এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক।  fahad mahmud arifbillal ফেইসবুক থেকে

 ৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক। 


হাসিনার মাথায় রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগে নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতকার। এবং বাংলাদেশ নিয়ে ইন্দো-মার্কিন-ইজরায়েলি আঞ্চলিক পরিকল্পনা।   ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অলিগার্কি, অর্থাৎ অল্প কিছু বিলিয়নারদের আধিপত্যের প্রতিষ্ঠা। যেমন ইলন মাস্ক, জুকারবার্গ,  বিলগেটস প্রমুখ। এর কুফলও বাংলাদেশ সহ গরীব ও প্রান্তিক দেশগুলোতে পড়বে। হিন্দুত্ববাদের সংগে মার্কিন বর্ণবাদী গোষ্ঠীর মৈত্রীও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের গাজানীতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যে ট্রাম্প বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংগে ঘোষণা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গাজার ‘নিয়ন্ত্রণ নেবে’ এবং এর ওপর তার ‘মালিকানা’ প্রতিষ্ঠা করবে।


এই নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাষণ বুঝতে হবে। নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের উপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতির যে ছক কষছেন সেদিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ রাখতে হবে।


ছাত্রজনতার ন্যায়সংগত ক্ষোভের পরিণতি হচ্ছে ৩২ নম্বর ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া।এটা শুরু, শেষ নয়। আমরা দেখলাম একে রক্ষা করার কোনো পদক্ষেপ সরকার গ্রহণ করে নাই। সেনাবাহিনী কিছুক্ষণের জন্যে এলেও ফিরে গেছে। জনগণের বিপরীতে সেনাবাহিনীকে দাঁড় না করাবার নীতি সঠিক।


কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে দিল্লি প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে জানমাল রক্ষা  করতে উপদেষ্টা সরকার ব্যর্থ। আন্তর্জাতিক ভাবে ব্যাখ্যা করা হবে যে বাংলাদেশে কার্যত কোনো সরকার নাই। এটাই দিল্লী হাসিনার পক্ষে প্রতিষ্ঠা ও প্রচার করবে।  


দিল্লী দাবি করবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ফলে দিল্লী আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করতে পারে।


এই বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে। যদি আমরা সামনের দিনে আরো গভীর সংকটে পতিত হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে চাই তাহলে অবিলম্বে শেখ হাসিনার সংবিধান বাতিল করে পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করুন, নতুন ভাবে বাংলাদেশ গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করুন। এটা পরিষ্কার ফ্যাসিস্ট সংবিধান  বহাল রাখার শপথ করে আমরা আদতে ফ্যসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম রেখেছি। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বাড়ি ভাংলাম অথচ শেখ হাসিনার  বানানো ফ্যাসিস্ট  রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরাপুরি কায়েম রাখলাম এটা কি হয়!


অতএব পরিবর্তীত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় আমরা যেন কোন গভীর সংকটে না পড়ি সেজন্য এখনই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণের ক্ষোভকে আমলে নিতে শিখুন। ছাই দিয়ে আগুন নিভানো যায় না।


এই বিষয়টি আরো বিস্তারিত বুঝবার জন্য মোহাম্মদ রোমেলের পোস্টটি দেখুন।

--------------------------

শেখ হাসিনার ভাষণের বিরোধীতায় ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার ফলে বাংলাদেশের জনগণের এই মুহূর্তে কোন লাভ হয়েছে বলে আমার মনে হয় নাই ।


তাইলে ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার রাজনীতি কি ? এই রাজনীতিতে কে কি অর্জন করল ? এর পর্যালোচনা দরকার । দেশে-বিদেশে এর প্রভাব কি পড়বে সেইটারও পর্যালোচনা দরকার । 


এই মুহূর্তে জরুরি প্রশ্ন হলো, জনতা এইটা ভাঙ্গতে গেল কেন? উত্তেজিত না হয়ে, কোন পক্ষ না নিয়ে ঠান্ডা মাথায় আমাদের এর কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি । আমার মনে কয়েকটা কারণের কথা আসছে । সেইসব শেয়ার করি । 


হাসিনার আজকে ভাষণ এবং তার দলের মাসব্যাপী কর্মসূচিতে জনগণ ভিতু হয়েছে । ভাবছে এর পিছনে ভারতের অসৎ উদ্দেশ্য আছে । ফলে তাদের প্রতিরোধের অংশ আকারে জনতা ৩২ নাম্বারে গেছে ।


