এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

দাঁতের এনামেল নাকি মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। যা দিয়ে ইস্পাত পর্যন্ত ভেংগে ফেলা যাবে।,,, মেডিসিন রিভিউ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দাঁতের এনামেল নাকি মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। যা দিয়ে ইস্পাত পর্যন্ত ভেংগে ফেলা যাবে।

মানুষের দাঁতের এনামেল (Tooth Enamel) — আমাদের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং টেকসই পদার্থগুলোর একটি। চলুন গভীরে দেখি কেন এটি এত বিশেষ:


🦷 দাঁতের এনামেল কী?

এনামেল হলো দাঁতের সবচেয়ে বাইরের স্তর।


এটি মূলত হাইড্রোক্সি-অ্যাপাটাইট (Hydroxyapatite) নামক একটি খনিজ পদার্থ দিয়ে তৈরি, যার গঠন ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট থেকে তৈরি।


এটি দাঁতকে চিবানো, কামড়ানো, এমনকি ঘর্ষণ ও রাসায়নিক ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।


🛡️ কেন এনামেল এত শক্তিশালী?

ঘনত্ব (Density): এনামেল এতটাই ঘন যে এটি সহজে চিড় ধরে না।


Microstructure: এনামেলের মধ্যে থাকা খনিজ স্ফটিকগুলো (crystals) সুনিপুণভাবে সাজানো থাকে, যা এটিকে চরম চাপ এবং আঘাত সহ্য করতে সাহায্য করে।


Mohs Scale: এনামেল প্রায় ৫ মাত্রার কঠিনতা দেখায় (স্টিলের কাছাকাছি)।


গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সুস্থ দাঁতের এনামেল ইস্পাতের মতো শক্ত, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে বেশি টেকসইও!


📌 তবে, মনে রাখতে হবে:

➡️ ইস্পাত নমনীয়, কিন্তু দাঁতের এনামেল ভঙ্গুর। অতিরিক্ত চাপ পড়লে এনামেল ভেঙে যেতে পারে! (যেমন পাথর কামড়ানোর সময় দাঁত ভেঙে যাওয়া)


🧬 কেন এনামেল এত জরুরি?

ক্যাভিটি বা দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।


দাঁতের মজবুত গঠন বজায় রাখে।


চিবানোর সময় তৈরি হওয়া বিশাল চাপ সহ্য করে।


🔍 উপসংহার:

✅ দাঁতের এনামেল হলো প্রকৃতির এক অসাধারণ সৃষ্টি — ছোট্ট অথচ শক্তিশালী, আমাদের দৈনন্দিন জীবন চালাতে এক নীরব রক্ষাকবচ!

✅ তাই দাঁতের যত্ন নেওয়া মানে নিজের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশের সুরক্ষা করা। 🦷✨

ফজর পর ঘুমের প্রতারণায় না পরে সকালের বরকত পেতে হলে দরকার ফজরের পর জেগে থাকার অভ্যেসটা  টানা একমাস কঠিনভাবে মেনে চলা।

 ফজর পর ঘুমের প্রতারণায় না পরে সকালের বরকত পেতে হলে দরকার ফজরের পর জেগে থাকার অভ্যেসটা  টানা একমাস কঠিনভাবে মেনে চলা। যত সমস্যা ই হোক, রুটিন না চেঞ্জ করা। আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে এটা হয় একটা ভালো অভ্যেস প্রথম দুই তিন দিন সুন্দর করে হলেও কোনো কারণে সে অভ্যেসে ব্রেক পড়লে এরপর আর সেটা নিয়মিত করা হয় না, এক সময় একদম ছুটে যায়। তাই যদি আপনার টানা তিন চার বা সাত দিন ফজরের পর জেগে থাকার এই অভ্যেস করে কোনো কারণে আবার একটা গ্যাপ পরে থাকে তাহলে এটাকে এভাবেই পরে থাকতে দিবেন না। আবার নিয়মিত হোন, আবার দৃঢ় ভাবে লেগে যান। কোনো ভাবেই সকালের বরকত মিস করা যাবে না। আল্লাহর কাছে রাতেই দু'আ করে নিতে হবে, সব সময় দু'আ করতে হবে। আল্লাহ তাওফিক দিন। 


ফজরের পড়ে সকালের যিকির এর পর কুর'আন নিয়ে বসে গেলে তখন আর অলসতা লাগবে না, অবশ্যই তখন কুর'আন ছাড়া আর কিছুতে মনোযোগ দেয়া যাবে না।  ফজরের পর কুর'আন পড়ার সবচেয়ে সুন্দর সময়। 

কুর'আন পড়ার সময়টা যেন হয় রব্বের চিঠি পরম ভালোবাসা নিয়ে একান্তে পড়ার সময়, এই সময়টা যত সুন্দর হয় আমাদের সবকিছু তত বেশি সুন্দর, সহজ হয়। আল্লাহর কাছে তাঁর ভালোবাসা চাই, আল্লাহর কালামকে প্রগাঢ় ভাবে ভালোবাসা একটা অন্তর চাই, কুর'আনের সাথে ভীষণ সুন্দর সময় কাটাতে পারার তাওফিক চাই, আমিন। 


সূরা ইয়াসিনের এই আয়াত দু'টি একটি কতো সুন্দর স্বপ্নময়, আর অপরটি কি ভ-য়ংকর! রব্বের পক্ষ থেকে সালাম, আমার রব্বের পক্ষ থেকে দেয়া হবে সালাম! ইয়া রব্বি, মাফ করে কবুল করে নিন আমাদের .


লেখিকা:সায়মা সাজ্জাদ মৌসি(আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন) 

শেয়ার করুন আপনজনদের সাথে 🌻

কথিত নারী স্বাধীনতা ও সমান অধিকার বনাম ইসলাম:মিসবাহুদ্দীন  ০৪/০৫/২০২৫

 কথিত নারী স্বাধীনতা ও সমান অধিকার বনাম ইসলাম:


সম্পদ বন্টনে ইসলামের নীতি ইনসাফ ভিত্তিক। 

এখানে কখনো নারীরা আনুপাতিক হারে পুরুষের চেয়ে বেশি পেয়ে যায়। আবার কখনো পুরুষ ন্যায়সংগতভাবে নারীর চেয়ে বেশি পায়। যা বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত। 

ইসলামের পুরো নীতিমালাকে সামনে রেখে পর্যালোচনা করলে কোন ক্রমেই এই নীতিকে ভুল বা অন্যায় প্রমান করার কোন সুযোগ নেই। 


