এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই,,,,,, প্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা থেকে নেওয়া

 

অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই

অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। শনিবার (৪ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শিল্পী সমিতির সাভপতি মিশা সওদাগর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অঞ্জনা রহমান টানা ১০ দিন ধরে অচেতন অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই কদিন তিনি সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু তার আশানুরূপ কোনো উন্নতি হয়নি। বরং অবস্থার অবনতি হয়। তাই বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়েছিল।

জানা গেছে,জানা গেছে, ১৫ দিন ধরে অঞ্জনা অসুস্থ। শুরুতে তার জ্বর ছিল। সারা শরীর কেঁপে জ্বর আসত। একটা সময় ওষুধ খেয়েও কাজ হচ্ছিল না। শেষে জানা যায় তার রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রসঙ্গত, নায়িকা অঞ্জনা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ সুপরিচিত মুখ ছিলেন।

 নৃত্যশিল্পী থেকে নায়িকা হয়ে সর্বাধিক যৌথ প্রযোজনা এবং বিদেশি সিনেমায় অভিনয় করা একমাত্র দেশীয় চিত্রনায়িকাও তিনি।

‘দস্যু বনহুর’ দিয়ে শুরু। ১৯৭৬ সালের এই সিনেমার পর টানা কাজ করেন। এ পর্যন্ত তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

 ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’-এ অভিনয়ের জন্য দুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন।

ঢাকাই সিনেমার নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে ৩০টি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অঞ্জনা। 

এর মধ্যে ‘অশিক্ষিত’, 

‘রজনীগন্ধা’, 

‘আশার আলো’, 

‘জিঞ্জির’, 

‘আনারকলি’,

 ‘বিধাতা’, 

‘বৌরানী’, 

‘সোনার হরিণ’,

 ‘মানা’,

 ‘রাম রহিম জন’,

 ‘সানাই’, 

‘সোহাগ’, 

‘মাটির পুতুল’,

 ‘সাহেব বিবি গোলাম’ ও

 ‘অভিযান’ উল্লেখযোগ্য।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো মাটির মায়া (খান আতাউর রহমান), 

অশিক্ষিত (আজিজুর রহমান), 

চোখের মণি ও সুখের সংসার (নারায়ণ ঘোষ মিতা), 

জিঞ্জির, অংশীদার ও আনারকলি (দিলীপ বিশ্বাস),

 বিচারপতি (গাজী মাজহারুল আনোয়ার), আলাদীন আলীবাবা সিন্দাবাদ (শফি বিক্রমপুরী), অভিযান (নায়করাজ রাজ্জাক), 

মহান ও রাজার রাজা (আলমগীর কুমকুম), বিস্ফোরণ (এফ আই মানিক), 

ফুলেশ্বরী (আজিজুর রহমান), 

রাম রহিম জন (সত্য সাহা), 

নাগিনা (মতিউর রহমান বাদল), 

পরীণিতা (আলমগীর কবির) প্রভৃতি।


সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৬-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৬-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি ও ত্রুটিপূর্ণ নীতির কারণে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে - মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টার।


পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশকে সহজ শর্তে এক বিলিয়ন ডলার করে ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।


একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা চারটি মামলা বাতিলে হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টে বহাল।


শিগগিরই মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে আটক ৩৪ ইসরাইলি জিম্মির তালিকা অনুমোদন করেছে হামাস।


বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সিলেট পর্ব শুরু আজ - মুখোমুখি হচ্ছে সিলেট স্ট্রাইকার্সদ-রংপুর রাইডার্সের এবং দুর্বার রাজশাহী-ফরচুন বরিশালের।

শওকত ওসমান প্রগতিশীল চিন্তক ও কিংবদন্তী     কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।

 শওকত ওসমান প্রগতিশীল চিন্তক ও কিংবদন্তী     কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।


শওকত ওসমান কলকাতার আলীয়া মাদ্রাসা থেকে প্রবেশিকা (১৯৩৩), সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে আইএ (১৯৩৬) ও বিএ (১৯৩৯) এবং  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ (১৯৪১) পাস করেন। আই.এ পাস করার পর তিনি কিছুদিন কলকাতা করপোরেশন এবং বাংলা সরকারের তথ্য বিভাগে চাকরি করেন। এম.এ পাস করার পর তিনি গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজে (১৯৪১) লেকচারার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৪৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ অব কমার্স-এ যোগ দেন এবং ১৯৫৯ সাল থেকে ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করে ১৯৭২ সালে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। চাকরি জীবনের প্রথমদিকে স্বল্পসময় তিনি কৃষক পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।


