এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

50  বছরে "অমানুষ" (𝗔𝗠𝗔𝗡𝗨𝗦𝗛)

 50 বছরে "অমানুষ" (𝗔𝗠𝗔𝗡𝗨𝗦𝗛) =====================মহানায়ক এর প্রথম মুম্বাই যাত্রা যদি ভুলে যাই, উত্তম কুমারের প্রথম একক মুক্তি যা হিট হয়েছিল। হিন্দি দর্শক উত্তম কুমারকে গ্রহণ করবে কিনা সে সম্পর্কে পরিচালক আগে নিশ্চিত ছিলেন না ,কিন্তু মুক্তির পরে এটি খুব স্পষ্ট ছিল যে দর্শকরা অমানুষ-এ উত্তম কুমারকে পছন্দ করেছেন। 

এই সিনেমার সবচেয়ে বড় সম্পদ হল উত্তম কুমার যার দুর্দান্ত অভিনয় আজও মনকে ছুঁয়ে যায়, তার সাথে শর্মিলা ঠাকুরকে খুব ভালো মানিয়েছিল। ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় মহান অভিনেতা  উৎপল দত্তের আরেকটি দুর্দান্ত অভিনয়(শক্তি সামন্তের ছবিতে  উৎপল দত্তের ভিলেনের সাথে সাথে যে কমেডি টাইমিং গুলো  অসাধারণ লাগে)। অনিল চ্যাটার্জিও সহানুভূতিশীল পুলিশ হিসাবে ভালো লাগে । সাপোর্টিং কাস্ট সবই শক্তি সামন্তের ছাপ ছিল। যাদের আমরা তার সমস্ত ছবিতে দেখে আসি।

এখনো টিভির পর্দায় যখনই ছবিটা দেয় আর যখনই 


এই গানটি হয় তখন এমনি চোখ আটকে যায়....


https://youtu.be/-eUfoCFyLn8?si=m4gRxLE_RYY0W9Ud


📌ছবিটির মূল কাহিনীকার শক্তিপদ রাজগুরু। তিনি দীর্ঘদিন সুন্দরবনের বাদাবন এলাকায় ছিলেন। সেখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনকে তুলে ধরেছিলেন তার "নয়া বসত" উপন্যাসে। সেই উপন্যাস থেকেই শক্তি সামন্ত এই ছবি তৈরি করেন। ছবিটি বাংলা এবং হিন্দি দুটি ভাষায় আলাদা করে তৈরি হয়। দুুুুটো চলচ্চিত্রই ভাল সফল হয়েছিল। ছবিটি "এদুরিতা" নামে তেলুগু ভাষাতেও রিমেক হয়েছিল। নায়কের ভূমিকায় ছিলেন বিখ্যাত এন টি রামা রাও।


✴️এই ছবিটির শুটিং হয়েছিল সুন্দরবনের সন্দেশখালিতে। যে গ্রামে শুটিং হয়েছিল তার নাম ভাঙাতুষখালি। চলচ্চিত্রে সেই গ্রামের নাম দেখানো হয়েছিল ধনেখালি। শুটিং এর প্রয়োজনে এখানে প্রায় চল্লিশখানি ঘর, জমিদারবাড়ি, ডাক্তারখানা, বাজার, রাধাগোবিন্দর মন্দির, থানা , স্কুল তৈরি হয়। সেই রাধাগোবিন্দর মন্দির এবং উত্তমকুমার যে কাঠের বাংলোটীতে থাকতেন সেটি আজও আছে। আছে সেই লঞ্চটিও। শুটিং চলাকালীন সহজেই গ্রা্মের লোকের সাথে মিশে যেতেন উত্তমকুমার। বাচ্চাদের কোলে নিতেন। মানুষকে অর্থ দিয়ে সাহায্য পর্যন্ত করেছেন। তাই তো আজও ২৪ শে জুলাই তাঁর মৃত্যুদিনে সেখানে তার ছবিতে মালা দেয়া হয়, হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।


✴️যখন শক্তি সামন্ত বাংলা এবং হিন্দি উভয় ভাষায় অমানুষ ছবিটি করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন রাজেশ খান্না শক্তি সামন্তকে , হিন্দিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু রাজেশ খান্না খুব ব্যস্ত থাকায়  হিন্দি সংস্করণের শুটিং কয়েক মাস লেট করতে বলেছিলেন, কিন্তু শক্তি জি,ভেবেছিলেন যে উত্তম কুমার নিজেও হিন্দি সংস্করণে অভিনয় করলে তিনি উভয় সংস্করণ সহজেই তৈরি করতে পারবেন। রাজেশ খান্না শুধুমাত্র তারিখ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এই ভূমিকা হারানোর জন্য খুব হতাশ হয়েছিলেন।


