এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

সৌদি আরবে লাভা টিউবে ১০ হাজার বছরের মানুষ বসত 

 সৌদি আরবে লাভা টিউবে

১০ হাজার বছরের মানুষ বসত 

**********************

আগ্নেয়গিরির লাভা সমতলে এগোবার সময় বাইরের দিকটি ঠান্ডা ও কঠিন হবার পর  ভেতরের লাভা বয়ে বের হয়ে গেলে ওখানে  সুড়ঙ্গের মতো গুহা রেখে যেতে  পারে। একেই বলা হয় লাভা টিউব।  সাধারণভাবে এমন কোনো কোনো লাভা টিউব যে প্রাচীন মানুষের আশ্রয় হয়েছে , তার প্রমাণ মিলেছে।   সম্প্রতি সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিম  অঞ্চলে উম জিরসান  এলাকায়  মরুর মধ্যে এমনি একটি লাভা টিউবে ১০ হাজার বছর ধরে দফায় দফায় মানুষ বাসের বিস্তারিত প্রমাণ তো মিলেছেই , ওই নানা সময়ে এই এলাকার পরিবেশ নিয়েও জানা গেছে।  বাইরে খাঁ খাঁ রোদের  মরুতে প্রাচীন  জীবনের কোনো চিহ্ন না টিকলেও লাভা টিউবের ভেতর ঠান্ডা ও সুরক্ষিত পরিবেশে তার অভাব  ছিলোনা। আবিষ্কারটি প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান জার্নালের এবছরের এপ্রিল সংখ্যায় ম্যাথু স্টুয়ার্ট প্রমুখের নিবন্ধে। উম জিরসানের লাভা টিউবটি প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা , সব থেকে চওড়া জায়গায় ৪৫ মিটার প্রশস্ত , আর স্থান  বিশেষে ৮-১২ মিটার উঁচু।  মাঝে দুটি জায়গায় ধস থাকায় এটি তিন টুকরায় বিভক্ত ,  এছাড়া দুই প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ সম্ভব। ভেতরে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ আর খননে বিভিন্ন স্তর থেকে  পাওয়া গেছে মানুষ ও প্রাণী  হাড়ের ফসিল , পাথর দিয়ে তৈরি নানা  হাতিয়ার, আর গুহার শিলায়  প্রাচীন মানুষের খোদাই করা ছবি। হাড়গুলোর  বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের একটি  ছিল আইসোটোপিক বিশ্লেষণ। কোনো জিনিসে এটমগুলো একাধিক নানা আইসোটোপের রূপে থাকতে  পারে , নিউট্রন কণিকার সংখ্যায় প্রভেদ অনুযায়ী। এতে একই এটমের  বিভিন্ন আইসোটোপ কী অনুপাতে আছে তার সঙ্গে এর জীবৎকালের পরিবেশের সম্পর্ক আছে বলে এই অনুপাত থেকে সেই প্রাচীন পরিবেশের খবর আমরা পাই। ওভাবে উদ্ভিদভোজী প্রাণীর হাড়ের আইসোটোপ অনুপাত  থেকে বোঝা যাচ্ছে তারা   তাজা ঘাস আর গুল্ম খেয়ে বড় হয়েছে। সাত হাজার বছরের মতো  আগের দিকের  মানুষের হাড়ে এই অনুপাত সে সময় প্রচুর   মাংস-নির্ভর   খাদ্য প্রমাণ করছে -তা  পোষা পশু চারণের জীবিকার  আলামতও দিচ্ছে । অর্থাৎ বন্য পশুকে গৃহপালিত করার কৃষি-কৌশলটি ইতিমধ্যেই এই অঞ্চলে এসে গিয়েছিলো, অথবা অন্য জায়গা থেকে গৃহপালিত পশু আনা  হয়েছিল। । আরো কয়েক হাজার বছর পরের মানুষের হাড়ে আইসোটোপ অনুপাত দেখাচ্ছে মানুষের খাবারে খেজুর, ডুমুর, ও গম যোগ হয়েছে। এতে  এ সময় মরুদ্যান- নির্ভর চাষের কৃষি এখানে চালু হয়ে গেছে এমন সাক্ষ্যই মেলে। ফসিল হাড় ও অন্যান্য জিনিসগুলোর বয়স নির্ণয় করা হয়েছে খুব সুক্ষ সব বৈজ্ঞানিক উপায়ে।  কার্বন ডেটিং এবং অপ্টিক্যালি স্টিমুলেটেড লুমিনেসেন্স পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে যেটি প্রযোজ্য। সাত হাজার আগের থেকে  মানুষের হাড় পাওয়া  গেছে - খুব সম্ভব বন্য হায়েনা ইত্যাদি এসে কবর ওলোটপালোট করার কারণে। পাথরের হাতিয়ার অবশ্য ১০ হাজার বছর আগে থেকেই পাওয়া গেছে। শিলার ওপরে আঁকা  ছবিগুলোতে মানুষ এবং পোষা ভেড়া ,ছাগল, কুকুর, ও গরুর ছবিই প্রায় সব. বেশ   সরলীকৃত করে আঁকা হলেও গরুর  সোজা সামনের দিকে  লম্বা শিং , ভেড়ার অনেকখানি ঘোরানো বাঁকা শিং ইত্যাদি অতিরঞ্জনের স্টাইলের মধ্য দিয়ে পশুর জাতগুলো ধরা পড়ছে। বিভিন্ন  কালের হলেও মনে হচ্ছে একই রকম অবসিডিয়ান পাথরের ধারালো সরু অস্ত্র দিয়ে শিলার ওপর রেখা খোদাই করে ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে-  বার্নিশ করা কালচে শিলার পিঠে কিছু রঙিন রেখা। ''' মানুষের পায়ের আওয়াজ'' বইটি দুনিয়ার নানা জায়গার নানা প্রত্ন-স্থানে আবিষ্কৃত প্রাগৈতিহাসিক  মানুষের জীবনের এমনি উদ্ঘাটনগুলো সামনে এনেছে তাদের নানা গল্পে। নিচের পেইজ নাম সার্চ করে আমার লেখক পেইজে গিয়ে বইটি সেখানেই পড়তে বা অর্ডার করতে পারবেন। পেইজটি ফলো করে,  পোস্টটি লাইক শেয়ার মন্তব্য করে  যোগ দিলে খুশি হবো।  