হাসিনা এবং তাদের দলের কারো মধ্যেই এখন পর্যন্ত তাদের অতীত খুন-গুম-লুটপাট-বিচারহীনতা নিয়া কোন সরি ফিলিং মানুষ দেখছে না । ফলে মানুষের মনে তাদের বিষয়ে ক্ষোভ কমে নাই । বরং তারা ফিরে আসার নানান হুমকি দিচ্ছে । দোষ অস্বীকার করছে । এইটাও জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছে ।


৩) হাসিনা তার পুরো শাসন আমলে তার বাপকে সামনে রেখে, দেবতা বানিয়ে তার সমস্ত অপকর্ম করে গেছে । ফলে ইতিহাসের শেখ মুজিবুর আর হাসিনার বানানো ফ্যাসিস্ট আইকন শেখ মুজিবুরের পার্থক্য জনগণের মধ্যে এখন আর নাই । ফলে ৩২ নাম্বারকে জনগণ ফ্যাসিস্ট আস্তানা হিসাবে দেখছে । ফলে এইটা ভাঙ্গতে গেছে ।


৪) ৫ আগস্ট সরকার গঠনের পর এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্টদের বিচার শুরু হয় নাই । বড় বড় নেতাদের অনেকেই পালিয়ে গেছে।‌ দেশে যারা আছে তারাও গ্রেফতার হয় নাই । গ্রেফতার হওয়ার কোন ভরসাও সরকারের তরফ থেকে পাইতেছে না । ফলে মানুষের মধ্যে চরম হতাশা আছে । 


৫) এখন পর্যন্ত তরুণরা যে যে দাবি নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তার একটাও পুরণ হয় নাই । তারা চুপ্পুকে অপসারণ করতে চেয়েছিলেন। পারেন নাই । নতুন সংবিধান/গঠনতন্ত্রের কথা বলতে ছিলেন। সেটাও হচ্ছে না । তারা 'জুলাই ইশতেহার ঘোষণা' করতে চেয়েছে । সেটাও পারে নাই । ফলে যেন একটা অর্জনহীন সময় চলে যাচ্ছে । 


৬) দেশের কোথায় কোন সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে পারে নাই সরকার । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । আমলাতন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করছে না । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । পুলিশ কাজ করছে না । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । এর প্রকাশ ৩২ নাম্বারে দেখছি ।


৭) দেশের অর্থনীতি এখনো গতি পায় নাই । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । 


৮) জনগণের জন্য এখন পর্যন্ত কোন পরিষ্কার রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিশা নাই । ফলে তারা অস্থির দিশেহারা ।


এতো বড় গণঅভ্যুত্থানের পর এতো এতো ফেইলরে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আগস্ট বিপ্লবীরা হতাশ । এই হতাশা নিয়ে জণগণ নিশ্চয় ঘরে চুপচাপ বসে থাকবে না । ফলে ফ্যাসিস্টদের বাড়াবাড়ির সুযোগে‌ তারা আবার বের হয়ে আসছে । এবং সেই ক্ষোভ মিটাইতে আজকে তারা ৩২ নাম্বার ভাঙ্গতে গেছে ।


আমি নিশ্চিত সরকার যদি ঠিকঠাক ফাংশন করত এবং ফ্যাসিস্টদের বিচার চলত, তাইলে মানুষ আজকে ৩২ নাম্বারে গিয়ে অনাহুত এই ক্ষোভ প্রকাশ করত না । 


তাদের প্রত্যাশা এবং হতাশাকে যদি আগামী দিনে আমরা যথাযথ পথে পরিচালিত করতে চাই, তাইলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেন ।


সরকার কিভাবে আরো ফাংশনাল করা যায় সেই ব্যবস্থা করেন । ফ্যাসিস্টদের বিচার দ্রুত শুরু করেন । জুলাইয়ে আহতদের দিকে মনোযোগ দিন । সিন্ডিকেট ভাঙ্গার উদ্যোগ নেন । আমলাতন্ত্রকে টাইট দেন । দরকার হয় পুরো উপদেষ্টা পরিষদ নতুন করে সাজান ।


আন্দোলনে যুক্ত সকল পক্ষের বিপ্লবীদের সাথে নিয়মিত ডায়ালগ করেন । তাদের পরামর্শ শুনেন । সঠিক পরামর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন । তাদের নতুন রাজনৈতিক দিশা দেন । নাইলে এই অভূতপূর্ব শক্তির অপচয় এবং অপব্যবহার হবে । হবেই । ঠেকাতে পারবেন না ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা - স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর - অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।


যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ঘনিষ্ঠমিত্র ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ভিত্তিহীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে আজ ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা --- স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর --- অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ --- জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।  


গাজাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এর পুনর্গঠনের পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং আগামীকাল মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 

 ♦️ ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 


✅ তাহলে কী করবেন?  


