এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

৫ মিনিটের পাঁচটি গল্প আপনার জীবন বদলে দিবে

 ♦ গল্প-১

বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে।

ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন, ‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’

বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা।

শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।

বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’

‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে।

‘ও’, বললেন বাবা, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’

♥ শিক্ষণীয় বিষয়

আপনার ধারদেনার তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।


♦ গল্প-২

সেলসম্যান, অফিস ক্লার্ক ও ম্যানেজার দুপুরে খেতে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁরা একটি পুরোনো প্রদীপ পেলেন।

তাঁরা ওটাতে ঘষা দিতেই দৈত্য বের হয়ে এল।

দৈত্য বলল, ‘আমি তোমাদের একটি করে ইচ্ছা পূরণ করব।’

‘আমি আগে! আমি আগে!’ বললেন অফিস ক্লার্ক, ‘আমি বাহামা সমুদ্রপারে যেতে চাই, যেখানে অন্য কোনো ভাবনা থাকবে না, কাজ থাকবে না।’

‘ফুঃ...!!’ তিনি চলে গেলেন।

‘এরপর আমি! এরপর আমি!’ বললেন সেলসম্যান, ‘আমি মায়ামি বিচে যেতে চাই, যেখানে শুধু আরাম করব।’

‘ফুঃ...!!’ তিনিও চলে গেলেন।

‘এখন তোমার পালা’, দৈত্য ম্যানেজারকে বলল।

ম্যানেজার বললেন, ‘আমি ওই দুজনকে আমার অফিসে দেখতে চাই।’


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

সব সময় বসকে আগে কথা বলতে দেবেন। তা না হলে নিজের কথার কোন মূল্য থাকবে না।


♦ গল্প-৩

একটি ইগল গাছের ডালে বসে আরাম করছিল।

এমন সময় একটি ছোট খরগোশ ইগলটিকে দেখে জিজ্ঞেস করল, ‘আমিও কি তোমার মতো কিছু না করে এভাবে বসে আরাম করতে পারি?’

ইগল উত্তর দিল, ‘অবশ্যই, কেন পারবে না।’

তারপর খরগোশটি মাটিতে এক জায়গায় বসে আরাম করতে থাকল। হঠাত্ একটি শিয়াল এসে হাজির, আর লাফ দিয়ে খরগোশকে ধরে খেয়ে ফেলল।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

যদি কোনো কাজ না করে বসে বসে আরাম করতে চান, তাহলে আপনাকে অনেক ওপরে থাকতে হবে।


♦ গল্প-৪

একটি মুরগি ও একটি ষাঁড় আলাপ করছিল।

‘আমার খুব শখ ওই গাছের আগায় উঠব, কিন্তু আমার এত শক্তি নেই’, মুরগিটি আফসোস করল।

উত্তরে ষাঁড়টি বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমার গোবর খেয়ে দেখতে পার, এতে অনেক পুষ্টি আছে।’

কথামতো মুরগি পেট পুরে গোবর খেয়ে নিল এবং আসলেই দেখল সে বেশ শক্তি পাচ্ছে। চেষ্টা করে সে গাছের নিচের শাখায় উঠে পড়ল।

দ্বিতীয় দিন আবার খেল, সে তখন এর ওপরের শাখায় উঠে গেল।

অবশেষে চার দিন পর মুরগিটি গাছের আগায় উঠতে সক্ষম হলো।

কিন্তু খামারের মালিক যখন দেখলেন মুরগি গাছের আগায়, সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলি করে তাকে গাছ থেকে নামালেন।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

ফাঁকা বুলি (বুল শিট) হয়তো আপনাকে অনেক ওপরে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনি বেশিক্ষণ ওখানে টিকে থাকতে পারবেন না।


♦ গল্প-৫

একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল।

যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল।

এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।

২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।

৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।

স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ এর যাদুতে তিনটা লক্ষ্মণ বেশি দেখা যায়!

  🖤🍁স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ এর যাদুতে তিনটা লক্ষ্মণ বেশি দেখা যায়!


