এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাড়ি আর জমি কখনো ১০০ বছরের বেশি এক মালিক সহ্য করে না...

 বাড়ি আর জমি কখনো ১০০ বছরের বেশি এক মালিক সহ্য করে না...

ওরা নিজেরাই মালিক বদল করে।

অথবা বলুন,

আপনি বাড়ি বদলান না, বরং বাড়ি নিজেই বদলায় মালিক।


এই বাড়িটা দেখুন...

যখন এটা তৈরি হচ্ছিল, তখন এর মালিক আর তার পরিবার কত পরিকল্পনা করেছিল।

"রান্নাঘর এখানে হবে,"

"বাথরুমের আকার এমন হওয়া উচিত,"

"ড্রয়িং রুমে এই সোফাটা দারুণ মানাবে।"

এমন কত পরামর্শ, কত স্বপ্ন আঁকা হয়েছিল এই বাড়ি ঘিরে।


যখন তারা এই বাড়িতে থাকতে এসেছিল, তাদের মুখে আনন্দের দীপ্তি ছিল।

গর্ব করে অতিথিদের দেখিয়েছিল।

অতিথিরাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিল।

কিন্তু ক’দিন পরেই হয়তো সেই মালিক বদলে গেল।

অন্য কেউ এসে উঠল।

তারপর আবার কেউ নতুন মালিক হয়ে এল।

এখন এই বাড়িটা পরিত্যক্ত, ভগ্নদশায়,

কাউকে নতুন মালিক বানানোর অপেক্ষায়।


শোনা যায়,

কোনো জমি বা বাড়ি ১০০ বছরের বেশি এক মালিকের হাতে থাকে না।

ওরা নিজেরাই বদলায় মালিক।


তাই ভ্রমে থেকো না যে, তুমি জমি-বাড়ির মালিক।

বাস্তবটা হলো,

জমি আর বাড়ি নিজেরাই বদলায় তাদের মালিক।



চা তো প্রায় সকলেই প্রতিদিন খান , ফোটানো চায়ের পাতা কি ফেলে দিচ্ছেন

 চা তো প্রায় সকলেই প্রতিদিন খান , ফোটানো চায়ের পাতা কি ফেলে দিচ্ছেন? পড়ুন প্রতিবেদন টি আর ফোটানো চায়ের পাতা কাজে লাগান আজ থেকেই -


বেশিরভাগ  মানুষই ফোটানো চায়ের পাতা ফেলে দেন।  ফোটানো সেই চা পাতার গুণ সম্পর্কে খুব একটা ধারণা অধিকাংশেরই নেই।  চা পাতাগুলো দিয়ে  হয় কন্ডিশনার, এক্সফোলিয়েটর, আবার ফুলগাছের সার 

সবই তৈরি করা যায়! কীভাবে জেনে নিই।


দিনে অন্তত বার তিনেক চা বানানোই হয়। চা না খেলে সকালের শুরুটা যেমন ভাল হয় না, তেমনই সারা দিনের ক্লান্তি কাটাতেও ভরসা সেই এক পেয়ালা চা। কিন্তু চা বানিয়ে ফেলার পর ব্যবহার করা চা পাতা নিয়ে কী করেন?  কিন্তু চা পাতার এমন কিছু ব্যবহার রয়েছে, যা জানলে সত্যিই অবাক হবেন। চা পাতা ফেলে দেওয়ার কথা আর ভুলেও ভাববেন না।


পানীয় তৈরি করা ছাড়া চা পাতা আর কোন কোন কাজে লাগে?