১) রসুন গুলোতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পাটায় বেটে কিংবা ব্লেন্ডারে পানি ছাড়া ব্লেন্ড করে নিন। তারপরে ফ্রিজে ফ্রিজ করে রাখুন। আমি ফ্রিজিং করার সময় আইস ট্রে তে দিই। তারপর জমে গেলে বের করে একটা বক্সে ভরে রাখি। পরবর্তীতে রান্নার সময় খুব সুবিধা হয়।  সামান্য লবণ দিয়ে রাখলে রসুনের স্বাদ গন্ধ এবং রঙ তিনটাই ভালো থাকে।  


২) অতি অবশ্যই রসুনের আচার তৈরি করে নিতে পারেন।  ফ্রিজ ছাড়াই সংরক্ষণ করা যাবে।  


৩) রসুনগুলোকে পাতলা পাতলা করে কেটে ফ্রেশ তেলে বেরেস্তা ভাজার মত করে ভেজে রাখতে পারেন। তৈরি হয়ে গেল রসুনের বেরেস্তা। এটা নুডুলস বা চাওমিন রান্না তে,  ফ্রাইড রাইস রান্নাতে ব্যবহার করা যায়।  ডালে দেয়া যায়, শাকে দেয়া যায়। শুকনো মরিচ পেঁয়াজ আর সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তাও করা যায়।  


৪) চার নম্বর পদ্ধতিটা হচ্ছে গার্লিক অয়েল তৈরি করা। 


একটু বেশি পরিমাণে তেল নেবেন,  এমনভাবে যেন রসুনগুলো তেলের ভেতরে ডুবে থাকে। সরিষার তেল হলে ভালো হয় তবে অন্য যে কোন তেল নিতে পারেন। সানফ্লাওয়ার বা অলিভ অয়েল হলে খুব ভালো। তাতে রসুন গুলো দিয়ে চুলায় বসিয়ে দেবেন।  খুব খুব অল্প আঁচে, মিনিট বিশেকের জন্য। রসুনগুলো সেদ্ধ হয়ে হালকা ভাজা হয়ে যাবে।  হালকা সোনালী রং ধরলে জিনিসটা নামিয়ে ভালোভাবে ঠান্ডা করে বয়াম বা বক্সে ভরে রাখবেন।  তৈরি হয়ে গেল আপনার গার্লিক অয়েল।  এই তেলটা দিয়ে আপনি রান্না করতে পারবেন,  ভর্তা করতে পারবেন৷ ডিম পোচ করা থেকে শুরু করে মাছভাজি,  ভর্তা, নুডুলস রান্না সবকিছুর ভেতরেই দিতে পারবেন।  রসুন গুলি তেল থেকে তুলে পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভর্তা করতে পারবেন,   মেয়োনিজের ভেতরে দিতে পারবেন,  নুডুলস পাস্তা বিভিন্ন ভর্তার ভেতরে দিতে পারবেন।  এমনকি ভালোভাবে ভর্তা করে মাছ রান্না বা মাংস রান্নাতেও দিতে পারবেন।  এবং এটা তিন থেকে ছয় মাস এভাবেই স্টোর করে রাখা যাবে।  ফ্রিজেও রাখা লাগবে না। 


আর হ্যাঁ,  

আরো একটা পদ্ধতি আছে আর সেটা হচ্ছে রসুনগুলো সিরকায় ভিজিয়ে রাখা।  তবে এই পদ্ধতিতে রসুন রাখলে আমার কাছে খেতে একটুও ভালো লাগেনা।  


টিপস গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।  তাহলে আমি প্রতিদিন এমন একটা করে টিপস ও রেসিপি দেওয়ার চেষ্টা করব।  🥰


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য 

#follower #highlights #everyone #foryou #advice #উপদেশ #tips

মিথ্যা_অপবাদ। পর্ব' (১)

 'ভাবির বোন অনুকে দুইমাস ধরে প্রাইভেট পরাচ্ছি।

আজ হঠাৎ অনু বলে উঠে।

হাসিব আমি তোমাকে ভালোবাসি বিয়ে করতে চাই।


'ছিইইই...ছিইই অনু এসব কী বলতেছো।

আমি তোমার প্রাইভেটের স‍্যার।


'স‍্যার হয়েছেন তাতে কী?