ছোট ছোট টিলার বুক চিরে তৈরী করা ইরানের আশ্চর্য গ্রাম,কান্দোভান " The Laleh Kandovan 

 " ছোট ছোট টিলার বুক চিরে তৈরী করা ইরানের আশ্চর্য গ্রাম,কান্দোভান " The Laleh Kandovan 


**********************************************


পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন দেশের মধ্যে এমনই কিছু গ্রাম রয়েছে যা সত্যিই বেশ অদ্ভুত। কোনোটা প্রাকৃতিক কারণে এবং কোনটা মনুষ্য সৃষ্ট কারণে সেই গ্রামগুলি অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে। এরকমই আরও একটি গ্রামের অজানা তথ্য শেয়ার করব আপনাদের সঙ্গে।


 কান্দোভান গ্রাম, ইরান ::--


প্রথমবার এই গ্রাম দেখার পর আপনি অবাক হবেন এটা এক রকম নিশ্চিত। চারিদিকে জমাট বাধা পাথরের স্থাপত্য গুলি দেখলে মনে হবে পাথররা আপনাকে বলছে শক্ত নিরেট প্রস্তর শহরে আপনাকে স্বাগত।


ইরানের পূর্ব আজারবাইজানের ওস্কু উপশহরের একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবহুল ও ঐতিহাসিক গ্রামের নাম কান্দোভান। তাব্রিজ শহর থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওস্কু শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সাহান্দ পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটি।


সাহান্দ পর্বতের চমৎকার আবহাওয়া এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গ্রামটির শোভা আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বের প্রস্তরময় বা পাথুরে গুহাময় তিনটি বিখ্যাত গ্রামের একটি হলো কান্দোভান। এ বিষয়টি কান্দোভানকে নজিরবিহীন সৌন্দর্যে ভূষিত করেছে। কান্দোভনের আরেকটি ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য হলো এখানে মানুষজন ভালোভাবেই বসবাস করে অর্থাৎ এখানে জীবনের সকল আয়োজন রয়েছে।


ইরানের কান্দোভন পল্লীতে জীবনের সাড়া আছে সেই বহুকাল আগে থেকেই। পৃথিবী বিখ্যাত পুরাতাত্ত্বিকগণ এই গ্রামটিকে ইসলাম-পূর্ব যুগ থেকেই মানব বাস উপযোগী ছিল বলে মনে করেন। এখানে রয়েছে বড় বড় টিলা। এসব টিলার কোনো কোনোটির উচ্চতা চল্লিশ মিটারের মতো। 


এইসব সুউচ্চ টিলাগুলির বুক চিরে তৈরি করা হয়েছে বসতবাড়ি ,গোয়ালঘর, গুদাম এবং ছোটো ছোটো কামরা। আক্ষরিক অর্থে দেখতে খুবই সুন্দর এগুলো। আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পর্যটকগণ এই গ্রামটির পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে এটিকে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলোর তালিকাভুক্ত করেছেন।


কান্দোভানের গ্রামে মসজিদ, হাম্মাম, মাদ্রাসা, যাঁতাকলসহ সকল প্রয়োজনীয় সুবিধাদি রয়েছে। যে গুহাটিতে মসজিদ আছে ওই গুহাটি এখানকার সবচেয়ে বড় গুহা বা গহ্বর। প্রতিদিন প্রায় নিয়ম করে পাঁচবার নামাজ সম্পন্ন হয় এই মসজিদে।


কান্দোভান গ্রামে ইরানের শীতপ্রধান অন্যান্য পার্বত্য এলাকাগুলোর মতো কোথাও কোথাও মূল কক্ষেও ইরানের বিখ্যাত তন্দুর রুটি তৈরির চুল্লি রয়েছে। তবে কান্দোভানের অধিকাংশ পরিবার সাধারণত ঘরের বাইরেই তন্দুর তৈরির চুল্লি ব্যবহার করেন।