✴️মুম্বাইয়ের বরখা সিনেমায় মুক্তির সময় একটি শো চলাকালীন পর্দায় আগুন ধরে যায়।


✴️প্রধান চরিত্রের জন্য শত্রুঘ্ন সিনহাকে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু করতে পারেননি।


#DevD

  ৬৬৭ ২০১২ সালের অক্টোবরে>, তিনি "রেড বুল স্ট্রাটোস" মিশনের অংশ হিসেবে পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৯ কিলোমিটার ওপরে হিলিয়াম বেলুনের সাহায্যে উঠেন। প্রায় ৩৯ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে পৃথিবীর দিকে ঝাঁপ দেন। এই উচ্চতা ছিলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর যেখানে আকাশ পুরোপুরি কালো আর পৃথিবীকে অনেকটাই ক্ষুদ্র আর গোলাকৃতির দেখা যায়।


এই অভিযানের জন্য ফেলিক্সকে ছয় বছর ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল। প্রথমে ভেবে ছিল এই ট্রেনিং মাত্র দুই বছরে শেষ হবে, কিন্তু ক্যাপসুল ও স্যুট তৈরি এবং অন্যান্য প্রস্তুতির জটিলতার কারণে সময় অনেক বেশি লেগে যায়। তার জন্য একটি বিশেষ হেলিয়াম বেলুন তৈরি করা হয়েছিল, যা ৩৩টি ফুটবল মাঠের সমান বড় ছিল। বেলুনটি এতই নাজুক ছিল যে এটা কন্ট্রোলের জন্য ২০ জন লোকের সাহায্য লাগত।


তার স্যুটটিও ছিলো খুব বিশেষভাবে তৈরি করা কারণ এটি ঠান্ডা (মাইনাস ৭২° সেলসিয়াস) থেকে তাকে বাঁচাবে এবং শরীরের ভেতরে চাপ বজায় রাখবে।। কিন্তু স্যুটটি ছিল খুব অস্বস্তিকর। পরে তাকে অনেকটা সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হতো, কারণ এটা বাইরের জগৎ থেকে তাকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখত। স্যুটের ভেতরে এতটা সময় কাটানোর মানসিক প্রস্তুতি নিতে তাকে অনেক মাস ধরে মানসিক ও শারীরিক প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে।


ঝাঁপ দেওয়ার পর প্রথম কয়েক মিনিট ছিল সবচেয়ে কঠিন। লাফ দেওয়ার পর প্রথমে তিনি স্বাভাবিকভাবে পড়তে থাকেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শরীর একদিকে ঘুরতে শুরু করে এবং তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর তিনি বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকেন, এবং ক্রমশ এই ঘোরার গতি খুব বেশি বেড়ে যায়। এই সময় তার জন্য পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে, কারণ এত উচ্চতায় ঘোরার কোনো প্রোটোকল বা পূর্ব অনুশীলন ছিল না।


কিন্তু যখন তিনি বায়ুমণ্ডলের ঘন স্তরে যা আর্মস্ট্রং লাইন নামে পরিচিত সেখানে প্রবেশ করেন, তখন বাতাসের চাপ বাড়তে থাকে। সেই ঘন বাতাস তাকে শরীরের ঘূর্ণন বন্ধ করতে এবং স্থির হতে সাহায্য করে। এই সময় তার গতি ছিল শব্দের গতির চেয়েও বেশি, প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮৪৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা (১৩৫৭ কিমি/ঘণ্টা) যা শব্দের গতির চেয়ে ৭৫ মাইল বেশি। এটি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যক্তি যিনি অভিকর্ষ বলের প্রভাবে শব্দের গতিবেগের থেকেও দ্রুত চলেছিলেন।

তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম - অভিনন্দন -                  শুভ জন্মদিন            শিল্পী ফরিদা পারভীন

 তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম -


অভিনন্দন -


                 শুভ জন্মদিন

           শিল্পী ফরিদা পারভীন

---------------------------------------------------

শিরোনামে উল্লিখিত হৃদয়ে ঝড় তোলা ওই এক গানেই বাজিমাত।ব্যস, রাতারাতি বিখ্যাত বনে যান শিল্পী ফরিদা পারভীন।  


জন্ম বনলতা সেনখ্যাত নাটোরের সিংড়া থানার শাওঁল গ্রামে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ সালে।


শাওঁল হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সুন্দর একটি গ্রাম 'কলম' এর অংশ।কলম গ্রামের মতো এত সুন্দর গ্রাম নাকি আজো তামাম উত্তরবঙ্গে নেই।


