এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১১ মে, ২০২৪

তারকাময় রাজনীতি ভাল নয়  তসলিমা নাসরিন,,,,

 তারকাময় রাজনীতি ভাল নয় 


তসলিমা নাসরিন 


শিল্পীদের কাজ শিল্প নিয়ে থাকা। কিন্তু শিল্পীরা যখন জনপ্রিয় হতে হতে আকাশে উড়ে যান, আকাশে উড়তে উড়তে তারকা বনে যান, মানুষের নাগালের বাইরে, ধরাছোঁয়ার বাইরে, তখন কী ঘটে? আকাশ থেকে মহাকাশে বিচরণের পর তাঁদের কিন্তু ইচ্ছে করে মর্ত্যেই নেমে আসতে, তারকাখ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে অন্য রকম খ্যাতি অর্জন করতে। এই খ্যাতির সঙ্গে জুড়ে আছে অর্থ এবং ক্ষমতা। ক্ষমতার আছে অস্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য। এই চোখ ধাঁধানো ঔজ্জ্বল্যের প্রতি আকর্ষণ আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশে কার নেই? 


তারকারা সব দেশেই রাজনীতিতে ঢোকেন। কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশে তারকা থেকে রাজনীতিক হওয়ার প্রবণতা লাগামছাড়া। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে  রাজনীতিকরা ক্ষমতার কাঙাল নন। উত্তর ইউরোপের দেশগুলোয় এক সময় দেখেছি রাজনীতিকদের অনেকেই গাড়ি চড়েন না, অতি সাধারণ মানুষের মতো সাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে অফিসে, অফিস থেকে বাড়িতে যান, নিরাপত্তা রক্ষী নিয়ে বাইরে বেরোন না। তাঁরা দুর্নীতি করেন না, চুরি করেন না, তাঁরা যেটা মন দিয়ে করেন, সেটা জনগণের সেবা। রাজনীতির এমন শুদ্ধ স্বচ্ছ আর সুস্থ  সুন্দর পরিবেশ উপমহাদেশে নেই। থাকলে আমার মনে হয় না কোনও তারকার শখ হতো রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার। 


সিনেমা, সঙ্গীত, স্পোর্টস —মূলত এই ক্ষেত্রগুলোই তারকা তৈরি করে। আর এই উপমহাদেশ শতভাগ তারকাপাগল উপমহাদেশ। তারকাপাগল বলেই রাজনীতির র-ও যাঁরা জানেন না, তাঁরাও নিজের তারকাখ্যতিকে পুঁজি করে ভোট পান, রাতারাতি সাংসদ বনে যান। ওদিকে রাজনীতিকদের মধ্যে বসে আছেন কিছু গণ্ডমূর্খ, কিছু প্রতিক্রিয়াশীল স্বার্থান্ধ লোক। প্রগতিশীল কেউ যদি থেকেও থাকেন,  প্রগতিশীলতাকে গোপন রেখে তাঁদের রাজনীতি করতে হয়।  তাঁরা কেবল শিখেছেন কী করে মানুষকে মিথ্যে বলে বা  ধোঁকা দিয়ে ভোট আদায় করতে হয়। এভাবে অনভিজ্ঞ আর ধোঁকাবাজদের সমন্বয়ে, আমার আশঙ্কা, আমাদের সংসদ  একদিন ভয়াবহ ব্যর্থতার সমুদ্রে তলিয়ে যাবে। প্রায়ই তো দেখি সংসদগুলোতে হাতাহাতি মারামারি চুলোচুলি চলছে। সংসদে বসে সাংসদদের ঘুমোনো খুব পরিচিত একটি দৃশ্য। সংসদে বসে কেউ কেউ তো মোবাইলে পর্নও দেখেন। 


ভারতের বিপুল সংখ্যক অভিনেতা-অভিনেত্রী রাজনীতিতে নেমেছেন। তাঁদের সংখ্যা, আমার বিশ্বাস, বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় বেশি। ভারতের রাজনীতিকরা ভাল অভিনয় জানেন, নাকি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা? কেউ কেউ কিন্তু বলেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীর চেয়ে অভিনয় ভাল জানেন রাজনীতিকরা। সে কারণেই হয়তো সিনেমার তারকারা যেমন রাজনীতিতে নামেন, তেমন রাজনীতিকদের মধ্যে অনেকেই সিনেমায় নামেন। সিনেমার তারকাদের রাজনীতিতে নামানো শুরু হয় ষাটের দশকে। বলিউডের অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরকে রাজ্যসভার সদস্য বানিয়েছিলেন কংগ্রেস দলের শীর্ষ নেতাগণ। এরপর থেকে জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত লোকেরা রাজনীতিতে নজর দিতে থাকেন। রাজনৈতিক দলে নাম লেখানোর উৎসাহ বেড়ে যায় প্রচণ্ড। রাজনৈতিক দলের   জনপ্রিয়তা বাড়াতেও হয়তো রাজনীতিকরা তারকাদের দলে ঢোকাতে চান। দিলীপ কুমার, বৈজয়ন্তীমালা, এম জি রামাচন্দ্রন, জয়ললিতা, অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, শ্ত্রুঘ্ন সিনহা, গোবিন্দা, হেমা মালিনী, রাজেশ খান্না, সুনীল দত্ত, বিনোদ খান্না, স্মৃতি ইরানি, রজনীকান্ত, কমল হাসান,   মাধাবান, রাজ বাব্বর, জয়াপ্রদা, পরেশ রাওয়াল, সন্ধ্যা রায়, কিরণ খের—- এরকম অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী  বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়েছেন। 


পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল দলে নির্বাচনের আগে আগেই তারকাদের দলে ভেড়ানো হয়েছে। জেতার ইচ্ছে থেকেই তাড়াহুড়ো করে তারকাদের দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্বাচনে। মুনমুন সেন, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান জিতে এলেন। ওদিকে শতাব্দি রায়, রূপা গাঙ্গুলি, লকেট চ্যাটার্জি, বাবুল সুপ্রিয়, দেবও টোপ গিলেছেন। শিল্প-সাহিত্য-নাট্য জগতের তারকাদের কাউকে ভোটে দাঁড় করানো হয়েছে, কাউকে আবার নানারকম সুযোগ সুবিধে আর উপঢৌকন  দিয়ে দলভুক্ত করা হয়েছে। কবীর সুমন, শাঁওলি মিত্র, ব্রাত্য বসু, জয় গোস্বামী, যোগেন চৌধুরী, শুভাপ্রসন্নর মতো সফল শিল্পী সাহিত্যিক তাঁদের নাও ভিড়িয়েছেন রাজনৈতিক দলের ঘাটে। সবাই ভোটে না দাঁড়ালেও দলের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন। মুশকিল হলো, অনেকে দলদাসে পরিণত হয়েছেন।   মূখ্যমন্ত্রী ভুল বকলেও তাঁরা নীরব থাকেন। মূখ্যমন্ত্রীর  চেয়ারের ধুলো পরিস্কার করে দেন, সাহিত্যের কিছুই না জানলেও মূখ্যমন্ত্রীকে সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করেন।  


তারকারা তাঁদের ভক্তদের ভোটেই জিতে যান নির্বাচনে।  রাজনীতিক হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ার জন্য লম্বা সময় তারকাদের পার করতে হলো না, রাজনীতিতে তাঁদের দক্ষতাও দেখাতে হলো না, অথচ দিব্যি এক তুড়িতে বিজয়ী হয়ে গেলেন। দলে তারকা নিয়ে এলে আজকাল বিরাট লাভ রাজনৈতিক দলের। দলের নেতারা যেমন তারকাদের নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে চান, তারকারাও চান রাজনৈতিক দলকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে। দল চায় নির্বাচনে জেতা, তারকা চান ক্ষমতা। রাজনৈতিক কোনও আদর্শ ছাড়াই অনেক সময় তারকারা রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। সঙ্গত কারণেই তাঁরা জনগণের দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হন।  এক সময় তারকারা নিজের মান সম্মান বাঁচিয়ে রাজনীতির অঙ্গন ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভারতে ১৫৩ জন অভিনেতা অভিনেত্রী রাজনীতিতে নেমেছেন। সংখ্যাটি অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশে সিনেমার নায়িকা কবরী, নায়ক ফারুক এবং ফেরদৌস রাজনীতি করেছেন, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর মন্ত্রী ছিলেন অনেক বছর। জনপ্রিয় গায়িকা মমতাজ, বেবী নাজনীন, কনকচাঁপাও সংসদ সদস্য হয়েছেন। দলের অনেক নেতা তারকা নিয়ে সুখী হলেও দলের অনেক কর্মীই ক্ষুব্ধ। দীর্ঘকাল দলের আদর্শে এবং কর্মে  নিষ্ঠাবান থেকে, নিবেদিত প্রাণ হয়ে যে সুবিধে পান, তার চেয়ে ঢের বেশি পান উড়ে এসে জুড়ে বসা তারকারা, যাঁরা রাজনীতির কিছুই জানেন না, দলের আদর্শ সম্পর্কেও যাঁদের জ্ঞান নেই। 


এই উপমহাদেশে সিনেমার মতোই ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয়। জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা ইমরান খান রাজনৈতিক দল শুরু করেছেন, নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। রাজনীতিতে ঢুকেছেন মোহাম্মদ আজহারুদ্দিন, নভোজত সিং সিধু, গৌতম গম্ভীর, মনোজ তিওয়ারি, কীর্তি আজাদ, চেতন চৌহান, শ্রীলংকায় অর্জুনা রানাতুঙ্গা, সনৎ জয়সুরিয়া। বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা মাশরাফি আর সাকিব এখন রাজনীতিতে নেমে ক্ষমতায় আরোহণ করেছেন। সিনেমার তারকাদের মতোই ক্রিকেট তারকারা রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ। তাঁরা শুধু দলের শোভা বাড়াবার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছেন। 


সাকিব আল হাসান বদরাগী মানুষ। তাঁকে দেখে ভক্তরা উত্তেজিত হলে তিনি তাদের অপমান করতে দ্বিধা করেন না। সেদিন তো এক ভক্ত তার সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইলে ভক্তের ঘাড় ধরে রীতিমত গালে চড় কষালেন অথবা চড় কষাতে  চাইলেন। তিনি ক্রিকেট তারকা হিসেবে প্রচুর নিরাপত্তা  পান। কিন্তু রাজনীতিকদের তো মানুষের ভিড়েই থাকতে হয়। কেউ একটু ভক্তি দেখালেই তাকে চড় থাপ্পড় মারতে হয় না। রাজনীতিকদের উদার হতে হয়, মানবিক হতে হয়। মানুষকে আবর্জনা হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে দেখতে হয়। তাদের আবেগ উচ্ছ্বাস, তাদের সুখ দুঃখ, তাদের পাওয়া না-পাওয়াকে অন্তর থেকে অনুধাবন করতে হয়। তা না হলে রাজনীতির জগতে ঘোরাফেরা করা অর্থহীন। 