কান্দোভানের উপত্যকাগুলো বিশেষ করে উত্তর এবং দক্ষিণের শ্যামল উপত্যকাগুলো ইরানের পার্বত্য অঞ্চলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো আবহাওয়াময় অঞ্চল। এ উপত্যকায় মোটামুটি বড় একটা নদী এবং অনেকগুলো ঝর্ণাধারা বর্তমানে বহমান। 


এই ঝর্ণাগুলো এই অঞ্চলে বসবাসকারী অধিবাসীদের বিশুদ্ধ জলের প্রধান উৎস। কান্দোভানের ঝর্নার খনিজ জলের কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা মনে করেন কিডনির পাথর দূর করার ক্ষেত্রে এই ঝর্ণার জল খুবই কার্যকর। কান্দোভানের আশেপাশের উপত্যকাগুলো পশুপালনের জন্যে খুবই উপযোগী। এই অঞ্চলের বেশ কিছু অধিবাসীদের অন্যতম উপজীবিকা এই পশুপালন।


উন্নত পৌষ্টিক গুনসম্পন্ন মধু এবং দুগ্ধজাত পণ্যাদির জন্যে কান্দোভানের রয়েছে বিশ্বজোড়া সুনাম। এখানকার স্থাপত্যগুলোও অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এটি বর্তমানে ইরানের একটি অন্যতম বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। দূর দূরান্তের পর্যটকরা ইরান ভ্রমণে এলে অবশ্যই এই স্থানটিকে রাখেন তাদের পর্যটনের তালিকায়। ইরানের জাতীয় ঐতিহ্যের তালিকায় কান্দোভানের নাম বহু আগেই স্থান পেয়েছে।


 এই কান্দোভানের সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, পাথরে ঘেরা এই ছোট্ট গ্রামটিতে রয়েছে " The Laleh Kandovan "  নামে পাথরের তৈরি একটি আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারা হোটেল। যে হোটেলটিতে ইরানে আগত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কর্মীরা এবং এই স্থানে আগত বিভিন্ন উচ্চপদস্থ অফিসাররা বসবাস করে থাকেন।

#জ্ঞান৷ 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যখন রিকশা চালক (গর্বিত শিক্ষার্থী)

 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যখন রিকশা চালক (গর্বিত শিক্ষার্থী)


"রাজশাহীতে প্রাইভেট টিউশনিতে পয়সা কম, তাই প্রতিমাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় এসে রিকশা চালাই।" রিকশার প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে খুব সহজেই এ কথাগুলো বললেন মো. মনিরুজ্জামান।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত এই শিক্ষার্থী প্রায় ১০ বছর ধরে এভাবেই নিজের ও ছোট দুই বোনের পড়াশেনার খরচ যোগাড় করছেন। গত মাসের শেষ সপ্তাহে মগবাজার থেকে পরিবাগ যাওয়ার পথে তিনি আরোহী প্রতিবেদককে জীবন যুদ্ধের এই গল্প শোনান।


মনির জানান, রাজশাহীতে নবম-দশম বা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র- ছাত্রী প্রাইভেট পড়ালেও মাসে দুইশ-পাঁচশো টাকার বেশি পাওয়া যায় না। অথচ ঢাকায় প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে তিনি প্রায় হাজার টাকা আয় করেন। মনির বলেন, ‘এক্ষেত্রে শারীরিক পরিশ্রমটা একটু বেশিই হয়। কিন্তু সৎ পথে থেকে কম সময়ে এত টাকা আয় করার অন্য কোনো উপায় আমি পাইনি।’ এরপরও মনিরের আক্ষেপ যে তিনি শুধু টাকার অভাবে বোনদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনার্স’ পড়াতে পারেননি। বাধ্য হয়ে এখন তারা বাড়ির পাশের কলেজে ‘ডিগ্রি’ পড়ছেন।


এসএসসি পাশ করার পরই মনির প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় রিকশা চালানো শুরু করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি শুধু মিরপুর এক নম্বরের তাইজুল মিয়ার গ্যারেজের রিকশাই চালান এবং ওই গ্যারেজেই থাকেন।

মনির বলেন, "এই কাজটি কখনোই আমার খারাপ লাগেনি। কাজ তো কাজই। আমি তো আর চুরি-ছিনতাই করছি না।"


কয়েক বছর আগে মাস তিনেকের জন্য চাকরিও করেছিলেন মনির। কিন্তু পরীক্ষার আগে ছুটি না পাওয়ায় তিনি সেটি ছেড়ে দেন। মনির আরো জানান, এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে মাস্টার্স শেষ হওয়ার পর তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নেবেন।


তুমি এই নষ্ট সমাজের একজন আদর্শ শিক্ষার্থী। জীবনে সফলতার চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করো এই কামনা করি।


সকল তথ্য পেতে দেখুন:-

 www.eduicon.com

২০১৪ ইং

নিজ  পারিবারিক চাহিদায় স্বয়ংসম্পূর্ন আনতে যেভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারেঃ

 নিজ পারিবারিক চাহিদায় স্বয়ংসম্পূর্ন আনতে যেভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারেঃ


*খাদ্য চাহিদাঃ


১)২টা গাভী।

২)৬টা মুরগী ১টা মোরগা।

৩)২বিঘা জমি ধান চাষ।

৪)একটা পুকুর।

৫)সবজি আঙিনা চাষ।


*বস্ত্র চাহিদা(উৎপাদন)ঃ


১)সেলাই ম্যাশিন(ম্যানোয়াল)।


*আদর্শ বাসস্থানঃ


১)বাড়ি সীমানা বেড়া/প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেয়া।

২)বাড়িতে উঠান রাখা।

৩)বাড়ির আঙ্গিনায় হালকা পাঁচ মিশালী সবজি চাষের ব্যাবস্থা করন।

৪)বাড়িতে টিউবয়েল স্থাপন/কুপ/হাউজ স্থাপন।

৫)সৌর বিদ্যুৎ শক্তি ও বায়োগ্যাস ব্যাবহার করা যেতে পারে।


*চিকিৎসাঃ


১)ফাস্ট এইড বক্স।

২)ঔষধি গাছ রোপন ও প্রয়োগ।

৩)নানা ঔষধি বই ও ম্যাটারিয়াল সংরক্ষন।

৪)কমন কিছু অসুস্থতা, যেমনঃ জ্বর, সর্দিকাশি,হাত,পা,বুক,মাথা ও শরীর ব্যাথা,কাটাছেড়া,চর্ম,চুলকানি এবং ঘাঁ ও ফোঁড়া ও গোটা ইত্যাদি বিষয়ের প্রাকৃতিক শুশ্রূষাময় প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি জেনে রাখা।


*শিক্ষাঃ


১)পারিবারিক লাইব্রেরী।

২)পারিবারিক হালাকা পয়েন্ট(যেখানে পারিবারিক ভাবে ইলম অর্জনের বা ইলম শেয়ারের ব্যাবস্থা থাকবে)

৩)মাদ্রাসা নির্মান।(সামাজিক ভাবে কয়েকটি পরিবার মিলে)।

সংগৃহীত

স্যারের মেসেজ ২৫/০৫/২০২৪ শনিবার সারাদিন

 স্যারের মেসেজ ২৫/০৫/২০২৪ শনিবার সারাদিন 

যারা টি-শার্টের ছবি দেননি তারা ছবি দেন,,,,,,,
যারা সকাল নয়টার ভিতরে মার্কেট উপস্থিত হবেন না তাদেরকে লিভ অ্যাপ্লিকেশন করে দেবেন সুপারভাইজারদেরকে বিশেষ ভাবে জানানো হলো,,,,,,,,,,,
৯:১০ এর ভিতরে যাদের নোট থাকবে না এবং নির্দিষ্ট রুটে পৌঁছাবে না তাদেরকে বিশেষভাবে লিভ এপ্লিকেশন দিয়ে দিবেন ওইদিনের জন্য,,,,,,
৯:১০ এর ভিতরে যাদের নোট থাকবে না এবং নির্দিষ্ট রুটে পৌঁছাবে না তাদেরকে বিশেষভাবে লিভ এপ্লিকেশন দিয়ে দিবেন ওইদিনের জন্য,,,,,,

একই কাজ যদি একই মাসে দুইয়ের অধিক থাকে তৃতীয় দিন ফুল ডে এপসেন্ট করে দিবেন।,,,,,,,,
রোড প্লান অনুযায়ী লোকেশন চেক করবেন লোকেশনে পাওয়া না গেলে তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন,,,,,,
উপরের নির্দেশনা শুধু এক মাস বা একদিনের জন্য নয় যতদিন চাকরি করবেন ততদিন নির্দেশনা মেনে চলতে হবে যে মেনে চলবেন না ওকে কোম্পানি নিয়ম অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আসতে হবে।।।,,,,,,
সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আগামীকাল রবিবার কোম্পানি তরফ হইতে আপনাদের কাছে যেসব লজিস্টিক আছে সেগুলো কি অবস্থায় আছে তার ছবি আমাদের বিএনপি গ্রুপে প্রদান করবেন কোম্পানির তরফ থেকে যা কিছু আছে মোটরসাইকেল ব্যাগ, কাটার ,কাঁচি ,টেপ, ইত্যাদি।,,,,,,,,
যারা sales  করতে পারবেন না তারা প্রতি  শনিবারে ৩০ টা করে মেজারমেন্ট সিট জমা দিবেন...!

রাসেল স্যারের নির্দেশ,,,,,,,,,,,

@⁨PE FAHIM FUHAD D45005⁩ @⁨PE নাজমুল ❌ ভাই ঢাকা গাজীপুর D25729⁩ @⁨~Shohag Hossain⁩...

