এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

চটপটি একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু বাংলা স্ট্রিট ফুড। চটপটি বানানোর সাধারণ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো:

 চটপটি একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু বাংলা স্ট্রিট ফুড। চটপটি বানানোর সাধারণ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো:


### উপকরণ:

- ১ কাপ মটর (সিদ্ধ করা)

- ১ কাপ সেদ্ধ আলু (মিহি করে চেঁচানো)

- ১/২ কাপ পেঁয়াজ (কুচানো)

- ১/২ কাপ টমেটো (কুচানো)

- ২-৩ টি সবুজ মরিচ (কুচানো)

- ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ চাট মসলা

- ১ চা চামচ পেঁয়াজু গুঁড়া (অপশনাল)

- ১/৪ চা চামচ তেজপাতা গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ চিনি (ঐচ্ছিক)

- ১ চা চামচ ধনেপাতা (কুচানো)

- ১-২ চা চামচ চাটনি (অলিভ বা মিঠা)

- লেবুর রস (স্বাদ অনুযায়ী)

- গোলমরিচ গুঁড়া (স্বাদ অনুযায়ী)

- ২-৩ টেবিল চামচ তেল

- ১ প্যাকেট পুড়ি (লুচি বা চিপস)


### প্রস্তুত প্রণালী:


1. **মিশ্রণ প্রস্তুত:** একটি বাটিতে সিদ্ধ মটর, সিদ্ধ আলু, কুচানো পেঁয়াজ, টমেটো, সবুজ মরিচ এবং ধনেপাতা মিশিয়ে নিন।


2. **মসলা যোগ করুন:** হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, চাট মসলা, পেঁয়াজু গুঁড়া (অপশনাল), চিনি এবং তেজপাতা গুঁড়া মিশিয়ে দিন।


3. **চাটনি এবং সস:** চাটনি (মিষ্টি বা ধনে) যোগ করুন এবং একে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। লেবুর রস, গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে স্বাদ ঠিক করুন।


4. **তেল ফ্রাই করা:** একটি ছোট প্যানে তেল গরম করে তাতে কিছু পুড়ি (লুচি বা চিপস) কুচিয়ে দিন, আর সেগুলো মিশ্রণেও যোগ করুন।


5. **পরিবেশন:** চটপটি ভালভাবে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।


এখন, সুস্বাদু চটপটি প্রস্তুত! এটি ঠাণ্ডা বা গরম পরিবেশন করা যেতে পারে, এবং আপনি চাইলে এর সাথে এক কাপ ঠান্ডা পানিও নিতে পারেন।

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:

 বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:

১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে

,

২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী

,

( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)

,

,

৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা

,

৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা

,

৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়

,

৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো

,

৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা

,

৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়

,

৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে

,

১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা

,

১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা

,

১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা

,

১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো

,

১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন

,

১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে।

©️

চিকেনস্ট্যু রেসিপি-----

 #চিকেনস্ট্যু রেসিপি------😋


💥উপকরণ:----


👉মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম

👉আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ

👉লেবুর রস ২ টেবিল চামচ

👉হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ

👉লবণ স্বাদ মতো

👉কাঁচা লঙ্কা ৪টি

👉গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ

👉ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ

👉জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ

👉তেজপাতা ২টি

👉লবঙ্গ ৩টি

👉এলাচ ৩টি

👉দারুচিনি ১টি

👉পেঁয়াজ ২টি ছোট

👉বরবটি আধা কাপ

👉গাজর কুচি ১টি

👉আলু ২টি

👉ঘি বা মাখন ১ টেবিল চামচ


#পদ্ধতি:


প্রথমে একটি বাটিতে চিকেনের টুকরো আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লবণ ও লেবুর রস দিয়ে ভাল করে মেরিনেট করে রাখুন অন্তত ১৫ মিনিটের মতো।


এরপর প্যানে ঘি বা মাখন গরম করে অল্প থেঁতো করা লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি ও তেজপাতা দিয়ে নিন। ৩০ সেকেন্ড নেড়ে পেঁয়াজ কুচি মিশিয়ে দিন।


