এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫

কেয়ামতের বড় আলামতের একটি হলো পৃথিবীতে ইয়াজুজ মাজুজের আগমন। 

 একদিন মহানবী (সাঃ) হাসিমুখে বসে ছিলেন। হঠাৎ তিনি গম্ভীর হয়ে গেলেন এবং হাতের দুটি আঙ্গুল দিয়ে একটা রিং বানিয়ে বললেন- ইয়াজুজ মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ একটা গর্ত তৈরী হয়েছে। হয়ত এটার মানে এরকম যে, তাদের আসার দিন ঘনিয়ে এসেছে। ১৪০০ বছর আগেই যদি এই অবস্থা হয়, এখন তাহলে কি অবস্থা ?


কেয়ামতের বড় আলামতের একটি হলো পৃথিবীতে ইয়াজুজ মাজুজের আগমন। 


এখন প্রশ্ন আসে এই ইয়াজুজ মাজুজ কারা ও তারা কখন পৃথিবীতে আসবে? ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায় এখন কোথায় আছে? তাদের ধ্বংস হবে কিভাবে?


ইয়াজুজ মাজুজ হলো আদম (আঃ) এর বংশধর। তারা কিয়ামতের আগে ঈসা (আঃ) এর সময় পৃথিবীতে আগমন করবে। 


তারা লুকায়িত আছে একটা লোহার প্রাচীরের মধ্যে। কিন্তু কিভাবে তারা এই প্রাচীরের মধ্যে আটকা পড়লো?


তাদের কে আটকে রেখেছিল যুল কারনাইন এবং কিয়ামতের আগে আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় তারা মুক্তি পাবে।


যুল কারনাইন ছিলেন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ কঠোর রাজা। তিনি ঘোড়ায় চড়ে পৃথিবী ঘুরে বেড়াতেন এবং যেখানেই অন্যায় দেখতেন তার বিচার করতেন এবং মানুষকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসতেন।


আল্লাহ যেভাবে যে আইন দিয়েছিলেন তার সময়ে, তিনি কঠোরভাবে তা প্রণয়ন করতেন। 


তার নিয়ম ছিল এইটা- “যে ভাল কাজ করবে, আমি তাকে বিশাল পুরস্কার দিব। যে খারাপ কাজ করবে, দূর্নীতি করবে, আমি তাকে শাস্তি দিব। আমি তো দিবই এই পৃথিবীতে, আর শেষ বিচারের জন্য আল্লাহ তো আছেনই। তিনি ছিলেন ভালোর ভালো, মন্দের যম!"


এভাবে তিনি ঘুরতে ঘুরতে দু’পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌছালেন এবং সেখানে তিনি এমন এক জাতির সন্ধান পেলেন যারা তাঁর ভাষা ভালভাবে বুঝতে পারছিলেন না। অতঃপর তিনি খুব দ্রুত তাদের ভাষা রপ্ত করলেন।


তারা বললেন, "হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন। ” 


যুল-কারনাইন উত্তর দিলেন- ”তোমাদের টাকার আমার কোন দরকার নাই, আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তা যেকোন সম্পদের চেয়ে উত্তম। আমি তোমাদের সাহায্য করব। যদি তোমরা তোমাদের জনবল দিয়ে আমাকে সাহায্য কর, আমি তোমাদের ও তাদের মাঝে একটা নিশ্ছিদ্র প্রাচীর তৈরী করে দিব।" 


[ সূরা কাহাফ ]


আমাকে লোহা এনে দাও !! হাজার হাজার টন লোহা আনা হল। তিনি দুই পাহাড়ের মধ্যে সেই লোহা রাখলেন। লোহা দিয়ে প্রথমে একটা ফাপা দেয়াল বানালেন, দুটি পর্বতের মধ্যে লোহার দেয়াল, তাতে এমন আগুন দেওয়া হল যে লোহা গলে গেল।


অতঃপর গলিত তামা কে তিনি ঢেলে দিলেন গলিত লোহার সাথে। তৈরী হল রদ’মা। নিশ্ছিদ্র এক নিরাপত্তা বেষ্টনী। পৃথিবীর বুক থেকে হাজার হাজার বছর ধরে একটি পাশবিক জাতিকে সরিয়ে রাখার জন্যে।


এভাবে পৃথিবীর বুকে এখন তারা একটি রহস্য হয়ে রয়ে আছে। অনেক নাস্তিকেরা মানতে নারাজ বিস্ময়ের এই যুগে যখন মানুষ অতল সমুদ্রে চলে গেছে তখন এমন জায়গা থাকা কি করে সম্ভব যা মানুষের অজানা। ইয়াজুজ মাজুজ এমন কোন প্রাচীরের লুকায়িত থাকলে অবশ্যই তা এতোদিনে বিজ্ঞানিরা বের করে ফেলার কথা। (না'যুবিল্লাহ)


কিন্তু যেই সৃষ্টি কর্তা এই বিশ্ব মন্ডল তৈরী করেছেন, তার পক্ষে কি এটা খুব কঠিন কাজ যে তিনি কিছু লুকিয়ে রাখতে পারবেন না? নিশ্চয় না।


পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে, “এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।” 


[ সূরা কাহাফ ]


অর্থাৎ ঐ প্রাচীর ভেঙ্গে তারা একদিন বেরিয়ে আসবে।


কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো এতো পোক্ত প্রাচীর ভেদ করে তারা কিভাবে বের হয়ে আসবেন?


আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, প্রাচীরের বর্ণনা দিতে গিয়ে নবী করীম (সাঃ) বলেন, অতঃপর প্রতিদিন তারা প্রাচীর ছেদন কার্যে লিপ্ত হয়। ছিদ্র করতে করতে যখন পুরোটা উন্মোচনের উপক্রম হয়, তখনই তাদের একজন বলে, আজ তো অনেক করলাম, চল! বাকীটা আগামীকাল করব! পরদিন আল্লাহ্‌ পাক সেই প্রাচীরকে পূর্বের থেকেও শক্ত ও মজবুত রূপে পূর্ণ করে দেন। ফলে তারা আর বেরিয়ে আসতে পারে না। 


অতঃপর যখন সেই কাক্ষিত সময় আসবে এবং আল্লাহ্‌ পাক তাদেরকে বের হওয়ার অনুমতি দেবেন, তখন তাদের মধ্যে একজন বলে উঠবে, আজ চল! বাকিটা ইন শা আল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ্‌ যদি চাহেন তো আগামীকাল পূর্ণ খোদাই করে ফেলব! এবং পরদিন এসে দেখবে প্রাচীর আগের অবস্থায় আছে ফলে তারা পূর্ণ খোদাই করে, প্রাচীর ভেঙে বেরিয়ে আসবেন।


[ তিরমিযী, মুসনাদে আহমদ, মুস্তাদরাকে হাকিম ]


ইয়াজুজ মাজুজ বের হয়ে আসার পর কি ঘটবে?


সেদিন তারা ফিলিস্তিনে এসে Tiberias Lake থেকে পানি খাওয়া শুরু করবে। সামনে যেখানে পানি পাবে খাওয়া শুরু করবে। এমনকি তাদের প্রথম দলটি নদীর পানি খেয়ে শেষ করে ফেলবে এবং শেষদলটি এসে দেখবে কোন পানি নেই এবং তারা বলবে ‘হয়ত এখানে কোন একসময় নদী ছিল এবং তাতে পানি ছিল’।


তারা পৃথিবীর সবকিছু খেয়ে ফেলবে। খাবারের এমন অভাব হবে যে এক টুকরা মাংস মানুষের কাছে এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা থেকে বেশি দামি মনে হবে।


এদের মূল অস্ত্র হচ্ছে নিজেদের মধ্যে একতা। বর্তমান দুনিয়ার ব্যাপারে এদের বিন্দুমাত্র কোন ধারনা নেই। 


এরা সংখ্যায় হবে অগনিত। হত্যা, ডাকাতি, দুর্নীতি, অরাজকতা, অন্যায়, ধর্ষন যা ইচ্ছা তাই করবে। এদের মূল লক্ষ্য একটাই, তা হল পৃথিবীকে দখল করে নেওয়া।


মাত্র দুইবার পৃথিবীতে স্রোতের মতন মানুষ বের হবে। একবার বের হবে যখন ইয়াজুজ মাজুজ ছাড়া পাবে, আর একদিন বের হবে যেদিন ইসরাফীল (আঃ) তার শিঙ্গায় দ্বিতীয় ফূ দিবেন। 


তারা মানুষ মারবে। তাদের সাথে কেউ লড়াই করতে পারবে না। এক সময় তারা বায়তুল মুক্বাদ্দাসের এক পাহাড়ে গিয়ে বলবে,”দুনিয়াতে যারা ছিল তাদের শেষ করেছি। এখন আকাশে যারা আছে তাদের হত্যা করব।” তারা আকাশের দিকে তীর নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ তাদের তীরে রক্ত মাখিয়ে ফেরত পাঠাবেন।


আর তখন ওরা ভাববে, যে সত্যিই তারা আকাশের সবাইকে মেরে ফেলেছে। এই সব দেখে যারা দুর্বল বা নড়বড়ে ঈমানের মানুষ তাদের ঈমান থাকবে না। তারা ইয়াজুজ মাজুজকে খোদা মেনে নিবে। (না'যুবিল্লাহ)


একই সময় ঈসা (আঃ) ও দুনিয়াতে থাকবেন এবং তিনি তাদের থেকে রক্ষার জন্যে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন। তারপর আল্লাহর নির্দেশে ঈমানদার লোকদের নিয়ে ঈসা (আঃ) জেরুজালেম এ লুকাবেন। 


অতঃপর আল্লাহ এক প্রকার কীট পাঠাবেন যেগুলো ইয়াজুজ মাজুজ দের আক্রমন করবে। এক রকম মহামারী শুরু হবে। সব ইয়াজুজ মাজুজ মারা যাবে। পুরা পৃথিবী ভরে যাবে পচা গলা দেহ দিয়ে। ঈসা (আঃ) আবার দু’আ করবেন। আল্লাহ এবার পাখি পাঠাবেন। বিশাল বড় বড় পাখি। তারা দেহগুলো নিয়ে নাহবাল নামক স্থানে পানিতে ফেলে দেবে। আল্লাহ এইবার বৃষ্টি পাঠাবেন। বৃষ্টি দিয়ে ধুয়ে দিবেন পৃথিবী।


মুসলিমরা তাদের তীর ও ধনুকগুলো ৭ বছর জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করবে।


[ বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ]


আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ইয়াজুজ মাজুজ সহ সকল ফিতনা থেকে ঈমান রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। [ আল্লাহুম্মা আমীন ]

হাতে তৈরি জুয়েলারি বানানোর সম্পূর্ণ গাইড: শুরু থেকে আয় পর্যন্ত!**  

 # **📿 হাতে তৈরি জুয়েলারি বানানোর সম্পূর্ণ গাইড: শুরু থেকে আয় পর্যন্ত!**  


হাতে তৈরি গয়না শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয়, এটি একটি লাভজনক শিল্পও হতে পারে! আপনি যদি **জুয়েলারি মেকিং** শুরু করতে চান বা ইতিমধ্যে করছেন কিন্তু আরও উন্নত করতে চান, এই গাইডটি আপনার জন্য।  


