এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০১-০৫-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০১-০৫-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশে আজ পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস --- শ্রমিক-মালিকের সহযোগিতাই পারে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ জাতি গড়তে --- বাণীতে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে সরকার --- মে দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার --- জানালেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা।


বিশেষ পরিস্থিতির সরকার কখনোই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নয় --- শ্রমিক দলের মে দিবসের আলোচনায় বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।


টেকসই বাংলাদেশ গড়তে শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিকল্প নেই --- বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির।


পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর  ইসলামাবাদের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করলো নতুন দিল্লী।  


এবং জয়পুরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এখন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মোকাবেলা করছে রাজস্থান রয়্যালস।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ০১-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ০১-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে গৃহীত উদ্যোগসমূহ ত্বরান্বিত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ।


দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত আধুনিক বিমান বাহিনী গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে -অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অঙ্গীকার।


আজ ঐতিহাসিক মে দিবস - এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে, গড়বো এ দেশ নতুন করে’ ।  


ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আদালত অবমাননার অডিও রেকর্ডের ফরেনসিক প্রমাণ  পেয়েছে আইসিটি।


অনলাইনে নতুন প্লাটফর্ম ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার - এক প্লাটফর্মে পাওয়া যাবে একশো নাগরিক সেবা।


যুক্তরাষ্ট্রকে ইউক্রেনের মূল্যবান বিরল খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষর করলো ওয়াশিংটন ও কিয়েভ।


চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ - সিরিজ এক-এক এ ড্র।

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

ট্রায়াঙ্গল রহস্য --

 

 ট্রায়াঙ্গল রহস্য ---🔸

একটা কথা চলে আসছে অনেক দিন থেকে। বারমুডা অঞ্চলে নাকি জাহাজ,নৌকা বা আকাশ পথে যাওয়ার সময় উড়োজাহাজ রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। খোঁজ-খবর নাকি আর পাওয়া যায় না। এই বারমুডা রহস্যের ব্যাপারটা কী?

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হলো আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ত্রিভুজাকৃতির একটি বিশেষ অঞ্চল। এর এক কোণে বারমুডা দ্বীপ আর অন্য দুই প্রান্তে মায়ামি বিচ ও পুয়ের্তে রিকোর সান জুয়ান। সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পাঁচটি টিভিএম অ্যাভেঞ্জার উড়োজাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী উড়োজাহাজ রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। সেই থেকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্য কথাটার চল। এরপরও বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ সেখানে নিখোঁজ হয়েছে।

তবে নির্ভরযোগ্য উৎসগুলো বলে এর মধ্যে কোনো রহস্য নেই। কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে বটে। ওগুলো নিছক দুর্ঘটনাই। ওই এলাকা দিয়ে ইউরোপ,আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে প্রচুর জাহাজ চলাচল করে। উড়োজাহাজের যাতায়াতও খুব বেশি। এ রকম এলাকায় মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। সেটা অচিন্তনীয় হলে অনেকে তার মধ্যে রহস্য খোঁজেন। আসলে এর মধ্যে রহস্যের কিছু নেই।

ওই অঞ্চলে কম্পাস কাঁটা চুম্বকীয় উত্তর মেরু নির্দেশ করে যা ভৌগোলিক উত্তর মেরু থেকে প্রায় ১১০০ মাইল দূরে। ক্যারিবীয় অঞ্চলে এই পার্থক্য কম্পাস কাঁটায় প্রায় ২০ ডিগ্রি। জাহাজ বা অ্যারোপ্লেন চালানর সময় এই পার্থক্য হিসাবে রাখা হয়। যদি কোনো কারণে ভুল হয় তাহলে নানা বিভ্রাট লাগতে পারে। তা ছাড়া ওই এলাকায় উপসাগরীয় স্রোতোধারার প্রবল ঢেউয়ের উপদ্রব বেশি,আছে টর্নেডোর ঝড়ঝাপটা। এ সবের পাল্লায় পড়লে আকস্মিক দুর্ঘটনার প্রকোপ একটু বেশি মনে হতেই পারে।

