এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

শিরোনামহীন,               শ্রাবন্তী জয়া দত্ত,

 শিরোনামহীন,

              শ্রাবন্তী জয়া দত্ত,


অল্প কথায় ,অল্প ভাললাগা,অল্প

প্রেমে পড়া,বেশ কিছুদিন মনের আয়নায় তার 

যখন তখন উপস্থিতি , কিছুটা হলেও বাড়তি অক্সিজেন  প্রতিদিনের জীবনে,,,,,

যে মানুষ টি সকাল  থেকে রাত অব্দি ঘরের দেয়ালে টাঙানো আয়নায় ভালোভাবে দেখা না 

নিজেকে,খানিক টা অন্যের অবহেলায় ,খানিক টা

নিজের অবহেলায় অযত্ন কে ই প্রাধান্য দিয়ে আসে 

দিন ,মাস বছর ধরে,

সে হঠাৎ করেই আয়নায় দাঁড়িয়ে বহুক্ষণ  দেখে নিজেকে, মনে অল্প খুশি র ঠান্ডা হয়ে দোল দিচ্ছে,

নিজের কাছেই সে  অবাক হয়ে যায়,,,,।


চুপচাপ গম্ভীর অথবা খিটখিটে মেজাজের মানুষ টি  আজ হঠাৎ করেই বদলাচ্ছে,বদল ঘটছে তার

মন,শরীরে আচার আচরণ কথা বার্তায়,,,,

কাজের ফাঁকে ,কিংবা রান্নার ফাঁকে সে খুন্তি নাড়তে নাড়তে হঠাৎ করেই প্রিয় গানের কয়েক টা 

লাইন গুন গুন করে গিয়ে যাচ্ছে অকপটে,,,,

এই অল্প কথায় ,অল্প ভাল লাগা,অল্প অল্প কল্পনা 

মনের ক্যানভাসে  এঁকে যায় নানান রঙের রামধনু,

এটাই চায় একটি মন আরেকটি মনের কাছে,,,।


চারটে দেয়াল মানেই নয় তো ঘর,

আমি আর তুমি কেন বদলে যাচ্ছি,দুরত্ব কেন বাড়ছে,পাশাপাশি বসে থাকা মন কেন  একসঙ্গে

কথা বলে না,কেন ঘোর  বর্ষা, কিংবা হেমন্তের ভোরের কুয়াশা  আমাদের মন কে ছুঁয়ে যায় না,,,

বসন্ত কে কেন উপভোগ করিনা দুজনে,,,

তবে কি এই অল্প অল্প টুকটাক কথার প্রেম কি চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে,

আরে প্রেম যদি নাও হয়, আমারা তো ভালো বন্ধু হতে পারি,

হতে পারি একে অপরের অল্প কথা বলার সঙ্গী,

চাই না ওই আলমারির ভিতরে থরে থরে জমে থাকা শাড়ি ,জামাকাপড়ের মতো শত শত কথা,

একটু অল্প কথা বলা হলেই যথেষ্ট ,

কিন্তু কথাগুলো হবে একটু আধটু রোমান্টিক,

না না তোমাকে কিছু করতে হবে না,

অল্প কথার দল আমায় আবার নতুন করে বাঁচাতে শেখাবে, আনন্দ ও খুশি থাকবে আমার দুই ধারে,

ঠোঁটে কোণে লেগে থাকবে একটু মিষ্টি হাসি,

আর মোবাইলে নয় সময় কাটাতে ইচ্ছে করবে 

তোমার পাশে বসে,,,।


অল্প অল্প  হাল্কা সাজ, চোখে কাজল,হাল্কা মেকাপ, ঠোঁটে লিপস্টিক,কপালে একটি টিপ ব্যাস,পরনে শাড়ি কিংবা চুড়িদার , হাতে ঘড়ি 

এই অল্প সাজে হেঁটে যাই তোমার সঙ্গে

ওই চেনা রাস্তা দিয়ে ওই টুকটাক দরকারি প্রয়োজনীয় কথা বলতে বলতে,,,,,।

এই জানো এই অল্প সময় টুকুই আজকের দিনের 

কিছুটা অক্সিজেন এনে দিল,,,

বেশি কিছু আমাদের চাহিদা নেই,,,

ব্যাস এতটুকু অল্প কথা ,অল্প ভালোবাসা দিলেই

আমারা উজাড় করে দিতে পারি সবকিছু,,

অল্প চাহিদায় বেঁচে আছে কোটি কোটি  প্রাণ 

শুধু একটু আপনজনদের ভালোবাসা পাবার 

অপেক্ষায়।।

দোস্ত মালটা কে রে? রাফি:জানিনা। এলাকায় নতুন মনে হয়.... -আরে বাল রোজই তো ব্রীজে বসে কলেজ ছুটির টাইমে আড্ডা দেই

 দোস্ত মালটা কে রে?

রাফি:জানিনা। এলাকায় নতুন মনে হয়....

-আরে বাল রোজই তো ব্রীজে বসে কলেজ ছুটির টাইমে আড্ডা দেই। কিন্তু এই কালারের বোরকা পরা কোনো মেয়েকে তো দেখিনি, আজই প্রথম দেখলাম।

রাফি:যাই বল মালটা কিন্তু খাসা।

-মামা ফিগার দেখছিস? একদম উপরে ৩২ মাঝখানে ৩০ নিচে ৩৪।

রাফি: বলিসনা রে খাইতে ইচ্ছে করতেছে।

-এইযে সেক্সি ফিগারটা কে বানাইছে বয়ফ্রেন্ড? আমরা এলাকার ভাই আছি তো। আমাদের দিকে একটু নজর দাও। তুমি চাইলেই ৩২ কে ৩৬ করে দিতে পারবো।

.

সারাদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করে ছেলেটা। স্কুল, কলেজের মেয়েদের ইভটিজিং করে। যাইহোক যে মেয়েগুলোকে একটু আগে ইভটিজিং করলো

তারা চলে যাওয়ার ১ ঘণ্টা পর রাজের ফোনে কল আসলো....

.

রাজের মা:বাবা তুই কই?

-কি হইছে মা? তোমার গলা এমন শোনাচ্ছে কেন, কান্না করছো কেন?