১) সার হিসাবে:


চা পাতায় রয়েছে নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় বেশ কিছু খনিজ। এগুলি গাছের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। চা পাতা পচে মাটির সঙ্গে মিশলে উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। তবে জেনে রাখা প্রয়োজন, ফোটানো চা পাতা গরম অবস্থায় মাটিতে দেওয়া যায় না। রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে সার হিসাবে মাটিতে দেওয়া যায়।


২) দুর্গন্ধ দূর করতে:


যে কোনও দুর্গন্ধ দূর করার ক্ষমতা রয়েছে চা পাতার। ঘরের এক কোণে বা জুতো রাখার আলমারিতে চা পাতা রাখাই যায়। ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংস থাকলেও অনেক সময়ে বিশ্রী গন্ধ বেরোয়। রাসায়নিক দেওয়া সুগন্ধি না রেখে সেখানে টি ব্যাগ রাখা যেতে পারে।


৩) স্ক্রাব হিসাবে:


ফোটানো চা পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখলে তা এক্সফোলিয়েটর হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। সঙ্গে টক দই, মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তা গায়ে মাখার জন্য প্রস্তুত। ত্বকে জমা মৃত কোষ, ধুলো-ময়লার পরত সরিয়ে ফেলতে ঘরোয়া এই টোটকা দারুণ কাজের।


৪) মশা, মাছি তাড়াতে:


চা পাতায় রয়েছে ট্যানিন। এই উপাদানটি মশা, মাছি, পিঁপড়ের মতো কীটপতঙ্গ দূরে রাখে। জানলা, দরজা কিংবা হেঁশেলের তাকে চা পাতা ছড়িয়ে রাখলে সহজে পোকামাকড় আসতে পারবে না।


৫) চুলের যত্নে:


শ্যাম্পু করার পর ঠিক মতো কন্ডিশনিং না করলে চুল নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে। দোকান থেকে কেনা কন্ডিশনার না মেখে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার দিয়েও চুলের যত্ন নিতে পারেন। এই রকমই একটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হল চা পাতা। ফোটানো চায়ের পাতা সিদ্ধ করে নিন। শ্যাম্পু করার পর সেই জল দিয়ে ধুয়ে নিলে চুল মোলায়েম হয়ে উঠবে ।

( সংগৃহীত : সূত্র... আনন্দবাজার & bjn Wall))

@highlight

দেশের প্রথম ছয় লেন বিশিষ্ট সেতু মধুমতি

 দেশের প্রথম ছয় লেন বিশিষ্ট সেতু মধুমতি


বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদীর নাম মধুমতি। এর উৎপত্তি পদ্মা থেকে। ১৮৭৮  সাল থেকে একটানা প্রায় ৯ দশক যাবত যেসব নদীর বুকচিরে বরিশাল-কোলকাতা নৌপথে স্টিমার চলতো, সেগুলোর মধ্যে মধুমতিও একটি। 


স্টিমার সার্ভিস বন্ধ হয়েছে বহু বছর আগে।

তবে মধুমতির নাম মুছে যায়নি এবং এখনো প্রবহমান রয়েছে। যদিও নদীর সেই জৌলুস আর নেই। মধুমতি এখন ভিন্ন নামে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।


দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা গোপালগঞ্জ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা নড়াইলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত এই নদীতে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ৬ লেন বিশিষ্ট সেতু। 


সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাইলফলক স্থাপনকারী এ সেতু গোপালগঞ্জ ও নড়াইলের মধ্যে দূরত্ব বেশ কয়েক কিলোমিটার কমিয়ে এনেছে। ফলে সড়কপথে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল, বিভাগীয় শহর খুলনা ও আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর মোংলার দূরত্বও কমেছে।


এক_ছোট্ট_সাম্রাজ্য সময়টা ২০১২ সাল।

 এক_ছোট্ট_সাম্রাজ্য

সময়টা ২০১২ সাল। ইউরোপের কিছু আগ্রহী মানুষ হঠাৎ গিয়ে হাজির হলেন সিসিলিয়ান আইল্যান্ডে। যাবার আগে তারা শুনেছিলেন, কিন্তু সেখানে গিয়ে যা খুঁজে পেলেন তা জন্ম দিল এক নতুন ইতিহাসের। ইউরোপিয় অভিযাত্রীরা চাক্ষুস করলেন হারিয়ে যাওয়া এক প্রাচীন গ্রাম, শুধু গ্রামই নয় এক হারিয়ে যাওয়া সাম্রাজ্য। অনেক বছর আগেই এই সাম্রাজ্য আবিষ্কৃত হয়েছিল, হিসেব মতন তাও প্রায় একশো বছর আগে। তবে তা প্রচারের আলো পায়নি, ২০১২ সাল পর্যন্ত। ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের  সেই অভিযান থেকেই শুরু হয়েছিল সারা পৃথিবীর সামনে সবচেয়ে ছোট প্রাচীন সাম্রাজ্যের নিদর্শন তুলে ধরার যাত্রা।