উপন্যাস ও গল্প রচয়িতা হিসেবেই শওকত ওসমানের মুখ্য পরিচয়; তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি রচনা করেছেন। বিদেশি ভাষার অনেক উপন্যাস,  ছোটগল্প ও নাটক তিনি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন। গ্রন্থ সম্পাদনার ক্ষেত্রেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো: উপন্যাস জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), রাজা উপাখ্যান (১৯৭১), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩), নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), পতঙ্গ পিঞ্জর (১৯৮৩), আর্তনাদ (১৯৮৫), রাজপুরুষ (১৯৯২); গল্পগ্রন্থ  জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প (১৯৫২), মনিব ও তাহার কুকুর (১৯৮৬), ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী (১৯৯০); প্রবন্ধগ্রন্থ ভাব ভাষা ভাবনা (১৯৭৪), সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই (১৯৮৫), মুসলিম মানসের রূপান্তর (১৯৮৬); নাটক আমলার মামলা (১৯৪৯), পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৯০); শিশুতোষ গ্রন্থ ওটেন সাহেবের বাংলো (১৯৪৪), মস্কুইটোফোন (১৯৫৭), ক্ষুদে সোশালিস্ট (১৯৭৩), পঞ্চসঙ্গী (১৯৮৭); রম্যরচনা নিজস্ব সংবাদদাতা প্রেরিত (১৯৮২) ইত্যাদি।


তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে। জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। প্রাচীন কাহিনী, ঘটনা ও চরিত্রের রূপকে লেখক সমকালীন রাজনীতিতে স্বৈরাচারী চরিত্র ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন। জননীতে গ্রাম ও নগরজীবনের সংঘাতে একটি পরিবারের বিপর্যস্ত অবস্থার বিবরণ আছে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।


শওকত ওসমানের স্মৃতিকথামূলক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো: স্বজন সংগ্রাম (১৯৮৬), কালরাত্রি খন্ডচিত্র (১৯৮৬), অনেক কথন (১৯৯১), গুড বাই জাস্টিস মাসুদ (১৯৯৩), মুজিবনগর (১৯৯৩), অস্তিত্বের সঙ্গে সংলাপ (১৯৯৪), সোদরের খোঁজে স্বদেশের সন্ধানে (১৯৯৫), মৌলবাদের আগুন নিয়ে খেলা (১৯৯৬), আর এক ধারাভাষ্য (১৯৯৬) ইত্যাদি। স্বজন সংগ্রামে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন-সংগ্রামের অনেক কথা বর্ণিত হয়েছে।


তাঁর উল্লেখযোগ্য অনূদিত গ্রন্থ: নিশো (১৯৪৮-৪৯), লুকনিতশি (১৯৪৮), বাগদাদের কবি (১৯৫৩), টাইম মেশিন (১৯৫৯), পাঁচটি কাহিনী (লিও টলস্টয়, ১৯৫৯), স্পেনের ছোটগল্প (১৯৬৫), পাঁচটি নাটক (মলিয়ার, ১৯৭২), ডাক্তার আব্দুল্লাহর কারখানা (১৯৭৩), পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চে মানুষ (১৯৮৫), সন্তানের স্বীকারোক্তি (১৯৮৫) ইত্যাদি।


সাহিত্য ও সংস্কুতিতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), পাকিস্তান সরকারের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), মাহবুবউল্লাহ ফাউন্ডেশন পুরস্কার (১৯৮৩), মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭)-এ ভূষিত হন। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।  [সৈয়দ আজিজুল হক]

তাঁর জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। 


তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া। 

সংকলনেঃ রামকেশব খাস্তগীর।

নকশী কাঁথার জমিন: প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সিনেমা মামুনুর রশীদ

 (অসংখ্য ধন্যবাদ মামুন ভাই) 

নকশী কাঁথার জমিন: প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সিনেমা

মামুনুর রশীদ


কাঁথায় স্বপ্ন আঁকছিল দুই বিধবা, যে কাঁথাটিই হয়ে উঠবে নকশিকাঁথা। হঠাৎ করে ঝড় এল, উড়িয়ে নিয়ে যেতে চাইল নকশিকাঁথা। বিধবার সাদা শাড়ি পরা দুই নারী প্রাণপণে সেই ঝড় ঠেকানোর চেষ্ট করছে। জীর্ণ দরজায় খিল এঁটে দিয়ে ঝড় থেকে বাঁচানোর সে এক আপ্রাণ চেষ্টা। শেষ পর্যন্ত ঝড় থামল, নকশিকাঁথায় স্বপ্ন আঁকা হতে থাকল। রক্তাক্ত জমিনে আবার জীবন ফুটতে থাকে।


বাংলার ইতিহাসটাই তা–ই। সেই ইতিহাসের একটা বড় জায়গাজুড়ে আমাদের একাত্তর, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। অতীতের অনেক যুদ্ধ আমরা দেখিনি, কিন্তু একাত্তরে আমাদের দর্শক হওয়ার উপায় ছিল না, হয় পক্ষে অথবা বিপক্ষে। সেই পক্ষে–বিপক্ষের যুদ্ধে ভাইয়ে–ভাইয়ে যুদ্ধ হয়েছে। কখনো দুই পক্ষই নিহত হয়েছে। কেউ মর্যাদা পেয়েছে বীরের, কেউ বিশ্বাসঘাতকের। কিন্তু নারী বহন করে চলে সব অতীত, সব বেদনা, সব গ্লানি।