তাই মনে হয় ওই এলাকাটাই রহস্যজনক বিপদের একটি আখড়া। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন,ওসব কথার ভিত্তি নেই। যদি তাই হতো,তাহলে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ-উড়োজাহাজের বিমার হার অন্যান্য এলাকার চেয়ে বেশি হতো। অথচ সেখানে বাড়তি বিমা তো আরোপ করা হয় না! বিমা কোম্পানিগুলো যা হিসেবি,তাতে ওরা রহস্যের সন্ধান পেলে বিমার হার অবশ্যই বাড়িয়ে ধরত।

আসল কথা হলো পত্র-পত্রিকা ও অন্যান্য গণমাধ্যম স্বভাবতই ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বেশি আগ্রহী। একটু গন্ধ পেলেই তা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তোলে। গাদা গাদা রহস্যোপন্যাসও বেরিয়েছে। কিন্তু এসবের পেছনে সত্যতা নেই। রহস্যের কিছু নেই।

সংগৃহীত

ভুলেও যে গাছ লাগাবেন না কিংবা অপরকে লাগানো থেকে বিরত রাখবেন

 💥🚫ভুলেও যে গাছ লাগাবেন না কিংবা অপরকে লাগানো থেকে বিরত রাখবেন: চারদিকে গাছ রোপনের হিড়িক পড়েছে। কেউ বুঝে আবার কেউ না বুঝেই, কেউ প্রচারণার জন্য সস্তা গাছ লাগাচ্ছে কেউ আবার ট্রেন্ডিং এর কারনে।


গাছ বা বনকে বলা হয় পরিবেশের রক্ষাকবচ। তবে এই গাছেই আবার হয়ে উঠতে পারে পরিবেশের জন্য বিপদজনক কারণ সব গাছেই যে অক্সিজেন দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে ব্যপারটা কিন্তু এমন নয়।


এমন অনেক গাছ আছে যারা পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করাসহ আরো নানাভাবে অনেক ক্ষতি করে থাকে। যেমন:- ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, শিশু ইত্যাদি ইত্যাদি।


আপনারা যারাই গাছ রোপণ কিংবা বিতরণ করবেন তারা অবশ্যই ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, শিশু ইত্যাদি চারা বাদে রোপণ করার চেষ্টা করবেন। সস্তায় গাছ লাগিয়ে পরিবেশের বিপদ টেনে আনবেন না প্লিজ।

ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের ক্ষতিকর প্রভাব অনেক।

 

ইউক্যালিপটাস গাছ প্রচুর অক্সিজেন শোষণ করে এবং নাইট্রোজেন ত্যাগ করে। প্রচুর পানি শোষণ করার ফলে এই গাছ আশ পাশের জমির পানি শুষে নেয়। এই গাছের আশ পাশে অন্য প্রজাতির গাছ জন্মাতে পারে না। এ গাছ মাটিকে শুষ্ক করে ফেলে, ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়। আর এ গাছ কেটে ফেললেও মাটির উর্বরতা ফিরে আসতে দীর্ঘ সময় লাগে।

তাই চেষ্টা করবেন কিছু টাকা বাড়িয়ে ফলজ এবং ঔষধি গাছ রোপণ করতে, এক্ষেত্রে- আম গাছ, নীম গাছ, তাল গাছ আদর্শ হতে পারে.......

বিশেষজ্ঞারা বলছেন, তালগাছে কার্বনের স্তর বেশি থাকায় তা বজ্রপাত নিরোধে সহায়তা করে। কারণ, তালগাছের বাকলে পুরু কার্বনের স্তর থাকে। 


তালগাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক থেকেও বজ্রপাত নিরোধে সহায়ক। তালগাছের পাশাপাশি নারকেল গাছ, সুপারি গাছের মতো উচ্চতা সম্পন্ন গাছ বজ্রপাত নিরোধে বেশ কার্যকর।


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য

আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল কি কি জাত আবাদ করবেন?

 আমন মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল কি কি জাত আবাদ করবেন?

