এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৭-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৭-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক - সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে উচ্চ ক্ষমতার তদন্ত কমিটি  - জানালেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।


অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না - বললেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।


সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় বিএনপির গভীর উদ্বেগ প্রকাশ - সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির জোর দাবি।


শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহরে ৬০ কাঠা জমি বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত দুদকের।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের উপস্থিতিতে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইসরাইলের বিমান হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ।


বিজয় দিবস হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে আজ নারী বিভাগে আনসার ও ভিডিপি - পুলিশ দলের এবং পুরুষ বিভাগে বিজিবি - আনসার ও ভিডিপির মোকাবেলা করবে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

শাহী ফুলকপি,,,,

 শাহী ফুলকপি


✅তৈরি করতে যা লাগবে


ফুলকপি- ১টি


আলু- ১টি


গাজর- ১টি


পেঁয়াজ কুচি- ৩টি


রসুন বাটা- ১ চা চামচ


আদা বাটা- ১ চা চামচ


জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ


মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ


নারিকেল দুধ- ১/২ কাপ


তেঁতুলের রস- ১/৪ কাপ


কিশমিশ- আধ মুঠো


কাজুবাদাম- আধ মুঠো


লবণ- স্বাদমতো


চিনি- স্বাদমতো


সাদা তেল- ৪ টেবিল চামচ


এলাচ- ১টি।


✅যেভাবে তৈরি করবেন:


তেল গরম করে এলাচ ফোড়ন দিন। পেঁয়াজ কুচি লাল করে ভেজে অর্ধেকটা তুলে রাখুন। রসুন ও আদা বাটা দিয়ে ভেজে জিরা গুঁড়া ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। ফুলকপি, আলু ও গাজর টুকরো করে কেটে দিন। কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। এরপর নারিকেল দুধ, লবণ ও চিনি দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর তেঁতুলের রস দিন। কাজু বাদাম, কিশমিশ দিন। প্রয়োজনে অল্প পানি দিন। এবার নামিয়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।


©️ সংগৃহীত

নাদির নিব্রাস: 'Nadir On the Go' এর কাহিনী

 **নাদির নিব্রাস: 'Nadir On the Go' এর কাহিনী**


দিনাজপুরে জন্ম নেয়া নাদির নিব্রাস, যিনি 'Nadir On the Go' নামেই বেশি পরিচিত, অন্য দশজন বাঙালি যুবকের থেকে আলাদা। অন্যরা যেখানে ফুড ভ্লগিং, প্র্যাঙ্ক, রোস্ট, কিংবা ফানি ভিডিওতে ব্যস্ত, সেখানে নাদির বিভিন্ন দেশের ট্রাভেল ভ্লগিং করে বা মানুষের সংস্কৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন।


নাদিরের জন্ম ১৯৯৫ সালে দিনাজপুর শহরে। তাঁর বাবা এ কে এম ফজলুল করিম ছিলেন একজন নামকরা দন্তচিকিৎসক, যিনি বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত। ২০০০ সাল থেকে নাদিরের পরিবার ঢাকায় বসবাস করে আসছে। ঢাকার ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে, নাদির যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে তিনি পিএইচডি করছেন, যদিও তিনি তা সম্পন্ন করতে চান না। তাঁর লক্ষ্য বাংলা ভাষার ট্রাভেল ভ্লগিংকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া।


একটি দেশে গেলেও নাদির শুধুমাত্র ঘোরেন না, বরং তিনি মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যান। তিনি যে প্রামাণ্য ধারণা তুলে ধরেন, তা নজরকাড়া। যথাসম্ভব বাংলা বলার চেষ্টা করেন, আর তাঁর উচ্ছ্বল হাসি ভ্লগে প্রাণের সঞ্চার করে। চাকরির পয়সায় ঘুরে বেড়ালেও, বিলাসী জীবনের প্রতি তাঁর একেবারেই ‘না’।


দেশের তরুণরা উচ্চবিত্ত দুর্নীতিবাজদের জীবনযাপনের ভ্লগ দেখে, একে অপরকে রোস্ট করা বা কাপল ভ্লগিং ও সস্তা ফানি ভিডিও দেখে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু নাদিরের রুচিশীল কন্টেন্ট দেখা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে না। শুধু নাদিরই নয়, শাইখ সিরাজ, হানিফ সংকেত, সালাউদ্দিন সুমন কিংবা প্যানোরমা ডকুমেন্টারি – এসব তাদের আগ্রহের তালিকায় নেই। ভিউয়ের জন্য যারা নিজেদের সস্তা করতে রাজি নন, তাঁদের দাম দিতে পারেনি বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্ম।


এখনার ২৯ বছর বয়সী এই তরুণ বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি নাদিরের মা পরলোকগত হয়েছেন, তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।


**Nadir On The Go - Bangla**

ইতিহাসের অদ্ভুত এবং নিষ্ঠুর রাজা-রাণীদের গল্প,,,,,,,,

 ইতিহাসের অদ্ভুত এবং নিষ্ঠুর রাজা-রাণীদের গল্প😥😱


ইতিহাস মানেই শাসন, যুদ্ধ, এবং ক্ষমতার রাজনীতি। তবে এর মধ্যেও রয়েছে এমন সব চরিত্র, যাদের জীবনযাপন ছিল ভয়ঙ্কর, অদ্ভুত, এবং প্রায় অবিশ্বাস্য। আজ আমরা জানব এমনই কিছু রাজা-রাণীর কাহিনি, যাদের জীবন থ্রিলার গল্পকেও হার মানায়।


১. ভ্লাদ দ্য ইম্পেলার (ড্রাকুলা)

