এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪

জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমার: আজ ২২ এপ্রিল। ১৯০৪ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন 

 জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমার:


আজ ২২ এপ্রিল। ১৯০৪ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন 

জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমার (২২ এপ্রিল, ১৯০৪-ফেব্রুয়ারি ১৮, ১৯৬৭)। তিনি ছিলেন একজন পদার্থবিদ এবং ম্যানহাটন প্রকল্পের পরিচালক। এই ম্যানহাটন প্রকল্পই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়।


জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমার নিউ ইয়র্ক সিটিতে ২২ এপ্রিল, ১৯০৪-এ এলা ফ্রিডম্যান, একজন শিল্পী এবং জুলিয়াস এস. ওপেনহেইমার, একজন টেক্সটাইল ব্যবসায়ীর কাছে জন্মগ্রহণ করেন। ওপেনহাইমাররা ছিল জার্মান-ইহুদি অভিবাসী কিন্তু ধর্মীয় ঐতিহ্য বজায় রাখে নি। ওপেনহাইমার নিউইয়র্কের এথিক্যাল কালচার স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। যদিও জে. রবার্ট ওপেনহেইমার বিজ্ঞান এবং মানবিক উভয়ই সহজে আঁকড়ে ধরেছিলেন (এবং বিশেষত ভাষায় ভাল ছিলেন), তিনি ১৯২৫ সালে হার্ভার্ড থেকে রসায়নে ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হন।


ওপেনহাইমার তার পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং জার্মানির গোটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ডক্টরেট অর্জনের পর, ওপেনহাইমার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান এবং বার্কলেতে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা পড়ান। তিনি একজন সু-সম্মানিত শিক্ষক এবং একজন গবেষণা পদার্থবিদ উভয়ের জন্যই সুপরিচিত হয়েছিলেন - একটি সাধারণ সমন্বয় নয়। ১৯৪০সালে, ওপেনহাইমার ক্যাথরিন পিউনিং হ্যারিসনকে বিয়ে করেন এবং তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তানের জন্ম হয়। হ্যারিসন, বার্কলেতে একজন উগ্র ছাত্র, ওপেনহাইমারের বন্ধুদের মধ্যে অনেক কমিউনিস্টদের একজন ছিলেন।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খবর আসে যে নাৎসিরা পারমাণবিক বোমা তৈরির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যদিও আমেরিকানরা ইতিমধ্যে পিছনে ছিল, তারা বিশ্বাস করেছিল যে তারা নাৎসিদের প্রথমে এত শক্তিশালী অস্ত্র তৈরি করার অনুমতি দিতে পারবে না। ১৯৪২ সালের জুনে, ওপেনহাইমারকে ম্যানহাটন প্রকল্পের পরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছিল, আমেরিকার বিজ্ঞানীদের দল যা একটি পারমাণবিক বোমা তৈরিতে কাজ করবে।ওপেনহাইমার নিজেকে এই প্রকল্পে নিক্ষেপ করেছিলেন এবং নিজেকে শুধুমাত্র একজন উজ্জ্বল বিজ্ঞানীই নয়, একজন ব্যতিক্রমী প্রশাসক হিসেবেও প্রমাণ করেছিলেন। তিনি লস আলামোস, নিউ মেক্সিকোর গবেষণা কেন্দ্রে দেশের সেরা বিজ্ঞানীদের একত্রিত করেন।


তিন বছরের গবেষণা, সমস্যা সমাধান এবং মূল ধারণার পর, প্রথম ছোট পারমাণবিক যন্ত্রটি ১৬ জুলাই, ১৯৪৫-এ লস আলামোসের ল্যাবে বিস্ফোরিত হয়। তাদের ধারণা কাজ করে প্রমাণ করার পরে, ট্রিনিটি সাইটে একটি বড় আকারের বোমা তৈরি করা হয়েছিল এবং বিস্ফোরিত হয়েছিল। এক মাসেরও কম সময় পরে, জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়েছিল ।


বোমাগুলো যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল তাতে অস্থির ওপেনহাইমার। তিনি নতুন কিছু তৈরি করার চ্যালেঞ্জে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির মধ্যে প্রতিযোগিতায় এতটাই জড়িয়ে পড়েছিলেন যে তিনি-এবং অন্যান্য অনেক বিজ্ঞানী এই প্রকল্পে কাজ করছেন-এই বোমাগুলির কারণে যে মানবিক ক্ষতি হবে তা বিবেচনা করেননি।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর, ওপেনহাইমার আরও পারমাণবিক বোমা তৈরির বিরোধিতা শুরু করেন এবং বিশেষভাবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করে আরও শক্তিশালী বোমা তৈরির বিরোধিতা করেন, যা হাইড্রোজেন বোমা নামে পরিচিত।

দুর্ভাগ্যবশত, এই বোমাগুলির উন্নয়নে তার বিরোধিতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু শক্তি কমিশনকে তার আনুগত্য পরীক্ষা করতে বাধ্য করে এবং ১৯৩০-এর দশকে কমিউনিস্ট পার্টির সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে। কমিশন ১৯৫৪ সালে ওপেনহাইমারের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়।


১৯৪৭ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত, ওপেনহেইমার নিউ জার্সির প্রিন্সটনে ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডির পরিচালক হিসাবে কাজ করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে, পারমাণবিক শক্তি কমিশন পারমাণবিক গবেষণার উন্নয়নে ওপেনহেইমারের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাকে মর্যাদাপূর্ণ এনরিকো ফার্মি পুরস্কার প্রদান করে।


ওপেনহাইমার তার অবশিষ্ট বছরগুলি পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা এবং বিজ্ঞানীদের সাথে সম্পর্কিত নৈতিক দ্বিধাগুলি পরীক্ষা করে কাটিয়েছেন। ওপেনহাইমার ১৯৬৭ সালে ৬২ বছর বয়সে গলার ক্যান্সারে মারা যান।

জেনে নিন বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৯ কৌশল-??