আমরা কি একে অপরকে ভালোবাসতে পারিনা।


'এটা কখনোই সম্ভব না।


{কথাটি বলা মাত্রই অনু দৌরে গিয়ে দরজাটি লাগিয়ে দিয়ে 

আমার কাছে এসে বলে}


'প্লিজ হাসিব আমাকে একটু ভালোবাসা দাও।

তোমার ভালোবাসা পাওয়ার জন‍্যে এই মন ব‍্যকুল হয়ে আছে।


'বললাম না সম্ভব না।


'দেখো তুমি চাইলে এই মুহূর্তে আমার শরীর ভোগ করতে পারো।

তবুও একটু ভালোবাসা দাও।


{অনুর এরূপ কথায় বেশ রাগান্বিত হয়ে কশে একটি থাপ্পড় দিলাম}


'ঠাসসসসস!ঠাআআআসসসস!

তোমার লজ্জা করেনা তুমি তোমার স‍্যারকে কী বলতেছো।

তোমাকে তো আমি ভদ্র একটি মেয়ে মনে করছিলাম।


'আপনার এতবর সাহস আপনি আমাকে থাপ্পড় মারলেন।

ওয়েট আপনাকে মজা দেখাচ্ছি আমি।


{কথাটি বলেই অনু নিজের শরীরের পোশাক গুলা ছিরতে থাকে এবং 

আমাকে বাচাঁও বাচাঁও বলে চিৎকার করতে থাকে?

ওর এমন চিৎকারের শব্দ সুনে মুহূর্তেই দরজার পাশে লোকজন 

ভর্তি হয়ে যায়}


'দরজার ওপাশ থেকে সবাই বলতেছে অনু কি হয়েছে দরজা খোল।

তখন অনু কান্না সুরে চিৎকার করে বলে।


'বাবা মা আমাকে বাচাঁও হাসিব ভাইয়া আমাকে জোর করে 

ধ*র্ষ*ণ করার চেষ্টা করেছে।


'কথাটি শোনা মাত্রই সবাই মিলে দরজাটি ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে।

ভিতরে প্রবেশ করা মাত্রই সবাই আমাকে গনহারে মারতে থাকে।

কেউ সত্যিটা জানার চেষ্টা করেনা।

এতো করে সবাইকে বলতেছিলাম আপনাদের মেয়েকে আমি স্পর্শ করিনাই ও নিজে থেকেই এসব নাটক করেছে।

কেউ আমার কথা বিশ্বাস করেনি।


'প্রায় ২ঘন্টা গনপিটানি দিয়ে।

অনুর বাবা! আমার বাবা মাকে ফোন দেয়।


'যা শোনা মাত্রই আমার অসুস্থ মা হার্ড এটার্ক করে মারা যায়।

ঠিক সেই মুহূর্তে অনু বলে উঠে?...


মিথ্যা_অপবাদ।

পর্ব' (১)


'সবার সারা পেলে পরবর্তী পর্ব আসবে ইনশাআল্লাহ।

এক বছর সংরক্ষণ সহ হট টমেটো সস তৈরির সহজ রেসিপি 

 🌹এক বছর সংরক্ষণ সহ হট টমেটো সস তৈরির সহজ রেসিপি 

🍂উপকরণ এবং প্রস্তুত প্রণালী 

প্রথমে পাকা লাল টমেটো লাগবে দেড় কেজি পরিমাণ। তারপর টমেটো গুলো চার ভাগ করে ধুয়ে নিতে হবে।

এবার চুলা একটি প্যান বসিয়ে টমেটো গুলো দিয়ে দিতে হবে সাথে দিতে হবে দুই টুকরা আদা, দুই টুকরা রসুনের কুয়া, একটা পেঁয়াজ কাটা, তিন পিস লবঙ্গ, দুই পিছ দারচিনি, ছয়  পিস ঝাল শুকনো মরিচ এবং হাফ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আচেঁ সিদ্ধ করে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর দেখা যাবে টমেটো থেকে অনেকটা পানি উঠেছে। যখন টমেটো গুলো পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যাবে ওই পর্যায়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। 