রাজের মা:রোজা আর নেই। -মানে....

ফোনের ওপাশ থেকে মায়ের মুখে কথাটা শোনার পরে আকাশ ভেঙ্গে পরে রাজের মাথায়। রোজা তার একমাত্র আদরের ছোট বোন। রোজা ওর কলিজার টুকরা। সেই রোজা নাকি মারা গেছে। রাজ এটা কেমনে মানবে? এক দৌড়ে বাসায় আসে রাজ। পুরো আঙ্গিনা লোকজনে ভর্তি। কান্নার রোল পরে গেছে। রাজ নিজেও কাঁদছে। হঠাৎ পাশে থাকা রাজের বন্ধু রাফি জিজ্ঞেস করে....

রাফি:এ্যান্টি কিভাবে কি হলো?

-জানিনা বাবা। কলেজ থেকে একটু আগে ফিরলো। কান্না করতে করতে ঘরে ঢুকে আর বের হলোনা আমার রোজা।

রাফি:রাজ ভেঙ্গে পরিসনা। রোজার ঘরে চল তো। নিশ্চয় কোনো ক্লু পাওয়া যাবে। রাফি আর রাজ সোজা রোজার ঘরে যায়। ঘরে গিয়ে দেখতে পায় রোজার পড়ার টেবিলে একটা চিরকুট বই চাপা দেয়া। রাজ সেটা হাতে নিয়ে পড়তে থাকে। চিরকুটে লেখা ছিল....

.

জানিস ভাইয়া আমাকে অনেকে তোর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতো তুই নাকি খারাপ। তুই নাকি মেয়েদের ডিস্টার্ব করিস। জানিস সেদিন আমার বান্ধবী তন্নীর সাথে এটা নিয়ে ঝগড়া হইছিল। তন্নী আমার সাথে কথা বলেনা। কথা না বললে আমার

কি? কেন ও আমার ভাইয়ার নামে মিথ্যে বদনাম করবে? আমার ভাইয়া কি সেরকম নাকি? আমার ভাইয়া ভাল ভাইয়া। আমার ভাইয়া পৃথিবীর সেরা ভাইয়া। ভাইয়া বিশ্বাস কর উপরের এই কথাগুলো এখন থেকে ১ ঘণ্টা আগেও আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম রে ভাইয়া। ভাইয়া জানিস তোর দেয়া আমার জন্মদিনের সেদিনের ট্রিটের টাকাটা আমি নষ্ট করিনি। তোর জন্য একটা ঘড়ি কিনেছিলাম। ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ারে রাখা আছে। কিন্তু প্লিজ এটা পরিসনা। আমার হাতে কেনা কিছু পরার অধিকার তুই হারিয়ে ফেলছিস ১ ঘণ্টা আগে। ও হ্যাঁ আসল কথাই তো বলিনি আমি সেই টাকা দিয়ে একটা নতুন বোরকা কিনেছিলাম। তুই তো জানিস বোরকা আমি অনেক পছন্দ করি যাই হোক এসব কথা তোকে বলে আর লাভ নাই।

.

 কলেজ থেকে আসার সময় ব্রীজের উপর নতুন যে, মেয়েকে দেখে তুই মাল, সেক্সি বলেছিলি সেটা আমি ছিলাম রে ভাইয়া। তোর দেয়া টাকা দিয়ে কেনা নতুন বোরকা পরেছিলাম বলে তুই আমাকে চিনতে পারিসনি। কিন্তু আমি তোকে আজ চিনতে পেরেছি রে ভাইয়া। খুব ভাল করে চিনতে পেরেছি। ভাইয়া বিশ্বাস কর আমি মানতে পারতেছিনা রে। আমার ভাইয়া এমন? আমি তোর মুখের দিকে কিভাবে তাকাবো বল ভাইয়া? তুই ঐ মুখ দিয়ে কি কি বলছিস আমায়। ভাইয়া রে আমি পারবনা রে। আমি এই মুখ তোকে দেখাতে পারবনা রে ভাইয়া। আমি সেজন্য চলে যাচ্ছি অনেক দূরে চলে যাচ্ছি। তুই বলতিস না আমি তোর কলিজার টুকরা।

.

 ভাইয়া রে আমি তোর বোন তাই তোর কাছে আমি কলিজার টুকরা। কিন্তু আর যাদের ইভটিজিং করিস তারাও তাদের ভাইয়ের কাছে কলিজার টুকরা। ভাইয়া আমি জানি তুই আমাকে না চিনে এসব বলেছিস। প্লিজ ভাইয়া আর কোনদিন কাউকে এসব বলবিনা। আমি তো চলেই যাচ্ছি আমাকে আর ফিরে পাবিনা। সব

মেয়েদের মাঝে আমাকে খুজে নিস তোর বোন হিসেবে। জানি এখন তুই কাঁদতেছিস। কাঁদিসনা ভাইয়া। আমিও সারা রাস্তা কান্না করছি। ভাল থাকিস ভাইয়া, আমাকে ক্ষমা করে দিস।

                                                  ........শিক্ষা.........

নিজের বোন কলিজার টুকরা অন্যের বোন মাল। এমনটা নয় রে ভাই, চলেন দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাই। বোন তো বোনই হোক সেটা অন্যকারো বোন। ভাই হিসেবে আমাদের দায়িত্ব প্রতিটা বোনের নিরাপত্তা দেয়া।আর এখন উপলব্ধি করতে পারি ফেসবুকে কুড়িয়ে পাওয়া ছোট বড় দুই-একটা বোনের জন্য। নিরাপদ থাকুক প্রতিটি বোন.


কপি পোস্ট

পারভেজ শিশির ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ রবিবার ​ রিয়্যাক্‌টেন্টসঃ ওদের চার বোনের নাম… বুদ্ধি, বিচার, অভিজ্ঞতা ও সজ্ঞা— জ্ঞানদেবীর চতুর্মাত্রিক চোখের মণি; ​

 রিভার্সিব্যল রিয়্যাকশ্যন

— পারভেজ শিশির

১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ রবিবার

রিয়্যাক্‌টেন্টসঃ

ওদের চার বোনের নাম…

বুদ্ধি, বিচার, অভিজ্ঞতা ও সজ্ঞা—

জ্ঞানদেবীর চতুর্মাত্রিক চোখের মণি;

রিয়্যাক্‌শ্যনঃ

বুদ্ধি মেয়েটি জানে,

বিশুদ্ধ বুদ্ধিই হলো সার্বিক ও নিশ্চিত জ্ঞানের উৎস...