মাত্র তেইশটা বাড়ি ছিল সেই আশ্চর্য সাম্রাজ্যে। এখনো অবধি খুঁজে পাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের মার্বেলের নমুনা রয়েছে সেই সবকটা বাড়ির আনাচে কানাচে। সিসিলিয়ান গ্রাম্য পরিবেশে ১৯শো শতকের গোড়ার দিকে আরকিওলজিস্টরা খুঁজে পেয়েছিলেন এই সাম্রাজ্য। পাহাড়ের ঢালে মাটি চাপা পড়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই একদিন নিজের অস্তিত্ব জানান দেয় এই ছোট্ট সাম্রাজ্য, যার নাম "ভিলা রোমানা দেল কাসাল"।


ঐতিহাসিকদের অনুমান আশ্চর্য এই সাম্রাজ্য তৈরি হয়েছিল আনুমানিক তৃতীয় থেকে চতুর্থ শতকের মাঝামাঝি কোনও এক সময়ে। ধ্বংস হয়ে যাবার পর প্রায় সাতশো বছরেরও বেশি সময় ধরে তা মাটিচাপা অবস্থায় পড়েছিল সিসিলিয়ান আইল্যান্ডের পাহাড়ের ঢালে। প্রাচীন রোমের সবচেয়ে ধনী কয়েকটি পরিবার মিলে স্থাপন করেছিল এই সাম্রাজ্য, গোপনে। উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের গোপন ধনসম্পত্তি এবং অনৈতিক জীবন যাপনকে রোমান সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে রাখা।  সেই সময়ের পৃথিবীর অন্যান্য বেশিরভাগ অঞ্চলের তুলনায় সিসিলিয়ান এই ছোট্ট গ্রামের বৈভব ছিল চোখে পড়ার মতন। পরবর্তীকালে রোমান সিনেট এবং সাম্রাজ্যের নজর পড়ে এই ছোট্ট গ্রামটির উপর। বিশেষ করে রাজনৈতিক কারণে, ক্ষমতা দখলের ঠান্ডা লড়াইকে কেন্দ্র করে। পাহড়ের গায়ে গড়ে ওঠা এখানকার অট্টালিকাগুলি ক্ষমতাশালী রোমানদের ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠেছিল। তারাও এখানকার অপরূপ প্রকৃতির মোহে আবিষ্ট হয়ে ছুটে আসে এই গ্রামে। 


ইতিহাস জানে, এই সাম্রাজ্য দেখেছে বিখ্যাত সেই রোমান সাম্রাজ্যের পতন। নিজের শরীর দিয়ে সহ্য করেছে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প, বন্যা এবং আগুনের প্রতাপ। যদিও রোমান সাম্রাজ্যের শত্রুরা এর  খোঁজ পায়নি কখনও।  অবশেষে ১১৬৯ সালে এক মারাত্মক ভূমিকম্পে প্রায় ধংসস্তুপে পরিণত হয় এই ঐতিহাসিক জায়গাটি। 


১৯শো শতকের গোড়ার দিকে এই সাম্রাজ্য যখন পুনোরুদ্ধার করা হয় তখন মাটির তলা থেকে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসে প্রায় পঞ্চাশটি ঘর এবং  বিশাল আকারের স্নানাগার সমেত এক রাজকীয় অট্টালিকা। পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের মার্বেল এবং পাথরের কারুকার্য খুঁজে পাওয়া গেছে সেই অট্টালিকায়। তার প্রতিটি কোনায় খুঁজে পাওয়া যায় সেই সময়ের সমৃদ্ধশালী আর্টের নমুনা।


