এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

নাজায়েয ঝাড়ফুঁক নয়, আরোগ্য খুঁজে নিন কেবলই রুকইয়ায়!

 নাজায়েয ঝাড়ফুঁক নয়, আরোগ্য খুঁজে নিন কেবলই রুকইয়ায়!

.

কুরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তিনি এই কুরআনের মধ্যেই মুমিনদের জন্য রেখেছেন শিফা। অথচ কুরআনকে ছেড়ে আমরা শিফা খুঁজে বেড়াই কবিরাজের ভণ্ডামি আর তান্ত্রিকদের কুফরি তন্ত্রমন্ত্রে। সেইসাথে নাজায়েয ঝাড়ফুঁকের প্রকোপ তো আছেই। আল্লাহর দ্বীনের মধ্যেই যে এ ব্যাপারে সুসংহত বিধানাবলি আছে, সে ব্যাপারে আমরা ব্যাপকভাবে অজ্ঞ!

.

রুকইয়াহ শব্দটি একটা সময় বলা যায় পুরোপুরি অপরিচিতই ছিল মুসলিমদের মাঝে। যে বইটির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এই শব্দ ও চিকিৎসা পদ্ধতিটি সর্বসাধারণের মাঝে ব্যাপক পরিচিতি পায়, সেটা হচ্ছে মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের “রুকইয়াহ”। 

.

এই বইটিতে বিভিন্ন রকম রোগের ক্ষেত্রে রুকইয়াহ করার পদ্ধতি নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে। কীভাবে নিজের ও অন্যের রুকইয়াহ করবেন, সেটা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। এজন্য আয়াত, হাদীস ও প্রয়োজনীয় দু’আ সন্নিবেশ করেছেন তিনি। জ্বিন, জাদু, বদনজর ও ঝাড়ফুঁক বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিও তিনি সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন। 

.

রুকইয়াহ

লেখক : আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ

প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন

লিংক: https://www.wafilife.com/rukiyah/dp/640031

আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের সাথে একটি ঘটনা শেয়ার করব যেটা বেশ অনেকদিন ধরেই আমরা ফেইস করছি। সবচেয়ে বেশি ফেইস করছে মূলত আমার দাদি। তো শুরু করা যাক

 আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের সাথে একটি ঘটনা শেয়ার করব যেটা বেশ অনেকদিন ধরেই আমরা ফেইস করছি। সবচেয়ে বেশি ফেইস করছে মূলত আমার দাদি। তো শুরু করা যাক...


রাত তখন দুইটা বেজে পনেরো মিনিট। দাদির উচ্চকণ্ঠে আমার ঘুম ভেঙে যায়। বলে রাখা ভালো,রাতে আমি দাদির সাথে থাকি। দাদি আব্বু,চাচাদের জোরে জোরে ডাকছিলেন কিন্তু কেউই যেন সে আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিল না। আমি ঘুম জড়ানো কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলাম,


“কী হয়েছে? সবাইকে ডাকছো কেন?”


দাদি কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বললেন,


“আমার রুমে কে যেন এসেছে! বিছানায় উঠতে চাইছিল!”


আমি ভ্রু কুঁচকে চারপাশে তাকালাম। অন্ধকারেও স্পষ্ট বুঝতে পারলাম যে কেউ নেই। আমি বললাম,


“কোথায়? কেউ তো নেই!”


“না,একটু আগেও ছিল। এখন হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে গেছে।”


আমি এবার উঠে রুমের লাইট জ্বালালাম৷ পুরো রুম জুড়ে চোখ বুলিয়ে কাউকেই দেখতে পেলাম না। দাদি তখনও ভয়ে  বিছানার এককোণে জড়োসড়ো হয়ে বসে আছেন। দাদির অবস্থা দেখে বিষয়টা আমার কাছে মোটেও স্বাভাবিক মনে হলো না। আমি বললাম,


“এখানে বসে ডাকলে কেউ শুনবে না। চলো,আমার সাথে।”


দাদিকে সাথে নিয়ে আব্বু,ছোট চাচ্চু,বড়বাবাকে ডেকে তুললাম। তারা মূল ঘটনা জানতে চাইলে দাদি সব খুলে বললেন। দাদির ভাষ্যমতে,


ইদানীং দাদির রাতে খুব একটা ঘুম হয় না। ফলে রাতের বেশিরভাগ সময়ই কাটে নিদ্রাহীন। আজও একইভাবে সময় কাটছিল। সহসা দাদি খেয়াল করে,একটা কালো ছায়া,একদম মানুষের মতোই গড়ন,বিছানায় হামাগুড়ি দিয়ে উঠতে চাইছে এবং দাদির দিকেই মুখ তুলে আছে৷ দাদি প্রথমে ভাবলো ঘরের কেউ কি এসেছে? পরক্ষণেই মাথায় এলো,ছায়াটা দেখতে বেশ বড়সড়। ঘরের বড়দের মধ্যে কেউ এলে এভাবে অন্ধকারের মাঝে কেন বিছানায় উঠতে চাইবে? তাও আবার হামাগুড়ি দিয়ে? হয় রুমের লাইট জ্বালাবে নাহয় দাদিকে ডাক দিবে। এমন অদ্ভুত কর্মকাণ্ড দাদির মনে ভীতির সৃষ্টি করে। তাই তিনি সবাইকে ডাকতে শুরু করেন৷ আশ্চর্যের বিষয় হলো,সবাইকে ডাকামাত্রই ছায়াটা অদৃশ্য হয়ে যায়। 


আব্বু,চাচারা তখন পুরো বাসা ভালোমতো পর্যবেক্ষণ করলেন। কিন্তু কোথাও কিছু দেখতে পেলেন না। তবে দাদি নিশ্চিত ছিল এটা কোনো মানুষ হতে পারে না। নাহলে কি এভাবে অদৃশ্য হয়ে যেত? কিন্তু বাসার কেউই তা বিশ্বাস করলো না। তারা এটাকে নিছকই একটা মনের ভ্রম ধরে নিল। যেহেতু দাদির বয়স হচ্ছে,সেইসাথে তিনি অসুস্থ সেহেতু মনের মাঝে এমন বহু কল্পনা আসে যেগুলোকে মনে হয় আমাদের চোখের সামনেই আছে,চোখের সামনেই সব ঘটছে। দাদিও তাদের যুক্তি প্রথমবারের মতো মেনে নিলেন।


এরপর থেকে ডাইনিং রুমের লাইট জ্বালিয়ে রাখা হতো। এটা মূলত দাদির মনের খচখচানি ভাবের জন্য। ডাইনিং রুমের লাইটে সব রুমই মোটামুটি আলোকিত হয় তাই ভয়টাও কম লাগে। সেদিনের এই ঘটনার পর দুই,তিনদিন আর তেমন কিছু ঘটেনি। কিন্তু এরপরই একদিন দাদি মাঝরাতে উঠে ওয়াশরুমে যায়। ওয়াশরুম থেকে যখন তিনি রুমে এসে বিছানায় উঠেন তখনই তিনি দেখতে পান ওয়ারড্রবের সাথে হেলান দিয়ে সাদা কাপড় পরিহিত কেউ বসে আছে। দাদি ভয়ে আর কিছু খেয়াল না করে অপর পাশ ফিরে শুয়ে পড়েন আর মনে মনে দোয়া পড়তে থাকেন। এই ঘটনাটা দাদি কেবল আমার সাথেই শেয়ার করেন। আমিও আর কাউকে এ বিষয়ে কিছু বলিনি।


এর পরেরদিন রাতেই দাদি সম্মুখীন হয় এক ভয়ানক ঘটনার। এই ঘটনাটাও ঘটে রাত দুটোর সময়। দাদি দেখতে পায় একটা কালো ছায়া দাদির দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবং দাদিকে ধরার চেষ্টায় আছে। দাদি ভয়ে দ্রুত শোয়া থেকে উঠে বসে এবং ক্রমাগত পিছাতে থাকে। তিনি যতেই পিছিয়ে আসছেন,ছায়াটা ততোই এগিয়ে আসছে। সেদিন দুটো কালো ছায়ার উপস্থিতি ছিল। অপর কালো ছায়াটি পিছনে দাঁড়িয়ে ছিল। দাদি ভয়ে চিৎকার করছেন আর বলছেন,


“না,আমাকে না!”