স্ব-ইন্দ্রিয় দ্বারাই সে বুঝতে পারে

এ জ্ঞান পরিবর্তনশীল,

‘এ জ্ঞান, এ বাহ্য জ্ঞান সীমাবদ্ধ,

স্বক্রিয় শুধু আত্মা...!'

অনেকগুলোর মধ্যে এর একটি গুণ – বুদ্ধি

সূর্য, ভিসুভিয়াস এবং লালন কি জানে,

এ জ্ঞান অসঠিক, অসঙ্গত এবং অযথার্থ?

জ্ঞানের প্রকৃত রূপ কি আদৌ দেখা সম্ভব, চর্মচক্ষু্তে, স্পর্শে...!

প্রাসাদ, মহাসমুদ্র, পর্বত

এ সবের ধারণা সাধারণ মানুষের নিকট প্রাঞ্জল নয়...

মনের বিভিন্ন ধারণার যোগ বিয়োগ গুন ভাগ থেকে,

পঙ্খীরাজ ঘোড়া, আলাদিনের প্রদীপ,

সোনার হরিণ অথবা স্বপ্নলোকের চাবি,

ইত্যাদির দুরাশাও তার মনে আসে না...

তার বদলে তার মনে অসাধারণ সব ধারণা ধাক্কা খায়,

সময়ের অসীমতা, শক্তির নিত্যতা, পরম আত্মা—

সূর্যোদয়াস্ত, দেহ-মাটি, একতারা...

এগুলো সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল বলেই

স্ব্তঃসিদ্ধ এগুলো তার কাছে,

'স্পুন-রিভার অ্যানথোলোজি'র মতো সত্য-কথন...!

মিথ্যাচরণ মিশ্রিত নয়, একেবারে নির্ভেজাল জলের মত তরল।

ক্যাটালিস্টঃ

'ধুসর পথিক' মাসাধিক পুরোনো খবরের কাগজের টিস্যুটার,

ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া শব্দগুলো পড়ে...

“কোনো সত্যই সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ নয়,

হলে সে সত্যের কোনো অস্তিত্বই থাকেনা”

উপরে নীচে সে কয়েকবার মাথা নাড়ে।

অভিজ্ঞতা অন্য দুবোনের সাথে বুদ্ধিদিদির কথা শুনছিলো,

সে বলে বসলো,

“তুমি দাও আকার, আমি দিই উপাদান,

সময়বিহীন সাধনার তো কোনো মূল্যই নেই...”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিবিহীন লালনকে

বুকের মধ্যে প্রতিপালন করো;

তুমিই হবে নিরবিচ্ছিন্ন অন্ধকার সমুদ্রে আলোক-স্তম্ভ,

দিক্‌হারা নাবিক তোমার উপর চোখ রাখবেই...!

অভিজ্ঞতার সংলাপ শেষ হতেই,

বিচার ও সজ্ঞার চোখ চাওয়া-চাওয়ি;

সাদা নীলাভ সুতীব্র আলোয় চারদিক থৈ থৈ করতে লাগলো…

প্রোডাক্‌ট্‌সঃ

সময় সময় এমন অবস্থাও ঘটে পৃথিবীতে,

হয় সুস্থীর থাকে অথবা অদর্শনযোগ্য গতিতে ছুটতে থাকে সব ধরণের কাল,, ভবিষ্যত-বর্তমান-অতীত...

সময় আসে মহাজগতের সীমানা প্রাচীর ছোঁয়ার, যেখানে বিলীন হয় সময়, সমর্পিত হয় কারো কাছে…

এক্সোস্পিরিচুয়্যেল এ্যানার্‌জিঃ

স্বাভিমান আত্মসমর্পণের প্রাচীরভেদী আন্তরিক মনোবাঞ্ছা পূরণের অভিপ্রায়ে প্রায়শঃই মানব-সন্তান প্রিয়োতি প্রিয়জনের অন্তরাত্মায় প্রতিঘাত করে থাকে, জানিনে এতে কোন্‌ কি ফলাফল আবির্ভূত হয়...! চেষ্টিত জ্ঞানেও সুরুচি হয় না, তবে কিভাবে কোথায় সেই পরমাকাঙ্ক্ষিত প্রভূর দরশন লব্ধ হবে, এই ভাবনায় কালাতিক্রান্ত হতে থাকে... মহাপ্রভূ, তুমি কখন দেবে তোমার অজানিত, চিরকালীন অভূতপূর্ব গৃহাশ্রয়, তবেই সকল মনোদৈহিক কাল-যন্ত্রণার অবসান হতে পারতো...!

একটি শিশিরের শব্দিতা প্রযোজনা © ২০২৪

চমৎকার ফাপা নলের মতো দেখতে চিমনির মতো স্থাপনাটি মুলত একটি আগ্নেয়ক্ষেত্র যা অগ্নুৎ্পাতের ফলে গঠিত অংশ৷ অপুর্ব সুন্দর এই আগ্নেয়ক্ষেত্রটি ইয়মেনের ধামার শহরের পূর্বেদিকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। রহস্যময় আগ্নেয়ক্ষেত্রটিতে অসংখ্য স্ট্রাটোভোলকানো, লাভা প্রবাহ বিদ্যমান। ব্যাসাল্টিক লাভা প্রবাহ পুরোনো রাইওলিটিক প্রবাহর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে

 চমৎকার ফাপা নলের মতো দেখতে চিমনির মতো স্থাপনাটি মুলত একটি আগ্নেয়ক্ষেত্র যা অগ্নুৎ্পাতের ফলে গঠিত অংশ৷ অপুর্ব সুন্দর এই আগ্নেয়ক্ষেত্রটি ইয়মেনের ধামার শহরের পূর্বেদিকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। রহস্যময় আগ্নেয়ক্ষেত্রটিতে অসংখ্য স্ট্রাটোভোলকানো, লাভা প্রবাহ বিদ্যমান। ব্যাসাল্টিক লাভা প্রবাহ পুরোনো রাইওলিটিক প্রবাহর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে । মুলত আগ্নেয়গিরিটি আরব উপদ্বীপের ১৯৩৭ সালে ঘটিত অগ্ন্যুৎপাতের জন্য দায়ী করা হয়। আগ্নেয়ক্ষেত্রের বিস্তৃত মাঠটি ইয়েমেনের রাজধানী শহর সানা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ। এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। সুউচ্চ পর্বতমালা ইয়েমেনের উপকূলীয় সমভূমিকে অভ্যন্তরের জনবিরল মরুভূমি থেকে পৃথক করেছে। মরুভূমির দেশ হওয়ায় ইয়েমেনের জনসংখ্যা একেবারেই অল্প। দেশের ভূমির অর্ধেকের বেশি অংশ বসবাসের অযোগ্য। এখানকার আরবেরা বেশির ভাগই গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাস করতে ভালবাসে। গবেষণা বলছে প্রাচীনকালে এখানে অনেকগুলি সমৃদ্ধ সভ্যতার অবস্থান ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে এলাকাটির গুরুত্ব হ্রাস পায় এবং এক হাজার বছরেরও বেশি সময় এটি একটি দরিদ্র ও অবহেলিত দেশ হিসেবে বিরাজ করছিল। বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে এখানে খনিজ তেল আবিষ্কার হলে ইয়েমেনের অর্থনৈতিক উন্নতি ও জনগণের জীবনের মান উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ১৯৯০ সালে ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র যেটি মুলত উত্তর ইয়েমেন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন, যেটি মুলত দক্ষিণ ইয়েমেন দেশ দুইটিকে একত্রিত করে ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়। সানা’আ ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বে সৌদি আরব এবং পূর্বে ওমান অবস্থিত। সৌদি আরব ও ওমান ইয়েমেনের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ইয়েমেনের আয়তন ৫,২৭,৯৭০ বর্গকিমি। তবে আরব বসন্তের পর দেশটি দারিদ্র সীমার নিচে নেমে আসে। ২০১৭ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ হয়। বর্তমানে ইয়েমেন শাসকগোষ্ঠী তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কাজ করছে।


অনুবাদ ও গ্রন্থনা করেছেন: জুলফিকার, উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য তথ্য বাতায়ন থেকে।

শচীন দেববর্মণ, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রশ্ন করলেন " কী রকম খাইলা"? ভানু প্রত্যুত্তরে জানালেন উপাদেয়।

 শচীন দেববর্মণ, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রশ্ন করলেন " কী রকম খাইলা"? ভানু প্রত্যুত্তরে জানালেন উপাদেয়।

কর্তা শুনে বললেন " মুরগির মাংসটা কেমন খাইলা"?

ভানু আরও বিগলিত ভাবে উত্তর দিলেন " অপূর্ব এমন আর খাই নাই"। কথায় কথায় শচীন কর্তা জানালেন সেদিন ওই মাংস রান্না করেছিলেন ভারতীয় সংগীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মহম্মদ রফি!


ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় শচীন দেব বর্মণের গান শুনতে ভালবাসতেন, চাকরি পাওয়ার পরে প্রথম মাসের বেতনে কিনে ফেলেছিলেন কর্তার গানের রেকর্ড। নিজের তখন গ্ৰামাফোন না থাকলেও দিদির ছিল ওই গ্ৰামোফোনে গান শুনতেন। ঘোর ইস্টবেঙ্গল সমর্থক উভয়েই। ইস্টবেঙ্গলের খেলা থাকলে মাঠে দুজনের দেখা কথাবার্তা হত। কর্তার সহধর্মিণী( মীরা) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাসমেট। দুজনেই ঢাকার জগন্নাথ কলেজের পড়ুয়া। 


১৯৫৯-৬০ সালের কথা,ভানু তখন একটা ছবির জন্য বোম্বেতে দিন ১০- ১৫ ছিলেন। পরিচিত, ঘনিষ্ঠ, বাঙালিদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন। একদিন দাদামণি( অশোককুমার) এর বাড়িতে গেলে তাঁর স্ত্রী না খাইয়ে ছাড়বেন না।  দাদামণি সেই সময় বাড়িতে না থাকলেও কিশোরকুমার এসেছিলেন। দাদামণির স্ত্রী শোভা বললেন " ভালোই হয়েছে, তুইও ভানুর সঙ্গে খেয়ে যা,আর ওকে যাবার পথে হোটেলে পৌঁছে দিস,দেখি রান্নার কতদূর হল"।


কিশোরকুমার, ভানুকে পরামর্শ দিলেন তাড়াতাড়ি পালিয়ে চলুন,বউদি সাতদিনের বাসি মাছ খাওয়াবে। সত্যিই সেইসময়ে ফ্রিজ খুব কম লোকের বাড়িতে ছিল। যদিওবা থাকত ফ্রিজে রেখে সাতদিন ধরে খাওয়ার রেওয়াজ ছিল না। দাদামনির বাড়িতে অবশ্য সাতদিনের বাসি মাছ খেতে হয়। তবে ভানুর কথায় তেমন বিস্বাদ লাগে নি ‌।


 

অন্য আর দিন  শচীন কর্তার বাড়িতে খাওয়ার নিমন্ত্রণ। অনেকক্ষণ আড্ডার পরে খাওয়া দাওয়া হল। শচীন দেববর্মণ ভানুর কাছে জানতে চাইলেন " কী রকম খাইলা"?

সহসা জবাব উপাদেয়।

কর্তা জানতে চাইলেন মুরগির মাংস কেমন হয়েছিল। ভানু জানালেন খুব ভাল খেয়েছেন। সব শুনে মুখ খুললেন শচীন কর্তা " কে রাঁধসে জানো"?