এই প্রসঙ্গে ঐ অঞ্চলের একটি ছন্দ-প্রবাদের উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে - 'বিল দেখতে চলন, গ্রাম দেখতে কলম'। সেই সুন্দর গ্রামাঞ্চলেই তাঁর জন্ম। 


ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী। তিনি মূলত পল্লীগীতি গেয়ে থাকেন বিশেষ করে লালন সঙ্গীতের জন্য বেশি জনপ্রিয়। জন্ম নাটোরে হলেও বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়।


১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল সঙ্গীতের জন্য নির্বাচিত হন। নজরুলসঙ্গীত দিয়ে শুরু করলেও তিনি পরবর্তীতে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ১৯৭৩ সালের দিকে।


প্রখ্যাত গীতিকার, অধ্যাপক ও কন্ঠশিল্পী আবু জাফর তাঁর প্রথম স্বামী। একপর্যায়ে ছিঁড়ে যায় সম্পর্কের সে সূতো। পরবর্তীতে বিশিষ্ট বাঁশিশিল্পী গাজী আবদুল হাকিমের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। 


দীর্ঘদিনের নিরলস সাধনা ও পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশের পল্লীগীতি ও লালনগীতিকে যে তিনি দেশে বিদেশে উচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।


ফেসবুক পরিবারের পক্ষে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা আজকের এই বিশেষ দিনটিতে।


-- মেসবা খান

চলচ্চিত্র ও জীবনের মহানায়ক উত্তমকুমার

 ♦️চলচ্চিত্র ও জীবনের মহানায়ক উত্তমকুমার ♦️


 

 সদা হাস্যোজ্জ্বল এক দীপ্ত প্রতিভা। আজকের দিনে আমরা দেখি সেলিব্রিটি তকমা আর উত্তমকুমার ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কাঙ্ক্ষিত অভিনেতা। আবার তিনি জনমানুষের কতখানি কাছের  তা আজ শুনে কারও কাছে অবিশ্বাস্যও মনে হয়।

জনপ্রিয়তার এই তকমার বাইরে মনে হলেও তিনি ছিলেন ভীষণ কোমল হৃদয়ের প্রচন্ড বিনয়ী এবং আন্তরিক। একাধারে মেধাবী, প্রজ্ঞাবান, বিনয়ী, কোমল হৃদয় এবং দুর্দান্ত প্রতিভাবান। 

@রূপকথা

বিখ্যাত হওয়া সত্বেও শ্যুটিং ইউনিটের অতি সাধারণ কর্মীরও দেখভাল করতেন। বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য তার ত্যাগ ছিল অবর্ণনীয়। চলচ্চিত্র থেকে উপার্জন করা সমস্ত অর্থ ফের বিনিয়োগ করেছেন চলচ্চিত্রেই। চলচ্চিত্র প্রযোজনায় তাঁর প্রযোজিত বহু চলচ্চিত্র ফ্লপ তকমা পাওয়ার পরও ফের টাকা ঢালতে দ্বিধা বোধ করেননি।  @রূপকথা

এমনও বহুবার হয়েছে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে বড় পারিশ্রমিকে যুক্ত হয়েছিলেন কিন্তু অর্থের সংকুলান না হওয়ায় পরিচালক চলচ্চিত্রের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তখন উত্তমকুমার নিজের পারিশ্রমিক কেটে  দিয়েছেন যেন চলচ্চিত্রটা অর্থের অভাবে বন্ধ না থাকে। চলচ্চিত্রের শুটিং বন্ধ না হয়ে যায়। 

@রূপকথা

চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি মানুষের কল্যানে আজীবন কাজ করেছেন। কোনো শিল্পী থেকে শুরু করে ফিল্ম ইউনিটের সাধারণ টি বয় পর্যন্ত তার আন্তরিকতায় মুগ্ধ হতো। তিনি যেমন‌ ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক তেমনি ছিলেন জীবনেরও মহানায়ক। তেমনই কয়েকটি ঘটনা উত্তম কুমারের জীবনের।

সেবার ‘যদুবংশ’ চলচ্চিত্রের শুটিং চলছিলো। শট দিতে গিয়ে উত্তমকুমারের হঠাৎ খেয়াল হলো, উপর থেকে একটা আলো পড়ার কথা ছিল কিন্তু সেটা জ্বলেনি। জ্বালানোর কথা যার, সেই লাইটম্যানের নাম কালী। কালী মন খারাপ করে বসে আছেন। শট দেয়া শেষ হলে উত্তমকুমার মেকআপ রুমে ডাকলেন কালীকে। কালী তো ভয়ে কুঁকড়ে গেছেন রীতিমতো। উত্তমকুমার আজ নিশ্চয়ই বকাবকি করবেন। কাছে যেতেই উত্তমকুমার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ”কী রে, কিছু হয়েছে?’ প্রশ্ন শুনে কেঁদে ফেললেন কালী। ফের উত্তম জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোকে আজ বেশ আনমনা মনে হলো!’