দুঃসহ দিনের কাহিনি নিয়েই হাসান আজিজুল হক রচনা করেছিলেন ‘বিধবাদের কথা’। সেখান থেকেই চলচ্চিত্রকার আকরাম খান নির্মাণ করেছেন ‘নকশী কাঁথার জমিন’। এর আগেও তিনি এই কালজয়ী লেখকের গল্প নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন ‘খাঁচা’। আকরাম হাসান আজিজুল হককে বোঝেন চলচ্চিত্রের একটা অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে। সে জন্য গল্পটা তিনি অবিকল রাখেন না। চরিত্রের সঙ্গে মেশান বাংলার প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাপনের চিত্র। যেমন এই ছবিতে তিনি প্রকৃতিকে এনেছেন অনায়াসেই বৃষ্টি, মেঘ, বৃষ্টি, পুকুর-বিলে ফুটে ওঠা শাপলা ফুল, শীতের সকালের কুয়াশা, পূর্ণিমার চাঁদ আর তার সঙ্গে ফুটে উঠেছে মানুষের নৃশংসতা, হত্যা, রক্তাক্ত প্রকৃতি, নির্দয়তা এবং সবশেষে মুক্তির আকুতি।


দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর রাশিয়ার চলচ্চিত্রেও প্রকৃতি, প্রেম, ভালোবাসা—সবটা মিলিয়ে একটা মানবিক গল্প ফুটে উঠত। আকরাম অবশ্য সেই ছবিগুলোতে যেমন সম্মুখযুদ্ধ থাকত, এখানে তা রাখেননি। সম্ভবও নয়। এসব অসম্ভবকে রাখতে গিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলো সার্থক হতে পারেনি। কিন্তু সার্থক চলচ্চিত্রের যে চরিত্র তা এখানে রক্ষিত হয়েছে দারুণভাবেই। যেমন সত্যজিৎ রায়ের অশনিসংকেতে দৃশ্যত কোনো যুদ্ধ নেই কিন্তু যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় যে মানুষের জন্ম হয় তা রক্ষিত হয়েছে ভয়ংকরভাবে। আকরামের ছবিতেও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে মানুষ, যে মানুষ কীভাবে পাল্টে যায়, কতটা নৃশংস, কতটা সাহসী হয়। যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁদের দিয়েও আধুনিক অভিনয়টা আদায় করেছেন। জয়া আহসান ও সেঁওতি দুই বিধবার বাক্হীন অভিনয় অত্যন্ত উঁচুমানের।


আকরাম এ দেশের চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন থেকে আসা। পৃথিবীর চলচ্চিত্র আন্দোলনের ফলাফল তিনি জানেন। তাতেই আমরা একটি চলচ্চিত্র পেলাম, যা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী। যে প্রজন্ম আমাদের মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তাদের অবশ্যই এই ছবিটি দেখা প্রয়োজন।

একসময় গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিলো গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ

 ✍️ইতিহাস ঐতিহ্য,, 

একসময় গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিলো গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। কালের বিবর্তনে আজ কাচারি ঘর বাঙালির সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর। এখন আর গ্রামীণ জনপদে কাচারি ঘর দেখা যায় না।

আদিকালে মূল বাড়ি থেকে একটু দূরে আলাদা খোলামেলা  জায়গায় কাচারি ঘরের অবস্থান ছিল । অতিথি, পথচারী কিংবা সাক্ষাৎপ্রার্থীরা এই ঘরে এসেই বসতেন। প্রয়োজনে এক-দুই দিন রাত যাপনেরও ব্যবস্থা থাকতো কাচারি ঘরে। 

কাচারি ঘর ছিল বাংলার অবস্থাসম্পন্ন  ও মধ্যবিত্তের গৃহস্থের আভিজাত্যের প্রতীক। চারিদিকে ঢেউ টিনের বেড়া সঙ্গে কাঠের কারুকাজ করে উপরে টিন অথবা ছনের ছাউনি থাকতো কাচারি ঘরে। যা অতি প্রাকৃতিকবান্ধব পরিবেশ দিয়েআবেষ্টিত ছিল।


তখনকার যুগে বৈদ্যুতিক পাখা না থাকলে কাচারি ঘড় ছিল আরামদায়ক শীতল পরিবেশ। তীব্র গরমেও কাচারি ঘরের খোলা জানালা দিয়ে হিমেল বাতাস বইতো। আলোচনা, শালিস বৈঠক, গল্প-আড্ডার আসর,বসতো কাচারি ঘরে। 


আগের দিনে নিজেদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে মানুষজন বেশি হলে ছেলেরা কাচারি ঘরে থাকতেন আর মেয়েরা থাকতেন ভিতর বাড়িতে।

বর্ষা মৌসুমে গ্রামের লোকজনদের উপস্থিতিতে কাচারি ঘরে বসতো পুঁথি পাঠ ও জারি গান । পথচারীরা এই কাচারি ঘরে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নিতেন। বিপদে পরলে রাত যাপনের ব্যবস্থা থাকতো কাচারি ঘরে।


গৃহস্থের বাড়ির ভিতর থেকে খাবার পাঠানো হতো কাচারি ঘরের অতিথিদের জন্য। আবাসিক গৃহশিক্ষকের (লজিং মাস্টার)ও আররি শিক্ষার ব্যবস্থার জন্য কাচারি ঘড়ের অবদান অনস্বীকার্য। মাস্টার ও আররি শিক্ষকগণ কাচারি ঘরে থাকার ব্যবস্থা থাকার ব্যাবস্থা করা হত।