 জেনে নিন বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৯ কৌশল-??


>>>১. মোবাইল চার্জার থেকে খোলার পর অবশ্যই সুইচ বন্ধ করতে হবে।


২. বেশিরভাগ সময় এসি রিমোট দিয়ে বন্ধ করার পর সুইচ বন্ধ করি না। এতেও কিছুটা অতিরিক্ত ইউনিট পোড়ে।


৩. ব্যবহার করুন সিএফএল বা এলইডি লাইট। এসব লাইটের আলোয় ফিলামেন্টের তুলনায় সার্কিট ব্যবহার হওয়ায় বিদ্যুতের খরচ কমে।


৪. যে কোনও বৈদ্যুতিক যন্ত্র কেনার সময় স্টার রেটিংয়ে ভরসা রাখুন। কোনও যন্ত্রের স্টার রেটিং বেশি হলে তার ইউনিট বাঁচানোর ক্ষমতাও ততোধিক।


৫. পুরনো তার, পুরনো যন্ত্র ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। তাই দশ-পনেরো বছরের পুরনো যন্ত্র বা তার ব্যবহার না করে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করুন।


৬. ঘন ঘন এসি চালু ও বন্ধ করবেন না। চালিয়ে কিছুক্ষণ পর বন্ধ করাই নিয়ম।


৭. রোদ পড়ে এমন জায়গায় এসির আউটলেট রাখবেন না। অনেকে মাথার উপরে একটি শেড করে দেন। এটিও ভুল ধারণা। এসি মেশিন রোদ-বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে ঢেকে রাখলে তাতে মেশিন খারাপ হয় তাড়াতাড়ি।


৮. এসির তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির নীচে নামাবেন না। তাতে বেশি ইউনিট খরচ হয়।


৯. দিনে এক ঘণ্টা করে বন্ধ রাখুন ফ্রিজ। যন্ত্রও বিশ্রাম পাবে, বিদ্যুৎও বাঁচবে।


নিয়ম করে সব যন্ত্রেরই সার্ভিসিং করান সময় মতো। এতে যন্ত্র ভালো থাকে ও কম বিদ্যুৎ টানে।

><>এই বিষয় গুলো লক্ষ করলে কমে যাবে আপনার বিদুৎ বিল

><>ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের শেয়ার করুন



কলগেটে দাঁত না মাজলে যাদের দিন‌ই শুরু হয় না তাঁদের জন্য।

 কলগেটে দাঁত না মাজলে যাদের দিন‌ই শুরু হয় না তাঁদের জন্য।

কলগেট জিনিসটা আগে মাজন ছিল না, ছিল সাবান। কি ভাবছেন, ছিল সাবান, হয়ে গেল টুথপেস্ট? না না, একটা লোকের পদবি ছিল কলগেট। ইংল‍্যাণ্ডের লোক ছিলেন রবার্ট কলগেট ( ১৭৫৮ - ১৮২৬)। তাঁর বৌয়ের নাম ছিল সারা বাউলস। রবার্ট সাহেব ছিলেন কৃষিজীবী মানুষ। কিন্তু তাঁর দোষ ছিল তিনি পলিটিক্স নিয়ে ভাবতে ভালবাসতেন। তিনি ফরাসি বিপ্লবের গুণগ্রাহী ছিলেন আর আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমর্থক। এই অপরাধের দরুণ ইংল্যান্ডের বুকে আর তাঁর থাকার সুবিধা হল না। দূর দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া হল। তাড়া খেয়ে চাটিবাটি গুটিয়ে রবার্ট সাহেব বৌ বাচ্চা সমেত পাড়ি দিলেন আমেরিকায়। সেখানে মেরিল্যান্ড প্রদেশের বাল্টিমোরে ঠাঁই নিলেন। সেটা ১৭৯৮ এর মার্চ মাস। ওখানে তিনি আরেকটি লোকের সঙ্গে পার্টনারশিপে সাবান আর মোমবাতি তৈরির কারখানা ফাঁদলেন। পরে চলে গেলেন নিউ ইয়র্কের ডেলাওয়ার কাউন্টিতে। পার্টনারশিপ কারবার দু বছরের বেশি টিঁকল না। তারপর তাঁর ছেলে উইলিয়াম কলগেট একটা সাবান তৈরির কারখানায় শিক্ষা নবিশিতে লাগলেন। সেটা ১৮০৪। এই উইলিয়াম কলগেট (২৫ জানুয়ারি, ১৭৮৩ - ২৫ মার্চ, ১৮৫৭) গোড়াপত্তন করলেন কলগেট পামোলিভ কোম্পানির। ১৯৫০ এর দিকে কপিরাইটার অ্যালিসিয়া টোবিন বিজ্ঞাপন করেছিলেন It Cleans Your Breath While It Cleans Your Teeth"। আর ক্রমেই দাঁতের মাজন হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল কলগেট। এমনকি অতি সাধারণ মানুষের কাছে কলগেট হয়ে গেল দাঁতের মাজনের প্রতিশব্দ।