#ব্রিধান১০৩ দানা লম্বা চিকন ও সাদা

জীবনকাল: ১৩৩দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২৪-২৫ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৫ (দানা মাঝারি মোটা ও সাদা)

জীবনকাল: ১২৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২০-২২ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৪ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১৩৪ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ২০-২৩ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯৩ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১৩৪ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৯-২৩ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৯০ (চাল চিকন ও সাদা সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১২২ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৬ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৮৭ (দানা লম্বা ও চিকন)

বিঘা প্রতি ফলন: ২২ মন (শুকনো)

জীবনকাল: ১২৭ দিন


#ব্রিধান৮০ (চাল মোটা ও সাদা সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১৩০-১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৭৯ (চাল লম্বা ও মোটা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল: ১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৭৫ (দানা মাঝারী চিকন) 

জীবনকাল:১১০-১১৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ১৮ মন (শুকনো)


ব্রি ধান৭১ (মাঝরি লম্বা ও সাদা)

জীবনকাল: ১১৪-১১৭ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭-২০ মন


#ব্রিধান৭০ (চাল লম্বা চিকন ও সাদা সুগন্ধি যুক্ত) 

জীবনকাল: ১৩০ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৬ মন (শুকনো)


#ব্রিধান৫২ (চাল লম্বা ও মোটা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল: ১৪৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৫১ (চাল মাঝারি চিকন স্বচ্ছ ও সাদা) বন্যা সহনশীল 

জীবনকাল:১৪৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৬-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৪৯ (চাল মাঝারি মোটা ও সাদা)

জীবনকাল: ১৩৫ দিন

বিঘা প্রতি ফলন: ১৫-১৮ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৩৪ (দানা চিকন সুগন্ধি) 

জীবনকাল: ১৩৫ দিন।

বিঘা প্রতি ফলন: ১৩-১৪ মন


#ব্রি হাইব্রিড ধান৬ (চাল লম্বা ও চিকন)

জীবনকাল:১১০-১১৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ২২ মন (শুকনো)


#ব্রি ধান৫১ (চাল মাঝারী চিকন স্বচ্ছ ও সাদা)

জীবনকাল: ১৪৫ দিন 

বিঘা প্রতি ফলন: ১৭ মন (শুকনো)


#ব্রি হাইব্রিড ধান৪ (দানা চিকন লম্বা ও সাদা) 

জীবনকাল: ১২৭ দিন। 

বিঘায় ফলন: ২০-২২ মন।


#ব্রি হাইব্রিড ধান৬ (দানা চিকন) 

জীবনকাল: ১১০-১১৫ দিন। 

বিঘায় ফলন:২২-২৩ মন


কৃষি বিষয় জানতে এবং কৃষি বিষয় পরামর্শ পেতে এই পেজের সঙ্গে থাকুন ধন্যবাদ।

পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স

 পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥

স্ক্যাবিস (Scabies) একটি ছোঁয়াচে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র মাকড়সার (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই মাকড়সা ত্বকের উপরিভাগে গর্ত তৈরি করে এবং ডিম পাড়ে, যার ফলে ত্বকে তীব্র চুলকানি এবং ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:

 * তীব্র চুলকানি: বিশেষ করে রাতে চুলকানি বাড়ে।

 * ফুসকুড়ি: ছোট ছোট লালচে দানা বা ফোস্কার মতো দেখা যায়।

 * গর্তের চিহ্ন: ত্বকের উপর ছোট, আঁকাবাঁকা, ধূসর বা সাদা রঙের সরু রেখা দেখা যেতে পারে, যা মাকড়সার তৈরি করা গর্ত।

স্ক্যাবিস সাধারণত নিম্নলিখিত স্থানগুলোতে বেশি দেখা যায়:

 * আঙুল ও পায়ের আঙুলের মাঝে

 * কবজি

 * কনুই ও হাঁটুর ভাঁজে

 * বগলের নিচে

 * কোমর

 * নিতম্ব

স্ক্যাবিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে আসা, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা কাপড়, বিছানা ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

যদি আপনার মনে হয় আপনার স্ক্যাবিস হয়েছে, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ত্বকের নমুনা নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারেন। স্ক্যাবিসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় যা মাকড়সা এবং তাদের ডিম ধ্বংস করে। পরিবারের সকল সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও একই সময়ে চিকিৎসা করানো উচিত, এমনকি তাদের লক্ষণ না থাকলেও। এছাড়া, ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা গরম পানিতে ধুয়ে বা ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

✍️ সংগৃহিত

@followers

থানকুনি পাতার – যাদুকরী গুন জানুন

 থানকুনি পাতার – যাদুকরী গুন জানুন

✦✦✦

চোখের সামনে যা দেখি, সবকিছুর পেছনেই আছে স্বাস্থ্যবান মন ও শরীর। আর এই স্বাস্থ্য ফিরে পেতে থানকুনি পাতা হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী!


