এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।

 #ফসলের পোকা দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি।



বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হলো কৃষি। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম। কৃষির উৎপাদন এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ফসলের জমিতে নানা ধরনের কীটনাশক ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলের জমির পাশাপাশি মানব দেহেরও ক্ষতি হয়। তাই জৈব বালাইনাশক বা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়। আর জৈব কীটনাশক হিসেবে মেহগনির বীজ অত্যন্ত কার্যকর।


➡️জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি :


পরিবেশবান্ধব এই ভেষজ কীটনাশক তৈরির জন্য প্রথমে ২ থেকে আড়াই কেজি মেহগনির বীজ সংগ্রহ করে কুচি কুচি করে কেটে প্রায় ১০ লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে(সিডস মার্ট)। ৩ থেকে ৪ দিন পর এটি তুলে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এর নির্যাসের সঙ্গে প্রায় ৫০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার ভালোভাবে মিশ্রণ করতে হবে। এই নির্যাসের সাথে পাঁচগুণ পানি মিশিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহার করা যাবে।


➡️এই জৈব কীটনাশক ব্যবহারে মাজরা পোকা, পাতামোড়া রোগ, বাদামি গাছ, ফড়িং, জাব পোকা, পাতা ছিদ্রকারী পোকা দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। ফসলের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা, কাঁঠালি পোকা, ঢ্যাঁড়শের জ্যাসিড, সবজিতে পোকামাকড় দমনসহ ছত্রাক নাশ ও নানা রোগব্যাধি দূর করে। পিঁপড়া ও উঁইপোকা দমনেও মেহগনি কীটনাশকের কার্যকারিতা অপরিসীম। মেহগনির কীটনাশক ছিটালে শুধু ফসলের ক্ষতিকর পোকাই দমন হয় না, মশাও বিতাড়িত হয়।


➡️তাই ফসলের জমিতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।


👉জৈব কীটনাশক তৈরি করতে পরিশ্রম একটু বেশি কিন্তু খরচের পরিমাণ খুবই কম আসুন প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগের পরিবর্তে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করি। 


👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন অথবা নিকটস্থ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।


মেঘে_ঢাকা_আ কাশ পর্ব-১ নেই গল্প

 আমার ছাত্রী অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম তাঁর আম্মু একটা ছেলের সাথে খুব অন্ত*রঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমি তাদের দুজনকে দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। আমাকে দেখে তারা নিজেরাও নিজেদেরকে গুছিয়ে নিলো। আসলে মানুষের আসল চেহারাটা বুঝা যায় না। অবনির মা যে এরকম একটা খারাপ কাজ করতে পারে এটা কখনো আমার ভাবনায় আসেনি। তবে চাহিদার প্রয়োজনে মানুষ অনেক জ*ঘন্য কাজও করে থাকে। নিজের থেকে বয়সে অনেক ছোট ছেলের সাথেও মানুষ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে সেটা আমি আজ বুঝলাম। আমি কিছু বলার আগেই অবনির মা আমাকে বলল,অবনি তো এখনো স্কুল থেকে ফেরেনি। আর আজ তুমি এতো আগেই পড়াতে আসবে সেটা বলবে না?


তখন আমি বললাম আজ মাসের শেষ তারিখ। তাই একটু আগেই পড়াতে এসেছি,টাকাটাও দরকার ছিলো।"


তখন অবনিরা মা বলল,

আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি বসো আমি টাকা নিয়ে আসছি।"


কিছুক্ষণ পর অবনির মা এসে আমার হাতে দশ হাজার টাকা দিয়ে বলল,

 

"ও হচ্ছে আমার খালাতো ভাই সুজন। অবনিকে ওর কথা বলার দরকার নেই। তোমাকে অগ্রিম মাসের টাকাটাও দিয়ে দিলাম। তোমার নাকি টাকার সমস্যা বলেছিলে। আজকে পড়াতে হবে না তুমি বরং কালকে এসো।"


টাকাটা নিয়ে আমি চলে আসি। অবনিকে পড়াই আজ ছয়মাস হতে চলল। সত্যি বলতে অবনিকে আমি টাকার জন্যই পড়াই। অবনির বাবার টাকা পয়সার কোনো অভাব নেই। তাঁর বাবা বিদেশ থাকেন তাই আমাকে মাস শেষে পাঁচ হাজার টাকা দিতে কোনো সমস্যা হয় না। দশ হাজার টাকা পেয়ে সেখান থেকে মাকে চার হাজার টাকা দিলাম। আর বোনকে এক হাজার টাকা। বাকিগুলো আমার প্রয়োজনে কাজে লাগাবো রেখে দিলাম। মাকে দেওয়া এটা আমার প্রথম কোনো উপহার। আমি এর আগে কখনো মাকে টাকা দেইনি। টাকা দেওয়ার পর মায়ের চোখে যে আনন্দটা দেখেছিলাম সেটার কাছে পৃথিবীর সব আনন্দ তুচ্ছ। এক হাজার টাকা পেয়ে আমার বোন এতোটা খুশি হবে ভাবিনি। কিন্তু যখন টাকা পেয়ে সে আমাকে খুশিতে জড়িয়ে ধরে ভাইয়া বলল। তখন মনে হলো এমন বোনের জন্য জীবনে কিছু করতে না পারলে জীবনের কাছে ঋণী থেকে যাবো।


পরের দিন অবনিকে পড়াতে গিয়ে দেখলাম অবনি খুব সুন্দর করে সেজেছে। আকাশী রঙের শাড়িতে মেয়েটাকে অন্য দিনের চেয়ে আজ একটু বেশিই সুন্দর লাগছে। তাই পড়ানোর সময় তাঁর দিক থেকে কেনো জানি চোখ সরাতে পারছিলাম না। আমার এমন অবস্থা দেখে অবনি বলল,


"স্যার আপনার কি কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে?"