এখন কলগেট পামোলিভ একটা বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান। ২০২৩ এ জানা গিয়েছে চৌত্রিশ হাজার কর্মচারী এই সংস্থায় বেতনভুক হিসেবে কাজ করে। এই কোম্পানির নেট আয় ২.৩০ বিলিয়ন ডলার, আর এদের সম্পত্তির মোট অর্থমূল‍্য হল ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। কলগেট পামোলিভ কোম্পানির হেড কোয়ার্টারের ঠিকানা হল ৩০০, পার্ক অ্যাভিনিউ, মিডল টাউন, ম‍্যানহাটান, নিউ ইয়র্ক, ১০০২২, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। 

আজ থেকে ২১৮ বছর আগে ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে উইলিয়াম কলগেট সাবান আর বাতি তৈরির   ব‍্যবসা ফাঁদেন। তার চৌদ্দ বছর পর তিনি সাবান তৈরির কারখানা খুললেন। গোড়ায় অবশ‍্য তিনি একটা সাবান তৈরির কারখানায় বয়লার ঘরে শিক্ষা নবিশ হিসাবে কাজ শিখেছিলেন। আজ থেকে ১৫১ বছর আগে ১৮৭৩ এ উইলিয়াম কলগেট মারা যাবার অনেকদিন পর কাচের জারে করে সুগন্ধি টুথপেস্ট বিক্রি শুরু করে কলগেট। ১৮৯৬ তে সেই টুথপেস্ট টিউবে ভরে বিক্রি করা শুরু হল। 

গোড়ায় পামোলিভ বলে কিছু ছিল না। ১৮৯৮ তে পাম তেল আর অলিভ তেল থেকে সাবান তৈরির ফরমূলা তৈরি করলেন বারডেট জে জনসন। তিনি উইসকনসিন প্রদেশের মিলাওয়াকিতে পামোলিভ নামে কারবার ফা়ঁদলেন। ১৯২৮ এর পহেলা জুলাই কলগেট আর পামোলিভ আর পীট একজোট হল। আর ১৯৫৩ তে কারবারের নাম হল কলগেট পামোলিভ।

কলগেটের গোড়াপত্তন করেছিলেন যিনি এটি তার ছবি,, ছবিটি কলগেটের মৃত্যুর অনেক পরে আঁকা।

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৬-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৬-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


সকল প্রকার আগ্রাসন ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং যুদ্ধকে "না" বলতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। 


ব্যাংককের ডুসিট প্রাসাদে থাইল্যাণ্ডের রাজা ও রানীর সঙ্গে শেখ হাসিনার সৌজন্য সাক্ষাত - থাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আজ - পরে অনুষ্ঠিত হবে যৌথ সংবাদ সম্মেলন। 


বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং দলের নেতারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


যেকোনো মূল্যে উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে - দৃঢ়তার সাথে বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


টাঙ্গাইল শাড়িসহ ১৪ টি জিআই পণ্যের নিবন্ধন সনদ বিতরণ।


শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত তিন বিচারপতি । 


ভারতের লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বে ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ।


গতরাতে হায়দ্রাবাদে আইপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৩৫ রানে হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে।

সদ্যভূমিষ্ট বাসযাত্রীদের জন্য ভ্রমণ টিপস-

 সদ্যভূমিষ্ট বাসযাত্রীদের জন্য ভ্রমণ টিপস-


১. লোকাল বাস আপনার বাপের সম্পত্তি না, যে আপনার জন্য সুন্দর করে ব্রেক করে খাড়ায়ে থাকবে। সে চলবে আপন গতিতে। আপনাকে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তালে তাল মিলে গেলেই বাসে চট করে উঠে পড়তে পারবেন। বাসের রড ধরে ঝুলে বাসে উঠার জন্য পেশি শক্তি বাড়ান। বাসার বারান্দার রড ধরে ঝুলোঝুলির অভ্যাস করুন।


২. আপ পেহলে আপ পেহলে এই স্বভাব থাকলে লোকাল বাসের পা দানিতেও জায়গা পাবেন না। তাই হাম পেহলে হাম পেহলে স্বভাব বানাতে হবে। কনুইয়ের গুঁতা মেরে পায়ে পারা দিয়ে উঠে পড়তে হবে।


৩. কোনটা কোন রুটের বাস ইহা বুঝতে হলে হেলপারের কন্ঠের দিকে মন দিন। সে একনাগাড়ে বাসের গতিপথ বলতেই থাকবে। আপনার যাত্রা পথ মিলে গেলে লাফ দিয়ে উঠে পড়ুন।


৪. বাসে উঠার পর হেলপার চেষ্টা করবে আপনাকে ঠেলে বাসের শেষ মাথায় নিয়ে যাবার। সদ্য প্রসূত বাসযাত্রীরা কখনই বাসের শেষ মাথায় যাবেন না। বাসের ভীড় ঠেলে নামার ক্ষমতা আপনাদের এখনো হয়নাই। এইটা দীর্ঘ সাধনার ব্যাপার। বাসের সামনের দিকে গ্যাট মেরে দাঁড়িয়ে থাকুন। হেল্পার চিল্লাতে চিল্লাতে ক্লান্ত হয়ে অন্য কাউকে ভেতরে ঢুকাবে।


