এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না,,,,,, সোহেল রাজ্জাক ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।


আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!


আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!


তাহলে কি বলেছিল...?


কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!


মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-


▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু


অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।


উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-


▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।


অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।


এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-


▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।


অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।


মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-


▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।


অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।


এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে! ইনশাআল্লাহ।


গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।

 

উদ্ভিদে ফসফরাসের গুরুত্ব অনেক। এটি গাছের অন্যন্য পুষ্টিগুলোকে গাছের জন্য উপযোগী করতে সহায়তা করে এতে গাছের বৃদ্ধি হয়। এটি NPK সারের P নির্দেশ করে। এটি গাছের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য তবে মাটিতে ফসফরাসের পরিমাণ বেশি বা কমে গেলে গাছে এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পড়তে থাকুন…


মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি:


আপনার বাগানে ফসফরাসের ঘাটতি আছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? শুধু আপনার গাছের দিকে তাকান। যদি আপনার গাছটি ছোট হয়, ছোট ফুল-ফল হয় বা না হয়, দুর্বল শিকর এবং গাছের পাতাগুলো হালকা বা উজ্জল সবুজ হয় তবে বুঝে নিতে হবে আপনার গাছের মাটিতে ফসফরাসে ঘাটতি হয়েছ।


এমন অনেক রাসায়নিক সার রয়েছে যা আপনার মাটির ফসফরাসের অভাব কমিয়ে গাছে পুষ্টির ভারসাম্য বাজায় রাখতে সহায়তা করে। অর্থাৎ রাসায়নিক সার ব্যবহার করার সময় আপনি যেসব সারে উচ্চ ফসফরাস(P বা NPK সারের সংখ্যায় ২য় নম্বর) থাকে এমন সার ব্যবহার করুন।


আপনি যদি জৈবসার ব্যবহার করে আপনার গাছের ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করতে চান তবে হাড়ের গুড়া বা রক ফসফেট ব্যবহার করুন। এরা উভয়ে মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করেতে সহায়তা করে। কখনো কখনো মাটিতে কিছু কম্পোস্ট সার ব্যবহার করলেও মাটিতে ইতোমধ্যে থাকা ফসফরাস পূনঃরায় গ্রহণ করতে পারে। তাই অন্যকিছু যুক্ত করার আগে এটি ব্যবহার করে দেখুন।


মাটিতে ফসফরাস আপনি যেভাবে করেন না কেন, খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি হয়ে না যায়। এতে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে তা চলে যাবে এবং মাটি দূষণ হতে পারে।


ফসফরাসের উপস্থিতি বেশি হলে:


মাটিতে অতিরিক্ত ফসফরাস হলে গাছ ফসফরাস ব্যবহার করতে পারে না। তাই গাছে পরিমিত পরিমাণে ফসফরাস ব্যবহার করতে হবে। তা গাছে প্রকৃতিভেদে ভিন্ন হতে পারে।


উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ফসফরাসের গুরুত্বকে কোনভাবে ছোট করে দেখা যায় না। এটি ছাড়া, একটি উদ্ভিদ কোনভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে না। ফসফরাসের কারণে আমাদের বাগানে সুন্দর এবং প্রচুর গাছপালা বাড়তে সহয়তা করে।


অরন্য সীডস-১ ফ্যামিলি



ধোলাই খালের উপর দিয়ে এই লোহার ব্রিজ টি নির্মান কাজ শুরুহয়েছিলো ১৮২৩ সালে,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ধোলাইখালের উপর দিয়ে এই লোহার ব্রিজটি  নির্মান কাজ শুরু হয়েছিলো ১৮২৩ সালে।


সেকালের ঢাকার কালেক্টর ওয়ালটার সাহেবের উদ্যোগে নির্মিত  হয়েছিলো এই ব্রিজ। এর আগে ছিলো খাল পারাপারে  ভীষণ  অসুবিধা।  আবার এই অঞ্চলে কোন বাজার না থাকায় পুলের নিচে একটি বাজার ও করে দিয়েছিলেন ওয়ালটার  সাহেব। ওয়ালটার সাহেবের উদ্যোগে  বিবি মরিয়মের সেই বিখ্যাত  কামান (আসলে তা মীর জুমলার কামান) সেই কামান সোয়ারীঘাট থেকে উত্তোলন করে চকবাজারে স্থাপন হয়েছিলো। তাঁর দূরদর্শী ভূমিকা ছিলো অনন্য।  ধোলাইখাল ব্রিজ নির্মানের বছরই তথা ১৮২৩ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিলো৷ যা পরবর্তীতে ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি হিসেবে ঘোষিত হয়েছিলো। 