নিজের ছাত্রীর মুখে এমন প্রশ্ন শুনে কিছুটা আনইজি ফিল করলাম। তারপরেও ধমকের শুরু বললাম।


"এসব কি প্রশ্ন? আমার গার্লফ্রেন্ড দিয়ে তুমি কি করবে? বাচ্চাদের এসব জানতে হয় না। তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ দাও।"


তখন অবনি বলল,


"কে পিচ্চি? দেখেন আমি কতো বড় হয়ে গিয়েছি। আর ক্লাস নাইনে পড়া একটা মেয়েকে বাচ্চা বলা মোটেও উচিত না। আমার এক বান্ধবির বিয়ে হয়েছে,বাচ্চার মাও হয়ে গেছে। আর আপনি আমাকে বাচ্চা বলছেন।"


অবনির কথায় ঠিক। অবনিকে আজ মোটেও বাচ্চা বাচ্চা লাগছে না। বড়ই মনে হচ্ছে। শাড়ি পড়লে ছোট মেয়েদেরকেও অনেক বড় মনে হয়। অবনিকেও আজ বড়দের মতোই মনে হচ্ছে। আমি অবনির কথা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পারলাম না। অবনি আবার জিগ্যেস করলো।


"স্যার আপনি কিন্তু বললেন না,আপনার কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে নাকি?"


তখন বাঁধ্য হয়ে বললাম।


"ছিলো একসময় তবে এখন নেই। এবার খুশি তুমি? তোমার প্রশ্নের উত্তর খুুঁজে পেয়েছো।"


তখন অবনির চোখেমুখে অনেক আনন্দ দেখতে পেলাম। আমার গার্লফ্রেন্ড নেই শুনে অবনি এতোটা খুশি হলো কেনো বুঝতে পারলাম না।


প্রায় ছয় মাস পর হঠাৎ করেই জানতে পারলাম অবনির মা প্রেগন্যান্ট। এমন অবস্থায় সব জায়গায় জানাজানি হয়ে গেলো। যেহেতু অবনিদের বাসায় আমি বাদে আর কোনো ছেলে যাওয়া আসা করতো না তাই সবাই আমার দিকে আঙুল তুলতে লাগলো,আমাকে সন্দেহ করতে লাগলো। অবনির মা যখন আমাকেই দোষ দিলো তখন আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। অবনির মা নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমার নামে যে এতো বড় একটা মিথ্যা কথা বলবে আমি কখনো কল্পনা করিনি। অবনির সামনে সেদিন কি লজ্জাটাই না পেয়েছিলাম। কোনো অপরাধ না করেও আমি অবনির চোখের দিকে তাকাতে পারিনি। অবনি অনেক ঘৃণা নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। সে কাঁদতে কাঁদতে যখন বলল।


"স্যার আপনি চাইলে তো আমিই আপনাকে এই সুখটা দিতাম। আপনাকে আমি ভালোবাসতাম। আর আপনি কিনা আমার মায়ের সাথেই এটা করলেন? আপনার প্রতি যে রেসপেক্ট ছিলো সেটা আপনি রাখেননি। আপনি কখনোই একজন শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।"


কথা গুলোই বলেই অবনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমিও চলে আসি। এলাকার সবাই জেনে গিয়েছে বিষয়টা। তাই লজ্জায় কারো সামনে যেতে পারতাম না। বাসায়ও চুপচাপ থাকতাম,মা বাবা বোন কেউ আমার সাথে আগের মতো কথা বলে না। আমার জীবনটা যেনো একাকিত্বের এক নরকে পরিণত হলো। ঠিক এমন সময় আমার নরকীয় জীবনটাকে আরও বিষাক্ত করে তুলতে ফোন দিলো আমার প্রাক্তন।


মিলির সাথে আমার দুই বছরের সম্পর্ক ছিলো। হঠাৎ করেই একদিন প্রচণ্ড রাগারাগি হলো দুজনের মাঝে। সেদিনই ব্রেকআপ করলাম আমরা। তারপরে আমি আর তাকে কোনোদিন ফোন দেইনি। কারণ আমি আমার ইগোর সাথে কখনো আপোষ করতে চাইনি। সেও কখনো ফোন দেয়নি। আজ এতোদিন পর কেনো ফোন দিলো সেটার কারণ খুঁজতে গেলাম না। ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ভেসে আসলো চির পরিচিত সেই কণ্ঠস্বর।


"তোমার সাথে বিচ্ছেদ হয়ে ভালোই হয়েছে। এমন একটা কাজ করবে কখনো ভাবিনি।"


"আমি ভেবেছিলাম এতোদিন পর ফোন দিয়ে তুমি জানতে চাইবে আমি কেমন আছি? কিন্তু তা না করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছো? এটা বলার জন্যই কি ফোন দিয়েছো?"