কালী উত্তরে বললেন, ‘মেয়ের বিয়ের ঠিক হয়েছে দাদা। টাকা জোগাড় করতে পারিনি। সেই চিন্তায় আসলে বারবার ভুল হচ্ছিলো। আর কখনও এমন ভুল হবে না।’ ঠিক পরদিনই বাড়িতে ডেকে কালীর হাতে একটি খামে বিয়ের খরচের জন্য টাকা দিয়েছিলেন উত্তমকুমার।

@রূপকথা

‘জীবনমৃত্যু’ চলচ্চিত্রের শুটিং হচ্ছে। চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনেতা অভিনেত্রী উত্তম কুমার ও সুপ্রিয়া দেবী। তাদের বিশ্রামের জন্য ঠিক করা হয়েছে সরকারি ডাকবাংলো। উত্তমকুমার এসে সরকারি ডাকবাংলোতে অন্য অভিনেতা অভিনেত্রীদের না দেখে প্রযোজককে বললেন, ‘না না, শুধু আমরা কেন! এখানেই সবাই থাকুক।” কিন্তু তাতে তো বহু খরচ। প্রযোজক সেই কথা বদলে নানা কথা বলছেন। হঠাৎ উত্তম কুমার বলে উঠলেন, ‘তাহলে আমায় ছেড়ে দিন। আমি এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করবো না। যেখানে শিল্পী বলতে কেবল প্রধান চরিত্রকে ধরা হয় সেখানে মনে হয় না আমার অভিনয় করা উচিত।’ উত্তম কুমারের এই কথাতেই কাজ হলো। প্রযোজক সবার জন্য ব্যবস্থা করলেন। দুপুরের খাবারও সবাই একসঙ্গে খেলেন।


‘সাগরিকা’ চলচ্চিত্রের সময়ের কথা। চলচ্চিত্রের কিছুদিন শুটিং হওয়ার পর খবর এলো প্রযোজক ভীষণ অসুস্থ। টাকার অভাবে শুটিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এদিকে তখন পরিচালক সরোজ দে’র মাথায় হাত। একদিকে সুচিত্রা সেনের শিডিউল পাওয়াই ভীষণ দুরূহ। পাহাড়ি সান্যাল, কমল মিত্রদের নিয়ে চলচ্চিত্রের কাজ অনেকটুকু এগিয়েছে। শেষে বাধ্য হয়েই চলচ্চিত্রের পরিচালক সরোজ দে উত্তমকুমারকে ধরলেন। উত্তমকুমার বললেন, ‘কাজ বন্ধ করবে না। শুটিং চলবে। তোমাকে ৩০ হাজার টাকা দিচ্ছি, তুমি শুটিং চালিয়ে নাও।’ উত্তমকুমার টাকা দিলেন যেদিন পরদিনই প্রযোজক শুনেই বললেন ‘এটা কি করে হয়! আমাকে একবার বললেও তো হতো।’ পরে অবশ্য উত্তম কুমারের সেই টাকা লাগেনি। কিন্তু উত্তমকুমারের ওই ভরসা আজীবন স্মরণ করে গেছেন চলচ্চিত্রের পরিচালক। সাগরিকা চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়ার পর সুপার হিট হয়েছিলো।

অভিনেতা মণি শ্রীমাণি তার স্মৃতিকথায় লিখেছিলে ঠিক এমন। সেবার হঠাৎই মেয়ের বিয়ে ঠিক হল শিল্পী মণি শ্রীমণির। 


এদিকে হাতে টাকা পয়সা নেই মণি শ্রীমাণির। চলচ্চিত্রের অভিনয় শিল্পীদের মধ্যে অনেকেই ভাবছেন চাঁদা তুলে টাকার জোগাড় করবেন। কিন্তু এভাবে করলে নিজের কাছে খারাপ লাগবে মণি শ্রীমণির। এদিকে তখনো উত্তমকুমার বিষয়টি জানেন না। উত্তমকুমারের ভাই তরুণ কুমার শুনেই রাতে উত্তমকুমারকে বললেন সব‌। এরপর উত্তমকুমার প্রস্তাব দিলেন কলকাতার বিশ্বরূপা রঙ্গমঞ্চে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করার। কিন্তু সেখানে যতো টাকা টিকিট বিক্রি করে আয় হবে সব মণি শ্রীমাণিকে দেওয়া হবে। কেউ পারিশ্রমিকও নেবেন না। সেই অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন উত্তমকুমার। অনুষ্ঠানে যতো টাকা উঠলো সে টাকা যথেষ্ট ছিল না। আর তাই উত্তম কুমার অনুষ্ঠান শেষে খামে ভরে টাকা পাঠালেন মণি শ্রীমণিকে। সঙ্গে অনুরোধ কেউ যেন টের না পায়।