যে ব্যক্তি যাদু করে সে আপনার আশেপাশের আপনার আপনজন,এসব করা হয় হিংসা,লোভ, অহংকার থেকে। আর সে ব্যাক্তি তখন আপনার সাথে অনেক ভালো ব্যবহার করবে, আপনি মনে করবেন তার চেয়ে আর ভালো মানুষ নেই। তার মতো খেয়াল আর কেউ রাখতে পারবে না আপনার।🖤


যে ব্যক্তি যাদু করে সে আপনাকে অনেক কিছু খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরের মধ্যে জ্বীন প্রবেশ করায়। যদি খাওয়াতে না পারে তাহলে আপনার শরীর যেভাবে হোক স্পর্শ করবে। যারা যাদু করে তাঁরা প্রথম পর্যায়ে বেশিরভাগ সময় আপনাকে যেকোনো খাবারের সাথে তেল পড়া,পানি পড়া,লেবু পড়া,ডিম পড়া,চিনি পড়া,লবন পড়া মিশিয়ে খাওয়াবে।


দ্বীতিয় পর্যায়ে, আপনার কাপড়ের কিছু অংশ কেটে নিবে, তারপর আপনার বাড়ির চারপাশে একটা যায়গাতে আপনার চুল অথবা নখ পুঁতে রাখবে।অথবা আপনি দেখতে পাবেন আপনার মাথায় কোন এক অংশে চুল নেই কারণ জ্বীনের মাধ্যমে আপনার চুল নিয়ে নিয়েছে।


তৃতীয় পর্যায়ে পুতুলের মধ্যে সুঁই গেঁথে, আপনার বাড়ির মধ্যে অথবা নদীতে ঐ পুতুল ফেলে দিবে। মেয়েদের পিরিয়ডের প্যাড অথবা কাপড় কেটে জ্বীন কে দিয়ে দিবে কারন জ্বীন সাধারণভাবে রক্তের পাগল।🖤


1️⃣ হঠাৎ সুস্থ মানুষ স্বামীর দিক থেকে অথবা স্ত্রী দিক থেকে প্রচুর রাগারাগি,দেখতে না পারা,ঘৃণা করা,স্ত্রীর কথা শুনলে তেলেবেগুনে রাগে টইটুম্বুর হয়ে যায় স্বামী..সেইম স্ত্রীর ক্ষেত্রেও,কথায় কথায় ডিভোর্স চাওয়া। 


2️⃣ সহবাসের প্রতি অনীহা এবং ফিলিংস হারিয়ে ফেলা স্বামীর দিক থেকে/স্ত্রীর দিক থেকে স্বামী। অথচ পূর্বের সুস্থ অবস্থায় সম্পর্ক অনেক সুন্দর ছিল এবং সহবাস এর প্রতি প্রচুর ফিলিংস কাজ করত..কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার পরে ধীরে ধীরে ফিলিংস নষ্ট হতে থাকে,(মৃত ব্যক্তি শুয়ে থাকলে যেরকম অনুভব করে সেইম অনেক পেশেন্ট এরকম অনুভব করে) এডাল্ট বয়স হওয়া সত্বেও একে অপরে শরীরে স্পর্শ করলে বিরক্ত হয়ে যাওয়া বা মারামারি-ভাঙচুর পর্যন্ত হয়।এডাল্ট বয়স হওয়া সত্বেও অনেক স্বামী ও স্ত্রী সহবাস এর কাজকে অহেতুক বা প্রয়োজন এর বাহিরে কিরকম যেনো ঘৃণা ঘৃণা অনুভব করে..(অথচ পুরুষ ঘরের বাহিরে ঠিকি আকর্ষন অনুভব করতেছে কিন্তু ঘরে ঢুকে স্ত্রীর কাছে গেলেই সকল ফিলিং নষ্ট হয়ে যায়)। স্ত্রীর দিক থেকেও ফিলিংস কাজ করে না। 


যেকোনো  একটা সমস্যার কারনে  পুরো গল্পটা  এখানে দেয়া জাচ্ছে না তাই কমেন্টে দেয়া ইছে.?