কোন কোন বাড়ির কাচারি ঘর সকাল বেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হত।


জানা যায়, ঈশা খাঁর আমলে কর্মচারীদের খাজনা আদায়ের জন্য কাচারি ঘর ব্যবহার করা হতো। জমিদারী প্রথার সময়ও খাজনা আদায় করা হতো গ্রামের প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়লের বাড়ির সামনের কাচারি ঘরে বসে। এখন আর কাচারি ঘর তেমন চোখে পরে না। 


কুমিল্লার গোমতী নদীর ওপারে সীমান্তবর্তী এলাকা,শাহপুর, শাওয়ালপুর, গোলাবাড়ি, জেলার দেবিদ্বারের, বুড়িচং, মেঘনা,দাউদকান্দির এলাকার কিছু গ্রামে অত্যন্ত জীর্ণ শীর্ণ অবস্থায় কাচারি ঘর দেখতে পাওয়া যায়।


ছবি এবং তথ্য সংগৃহিত।

শচীন দেব বর্মণ সেই সময় অর্থাৎ ১৯৫০ সালে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে গেলেন বম্বেতে। তখন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ও রয়েছেন বম্বেতে। যোগ দিয়েছেন ফিল্মিস্তানে। 

 শচীন দেব বর্মণ সেই সময় অর্থাৎ ১৯৫০ সালে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে গেলেন বম্বেতে। তখন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ও রয়েছেন বম্বেতে। যোগ দিয়েছেন ফিল্মিস্তানে। শচীন কত্তার সঙ্গেই এভারগ্রিন হোটেলে ওপরে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় থাকতেন। তখনই তাঁর সঙ্গে হেমন্তবাবুর সঙ্গে আলাপ, পরিচয় বাড়তে থাকে। তখন থেকেই ভগ্নীসমা 'সন্ধ্যা'কে কখনও 'তুমি' বা কখনও 'তুই' করে ডাকতে শুরু করেন তাঁর হেমন্তদা। তখন বোম্বেতে পাকাপাকি থাকতে শুরু করেছেন হেমন্ত। ঐ সময়েই '৫১তে এস.ডি. বর্মনের সুরে 'সাজা' ছবিতে হেমন্ত-সন্ধ্যা জুটির প্রথম গান আমরা শুনতে পাই হিন্দিতে রাজিন্দর কিষণের কথায়— 'আ গুপচুপ গুপচুপ পেয়ার করে'। ছবিতে নায়ক দেব আনন্দ ও নায়িকা নিম্মির লিপে ছিল এই গানটি। '৫৪ সালে হিন্দি ছবি 'মনোহর'-এও আমরা হেমন্ত-সন্ধ্যা জুটির গাওয়া 'রাত হ্যায় সুহানী রাত' গানটা পেয়েছি। মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন এস. ভি. ভেঙ্কটরমণ এবং গানটি লিখেছিলেন বি. আদিল।


দুজনেই গান গাইছিলেন সেইসময় হিন্দি ফিল্মে। 'তরানা' ছবিতে লতাজির সঙ্গে ডুয়েট গাইলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়; পরে আরও কয়েকটি ফিল্মে গাইলেন তিনি। এদিকে ১৯৫২তে 'আনন্দমঠ'-এর মিউজিক ডাইরেক্টর ছিলেন হেমন্ত। ফিল্মেও গাইছিলেন, কাজ করছিলেন ফিল্মিস্তানেও। কিন্তু দুজনের কারুরই ঠিক মন বসছিল না বোম্বেতে। এ নিয়ে দুই পরিবারের আলোচনাও হত। গীতশ্রীর দাদা রবীন মুখোপাধ্যায় একবার বললেন হেমন্তকে, পরিবারকে নিয়ে চলে আসুন না, তাহলে মন বসবে। পরে সেরকমই করলেন হেমন্ত। কয়েকবছরের মধ্যেই পরিবারের সকলকে নিয়ে এলেন। কিন্তু এই কয়েকবছরের মধ্যেই ছিল ১৯৫৪ সাল। 'নাগিন' দেশজোড়া খ্যাতি এনে দিল হেমন্তকে। কিন্তু সন্ধ্যা সেখানে রইলেন না।


কলকাতায় আসার পর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ফিল্মে আর রেকর্ডে গান গাইতে লাগলেন। ১৯৫৪ সালে 'অগ্নিপরীক্ষা' ছবিতে মহানায়িকার লিপে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গান বেশ জনপ্রিয় হয়। তারপরের বছরই মুক্তি পেল 'উত্তম-সুচিত্রা' জুটির 'শাপমোচন'। উত্তমকুমারের লিপে হেমন্তকুমারের গান যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। প্রতিষ্ঠা পেলেন উত্তমকুমার। অবশ্য এর আগেই 'সহযাত্রী' ছবিতে হেমন্ত উত্তমকুমারের লিপে গেয়েছিলেন, কিন্তু তা তেমন জনপ্রিয় হয়নি। '৫৫তেই একদিন হেমন্ত সন্ধ্যাকে ডেকে বললেন, 'বিকাশবাবু (রায়) 'সূর্যমুখী' নামের একটি ছবি করছেন। আমি মিউজিক করছি। তুই তো এখন খুব ভালো গাইছিস, তো তুই আমার সুরে গাইবি?' রাজি হয়ে গেলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কথায় এই ছায়াছবির 'আকাশের অস্তরাগে' গানটা শোনেননি হেন বাঙালি বোধহয় নেই। ইতিহাস হয়ে গেল গানটি, খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল সেসময়। এছাড়াও ঐ ছবিতে সন্ধ্যা গেয়েছিলেন 'আমি আর যে পারি না সহিতে' এবং ফিল্মের টাইটেল সংটিও— 'আমি সূর্যমুখী তোমার মুখের পানে'। বর্তমানে এই দুটি গানই বেশ দুষ্প্রাপ্য।