৫. অবশ্যই পকেট ও মোবাইল সাবধান। নিজের গাড়িতে মোবাইল মানিব্যাগ ব্যাক পকেটে রাখলেও এখানে বুক পকেটে বা হাতে ধরে রাখুন। পকেটমার লোকাল বাসের অপরিহার্য অংশ।


৬. মহিলা যাত্রীদের জন্য ইঞ্জিনের উপর বসার ব্যবস্থা থাকে। গরম ইঞ্জিনের উপর বসার প্রাকটিস করতে বাসায় হটব্যাগের উপর বসে থাকার চেষ্টা করতে পারেন।


৭. অফিস যাত্রীরা সাথে করে জুতার কালি নিয়ে নিন। বাসে আপনার জুতা মানে সবার পাপোষ। সবাই আপনাকে পারায়ে যাবে। নতুন বা পালিশ করা জুতা দেখলে মানুষের পারাতে আরো বেশি ভাল্লাগে। ইহা প্রমাণিত সত্য।


৮. বাসের দুলুনিতে দাঁড়িয়ে থাকাও আর্ট। প্রথম প্রথম এক হাতে বাসের রড ধরে ভাব দেখাতে যাবেন না। দুই হাতে রড ধরুন। পারলে সিটের মাথা খাঁমচে ধরে দাঁড়াতে পারেন। তা না হলে ব্রেকের সাথে সাথে সামনে চিৎপটাং হয়ে যাবেন।


৯. বাস থামলে নামবো এই চিন্তা জীন্দেগিতেও করবেন না। লোকাল বাসের ব্রেক থাকেনা, থাকলেও কই থাকে ড্রাইভার জানেনা। তাই চলা অবস্থাতেই নামা লাগবে। অবশ্যই বাম পা দিয়ে নামবেন। তা না হলে রাস্তার মধ্যেই সটান হয়ে পড়ে যাবেন। ভাগ্য খারাপ হলে চাকার তলায় যাওয়াও বিচিত্র না।


আপাতত পরামর্শগুলো মাথায় নিয়ে বাসে চড়ার ট্রাই করুন। আশা করা যায় আপনার যাত্রা মালয়শিয়ানj এয়ারলাইন্সের মত আরামপ্রদ হবে। হ্যাপি ট্রাভেলিং।


Collected

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ২৫-০৪-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ২৫-০৪-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:…


আজ ইউএনএসক্যাপ - এর ৮০তম অধিবেশনে যোগ দেবেন থাইল্যান্ডে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা- জানালেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে কারিগরি দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার আগ্রহ যুক্তরাজ্যের।


বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য মরিশাসের প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান।


মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৩ বাংলাদেশি - মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বিজিপি, সেনা, ইমিগ্রেশনসহ ২৮৮ সদস্য নিজ দেশে ফিরবেন আজ ও আগামীকাল।


রাঙ্গামাটিতে ট্রাক খাদে পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে।


ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলো জ্যামাইকা।


হায়দ্রাবাদে আজ আইপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দিনের একমাত্র খেলায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু মোকাবেলা করবে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের।

বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪

পর্তুগাল সম্পর্কে ২১টি তথ্য যা আপনি জানতেন না

 পর্তুগাল সম্পর্কে ২১টি তথ্য যা আপনি জানতেন না: 🇵ঙঙঙঙঃওঔ তার বর্তমান সীমান্ত স্থাপন করে।

২। পর্তুগীজ ভাষা 9 টি দেশের সরকারী ভাষা, যার মধ্যে পর্তুগাল নিজেই, ব্রাজিল, অ্যাঙ্গোলা, মোজাম্বিক, এবং অন্যান্য।

৩। পর্তুগাল বিশ্বের বৃহত্তম কর্ক উৎপাদক, বিশ্বের অর্ধেকের বেশি কর্ক সাপ্লাইয়ের জন্য দায়ী।

৪. লিসবনের ভ্যাস্কো দা গামা সেতু ইউরোপের দীর্ঘতম সেতু, যা ১০ মাইল (১৭.২ কিলোমিটার) জুড়ে বিস্তৃত।

৫। পর্তুগাল বিশ্বের সেরা মানের ওয়াইন উৎপাদক, পোর্ট ওয়াইন, ভিনহো ভার্দে, এবং ডরো ওয়াইন জন্য পরিচিত।

৬. পর্তুগালের কোইম্ব্রা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়, যা ১২৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

৭. পর্তুগীজ দ্বীপ মাদেইরা তার নববর্ষের প্রাক্কালে উদযাপনের জন্য বিখ্যাত, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম আতশবাজি প্রদর্শনীর একটি সমন্বিত।

৮. পর্তুগাল ইউরোপের সবচেয়ে পশ্চিমী বিন্দু, কাবো দা রোকা, যা আটলান্টিক মহাসাগরের অত্যাশ্চর্য দৃশ্য দেখায়।

৯। পর্তুগীজ শহর বিডোস তার বার্ষিক চকোলেট উৎসবের জন্য পরিচিত, যা সারা বিশ্ব থেকে আগত দর্শকদের আকর্ষণ করে।