রাজনৈতিক দলকে জনপ্রিয় করতে হলে সিনেমা থিয়েটার  সঙ্গীত আর খেলার জগত থেকে অরাজনৈতিক জনপ্রিয় ব্যক্তিদের নানা রকম লোভ দেখিয়ে দলে টেনে আনার প্রবণতা কেন? প্রশ্ন হলো, দলের রাজনীতিকরা কেন জনপ্রিয় হতে পারেন না? ভাল কাজ করলেই তো জনপ্রিয় হওয়া যায়, সেই ভাল কাজে কেন এত আপত্তি? মাঝে মাঝে ভাবি, রাজনীতিকদের কি সুস্থ রাজনীতি সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা আছে? ছলে বলে কৌশলে ভোটে জেতাই তো রাজনীতিকদের মূল কর্ম নয়। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িকতা, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ইত্যাদি সম্পর্কে প্রচুর জ্ঞান থাকতে হয়। এসবকে রাষ্ট্রের মূলমন্ত্র করতে হয়, এসবকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সব রকম উদ্যোগ নিতে হয়।  সবার জন্য অন্ন বস্ত্র বাসস্থান, সবার জন্য শিক্ষা আর  স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করতে হয়। দারিদ্র দূরীকরণের সব কর্মসূচী হাতে নিতে হয়। ধনী আর দরিদ্রের ব্যবধান ঘোচাতে হয়।  নারীর সমানাধিকার, মানবাধিকার, সংখ্যালঘুদের অধিকার   ইত্যাদিকে হেলাফেলা করতে হয় না। প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করতে হয়, পশু পাখিকে নিরাপদে রাখতে হয়। রাস্তা ঘাট, উঁচু উঁচু দালানকোঠা, লম্বা লম্বা ব্রিজ বানালেই মন্ত্রী মহোদয়দের দায়িত্ব শেষ হয় না। শাসকের দায়িত্ব জনগণকে অন্ধকার থেকে আলোয় আনা। কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, কূপমণ্ডুকতা, অশিক্ষা, কুশিক্ষা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস –ইত্যাদিকে কঠোর হস্তে দমন করা। মানুষের মধ্যে যুক্তিবুদ্ধির চর্চা বাড়ানোর এবং  মানুষকে বিজ্ঞানমনস্ক করার দায়িত্ব সরকারের। রাষ্ট্রক্ষমতায়  প্রতিক্রিয়াশীল মূর্খ লোকের বদলে প্রগতিশীল মুক্তচিন্তক  দরকার। কিন্তু দুঃখের বিষয়, গোটা উপমহাদেশের শাসকদের মধ্যে প্রগতিশীল চিন্তাধারার লোক অত্যন্ত  কম। সে কারণেই সমাজের প্রগতি যাঁরা চান, তাঁদের বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে প্রায়ই দেখি আইন বানাচ্ছে সরকার। বাকস্বাধীনতা না থাকলে সমাজে কোনও বিবর্তন ঘটে না। আর বিবর্তন না ঘটলে সমাজ দুর্গন্ধ জলাশয়ের মতো স্থির হয়ে থাকে। আমাদের সমাজ নিঃসন্দেহে স্থির হয়ে আছে যুগের পর যুগ।  


তারকা দিয়ে দেশ চালানো যায় না। দেশ চালানোর দায়িত্ব সৎ সুস্থ আদর্শবান রাজনীতিকদের নিতে হবে, দলে ক্রিকেটার, অভিনেতা অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পীদের টেনে আনা বন্ধ হোক। যখন নিজেরা অকেজো, অচল, অকর্মণ্য, তখনই তাঁরা তারকাদের টোপ দিতে বেরোন। যে দল যত বেশি অরাজনৈতিক তারকাকে দলের লোক হিসেবে প্রদর্শন করবে, সে দল, মনে রাখতে হবে, তত বেশি দুর্বল। জনগণ শিক্ষিত আর সচেতন হলে কোনও তারকাকে ভোট দেবে না, ভোট দেবে শিক্ষিত, অভিজ্ঞ, দূরদর্শী, বুদ্ধিদীপ্ত, সৎ রাজনীতিকদের। কিন্তু জনগণকে মূর্খ বানিয়ে রাখা ধুরন্দর রাজনীতিকদের কৌশল। অসুস্থ রাজনীতির অবসান হোক। সুস্থ রাজনীতির যাত্রা শুরু হোক। রাজনৈতিক দলগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে সুস্থ রাজনৈতিক আদর্শ দিয়ে, নিষ্ঠাবান স্বপ্নবান দেশপ্রেমিক রাজনীতিকদের দিয়ে। তারকাদের দিয়ে নয়। 


বাংলাদেশ প্রতিদিন

০৯ মে ২০২৪

ছাত্র ই বা কম কি সে???

 “ ছাত্র ই বা কম কি সে????”😃🙏


ছাত্র আর মাস্টারমশাই দু'জনেই অনেক স্মার্ট...


সুজয় পড়ে গেছিল কুমিরের রচনা আর পরীক্ষায় লিখতে দিয়েছিল গরুর রচনা । সুজয় লিখেছিল - "গরু একটি গৃহপালিত জন্তু । গরুর দুটি শিং একটি ল্যাজ চারটে পা । গরু দুধ দেয় । সেই দুধ থেকে ছানা দই মিষ্টি ইত্যাদি হয় । গরু তৃণভোজী প্রাণী । গরু ঘাস খায় । ঘাস খাওয়ার জন্য রাখালরা গরুকে মাঠে চরতে নিয়ে যায় । কিন্তু গরুকে কোন নদীর পাশের মাঠে চরতে নিয়ে যাওয়া উচিৎ না । কারন গরু চরতে চরতে নদীর ধারে চলে যেতে পারে, আর নদীতে কুমীর থাকে । কুমীর একটি হিংস্র জন্তু । গরুকে খেয়ে নিতে পারে । কুমীরের চোয়াল খুব শক্ত হয় । দাঁত খুব ধারালো । কুমীরের চারটে পা, দুটো চোখ, আর একটা লেজ কাটা কাটা কাটা কাটা ...... " -ব্যস , সুজয় ঢুকে গেল কুমীরে ।

স্মার্ট মাস্টারমশাই খাতা দেখে ভাবলেন, "বাঃ ! এতো ভারী মজা ? ব্যাটা সেই পুরনো কাসুন্দী ঘেঁটে তুলে মাস্টারকে বোকা বানাচ্ছে ? নিজেকে খুব চালাক ভাবছে না ? আচ্ছা ! আমিও দেখছি । তোকে ব্যাটা আমি শূন্য দেব না । দশের মধ্যে চার দেব । আর পরের টার্মে এমন রচনা দেব যে তোর না পড়ে পরীক্ষা দিতে আসা বেরিয়ে যাবে । রচনার বিষয়বস্তু একটা উদ্ভট দেব, দেখি ব্যাটা তুই সেখানে কুমীর ঢোকাস কি করে ? "