ভানু একটু আত্মবিশ্বাসী, নিশ্চয়ই মীরা! কারণ শচীন জায়া কে চিনতেন,সে ভাল রান্না করে । দুজনেই আগে থেকে দুজনকে চেনেন। কলেজে এক ক্লাসে পড়তেন। কিন্তু শচীন কর্তার জানালেন " না সকালে রফি আইসা রাইন্ধা দিয়া গ্যাসে "।


ভানু বিস্মিত,হতবাক ভারতের বিখ্যাত গায়ক মহম্মদ রফি তিনি মাংস রান্না করেছেন। শচীন কর্তা নিজের মুখে বললেন " রফিরে কইলাম কলকাতার থিইক্যা আমার অনেক দিনের পুরনো বন্ধু খাইতে আইবো,রফি শুইন্যা নিজেই রাইন্ধা দিয়া গ্যালো "।  

কিশোরকুমার সব জানতেন একদিন ভানুকে বলেই ফেললেন" আপনি অসাধ্য সাধন করেছেন - দাদামনি,শচীনদা এরা কাউকে কোন দিন খাইয়েছে বলে তো শোনা যায় না "।


#kishorekumar 


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার,ভানু সমগ্ৰ সম্পাদনা গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়

#highlight  Abhijit Abhisinchan Roy

চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ কোন ফাঁকে ফেলুদা, প্রফেসর শঙ্কুর অদ্বিতীয় স্রষ্টা হয়ে দাঁড়ালেন। নানা সাক্ষাৎকারে প্রাণ খুলে নিজের জীবনের অনেক কথা বলেছেন তার এক ঝলক ।

 পছন্দ করতেন অড়হর ডাল,সোনা মুগের ডাল। একসময় খুব মাংস খেতেন। মুরগি বেশ ভাল লাগত পরে গা সওয়া হয়ে গেল। মাছ বলতে পছন্দ শুধু ভাল ভেটকি আর রুই। সব্জি খেতে তেমন ইচ্ছে হত না অবশ্য কড়াইশুটি হলে আলাদা কথা। চায়ের সঙ্গে ওসব কেক - ফেক নয় হয় লঙ্কা মুড়ি না হলে চিঁড়ে ভাজা। সারাদিনে চার - পাঁচ কাপ চা লাগবে। ধোঁকার খুব বড় ভক্ত, কিন্তু খ্যাতির বিড়ম্বনায় জন্মদিনে ভক্তদের এড়াতে গৃহত্যাগ করে অজ্ঞাতবাস করতে হয়। তাই আক্ষেপ হোটেলে কে ধোঁকা নিয়ে যাবে! সত্যজিৎ রায়ের 'পথের পাঁচালী'র বিশ্বজয় মস্ত বড় ঘটনা। রবীন্দ্র পরবর্তী বাঙালির ইতিহাসে সে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তারপর গঙ্গা দিয়ে কত জল বয়ে গেছে। জীবিতকালে নিজে হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি। চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ কোন ফাঁকে ফেলুদা, প্রফেসর শঙ্কুর অদ্বিতীয় স্রষ্টা হয়ে দাঁড়ালেন। নানা সাক্ষাৎকারে প্রাণ খুলে নিজের জীবনের অনেক কথা বলেছেন তার এক ঝলক ।

 


** লোকের মুখে এটা তো শুনি একমাত্র লোক আপনি যিনি ফোন এলে নিজে ধরেন,কেউ দেখা করতে এলে নিজেই এগিয়ে দরজা খুলে দেন।


উত্তর - না,সেটা করি। এবং এ ব্যাপারটায় পরিবর্তন ঘটানোর কোনও কারণ খুঁজে পাই নি। তাহলে আমাকে হঠাৎ উপলব্ধি করতে হয় যে আমি একটা কেউ কেটা হয়ে গেছি। কাজেই এবার থেকে আমি টেলিফোন ধরব না। কিন্তু এরকম উপলব্ধির জন্য চেষ্টা করার তো মানে হয় না।


** খ্যাতি এবং ব্যক্তি পুজোয় কেমন বোধ করেন?

উত্তর - একদিন প্রেসিডেন্সি কলেজের গায়ে বই কিনতে গিয়েছিলাম। ভিড় হয়ে গিয়েছিল। অসুবিধে আছে।


** ঋত্বিকের কাজ কেমন লাগে আপনার?

উত্তর - খুবই ভাল। ওঁর শরীর ভাল থাকত না। তাতেই যা করে গিয়েছেন - কি অসাধারণ। শরীর ভাল থাকলে আরও কত ভাল করতেন।


 ** মনের কথা বলতে রিলাক্স করতে কাকে খোঁজেন? বন্ধু নেই?

উত্তর - ছিল। ডেভিড ম্যাকাচিয়ন। মারা গেছেন। ২/৪ জন বন্ধু আছেন। তবে বেশিরভাগ আমার চেয়ে তরুণ বয়সী। নাম আর করলাম না। একবার প্রেসিডেন্সি কলেজের সহপাঠীরা একত্র হয়েছিলাম। সস্ত্রীক। স্ত্রীরা সবাই এক জায়গায় বসে। আমরা পুরুষেরা ছাত্রজীবনের কথা বলেই চলেছি। সে এক কাণ্ড। কলেজের সহপাঠীরা বুড়িয়ে গিয়েছেন।


** হ্যাঁ,আজ আমার শেষ প্রশ্ন,আজ পর্যন্ত পরপর অনেক ছবি করলেন, এখন যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার মতে কোনটা আপনার এক নম্বর ছবি, শ্রেষ্ঠ ছবি?

 উত্তর - বাবা, ও বাবা সে আমি বলতে পারব না। সে কি কথা? তবে প্রথম ছবি হয়ত চারুলতাই হবে।


** প্রথম বড় লেখা কি? গদ্যে?

উত্তর - বড় লেখা তো আমার বাদশাহী আংটি, ফেলুদার উপন্যাস। বা ব্যোমযাত্রীর ডায়েরি। প্রফেসার শঙ্কুর উপন্যাস।


** ফেলুদাকে আপনি কিভাবে পেলেন? এটা খুব ছেলেমানুষী প্রশ্ন নয়। যখন আপনি ফিল্মে ডুবে আছেন,ছবি করছেন,ছবি আঁকছেন, সেই সময় ফেলুদা কোথা থেকে এলেন?