এরপর সব সবজি- গাজর, বিনস, আলুর সঙ্গে গোলমরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, লবণ, জিরার গুঁড়া ও কাঁচা লঙ্কার টুকরো মিশিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে চিকেনের টুকরো দিন।


ভাল করে ভাজা হলে ৮০০ মিলি লিটার মতো জল দিয়ে রান্না করুন। ঝোল একটু ঘন করতে চাইলে নামানোর আগে সামান্য কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে দিন। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন স্ট্যু। 

cp


copyright 

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৯-১২-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৯-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


 আজ কায়রোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলন - অংশ নিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রবাসীদের কল্যাণ ও উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার - বলেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে দুর্নীতির খাত আইসিটি –শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে প্রকাশ।


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইসিটিতে গুমের অভিযোগ দায়ের করলেন ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা।


হিংসার মাধ্যমে নয়, বরং ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্যাতনের জবাব দেবে বিএনপি - মন্তব্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


মুম্বাই উপকূলে ভারতীয় নৌবাহিনীর স্পীড বোটের ধাক্কায় যাত্রীবাহি ফেরির কমপক্ষে ১৩ জনের প্রাণহানী।


আজ মালয়েশিয়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সুপার ফোর-এ ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

ভুতুড়ে ম্যাচের স্যাঁত স্যাঁতে রুমে ৬০ ওয়াটের অনুজ্জ্বল হলুদ আলোয় আমি আর কামাল যখন গোবারের ঘুটি আর কাঠের গুড়ো দিয়ে আধা সিদ্ধ ভাত রান্না করতাম, সেই সন্ধায় ও আমার মনে হয় নি বহু পরে একদিন আমি আর বোকা থাকব না।

 ইন্টার্নী করার সময় একদিন খুব করে জানলাম আমি " Lower" শব্দটার উচ্চারন পারি না। বহু মানুষের সামনে স্যার প্রায় চিবিয়ে চিবিয়ে উচ্চারনটা শেখালেন। ওয়াশরুমে গিয়ে দেখি চোখ জোড়া শুধু লাল হয় নি, মুক্তার মত স্বচ্ছ পানির কনা চিকচিক করছে। বুড়ো বয়সে মনটা ভেংগে প্রায় গুড়িয়ে গেল।

......


রেটিনার স্টুডেন্ট থাকার সময় খুলনা মেডিকেলের এক ভাইয়া মূত্রতন্ত্র পড়িয়েছিলেন। আমি কিছুই বুঝি নি। ক্লাশ শেষে বেকুবের মত প্রশ্ন করেছিলাম : ভাইয়া, Urine মানে কি???"

পুরো ক্লাশে যেন বিষ্ফোরোণ ঘটেছিল। হাঁসতে হাঁসতে কেউ কেউ বেঞের উপর শুয়ে পড়েছিল। দুই দিন শুয়ে ছিলাম আর তিনদিন কোচিংয়ে যাই নি। তারপর চোরের মত যেদিন হাজির হলাম, লজ্জাকর এক কান্ড ঘটে গেল।


আমার হাত ঘড়ি ছিল না। বাড়ি থেকে আসার সময় ছোট আপা তার স্টিলের ঘড়ি আমাকে দিয়েছিল। স্টিলের ঘড়ি পরে সেদিন গিয়েছিলাম। ফুলকাটা ঘড়িগুলো যে শুধু মেয়েদের হয়, খুব বোকা আর গ্রাম থেকে আসা ছেলেগুলো যে না জেনে তা হাতে পরে আমি জানতাম না। ক্লাশে আর এক দফা সার্কাস হয়ে গেল। সেদিন দুপুর থেকে প্রায় মাঝ রাত অবধি মেসের ছাদে একা একা বসেছিলাম।

........


মেডিকেলে ভর্তি হলে বড় ভাইয়েরা দলবেধে বিরিয়ানি খেতে নিয়ে গিয়েছিলেন। বিল দেওয়ার সময় বিপত্তি ঘটল। একজনকে ছাড়া বিল করা হয়েছে। দলের ভিতর থেকেও আমাকে ওদের মত মনে হয়নি। ওয়েটার আমাকে দেখিয়ে বলেছিল:: ও কি আপনাদের সাথে??? মনে আছে

রিক্সায় বসে প্রায় সারাটা পথ সেদিন চোখ মুছেছিলাম।

.....