মুলতঃ সমান অধিকারের দাবী তোলা চমর পর্যায়ের মুর্খতা। সমান করতে গেলে কখনো নারী ঠগবে আবার কখনো পুরুষ ঠগবে। 

মুর্খরা ইসলামের নীতিমালা লক্ষ না করে তাগুত গুরুদের অন্ধ অনুসরণ বশতঃ এসব চিৎকার চেচামেচি করছে।


অতএব, বাস্তবতার আলোকে ন্যায্য অধিকারের দাবী তোলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। 


যেখানে মানুষ নারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে টালবাহা করছে। বাবা-মা তাদের কন্যাদেরকে এবং ভাইয়েরা তাদের বোনদেরকে সম্পদ না দেওয়ার জন্য নানা ছলছাতুরী ও বানোয়াট কথা ও কুসংস্কার আবিষ্কার করেছে। 

যেমন, সমাজে একটি কুসংস্কারমূলক কথা প্রচলিত আছে যে, মেয়েরা বাবার মীরাস আনলে অকল্যান হয়! (নাউজুবিল্লাহ)  ইসলামে এর তো কোন ভিত্তি নেই ই। বরং তা ইসলামের দৃষ্টিতে একটি ঘৃণিত পদক্ষেপ। 

এমতাবস্থায় নারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবী না তুলে সমান অধিকারের বিষাক্তা বোমা ফাটানো সমাজকে আরো বিশৃঙ্খল করে তুলবে। 


ইসলাম পূর্বযুগে নারীদের কোন ন্যায্য অধিকারই ছিলনা। ইসলামের আগমনের পরেই পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহে আবশ্যিকভাবে নারীদের ন্যায্য অধিকার বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র কুরআনে নারী অধিকারে বিধান বর্ণনা করতে গিয়ে ১১৪টি সুরার মধ্য ২য় বৃহৎ সুরাটি (সুরা নিসা) অবতীর্ণ করা হয়েছে। এর বাইরে আরো অসংখ্য স্থানে নারী অধিকার সম্বলিত বিধান বর্ণিত হয়েছে। সম্পত্তি বন্টন সহ সামাজের সর্বক্ষেত্রে নারী অধিকারের পূর্ণাঙ্গ সমৃদ্ধ নীতিমালা কুরআনের বাইরে আর কোথাও কেউই দেখাতে পারবে না। এটা চ্যালেঞ্জ। 


বস্তুতঃ নারী স্বাধীনতা বা নারী পুরুষের সমান অধিকারের দাবীটা শেয়ালের পক্ষ থেকে মুরগির স্বাধীনতা চাওয়ার নামান্তর। 

যার উদ্দেশ্য নারীদেরকে পন্য ও ভোগের বস্তু বানানো। 

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সকল নারী স্বাধীনতাকামীরাই নারী নির্যাতনকারী। 


তাই কথিত নারীবাদী বাস্তবে নারীদের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সাবধান থাকা ও তাদেরকে নির্মূল করা সময়ের অন্যত দাবী।


মিসবাহুদ্দীন 

০৪/০৫/২০২৫

ফেইসবুক গল্প হুমাউন ফরিদি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গতকাল রাত ১১.২৩ মিনিটে একটি ফোন কল আসে কাজির হাট এলাকা থেকে যে ১৫ মাস বয়সী একটি বাচ্চাকে থাপ্পর দিয়ে তার মা অথবা বাবা যে কেউ মেরে ফেলেছে।


প্রথমে ঘটনার বিবরণ শুনে বিশ্বাস হচ্ছিলো না, কিন্তু তথ্য দাতা আমার বিশ্বাস যোগ্য হওয়ায় সরেজমিনে গিয়ে বাচ্চার গালের থাপ্পড়ের চিহ্ন দেখে বলতে গেলে আমি বাকরুদ্ধ। 🥲🥲🥲


বাচ্চার মায়ের চোখে না ছিলো এক ফোটা পানি না ছিলো অনুশোচনার কোন বালাই। আর বাচ্চার সৎ বাবা মোটামুটি দু'বার পালিয়ে যাওয়ার পায়তারা করেছিলো।


উলটো আমাকে বাচ্চার মা বুঝাতে চেয়েছিলো তার বাচ্চা অসুস্থ ছিলো তাঁকে অনেক জ্বালাতন করতো বলে গতকাল রাগ করে তাকে একটি থাপ্পর মেরেছি।

 

কিন্তু বাড়ির সকল মানুষ জানায় ২ মাস যাবৎ তারা এই বাসায় ভাড়া এসেছে দুই মাস যাবত-ই সৎ বাবা বাচ্চা টা কে এলোপাতাড়ি মারধর করতো কিন্তু বাচ্চার মা কিছু-ই বলতো না।


 কিন্তু বাচ্চার গালের আঘাতের চিহ্ন দেখে মনে হয় না এটা কোন মহিলা মানুষের হাতের আঘাত হবে।


সন্দেহের বসে আমি ডান গালে আঘাতের চিহ্ন দেখে এবং বাড়ির মানুষের সাথে কথা বলে মোটামুটি নিশ্চিত ভাবে ধারনা করি এটা পুরুষ মানুষের হাতের আঘাত হবে নিশ্চিত। কারন মহিলা মানুষের বাম হাতে এতো শক্তি থাকার কথা নয়, এটা পুরুষ মানুষের বাম হাতের আঘাতের চিহ্ন হবে।


কিন্তু বাচ্চার মা কিছুতেই তার কথিত স্বামীকে কোন রকম দোষ দিতে নারাজ সব দোষ সে নিজে মাথা পেতে নেয়। (প্রেমে অন্ধ) 😡


অবশেষে বিষয় টি জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ কে অবগত করি তারপর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হোন এবং বিষয় টি দেখে তারাও অবাক হোন পরে শিশুর লাশ উদ্ধার করে দুজন কে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।


ঘটনার মুল মন্ত্রে যা বুঝতে পারলাম সৎ বাবা শিশুটিকে মেনে নিতে পারছিলো না। 


আর মা তার বর্তমান স্বামীকে ছাড়া পৃথিবীতে কিছু কল্পনা করতে পারছিলো না (প্রেমে অন্ধ) 


এই দুইজনের দুই রকম চিন্তার বলি হলো অবুঝ শিশুটি!


তবে বাচ্চার মা দেখতে বলদ হলেও পাতা কাটা  চালাক এবং বদমাইস সেটা বুঝতে বাকি নেই। সে চিন্তা করেছে নিজে দোষ ঘাড়ে নিলে অনেক টা সহজ হবে তার জন্য। আইন আদালত বিশ্বাস করবে না মা তার সন্তান কে মেরে ফেলতে পারে।


কোন ভাবেই সে স্বীকার করেনি যে তার স্বামী তার বাচ্চা কে মারধর করতো। ©


এদিকে আমি এক মা কে জানতাম যে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করতে পারবে না ভেবে গর্ভের সন্তানকে নস্ট করতে চেয়েছিল।


আল্লাহ কাউকে এসব মা না দিক। আমিন।

#collected

মোবাইলের এই ৩ টি সেটিংস তোমাকে ডিস্ট্র‍্যাকশন থেকে দূরে রাখবে!