উত্তর - ফেলুদাকে পেলাম মানে, ডিটেকটিভ গল্প আমি চিরকালই পড়ে আসছি। ছাত্রাবস্থায় আমি প্রচুর ডিটেকটিভ গল্প পড়েছি। শার্লক হোমস তো আছেই,তা ছাড়াও অন্য অনেক ডিটেকটিভ উপন্যাস,গল্প সব বিলিতি।


'উদয়ের পথে' সাফল্যের পরে জ্যোতির্ময় রায় তাঁর পরবর্তী ছবিতে সত্যজিৎ রায় কে আর্ট - ডিরেক্টর হতে বলেছিলেন। পরে শুভো ঠাকুর তাঁর আর্ট ডিরেক্টর হলেন। ওঁর সহকারী হয়ে এলেন বংশী চন্দ্রগুপ্ত, যিনি পরে সত্যজিৎ রায়ের আমৃত্যু ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বন্ধু ছিলেন। সত্যজিৎ রায় তখন কলকাতায় মা জননী সুপ্রভা দেবীর এক চেনা ভদ্রলোক তাঁর নাম ললিত মিত্র,মানিকবাবুর কমার্শিয়াল আর্টে আগ্ৰহ শুনে বললেন তা হলে সোজা রাসময় রোডে দিলীপ গুপ্তের বাড়িতে যাও। সে এক অভিজ্ঞতা। বাড়িতে ছিল পেল্লাই সাইজের এক অ্যালসেশিয়ান কুকুর। ডি কে কথা বলতে এলেন। হঠাৎ আবিষ্কার করলেন তিনি সুকুমার রায়ের ছেলে। চোখ গুলো চকচকে হল, বললেন বিজ্ঞাপনের নমুনা সহ দেখা করতে। সত্যজিৎ রায় একটা পারফিউমের বিজ্ঞাপন তৈরি করলেন উনি মানিক বাবু কে নিয়ে গেলেন ডি জে কিমার কোম্পানির ম্যানেজার মিস্টার ব্রুসের কাছে। তিনি বললেন " তুমি যা মাইনে পাবে ইট উইল ব্রেক ইওর হার্ট , রাজি আছো তো?

বেতন ৬৫ টাকা ১৫ টাকা ডি এ। ' পথের পাঁচালী'র পরে যখন ওই চাকরি ছাড়েন তখন মাইনে দু'হাজার টাকা।


** বাংলা খবরের কাগজ পড়েন?

উত্তর - বিশেষ নয়।

** টিভিতে খেলা দেখেন?

উত্তর - খেলা দেখি। টেনিস দেখি, ফুটবল, টেবিল টেনিস। ও বিষয়ে আমার উৎসাহ আছে।

** আপনি যে লিখতে পারতেন, কোনও শিক্ষক আপনাকে উৎসাহ দেন নি?

উত্তর -- হ্যাঁ, ইংরিজি আমি ভাল লিখতাম সে কথা আমার ইংরিজির দু- তিনজন প্রফেসর বলেছেন। সোমনাথ মৈত্র,তারাপদ মুখার্জি, সুবোধ সেনগুপ্ত এঁরা সবাই বলেছেন। সুবোধ সেনগুপ্ত তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন এইরকম যে " সত্যজিৎ ছেলেটা খুব ভাল লিখত, বেশ লেখার অভ্যাস ছিল। তা পরে শুনলাম সে নাকি film করছে। আমি মাথা চাপড়ালাম। তখন কি আর জানি Film করে সে এত নাম করবে "?


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, সত্যজিৎ রায় সাক্ষাৎকার সমগ্ৰ , সম্পাদক সন্দীপ রায়, সহযোগী সম্পাদক সোমনাথ রায়

যদ্যপি আমার গুরু' বইটি পড়ার পর থেকে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক স্যারের সম্পর্কে আরো জানার চেষ্টা করছি। তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য:

 'যদ্যপি আমার গুরু' বইটি পড়ার পর থেকে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক স্যারের সম্পর্কে আরো জানার চেষ্টা করছি। তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য:


চিরকুমার, সদালাপী, নির্মোহ এ মানুষটির জীবনযাপনও ছিলো খুবই সাধাসিধে। খুব বই পড়তেন, জ্ঞানতৃষ্ণার্তরা তাঁর কাছে এলে তিনি খুবই উজ্জ্বীবিত বোধ করতেন। কয়েকটি প্রবন্ধ ও লিখিত ভাষন ব্যতীত তাঁর কোনও প্রকাশিত লেখাই নেই! তবে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সান্নিধ্যে যাঁরাই এসেছেন তারা প্রত্যেকেই অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক সম্পর্কে বলেছেন: “শিক্ষকের শিক্ষক।”


তাঁর সম্পর্কে প্রাজ্ঞ লেখক আহমদ ছফা "যদ্যপি আমার গুরু" নামে তথ্যপূর্ণ একটি বই প্রকাশ করেন। 

"যদ্যপি আমার গুরু" বইতে আহমদ ছফা আর একটি মজার ব্যাপার উল্লেখ করেন। আহমদ ছফা তার পিএইচডির সুপারভাইজর হিসেবে অধ্যাপক রাজ্জাককে বেছে নেন। তিনি অধ্যাপক রাজ্জাকের কাছে যখনই কোন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য যেতেন, রাজ্জাক স্যার ছফাকে একটা না একটা বই ধরিয়ে দিতেন। একের পর এক বই পড়তে পড়তে ১৪ বছর কেটে যায়, কিন্তু ছফার পিএইচডিও আর শেষ হয় না। 


জ্ঞানতাপস সরদার ফজলুল করিম ও অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ ওনার জ্ঞানের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, তথ্যপূর্ণ সাক্ষাৎকার ও নিয়েছিলেন। 


তিনি ছিলেন অনেকটা সক্রেটিসের মত। হাঁটতে , চলতে জ্ঞান বিলিয়ে বেড়াতেন। নিজে কিছু লিখেননি, শিষ্যরা তাঁর হয়ে লিখেছেন। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন সরকার আবদুর রাজ্জাককে জাতীয় অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত করে।


আমার ভালোলাগা তাঁর কিছু উক্তি নিম্নরূপ:


" যখন কোনো নতুন জায়গায় যাইবেন,দুইটা বিষয় পয়লা জানার চেষ্টা করবেন।ওই জায়গার মানুষ কী খায়।আর পড়ালেখা কী করে।কাঁচা বাজারে যাইবেন,কী খায় এইড়া দেখনের লাইগ্যা।আর বইয়ের দোকানে যাইবেন পড়াশোনা কী করে হেইডা জাননের লাইগ্যা।"