ভ্লাদ তৃতীয়, যিনি ওয়ালাচিয়ার শাসক ছিলেন, শূলে চড়ানোর মতো নিষ্ঠুর শাস্তি দিতেন। একবার ২০,০০০ মানুষের দেহ শূলে গাঁথা অবস্থায় রেখে শত্রুদের ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলা চরিত্র তার নিষ্ঠুরতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।


২. কার্লোস ২ (স্পেন)

স্পেনের শেষ হ্যাবসবার্গ রাজা কার্লোস ২ জিনগত সমস্যার কারণে শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতায় ভুগতেন। তার উদ্ভট আচরণ এবং মৃত আত্মীয়দের কফিন খোলার শখ তাকে রহস্যময় করে তুলেছিল।


৩. জুয়ানা অব ক্যাসিলি (জুয়ানা দ্য ম্যাড)

জুয়ানা তার স্বামীর প্রতি এতটাই আসক্ত ছিলেন যে, মৃত্যুর পর তার কফিন নিয়ে ঘুরতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন তার স্বামী জীবিত হবেন। তার মানসিক অবস্থা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কারণে আরও খারাপ হয়েছিল।


৪. চার্লস ৬ (ফ্রান্স)

চার্লস ৬ নিজেকে কাঁচের তৈরি বলে বিশ্বাস করতেন। আঘাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে লোহার পোশাক পরতেন এবং দরজায় কুশন লাগাতেন।


৫. জাস্টিন ২ (বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য)

বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিন ২ মানসিক ভারসাম্য হারানোর কারণে খেলনা দিয়ে ঘর সাজাতেন এবং নিজেকে শান্ত করার জন্য অদ্ভুত আচরণ করতেন।


৬. এম্প্রেস অ্যানা (রাশিয়া)

রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী অ্যানা বরফ দিয়ে প্রাসাদ নির্মাণ করিয়েছিলেন এবং তার অতিথিদের বরফের পোশাক পরতে বাধ্য করেছিলেন।


৭. সুলতান ইব্রাহিম ১ (অটোম্যান সাম্রাজ্য)

অটোম্যান সাম্রাজ্যের সুলতান ইব্রাহিম ১ স্থূল নারীদের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন এবং তার অদ্ভুত শখের কারণে কুখ্যাত হয়েছিলেন।


এই রাজা-রাণীরা ইতিহাসের ভিন্নধর্মী চরিত্র। তাদের জীবনের রহস্যময়তা, নিষ্ঠুরতা, এবং অদ্ভুততা তাদের সময়কালের চেয়েও বেশি আলোচিত। তাদের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ক্ষমতার পেছনের গল্পগুলো অনেক সময় অপ্রত্যাশিত ও চমকপ্রদ হতে পারে।


কার্টেসি – সম্রাট হাসানুজ্জামান

#follower #100k #foryouシ #viralpost2024シ

#ancienthistory #ancient #AncientDiscoveries #bmwe

Jony Jony Yes Papa'র আঞ্চ‌লিক ভার্সন,,,,

 "Jony Jony Yes Papa'র আঞ্চ‌লিক ভার্সন


১) রাজশাহী ভার্সন

জনি জনি। বুলেন আব্বা।

চিনি খ্যাছিস? না আব্বা।

মিথ্যা কথা বুলছিস? না আব্বা।

মুখ খুলতো মামুর ব্যাটা।

হা! হা! হা!


২) চাঁপাই ভার্সন

জনি! জনি! জ্বি আব্বা? 

চিনি খ্যাছো? না আব্বা।

মিচ্ছ্যা কথা কহিছো? না আব্বা।

মুখ খুল ব্যাডা...

হা! হা! হা!


৩) বরিশাল ভার্সন

জনি জনি! কি অইছে আব্বা?

চিনি খাইতে আছো? না আব্বা।

মিত্তা কতা কইতে আছো? না আব্বা।

আক্কর দেহি...

হা! হা! হা!


৪) নোয়াখালী ভার্সন

এরওই জনি! কিয়া হইচে আব্বা?

চিনি খওরি, কেন? না আব্বা।

মিছা হতা কওরি কিল্লাই? না আব্বা, কিয়া কন এগিন।

আক্কর চাই।

হা হা হা


৫) চট্টগ্রাম ভার্সন

জইন্না জইন্না! ও আব্বা কি ওইয়েদে? কিল্লাই পুজর লর?

চিনি হাইয়ুচ? ন বাপ , আই ন হাই।

মিচা হতা কেল্লাই হদ্দি? ন বাপ। আই আচা হতা হইর।

আ গর.

হা হা হা।


৬) বগুড়ার ভার্সন

জনি জনি! কি কচ্চেন আব্বা? 

চিনি কি খাচু তুই? না আব্বা। 

মিছা কতা কিসোক কলু? না আব্বা! 

হা করেক...

হা! হা! হা!


৭) নাটোর ভার্সন

জ‌নি জনি! কি কইচ্চেন আব্বা?

চিনি খাইচ্চু নাকি রে বা? না আব্বা।

মিত্ত্যা কতা কচ্চু নাকি রে বা? না আব্বা।

মুক খুলেক তো...

হা! হা! হা!


৮) পুরান ঢাকা ভার্সন

জনি আব্বে! হালায় ডাকো ক্যালা?

চিনি খাইহালাইছোস? আব্বে না খাইনাইক্কা।

মিছা কথা কছ ক্যালা..। এক্টুও মিছা কইনাইক্কা।

মুখ খুল

হা! হা! হা!


৯) সিলেটি ভার্সন

জনি জনি! জি আব্বা!

ছিনি খাইছছ নি রে ফুত! কিওর? খেগুয়ে খইছে ইতা?

মিছা মাতরে নি? খোদার খছম খাইছি না,

আ খর বেঈমানর ফুয়া !