 মোবাইলের এই ৩ টি সেটিংস তোমাকে ডিস্ট্র‍্যাকশন থেকে দূরে রাখবে!📴


অনলাইনে ক্লাস করলে মোবাইল দূরে রাখা/বন্ধ করে রাখার কোনো অপশন নেই।কিন্তু এর মাঝেও কিভাবে ডিস্ট্র‍্যাকশন থেকে দূরে থাকা যায়?🤔


এই ৩ টি সেটিংস এর মাধ্যমে তুমি ১০০% ফোকাস সহকারে অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে!👇


১)”FULL SCREEN MODE” এ অনলাইন ওয়েবসাইট/ইউটিউবে ক্লাস দেখবে ✅

    

ফুল স্ক্রিন না থাকলে স্ক্রিনের অন্যান্য এলিমেন্ট এ তোমার ফোকাস যাবে এবং ক্লাসের ইমপর্টেন্ট জিনিস মিস হবে 

তাই ক্লাস করার সময় অবশ্যই জুমে/ইউটিউবে/কোনো এপ এ ফুল স্ক্রিন করে নিবা


    

২)”DO NOT DISTURB/ DND MODE” অন করে নিবা ✅

    

এতে পড়ার সময়/ক্লাসের সময় কোন এপ যেমন- ফেসবুক/মেসেঞ্জার বা কল এর নোটিফিকেশন আসবে না।ফলে তুমি ডিস্ট্র্যাক্টেড হবা না 

এক্ষেত্রে তুমি কিছু প্রায়োরিটি কন্টাক্ট যেমন- মা/বাবার নাম্বার সেট করতে পারবে যে কন্টাক্ট গুলোর জন্য সেটিংস ব্যতিক্রম হবে।অর্থাৎ DND Mode অন থাকলেও এদের থেকে কল আসবে

    

৩)”FOCUS MODE” অন করবা এবং যে যে  এপ তোমাকে ডিস্ট্রাক্ট করে সেগুলো পজ/ফ্রিজ করে রাখবা। ✅

তোমার মোবাইলে এই অপশন না থাকলে ‘FOREST’ এপ টা ইউজ করতে পারো

এই এপ টা সহজেই প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে ইউজ শিখে নিতে পারবে।


⚠️সবাই বলে মোবাইল ইউজ করা খারাপ।হ্যা খারাপ! যদি তুমি সেটা নিজের ভালোর জন্য ইউজ না করতে পারো।

সবকিছুর ভালো/খারাপ দিক তোমার নিজের কাছে-তুমি সেটা কিভাবে ব্যবহার করছো তার উপর নির্ভরশীল!


শুভকামনা 

-ডা.সুস্মিতা

ফেইসবুক থেকে নেওয়া মজার গল্প

 এক ভদ্রলোক প্রচুর মদ খেয়ে , 

জুয়ায় সব টাকা হারিয়ে ... হোটেল থেকে বেরিয়ে 

নিজের গাড়িতে উঠেছেন ।

এমন সময় এক ভিক্ষুক তার কাছে ভিক্ষা চায়...

ভিক্ষুক : কটা টাকা দেবেন স্যার ?


বাবু : আমার কাছে একটা পয়সাও নেই ।এক বোতল স্কচ আছে । তুমি এটা নাও ।


ভিক্ষুক : আমি মদ খাইনা স্যার।


বাবু : ( পকেট থেকে দামী সিগারেটের প্যাকেট বার করে) তাহলে এটা রাখ ..


ভিক্ষুক : স্যার আমি 

সিগারেট বিড়ি খাইনা ।


বাবু : (গাড়ী থেকে কিছু রেসের টিকিট বার করে) 

ঠিক আছে কাল শনিবার .. এটা রাখো ... রেস খেলো ।


ভিক্ষুক : আমি জুয়া খেলি না স্যার ।


বাবু : ( একটু ভেবে) চলো .. তোমাকে একটা মহিলার সাথে আলাপ করিয়ে দিচ্ছি.. ফূর্তি করো।


ভিক্ষুক : আমার বাড়ীতে বউ আছে স্যার । আর আমি তাকে খুব ভালোবাসি ।


বাবু : ( পকেট থেকে নিজের কার্ড বার করে) 

কাল আমার বাড়ী যেও। তোমার সাথে আমার বউ এর 

পরিচয় করে দেব। তারপর যতো টাকা চাও দেবো ।


ভিক্ষুক : আপনার বউ এর সাথে পরিচয় করতে হবে কেন স্যার ??


বাবু : আমার বউ এর দেখা দরকার যে , মদ না খেলে .. 

স্মোক না করলে.. জুয়া না খেললে.. মহিলা নিয়ে ফুর্তি না করলে একটা পুরুষ মানুষের কী দশা হয়

গল্প:বিলকিস আক্তার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমার একমাত্র ছেলে,বয়স ২ বছর ৩ মাস।ওর বাবা মালোশিয়া থাকে।আজকে সকালে আমার ননদ বেড়াতে আসছে এজন্য রাতে পিঠা বানাবে তাই আমি চালের গুঁড়া করছিলাম।আমার শশুর বাড়ির পাশে মেলা হচ্ছে। আমার শশুর তার নাতিকে নিয়ে মানে আমার ননদের ছেলেকে নিয়ে মেলায় যাবে তখন আমার ছেলেটাও তার দাদার সাথে মেলায় যাবে বলে কান্না করছিল কিন্তু আমার শশুর নেবে না এজন্য আমার ছেলেকে বলছে,, তোর আম্মুর কাছে থেকে টাকা নিয়ে আয়,,এই বলে আমার শশুর তার নাতিকে নিয়ে মেলায় চলে গেছে।আমার ছেলে আমার কাছে এসে বলছে তারপর আমি ওকে ১০০ টাকা দিছি।আমার ছেলে টাকা নিয়ে গেছে কিন্তু গিয়ে দেখে ওর দাদা ওকে রেখে চলে গেছে এজন্য আমার ছেলে অনেক কান্নাকাটি করতেছিল। আমি রান্না ঘরে ছিলাম আর আমার ছেলে ওর দাদুর কাছে ছিল।আমার ছেলে নাকি ওর দাদুকে কান্নাকাটি করে বিরক্ত করছে বাচ্চা ছেলে হয়তো দুষ্টুমিও করেছে এজন্য আমার শাশুড়ী ওকে কি দিয়ে জানি মারছে।তখন আমার ছেলে অনেক জোরে কান্না করছে।ওর কান্না শুনে আমি ঘরে গিয়ে দেখি এই অবস্থা। আমার ছেলে বলছে ওর দাদু ওকে মারছে কিন্তু আমার শাশুড়ী প্রথমে অস্বীকার করলে পরে স্বীকার করে যে সে অধৈর্য হয়ে নাকি চামচ দিয়ে মারছে কিন্তু জোরে মারতে চায় নাই।