কি মিলবে এই সবুজ পাতায়?

১. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় – ছাত্রছাত্রীদের জন্য দুর্দান্ত!

২. পাকস্থলীর সমস্যা দূর করে – গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. ক্ষত সারাতে সাহায্য করে – প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক!

৪. রক্ত পরিশোধন করে – ভেতর থেকে শরীর পরিষ্কার রাখে।

৫. ত্বকে আনে উজ্জ্বলতা – নিয়মিত খেলে ত্বকে জেল্লা ফিরে আসে।


ব্যবহার কীভাবে করবেন?


সকালে খালি পেটে ৫-৭টি পাতা চিবিয়ে খান


থানকুনি পাতার রস এক চামচ করে পান করুন


পাতার পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে নিন সরাসরি


সতর্কতা: অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


প্রকৃতির কাছে ফিরে যান, সুস্থতা ফিরে পান।

– সুনীল চন্দ্র রায়


#থানকুনি

#প্রাকৃতিকচিকিৎসা

#ভেষজউপকারিতা

#আয়ুর্বেদ

#প্রাকৃতিকউপায়

#থানকুনিপাতা

#ভেষজচিকিৎসা

#ঘরোউপচার

#ভালথাকুনপ্রাকৃতিকভাবে

#Herbalremedyforhighbloodsugar 

#HealthyLivingঅবশ্যই

সময় হিরার চেয়েও দামী — একটি ভাবনামূলক প্রবন্ধ সময়—

 সময় হিরার চেয়েও দামী — একটি ভাবনামূলক প্রবন্ধ সময়—একটি শব্দ, যার ভেতর লুকিয়ে আছে মহাবিশ্বের নীরব ধাবন, জীবনের অদৃশ্য স্রোত, আর প্রতিটি প্রাণের নিঃশ্বাস। মানুষ জন্মলগ্ন থেকে মৃত্যুর অন্তিম প্রহর পর্যন্ত সময়ের হাতে বাঁধা এক যাত্রী মাত্র। সে চায় বা না-চায়, সময় এগিয়ে চলে আপন গতিতে, কারও জন্য এক মুহূর্ত থেমে থাকে না। হীরা যেমন দ্যুতিময়, মূল্যবান, তেমনি সময়ও দামী—তবে তার মূল্য হীরারও ঊর্ধ্বে। হীরা হারালে আবার পাওয়া যায়, কিন্তু হারানো সময় ফিরে আসে না। আর সেই জন্যই বলা হয়—সময় হিরার চেয়েও দামী।


হীরার দীপ্তি চোখে পড়ে, তার দাম টাকায় মাপা যায়। কিন্তু সময়ের মূল্য টাকার কষাঘাতে ধরা পড়ে না। সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত অদৃশ্য অথচ জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন। যে ব্যক্তি সময়কে সঙ্গী করে, শৃঙ্খলা আর অধ্যবসায়ের পথে চলে, সে জীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের ছোঁয়া পায়। ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে—নেপোলিয়ন থেকে নিউটন, রবীন্দ্রনাথ থেকে আব্দুল কালাম—সময়ের প্রতিটি মুহূর্তকে সোনায় রূপান্তর করার মাধ্যমেই তাঁরা হয়েছিলেন কালজয়ী।


কিন্তু সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সে নীরবে চলে চলে, ঝরে পড়ে পত্রপল্লবের মতো। সময়ের অপচয় মানে জীবনের অপচয়। একজন ছাত্র যদি পাঠ্যসময়কে অলসতায় হারিয়ে ফেলে, ভবিষ্যতে তার গন্তব্য হয় অনিশ্চিত। কর্মজীবনে সময়ের অপব্যবহার ব্যক্তিকে নামিয়ে দেয় ব্যর্থতার অন্ধকারে। এমনকি পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কেও সময়ের যথাযথ বিনিয়োগ না হলে তৈরি হয় দূরত্ব, ক্ষয়ে যায় ভালোবাসা।


সময় যে শুধু কাজের উপকরণ তা নয়—এটি সম্পর্ক, স্নেহ, শিল্প, সাধনা, ও মানবিকতার প্রাণ। একটি সকালের মৃদু আলো যেমন জীবনের সূচনা নির্দেশ করে, তেমনি সময়ের সদ্ব্যবহার আমাদের জীবনকে করে তোলে পরিপূর্ণ ও অর্থবহ।