প্রাচীন আর্টের এই নমুনাগুলোতে কোথাও দেখতে পাওয়া যায় সেই সময়ের দৈনন্দিন জীবনের চিত্র, কোথাও শিকারকৃত অবস্থায় জন্তু জানোয়ারের ছবি, আবার কোথাও হোমারের মহাকাব্য। মার্বেলের উপর দক্ষতার সাথে সমস্ত কিছুর সচিত্র বিবরণ খুঁজে পাওয়া যায়।  


তবে রহস্যের ব্যাপার হল ইউরোপের মাঝ বরাবর অবস্থিত রোমান অধ্যুষ্যিত এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের শিল্পে আফ্রিকান প্রভাব চোখে পড়ার মতন। ঐতিহাসিকরা মনে করেন আফ্রিকান, বিশেষ করে ইজিপ্সিয়ান এবং নিউবিআন কারিগররাই বানিয়েছিলেন এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের সবকিছু। তারাই ছিল এর আর্কিটেক্ট থেকে কারিগর। আসলে সেই সময়ে মূলত আফ্রিকা থেকে ক্রীতদাস সংগ্রহ করে আনা হত ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায়। তারা বিভিন্ন শিল্পকর্মেও অত্যন্ত দক্ষ ছিল। তারাই নিজেদের কাজের গুনে এই সাম্রাজ্যকে স্থাপত্যের উৎকর্ষে পৌঁছে দিয়েছিলো।


১৯শো শতকের গোঁড়ায় খুঁজে পাবার পর থেকেই এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের উপর চলেছে নানান গবেষণা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের তত্ত্বাবধানে তার পরিচর্যাও চলেছে সমান তালে। অবশেষে ২০১২ সালে ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের অভিযানের  পর থেকেই সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে জায়গাটি। ইউনেস্কো একে হেরিটেজ সাইটের মর্যাদাও দিয়েছে। এই সাম্রাজ্যের কারিগরদের আসল ইতিহাস জানা যদিও এখনও বাকি রয়েছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি আমরা সেই সত্যও জানতে পারবো। মর্যাদা দিতে পারবো নামগোত্রহীন সেই সমস্ত সৃষ্টিকর্তাদের।

Collected





দারুন লোভনীয় টমেটো পরোটা বানানোর পদ্ধতি

 🌿 দারুন লোভনীয় টমেটো পরোটা বানানোর পদ্ধতি: ❤️


🍁☘️ উপকরণ:

• ৩টি টমেটো

• ১.৫ কাপ আটা

• ১ টুকরো আদা

• ৪-৫ কোয়া রসুন

• ২-৩টি কাঁচা লঙ্কা

• ২ টেবিল চামচ ধনে পাতা কুচি

• ৭ টেবিল চামচ সাদা তেল

• স্বাদ মত নুন


🍁☘️ প্রস্তুত প্রণালী:

🌿 1. টমেটো ফালি করে কেটে নিতে হবে। সঙ্গে আদা, রসুন কোয়া, নুন ও কাঁচা লংকা মিক্সার এ পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। আটা তে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনো করে মেখে নিতে হবে। আটা কিছু টা ঝুরঝুরে হয়ে যাবে। টমেটো পেস্ট আটা তে যোগ করে মেখে নিতে হবে। এখানে কোনো প্রকার জল ব্যবহার হবে না। প্রয়োজনে বাড়তি আটা ব্যাবহার করতে হবে কারন সব টমেটোর রস সমান হয় না।


🌿 2. আটা মেখে নিয়ে সমান ভাগে লেচি কেটে নিতে হবে। পছন্দমত আকারে বা সাইজে পরোটা বেলে নিতে হবে।


🌿 3. তাওয়া গরম করে দুই পিঠ সেঁকে নিতে হবে ১ টেবিল চামচ তেল দুই পিঠ। পরোটা যাতে গরম থাকে ক্যাসারোল এ নীচে টিস্যু পেপার রেখে পরোটা রেখে দিতে হবে যদি সঙ্গে না খাওয়া হয়। আচার, যে কোনো সব্জি বা মাংস দিয়ে পরিবেশণ করা যায় এই পরোটা।