পরের টার্মে রচনা এল "দূর্গাপুজা" । পরীক্ষা হলে মাস্টারমশাই সুজয়কে দেখে মিটিমিটি হাসছেন । মনে মনে ভাবছেন যে "নে এবার, কি করে কুমীর আনবি আন । সিংহ আনতে পারিস, কিন্তু কুমীর এনে দেখা একবার" । কিন্তু সুজয়ও এত সহজে ছেড়ে দেবার পাত্র নয় । কুমীর সে আনবেই । সে লিখল - দূর্গাপুজা বাঙ্গালীর সবচেয়ে বড় পুজা । চারদিন ধরে পূজো চলে । সবাই নতুন জামা কাপড় পরে । সবাই খুব আনন্দ করে । গোটা বাংলাদেশ এই পূজোয় মেতে ওঠে । পূজোর চার দিন সপ্তমী অষ্টমী নবমী আর দশমী । দশমীর দিন বাঙ্গালীর খুব দুঃখ হয় কারন দশমীতে ঠাকুর ভাসান হয়ে যায় । লোকে ঠাকুর ভাসান করতে নদীতে যায় । কিন্তু ঠাকুর ভাসান সন্ধের পর করা উচিৎ নয়, কারণ নদীতে কুমীর থাকে । কুমীর একটি হিংস্র জন্তু । মানুষকে খেয়ে নিতে পারে । কুমীরের চোয়াল খুব শক্ত হয় । দাঁত খুব ধারালো । কুমীরের চারটে পা, দুটো চোখ, আর একটা লেজ কাটা কাটা কাটা কাটা ...... " -ব্যস , সুজয় আবার ঢুকে গেল কুমীরে ।

মাস্টারমশাই রেগে টং । নিজের পরাজয় এভাবে মেনে নেওয়া খুব কষ্টকর । এদিকে শূন্যও দিতে পারছেন না । আগের টার্মেই একইরকম লেখায় নাম্বার দিয়েছেন । পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে নিজেই চ্যালেঞ্জ করেছেন, সুতরাং কাউকে কিছু বলাও যাবে না । রেগেমেগে ভাবলেন পরের টার্মে এমন বিষয় দেব যে পরীক্ষা হলে বসে তোর পেটে কুমীর কামড়াবে । দেখি কি করে কুমীর ঢোকাস ।

পরের পরীক্ষায় রচনা সত্যি কঠিন এল । অন্তত সুজয়ের বিচারে তো বেশ কঠিন । মাস্টারমশাই রচনা দিয়েছেন, "পলাশীর যুদ্ধ" । পরীক্ষা হলে মাস্টারমশাই বুক ফুলিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছেন । ভাবছেন এইবার বড় জব্দ করা গেছে ব্যাটাকে । এবার আর কিছুতেই কুমীর ঢোকাতে পারবে না । সুজয় কিন্তু নির্বিকার মনে মাথা গুঁজে লিখে চলেছে । কোন হেলদোল নেই । পরীক্ষা শেষে ছাত্ররা খাতা জমা দিয়ে চলে যেতেই মাস্টারমশাই তড়িঘড়ি সুজয়ের খাতাটা টেনে নিয়ে রচনাটা পড়তে লাগলেন । খাতা দেখে মাস্টারমশায়ের চক্ষু চড়কগাছ । সুজয় লিখেছে - "পলাশীর যুদ্ধ বাংলার শেষ স্বাধীন যুদ্ধ । প্রচন্ড রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল পলাশীর প্রান্তরে । যুদ্ধ হয়েছিল নবাব সিরাজদৌল্লা আর ইংরেজের মধ্যে । সেই যুদ্ধে ইংরেজরা জিতে গিয়েছিল ফলে বাংলা তার স্বাধীনতা হারিয়েছিল । নবাব সিরাজদৌল্লাই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব । তিনি খুব বীর ছিলেন । প্রচন্ড বীরত্বের সাথে ইংরেজের সাথে লড়েছিলেন । কিন্তু তিনি একটি ভুল করেছিলেন, মীরজাফরকে সেনাপতি করে তিনি খাল কেটে কুমীর এনেছিলেন ।কুমীর একটি হিংস্র জন্তু । কুমীরের চোয়াল খুব শক্ত হয় । দাঁত খুব ধারালো । কুমীরের চারটে পা, দুটো চোখ, আর একটা লেজ কাটা কাটা কাটা কাটা ......


মাস্টারমশাই অজ্ঞান !!!


collected

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ১১-০৫-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ১১-০৫-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের ৬১তম কনভেনশন আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


প্রতিটি এলাকায় সমবায় সমিতি গঠন করে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে আওয়ামী লীগ নেতাদের তাগিদ দিলেন শেখ হাসিনা।


আন্দোলন ও নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থতার পর বিএনপি আবারও বিশৃংখলা ও সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের। 


অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ভালো - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


উদারনৈতিক বাংলাদেশ গড়তে সংস্কৃতিতে আরও বেশি প্রচেষ্টা, সময়, শ্রম ও মেধা বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


ফিলিস্তিনকে সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আহ্বান।


ঢাকায় চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে পাঁচ রানে হারালো বাংলাদেশ।

নানাকে আটকে নাতনিকে  বিয়ে করেছিলেন জসীমউদ্দীন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নানাকে আটকে নাতনিকে 

বিয়ে করেছিলেন জসীমউদ্দীন

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিউল্লাহ সাহেবের সঙ্গে এক দাওয়াতে গেলেন কবি জসীমউদ্দীন। সেখানে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়লেন নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর।

কবির বয়স যেন হুট করেই কুড়ি বছর কমে গেল। হৃদয়ে আনচান শুরু হলো। এ পর্যায়ে নানাভাবে মমতাজ বেগম নামের ওই কিশোরীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলেন তিনি। মমতাজের পিত্রালয় ফরিদপুর, কিন্তু তখন তিনি ঢাকায়, নানাবাড়ি থেকে পড়াশোনা করেন।

মমতাজের প্রেমে জসীমউদ্দীন যখন দেওয়ানা, তখন কিশোরী মেয়েটি কি তা বোঝে? অগত্যা মমতাজের নানা মৌলভি ইদ্রিস মিয়াকে নানাভাবে বশে আনার চেষ্টা চালালেন কবি। বিভিন্ন অজুহাতে ওই বাড়িতে যাতায়াত শুরু করলেন। মৌলভি সাহেব কাব্যপ্রেমী মানুষ ছিলেন। তাই তাঁর বাড়িতে কবির আনাগোনাকে স্বাভাবিকভাবেই নিলেন। এভাবে এক দিন, দুই দিন করে মমতাজের ঘর অবধি পৌঁছে গেলেন জসীমউদ্দীন এবং তাঁকে অবাক করে দিয়ে টেবিল থেকে খাতা নিয়ে লিখলেন:

‘আমারে করিও ক্ষমা

সুন্দরী অনুপমা

তোমার শান্ত নিভৃত আলয়ে

হয়তো তোমার খেলার বাসরে

অপরাধ রবে জমা

আমারে করিও ক্ষমা।’

মমতাজ এবার কবির আকুতি বুঝতে পারলেন। নিজের অজান্তেই তাঁর প্রেমে ডুবে গেলেন। এ প্রসঙ্গে নিজের স্মৃতিকথায় বেগম মমতাজ লিখেছেন, ‘ভদ্রলোক তো আমারে দেখার পর নানা দিক থেইকা আমার নানাভাইকে হাত করার জন্য লাইগা গেল। অনেককে দিয়া সুপারিশ করতে লাগল। ওই যে আমারে দেখল, আমার রূপ তার মনে ধইরা নিল। কবি তো!’

কিছুদিন যেতে না যেতেই নানা মৌলভি ইদ্রিসের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেন জসীমউদ্দীন। এরপর মৌলভি সাহেব যখন বুঝলেন এ বিয়েতে তাঁর নাতনিও রাজি, সে সময় তাঁর রাজি না হওয়ার তো কোনো কারণই নেই, মিয়া-বিবি রাজি তো কিয়া করেগা কাজি।

কিন্তু বাদ সাধলেন মমতাজের বাবা মোহসেনউদ্দিন। তিনি কিছুতেই এই ভবঘুরে কবির কাছে মেয়েকে বিয়ে দেবেন না। একে তো তাঁর বয়স বেশি, তার ওপর চেহারাও কৃষ্ণবর্ণ। এ অবস্থায় দীর্ঘ এক চিঠি লিখলেন তিনি মৌলভি ইদ্রিসের কাছে, ‘আপনি কি পাগল হইয়া গেলেন! এই লোকটা (জসীমউদ্দীন) পাগল। চরে ঘুরে বেড়ায়। গান গেয়ে বেড়ায়। ভাবের গান, আধ্যাত্মিক গান, মুর্শিদি গান। গানের মজলিশে সারা রাত কান্নাকাটি করে মাটিতে গড়াগড়ি খায়। এই রকম ছেলের সাথে বিয়া দেবেন? তার চাইতে নাতিনকে পদ্মায় ফালাইয়া দেন।’

চিঠি পাওয়ার পর উভয়সংকটে পড়লেন ইদ্রিস সাহেব। তাঁর নিজেরও কবিকে খুব পছন্দ হয়েছিল। তা ছাড়া পাত্র তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষকও বটে।

অতঃপর পাত্র সম্বন্ধে খোঁজখবর নিতে বের হলেন ইদ্রিস সাহেব। কিন্তু নিউমার্কেট এলাকায় কবির মেসের সামনে গিয়ে ‘ধরা’ খেয়ে গেলেন তিনি, তাঁকে ঘরে নিয়ে গিয়ে খুব আপ্যায়ন করলেন জসীম। পরে বললেন, ‘আমার কাছে নাতিন বিয়া দিবেন কি না, কথা দিয়া যাইতে হইব। নইলে আইজকা আপনাকে ছাড়ুম না।’ একবেলা আটক থাকার পর নাতনি বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মুক্তি মিলল মৌলভি ইদ্রিসের।

ছাড়া পেয়ে বিয়ের বন্দোবস্ত শুরু করলেন ইদ্রিস সাহেব, ১৯৩৯ সালে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হলো জসীমউদ্দীন ও বেগম মমতাজের বিয়ে। রবীন্দ্রনাথসহ সব বড় সাহিত্যিকই সেই বিয়েতে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছিলেন।


সূত্র: শতবর্ষে জসীমউদ্দীন বইয়ে প্রকাশিত বেগম মমতাজ জসীমউদ্দীনের লেখা ‘আমার কবি’

গ্রন্থনা: বাশিরুল আমিন


////////// আরও খবর পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ///////////////////

রম্যগল্পঃ বিল্লুরবিচার

 মাছ চুরি করার অপরাধে বিল্লুর বিরুদ্ধে কেস বাদীর জেরা-


১।  আপনি কি বিল্লুকে আপনার ঝাপি থেকে  মাছ নিয়ে যেতে দেখছেন? 


- জ্বী। 


২। দেখার পরেও আপনি চুপ করে বসেছিলেন? 


- না। 


৩। বিল্লুকে তাড়া করেছিলেন?


- জ্বী। 


৪। ধরতে পারেননি?


- না। 


৫। বিল্লু আপনার চেয়ে বুদ্ধিমান এবং বেশি দৌঁড়াতে পারে। 


- সত্য নয়।


৬।  বিল্লুকে তাড়া দেওয়ার সময়ে অন্য কেউ দেখেছে? 


- মনে পড়ছে না।


৭। আপনাকে বিল্লুকে তাড়া করতে  দেখেছে এরকম কোনো সাক্ষী আছে আপনার কাছে?


- না। 


৮। আপনি বিল্লুকে মাছ চুরি করতে দেখেননি। তাড়াও করেননি।

 

-- সত্য নয়। 


৯। বিল্লু কী মাছ  নিয়েছিল? 


-- রুই মাছ। 


১০। বাজারে আপনি একাই কি রুই মাছ বিক্রি করেন? 


- না। 


১১। আরও অনেকে রুই মাছ বিক্রি করে? 


- হ্যাঁ। 


১২। অন্যদের মাছের চেয়ে আপনার মাছের চেহারা সাইজ আলাদা?  অন্যদের মাছের সাথে মেলালে আপনার দোকানের মাছ আলাদা করা যায়? 


- না। 


১৩।  বিল্লুর কাছের যে রুইমাছ এরকম মাছ আপনি ছাড়াও আরও অনেকে বিক্রি করে?