পরের শনিবারে আপনারা ৩০ টা মেজারমেন্ট জমা দিবেন,,,,,,,,,
RFL SWR, cPVC Pro & Sulov:

Area SWR CPVC Sulov
Dhaka (Motijhil, Jatrabari) 50k
Dhaka (Mirpur ,Mohammadpur ) 50k
Bogra 50k,,,,,,,,
এস ডাবলু আর সিপিভিসি প্রো সুলভ পাইপ ।।যাত্রাবাড়ী মতিঝিল মিরপুর মোহাম্মদপুর ।।বগুড়া ।।এইসব এলাকায় বেশি বেশি মেজারমেন্ট নিতে হবে। প্রতিটা মেজারমেন্টে তিনটে প্রোডাক্টটি দশটা দশটা দশটা মোট ৩০ টা থাকবে।,,,,,,,,


শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


রাজধানীতে বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপনিবিতানসহ ৪টি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন আজ প্রধানমন্ত্রী।


সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড।


অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক শাস্তি পেতেই হবে - বললেন ওবায়দুল কাদের।


আওয়ামী লীগ সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে - তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য।


নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী।


রাফাহতে অবিলম্বে সামরিক হামলা বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় মানার জন্য ইসরাইলের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান।


টেক্সাসের প্রেইরি ভিউতে আজ রাতে বাংলাদেশ ও স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২৪-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২৪-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


যারা জনগণের ক্ষতি করবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না - ১৪ দলের সভায় বললেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এমপি আনোয়ারুল আজিমের হত্যাকারীদের প্রায় সনাক্ত করে ফেলেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা - জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


পেশাদার সাংবাদিকতা চর্চার সুস্থ পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে সরকার - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


জাতীয় অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ প্রদান।


নিজ শহর মাশহাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে দাফন।


টেক্সাসে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।

শর্করা— মানুষের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

 শর্করা— মানুষের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আলু, ধান, ভুট্টা, গম, চিনি— এমন সব জনপ্রিয় তারকাদের আড়ালে অনেকটা বিস্মৃতপ্রায় এক আদি শর্করার উৎস। মানকচু। বনে–জঙ্গলে বেড়ে ওঠা মানকচু দেখেই আমরা অভ্যস্ত। তবে এর চাষের নিদর্শন পাওয়া গেছে এশিয়ার অনেক প্রাচীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে। 


পলিনেশিয়া ও অস্ট্রোনেশীয়ার আদি কৃষিতে শর্করার উৎস হিসাবে যে চারটি প্রধান কচুর প্রজাতি চাষ করা হতো তার মধ্যে মানকচু একটি। এখনও ওশেনিয়া, মাদাগাস্কার, তাইওয়ানের অনেক এলাকায় মানকচুর চাষ হয়। এবং সেসব এলাকায় বিয়ে থেকে শুরু করে সামাজিক উৎসব এমনকি ধর্মীয় উৎসবেও মানকচু থেকে তৈরি করা খাবারের চল রয়েছে। 


আজ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ভাত বা ধান যেভাবে আমরা দেখি এই পর্যায়ে আসতে বুনো ধানকে নিয়ে অনেক সাধনা করতে হয়েছে। বুনো ধানকে পোষ মানানোর এই কঠিন শ্রম ও সময়সাধ্য প্রক্রিয়া বলে দেয়, শর্করার জন্য দানা শস্যের আগে কন্দ জাতীয় শস্য মানুষের খাদ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছিল। কারণ তার চাষ প্রক্রিয়া সহজ। আবার চাষ না করলেও অনুকুল পরিবেশে আপনা আপনিই জন্মায় এসব উদ্ভিদ। 


খনার বচনে আছে— ‘ওলে কুটি মানে ছাই, এইরূপে কৃষি করগে ভাই’। খনার বিস্তৃতি অনুযায়ী ধারণা করা যায় শ্রীলঙ্কা, বাংলা, আসাম, উড়িষ্যা এসব অঞ্চলেও মানকচুর চাষের প্রচলন ছিল। তবে খাদ্য তালিকায় কচু বা মানকচুর নিচু জাতে নেমে আসার কারণটা বোধহয় উপমহাদেশে একের পর এক দুর্ভিক্ষ। যখন শোষকের গ্রাসে হারানো চাষের ফসলের নাগাল না পেয়ে মানুষকে প্রাণ ধারণ করতে হয়েছিল আপনজালা এসব উদ্ভিজ্জ খাদ্যের ওপর। পুর্বজদের অভিজ্ঞতার সেই বিতৃষ্ণা আমাদের স্মৃতিতেও প্রবাহমান। তাই শাকপাতা–কচুঘেঁচু এত বৈচিত্রময় সম্ভার ও গুণাগুণ নিয়েও এদেশে আভিজাত্য বিরোধী বলে বিবেচিত হয়। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা উৎসবের খাবার হিসেবে এদের ব্যবহার সাধারণত দেখা যায় না। 