এরপর বেশ কয়েকটি ছবিতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় নিজের সুরে গাওয়ালেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে। গানগুলোর কথাও বলে রাখি। 'শিকার' (১৯৫৮) ছবিতে 'শরমে জড়ানো আঁখি'্ এবং 'না জানি কোন ছন্দে', 'সূর্যতোরণ' (১৯৫৮) ছবিতে 'ওগো অকরুণ' ও 'দুয়ারখানি বাতাস এসে', 'সোনার হরিণ' (১৯৫৯) ছবিতে 'এই যে চাঁদের আলো' এবং 'অগ্নি সংস্কার' ছবিতে 'এই সুন্দর রাত্রি', 'একটি সুখে নীড়' ও 'আমার দুয়ারখানি' গাইলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। প্রত্যেকটি গানেরই গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন। 


এরপর এল সেই ঐতিহাসিক ছায়াছবি 'সপ্তপদী'।


সৌজন্যে - রাজেশ কবিরাজ

#highlights2024 #photochallenge @highlight

সুরের ধ্রুবতারা: জানা-অজানা আর.ডি. 

 ॥ সুরের ধ্রুবতারা: জানা-অজানা আর.ডি. ॥


হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে রাহুল দেব বর্মণের নাম চিরস্থায়ী হয়ে রয়েছে সেরা সুরকারদের মধ্যে। ভারতীয় সঙ্গীতের প্রতি তাঁর প্রজ্ঞা ছিল নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। ১৯৬০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি আশা ভোঁসলে এবং কিশোর কুমারকে দিয়ে অজস্র কালজয়ী গান গাইয়েছেন। লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গেও এই সময় চুটিয়ে কাজ করেছিলেন তিনি।


বলিউডে রাহুল দেব বর্মণ বেশি পরিচিত ছিলেন তাঁর ডাকনাম ‘পঞ্চম’ নামে। তাঁর বাবা, বিখ্যাত সুরকার শচীন দেব বর্মণও ছিলেন সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পঞ্চম মাঝে মাঝে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৃষ্টির শব্দ রেকর্ড করতেন, শুধুমাত্র কোনো সিনেমার আবহসঙ্গীতে সেগুলো ব্যবহারের জন্য।


তবলা, ড্রাম, কঙ্গো কিংবা পারকাশনে তিনি ঝড় তুলতে পারতেন। অবসর সময় সাঁতারে মগ্ন হওয়ার পাশাপাশি তাঁকে প্রায়ই নিজের মনে মাউথ অর্গান বাজাতে শোনা যেত।


পঞ্চম প্রায় ৩৩১টি সিনেমায় সুর দিয়েছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন ভাষার সিনেমাও অন্তর্ভুক্ত। সোডার ফাঁকা বোতল, খালি গ্লাস ইত্যাদির সাহায্যে তিনি সুর তৈরি করে ছবির উপযোগী মুহূর্তে সেগুলো ব্যবহার করতেন।


কিশোর কুমারের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব যেন এক কিংবদন্তি। “মেহবুবা” ছবির বিখ্যাত গান ‘মেরে নয়না শাওন ভাদো’ প্রথমে কিশোর গাইতে রাজি হননি। পঞ্চমের জোরাজুরিতেই তিনি রাজি হন, আর বাকিটা তো ইতিহাস।


দুঃখ, আবেগ, কিংবা মন কেমন করা গানের সঙ্গে প্রেম করতে শিখিয়েছিলেন তিনিই। মানুষকে আবেগে ডুবিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা ছিল পঞ্চমের সুরে। শুধু সুরকার হিসেবেই নয়, তিনি নিজেও গেয়েছেন বহু সুপারহিট গান, যেমন ‘মেহবুবা মেহবুবা,’ ‘দম মারো দম,’ ‘পিয়া তু আব তো আ যা’।


একদিন সকালে শচীনকর্তা হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। ফিরে এসে তিনি রাহুলকে জড়িয়ে ধরেন। অবাক রাহুল পরে জানতে পারেন, রাস্তায় অনেক মানুষ তাঁকে রাহুল দেব বর্মণের বাবা বলে চেনায় শচীন দেব বর্মণ অত্যন্ত গর্বিত।


রাহুল দেব বর্মণ ছিলেন সঙ্গীতের আকাশে এক ধ্রুবতারা। আজও তাঁর সুর সারা দেশের গানে উচ্ছ্বাস জাগায়। কিন্তু তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা কি যথেষ্ট? আজ তাঁর প্রয়াণের দিনে এই প্রশ্ন থেকেই যায়।