"বইয়ের দোকান পরখ করলেই বেবাক সমাজটা কোনদিকে যাইতাছে,হেইডা টের পাওন যায়।"


"একটা জাতির রাজনীতি হচ্ছে, সমাজের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণীর অবস্থান ও ক্ষমতা নির্ধারণের সংগ্রাম।"


"আপনে যখন মনে করলেন,কোনো বই পইড়্যা ফেলাইলেন,নিজেরে জিগাইবেন যে -বইটা পড়ছেন,নিজের ভাষায় বইটা আবার লিখতে পারবেন কিনা।আপনের ভাষার জোর লেখকের মতো শক্তিশালী না অইতে পারে,আপনের শব্দভাণ্ডার সামান্য অইতে পারে,তথাপি যদি মনে মনে আসল জিনিসটা রিপ্রোডিউস না করবার পারেন,ধইর‍্যা নিবেন,আপনের পড়া অয়নাই।"


"প্রগতিশীল রাজনীতি হচ্ছে সেই রাজনীতি, যা ক্ষমতার ভিতকে বিস্তারিত হতে (অর্থাৎ গণমানুষের মধ্যে যেতে) সাহায্য করে।"


"বাংলা ভাষাটা বাঁচাইয়া রাখছে চাষাভুষা, মুটেমজুর। এরা কথা কয় দেইখ্যাই ত কবি কবিতা লিখতে পারে। সংস্কৃত কিংবা ল্যাটিন ভাষায় কেউ কথা কয় না, হের লাইগ্যা অখন সংস্কৃত কিংবা ল্যাটিন ভাষায় সাহিত্য লেখা অয় না মাতৃভাষা ছাড়া কোনো জাতি বা কারো উন্নতি করা সম্ভব নয়।"


"শিক্ষা একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। শুধু তত্ত্ব-উপাত্ত দিয়ে শিক্ষার্থীর মনের ভার বাড়ানোকে শিক্ষা বলা যায় না। শিক্ষার কাজ হচ্ছে এমন এক প্রক্রিয়ার সূচনা করা যার মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষের মনে যে চোখ আছে তাকে জ্ঞানের অনির্বাণ আলোর দিকে ফেরানো যায়।"


#অধ্যাপক #আবদুর #রাজ্জাক 


#alakcb

রাজার বিয়ে বিএমআর প্লাবন

 রাজার বিয়ে

বিএমআর প্লাবন


সাত বিয়ের পর আবারও বিয়ে

করতে চেয়েছে রাজা

সারিবদ্ধ হয়ে নারীদের দল

শুরু করেছে সাজা।


এক নারীতে মন টেকে না

দুদিনের বেশি হায়

মাসে মাসে রাজা মশাই

বিবাহ করেন তাই।


হোক না তার বয়স বেশি

হোক না সে লম্পট

শালীনতা দিয়ে হবেটা কি

রাজার তো আছে কাড়িকাড়ি টাকার দাপট।


ধন রত্নে থাকবে মোড়া

জীবন হবে আরামের

বুড়ো রাজা দুদিন করলে ভোগ

কি ক্ষতি রানীর আয়েশের!


লক্ষি ছেলে ভদ্র ছেলে

লাগবে না গো বাপু আজ

টাকা না থাকলে ভদ্রতা কি

দিতে পারবে মাথার তাজ?


টাকার জোরে বুড়ো রাজা

পায় সুন্দরী যুবতী রমনী

তরুণ যুবকের দুঃখে আজ

কাঁদে শুধুই ধরণী।


এক মাস পর রাজা যখন

আবার খোজে নতুন রাণী

তখন তোমার চোখ খোলে নারী

পুরুষ চরীত্রহীন, এমন হয় তোমার বাণী।


আয়েশের লোভে পরলে

 যে তাজ নিজ ইচ্ছায়

আজ তবে কেন দোষী হলো পুরুষ

পা তো তুমি জেনে বুঝে মচকেছ কাদায়।


যে চোখে তোমার স্বপ্ন

শুধুই ধনরত্নের

আজ রাজার ঘরে আয়েশ করো

খোভ কেন আজ যত্নের?

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শৈলকুপার কৃতি সন্তান সামিয়া জামান। 

 মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শৈলকুপার কৃতি সন্তান সামিয়া জামান। সামিয়া জামান, সংবাদ পাঠিকা হিসেবে এদেশের মানুষের কাছে যার ব্যাপক পরিচিতি। পাশাপাশি তিনি একজন অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তবে তার আসল পরিচয় তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই গুণী মানুষটি পৈত্রিক সূত্রে শৈলকুপার কৃতি সন্তান। ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ধাওড়া গ্রাম তার পৈত্রিক বাড়ী। পিতার চাকরি সূত্রে ১৯৬৬ সালের ১৭ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে তাঁর জন্ম। পিতা অধ্যাপক মোঃ মসিউজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক, বিসিএসআইআর এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য। মাতা নাজিয়া বেগম একজন গৃহিণী। 


শিক্ষাজীবন:

শিক্ষাজীবন শুরু হয়  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরী স্কুলে। তিনি এখান থেকে এসএসসি পাশ করেন। ইন্টারমিডিয়ের পাশ করেন ঢাকার বদরুন্নেসা সরকারী মহিলা কলেজ হতে। অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন ইংল্যান্ডের School of Oriental and African Studies (SOAS) বিশ্ববিদ্যালয় হতে। জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় তিনি প্রথম বিভাগ অর্জন করে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখেন।


পেশাগত জীবন:

 ইংল্যান্ডের বিবিসি (British Broadcasting Corporation) টেলিভিশনের ফ্লিম এডিটর পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে চাকরি জীবন শুরু করেন। এরপর তিনি বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস রেডিওতে বাংলা বিভাগের প্রযোজক হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৯৯ সালে তিনি দেশে ফিরে পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশের জনপ্রিয় চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের নিউজ প্রডিউসার এন্ড ব্রডকাস্টার হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে সংবাদ উপস্থাপিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে চাকরি করেন। ২০০১ সালে ছুটি নিয়ে তিনি কেনিয়া যান। পরবর্তিতে তিনি দেশে ফিরে তিনি এনটিভিতে  যোগদান করেন। ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত।