- হ্যাঁ। 


১৪। বিল্লুর কাছের পাওয়া মাছটা আপনার দোকানের কিনা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছাড়া  তা যাচাই করার আর কোনো উপায় আছে? 


- না। 


১৫। বিল্লুকে মাছ নিয়ে যেতে আপনি ছাড়া আর কেউ দেখেছে এরকম কোনো সাক্ষী কি আপনি কোর্টে উপস্থাপন করেছেন? 


- না। 


পর্যাপ্ত সাক্ষ্য  প্রমাণের অভাবে বিল্লুর বিরুদ্ধে চুরির  অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিল্লুকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। 


রম্যগল্পঃবিল্লুর_বিচার 

Unknown_Writer 


মজার সব গল্প পেতে ফলো দিয়ে রাখুন।

শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ১০-০৫-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ১০-০৫-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্ত - আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশবাসী গণতন্ত্রের স্বাদ পায় - সংসদে সমাপনী ভাষণে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


একনেক সভায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন - সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা ও কোম্পানীগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিলেন শেখ হাসিনা। 


অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামত দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে যাতে জনদুর্ভোগ সুষ্টি করতে না পারে সে দিকে নজরদারি জোরদারের তাগিদ দিলেন রাষ্ট্রপতি।


চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু - উদ্বোধনী দিনে ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে গেলেন ৮২৫ হজযাত্রী।


৪৬-তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ।চট্টগ্রামে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এক পাইলট নিহত - প্রধানমন্ত্রীর শোক।


চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা - আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।


আজ মিরপুরে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪

বই  কেন পড়বেন? বই পড়লে কি হয় আর না পড়লে কি হয়?

 বই কেন পড়বেন? বই পড়লে কি হয় আর না পড়লে কি হয়?


বই পড়ার ১০টি কারণ যা বই সম্পর্কে আপনার ধারণা বদলে দিবে -


১। মানসিক ব্যায়ামঃ

শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন ব্যায়াম এর বিকল্প নেই তেমনি একইভাবে, আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে মানসিক ব্যায়াম জরুরি। মানসিক ব্যায়াম না করার ফলে আমাদের চিন্তাশক্তি লোপ পায়।

ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের এই ক্ষমতা নষ্ট হতে থাকে। ব্যবহার না করলে এই ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। বই পড়া মানসিক ব্যায়াম এর একটি বড় মাধ্যম। আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখার জন্য নিয়মিত বই পড়া জরুরি।


২। মানসিক চাপ কমানোঃ

আপনি ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, একাডেমিক কিংবা চাকরিজীবনে যতই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, এই সকল চাপকে আপনি পাশে সরিয়ে রাখতে পারেন যখন আপনি একটি ভালো বইয়ের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে ফেলেন।

একটি ভালো বই আপনার দুশ্চিন্তা ও অবসাদ্গুলোকে পাশে সরিয়ে আপনাকে একটি অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যেতে পারবে, যার মাধ্যমে আপনি মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।


৩। জ্ঞানঃ

বই পড়লে জ্ঞান বাড়বে - একথা বলাই বাহুল্য। নতুন নতুন তথ্য যা অব্যশই কোন না কোনো দিন আপনার দরকারে আসবে। আপনার জ্ঞানের ভান্ডার যত সমৃদ্ধ হবে, আপনার জীবনের বাধা বিপত্তি গুলো অতিক্রমে আপনি ততটাই শক্তিশালী হবেন।

একটি কথা আমরা সবাই জানি - আপনার চাকরি/ব্যবসায়, আপনার সম্পত্তি, আপনার অর্থবিত্ত, আপনার স্বাস্থ্য - সবই হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনার অর্জিত জ্ঞান সবসময়ই আপনার সাথে থাকবে।


৪। শব্দভান্ডার বৃদ্ধিঃ

আপনি যত পড়বেন, তত নতুন নতুন শব্দ শিখবেন। আর এতেই আপনার শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। পারস্পরিক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ আমাদের শিক্ষাজীবন, ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কর্মজীবনে তো সুন্দর ভাষা বা ভালো যোগাযোগ দক্ষতার জন্য অনেকে বেশ সমাদৃত হন।

এই দক্ষতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সব থেকে সাহায্য করবে, 'বই পড়া'। নতুন শব্দ, এর অর্থ ও প্রয়োগ আপনাকে অনেকের মধ্যে আলাদা করে তুলতে পারে।


৫। স্মৃতিশক্তির উন্নতিঃ

তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি আমরা কে না চাই! প্রায়ই আমরা বলে থাকি, স্মৃতিশক্তি কমে যাচ্ছে, অনেক কিছু মনে থাকে না। আবার ভালো স্মৃতিশক্তির মানুষকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি।

আপনি যখন একটি বই পড়েন, আপনাকে বইয়ের চরিত্র ও তাদের ভূমিকা, তাদের পটভূমি, তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাদের ইতিহাস, সূক্ষ্মতা স্মরণে রাখতে হয়।

আর মজার ব্যাপার হলো, আপনি যখনই আপনার মস্তিষ্কে নতুন একটি স্মৃতি দেন, তা একটি নতুন পথ তৈরি করে আপনার ব্রেইনে এবং আগের স্মৃতিগুলোকেও শক্তিশালী করে তোলে।


৬। চিন্তাশক্তি দক্ষতা শক্তিশালীঃ

দিন দিন একটি শব্দ অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, Critical Thinking বা জটিল চিন্তাশক্তি। কর্ম বা ব্যক্তিজীবনে এই দক্ষতার কদর বেড়েই চলেছে। আমরা বই পড়ার সময় প্রায়ই জটিল কিছু ঘটনার কথা পড়ি, যেগুলো নিয়ে আমরা সচেতন বা অবচেতনভাবে চিন্তা করি। ঘটনাগুলোকে ধাপে ধাপে সাঁজাতে চেষ্টা করি, সমাধান করার চেষ্টা করি।

