এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫

শশার সাদা মাছি(White Fly) দমন কৌশল A to Z

 🥒 শশার সাদা মাছি(White Fly) দমন কৌশল A to Z

 🗣️. এটি Hemiptera বর্গের অন্তর্ভূক্ত পোকা 

          যা বাংলাদেশে প্রায় সকল সবজি ফসল 

         সহ অনেক ফল গাছেও আক্রমণ করে। 

        এরা দেখতে সাদা, আকারের ছোট এবং 

        পাতার নিচে অবস্থান করে। 

#সাদা_মাছির_জীবনচক্র:

     সাদা মাছির জীবনচক্র সম্পন্ন হতে সময় 

     লাগে ১৫-২০ দিন। এদের জীবনচক্রে 

ধাপ তিনটি। যথা:-

    !) ডিম: ৫-৬ দিন

    !!) বাচ্চা/নিম্ফ: ৫-৭ দিন

    !!!) পূর্ণাঙ্গ পোকা: ৪-৫ দিন

#সাদামাছির_ক্ষতির_ধরন:-

♦️ সাদা মাছি তাদের সূচালো মুখপাঙ্গ দিয়ে 

      পাতার ফ্লোয়েম টিস্যু থেকে রস চুষে খায়।

       ফলে পাতা ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যায়।

♦️ এরা চিনি সমৃদ্ধ একটি তরল মল ত্যাগ 

     করে যা “হানিডিউ” নামে পরিচিত। এই 

     হানিডিউর কারণে পাতা শুঁটি মোল্ড দ্বারা 

     আক্রান্ত হয়। ফলে পাতা কালো হয়ে যায়। 

     হানিডিউ পিঁপড়া কেও আকৃষ্ট করে ফলে 

      আক্রান্ত গাছে অনেক পিঁপড়া দেখা যায়।

♦️ সাদা মাছি ফসলে নানা রকম ভাইরাস রোগ 

     ছড়ায়। এদের কারণে মরিচ, টমেটো, 

     বেগুন, শসা, পটল, তরমুজ, মিষ্টি কুমড়া 

     সহ অন্যান্য ফসলে ভাইরাসের আক্রমন 

      দেখা যায়। 

♦️ বাংলাদেশে ফসলের অত্যন্ত ক্ষতিকর 

      একটি পোকা যা ফসলের মোজাইক এবং 

       অন্যান্য ভাইরাস রোগ ছড়ায়।

#সাদা_মাছি_দমন_ব্যবস্থাপনা: 

  🗣️ সাদামাছি শুরুতেই দমন করতে হয় তা 

       না হলে ফসলের নানা রকম রোগ ছড়িয়ে 

       পড়ে ফলে তখন দমন করা কঠিন হয়ে পড়ে।  

#জৈবিক_পদ্ধতিতে_সাদা_মাছি_দমন:

   !) ইয়োলো স্টিকি ট্রাপ ব্যবহার করলে ভালো 

       ফল পাওয়া যায়।

  !!) ব্লু স্টিকি ট্রাপ ব্যবহার করলে ভালো ফল 

      পাওয়া যায়।

  !!!) সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় অথবা 

        আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার 

        পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা

        ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত 

       গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে 

       পোকা নিয়ন্ত্রন করা যায়। 

     এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের 

      গুড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি

        লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। 


🚯 সাদা মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিলে নিচের যে কোন একটি কীটনাশক মাত্র অনুযায়ী ব্যবহার করুন

  🔸 “ব্যাসিয়ানা 1.15WP” গ্রুপের জৈব 

               বালাইনাশক ইস্পাহানী কম্পানির 

                   “বায়ো ভেরিয়া” 

                       প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম

 🔸 ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের 

           এসিআই কম্পানির কীটনাশক

               “টিডো প্লাস৭০WDG” 

                   প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২গ্রাম

  🔸 এসিফেট গ্রুপের

            স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক 

                “ফরচুনেট75SP” 

                    প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম

   🔸ক্লোরফেনাপির + এমামেকটিন বেনজয়েট 

             গ্রুপের ন্যাশনাল কম্পানির 

                 “ফেনজেড25EC” 

                       প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ মিলি 


বিঃদ্রঃ সাদা মাছি দমনে পাতার নিচের দিকে স্প্রে করতে হবে।


⚠️সতর্কতা: স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে স্প্রে করার সময় মুখে মাস্ক,হাতে গ্লাভস, চোখে চশমা,ফুল হাতা জামা পরিধান করে নিবেন।


সোহেল রানা 

উপসহকারী কৃষি অফিসার 


সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে Shuhal Rana   আইডি অনুসরণ করুন এবং আপনার ফসলের কোন সমস্যা বিষয়ে জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট বক্সে লিখুন।