চলচ্চিত্র প্রযোজনা:

ছোট বেলা থেকেই সিনেমার পেছনে ছুটেছেন সামিয়া জামান। ৮০ এর দশকে শর্ট ফ্লিম আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন তিনি। ১৯৮৪ সালে এর উপর বিভিন্ন কোর্স করেন। এরপর থেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি আকৃষ্ট হন। ইংল্যান্ডে সরকারী চাকরির পাশাপাশি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্লিম এর উপর পড়াশোনা করেন। 


ছাত্রীজীবনেই তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের সাথে যুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক মোর্সেদুল ইসলামের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। দীর্ঘ ২০ বছর পর ২০০৬ সালে সামিয়া জামান পরিচালিত ও এনটিভি প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র 'রানী কুঠির বাকী ইতিহাস' মুক্তি পায়। এটি একটি মনোস্তাত্ত্বিক ছবি ছিল। ফেরদৌস ও পপির মত মূল ধারার নায়ক নায়িকাকে নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। গানগুলিও ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। সবকিছুর সমন্বয়ে ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা অর্জন করে ছবিটি, সেই সাথে সামিয়া জামানও দেশের মানুষের কাছে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে নতুনভাবে পরিচিতি পান।  


তিনি গড়ে তোলেন নিজেস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্সা মিডিয়া। এর মাধ্যমে নতুন একটি চলচ্চিত্র ‘আকাশ কত দূরে’ নির্মাণ করেন। ছবিটি মূলত বাচ্চাদের নিয়ে। এখানে ৩০/৪০টি শিশু অভিনয় করেছে। ২০০৯ সালে ছবিটি সরকারী অনুদান পেয়েছে। 


টিভি অনুষ্ঠান প্রযোজনা ও উপস্থাপনা:

নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্ষা মিডিয়া হতে এ পর্যন্ত ২৫/৩০টি নাটক তৈরী করেছেন যা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বেশকিছু টক শো প্রযোজনা ও উস্থাপনা করেন সামিয়া জামান। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে চ্যানেল আই এ 'চলতি হাওয়া', একুশে টিভিতে '২১এর সময়', আরটিভিতে 'একটেল প্রতিদিন', বাংলা ভিশনে 'রোড টু ডেমক্রেসি' ইত্যাদি। ভার্সা মিডিয়াতে নাটক ও টক শো এর পাশাপাশি বিভিন্ন ডকুমেন্টরীও তৈরী করেছেন তিনি।  এ সকল কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ২০১২ সালে ৭১ টিভিতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। 


সম্মাননা:

১৯৭৯ সালে জাতীয় শিশু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জিয়াউর রহমান এর হাত থেকে পদক পেয়েছেন সামিয়া জামান। এটি তার জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় ঘটনা। শৈলকুপার কৃতি এই মানুষটিকে শৈলকুপা পরিক্রমার পক্ষ থেকে নিরন্তর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কৃতজ্ঞতা: যশোর ইনফো।

মধু আহরণকারী মৌমাছির কথা তো আমরা সকলেই জানি, কিন্তু মধু আহরণকারী পিঁপড়ার কথা আমরা খুব কম মানুষই জানি.!

 👁️👁️

মধু আহরণকারী মৌমাছির কথা তো আমরা সকলেই জানি, কিন্তু মধু আহরণকারী পিঁপড়ার কথা আমরা খুব কম মানুষই জানি.!


 Camponotus inflatus যা Honeypot ants নামে পরিচিত, অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বসবাস করে.। বিভিন্ন প্রজাতির পিঁপড়াদের মধ্যে বসবাসকারী Honeypot বা মধুপাত্র পিঁপড়া হলো বিশেষ কর্মী যারা খাদ্যের অভাব হলে তাদের নিজ উপনিবেশের জন্য জীবন্ত খাদ্য সঞ্চয়স্থান হিসেবে কাজ করে.। পিঁপড়া কর্মীদের একটি দল বিভিন্ন গাছপালা, ফুল হতে নেকটার সংগ্রহ করে এবং মধু পিঁপড়াদের খাওয়াতে থাকে। ততক্ষণ পর্যন্ত খাওয়াতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত মধু পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ফেঁটে যাওয়ার উপক্রম হয়.। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ছোট আঙুরের আকার ধারণ করে এবং এর পেটের ভিতরে 'অ্যাম্বার' নামক তরল ছড়িয়ে পড়ে.। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেটে সঞ্চিত যেকোনো খাদ্য মধুতে পরিণত হয়ে থাকে.। মধুপাত্র পিঁপড়ার পেট বড়সড় হয়ে যাওয়ায় তারা নড়াচড়া করতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তাই তারা তাদের আবাসস্থলের ছাদ থেকে ঝুলে থাকে.।


পিঁপড়াদের উপনিবেশ কোনো প্রতিকূল পরিবেশে খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হলে মধুপাত্র পিঁপড়াদের কাছ হতে মধু সংগ্রহ করে থাকে.। মধু পিঁপড়াগুলো এতটাই মূল্যবান যে অন্যান্য পিঁপড়া উপনিবেশগুলোও মাঝে মাঝে তাদের আক্রমণ করে এবং চুরি করে নিয়ে আসে.। 


মৌমাছি এবং মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু বাহ্যিক দৃষ্টিতে এক মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য আছে.। মধুপাত্র পিঁপড়ার মধুর ঘনত্ব মৌমাছির মধুর চেয়ে কম.। এছাড়া আমরা যেরকম মিষ্টি মধু খেয়ে অভ্যস্ত মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু সেরকম মিষ্টি নয়.। এমনকি এই মধুতে হালকা টক স্বাদ পাওয়া যায়.। 


এই দুই ধরনের মধুর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হল যে, পিঁপড়ার মধুতে ফ্রুক্টোজের তুলনায় গ্লুকোজ বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকে, যেখানে মৌমাছির মধুর ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ বিপরীত.। তবে উভয় ধরনের মধুতেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি.। 


Honeypot ants এর মধু কিন্তু বিভিন্ন দেশের মানুষও খেয়ে থাকে.।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...