মেটে চচ্চড়ি'- অল্প মশলায় দারুন স্বাদ

 'মেটে চচ্চড়ি'- অল্প মশলায় দারুন স্বাদ


শোনা যায়,সত্যজিৎ রায়ের খুব প্রিয় খাবার ছিল এই মেটে চচ্চড়ি। তিনি নিজে পরীক্ষা মুলকভাবে মেটে চচ্চড়ি রান্না করতেন। প্রতিদিন মাংসের কষা আর কারি মুখে ভালো নাই লাগতে পারে। তাই এবার আপনার রেসিপি হোক অল্প আয়োজনে মেটে চচ্চড়ি। 


  উপকরণ -


* মেটে -২৫০ গ্রাম


* আলু - ২৫০ গ্রাম


* মশলা - গুঁড়ো মশলা - জিরে,লঙ্কা,হলুদ


* অন্যান্য মশলা - শুকনো লঙ্কা,গোটা গরম মসলা


* এ ছাড়া পেয়াঁজ কুচি,আদা কুচি,রসুন কুচি ,তেজ পাতা,জল,ঘি ও তেল


  প্রণালী - 


  প্রথম পর্ব - আলু চৌকো করে কেটে নিন, পেয়াজ রসুন আদা সব ঝিরিঝিরি করে কাটুন। একটু জিরা এবং লঙ্কা গুঁড়ো গরম জল এ ভিজিয়ে রাখুন। আগে আলু ভেজে তুলে রাখুন।


  দ্বিতীয় পর্ব - কুকারে তেল দিয়ে আলু ভেজে তুলে নিয়ে তাতে তেজপাতা,শুকনো লঙ্কা দিয়ে থেতো করে রাখা এলাচ দারচিনি দিয়ে দিন। এবার পেঁয়াজ দিন। বেশ লালচে হলে আদা রসুন লঙ্কা কুচি দিয়ে দিন। দিতে পারেন টম্যাটোও। তারপর জিরে গুঁড়োটা দিন৷ সব একটু নেড়ে মেটে দিয়ে গ্যাস কমিয়ে কষুন।


  তৃতীয় পর্ব - এরপর মেটে দিয়ে কষুন। তেল বেরিয়ে এলে সামান্য জল দিয়ে ফুটিয়ে ঘি গরম মশলা দিয়ে পরিবেশন করুন মেটে চচ্চড়ি।

গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি

 🥰গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি 🥰


🌹গরুর মাংস- ২ কেজি

আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

ধনিয়া গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ

জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ

সবুজ এলাচ- ৪টি

তারা মৌরি- ১টি

তেজপাতা- ২টি

দারুচিনি গুঁড়া- কোয়ার্টার চা চামচ

পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ

মরিচ গুঁড়া- দেড় টেবিল চামচ

চিনি- ১ টেবিল চামচ

লবণ- স্বাদ মতো

সরিষার তেল- ২ টেবিল চামচ


🌹কালাভুনার বিশেষ মসলা তৈরির উপকরণ

লবঙ্গ- ৭-৮টি

গোলমরিচ- ১০-১২টি

জয়ত্রী- অর্ধেক

রাঁধুনি জিরা- ১ চা চামচ

কালোজিরা- ২ চা চামচ

অন্যান্য উপকরণ

সয়াবিন বা সরিষার তেল- ১ কাপ

শুকনা মরিচ- ৫টি

মিহি পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ


🌹প্রস্তুত প্রণালি

মাংসের মসলা তৈরির সব উপকরণ একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন। মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে হাঁড়িতে নিতে নিন। মাংস মাখার সব উপকরণ ও কালাভুনার মসলা দিয়ে মাংস মেখে আধা কাপ পানি যোগ করুন। হাঁড়ি ঢেকে চুলায় দিয়ে দিন। ৪৫ মিনিটের মতো মিডিয়াম থেকে সামান্য বেশি আঁচে রান্না করুন মাংস। মাঝে মাঝে নেড়ে দেবেন। ৪৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।  

চুলায় প্যান চাপিয়ে তেল দিন শুকনা মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে গেলে রান্না করে রাখা মাংস দিয়ে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দেবেন। ৫ মিনিট কষিয়ে নিন মাংস। আধা কাপ পানি দিন। চুলার আঁচ সামান্য বাড়িয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। পানি শুকিয়ে তেল ভেসে উঠলে চুলা বন্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে। কালা ভুনা রেডি। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। 

©️

ভালো লাগলে শেয়ার করে রেখে দিবেন আপনার আইডিতে পড়ে কাজে লাগতে পারে ধন্যবাদ 💝

,

,


শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ

 শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ


১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!"