১০। পর্তুগালের আলগারভ অঞ্চল তার অত্যাশ্চর্য সৈকত, নাটকীয় ক্লিফ এবং চিত্রময় মাছ ধরার গ্রামের জন্য বিখ্যাত।

১১। আজুলেজো, ঐতিহ্যবাহী পর্তুগীজ সিরামিক টাইলস, বিল্ডিং, গির্জা এবং এমনকি ট্রেন স্টেশনগুলি সারা দেশে সাজানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

১২. বিখ্যাত পর্তুগীজ প্যাস্ট্রি, প্যাস্টেল ডি নাটা, 18 তম শতাব্দীতে ক্যাথলিক সন্ন্যাসীদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।

১৩। পর্তুগালের জাতীয় প্রতীক বার্সেলোস এর মোরগ, যা ভাগ্য, সততা, এবং অখণ্ডতার প্রতীক।

১৪। লিসবনের সাও জর্জ ক্যাসল শহরের প্যানোরামিক দৃশ্য প্রস্তাব করে এবং 2,000 বছর আগের ইতিহাস আছে।

১৫। লিসবনের ভ্যাস্কো দা গামা টাওয়ার একটি পালতোলা নৌকা মাস্তুলের মত আকৃতির এবং এটি পর্তুগালের সবচেয়ে উঁচু ভবনগুলির মধ্যে একটি।

১৬। পর্তুগালের অনুসন্ধানের একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে, ভ্যাস্কো দা গামা, ফার্দিনান্ড ম্যাগেলান, এবং বার্টোলোমেউ ডায়াসের মতো এক্সপ্লোরার আবিষ্কারের যুগে নেতৃত্ব দেয়।

১৭। পোর্তো শহর তার ঐতিহাসিক কেন্দ্র, ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত পোর্ট ওয়াইন সেলার এবং আইকনিক ডম লুইস আই ব্রিজ এর জন্য পরিচিত।

১৮। পর্তুগাল বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বুকশপ লিভ্রারিয়া বারট্র্যান্ডের বাসভূমি, যা 1732 সালে লিসবনে খোলা হয়েছিল।

১৯। পর্তুগীজ দ্বীপ পোর্তো সান্তো 1492 সালে আমেরিকার পথে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের প্রথম অবতরণ স্থান বলে মনে করা হয়।

২০। পর্তুগীজ রান্নায় বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক খাবারের ডিশ রয়েছে, যার মধ্যে আছে বাকালহাউ (নোনতা কড), গ্রিল করা সার্ডিন, এবং সামুদ্রিক খাবারের ভাত।

২১। পর্তুগাল 1867 সালে যুদ্ধকালীন অপরাধ সহ সমস্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে, এটি এটি করার প্রথম দিকের দেশগুলির মধ্যে একটি করে তোলে।

মুঘল সাম্রাজ্যের একমাত্র নারী শাসক।

 মুঘল সাম্রাজ্যের একমাত্র নারী শাসক।


মুঘল সম্রাজ্ঞী নুর জাহান ছিলেন ভারতের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী নারীদের একজন। 


জন্মের সময় তার নাম দেয়া হয়েছিল মিহরুন নিসা। কিন্ত স্বামী মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর পরে তাঁর নাম পাল্টে রেখেছিলেন নুর জাহান (জগতের আলো)। ইংল্যান্ডে রাণী প্রথম এলিজাবেথের জন্মের কয়েক দশক পরে তাঁর জন্ম। কিন্তু রাণী এলিজাবেথের চেয়ে অনেক বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ এক সাম্রাজ্য শাসন করেছেন নুর জাহান।


ষোড়শ শতকের শুরু হতে পরবর্তী প্রায় তিনশ' বছর ধরে ভারতবর্ষ শাসন করেছে মুঘলরা। তারা ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী রাজবংশ। মুঘল সম্রাট এবং মুঘল রাজ পরিবারের নারীরা ছিলেন শিল্প, সঙ্গীত এবং স্থাপত্যকলার বিরাট সমঝদার। তারা বিশাল সব নগরী, প্রাসাদোপম দূর্গ, মসজিদ এবং সৌধ তৈরিতে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে।


কিন্তু পুরো মুঘল রাজবংশের একমাত্র নারী শাসক নুর জাহানকে নিয়ে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে এখনো ছড়িয়ে রয়েছে অনেক লোকগাঁথা।


উত্তর ভারতের আগ্রা এবং উত্তর পাকিস্তানের লাহোর, মুঘল আমলের দুটি বড় নগরী। এই দুই জায়গাতেই নুর জাহান সম্পর্কে শোনা যাবে অনেক কিংবদন্তী।


প্রবীন নারী এবং পুরুষ, ট্যুর গাইড থেকে শুরু করে ইতিহাসে আগ্রহী মানুষ আপনাকে জানাবে কিভাবে জাহাঙ্গীর এবং নুর জাহান পরস্পরের প্রেমে পড়েন। কিভাবে নুর জাহান একটি মানুষ খেকো বাঘকে মেরে রক্ষা করেছিলেন একটি গ্রামের মানুষকে।