আমার আর কোনো দেবর নাই। আমার হাসবেন্ড আর তার একটা বোন তারও বিয়ে হয়ে গেছে। হাসবেন্ড মালোশিয়া থাকে আর আমার শশুর কিছু করেনা।হাসবেন্ডের ইনকামে পুরো সংসার চলে।সংসার আমি আমার ছেলে আর শশুর শাশুড়ী। সংসারের সব কাজ আমি করবো তারপরও আমার ছেলেটাকে তারা একটু দেখবে না।ছেলের বাবাকে বললে বিশ্বাস করে না।আমি বুঝতে পারিনা তারা কেন এমন করে।তারা তাদের মেয়ে ছাড়া কিছু বোঝেনা।ছেলে এতকিছু করার পরও ছেলে,ছেলের বউ,বাচ্চা তাদের কাছে ভালো না।আমার হাসবেন্ড কিছু বললে এমন ভাবে কান্না কাটি করে আর বলে মা বাবার খেদমত করা ছেলের দায়িত্ব আর এই দায়িত্ব যদি ছেলে পালন না করে আল্লাহ যেন তার বিচার করে।আরও অনেক কিছু বলে এজন্য আমার হাসবেন্ডও কিছু বলে না কিন্তু আজকের এই ঘটনার পর কিভাবে চুপ করে থাকবো বলেন।হাসবেন্ডকে এই ছবি পাঠাইছি কিন্তু সে কাজে ব্যাস্ত আছে এজন্য দেখতে পারে নাই।আমি কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না।আপনারাই বলেন এখন আমার করনীয় কি?

রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

Verb শেখার সহজ নিয়ম।

 ইংরেজি গ্রামার। 

Verb শেখার সহজ নিয়ম।

➢Sentence এ ব্যবহৃত যে সব Word দ্বারা কোন কাজ করাকে বোঝায় তাকে Verb বলে।


➢Verb এর প্রকারভেদ : Verb দুই প্রকার। যথা :


➫ 1. Finite Verb

➫ 2. Non finite Verb


➢1. Finite Verb (সমাপিকা ক্রিয়া) : যে সব Verb দ্বারা বক্তার বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যাতাকে Finite Verb বলে।


¤》Example :

I go to school.

Kamal plays football.


➢Finite Verb এর বৈশিষ্ট্য :


– Sentence এর অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়।

– বক্তার বক্তব্য পূর্ণাঙ্গররূপে ব্যক্ত করে।

– Subject এর Person, Number, Tense অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।


➢Finite এর প্রকারভেদ :

Finite Verb দুই প্রকার। যথা :

➫ a. Principal Verb

➫ b. Auxiliary Verb


➢a. Principal Verb (প্রধান ক্রিয়া) :


যে Verb নিজেই স্বাধীনভাবে অন্য Verb এর সাহায্য ছাড়াই ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে Principal Verb বলে।

》Example :

You go

They play in the field.


➢Principal Verb এর প্রকারভেদ :


“”Principal Verb__ দুই প্রকার। যথা :


■I. Transitive Verb (সকর্মক ক্রিয়া) :


যে সমস্ত Verb এর Objec


t বা কর্ম থাকে তাদেরকে Transitive Verb বলে।


》Example :

The baby is drinking milk.

I have bought a book.


 


 


Transitive Verb এর বৈশিষ্ট্য :


– Subject এর পরে বসে

– প্রতিটি Verb এর পরে এক বা একাধিক Object থাকে।

– Tense ও Subject এর Person, Number অনুযায়ী এদের রূপের পরিবর্তন ঘটে।


■II. Intransitive Verb (অকর্মক ক্রিয়া) :


 


যে Verb এর Object বা কর্ম থাকে না তাদেরকে Intransitive Verb বলে।


Example :

The girl went to school.

Birds fly in the sky.


 


○Intransitive Verb এর বৈশিষ্ট্য :


– এরা প্রায়ই Sentence এর শেষে বসে।

– এদের পরে কোনো Object থাকে না।


– Tense ভেদে Subject এর Person ও Number অনুযায়ী এদের রূপের পরিবর্তন ঘটে।


➢b. Auxiliary Verb (সাহায্যকারী ক্রিয়া) :


Sentence এ ব্যবহৃত যে সব Verbs Principal Verbs এর ভাব ও অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য Principal Verbs কে সহায়তা করে, সে সকল Verb কে Auxiliary Verb বলে।


♡Auxiliary Verb এর বৈশিষ্ট্য :


 


– Auxiliary Verbs Sentence এ ব্যবহৃত হয়ে নিজে কোন অর্থ প্রকাশ করে না।


– Auxiliary Verbs Sentence এর ভাব ও অর্থ প্রকাশ করতে Principal Verb কে সহয়তা করে।


– Auxiliary Verbs Tense, Voice ও Mood এর রূপ গঠনের জন্য Principal Verb কে সহয়তা করে।


➢Auxiliary Verb এর তালিকা :


 


am, is, are, was, were, be, being, been, have, has, had, shall, should, will, would, may, might, can, could, do, does, did, used (to), ought (to), dare (to)


➢Auxiliary Verb এর প্রকারভেদ :


Auxiliary Verb সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :


 


●I. Primary Auxiliaries/Tense Auxiliaries :


যে Verb গুলোকে বাক্যে Helping বা Auxiliary এবং কখনো কখনো Ordinary Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে Primary Auxiliaries/Tense Auxiliaries বলে।


♡Primary Auxiliaries/Tense


Auxiliaries গুলো নিম্নরূপ :


Verb to be : am, is, are, was, were

Verb to have : have, has, had

Verb to do : do, does, did


●II. Modal Auxiliaries :


ক্রিয়া সম্পাদনের ক্ষেত্রে Mood বা ধরণ বুঝানোর জন্য যে Auxiliaries ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে Modal Auxiliaries বলে।


♡Modal Auxiliaries গুলো নিম্নরূপ :


shall, should, will, would, may, might, can, could, used (to), ought (to), dare (to)


□❍➢2. Non-finite Verb (অসমাপিকা ক্রিয়া) :


যে Verb দ্বারা কোন বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় না এবং Subject এর Number ও Person দ্বারা যে Verb এর কোন রূপের পরিবর্তন হয় না তাকে Non-finite Verb বলে।


➢Non-finite Verb এর প্রকারভেদ :


__Non-finite Verb তিন ভাগে বিভক্ত। যথা :


___□➢a. Gerund :


Gerund হল verb+ing যার মধ্যে Noun ও Verb এর শক্তি কাজ করে। একে Double Parts of Speech ও বলা হয়।


 


¤》Example :


 


Swimming is a good exercise.