#rumisrecipes #viralpost #viralpost2024 #paratha

যে যে সার একত্রে মেশানো যাবে না। 

 ⛔ যে যে সার একত্রে মেশানো যাবে না। 

গাছ বা ফসলের জন্য সার মেশানোর সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি, কারণ কিছু সারের মিশ্রণে পুষ্টি কমে যেতে পারে। নিচে এমন কিছু সার উল্লেখ করা হলো, যেগুলো একসাথে মেশানো উচিত নয়।


✡✡ কোন সারের সাথে কোন সার মেশাবেন না


✡✡ সুপারফসফেটঃ এটি কখনোই প্ল্যান্ট অ্যাশ, চুন নাইট্রোজেন বা চুনের সাথে মেশাবেন না। এতে থাকা অ্যাসিড এই উপাদানগুলোর সাথে প্রতিক্রিয়া করে সারের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে।


✡✡  অ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেটঃ এটি ব্যাকটেরিয়া ভিত্তিক সারের সাথে মেশালে অ্যামোনিয়া গ্যাস বের হয়, যা গাছের জন্য ক্ষতিকর জীবাণু নষ্ট করে দেয়।


✡✡  ফসফেট সারঃ ফসফরাস ও জিংক মেশালে জিংক ফসফেট তৈরি হয়, যা গাছের পুষ্টি শোষণে বাধা সৃষ্টি করে।


✡✡  অ্যালকালাইন সার (যেমন প্ল্যান্ট অ্যাশ): এটি অ্যামোনিয়াম সালফেট বা ক্লোরাইডের সাথে মেশালে নাইট্রোজেন ক্ষতি হয়, যা গাছের জন্য ক্ষতিকর।


✡✡  জৈব সারঃ রাসায়নিক সারের সাথে জৈব সার কখনোই মেশাবেন না, কারণ রাসায়নিক উপাদানগুলি জৈব সারের কার্যকারিতা নষ্ট করে।


✡✡  মিশ্রণের আগে সতর্কতা👉


মিশ্রণের আগে প্যাকেটের নির্দেশনা ভালোভাবে দেখে নিন এবং পরীক্ষামূলকভাবে অল্প পরিমাণ মিশিয়ে নিশ্চিত হন। যদি মিশ্রণের পর দুধের মতো সাদা হয়ে যায়, তবে সেই মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না।


এই ছোট ছোট সতর্কতা গুলো মেনে চললে আপনার সারের কার্যকারিতা বেড়ে যাবে, ফলে ঘন ঘন সার প্রয়োগ করতে হবে না ।

[সংগৃহীত]

[গুরুত্বপূর্ণ তথ‍্য পেতে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন]  

ধন‍্যবাদ

#chemical #mixture  #corn  #trees #everyone #chemicalseekers #everyonefollowers

নেতৃত্বের গল্প: যেখানে অভিজ্ঞতা মেলে সাফল্যের চাবিকাঠি 

 🌟 নেতৃত্বের গল্প: যেখানে অভিজ্ঞতা মেলে সাফল্যের চাবিকাঠি 🌟

প্রতিটি সফল যাত্রার পেছনে থাকে একজন শক্তিশালী নেতা। আমাদের ক্যাডেট প্রিপারেশন কোর্সের সেই নেতা হলেন BRIG. GEN. DR. A.K.M IQBAL AZIM (Retd)—একজন নেতা যিনি শুধু শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন নয়, তাদের অনুপ্রাণিত করেন এবং তাদের প্রতিভা উন্মোচনে সহায়তা করেন। তাঁর দীর্ঘ চার দশকের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলোকিত করে তোলার প্রেরণা দেয়।

💡 চেয়ারম্যানের অসাধারণ পটভূমি:

Ex-Cadet, Rajshahi Cadet College – ক্যাডেট জীবনের শুরু এখান থেকেই, যেখানে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের পাঠ নিয়েছিলেন।

প্রাক্তন প্রিন্সিপাল, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ – শিক্ষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও ছাত্রদের সাফল্যের জন্য অবিরাম চেষ্টা।

প্রাক্তন ডিন, FASS (BUP) – শিক্ষা ও প্রশাসনে শক্তিশালী ভূমিকা রেখে, প্রতিষ্ঠানকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর দৃষ্টিভঙ্গি।

ndc, psc, G+, MBA, MDS, MST ডিগ্রিধারী – তাঁর শিক্ষা ও বুদ্ধিমত্তা শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত।

💡 কেন তিনি অতুলনীয়?