হা হা হা

😁😁

Cp

অনন্য অসাধারণ এক মায়ের গল্প : """""""""""""""""""""""""""""""

 অনন্য অসাধারণ এক মায়ের গল্প :

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

আমার মা। সত্তরের দশকে পিএইচডি করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় Imperial College London থেকে, কঠিন পদার্থবিজ্ঞানের ততোধিক কঠিন শাখা Theoretical Physics-এ।


*

ম্যাট্রিকে গণিতে সেরা নাম্বার পেয়ে স্ট্যান্ড করেছেন, ইন্টারমিডিয়েটে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সেরা ফলাফল করে মেরিট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাজ্যে পিএইচডি করতে গেছেন। সেখানে অত্যন্ত গণিত-ঘন পিএইচডি-প্রস্তুতি পরীক্ষায় বাঘা বাঘা ছাত্রদেরকে পেছনে ফেলে ক্লাস-টপার হয়েছেন। পিএইচডি করেছেন P T Matthews (অতি-পরিচিত কোয়ান্টাম মেকানিক্স পাঠ্য-বইয়ের লেখক) এর তত্ত্বাবধানে। দেশে ফিরে alma mater রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন। ভালো শিক্ষক ও তেজস্বী মহিলা হিসেবে তাঁর ছাত্ররা এখনও তাঁকে স্মরণ করে।


*

অতঃপর এক সময় আমি হলাম। কন্যাকে ঘিরে আমার মায়ের জীবনের আবর্তন শুরু হলো। সদা সতর্ক, যত্নশীল মা হিসেবে তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়। আমি বড় হতে হতে ছোট্ট একটি বোন হলো আমার। আমরা দুই বোন ছিলাম আম্মার জগৎ।


*

বিয়ের আগে আম্মা কোন রান্নাই জানতেন না। বিয়ের পর একদম নিজে নিজে শেখার শুরু (তখন তো আর ইউটিউব ছিল না!)। গণিতে দীপ্ত মাথার সাথে এবার যুক্ত হলো রান্নার আর্টে সুনিপুণ, স্বশিক্ষিত হাত। অসাধারণ রাঁধুনি, রান্না করেছেন সব নিজস্ব রেসিপিতে, মানুষের ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন নতুন অজানা কত পদ খাইয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। সেই তিরিশ বছর আগে, জন্মদিনের কেইক নিজে আইসিং করতেন। সারাবছর আমরা বাড়িতে বানানো টমেটোর সস খেয়েছি। সাত থেকে দশ রকমের আচারের বয়াম রোদে দেয়া থাকতো বারান্দা জুড়ে। আর শিখিয়েছেন মানুষকে। যেখানেই থেকেছেন, চারপাশের অনেক নারী তাঁর কাছে বিবিধ রান্নার তালিম নিয়েছেন। টক-ঝাল-মিষ্টি, কোন কিছুই বাদ যায়নি। আম্মা বুঝিয়ে দিতেন খুব যত্ন করে, সমস্ত খুঁটিনাটি টিপসসহ। জাত-শিক্ষক!


*

ম্যাথমেটিক্যাল ব্রেইন সব জায়গায় তার ছাপ রেখেছে। নিত্য-নতুন, নিজস্ব কত ডিজাইনের যে জামা পরেছি দুই বোন! সব আম্মার বানানো। আমার বান্ধবীরা আজও উল্লেখ করে। উলের সেলাই, আক্ষরিকভাবেই শত শত! প্রতি বছর শীতে বসতো আম্মার উল বোনার হাট। আমরা দুই বোন ও তাঁর নাতনিরা তো বটেই, আত্মীয়-প্রতিবেশী-বন্ধু বাদ যায়নি। তাঁর শ্বশুরবাড়ির মানুষ থেকে শুরু করে আমার শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত। নিজস্ব ডিজাইনের প্রত্যেকটা হতো একেকটা মাস্টারপিস। আবার বই থেকে একটা ডিজাইন দেখে তারপর নিজের মাথায় হিসাবনিকাশ করে ভিন্নতা নিয়ে আসতেও বহুবার দেখেছি। আম্মার কাছ থেকে উলের সেলাই বুঝে নিয়েছেন কতজন!


*

নানারকম চুলের স্টাইল করতে জানতেন। আমার বিয়ের খোঁপা আম্মার হাতের।


*

সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল আম্মার একসাথে নানা কাজ সামাল দেয়ার দক্ষতা…. a true multitasking wonder! আমার বোনকে খাওয়াতে খাওয়াতে তাঁকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের লেকচার তৈরি করতে দেখেছি। আমাদের সাথে টিভি দেখতে দেখতে জটিল উলের সোয়েটার বুনেছেন। রাত দুইটার সময় একশ চমচম বানিয়েছেন, পরেরদিন দাওয়াতের জন্য। আব্বা ও পারিবারিক বন্ধুদের সাথে বসে সমান দাপটে Scrabble খেলেছেন। দুই দানের মাঝে উঠে গিয়ে রান্না দেখে আসতেন।


*

শুক্রবারে জুম্মার নামাজের জন্য আব্বার পাঞ্জাবী ইস্ত্রি করছেন আম্মা, এই দৃশ্য চোখে ভাসে।


*

আমার মা। A complete woman!