যদিও নুর জাহানের প্রেম, তার সাহসিকতার অনেক কাহিনী ছড়িয়ে আছে, মুঘল প্রাসাদের অন্দরমহলে তাঁর রাজনৈতিক ক্ষমতা, প্রতিপত্তি এবং আকাঙ্খার সম্পর্কে বিস্তারিত খুব কমই জানা যায়।


নুর জাহান ছিলেন একজন কবি, একজন দক্ষ শিকারি এবং খুবই সৃজনশীল এক স্থপতি। আগ্রায় তার তৈরি করা নকশাতেই নির্মাণ করা হয়েছিল তার বাবা-মার সমাধি সৌধ। পরে এই স্থাপত্য রীতিই নাকি তাজ মহলের স্থাপত্য নকশার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।


মুঘলদের পুরুষ শাসিত জগতে নুর জাহান ছিলেন এক অসাধারণ নারী। কোন রাজকীয় পরিবার থেকে তিনি আসেননি। কিন্তু তারপরও সম্রাটের হারেমে তার উত্থান ঘটে এক দূরদর্শী রাজনীতিক হিসেবে। তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সবচেয়ে প্রিয়তম স্ত্রীতে পরিণত হন। বিশাল মুঘল সাম্রাজ্য আসলে তিনি এবং সম্রাট জাহাঙ্গীর মিলে একসঙ্গেই শাসন করতেন।


নুর জাহানের জন্ম হয়েছিল ১৫৭৭ সালে কান্দাহারের কাছে (আজকের আফগানিস্তানে)। তার পরিবার ছিল ইরানের এক অভিজাত বংশের। কিন্ত সাফাভিদ রাজবংশের অসহিষ্ণুতার কারণে তাদের সেখান থেকে পালিয়ে মুঘল সাম্রাজ্যে এসে আশ্রয় নিতে হয়।


পিতা-মাতার জন্ম স্থানের ঐতিহ্য আর মুঘল রীতি-নীতি, এই দুটির আবহে বেড়ে উঠেন তিনি। নুর জাহানের প্রথম বিয়ে হয় এক মুঘল রাজকর্মচারীর সঙ্গে। তার স্বামী ছিলেন এক সেনা কর্মকর্তা। স্বামীর সঙ্গে তিনি পূর্ব ভারতের বাংলায় চলে আসেন। সেখানেই তার একমাত্র ছেলের জন্ম হয়।


তবে সম্রাট জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে নুর জাহানের স্বামীর চাকুরি যায়। এক লড়াইয়ে নিহত হন নুর জাহানের স্বামী।

বিধবা নুর জাহানকে পাঠানো হয় মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের হারেমে। সেখানে নুর জাহান অন্য মুঘল নারীদের আস্থা এবং বিশ্বাসের পাত্র হয়ে উঠেন। ১৬১১ সালে সম্রাজ জাহাঙ্গীর তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন জাহাঙ্গীরের বিশতম পত্নী।

সেই সময়ের মুঘল রাজদরবারের রেকর্ডে খুব কম নারীর কথাই উল্লেখ আছে। তবে সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্মৃতিকথায় ১৬১৪ সালের পর থেকে তার সঙ্গে নুর জাহানের বিশেষ সম্পর্কের উল্লেখ আছে বার পার। তিনি নুর জাহানের এক অনুরাগময় চিত্রই একেঁছেন তাতে। নুর জাহান সেখানে বর্ণিত হয়েছেন একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী, চমৎকার সেবাদাত্রী, বিজ্ঞ পরামর্শদাতা, দক্ষ শিকারি, বিচক্ষণ কূটনীতিক এবং শিল্পবোদ্ধা হিসেবে।

অনেক ইতিহাসবিদের মতে জাহাঙ্গীর ছিলেন এক মদমত্ত সম্রাট, যার সাম্রাজ্য পরিচালনায় কোন মনোযোগ ছিল না। আর সে কারণেই নাকি তিনি এর ভার ছেড়ে দিয়েছিলেন স্ত্রীর হাতে। কিন্তু এটি পুরোপুরি সত্য নয়।

এটি সত্য যে জাহাঙ্গীর পানাসক্ত ছিলেন, তিনি আফিমও গ্রহণ করতেন। কিন্তু তিনি একই সঙ্গে তার স্ত্রী নুর জাহানকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। কিন্তু সেটার কারণেই নুর জাহান মুঘল সাম্রাজ্য শাসনের সুযোগ পেয়েছিলেন ব্যাপারটা তা নয়। কার্যত নুর জাহান এবং জাহাঙ্গীর ছিলেন পরস্পরের পরিপূরক। স্ত্রী যে সাম্রাজ্য শাসনে তার পাশে আসন নিয়েছিলেন, সেটি নিয়ে জাহাঙ্গীরের কোন অস্বস্তি ছিল না।

তাদের বিয়ের পরপরই নুর জাহান প্রথম যে রাজকীয় ফরমান জারি করেছিলেন তা ছিল এক রাজকর্মচারীর জমির অধিকার রক্ষায়। সেখানে তিনি স্বাক্ষর করেন নুর জাহান পাদশাহ বেগম নামে, যার অর্থ নুর জাহান, সাম্রাজ্ঞী।