কিন্তু ছায়াটির কোনো নড়চড় নেই। সে ঠিকই তার হাতদুটো বাড়িয়ে দাদিকে ধরার চেষ্টায় মত্ত। দাদি ভয়ে কোনো সূরাও ঠিকঠাক বলতে পারছেন না। তবে তিনি শুনেছেন ছায়াটা কিছু একটা বলছে কিন্তু কী বলছে তা ঠিক বুঝতে পারেননি। দাদির চিৎকারে প্রথমে ছোটচাচা ছুটে আসে। রুমের লাইট না জ্বালিয়েই দাদিকে এসে জড়িয়ে ধরে। ছোটচাচা আসার পরও ছায়াটা দাঁড়িয়ে ছিল কিন্তু দাদি ব্যতীত আর কেউ দেখতে পায়নি। পরক্ষণে,আব্বু,বড়বাবা,আম্মু,চাচি সবাই এসে রুমের লাইট জ্বালায় এবং দাদি স্পষ্ট দেখতে পায় ছায়াটা কিছু একটা বলতে বলতে অদৃশ্য হয়ে যায়। 

প্রথমদিন দাদির ডাক কেউই শুনতে পায়নি তাই এরপর থেকে সবাই একটু সতর্কতার সাথেই ঘুমাতো যেন দাদি ডাকলে তারা শুনতে পায়। দাদি তাদের সব খুলে বলল। ঘটনা শুনে এবার তারাও কিছুটা ভয় পেল। সত্যিই কি তাহলে কিছু আছে? তখন বড়বাবা বলল,আর একদিন অপেক্ষা করতে। এই একদিনে দাদি আবারও সেই ছায়াটা দেখতে পায় কিনা তা জেনে তখন একজন হুজুরকে ডেকে আনবেন। সবাই মেনে নেয় তা।


এর পরেরদিন ভোরবেলা,ছয়টা বাজে। মূলত এই সময় ঘরের ভিতরটা আলোকিত হতে শুরু করে। কিন্তু সেদিন বাসার ভিতর দেখলে মনে হবে যেন ঘোর অমাবস্যায় ছেয়ে গেছে। কুচকুচে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে আছে বাসার প্রতিটি রুম। সেদিন আবার,আমার চাচাতো ভাই জেগে ফোনে গেইম খেলছিল। হঠাৎ সে আড়চোখে দেখতে পায় যে,একটা কালো অবয়বের মতো কিছু একটা দাদির রুমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে৷ গেইম খেলায় মত্ত থাকায় সে বিষয়টাকে বিশেষ পাত্তা দেয়নি। ছায়াটা এবার দাদির দিকে না গিয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং দুইহাত বাড়িয়ে আমাকে ধরতে চাচ্ছিল। ভাগ্যক্রমে,সেসময় দাদির ঘুম ভেঙে যায় এবং এই দৃশ্য দেখে তিনি চিৎকার করতে থাকেন। দাদির চিৎকারে সবাই ছুটে আসে এবং সবটা শুনে সিদ্ধান্ত নেয় যে আজকেই একজন হুজুরকে ডেকে আনবেন। বড়বাবা একজন হুজুরের সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করলে হুজুর বলেন,এটা ভালো কোনো কবিরাজ ডেকে আনতে হবে। তবে তিনি বলেন,দাদির বয়স হচ্ছে তো তাই এটা মনের ভুলও হতে পারে৷ কিন্তু সবাই ততদিনে নিশ্চিত এটা কোনো মনের ভুল বা বিভ্রম নয়। এটা সত্যিই অশরীরী জাতীয় কিছু৷ কারণ,সবাই তখন বিষয়টা অনুভব করতে শুরু করেছিল। আম্মুর কাছে প্রায়ই মনে হয়,ডাইনিং রুম জুড়ে কেউ যেন হাঁটছে৷ মাঝে মাঝে মনে হয়,অদ্ভুত কণ্ঠে কেউ আম্মুর নাম ধরে ডাকছে। এর মাঝেই একটা বিশেষ দরকারে আমাদের গ্রামের বাড়ি চলে যেতে হয়। ফলে,গ্রামে যে কতদিন আমরা থেকেছিলাম সে কয়দিন আর বিশেষ কোনো সমস্যা হয়নি।


গ্রামে একজন পীরসাহেবের সাথে আব্বু বিষয়টা নিয়ে কথা বললে তিনি দাদিকে এবং আমাকে একটি তাবিজ দেন এবং বলেন তিনি একদিন বাসায় এসে বিষয়টা দেখতে চান। কিন্তু উনার নানা ব্যস্ততার কারণে আর আসতে পারেননি। এর মাঝেই আমরা গ্রাম হতে এসে পড়ি। 


গ্রাম হতে আসার পর এর উৎপাত যেন আরও বৃদ্ধি পায়৷ দাদি মাঝরাতে দেখতে পেত,কালো ছায়াটা কিছুটা দূরে ঘুরঘুর করছে কিন্তু কাছে আসতো না। হয়তো তাবিজের কারণেই। কালো ছায়াটা বিকট শব্দ করতো,টেবিল,কাঁচের উপর করাঘাত করতো,রুম জুড়ে হাঁটতো। অপরদিকে,আমার চাচাতো ভাই সেদিন আড়চোখে ছায়াটাকে দেখার পর থেকেই কেমন যেন ভয় পেত সর্বদা। সাহসী ছেলেটা দিনদিন ভীতু হয়ে যেতে লাগল। ভয়ে নেতিয়ে থাকতো। ফলে,তার জন্যও তাবিজ আনা হয়। একদিন আম্মুর মনে পড়ে,আম্মুর এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় একজন ভালো কবিরাজ। তিনি দূর থেকে ঘটনা শুনেই বলে দিতে পারেন বিষয়টা আসলে কী। আম্মু ফোনে উনার সাথে যোগাযোগ করেন এবং সবকিছু খুলে বলেন। তিনি সবটা শুনে জিজ্ঞেস করেন,দাদি যখন ভয় পায় তখন উনার মুখ বেঁকে যায় কিনা বা মুখ কিছুটা বিকৃত হয়ে যায় কিনা। এই কতোদিনে দাদি যতোবারই ভয় পেতো,উনার মুখ সত্যিই কিছুটা বেঁকে যেত,দেখতে ভয়ংকর লাগতো। তখন সেই কবিরাজ বলেন,এটা আর কিছু না,এটা হলো পিশাচ। আর এই জাতীয় পিশাচকে বলা হয় 'দেউ পিশাচ'। তিনি বলেন,এরা বেশ লম্বা থাকে,নখগুলো থাকে বড় বড়,দাঁতগুলোও বড় থাকে। এদের দেহ কালো কুচকুচে এবং এরা  একবার কোথাও প্রবেশ করলে সহজে বের হতে চায় না৷ এরা যাদেরকে ধরতে চায় মূলত তাদেরকেই দেখা দেয়। আর কেউ তাদের দেখতে পায় না। বিষয়টা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে যে,এটা দাদিকে ধরতে চাচ্ছে কারণ তিনি ব্যতীত আর কেউই ছায়াটাকে দেখতে পায়নি। আম্মু ভীষণ ভয় পেয়ে যায় এবং উনাকে অনুরোধ করে একদিন বাসায় এসে যেন দাদির শরীর এবং বাসাটাকে বন্ধ করে দিয়ে যায়। তিনি আশ্বাস দেন,অবশ্যই একদিন আসবেন।