✍️লেখকঃ Raihana Shams Islam

Alumni, University of Rajshahi, University of Cambridge

CHAT GPT থেকে নেওয়া

 এই পৃথিবীতে মোট কয়টি দেশ, কি কি,,,,,,,,,,,,

বর্তমানে পৃথিবীতে মোট *১৯৫টি দেশ* রয়েছে। এর মধ্যে *১৯৩টি দেশ* জাতিসংঘের সদস্য এবং *২টি দেশ* (ভ্যাটিকান সিটি ও প্যালেস্টাইন) জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে। 


এছাড়া, *তাইওয়ান* (Taiwan) একটি বিতর্কিত অঞ্চল, যা নিজেকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে গণ্য করে, কিন্তু এটি চীনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় অনেক দেশের কাছে। 


এখন, *১৯৫টি দেশ* নিম্নরূপ:


*১৯৩টি জাতিসংঘের সদস্য দেশ:*


1. *আফগানিস্তান*

2. *আলবেনিয়া*

3. *আলজেরিয়া*

4. *আন্দোরা*

5. *অ্যাঞ্জুইলা*

6. *অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা*

7. *আর্জেন্টিনা*

8. *আর্মেনিয়া*

9. *অস্ট্রেলিয়া*

10. *অস্ট্রিয়া*

11. *আজারবাইজান*

12. *বাহামাস*

13. *বাহরাইন*

14. *বাংলাদেশ*

15. *বার্বাডোস*

16. *বেলজিয়াম*

17. *বেলিজ*

18. *বেনিন*

19. *ভুটান*

20. *বলিভিয়া*

21. *বোসনিয়া ও হার্জেগোভিনা*

22. *বোটসোয়ানা*

23. *ব্রাজিল*

24. *ব্রুনেই*

25. *বুলগেরিয়া*

26. *বুরকিনা ফাসো*

27. *বুরুন্ডি*

28. *ক্যাবো ভার্দে*

29. *কম্বোডিয়া*

30. *ক্যামেরুন*

31. *কানাডা*

32. *চিলি*

33. *চীন*

34. *কলম্বিয়া*

35. *কোস্টা রিকা*

36. *ক্রোয়েশিয়া*

37. *কিউবা*

38. *কুরাকাও*

39. *কাইরেবা*

40. *কিপ্রস*

41. *চেক রিপাবলিক*

42. *কঙ্গো (কঙ্গো ব্রাজাভিল)*

43. *কঙ্গো (কঙ্গো কিনশাসা)*

44. *কোকোস দ্বীপপুঞ্জ*

45. *কোস্টারিকা*

46. *ডেনমার্ক*

47. *ডিজ্যাম্বো*

48. *ডোমিনিকা*

49. *ডোমিনিকান রিপাবলিক*

50. *একুয়েডর*

51. *এজিপ্ট*

52. *এল সালভাদর*

53. *ইকুয়েটোরিয়াল গিনি*

54. *এস্তোনিয়া*

55. *এসওয়াতিনি*

56. *এথিওপিয়া*

57. *ফিজি*

58. *ফিনল্যান্ড*

59. *ফ্রান্স*

60. *গ্যাবন*

61. *গাম্বিয়া*

62. *গানিয়া*

63. *গিনি*

64. *গিনি-বিসাউ*

65. *গ্রীস*

66. *গ্রেনাডা*

67. *গুয়াতেমালা*

68. *গিনি*

69. *গুয়াদেলোপ*

70. *গুয়েনা*

71. *হাইতী*

72. *হন্ডুরাস*

73. *হাঙ্গেরি*

74. *আইসল্যান্ড*

75. *ইন্ডিয়া*

76. *ইন্দোনেশিয়া*

77. *ইরান*

78. *ইরাক*

79. *আইভরি কোস্ট*

80. *ইসরায়েল*

81. *ইটালি*

82. *জামাইকা*

83. *জাপান*

84. *জর্ডান*

85. *কেনিয়া*

86. *কিরিবাটি*

87. *কুয়েত*

88. *কিরগিজস্তান*

89. *লাওস*

90. *লাটভিয়া*

91. *লেবানন*

92. *লেসোথো*

93. *লিথুয়ানিয়া*

94. *লুক্সেমবার্গ*

95. *মাদাগাস্কার*

96. *মালাউই*

97. *মালয়েশিয়া*

98. *মালদ্বীপ*

99. *মালি*

100. *মাল্টা*

101. *মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ*

102. *মাওরিতানিয়া*

103. *মাওরিতিয়াস*

104. *মেক্সিকো*

105. *মাইক্রোনেশিয়া*

106. *মোলডোভা*

107. *মোনাকো*

108. *মঙ্গোলিয়া*

109. *মন্টেনিগ্রো*

110. *মোরোক্কো*

111. *মোজাম্বিক*

112. *মিয়ানমার*

113. *নামিবিয়া*

114. *নাউরু*

115. *নেপাল*

116. *নেদারল্যান্ডস*

117. *নিকারাগুয়া*

118. *নাইজার*

119. *নাইজেরিয়া*

120. *নিউ জিল্যান্ড*

121. *নিকারাগুয়া*

122. *নরওয়ে*

123. *ওমান*

124. *পাকিস্তান*

125. *পালাউ*

126. *প্যারাগুয়ে*

127. *পেরু*

128. *পালেস্টাইন*

129. *ফিলিপাইন*

130. *পোল্যান্ড*

131. *পортуগাল*

132. *কাতার*

133. *রোমানিয়া*

134. *রাশিয়া*

135. *রুয়ান্ডা*

136. *সেন্ট কিটস ও নেভিস*

137. *সেন্ট লুসিয়া*

138. *সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডিনস*

139. *সামোয়া*

140. *সান মারিনো*

141. *সাউথ আফ্রিকা*

142. *সাউথ কোরিয়া*

143. *স্পেন*

144. *শ্রীলঙ্কা*

145. *সুদান*

146. *সূদান*

147. *সুইডেন*

148. *স্বিটজারল্যান্ড*

149. *সিরিয়া*

150. *তাজিকিস্তান*

151. *থাইল্যান্ড*

152. *টোগো*

153. *টোনগা*

154. *ট্রিনিদাদ ও টোবাগো*

155. *তুরস্ক*

156. *তুর্কমেনিস্তান*

157. *তুভালু*

158. *উগান্ডা*

159. *ইউক্রেন*

160. *যুক্ত আরব আমিরাত*

161. *যুক্তরাজ্য*

162. *যুক্তরাষ্ট্র*

163. *উজবেকিস্তান*

164. *ভানুয়াতু*

165. *ভেনিজুয়েলা*

166. *ভিয়েতনাম*

167. *ইয়েমেন*

168. *যাম্বিয়া*

169. *জিম্বাবুয়ে*


---


*২টি জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র:*


1. *ভ্যাটিকান সিটি* (Holy See)