## **🎨 ১. জুয়েলারি মেকিং শুরু করার আগে যা জানা জরুরি**  


### **কেন হ্যান্ডমেড জুয়েলারি?**  

- **ইউনিক ডিজাইন:** আপনার নিজস্ব স্টাইল ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।  

- **কম বিনিয়োগে শুরু করা যায়।**  

- **অনলাইন/অফলাইন মার্কেটে চাহিদা বেশি।**  


### **কী ধরনের জুয়েলারি বানাবেন?**  

- **বিডস জুয়েলারি** (মাটির, ক্রিস্টাল, গ্লাস, মার্বেল বিডস)  

- **ওয়্যার র্যাপিং** (প্রাকৃতিক পাথর দিয়ে)  

- ** ক্লে জুয়েলারি**  

- **ম্যাক্রামে বা থ্রেড জুয়েলারি**  

- **মেটাল জুয়েলারি**  


---  


## **🛠️ ২. জুয়েলারি মেকিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় টুলস ও ম্যাটেরিয়াল**  


### **বেসিক টুলস:**  

✔ **প্লায়ারস** (রাউন্ড নোজ, ফ্ল্যাট নোজ, কাটিং প্লায়ার)  

✔ **জুয়েলারি আঠা** (B6000 , fabric glur )  

✔ **নাইলন থ্রেড/জুয়েলারি ওয়্যার** 

✔ **স্কেল/মাপার ফিতা**  

✔ **কাঁচি ও কাটিং বোর্ড**  


### **ম্যাটেরিয়ালস:**  

- **বিডস** (কাচ, মেটালিক, উডেন, সেমি-প্রিসিয়াস স্টোন)  

- **চেইন & ফাস্টেনার্স** (লবস্টার ক্ল্যাপ, হুক, ইয়ারিং পোস্ট)  

- **পাথর & চার্মস** (কোয়ার্টজ, অ্যামেথিস্ট, মুক্তা)  

- **ক্লে বা রেসিন** (যদি মোল্ডেড জুয়েলারি বানান)  


**💰 বাজেট টিপস:**  

- প্রথমে সস্তা ম্যাটেরিয়াল দিয়ে প্র্যাকটিস করুন।  

- ঢাকার নিউ মার্কেট বা অনলাইনে (Magic Crafts Bd) থেকে কিনুন।  


---  


## **✂️ ৩. ধাপে ধাপে জুয়েলারি বানানোর পদ্ধতি**  


### **সাধারণ বিডস নেকলেস বানানোর স্টেপস:**  

1. **ডিজাইন ঠিক করুন** – স্কেচ করুন বা Pinterest , Instagram থেকে আইডিয়া নিন।  

2. **থ্রেড কাটুন** – গলার সাইজ + ২ ইঞ্চি অতিরিক্ত রাখুন।  

3. **নিডল বা থ্রেডে বিডস গাঁথুন** – প্যাটার্ন মেনে চলুন।  

4. **ক্ল্যাপ বা হুক লাগান** – প্লায়ার দিয়ে সুরক্ষিত করুন।  

5. **এক্সট্রা থ্রেড কেটে ফেলুন** – আঠা দিয়ে শক্ত করুন।  


## **💡 ৪. ক্রিয়েটিভ ডিজাইন আইডিয়াস**  

- **থিম বেসড** (সী-শেল, ফ্লোরাল, জ্যামিতিক)  

- **মিনিমালিস্ট** (সিম্পল, হালকা গয়না)  

- **বোহো-স্টাইল** (ম্যাক্রামে, ফ্রিঞ্জ, লেয়ার্ড)  

- **কাস্টমাইজড** (নাম বা ইনিশিয়াল যুক্ত করা)  


**🎨 রঙের কম্বিনেশন:**  

- **মনোহারী:** নীল + সিলভার  

- **ট্রাডিশনাল:** লাল + সোনালি  

- **মডার্ন:** ব্ল্যাক + গোল্ড  


---  


## **📸 ৫. ফটোগ্রাফি ও মার্কেটিং টিপস**  


### **কিভাবে ভালো ছবি তুলবেন?**  

✔ **প্রাকৃতিক আলো** ব্যবহার করুন (সকালের আলো ভালো)।  

✔ **সাদা বা নিউট্রাল ব্যাকগ্রাউন্ড** রাখুন।  

✔ **ক্লোজ-আপ & ডিটেইল শট** নিন।  


### **সোশ্যাল মিডিয়ায় কিভাবে বিক্রি করবেন?**  

- **ফেসবুক পেজ/ইনস্টাগ্রাম** খুলুন।  

- **স্টোরি & রিলস** বানান (মেকিং ভিডিও ভালো কাজ করে)।  

- **হ্যাশট্যাগ** ব্যবহার করুন (#হ্যান্ডমেডজুয়েলারি #ক্রাফটিংবাংলাদেশ)।  

- **কাস্টমার রিভিউ** শেয়ার করুন।  


---  


## **🚀 ৬. জুয়েলারি বিজনেস থেকে আয়**  


### **কোথায় বিক্রি করবেন?**  

- **ফেসবুক মার্কেটপ্লেস**  ফেসবুক পেইজ

- **Daraz, বা নিজস্ব ওয়েবসাইট**  

- **লোকাল ক্রাফট ফেয়ার/বুটিক শপ**  


### **প্রাইসিং স্ট্র্যাটেজি:**  

- **কস্ট x ৩** = বিক্রয় মূল্য (উদা: খরচ ১০০ টাকা → বিক্রি ৩০০ টাকা)।  

- **ডিসকাউন্ট অফার** করুন (ব্যান্ডেল ডিল, ফেস্টিভ্যাল সেল)।  


---  


## **🎉 শেষ কথাঃ আপনার শিল্পকে বিশ্ব দেখুক!**  

জুয়েলারি মেকিং ধৈর্য্য ও ক্রিয়েটিভিটির কাজ। প্রতিদিন কিছু না কিছু বানান, নতুন টেকনিক শিখুন। আপনার তৈরি গয়না শেয়ার করতে **কমেন্টে ছবি দিন!** 📸  