আম্মু দাদিকে এ বিষয়ে কিছু বলেনি কারণ তিনি এমনিতেই ভয়ের মাঝে আছেন। এসব শুনলে উনার ভয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে। কিন্তু দাদি একদিন বলেন,তিনি তো এতদিন কেবল ছায়াটাকে দেখেছেন,এবার একদম সশরীরে দেখতে পেরেছেন সেই ছায়াটার আসল রূপ। ডাইনিং রুমে রান্নাঘরের সামনে দাদির রুমের দিকে মুখ করে বসে ছিল। শরীরে কোনোরকম একটা কাপড় পেঁচানো,নখগুলো লম্বা লম্বা,দাঁতগুলো বড় বড়,কালো লোমে ঢাকা সম্পূর্ণ দেহ,মুখটা দেখতে কী বিশ্রী আর ভয়ানক! যেহেতু এটা দাদির থেকে দূরেই ছিল তাই দাদি মনে সাহস জুগিয়ে সূরা,আয়তুল কুরসি পাঠ করে ঘুমানোর চেষ্টা করেন। দাদির মুখে এমন বিবৃতি শুনে এবার সবাই নিশ্চিত হলেন এটা পিশাচই। কিন্তু কেন এটা দাদিকেই কেবল ধরতে চাচ্ছে,কী উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে,এর উদ্দেশ্য কি শুধুই দাদির ক্ষতিসাধন করা নাকি অন্যকিছু তা এখনও অজানা। কারণ,এখনও সেই কবিরাজ আসতে পারেননি। কিন্তু তিনিই বা আসতে কেন এতো দেরি করছেন,অপরদিকে গ্রামের সেই পীরসাহেবও যেন কিছু একটা লুকিয়ে গিয়েছিলেন যা উনার সাথে কথা বলার সময় আব্বু বুঝতে পেরেছিল- এসবই যেন রহস্যজনক। সেই রহস্যের বেড়াজালে আটকে রয়েছে আমাদের বাসার প্রতিটি মানুষ।


গল্পঃ পিশাচ

লেখকঃ মারিয়া আক্তার মাতিন

নিশিঃ S1-04


#Nishi

#NishiByMSS

#MymensinghShortStories 


মেসেঞ্জারে আমাদের নতুন গল্পের আপডেট সবার আগে পেতে জয়েন করুন: https://m.me/j/AbaOm2llX93W0VYz/


-----------------------------------------------------------------


বিঃদ্রঃ গল্পের লেখার ছোট ভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন; সম্ভব হলে মেসেজে জানাবেন। সবশেষে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না, কেমন লেগেছে আজকের গল্প।


-----------------------------------------------------------------


Disclaimer: The image is generated by AI and depicts a fictional scene intended for artistic and narrative purposes. It may contain elements that some viewers might find unsettling. Viewer discretion is advised. The content is meant to explore themes of suspense and is not intended to glorify or promote violence.

ঘটনাটা কুমিল্লার-

 ⛔ঘটনাটা কুমিল্লার-


শখ করে পুঁটিমাছ কিনে এনেছেন স্বামী ।হয়তো ইচ্ছে ছিল গরম গরম ভাজি করে গরম ভাতের সাথে খাবেন । বৌও খুব যত্ন করে মাছ কেটে ধুয়ে ভেজে স্বামীর পাতে দিবেন বলেই বটি নিয়ে বসে গেছিলেন কাটতে ।


হয়তো পুঁটি মাছ কাটার সময় স্বামী বসেছিলো পাশেই । 


মাছ কাটার সময় স্বামী হয়তো এমনিই বলেছিল- মাছের ভুড়ি ঠিকমতো পরিষ্কার কর .. নাহলে তিতা লাগবে ।


বৌও হয়তো এমনিই বলেছিল - তুমি আমাকে মাছ কাটা শিখাও ? মাছ কাটতে কাটতে এক জীবন পার করে দিলাম …।


স্বামী হয়তো এই কথার উত্তরে বলেছিলো- তবুও যা বলছি সেইমতো কর ।


বৌ হয়তো এই কথার প্রেক্ষিতে বলেছিলো - করতেছিই তো .. এত কথা না বলে চুপ করে দেখ ।


স্বামী চুপ না থেকে হয়তো আরেকটা কথা বলেছে … সেটার প্রেক্ষিতে বৌ আরেকটা । এভাবেই হয়তো ঝগড়ার শুরু ।


এবং শেষ পর্যন্ত স্বামীর হাতে বৌ নৃ$শংস ভাবে খু$ন!

রাগের মাথায় স্বামীও হয়তো বুঝেনি সে কি করছে !


এজন‍্য প্রতিটি সম্পর্কে বোঝাপড়া থাকাটা জরুরী । আমাদের বুঝতে হবে কোথায় আমাদের থামতে হবে । পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধাবোধ এবং ভালোবাসা একটা সম্পর্কের অক্সিজেন । 


এটা ছাড়া সম্পর্কের মৃত্যু হয় !


ছাড় দেয়া শিখতে হয় । শুধু ভালোবাসলেই ধরে রাখা যায় না । জানতে হয় কোথায় বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে , কোথায় ফুলস্টপ দিতে হবে ।


আহ! জীবন … আহারে জীবন!

শেষ জামানার দারপ্রান্তে মনে হয় আমরা 🥺

অভিশপ্ত__পরী পর্ব __০১ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প #অভিশপ্ত__পরী

পর্ব __০১

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


পরী এই কথাটা মনে হতে সবার চোখে সুন্দরী এক রমণীর ছবি ভেসে উঠে তাইনা। হ্যাঁ আপনাদের মত আমারে এরকম মনে হতো। 


কিন্তু পরী ও যে কতটা ভয়ং*কর হয় সেটা জানতে পেরেছি আমার বাবার মুখ থেকে। 


আমার বাবা বলতো আমার গ্রামের কবরস্থানের পাশের গাছটার একটা পরী থাকে। এটা যেমন তেমন পরী না অভিশপ্ত পরী। পরীটা নাকি অনেক ভয়ং*কর। গ্রামের যে এই পরীটাকে দেখছে সেই ভয়ে কেউবা অসুস্থ হয়ে মা*রা গেছে। 


আমি যখন প্রথম বাবার মুখ থেকে পরীর ঘটনা শুনি তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করি। 


-বাবা ঐ পরী কবরস্থানের ওখানে আসলো কিভাবে না মানে ওর ওখানে থাকার পিছনে কোন রহস্য আছে কি। 


আমার কথার জবাবে বাবা বললেন হ্যাঁ আছে। আমি আমার বাবার মুখ থেকে শুনেছি৷ অনেক আগে সেই কবরস্থানের ওখানে একটা পুকুর ছিলো। 


সেই অভিশপ্ত পরী সেই পুকুরে বসবাস করতেন। 

একদিন সেই পুকুরের মানুষ গ্রামের সবাইকে ডাকে আর বলে। 

আমাদের গ্রামে তো কোন কবরস্থান নেই। আমি আমার পুকুরটা ভরাট করে একটা কবরস্থান তৈরি করতে চাই যদি আমাকে সবাই সাহায্য করেন। 


ওনার কথায় গ্রামের সবাই রাজি হয়।  সবাই পড়েরদিন সেই পুকুরটা ভরাট করার কাজ শুরু করে। 

পুকুর ভরাট করছে সে জন্য ঐ অভিশপ্ত পরী পুকুরের মালিক সহ আরো অনেককে ঘুমের মাঝে স্বপ্নে এসে সাবধান করে ওরা যেনো পুকুরটা ভরাট না করে কিন্তু পরীর কোন কথা না শুনে পুকুরটা ভরাট করা হয় আর সেখানে কবরস্থান করে দেয়া হয়৷ 


কবরস্থান হবার পর ও কিন্তু পরী সেখান থেকে চলে যায়নি পরী সেখানে একটা গাছে থেকে যায় আর মানুষদের৷ ভয় দেখাতে থাকে৷ 


এখন পরীর বিষয়ে আর তেমন কিছু না বলি। কারণ আমি আজ অনেকদিন পর শহর থেকে বাড়িতে ফিরছি। 


আমার ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যাবে। 

গ্রামে দুঃখ একটাই রাত হয়ে অটো বা রিকশা কিছুই পাওয়া যাবেনা তখন হেঁটে যেতে হবে পুরু গ্রাম।


মনের মধ্যে সাহস নিয়ে বাড়িতে ফিরছি। 

আমি মা বাবা একমাত্র ছেলে বাবাকে কল করছিলাম ওনি যেনো একটু এগিয়ে আসে কিন্তু বাবা একটু অসুস্থ হওয়ায় আমি ওনাকে এগিয়ে আসতে মানা করি। 


 যাইহোক, 

আমার মনে যা সন্দেহ ছিলো সেটাই হলো। 

আমি বাস থেকে নামলাম রাত দশটার দিকে। 


রাত দশটাই যে কোন রিকশা বা অটো পাওয়া যাবেনা এটা ভালো করে যানতাম তবুও একটু অপেক্ষা করলাম কিন্তু কোন কিছুই পেলাম না। 