এখন টমেটো ঠান্ডা হয়ে গেলে একটা ব্লেন্ডারে ব্লান্ড করে নিতে হবে। তারপর ব্লেন্ড করার পর একটা স্ট্রেনারে ছেকে নিতে হবে। ফ্রেশ টমেটোর পিউরি রেডি। 


এবার একটি বাটিতে ২ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার এবং ২ টেবিল চামচ ভিনেগার দিয়ে গুলিয়ে নিতে হবে। 

তারপর চুলায় আবারো একটি প্যান বসিয়ে টমেটোর পিউরি দিয়ে দিতে হবে আর সাথে দিতে হবে এক কাপ চিনি  ভিনেগার কর্নফ্লাওয়ার এর মিশ্রণ এবং সামান্য লবন দিয়ে সবকিছু মিশিয়ে নিতে হবে। এবার অনবরত নেড়েচেড়ে ঘন করে নিতে হবে। এ পর্যায়ে কিছুটা তেতুলের কাধ দিয়ে দিতে হবে। তারপর আবারও কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে যখন ঘন হয়ে আসবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে এবং পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেলে বোতলে ভরে নিতে হবে। এই টমেটো সস এক বছর সংরক্ষণ করা যাবে। 


#টমেটোসস #tometo #easyrecipes #cooking #foryoupageviralシ゚ #tayebadoel

Married life এর অপ্রিয় সত্যি কথা!! ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই কথাগুলো সত্যি।

 Married life এর অপ্রিয় সত্যি কথা!!


৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই কথাগুলো সত্যি।


এক🎇. বিবাহিত জীবন কখনও খুব মধুর। আবার কখনও হতাশার। কখনও মনে হবে আহ্ কি চমৎকার একটা জীবন পেয়েছি, কখনও মনে হবে ঘানি টানতে জীবন শেষ!! এই দুই ধরনের অনুভূতি ঘুরে ফিরে আসে। ভাববেন না যে বিয়ে করে ভুল করেছেন; দাম্পত্য সম্পর্ক উপভোগ করুন। কষ্টের সময়টা ঠান্ডা মাথায় হ্যান্ডেল করুন।


দুই🎇. আপনি যদি পার্টনারকে প্যারা দেন, সেও আপনাকে প্যারা দিবে। বেশী প্যারায় মনে হবে আপনি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছেন। আপনি যে তাকে প্যারা দিচ্ছেন সেটা ভুলে গিয়ে পার্টনারের প্যারা নিয়ে অস্থির হয়ে যাবেন। কখনও ভুল করে ভাবতে পারেন মানুষটা হয়ত gaslighting করছে। তাই ভুলতে ও ক্ষমা করতে শিখুন। সামনে এগিয়ে যান। জীবনে সুখের কিন্তু শেষ নেই!!


তিন🎇. আমরা মনে করি দাম্পত্য জীবনে ভালবাসা হতে হবে সমান সমান। ঠিক আছে। কিন্তু এটা 50/50 না। এটা হবে 100/100। দুই পক্ষ থেকে শতভাগ না হলে কেউই জিতবে না। আপনি যদি একাই 100 দিয়ে বসে থাকেন, আপনি হেরে যাবেন। ভালবাসার অর্ধেক বলে কিছু নেই; পুরাটাই নয়ত কিছুই না। দাম্পত্য জীবনে এই ভালবাসাটাই সমান সমান হয় না। অসমান ভালবাসায় আমরা ঘর বাঁধি, হেরে গিয়ে সাথে থাকি।


চার🎇. ঝগড়ার পরে অন্তরঙ্গতাকে (intimacy) না বলার ঘটনাই বেশী ঘটে। কখনও কখনও ঝগড়ার পরে আরেকটা ঝগড়ার আয়োজন চলে। এভাবে দূরত্ব বাড়ে, অভিমানের জায়গা হয় প্রশ্বস্ত। কোন ভাবে ঝগড়া মিটিয়ে অন্তরঙ্গ হোন। দেখবেন ভালবাসার আরেক অধ্যায় শুরু হয়েছে। আপনি হয়ত নতুন করে আপনার পার্টনারের প্রেমে পড়বেন।