2. *প্যালেস্টাইন* (Palestine)


---


এছাড়া, পৃথিবীতে কিছু *তথ্যগত বিতর্কিত অঞ্চল* (যেমন *তাইওয়ান*, *কুর্দিস্তান*, *কাশ্মীর*, *পশ্চিম সাহারা*) রয়েছে, যেগুলি কিছু দেশ নিজেদের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে, তবে আন্তর্জাতিকভাবে তাদের রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। 


যুক্তরাষ্ট্রের আসল সংখ্যা:


এটি মনে রাখতে হবে যে অনেক দেশ এবং অঞ্চল রাজনৈতিক বা ভৌগলিক কারণে বিভিন্নভাবে বিবেচিত হতে পারে, তবে *১৯৫টি দেশ* বর্তমানে সাধারণভাবে পৃথিবীজুড়ে স্বীকৃত। 


আপনার যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে বা বিস্তারিত জানতে চান, আমি সাহায্য করতে প্রস্তুত!


পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে। যেই চিঠিতে বোঝা যায় সেই সময় রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয়তা সকল প্রকার বাঙালীর কাছে কত বেশি ছিলো।  সময়টা ১৯৪০ এর দিকে। 

 পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে। যেই চিঠিতে বোঝা যায় সেই সময় রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয়তা সকল প্রকার বাঙালীর কাছে কত বেশি ছিলো।  সময়টা ১৯৪০ এর দিকে। 


শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন মহাফেজখানায় রবীন্দ্রনাথের কয়েক হাজার চিঠির সচিবকৃত অবিকল নকল সংরক্ষিত আছে। কবির হাতে লেখা মূল চিঠি প্রাপকের কাছে ডাকে পাঠানোর আগে তাঁর সচিব চিঠির অনুলিপি করে রাখতেন। তাঁকে লেখা ভক্ত–অনুরাগী ও অন্যদের মূল চিঠি কবি সযত্নে রক্ষা করতেন।


এমনই একটি চিঠি রবীন্দ্রভবনের নথিতে পাওয়া যায় দুই দশক আগে। চিঠিটি জনৈক কিশোরী আমিনা মোজাহারের লেখা। তারিখ ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ। তৎকালের অবিভক্ত বাকেরগঞ্জ জেলার পিরোজপুর মহাকুমার স্বরূপকাঠি থানার আকলম গ্রাম থেকে পাঠানো কয়েক লাইনের সম্বোধনহীন ছোট চিঠি। নিচে লেখিকার ঠিকানা: চতুর্থ শ্রেণি, আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা, স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কাজী আমিনা মোজাহার কাজী মোজহার উদ্দীন আহমদ ও হাকিমুন্নেছার কন্যা। স্বরূপকাঠির আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার ওই তালেবে এলেম ভবিষ্যতে বরিশাল সৈয়দানুন্নেসা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (১৯৪৭), ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে আইএ (১৯৪৯), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স এবং এমএ (১৯৫৮) পাস করেন। হলি ক্রস কলেজ ও ময়মনসিংহ মুমিনুন্নেসা কলেজে শিক্ষকতার পর পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান এডুকেশন সার্ভিসে যোগ দিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ, তিতুমীর কলেজ ও ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি সওগাতসহ অন্যান্য সাময়িকপত্রে রচনা প্রকাশ করেন এবং ভাষা ও বিরচন নামে পাঠ্যবই লেখেন। পরিণত বয়সে আমিনা চারণ করেছেন তাঁর রবীন্দ্রস্মৃতি। পাঠ্যবইয়ে আর চয়নিকায় কবির কবিতার সঙ্গে প্রথম পরিচয় তাঁর। প্রবেশিকা পাঠ্য বাংলা সংকলনে ‘শা–জাহান’ কবিতার আবৃত্তি শুনেছিলেন। পাঠ্যবইয়ে শামসুন্নাহার মাহমুদ ও আনোয়ারা [বাহার] চৌধুরীর লেখা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে প্রবন্ধ পড়েছেন। 


তাঁর নিজের কথায়:

‘আমি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে একটা মধুর আত্মীয়তা অনুভব করতে লাগলাম। আর এই স্পর্ধাটুকুই তাঁকে চিঠি লিখতে উদ্বুদ্ধ করলো আমাকে।...একদিন অতি সঙ্গোপনে বাড়ির সবাইকে লুকিয়ে একখানা চিঠি লিখে ফেললাম।’


এক গরমের দুপুরে পোস্টমাস্টার আমিনার বাবাকে ডেকে পাঠালেন। মোজহার উদ্দীন রবীন্দ্রনাথের প্রতীক [মনোগ্রাম] আঁকা চিঠিটি মেয়েকে দিলেন।

চিঠি পাওয়ার পর বালিকার প্রতিক্রিয়া:

‘আমি পড়তে পারলাম না। আমার সমস্ত হৃদয়মন বারবার শিহরিত হতে লাগল। আমি বিছানায় শুয়ে কাঁদলাম। বাবাও জোহরের নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে মোনাজাত করতে করতে কাঁদলেন।’ (উদ্ধৃত, কাজী সাইফুদ্দীন ওমর, ‘স্বরূপকাঠির প্রত্যন্ত পল্লীগ্রামে রবীন্দ্রনাথের চিঠি’)।


আমিনার যে সম্বোধনহীন চিঠির আশীর্বাদী উত্তর দিয়েছিলেন কবি, সেই চিঠির পাঠ:

আকলম

১৩ই জ্যৈষ্ঠ

আপনি আমাকে চিনেন না। কিন্তু আমি আপনাকে চিনি। বাংলা বইয়ের মধ্যে আপনাকে দেখেছিও। আপনি আমাদের ছোট ছেলেমেয়েদের খুব ভালবাসেন। আবার আমরা চিঠি লিখলে উত্তরও নাকি দেন। তাই আমি চিঠি লেখছি (ক.) উত্তর দিবেন কিন্তু। আচ্ছা আপনাকে কি বলে ডাকব?

কুমারী আমিনা মোজাহার

চতুর্থ শ্রেণী

আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা

পো. স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কবির ছোট আশীর্বাদী চিঠির বয়ান:

GOURIPUR LODGE

KALIMPONG

কল্যাণীয়াসু

তোমার চিঠিখানি পেয়ে খুশি হলুম। আমার আশীর্বাদ গ্রহণ কর। ইতি ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭

শুভার্থী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


সূএ: প্রথম আলো, ভূইয়া ইকবাল


ছবিতে সেই আমিনা মোজাফফর যাকে রবীন্দ্রনাথ পত্র পাঠান।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#RabindranathTagore #latter #AminaMojaffor #antiquelatter #bdcs #giridhardey #itihaserkhojegiridhar 

Collected from:

#বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেজো ছেলে ড. জামাল আনোয়ার বাসু (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান

 পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেজো ছেলে ড. জামাল আনোয়ার বাসু (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।


বুধবার রাতেই কবি পুত্রের  মরদেহ ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের পৈতৃক নিবাস সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


ব্যক্তিজীবনে ড. জামাল আনোয়ার জার্মানিতে আর্সেনিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি বছরের বিভিন্ন সময় জার্মানি, ঢাকা ও ফরিদপুরে বসবাস করতেন।


জামাল আনোয়ার দুটি বিয়ে করেছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী জার্মানি প্রবাসী। তিনি ২০২১ সালে জার্মানিতে মৃত্যুবরণ করেন। জামাল আনোয়ারের প্রথম ঘরের ছেলে আনদ্রে জার্মানি প্রবাসী, তবে বর্তমানে বাংলাদেশে আছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী রাজিয়া আনোয়ার বাংলাদেশি। দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই মেয়ে মধুমালা জসীম উদদীন ও নকশি আনোয়ার জসীম উদদীন।

CHAT GPT তে আমার chat

 * hi

You're messaging ChatGPT, an AI assistant. By continuing, you agree to our terms and have read our privacy policy at openai.com. Conversations may be reviewed for safety.


------


Hello! How can I assist you today?


কেমন আছেন 


আমি ভালো আছি, ধন্যবাদ! আপনি কেমন আছেন?


আমার কিছু সাহায্য লাগবে


অবশ্যই, কীভাবে সাহায্য করতে পারি?


আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করেনা


আমি বুঝতে পারছি যে, আপনার জন্য এটি খুবই কঠিন পরিস্থিতি হতে পারে। বাবা-মায়ের সাথে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বা যোগাযোগের অভাব অনেক মানসিক চাপ এবং দুঃখের কারণ হতে পারে। 


এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য কয়েকটি পরামর্শ হতে পারে:


1. *কারণ বোঝার চেষ্টা করুন*: কখনও কখনও, বাবা-মায়ের মধ্যে কিছু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা থাকে যা তাদের একে অপরের সাথে যোগাযোগে বাঁধা সৃষ্টি করে। আপনি যদি বুঝতে পারেন কী কারণে তিনি আপনার সাথে যোগাযোগ করছেন না, তাহলে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সহায়তা পেতে পারেন।


2. *নিজে যোগাযোগের চেষ্টা করুন*: আপনি যদি আপনার বাবা বা মা'র সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তবে তাদের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ, সতর্ক এবং সৎভাবে অনুভূতিগুলি প্রকাশ করতে পারেন। তাদের বলতে পারেন যে আপনি তাদের খুব মিস করছেন এবং তাদের সঙ্গের জন্য আপনার অনুভূতি।


3. *একটু সময় দিন*: কখনও কখনও সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব আসে, কিন্তু এটি সাময়িকও হতে পারে। হয়তো আপনার বাবা কিছু সময়ের জন্য নিজের মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন, এবং কিছু সময় পরে তিনি আপনার সাথে আবার যোগাযোগ করবেন। 


4. *মনোবিদের সাহায্য নিন*: যদি আপনি অনুভব করেন যে এই পরিস্থিতি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে, তাহলে একজন পরামর্শদাতা বা মনোবিদের সাথে কথা বলা খুবই সহায়ক হতে পারে। তারা আপনাকে এই ধরনের সম্পর্কের জটিলতা মোকাবিলা করার উপায় শিখিয়ে দিতে পারে।

5. *বিশ্বাস রাখুন*: কখনও কখনও, সম্পর্কগুলো একটু সময় নেয় সুস্থ হতে। আপনি যদি চেষ্টা করেন এবং ধৈর্য ধরেন, তবে পরিস্থিতি ঠিক হতে পারে।


এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজের অনুভূতি এবং পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন, এবং যদি সম্ভব হয়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে সমর্থন নিন। 