ঘড়িতে তখন দশটা ত্রিশ মিনিট। ফোনের লাইটটা জ্বালিয়ে হাঁটতে লাগলাম বাড়ির দিকে। 

বাড়িতে পৌঁছাতে পনেরো থেকে বিশ মিনিট লাগবে। 


আমি হেঁটে চলেছি গ্রামের শান্ত পরিবেশ। চারিদিকে নিরবতা, পাশের ফসলি জমি থেকে ভেসে আসছে ঝিঝি পোকার ডাক। 


 এরকম পরিবেশে হাঁটতে অনেক ভালো লাগছে। 

সমস্যা ও ভয় একটাই ঐ কবরস্থান। আমাকে বাড়িতে যেতেহলে ঐ কবরস্থান পেড়িয়ে যেতে হবে। কবরস্থান কোন সমস্যা না সমস্যা হলো ঐ অভিশপ্ত পরী। 


বাবার মুখে পরীর ঘটনা শুনেছি। কিন্তু কখনও নিজের চোখে দেখিনি এসব৷ 

এর আগেও এভাবে কখনও রাতের বেলা এভাবে হাঁটা হয়নি। 


মনের মধ্যে ভয় নিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলাম। 

বেশ কিছুক্ষন হাঁটার পর আমি চলে আসলাম আমার ভাবনার সেই ভয়ং*কর জায়গায়। 


আমি কবরস্থানের কাছে আসায় দোয়া কালাম পড়তে পড়তে হাঁটতে লাগলাম। 

আমি যখন সেই কবরস্থান অতিক্রম করবো তখনি হঠাৎ শুনতে পেলাম একটা বাচ্চার কান্না। 


-বাচ্চার কান্না শুনে ভয়ের সাথে আমি বেশ অবাক হলাম আর মনে মনে বলে উঠলাম। 


-আরে এত রাতে কবরস্থানে কান্নার আওয়াজ আসে কোথা থেকে। বিষয়টা সাভাবিক না ভেবে সামনের দিকে এগোতে যাবো তখনি কান্নার আওয়াজটা বেড়ে গেলো। 


কান্নার আওয়াজ বেড়ে যাওয়ায় আমি সাহস করে পিছন দিকে ঘুরে তাকাই আর যেদিক দিয়ে কান্নার আওয়াজ আসছে সেদিকে লাইটটা ধরে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলি। 


 কে, কে ওখানে। কেউ কি আছেন ওখানে। 

আমি কথাটা বলায় সেই কান্নার আওয়াজটা থেমে গেলো। 


কান্নার আওয়াজটা থামায় আমি আবারো সামনের দিকে হাঁটতে যাবো তখনি আবারো ভেসে আসলো সেই আওয়াজ। কিন্তু এবার কান্না না হাসির আওয়াজ। মনে হচ্ছে একটা বাচ্চা খিলখিল করে হাঁসছে। কখনও কান্না কখনও বা হাসির আওয়াজ শুনে আমি বুঝতে পারি আমার সাথে খারাপ কিছু ঘটতে পারে যা হবার হবে আমি আর এখানে থাকবোনা আমি সোজা চলে যাবো বাড়িতে। এই ভেবে যেইনা আমি আমার বাড়ির দিকে ঘুরেছি তখনি চিৎ*কার দিয়ে দু পা পিছিয়ে আসি।


কারণ আমি দেখতে পারি আমার সামনে খুব সুন্দরী একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে দিকে হঠাৎ করে মুখোমুখি দেখে চিৎ*কার করছিলাম। 


আমি দু পা পিছিয়ে এসে বলি। 

কে আপনি। এখানে, এখানে কি করেন এত রাতে। 


আমার কথায় সুন্দরী মেয়েটি বলেন  " এটা তো আমার থাকার জায়গা, আমার থাকার জায়গায় আমি থাকবোনা বুঝি। 


মানে, কি বলেন আপনার থাকার জায়গা মানে। এখানে আশপাশে তো কোন বাড়ি ঘর দেখছিনা কোথায় থাকেন আপনি। 


 আমার কথায় ওনি বললেন। কেনো এখানেই থাকি। 

মানে, এখানে কিভাবে থাকা সম্ভব। কে আপনি বলুনতো। 


আমার কথায় মেয়েটা যা বললেন সেটা শুনে আমি চোখ বড় বড় করে ওনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। 


মেয়েটা আমাকে বললো আসলে সত্যি বলতে আমি কোন মানুষ না আমি একটা পরী। আর আমি এখানেই থাকি। 


 কিহহহহ, আপনি সেই পরী।আপনি তো অভিশপ্ত পরী। আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে কিছু করবেন না। দেখুন আমি আপনার কোন ক্ষতি তো করিনি তাইনা। আমি শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলাম দয়া করুন। 


আমার কথায় মেয়েটা সামনের দিকে হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে শান্ত গলায় বললেন। 


 আপনি ভয় পাবেন না৷ আমি আপনার কোন ক্ষতি করবোনা। আর আমি অভিশপ্ত পরী নই। 


পরীর কথায় আমি ভয়ে ভয়ে বললাম। সত্যি, সত্যি আপনি অভিশপ্ত পরী নন। 


 আরে না আমি সেই পরী না। চলুন হাঁটতে হাঁটতে কথা বলি৷ আমি আপনাকে এগিয়ে দেই। 


পরীর এমন শান্ত কথায় আমি ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে বাড়ির দিকে যেতে থাকি। 

এদিকে পরী আমার সাথে সাথে হাঁটতে থাকে। 


তারপর _______

Next______


একটা রহস্যময় পরীর গল্প নিয়ে হাজির হলাম৷ গল্পটা কেমন লাগলো জানাবেন সবাই। 


যাঁরা আমার গল্প নতুন পড়ছেন তাঁরা আমার এই আইডি " ভূতের গল্প লেখক আইডিতে ঢুকে গল্প পড়েন এই আইডিতে অনেক অনেক গল্প আছে। 


যাঁরা আইডিটি ফলো করেননি ফলো করে দিন। 


এই গল্পটা কেউ কপি করে কোন ইউটিউব চ্যানেলে দিবেন না কারণ আমার গল্প আমার নিজের চ্যানেল " Kalo rat 24 এ প্রচার হয়। 


পরের পর্বর জন্য অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ সবাইকে।

শেয়ালের শিক্ষা,,,,

 শেয়ালের শিক্ষা,,,,


একদিন এক চতুর শেয়ালের সঙ্গে এক বকের বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। বেশ ভালো বন্ধুত্ব। দুজনে গল্প করে, হাঁটে, মজা করে।

একদিন শেয়াল বককে বললো,

“বন্ধু, আজ আমার বাড়ি এসো না। খাওয়া দাওয়া আর আড্ডা হবে জমিয়ে।”


বক তো খুব খুশি। সেদিন সকালেই সে নিজের ঠোঁট ঝকঝকে করলো, পালক ঝাড়লো, সুন্দর করে গুছিয়ে নিজেকে তৈরি করলো নিমন্ত্রণে যাওয়ার জন্য।


শেয়ালের বাড়িতে গিয়ে বক বসে পড়লো খাওয়ার আশায়। কিছুক্ষণ পর শেয়াল একটি চ্যাপ্টা থালায় পাতলা ঝোল এনে সামনে রাখলো।

শেয়াল নিজে জিভ দিয়ে খুব মজা করে খেতে লাগলো।

কিন্তু বক,,,,? তার তো লম্বা, সরু ঠোঁট। সে কিছুই তুলতে পারল না ওই চ্যাপ্টা থালা থেকে।

অনেক চেষ্টা করেও এক ফোঁটা ঝোলও খেতে পারলো না।

হতাশ হয়ে সে খালি পেটে নিজের বাড়ি ফিরে গেলো।


কয়েকদিন পর বকও শেয়ালকে দাওয়াত দিলো।

সে বলল, “বন্ধু, এবার তুমি এসো আমার বাড়ি। আমি তোমাকে খাওয়াবো একদম মজার খাবার!”