পাঁচ🎇. বিয়ে করার সময় ভাবতেও পারবেন না যে, এই প্রিয় মানুষটির সাথে আপনার ঝগড়া হবে, মন কষাকষি হবে, বাঁধবে স্বার্থের সংঘাত। কিন্তু এটা ঘটবে। সুতরাং ঝগড়ার সময় fair ও logical থাকুন, যেন ঝগড়া মিটিয়ে আবার সম্পর্ক ঠিক করে নিতে পারেন।


ছয়🎇. দুজন এক সাথে দীর্ঘদিন কাটানো বেশ আনন্দ দায়ক। কিন্তু এক সাথে থাকতে থাকতে কখনও কখনও সংসারটা জেলখানার মত মনে হয়। কিছু সময়ের জন্য একা থাকুন, কোথাও ঘুরে আসুন। পরিবারের বাইরে বন্ধুদের সাথে কিছু সময় কাটান। আবার ফিরে আসুন পরিবারের প্রিয় মানুষটার কাছে। দেখবেন সংসারটা আর জেলখানা মনে হচ্ছে না।


সাত🎇. মাঝে মাঝে দেখবেন আপনার মনে হবে, আহা কত ভালবাসি মানুষটাকে!! আবার কখনও মনে হবে দূর, একদম ভাল্লাগে না ওকে। এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং কিভাবে ভালবেসে সাথে থেকে যেতে হয় তা শিখুন। সংসারে অনেক প্যারা থাকে, কিছু মেনে নিতেও হয়।


আট🎇. আপনার পার্টনার যতই আপনাকে ভালবাসুক, যতই টেক কেয়ার করুক বা হোক সুন্দরী/হ্যান্ডসাম, অন্য কাউকে আপনার ভাল লাগবে। নতুন কাউকে দেখে ভাল লাগার বিষয়টা এড়িয়ে চলাও কঠিন। দিবা স্বপ্ন দেখেন, ঠিক আছে। কিন্তু নতুন মানুষটার পিছে ছুটবেন না। আপনার পার্টনারের গুরুত্ব বুঝতে চেষ্টা করুন।


নয়🎇. শারীরিক সম্পর্ক আপনার পার্টনারের সাথেই সবচেয়ে বেশী উপভোগ্য হয়। কিন্তু প্রত্যেকবার একই রকম সুখের অনুভূতি হবে না। সময় ও বয়সের সাথে সাথে অনুভূতিতে ভাটাও পড়তে পারে। নতুন কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ্য করে তোলার ভুল চিন্তা থেকে বের হোন। বরং পার্টনারের সাথে সম্পর্ক আনন্দময় করে রাখতে ক্রিয়েটিভ হয়ে নতুন কিছু যোগ করুন।


সবার জন্য শুভ কামনা। জীবনের বাঁকে বাঁকে চ্যালেঞ্জ। সংসার যখন করছেন এই চ্যালেঞ্জ গুলোকেও এক্সসেপ্ট করতে হবে। তবেই দাম্পত্য জীবন সুখের ও শান্তির হবে।


সুন্দর ও সুখী পারিবারিক জীবন আমাদের সবার প্রাপ্য। এটা নিজেকেই তৈরী করে নিতে হয়।


শুভ কামনা।

জীবন সুন্দর যদি মানুষ টা সঠিক হয়।

#BMW #fypシ゚ 

ফলো: Jewel Hossen Rotno 👍🔥

সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

 সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ


-


১)জন্মের পরই কানে আজান দেয়া।⛔

 

সন্তান দুনিয়াতে আসার পর গোসল দিয়ে পরিষ্কার করে তার ডান কানে আজান দেয়া, তা ছেলে হোক বা মেয়ে হোক। এটি পিতামাতার উপর এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হযরত আবু রাফে রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাসান ইবনে আলীর কানে আজান দিতে দেখেছি। 

©(সুনান আবু দাউদ ৫১০৫)


২)সুন্দর নাম রাখা⛔

 

জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর নাম নির্বাচন করা পিতামাতার অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। নাম অর্থবহ হওয়া নামের সৌন্দর্য। কেননা রসুল সা. অনেক অসুন্দর নাম পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। 

®(আবু দাউদ ৪৯৫২-৪৯৬১)

 

৩)জন্মের পর আক্বিকা করা⛔

 