"সেটা বলার প্রয়োজন মনে হয়নি কারণ তুমি ভালোই আছো। সেজন্যই হয়তো নিজের থেকে বয়সে অনেক বড় একটা মেয়ের সাথেও অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে পেরেছো। ভালো না থাকলে মানুষ এমন কাজ করতে পারে? বল।"


"আর সবাই না হয় আমার সম্পর্কে জানে না তাই এমনটা বলছে। কিন্তু তুমি তো আমার সম্পর্কে সব জানো,আমাকে চেনো আমি কেমন মানুষ। তারপরেও এমনটা বললে? তোমার সাথে তো দুইটা বছর রিলেশন করেছি কখনো তো একটা চুমুও খেতে চাইনি তোমাকে। তুমিই বল,তোমার সাথে যদি আমি ফিজিক্যাল রিলেশন করতে চাইতাম তাহলে কি তুমি না করতে? আমার তো মনে হয় না তুমি না করতে। যেখানে তোমার মতো মেয়ের সাথে এমনটা করিনি সেখানে আমার থেকে বয়সে বড় একটা মহিলার সাথে এটা করবো কি করে ভাবলে তুমি?"


ঠিক এমন সময় বাবা আমার রুমে এসে পড়ায় আমি ফোনটা কেটে দিলাম। দীর্ঘ দুইমাস পর আমার রুমে কেউ আসলো,আমার সাথে কেউ কথা বলল। আমার তো ভালো লাগার কথা,খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু আমি খুশি হতে পারলাম না বরং বাবার কথাগুলো শুনে চোখের পানিটাকে অনেক চেষ্টা করেও ধরে রাখতে পারলাম না।


বাবা যখন বললেন,


"কয়েকদিন পর তোর বোনকে দেখতে আসবে। আমি চাই না তোর কারণে আমার মেয়ের বিয়েটা ভেঙে যাক। তুই এক বছরের জন্য এই বাড়ি থেকে চলে যা। সবাই জানবে তোকে আমরা ত্যা'জ্যপুত্র করেছি। তোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। একবছরে যদি কিছু করতে না পারিস,নিজের বেঁচে থাকার মতো অবস্থা তৈরি করতে না পারিস তাহলে চলে আসিস। তখন তোর বোনের বিয়ে হয়ে যাবে। তাই আর কোনো সমস্যা হবে না। তবে আমি চাইবো না তুই আর কখনো এই বাড়িতে ফিরে আস। তোর কারণে আমি আমার মান সম্মান সব হারিয়েছি। কাজটা করার আগে তোর ভাবা উচিত ছিলো তোর সাথে তোর পরিবারের মানসম্মানটাও মিশে আসে। যাইহোক তোর মাকে আমি এখনো কথাটা বলিনি। তুই চলে যাওয়ার পরেই বলবো। আজ রাতেই চলে যাবি। তোর মা কিংবা বোনের সাথে দেখার করার দরকার নেই। টাকা লাগলে বল,দিয়ে দিবো।"


আমি কিছু বলতে পারলাম না। আমি জীবনে কোনোদিনও চিন্তা করিনি আমার বাবা আমার প্রতি এতো কঠোর হবেন কখনো। কাঁদতে কাঁদতে শুধু বললাম।


"না কোনো টাকা লাগবে না।"


আমি লক্ষ্য করলাম আমার কান্না ভেজা কণ্ঠটাও বাবার ভিতরটাকে নাড়া দিতে পারলো না। বাবা আমার রুম থেকে চলে গেলেন।


ফোনের দিকে তাকাতেই দেখলাম একুশবার ফোন দিয়েছে মিলি। এখনো দিয়েই যাচ্ছে। তাঁর ফোনটা ধরতে ইচ্ছে করছিলো না। কারণ সবকিছু গোছগাছ করতে হবে,আজকেই বাবা আমাকে চলে যেতে বলেছেন। জানি না কোথায় যাবো,যাওয়ার মতো তেমন কোনো জায়গাও নেই। তবে যেতো তো হবে। পৃথিবীটা তো অনেক বড়,কোথাও না কোথাও তো জায়গা হবে?


চলবে.......... 


 #sk_azimul 

মেঘে_ঢাকা_আ

কাশ

পর্ব-১



ভালো লাগলে ফলো করতে ভুলবেন না কিন্তু ধন্যবাদ আপনাক

জয়া আহসানের কি বিয়ে করে সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই?

 জয়া আহসানের কি বিয়ে করে সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই?