Sleeping is necessary to life.

She is fond of reading poems.


➢b. Participle :


Verb যে রূপ একসঙ্গে Verb ও Adjective এর কার্য সম্পন্ন করে তাকে Participle বলে।

.


____○□➢Participle এর প্রকারভেদ :


Participle তিন প্রকার। যথা :


••••➢I. Present Participle :


 


Verb এর ing form যখন Verb ও Adjective এর কাজ করে তখন তাকে Present Participle বলে।


¤》Example :


 


The book is interesting.

.

••••➢II. Past Participle :


যে Participle দ্বারা অতী


তে কোন কাজ সম্পন্ন হয়েছে বোঝায় তাকে Past Participle বলে।


Example :

I got a decorated room.

She had gone there.

••••➢III. Perfect Participle :


যদি Verb এর Past Participle এর পূর্বে having যুক্ত হয়ে Adjective ও Verb এর কার্য সম্পাদন করে কখন তাকে Perfect Participle বলে।


¤》Example :

The sun having risen, the fog disappeared.


____□➢c. Infinitive :


Verb এর Present form এর অাগে to


বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।


 


¤》Example :


To tell a lie is a great sin.

I come to see you.


_____●➢Conjugation of Verb :


Tense বা কাল অনুসারে Verb পরিবর্তন হওয়ার নিয়মকে Conjugation of Verb বলে।


Conjugation of Verb এর প্রকারভেদ : Conjugation of Verb দুই ভাগে বিভক্ত। যথা :


¤¤➢1. Strong Verb/Irregular Verb :


যে Verb এর মধ্যস্থিত Vowel পরিবর্তনের মাধ্যমে বা শেষে n, en, ne যোগ করে Past বা Past Participle গঠন করা হয়, সেগুলোকে Strong Verb বলে।


_______Transitive Strong Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :


Present – Past – Past Participle

Abide (মেনে চলা) – Abode – Abode

Behold (দেখা) – Beheld – Beheld

Bid (অাদেশ করা) – Bade – Bid

Find (খোজা) – Found – Found


Forsake (ত্যাগ করা) – Forsook – Forsaken

Forbid (নিষেধ করা) – Forbade – Forbidden

Go (যাওয়) – Went – Gone


Sing (গান গাওয়া) – Sang – Sung

Take (লওয়া) – Took – Taken

Write (লেখা) – Wrote – Written


_______Intransitive Strong Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :


Present – Past – Past Participle

Arise (উঠা) – Arose – Arisen

Awake (জাগা) – Awoke – Awaken

Be (হওয়া) – was/were – Been


Cling (লেগে থাকা) – Clang – Clung

Come (অাসা) – Came – Come

Creep (হামাগুড়িদেওয়া) – crept – Crept

Fall (পতিত হওয়া) – Fell – Fallen


Rise (উঠা) – Rose – Risen


________Transitive Verb ও Intransitive Verb উভয় হতে পারে এমন Strong Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :


Present – Past – Past Participle

Bear (বহন করা) – Bore – Borne

Bear (প্রসব করা) – Bore – Born


Become (হওয়া)- Became – Become

Begin (অারম্ভ করা) – Began – Begun


Beat (প্রহার করা)- Beat – Beaten

Bite (কামড়ানো) – Bit – Bit

Bind (বাঁধা)- Bound – Bound


Bleed (রক্তপাত হওয়া) – Bled – Bled

Blow (প্রবাহিত হওয়া)- Blew – Blown

Break (ভাঙ্গা) – Broke – Broken


Chide (তিরস্কার করা) – Chad – Chidden

Choose (পছন্দ করা)- Chose – Chosen

Dig (খনন করা)- Dug – Dug


Do (করা) – Did – Done

Draw (অাঁকা) – Drew – Drawn

Drive (চালানো)- Drove – Driven

Eat (খাওয়া) – Ate – Eaten


Feed (খাওয়ানো)- Fed – Fed

Fight (যুদ্ধ করা) – Fought – Fought

Fly (ওড়া) – Flew – Flown


Forgive (ক্ষমা করা) – Forgave – Forgiven

Forget (ভুলে যাওয়া)- Forgot – Forgotten

Freeze (জমে যাওয়া)- Froze – Frozen


Get (পাওয়া)- Got – Got

Give (দেওয়া) – Gave – Given

Grow (জন্মানো) – Grew – Grown


Hang (ঝুলানো) – Hung – Hung

Hide (লুকানো) – Hid – Hidden

Hold (ধরা, ধারণ করা) – Held – Held

Know (জানা) – Knew – Known


Make (তৈরি করা) – Made – Made

Meet (সাক্ষাৎ করা)- Met – Met

Mistake (ভুল করা)- Mistook – Mistaken

Ride (ঘোড়ায় চড়া) – Rode – Ridden


Ring – Rang – Rung

Reevaluate (পুনরায় মুল্যায়ন করা) – Reevaluated

See (দেখা) – Saw – Seen


Sit (বসা)- Sat – Sat

Sink – Sank – Sunk

Shrink – Shrank – Shrunk


Spring (লাফানো) – Sprang – Sprung

Speak (কথা বলা) – Spoke – Spoken


¤¤➢2. Weak Verb/Regular Verb :


যে Verb এর শেষে d, ed, t যোগ করে Verb এর Past ও Participle গঠন করা হয় তাকে Weak Verb বলে।


______Transitive Weak Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :


Present – Past – Past Participle


Abuse (অপব্যবহার করা) – Abused – Abused

Appropriate (অাত্মসাৎ করা) – Appropriated – Appropriated

Attract (অাকর্ষণ করা) – Attracted – Attracted


Authenticate (প্রমাণ করা)- Authenticated – Authenticated

Avoid (এড়িয়ে চলা) – Avoided – Avoided

Awe (অাতঙ্কিত করা) – Awed – Awed


Beautify (সুন্দর করা) – Beautified – Beautified

Blame (দোষ করা) – Blamed – Blamed

Bore (বিরক্ত করা) – Bored – Bored


Borrow (ধার করা)- Borrowed – Borrowed

Brutalize (নিষ্ঠুর করে তোলা) – Brutalized – Brutalized


Bureaucratise – (অামলাতন্ত্রিক করা) – Bureaucratised – Bureaucratised

Caution (সতর্ক করা) – Cautioned – Cautioned


 