এস এস সির পর ছোট মামা খুব ধণী লোক এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন। হাত ধুঁতে যেয়ে বেসিনের কল ভেংগে ফেলেছিলাম। কাজের মেয়ে সহ আটজন সদস্যের সেই বাসায় আটবার আমাকে শেখানো হয়েছিল কল কিভাবে ছাড়তে হয়। চার বছর পর সেই সোফাতেই আবার বসেছিলাম তাদের পছন্দের পাত্র হিসেবে। এ যাত্রায় আমার রুচি অবশ্য সায় দেয় নি।

........


দোষগুলো আমার নয়। যে ছেলে ক্লাস টেনে নয় জনের সাথে , আর ইন্টারমিডিয়েটে উনিশ জনের সাথে পড়েছে , সে বহু ইংরেজি শব্দ জানবে না, বহু শুদ্ধ উচ্চারন জানবে না এটাই সত্য।

কিন্তু ওটি রুমে রুগী যখন আমাকে প্রশ্ন করে::: Excuse me doctor, আপনার বাসা খুলনা? আপনি ঝর ঝরা ভাষায় কথা বলেন, দশ জন এক জায়গায় থাকলে বাকি নয় জন আপনার কথাই শুনবে। ""

.


আমি তখন ধাধায় পড়ে যাই। এই ওটি রুমে ঢুকতে যেয়ে, এই মাস্ক, ক্যাপ মাথায় পরতে যেয়ে জীবন টা আর জীবন থাকে নি, হাজার হাজার এলোমেলো বাঁক পাড়ি দিতে হয়েছে। তান্ত্রিক। স্বাভাবিক জীবনে যারা মন্থর, যারা বেশি বোকা, তাদের নিজেদের জীবনে এরা অনেক বেশি সচল। বিধাতা কাউকেই ঠকায় না।

......


বাবার চেয়েও বড় কেউ যখন কাঁধে হাত রেখে বলে :: এরা স্মার্ট ছেলে, এরা সার্জন। তখন সাত বছর আগের ওয়েটারের কথা মনে পড়ে, আমি আর বোকা নই, আমি আর গেয়ো নই। গলায় ময়লা মাফলার পেচিয়ে আর রাস্তায় যাই না।

.....


প্রতিটা বিন্দু সময়ের হিসাব রাখেন তিনি, যিনি সময় সৃষ্টি করেছেন। সময়ের ফেরে আমরা কেউ বোকা, কেউ অতি চালাক। কেউ ময়লা মাফলার পরে, কেউ বিদেশী জ্যাকেট । Urine এর মানে না জানলে কেউ অমানুষ হয়ে যায় না। কিন্তু বিশাল আকাশের উপরে যিনি থাকেন, উনি প্রতিটা হাঁসি আর প্রতি চোখের ফোটার হিসাব রাখেন। সে হিসেবে কেউ ঠকে না।

.


ভুতুড়ে ম্যাচের স্যাঁত স্যাঁতে রুমে ৬০ ওয়াটের অনুজ্জ্বল হলুদ আলোয় আমি আর কামাল যখন গোবারের ঘুটি আর কাঠের গুড়ো দিয়ে আধা সিদ্ধ ভাত রান্না করতাম, সেই সন্ধায় ও আমার মনে হয় নি বহু পরে একদিন আমি আর বোকা থাকব না।


-ডা. আবদুর রব

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৮-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৮-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


হাইকোর্টের রায়ে আবারও ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা - সংবিধানে গণভোট পুনর্বহাল।


পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা করেছে - ঢাকায় যৌথ ইশতেহার প্রকাশ - দারিদ্র্য বিমোচনে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অবদানের প্রশংসা জোসে রামোস হোর্তার।


ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সরকারি সফরে কায়রোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।


২০২৬ সালের ৩০শে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে আগামী সাধারণ নির্বাচন - জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ নয়টি প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের   অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু।


অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে কঠিন হবে আগামী নির্বাচন, বললেন তারেক রহমান  জনসমর্থন ধরে রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান।