একাডেমিক এবং ক্যাডেট জীবনের সমন্বিত প্রস্তুতির জন্য তাঁর অভিজ্ঞতা অপরিসীম।

একজন নেতা হিসেবে, তিনি শুধু নির্দেশনা দেন না, বরং প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি উদ্ভাবন করেন।

তাঁর শৃঙ্খলাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি এবং দৃঢ়তার সাথে, তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একসাথে পথচলার সাহস এবং আত্মবিশ্বাস দেন।

বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একজন প্রাক্তন ডিন, যার প্রতি শ্রদ্ধা এবং আস্থা অসীম।

✨ তাঁর নেতৃত্বের মধ্যে রয়েছে এমন এক শক্তি, যা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের সাফল্যের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।

📢 আপনার সন্তানের জন্য সেরা সুযোগ এখনই!

আজই যোগাযোগ করুন এবং সফলতার যাত্রায় অংশ নিন।

📞 01315851280

🌐 www.edupybd.com/en

✨ আপনার সন্তানের জন্য সেরা প্রস্তুতি, এখনই নিশ্চিত করুন! ✨

আমেরিকার ওয়াইওমিংয় অঙ্গরাজ্যের আই-৮০ নামক হাইওয়ের এই অংশটি 'হাইওয়ে টু হেভেন বা স্বর্গের মহাসড়ক' নামে পরিচিত 

 আমেরিকার ওয়াইওমিংয় অঙ্গরাজ্যের আই-৮০ নামক হাইওয়ের এই অংশটি 'হাইওয়ে টু হেভেন বা স্বর্গের মহাসড়ক' নামে পরিচিত কারন রাস্তাটি এখানে এমনভাবে উপরে উঠে গেছে দেখে মনে হবে যে এটি গিয়ে আকাশ স্পর্শ করেছে, এরকম একটি অত্যাশ্চর্য ভিজ্যুয়াল এফেক্ট তৈরি করে! 

প্রসারিত এই এলাকাটি ঘূর্ণায়মান এবং অসমতল পাহাড় এবং বিস্তৃত সমভূমির মত নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বেশ পরিচিত! 


আর দুই হাজার নয়শ মাইল (৪৬৬৭ কিলোমিটার) দীর্ঘ আই-এইটটি নামক এই হাইওয়েটি সেই নিউ জার্সি থেকে শুরু হয়ে ১১টি স্টেট পারি দিয়ে ক‍্যালিফোর্নিয়াতে গিয়ে পৌঁছেছে! এটি ঐতিহাসিক লিঙ্কন হাইওয়ের পথ অনুসরণ করে তৈরী হয়েছে যা ছিলো আমেরিকার প্রথম মহাসড়ক!

ইন্টারনেটের হোক সঠিক ব্যবহার নূরে আলম প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪,  অন্তর্জাল জ্ঞানের আধার।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🟩🟥  ইন্টারনেটের হোক সঠিক ব্যবহার

নূরে আলম

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, 

অন্তর্জাল জ্ঞানের আধার। হাতের মুঠোয় এখন বিশ্বের তথ্য। তথ্যপ্রযুক্তির এই অগ্রগতি শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণকর। তবে অতিরিক্ত ও অসচেতন ব্যবহার ডেকে আনতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। লিখেছেন নূরে আলম


🟩🟥  ভারসাম্য আনো


চিরায়ত শিক্ষা, যেটি আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখে থাকি ইন্টারনেট থেকে, প্রাপ্ত জ্ঞান তাকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না। কারণ ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য আছে কিন্তু কোন তথ্য সত্য আর কোনটি মিথ্যা বা কোনটি কোন বয়সের মানুষের জন্য উপযোগী তা আমাদের শেখায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাগ্রহণকে অস্বীকার না করে বরং সে বিষয়কেই আরও বেশি করে জানতে ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া যায়। এতে বাস্তবের শিক্ষা ও অন্তর্জালনির্ভর শিক্ষার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় থাকবে।