#শশা #cucumber  #চাষ #পদ্ধতি #insectcontrol #pestcontrol #পোকা #রোগ #AgricultureTips #IPM #biopesticides #brinjal #BrinjalFry

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

কানাডাতে গরীবরা বাজার করে সাধারণত 'কস্টকো" তে। আর ধনীদের পছন্দের দোকানের নাম "ওয়ালমার্ট "। আমি এই দুই দোকান খুব ভালো ভাবে লক্ষ করেছি 

 কানাডাতে গরীবরা বাজার করে সাধারণত 'কস্টকো" তে। আর ধনীদের পছন্দের দোকানের নাম "ওয়ালমার্ট "। আমি এই দুই দোকান খুব ভালো ভাবে লক্ষ করেছি । এখান থেকে মানুষ কি কেনে,কিভাবে  কেনে,কেনও কেনে।

প্রথম দোকানটাতে কোনও জিনিস কম পরিমাণে কিনতে পারবেন না। পাইকারি দোকানে যেমন বস্তা ভরে জিনিস কেনা যায়,অনেক কম দামে, কস্টকোতেও তেমন।

আর ওয়ালমার্টে আপনি চাইলে অর্ধ্যেক কলাও কিনতে পারবেন। সব জিনিসের প্যাকেট মিনি সাইজ।কস্টকোতে পাঁচ লিটারের নিচে তেল নাই। পাঁচ লিটারের দুধ,২০০ পিস বিস্কুট। 

সব জিনিস পরিমাণে বেশি এবং দাম কম। তাই যে জিনিস গুলি ঘরে লাগেই আবার নষ্ট হয় না,গরীব মানুষ হুড়মুড় করে সেগুলো কিনে রাখে।

অন্য দিকে ওয়ালমার্ট মানে ধনীরা যেখানে যায় সেখানে পুরো বিপরীত ঘটনা। ওয়ালমার্টে কিন্তু প্রতিটা খাবারের দাম বেশি। কারণ ওরা অরগানিক বা কৃত্রিম সার ও ঔষধ ছাড়া শস্য উৎপাদন করে। এখানে ক্রেতারা খুব কম। কারণ তারা পিয়াজ কিনেই একটা। শসা,গাজর সব এক/ দুই পিস করে।কস্টকোর সাথে খাবারের দোকান আছে।সেখানে আস্তো একটা মুরগীর রোস্ট, পিৎজা, কোক সব অনেক বড় সাইজের।

অথচ গরীবদের কম কেনার কথা।আর ধনীদের বেশি। কিন্তু এখানে কেনও উল্টো?? 

গরীবেরা কম দামে বেশি জিনিস কিনে এটা ভেবে যে তাদের খরচ কম হলো। কিন্তু আসলেই কি তা হয়! না!! কম টাকাতে বেশি জিনিস কিনে স্টকে থাকলে এটা প্রয়োজনের বেশি ব্যবহার করে ফেলে। অন্যদিকে ধনীরা শুধু কম জিনিস কিনছে। কারণ সে শহরে থাকে,তার বাসা ছোট এবং অনর্থক জিনিস দিয়ে সে বাসা ভরাবে না। সেহেতু কম কিনে,তাই বুঝে শুনে হিসেব করে খরচ করবে।

কস্টকো থেকে কেনা জিনিসের  অধিকাংশ অপচয় হয়।একই বিস্কুট ও পাউরুটি খোলার পর স্বাদ কমতে থাকে।আবার শেষ ও হয় না। কস্টকোতে ড্রিংকস বেচে পেপসি,কোকাকোলা আর ওয়ালমার্টে গ্রিন টি।

যারা বেশি কেনে তারা খায়ও বেশি। আর বেশি খাওয়ার যত রোগ আছে এসব রোগও তাদের বেশি। শুধু খাওয়া থেকে রোগ হচ্ছে তা কিন্তু না।তাদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। তাদের ছুটি খুব কম। অর্থনৈতিক টানাটানি কারণে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। সব মিলিয়ে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

অন্য দিকে ধনীরা একটা শসা কিনে খেলে অপচয় কম হবে,অপচয় কমানোর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত ও খেতে হবে না।

যারা সিঙ্গেল তাদের আয় বেশী ব্যয় কম। তাদের ধনী হওয়াটা সহজ। কম কিনে কম খাওয়া আরো সহজ।

আসলে গরীবেরা কি নিজেদের অর্থনৈতিক অভ্যাসের কারণে গরীব??? নাকি গরীব বলেই তাদের ইকোনমিক  লাইফস্টাইল এরকম? 