ঢাকার বাসিন্দারা  তখন ওয়ালটার সাহেবের কর্ম তৎপরতায়  এতোই খুশি হয়েছিলেন যে একটি ছড়া তাদের মুখে লেগেই থাকতো। 


'ওয়ালটার সাহেবনে পুল বানায়া-

উন্ কা নিচে গঞ্জ্ বসায়া-

আওর চাত্তক ধারি কামান,

গুড় গুড় চাল...।'


ঐ অঞ্চলে ওয়ালটার রোড নামে যেই রোডের এখনো নাম আছে তিনিই সেই ওয়ালটার সাহেব।  তবে একসময়ের  সেই প্রবাহমান ধোলাইখাল এখন সরু ক্ষুদ্র নর্দমাই বলা চলে। সেই ধোলাইখালে একসময় ৫২ নৌকার নৌকাবাইচ হতো। একসময় ধোলাইখালের উপর দিয়ে ১০টা ব্রিজ ছিলো। তবে এটিই ছিলো সর্ববৃহৎ।   বর্তমানে  পুরনো  ধোলাইখালের মাত্র ৫ শতাংশ টিকে আছে। 


ছবি: ১৯০৪ সালে ফ্রিৎজ ক্যাপের তোলা ধোলাইখালের উপরে লোহার ব্রিজ।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র (ইশতিয়াক)



তারাবীর নামাজ আদায় করার নিয়ম,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔲 তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তাবে তাবেঈন ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করেছেন। সুতরাং বিনা কারনে ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতার ধরুন তারাবীর নামাজ ত্যাগ করা জায়েজ নেই, এতে সুন্নত তরক করার কারনে গুনাহ হবে। [মুসান্নাফে ইবনে আবি শাঈবা- ৭৭৭৪]


🔸 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাদানের ভিতরে এবং বাহিরে (রাত্রিবেলায়) সর্বমোট ১১ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। আর সেটি হচ্ছে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বেতের। [সহীহ বুখারী- ৩৫৬৯]


⭕ উপরোক্ত হাদীসে রমাদানের “ভিতরে এবং বাহিরে” শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। তাহলে রমাদানের বাহিরে যেটা তাহাজ্জুদ, সেটা রমাদানের ভিতরে তারাবী হয় কিভাবে..?? আমাদের দেশের আহলে হাদীস ভাইয়েরা এখানে এসে হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন, আর তাহাজ্জুদের হাদীসকে তারাবীর হাদীস বলে প্রচার করে দেন.!!


🔹 এতে মানুষ ভুল জেনে কম আমল করে আর বেশি সওয়াব অর্জন করার ফজিলত থেকে বঞ্চিত হয়.!! তাই এই ব্যাপারে খুব বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা চাই। তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা যেটা কিনা ১০০ এরও অধিক সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত.!


🔲 আর রমাদান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০-৭০০ গুনের চেয়েও বেশি পরিমান বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই রমাদান মাসে আমলের ব্যাপারে কোনো প্রকার অলসতা, অবহেলা কিংবা গাফলতি করা যাবে না।


🔸 সুতরাং তারাবীর নামাজ ২ রাকাত করে সর্বমোট ২০ রাকাত আদায় করতে হবে। তবে অসুস্থতার ধরুন কারো পক্ষে যদি ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে সাধ্য মোতাবেক ৪/৮/১০/১২...২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারবে।


 ⭕ মৌখিকভাবে আরবীতে কোনো প্রকার নিয়ত করার কথা কুরআন হাদীসে বর্ণিত নেই। কারন নিয়ত অন্তরের সাথে সংশ্লিষ্ট, মুখের সাথে নয়। তাই নিয়ত করার ক্ষেত্রে মনে মনে স্মরণ করতে হবে, আমি ২ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম, আল্ল-হু আকবার..।


🔹 তারাবীর নামাজের ২ অথবা ৪ রাকাত পর পর কিংবা একেবারে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা শেষে দোয়া করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া নেই, নিজের মতো করে যে কোনো প্রকার দোয়া করা যাবে ইন শা আল্লাহ ✅