জয়া আহসান : আমি তো সংসারই করি। করছি। বিয়ে করলেই কি শুধু সংসার হয়? আমার দায়িত্ব আছে এত এত, তা সংসারের চেয়ে কম কী! আমি তো এসব করেই সময় পাই না। সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে, বিয়ে করলেই সংসার হয় না। আমিও তো বিয়ে করে সংসার করেছিলাম। সেটার স্বাদও আমি নিয়েছি। এখন এই সংসারটা করছি। এটাই মন্দ কী। এটা তো ভালো লাগছে আমার। যেহেতু এটায় বেশি ভালো লাগছে, এই সংসারটাতে আমি সাকসেসফুল।

আমার চারটা চারপেয়ে বাচ্চা। আমার মা, পরিবারের ভাইবোন, আমার গাছাপালা—সবকিছুই আমার সংসার। এরাই আমার সংসারের সব। বিয়ে করেও তো অনেকের ভেতর যোজন যোজন দূরত্ব থাকে। সেই অর্থে সেটাও কি সংসার তাহলে? যারা বিয়ে করেও যোজন ক্রোশ দূরে থাকে মানসিকভাবে, সেটাই কি সংসার? মানুষকে দেখানোর জন্য ফটোফ্রেম সংসার করে তো লাভ নেই। সংসার সত্যিকারভাবে কেউ যদি করে, সেটা তারা করুক। তার এক্সটেনশন তৈরি করুক। পৃথিবীতে দিয়ে যাওয়ার মতো কিছু করুক। আমি আমার মতো করে এভাবেই সংসার করছি। করব।


✍️ collected 

📸 collected from Jaya Ahsan fb page

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৬-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৬-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার কাছে চার সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পেশ - আগামী নির্বাচন ঐক্যমত এবং কমিশনগুলোর দেয়া সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে হবে -  বললেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


সংস্কার এজেন্ডা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী মাসে রাজনৈতিক দলগুলির সাথে  আলোচনা শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী - বলেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা ৷


জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার নির্বাচনের আগেই শেষ করা সম্ভব হবে - জানালেন আইন উপদেষ্টা।


জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে আজ একটি সর্বদলীয় বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ সবাইকে খালাস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।


১৫ মাস যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল ও হামাস।


বিপিএল ক্রিকেটের চট্টগ্রাম পর্ব শুরু হচ্ছে আজ। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুটি ম্যাচ।

দমা দম মাস্ত কালান্দার " -এর কিছু না জানা ইতিহাস

 " দমা দম মাস্ত কালান্দার " -এর কিছু না জানা ইতিহাস

 

ভূমিকাঃ- - রুনা লাইলার মুখে " দমা দম মাস্ত কালান্দার " নামে কাওয়ালী গানটা শুনেননি এমন কেউ বঙ্গ দেশে আছেন কিনা আমার কিশ্চিৎ সন্দেহ আছে । গানটার মূল উদ্দেশ্য , ইতিহাস বা এই গানের বিন্দুমাত্র অর্থ না জেনেই গানটা অদ্ভুত কারণে অনেকের কাছেই খুব প্রিয় । সম্প্রতি এক চাঁদনী পসর রাতে আবিদ ভাইয়ের মোবাইলে " দমা দম মাস্ত কালান্দার " এর যত ধরণের ভার্সন সবকটা শোনা শেষে গানটা দুই কানের মাঝের গহব্বরে পারদের মত জমে গিয়েছিল । যেখানেই যাই সেইখানেই মাথার ভেতর গানটা বাজতে থাকে । অবশেষে গানটা কান থেকে বের করতে এক নীতি দীর্ঘ গবেষণা করতে হয়েছে । যাইহোক গানটির অর্থ ও ইতিহাস আসলেই চমকপ্রদ । 

.

ইতিহাসঃ- পাকিস্তান আমলে (৫০-৬০ দশকে) সিন্দ অঞ্চলের জামশোর জেলার সেহওয়ান নামক একটি গ্রামে ওসমান মারিন্দি-র মাজার ছিল । অনেকটা লালনের মত । আধ্যাত্মিক গানের চর্চার জন্য জায়গাটা এখনো বিখ্যাত । একদিন সেখানে মরুভূমির মধ্য থেকে উঠে এসে এক জিপসী বালিকা একটি উর্দু গান (পাঞ্জাবী বুনিয়াদী গান) গাইলো আর রেডিও পাকিস্তান গানটি ধারণ করে রাখলো। বালিকাটি যেভাবে সহসা এলো তেমনি সহসাই গায়েবও হয়ে গেলো । বাকিটা ইতিহাস । গানটা হিট হয়ে গেলো ।  বহু বছর পার হয়ে গিয়েছে । পাকিস্তান , ভারত . বাংলাদেশের বহু গায়ক-গায়িকাই গানটি গেয়েছেন । উল্লেখ্য জিপসী বালিকাটিকে পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়নি । তবে এতটুকু জানা যায় , বালিকাটি যে জিপসি বা বানজারান সম্প্রদায়ের অর্ন্তগত তারা রাজস্থান ও গুজরাট এর ফোক গানে অনেক অবদান রেখেছে ও রেখে চলেছে ।

.