গরীবেরা সব সময় একটা বৃত্তের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে।

আমাদের দেশে এখন  রোজা ,প্লিজ ব্যবসায়ীরা আপনারা একটু আখিরাতের কথা চিন্তা করে একটা মাস ধরে সোয়াব কামান। দেখবেন এই এক মাস যদি আপনি সৎ থাকেন! তাহলে আপনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বরণীয় হয়ে থাকবেন আশা রাখি??? যারা কেনাকাটা বেশি করেন তারাও কম কিনুন। কম কিনে খাবেনও কম,তাহলে আপনিও সুস্থ থাকবেন। 🤨🤨🤨

৭/৩/২৫

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ০৮-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ০৮-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস - নারীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা।


শিশুদের এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করবে - জানালেন নারী ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে এ মাসের ১৪ তারিখ থেকে অনলাইনে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 


নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সকল কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ - জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।


ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার উপর বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স, ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব নিজ নিজ ম্যাচে জয়ী।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস --- দেশের নারীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।


শিশুদের এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করবে --- জানালেন নারী ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে এ মাসের ১৪ তারিখ থেকে অনলাইনে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।


নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সকল কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ --- জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।


সিরিয়ায় সরকারি নিরাপত্তা বাহিনী এবং ক্ষমতাচ্যুত শাসক বাশার আল-আসাদের অনুগত যোদ্ধাদের মধ্যে লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭০।


 এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স, ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব নিজ নিজ ম্যাচে জয়ী।

মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারন"

 "মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারন"

এক ছাত্র পরীক্ষায় "মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারন" হিসাবে এই নিচের লেখাটি লিখেছে..

"মুঘল সাম্রাজ্য বেশ নামকরা সাম্রাজ্য ছিল।সেই সাম্রাজ্যের পতনের আগে উত্থান হয়েছিল অথচ সে বিষয়টা আমরা এড়িয়ে গিয়ে শুধু পতনের কারণ খুঁজি।প্রচুর নামকরা সম্রাট,যেমন বাবর, তার ছেলে হুমায়ূন তার ছেলে, তার ছেলে…

এইভাবে বংশ পরম্পরায় শুধু সাম্রাজ্য বাড়িয়েই চলেছিল। ফলে সাম্রাজ্যের ভৌগোলিক সীমা ক্রমশ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিল।কোন কিছুর সীমা ছাড়িয়ে গেলে যে ব্যাপারটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাট হয় সেটা তারা ঠিক বুঝতে পারেনি। ...

ফলে পতনের অনেকগুলো কারণের মধ্যে এই ভৌগোলিক কারণ বেশী করে মাথাচাড়া দিতে থাকল।এদিকে সম্রাট’রা তো রাজধানীতেই থাকত, বাকি কোথায় হ্যারিকেন বা কোথায় সুনামী হচ্ছে সময় মত খোঁজ পেত না।পাবে কি করে?সেই সময় বি-এস-এন-এল এর মত কানেক্টিং ইন্ডিয়া গোছের কিছুই ছিল না।

সেই হেঁটে দৌড়ে এসে যতদিনে সম্রাটকে দু-প্রান্তে মিনি ডান্ডা লাগানো লম্বা খবরের চোথা ধরাত,তার মাঝে আরো এক দুবার সাইক্লোন বা আইলা জাতের কিছু হয়ে যেত।

এতে মানুষের মনে বিদ্রোহ জন্মাতে থাকল।ভাবল সম্রাট দিনরাত প্রাসাদে বসে মজা মারছে আর আমরা এদিকে না খেতে পেয়ে মরছি,সময় মত ত্রান-ফ্রানও পাঠাচ্ছে না।সুনামী’র ত্রান আসছে আইলা হয়ে যাওয়ার পরে।

এরপর ‘যোধা আকবর’ দেখে তো লোকের ক্ষোভ আরো বেড়ে গেল।দেখল সম্রাট হাতির সঙ্গে লড়াই করে টাইমপাস করছে,এদিকে প্রজারা বন্যা খরা’র মোকাবিলা করতে হিমসিম খাচ্ছে।ছোটখাট ‘ব-দ্বীপ’ ‘উপদ্বীপ’ ‘নির্জন দ্বীপ’ গুলোর লোকেরা এসব দেখেই তো জোট-বেঁধে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্রোহ ঘোষনা করে দিল। ফলে আস্তে আস্তে হাতছাড়া হতে থাকল জমি।

প্রজারাও ধীরে ধীরে বুঝতে শিখল, খামোখা চাষ করে সম্রাটকে কর দিয়ে কাজ নাই।বরং সেই জমিতে শিল্প বসানো যেতে পারে।