শেয়াল তো খুব খুশি। সে ভাবলো, এবার ভালো খাওয়া হবে।

সে গেলো বকের বাড়ি, খুব আগ্রহ নিয়ে বসে পড়লো।


কিছুক্ষণ পর বক আনলো এক লম্বা গলার সরু মুখওয়ালা মাটির কুঁজো। তার মধ্যে ছিল সুস্বাদু ঝোল।

বক তার ঠোঁট ঢুকিয়ে খেতে লাগলো একদম আয়েশ করে।


কিন্তু শেয়ালের মুখ তো ঢুকেই না সেই সরু মুখের কুঁজোতে।

সে চেয়ে চেয়ে দেখলো বকের খাওয়া।

শেষমেশ খালি পেটে, মন খারাপ করে উঠে দাঁড়ালো।


তখন বক বললো,

“বন্ধু, কিছু মনে করো না। আমি তো শুধু তোমার কাছ থেকেই শিখেছি!”


শেয়ালের মুখ লাল হয়ে গেলো লজ্জায়। সে কিছু না বলে ফিরে গেলো।


শিক্ষাঃ

অন্যের সাথে যেমন ব্যবহার করবে, ঠিক সেরকম ব্যবহার একদিন তোমার দিকেও ফিরে আসবে।

তাই সব সময় অন্যের ভালো চাও, সম্মান দাও। কারণ, যেমন কর্ম, তেমনই ফল।   🥀🥀জীবন🥀🥀

অভিশপ্ত__পরী

 গল্প #অভিশপ্ত__পরী 

পর্ব __০২

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


 অভিশপ্ত পরী গল্প প্রথম পর্ব যাঁরা পড়েননি পড়ে নিবেন। আমার এই ভূতের গল্প লেখক আইডিতে আছে৷ 


এদিকে পরী আমার সাথে সাথে হাঁটতে থাকে। 

পরী আমার সাথে আসায় আমি একটু সাহস ফিরে পাই। আমি সাহস করে পরীকে বলি। 


 আপনাকে একটা কথা বলি৷ আমি বাবার কাছ থেকে শুনেছি, এই কবরস্থানে যে থাকে সে নাকি অনেক ভয়ং*কর। গ্রামের অনেকেই নাকি ওখানে থাকা পরীকে দেখে ভয় পেয়েছে, কেউবা ভয়ে অসুস্থ হয়ে মা*রা গেছে। আপনি আবার সেই পরী নন তো। 


আমার কথায় পরীটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো। 

আমাকে দেখে কি সেই পরী বলে মনে হয়। আমি যদি খারাপি হতাম তাহলে কি তোমার সাথে এভাবে কথা বলতাম তোমার ক্ষতি না করে। 


পরীর কথায় আমি বললাম সেটা ঠিক বলছেন, আপনাকে দেখে তো ওরকম মনে হচ্ছেনা। 


আমার কথায় পরী বলে, ঠিক আছে তোমার বাড়ি চলে আসছে, তুমি এখন বাড়িতে যাও। তোমার সাথে অন্য কোন দিন অন্য কোন সময় দেখা ও কথা হবে। 

আমি চলে যাচ্ছি। যাবার আগে একটা কথা বলে যাচ্ছি। আমার কথা তুমি অন্য কাউকে বলোনা কেমন৷ 


এই বলে বাতাসে মিলে গেলেন পরী।ও চলে যাওয়ায় আমি চলে গেলাম বাড়িতে। 

বাড়িতে যাবার পর মা বাবাকে ডাক দিতেই ওরা বেড়িয়ে আসলো। 


মা এসেই বললো। 

বাবা নিশাদ ' তুই আসছিস কত চিন্তা হচ্ছিলো তোর জন্য। তোর আসতে কোন সমস্যা হয়নি তো কোন ভয় টয় পাসনি তো। 


মায়ের কথার জবাবে আমি বললাম৷ না মা ভয় পাইনি তুমি কোন চিন্তা করোনা তো। 

আমার কথায় মা বললেন, চিন্তা করি কি আর সাধে। ঐ কবরস্থানের আশপাশে জায়গাটা ভালোনা। তুই ওদিক দিয়ে আসছিস, দাঁড়া বাবা আমি কাপড় চোপড় দেই গোসল করে ঘুরে ঢুকবি। তাঁর আগে ঘরে ঢুকিসনা। 


মায়ের কথায় আমি কথা বাড়ালাম না। 

আমি গোসল করে ঘরে ঢুকলাম। 

ঘরে যাওয়ার পর মা খাবার দিলেন। 


মা খাবার দেয়ায় আমি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

সে রাতে আর কোন সমস্যা হয়নি আমি আর ঐ পরীকে দেখিনি৷ 


পরেরদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙে যায় বন্ধু সাজিদের ডাকে। 

সাজিদ ডাকছে, এই নিশাদ এই উঠ 


ওর ডাকে ঘুম ভেঙে যেতে ওকে বললাম, কিরে সাজিদ কেমন আছিস।


আমি ভালো আছি। তুই কেমন আছিস৷ 

-আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। দাঁড়িয়ে আছিস কেনো বস৷


আমার কথায় সাজিদ বসে আমাকে বললেন, সরি রে কাল তুই আসছিস আমি তোকে এগিয়ে আনতে যেতে পারিনি, তোকে তো বলছিলাম খালার বাড়িতে গিয়েছিলাম কালকে, আমারো বাড়িতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেছিলো৷ নইলে তোকে এগিয়ে নিতে ঠিকি যেতাম। 


 আরে কোন সমস্যা নেই৷ আমার বাড়িতে আসতে কোন সমস্যা হয়নি। 

সাজিদ তুই একটু বস। আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। 


কথাটা বলে আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। 

ফ্রেশ হয়ে ঘরে এসে দেখলাম মা নাস্তা দিয়ে গেছে। 

মা নাস্তা দেয়ায় আমি ও সাজিদ নাস্তা শেষ করে বাহিরে গেলাম। 


বাহিরে যাবার পর সাজিদ বললো, তা নিশাদ তোর কি খবর বল। 

ঢাকা থেকে চলে আসলি আর তো ঢাকা জাবিনা। ভালোও হলো এখন আগের মত দুই বন্ধু আড্ডা দিবো৷ 


ওর কথায় আমি বললাম, কি করবো বল, মা বাবা আমাকে ছাড়া থাকতে পারেনা। মা বাবার কথা চিন্তা করে গ্রামে চলে আসলাম। এখন গ্রামে কিছু একটা করতে হবে৷  আমার কথা বাদদে তোর কি খবর সেটা বল। 


আমার কথায় সাজিদ বললো, আমার আর কি খবর তুই জানিস বর্তমান ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছি হরর গল্প নিয়ে কাজ করছি৷ আমার ইউটিউব চ্যানেল " kalo rat 24 " ওখানে জ্বীন পরীর গল্প প্রচার করছি৷


কিন্তু এখন প্লান করছি নতুন কিছু নিয়ে আসবো। 

-নতুন কিছু কি করতে চাস, খুলে বলতো। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন৷ আমি ভয়ং*কর কিছু প্লেস বা দৃশ্য মানুষদের ভিডিও করে দেখাতে চাই। আর সেই জন্য তোর সাথে কথা বলতে আসলাম। 


কিহহ বলিস এখন দৃশ্য বা জায়গা কোথায় পাবি শুনি। 

আরে আছে আছে অনেক আছে। আমার প্রথম দৃশ্য বা ভিডিও হবে আমাদের গ্রামের ঐ কবরস্থানের অভিশপ্ত পরীকে নিয়ে।।।


কিহহহ, সাজিদ তুই কি বলছিস পা*গল হলি নাকি৷ না না এটা হবেনা ঐ পরী অনেক ভয়ং*কর শুনিসনি। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন শুনেছি, শুনেছি বলেই বলছি, আমি যখন ঐ পরীর ভিডিও আমার চ্যানেলে একবার দিতে পারি তাহলেই ভাইরাল। 


ওর কথায় আমি বললাম, সাজিদ ভাইরাল হবার নেশার পা*গল হয়ে গেছিস তুই। দেখ এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল যা বাড়িতে যা। 


সাজিদ ঠিক বাড়িতে গেলাম৷ তাহলে রাতে দেখা হচ্ছে আমি রাতে এসে তোকে ডেকে নিবো কোথাও যাবিনা।