সন্তানের আকিকা করা ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম বিষয়। ছেলের পক্ষ থেকে ২টি ছাগল এবং মেয়ের পক্ষ থেকে ১টি ছাগল আল্লাহর নামে জবেহ করা। হাদিসে এসেছে, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, সকল নবজাতক তার আক্বিকার সাথে আবদ্ধ। জন্মের সপ্তম দিন তার পক্ষ থেকে জবেহ করা হবে। ঐ দিন তার নাম রাখা হবে। আর তার মাথার চুল কামানো হবে।

© (সুনান আবু দাউদ ২৮৩৮)


৪)চুল মুণ্ডিয়ে তার সমপরিমাণে রৌপ্য সদকা করা⛔


সদকাহ করা, ছেলে হোক বা মেয়ে হোক সপ্তম দিবসে চুল কাটা। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ করা সুন্নাত। হযরত আলী রা. রসুল সা. হাসান রা. এর পক্ষ থেকে ১টি বকরি আকিকা দিয়েছেন, বলেছেন, হে ফাতেমা! তার মাথা মুণ্ডন কর। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ কর। (সুনান আত-তিরমিজি ১৫১৯) এছাড়া রসুলুল্লাহ সা. শিশুদেরকে খেজুর দিয়ে তাহনিক ও বরকতের জন্য দোয়া করতেন। (বুখারি ৩৯০৯, মুসলিম ২১৪৬)

 

৫)সুন্নাতে খৎনা করা⛔


ছেলেদের খাতনা করানো একটি অন্যতম সুন্নাত। হযরত জাবির রা. রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমার সপ্তম দিবসে আকিকা আর খাতনা করিয়েছেন। (আল-মুজামুল আওসাত ৬৭০৮)


৬)ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে পাঠদান করা⛔


কুরআন শিক্ষা দেয়া। ছোট বেলা থেকেই সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিতে হবে। কেননা কুরআন শিক্ষা করা ফরয। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন তোমরা তোমাদের সন্তানদের তিনটি বিষয় শিক্ষা দাও। তন্মধ্যে রয়েছে তাদেরকে কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা ও কুরআনের জ্ঞান দাও। (জামিউল কাবির)

 

নামাজ শেখানো। হযরত আমর ইবনে শূয়াইব রা. তার বাবা তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের নামাজের নির্দেশ দাও সাত বছর বয়সে। আর দশ বছর বয়সে সলাতের জন্য মৃদু প্রহার কর এবং শোয়ার স্থানে ভিন্নতা আনো। (সুনান আবু দাউদ ৪৯৫)


৭)সন্তানকে সক্ষম করে তোলা⛔

 

সন্তানদেরকে এমনভাবে সক্ষম করে গড়ে তোলা, তারা যেন উপার্জন করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এভাবে বলেছেন তোমাদের সন্তান সন্ততিদেরকে সক্ষম ও স্বাবলম্বী রেখে যাওয়া, তাদেরকে অভাবী ও মানুষের কাছে হাত পাতা অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম। (বুখারি১২৯৫)

 

৮)উত্তমভাবে বিয়ে দেয়া⛔


সুন্নাহ পদ্ধতিতে বিবাহ দেয়া ও বিবাহর যাবতীয় কাজ সম্পাদন করা। উপযুক্ত সময়ে বিবাহের ব্যবস্থা করা। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যে  নিশ্চয়ই পিতার উপর সন্তানের হকের মধ্যে রয়েছে, সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাকে বিবাহ দেবে। (জামিউল কাবির)

রুমা কিশোরকে নিয়ে ফার্স্ট ক্লাসে উঠে পড়ত রোজ’,

 রুমা কিশোরকে নিয়ে ফার্স্ট ক্লাসে উঠে পড়ত রোজ’,


               ✍️ শ্রমণা চক্রবর্তী (গুহঠাকুরতা)


নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে লতাজি আর কিশোরকুমারের অনুষ্ঠানের সেই দৃশ্য আমি কখনও ভুলব না! দেখি, হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর বাকেট ভর্তি বরফের টুকরো নিয়ে ঢুকছেন। স্টেজে গেলাস উপচে পড়া বরফ রাখা হল। দেখি অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে লতাজি সেই বরফগলা জলেই চুমুক দিচ্ছেন।