বুনো মানকচু চাষের প্রাচীন নথি পাওয়া গেছে ইন্দোচীন অঞ্চলে, খ্রিস্টের জন্মেরও ১৩০০ বছর আগে। ফিলিপাইনে কচু জাতীয় ফসলকে বলা হতো ‘বিমা ফসল’। ঝড়, বন্যা, খরা তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কালীন শর্করার চাহিদা মেটাতো বলেই এমন নাম। বাংলাদেশেও কৃষি জমির আইলে মানকচুর পাতা বা গাছ পুঁতে দিয়ে ভূমি পূজা করার চল আছে। প্রার্থনা করা হয় ফসল যেন মানকচুর মতো পুষ্ট ও বড়সর হয় আর ঝড়–জলেও টিকে থেকে খাদ্য জোগায়। 


পুর্ণিমার রাতে ভরা জোয়ারের সময় বীজ বুনলে মানকচুর ফলন ভালো হয় বলে বিশ্বাস করেন অনেক কৃষক। আবার বীজ রোপনের সময় কৃষক যদি নিজের শরীর না চুলকান তাহলে সেই কচু খেলে গলাও চুলকাবে না এমন ধারনাও রয়েছে অনেক আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে। ঋতুস্রাবের সময় কোনো নারীর প্রচণ্ড পেট ব্যাথা হলে তাকে মানকচুর একটা বড় পাতার ওপর বসিয়ে রাখা হয়। এতে ব্যাথা কমে আসে বলে মনে করেন নেগরিটোস জাতির নারীরা। এ ছাড়া দাঁতে ব্যাথা, কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসায়, ক্ষত নিরাময়ে, সন্তান প্রসবে, প্রসুতি মায়েদের পথ্য হিসেবে মানকচুর নানা রকম ব্যবহার সমগ্র এশিয়া জুড়েই প্রচলিত। তাগবানোয়া আদিবাসীদের মধ্যে বাতের ব্যাথার চিকিৎসায়ও মানকচুর ব্যবহার দেখা রয়েছে। আসাম, ঝাড়খণ্ড ছাড়াও অনেক এলাকায় মানকচুর পাতার ডাঁটার রস দিয়ে সাপে কাটার চিকিৎসা করা হয়। 


মৃণালিনী দেবী আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত রেসিপি মানকচুর জিলাপি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় খাবার। এ ছাড়াও মানকচুর ভর্তা, তরকারি সহ নানান উপাদেয় পদের অভাব নেই আমাদেরও। 


নবপত্রিকার অষ্টম পত্রিকা মানকচু। মানকচুর অধিষ্ঠাত্রী দেবী চামুণ্ডা বা চামুণ্ডেশ্বরী। চণ্ড ও মুণ্ড নামক অসুর বধের জন্য সন্ধিক্ষণে তিনি আবির্ভূত হন। সার্বজনীন দুর্গাপূজায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লগ্ন ধরা হয় এই সন্ধি পূজার লগ্নটিকে। মানকচুর গাছকে প্রতীক হিসেবে রেখে এই সময় সেই আদিম দেবী চামুণ্ডার আরাধনা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। 


চামুণ্ডা মূলত তন্ত্রের দেবী। অষ্টমাতৃকা তথা আদি মাতৃশক্তির প্রত্যেকের আট জন করে সহচরী ছিলেন। যাদের বলা হয় ৬৪ যোগিনী বা ডাকিনী। আবার বৌদ্ধ ধর্মেও ৬৪ যক্ষিণীর কথা উল্লেখ আছে। ডাক বা যোগ শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রজ্ঞা বা আধ্যাত্মিক জ্ঞান। এই ডাকিনীদের একজন হিসেবে চামুণ্ডার আরাধনা করা হতো। প্রতিমার দিক থেকেও অন্য দেবীদের সঙ্গে চামুণ্ডার পার্থক্য স্পষ্ট। অস্থিচর্মসার, ভেতরে ঢুকে যাওয়া পেট, কোটরাগত চোখ— যেন সাক্ষাৎ মৃত্যুদুত! ভারতের হিমাচল প্রদেশে চামুণ্ডার একটি বিখ্যাত মন্দির রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বড় কালীতলা মন্দিরেও চামুণ্ডার পূজা করা হয়। কথিত আছে, এই মন্দিরে দেবীর সামনে ইংরেজদের তাড়ানোর শপথ নিতেন বিপ্লবীরা। অন্য আরেক মতে, চামুণ্ডাকে সরাসরি আদি মাতৃকা বা সপ্ত মাতৃকার অংশ বলে মনে করা হয়। ভারতের বিন্ধ্য অঞ্চলের অরণ্যচারী আদিবাসীদের মধ্যে অন্যতম প্রধান দেবী হিসেবে পূজিত হন চামুণ্ডা। 


বেশ কিছু শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৬ শতাব্দীর আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে ডাকিনী বিদ্যা বা শক্তি সাধনা শেখানো হতো ভারতবর্ষে। পরবর্তীকালে ভারতীয় প্রাতিষ্ঠানিক সনাতন ধর্ম থেকে এর বিচ্যুতি ঘটে। চামুণ্ডার আরাধনা হয়তো শাক্ত ও তন্ত্রের শেকড়ের সঙ্গে আধুনিক ধর্মের সেই সন্ধিকেই প্রতিষ্ঠা করে অষ্টমী ও নবমীর মহালগ্নে। আর মানকচু দুর্যোগকালীন শর্করা হয়ে জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রক্ষা করে অনাহারী মানুষের প্রাণ। 


লেখক ও গবেষক— নুসরাত জাহান


তথ্যসূত্র: এথনোবোটানিকাল সার্ভে অফ এডিবল এরোয়েড, চিরঞ্জীব বনৌষধি, যোগিনী কাল্ট ইন ওডিশা


আমি একজন মা

 এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে এসেছেন পাসপোর্ট করাতে। অফিসার জানতে চাইলেন, "আপনার পেশা কি?"