@রূপকথা

সেবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হরেন্দ্রকুমার মুখোপাধ্যায় একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন উত্তমকুমারকে।  উত্তমকুমার ভাইকে নিয়ে সেখানে যাচ্ছেন। পথের মধ্যে তার মনে হলো একটি জিনিস তো তিনি ভুল করেছেন। রাজ্যপালের বাড়ির সামনে থেকে গাড়ি ঘোরাতে বললেন ড্রাইভারকে। 

পাশে তরুণকুমার বললেন, ‘তোমার হুঁশ থাকে না। কিছু ফেলে এসেছো নিশ্চয়ই। আমি আগেই জানতাম।’ 

জবাবে উত্তমকুমার বললেন, একবার টালিগঞ্জে যেতে হবে। জরুরি প্রয়োজন। তৎক্ষণাৎ গাড়ি ঘুরে টালিগঞ্জ চলে গেল। এবার যদি আপনাকে একটা প্রশ্ন করি ওইদিন রাতে গাড়ি ঘুরিয়ে কথায় গিয়েছিলেন উত্তমকুমার? 

কী এমন ভীষণ প্রয়োজন ছিল তার? উত্তরটা অকল্পনীয় মনে হতে পারে। রাজ্যপালের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে রাজ্যপালের বাড়ির সামনে থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে তিনি গিয়েছিলেন সেই লাইটম্যান কালীর বাড়িতে কালীর মেয়ের বিয়েতে নিমন্ত্রন রক্ষা করতে। @রূপকথা

উত্তমকুমারের লিপসিংয়ে আমরা চলচ্চিত্রে  কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। তাঁদের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক ছিল সবসময়। কিন্তু শেষদিকে খানিকটা ভাঙন ধরেছিলো সম্পর্কে। কেউই আর এগিয়ে আসেননি তেমন। 

তবে উত্তমকুমারের মৃত্যুর পর চলচ্চিত্রের গান গাইতে গিয়ে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন ‘উত্তম চলে যেতে আমার গানের মুখটাই চলে গেল।” ওর মতো তো আর কেউ পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে পারবে না!’

উত্তমকুমারের কতোটা জনপ্রিয়তা ছিল তা আজকের দিনে বসে কল্পনা করা যাবে না। বিশেষ করে পত্রিকা অফিসে প্রতিদিন হাজার হাজার চিঠি আর শত শত ফোন আসতো উত্তম কুমারের সাথে শুধু একবার কথা বলিয়ে দেয়ার জন্য। একটাবার যেন তাদের চিঠির উত্তর দেন উত্তমকুমার। জন্মদিনে চিঠির সংখ্যা কোনো কোনো বছর লাখ খানেকও হতো।


@রূপকথা

অনেক পুরোনো দিনের কথা | কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এ পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এক যুবক |

 অনেক পুরোনো দিনের কথা | কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এ পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এক যুবক | পড়াশোনার পাশাপাশি কবিতা লেখার হাতটিও চমৎকার | কিছুদিনের মধ্যেই হয়ে উঠলেন ডঃ দীনেশচন্দ্র সেনের প্রিয়পাত্র | কয়েক মাসের মধ্যেই ওই যুবকের একটি কবিতা প্রকাশিত হল | কবিতাটি পড়লেন দীনেশচন্দ্র সেন | মুগ্ধ হলেন তিনি | ডেকে পাঠালেন সেই ছাত্রকে | যুবকটিকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “তোমার কবিতাটি পড়ে আমি কেঁদেছি।” ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন ঠিক করলেন এই কবিতাটিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করবেন | তাই হল | সেই বছরেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হল সেই কবিতা | ছাত্রাবস্থাতেই একজনের লেখা কবিতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে স্থান পাচ্ছে, এই ঘটনা সত্যিই বিরল | 

কি সেই কবিতা ? আর কে সেই কবি ?

বাংলা কবিতার জগতে এ এক চির অনবদ্য কবিতা। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চির অম্লান হয়ে আছে এই কবিতার প্রত্যেকটা লাইন প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে। 

".......ঐখানে তোর দাদীর কবর ডালিম গাছের তলে

তিরিশ বছর ভিজিয়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।

এতোটুকু তারে ঘরে এনেছিনু, সোনার মতন মুখ

পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেলে পরে কেঁদে ভাসাইতো বুক........."