**#হ্যান্ডমেডজুয়েলারি #জুয়েলারি_টিপস #ক্রাফটিং #সাইড_আয়** 

 Page 

https://www.facebook.com/MagicCraftbd

বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ।

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।


তিনদিনের মাথায় তার পানি ফুরিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদ, পানির অভাব আর একাকীত্বের ভারে সে প্রায় মৃত্যুর মুখে। ঠিক তখনই মনে পড়ে — পাইলট হওয়ার আগে সে ছিল একজন শিল্পী। পকেটে ছিল একটি পেন্সিল আর ভাঙা একটা চশমা। মরুভূমির বালুর ওপর সে আঁকতে শুরু করে — তার পরিবার, শহর, রাস্তা আর টলমলে পানি!


জানি সে বাঁচবে না, তবু শেষ মুহূর্তগুলোতে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। অবাক করা বিষয়, ছবি আঁকতে আঁকতে তার তৃষ্ণা কিছুটা কমে যায়, মন শান্ত হয়ে আসে। সে ভাবল, "আমি এখনো বেঁচে আছি। স্বপ্ন দেখতে পারি মানে এখনো হার মানিনি।"


অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা দেখে — কঙ্কালসার দেহ, ফেটে যাওয়া ঠোঁট, ক্লান্ত চোখ — কিন্তু সেই পাইলট তখনো বালিতে ছবি আঁকছে, যেন কোনো মন্ত্রমুগ্ধ শিল্পী!


উদ্ধারের পরে পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস হারাইনি। আমার ভাঙা চশমা আর এক টুকরো পেন্সিলও আমাকে মরুভূমিতে বাঁচিয়ে রেখেছিল।"


শিক্ষা: জীবন অনেক কিছু কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিশ্বাস কেড়ে নিতে পারে না। যদি আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের মাত্র ১২ বছর বয়সী রেবেকা ইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে। তিনি এমন একটি সোলার-পাওয়ার্ড হিটেড কম্বলের নকশা করেছেন যা গৃহহীন মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজে আসবে।

 স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের মাত্র ১২ বছর বয়সী রেবেকা ইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে। তিনি এমন একটি সোলার-পাওয়ার্ড হিটেড কম্বলের নকশা করেছেন যা গৃহহীন মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজে আসবে। কেলভিনসাইড অ্যাকাডেমির ছাত্রী রেবেকা, যুক্তরাজ্যের প্রাইমারি ইঞ্জিনিয়ার প্রতিযোগিতায় ৭০,০০০ এরও বেশি প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ম্যাকরবার্ট কমেন্ডেশন মেডেল জিতেছেন। তার বিজয়ী নকশাটি একটি নতুন ধরনের কম্বল, যা ব্যবহারকারীরা সহজে সেটাকে পিঠে ঝুলিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। যখন দরকার হবে, তখন ব্যাকপ্যাক থেকে কম্বল বের করে শরীরে জড়িয়ে নিতে পারবে আর সৌর প্যানেল থেকে পাওয়া শক্তিতে সেই কম্বল গরম হবে। রেবেকা নিজের শহরের রাস্তায় গৃহহীন মানুষদের দেখেই তিনি এই চিন্তা মাথায় আনেন।


প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান থ্যালেসের সহায়তায় রেবেকার আইডিয়া বাস্তবে রূপ পায়। প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়, যেখানে গরমের জন্য কপার ওয়্যারিং, সহজে বহনযোগ্য করার জন্য নমনীয় উপকরণ এবং শক্তির জন্য সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি শুধু তার সহানুভূতিশীল সমস্যার সমাধানের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরেনি, বরং STEM (Science, Technology, Engineering, Mathematics) বিষয়ে তার ভবিষ্যতের স্বপ্নকেও আলোকিত করেছে। স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার এই আবিষ্কারকে দেখানো হয়েছে, যা সমবয়সী ও পেশাদার উভয়কেই অনুপ্রাণিত করেছে। উদ্ভাবনের প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহের মধ্যে সমন্বয় করে রেবেকা প্রমাণ করেছে, সহানুভূতি আর সৃষ্টিশীলতা মিলেই যে কোনো বয়সে বাস্তব সমস্যার সমাধান আনা সম্ভব।

#collected

সারা বছর প্লাস্টিক বোতলে পুদিনা পাতার চাষ করুন!

 সারা বছর প্লাস্টিক বোতলে পুদিনা পাতার চাষ করুন!

একেবারে সহজ আর জমজমাট আইডিয়া!