এখানে শির্ক কোথায় হলো? 

আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কুফুরীর পর্যায়ে পড়ে যায়। 

এই অবস্থায় যা বলতে হতো-

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম। 


২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। "

এটা কেন শির্ক হবে? 

কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে। 

এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি। 


৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।"

এখানে শির্ক কোথায় হলো? 

এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না। 


৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি"

এখানে কোথায় শির্ক হলো? 


এখানে সুস্থতার জন্যে ডাক্তার ও ওষুধের গুণগান করা হলো, তাদেরকে কৃতিত্ব দেওয়াতে এটা শির্ক হয়ে গেল। 

এই অবস্থায় কি বলা দরকার ছিলো? 

মাশাআল্লাহ, উনি খুব ভালো ডাক্তার ছিলেন, আল্লাহ এক ডোজ ওষুধেই আমাকে ভালো করে দিয়েছেন ।‌


৫- "আপনি ছিলেন বলে, তা না হলে আমি শেষ হয়ে যেতাম"

এখানে কিভাবে শির্ক হলো? 


এখানেও আল্লাহর কোন উল্লেখ করা হয়নি। সব কৃতিত্ব আপনাকেই দেয়া হয়েছে। 

এখানে বলা উচিত ছিলোঃ

আল্লাহর রহমতে আপনি ছিলেন বলে, তা না হলে আমি হয়ত শেষ হয়ে যেতাম। 


এভাবে আমাদের অজান্তেই অনেক কিছু বলে ফেলি ও ভাবি যা আমাদেরকে মুশরিক বানিয়ে ফেলে। 

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং সকল প্রকার শির্ক, নিফাক ও বিদয়াত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।(সংগ্রীহিত)।

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

 যার সামনে তুমি পুরোপুরিভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি। 

একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।

.

কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।

.

কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।

.

সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।

.

ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।

.

তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী? 

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।

সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।

.

সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন? 

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।

অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

.

সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। 

যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।

.

সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।

তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।

.

সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?

.

সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব? 

মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন

হাজার বছর ধরে "কে সেলুলয়েডে রুপ দেবেন

 উপন্যাসের লেখক 

'জহির রায়হান' এর স্ত্রী অভিনেত্রী কোহিনূর আক্তার সূচন্দা সিদ্ধান্ত নেন স্বামীর কালজয়ী উপন্যাস

"হাজার বছর ধরে "কে সেলুলয়েডে রুপ দেবেন।


সব ঠিকঠাক,

মন্তুু চরিত্রে সূচন্দার'ই কাজিন অভিনেতা রিয়াজকে

কাস্ট করেন।

রিয়াজ আবার আর্ট ফিল্মে ভাল অভিনয় করে।

টুনি চরিত্রে কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই শাবনূরকে 

অফার করেন।

কারণ,

টুনি চরিত্রটি যখনই সেলুলয়েডে কল্পনা করা হয় তখন

শাবনূরের বিকল্প কাউকে চিন্তা করা যায়না।

ছটফটে তরুণী থেকে বিধবা বৃদ্ধা। এসব খোলস পাল্টানো অভিনয় শাবনূর ভাল পারবে।


কিন্তু রিয়াজের সাধে ঝামেলা থাকায় শাবনূর কোনো ভাবেই রাজি হয়নি।

পরে শশীকে কাস্ট করা হয়।

উপন্যাসের সাথে মিল রাখতে গিয়ে ও সম্পূর্ণ গ্রামীণ

ছাপ রাখতে পরিচালক সূচন্দা বিদ্যুৎ বিহীন গ্রাম

খুঁজে বের করেন।যা খুব কষ্টসাধ্য ছিল।

উল্লেখিত উপন্যাসের সাথে ঋতু মিল রাখতে গিয়ে ও শিডিউল সমস্যায়,

প্রায় ৩ বছর লেগে যায় ছবিটি বানাতে।

কিন্তু কলাকৌশলীদের পরিশ্রম বৃথা যায়নি।

ছবিটি ছিল জীবন্ত।

এখনো দেখলে সেই নকশিকাঁথার মাঠ কিংবা

গ্রাম বাংলায় ফিরে যায় দর্শক।

"হাজার বছর ধরে" অপেক্ষা করলেও এমন ছবি

আর পাবো কিনা জানিনা!


বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আসাম ও ত্রিপুরা ঘেষা এক জনপদ “বোবারথল”

 সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করলে রিলসের মধ্যে কোনো দর্শনীয় স্থান কিংবা নির্মল সবুজ ট্রাভেল ডেস্টিনেশনের স্বল্পদৃশ্যের আকর্ষণীয় রিলস পাওয়া যাবে না এমনটা নেই। প্রতিনিয়ত ওয়েভমেকার জেন-জি এর সোশ্যাল রিলসে নেটিজেনদের মুগ্ধতার দৃষ্টি কাড়ে বদ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। তবে এই ট্রেন্ডে উঠে আসেনি বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের আসাম ও ত্রিপুরা ঘেষা এক জনপদ “বোবারথল”। প্রাকৃতিক সব রূপলাবন্য ও ঐতিহাসিক জীবনধারা নিয়ে এখনো লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে গেছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় “বোবারথল”। দুর্গম যোগাযোগ আর বাংলাদেশের সর্বপূর্বের সীমান্তবর্তী ডেস্টিনেশনটিতে প্রচারের অভাবে এখনো পা পড়েনি ভ্রমণবাজদের।


সুউচ্চ পাহাড়ি ট্রেইল, অগণিত প্রাকৃতিক ঝর্ণা, বিশাল লেক, গিরিখাত, বৈচিত্র্যময় আদিবাসী সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক স্থানীয় জীবনধারা নিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ভ্রমণ গন্তব্য বোবারথল। এডভ্যাঞ্চারপ্রিয় পর্যটকদের জন্য এটি একটি আদর্শ গন্তব্য। ঢাকা থেকে প্রায় ২৩০ কি.মি. দূরে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নে এর অবস্থান। বোবারথলে যাত্রাটা কিছুটা সরল ও কিছুটা রোমাঞ্চকর তবে পুরো জার্নিটা দারুণ উপভোগ্য।


বোবারথল যাত্রায় আমাদের চমক শুরু হয় পাহাড় ও চা-বাগানের বুক চিরে ছুটে চলে ট্রেন জার্নি দিয়ে। ঢাকা থেকে এসে নামতে হয় কুলাউড়া জংশনে। তারপর লোকাল বাস কিংবা অটোতে পৌঁছাতে হয় বড়লেখা উপজেলা সদরে। তারপর মাত্র ১০ মিনিটে অটোযোগে পৌঁছাতে হবে বোবারথলের প্রবেশদ্বার ছোটলেখা বাজারে। তারপর শুরু হবে চাদের গাড়ি কিংবা জীপ গাড়িতে পাহাড়-টিলা আর চা বাগানের বুক চিরে এক রোমাঞ্চকর যাত্রা। ক্রমাগত পাহাড়ার চূড়া আর ঢালুপথ পাড়ি দিতে হবে আপনাকে, যত সামনে আগাবেন আপনি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শত মিটারে উপরে উঠবেন আর হারিয়ে যাবেন সবুজের আবৃত এক পাহাড়ি জনপদের গহীনে।


শীত কিংবা বর্ষার যেই সিজনে আপনি যাত্রা করেন না কেনো দিনের যেকোনো সময়ে সেখানে পৌঁছালে পথিমধ্যে আপনি উপভোগ করবেন সাজেক ও বান্দরবনের আদলের সৃষ্টিকর্তার অপরুপ সৃষ্টি। প্রাকৃতিক এই লীলাভূমিতে প্রবেশ করার দু'টি রাস্তা রয়েছে, আপনি যদি গগণটিলা (হরতকি টিলা) দিয়ে প্রবেশ করেন তবে এই এলাকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (পাথারিয়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অংশ) গগণটিলার বিশালতা উপভোগ করবেন। গগণটিলা থেকেই পতিত দুটি প্রাকৃতিক ঝর্ণায় আপনি গা ভিজিয়ে নিতে পারবেন। তার পাশেই রয়েছে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ছবির মতো সাজানো গ্রাম গান্ধাই পুঞ্জি। সেখানে উঁকি মেরে দেখে আসতে পারেন সমৃদ্ধ আদিবাসী জীবনযাপন, বিশেষভাবে পান ও সুপারির ঝুমচাষ কিভাবে তাদের অর্থনীতিকে মজবুত করেছে।