কবিতাটির নাম কবর | আর লেখক গ্রামবাংলার প্রাণের পল্লীকবি জসীমউদ্দীন | 

গতকাল ছিল জন্মদিন | শ্রদ্ধার্ঘ্য |

তথ্য : রোর বাংলা

বাংলার ইতিহাস জানতে চান ? যদি প্রকৃত ইতিহাস জানতে চান তাহলে অবশ্যই পড়ুন ইতিহাসবিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই "বাঙ্গালার ইতিহাস" । বাংলার ইতিহাস নিয়ে এইরকম গবেষণামূলক বই একটিও নেই ।


©অহর্নিশ - Ahornish 

আমাজন লিংক : https://amzn.to/3MP7d4v

একটি মেয়ে দৌড়ে অনেক পিছিয়ে খেলা শেষ করল। তার বাবা যখন উচ্ছসিত হয়ে হাততালি দিচ্ছে, সে বলল: বাবা! আমি race এ 15th হয়েছি!

 একটি মেয়ে দৌড়ে অনেক পিছিয়ে খেলা শেষ করল। তার বাবা যখন উচ্ছসিত হয়ে হাততালি দিচ্ছে, সে বলল: বাবা! আমি race এ 15th হয়েছি!

বাবা: তুমি 1st হয়েছ 30 জনের মধ্যে!

মেয়ে: কি করে?

তাকিয়ে দেখ তোমার পেছনে আরও 29 জন!

মেয়ে: (খুশি হয়ে) কিন্তু বাবা সামনেও যে 14 জন রয়েছে!

বাবা: তার কারণ ওরা আরও বেশি practice করেছে, পায়ের muscle শক্তপোক্ত করতে যত্ন নিয়েছে। পরেরবার তুমি আরও ভাল করে চেষ্টা কোরো, নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।

মেয়ে: (খুব খুশি) বাবা আমি খুব চেষ্টা করবো, অনেক practice করবো, আর পরের বার 1st হবো।

বাবা: All the best! কিন্তু মনে রেখো, পরেরবারও এই race বা কোনো না কোনো race এ কেউ না কেউ তোমার থেকে এগিয়ে থাকবে, আর কেউ না কেউ থাকবে তোমার থেকে পিছিয়ে। সে নিয়ে কখনো মন খারাপ করো না। বরং সামনে যারা থাকবে, তাদের সাফল্যে আনন্দ কোরো। কারণ তাদের মধ্যে সত্যিই এমন কিছু আছে যা তোমার চেয়ে আলাদা। মন থেকে appreciate কোরো। যারা পিছিয়ে থাকবে, তাদের উৎসাহ দিও। তাহলে জীবনের বড় race টায় সবসময় এগিয়ে থাকতে পারবে। 

নিজেকে কখনো অন্য কারও সঙ্গে তুলনা কোরো না, কারণ প্রত্যেকের পরিবেশ, পরিস্থিতি, সুযোগ, দুর্যোগ, প্রতিভা সব আলাদা আলাদা হয়। কোনো না কোনো জায়গায় কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেকে সেরা হয় নিজের নিজের জায়গায়।

সিজেএফবি পুরস্কার ২০০৩ 

 সিজেএফবি পুরস্কার ২০০৩ 


সিজেএফবি পুরস্কার হচ্ছে বিনোদন সাংবাদিকদের আয়োজন করা পুরস্কার সংস্থার নাম। এবার এ পুরস্কারের ২৩তম আসর বসেছিল। তবে পুরস্কারটির শুরুর সময় থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত শাবনূর মোট ৯বার এ পুরস্কার পায়। যা এখন পর্যন্ত রেকর্ড এবং এ রেকর্ড কখনোই কারও পক্ষে ভাঙ্গা সম্ভব না। হ্যাঁ, সব পুরস্কার তো আর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল তারকা জরিপ ও বাচসাসের মত হয় না। কারন এগুলোর মান ও জনপ্রিয়তা বেশি। তাই বলে পরবর্তীতে আর কোনো পুরস্কারের জায়গা নেই এমনটিও নয়! সব শিল্পীদের কাছেই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কারের মর্যাদা অনেক উপরে থাকে। তাছাড়া, দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে যে পুরস্কারটা চলমান এবং বিনোদন সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দেয়া হয়, সে পুরস্কারের মান অবশ্যই রয়েছে। আর তাই তখন এ পুরস্কারের আয়োজন বেশ বড় পরিসরেই বসত এবং জাতীয় ও মেরিল প্রথম আলোর পর এটাই একমাত্র পুরস্কার যেটা টিভিতে প্রচার হতো।