সম্রাট যতদিনে কৃষিজমি রক্ষা কমিটি বানাল,তার মধ্যে হেক্টর হেক্টর কৃষিজমি শিল্পের খাতায় চলে গেল।

বনধ ফনধও ডাকা হয়েছিল,কিন্তু তখন এত অফিস কাছারী আর ছিলনা,আইটিও ছিলনা, ফলে বনধ সফল হলেও তাতে বিশেষ কাজ হল না।

এমন কি মুঘলসরাই ট্রেন টাও এত লেট চলতে থাকল যে লোকে মুঘল যুক্ত কিছু নাম শুনলেই ক্ষেপে উঠতে শুরু করল।

এদিকে সময় থেমে নেই, সাল বদলে যাচ্ছিল তার সাথে পাল্লা দিয়ে একের পর এক সম্রাটও বদলে যাচ্ছিল।

শেষের দিকে সম্রাটরা তো ক্ষার খেয়ে বলল ‘ধুর!! বাপ-দাদুর আমলের  শাসন ফাসন চালানোর ঝামেলা না করে শাসন ব্যাপারটা আউটসোর্স করে দেওয়া যাক’।ব্যস, যেমন ভাবা তেমনি কাজ। আস্তে আস্তে সবকিছু আউটসোর্স হয়ে গেল ইংরেজদের হাতে এবং পতন হল মুঘল সাম্রাজ্যের।


প্রতিবেদন টি পড়ে মজা পেলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করুন 🙏🙏 ধন্যবাদ 🙏🙏


#collected

দর্জি মাস্টারজির শিক্ষা

 দর্জি মাস্টারজির শিক্ষা


গ্রামের এক কোণায় ছিল ছোট্ট দর্জির দোকান। নাম মাস্টারজি। কাপড় কাটতে, জামা সেলাই করতে তার জুড়ি নেই। কিন্তু একটাই সমস্যা ছিল— দামি কাপর দেখলেই লোভে তার চোখমুখ লাল  হয়ে উঠত ।  গ্রামবাসীর কাছ থেকে যত দামি কাপড় পায়, অর্ধেক চুরি করে ফেলতো ।এতে  গ্রামের লোকজন ক্ষুব্ধ হলেও মুখ ফুটে কিছু বলত না।


একদিন মনীষ নামে এক যুবক  এসে হাজির হল মাস্টারজির দোকানে। শহর থেকে আনা নীলাম্বরী কাপড়টা মাস্টারজির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “মাস্টারজি, একটা জামা বানিয়ে দেন তো!”


মাস্টারজি মাপ নিলেন, কিন্তু কাপড় দেখে চোখ চকচক করে উঠলো। ভেতরে ভেতরে লোভে কাঁপছেন। মুখে বললেন, “ভাই, এতে তো অর্ধেক জামাও হয় না! কে ঠকিয়েছে তোমায়!”


মনীষ বললেন, “ তা করে সম্ভব । কী বলছেন আপনি? এটা পুরো দাম দিয়ে কিনেছি তো!”


মাস্টারজি মিষ্টি সুরে বললেন, “চিন্তা কইরো না, আমার স্টক থেকে কাপড় জুড়ে দিই। ইউনিক ডিজাইন হবে, আর দামও নেব না বেশি!” মনীষ রাজি হয়ে গেল।


কিছুক্ষণ পরেই মাস্টারজি জামা বানিয়ে দিলেন—নীলাম্বরীর অর্ধেক চুরি, বাকিটা পুরনো কাপড়ের কোলাজ! মনীষ খুশি হয়ে জামা নিয়ে চলে গেল। অথচ মাস্টারজি বাকি কাপড়ে বাচ্চাদের জামা সেলাই করে দোকানে টাঙিয়ে দিলেন। বিক্রিও হয়ে গেল দু’দিনে!


ওদিকে মনীষ বাড়ি ফিরে নতুন জামা পরে বের হলো হাঁটতে। হঠাৎ রাস্তায় কয়েক যুবক হাসতে শুরু করল। একজন ইঙ্গিত করল, “দেখো ভাই, ‘ফ্যাশন’ এসেছে গাঁয়ে!” আরেকজন ঠাট্টা করে বলল, “ফ্যাশন না, বোকা বানানো! নিশ্চয় দর্জির কাজ?”


মনীষের গাল লাল হয়ে উঠল। “কী বলছো?”


“ওই দর্জি তো সবার কাপড় চুরি করে! অর্ধেক লুকিয়ে ফেলে, বাকিটা ঝুলি থেকে জোড়া লাগায়। বাকি কাপড়ে বাচ্চাদের জামা বানিয়ে বিক্রি করে। দেখো না, দু’দিন পরেই কোনো ছেলের গায়ে তোমার জামার ডিজাইন দেখতে পাবে!”