আপনি যদি ছোটলেখা চা বাগানের ভেতর দিয়ে বোবারথল নয়া বাজার রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করেন তবে জীপ গাড়িতে যাত্রাপথের অর্ধেকটা সময় পার করবেন ছবির মতো সুন্দর চা বাগানের মধ্যে। উঁচু পাহাড় চড়তে শুরু করার আগেই আপনার যাত্রায় যোগ হবে ছোটলেখা লেক এর জলরাশির আচ্ছাদন। প্রায় দেড় কি.মি. বিস্তৃত এই পাহাড়ি লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে আপনি চারপাশের সুউচ্চ পাহাড়ে আবৃত হীম শীতল আবহে গা ছিমছিম ভয়ংকর অনুভূতি পাবেন। তার পাশেই রয়েছে আরেকটি আদিবাসী পল্লী 'আগার পুঞ্জি'। খাসিয়া ও গারোদের এই পুঞ্জিতে আপনি ঢুঁ মেরে দেখে আসতে পারেন তাদের বৈচিত্র্যময় জীবনধারা। নয়তো সোজা পথে উঁচু উঁচু পাহাড় পাড়ি দেয়ার রক্ত হীম করা এক জীপ জার্নি শেষ করে এসে পৌঁছারে পারেন বোবারথলের মূল জনপদে।


বোবারথলে পৌঁছে আপনি ছোট ছোট ৮ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত একটি রহস্যঘেরা পাহাড়ি বাঙালি জনপদে অনেকটা সেকেলে সভ্যতার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবেন। স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্গানিক কৃষিপন্য, ঐতিহ্যগত খাবার, বিভিন্ন অচেনা ফল আর গ্রামীন আতিথিয়েতার এক আবহমান বাংলার খাঁটি জীবনধারা। প্রতিটি পাহাড় ও টিলার বাঁকে ছোট ছোট বাড়ি এবং গৃহস্থালি আয়োজন। প্রায় প্রতিটি বাড়ি ঘিরে পান ও সুপারি চাষ। জাম্বুরা, লেবু, জামির বা জাড়া (বিশেষ জাতের বড় লেবু), কমলা, লটকনসহ বিভিন্ন পাহাড়ি ফলের গাছগাছালির দেখা পাবেন প্রতিটি বাড়িতে। কৃষিতে সমৃদ্ধ এই জনপদের মানুষ স্থানীয় উৎপাদনে তাদের বেশিরভাগ চাহিদার যোগান নিশ্চিত হয়।


বোবারথলে আপনি ঘুরে দেখতে পারবেন পেকুছড়া ঝর্ণা, করইছড়া ঝর্ণা, পরিরঢর ঝর্ণা (মুরাগঞ্জ ছড়া), গগণটিলা ঝর্ণা, ষাটঘরি সীমান্ত ছড়াসহ ছোট বড় ৮টি ঝর্ণা। এখানকার প্রতিটি পাহাড়ি ঝিরির উপরিভাগে গহীন পাহাড়ে একটি করে ঝর্ণা রয়েছে, যেগুলোর কোনো নাম ও স্বীকৃতি নেই। স্থানীয়দের কাছে এসব ঝর্ণা বিশুদ্ধ পানির উৎস ছাড়া বিশেষ কোনো গুরুত্ব নেই। এছাড়া গান্ধাই কয়লাটিলা, হরতকি চুনাপাহাড়, সাততলা টিলা (প্রাকৃতিক ব্রিজ), ছোটলেখা লেক, গগণটিলা, ছোটলেখা চা বাগান, জিংগাআলা শাহবাজপুর চা বাগান, গান্ধাই পুঞ্জি, আগারপুঞ্জি, ডিমাই পুঞ্জি ও বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম খাসিয়া পল্লি 'মাঝ গান্ধাই পুঞ্জি'।