🔲 এশার ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নত এবং ২০ রাকাত তারাবীর নামাজ আদায় করে সর্বশেষ ৩ রাকাত বেতের নামাজ আদায় করতে হবে। তবে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ের অভ্যাস থেকে থাকলে শেষ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ আদায় করে এরপরে বেতের নামাজ আদায় করতে হবে।




শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

হোম মেইড চিপস,,,,, মাগুর অনলাইন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌙হোম মেইড চিপস 🌙


🌙১ কেজি অর্ডারে ডেলিবারি চার্জ ফ্রি😱


🌙ছোট থেকে বড় সবাই আমরা চিপস খেতে খুব পছন্দ করি তাই আপনাদের জন্য হোমমেড চিপস নিয়ে হাজির হলাম 😋😋


অগ্রিম কোন টাকা দিতে হবে না!!

সারাদেশে ডেলিভারি হোম চার্জ ফ্রি।

সাথে আরো 50 গ্রাম মসলা ফ্রি - ফ্রি- ফ্রি


🌙আবার আকর্ষণীয় মূল্যে পাচ্ছেন,  তার মধ্যে আমাদের প্যাকেজিং ও সার্ভিস খুব ভালো পাবেন চিপস ভেঙ্গে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোনো চান্স নেই🥰


🌙১ কেজি কেমিক্যাল মুক্ত হোমমেড চিপস বাজারের ৯০+ প্যাকেট এর সমান 🍅 এই চিপস বাচ্চারা নিমিষেই শেষ করে দিতে পারে। সাথে থাকছে কুরমুরে চিপস এর সাথে বাজারের ক্ষতিকারক মুক্ত মশলা বিট লবণ, টেস্টিং সল্ট ও কেমিক্যাল এসিড ফ্লেভার মুক্ত মজাদার হোম মেইড মসলা ফ্রি।


উপাদান: আলু, সাবুদানা, ভুট্টা ও ময়দা।


🕌আমি মরিয়ম সুলতানা কাজ 

করছি হোমমেড ফুড নিয়ে,

 অনার অফ মরিয়ম ফুড গ্যালারি🕌


আমার পণ্যের দায়ভার সম্পূর্ণ আমার, গ্রুপ কতৃপক্ষ কোনভাবেই এরজন্য দায়ী নয়।



কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে,,, Dhanmondi organic hous ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাঁঠাল দিয়েই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বাংলাদেশে। শুধু কাঁচা কাঁঠাল রপ্তানি করেই আয় করা সম্ভব বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। one country one priority product হিসেবে বাংলাদেশের product হলো Jackfruit- কাঁঠাল। 

কিন্তু আমাদের দেশে কাঁঠাল মৌসুমি ফল হওয়ায় বারোমাসি জাত (বারি কাঁঠাল-৬) সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যেন সারা বছর নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা যায়। 

অসাধারণ জাত ... ২-৩ বছরেই ফল আসে এবং সারাবছরই গাছে ফল থাকে।   

যারা বারোমাসি কাঁঠালের বাগান করতে চান তাঁরা নিকটস্থ হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। 

কৃষি মন্ত্রণালয়ের টিস্যু কালচার & হর্টিকালচার উন্নয়ন প্রকল্পের (THEDP) আওতায় বারোমাসি কাঁঠাল সহ কয়েক হাজার মিশ্র ফলের বাগান করা হচ্ছে। বাগানগুলো হবে বিশেষকরে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, টাংগাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, ভোলা এবং বান্দরবান এলাকায়। 

যারা বাগান করতে চান এই এলাকার সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারে যোগাযোগ করুন।  

কৃষিই সমৃদ্ধি।



পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন,,,, ঝিনেদার লিয়াকত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 👉 পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র পূর্ব পুরুষ  সনাতনী ব্রাম্মন ছিলেন। তেনার পিতা পুঞ্জলাল ঠাকুর ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেঝো ছেলে।

👉 একমাত্র মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছাড়া পরিবারের সকলেই ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে ও বোস্বেতে সমাহিত এবং জীবিত বসবাস করছেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