আপনার যা লাগবে:


২টি বড় প্লাস্টিক বোতল (৫ লিটার সাইজের)


কিছু মজবুত পুদিনা ডাঁটা


জৈব সার মিশ্রিত মাটি


চাকু বা কাটার


কীভাবে করবেন:


১. বোতল কাটিং:

বোতলের নিচ থেকে ৩-৪ ইঞ্চি কেটে ফেলুন। আরেক বোতলের মাথার দিকটা কেটে ফেলুন।


২. বোতল বসানো:

কাটা বোতলটা উল্টে অন্য বোতলের মধ্যে বসিয়ে দিন। (ছবির মতো)


৩. মাটি ভরাট:

বোতলের নিচে ছোট পাথর বা ইটের টুকরো দিন, তারপর মাটি ভরুন।


৪. পুদিনা রোপণ:

পুদিনার ডাঁটা মাটির মধ্যে লাগিয়ে দিন। যদি কাটিং শুকিয়ে যায়, একটু হলুদের পানি ব্যবহার করুন।


৫. পানি দিন:

মাটি যেন ভিজে থাকে, তবে অতিরিক্ত পানি নিচের বোতলে জমে যাবে।


৬. সূর্যের আলো:

বোতলটিকে এমন জায়গায় রাখুন যেখানে হালকা রোদ আসে। বেশি গরম রোদে রাখবেন না।


সুবিধা:


মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে।


ছোট জায়গাতেও চাষ করা যায়।


অতিরিক্ত পানি নিচে চলে যায়।


বারান্দা বা রান্নাঘরের পাশে রাখতে পারবেন।


মাত্র ২-৩ সপ্তাহেই নতুন পাতা গজাবে!

চাইলে আজকেই শুরু করে ফেলুন!

শাশুড়িরা কেন বৌমাদের সহ্য করতে পারেন না??

 শাশুড়িরা কেন বৌমাদের সহ্য করতে পারেন না?

 

বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের সমাজে শাশুড়ি-বৌমা সম্পর্ক বহুদিন ধরেই আলোচনার বিষয়।এই সম্পর্ক অনেক সময় ভালোবাসার হলেও, বিরোধ ও মানসিক দ্বন্দ্বও কম নয়। শাশুড়িরা অনেক সময় বৌমাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন নানা কারণে। চলুন জেনে নিই, কী কারণে শাশুড়িরা অনেক সময় বৌমাদের সহ্য করতে পারেন না।. . .


১. ছেলে ভাগ হয়ে গেছে এমন অনুভূতি

মায়ের কাছে ছেলেই পৃথিবীর সব।

বিয়ের পর ছেলেটির মনোযোগ স্ত্রীর দিকে গেলে মায়ের মনে হয়, ছেলে আর আগের মতো নেই।

এই 'বিয়ের পর ছেলে পালটে গেছে' অনুভূতি থেকেই শুরু হয় মানসিক প্রতিদ্বন্দ্ব।

এতে করে বৌমাকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে শাশুড়ি।


২. কর্তৃত্ব হারানোর ভয়

বিয়ের আগে ঘরের সিদ্ধান্তে শাশুড়ির একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল।

বউ আসার পর সেই সিদ্ধান্তে নতুন একজনের প্রভাব পড়ে।

এতে করে শাশুড়ির মনে হয়, বৌমা তার অবস্থান দখল করে নিচ্ছে।

এই ভয়ের কারণেই অনেক সময় সহ্য করতে পারেন না।


৩. বৌমার আধুনিকতা ও মতামত শাশুড়ির চক্ষুশূল

অনেক বৌমা শিক্ষিত, মতপ্রকাশে সাবলীল ও স্বাধীনচেতা হন।

শাশুড়িরা এই স্বাধীনচেতা মনোভাবকে 'অধিক কথা বলা' বা 'উদ্ধত আচরণ' ভাবেন।

তাদের চোখে, এই ধরনের বৌমারা নিয়ম মানে না এবং তাদের গুরুত্ব দেয় না।

ফলে জন্ম নেয় বিরক্তি ও দূরত্ব।


৪. তুলনার মনোভাব

শাশুড়িরা অনেক সময় বৌমার সঙ্গে নিজের সময়ের তুলনা করেন।

"আমরা তো এত কষ্ট করতাম, ও কিছুই করে না" — এমন মন্তব্য প্রায়ই শোনা যায়।

এই তুলনা থেকেই তারা ভাবেন, বৌমারা অলস, সুবিধাভোগী।

এর থেকেই আসে বিরূপ মনোভাব।


৫. পরিবারের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা

বৌমা যদি সংসারে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, শাশুড়ির মনে হয় তার নিয়ন্ত্রণ কমছে।

এই নিয়ন্ত্রণহীনতার ভয় তাকে বৌমার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত করে তোলে।

শুধু রান্না বা খরচ নয়, আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্কেও মত দেয় বৌমা।

এতে শাশুড়ি মনে করেন, সংসার তার হাতছাড়া হচ্ছে।


৬. পারিবারিক রাজনীতির চাপে

অনেক সময় ননদ, জা বা আত্মীয়রা শাশুড়িকে ভুল তথ্য দেয় বৌমা সম্পর্কে।

এই অপপ্রচারে শাশুড়ির মনে নেতিবাচক ধারণা জন্ম নেয়।

সংসারের কূটনীতিতে একজন অন্যজনকে ছোট করে নিজেকে বড় দেখাতে চায়।

এই রাজনীতির বলি হন নির্দোষ বৌমা।


৭. বয়সের ব্যবধান ও চিন্তার ফারাক

শাশুড়ি-বৌমার মাঝে প্রজন্মের ব্যবধান থাকে।

এতে করে জীবনদর্শন, প্রযুক্তি ব্যবহার, পোশাক বা সন্তান পালনেও মতভেদ হয়।

এই ফারাককে শাশুড়িরা অনেক সময় 'উপযুক্ত সম্মান না দেওয়া' বলে ব্যাখ্যা করেন।

ফলে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যায়।


৮. বৌমার উপর অতিরিক্ত প্রত্যাশা

অনেক শাশুড়ি মনে করেন, বৌমা আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে সব বুঝে নিতে হবে।