মনীষ আগুন হয়ে গেল! “দর্জিকে কেন কেউ কিছু বলে না?”


“কে শোনে? ও তো চালাকি করে চুরি, জোর করে ছিনতাই না। আমরা তো আর ওর দোকানে যাই না!”


মনীষ দাঁত কড়মড় করে বলল, “একে শিক্ষা দিতে হবে!”


পরদিনই মনীষ ফের দর্জির দোকানে গেল। চোখেমুখে আনন্দের ছাপ নিয়ে বলল , “মাস্টারজি, শহরে সবাই আপনার জামার পাগল! তিনশো জামা চাই—তিন সাইজে। আমি বিক্রি করে দেব। কমিশন আপনি রাখবেন!”


মাস্টারজির মুখে হাসি ফুটল। পুঁজি, সমস্ত সঞ্চয় ঢেলে তিনশো জামা সেলাই শুরু করলেন। রাত জেগে, দিন দিন জেগে। পনেরো দিনে সব শেষ করলেন!


কিন্তু মনীষ আর আসে না। তিনদিন পর দর্জি খুঁজতে বেরোলেন। গ্রামের মোড়ে ধরে ফেললেন মনীষকে। “জামা তৈরি, কই নিবেন?”


মনীষ ঠোঁট উল্টে বলল, “কোন জামা? আমি তো আপনাকে চিনি না!”


মাস্টারজির মাথা ঘুরে গেল। “সর্বনাশ! আমার সব টাকা ডুবে গেল!”


“চুরির টাকা ডুবলে ক্ষতি কী? আপনি তো সবার কাপড় চুরি করেছেন, এবার নিজের টাকাটাও ডুবল!”


মাস্টারজি হাত তোলামাত্রই লোকজন জড়ো হলো। পঞ্চায়েত ডাকা হলো।


পঞ্চায়েতের মুখ্য ব্যক্তি বললেন মাস্টারজিকে, “ আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে মনিষ আপনাকে অর্ডার দিয়েছিল । ও তো আগে কোন টাকা দেয়নি ।”


মাস্টারজি কাঁদতে লাগলেন, “মিথ্যা বলিনি, সাহেব!”


“তোমার অসততার অভিযোগ অনেক। মনীষ নির্দোষ। যাও, পঞ্চায়েতের নির্দেশ তিনশো জামা অর্ধেক দামে দিতে হবে।”


মাস্টারজি মাটিতে বসে পড়লেন। চোখে জল, কণ্ঠে অনুনয়, “ক্ষমা করুন সকলে। আর কখনো...!”


গ্রামবাসীরা কিনে নিল জামা। মাস্টারজির দোকানে এখন সত্যিকারের সততা। মনীষের চোখেও একফোঁটা জল—শিক্ষা হয়ে রইল গোটা গ্রামে।


নীতিকথা: লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়, আর সততা হারালে সমাজের বিশ্বাসও হারায়। ঠকানোর ফন্দি শেষ পর্যন্ত ঠকায় নিজেকেই।


#collected 


#everyonefollowers 


#followersreelsfypシ゚viralシfypシ゚viralシalシ 


#সংগৃহীত 

#niosnews #motivationalstory #inspirational #inspirationalstory #inspiration #motivationalquotes #motivational #motivation

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫

সুজি তো সবার ঘরেই থাকে। সুজি দিয়ে মজার মজার কয়েকটি পিঠার রেসিপি শেয়ার করছি-

 সুজি তো সবার ঘরেই থাকে। সুজি দিয়ে মজার মজার কয়েকটি পিঠার রেসিপি শেয়ার করছি--📌📌📌


🔸🔸সুজির গোলগুল্লা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি ২ কাপ 

▪️ডিম - ২ টা 

▪️বেকিং পাউডার -আধা চা চামচ

▪️চিনি- আধা কাপ

▪️এলাচ গুড়া ১/২ চা চামচ 

▪️লবণ সামান্য

▪️তেল- ভাজার জন্য 


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ

▪️একটি পাত্রে সুজি, ডিম, চিনি, এলাচ গুড়া, বেকিং পাউডার ও লবণ  নিয়ে মিশিয়ে ডো তৈরি করে নিন।১০ মিনিট ঢেকে রেস্টে রাখুন। 


▪️চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম করে গোল চামচ দিয়ে ডো থেকে সমান পরিমান করে যতটা সম্ভব গোলা শেইপ করে তেলে ছাড়ুন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে হালকা সোনালী করে ভেজে নিন। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পিঠা বেশি ভাজা না হয়। বেশি ভাজলে গোল্লা শক্ত হয়ে যাবে।