এ পুরস্কার শাবনূর টানা দুইবার হ্যাটট্রিক করে ৯বার অর্জন করে। তবে এর মধ্যে একবার সমালোচক বিভাগে (২০০৩ সালে) এ পুরস্কারটা শাবনূর পায়। বাকি প্রত্যেকবারেই বা ৮বার শাবনূর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসাবে এ পুরস্কার পায়। শাবনূরের পাশাপাশি এ পুরস্কার পপি একবার পায় সেরা নায়িকার বিভাগে (২০০৩) ও আরেকবার সমালোচক বিভাগে (২০০২) পায়। শাবনূরের পাওয়া প্রত্যেক বছরেরই কাটিং ও ছবি আগেই প্রকাশ করেছি। আজ প্রকাশ করলাম ২০০৩ সালে চলচ্চিত্র বিভাগে কোন কোন কাজের জন্য শিল্পীরা এ পুরস্কার পায়।


সেরা নায়ক

রিয়াজ ও হেলাল খান যৌথভাবে যথাক্রমে মনের মাঝে তুমি ও হাছন রাজার জন্য পায়।

সেরা নায়িকা

পপি - ওরা সাহসী


আর 

সমালোচক সেরা নায়ক, ফেরদৌস - প্রাণের মানুষ।

সেরা নায়িকা শাবনূর - প্রাণের মানুষ।

প্রাণের মানুষের জন্য দুইজনেই পাওয়াতে খুব ভাল লাগলো। সে সময়ে সিনেমাটি খুব ভাল লাগে, এখনো মনে হলে পছন্দের সিনেমাতে জায়গা দিয়ে থাকি।


--সংগ্রহ

বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) এর বদৌলতে যে সত্য ইতিহাসগুলো জাতি অর্ধ শতাব্দী বছর পর জানলো: 

 বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) এর বদৌলতে যে সত্য ইতিহাসগুলো জাতি অর্ধ শতাব্দী বছর পর জানলো: 


১. মুজিব নিজে স্বয়ং ধরা দিয়ে পাকিস্তানি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন। 

২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়েছিলো এবং আমি নিজেও পাকিস্তান থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।

৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।

৪. মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধর্ষিতা নারীকে পেয়েছেন।  

৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি। 

৬.ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।

৭. মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও জড়িত ছিলেন।

৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন। 

৯. বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিলো ভারতীয় বাহিনী।

১০. ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে। 

১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হত্যা করেছিলো মুজিব। 

১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লুট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা। 

১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হত্যা করে মুজিব। 

১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷ 

১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ। 

১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা। 


তারিখ: জানুয়ারি ০৫, ২০২৫ ইং

ইন্দ্রাণী হালদার একজন ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি ১৯৭১ সালের ৬ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সঞ্জয় হালদার

 ইন্দ্রাণী হালদার একজন ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি ১৯৭১ সালের ৬ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সঞ্জয় হালদার। তিনি তার স্কুলজীবন অতিবাহিত করেন মাল্টিপারপোস গার্লস স্কুলে এবং স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন যোগময় দেবী কলেজ থেকে, যেটিকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তিনি থাঙ্কুমনি কুট্টি’র কাছে ক্লাসিকাল নৃত্য শিখেন। প্রযোজক অমরেন্দ্র ঘোষের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পরে তিনি সঞ্জীব দাসগুপ্তের বিপরীতে দহন –এ অভিনয় করেন। কিন্তু পরে তিনি একজন বিমান চালককে বিয়ে করেন। ১৯৮৬ সালে, জোছনা দস্তিদারের বাংলা ধারাবাহিক তেরো পার্বণ থেকে তার অভিনয় জীবনের শুরু। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতির সাথে যুক্ত।


আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভাল, সেরা অভিনেত্রী, যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল (২০০৮) অভিনয়ের জন্য।

৪২তম ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসব ২০০৮, সেরা অভিনেত্রী, দহন –এ অভিনয়ের জন্য। সহ অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

পত্তন কালাকার পুরস্কার, কুয়াশা যখন (১৯৯৭) অভিনয়ের জন্য।

BFJA-সেরা অভিনেত্রী, চরাচর (১৯৯৫)।

BFJA-সেরা অভিনেত্রী, কাছের পৃথিবী (১৯৯৩)।

চলচ্চিত্র

সম্পাদনা

হিন্দি চলচ্চিত্র

সম্পাদনা

স্ট্রিং অব প্যাশন (২০১২)

ভৈরব (২০০১)

বাংলা চলচ্চিত্র

সম্পাদনা

তখন তেইশ (২০১২)

অন্তিম শ্বাস্য সুন্দর (২০১০)

অংশুমানের ছবি (২০০৯)

চৌধুরী পরিবার (১৯৯৮)

রাতপরীর রূপকথা (২০০৭)

যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল (২০০৭)

অঙ্কুশ (২০০৬)

অসমাপ্ত (২০০৫)

ফালতু (২০০৫)