ভারতের গুজরাট রাজ্যের পানেলি মতি গ্রামে মেঘজিভাই ঠাকুর নামে এক ব্রাক্ষণ মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। সমুদ্রপাড়ের শহর। মাছের ব্যবসাপাতি ভালোই চলছিলো। রুজি রোজগার বেশ। এসব দেখে হঠাৎ বাধ সাধলো লোকাল পুরোহিতরা। ব্রাহ্মণ কিভাবে মাছের ব্যবসা করে ! এজন্য অনেকটা হুট করেই মাছ ব্যবসা আর আমিষ গ্রহণের অজুহাতে সপরিবারে সেই ব্রাহ্মণকে সমাজচ্যুত করেন সমাজপতিরা। ধোপা-নাপিত বন্ধ। পূজা আর্চণা-সামাজিক নিমন্ত্রণ বন্ধ। এভবে চলতে থাকলে একসময় সেই ব্রাক্ষণ মাছের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়ে আবার তার বর্ণে ফিরে আসার চেষ্টা করলেন, তবুও বাকিরা তাকে অচ্ছুৎ করে একঘরে ফেলে রেখে দিলো। ফলস্বরূপ, সেই ব্রাহ্মণের পুত্র পুঞ্জলাল ঠাকুর এইসব অবমাননায় এতটাই ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন যে তিনি নিজে সহ তাঁর চার ছেলেকে নিয়ে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং বোম্বেতে স্থায়ীভাবে চলে আসেন। এই পুঞ্জলাল ঠাকুরের মেজো ছেলের সাথে আমরা পরিচিত। তিনি কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

তবে এই লেখাটা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে না। জিন্নাহর একমাত্র উত্তরাধিকার, তার মেয়ে দিনা জিন্নাহকে নিয়ে। 

জিন্নাহ নিজে বিয়ে করেছিলেন এক পার্সী রমনী রতনবাঈকে। তাদের একমাত্র কন্যা দিনার জন্ম ১৯১৯ সালের ১৫ই আগস্ট। ঠিক ভারত-পাকিস্তানের ভাগের দিন এবং গণিতের হিসেবে দেশভাগের আটাশ বছর আগে। ১৯৩৮ সালে এক পার্সি যুবকের প্রেমে পড়েন উনিশ বছর বয়সী দিনা। নিজে অমুসলিম বিয়ে করলেও একমাত্র মেয়ে এক অমুসলিমকে বিয়ে করবে এইটা কখনোই মেনে নিতে পারেননি কায়েদে আজম। পাকিস্তানের সর্বেসর্বা হতে চলছেন তিনি, ক্ষমতার মোহে বিভোর সবকিছু। তবে মেয়ে ছিলেন অনড়। বাবার নিষেধ সত্ত্বেও তিনি পার্সী- বংশোদ্ভূত ভারতীয় নেভিল ওয়াদিয়াকে বিয়ে করেন। ১৯৪৩ সালে তার স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বোম্বেতে নিজের পিতামহের বানানো পৈত্রিক নিবাসে বসবাস শুরু করেন। 

এরপর কালে কালে দেশ ভাগ হয়। এপারের মানুষ ওপারে যায়, ওপারের মানুষ এপারে। জিন্নাহ তখন পাকিস্তানের গর্ভনর জেনারেল। প্রবল পরাক্রমশালী ব্যক্তি। মেয়েকে বললেন তার কাছে চলে আসতে করাচিতে। তখন মেয়ে বাবাকে প্রশ্ন করেন- "আমার মায়ের কি হবে ? তুমি কি মায়ের কবর বোম্বে থেকে পাকিস্তানে নিয়ে যেতে পারবে?"। স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাবাকে যে ভারতেই থাকছেন তিনি। আমৃত্যু বলে গিয়েছেন- Bombay is my city. 

হ্যা দিনা গিয়েছিলেন পাকিস্তানে একবার। ১৯৪৮ সালে। পিতার শেষ্যকৃতি অনুষ্ঠানে। এরপর আর যান নি। ব্যবসাপাতিতে মন দেন। শক্ত হাতে হাল ধরেন। আজও ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী নাসলি ওয়াদিয়া। দিনা জিন্নাহর ছেলে, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাতি। নাসলি ওয়াদিয়ার দুই সন্তান- জাহাঙ্গীর এবং নেস। বর্তমানে আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অন্যতম মালিক নেস ওয়াদিয়া। 

ভাগ্যের এক নির্মম পরিহাস- লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান আদায় করে নেওয়া জিন্নাহর সব উত্তরাধিকারই ভারতীয় নাগরিক। পাকিস্তানে কেউ নেই।