সময় এক মহামূল্যবান রত্ন, যার দীপ্তি হীরার চাইতেও উজ্জ্বল, যার গরিমা শব্দে প্রকাশ করা দুঃসাধ্য। সময়ই একমাত্র সম্পদ, যা সকলের কাছে সমান, অথচ যার ব্যবহারে গড়ে ওঠে পার্থক্য—বড় আর ছোট, সফল আর ব্যর্থ, স্মরণীয় আর বিস্মৃত মানুষদের মাঝে। তাই আমাদের উচিত, প্রতিটি মুহূর্তকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করা, সময়কে শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা। মনে রাখতে হবে—হীরা দিয়ে সময় কেনা যায় না, কিন্তু সময় দিয়ে অর্জন করা যায় হাজার হীরার মূল্য।।


#জীবন_চক্র

একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমার পাশে একগ্রুপ অপরিচিতা ভাবি বসেছিলো। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে আমি "বিয়ে খাওয়ার" কিছু টেকনিক জানলাম। তাদের আলোচ্য বিষয়বস্তুর সারমর্ম, 

 একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমার পাশে একগ্রুপ অপরিচিতা ভাবি বসেছিলো। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে আমি "বিয়ে খাওয়ার" কিছু টেকনিক জানলাম। তাদের আলোচ্য বিষয়বস্তুর সারমর্ম, 

*বিয়ের দাওয়াতে অতি অবশ্যই ফার্স্ট ব্যাচে বসতে হবে৷ তা না হলে, "বিয়ে খাওয়াই" বৃথা৷ 

*দাওয়াতে যথাসম্ভব ঢিলা কিন্তু গর্জিয়াস ড্রেস পরিধান করে আসতে হবে।

*পানি তো ভুলেও খাওয়া যাবে না।

*বিয়েবাড়িতে ঢুকে ভুলেও কফি খাওয়া যাবে না। কফি হচ্ছে ক্ষুধা নষ্ট করার একটা ফাঁদ।

*বেছে বেছে শুধু কাচ্চির মাংস নিতে হবে এবং বাচ্চার প্লেটে টাল করে তুলে দিতে হবে৷ ভুলেও রাইস নেওয়া যাবে না৷ রাইস নিলে গিফটের টাকা উসুল হবে না।


এই সার্কেলের পাশে খেতে হবে ভেবেই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। আমি আন্ডাবাচ্চা নিয়ে আরেকটা টেবিলে গিয়ে ঘাঁটি গাড়লাম। আপারা আলোচনায় যে ট্রেইলার দেখিয়েছেন, আসল সিনেমা যে খাবার সার্ভের পরে শুরু হবে, তা আর বোঝার বাকি রইলো না।


খাবার যখন সার্ভ করা হলো তখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখি যে, একেকজন গেস্ট দুই গ্লাস ভরতি করে বোরহানি নিয়েছেন। অথচ এক গ্লাসও শেষ করতে পারেনি অধিকাংশই। ২ গ্লাস মানে হচ্ছে হাফ লিটার বোরহানি। যা অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই শেষ করা সম্ভব হয় না।


এরপর আসি পোলাও বা কাচ্চির কথায়। মহাস্মার্ট, শিক্ষিত (ভাবসাবে তো তাই মনে হয়) মানুষজনকেও দেখলাম প্লেটে টাল করে কাচ্চির মাংস, রোস্ট আর আলু নিয়েছে৷ ইভেন আশেপাশে থেকে এমন কথাও কানে এসেছিলো যে, "বিয়েবাড়িতে রাইস খায় কোন ছাগলে?"


অথচ খাওয়া শেষে উঠে দেখি যে,সবার প্লেটেই টাল করে মাংস, কাবাব আর রোস্ট রয়েই গিয়েছে। এতো খাবার নষ্ট হয়েছে যে, তা দিয়ে আরেক ব্যাচ মানুষ ইজিলি খেতে পারবে। খাওয়া শেষে হাত ধুতে যখন উঠলাম, দেখি এক আপা ব্যাগে জালি কাবাব ভরছেন, তার মুখে নোবেলবিজয়ীর হাসি। 


আমার শুধু হোস্টের মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠলো৷ হোস্ট হচ্ছেন আমার দূরসম্পর্কের এক ফুপা। যিনি কি না তার পার্থিব জীবনের সমস্ত সঞ্চয় সহ আরো লোন নিয়ে এই বিয়ের আয়োজনের জন্য খরচ করে ফেলেছেন।

গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

 🍅☀️ গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

জানুন গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি! 💰🌱


শীতকালীন ফসল টমেটো এখন চাষ হচ্ছে গরমেও!