রান্না, সংসার, আচরণ — সব কিছুতেই পূর্ণতা চাই তাদের।

বৌমা একটু ভুল করলেই তারা ভাবেন, ইচ্ছে করে করছে।

এই উচ্চ প্রত্যাশা সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে।


৯. ছেলে ও বৌমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ঈর্ষা

বিয়ের পর ছেলের সময় ও ভালোবাসার বড় অংশ যায় স্ত্রীর কাছে।

মায়ের মনে হয়, সে উপেক্ষিত হচ্ছে।

এই অবহেলার অনুভব থেকে সে স্ত্রীর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়।

ফলে সম্পর্ক হয়ে পড়ে কষ্টদায়ক।


১০. নিজের জায়গা হারানোর ভয়

বউ ঘরে এলে শাশুড়ির মনে হয়, নতুন কেউ তার জায়গা নিচ্ছে।

তিনিও তো একসময় নতুন বউ ছিলেন — তখন যেমন সম্মান পেয়েছেন, এখন সেই সম্মান কেউ অন্যকে দিচ্ছে।

এই 'স্থানচ্যুতি' মানতে না পারার কারণেই অনেক শাশুড়ির আচরণ বিরূপ হয়।

এটি একধরনের মানসিক সংকট, যা সময় ও সহানুভূতিতে কাটিয়ে উঠা যায়।


  

শাশুড়ি-বৌমা সম্পর্কের জটিলতা মূলত মানসিকতার ফারাক ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতির ফল।

এই সম্পর্ক সুন্দর হতে পারে যদি দুপক্ষই শ্রদ্ধা, ধৈর্য ও সহানুভূতি দিয়ে একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করে।

সন্তানের সুখ ও পরিবারের শান্তির জন্য এ সম্পর্ককে সুস্থ রাখতে হবে।

কারণ, একজন ভালো শাশুড়ি হতে পারা যেমন গৌরবের, একজন বৌমারও সম্মান পাওয়ার অধিকার আছে।

সফলতার গল্প: বৃদ্ধ চাষী ও তার কৃষিবিদ পুত্র,,,,,,,,,লেখক: আলমগীর হোসেন শিশির

 সফলতার গল্প: বৃদ্ধ চাষী ও তার কৃষিবিদ পুত্র

গ্রামের সীমানায়, দূরে এক কাঁচা পথ ধরে যাওয়া যায় একটি ছোট্ট, নির্জন বাড়িতে, যেখানে বসবাস করতেন বৃদ্ধ চাষী আব্দুল হাকিম। এক সময়ের শক্তিশালী কৃষক, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সংসার চালাতেন, আজ বয়সের ভারে ধীরে ধীরে ক্লান্ত। তাঁর কৃষি জীবন ছিল সংগ্রামী, যেখানে এক ফসল শেষ হলেই আবার নতুন করে শুরু করতে হতো। জমির খরা, বৃষ্টির অভাব, সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে করতে যখন তার শরীর আর মন অতীতের মতো তীক্ষ্ণ ছিল না, তখনই তিনি একটি স্বপ্ন দেখেন—তাঁর সন্তান, যারা শহরে পড়ালেখা করছে, তাদের মাধ্যমে কৃষির নতুন সম্ভাবনা দেখতে চান।


আব্দুল হাকিমের একমাত্র পুত্র, সেলিম, ছিল মেধাবী। ছেলেটি ছোট থেকেই পড়াশোনায় আগ্রহী ছিল। তার স্বপ্ন ছিল কৃষিতে নতুন কিছু করার, আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে ছিল তার কঠোর পরিশ্রম। বাবা আব্দুল হাকিম কৃষির কষ্টকর দিনগুলো পেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু তিনি জানতেন, উন্নতির জন্য কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। তাই, তিনি একদিন সেলিমের কাছে এসে বললেন, "বাবা, আমি তো জানি শুধু কৃষির মাটি আর শ্রমে তো জীবন চলে না। কিছু নতুন ভাবনা, কিছু নতুন জ্ঞান লাগবে।"


তবে, সেলিম তার বাবা আব্দুল হাকিমের কথা বুঝতে শুরু করে, এবং একদিন সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে কৃষিবিদ হবে। স্কুল ও কলেজে কঠোর পরিশ্রমের পর সেলিম কৃষিবিদ হিসেবে পড়াশোনা শেষ করল এবং দেশে ফিরে এল। তার চোখে ছিল এক নতুন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। দেশে ফিরে আসার পর সেলিম বাবার কাছে আসেন এবং তাকে আধুনিক কৃষির প্রযুক্তি, নতুন পদ্ধতি, এবং উন্নত ফসল চাষের উপায় জানাতে শুরু করেন। বাবা প্রথমে একটু দ্বিধায় পড়েছিলেন। তাঁর পুরোনো অভ্যাস, পুরোনো পদ্ধতি ছিল তার কাছে সবচেয়ে কার্যকরী। কিন্তু ছেলের পরামর্শ গ্রহণে তার কোনো সংকোচ ছিল না।


সেলিম বাবাকে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, টেকনিক্যাল ব্যবস্থাপনা, জল সংরক্ষণ, ফসল রোটেশন, এবং পোকামাকড় দমনের নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত শিখিয়ে দেন। এই পরিবর্তনগুলোতে প্রথমে অবাক হলেও, আব্দুল হাকিম বাবা মেনে নেন। ছেলের সঙ্গে কাজ করার এক নতুন অভিজ্ঞতা ছিল তার জন্য।