তিনি যে সার্বভৌম এবং তার ক্ষমতা যে বাড়ছে, এটি ছিল তারই ইঙ্গিত।

১৬১৭ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর এবং তাঁর নাম লেখা মূদ্রা স্বর্ণ এবং রৌপ্য ছাড়া হয়। সেসময়ের মুঘল রাজদরবারের লেখক, বিদেশি কূটনীতিক, বণিক এবং পর্যটকরা উপলব্ধি করতে শুরু করেন যে মুঘল সাম্রাজ্য পরিচালনায় তার একটা বিরাট প্রভাব আছে।

একজন রাজকর্মচারী একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছিলেন তার লেখায়। নুর জাহান একদিন রাজপ্রাসাদের বারান্দায় দেখা দিয়েছিলেন। এটি এর আগে পর্যন্ত কেবল পুরুষদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল।

শিকারে বের হওয়া থেকে শুরু করে নিজের নামে রাজকীয় মূদ্রা এবং রাজকীয় ফরমান জারি, বড় বড় রাজকীয় ভবনের নকশা তৈরি, দরিদ্র নারীদের কল্যাণে ব্যবস্থা গ্রহণ, এরকম নানা কাজে নুর জাহান তার স্বাক্ষর রেখেছেন। যা ছিল সেকালের নারীদের মধ্যে ব্যতিক্রম।

তার স্বামীকে যখন জিম্মি করা হয়, তখন নুর জাহান তাকে রক্ষায় সেনাবাহিনীর অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন, যা তাকে ইতিহাসের পাতায় আর জনমানস চিরদিনের জন্য স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছে।


Apni Janen Ki?-আপনি জানেন কি? 

সূত্র-বিবিসি


মোটাতাজাকরন খাদ্য তালিকা ও কিছু টিপস, কম সময়ে সুন্দর ও সর্বচ্ছ স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে নিচের টিপস ফলো করুন, 

 ## মোটাতাজাকরন খাদ্য তালিকা ও কিছু টিপস,

কম সময়ে সুন্দর ও সর্বচ্ছ স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে নিচের টিপস ফলো করুন, 

প্রথমে গরুর ওজন নির্ণয় করুন,তাহলে কৃমির ঔষধ ও খাদ্য দিতে সুবিধা হবে,

ওজন মাপার সূত্র-দৈর্ঘ্য*(বুকের বেড়ের) ২ (ইঞ্চি)এবার ৬৬০ দিয়ে ভাগ করুন,তাহলে কেজির হিসাব পেয়ে যাবেন,

ক্ষুরা,তড়কা,বাদলার টিকা প্রয়োগ করুন,

প্রথম অবস্থায় ১০০ কেজির জন্য ১.৫ কেজি দানাদার খাদ্য প্রয়োগ করুন,গরু যখন অনেকটা মোটাতাজা হয়ে যাবে তখন ১০০ কেজির জন্য ১ কেজি দানাদার খাদ্য প্রয়েগ করবেন,

গরুকে কখনো ভাত বা খুদের জাউ খাওয়ানো উচিত নয়,কারন এতে অনেক গরুর পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয়ে পেট ফুলে যায়,কখনো কখনো এর ফল খুব খারাপ হয়,

১০০ কেজির জন্য প্রতিদিন ৪-৫ কেজি কাঁচাঘাস খাওয়াবেন,যাদের আপদ কালীন সময়ে কাঁচাঘাস থাকেনা তারা সাইলেজ ব্যবহার করতে পারেন,

গরুকে প্রতিদিন গোসল করান, 

গরুকে ইউ এম এস খাওয়ান,শুধু ইউ এম এসের কারনে প্রতি দিন ২৫০ গ্রাম করে মাংস বাড়বে,

ইউ এম এস তৈরীর নিয়মঃ-

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

১০০ কেজি শুকনো খড়,৫০ কেজি পানি,২৫ কেজি চিতাগুড়,৩ কেজি ইউরিয়া সার,

এটি তৈরির ২ ঘন্টা পরেও খাওয়ানো যাবে,৩ দিন পরেও খাওয়ানো যাবে,১০০ কেজির জন্য ১ কেজি ইউ এম এস খাওয়াবেন,ইউ এম এস খাওয়ানোর ১ ঘন্টা আগে ও পরে পানি খাওয়াবেন না,এবং পাত্রে পানি থাকলে ইউ এম এস দিয়ে মিশিয়ে খাওয়াবেন না,

শুধু শুকনো খড় না খাওয়ানোটাই ভাল,এতে পেট ভরলেও তেমন বেশি স্বাস্থ্য বাড়ে না, অনেকে বলবেন শুকনো খড়ে আমাদের গরু মোটা হয়,আসলে আপনার গরু মোটা হয়েছে দানাদার,খৈল ও কাঁচাঘাসের কারনে,শুকনো খড়ে গরু মোটা হলেও তা পরিমানে কম হয়,তাই বেশি লাভবান হতে চাইলে শুকনো খড়কে ইউ এম এস প্রক্রিয়া করে খাওয়ান,

গরুকে ওজন অনুসারে সুসমদানাদার,কাঁচাঘাস, ইউ এম এস বব্যবহার করলে গরুকে কোন ভিটামিন ইনজেকশন, হরমোন ইনজেকশন বা ভিটামিন পাউডার ব্যবহার করার দরকার হয় না,তবে কেউ করতে চাইলে সেটা তার নিজস্ব ব্যপার,