আবার - সাজিদ বাদদেনা এসব। 

সাজিদ " আজকে রাতে ভিডিও বানাই তারপর বাদ দিবো রাতে রেডি থাকিস। 


কথাটা বলে আমার কোন কথা না শুনে সাজিদ বাড়িতে গেলো।।

ও আসলে কি করতে চাচ্ছে কিছুই বুঝছিনা। 


ও চলে যাবার পর সেই দিনটা শুয়ে বসে পার করলাম। 

সেদিন রাতে কথামত সাজিদ আমার বাড়িতে এসে আমাকে ডাকতে লাগলেন।।


ওর ডাকে আমি ঘরে চুপ করে শুয়ে থেকে মা কে বললাম মা সাজিদ কে বলো আমি বাড়িতে নেই৷ 

আমার কথায় মা কিছু বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলেন। 


এদিকে সাজিদ আমাকে ডাকতে ডাকতে ঘরে এসে বললেন, কিরে কখন থেকে ডাকছি চুপ করে আছিস কেনো। 


ওর কথায় মা বললেন৷ আচ্ছা সাজিদ কোথায় যেতে ডাকছো ওকে। 

মায়ের কথায় সাজিদ বললেন একটা দাওয়াত খেতে যাবো৷ কিন্তু ও যেতেই চাচ্ছেনা। 


ওর কথায় মা বললেন, নিশাদ যা৷ ও কখন থেকে ডাকছে।। 

মায়ের কথায় আমি বললাম আরে মা ও দাওয়াত খেতে না অন্য... 


আমার কথা শেষ না হতে সাজিদ বললেন, তুই চুপ করবি নে রেডি হয়ে নে৷। 


আহহহ বুঝছি ও ছাড়বেনা। যাই আজকে যা হবার হবে। 


কথাটা বলে রেডি হয়ে ওর সাথে হাঁটতে লাগলাম। 

হাঁটতে হাঁটতে সাজিদকে বললাম কি করতে হবে বল৷ 


 আমার কথায় ও বললো। আমরা দুজনে কবরস্থান থেকে একটু দূরে গাছের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে ক্যামেরা করবো। আমি শুনেছি ঐ অভিশপ্ত পরী ওর রুপ নিয়ে এখানে আশপাশে ঘুরে বেড়ায়। 


ওর কথায় আমি বললাম এতে লাভ কি হবে। জ্বীন পরীরা কি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। 


আরে সেটা গেলেই দেখতে পাবো। চল ওখানে গিয়ে দেখি কি অবস্থা। 


ওর কথায় আমি আর কথা বাড়ালাম না দুজনে চলে গেলাম কবরস্থানে পাশে। 

গ্রামের সবাই এই জায়গাটাকে ভয়ে এড়িয়ে চলে। ভয়ে কেউ এখানে আস্তে চায়না আর আমরা ইচ্ছে করে আসছি এখানে। 


এখানে তো গতরাতে দেখা সেই পরী থাকে। আমিযে সেই পরীর সাথে কথা বলছি সাজিত তো জানেনা। 

সেখানে যাবার পর আমি মনে মনে সেই পরীকে খুঁজতে থাকি৷ 


এদিকে সাজিদ ক্যামেরাটা সেট করে বললো এখন চুপ করে বসে থাক। 

ওর কথায় চুপ করে বসে রইলাম। 

এভাবে প্রায় এক ঘন্টা বসে থাকার পর আমি বললাম। 


কিরে আর কতক্ষন বসে থাকবো। কোথায় এখানে তো কেউ নেই৷ 

আমার কথায় সাজিদ বললেন তাই তো দেখছি। 

বুঝছি এভাবে কাজ হবেনা৷ শোন ফোনটা নে। আমরা এখন দুজন দুই দিকে বের হবো কবরস্থানের চারিদিক ভিডিও করে পরে সবাইকে বলবো এটা একটা ভয়ং*কর প্লেস। 


ওর কথায় আমি বললাম ঠিক আছে দে যা করার তারাতারি কর রাত অনেক হয়ে গেছে।  


কথাটা বলে আমি একদিকে বের হলাম ও একদিকে৷ 

সাজিদের পাগলামীর জন্য এসব করতে হচ্ছে  অনেক ভয় লাগছিলো তখন। 


আমি ভয়ে ভয়ে ভিডিও করছি এমন সময় সাজিদ একটা চিৎ*কার দিলেন। 

ওর চিৎ*কারে আমি দৌড়ে ওর দিকে গিয়ে দেখলাম সাজিদ জ্ঞান হাড়িয়ে পড়ে আছে মাটিতে৷ 


সাজিদ পড়ে আছে দেখে আমি অনেক ভয় পেয়ে যাই আর সাজিদকে বলি, সাজিদ এই সাজিদ কি হইছে তোর৷ 


এমন সময় পিছন থেকে একটা আওয়াজ আসলো। 

ভয় পেওনা ওর কিছু হবেনা৷ 


আওয়াজটা শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখি পরী দাঁড়িয়ে আছে। ওকে দেখে আমি দাঁড়িয়ে বললাম। আপনি - আমার বন্ধু সাজিদ কি হইছে ওর। 


আমার কথায় পরী বললো ও আমাকে দেখে ভয় পেয়েছে৷ তুমি ভয় পেওনা ও জ্ঞান হাড়িয়েছে একটু পর জ্ঞান ফিরে আসবে। 


পরীর কথায় আমি বললাম, আসলে ও বুঝতে না পেরে এখানে ভিডিও করতে আসছে ওকে মাফ করে দিন। 


আমার কথায় পরী বললো আমি বুঝতে পারছি। ও প্রথমবার এই ভুল করছে বলে সুধু ভয় দেখিয়েছি পরেরবার যেনো এমন ভুল না করে৷ আমি এখন চলে যাচ্ছি তুমি আমার কথা ওকে বলোনা। এখন ওকে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করো ওর জ্ঞান ফিরবে। 


কথাটা বলে চলে গেলেন পরী৷ 


তারপর _______4

Next______৬

১৯৫৭ সালে, চার্লি চ্যাপলিন - সিনেমার চিরন্তন নীরব কমেডির মাস্টার - তার স্ত্রী ওনা ও'নিল এবং তাদের এগারো সন্তানের মধ্যে ছয়জনের সাথে পারিবারিক শান্তির এক বিরল মুহূর্তের মধ্যে বন্দী হন।

 ১৯৫৭ সালে, চার্লি চ্যাপলিন - সিনেমার চিরন্তন নীরব কমেডির মাস্টার - তার স্ত্রী ওনা ও'নিল এবং তাদের এগারো সন্তানের মধ্যে ছয়জনের সাথে পারিবারিক শান্তির এক বিরল মুহূর্তের মধ্যে বন্দী হন। ছবিটি এমন একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জগতের একটি কোমল আভাস দেয় যা তার আইকনিক বোলার হ্যাট, বেত এবং গোঁফের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। পর্দায় তার চরিত্রের চেয়েও বেশি সাধারণ পোশাক পরে, চ্যাপলিনকে সুইজারল্যান্ডে তাদের বাড়ির সবুজ বাগানে পরিবার দ্বারা বেষ্টিত স্বাচ্ছন্দ্য এবং গর্বিত দেখা যায়। ওনা, মার্জিত এবং শান্ত, কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছেন - তার উপস্থিতি সর্বদা স্থির, পরিবারের জন্য একটি শান্ত নোঙ্গর। ছোট থেকে কিশোর বয়স পর্যন্ত তাদের সন্তানরা, সহজ হাসি এবং কৌতুকপূর্ণ অভিব্যক্তি নিয়ে তাদের চারপাশে জড়ো হয়েছিল, নির্দোষতা এবং ঐতিহ্যের একটি সুন্দর মিশ্রণ।