গানটির রচয়িতার নাম বা রচনাকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি; তবে এটি সিন্ধ অঞ্চলের সূফী লালবাবা শাহবাজ কালান্দার তথা সৈয়দ মুহাম্মদ উসমান মারওয়ান্দি (১১৪৯-১২৭৪) এর সম্মানে রচিত । যদিও বলা হয়ে থাকে যে এই কাওয়ালিটি আমীর খসরুর মূল প্রার্থনা থেকে নেয়া যেটি পরবর্তিতে বুল্লেহ শাহ পরিমার্জন করেন এবং তাতে তার পীর লালবাবা শাহবাজ কালান্দার-এর স্তুতি যোগ করেন। সৈয়দ মুহাম্মদ উসমান মারওয়ান্দি বা লাল শাহবাজ কালান্দার সিন্ধু , পাকিস্তানের একজন সুফি দার্শনিক-কবি ছিলেন । তিনি সোহরাওয়ার্দিয়া ত্বরিকার অনুসারী ছিলেন । বলে রাখি - সোহরাওয়ারর্দিয়া ত্বরিকা হল সুফি আবুল নাজিব  সোহরাওয়ার্দি‌ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সুফি তরিকা। এটি সুন্নি ইসলামের অন্তর্গত এবং এতে শাফি মাজহাব মানা হয়। গানের মধ্যে তার ছাপ পাওয়া যায় । এই লালবাবা শাহবাজ কালান্দার হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য সাধনের জন্য বিশেষ অবদান রেখেছেন।

.

সূফী 'শাহবাজ কালান্দার'-এর অতীন্দ্রবাদ সর্বধর্মের মানুষকেই আকৃষ্ট করেছে। উনাকে 'লাল' নামে ডাকা হতো, কারণ তিনি লাল রঙের পোষাক পরতেন। 'শাহবাজ' বলা হতো কারণ তিনি মহৎ ছিলেন ও 'কালান্দার' বলা হতো কারণ তিনি সূফী সাধক ছিলেন। এছাড়া চিরকুমার সাধু যারা উচ্চ আধ্যাত্মিক স্তরে পৌঁছেছেন তাঁদেরও কালান্দার বলা হয়। 'শাহবাজ কালান্দার'-কে তার ভক্তরা ঝুলেলাল-ও বলতো । বাবা বুল্লে শাহ ও লালবাবা শাহবাজ কালান্দারের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে পাঞ্জাবের উভয়  অংশেই। এই অঞ্চলের সূফীবাদে, বিশেষতঃ সঙ্গীতে তাদের ব্যাপক প্রভাব আছে; যেমনটি আছে বাংলাদেশে হাছন রাজা , লালন শাহ্ আর মাইজভান্ডারীর।

.

গানের অর্থঃ  যাইহোক গানটা অর্থ জানিয়ে বিদায় নিই -

.

Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল রক্ষা কর, ও ঝুলেলাল

Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল ভালো রেখো, ও ঝুলেলাল

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার

Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

ও লাল পোষাকী! বুক ফাটা কালান্দার, আলীই চিরকাল ছিলেন পহেলা নাম্বার

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

ও লাল পোষাকী! বুক ফাটা কালান্দার, ও মহৎ শাহবাজ কালান্দার

Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল রক্ষা কর, ও ঝুলেলাল

Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল ভালো রেখো, ও ঝুলেলাল

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার

Ho Laal Meri, Haaye Laal Meri…

ও লাল পোষাকী! হায় লাল পোষাকী!

Ho… Chaar Chiraag Tere Baran Hamesha (x2)

তোমার মাজার চিরকাল চার চেরাগ দ্বারা আলোকিত ছিলো

Char Chiraag Tere Baran Hamesha

তোমার মাজার চিরকাল চার চেরাগ দ্বারা আলোকিত ছিলো

Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan

I’ve come here to light the fifth lamp in Your honour, O Jhoolelaal

আমি এসেছি তোমার সম্মানে পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে, ও ঝুলেলাল

Ho… Paanjwaan Ve Palan

পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে

Ho… Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan

আমি এসেছি তোমার সম্মানে পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে, ও ঝুলেলাল

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার

Ho… Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje (x2)

তোমার ঢোল বাজে (তোমার বীরোচিত নামে)

Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje

ঝানান ঝানান তোমার নহবৎ বাজে

Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan

ঢোল জোরে জোরে বাজতে থাকুক তোমার গৌরবে, দিন রাত বাজুক, ও ঝুলেলাল

Ho... Laal Baje

ঢোল বাজতে থাকুক

Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan

ঢোল জোরে জোরে বাজতে থাকুক তোমার গৌরবে, দিন রাত বাজুক, ও ঝুলেলাল

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার

Arre Dum Dum Dum Dum Dum Dum Ali Ali (x3)

আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে আছে আলী


কৃতজ্ঞতায় - নেট জগত ও ড. রমিজ

আমরা অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না।

 আমরা অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

Advocate Md. Mozammel Hoque (অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক) 01830-168668  আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র 


এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময়  জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়।


এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়ম গুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

 

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ

১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক


১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট


১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত


১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ


১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার


জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে


বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ

১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট


১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ


১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার


১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত


১ শতক ১০০০ বর্গলিংক


১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)


১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)


১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)


১ একর = ৬০.৬০ কাঠা


১ একর = ৩.০৩ বিঘা


১ হেক্টর = ২.৪৭ একর


১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট


১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ


১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার


১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত


১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।


উদাহরণঃ


একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?


জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।


 

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।


 

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)


সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।


অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।


পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?


ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ

প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-

ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু


কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪


পরীসিমা= ১ বাহু X ৪


এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।


তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।


এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,


১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ


১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ


১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?


সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।


জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ

গ্যান্টার জরিপঃ

ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।


ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।


হিসাবটি হলোঃ


১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।


১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।


১০.০০০ বর্গ লিংক(১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।


৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)


১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।


৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।


৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।


অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)


আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।


যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।


ডায়াগনাল স্কেলঃ

ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।


আভার অফসেটঃ

এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।


ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ

ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।


জোনাল জরিপঃ 

ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ।

@top fans Advocate Md. Mozammel Hoque (অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক)

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময় ভূমি মালিকের  দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ-

 ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময় ভূমি মালিকের  দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ-



(১) মাঠ জরিপের সময় দখলের ভিত্তিতে নকশা এবং খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় বিধায় কোন মৌজা যখন কিস্তোয়ারের মাধ্যমে নকশা তৈরি করা হয় তখন ভূমি মালিকের কর্তব্য হলো জরিপ শুরু হওয়ার পূর্বে নিজ নিজ জমির আইল অর্থাৎ সীমানা সঠিক ও দৃশ্যমানভাবে চিহ্নিত করে রাখা এবং কিস্তোয়ারের সময় নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে জমিতে হাজির থেকে আমিনকে আইল দেখিয়ে সঠিক নকশা প্রস্তুতে সহায়তা করা। 

(২) খানাপুরী-কাম-বুঝারতের সময় ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা, নামজারি কাগজপত্র এবং ক্রয় সূত্রে মালিক হলে রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অথবা দলিলের সার্টিফাইড কপি, কোর্টের ডিক্রি থাকলে তার কপি নিয়ে মালিক বা তার প্রতিনিধির মাঠে হাজির থেকে কাগজপত্র আমিনকে প্রদর্শন করে সঠিকভাবে নাম রেকর্ডভুক্ত করে নেয়া। 

(৩) যদি কোন জমির মালিকানা সম্পর্কে অন্য কারো সঙ্গেবিবাদ থাকে তবে মাঠ জরিপের সময় নির্ধারিত ফরম পূরণ করে ডিসপুট দিতে হয়। 

(৪) এলাকার কোন জমির পূর্বের রেকর্ডকৃত মালিকের মৃত্যু হয়ে থাকলে এবং তার কোন উত্তরাধিকারী উপস্থিত না থাকলে তার উত্তরাধিকারীদের সঠিক নাম ও ঠিকানা বর্ণনা করে নুতন মালিকদের নাম সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত করতে উপস্থিত অন্য মালিকগণ কর্তৃক আমিনকে সহায়তা করা। 

(৫) তসদিকের সময় সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা অথবা ক্রয়সূত্রে মালিকানার দলিল পত্র অথবা সিভিল কোর্টের রায়, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের দাখিলা ইত্যাদি তসদিক অফিসারকে প্রদর্শন করে তসদিক সম্পন্ন করতে সহায়তা করা।

(৬) মাঠে প্রস্তুত রেকর্ডে কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে তথা কোন বৈধ মালিকের নাম বাদ পড়ে থাকলে বা ভুলে বা অবৈধভাবে কারো নাম কোন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে অথবা অন্য কোন প্রকার ভুল হয়ে থাকলে তা তসদিক অফিসারকে অবহিত হয়ে সঠিক কাগজপত্র প্রদর্শন করে সংশোধনের জন্য তসদিক কাজে সহায়তা করা।

(৭) খসড়া প্রকাশনা বা ডিপি এর সময় রেকর্ড পরিদর্শন করে যদি রেকর্ডে কোন ভুলত্রুটি থাকে তবে ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস দাখিল করে সঠিক রেকর্ড প্রস্তুতের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

(৮) তসদিক বা ডিপি এর সময় ভূমি মালিক নিজে বা তার নিজস্ব  প্রতিনিধিকে দিয়ে এ কাজ করানো উচিত।

(৯) আপত্তি কেসের রায় যাঁর বিপক্ষে যাবে তিনি ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে ৩১ মোতাবেক আপিল কেস দায়ের করতে পারেন। আপিল কেসের সঙ্গে আপত্তি কেস রায়ের সার্টিফাইড কপি দিতে হবে। আপত্তি অথবা আপিল শুনানির সময় দাবির স্বপক্ষে বাদীকে সাক্ষ্য প্রমাণ হাজির করে দাবি প্রমাণ করতে হবে।

(১০) ভূমি মালিকের আর একটি দায়িত্ব হলো তার উত্তরাধিকার সন্তানদের ভূমির অবস্থান, মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এর সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া যাতে উত্তরাধিকার সন্তানগণ যথাসময় ইহা দেখাশুনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়।