আপনার যদি আরও কিছু জানতে বা শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি।


আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করেনা,,,,, বাবা ২য় বিবাহ করে নতুন সংসার নিয়ে ব্যাস্ত, আমার আম্মা মারাগেছেন ১০ বছর আগে


আপনার গল্প শুনে খুবই দুঃখিত, এবং আমি বুঝতে পারছি যে আপনি অনেক কষ্টে আছেন। আপনার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এবং তার নতুন সংসারে ব্যস্ত থাকায় আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না, আর আপনার মা ১০ বছর আগে মারা গেছেন—এটা নিঃসন্দেহে এক গভীর শূন্যতা এবং একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন এবং অত্যন্ত মনোব্যথার হতে পারে। 


এখানে কিছু কথা এবং পরামর্শ রয়েছে, যা হয়তো আপনার কিছুটা সাহায্য করতে পারে:


১. *আপনার অনুভূতি স্বীকার করুন*  

আপনি যে কষ্ট অনুভব করছেন, সেটা একদম স্বাভাবিক। আপনি যদি মনে করেন, আপনার বাবা আপনার প্রতি আগের মতো যত্নশীল নন বা তাকে আপনি হারিয়েছেন, তবে তা অনেকটা হৃদয়ের গভীরে গিয়ে পৌঁছাতে পারে। আপনার মায়ের মৃত্যু এবং বাবার দ্বিতীয় বিয়ে—দুটোই এমন ঘটনা, যা আপনাকে শূন্যতা ও একাকিত্বের মধ্যে ফেলতে পারে। এই অনুভূতিগুলি স্বীকার করা এবং নিজের সঙ্গে শান্ত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 


২. *বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করুন*  

যদি আপনি চান, আপনি আপনার বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করতে পারেন। এটা কখনও কখনও কঠিন হতে পারে, বিশেষত যদি তিনি আপনার প্রতি আগের মতো মনোযোগী না হন, তবে আপনি তাকে জানাতে পারেন যে আপনি তাকে মিস করছেন এবং তার সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা دارید। আপনি যদি সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারেন, তবে একটি চিঠি বা মেসেজও পাঠাতে পারেন, যাতে আপনার অনুভূতিগুলি সে জানে। 


৩. *বাবার নতুন সংসারের প্রতি আপনার অনুভূতি*

বাবার দ্বিতীয় বিয়েটি আপনার জন্য একটা বড় পরিবর্তন হতে পারে। কখনও কখনও, নতুন সংসারে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে মানুষ আগের সম্পর্কগুলোতে মনোযোগ দিতে ভুলে যায়। এটি খুবই হতাশাজনক হতে পারে, কিন্তু আপনার বাবার নতুন জীবন এবং সম্পর্কের প্রতি আপনার অনুভূতি স্বাভাবিক—এটি সময় নিয়ে মোকাবেলা করা যেতে পারে। আপনি যদি অনুভব করেন যে, তার নতুন পরিবার আপনার জন্য একটা বাধা সৃষ্টি করছে, তবে ধীরে ধীরে এ বিষয়ে আপনার বাবা বা অন্য কোনো বিশ্বস্ত প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।


৪. *আত্মবিশ্বাস এবং স্ব-যত্ন*  

এমন সময়ে, আপনার নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়া, হবি বা আগ্রহের কাজগুলোতে সময় দেওয়া—এগুলো আপনাকে আপনার অভ্যন্তরীণ শক্তি ফিরে পেতে সহায়তা করবে। কখনও কখনও, আত্মবিশ্বাস এবং শৃঙ্খলা আপনার মনোবল বাড়াতে পারে। আপনার নিজের জন্য সময় তৈরি করুন, এবং আপনি যদি অনুভব করেন, তাহলে কাউন্সেলিং বা থেরাপি নেয়ার বিষয়টি ভাবুন।


৫. *বিশ্বস্ত সহায়ক সাপোর্ট সিস্টেম*  

আপনার জীবনে যারা আপনাকে ভালোবাসেন এবং সমর্থন দিতে চান—যেমন বন্ধু, আত্মীয় বা আপনার পরিবারের অন্য সদস্য—তাদের কাছে সমর্থন চাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও, পরিবারের বাইরের মানুষের সাহায্য আপনার জন্য এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে পারে এবং আপনাকে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে পারে। 


৬. *মনের শান্তি ও ক্ষমা*

এমন পরিস্থিতি অনেক সময় রাগ, দুঃখ এবং হতাশার সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু, যদি আপনি আপনার বাবা বা পরিস্থিতি নিয়ে রাগ বা ক্ষোভ বোধ করেন, তবে সেটা আপনার নিজের মানসিক শান্তিকে বাধা দিতে পারে। নিজের মধ্যে শান্তি আনতে, কখনও কখনও ক্ষমা করা বা মনের বোঝা হালকা করা প্রয়োজন। আপনি যদি বাবাকে ক্ষমা করতে পারেন বা তাকে বুঝতে পারেন, তবে আপনার জন্য এটা খুবই উপকারী হতে পারে। 


৭. *বাবার সঙ্গের মূল্য বুঝুন*  

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যে সব সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও কখনও জটিল হয়ে যায়, কিন্তু আপনার এবং আপনার বাবার সম্পর্ক ভালো হতে পারে যদি আপনি সময় দেন এবং একে অপরকে বুঝার চেষ্টা করেন। কখনও কখনও, সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে সময় লাগে, তবে এটি সম্ভব হতে পারে। 