কার্তিক চন্দ্র ধর এর পোস্ট থেকে সংগৃহীত।


আবরন ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 আপনি কি জানেন? অনেকের না জানা ছোট্ট একটি ভুলের কারনে মা-বোনেদের নামাজ হয় না! তাই নামাজ আদায় করেও আল্লাহর কাছে বেনামাজি হিসেবে গণ্য হয়৷ 


নারীদের গোটা শরীরই সতরের অংশ, তাই হাতের কবজি এবং মুখ ছাড়া সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে নামাজ আদায় করা অবশ্যক৷ অন্যথায় তার নামাজ আদায় হবেনা ৷ 


মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুরআন এ আমাদের কে নির্দেশ করেছেন, 


স্বলাতের (নামাজের) সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করো ( সূরা -আ`রাফ ৩১) 


 রাসূল (সা) বলেন:

 স্বলাতের পোশাক এমন হতে হবে যা দিয়ে পরিপূর্ণ সতর ঢাকবে।


দু’হাতের তালু, তালুর উপরের অংশ ও চেহারা ব্যতীত মহিলাদের সর্বাঙ্গ সতরের অন্তর্ভুক্ত (আবূ দাঊদ, হা/৪১০৪; ছহীহুল জামে, হা/৭৮৪৭)।

 

 অধিকাংশ আলেমের মতে একাকী বা পর্দার মধ্যে মহিলা পরিবেশেও পায়ের পাতা ঢেকে স্বলাত আদায় করতে হবে। 


মহিলাদের জন্য স্বলাতের সময়ে একাকী থাকলেও সতর ঢাকা আবশ্যক।কেননা সতর ঢাকা হলো স্বলাতের একটি শর্ত, যেটি ছাড়া আল্লাহ তাআলা স্বলাত কবুল করবেন না; বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সতরের কোনো অংশ না ঢাকলে সেই স্বলাত বাতিল হয়ে যাবে 


(ছহীহ বুখারী, হা/৩৬১; ছহীহ মুসলিম, হা/৩০১০; আবূ দাঊদ, হা/৬৪১; তিরমিযী, হা/৩৭৭)।


অনেক সময় আমাদের প্রিয় মা বোনেরা ওড়না বা শাড়ি পড়ে স্বলাত আদায় করে থাকেন এতে করে দেখা যায় স্বলাতে তাদের পরিপূর্ণ সতর ঢাকেনা আর নামাজও বাতিল হয়ে যায় ভুলের কারনে!


আমাদের নিজস্ব কারখানায় তৈরী পিওর কটন ফেব্রিকের ফুল লেন্থ স্বলাত খিমার গুলো দিয়ে নিশ্চিন্তে পরিপূর্ণ সতর ঢেকে স্বলাত আদায় করতে পারবেন। 

আমাদের খিমারে থুতনিতে এক্সট্রা কাপড়ের পট্টি দেওয়া, হাতায় রাবার দেওয়া এবং মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢেকে যাবে ইন শা আল্লাহ্,ঘের ২২০" তাই পা আটকে পড়ে যাবারও কোন চান্স নেই। 


আমাদের লং স্বলাত খিমারের প্রাইজ: ১৪০০ টাকা


অর্ডার করতে Order Now বাটনে ক্লিক করুন👇

মাটির মৃত্তিকা ফেইসবুক স্পন্সর থেকে নেওয়া

 মাটির পাত্রে আহার সুন্নত।♥️ এর ফযীলত সম্পর্কে হযরত ইবনে আবিদীন মুহম্মদ আমীন ইবনে উমর রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ-১২৫২হিজরী) উনার লিখিত সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রসিদ্ধ ফিক্বাহর কিতাব “রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার” কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-

وَيُكْرَهُ الْأَكْلُ فِي نُحَاسٍ َوْ صُفْرٍ وَالْأَفْضَلُ الْخَزَفُ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اتَّخَذَ أَوَانِيَ بَيْتِهٖ خَزَفًا زَارَتْهُ الْمَلَائِكَةُ.