▪️সুজির গোলগোল্লা এভাবেও খাওয়া যায় ,আবার চাইলে চিনির পাতলা সিরায় দিয়েও খাওয়া যায়।


-----//------------//------------//---------


🔸🔸সুজির বিস্কুট পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি- ১ কাপ

▪️গুঁড়া দুধ- ৪ টেবিল চামচ

▪️চিনি- ১/২ কাপ

▪️লবণ- স্বাদ মত

▪️ঘি- ১ চা চামচ

▪️তেল- ভাজার জন্য


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ

▪️একটি পরিষ্কার পাত্রে ডিম, চিনি, লবণ ও ঘি নিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে সুজি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য ভ্যানিলা এসেন্স বা এলাচের গুঁড়া মেশাতে পারেন। ডো তৈরি করা হয়ে গেলে মিনিট পাঁচেকের জন্য এভাবে রেখে দিন।


▪️তৈরি করা ডো থেকে অল্প করে নিয়ে হাতের তালুতে চেপে চেপে পছন্দমতো শেপ দিয়ে তৈরি করে নিন। এভাবে সবগুলো তৈরি করে নিন। এরপর চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে পরিমাণমতো তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে পিঠাগুলো ছেড়ে দিন। আঁচ কমিয়ে সময় নিয়ে ভাজুন। বাদামী রং হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করেন। এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় দুইদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।


-------//-----------//----------//----------


🔸🔸সুজির রসভরি🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি ২ কাপ 

▪️ডিম - ২টি 

▪️বেকিং পাউডার -আধা চা চামচ, 

▪️চিনি- এক কাপ, 

▪️দুধ- ২ লিটার,

▪️পেস্তা, কাঠবাদাম ও কাজু বাদাম পেস্ট ২ টে চামচ

▪️তেল- ভাজার জন্য 


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ


👉সুজির গোল্লার জন্য-

▪️একটি পাত্রে সুজি, ডিম, দুই টেবিল চামচ চিনি, বেকিং পাউডার নিয়ে মিশিয়ে ডো তৈরি করে নিন। 


▪️চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম করে গোল চামচ দিয়ে ডো থেকে সমান পরিমান করে যতটা সম্ভব গোলা শেইপ করে তেলে ছাড়ুন। হালকা করে ভেজে তুলে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পিঠা বেশি ভাজা না হয়। বেশি ভেজে শক্ত করে ফেললে ভেতরে দুধের সিরা ঢুকবে না।


👉দুধের সিরা তৈরি-

▪️পাতিলে ২ লিটার দুধ জ্বালিয়ে ১ লিটার করে নিন। এবার দুধে এক কাপ চিনি ও বাদাম পেস্ট মিশিয়ে আরো কিছুক্ষণ নাড়ুন।

এবার, তেলে ভেজে রাখা পিঠাগুলো ধীরে ধীরে দুধে দিয়ে দিন এবং ২০ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন।


▪️২০ মিনিট পর দেখুন পিঠাগুলো ফুলে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এবার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু দুধে ভেজানো সুজির রসভরি পিঠা।


--------//------//-------//---------//-------


🔸🔸সুজি ও ডিমের ঝাল পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি- ১ কাপ

▪️ময়দা- আধা কাপ 

▪️ধনিয়ার গুঁড়া- ১ চা চামচ

▪️জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ

▪️হলুদের গুঁড়া- আধা চা চামচের কম

▪️মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ 

▪️কাঁচামরিচ কুচি- স্বাদ মতো 

▪️পেঁয়াজের মিহি কুচি- ১ টেবিল চামচ

▪️লবণ- স্বাদ মতো

▪️ডিম- ২টি   

▪️তেল- ভাজার জন্য


👉যেভাবে করবেনঃ 

একটি বাটিতে ডিম বাদে বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প কুসুম গরম পানি মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। ডিম দিয়ে দিন মিশ্রণে। বিটার দিয়ে পুরো মিশ্রণটি ভালো করে ফেটান। একদম মিহি হবে মিশ্রণ। খুব বেশি ঘন বা পাতলা হবে না। 

একটি গভীর প্যানে তেল গরম করুন। বড় চামচে ব্যাটার নিয়ে গরম তেলে দিয়ে দিন। আশেপাশে থেকে তেল উঠিয়ে পিঠা ওপর দেবেন। এতে ফুলে উঠবে পিঠা। এক পাশ ফুলে উঠলে উল্টে দিন। এভাবে ভেজে তুলুন সব পিঠা। পরিবেশন করুন গরম গরম।