১৯৫৭ সালের মধ্যে, চ্যাপলিন তার জীবন এবং কর্মজীবনের শেষ বছরগুলিতে, রেড স্কেরের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসনে বাধ্য হয়ে সুইজারল্যান্ডের কর্সিয়ার-সুর-ভেভেতে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছিলেন। বিশ্ব তাকে লিটল ট্রাম্প হিসেবে জানত, বাড়িতে তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ পিতা এবং স্বামী।  নাট্যকার ইউজিন ও'নিলের মেয়ে ওনা তার থেকে ৩৬ বছরের ছোট ছিলেন, তবুও তাদের ভালোবাসা ছিল গভীর এবং স্থায়ী। সৃজনশীলতা এবং ইতিহাসে পরিপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠা এই দুই সন্তানেরা শিল্পকলায় উৎসাহিত হয়েছিল, এবং অনেকেই অবশেষে তাদের বাবার অনুসরণ করে অভিনয় এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রবেশ করেছিল। সুইস গ্রামাঞ্চলে তাদের আদর্শ জীবন ছিল চ্যাপলিনের নাম ঘিরে একসময় যে রাজনৈতিক ঝড় বয়ে গিয়েছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত।


এই পারিবারিক প্রতিকৃতি জনসাধারণের নজরদারি এবং সিনেমার প্রতিভা দ্বারা সংজ্ঞায়িত জীবনের একটি শান্তিপূর্ণ কোডা হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। এটি একজন ভিন্ন চার্লি চ্যাপলিনকে প্রকাশ করে - একজন সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে নয়, বরং একজন বাবা, একজন স্বামী এবং একজন পুরুষ হিসেবে যারা একটি সুন্দর জীবনের ফল উপভোগ করছেন। ছবিটি কেবল একটি ছবি নয়, বরং একটি অনুগ্রহের মুহূর্ত: এটি মনে করিয়ে দেয় যে কিংবদন্তিরাও শেষ পর্যন্ত মানুষ, মঞ্চ বা পর্দা থেকে নয়, বরং উষ্ণ, খোলা আকাশের নীচে তাদের নিজস্ব সন্তানদের সান্নিধ্য থেকে হাসিতে আনন্দ খুঁজে পান। 


In 1957, Charlie Chaplin—cinema’s timeless master of silent comedy—was captured in a rare moment of domestic calm with his wife Oona O’Neill and six of their eleven children. The photograph offers a tender glimpse into the private world of a man best known for his iconic bowler hat, cane, and mustache. Dressed more casually than his on-screen persona, Chaplin appears relaxed and proud, surrounded by family in the lush garden of their home in Switzerland. Oona, graceful and serene, stands close by—her presence always steady, a quiet anchor for the family. Their children, ranging in age from toddlers to teens, cluster around them with easy smiles and playful expressions, a beautiful mix of innocence and legacy.

By 1957, Chaplin was in the later years of his life and career, having been forced into exile from the United States during the Red Scare and settling permanently in Corsier-sur-Vevey, Switzerland. While the world knew him as the Little Tramp, at home he was a devoted father and husband. Oona, the daughter of playwright Eugene O’Neill, was 36 years his junior, yet theirs was a profound and enduring love. The children, growing up in a household full of creativity and history, were encouraged in the arts, with several eventually following their father into acting and filmmaking. Their idyllic life in the Swiss countryside was a stark contrast to the political storms that had once swirled around Chaplin’s name.

This family portrait stands as a peaceful coda to a life defined by public scrutiny and cinematic brilliance. It reveals a different Charlie Chaplin—not as a cultural icon, but as a father, a husband, and a man enjoying the fruits of a life well-lived. The image is not just a photograph, but a moment of grace: a reminder that even legends, in the end, are human too, finding joy in laughter not from a stage or screen, but from the company of their own children beneath a warm, open sky. See less#lifestyle #comedy #comedia

নিজের ভয়েসেই বানান অডিওবুক, ভয়েসওভার বা ভিডিও ন্যারেশন—এই ৫টি ফ্রি AI ভয়েস টুল দিয়ে!

 নিজের ভয়েসেই বানান অডিওবুক, ভয়েসওভার বা ভিডিও ন্যারেশন—এই ৫টি ফ্রি AI ভয়েস টুল দিয়ে!

🎙️___________

আপনি কি ইউটিউব ভিডিও বানান? অডিওবুক তৈরি করতে চান? কিংবা নিজের ভয়েসে ভিডিও ন্যারেশন করতে চান কিন্তু ভয়েস ভালো নয় বা রেকর্ডিং সেটআপ নেই? চিন্তা নেই! AI ভয়েস টুল দিয়ে আপনি নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন প্রফেশনাল কোয়ালিটির ভয়েসওভার—আপনার স্ক্রিপ্ট থেকে!


১) ElevenLabs.io – মানুষের মতোই স্বাভাবিক ও এক্সপ্রেশনভরা ভয়েস তৈরি করে। বাংলা ও ইংরেজি দুটোই সাপোর্ট করে।


২) TTSMaker.com – কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই অনলাইনে টেক্সট-টু-স্পিচ সাপোর্ট। বিভিন্ন ভয়েস অপশন।


৩) Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার, বিজ্ঞাপন, ভিডিও বা প্রেজেন্টেশনের জন্য অসাধারণ টুল।


৪) Play.ht – AI ভয়েস দিয়ে খুব দ্রুত অডিওবুক বা আর্টিকেল কনভার্ট করা যায়। রেঞ্জ ও গুণগত মান দুর্দান্ত।


৫) VoiceMaker.in – সহজ ইন্টারফেস, বহু ভয়েস অপশন এবং ইমোশন অ্যাড করার সুবিধা।


এইসব টুল দিয়ে আপনি ইউটিউব ভিডিও, প্রমোশনাল ভয়েসওভার, শিক্ষা কনটেন্ট বা নিজের অডিওবুক নিজেই বানাতে পারবেন কোনো রেকর্ডিং সেটআপ ছাড়া!


#AIভয়েসটুল #FreeVoiceoverTool #BanglaVoiceAI #TextToSpeechBangla #YouTubeNarration #VoiceGeneratorBD #DigitalMarketingBangla #VoiceToolsFree #বাংলায়ভয়েসওভার #TechTipsBangla #batayontv #বাতায়নটিভি

গল্প - অদ্ভুত যুবক,,,, ভুতের বাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #গল্প - অদ্ভুত যুবক


#লেখক - Mohammad ovi 


তখন আমরা ময়মনসিংহের ত্রিশালে থাকি। আমি তখনখুব ছোট। যেইদিনের ঘটনাসেদিন আমার আম্মু রান্না ঘরে মাছ ভাঁজছিলেন। এমন সময় খাকি প্যান্ট আর গেঞ্জিপড়া এক যুবক আসলো আমাদের কোয়ার্টারের বারান্দায়। আব্বু বাসায় ছিলেন।তিনি ভাবলেন হয়তো সাহায্য চাওয়ার জন্য এসেছে, কারন যুবকটি কোনো কথা বলছিল না। তখন আব্বু একটি ২ টাকার নোট বের করে ছেলেটিকে দিতে চাইলেন। কিন্তু সে তা নিলো না। তখন আব্বু আম্মুকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “ছেলেটা তো টাকা নিচ্ছে না।” তখন আম্মু বললেন ৫ টাকা দেয়ার জন্য। তখন আব্বু ৫ টাকা বের করে বারান্দায় এলেন ছেলেটিকে দেয়ার জন্য। আম্মুও বেরিয়ে এলেন এই অদ্ভুত যুবকটিকে দেখার জন্য। কিন্তু এবারো সেই যুবক টাকা গ্রহন করলো না। বরং ইশারায় আব্বুকে বললেন টাকাটা তিনি যেনোআম্মুর হাতে দেন। আব্বুআম্মুর হাতে টাকাটা দিলেন। ছেলেটি এবার ইশারায় আম্মুকে বললেন তার টাকা ধরা হাতটি মুঠো করার জন্য। এই পর্যন্ত ছেলেটি একটি কথাও বলেনি। আম্মু কৌতূহল বশত হাতটি মুঠো করলেন। এবার সে দুই হাত মুঠো করে একটার পিছনে আরেকটি ঘসে দিল এবং আম্মুকে তাই করতে বলল। আম্মু মন্ত্রমুগ্ধের মত তাই করলেন। এবার ছেলেটি আম্মুকে ইশারা করলো যাতে আম্মু নিজের হাতের গন্ধ শুঁকেন। আম্মু হাত নাকের কাছে নিয়ে খুব আশ্চর্য হয়েগেলেন। উনার হাত দিয়ে আগর বাতির গন্ধ বের হচ্ছিল। কিন্তু তিনি একটু আগে যখন রান্না ঘর থেকে বের হন তখনো তার হাতে হলুদের গন্ধ ছিল। গন্ধ শোঁকার সাথে সাথে লোকটি চলে গেলো। আম্মু তাকে দাঁড়াতে বললেন। কিন্তু সে দাঁড়ালো না।আম্মু তড়িঘড়ি করে গেটের বাইরে গেলেন কিন্তু আসে পাশে কোথাও সেই লোকটিকে দেখতে পেলেন না। আমাদের কোয়ার্টারের সামনে বিশাল খোলা মাঠ ছিল। তাই কেউ যদি খুব দ্রুত হেঁটেও চলে যায় তবুও তাকে দেখা যাবে সে যত দূরেই থাকুক। এমন সময় এক রিকশাওয়ালা আম্মুর সামনে এসে থামল এবং তাকে ঐ লোকটির কথা জিজ্ঞেস করলো। আম্মু রিকশাওয়ালাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন যে সে ঐ লোকটিকে চেনে কিনা। রিকশাওয়ালা জানালো যে লোকটি তার রিকশাতে করেইএসেছিলো। টাকা চাইতে, কিছু ময়লা কাগজ একত্রেকরে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপর তাকে দাঁড়াতে বলে এইদিকে আসে। রিকশাওয়ালা তাই টাকার জন্য লোকটিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।