মহিলা বললেন, "আমি একজন মা।"

"আসলে শুধু মা তো কোনো পেশা হতে পারেনা, তাহলে আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিনী।"


মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো।


অনেকদিন পর, এবারে পাসপোর্টটা renew করা দরকার, যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে। আবার পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। দেখলেন আগের সেই অফিসার নেই। খুব ভারিক্কি, রুক্ষ মেজাজের এক লোক বসে আছেন।


যথারীতি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে অফিসার জানতে চাইলেন, "আপনার পেশা কি?"


মহিলা চট করে কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেলেন।


কয়েক মুহূর্ত ভেবে বললেন, "আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। আমরা প্রতিটি শিশুর মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ সাধন করি, শিশুকে পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যা করি ও খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত মজবুত করি।"


মহিলা বলে যাচ্ছেন, "প্রতিটি মূহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেঞ্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ, আমার সামান্য ভুলের জন্য বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।"


মহিলার কথা শুনে অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসলেন। মহিলার দিকে এবার যেন একটু শ্রদ্ধা আর বিশেষ নজরে তাকালেন। অনেক কৌতূহল নিয়ে অফিসারটি জিজ্ঞেস করলেন, "ম্যাডাম, আসলে আপনার মূল পেশাটি যদি আরেকটু বিশদভাবে বলতেন?"


"আমাদের রিসার্চ প্রজেক্ট তো আসলে সারাজীবন ধরেই চলে। সর্বক্ষণ আমাকে ল্যাবরেটরি এবং ল্যাবরেটরীর বাইরেও কাজ করতে হয়। এই কাজের চাপে আমার নাওয়া খাওয়ায় ঘুমের সময়ের ঠিক থাকে না। সব সময় আমাকে কাজের প্রতি সজাগ থাকতে হয়। এই তো আজকাল আমি সমাজবিজ্ঞান, পারিবারিক স্বাস্থ্য আর নৈতিকতা বিকাশ এই তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি, যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল প্রকল্পগুলোর অন্যতম।"


অফিসার মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে মহিলার কথা শুনছেন। এমন গুণী, বিস্ময়কর মহিলা। প্রথমে কিন্তু মনে হয়েছিল খুবই সাধারণ।


"প্রতিদিন আমাকে ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা আবার কোনো কোনো দিন আমাকে ২৪ ঘন্টাই ল্যাবে কাজ করতে হয়। পৃথিবীর সব পেশাতেই কাজের পর ছুটি বলে যে কথাটি আছে আমার পেশাতে সেটা একেবারেই নেই। ২৪ ঘন্টাই আমার অন কল ডিউটি।"


এও কিভাবে সম্ভব, অফিসারটি ভাবতেই পারছেন না!


"আপনার হয়তো বা জানতে ইচ্ছে করছে, বিনিময়ে কি পাই? এ চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প পরিচালনায় আমার সেই অর্থে কোনো পারিশ্রমিক নেই। পরিবারের সবার মুখে হাসি আর পারিবারিক প্রশান্তিই আমার পারিশ্রমিক। আর আমার কাজের পুরষ্কার হিসেবে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ থেকে পেয়েছি তিনটা স্বর্ণপদক!"


অফিসার হতভম্ব, এ কেমন নি:স্বার্থ কাজ পাগল!


"এবার আমি বলি, আমার পেশা কি?"


অফিসার এতক্ষণ যেন এই উত্তরের অপেক্ষায় ছিলেন!


"আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।"


মহিলার কথা শুনে গম্ভীর অফিসারটি এবারে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন, চেষ্টা করেও আর নিজের চোখে জল আটকাতে পারছেন না। তাঁর নিজের মায়ের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তিনি খুব সুন্দর করে ফর্মের সব কাজ শেষ করে, মহিলাকে একদম সিঁড়ির দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন।


তারপর নিজের অফিস রুমে এসে বসলেন, ড্রয়ার হাতড়ে একটি ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি বের করলেন। ক্ষনিকের নীরবতা, অপলক নয়নে তাকিয়ে, বিড়বিড় করে আপন মনে ডাকছেন,


মা, মা গো....