--------//-----------//----------//---------


🔸🔸সুজির পাকন পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

👉ডো তৈরীতে লাগছে –

▪️ দুধ ২ কাপ

▪️লবণ ০.৫ চা চামুচ

▪️সুজি ১ কাপ

▪️ ময়দা ০.৫ কাপ

▪️বেকিং পাউডার ০.৫ চা চামুচ

▪️ডিমের কুসুম ১ টি

▪️মথার সময় ১ টেবিল চামুচ ঘি


👉সিরা তৈরী করতে লাগছে –

▪️ চিনি ২ কাপ

▪️পানি ২ কাপ

▪️ছোটো এলাচ ৩টি

▪️দারুচিনি ২ টুকরো


👉যেভাবে করবেনঃ

সিরার সব উপকরণ চুলায় জ্বাল দিয়ে  নামিয়ে রাখুন।

চুলায় দুধ বসিয়ে দিন ফুটে উঠলে চিনি দিয়ে সুজি দিয়ে আস্তে আস্তে নেড়ে দুধ শুকিয়ে গেলে ময়দা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে, রুটির গোলার মত হবে।

ঠান্ডা হলে ডিম আর ঘি দিয়ে ভালো করে ময়ান করে ডো বানাতে হবে।  ডো হতে সমপরিমান ডো নিয়ে পিঠা বানিয়ে নিন ইচ্ছে মত শেইপে।পিঠার ছাঁচ বা হাতেও কাঁটাচামচের পছন্দমত নকশা করা যায়।

মাঝারি আঁচে সময় নিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। সিরা হালকা গরম অবস্থায় পিঠাগুলো সিরায় দিতে হবে।

পিঠায় সিরা ঢুকলে পিঠা সিরায় ডুবে যাবে,তখন তুলে ফেলতে হবে।

এবার পরিবেশন করুন মজাদার মিষ্টি সুজির পাকন পিঠা।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে সাথে থাকুন। ❤️

শিক্ষক দের শাসন এর নীতিমালা।  মাদরাসার ওস্তাদদের জন্য বিশেষত  হিফজ বিভাগের ওস্তাদদের জন্য অত্যন্ত জরুরী,,,,, বাংলাদেশ হিফজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

 শিক্ষক দের শাসন এর নীতিমালা। 

মাদরাসার ওস্তাদদের জন্য বিশেষত 

হিফজ বিভাগের ওস্তাদদের জন্য অত্যন্ত জরুরী।


শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু।


বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে শিশুদেরকে প্রহার করা জায়িয নয়। হাত দিয়ে মৃদুভাবে শাসন করা যায়। কিন্তু তা-ও একসাথে তিনবারের বেশী জায়িয নয়।


এ ব্যাপারে হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে–


قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني


হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)


তেমনি ফাতওয়ার কিতাবে এরকমই বলা হয়েছে। দেখুন, হাশিয়া-ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতারের ইবারত–


قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)


“দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–” بید“ (শিষ্টাচারের জন্য মা-বাবা সন্তানদেরকে হাত দ্বারা মামুলীভাবে প্রহার করতে পারেন,) এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হলো– সেটা তিনের বেশী হতে পারবে না। তেমনি শিক্ষকের জন্য জায়িয হবে না তিনবারকে অতিক্রম করা। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” এ হাদীসটি ইসমাঈল (রহ.) আল্লামা আস্তুরুশনী (রহ.)-এর “আহকামুস সিগার” কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ হাদীসের বাহ্যত নির্দেশনা হলো–নামায ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রেও বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করা যাবে না। এভাবে দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–”لا بخشبة“ (লাঠির দ্বারা নয়।) এখানে লাঠি বলতে ব্যাপক মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তাই লাঠি বা দোররা ইত্যাদি যে কোন জিনিস দ্বারা প্রহার করা নিষিদ্ধ হবে। (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা)


সেই সাথে এ ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতওয়া রয়েছে। তার লিঙ্ক নিম্নে প্রদত্ত হলো–


https://darulifta-deoband.com/home/ur/others/156983


দেওবন্দের উক্ত ফাতওয়ার অনুবাদ নিম্নে প্রদত্ত হলো--


শিরোনাম : ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়?


প্রশ্ন--১ :

----------


তালিবে ইলমীর যমানায় দেখতাম, আমাদের শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদেরকে খুব পেটাতেন। চামড়ার বেল্ট, হিটারের তার ও বেত দ্বারা প্রহার করতেন। আর এ ব্যাপারে বলতেন--শরীরের যেখানে উস্তাযের আঘাত লাগে, সেই স্থানে দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ কথা কতটুকু সঠিক?