গাজায় ইসরাইলী হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থী নিহত - আহত ২১ হাজার। 


কিংস টাউনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে এখন স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

বছরে ১০০টি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে করণীয়

 ১. পরিকল্পনা করুন


বইয়ের সংখ্যা ভাগ করুন: বছরে ১০০টি বই মানে সপ্তাহে প্রায় ২টি বই পড়তে হবে।


প্রগতি ট্র্যাক করুন: "গুডরিডস" অ্যাপ বা একটি রিডিং জার্নাল ব্যবহার করে পড়া বইগুলোর তালিকা রাখুন।


২. বই বেছে নিন কৌশলগতভাবে


বিভিন্ন ধরণের বই: বড় বইয়ের সাথে ছোট গল্পের বই বা প্রবন্ধ মিশিয়ে পড়ুন।


বইয়ের দৈর্ঘ্য বিবেচনা করুন: সব বই ৫০০ পৃষ্ঠার হতে হবে এমন নয়। সহজ ও আকর্ষণীয় বই পড়লে গতি বাড়বে।


৩. পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন


প্রতিদিন পড়ুন: দিনে কমপক্ষে ১-২ ঘন্টা পড়ার সময় নির্ধারণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, সকালে ৩০ মিনিট, দুপুরে একটু সময়, এবং ঘুমানোর আগে।


ফাঁকা সময় কাজে লাগান: বাসে, লাইনে দাঁড়িয়ে কিংবা অবসরে বই পড়ুন। মোবাইলে পিডিএফ বা ইবুক রাখুন।


বিকল্প বিনোদন কমান: সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভি দেখার সময় কমিয়ে দিন।


৪. অডিওবুক ব্যবহার করুন


হাঁটতে, ব্যায়াম করতে বা গাড়ি চালাতে চালাতে অডিওবুক শুনুন। সময় বাঁচাতে এটি খুব কার্যকর।


৫. গতি বাড়ান, কিন্তু অর্থবহভাবে


দ্রুত পড়ার কৌশল শিখুন: প্রতিটি শব্দ না পড়ে মূল ভাব ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর উপর নজর দিন।


সংক্ষিপ্ত বই পড়ুন: কিছু বইয়ের সারাংশ জানার জন্য ব্লিঙ্কিস্ট বা অনুরূপ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।


৬. উদ্দীপনা ধরে রাখুন


পড়া শেষ হলে নোট নিন বা বন্ধুদের সাথে আলোচনায় যুক্ত হন।


নিজেকে পুরস্কার দিন: একটি মাইলস্টোন (যেমন ১০টি বই পড়া) অর্জনের পর ছোট উপহার দিন।


এভাবে অভ্যাস গড়ে তুললে বছরে ১০০টি বই পড়া কঠিন হবে না। পড়ার আনন্দ উপভোগ করুন এবং প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন।


সংগৃহীত

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

মেয়েদের সুখী হবার গোপন সূত্র........

 👉মেয়েদের সুখী হবার গোপন সূত্র........

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

⚛️এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি। 


🎇একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।

.

কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

👉বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।

.

👉কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।

.

👉সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।

.

👉ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।

.

🎇তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী? 

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।


সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।

.

🎇সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন? 

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।


🎇অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারণ চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

.

👉সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। 

যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।

.

🎇সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।

তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।

.

🎇সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?

.

🎇সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?


- সংগৃহীত

আপনি এটা মেনে চললে নিশ্চিত সুখী হবেন

চানা মাসালা একটি জনপ্রিয় ভারতীয় খাবার যা ছোলার সাথে মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়

 চানা মাসালা একটি জনপ্রিয় ভারতীয় খাবার যা ছোলার সাথে মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত ভাত, রুটি বা নানের সাথে পরিবেশন করা হয়। নিচে চানা মাসালার সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:😋🤤👇


উপকরণ:


সেদ্ধ ছোলা: ২ কাপ


পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ


রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ


আদা বাটা: ১ টেবিল চামচ


টমেটো কুচি: ২টি মাঝারি


টমেটো পেস্ট: ১ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)