এত ঠান্ডা জল খেয়েও কেউ গাইতে পারে! এবং তিনি নাকি লতা মঙ্গেশকর। পরে ভয়ে ভয়ে আমি বাপিকে (কিশোরকুমার) ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করতেই তাঁর কী হাসি! হাসতে হাসতে লতাজিকেই বলে উঠলেন, লতা দেখো, মামনি (আমার ডাকনাম) তুম কো কেয়া পুছনা চাহতি হ্যায়! আমার প্রশ্ন শুনে লতাজি বললেন, ‘আমি তো ওটাই খাই!’ সেদিন লতাজি যা বলেছিলেন, তা আমার কাছে এক বিরাট শিক্ষা হয়ে আছে! ওঁর মতে, ঠান্ডা খেলে গলা ধরে বা টক খেলে গলা ধরে এ সবই নাকি মিথ! লতাজি বলেছিলেন, আমি লঙ্কা বা ঝাল ছাড়া বাঁচবই না! টক বা ঝাল খেয়ে

গলার ক্ষতি হলে মরাঠি বা দক্ষিণ ভারতীয়েরা কেউ কখনওই গান গাইতেই পারত না! বরং গলা ছেড়ে গাইবার জন্য অনেকে লতাজিকে আলাদা করে লঙ্কা খেতেও দেখেছে। আমায় সে বার উনি সস্নেহে বলেন, খুব সে আইসক্রিম খাও! গানের গলার ক্ষতি হবে না। তবে গনগনে রোদে দাঁড়িয়ে কনকনে ঠান্ডা জল খাওয়াটা খারাপ। নিজের শিল্পী-জীবনে এটা বরাবর মেনে চলেছি।


আমার মা রুমা গুহঠাকুরতা ও বাবা অরূপ গুহঠাকুরতার সঙ্গে কিশোরকুমারের (রুমার প্রাক্তন স্বামী) আজীবন বন্ধুতার সূত্রেই মু্ম্বইয়ের গৌরীকুঞ্জেও (কিশোরের বাড়ি) আমি লতাজির সান্নিধ্য পেয়েছি। মা, বাপি ও লতাজি এক সময়ে বম্বে টকিজ়ে চাকরি করতেন। ওঁরা সকলেই লোকাল ট্রেনে স্টুডিয়োয় যেতেন। তখনকার একটা মজার গল্প লতাজির থেকেই শোনা! তখন বাংলা ও হিন্দিতে বঙ্কিমচন্দ্রের রজনী-র শুটিং হচ্ছে। মা নায়িকা, হিরো অশোককুমার। একমাত্র মায়ের জন্য ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট বরাদ্দ ছিল। বাকিরা থার্ড ক্লাসে যেতেন। লতাজি বলেছিলেন, ‘দেখতাম, রুমা রোজ কিশোরকে টেনে নিয়ে ফার্স্ট ক্লাসে উঠে পড়ত! হম লোগ দেখতে রহ জাতে থে।’


আমার দাদা অমিতকুমারের জন্মের আগে কিশোরকুমারের হাসিখুশি চেহারাটাও লতাজির গল্পেই শুনেছি। তখন নাকি বাপি স্টুডিয়োয় ঢুকতই এক কাল্পনিক বাচ্চার হাত ধরে! সেই বাচ্চার সঙ্গে নিজের মনে কত গল্প করত। লতাজি বার বার বলতেন, কিশোর তখন খুব আনন্দে ছিলেন। লতাজি বাপিকে খুব ভালবাসতেন। রীতিমতো নিয়ম মেনে রাখি পরাতেন।


দাদাভাই অমিতকুমারের সঙ্গেও লতাজির খুবই কাছের সম্পর্ক ছিল। আমাদের পরিবারের কাছে এ নিকটাত্মীয় বিয়োগেরই মুহূর্ত।


[ FROM AN ARTICLE PUBLISHED IN ANANDA BAZAR PATRIKA ]

স্যারের মেসেজ ০৩/০২/২০২৫

 স্যারের মেসেজ ০৩/০২/২০২৫

সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে বিজলী কেবল সবসময় নতুন দোকান নেওয়ার চেষ্টা করবেন নতুন তার বিক্রি করে এমন দোকান দেখে বিজলী ক্যাবলের মেজারমেন্ট নেওয়ার চেষ্টা করবেন। সব সময় নতুন দোকান নতুন নতুন এরিয়া। যদি এটা না করতে পারেন তাহলে ট্রান্সফারের জন্য সবাই মানসিক প্রস্তুত রাখেন।

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...