২ :-

----


ছাত্রদেরকে এভাবে যবরদস্তি করে পিটিয়ে অথবা জিঞ্জিরে বেঁধে শাস্তি দেয়া (ঐ ইলম শেখানোর জন্য যা ফরজে কিফায়াহ)--এটা কি জায়িয হবে? 


উল্লিখিত প্রশ্ন দু’টির দলীল-প্রমাণ ও বিচার-বিবেচনাভিত্তিক জবাব প্রদান করে বাধিত করে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করবেন। এটা বড় ইহসান হবে।


দারুল উলূম দেওবন্দের উত্তর :--

-------------------------------


بسم الله الرحمن الرحيم


কুরআন, হাদীস ও নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে আমরা এ কথা পাইনি যে, ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। বরংহযরত নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন--


 إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک


“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড,  ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)


ফিকাশাস্ত্রবিদগণ এই হাদীসের আলোকে বলেছেন, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার জন্য উস্তাদ হাত দ্বারা হালকা-মোলায়েমভাবে বাচ্চাদেরকে মারতে পারবেন। কিন্তু এক‌ সময়ে তিনবারের বেশি মারবেন না এবং বেত, লাঠি, ডান্ডা, কোড়া ও চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে কখনো মারবেন না। শরীয়তে তার অনুমতি নেই। চাই সেটা ফরজে আইনের ইলম হোক বা ফরজে কিফায়াহ পর্যায়ের ইলম হোক। তেমনিভাবে মা-বাবাও শিষ্টাচারিতার জন্য সন্তানদেরকে শুধু হাত দ্বারা হালকা-পাতলা শাসন করতে পারেন। কিন্তু বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে মারতে পারবেন না।


সুতরাং মক্তব ও মাদরাসাসমূহের কিছু উস্তায যে ছাত্রদেরকে জিঞ্জিরে বেঁধে নির্দয়ভাবে মারেন, অথবা বেত, লাঠি, চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে মারা কিছুতেই জায়িয হবে না। উস্তাযগণের জন্য এত্থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র স্নেহ ও মহব্বতের মাধ্যমে তা‘লীম দেয়া কর্তব্য। অথবা হালকা-পাতলা-মামুলী প্রহার বা শাসনের উপর ক্ষান্ত করা উচিত।


قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)۔ 


واللہ تعالیٰ اعلم


দারুল ইফতা

দারুল উলূম দেওবন্দ।

ফাতওয়া নং : 305-325/N=4/1439

.

বাড়ির হিসাব 

 বাড়ির হিসাব ✅✅✅

একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট

এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)

= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই

আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪

অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি

= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি

= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)

= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)

= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি

= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব

ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়

এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ১২০+১

= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ৭২+১

= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট

=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)

= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)

= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি

= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি

= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)

= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি (৫% বাড়তি ধরে )

= ২.০৬৫ টন


🏤বিল্ডিং সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ০১৬৮১৫৭৯৮১৬ এই মোবাইল নাম্বারে ফোন করুন। 

🏰আমাদের সার্ভিস সমুহঃ

🛖 সি ডি এ,  সিটি কর্পোরেশন,পৌরসভা এর অনুমোদন

🛖 সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) 

🛖 প্ল্যান

🛖 আর্কিটেকচারাল ডিজাইন

🛖 স্ট্রাকচারাল ডিজাইন

🛖ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন

🛖 প্লাম্বীং & পাইপ ফিটিং ডিটেইলস ডিজাইন

🛖 ইস্টিমেট

🛖 3D এনিমেশন

🛖 সুপারভিশন 

🛖 ভ্যালুয়েশন

🛖 কনস্ট্রাকশন 

🛖পাইলিং 

#plan #building #buildingplan #Emarat #Design #প্ল্যান #বিল্ডিং #ডিজাইন #নকশাঘর #ইমারত #ইঞ্জিনিয়ারিং  #আর্কিটেক্ট #ইঞ্জিনিয়ার #কনস্ট্রাকশন 

#সয়েলটেস্ট #পাইলিং #ঘর #বাড়ি #অনুমোদন 

#civilengineering #engineering #construction #civil #architecture #civilengineer #engineer #building #civilconstruction #civilengineers #ConcreteSolutions

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংস্কারের ওপর নির্ভর করে চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে - বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির বিশেষ উপদেষ্টা টবি ক্যাডম্যানের জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর আহ্বান। 


মব জাস্টিস বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনের ওপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে নৌযানে বাড়তি ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা - জানালেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।


আগামী ১৪ তারিখ থেকে অনলাইনে ঈদ-উল-ফিতরের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করবে রেলওয়ে। 


অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 


শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে সৌদি আরবে মিলিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...