শুকনো মরিচ গুঁড়ো: ১ চা চামচ


হলুদ গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ


জিরা গুঁড়ো: ১ চা চামচ


ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ


গরম মসলা: ১/২ চা চামচ


তেল: ২ টেবিল চামচ


লবণ: স্বাদ অনুযায়ী


জল: ১ কাপ


ধনেপাতা কুচি: সাজানোর জন্য


প্রণালী:


1. প্রস্তুতি: ছোলাগুলো সেদ্ধ করে নিন। কুকার ব্যবহার করলে ৪-৫টি সিটি দিন।


2. তেল গরম করুন: একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজ সোনালি বাদামি রং ধারণ না করা পর্যন্ত ভাজুন।


3. মসলা যোগ করুন: আদা ও রসুন বাটা দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়ুন। টমেটো কুচি দিন এবং টমেটো নরম না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।


4. গুঁড়া মসলা দিন: হলুদ, শুকনো মরিচ, জিরা ও ধনে গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলা ভালোভাবে ভাজা হলে তাতে টমেটো পেস্ট যোগ করুন।


5. ছোলা যোগ করুন: সেদ্ধ ছোলা যোগ করুন এবং সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।


6. পানি দিন: ১ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন এবং মাঝারি আঁচে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন, যতক্ষণ না গ্রেভি ঘন হয়।


7. শেষে গরম মসলা দিন: রান্না শেষে গরম মসলা ছিটিয়ে দিন।


8. সাজিয়ে পরিবেশন করুন: ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


পরিবেশন: ভাত, নান বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।


আশা করি এই রেসিপি আপনার ভালো লাগবে!

মরিচ গাছের কীটনাশক স্প্রে শিডিউল (A-Z)

 মরিচ গাছের কীটনাশক স্প্রে শিডিউল (A-Z)


👉অবশ্যই মনে রাখবেন কীটনাশক স্প্রের ভালো সময় বিকালের দিকে।। 


➡️১.চারা মুল জমিতে লাগানোর পর চারা অবস্থায় Damping off (গোড়া পচাঁ) জন্য কার্বেন্ডাজিম (2gm/L) ছত্রাকনাশক।


➡️২.মরিচের থ্রিপস পোকার জন্য স্পিনোসাইড বা ইমিডাক্লোরোপিড (1ml/L) কীটনাশক। 


➡️৩. মাকড় দমনে এবামেকটিন (1ml/L) গ্রুপের জন্য কীটনাশক বা সালফার (2gm/L) গ্রুপের মাকড়নাশক।


➡️৪. মরিচের সাদা মাছি পোকা দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপিড (1ml/L) বা এসিটামিপ্রিড গ্রুপের  কীটনাশক। 


➡️৫.পাতা,ফুল,পত্রবৃন্ত, বৃন্ত পচা রোধের জন্য ম্যানকোজেব বা কার্বেন্ডাজিম (2gm/L) গ্রুপের ছত্রানাশক। 


➡️৫. মরিচ গাছের কান্ড পঁচা রোধের জন্য কপার- অক্সিক্লোরাইড গ্রুপ (2gm/L) বা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৬.গোড়া পঁচা রোধের জন্য কপার- অক্সিক্লোরাইড (2gm/L) গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৭. ছত্রাকের কারণে মরিচ গাছ ঢলে পড়লে কার্বেন্ডাজিম (2gm) গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৮.ব্যাকটেরিয়ার কারণে মরিচ গাছ ঢলে পড়লে স্টেপটোমাইসিন (0.2gm/L) বা বিসমার্থিওজল বা ক্লোরো আইসো ব্রোমাইন সায়ানুয়িক এসিড গ্রুপের ব্যাকটেরিয়ানাশক( কোম্পানি অনুযায়ী বিভিন্ন মাত্রা হতে পারে)।


➡️৯. ফুল,ফল বৃদ্ধির জন্য চিলেটেড জিংক (1gm/L) + সলুবোর বোরন (2gm/L) বা Nitrobenzene গ্রুপের (ফ্লোরা 2ml/L) মাইক্রোনিউট্রিয়েন।


➡️বি:দ্র:- আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তারতম্য ভেদে স্প্রে সিডিউল এর পরিবর্তন হতে পারে। এজন্য নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ রাখতে পারেন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...