সঠিক জাত, পরিচর্যা আর পরিকল্পনায় ১ শতকে হতে পারে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন! 😲

চলুন জেনে নেই সফল গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের পরিপূর্ণ গাইডলাইন 👇


🌤️ জলবায়ু উপযোগিতা:

✅ গড় তাপমাত্রা: ২০°–২৫°C

✅ রাতে তাপমাত্রা ২৩°C এর নিচে হলে ফলন ভাল হয়

🚫 বেশি গরম বা বাতাসের আর্দ্রতা = ফুল ঝরা + রোগ বৃদ্ধি


🌱 মাটি ও জমি প্রস্তুতি:

🔹 আলো বাতাস চলাচলযোগ্য দোআঁশ বা এটেল দোআঁশ

🔹 পানি না জমা জমি

🔹 চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন

🔹 বিঘাপ্রতি কার্বোফুরান ৩ কেজি প্রয়োগ


🧬 উপযুক্ত জাত:

BARItomato-৫, ৬, ১১, ১৪

BARI Hybrid Tomato-৪, ৮, ১০

Mintoo Hybrid ✅


📅 বীজ বপনের সময়: এপ্রিল – জুন (বৈশাখ – আষাঢ়)


🌱 বীজতলা ও চারা ব্যবস্থাপনা:

📌 প্রতি শতকে ১ গ্রাম বীজ

📌 চারা গজানোর ১০-১২ দিন পর ২য় বীজতলায় হার্ডেনিং

📌 অতিরিক্ত বৃষ্টি বা রোদে পলি শেড ব্যবহার করুন (৪.৫ মাইক্রন দেশি পলি)


🛠️ বেড তৈরির নিয়ম:

১ মি. চওড়া ও ১৫-২০ সে.মি. উঁচু বেড

দুই বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. নালা


🌾 সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি শতকে):

🔸 গোবর: ৪০ কেজি

🔸 ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

🔸 টিএসপি: ৮০০ গ্রাম

🔸 পটাশ: ৭৫০ গ্রাম

🔸 জিপসাম: ২২০ গ্রাম

🔸 জিংক: ২০ গ্রাম

🔸 বোরন: ২৫ গ্রাম


📌 জমি তৈরির সময় গোবর + টিএসপি + জিপসাম + জিংক + বোরন + ১/৩ পটাশ

📌 চারা রোপনের ১৫, ২৫, ৪০ দিনে আলাদা করে ইউরিয়া ও পটাশ প্রয়োগ


🧪 হরমোন প্রয়োগ (ফুল ঝরা রোধে):

⏰ সকাল ৯টা–১১টার মধ্যে

📌 ৪সিপিএ জাতীয় হরমোন (ভেজিমেক্স/প্রোটোজিম/বলবান/এস্টার)

💧 প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি. হারে স্প্রে


🧑‍🌾 বিশেষ পরিচর্যা:

✔️ ১ম ফুলের নিচের সব কুশি ছেঁটে ফেলুন

✔️ গাছকে বাঁশ বা খুঁটি দিয়ে ঠেকনা দিন


🍅 ফলন সম্ভাবনা:

📌 ২০০–৩৫০ কেজি/শতক

📌 ৫০–৯০ টন/হেক্টর জাত ভেদে


🏡 টিপস:

স্থায়ীভাবে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তারা পলি হাউজ করে চাষ করুন

➡️ সারা বছর চাষযোগ্য উচ্চ মূল্যের ফসল: ক্যাপসিকাম, তরমুজ, রকমেলন, লেটুস ইত্যাদি


🟢 ফলন বাড়াতে জেনে বুঝে চাষ করুন

💬 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও লাভবান হয়


#টমেটোচাষ #গ্রীষ্মকালীনটমেটো #সবজিচাষ #AgroTips #SmartFarmer #TomatoFarming #HighYield #GreenBusiness #পলি_হাউজ #অর্গানিকচাষ #BangladeshAgriculture

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...