মোটাতাজা গরুর ১০০ কেজি রেশন তৈরীর ফর্মুলা ফলো করুন,কারো কারেকশন থাকলে বলবেন,

গমের ভূষি,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,৩০ কেজি

ভুট্রা ভাঙ্গা,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,২০ কেজি

রাইচ পালিশ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১৫ কেজি

ডাউলের ভূষি,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,৭কেজি

সরিষার খৈল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১০ কেজি

সয়াবিন খৈল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১০ কেজি

চিতাগুড়,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,৩ কেজি

ডিসিপি পাউডার,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,৩ কেজি

আয়োডিন লবন,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,২ কেজি

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

মোট,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,১০০ কেজি


শেয়ার করে নিজের টাইম লাইনে রাখুন,

collected


মহাকবি ফেরদৌসীর বিখ্যাত কাব্য 'শাহনামা'র আলোচিত চরিত্র 'রুস্তম' লোককথা থেকে বাস্তবে!

 মহাকবি ফেরদৌসীর বিখ্যাত কাব্য 'শাহনামা'র আলোচিত চরিত্র 'রুস্তম' লোককথা থেকে বাস্তবে!


মহাকবি ফেরদৌসীর বিখ্যাত কাব্য 'শাহনামা'র সবচেয়ে আলোচিত কাহিনী 'সোহরাব-রুস্তম'। রুস্তম ইরানের লোককাহিনীর সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র। লোককথায় তিনি আবহমান কিংবদন্তির মহাবীররূপে উপস্থাপিত হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে মানুষের মুখে মুখে বছরের পর বছর সোহরাব রুস্তম গল্পটি চর্চা হয়ে আসছে। এই কাহিনী এতই জনপ্রিয় যে, মানুষ একে সত্য হিসেবে ধরে নিয়েছে যেনো ইতিহাসের কোনো অবিচ্ছেদ্য অংশ। সত্যিকার অর্থে এটি মহাকবি ফেরদৌসীর একটি কাহিনীকাব্য।


জন্মগতভাবেই রুস্তম অনেক ব্যতিক্রমী গুণসম্পন্ন। তার সে গুণগুলোই তাকে আলাদা ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থান দিয়েছে লোককথায়। শাহনামায় বিচিত্র সব ঘটনা ঘটিয়ে ব্যতিক্রমী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন রুস্তম। কৈশরে সে তার রাজা মেনুচির সাদা হাতিকে হত্যা করেছিল শুধু গজা দিয়ে। নারিমানের ছেলে সাম তার দাদা। আর তার কাছ থেকেই রুস্তম উত্তরাধিকার সূত্রে বীরত্বের অধিকারী। 


পারস্যের লোককাহিনী মতে, রুস্তম বিয়ের পর তার স্ত্রীর গর্ভে সন্তান আসে। স্ত্রী যখন প্রসব বেদনায় কাতর, তখন যুদ্ধে যেতে হয় রুস্তমকে। রুস্তম যাওয়ার সময় বলে যায় সন্তান হওয়ার খবর যেন তাকে জানানো হয়। কিন্তু তার স্ত্রী কন্যা সন্তান হওয়ার মিথ্যা সংবাদ দেয়। কারণ পুত্র সন্তানের সংবাদ দিলে রুস্তম তাকে নিয়ে যুদ্ধবিদ্যা শেখাবে এবং হয়তো সে যুদ্ধক্ষেত্রেই মারা যাবে। এমন আশঙ্কা করেই স্ত্রী লুকিয়েছিল পুত্র সন্তানের খবর। পরবর্তীতে যুদ্ধের ময়দানে পিতা-পুত্রের যুদ্ধের এর হৃদয়বিদারক দৃশ্যে পিতার হাতে মৃত্যু হয় সন্তানের। এমন ঘটনার কারণেই ঘটে গেছে সোহরাব-রুস্তমের সেই ট্র্যাজেডি।


রুস্তম নায়কোচিত অভিযান চালিয়ে কোহেকাফের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন। রুস্তমের আরেকটি বিখ্যাত কৃতিত্ব হচ্ছে পারস্যের অপদেবতা 'অকভান'-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ। অকভান দেখতে কিছুটা বন্য গাধার মতো, যে দ্রুত ভোল পাল্টে মানুষের সর্বস্ব লুট করত। এ অপদেবতার অত্যাচারে রাজ্যের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। চিন্তিত হয়ে পড়েন রাজা। শেষে এর প্রতিকারের ভার মহাবীর রুস্তমকে দেওয়া হয়। রুস্তম তাকে হত্যা করে প্রজাদের বিপদমুক্ত করেন। এ ছাড়া রুস্তম ড্রাগনের সঙ্গেও যুদ্ধ করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। এসব গল্প লোককাহিনী হলেও মানুষের কাছে এর আবেদন চিরন্তন। 


ছবি: ইরানের খোরাসান প্রদেশের Mashhad city তে মহাবীর রুস্তম এবং তার ঘোড়া Rakhsh.


তথ্যসূত্র:

ক। ফেরদৌসীর শাহনামে রোস্তম ও সোহরাবের গল্পে ট্র্যাজেডি, ইব্রাহিমি, মোখতার ও তাহেরি, আবদুল্লাহ।  । ইতিহাস সংস্কৃতি ও শিল্প গবেষণা জার্নাল

খ। উইকিপিডিয়া। 

গ। মহাবীর রুস্তম, রাজেশ পাল।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...