অনেক পাঠক তো রীতিমত কাগজ কলম নিয়ে বসে যায় রহস্য গল্প সমাধান করার জন্য। এছাড়াও বই গুলো নিয়ে আমরা অনেকের সাথে আলাপ করি, আমাদের চিন্তা, লেখকের চিন্তা ব্যক্ত করার চেষ্টা করি।

এইসবই কিন্তু আমাদের চিন্তাশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই দক্ষতাকে শক্তিশালী করে তোলে।


৭। একাগ্রতা বৃদ্ধিঃ

আপনি কি খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে একসময় আমরা দীর্ঘ বা বড় ভিডিও দেখতাম, কিন্তু সেখান থেকে আমরা ছোট্ট রিলসে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি? আমরা সারাদিন ফেসবুক ব্যবহার করি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই দিন শেষে বলতে পারবে না, আজকে ফেসবুকে কি কি বিষয় আমরা দেখেছে? শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি, প্রযুক্তি আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে।

আর আমাদের কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়ে গেছে একাগ্রতার মত গুন। যেকোনো কাজে একাগ্রতা অত্যাবশক একটি ব্যাপার। একাগ্রতা দিয়ে অনেক বড় বড় কাজ অতীতে হয়েছে। যা দিন দিন আমাদের থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

যখন আমরা বই পড়ি, তখন আমরা অন্যসব কিছু থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে পারি, একাগ্রভাবে গল্পের বা বইয়ের মধ্যে ডুবে যেতে পারি। যা আমাদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্যাপকভাবে।


৮। ভালো লেখার দক্ষতাঃ

পড়া এবং লেখা একে অপরের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। পড়ার মাধ্যমে আমাদের ভাষা ও শব্দের জ্ঞান বাড়ে আর এই জ্ঞান আমাদের লেখনীশক্তিকে বৃদ্ধি করে। এই জন্যই বলে, লেখক হতে গেলে আগে অনেক অনেক পড়তে হবে, এরপর লিখতে হবে।


৯। প্রশান্তিঃ

বর্তমান সময়ে বই পড়ার সবথেকে বড় উপকার যদি চিন্তা করেন, বই পড়ার কারণে আমরা যে মানসিক প্রশান্তি পাই, সেটাই অনেক বড়। বই পড়ার সময়ে আমরা হয়তো ডিজিটাল ডিভাইসের পিছনে সময় নষ্ট করতাম, সেটা না করে আমরা যে ভালো কিছু পড়েছি, কিছু শিখেছি, এই চিন্তা এই প্রশান্তির কি অমূল্য নয়?


১০। বিনোদনঃ

বই পড়ে উপরের সবগুলো উপকার তো আমরা পাচ্ছিই, পাশাপাশি এটা আমাদের একটা বিনোদনের মাধ্যম। সবথেকে সস্তা কিন্তু কার্যকরী মাধ্যম। একটি ভাল গল্প, প্রবন্ধ বা উপন্যাস আমাদের মনকে বিনোদিত করে আর এটা বিনোদনের সর্বোত্তম পথ। নির্মল ও শান্তিময় বিনোদন হলো - বই পড়া।


বিঃদ্রঃ অনূদিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীদের তালিকা,,,,,,,,,

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীদের তালিকাঃ

যারা দেশ বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন।


(ছবিঃ সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ)

→অমর পাল — লোক সংগীতশিল্পী ও লেখক।

→আফতাবউদ্দিন খাঁ — গীতিকার, সুরকার, গায়ক ও বংশীবাদক।

→আবেদ হোসেন খান — উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক ও সুরকার।

→আলাউদ্দিন খাঁ — বিশ্বখ্যাত শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

→আলী আকবর খাঁ — শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

→আয়েত আলী খাঁ — শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

→কিরীট খান — শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

→খাদেম হোসেন খান — সঙ্গীতজ্ঞ

→খুরশিদ খান — সঙ্গীতজ্ঞ

→ফুলঝুরি খান — যন্ত্রসঙ্গীত ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী

→বাহাদুর হোসেন খান — উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সরোদ বাদক

→মনমোহন দত্ত — মলয়া সংগীতের জনক, মরমী সাধক, বাউল

→গিরীন চক্রবর্তী - সঙ্গীতশিল্পী

→মীর কাশেম খান — সেতারবাদক, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক

→মোবারক হোসেন খান — সংগীতশিল্পী।

→মোহাম্মদ হোসেন খসরু — সঙ্গীতজ্ঞ

→রিনাত ফৌজিয়া — সেতার বাদক

→শাহাদাত হোসেন খান — উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সরোদ বাদক ও সুরকার