____________________________

©️ কিছু কথা ॥ কিছু সুর

কৃতজ্ঞতা: Hindustan Times Bangla, Anandabazar Patrika

উপমহাদেশের বিখ্যাত শিল্পী নচিকাতার পৈত্রিক ভিঠা ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায়।

 উপমহাদেশের বিখ্যাত শিল্পী নচিকাতার পৈত্রিক ভিঠা ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায়।


কুঁড়েঘরের বারান্দার মাটির মেঝেতে বসে কান্না লুকানোর চেষ্টা করেও পারলেন না। কালো রোদচশমার ফাঁক গলে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল কোলে। কখনো বাড়ির দিঘিরপাড়ে, কখনো পৈতৃক ভিটায় বসে এভাবেই নীরবে চোখের জল ফেললেন। পরে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাটাখালী খালের পানি বোতলে ভরে নিয়ে গেলেন।

ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতাকে এভাবে দেখে অবাক হয়েছেন চেচরীরামপুর গ্রামের মানুষ। যাঁরা নচিকেতার গান শুনেছেন কিংবা তাঁর সম্পর্কে জানেন, তাঁরা নচিকেতার মাতৃভূমির প্রতি এমন টান দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। প্রিয় শিল্পীর কান্না দেখে সেখানে উপস্থিত গ্রামবাসীরও চোখে পানি ঝরেছে।

নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্ম কলকাতায়। পূর্বপুরুষের বাড়ি ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর গ্রামে। ২০১৪সালে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন তিনি। সেদিন দুপুরে আসেন চেচরীরামপুর গ্রামে।

স্থানীয় লোকজন জানান, হেলিকপ্টারে করে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা শহরে আসেন নচিকেতা। স্থানীয় বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টার থেকে নামার পর ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান আতিকুর ইসলাম, থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান তাঁকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর দাস তাঁকে বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদ্যাপনের একটি স্মরণিকা উপহার দেন।

শংকর দাস বলেন, নচিকেতার দাদু (মায়ের বাবা) ললিত মোহন গাঙ্গুলী বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ১৯৫৮ সালে তিনি এ বিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। দাদুর স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যালয়ে এসে প্রখ্যাত এই সংগীতশিল্পী আবেগে শিশুর মতো কেঁদে ফেলেন।

বিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ কাটিয়ে সড়কপথে যান ভান্ডারিয়া শহর থেকে চার কিলোমিটার দূরে কাঁঠালিয়ার চেচরীরামপুর গ্রামে। সেখানে ললিত মোহন গাঙ্গুলীর বাড়ির পাশেই জমি কিনে বসবাস করতেন নচিকেতার বাপ-দাদার পরিবার। সেখান থেকেই বাবা সখা রঞ্জন চক্রবর্তী ১৯৪৫ সালে সপরিবারে ভারত চলে যান।

গ্রামের লোকজন জানান, নচিকেতা প্রথমে গিয়েই বসেন বাড়ির দিঘিরপাড়ে। সেখানে তাঁকে ঘিরে ধরেন উৎসুক লোকজন। দিঘির জলের দিকে আনমনে তাকিয়ে থাকেন কিছুক্ষণ। এরপর গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। জানতে পারেন তাঁদের ভিটায় এখন আনোয়ার সিকদার নামের এক ব্যক্তি ঘর তুলে বসবাস করছেন। একজন দেখিয়ে দেন তাঁর পৈতৃক ভিটা। সেখানে আনোয়ারের কুঁড়েঘরের বারান্দায় মাটিতে বসে পড়েন তিনি। এ সময় আর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। সবার সামনেই কেঁদে ফেলেন।

নচিকেতা সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৯৪৫ সালে আমার বাবা সখা রঞ্জন চক্রবর্তী সপরিবারে ভারতে চলে যান। কলকাতায় আমার জন্ম। এখানে এসেছি নাড়ির টানে। অনেক দিন ধরে এখানে আসার ইচ্ছা ছিল। ব্যস্ততার কারণে আসা হয়নি। সময় পেলে আবার গ্রামে আসব।’ উপস্থিত গ্রামবাসীকে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ হয়েছি। আপনারা আমার আপনজন।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি...

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি...


১)  "এ জগতে হায়, সেই বেশী চায় আছে যার ভুরি ভুরি / রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি”-- দুই বিঘা জমি


২) "যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি, / এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি'। 


৩) "মানুষ যা চায় ভুল করে চায়, যা পায় তা চায় না' ।


৪) 'এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাই তুমি করে গেলে দান" ।


৫)"আজ হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি কৌতূহলভরে"।


৬)“ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দুঃখ কথা, নিতান্তই সহজ সরল"।


৭) "মা তোর বদন খানি মলিন হলে, আমি নয়ন জলে ভাসি"।


৮) "ধরাতলে দীনতম ঘরে যদি জন্মে প্রেয়সী।' 


৯)"বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।


১০) "নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।"


১১) "গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা"।


১২) "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো সে তরী / আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।"


১৩)"খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে / বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার নার মনে।" 


১৪) "কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে, ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে। হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা, কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা।”


১৫). "আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান। না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।" 


১৬) "কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই।" 


