ে আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আয়ারল্যান্ডের উত্তরাধিকার সনদ পাওয়ার হওয়ার পর দেশটির পশ্চিম উপকূলীয় মায়ো কাউন্টির একটি দ্বীপে চলে যান বয়কট।


মায়ো কাউন্টিতে তাঁর জীবনের ইতিহাস তো ‘বয়কট’ শব্দেই মিশে আছে!


সূত্র: হিস্ট্রি আয়ারল্যান্ড, দ্য ফ্যাক্ট সাইট ডটকম, উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো



রমজান মাসের প্রয়োজনীয় কিছু টিপস ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস :-


🌹সেহেরির খাবার খাওয়ার পর এক পিস এলাচ চিবিয়ে রস টুকু খেয়ে নিন........ 

দেখবেন রোজা অবস্থায় পানির পিপাসা কম লাগবে


🌹মোমোর ডো/খামিরের ময়দার সাথে সামান্য বাটার ব্যবহার করলে মোমো ভাপিয়ে নেওয়ার পর এর উপরের আবরণ চকচকে হয়। 


🌹ঘরে কোন প্রকারের সস্ না থাকলে টক দইয়ের সাথে সামান্য বিট লবন ও অল্প চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন দেখবেন মজাদার দই সস্ তৈরি হয়ে যাবে

.............. টক দইয়ের পরিবর্তে মিষ্টি দই হলে চিনির পরিবর্তে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে 


🌹রান্নায় দই লাগবে ঘরে দই না থকলে এভাবে করতে পারেন........... 

গুড়া দুধের সাথে সামান্য লেবুর রস বা ভিনেগার মিশিয়ে  কিছুক্ষন রেখে দিলেই দইয়ের মতো তৈরি হয়ে যাবে।


🌹রান্নায় ঝাল বেশি হয়ে গেলে রান্নার সাথে পেঁয়াজ বেরেস্তা বেটে রান্নায় ব্যবহার করুন ঝাল কমে যাবে 


🌹বিরিয়ানি রান্নায় শাহী জিরা ব্যবহার করলে বিরিয়ানির সুগন্ধ ছড়ায় বেশি। 


🌹খাসির মাংস রান্নার আগে কুসুম-গরম পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে ৩০ মি: মাংস গুলো ভিজিয়ে রাখুন তারপর ৩০মি:পর মাংস গুলো লবন পানি থেকে তুলে ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করলে মাংস থেকে খাসির মাংসে যে গন্ধটা থাকে সেইটা আর আসবে না।


🌹ছোলা বুট তারাতাড়ি নরম করে সিদ্ধ করতে চাইলে বুট সিদ্ধ করার শুরুতে সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে নিলে তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে যাবে


🌹প্রতিদিন ইফতার তৈরির ঝামেলা এড়াতে রোজার আগেই কিছু কাজ গুছিয়ে নিতে পারেন যেমন জিরা,শুকনা মরিচ,টেলে গুড়া করে ঝারে সংরক্ষণ করে রেখে দিলে ইফতার তৈরিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবে। 


টিপস গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে আপনার ওয়ালে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস অথবা রেসিপি নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো। 

ফেইসবুুক থেকে নেওয়া 

যেইভাবে সারা বছর মরিচ খেতে পার,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া




 যেইভাবে সারা বছর মরিচ খেতে পারবেন।


ছাদ বাগানে মরিচ চাষে আমার অভিজ্ঞতাঃ


ছবি দেওয়াঃ জাত বিজলী


আপনি যদি ১০ টা মরিচ গাছ থাকে তাহলে কখনো মরিচ আর বাজার থেকে ক্রয় করতে হবে না।


জাত নির্বাচনঃ

প্রথমে ভালো মানের বিশেষ করে হাইব্রিড জাতের বীজ কিনি। কারণ ছাদে চাষ করার জন্য হাইব্রিড জাত সবচেয়ে উত্তম। সারাবছর মরিচ পাওয়া যায়, গাছ বেশ ঝোপালো হয় আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। 


চারা তৈরিঃ

প্যাকেট খুলে বীজগুলো ১৫/২০ মিনিট রোদে শুকিয়ে নেই।বিকেল বেলায় বীজগুলো বীজতলায় ফেলে উপরে হালকা ঝুরঝুরে মাটি দিয়ে ঢেকে দেই। স্প্রে করে পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে দেই। ১০/১২ দিন পরে চারা গজাতে শুরু করবে। চারা ৬/৮ পাতা হলেই তুলে টবে লাগিয়ে দেই।


মাটি তৈরিঃ

আমি গ্রামে কোকোপিট, ভার্মিকম্পোস্ট, শিং কুচি, হাড়ের গুরা, নিম খৈল ইত্যাদি ইত্যাদি পাই না। তাই এগুলো ছাড়াই আমি যেভাবে মাটি তৈরি করি- ৪০ ভাগ পুরনো গোবর সার, ৬০ ভাগ মাটির সাথে সামান্য ডিএপি সার, সামান্য পটাশ সার ও কিছু সরিষার খৈল গুড়া মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে বস্তাবন্দি করে রাখি। এক সপ্তাহ পরে বস্তা হতে খুলে রোদে শুকিয়ে টবে বা ড্রামে ভরে রাখি। প্রতি দিন বিকেলে পানি ছিটিয়ে দেই। ৮/১০ দিন পরে মাটিতে জো এলে চারা লাগিয়ে দেই।


পরিচর্যাঃ

চারার শেকড় মাটিতে এডজাস্ট হলে গাছ দ্রুত বাড়তে থাকে।চারা অবস্থায় টবে বেশি পানি দেই না। গাছ ডাল-পালা মেলা শুরু করলে কিছুটা গোবর সার দিয়ে দেই।১৫/২০ দিন পরপর সরিষার খৈল পচা পানি দেই। প্রায় ১০ দিন পরপর  এবামেকটিন ও ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের ঔষধ মিশিয়ে বিকেলে ভালোভাবে গাছে স্প্রে করি।


মোটামুটি আমি এই পদ্ধতিতেই আল্লাহর রহমতে মরিচের ভালো ফলন পেয়ে থাকি। অনেকে জানতে চাওয়ায় পদ্ধতিটি সবার সাথে শেয়ার করলাম। সবাই ভালো থাকবেন। সবার জন্য শুভকামনা।


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...