→শেখ সাদী খান — সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার

→সুবল দাস — সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার

→সৈয়দ আব্দুল হাদী — সংগীতশিল্পী।

সুড়ঙ্গ,,,,,

 সুড়ঙ্গ


নাভীর ছয় ইঞ্চি নিচে এক আজব সুড়ঙ্গ রয়েছে,

সেই সুড়ঙ্গের অতল দেশে, কত দেশ-মহাদেশ 

নিরুদ্দেশ হয়েছে।

নারী দেহ এক মহাকাল, কত যুগ- কত কাল

সেই মহাকালের অতলে তলিয়েছে।


সুড়ঙ্গের গায়ে নিপুন খাঁজকাটা, 

আছে দিব্য অনলের আঁচ,

গায়ে তার আদিমতার শাণিত ধাঁচ। 

তারই মাঝে আদিম ঝর্ণা,

সেই ঝর্ণার জলে

মনুর জন্ম রহস্য আছে লিখা।


সুড়ঙ্গের

গায়ে এক অচিন তালা আঁটা,

খুলে না তালা নর চাবি ছাড়া।

কোন সে অচিন মুন্সী সেই তালার চাবি বানিয়েছে,

চাবি নিয়ে চাবি ওয়ালা থেকে থেকে দিচ্ছে ধোঁকা।

চাবির চূড়ায় আদিম ফুয়ারা,

সেই ফুয়ারা করে শীতল তপ্ত সুড়ঙ্গ, 

তাতেই সৃষ্ট এই আদি মানব রহস্য। 

সুড়ঙ্গের কাঙাল এই দুনিয়া

সুড়ঙ্গ রসে হয়ে মাতাল,হয়েছে বোকা।


সুড়ঙ্গের অতল গহব্বরে এক সুধার ফোয়ারা রয়েছে,

সেই সুধারই সন্ধানে, কত আউল-বাউল ঘর ছেড়েছে।

সুড়ঙ্গের গায়ে আজব নকশা কাটা,

সেই নকশাতেই নর চাবি পড়েছে বাঁধা।

জগৎ শ্রেষ্ঠ  শিল্পী তাঁর তুলিতে সুড়ঙ্গ  রহস্য গড়েছে,

তাইতো এই জগৎ নোনা মদে, মাতাল হয়েছে।

সুড়ঙ্গ এক চোরাবালি, 

যে দিয়েছে পা, মাতাল হয়ে ভুলেছে দুনিয়াবি। 

সুড়ঙ্গে কত জন-মহাজন কূল-মান খুইয়েছে,

কত রাজা, প্রজা হয়ে সুড়ঙ্গের দুয়ারে

মাথা নুইয়েছে।

সুড়ঙ্গের সন্ধানে কত দেব, কত ঋষি পথ-ভ্রষ্ট হয়েছে।


এই দুনিয়ায় আজব এক সুড়ঙ্গ রয়েছে,

সেই সুড়ঙ্গের জোরে এই সৃষ্টি-খেলা নিত্য চলেছে।


সোমা ঘোষ মণিকা


পেজটিতে ফলো দিয়ে রাখুন...

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

মানুষের কোনভাবেই  শিকড়কে ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

 "মানুষের কোনভাবেই  শিকড়কে ভুলে যাওয়া উচিত নয়।"    ড. মুহাম্মদ খানী বলছেন - একদিন আমি আমার গাড়িতে বসে ছিলাম, হঠাৎ প্রায় ষোল বছর বয়সী এক কিশোর এসে আমাকে বলল, স্যার আমি কি আপনার গাড়ির সামনের  গ্লাসগুলো পরিস্কার করে দিতে পারি?

আমি বললাম - হ্যাঁ।


সে যত্ন করে গ্লাস পরিষ্কার করে দিলে আমি তার হাতে ২০ ডলার গুঁজে দিলাম।ছেলেটি খানিক অবাক হয়ে বলল, আপনি কি আমেরিকায় থাকেন?আমি বললাম - হ্যাঁ। কেন?

সে বলল, আমি কি এই ২০ ডলারের বদলে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে কিছু কথা জানতে পারি?

আমি তার বিনয় ও লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে কাছে ডেকে নিয়ে আলাপ শুরু করে দিলাম। 


আলাপের শেষ দিকে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম - তুমি এভাবে রাস্তায় গাড়ি পরিস্কারের কাজ করে বেড়াচ্ছ কেন , তুমি তো একজন মেধাবী ছাত্র?


উত্তরে সে বলল, আমার দু বছর বয়সেই আমার বাবা মারা যান। আমার মা মানুষের বাসায় কাজ করেন। আমি এবং আমার ছোট বোন বাইরে টুকটাক কাজ করে বেড়াই বাড়তি কিছু রোজগারের আশায় যা দিয়ে আমাদের লেখাপড়ার খরচ চলে। আমি শুনেছি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নাকি মেধাবী ছাত্রদের উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য স্কলারশিপ দেয়। আমার খুব ইচ্ছা সেখানে পড়ার।কিন্তু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মত তো কেউ নেই।


আমি বললাম - চলো, আগে আমরা একসাথে ডিনার করি।

সে বলল, একটি শর্তে আপনার দাওয়াত কবুল করতে পারি। আর তা হল বিনিময়ে আমি আপনার গাড়ির পেছনের গ্লাসগুলোও পরিষ্কার করে দেব।


আমি কথা না বাড়িয়ে তা মেনে নিয়ে হোটেলে ঢুকলাম।খাবার অর্ডার করলে সে ওয়েটারকে বলল তারগুলো পার্সেল করে দিতে। সে বাসায় গিয়ে তার মা আর বোনকে নিয়ে খাবে। খেয়াল করলাম তার ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অসামান্য। 


বিদায় বেলায় সিদ্ধান্ত হল সে তার কাগজপত্রগুলো আমাকে দিবে, আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব। 

এভাবে দীর্ঘ ছয়মাস পর আমি তাকে আমেরিকা এনে ভালো একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে সক্ষম হলাম।

সে তার তার মেধা ও অধ্যবসায়ের জোরে কয়েক বছরের মধ্যেই আধুনিক টেকনোলজির কনিষ্ঠ টেক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। নিউইয়র্ক টাইমসের পাতায় তাকে নিয়ে লিড নিউজ হলে সারা বিশ্বে হইচই পড়ে যায়।


তার ঈর্ষনীয় সফলতায় আমি ও আমার পরিবার যারপরনাই আনন্দিত হই। এদিকে তাকে না জানিয়ে তার মা ও বোনের ভিসা ব্যবস্থা করে আচমকা তার সামনে আমেরিকায় নিয়ে এসে তাকে বড়সড় সারপ্রাইজ দিয়ে চমকে দেই। তাদের দেখে সে বোবা বনে যায়। এমনকি কাঁদতে পর্যন্ত ভুলে যায়।


এখন সে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষকদের একজন।


তারও কিছুদিন পর আমি একদিন বাসা থেকে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই। দেখি সে বাইরে দাঁড়িয়ে আমার গাড়ির গ্লাসগুলো পরিষ্কার করছে!চটজলদি দৌড় গিয়ে তাকে বাধা দিয়ে বলি - এগুলো কি করছো?সে অশ্রুসজল চোখে বলল, ছাড়ুন স্যার! আমাকে আমার কাজ করতে দিন। যেন আমি আমার পরিচয় ভুলে না যাই। আমি মনে রাখতে চাই আমি কি ছিলাম আর আজ কি হলাম। এবং আপনি আমার জন্য কী করেছেন!


এই সেই ফিলিস্তিনি যুবক ফরিদ আব্দুল আলী। যিনি বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসিদ্ধ তরুণ প্রফেসর  :) 🫡🫡


সংগৃহীত

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...