#কপি

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

প্রেম   ও   বিরহের  কবি   :   ওমর  খৈয়াম 

 প্রেম   ও   বিরহের  কবি   :   ওমর  খৈয়াম 

  

বিশ্বখ্যাত কবি ও মহামনীষী ওমর খৈয়ামের অমোঘ পংক্তি --- ‘রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে

প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে যাবে।

বই , সেতো অনন্ত যৌবনা।’


ওমর খৈয়াম। যার সম্পূর্ণ নাম গিয়াসউদিন আবুল‌ ফাতেহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল-খৈয়াম নিশাপুরি। তিনি ছিলেন একজন পারস্যের প্রেম ও বিরহের কবি, গণিতবিদ, দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ। তিনি ১০৪৮ খ্রীস্টাব্দের ১৮ মে ইরানের নিশাপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন তাঁবুর কারিগর ও মৃৎশিল্পী। ছোটবেলায় তিনি বালি শহরে সে সময়কার বিখ্যাত পণ্ডিত শেখ মুহাম্মদ মানসুরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষাগ্রহণ করেন।


ওমর খৈয়ামের শৈশবের কিছুটা সময় কেটেছে অধুনা আফগানিস্তানের বালক শহরে। সেখানে তিনি বিখ্যাত মনীষী মোহাম্মদ মনসুরীর কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে তিনি খোরাসানের অন্যতম সেরা শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত ইমাম মোয়াফ্ফেক নিশাপুরির শিক্ষা গ্রহণ করেন। জীবনের পুরো সময় জুড়ে ওমর তার সব কাজ করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। তিনি দিনের বেলায় জ্যামিতি ও বীজগণিত পড়ানো, সন্ধ্যায় হলে মালিক-শাহ-এর দরবারে পরামর্শ প্রদান এবং রাতে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি জালালি বর্ষপঞ্জি সংশোধন করতেন।


ইসফাহান শহরে ওমরের দিনগুলি খুবই কার্যকর ছিল। কিন্তু আততায়ীর হাতে সুলতান মালিক শাহ-এর মৃত্যুর পর তার বিধবা পত্নী ওমরের ওপর রুষ্ট হলে ওমর হজ্ব করার জন্য মক্কা ও মদিনায় চলে যান।পরে তাকে নিশাপুরে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়। নিশাপুরে ওমর গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিষয়ক তার বিখ্যাত কাজগুলো সম্পন্ন করেন। তিনি নিজেকে মধ্যযুগের একজন প্রধান গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ হিসাবে পরিচিত ৷


ওমর খৈয়ামের কবিতা সমগ্র, যা ওমর খৈয়ামের রূবাইয়াত নামে পরিচিত, তার জন্য। তার কাব্য-প্রতিভার আড়ালে তার গাণিতিক ও দার্শনিক ভূমিকা অনেকখানি ঢাকা পড়েছে। মার্কিন কবি জেমস রাসেল লোয়েল ওমর খৈয়ামের রুবাই বা চতুষ্পদী কবিতাগুলোকে বলেন ‘চিন্তা-উদ্দীপক পারস্য উপসাগরের মনিমুক্তা।’

ওমর খৈয়াম ঠিক কতগুলো রুবাই লিখে গেছেন তার সঠিক হিসাব কারো জানা নেই। তার অমর গ্রন্থ ‘রুবাইয়াৎ-ই-খৈয়াম’-এ ৭২২ টি রুবাই পাওয়া যায়। তার এই রুবাই বা চতুষ্পদী কবিতাগুলো প্রথমবারের মত ইংরেজিতে অনূদিত হয় ১৮৫৯ সালে। এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ডের এই অনুবাদের সুবাদেই ওমর খৈয়াম বিশ্বব্যাপী কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই অনুবাদের মাধ্যমে ফিটজেরাল্ড নিজেও খ্যাতিমান হয়েছেন। তার এই অনুবাদ গ্রন্থ দশ বার মুদ্রিত হয়েছে এবং ওমর খৈয়াম সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার প্রবন্ধ ও বই লিখিত হয়েছে। বাংলায় প্রথম ‘রুবাইয়াৎ-ই-খৈয়াম’ অনুবাদ করেন বাংলাদেশের জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।


ফার্সি কাব্য-জগতে ওমর খৈয়াম এক বিশেষ চিন্তাধারা ও বিশ্বদৃষ্টির পথিকৃৎ। তিনি এমন সব চিন্তাবিদ ও নীরব কবিদের মনের কথা বলেছেন যারা সেসব বিষয়ে কথা বলতে চেয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে তা চেপে গেছেন। কেউ কেউ ওমর খৈয়ামের কবিতার নামে বা তার কবিতার অনুবাদের নামে নিজেদের কথাই প্রচার করেছেন। আবার কেউ কেউ ওমর খৈয়ামের কবিতার মধ্যে নিজের অনুসন্ধিৎসু মনের জন্য সান্ত্বনাও খুঁজে পেয়েছেন।

এই বিশ্বখ্যাত কবি ও মহামনীষী জীবনের অনেক ঘাত প্রতিঘাত পার হয়ে ১১৩১ সালে ৪ ডিসেম্বর ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ 💝💝💝💝🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻


(লেখা: তপু দেবনাথ)


মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 

 🌿 মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 🌿 ━━━━━━━━━━━━━━━ 🌿 ১️⃣ Mercurius Solubilis 👉 মুখে অতিরিক্ত লালা 👉 মাড়ি ফোলা ও ...