মুদ্রিত রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় পুনরায় মালিক বা তার প্রতিনিধি রেকর্ড দেখার সুযোগ পাবেন। এ সময় ভূমি মালিক মুদ্রিত খতিয়ানের কপি এবং নকশা নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন। যদি মুদ্রিত রেকর্ডে কোন জালিয়াতি, করণিক ভুল, গাণিতিক ভুল বা মুদ্রণ ভুল থাকে তবে এস, এস, ম্যানুয়ালের ৫৩৩/৫৩৪ বিধি মোতাবেক তা সংশোধনের জন্য চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট দরখাস্ত দেয়া যায়। সেটেলমেন্ট অফিসার তদন্ত ক্রমে উল্লেখিত কোন ভুলের প্রমাণ পেলে তিনি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির পূর্বে বিধি মোতাবেক সংশোধন করবেন।


জরিপে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড সংক্রান্ত কোন ব্যাপারে কোন সমস্যা বা অসুবিধা দেখা দিলে বিষয়টি দ্রুত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার অথবা সেটেলমেন্ট অফিসারের দৃষ্টি গোচর করা উচিত। আবশ্যক হলে অভিজ্ঞ আইনবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। এ সব ব্যাপারে পোশাদার দালাল, টাউট ও বাটপার ভূমি মালিককে বিভ্রান্ত করে সর্বস্বান্ত করতে প্রয়াস পায়। এ বিষয়ে ভূমি মালিকের সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

নারীর গোপন সাইকোলজি। নতুন গবেষণা, যা না জানলে চরম মিস...

 নারীর গোপন সাইকোলজি। নতুন গবেষণা, যা না জানলে চরম মিস...


নারী যাকে ভালবাসে না, সাধারণতঃ তার সঙ্গে স্বেচ্ছায় সহবাস করতে পারে না।  নারী স্বভারত এক স্বামীতে সন্তুষ্ট  থাকে। আজীবন কুমারী থেকে যাওয়াও নারীর পক্ষে তেমন কষ্টদায়ক নয়। অথচ পুরুষ সম্পূর্ণ বিপরীত। ডাঃ ফোবেলের মতে “সাধারণত পুরুষ প্রতিদিন যতজন যুবতি নারীকে দেখে, নিকটাত্মীয় ছাড়া প্রত্যেকের সঙ্গে তার মিলনের ইচ্ছা হয়। 


মানুষের যৌন তাড়ণা নির্ভর করে ‘টেস্টোস্টেরণ’ হরমোনের উপর। পুরুষদের এই হরমোন তৈরীর আলাদা একটি অঙ্গই আছে, যা হল অন্ডকোষ। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ তৈরী হওয়ার কোন অঙ্গ নেই । যতটুকু যৌন তাড়না নারীদের আছে, তা তাদের এড্রেনাল কর্টেক্স  নি:সৃত এন্ড্রোজেন এর কারণে। এজন্য নারীদের যৌন তাড়না পুরুষের চেয়ে অনেক কম। পুরুষদের টেস্টোস্টেরন স্তর, মহিলাদের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ গুণ বেশি থাকে এবং এই কারণেই নারীর চেয়ে পুরুষের যৌন ক্ষুধা অনেকগুণ বেশ। আরও সহজভাবে বলতে গেলে, পুরুষের অন্ডকোষে প্রতিদিন মিলিয়ন মিলিয়ন শুক্রানু তৈরি হয়। এই শুক্রাণুগুলো বের হওয়ার জন্য, বা পৃথিবীতে জায়গা করে নেওয়ার জন্য প্রচন্ড প্রেশার তৈরি করেন টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাধ্যমে। তখন পুরুষ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধা যে কাউকে  আক্রমন করতে বা শিকার বানাতে পিছপা হয় না । এইজন্য সামর্থবান পুরুষের একাধিক বিবাহ করা ইসলামে জায়েজ। 


অন্যদিকে পুরুষের মতো মিলিয়ন মিলিয়ন শুক্রাণুর চাপ নারীদের নাই, বরং মাসে একটি মাত্র ডিম্বাণু সে রিলিজ করে এবং সে চায় একমাত্র  যোগ্য মানুষটির শুক্রাণু তাতে নিষিক্ত হোক, অসংখ্য মানুষের শুক্রাণু  সে চায় না।  আর সেই জন্যেই নারী তার পছন্দ ভালোলাগা ইত্যাদি বাদ দিয়ে যৌনতা করতে পারে না। 

তাই বলা হয়, পুরুষ শারীরিক আর নারী হল মানসিক। পুরুষকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে নারীকে ভালবাসায় মায়া মমতায় আদরে সমৃদ্ধ করতে, আর নারীকে মাথায় রাখতে হবে পুরুষকে শারীরিকভাবে প্রশমিত করতে, যাতে তার বীর্যথলিতে বীর্য চাপ তৈরি করতে সুযোগ না পায়। মূলত পুরুষের  বহুগামিতা তার পুরুষত্ব ঠিক রাখার জন্য দরকার।  অন্যদিকে নারী সাধারণত এক পতিতেই তৃপ্ত।