🟩🟥  নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো


ছাত্রজীবন হচ্ছে জীবনে নতুন কিছু শেখার শ্রেষ্ঠ সময়। ইন্টারনেটের ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কিছু শিখতে পারো। হাতের কাছে ইউটিউব রয়েছে। এমন কোনো বিষয় নেই, যা সম্পর্কে ইউটিউবে ভিডিও নেই। গ্রাফিক ডিজাইন, ফটোশপের ব্যবহার, ভিডিও এডিটিং, সায়েন্স প্রজেক্ট নির্মাণ, ইংরেজিতে কথা বলা, ছবি আঁকা, সেলাইয়ের কাজ, রান্না শেখাসহ তোমার যা শিখতে ইচ্ছা করে তা সার্চ করে ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারো।

The Great Bangladesh 


🟩🟥  সংবাদপত্র পড়ো


দেশ, সমাজ ও বিশ্ব সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে সংবাদপত্র পড়ার কোনো বিকল্প নেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করেও সংবাদপত্র পড়তে পারো। এজন্য যে পত্রিকা পড়তে চাও তার ই-পেপার ভার্সন সার্চ করলে সহজেই পেয়ে যাবে। এ ছাড়া প্রতিদিনের সাম্প্রতিকতম খবর জানতে পছন্দের নিউজপেপারের অনলাইন পোর্টালেও একবার করে ঢু মারতে পারো।


🟩🟥  পছন্দের বই পড়ো


ইন্টারনেটে নিজের পছন্দের বইয়ের নাম লিখে সার্চ করে বইয়ের পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে পারো। টেক্সট বই থেকে শুরু করে গল্প, কবিতা, উপন্যাস এবং আত্ম-উন্নয়নসহ অনেক বই খুঁজে পাবে। একটা চীনা প্রবাদে আছে, ‘একটা ভালো বই পড়া মানে নিজের বুকের ভেতর সবুজ বাগান স্থাপন করা’। তাই সরাসরি বই কিনতে না পারলেও ঘরে বসে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে পড়তে পারো পছন্দের বই।


🟩🟥  ইন্টারনেট হোক নিরাপদ


ইন্টারনেটের ভালো ও মন্দ দুটো দিকই রয়েছে। মন্দ দিকটি পরিহার করে নিজেকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে। বিভিন্ন রটনা সৃষ্টকারী তথ্য, বাজে ভিডিও বা অশ্লীল কনটেন্ট থেকে নিজেকে দূরে রাখবে। যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই করে নেব। সত্যতা যাচাই ছাড়া হুজুগে পড়ে কোনো তথ্য শেয়ার করবে না।


🟩🟥  অযথা সময় নষ্ট নয়


বর্তমান সময়ে সন্তানের প্রতি অধিকাংশ বাবা-মায়ের একটাই অভিযোগ, ছেলেমেয়েরা বেশিক্ষণ মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এটা শুনে হয়তো তোমরা অনেকেই রাগ করো। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবে, বাবা-মা কখনো সন্তানের মন্দের জন্য কিছু বলেন না। নেটদুনিয়ার প্রতি অধিক আসক্তি আমাদের মগজকে সময়জ্ঞানশূন্য করে তোলে। যার ফলে আমরা ফেসবুকে বন্ধুদের সঙ্গে অযথা খোশগল্প, নিউজফিডে স্ক্রলিং বা ইউটিউবে একটার পর একটা ভিডিও দেখায় মেতে থাকি। এভাবে যে আমাদের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যায়, তা আমরা বুঝতেই পারি না। তাই ইন্টারনেটে অযথা সময় নষ্ট করবে না। জরুরি কাজগুলো সেরে অনলাইন থেকে বিদায় নেবে।