অ্যাসাসিন (২০০৪)

আনন্দালোক (২০০২)

দেবদাস (২০০২)

সাঁঝবাতির রূপকথারা (২০০২)

দেখা (২০০১)

পারমিতার একদিন (২০০০)

অনু (১৯৯৮)

দহন (১৯৯৭)

লাল দরজা (১৯৯৭)

বিয়ের ফুল (১৯৯৬)

চরাচর (১৯৯৪)

দান প্রতিদান (১৯৯৩)

কাছের পৃথিবী (১৯৯২)

শ্বেত পাথরের থালা (১৯৯২)

সম্প্রদান

আপন হল পর

দায়বদ্ধ

এবং তুমি আর আমি

জীবন পাখি

বর-কনে

অতলতায়

চক্রব্যূহ

সাগর বন্যা

সৈকত সঙ্গীত

শেষ আশ্রয়

তিন ভুবনের পাড়ে

অন্তর্বাস

দেবর


টেলিফিল্ম, টেলিভিশন সিরিয়াল, এবং স্বল্প দৈর্ঘ্য ছবি

সম্পাদনা

মারইয়াদাঃ লেকিন কাভ তাক?

ফকির (হিন্দি – ১৯৯৮)

কুয়াশা যখন (বাংলা – ১৯৯৭)

সঙ্গে ইন্দ্রানী –তারা টেলিভিশন চ্যানেলে সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান, যেখানে তারকারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতেন। উপস্থাপনায় হালদার।

বাহান্নো এপিসোড

তামাশা রেখা

মা শক্তি

পূর্ব পুরুষ

ভুল ঠিকানা

জীবন রেখা

হামারী শাদি

তেরো পার্বণ

প্রায়শ্চিত্ত (এনটিভি বাংলা টেলিফিল্ম)

পিঞ্জর (এনটিভি বাংলা টেলিফিল্ম)

সুজাতা

সময়

সাবিত্রী

গোয়েন্দা গিন্নি

সীমারেখা

শ্রীময়ী


তথ্যসূত্র - উইকিপিডিয়া ।

#highlights2024 #photochallenge @highlight

মনের রঙে রাঙাবো বনের ঘুম ভাঙাবো -               সঙ্গীত পরিচালক                আজাদ রহমান

 মনের রঙে রাঙাবো বনের ঘুম ভাঙাবো -


              সঙ্গীত পরিচালক

               আজাদ রহমান

---------------------------------------------------

আজাদ রহমান একজন কন্ঠশিল্পী, সুরকার, গীতিকবি ও সঙ্গীত পরিচালক। 


জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায়। 


তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেয়ালে স্নাতক সম্পন্ন করেন। 


টলিউডের জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা ‘মিস প্রিয়ংবদা’র সহকারি সঙ্গীত পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে তাঁর পথচলা শুরু।


তাঁকে বাংলাদেশের খেয়াল গানের জনকও বলা হয়। দেশের চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন।


বাংলাদেশে তাঁর সুরকৃত প্রথম চলচ্চিত্র বাবুল চৌধুরীর ‘আগন্তুক’। 


তাঁর সুর করা ও গাওয়া ‘এপার ওপার’ চলচ্চিত্রে ‘ভালবাসার মূল্য কত’, ‘ডুমুরের ফুল’ চলচ্চিত্রে ‘করো মনে ভক্তি মায়ের’, ‘দস্যু বনহুর’এ ‘ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়’ গানগুলো সত্তরের দশকে জনপ্রিয়তা লাভ করে।


তিনি চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনার পাশাপাশি ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’র মতো কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানের সুর করেছিলেন।


বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী সেলিনা আজাদ তাঁর স্ত্রী। এই দম্পতির সুযোগ্যা তিন মেয়ে রুমানা আজাদ, রোজানা আজাদ ও নাফিসা আজাদ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠেছেন সঙ্গীত আবহে। তাঁরা তিন বোন একত্রে গড়ে তুলেছেন 'আজাদ সিস্টার্স'। কার্যক্রম শুরু করেছেন  নিয়মিত গান প্রকাশের 'আজাদ সিস্টার্স' এর ইউটিউব চ্যানেলে। 


আজাদ রহমানের লেখা সঙ্গীত বিষয়ক বই 'বাংলা খেয়াল' দুই খন্ডে প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি। 


স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে এই সঙ্গীত পরিচালক ১৯৭৬ সালে কবরী ও সোহেল রানাকে নিয়ে নির্মান করেছিলেন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য  'গোপন কথা' চলচ্চিত্র। 


১৬ মে ২০২০ সালে কিংবদন্তি আজাদ রহমান প্রয়াত হন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি।  


-- মেসবা খান

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...