এভাবে, এক বছরের মধ্যে, পুরোনো ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে শুরু হলো এক নতুন ধরনের চাষ। সেলিম তার বাবাকে জানাল যে, এখন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানোর মাধ্যমে তারা খরার মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। সেই সঙ্গে, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে খরচও কমে যাবে এবং ফলন দ্বিগুণ হতে পারে।


বৃদ্ধ আব্দুল হাকিম তার পুরনো জমিতে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে একে একে অনেক ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি দেখলেন। প্রথমে আলু, তারপর গম, সেজে ধান—সব ফসলের ফলন বেড়ে গেল। তাছাড়া, সেলিমের সাহায্যে তারা আরও একাধিক ফসলের সরবরাহ বাজারে পাঠাতে শুরু করল। আর সেলিমের পরামর্শে, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে জমির মাটির স্বাস্থ্যও ভালো হয়ে উঠল।


কৃষির এই নতুন উপায়গুলো বেছে নেওয়ার ফলে, আব্দুল হাকিমের পরিবারের অবস্থা পাল্টে গেল। মাটির ওপর এক নতুন বিশ্বাস জন্মাল। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও সেলিমের পরামর্শে তারা জানলেন, শুধুমাত্র পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়—সঠিক জ্ঞান ও উপায় প্রয়োজন উন্নতির জন্য।


আজ, আব্দুল হাকিমের দিনগুলো পাল্টে গেছে। আর তার চোখে আনন্দের আলো। তিনি জানতেন না যে, তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি আধুনিক কৃষির সাথে পরিচিত হবেন। তবে তাঁর ছেলে, সেলিম, তাকে কৃষির নতুন দিশা দেখিয়েছে। এখন, কষ্টের দিনগুলি যেন সত্যিই ফুরিয়ে এসেছে।


তার বয়স বাড়লেও, আব্দুল হাকিমের মনে সেই নতুন দিনের চিত্র স্পষ্ট। তিনি মনে মনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন—"অতীতের কষ্টের পর, এখন সুখের দিন। সেলিমের কঠোর পরিশ্রম, আধুনিক চিন্তাধারা, এবং কৃষির নতুন প্রযুক্তি যে আজ আমাদের জীবন বদলে দিয়েছে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় দান।"


শিক্ষা:

এমনকি কঠোর পরিশ্রমের পরেও, নতুন প্রযুক্তি এবং সঠিক জ্ঞান গ্রহণ জীবনের উন্নতির জন্য অপরিহার্য। আগামীর উন্নতির জন্য পুরনো চিন্তা থেকে বের হয়ে, নতুন ধারায় কাজ করতে হবে।


লেখক: আলমগীর হোসেন শিশির

মানুষ কেন পরকিয়ায় জড়ায়,,,,,,,

 পরকীয়া৷,,,,,,,,

সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও বিতর্কিত অধ্যায়। কেউ বলে এটা বিশ্বাসঘাতকতা, কেউ বলে এটা ভালোবাসার অপূর্ণতা, আবার কারও কাছে এটি নিছক রোমাঞ্চ বা দুর্বল মুহূর্তের ফল। তবে সত্য হলো, পরকীয়া একক কোনো কারণে ঘটে না। এর পেছনে আছে জটিল মানসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জৈবিক প্রেক্ষাপট।


অনেক সময় মানুষ এমন সম্পর্কে থাকে, যেখানে ভালোবাসা থাকে, কিন্তু বোঝাপড়া থাকে না। কিংবা বোঝাপড়া থাকে, কিন্তু আবেগ বা শারীরিক সংযোগ হারিয়ে যায়। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক একসময় একঘেয়ে হয়ে ওঠে, আর তখনই একজন মানুষ নতুন করে কারও মাঝে ‘জীবনের রঙ’ খুঁজে পায়। এই খোঁজ থেকেই শুরু হয় পরকীয়ার গল্প।


কেউ কেউ ভালোবাসা না পেয়ে পরকীয়ায় জড়ায়, কেউবা ভালোবাসা পেয়েও তৃপ্ত হতে পারে না। সম্পর্কের মাঝে অনেক সময় এমন এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়, যেটা কেবল বাইরে থেকে পূরণ করা যায় বলে মনে হয়। সেই শূন্যতা হয়তো আবেগের, মনোযোগের, যৌনতার, বা শুধু কারও ‘ভালো লাগার’ প্রয়োজনের। কেউ যখন দিনের পর দিন নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে প্রশংসা, আদর বা স্বীকৃতি পায় না—তখন তার চোখ চলে যায় সেই মানুষটির দিকে, যে এই ঘাটতিগুলো পূরণ করতে পারে।


কেউ আবার প্রতিশোধের বশে পরকীয়া করে। ধরো, একজন তার সঙ্গীর দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। সেই যন্ত্রণাকে ঢাকতে, কিংবা সাম্য ফেরাতে, সে-ও প্রতারণা করে বসে। আবার এমনও দেখা যায়, মানুষ নিজেই জানে না কেন সে পরকীয়া করছে। হয়তো তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে, কিংবা অতীতে পাওয়া কোনো মানসিক আঘাত তাকে নতুন কোনো সম্পর্কের আশ্রয় খুঁজতে বাধ্য করছে।


অনেক সময় পরকীয়ার পেছনে থাকে নিছক উত্তেজনা খোঁজার প্রবণতা। একটি সম্পর্ক যখন খুব পরিচিত হয়ে যায়, তখন তার মধ্যে ‘নতুনত্ব’ বলে কিছু থাকে না। কেউ কেউ এই পরিচিতির ঘেরাটোপ ভেঙে একটু ঝুঁকি নিতে চায়, নিষিদ্ধের স্বাদ পেতে চায়, আর সেই চেষ্টাতেই জন্ম নেয় পরকীয়া।