১৭)"কিন্তু মঙ্গল আলোকে আমার শুভ উৎসব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল"। 


১৮) 'নমো নমঃ নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি' ।


১৯) "আমি শুনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে"। 


২০). "মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।" 


২১) "মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ" । 


২২), "সমগ্র শরীরকে বঞ্চিত করে কেবল মুখে রক্ত জমলে তাকে স্বাস্থ্য বলা যায় না"। 


২৩) "আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে"।


২৪ "আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না: আড়ম্বর করি, কাজ করি না; যাহা অনুষ্ঠান করি, তাহা বিশ্বাস করি না" ।


২৫)"হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে।" 


২৬),"ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা"।


২৭) "আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর"।


২৮) "যাহা দিলাম তাহা উজাড় করিয়াই দিলাম, এখন ফিরিয়া তাকাইতে গেলে দুঃখ পাইতে হবে।" 


২৯)এ যে দুর্লভ, এ যে মানবী, ইহার রহস্যের কি অন্ত আছে" ।


৩০) 'একটি ধানের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু' ।


৩১) "কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই।"


৩২) "বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতা বিসর্জনের কাহিনীড লিখতে হইবে সে কথা কে জানিত"।


৩৩) "যাহা দিলাম তাহা উজাড় করিয়াই  দিলাম।এখন ফিরিয়া তাকাইতে গেলে দুঃখ পাইতে হবে।" 


৩৪)"এ যে দুর্লভ, এ যে মানবী, ইহার রহস্যের কি অন্ত আছে?"


৩৫) "হায়রে, তাহার বউমার প্রতি বাবার সেই মধুমাখা পঞ্চস্বর এবার এমন বাজখাই খাদে নামিল কেমন করিয়া?”


৩৬) "একবার মনে হইল ফিরিয়া যাই, জগতের ক্রোড়বিচ্যুত সেই অনাথিনীকে সঙ্গে করিয়া লইয়া আসি - নদীবক্ষে ভাসমান পথিকের হৃদয়ে এই তথ্যের উদয় হইল? ফিরিয়া ফল কি-এ পৃথিবীতে কে কাহার?”

বছরের শেষ ও নতুন বছর নিয়ে এতো আদিখ্যেতা করা ঠিক না।

 বছরের শেষ ও নতুন বছর নিয়ে এতো আদিখ্যেতা করা ঠিক না।


থার্টিফার্স্ট নাইটে যেভাবে আতোশ বাজি ফোটানো হয় তাতে কতশত পাখি মারা যায়, রাস্তার বিড়াল কুকুরের কতো সমস্যা হয় এটা কেউই ভাবে না। একটু ভাববেন প্লিজ 🙏 


কীভাবে এলো ইংরেজি নববর্ষ। আর কি-ই বা এর ইতিহাস। কথায় গাঁথা সুরের মেলা গ্রুপের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—


ইংরেজি নববর্ষের ইতিহাস -


আসলে আমরা যে ইংরেজি সাল বা খ্রিস্টাব্দ বলি সেটা হচ্ছে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। আমরা এখন যে ইংরেজি বর্ষ পালন করি তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। এর কিন্তু আবার আছে বিশাল ইতিহাস। আগে আমরা জেনে নেই সেটি।


নতুন বছরের কথা জানাতে গিয়ে আমরা কিন্তু চলে যাচ্ছি পুরোনো আমলের ইতিহাসে। গ্রেগরিয়ান আসলে একটি সৌর বছর। এর বর্তমান কাঠামোতে পৌঁছাতে সময় লেগেছে কয়েকশ বছর। নানা পরিবর্তন পরিমার্জনের ফল আজকের ক্যালেন্ডার। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মানুষ যেদিন বর্ষ গণনা করতে শিখলো সেদিন চাঁদের হিসাবেই শুরু করে বর্ষ গণনা। সূর্যের হিসাবে বা সৌর গণনার হিসাব আসে অনেক পরে। সৌর এবং চন্দ্র গণনায় আবার পার্থক্য রয়েছে। সৌর গণনায় ঋতুর সঙ্গে সম্পর্ক থাকে, কিন্তু চন্দ্র গণনায় ঋতুর সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না।


বর্ষপঞ্জিকা তৈরির বিষয়টি লক্ষ্য করা গিয়েছিল সুমেরীয় সভ্যতায়। মিশরীয় আবার জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিসাব-নিকাশে ছিলো বেশ এগিয়ে। এই মিশরীয় সভ্যতাই পৃথিবীর প্রাচীনতম সৌর ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করে বলে ধারণা করা হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মিশরীয় সে ক্যালেন্ডার নিয়ে করেছেন বিস্তৃত গবেষণা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, খ্রিস্টপূর্ব ৪২৩৬ অব্দ থেকে ক্যালেন্ডার ব্যবহার শুরু করে।

ইউরোপকে বলা হয় শিল্প-সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্গ। সভ্যতার সব গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার কিন্তু তারাই করেছে। আর এদিক দিয়ে এগিয়ে ছিলো গ্রিক ও রোমনরা।