কোন পর্ন বা যৌন-ক্রিয়াকলাপ দেখলে পুরুষ সহজেই উদ্দীপিত হয়, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে এটা কৌতুহল মেটায় মাত্র। তাই দেখা যায় নারীদেহ নিয়ে তৈরি ম্যাগাজিন 'প্লেবয়' সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে সমাদৃত কিন্তু প্লেগার্ল বলে কিছু নেই। শহর-গ্রাম, দেশে-বিদেশে সব জায়গায় পুরুষদের জন্য নারী পতিতালয় আছে কিন্তু নারীদের জন্য পুরুষ পতিতালয় হয় না, আমেরিকায় ধনী ও স্বাবলম্বী নারীদের বিভিন্ন ক্লাবেও দেখা গেছে, সেখানে মেয়েরা প্রফেশনাল পুরুষ ভাড়া করে থাকে, শরীর মেসেজ করা, কথা বলা বা সঙ্গ দেওয়ার কাজে।  যৌনতার চেয়ে মেয়েরা ভালো সিনেমা দেখতে বা  রোমান্টিক গল্প শুনতে/পড়তে বেশি পছন্দ করে। এইজন্য পাশ্চাত্যে বলা হয় যে, কথা বলার মত একজন সঙ্গী পেলে মেয়েরা অনায়াসে যৌনতা ছাড়া বছরের পর বছর কোন সমস্যা ছাড়াই কাটিয়ে দিতে পারে।


পুরুষ সমকামিতা ‘গে’ এবং নারী সমকামিতা 'লেসবিয়ান' এর মধ্যেও পার্থক্য আছে। দুইটি যুবতী নারী একত্ৰে শয়ন করে পরস্পরকে চুম্বন করে  যে আনন্দ পায়, ঐ আনন্দ যৌনবোধজাত, কিন্তু তা যৌনক্রিয়ার বিকল্প নয়। কারণ, এ যৌনবোধ মূলতঃ শারীরিক নয়–মানসিক। কিন্তু পুরুষের গে আনন্দ তার বিপরীত।

পুরুষ তার প্ৰাণ দিয়ে ভালবাসা প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে মিলনে পরম তৃপ্তি লাভ করা সত্ত্বেও অনায়াসে পরনারী কিংবা বেশ্যাগমন করতে পারে। নারীর পক্ষে সাধারণতঃ তা সম্ভব নয়।

জেনে রাখা ভালো পাঁচ দাগে জমি ক্রয়, একদাগে ভোগ দখল। দলিল কি টিকবে?

 জেনে রাখা ভালো পাঁচ দাগে জমি ক্রয়, একদাগে ভোগ দখল। দলিল কি টিকবে?



বর্তমানে লক্ষ করা যায় অনেকেই একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তার মালিকানার একাদিক দাগে সম্পত্তি ক্রয় করে ভোগদখল নেন একদাগে। কিন্তু ঐ একাদিক দাগে যদি দাতার অন্য কোন ওয়ারিশ থেকে থাকে এবং যেই দাগে ভোগ দখল নেওয়া হয়েছে সেই দাগে যদি দাতার কোন ওয়ারিশের স্বত্ব থাকে, তাহলে ক্রয়কৃত ব্যক্তির ভোগদখলীয় জমিতে দাতার অন্য ওয়ারিশরা চাইলেই জমির স্বত্ত সৃষ্টি করতে পারবে।


এমতাবস্থায় ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগদখলীয় জমিতে তার ক্রয়কৃত সমপরিমান জমি এক দাগে ভোগ দখল নিতে পারবেন নাহ! শুধুমাত্র দাতার হিস্যা অনুযায়ী ভোগদখলীয় দাগে জমি ক্রয়কৃত ব্যক্তি ভোগ করতে পারবেন যতটুকু জমি দাতা ঐ দাগে মালিক। বাকি জমি সে ভোগ দখল করবেন অন্য যে চার দাগে জমি ক্রয় করেছেন সেই দাগে।


আপনি চাইলেই দলিল এবং খতিয়ানের বাহিরে আপনার নামে জমি নামজারি বা রেকর্ড করাতে পারবেন নাহ! যদি আপনি ক্ষমতা এবং কারসাজির মাধ্যমে মনগড়া জমি রেকর্ড করেও নেন, কিন্তু পরবর্তীতেও আপনার এই রেকর্ড টিকবেনাহ! এতে দলিলের কোন স্বত্ব নষ্ট হবেনাহ।


দলিল অনুযায়ী আপনাকে জমি ভোগ করতে হবে। দলিলে যে যে দাগে আপনি জমি ক্রয় করেছেন। তবে সে ক্ষেত্রে দাতাও অবশ্যই বিক্রিত দাগে হিস্যা অনুযায়ী সেই পরিমান জমির মালিক থাকতে হবে।


#দলিল #খতিয়ান #জমি #ভূমি #viralpost2024 #landscape #landservices

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে

 অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?

খাজনা দেয়ার জন্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবে:


1. সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি।

2. পূর্ববর্তী দাখিলার কপি।

3. জাতীয় পরিচয়পত্র।

4. জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং।


N.B: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অন লাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।


অন লাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ


■ ধাপ-১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd)


■ ধাপ-২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি নং পাবেন)।


✔ ধাপ-৩- প্রোফাইল সেটিং করুন (প্রফাইলের তথ্যগুলি পুরন করুন)।


ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন।


ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন।


ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন।


ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন।


✔ ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন।


খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন। ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে। যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ্যমে খাজনা দিতে পারবেন।


খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই। [ধারা-৬, ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩]



নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...