🟩🟥  খেলাধুলা ইন্টারনেটে নয়


অনেকেই ইন্টারনেটেই অ্যাপসভিত্তিক বিভিন্ন খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এটি ভীষণ ক্ষতিকারক। এতে সময় অপচয় ঘটায়। মেজাজ খিটখিটে করে ফেলে। মনোযোগ কমিয়ে দেয়। তা ছাড়া অনেক অ্যাপসে অবৈধ জুয়ার আয়োজন থাকে। এতে জড়িয়ে পড়লে আর্থিক ক্ষতিও হতে পারে। এগুলো তাই এড়িয়ে চলতে হবে। আর লুডু বা সিওসি বা অন্য যেকোনো খেলা যদি অনেক বেশি সময় ধরে খেলা হয়, তাহলে চোখের ক্ষতি হয়। ব্যাকপেইন, মাসলপেইন ইত্যাদি হতে পারে। এর থেকে খেলার মাঠে খেললে শরীর ভালো থাকে। নতুন নতুন বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পেশি সঞ্চালিত হয় বলে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। তাই ইন্টারনেটে খেলা থেকে মাঠে খেলার অভ্যাস করো।


🟩🟥  ভাষা শেখো


ইউটিউবে রয়েছে যেকোনো ভাষা শেখার অনেক অনেক ভিডিও। প্রাথমিকভাবে সেখান থেকে শিখতে পারো। তারপর সেই ভাষা শেখার জন্য খুঁজে নিতে পারো পছন্দের অনলাইন কোর্স। এমন কোর্সের সংখ্যা কম নয়। অনলাইনের কোর্স বলে যাতায়াতের ঝামেলা নেই। এমনকি দেশের বাইরের কোর্সও করতে পারো ইচ্ছে করলেই। পরীক্ষার ব্যবস্থাও থাকে অনলাইনেই। এর মাধ্যমে পাবে সনদও। নতুন একটি ভাষা শিখলে সহজেই অন্য দেশে পড়ার সুযোগ থাকে। তাই ইন্টারনেটে ভাষা শেখার সুযোগটি নিতে পারো।


সোর্স দেশ রুপান্তর

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আজব_এক_গ্রাম এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। 

 #আজব_এক_গ্রাম

এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। সময়টা খ্রিস্টপূর্ব আটশো বছর আগে। তিন হাজার বছর পর আজও খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রাচীন ঘরগুলোর অস্তিত্ব।

ইরানের উত্তর দিকে সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম মেয়মাদ যেখানে আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগে প্রাণের দায়ে পালিয়ে আসা কিছু মানুষ নিজেদের বসবাসের জন্য বানিয়েছিলো কিছু ঘর। পাহাড়ের গায়ে ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়া শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে তারা তৈরি করেছিল বেশ কিছু ঘরবাড়ি, এই গ্রাম। তাদের কাছে পাথর ভেঙে ঘর বানানোর কোনো সরঞ্জাম ছিল না। তারা কেউ স্থপতি ছিল না। তারা প্রত্যেকেই ছিল শাসকের তাড়া খাওয়া সাধারণ মানুষ। তবুও কোনো এক আশ্চর্য শক্তির বলে তারা এই কাজ করে দেখিয়েছিলো। বোধহয় সেই শক্তিরই অপর নাম প্রাণ শক্তি।

২০১২ সালে এই অঞ্চলে এক্সক্যাভেশনের সময় নতুন করে খুঁজে পাওয়া যায় এই গ্রামের অস্তিত্ব। খননকার্য থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস হয়, এই গ্রামে প্রথমবার মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিলো প্রায় বারো হাজার বছর আগে। তারপর কোনও অজ্ঞাত কারণে তাদের বসতি অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়। আস্তে আস্তে তাদের বসতি কালের গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

তবে তিন হাজার বছর আগে মানুষ নতুন করে এখানে এসে বসবাস শুরু করে। তারই অস্তিত্ব আজও গ্রামটির বুকে বর্তমান রয়েছে। তবে কালেরই কোনো অজ্ঞাত খেলার কারণে সেই বসতিও এই গ্রামে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কিন্তু কেন? তাও এক রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির বুকে। 

সূত্রঃ অন্তর্জাল

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...