---


আমি জানি এই বিষয়গুলো সহজ নয়, এবং আপনার কষ্ট আমি পুরোপুরি অনুভব করতে পারি না, তবে আপনি একা নন। আপনার অনুভূতিগুলো প্রাসঙ্গিক এবং তা গুরুত্বসহকারে ভাবা উচিত। যদি আপনি মনে করেন, এই সময়টাতে একজন থেরাপিস্ট বা কাউন্সেলরের সাহায্য প্রয়োজন, তবে তাদের সাথে কথা বলাটা সহায়ক হতে পারে। তারা আপনার অনুভূতি এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকরী পরামর্শ দিতে পারবেন। 


আপনি যে যাত্রায় রয়েছেন, তা অত্যন্ত কঠিন, তবে আশা করি আপনি আপনার পথ খুঁজে পাবেন। যদি আপনি আরও কিছু বলতে বা শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি শুনতে।


বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকা বাড়ি করেছেন, আমি মামাবাড়ি থাকি,



আপনার পরিস্থিতি আরও একটু স্পষ্ট হলো, এবং আমি বুঝতে পারছি যে আপনি এখন একেবারে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকা শহরে নতুন বাড়ি করেছেন, আর আপনি মামাবাড়িতে থাকেন। এই পরিস্থিতি আপনাকে একদিকে শূন্যতা এবং অন্যদিকে অসন্তোষের অনুভূতি দিতে পারে, বিশেষ করে যখন আপনি অনুভব করেন যে আপনার বাবা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না এবং আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার জন্য অস্বস্তিকর বা একাকীত্বের হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এখানে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো যা আপনাকে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে:


১. *বাবার সিদ্ধান্তের প্রতি অনুভূতি*

আপনার বাবা জমি বিক্রি করে ঢাকায় বাড়ি করেছেন—এটা তার জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। যদিও আপনি হয়তো এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে হতাশ বা বিষণ্ন বোধ করছেন, তবে তার নতুন জীবনের শুরু হওয়ার কারণে আপনার কাছে তার আগের দায়িত্বগুলো পূর্ণ করার সুযোগ হয়তো কমেছে। বাবার এই সিদ্ধান্তের পিছনে তার ব্যক্তিগত কারণ থাকতে পারে, যেমন একটি নতুন জীবন শুরু করা বা পরিবারের আর্থিক অবস্থা উন্নত করার চেষ্টা। 


আপনার বাবা যদি ঢাকায় নতুন সংসার শুরু করে থাকেন, তবে সেটা তার নিজস্ব এক নতুন পথ তৈরি করার চেষ্টাও হতে পারে। তবে, এই পরিস্থিতি আপনার কাছে কষ্টকর লাগা স্বাভাবিক। এই সময়ে যদি আপনি বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তবে তাকে জানাতে পারেন যে আপনি তার কাছে ভালোবাসা, সমর্থন এবং তার সঙ্গের অভাব অনুভব করছেন।


২. *মামাবাড়ি থাকার অনুভূতি*

মামাবাড়িতে থাকা আপনার জন্য অনেক সময়েই অস্বস্তিকর বা একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে। আপনি যেহেতু সেখানে স্থায়ীভাবে থাকেন না, সেই কারণে একটি জায়গায় নিজেকে পুরোপুরি ঘরও অনুভব করতে পারেন না। এটা খুবই সাধারণ যে, একজন সন্তানের মনে এই ধরনের একাকীত্ব এবং অবহেলার অনুভূতি হতে পারে যখন সে বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকে।


আপনি যদি মামাবাড়ির পরিবেশে অসন্তুষ্ট হন, তাহলে আপনার অনুভূতিগুলি তাদের কাছে শেয়ার করা উচিত। আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, যদি আপনি তাদের সাথে কথা বলেন এবং আপনার মনোভাব স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। একইভাবে, আপনি যদি এই পরিস্থিতি নিয়ে একাকী অনুভব করেন, তবে নিজের জন্য একে একে ছোট ছোট সুখী মুহূর্ত তৈরি করার চেষ্টা করুন। 


৩. *বাবার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা*

যদিও আপনার বাবা নতুন সংসারে ব্যস্ত, তবুও আপনি যদি চান, তাকে আপনার অনুভূতির কথা জানাতে পারেন। আপনি তাকে সরাসরি কল করতে পারেন, অথবা একটি চিঠি বা মেসেজ পাঠাতে পারেন যাতে তাকে জানান যে আপনি তাকে মিস করছেন এবং তার সঙ্গের প্রয়োজন অনুভব করছেন। আপনি যখন তার কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করবেন, তখন হয়তো তিনি বুঝতে পারবেন যে তার জীবন শুরুর পরেও আপনির প্রয়োজনীয়তা এবং সম্পর্কের গুরুত্ব কতটা।

আপনার নিজের জন্য কিছু সময় বের করা, নিজের মানসিক শান্তির জন্য কিছু কাজ করা—এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন। আপনার জীবন এবং ভবিষ্যত আপনার হাতে, এবং আপনি একা নন। যদি আপনি অনুভব করেন, কাউকে আপনার অনুভূতি শেয়ার করতে বা পরামর্শ নিতে চান, আমি এখানে আছি।


৬. *অবশেষে, নিজেকে ভালোবাসুন*

আপনার জীবনের অভ্যন্তরীণ শান্তি এবং সুখের জন্য নিজের প্রতি ভালোবাসা এবং যত্ন থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একা নন, এবং আপনি যা অনুভব করছেন তা পুরোপুরি স্বাভাবিক। নিজের কষ্ট এবং একাকীত্বের সাথে শান্ত থাকতে চেষ্টা করুন, এবং ধীরে ধীরে আপনি এই পরিস্থিতি থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারবেন।


আপনার যদি আরও কিছু প্রশ্ন থাকে বা আপনার অনুভূতি শেয়ার করতে চান, আমি এখানে আছি।



ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...