রোমানরা আবার তাদের প্রথম ক্যালেন্ডার লাভ করে গ্রিকদের কাছ থেকে। মজার বিষয় রোমানদের প্রাচীন ক্যালেন্ডারে মাস কিন্তু ১২টি ছিলো না। তাদের মাস ছিলো ১০টি। তাদের বছর ছিলো ৩০৪ দিনে। আরো মজার ব্যাপার শীতের দুই মাস তারা বর্ষ গণনার মধ্যেই আনতো না। রোমানরা মার্চ মাস থেকে তাদের বর্ষ গণনা শুরু করতো। নববর্ষ উৎসব পালন করতো মার্চ মাসের ১ তারিখে। বছর গণনায় ৬০ দিন বাদ যাওয়ায় তারা কিন্তু দিন, তারিখ বর্ণিত ক্যালেন্ডার ব্যবহারের কথা ভাবতো না।


রোমের একজন বিখ্যাত সম্রাট রমুলাস। তিনি ছিলেন রোমের প্রথম সম্রাট। তিনিই নাকি আনুমানিক ৭৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে রোমান ক্যালেন্ডার চালু করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে ১০ মাসের সঙ্গে আরো দুটো মাস যোগ করেন রোমান সম্রাট নুমা। আর মাস দুটো হচ্ছে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি। তিনিই জানুয়ারিকে বছরের প্রথম মাস হিসাবে যুক্ত করেন।


জানুয়ারি মাস ২৯ দিনে এবং ফেব্রুয়ারি মাস ধার্য করা হয় ২৮ দিনে। আরো মজার ব্যাপার এই বারো মাসের বাইরে তিনি মারসিডানাস নামে অতিরিক্ত একটি মাসেরও প্রবর্তন করেন। মাসটি গণনা করা হতো আবার ২২ দিনে। এ অতিরিক্ত মাসটি গণনা করা হতো এক বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ ২৪ তারিখের মাঝখানে।


নুমা চালু করা মাসের হিসাব পরিবর্তন করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৪৩২ অব্দে। আমরা এখন যে লিপ ইয়ার পালন করি চার বছর পর পর তার প্রবর্তকও কিন্তু এই রোমানরাই। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার রোমে চালু করেন নতুন ক্যলেন্ডার। তিনি মিশরীয় ক্যালেন্ডার নিয়ে আসেন রোমে। জ্যোতির্বিদদের পরামর্শে খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ অব্দে সেই বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের মাঝখানে ৬৭ দিন এবং ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে ২৩ দিনসহ মোট ৯০ দিন যুক্ত করে সংস্কার করেন ক্যালেন্ডার। পরবর্তে এ ক্যালেন্ডার পরিচিত হয় জুলিয়ান ক্যালেন্ডার নামে।


জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মার্চ, মে, কুইন্টিলিস ও অক্টোবর মাসের দিন সংখ্যা ৩১ এবং জানুয়ারি ও সেক্সটিনিস মাসের সঙ্গে দুইদিন যুক্ত করে ৩১ দিন করা হয়। ফেব্রুয়ারি মাস গণনা হতে থাকে ২৮ দিনেই। আমরা যাকে এখন লিপইয়ার বলি সেই ফ্রেব্রুয়ারি মাসে প্রতি চার বছর অন্তর যুক্ত করা হয় একদিন। পরবর্তীতে জুলিয়াস সিজারের নামানুসারে প্রাচীন কুইন্টিলিস মাসের নাম বদলিয়ে রাখা হয় জুলাই।


আরেক বিখ্যাত রোমান সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস। তার নামানুসারে সেক্সটিনিস মাসের নাম পাল্টিয়ে করা হয় অগাস্ট। ৩৬৫ দিনে সৌর বর্ষ গণনার কাজটা কিন্তু করতো মিশরীয়রা। কিন্তু জুলিয়াস সিজারের সংস্কারের ফলে তা এসে দাঁড়ায় তিনশ সাড়ে পঁয়ষট্টি দিনে ।


আমরা যে খ্রিস্ট বছর বা খ্রিস্টাব্দ বলি, তার সূচনা হয় আরো পরে। খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম বছর থেকে গণনা করে ডাইওনিসিয়াম এক্সিগুয়াস নামক এক খ্রিস্টান পাদ্রী ৫৩২ অব্দ থেকে সূচনা করেন খ্রিস্টাব্দের। ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দের কথা। রোমের পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি জ্যোতির্বিদদের পরামর্শে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার সংশোধন করেন। তার নির্দেশে ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাস থেকে দেওয়া হয় ১০ দিন। এর ফলে ঐ বছরের ৫ তারিখকে করা হয় ১৫ তারিখ।


পরে পোপ গ্রেগরি ঘোষণা করেন, যেসব শতবর্ষীয় অব্দ ৪০০ দিয়ে বিভক্ত হবে সেসব শতবর্ষ লিপইয়ার হিসেবে গণ্য হবে। পোপ গ্রেগরি প্রববর্তিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মোটামুটি একটি নিখুঁত হিসাবে আমাদের পৌঁছে দেয়। বিশ্বব্যাপী এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকে। আজ আমরা যে ক্যালেন্ডার দেখে ইংরেজি বর্ষ হিসাব করি, উদযাপন করি নববর্ষ, তা সেই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ফসল।

@সবাই কে থার্টিফার্স্ট নাইটের শুভেচ্ছা জানাই 🌹

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...