আধুনিক যুগে প্রযুক্তি এই প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনবক্স, সিক্রেট চ্যাট, ভিডিও কল—সবকিছু যেন গোপনে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এই সুযোগের সহজলভ্যতা অনেককেই সেই পথে টেনে নেয়, যে পথে হাটতে সে নিজেও একসময় প্রস্তুত ছিল না।


আবার কিছু মানুষ আছে, যারা জন্মগতভাবেই ‘এক জায়গায় থিতু’ হতে পারে না। তারা সবসময় নতুন কিছু খোঁজে—নতুন প্রেম, নতুন অনুভব, নতুন মনোযোগ। নিজের সঙ্গী যতই ভালো হোক না কেন, তার মধ্যে সব সময়ই

ছাদে বাগান করে বছরে ১৫ লাখ টাকা আয়! ফরিদপুরের আয়েশার সফলতার গল্প

 **🌿 ছাদে বাগান করে বছরে ১৫ লাখ টাকা আয়! ফরিদপুরের আয়েশার সফলতার গল্প 🏡💰**  


**"৫টি গাছ দিয়ে শুরু, আজ ২০০+ বিদেশি ফলের সমারোহ! ছাদ বাগানই এখন আয়ের মূল উৎস!"**  


### **🍍 আয়েশা আশরাফীর সাফল্য সারসংক্ষেপ:**  

✅ **১২০০ বর্গফিট** ছাদে দুটি বাগান + নার্সারি  

✅ **২০০+ বিদেশি ফল** (পাকিস্তানি আনার, থাই শরিফা, ড্রাগন ফ্রুট ইত্যাদি)  

✅ **গ্রাফটিং/কলম পদ্ধতিতে** চারা উৎপাদন  

✅ **অনলাইনে বিক্রি** (চারার দাম: ৫০০-২০০০ টাকা)  

✅ **বার্ষিক আয়:** ~১৫ লাখ টাকা  


### **📌 কীভাবে শুরু করলেন?**  

- ২০১৯ সালে **৫টি গাছ** দিয়ে যাত্রা  

- **২ লাখ টাকা** প্রাথমিক বিনিয়োগ  

- প্রথম বছরেই সফলতা, পরে সম্প্রসারণ  


### **🌱 বিশেষ কৌশল:**  

✔️ **১০০% অর্গানিক পদ্ধতি:**  

   - কিচেন কম্পোস্ট  

   - গোবর সার + ডিমের খোসা  

✔️ **গ্রাফটিং টেকনিক** শিখে চারা উৎপাদন  

✔️ **ফেসবুক পেজ & ইউটিউব** মাধ্যমে পরামর্শ বিক্রি  


### **📦 ব্যবসা মডেল:**  

1. **ফল বিক্রি** (স্থানীয় বাজার)  

2. **চারা বিক্রি** (সারাদেশে কুরিয়ার)  

3. **অনলাইন কনসাল্টেন্সি** (ভারতসহ বিদেশি ক্লায়েন্ট)  


---


**👩‍🌾 আয়েশার পরামর্শ:**  

*"ছাদ বাগান করতে চাইলে শুরু করুন স্থানীয় জাত দিয়ে। ধীরে ধীরে শিখে নিন গ্রাফটিং পদ্ধতি। অনলাইন মার্কেটিং শিখুন – এটাই সবচেয়ে বড় টুল!"*  


---


**🌿 আপনিও কি চারা/পরামর্শ চান?**  

**সরকার এগ্রো, যশোর** থেকে পেতে পারেন:  

- হাইব্রিড সবজি চারা (পেপে, বেগুন, মরিচ)  

- মাটিবিহীন উন্নত চারা  


📞 **কল করুন:** ০১৭৪৬৭৭৬৬১৬ / ০১৭৫২০৭৩৩৩১  


---


**#ছাদ_বাগান #মহিলা_উদ্যোক্তা #ফরিদপুর #অর্গানিক_ফার্মিং #সরকার_এগ্রো**  


**📢 শেয়ার করে সবাইকে জানান এই অনুকরণীয় গল্প!**  

*"অল্প জায়গায় বাগান করে আয় করুন লক্ষ লক্ষ!"* 🌱💵  


> **🏆 সাফল্যের রেসিপি:**  

> - **ধৈর্য** + **নতুন শেখা** + **অনলাইন মার্কেটিং**  

> - কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিন  

> - শুরু করুন ছোট পরিসরে

বিনয়ের ছুরি.......

 বিনয়ের ছুরি.......


কখনো কখনো যারা খুব নতজানু হয়ে আসে, তাদের মুখেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে ধারালো ব্লেড।

তারা ঝুঁকে পড়ে, হাসে, মাথা নিচু করে, যেন শ্রদ্ধায় পূর্ণ।

কিন্তু সেই নত হওয়া মুহূর্তেই তারা কেটে দেয় আপনার মুখ, গলার গভীরে পৌঁছে যায় সেই ক্ষুর।


ভদ্রতার মুখোশ পরে থাকা এই মানুষগুলো আসলে আত্মরক্ষার জন্য নয়, বরং আঘাত করার জন্য সুযোগ খোঁজে।

তাদের নম্রতা একটা কৌশল — আত্মপ্রকাশের নয়, আক্রমণের।


সাবধান হোন, সবাই যে নম্র, সে দরকার নেই সত্যিই আপনার মঙ্গল চায়।

কারণ কিছু কিছু হাসি — মুখে নয়, গলায় রক্তের দাগ রেখে যায়।

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...