অর্থ: পিতল এবং কাঁসার পাত্রে খাবার খাওয়া মাকরূহ। আর খাবারের জন্য মাটির পাত্র হচ্ছে সর্বোত্তম অর্থাৎ খাবারের জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যে ব্যক্তি উনার ঘরে (খাবারের জন্য) মাটির পাত্র গ্রহণ করবেন বা ব্যবহার করবেন, সম্মানিত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ব্যক্তির সাথে সম্মানিত যিয়ারত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ! (রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার- ২৬ তম খ- ৩৭০ পৃষ্ঠা, আদ দুররুল মুখতার, আল ইখতিয়ারু লি তা’লীলিল মুখতার, মাজমাউল আনহার ফী শরহি মুনতাক্বাল আবহার)

উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা দ্বারা অকাট্যভাবেই প্রমাণিত যে, মাটির পাত্রে খাবার খাওয়া মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ মাটির পাত্রে পানি পান করা, পানি রাখা অর্থাৎ গামলা, কলসী, সুরাই ইত্যাদি এবং ওজু করা অর্থাৎ বদনা, বড় ডিস এবং হাড়ি, পাতিল, মটকা ইত্যাদি সুন্নাত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত।

▪️ মাটির পাত্রে রান্নার উপকারিতা:

স্বাদ ও পুষ্টির বিবেচনায় সব ধরনের রান্নার জন্য মাটির পাত্র উপযোগী। ইউনানীশাস্ত্র অনুযায়ী, মাটির পাত্র রান্না ধীর করে এবং খাবারের স্বাদ ও মান উন্নত করে।

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি (IJEAST) দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা পানি প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষিত পানির তুলনায় গুণমান বজায় রাখতে সক্ষম অনেকাংশ। 

মাটির পাত্রগুলো সূক্ষ ছিদ্রযুক্ত হয়। এই ধরনের পাত্রে পানি রাখলে বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াটি দ্রুত হয়। যার ফলে পানির উপর প্রাকৃতিকভাবে শীতল প্রভাব পড়ে।  যা গরমের দিনে আপনার তৃষ্ণা মেটাতে আদর্শ। পুষ্টিবিদ এর মতে, মাটির পাত্র থেকে ঠাণ্ডা পানি খাওয়া ঠাণ্ডা ফ্রিজের পানির চেয়ে একটি ভাল বিকল্প। 

▪️ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: মাটির পাত্র এক ধরনের ক্ষারীয় উপাদান দিয়ে তৈরি যা খাবারের অ্যাসিড প্রক্রিয়াজাতকরণে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়তা করে। মাটির প্রাকৃতিক নিরোধক বৈশিষ্ট্য পাত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং পুষ্টি উপাদানের কোনো ক্ষতি করে না। মাটি ক্ষারীয় ও অ্যালকালাইন গোত্রের হওয়ার কারণে মাটির পাত্রে খাবারে আয়রন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে। 

আবার খাবারে থাকা প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা থাকার কারণে খাবারে বেশি পরিমাণে তেল ব্যবহার করার দরকার নেই। যেহেতু খুব বেশি তেল ব্যবহার করা হয় না, এর সহজ অর্থ হল এটি হৃত্‍পিণ্ডের জন্যও উপকারী। মাটির পাত্রে রান্না করলে খুব সহজেই তেলের ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া যায়। কেননা এর প্রাকৃতিক আর্দ্রতা খাবার ভালোভাবে রান্না করার জন্য উপযোগী। তাই ইউনানী শাস্ত্রে শরীর সুস্থ রাখার জন্য মাটির পাত্রে রান্না করার কথা বলা হয়েছে। 

▪️ প্রাকৃতিক ক্ষারীয় উপাদান: মাটির পাত্র কাদা দিয়ে তৈরি করা হয়। যাতে প্রাকৃতিক ভাবে ক্ষারীযুক্ত হয়। তাপ প্রয়োগে মাটির পাত্র খাবারের অ্যাসিডের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং পিএইচ’য়ের ভারসাম্য বজায় রাখে। যা খাবারকে সহজপাচ্য করে। তাছাড়া এটা খাবারের পুষ্টি উপাদান যেমন- লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগ্নেসিয়াম এবং সালফার ঠিক রাখে।   

▪️ স্বাদ ও গন্ধ: খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। যা অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে সম্ভব নয়।

সতর্কতা:

চকচকে মাটির পাত্র নয়: পলিশ করা চকচকে কিংবা রং মাখানো মাটির পাত্র ব্যবহার না করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বা চকচকে ভাব আনার জন্য এতে নানান রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয়। যা তাপ প্রয়োগে বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করে। এমনকি মাটির উপদানকেও নষ্ট করে বিষাক্ত করে তুলতে পারে। ছিত্র


অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕অজুহাত 

লাইট অফ করে চোখের পানি ফেলে বালিশ ভেজানোর নাম জীবন না।।সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করার নাম জীবন না, দাঁত ভাঙা জবাব দেয়ার হিম্মত রাখুন বুকে। দাঁতে দাঁত চেপে জেদ নিয়ে চলার নামই জীবন।।

শচীন টেন্ডুলকার ক্লাস টেন এ ইংরেজিতে ফেল করেছিলেন। আর এখন ইন্ডিয়ার ক্লাস টেন এর ইংরেজি বইয়েত প্রথম চাপ্টারই টেন্ডুলকারের জীবনী। Oh dear, This is called the revenge👈👈

পেছনে যখন পাগলা কুকুর কিংবা হিংস্র বাঘ অথবা বিষাক্ত সাপ আপনাকে তাড়া করে তখন আপনি কী চিন্তা করেন?

আপনি কি একবারও ভাবেন- এর আগে কেউ কি এদের কাছ থেকে পালাতে পেরেছে কিনা, কিংবা আমি এদের সাথে পারব কিনা,না বস!! এসব ভাবার টাইম কোথায়? ঐ অবস্থায় আপনি ডাইরেক্ট দৌঁড় শুরু করবেন। Yes dear, this is called the theory of success. 'আমার কী হবে' ভাবতে ভাবতে আপনার দিনের অর্ধেক চলে যায়। 'আমাকে দিয়ে কিছু হবে না' চিন্তা চিন্তা করতে করতে আপনার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। দিনশেষে নিজেকে নিজে কিছুই উপহার দিতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে জর্জ ক্রাম নামের এক বাবুর্চি একটি রিসোর্টে রান্না করতেন। একদিন ভুলবশত তার তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আলু বেশ পাতলা হয়ে গিয়েছিল। সেই রিসোর্টের এক অতিথি এটা খাবার অযোগ্য বলে তাকে চরম অপমান করলেন সবার সামনেই। ক্রাম খুব কষ্ট পেলন চোখ মুছলেন। এরকম অপমানিত হওয়ার পর আপনি কী করতেন? কান্না করতে করতে হয়তো বলতেন ''আমরা গরীব বলে....."!! কিন্তু সেই বাবুর্চি সেই অপমান আর দুর্ব্যাবহার এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিলেন। সেই পাতলা আলুর তৈরী পটেটো চিপস বানিয়ে, যা আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ খেতে থাকে। This is called দাঁত ভাঙা জবাব।।ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখে না। ব্যর্থ কিংবা দুর্বল লোকের সাথে কেউ সম্পর্ক গড়ে না৷ মানুষ সফল লোকের শালা হতেও রাজি কিন্তু ব্যর্থ লোকের দুলাভাইও কেউ হতে চাই না। Sorry dear এটাই বাস্তবতা।

ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় জ্বালা হচ্ছে, একজন অযোগ্য লোকও আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, স্বয়ং পথভ্রষ্ট নিজেও আপনার পথের ভুল ধরিয়ে দিতে আসবে; এমনকি ব্যর্থ লোকটিও আপনাকে সফলতার পথ দেখাতে চাইবে। জীবনে সার্টিফিকেট চোখে না দেখা লোকটিও আপনার সার্টিফিকেট নিয়ে তামাশা করবে। তখন মনে হবে মাটির নিচে ঢুকে যেতে কখনো কখনো ইচ্ছে হবে মরে যেতে।একজীবনে আপনি কিছু করতে না পারার জন্য কত অজুহাত জমা দিয়েছেন

অজুহাত ভুলে গিয়ে নিজের উপর নিজে আত্মবিশ্বাসী হন।।

আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আজকে এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি মাএ ৩০০ টাকা পুঁজি দিয়ে। 

কাজ করছি 👉গরুর মাংসের আচার সহ বিভিন্ন রকমের আচার 

👉খাঁটি গাওয়া ঘি 

👉বগুড়ার বিখ্যাত লাচ্ছা সেমাই নিয়ে 

(সংগৃহীত)



ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি। 

 ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি। কিন্তু সেই টেপ রেকর্ডারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর আবার একটি ভালো মানের...