Civilize (সভ্য করা/মার্জিত করা) – Civilized – Civilized

Commend (প্রশংসা করা/সুপারিশ করা) – Commended – Commended

Complete (সমাপ্ত করা) – Completed – Completed


Comprehend (উপলব্ধি করা) – Comprehended – Comprehended

Constitute (গঠন করা/স্থাপন করা) – Constituted – Constituted

Construct (নির্মাণ করা/গঠন করা) – Constru


 


Correct (ঠিক করা/সংশোধন করা) – Corrected – Corrected

Create (সৃষ্টি করা) – Created – Created


 


Deactivate (নিষ্ক্রিয় করা) – Deactivated – Deactivated

Decontrol (নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা) Decontrolled – Decontrolled

Devalue (মূল্য হ্রাস করা) – Devalued – Devalued


Disable (দুর্বল করা) – Disabled – Disabled

Disagree (ভিন্নমত পোষন করা) – Disagreed – Disagreed

Discuss (অালোচনা করা) – Discussed – Discussed

Distrust (অবিশ্বাস করা) – Distruste


d – Distrusted


Enable (সক্ষম করা) – Enabled – Enabled

Enact (অাইন পাস করা) – Enacted – Enacted

Encourage (উৎসাহ দেওয়া) – Encouraged – Encouraged


Entrust (বিশ্বাস স্থাপন করা) – Entrusted – Entrusted

Enjoy (উপভোগ করা) – Enjoyed – Enjoyed

Hate (ঘৃণা করা) – Hated – Hated


Have (অাছে) – Had – Had

Invalidate (বাতিল করা) – Invalidated – Invalidated

Lie (মিথ্যা বলা)- Lied – Lied

Like (পছন্দ করা) – Liked – Liked


Lend (ধার দেওয়া) – Lent – Lent

Loose (অালগা করা) – Loosed – Loosed

Love (ভালোবাসা) – Loved – Loved

Mean (অর্থ প্রকাশ করা) – Meant – Meant


Misapply (অপপ্রয়োগ করা) – Misapplied – Misapplied

Misappropriate (অাত্মসাৎ করা) Misappropriated – Misappropriated

Mistrust (সন্দেহ করা) – Mistrusted – Mistrusted


Need (প্রয়োজন হওয়া) – Needed – Needed

Place (স্থাপন করা) – Placed – Placed

Plan (পরিকল্পনা করা) – Planned – Planned


Procreate (সন্তান উৎপাদন করা) – Procreated – Procreated

Punish (শাস্তি দেওয়া) – Punished – Punished

Reactivate (পুনরায় সক্রিয় করা) – Reactivated – Reactiv


ated


Reappear (পুনরায় উপস্থিত হওয়া) – Reappeared – Reappeared

Recommend (সুপারিশ করা/পরামর্শ দেওয়া) Recommended – Recommended

Recreate (পুনরায় সৃষ্টি করা) – Recreated – Recreated


Reevaluate (পুনরায় মুল্যায়ন করা) – Reevaluated – Reevaluated

Signify (অর্থ বোঝানো) – Signified – Signified

Simplify (সহজবোধ্য করা) – Simplified – Simplified

Stroke (মৃদু অাঘাত করা) – Stroked – Stroked


Suspect (সন্দেহ করা) – Suspected – Suspected

State (বর্ণনা করা) Stated – Stated

Thank (ধন্যবাদ দেওয়া) – Thanked – Thanked

Tolerate (সহ্য করা) – Tolerated – Tolerated


Use (ব্যবহার করা) – Used – Used

Undervalue (অবমূল্যায়ন করা) – Undervalued – Undervalued

Value (দরকষাকষি করা) – Valued – Valued


_______Intransitive Weak Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :


 


Present – Past – Past Participle


 


Appear (হাজির হওয়া)- Appeared – Appeared

Arrive (পৌছানো) – Arrived – Arrived

Care (যত্ন নেওয়া) – Cared – Cared

Cohere (সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া) – Cohered – Cohered

Compete (প্রতিযোগিতা করা) – Competed – Competed

Consist (গঠিত হওয়া) – Consisted – Consisted

Cooperate (সহযোগিতা করা) – Cooperated – Cooperated

Die (মারা যাওয়া) – Died – Died

Disappear (অদৃশ্য হওয়া) – Disappeared – Disappeared

Discourage (নিরাশ করা) Discouraged – Discouraged

Dwell (বাস করা)- Dwelled – Dwelled

Gaze (একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা) – Gazed – Gazed

Interact (পারস্পরিক ক্রিয়া করা) – Interacted – Interacted

Kneel (হাটু গেড়ে বসা) – Knelt – Knelt

Sympathize (সহানুভূতি দেখানো) – Sympathized – Sympathized

Wax (অালোকিত অংশ বৃদ্ধি পাওয়া) – Waxed – Waxed

.

________Transitive Verb ও Intransitive Verb উভয় হতে পারে এমন Weak Verb এর Present, Past, Past Participle From নিচে দেওয়া হলো :

Present – Past – Past Participle

Accept (গ্রহণ করা) – Accepted – Accepted

Account (হিসাব করা, কারণ ব্যাখ্যা করা) – Accounted – Accounted

Act (কাজ করা/অভিনয় করা) – Acted – Acted


 