(সমাপ্ত)

জীবন_চক্র,,,,,, palash bro ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন পুরুষকে প্রতিদিন অসংখ্য 'অনিশ্চিত অবস্থা'র মোকাবিলা করতে হয়। দিনে অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।


বাসা থেকে বের হবার পর রিক্সার অপেক্ষা। না পেলে হাঁটতে হয়। রিক্সা পেলে ভাড়া নিয়ে কিছুক্ষণ ক্যাঁচাল করা লাগে। বাসে গেলে সিট পাবো নাকি পাবো না এই নিয়ে শঙ্কা। ভাড়া নিয়ে হেল্পারের সাথে তর্কাতর্কি। অনেক যাত্রী উঠানোর জন্য একটু পরপর ব্রেক করলে চিল্লাতে হয়।


অফিসে গেলে একটার পর একটা কাজ। কোনো কাজ কাউকে বুঝিয়ে দিতে হয়, কোনো কাজ নিজে করতে হয়। কাজ ঠিকমতো না হলে ফেরত পাঠাতে হয়, নিজের কাজ ভালো না হলে ঝাড়ি খেতে হয়।


যারা ব্যবসায়ী, তাদের তো প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ঐ জিনিসের দাম বাড়বে? আগে থেকে কিনে রাখতে হবে? কাস্টমার বাকিতে চাচ্ছে, দিয়ে দেবো? ১৭২২ টাকা হয়েছে, ১৭০০ টাকা দিতে চাচ্ছে? কী বলবো? ডিলার আসছে, টাকা দিতে হবে। ক্যাশে তো এতো টাকা নেই।


চাকরি, ব্যবসা শেষে বাজারে যেতে হয়। মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। মাছের বাজারেও বেহাল দশা। কী মাছ নেবো? বড়ো মাছ নাকি পুঁটি মাছ? আজ না কিনে কাল সকালে কিনলে হবে না?


একজন পুরুষ ঘর থেকে দরজার বাইরে পা দেবার সাথে সাথে প্রতিমুহূর্তে তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এইটা করবো নাকি ঐটা? এখন করবো নাকি পরে? প্রতিদিন অসংখ্য অনিশ্চিত ঘটনা থাকে।


রিক্সা পেতেও পারি, না-ও পারি

পাওনা টাকা ফেরত পেতেও পারি, না-ও পারি

মাছ কিনতে গেলে পছন্দ হতেও পারে, না-ও পারে

রাস্তায় একজনের সাথে ধাক্কা লাগছে, তার সাথে ঝগড়া করতেও পারি, না-ও পারি

একজন পুরুষ হিশেবে চিন্তা করুন, প্রতিনিয়ত আপনার ব্রেইনকে কতো শতো কমান্ড দিতে হচ্ছে। আপনি ঠান্ডা মস্তিষ্কের লোক। কিন্তু, আরেকজন এসে এমন কথা বললো, মেজাজটাই খারাপ করে দিলো।


একজন পুরুষকে অনেক বেশি এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর ডিল করতে হয়। সে জানে না আজকে বসের মন ভালো নাকি খারাপ, রিক্সাওয়ালা/বাসের কন্ডাক্টার তার মেজাজ খারাপ করবে নাকি না।


দিনে ১০-১২ ঘণ্টা বাইরের এতোগুলো মানুষের সাথে কথাবার্তা বলে, এতোকিছু সামলে যখন সে ঘরে ফিরে, তখন কী আশা করে?


ঘরে গিয়ে অন্তত কিছুক্ষণ শান্তি পাবো। এইসময় অনিশ্চয়তা নেই।


বেশিরভাগ নারী এই জায়গায় পুরুষকে বুঝতে ভুল করে।

একজন পুরুষ পরিশ্রান্ত শরীর নিয়ে যখন বাসায় ফিরে, সে প্রত্যাশা করে তাকে কেউ স্বাগত জানাক।


এক গ্লাস শরবত, এক গ্লাস পানি সে নিজেই খেতে পারবে। কিন্তু, কেউ যদি তাকে এগিয়ে দেয়?


স্বামী বাসায় আসার পর কেন জানি নারীরা সংসারের কাজ নিয়ে অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তারা তখন তরকারি কাটা শুরু করে, রান্না বসায়, বাসাটা আরেকবার ঝাড়ু দেয়৷ বাজার ব্যাগ হাতে নিয়ে লিস্টের সাথে মিলিয়ে দেখে কী বাদ পড়েছে।


সারাদিন কাজ শেষে বাসায় ফেরা স্বামীকে প্রথম ১৫ মিনিট সময় দেয়া আমি মনে করি একজন স্ত্রীর ঐ সময়ের অন্যতম দায়িত্ব।


আপনি সারাদিন বাসায় অনেক কাজ করছেন। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হয়। কিন্তু, স্বামী ঘরে ঢুকার পর দৌড় দিয়ে রান্নাঘরে যাওয়াটা এই সময় ঠিক না।


পানি দেয়া, বলার আগেই লুঙ্গি/ট্রাউজার, টি-শার্ট দেয়া, কিছু খেয়ে আসছে নাকি খাবে জিজ্ঞেস করা, গোসল করতে চাইলে পানি গরম লাগবে কিনা (যাদের লাগে) জিজ্ঞেস করা -এগুলো একজন স্ত্রী যদি ঠিকমতো করতে পারে, পুরুষ এই ওয়েলকামেই সন্তুষ্ট।


তার মেজাজটা ঠান্ডা হলো। বাসাকে শান্তির জায়গা মনে হলো।


সারাদিন বাইরে কাজ করা একজন পুরুষ বাসায় আসার পর তাকে অন্তত ১ ঘণ্টা নিজের মতো থাকতে দিন। ময়লা ফেলতে হবে, বাজার লিস্টের দুই আইটেম বাদ পড়েছে, আগামীকাল বাসা ভাড়া দিতে হবে এগুলো ঐ ১ ঘণ্টা মনে করিয়ে দেবার কোনো দরকার নেই।


একজন নারী ঐ ১ ঘণ্টায় জানে না সারাদিন তার স্বামীর ওপর কী পরিমাণ ধকল গেছে, তার মুড কেমন আছে। আস্তে আস্তে স্বামী এগুলো বলবে আজ এই এই হয়েছে।


স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আমি কখনোই প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক মনে করি না। একজন কতো কাজ করলো, আরেকজন কম করলো এগুলো বিবেচ্য না। বরং একজন আরেকজনকে কীভাবে সম্মান করবে, কীভাবে তাকে মূল্যায়ন করবে এটা গুরুত্বপূর্ণ।

একজন গৃহিণী স্ত্রীকে যেমন সম্মান দিতে হবে, তার কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে, তেমনি নারীকেও অবশ্যই স্বামীর কাজের মূল্যায়ন দিতে হবে।

লেখাগুলো বাস্তব বাদি, কেউ মনে কষ্ট নিবেন না প্লিজ।


ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন,

সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রাখুন।

#জীবন_চক্র

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...