বোবারথলকে অন্বেষণ করতে আপনাকে দুই দিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে হবে। বোবারথল ভ্রমণের সাথে আপনি দেখে আসতে পারেন সিলেটের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ড ও এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর। বড়লেখা উপজেলা সদর থেকে ১৫ কি.মি. দূরতে আপনি পৌঁছাতে পারেন মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও হাকালুকি হাওরে একই সাথে ঘুরে আসতে পারেন ঐতিহাসিক খোঁজার মসজিদ ও পাথারিয়া পাহাড়।


পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় বোবারথলে এখনো সরকারিভাবে কোনো পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। তবে এই পাহাড়ি জনপদের মাঝে সরকারি সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো সেখানে কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম চালু করেছে Ovigo নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের বাড়িতে স্বল্প খরচে হোম-স্টে ও ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় খাবারসহ গাইডেড ট্যুর করার সুবিধা রয়েছে সেখানে। এজন্য আপনাকে আগাম অভিগো'র মাধ্যমে হোম-স্টে বুক করতে হয়। তারা আপনার যাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব ব্যবস্থা করে দিবে।


বোবারথল জুড়ে অনেক পৌরানিক ভুতের গল্প এখনো প্রচলিত সেখানে গেলে স্থানীয়দের মুখে তা শুনতে মিস করবেন না কিন্তু। আর সবার কাছে একটাই অনুরোধ, এই জায়গা গুলো কিন্তু আর ১০টা পর্যটন স্থানের মত না, সেখানে গিয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে স্থানীয়দের কোন সমস্যায় পড়তে হয়।


জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন: I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে। II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র। III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে। IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা। VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে। VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে। VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে। X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

ফুচকা তৈরি করার রেসিপি এখানে দেওয়া হলো

 ফুচকা তৈরি করার রেসিপি এখানে দেওয়া হলো:🤤😋🥰👇


উপকরণ


ফুচকার জন্য:


সুজি: ১ কাপ


ময়দা: ১ টেবিল চামচ


লবণ: স্বাদমতো


জল: মাখার জন্য


তেল: ভাজার জন্য


পুরের জন্য:


সেদ্ধ আলু: ২-৩ টি


সেদ্ধ ছোলা: ১/২ কাপ


পেঁয়াজ কুচি: ১টি


ধনেপাতা কুচি: ১/৪ কাপ


ভাজা জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ


বিট লবণ: ১/২ চা চামচ


লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ


কাঁচা মরিচ কুচি: স্বাদমতো


জলের জন্য:


তেঁতুল: ১/৪ কাপ


জল: ২ কাপ


ভাজা জিরা গুঁড়া: ১ চা চামচ


বিট লবণ: ১/২ চা চামচ


চিনি: ১ চা চামচ


কাঁচা মরিচ বাটা: স্বাদমতো


প্রস্তুত প্রণালি


ফুচকার জন্য:


1. একটি পাত্রে সুজি, ময়দা, এবং লবণ একসাথে মিশিয়ে নিন।


2. অল্প অল্প পানি দিয়ে মেখে নরম ডো বানান।


3. ডোটি ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে দিন।


4. ডো থেকে ছোট ছোট বল বানিয়ে রুটি আকৃতির করে নিন।


5. মাঝারি আঁচে তেলে ভেজে ফুচকা ফুলিয়ে নিন।


পুরের জন্য:


1. সেদ্ধ আলু চটকে নিয়ে তার সঙ্গে ছোলা, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, ভাজা জিরা গুঁড়া, বিট লবণ, লেবুর রস এবং কাঁচা মরিচ মিশিয়ে নিন।


2. ভালো করে মিশিয়ে পুর তৈরি করুন।


পানির জন্য:


1. তেঁতুলের সাথে পানি মিশিয়ে নিন এবং ছেকে নিন।


2. তেঁতুল পানিতে জিরা গুঁড়া, বিট লবণ, চিনি, এবং কাঁচা মরিচ বাটা মিশিয়ে রাখুন।


পরিবেশন প্রণালি


1. ফুচকার ভেতরে পুর ভরে নিন।


2. তেঁতুল পানি সঙ্গে পরিবেশন করুন।


3. খাওয়ার সময় ফুচকার ভিতরে তেঁতুল পানি ঢেলে উপভোগ করুন।


আপনার ফুচকা উপভোগ করুন!

মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত।

 মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত। এই অব...