Add (যোগ করা) – Added – Added

Admit (ভর্তি হওয়া) – Admitted – Admitted

Advise (উপদেশ দেওয়া)- Advised – Advised

Agree (রাজি হওয়া)- Agreed – Agreed


Allow (বন্টন করা) – Allowed – Allowed

Apply (অাবেদন করা) Applied – Applied

Arrange (সজ্জিত করা)- Arranged – Arranged

Ask (প্রশ্ন করা)- Asked – Asked


Attain (অর্জন করা) – Attained – Attained

Attend (মনযোগ দেওয়া) – Attended – Attended

Avail (গ্রহণ করা/কাজে লাগানো) – Availed – Availed

Beg (ভিক্ষা করা)- Begged – Begged


Believe (বিশ্বাস করা) Believed – Believed

Bend (নোয়ানো)- Bent – Bent

Boil (সেদ্ধ করা)- Boiled – Boiled

Burry (কবর দেওয়া) – Buried – Buried


Burst (প্লাবিত হওয়া) – Burst – Burst

Build (নির্মাণ করা)- Built – Built

Burn (পোড়ানো) – Burnt – Burnt

Buy (ক্রয় করা) – Bought – Bought


Cancel (বাতিল করা) – Canceled – Canceled

Catch (ধরা) – Caught – Caught

Carry (বহন করা)- Carried – Carried

Charge (অভিযোগ করা) – Charged – Charged

Change (পরিবর্তন করা)- Changed – Changed


Cheer (উৎসাহিত করা) – Cheered – Cheered

Clean (পরিষ্কার করা) – Cleaned – Cleaned

Clear (পরিষ্কার করা) Cleared – Cleared


Climb (গাছে চড়া) – Climbed – Climbed

Close (বন্ধ করা)- Closed – Closed

Compare (তুলনা করা)- Compared – Compared


Conceive (ধারণা করা) Conceived – Conceived

Conclude (সমাপ্ত করা) – Concluded – Concluded

Confide (বিশ্বাস করা) – Confided – Confided


Continue (চলতে থাকা\চালিয়ে যাওয়া) – Continued – Continued

Cry (কান্না করা) – Cried – Cried

Dance (নাচা) -Danced – Danced


Dare (সাহস করা)- Dared – Dared

Deal (ব্যবসা করা)- Dealt – Dealt

Delay (দেরি করা)- Delayed – Delayed

Disbelieve (অবিশ্বাস করা) Disbelieved – Disbelieved


Discontinue (বন্ধ হওয়া) – Discontinued – Discontinued

Divide (ভাগ করা) – Divided – Divided

Dream (স্বপ্ন দেখা) – Dreamt – Dreamt


Drop (ফোটায় ফোটায় ফেলা)- Dropped – Dropped

Dry (শুকানো) – Dried – Dried

End (সমাপ্ত হওয়া)- Ended – Ended

Fail (ব্যর্থ হওয়া)- Failed – Failed


 


Fill (পূর্ণ করা)- Filled – Filled

Fix (স্থির করা) – Fixed – Fixed

Hang (ঝোলানো) – Hanged – Hanged

Hear (শোনা) – Heard – Heard


Help (সাহায্য করা) – Helped – Helped

Hop (লাফানো) – Hopped – Hopped

Hope (অাশা করা) – Hoped – Hoped

Hurry (তাড়িঘড়ি করা) – Hurried – Hurried

Jump (লাফানো)- Jumped – Jumped


Keep (রাখা) – Kept – Kept

Laugh (হাসা)- Laughed – Laughed

Lay (শয়ন করা) – Laid – Laid

Learn (শিক্ষার্জন করা) – Learnt – Learnt

Leave (ত্যাগ করা) – Left – Left


Load (বোঝায় করা)- Loaded – Loaded

Lock (চাবি দেওয়া) – Locked – Locked

Look (দেখা)- Looked – Looked

Lose (ক্ষতি হওয়া বা করা)- Lost – Lost

Live (বাস করা)- Lived – Lived


Marry (বিয়ে করা) – Married – Married

Move (ঘোরা) – Moved – Moved

Obey (মেনে চলা) – Obeyed – Obeyed

Open (খোলা) – Opened – Opened

Own (নিজের অধিকারে রাখা) – Owned – Owned

Pass (উত্তীর্ণ করা) – Passed – Passed


Paint (চিত্রাঙ্কন করা) – Painted – Painted

Pat (অাদর করে চাপড়ানো) – Patted – Patted

Pay (পরিশোধ করা)- Paid – Paid


Pull (টানা) – Pulled – Pulled

Push (ঠেলা) – Pushed – Pushed

Rain (বৃষ্টিপাত হওয়া) – Rained – Rained

Reach (পৌছানো) – Reached – Reached


Read (পড়া) – Read – Read

Rear (লালন পালন করা) – Reared – Reared

Reapply (পুনরায় অাবেদন করা) – Reapplied – Reapplied

Refuse (প্রত্যাখান করা)- Refused – Refused


Refer (উল্লেখ করা) – Referred – Referred

Rub (ঘষা)- Rubbed – Rubbed

Sow (বপন করা) – Sowed – Sowed

Seek (খোজা) – Sought – Sought


Sell (বিক্রয় করা)- Sold – Sold

Sew (সেলাই করা)- Sewed – Sewed

Say (বলা)- Said – Said

Show (দেখানো)- Showed – Showed

Sleep (ঘুমানো) – Slept – Slept


Stabilize (স্থির করা) – Stabilized – Stabilized

Start (শুরু করা) – Started – Started

Stay (অবস্থান করা) – Stayed – Stayed

Stop (থামা)- Stopped – Stopped


Smell (গন্ধ ছড়ানো) – Smelt – Smelt

Spend (ব্যয় করা)- Spent – Spent

Sweep (ঝাড়ু দেওয়া) – Swept – Swept

Succeed (সফল হওয়া) – Succeeded – Succeeded


Suffice (পর্যাপ্ত হওয়া) – Sufficed – Sufficed

Suit (উপযুক্ত হওয়া) – Suited – Suited

Taste (স্বাদ গ্রহণ করা) – Tasted – Tasted


Think (চিন্তা করা) – Thought – Thought

Tell (বলা)- Told – Told

Tire (ক্লান্ত হওয়া) – Tired – Tired

Travel (ভ্রমণ করা) – Traveled – Traveled

Treat (চিকিৎসা করা) – Treated – Treated


Trust (বিশ্বাস করা) – Trusted – Trusted

Try (চেষ্টা করা)- Tried – Tried

Vary (পরিবর্তন করা) – Varied – Varied

Wait (অপেক্ষা করা) – Waited – Waited


Walk (হাটা)- Walked – Walked

Want (চাওয়া)- Wanted – Wanted

Wash (ধৌত করা)- Washed – Washed

Waste (অপচয় করা) – Wasted – Wasted

Watch (দেখা) – Watched – Watched


Water (পানি দেওয়া) – Watered – Watered

Weep (কাঁদা) – Wept – Wept


Wish (ইচ্ছা করা) – Wished – Wished

Work (কাজ করা) – Worked – Worked

ফেসবুকে যাদের রিচ ডাউন কিভাবে রিচ বাড়াবেন বিস্তারিত জেনে নিন

 📌📉 ফেসবুকে যাদের রিচ ডাউন কিভাবে রিচ বাড়াবেন বিস্তারিত জেনে নিন

ফেসবুকে রিচ (Reach) কমে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে যখন ফেসবুকের অ্যালগরিদম পরিবর্তন হয় বা আপনি নিয়মিতভাবে কনটেন্ট পোস্ট না করেন। নিচে ফেসবুকে রিচ বাড়ানোর কিছু কার্যকর উপায় দেওয়া হলো:


✅ ১. মানসম্পন্ন ও আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করুন

ভিজ্যুয়াল (ছবি/ভিডিও) ব্যবহার করুন — ভিডিও পোস্টগুলো সাধারণত বেশি রিচ পায়।


সংক্ষিপ্ত, পরিষ্কার এবং আকর্ষণীয় ক্যাপশন লিখুন।


গল্প বলার মতো করে কনটেন্ট উপস্থাপন করুন।


✅ ২. অ্যালগরিদম বান্ধব পোস্টিং টাইম

আপনার অডিয়েন্স কখন অনলাইনে থাকে, সেই সময় পোস্ট করুন (যেমন: সন্ধ্যা ৭টা - রাত ৯টা)।


Facebook Insights ব্যবহার করে সময় নির্বাচন করুন।


✅ ৩. লাইভ ভিডিও করুন

ফেসবুক লাইভ ভিডিও অ্যালগরিদমে বেশি অগ্রাধিকার পায়।


লাইভে Viewers-এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে Engagement বাড়ে।


✅ ৪. Engagement বাড়ান (Like, Comment, Share)

প্রশ্ন করে বা মতামত চেয়ে পোস্ট দিন।


Poll, Quiz বা Giveaway চালু করুন।


কমেন্টে রিপ্লাই দিন, যাতে ফেসবুক বুঝে পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ।


✅ ৫. হ্যাশট্যাগ ও লোকেশন ট্যাগ ব্যবহার করুন

বিষয়ভিত্তিক জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ যুক্ত করুন।


পোস্টের লোকেশন ট্যাগ করলে লোকাল অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছায়।


✅ ৬. গ্রুপ শেয়ার ও কমিউনিটি তৈরি করুন

আপনার কনটেন্টকে আপনার নিজস্ব বা সম্পর্কিত গ্রুপে শেয়ার করুন।


নিজস্ব Facebook Group খুলে সেখানে রেগুলার কনটেন্ট শেয়ার করুন।


✅ ৭. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন

নিয়মিত পোস্ট করুন (দিনে ১-২ বার)।


হঠাৎ করে অনিয়মিত হলে রিচ কমে যায়।


📌 শেষ কথা:

ফেসবুক রিচ কমে যাওয়া মানে আপনি ব্যর্থ নন।

এটা শুধু অ্যালগরিদমকে বোঝা আর নিয়ম মেনে চলার ব্যাপার।

আপনি যদি নিয়ম জানেন আর কনটেন্টে ভ্যালু দেন – তাহলে আপনার রিচ আবার আগের চেয়েও ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।


আমি Akram Mahamud  Android lecture  থেকে বলছি – যদি এই ধরনের ভিডিও ভালো লাগে, তাহলে ফলো করুন, লাইক দিন, আর বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!

স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে অনেক ডিগ্রি অর্জন করে ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন

 “আমি ক্লাসে এত করিয়া ছাত্রদের পড়াইলাম, যে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়িয়া চন্দ্রগ্রহণ হয় । তাহারা তা পড়িল, লিখিল, নম্বর পাইল, পাস করিল । কিন্ত মজার ব্যাপার হইল যখন আবার সত্যি সত্যি চন্দ্রগ্রহণ হইল তখন চন্দ্রকে রাহু গ্রাস করিয়াছে বলিয়া তাহারা ঢোল, করতাল, শঙ্খ লইয়া রাস্তায় বাহির হইয়া পড়িল । ইহা এক আশ্চর্য ভারতবর্ষ ।”


আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় একজন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ, শিক্ষক, দার্শনিক, কবি, বিজ্ঞান লেখক, ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’র প্রতিষ্ঠাতা, ‘মার্কারি নাইট্রেট’র আবিষ্কারক, দেশি শিল্পায়ন উদ্যোক্তা ও অধ্যাপক ৷ আচার্য স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় পি সি রায় নামেই সমাধিক পরিচিত(CIE, FNI, FRASB, FIAS, FCS) ৷


স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে অনেক ডিগ্রি অর্জন করে ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন । দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সী কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন । প্রায় ২৪ বছর তিনি এই কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন । অধ্যাপনাকালে তার প্রিয় বিষয় রসায়ন নিয়ে তিনি নিত্য নতুন অনেক গবেষণাও চালিয়ে যান । তাঁর উদ্যোগে তাঁর নিজস্ব গবেষণাগার থেকেই ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল’ কারখানা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীকালে ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে তা কলকাতার মানিকতলায় ৪৫ একর জমিতে স্থানান্তরিত করা হয় । তখন এর নতুন নাম রাখা হয় ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড’ ৷


নিজের বাসভবনে দেশীয় ভেষজ নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে তিনি তার গবেষণাকর্ম আরম্ভ করেন । তাঁর এই গবেষণাস্থল থেকেই পরবর্তীকালে বেঙ্গল কেমিক্যাল কারখানার সৃষ্টি হয় যা ভারতবর্ষের শিল্পায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে । তাই বলা যায় বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের শিল্পায়নে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য ।


১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO2) আবিষ্কার করেন যা বিশ্বব্যাপী আলোড়নের সৃষ্টি করে । এটি তাঁর অন্যতম প্রধান আবিষ্কার । তিনি তাঁর সমগ্র জীবনে মোট ১২টি যৌগিক লবণ এবং ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন ।


 আচার্য দেবের দেশপ্রেম তাকে ইউরোপে থেকে ফিরিয়ে এনেছিল । দেশে এসেও তিনি তার সেই স্বদেশপ্রীতির পরিচয় দিয়েছেন । তিনি ক্লাসে বাংলায় লেকচার দিতেন । বাংলা ভাষা তাঁর অস্তিত্বের সাথে মিশে ছিল । তার বাচনভঙ্গী ছিল অসাধারণ যার দ্বারা তিনি ছাত্রদের মন জয় করে নিতেন খুব সহজেই । তিনি সকল ক্ষেত্রেই ছিলেন উদারপন্থী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ।


আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় খুলনা জেলার রাড়ুলি-কাটিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, ২রা আগস্ট ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে এবং তিনি প্রয়াণবরণ করেন ১৬ই জুন, ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতায় ৷


এই কিংবদন্তি বিজ্ঞানী ও মনীষী ব্যক্তিত্বের প্রতি জানাই অশেষ শ্রদ্ধা ও সম্মান ৷


ছবি: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফারমাসিউটিক্যাল ল্যবে কর্মরত আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ৷


সৌজন্যে: রকি/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#bdcs #AcharyaPRAFULLAChandraRoy #1930s #oldphotograph #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...